বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬৯ / ১৪০ · ৬,৮০১৬,৯০০ / ১৪,০৮০

৬,৮০১.
নিচের কোনটি গুচ্ছফল নয়?
  1. আনারস
  2. আকন্দ
  3. আতা
  4. চম্পা
সঠিক উত্তর:
আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনারস
ব্যাখ্যা

- আম, জাম ইত্যাদি হলো সরল ফল।
- আতা, আকন্দ, চম্পা, নয়নতারা ইত্যাদি গুচ্ছফল।
- আনারস, কাঁঠাল ইত্যাদি হলো যৌগিক ফল।
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৬,৮০২.
টর্নেডো কী কারণে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ভূমিকম্প
  2. খ) অত্যধিক বৃষ্টিপাত
  3. গ) ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
ব্যাখ্যা
• টর্নেডো বায়ুর নিম্মচাপের জন্য সৃষ্টি হয়।

টর্নেডো: টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
- টর্নেডো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা স্থলভাগে সৃষ্টি হয়।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
- এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে।
- এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
- তবে চোঙ ভূমি স্পর্শ না করলে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয় না।
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮০৩.
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ কী?
  1. ভাইরাস ধ্বংস করে।
  2. ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ।
  3. প্রোটিন বাড়ায়।
  4. কোষ বিভাজন বন্ধ করে।
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ।
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic) হল একধরনের ঔষধ যা ব্যাকটেরিয়া-জনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।

অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে কাজ করে:
- অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। 
- ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধ্বংস করে (যেমনঃ Penicillin)। 
- ব্যাকটেরিয়ার DNA প্রতিলিপি প্রক্রিয়া ব্যাহত করে। 
- প্রোটিন সংশ্লেষণ থামিয়ে দেয় (যেমনঃ Tetracycline)। 

আন্টিবায়োটিক গ্রহনে সতর্কতা- 
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ বিপজ্জনক।
- কোর্স সঠিকভাবে শেষ করতে হবে। 
- ভুলভাবে বা বেশি ব্যবহারে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (Antibiotic Resistance) দেখা দেয়, যা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে

তথ্যসূত্র: 
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ । 
- WHO (World Health Organization). 
৬,৮০৪.
তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র কোন ধরণের?
  1. উন্মুক্ত
  2. বন্ধ
  3. উভয়
  4. কোনটাই না
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত
ব্যাখ্যা

• তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র (Circulatory System of Cockroach):
- তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র - উন্মুক্ত (Open type)।
- এদের দেহে রক্ত সম্পূর্ণভাবে রক্তনালীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
- রক্ত (হিমোলিম্ফ) দেহগহ্বরের মধ্যে অবস্থিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সরাসরি স্নান করায়।
- তেলাপোকার হৃদপিণ্ড একটি দীর্ঘ নলাকার গঠনবিশিষ্ট এবং দেহের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত।
- রক্ত পরিবহনের সময় অক্সিজেন বহন করে না, কারণ তেলাপোকা ট্র্যাকিয়াল শ্বাসপ্রণালীর মাধ্যমে শ্বাস গ্রহণ করে।
- তাই তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্রকে বন্ধ (Closed) বলা যায় না।

সুতরাং, তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্রের ধরণ হলো - উন্মুক্ত।
সঠিক উত্তর: ক) উন্মুক্ত। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৬,৮০৫.
চেতনানাশক হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. ফেনল
  2. হ্যালোজেন
  3. বেনজিন
  4. ক্লোরোফরম
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফরম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফরম
ব্যাখ্যা
ইথানল থেকে ক্লোরোফরম প্রস্তুতির মূলনীতি: 
- ইথানল, ব্লিচিং পাউডার ও পানির মিশ্রণকে পাতন করলে ক্লোরোফরম পাতিত তরল রূপে সংগৃহীত হয়।
-ব্লিচিং পাউডার ও পানি থেকে উৎপন্ন ক্লোরিন দ্বারা ইথানল প্রথমে জারিত হয়ে অ্যাসিটালডিহাইড বা ইথান্যাল উৎপন্ন করে এবং পরে ক্লোরিনেশন দ্বারা ক্লোরাল এবং শেষে ক্ষারীয় বিশ্লেষণের ফলে ক্লোরোফরম উৎপন্ন হয়।


ক্লোরোফরম ব্যবহার: 
১। চেতনানাশক হিসেবে ক্লোরোফরম ব্যবহার করা হয়। 
২। পরীক্ষাগারে বিকারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
৩। ফাংগাসের বংশবৃদ্ধি রোধ, জৈবযৌগের সংশ্লেষণ এবং ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
৪। চর্বি, তেল, মোম, রাবার নিষ্কাশনে জৈব দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮০৬.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঋতু বৈচিত্রের পরিবর্তনের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. বন্যা
  2. তীব্রখরা
  3. ভূমিক্ষয়
  4. অতিবৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ভূমিক্ষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিক্ষয়
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের ঋতুচক্র বদলে যাচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের কৃষি উৎপাদনের উপরে পড়তে শুরু করেছে। 
- বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম একটি নিদর্শন বৃষ্টিপাতের ধরন পাল্টে যাওয়া।
- খরাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিনে দিনে নিম্নমুখী হয়ে সেচ কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে যার ফলে বিভিন্ন কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। 
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেশে ফসল উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- পরিবেশ ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ার অসংলগ্ন আচরণের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে কৃষি খাতকে ইতিমধ্যে ধকল পোহাতে হচ্ছে। 
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। 
- ফলে অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা, তীব্রখরা, নদীর নাব্যতা সংকট, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। 
- এই সবগুলোই কৃষি খাতের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 
যেমন- 
• ফসল উৎপাদনে খরার প্রভাব, 
• ফসল উৎপাদনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব, 
• ফসল উৎপাদনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রভাব, 
• ফসল উৎপাদন এবং কার্বন নিঃসরণ, 
• সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ফসল উৎপাদনে তার প্রভাব ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- বায়ু প্রবাহের প্রভাবের জন্য ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি, জমির উর্বরতার হ্রাস-বৃদ্ধি, ভূমিক্ষয়, জমির গঠন, বাস্তুসংস্থানের সক্রিয়তা, পানিচক্র বা খাদ্য চক্রের মত প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা রক্ষা ইত্যাদিতে পরিবর্তন ঘটে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮০৭.
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে?
  1. ডিজেল
  2. পেট্রোল
  3. অকটেন
  4. সিএনজি
সঠিক উত্তর:
ডিজেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজেল
ব্যাখ্যা
- ডিজেল পোড়ালে বাতাসে সালফার ডাই-অক্সাইড আসে। 
- তবে মনে রাখতে হবে, ডিজেল পোড়ালে সবচেয়ে বেশি বায়ুমণ্ডলে যুক্ত হয় কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালফারযুক্ত ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে এর দহন প্রক্রিয়ায় সালফারের জারন থেকে সালফার অক্সাইড উৎপন্ন ও নির্গত হয়। 
- সালফার ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ বেশি হবে না কম হবে তা ডিজেলে উপস্থিত সালফারের উপর নির্ভর করে। 

• জেনে রাখা ভাল- 
- অন্যদিকে ডিজেল একটি হাইড্রোকার্বন হওয়ায় এটির দহনে সবসময়ই কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। 
- সকল হাইড্রোকার্বনই এমন দহন বিক্রিয়া দেয়। 
- যুক্ত্রাষ্ট্রের Energy Information Administration (EIA) এর তথ্যমতে, 
- ২০১৮ সালে ডিজেল পোড়ানোর কারণে ৪৬১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) নির্গত হয়েছে যা ঐ বৎসরে যুক্তরাষ্ট্রের মোট কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের শতকরা ৯ ভাগ। 

উৎস: doe.portal.gov.bd & U.S. Energy Information Administration (EIA) Websites.
৬,৮০৮.
“তাপ এক ধরনের শক্তি” - এই ধারণার প্রবক্তা কে?
  1. ক) জেমস ওয়াটসন
  2. খ) কাউন্ট রামফোর্ড
  3. গ) লর্ড কেলভিন
  4. ঘ) অ্যান্ডার্স সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) কাউন্ট রামফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাউন্ট রামফোর্ড
ব্যাখ্যা

অষ্টাদশ শতাব্দীর আগে তাপকে ভরহীন এক ধরনের তরল বলে বিবেচনা করা হতো৷
১৭৯৮ সালে কাউন্ট রামফোর্ড দেখান, তাপ এক ধরনের শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৬,৮০৯.
বায়ূ দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগ কোনটি?
  1. ক) আমাশয়
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) অ্যাজমা
  4. ঘ) টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা
- জগতের প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বায়ু। বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের উপর যে প্রভাব পড়ে তা হলো- 

মানব স্বাস্থ্যের উপর বায়ু দূষণের প্রভাব:
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।

বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের আরো যেসব ক্ষতি হতে পারে:
১. অ্যাজমা
২. ব্রঙ্কাইটিজ 
৩. মাথাব্যাথা 
৪. চোখের সমস্যা 
৫. হাইপারটেনশন 
৬. রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা হ্রাস
৭. হৃদরোগ
৮. অবসন্নতা  
৯. মাথা ঘূন্নি 
১০. আলসার
১১. বমি বমি ভাব 
১২. খিচুনী ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮১০.
তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে ভিত্তিতে এক্স-রশ্মিকে কতভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
এক্সরে রশ্মি:

- দ্রুত গতিসম্পন্ন ক্যাথোড রশ্মি বা ইলেকট্রন কোন ধাতব প্রতিবন্ধকে আঘাতপ্রাপ্ত হলে এর গতিশক্তির একটা অংশ যে রশ্মিতে রূপান্তরিত হয়, তাকে এক্সরে রশ্মি বলে।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে ভিত্তিতে এক্সরে রশ্মি দুই শ্রেণীতে বিভক্ত। যথা-
১) কঠিন এক্সরে রশ্মি।
২) কোমল এক্সরে রশ্মি।
• কঠিন এক্সরে রশ্মি: তুলনামূলক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এক্সরে রশ্মিকে কঠিন এক্সরে রশ্মি বলে।
- এক্সরে রশ্মি যন্ত্রে উচ্চ বিভব পার্থক্য প্রয়োগে কঠিন এক্সরে রশ্মি পাওয়া যায়।
- এর ভেদনক্ষমতা উচ্চ।
• কোমল এক্সরে রশ্মি: তুলনামূলক দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এক্সরে রশ্মিকে কোমল এক্সরে রশ্মি বলে।
- এক্সরে রশ্মি যন্ত্রের নিম্ন বিভব পার্থক্য প্রয়োগে কোমল এক্সরে রশ্মি পাওয়া যায়।
- এটি নিম্ন ভেদনক্ষমতা সম্পন্ন।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮১১.
The most abundant element in the earth's crust is -
  1. ক) Nitrogen
  2. খ) Silicon
  3. গ) Hydrogen
  4. ঘ) Oxygen
সঠিক উত্তর:
ঘ) Oxygen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Oxygen
ব্যাখ্যা
ভূত্বক:
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।

- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ - ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ - ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ - ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ - ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ - ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ - ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ - ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ - ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮১২.
সোশ্যাল মিডিয়ায় 2K25- তে K মানে -
  1. শত
  2. হাজার
  3. দশ হাজার
  4. লক্ষ
সঠিক উত্তর:
হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজার
ব্যাখ্যা

সোশ্যাল মিডিয়ায় 'k:
- সোশ্যাল মিডিয়ায় 2K25- তে K মানে Thousands বা হাজার।
- এই 'K' গ্রিক শব্দ 'Kilo' (কিলো) থেকে এসেছে, যার অর্থ হাজার।
- সুতরাং, 2K25 বলতে 2025 হাজার। 

৬,৮১৩.
মানব মস্তিষ্ক কতটি প্রধান অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
- মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক, (২) মধ্যমস্তিষ্ক ও (৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

অগ্রমস্তিষ্ক - অগ্রমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা- (ক) সেরেব্রাম, (খ) থ্যালামাস ও (গ) হাইপোথ্যালামাস।

মধ্যমস্তিষ্ক - হাইপোথ্যালামাসের নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গোলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত, প্রথম দুটি সেরেব্রাল পেডাংকল এবং শেষের দুটি কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা।

পশ্চাৎমস্তিষ্ক - এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংগাটা এবং পনস।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৮১৪.
কোন গ্রহের চারটি বৃহত্তম চাঁদকে গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ বলা হয়?
  1. ইউরেনাস
  2. মঙ্গল
  3. বৃহস্পতি
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতির চাঁদ বা উপগ্রহ:
- বৃহস্পতির ৯৫টি চাঁদ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংঘ (IAU) দ্বারা স্বীকৃত।
- এই চাঁদগুলো ১৬১০ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলি প্রথম দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে আবিষ্কার করেন।
- চারটি বৃহত্তম চাঁদকে (গ্যালিলিয়ান স্যাটেলাইটস) গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ বলা হয়।

• বৃহত্তম চারটি চাঁদ-
- আইও (Io): সৌরজগতের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিময় বস্তু।
- ইউরোপা (Europa): এর বরফ আচ্ছাদনের নিচে তরল জলের একটি মহাসাগর থাকতে পারে, যেখানে জীবনের জন্য উপাদান রয়েছে।
- গ্যানিমিড (Ganymede): সৌরজগতের বৃহত্তম চাঁদ, যা বুধ গ্রহের চেয়েও বড়।
- ক্যালিস্টো (Callisto): এতে কয়েকটি ছোট গর্ত রয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে এর পৃষ্ঠে খুব সামান্য কার্যকলাপ বিদ্যমান।

উৎস: NASA Science ওয়েবসাইট।

৬,৮১৫.
মানবদেহে মোট ওজনের শতকরা কত ভাগ ক্যালসিয়াম থাকে?
  1. ক) ৫%
  2. খ) ৮%
  3. গ) ২%
  4. ঘ) ১০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২%
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 

- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,৮১৬.
ব্যাকটেরিয়া কোষে কোনটি অনুপস্থিত?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  3. গ) গলগি বডি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। 
- এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
- এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।

 সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮১৭.
বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা কত মিলিগ্রাম?
  1. ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. খ) ০.০১ মিলিগ্রাম
  3. গ) ০.১ মিলিগ্রাম
  4. ঘ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
আর্সেনিক দূষণ:

- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic).
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।

- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।

তথ্যসূত্র: ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
৬,৮১৮.
দৃশ্যমান আলোর স্পেকট্রামে কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. বেগুনী
  2. লাল
  3. নীল
  4. সাদা
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- দৃশ্যমান আলোর স্পেকট্রামে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে লাল আলো কম বিক্ষিপ্ত হয় এবং বস্তুর পৃষ্ঠ থেকে সহজে প্রতিফলিত হয়।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি।
- আর লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮১৯.
মাটির কলসিতে পানি ঠান্ডা থাকার কারণ কী?
  1. মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
  2. মাটির কলসি তাপ বিকিরণ করে
  3. মাটির পাত্র ভাল তাপ পরিবাহী
  4. মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
• বাষ্পীভবন:
- বাষ্পীভবন এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা নদী, হ্রদ, জলাশয় বা সমুদ্রের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং তা বায়ুমন্ডলের মিশে যায়।
- বাষ্পায়ন থেকে শীতলীকরণ প্রক্রিয়ার ফলে মাটির কলসিতে পানি ঠান্ডা থাকে।
- গরমের দিনে মাটির কলসীতে পানি রেখে পানি ঠান্ডা করা হয়।
- মাটির কলসীর গায়ে অসংখ্য সূক্ষ্ম ছিদ্র পথে সর্বদা পানি চুঁইয়ে বাইরে আসে।
- ফলে কলসীর বাইরের গাটি সবসময়ই ভেজা থাকে।
- এই পানির কণা কলসীর গা এবং সংলগ্ন বাতাস থেকে প্রয়োজনীয় সুপ্ত তাপ সংগ্ৰহ করে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়।
- কলসীর গা ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে, ফলে কলসীর ভেতরের পানিও ঠান্ডা হয়।
- এছাড়া বাষ্পায়ন থেকে শীতলীকরণের নীতিকে কাজে লাগিয়ে রিফ্রিজারেটর তৈরি করা হয়।

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮২০.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষে ব্যবহৃত লবণ সেতু কী কাজ করে?
  1. খুব দ্রুত চার্জের ভারসাম্য বজায় রাখতে
  2. ক্যাটায়নের পরিমান বাড়াতে
  3. বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
  4. অ্যানায়নের পরিমান বাড়াতে
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
ব্যাখ্যা
লবণ সেতু:
- ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন এর আয়নীয় গতিবেগ সমান এমন একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের জলীয় দ্রবণে আগর আগর জেলি মিশিয়ে উত্তপ্ত করে পরে ঠান্ডা করে লবণ সেতু বা সল্ট ব্রিজ তৈরি করা হয়।
- লবণ সেতু ছাড়া যদি কোন পূর্ণাঙ্গ তড়িৎ রাসায়নিক কোষ তৈরি করা হয়, তবে একটি দ্রবণ দ্রুত ধনাত্মক চার্জ সংগ্রহ করবে এবং অন্যটি নেগেটিভ চার্জ জমা করবে এবং শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতের উৎপাদন থামিয়ে দেবে।
- লবণ সেতুর উদ্দেশ্য হলো বৈদ্যুতিক রাসায়নিক বিক্রিয়াকে খুব দ্রুত ভারসাম্য বজায় রাখা থেকে বিরত রাখা।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে তড়িৎ কোষে লবণ সেতু ব্যবহার করা হয়।
- লবণ সেতুর লবণের আয়নগুলো তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষের উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলাচল করে।
- আয়নগুলো দ্রবণের সাথে কোন প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।
- জারণ অর্ধকোষে উৎপন্ন ধনাত্মক আয়ন বৃদ্ধি পেলে লবণ সেতু হতে ঋণাত্মক আয়ন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দ্রবণে প্রবেশ করে চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- একইভাবে বিজারণ অর্ধকোষে ঋণাত্মক আয়ন বৃদ্ধি পেলে লবণ সেতু হতে ধনাত্মক আয়ন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দ্রবণে প্রবেশ করে চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ফলে উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে তড়িৎ নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৬,৮২১.
প্রোটিন হজম করার জন্য পাকস্থলিতে কোন অবস্থা প্রয়োজন?
  1. ক) ক্ষারীয়
  2. খ) এসিডিক
  3. গ) বেসিক
  4. ঘ) ক্ষারীয়
  5. ঙ) প্রশমিত
সঠিক উত্তর:
খ) এসিডিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এসিডিক
ব্যাখ্যা
প্রোটিন হজম করার জন্য পাকস্থলীর pH এর মান 2 অর্থাৎ এসিডিক রাখা প্রয়োজন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৬,৮২২.
নাইট্রিক এসিডে কোন মৌলিক পদার্থটি নেই?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. পটাসিয়াম
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
নাইট্রিক এসিড একটি শক্তিশালী এসিড।
এর রাসায়নিক সংকেত - HNO3
সোনার গহনা তৈরির সময় স্বর্ণকাররা নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করেন।

Source: pubchem.ncbi.nlm.nih.gov/
৬,৮২৩.
স্থায়ী চুম্বক বলতে কী বোঝায়?
  1. যে চুম্বক কেবল লোহার উপর কাজ করে
  2. যে চুম্বক তড়িৎ প্রবাহে তৈরি হয়
  3. যে চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয়
  4. যে চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না 
সঠিক উত্তর:
যে চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না 
ব্যাখ্যা

- স্থায়ী চুম্বক এমন পদার্থ দিয়ে তৈরি যা একবার চুম্বকিত হলে তার চৌম্বক ধর্ম দীর্ঘকাল ধরে রাখে এবং বাইরের কোনো শক্তি (যেমন- তাপ, আঘাত) প্রয়োগ না করলে সহজে চুম্বকত্ব হারায় না। 

স্থায়ী চুম্বক: 
- যে সকল চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত চুম্বক স্থায়ী হলেও তা অত্যন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয়। তাই চৌম্বক পদার্থের সাথে অন্য পদার্থের মিশ্রণে অথবা বিশেষ প্রক্রিয়ায় (স্পর্শ-ঘর্ষণ পদ্ধতি) স্থায়ী শক্তিশালী চুম্বক তৈরি করা হয়। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- যদি কোনো চৌম্বক পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে চৌম্বক ধর্ম প্রদর্শন করে এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের অনুপস্থিতিতে যদি তা চুম্বকত্ব হারায় তবে তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 

তড়িৎ চুম্বক: 
- একটি বৃত্তাকার কুন্ডলী বা সলিনয়েডে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর মধ্যে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয় এবং এটি একটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের ফলে এ চুম্বক সৃষ্টি হয় বলে একে তড়িৎ চুম্বক বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮২৪.
ছত্রাকের (Fungi) কোষপ্রাচীর প্রধানত কোন উপাদান দিয়ে তৈরি?
  1. Lipid
  2. Cellulose
  3. Chitin
  4. Protein
সঠিক উত্তর:
Chitin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chitin
ব্যাখ্যা

◉ ছত্রাকের কোষপ্রাচীর উদ্ভিদের মতো সেলুলোজ দিয়ে নয়, বরং কাইটিন (Chitin) নামক শক্ত ও স্থিতিস্থাপক উপাদান দ্বারা গঠিত।

ছত্রাক: 
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক। 
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত। 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়। 
- আর্দ্রতা, উষ্ণতা, খাদ্যসমৃদ্ধ ছায়াযুক্ত বা অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশেই ছত্রাকের উপযুক্ত বাসস্থান। 
যথা- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Botrytis, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ। 
- ছত্রাকের অঙ্গজদেহ লম্বা সুতার ন্যায় নালিকা বা হাইফি (Hypae) দিয়ে গঠিত। হাইফিকে একবচনে হাইফা (Hypa) বলা হয়। 
- এসব হাইফিগুলো প্রচুর শাখা প্রশাখাবিশিষ্ট হয়ে একত্রে অবস্থান করে একটি জটের সৃষ্টি করে। একে মাইসেলিয়াম বলা হয়। মাইসেলিয়ামকে বহুবচনে মাইসেলিয়া বলে। 

ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য: 
১। ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ। 
২। এরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম। 
৩। এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে। 
৪। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে। 
৫। ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত। 
৬। ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি। 
৭। এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না। 
৮। এদের জননাঙ্গ এককোষী। 
৯। স্ত্রীজননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না। 
১০। হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার হয়। 
১১। জাইগোটে মায়োসিস ঘটে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮২৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে প্রকৃত কোষ দেখা যায়?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) নস্টক
  4. ঘ) ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা

- ভাইরাস অকোষীয়। ভাইরাসের দেহে কেবল নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন আবরণ উপস্থিত থাকে।
- ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ শৈবাল (নস্টক) ইত্যাদি ক্ষেত্রে আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ দেখা যায়। এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না, তবে রাইবোজোম থাকে।
- অধিকাংশ জীবকোষই প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ ধরনের। ছত্রাক, বিরুৎ, গুল্ম, বৃক্ষ, মানুষ, গরু ইত্যাদি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সুকেন্দ্রিক কোষ দেখা যায়। এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত এবং রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে।

সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৬,৮২৬.
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র কোনটি? 
  1. পাইরোমিটার 
  2. ট্যাকোমিটার 
  3. ওডোমিটার 
  4. অডিওমিটার 
সঠিক উত্তর:
পাইরোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইরোমিটার 
ব্যাখ্যা

- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র- পাইরোমিটার। 

আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিমাপক যন্ত্র: 
- সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
- সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৬,৮২৭.
আলোকবর্ষ ব্যবহার করে কী পরিমাপ করা হয়?
  1. ভর
  2. সময়
  3. দূরত্ব
  4. ওজন
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব
ব্যাখ্যা
- আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
- এটি দূরত্বের একক।
- এক আলোকবর্ষ সমান 9.4607 × 1015
উল্লেখ্য, আলোর গতি 3 x 108 ms-1.

অন্যদিকে,
- ভরের একক গ্রাম। 
- ওজনের একক নিউটন। 
- সময় এর একক সেকেন্ড। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৮২৮.
কোন জীবে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না? 
  1. ছত্রাক
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. শৈবাল
  4. ব্রায়োফাইটস
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
- 'ব্যাকটেরিয়া' জীবে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। 

কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান যে প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন Cell । 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ। 
১। আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organism), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

২। প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 

- আবার, অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- দেহ কোষ এবং জনন কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮২৯.
নিষ্ক্রিয় গ্যাস নয়-
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নিয়ন
  3. গ) হিলিয়াম
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

নিষ্ক্রিয় গ্যাসঃ হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।
আবার বায়ুতে এদের পরিমাণ খুবই কম (<1%); এ কারণে এদেরকে বিরল বা দুর্লভ গ্যাসও বলা হয়।
এই গ্যাসগুলো খুব একটা ক্ষতিকরও নয়; তাই এদেরকে ‍উত্তম গ্যাসও বলা হয়।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৮৩০.
মানবদেহের রক্তে কত রকমের অ্যান্টিবডি দেখা যায়?
  1. পাঁচ
  2. তিন
  3. দুই
  4. চার
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবডি (Antibody): 
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। 
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। 
- এরা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত (combine) হতে পারে এবং ক্লোনাল নির্বাচন (colonal selection) দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং দেহের প্রধান সৈনিক বা রক্ষণাবেক্ষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। 
- অ্যান্টিবডিগুলো অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে, কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো বাইরে নিক্ষেপ করে। 
- অ্যান্টিজেন হচ্ছে non-self আর অ্যান্টিবডি হচ্ছে self বস্তু। 

অ্যান্টিবডির প্রকার: 
- মানবদেহের রক্তে পাঁচ রকমের ইমিউনোগ্লোবিউলিন অর্থাৎ অ্যান্টিবডি দেখা যায়। 
যথা- IgG, IgA, IgM, IgD ও IgE। 
- এগুলো মানবদেহের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- পাঁচ প্রকার অ্যান্টিবডির মধ্যে IgG রক্তরসে সর্বাধিক মাত্রায় থাকে এবং IgD ও IgE সবচেয়ে কম পরিমাণে থাকে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৩১.
In the human body, what is the approximate percentage of plasma in the blood?
  1. 30%
  2. 70%
  3. 90%
  4. 55%
  5. 65%
সঠিক উত্তর:
55%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
55%
ব্যাখ্যা
• রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)। 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 

• রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
• লোহিত রক্তকণিকা, 
• শ্বেত রক্তকণিকা এবং 
• অণুচক্রিকা। 

• লোহিত রক্তকণিকা:
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াসবিহীন।
- এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জন পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 

• শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।

• অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা (platelet) হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০ দিন।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৩২.
সুষম খাদ্যে শর্করার শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ৮০ %
  2. ৯০ %
  3. ৬০ %
  4. ১৫ %
সঠিক উত্তর:
৬০ %
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ %
ব্যাখ্যা
সুষম খাদ্য:

- মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
- সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
- সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১। 

• সুষম খাদ্যের উপাদান:
১. শর্করা (৬০%),
২. আমিষ (১৫%),
৩. ভিটামিন,
৪. খনিজ লবণ (১০%),
৫. চর্বি (১৫%) এবং 
৬. পানি।

- যে খাদ্যে এই ছয়টি উাপাদান পরিমিত পরিমাণে রয়েছে তাকে আমরা বলি সুষম খাদ্য। এই খাদ্য ব্যক্তি বিশেষের দৈহিক চাহিদা পূরণ করে এবং তাকে সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত থাকতে সাহায্য করে।

ছবির উৎস: প্রথম আলো 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পরিবেশ-শিক্ষা বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা: ২৬৯, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৩৩.
পরপর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল কোনটি?
  1. অ্যাক্সন
  2. মাইলিন শিথ
  3. ডেনড্রাইট
  4. সিন্যাপস
সঠিক উত্তর:
সিন্যাপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্যাপস
ব্যাখ্যা

• একটি নিউরনের অ্যাক্সনের শেষ প্রান্ত এবং পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের মধ্যবর্তী সূক্ষ্ম ফাঁক বা সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলা হয়।
- যদিও দুটি নিউরন এখানে একে অপরের খুব কাছে থাকে, তবে তারা সরাসরি যুক্ত থাকে না। এদের মধ্যবর্তী এই ফাঁকা স্থান বা স্নায়ুসন্ধির মাধ্যমেই রাসায়নিক পদার্থ (নিউরোট্রান্সমিটার) ব্যবহার করে তড়িৎ বার্তা আদান-প্রদান করা হয়।

• নিউরন:
- নিউরনই প্রকৃতপক্ষে স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক।
- একটি নিউরনের দুটি অংশ থাকে। 
যথা: 
(ক) কোষ দেহ, 
(খ) প্রলম্বিত অংশ।

• কোষদেহ:
- প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষ দেহ নামে পরিচিত।

• প্রলম্বিত অংশ: 
- কোষ দেহ হতে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকে প্রলম্বিত অংশ বলে।
- প্রলম্বিত অংশ দু'ধরনের। 
যথা: 

১. ডেনড্রাইট:
- কোষ দেহের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রাইট এর সংখ্যা শূন্য থেকে কয়েকটি হতে পারে।

২. অ্যাক্সন:
- কোষ দেহ হতে সৃষ্ট বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন।
- এর চারদিকে পাতলা আবরণকে নিউরিলেমা বলে।
- নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
- নিউরিলেমা ও অ্যাক্সন এর মধ্যবর্তী অংশে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। একে মায়োলিন সিথ বলে।

- একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় একটি নিউরনের ডেনড্রাইট যুক্ত থাকে।
- এ সংযুক্ত বিন্যাসকে সিন্যাপস (Synapse) বলে।
- পরপর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল হলো সিন্যাপস।
- সিন্যাপস এর মধ্যদিয়ে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৩৪.
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মতো?
  1. আয়তাকার
  2. নিখুঁত গোলক
  3. উপবৃত্তাকার
  4. অভিগত গোলক
সঠিক উত্তর:
অভিগত গোলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিগত গোলক
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকার ও আকৃতি (Size and Shape of the Earth):
- ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল, মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথমবারের মতো মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, বরং কিছুটা চাপা এবং স্ফীত। তার তোলা ছবিতেও পৃথিবীকে গোলাকার দেখা যায়।
- তবে বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি একদম নিখুঁত গোল নয়। বরং এটি কিছুটা চাপা ও স্ফীত হওয়ায় এর প্রকৃত আকৃতি হয় অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)।

•  পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাস:
- নিরক্ষীয় ব্যাস (পূর্ব-পশ্চিমে) = ১২,৭৫৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় ব্যাস (উত্তর-দক্ষিণে) = ১২,৭১৪ কি.মি.
- পার্থক্য = ৪৩ কি.মি.।
- গড় ব্যাস = ১২,৭৩৪.৫ কিমি → প্রায় ১২,৮০০ কিমি (গণনার সুবিধার জন্য)।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ ও পরিধি:
- গড় ব্যাসার্ধ = ৬,৪০০ কি.মি.।
- নিরক্ষীয় পরিধি = ৪০,০৭৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় পরিধি = ৪০,০০৯ কি.মি.।
- গড় পরিধি ≈ ৪০,০০০ কি.মি.।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৮৩৫.
ঐচ্ছিক পেশি পাওয়া যায়-
  1. শ্বসননালী
  2. জনননালী
  3. মধ্যচ্ছদা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মধ্যচ্ছদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যচ্ছদা
ব্যাখ্যা
মধ্যচ্ছদ (Diaphragm):
- এটি একটি বড় গম্বুজাকৃতির পেশি, যা ফুসফুসের নিচে থাকে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় ওঠা-নামা করে।
- যদিও এটি অনৈচ্ছিক পেশি (involuntary) হিসেবে কাজ করে, তবে আমরা চাইলে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি (যেমন: গভীর নিঃশ্বাস নেওয়া বা দম ধরে রাখা)।
- তাই এটিকে ঐচ্ছিক ও অনৈচ্ছিক – দুই রকম বৈশিষ্ট্যই আছে, তবে ঐচ্ছিক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব তাই এটিকে ঐচ্ছিক পেশিও বলা যায়।

• অবস্থান, গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে পেশি টিস্যু তিন ধরনের, ঐচ্ছিক পেশি, অনৈচ্ছিক পেশি এবং হৃৎপেশি।

• ঐচ্ছিক পেশি (Voluntary) বা ডোরাকাটা পেশি (Striated muscle):
- এই পেশি প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত হয়। ঐচ্ছিক পেশিটিস্যুর কোষগুলো নলাকার, শাখাবিহীন ও আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত হয়।
- এদের সাধারণত একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
- এই পেশি দ্রুত সংকুচিত এবং প্রসারিত হতে পারে।
- ঐচ্ছিক পেশি অস্থিতন্ত্রের সংলগ্ন থাকায় একে কঙ্কালপেশিও বলে।
- উদাহরণ: মানুষের হাত এবং পায়ের পেশি।

• অনৈচ্ছিক পেশি (Involuntary muscle) বা মসৃণ পেশি (Smooth muscle):
- এই পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়।
- এ পেশি কোষগুলো মাকু আকৃতির।
- এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে না। এ
- জন্য এ পেশিকে মসৃণ পেশি বলে।
- মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তনালি, জনননালী, শ্বসননালী, পৌষ্টিকনালি ইত্যাদির প্রাচীরে অনৈচ্ছিক পেশি থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও National Institutes of Health (NIH)
৬,৮৩৬.
প্রথম টেস্টটিউব বেবীত্রয় কবে ভূমিষ্ঠ হয়?
  1. ক) ২৭ মে
  2. খ) ২৪ মে
  3. গ) ৩০ মে
  4. ঘ) ৩১ মে
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ মে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্টটিউব বেবি লুইস ব্লাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

বাংলাদেশে প্রথম টেস্টটিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি কিনিকে। দেশের প্রথম টেস্টটিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩) ও বাবা আবু হানিফ তাদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এ টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
ডা. পারভীন ফাতেমার তত্ত্বাবধানে এই টেস্টটিউব বেবীদের জন্ম হয়েছিল।

উৎস: সময় নিউজ/টিভি।
৬,৮৩৭.
কোন ধরনের শৈবাল পাথরের গায়ে জন্মায়?
  1. এপিফাইটিক শৈবাল
  2. বেন্থিক শৈবাল
  3. এন্ডোফাইটিক শৈবাল 
  4. লিথোফাইটিক শৈবাল
সঠিক উত্তর:
লিথোফাইটিক শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথোফাইটিক শৈবাল
ব্যাখ্যা

- যে শৈবাল পাথরের গায়ে বা পাথরের ফাটলে জন্মায়, তাদের লিথোফাইট বা লিথোফাইটিক শৈবাল বলা হয়। এরা বাতাস, বৃষ্টি এবং জমে থাকা জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে। 

শৈবাল: 

- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
অর্থাৎ, আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- শৈবাল কখনও এককভাবে, কখনও দলবদ্ধভাবে নালা নর্দমা, পুকুর, হ্রদ, নদী, সাগর, এক কথায় পৃথিবীর সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে রয়েছে এদের প্রায় ত্রিশ হাজার প্রজাতি। 

- জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে ‘বেনথিক শৈবাল’ বলা হয়। 
- পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে ‘লিথোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- উচ্চশ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে ‘এন্ডোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ অথবা অন্য শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদের ‘এপিফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- সম্পূর্ণ ভাসমান এককোষী শৈবালদেরকে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৩৮.
ভাইরাস একটি-
  1. ক) এককোষীয় জীব
  2. খ) বহুকোষীয় জীব
  3. গ) অকোষীয় জীব
  4. ঘ) আণুবীক্ষণিক
সঠিক উত্তর:
গ) অকোষীয় জীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অকোষীয় জীব
ব্যাখ্যা
ভাইরাস অর্থ বিষ। ভাইরাস হলো এক প্রকার অতি আণুবীক্ষণিক ও অকোষীয় জীব জীব। যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের ভিতরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৩৯.
বিজারক কী?
  1. প্রোটন গ্রহণ করে
  2. অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়
  3. অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়
  4. ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়
ব্যাখ্যা
• জারণ- বিজারণ:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

- সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na+Cl2=2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
- উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
- ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক
• Na → Na+ + e- (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
• Cl + e- → CI (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

• সহজে মনে রাখার উপায়:
- জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।
- জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
- বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
- বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৪০.
পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয় কোন তাপমাত্রায়?
  1. 0° C
  2. 0° K
  3. 4° C
  4. 100° C
সঠিক উত্তর:
4° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° C
ব্যাখ্যা

- সাধারণত তাপমাত্রা কমলে যেকোনো তরলের ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে 4° C (সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। এই তাপমাত্রায় পানির অণুগুলো সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, যে কারণে আয়তন সর্বনিম্ন হয় এবং ঘনত্ব সর্বাধিক হয় 

ঘনত্ব: 

- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V . 
- বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার, সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)। ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা gcm-3) বহুল প্রচলিত। এটি S.I এককের উপগুণিতক। 
- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। 
যেমন- [ρ] = ML-3 .
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1 gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৪১.
নিচের কোনটি দুই অণু বিশিষ্ট শর্করার উদাহরণ?
  1. গ্লুকোজ
  2. ল্যাকটোজ
  3. শ্বেতসার
  4. গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোজ
ব্যাখ্যা
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট:

- শর্করাজাতীয় খাদ্য শরীরে কাজ করার শক্তি যোগায়। শর্করার মৌলিক উপাদান - কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।

শর্করার শ্রেণিবিভাগ:
১. এক শর্করা (Monosaccharide):
- একটি মনোমার বিশিষ্ট শর্করা। 
- উদাহরণ: গ্লুকোজ। 
- উৎস: মধু, ফুলের রস ইত্যাদি।

২. দ্বি-শর্করা (Disaccharide):
- দুইটি মনোমার বিশিষ্ট (ডাইমার) শর্করা।
- উদাহরণ: সুক্রোজ, ল্যাকটোজ। 
- উৎস:  চিনি ও দুধ ইত্যাদি। 

৩. বহু শর্করা (Polysaccharide):
- বহু মনোমারবিশিষ্ট (পলিমার) শর্করা। 
- উদাহরণ: শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন। 
- উৎস: চাল, আটা, আলু, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি। 


উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৪২.
উইন্ডমিলের সাহায্যে কি উৎপাদান করা হয়?
  1. ক) বায়ু
  2. খ) বিদ্যুৎ
  3. গ) তেল
  4. ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
খ) বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা

উইন্ডমিল বা বায়ুকল হলো চক্রাকার একধরনের যন্ত্র।
এর সাহায্যে প্রবাহিত বায়ুকে কাজে লাগিয়ে অতি সহজেই পাখাযুক্ত চাকা ঘুরিয়ে জেনারেটরের দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। সাধারণত সেচকাজে উইন্ডমিল ব্যবহার করা হয়।
ইসলামের স্বর্ণালী যুগে যখন আধুনিক নগর ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হল তখন পানিহীন আরব দেশে কিভাবে বায়ু শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় তার চিন্তাভাবনা শুরু হয়।
তারই প্রেক্ষাপটে পৃথিবীর প্রথম বায়ুকলটি ঘুরেছিল নবম শতাব্দীতে পূর্ব পার্সিয়ায়, হরিজোন্টাল প্লেনের উপর ভারর্টিকেল এক্সিসের চারদিকে।
পরবর্তীতে ১৩শ শতাব্দীর দিকে আস্তে আস্তে এই উইন্ডমিল সমস্ত ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

৬,৮৪৩.
লোহিত রক্ত কণিকা মানবদেহের কোথায় সঞ্চিত থাকে? 
  1. যকৃতে 
  2. বৃক্কে 
  3. অস্থিমজ্জায় 
  4. প্লীহাতে 
সঠিক উত্তর:
প্লীহাতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লীহাতে 
ব্যাখ্যা

- লোহিত রক্ত কণিকা মানবদেহের প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে। 

লোহিত রক্তকণিকা: 
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্ত কণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াস বিহীন। 
- এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। 
- এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে। 
- লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি ভাসমান ব্যাগ এবং চ্যাপ্টা আকৃতির। 
- এ কারণে লোহিত কণিকা তার আকারের পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম। 

- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না। 
- এ কণিকাগুলো সার্বক্ষণিক অস্থিমজ্জার ভেতরে উৎপন্ন হয় এবং রক্তরসে চলে আসে। 
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায়চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 
- অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে লোহিত কণিকা প্লীহা-তে সঞ্চিত থাকে। 
- তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে এখান থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৪৪.
নিম্নের কোনটি মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সমষ্টিগতভাবে চাষ করা হয়
  2. এক সাথে সংগ্রহ করা হয়
  3. বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়
  4. শুকিয়ে ব্যবহার করা হয়
সঠিক উত্তর:
বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- মাঠ ফসল সাধারণত সমষ্টিগতভাবে চাষ করা হয়।
- মাঠ ফসলে সাধারণত বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না।
- মাঠ ফসল সাধারণত এক সাথে পরিপক্ক হয় বিধায় এক সাথেই সংগ্রহ করা হয়।
- মাঠ ফসল সাধারণত শুকিয়ে ব্যবহার করা হয়, যেমন- ধান, পাট, ডাল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• উদ্যান ফসল:
- সাধারণত প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন নেয়া হয়, যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসলে বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়। 
- উদ্যান ফসল পর্যায়ক্রমে পরিপক্ক হয় বিধায় ধাপে ধাপে সংগ্রহ করা হয়, যেমন- টমেটো, বেগুন ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসল সাধারণত তাজা অবস্থায় ব্যবহার করা হয়, যেমন-বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৪৫.
মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট কতটি অস্থি নিয়ে গঠিত? 
  1. ২০২টি
  2. ২০৬টি
  3. ২০৮টি
  4. ২১২টি
সঠিক উত্তর:
২০৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬টি
ব্যাখ্যা
মানব কঙ্কাল: 
- মানব দেহের গঠন কাঠামো হলো কঙ্কাল (Skeleton)। 
- অস্থি (Bone) ও তরুণাস্থি (Cartilage) দ্বারা গঠিত যে তন্ত্র দেহের মূল কাঠামো গঠন করে এবং অভ্যন্তরীণ নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে দেহের ভার বহন করে এবং পেশি সংযোজনের জন্য উপযুক্ত স্থান সৃষ্টি করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র (Skeletal system) বলে। 
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি অস্থি নিয়ে গঠিত। 
- হৃদপিন্ড, ফুসফুস, পাকস্থলী, যকৃত, মগজ ইত্যাদি দেহের কোমল অঙ্গসমূহকে অস্থির আবরণে সুরক্ষিত রাখে। 
- অস্থিগুলো ঐচ্ছিক মাংসপেশি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকায় ইচ্ছাকৃত অঙ্গ সঞ্চালন ও চলাফেরা করা সম্ভব হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৪৬.
কোন মৌলিক (noble) গ্যাসটির পারমাণবিক ভর সবচেয়ে বড়? 
  1. জেনন
  2. র‍্যাডন
  3. নিয়ন
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
র‍্যাডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাডন
ব্যাখ্যা

- আর্গনের পারমাণবিক ভর - ৩৯.৯৫। 
- র‍্যাডনের পারমাণবিক ভর - ২২২। 
- জেননের পারমাণবিক ভর - ১৩১.২৯। 
- নিয়নের পারমাণবিক ভর - ২০.১৮। 

উপরোক্ত মৌলিক গ্যাসসমূহের মধ্যে র‍্যাডনের পারমাণবিক ভর সবচেয়ে বেশি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৮৪৭.
আয়নাতে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব কিরূপ?
  1. বাস্তব ও সোজা
  2. বাস্তব‌ ও উল্টো
  3. অবাস্তব‌ ও সোজা
  4. অবাস্তব ও উল্টো
সঠিক উত্তর:
অবাস্তব‌ ও সোজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাস্তব‌ ও সোজা
ব্যাখ্যা
আলোর প্রকৃত মিলনের ফলে যে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় তাকে বাস্তব প্রতিবিম্ব বলা হয়। কিন্তু আয়নাতে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব আলোর প্রকৃত মিলনের ফলে সৃষ্টি হয়না সুতরাং এখানে অবাস্তব প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়েছে।
৬,৮৪৮.
তাপ প্রদানে কোনটির প্রসারণ সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. ক) তরল পদার্থ
  2. খ) কঠিন পদার্থ
  3. গ) বায়বীয় পদার্থ
  4. ঘ) কঠিন ও বায়বীয় পদার্থ
সঠিক উত্তর:
গ) বায়বীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়বীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থ কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। কঠিন ও তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের প্রসারণ অনেক বেশি হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৪৯.
রেডিও সংকেত শনাক্তকরণে সর্বপ্রথম কে অর্ধপরিবাহী জাংশন ব্যবহার করেন?
  1. হাইনরিখ হার্টজ
  2. জগদীশচন্দ্র বসু
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. টমাস আলভা এডিসন
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

• ১৮৯৪ সালে স্যার জগদীশচন্দ্র বসু প্রথম গ্যালেনা (Galena) কেলাস ব্যবহার করে রেডিও সংকেত শনাক্ত করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। এটিই ছিল ইতিহাসের প্রথম সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী জাংশন যা বেতার তরঙ্গ গ্রহণে ব্যবহৃত হয়েছিল।

• জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। 
- তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহী জাংশন ব্যবহার করেন। 
- এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
- তিনি উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। 
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। 
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয়. বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৫০.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে কোনটিতে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) জেনেটিক্স 
  2. খ) কসমোলজি
  3. গ) সমুদ্রবিদ্যা
  4. ঘ) প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা
সঠিক উত্তর:
খ) কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কসমোলজি
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে কসমোলজি শাখায় আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। কসমোলজি মূলত জ্যোতির্বিদ্যার একটি শাখা। NASA'র সংজ্ঞানুসারে, কসমোলজির সংজ্ঞা হল "সম্পূর্ণ মহাবিশ্বের বৃহৎ আকারের বৈশিষ্ট্যগুলির বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন।" 

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট। 
৬,৮৫১.
নিচের কোনটি অকোষীয়?
  1. ছত্রাক
  2. ভাইরাস
  3. শৈবাল
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস হল এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অনুজীব যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
• ভাইরাস অকোষীয়।
• অর্থাৎ দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত।
• কেবল প্রোটন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA or RNA) দিয়ে ভাইরাসের দেহ গঠিত।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬,৮৫২.
একাধিক অঙ্গের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. ক) টিস্যু
  2. খ) তন্ত্র
  3. গ) টিস্যু ও তন্ত্র
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) তন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তন্ত্র
ব্যাখ্যা
তন্ত্র- একাধিক অঙ্গ মিলিত হয়ে একই ধরনের কাজ সম্পন্ন করলে তাকে তন্ত্র বলা হয়।
যেমন- শ্বসন কাজ পরিচালনার জন্য শ্বাসনালী, ফুসফুস ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত হয় প্রাণীর শ্বসন তন্ত্র।
এ রকম আরও কিছু তন্ত্র হলো পরিপাক তন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র, রেচন তন্ত্র, প্রজনন তন্ত্র ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৫৩.
বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) মাইকোমিটার
  2. খ) হাইগ্রোমিটার
  3. গ) বায়ােমিটার
  4. ঘ) গ্রাভিমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) হাইগ্রোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যা
- বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র : হাইগ্রোমিটার
- গ্রাডিমিটার -- পানির নিচে তেলের সঞ্চয় নির্ণায়ক যন্ত্র।
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্র : স্ফিগমোম্যানোমিটার।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৬,৮৫৪.
মানুষের চোখের লেন্স কোন ধরনের হয়ে থাকে?
  1. অবতল
  2. দ্বি-উত্তল
  3. দ্বি-অবতল
  4. সমতল
সঠিক উত্তর:
দ্বি-উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-উত্তল
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোখের গঠন এবং কার্যাবলী অনেকটা ক্যামেরার মতো।
- মানব চোখের লেন্সটি উভ উত্তল বা দ্বি উত্তল।
- চোখের আলোকসংবেদী অংশের নাম রেটিনা।
- কোনো বস্তু হতে আলোক রশ্মি চোখের লেন্স দ্বারা প্রতিসরিত হয়ে রেটিনায় বিম্ব গঠন করে।
- রেটিনায় গঠিত বিম্বটি হয় সদ, উল্টো ও খর্বিত।
- রেটিনা আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত করে।
- মানুষের চোখে রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থান ভিট্রিয়াস হিউমার নামক জেলী জাতীয় পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৫৫.
নিচের কোনটি যান্ত্রিক শক্তি?
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. চুলার আগুন
  3. জ্বালানি তেল
  4. তাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
কোনো চলমান বস্তুর শক্তি হলো এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি।
যেমন- বায়ুপ্রবাহ একটি যান্ত্রিক শক্তি। কারণ, এটি বায়ুকল চালাতে পারে।
চলমান গাড়ির শক্তিও যান্ত্রিক শক্তি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৫ম শ্রেণি
৬,৮৫৬.
গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে আরএনএ কে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. পাঁচ ভাগে
  4. চার ভাগে
সঠিক উত্তর:
পাঁচ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA): 
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। 
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। 
- ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে। 
- গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে আরএনএ কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
(ক) ট্রান্সফার আরএনএ, 
(খ) রাইবোসোমাল আরএনএ, 
(গ) মেসেঞ্জার আরএনএ, 
(ঘ) জেনেটিক আরএনএ এবং 
(ঙ) মাইনর আরএনএ। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৫৭.
দৃশ্যমান আলোর কোন বর্ণের বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম? 
  1. সবুজ 
  2. বেগুনি 
  3. নীল 
  4. লাল 
সঠিক উত্তর:
লাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল 
ব্যাখ্যা

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় যা দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র, এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম তাই বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- আবার, লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৫৮.
ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
  1. অগ্ন্যাশয়
  2. মূত্রনালি
  3. পিটুইটারী গ্রন্থি
  4. পিত্তথলি
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
• ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 

• ইনসুলিন:

- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইনB) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৫৯.
ভেনাস হার্ট পাওয়া যায়-
  1. মাছে
  2. উভচরে
  3. সরীসৃপে
  4. পাখিতে
সঠিক উত্তর:
মাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছে
ব্যাখ্যা

• ভেনাস হার্ট (Venous Heart):
- ভেনাস হার্ট বলতে এমন হৃদপিণ্ডকে বোঝায় যেখানে কেবলমাত্র অক্সিজেনবিহীন (deoxygenated) রক্ত প্রবাহিত হয়।
- এই ধরনের হৃদপিণ্ডে শরীর থেকে আসা রক্ত সরাসরি ফুলকায় (gills) পাঠানো হয় অক্সিজেন গ্রহণের জন্য।
- এখানে হৃদপিণ্ড অক্সিজেনযুক্ত রক্ত গ্রহণ বা পাম্প করে না।
- ফলে হৃদপিণ্ডটিকে সম্পূর্ণভাবে “ভেনাস” বা শিরাযুক্ত রক্তবাহী হৃদপিণ্ড বলা হয়।

• মাছের হৃদপিণ্ড:
- মাছের হৃদপিণ্ডে সাধারণত দুইটি প্রকোষ্ঠ থাকে-একটি অলিন্দ (atrium) ও একটি নিলয় (ventricle)।
- মাছের হৃদপিণ্ডে কেবলমাত্র অক্সিজেনবিহীন রক্ত প্রবাহিত হয়।
- এই রক্ত ফুলকায় গিয়ে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- তাই মাছের হৃদপিণ্ডকে ভেনাস হার্ট বলা হয়।

• উভচর, সরীসৃপ ও পাখির ক্ষেত্রে:
- উভচরের হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন উভয় ধরনের রক্ত প্রবাহিত হয়।
- সরীসৃপ ও পাখির হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন আরও উন্নত ও পৃথকভাবে সংগঠিত।
- তাই এদের হৃদপিণ্ড ভেনাস হার্ট নয়।

সুতরাং, ভেনাস হার্ট পাওয়া যায় মাছে।
- সঠিক উত্তর: ক) মাছে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৬০.
অপটিক্যাল ফাইবার তৈরি হয় কী দিয়ে?
  1. ক) কাচ
  2. খ) তামা
  3. গ) হীরা
  4. ঘ) রাবার
সঠিক উত্তর:
ক) কাচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাচ
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার ও তার ব্যবহার ঃ
অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু এক ধরণের সরু (প্রায় চুলের মতো) স্বচ্ছ তন্তু বিশেষ।
এটি তৈরি হয় সাধারণত কাচ দিয়ে। কাচের তৈরি হলেও এটি অত্যন্ত নমনীয় এবং বলা বাহুল্য নিরেট।
সাধারণ কাচের থেকে এর প্রতিসরণাঙ্ক বেশ বেশি প্রায় ১.৭।
এক প্রান্তে আলো আপতিত হলে এর দেয়ালে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন প্রক্রিয়ায় আলো ক্রমশ এগিয়ে যায় এবং তন্তুর অন্য প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়। বাইরের বায়ু মাধ্যম থেকে ভেতরের তন্তু-মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক বেশ বেশি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন সহজ হয়। এর বাইরে এক ধরণের আলোক প্রতিফলক পদার্থের আবরণ দেয়া থাকে যাকে বলে ক্লাডিং।
ফলে আলোর কোন রশ্মি প্রতিসরিত হলেও পুনরায় তন্তুর মধ্যে ফিরে আসে। ফলে এক প্রান্ত দিয়ে আলোক শক্তি ঢুকিয়ে দিলে অন্য প্রান্ত দিয়ে সম্পূর্ণ আলো বেরিয়ে আসে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,৮৬১.
ম্যালেরিয়ার ওষুধ ‘কুইনিন’ কোন গাছ থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) সিনকোনা
  2. খ) কালমেঘ
  3. গ) তুলসী
  4. ঘ) নিম
সঠিক উত্তর:
ক) সিনকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিনকোনা
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর - সিনকোনা।

• ম্যালেরিয়া:

- স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী।
- ম্যালেরিয়ার ওষুধ ‘কুইনিন’ সিনকোনা গাছ থেকে পাওয়া যায়।
- এ গাছের বাকল থেকেই বিশ্ব প্রথম পায় কুইনিন, যা ম্যালেরিয়ার প্রথম ওষুধ হিসেবে সমাদৃত।
- কুইনিনের আবিষ্কার নিয়ে বিশ্বজুড়ে শিহরণ যেমন ছিল, তেমনি ছিল সন্দেহও।
- ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে Anopheles মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এ আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
- এ গাছ থেকে কাঁচামাল নিয়ে উৎপাদিত ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৮৬২.
RADAR এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Radio Detection and Routing
  2. Radio Detector and Ranging
  3. Radio Detection And Ranging
  4. Radio Detector And Routing
সঠিক উত্তর:
Radio Detection And Ranging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio Detection And Ranging
ব্যাখ্যা
- 'RADAR' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Detection And Ranging
- এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়। 
- রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়। 
- যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- ১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৬৩.
কোনটি ফ্লোয়েমের প্রধান কোষ যা খাদ্য পরিবহনে মূল ভূমিকা রাখে?
  1. ফ্লোয়েম তন্তু
  2. সীভনল
  3. ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা 
  4. সঙ্গীকোষ
সঠিক উত্তর:
সীভনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীভনল
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ: 
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে। এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 
- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- নিম্নস্তরের সবুজ উদ্ভিদের প্রায় সকল কোষেই খাদ্য তৈরি হয়। কিন্তু উচ্চস্তরের উদ্ভিদে কেবলমাত্র সবুজ অংশ এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। 
- পাতায় সংশ্লেষিত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয় খাদ্য পরিবহন। 
- উদ্ভিদ পাতা থেকে বিভিন্ন স্থানে যে খাদ্য পরিবহন করে তা দ্রবীভূত তরল অবস্থায় থাকে বলে একে খাদ্যরস বলা হয়। এ খাদ্যরস বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের পর উদ্ভিদ অতিরিক্ত খাদ্যরসকে অদ্রবণীয় অবস্থায় রূপান্তরিত করে এবং সংরক্ষণ করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। এই খাদ্য তৈরির পর ফ্লোয়েমের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌঁছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। 
যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। 
- এদের মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। এই তিনটির মধ্যে আবার সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৬৪.
স্ট্রোকের কারণে কোন শারীরিক সমস্যাটি দেখা দেয়?
  1. ক) এপিলেপসি
  2. খ) প্যারালাইসিস
  3. গ) পারকিনসন
  4. ঘ) অস্টিওপরোসিস
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
ব্যাখ্যা
স্ট্রোকের কারণে প্যারালাইসিস নামক শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। 

- প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ততা হচ্ছে মানুষের শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারানো।
- মাংসপেশি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাড়াচড়া করিয়ে থাকে, আর যদি ওই অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারায় তখন রোগী শরীরের ওই অংশের নড়াচড়া করার ক্ষমতা হারায়, অনেক সময় ওই অংশের বোধ বা অনুভূতি শক্তিও হারিয়ে ফেলে,তখন এটাকেই বলে প্যারালাইসিস।
- প্যারালাইসিস রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
- প্যারালাইসিসের জন্য রোগীর ওষুধের চেয়েও বেশি দরকার হলো পরিচর্যার এবং প্রশিক্ষণের।
- ওষুধ হিসেবে প্রয়োজন অনুযায়ী পেনটস্রিফাইলিন, ভিমপোসিটিন, এসপিরিন ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে।
- প্যারালাইসিস রিসার্চ সেন্টারের তত্ত্বাবধানে আমেরিকায় ৫.৪ মিলিয়ন জনগোষ্ঠীর উপর করা এক গবেষণায় দেখা যায় প্রতি ৫০ জন লোকের মধ্যে ১ জন প্যারালাইসিসে আক্রান্ত।
- প্যারালাইসিস বিষয়টি মূলত নিউরোমাসকুলার অর্থাৎ নার্ভ ও মাংসপেশির সঙ্গে সম্পর্কিত। 
- নার্ভের ইনজুরি বা অস্বাভাবিকতার কারণে মাংসপেশির পরিবর্তন বা দুর্বলতা বা অক্ষমতাই প্যারালাসিস হওয়ার জন্য প্রাথমিক সূচক। 

সূত্র- ২২৬ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা [লিঙ্ক]
৬,৮৬৫.
ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ কত হলে তাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  2. ৪৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
  3. ৫১ কিলোমিটার বা তার বেশি
  4. ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন হলো একটি প্রাকৃতিক বায়ুপ্রবাহ যা শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান বাতাসের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। সাধারণত, যখন বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন তাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধরনের বাতাস খুবই শক্তিশালী এবং এর ফলে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত, প্রবল ঝড়, ও বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সাইক্লোন সাধারণত গভীর নিম্নচাপের অঞ্চল থেকে সৃষ্টি হয় এবং এটি স্থল বা সাগরের উপরে দ্রুত বেগে চলতে থাকে। সুতরাং, ঘন্টায় বাতাসের গতি যদি ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাইক্লোনের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, তাই এটি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সাইক্লোন:

- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৬৬.
ইউরেনিয়ামে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে কোন শক্তির রূপান্তর ঘটে? 
  1. শব্দ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি
  2. তাপ শক্তি → চৌম্বক শক্তি
  3. যান্ত্রিক শক্তি → পারমাণবিক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি → তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি → পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি → পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 
- শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ: 
বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: 
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: 
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: 
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: 
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: 
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি: 
- কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি: 
- ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে, এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৬৭.
ভারি পানির সংকেত কোনটি?
  1. HO3
  2. H2O2
  3. H3O
  4. D2O
  5. D3O
সঠিক উত্তর:
D2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D2O
ব্যাখ্যা

- পানির সংকেত হলো H2O এবং ভারি পানির সংকেত হলো D2O।
- পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন।
- ভারি পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন।
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৮৬৮.
নিম্নের কোন মৌলটি অপধাতু?
  1. Si
  2. Na
  3. Ag
  4. Kr
সঠিক উত্তর:
Si
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Si
ব্যাখ্যা

সিলিকন (Si) মৌলটি একটি অর্ধধাতু। 

অর্ধধাতু বা অপধাতু (Metalloids / Semi-metals)
- যে সকল মৌল কোনো কোনো সময় ধাতুর মতো আচরণ করে এবং কোনো কোনো সময় অধাতুর মতো আচরণ করে, তাদেরকে অর্ধধাতু বা অপধাতু বলা হয়।
- আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সকল মৌল কোনো কোনো সময় ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং কোনো কোনো সময় ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তাদেরকে অপধাতু বলা হয়।
- উদাহরণ: সিলিকন (Si) একটি অপধাতু।

অন্যদিকে,
খ) Na (সোডিয়াম) - এটি ধাতু (Alkali Metal)। এটি পর্যায় সারণির ১ম গ্রুপে অবস্থিত একটি ক্ষার ধাতু। ইলেকট্রন দানে সক্ষম এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সক্রিয় থাকে।
গ) Ag (রুপা) - এটি ধাতু এবং গ্রুপ-১১ এর একটি ধাতব মৌল, যা উত্তম তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহক।
ঘ) Kr (ক্রিপ্টন) - এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এটি পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌল। 

উৎস: রসায়ন - ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৬,৮৬৯.
পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যাওয়ার কারণ আলাের কোন ঘটনা?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) অপবর্তন
  4. ঘ) সমবর্তন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিসরণের ফলে- 
১) পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়।
২) একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়
৩) পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়
৪) খাড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান আলোকে )

৬,৮৭০.
এক অশ্বক্ষমতা (HP) = কত ওয়াট? 
  1. ৭৬৪ ওয়াট
  2. ৭৪৬ ওয়াট
  3. ৭৩৬ ওয়াট
  4. ৭৭৬ ওয়াট
সঠিক উত্তর:
৭৪৬ ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪৬ ওয়াট
ব্যাখ্যা
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = ৭৪৬ ওয়াট। 

ক্ষমতা: 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ক্ষমতা, P = সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়। 
- কোনো যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = ৭৪৬ ওয়াট। 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৮৭১.
উদ্ভিদের জটিল টিস্যু কী নামে পরিচিত? 
  1. প্রাথমিক টিস্যু
  2. সরল টিস্যু
  3. পরিবহন টিস্যু
  4. সাধারণ টিস্যু
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু (Complex tissues): 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- এ টিস্যু দুই ধরনের। 
যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ (vascular bundle) গঠন করে। 

জাইলেম (Xylem): 
- জাইলেম দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭২.
কোষের বর্জ্য পদার্থ এবং বাইরের জীবাণু ধ্বংস করার কাজটি কোন অঙ্গাণু করে?
  1. নিউক্লিয়াস
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  4. লাইসোজোম
সঠিক উত্তর:
লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইসোজোম
ব্যাখ্যা

লাইসোজোম কোষের বর্জ্য পদার্থ এবং বাইরের জীবাণু ধ্বংস করার কাজ করে।

• লাইসোজোম:
- লাইসোজোম কোষের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু, যা কোষকে জীবাণু এবং বর্জ্য পদার্থের হাত থেকে রক্ষা করে।
- এটিতে বিভিন্ন হাইড্রোলাইটিক এনজাইম থাকে যা ক্ষতিকর পদার্থকে ভেঙে ফেলে।
- এ কারণেই লাইসোজোমকে প্রায়শই কোষের "আত্মহননকারী থলি" বা "suicidal bag" বলা হয়।

• লাইসোজোমের কাজসমূহ-
১. এরা ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis) পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে।
২. বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে এটি কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুকে রক্ষা করে।
৩. লাইসোসোম অন্তঃকোষীয় পরিপাক কাজে সাহায্য করে।
৪. কোষ বিভাজনকালে এরা কোষীয় ও নিউক্লীয় আবরণী ভাঙ্গতে সাহায্য করে।
৫. এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস পদ্ধতিতে ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা স্কোয়াড বলা হয়।
৬. টিস্যু বিগলনকারী অ্যাসিড ফসফেটেজ এনজাইম থাকে।
৭. ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৮৭৩.
একটি আদর্শ ফুলের কতটি অংশ থাকে?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৬ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।


- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা: পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমন্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।


- পুষ্পাক্ষ: ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপরে সাজানো থাকে তাকে বলা হয় পুষ্পাক্ষ। সাধারণত এটি গোলাকার এবং ফুলের বৃন্তশীর্ষে অবস্থান করে। পুষ্পাক্ষের উপর বাকি চারটি স্তবক পরপর সাজানো থাকে। এটি পুষ্প পত্রধারণ করে এবং ফুলকে কান্ডের সাথে আবদ্ধ রাখে।


- বৃতি: একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি। এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যংশ বলা হয়। এটি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য স্তবকগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কীটপতঙ্গের আক্রমণ এবং বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে। তবে বৃতি যখন রঙ বেরঙের হয় তখন তারা পরাগায়নে সাহায্য করে।


- দলমন্ডল: বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়। এরা সাধারণত রঙিন হয়।


- পুংস্তবক: দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়। এটি ফুলের তৃতীয় স্তবক এবং একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ। এ স্তবকের প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলা হয়। একটি পুংস্তবকে এক বা একাধিক পুংকেশর থাকতে পারে। 


- পুংকেশরে দন্ডের ন্যায় অংশকে পুংদন্ড (Filament) এবং শীর্ষে থলের ন্যায় অংশকে পরাগধানী বা পরাগরেণুথলি (Anther) বলা হয়। পরাগধানী ও পুংদন্ড সংযোগকারী অংশকে যোজনী বলা হয়।


- পরাগধানীর মধ্যে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। এ পরাগরেণু অঙ্কুরিত হয়ে পরাগনল গঠন করে। এ পরাগনলে পুংজনন কোষ উৎপন্ন হয়। পুংজনন কোষ সরাসরি জনন কাজে অংশ গ্রহণ করে।


- স্ত্রীস্তবক: পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়। এটি ফুলের আরও একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক। এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়। স্ত্রীস্তবকে এক বা একাধিক গর্ভপত্র থাকতে পারে। এর গর্ভপত্রের তিনটি অংশ থাকে। যথা: গর্ভাশয় (Ovary), গর্ভদন্ড (Style) ও গর্ভমুন্ড (Stigma)।


উৎস: জীববিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম। 
৬,৮৭৪.
গ্যালভানাইজিং করতে কোনো ধাতুর উপর কিসের প্রলেপ দেয়া হয়? 
  1. কপার
  2. নিকেল
  3. জিংক
  4. সিলভার
সঠিক উত্তর:
জিংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিংক
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে। 
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। 
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭৫.
স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়-
  1. ক) জটিল টিস্যু থেকে
  2. খ) স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু থেকে
  3. গ) ভাজক টিস্যু থেকে
  4. ঘ) ফ্লোয়েম টিস্যু থাকে
সঠিক উত্তর:
গ) ভাজক টিস্যু থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাজক টিস্যু থেকে
ব্যাখ্যা
স্থায়ী টিস্যু- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন যে টিস্যুগুলো বিভাজনে অক্ষম তাদেরকে বলা হয় স্থায়ী টিস্যু। ভাজক টিস্যুগুলো বিভাজন ক্ষমতা লোপ পাওয়ার পর তা বৃদ্ধি পেয়ে একটি নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে এবং স্থায়ী টিস্যুতে পরিণত হয়।
স্থায়ী টিস্যুর কোষগুলো বিভাজন ক্ষমতাহীন, পূর্ণভাবে বিকশিত এবং সঠিক আকৃতিপ্রাপ্ত।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৭৬.
বাষ্পকে শীতল করে তরলে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ঊর্ধ্বপাতন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) পাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঘনীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঘনীভবন
ব্যাখ্যা
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়।
- আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে। যেমন: জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠান্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়।
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। অর্থাৎ
                          পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। যেমন: নিশাদল (NH₄Cl), কর্পূর (C₁₀H₁₆O), ন্যাপথলিন (C₁₀H₈), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), আয়োডিন (I₂), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl₃) এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থও বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭৭.
হরমোন কীভাবে দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়? 
  1. স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে
  2. রক্তের মাধ্যমে
  3. শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে
  4. পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
রক্তের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোনের ভূমিকা: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ; যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- এটি রাসায়নিক দূত হিসেবে সরাসরি রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্পমাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসরণ হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 
- শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে- 
(i) পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland), 
(ii) থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland), 
(iii) অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland), 
(iv) শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি (Testis), 
(v) ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি (Ovary) এবং 
(vi) অমরা (Placenta)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭৮.
তেল বা চর্বি এবং ক্ষার থেকে কোনটি প্রস্তুত করা হয়?
  1. সাবান
  2. এস্টার
  3. অ্যালকোহল
  4. ডিটারজেন্ট
সঠিক উত্তর:
সাবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবান
ব্যাখ্যা
সাবান: 
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK) । 
এখানে, R কে অ্যালকাইল মূলক বলা হয়, R এর সাধারণ সংকেত CnH2n+1 এবং n এর মান 12 থেকে 18 পর্যন্ত। 
যেমন: সোডিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COONa এবং পটাশিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COOK । 
- তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরি হয়। 
- সাবান ও গ্লিসারিন তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে। 
- সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সাবান এবং গ্লিসারিনের মিশ্রণের মধ্যে NaCl যোগ করলে গ্লিসারিন পাত্রের নিচে অবস্থান করে এবং সাবানের অণুগুলো NaCl কে ঘিরে একত্র হয়ে পাত্রের উপরের দিকে কেকের আকারে ভেসে উঠে, একে সোপ কেক বলে। 
- সোপ কেককে ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে পৃথক করে বিভিন্ন আকৃতির ছাঁচে ঢেলে বিভিন্ন আকৃতির সাবান তৈরি করা হয়। 
- সাবান একটি পরিষ্কারক দ্রব্য যা তেল বা চর্বি এবং ক্ষার থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে সাবানকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- ১। প্রসাধনী সাবান এবং ২। লন্ড্রি সাবান। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭৯.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. যৌগিক কণা 
  2. জটিল কণা 
  3. দুর্বল কণা
  4. মৌলিক কণা 
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা 
ব্যাখ্যা

কণা: 
- কণাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- মৌলিক কণা এবং যৌগিক কণা। 
- মৌলিক কণা হলো এমন কণা যার ভিতরে আর কোনও কণা নেই। 
- যৌগিক কণা হলো এমন কণা যা দুটি বা ততোধিক মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
 
বোসন: 
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (০, ১, ২ ইত্যাদি) স্পিন করে। 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা ০, ১ ইত্যাদি। 
-  স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ। 
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা- ১। গেজ বোসন ও ২। হিগস বোসন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৮০.
একটি দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু সর্বদা কোন মেরুকে আকর্ষণ করে? 
  1. পশ্চিম মেরু 
  2. পূর্ব মেরু 
  3. উত্তর মেরু 
  4. দক্ষিণ মেরু 
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মেরু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মেরু 
ব্যাখ্যা

চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকেই চুম্বক আকর্ষণ করে তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং অধিকাংশ ইস্পাতকে আকর্ষণ করে তাই এই পদার্থগুলোকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পিতল, কাঠ, রৌপ্য, প্লাস্টিক ইত্যাদি পদার্থগুলোকে আকর্ষণ করে না তাই এই পদার্থগুলোকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 

পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র: 
- একটি দন্ড চুম্বককে সুতার সাহায্যে ঝুলিয়ে দিলে স্থির অবস্থায় তা সব সময়ই উত্তর দক্ষিণে মুখ করে থাকে।
- পৃথিবীর চুম্বকত্বের জন্যই এ রকম হয়।
- পৃথিবীর সব জায়গাতেই ভূচুম্বকের প্রভাব বর্তমান।
- ঝুলন্ত অবস্থায় দণ্ড চুম্বকের দুই মেরু পৃথিবীর দুই চৌম্বক মেরুকে নির্দেশ করে।
এখানে, দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু উত্তর দিককে নির্দেশ করে। কিন্তু একটি উত্তর মেরু সর্বদা দক্ষিণ মেরুকে আকর্ষণ করে। ফলে ভূচুম্বকের দক্ষিণ মেরু আসলে উত্তর মেরু হিসেবে কাজ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৬,৮৮১.
যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য নিচের কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. ভেলাটোমিটার
  2. অ্যামিটার
  3. গ্যালভানোমিটার
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ।
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম। যথা- এসি প্রবাহ এবং ডিসি প্রবাহ।
- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য।
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়।
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য দরকার অ্যামিটার।
- যে কোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার।
- বেগ পরিমাপক যন্ত্র হলো ভেলাটোমিটার।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬,৮৮২.
কোনটি জাইলেমের টিস্যুর অংশ নয়?
  1. ট্রাকিড
  2. সীভ নল
  3. প্যারেনকাইমা
  4. ভেসেল
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার।
যথা-
১. জাইলেম টিস্যু ও
২. ফ্লোয়েম টিস্যু।

জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা।
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা-  ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল,  জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু।

ফ্লোয়েম টিস্যু:
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত।
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৮৩.
কোন সংকর ধাতু উড়োজাহাজের কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ইস্পাত
  2. ব্রোঞ্জ
  3. পিতল
  4. ডুরালুমিন
সঠিক উত্তর:
ডুরালুমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুরালুমিন
ব্যাখ্যা
- 'ডুরালুমিন' সংকর ধাতু উড়োজাহাজের কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

সংকর ধাতু: 

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 
- নিচের কতগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৮৪.
সুউচ্চ পর্বত‌ এ রান্না করা কঠিন কেন?
  1. ক) বায়ুর চাপ বেশি ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
  2. খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
  3. গ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  4. ঘ) বায়ুর চাপ বেশি ও পানির স্ফুটনাঙ্ক বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সবচেয়ে বেশি। তাই পৃথিবীর পৃষ্ঠে পানির স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১০০° সেলসিয়াস।
কিন্তু পৃথিবী হতে যত উপরে উঠা যায় তত বায়ুর চাপ কমে যায়, ফলে স্ফুটনাঙ্ক হ্রাস পায়।
সুউচ্চ পর্বতে বায়ুর চাপ পৃথিবীর বায়ুর চাপ অপেক্ষা কম বিধায় পর্বতের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কম। তাই পর্বতের উপর পানি কম তামপাত্রায় ফুটতে থাকে।
হিসাব করে দেখা গেছে এভারেস্ট পর্বত শৃঙ্গে মাত্র ৭০° সেলসিয়াতাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, কিন্তু মাছ, মাংস, ডিম প্রভৃতি দ্রুত সিদ্ধ হয় না।

৬,৮৮৫.
নিচের কোন রোগটি এডিস মশা দ্বারা ছড়ায় না?
  1. ক) ডেঙ্গু জ্বর
  2. খ) জিকা জ্বর
  3. গ) কালা জ্বর
  4. ঘ) পীত জ্বর
সঠিক উত্তর:
গ) কালা জ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কালা জ্বর
ব্যাখ্যা
এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, জিকা জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।
সূত্রঃ ৩৮তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
৬,৮৮৬.
সরল টিস্যু কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. প্যারেনকাইমা, ২. কোলেনকাইমা ও ৩. স্ক্লেরেনকাইমা। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৮৭.
কোন অঙ্গাণুকে শরীরের জৈব রসায়নাগার বলা হয়?
  1. মস্তিষ্ক
  2. ফুসফুস
  3. যকৃত
  4. হৃৎপিণ্ড
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা
যকৃত: 
- দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃত। 
- যকৃত পেটের উপরিভাগে ডানদিকে অবস্থিত। 
- প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে যকৃতের ওজন প্রায় ১.৫-২.০ কেজি। 
- যকৃত থেকে পিত্তরস নামক এক প্রকার রস নিঃসৃত হয়ে যকৃতনালীর মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে এসে পিত্তথলিতে জমা হয়। 
- পিত্তনালীর মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 
- যকৃতকে শরীরের জৈব রসায়নাগার বলে। 

যকৃত -এর কাজ: 
- যকৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজ ও গ্লাইকোজেনকে চর্বিরূপে জমা রাখে। 
- যকৃত অতিরিক্ত এমাইনো এসিডকে ইউরিয়ায় পরিণত করে। 
- যকৃত ভিটামিন A, D, E, K ও ফলিক এসিড সঞ্চয় করে। 
- যকৃতের হেপাটোসাইট কোষ অনবরত পিত্তরস তৈরি করে পিত্তথলিতে জমা করে। 
- যকৃত কোলেস্টেরল উৎপাদন করে। 
- যকৃত দেহ থেকে বিভিন্ন রোগজীবাণু অপসারিত করে। 
- এছাড়াও যকৃত চর্বি ও কোলেস্টেরল পরিপাক ও শোষণে সহায়তা করে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৮৮.
সূর্যের আলো হতে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
  1. ভিটামিন ই
  2. ভিটামিন কে
  3. ভিটামিন বি
  4. ভিটামিন ডি
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ডি
ব্যাখ্যা

ভিটামিন ডি:
ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন D- এর প্রধান উৎস।
​সূর্যের আলো ভিটামিন ডির প্রাকৃতিক উৎস।
বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন D পাওয়া যায়।
ভিটামিন D শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে।
ভিটামিন D -এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়।
দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন D গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে।

​উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৮৮৯.
IC এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Integrated Circuit
  2. খ) Integrated Circle
  3. গ) Integrated Cycle
  4. ঘ) Internal Coil
সঠিক উত্তর:
ক) Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Integrated Circuit
ব্যাখ্যা

- IC এর পূর্ণরূপ - Integrated Circuit
- আইসি হল একটি সংকর সমন্বিত বর্তনী যার উপরে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন অর্ধপরিবাহী বস্তু ও নিষ্ক্রিয় (প্যাসিভ) উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্র ইলেক্ট্রনিক বর্তনী।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ বা চিপও বলা হয়।

উৎস: Britannica

৬,৮৯০.
কার্বনের আইসোটোপ কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

কার্বনের আইসোটোপ তিনটি হল C12 (6টি প্রোটন এবং 6টি নিউট্রন), C13 (6টি প্রোটন এবং 7টি নিউট্রন), C14 (6টি প্রোটন এবং 8টি নিউট্রন)।
আইসোটোপ হলো একই মৌলিক পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু যাদের পারমাণবিক সংখ্যা একই তবে নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন। আইসোটোপগুলো পারমাণবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন।
সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

৬,৮৯১.
তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা -
  1. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. হাইগেন
  4. নিউটন
  5. রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৯২.
কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী?
  1. ক) কুমির
  2. খ) কচ্ছপ
  3. গ) সাপ
  4. ঘ) শুশুক
সঠিক উত্তর:
ঘ) শুশুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শুশুক
ব্যাখ্যা

- স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে লোম দ্বারা আবৃত থাকে।
- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে।
- শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়।
- উদাহরণ: তিমি, বাদুড়, শুশুক, গরু, হাতি, মানুষ, কুকুর, বানর, ঘোড়া, ইঁদুর, জিরাফ ইত্যাদি।
- সাপ, কুমির, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি, ডাইনোসর প্রভৃতি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী। এরা বুকে ভর দিয়ে চলে, ডিম পাড়ে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হয়।

৬,৮৯৩.
যে তড়িৎদ্বার থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতু চার্জমুক্ত হয় সেটি -
  1. ক) এ্যানোড
  2. খ) ক্যাথোড
  3. গ) নিরপেক্ষ তড়িৎদ্বার
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথোড
ব্যাখ্যা
যে ধাতব পাতে ধাতু বা কোন আয়ন ইলেকট্রন ছেড়ে দেয় তাকে ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বা এ্যানোড বলে।
অর্থাৎ, এ্যানোডে  ধাতু বা কোন আয়ন ইলেকট্রন ছেড়ে দেয়। 
অ্যানায়ন বা ঋণাত্মক আয়ন অ্যানোডে এক বা একাধিক ইলেকট্রন দান করে জারিত হয়।

অন্যদিকে, যে তড়িৎদ্বারে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইলেকট্রন শোষিত হয় তাকে ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড বলে।
অর্থাৎ, ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতু চার্জমুক্ত হয়। 
ক্যাটায়ন বা ধনাত্মক আয়ন ক্যাথোড হতে এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। 

উৎস : রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৯৪.
অচৌম্বক পদার্থ নিচের কোনটি? 
  1. লোহা 
  2. কোবাল্ট
  3. ইস্পাত 
  4. তামা 
সঠিক উত্তর:
তামা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা 
ব্যাখ্যা

চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ বলা হয়। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
যেমন- লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি চৌম্বক পদার্থ। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি অচৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৮৯৫.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে যায়?
  1. সোজা দিকে
  2. উল্টো দিকে
  3. ডান দিকে
  4. বাম দিকে
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
ব্যাখ্যা
• কোরিওলিস প্রভাব:
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের এই শক্তিকেই বলা হয় কোরিওলিস প্রভাব/শক্তি।
- গোলার্ধভিত্তিক এই পরিবর্তন কোনো প্রবাহিত চলমান বস্তুর উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন বলের প্রভাব বলে অনুমান করা যায়।
- এই দিক পরিবর্তনকারী শক্তি -
১. বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে যা সর্বদা লম্বভাবে ক্রিয়া করে।
২. কোরিওলিস শক্তি বায়ুর গতির উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
৩. কোরিওলিসের প্রভাব মেরুতে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় এলাকায় অস্তিত্ব লোপ পায়।

• পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
- যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৯৬.
কোনটি উদ্ভিদ কোষের বাইরে এবং ভেতরে পদার্থের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে? 
  1. কোষ প্রাচীর
  2. কোষ ঝিল্লী
  3. রাইবোসোম
  4. লাইসোসোম
সঠিক উত্তর:
কোষ ঝিল্লী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ ঝিল্লী
ব্যাখ্যা
কোষ ঝিল্লী (Plasma membrane): 
- কোষ প্রাচীরের নিচে সমস্ত প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে যে স্থিতিস্থাপক ও অর্ধভেদ্য সজীব পর্দা থাকে তাকে প্লাজমা মেমব্রেন, সেল মেমব্রেন, সাইটোমেমব্রেন বা কোষ ঝিল্লী বলে। 
- মেমব্রেনটি স্থানে স্থানে ভাঁজবিশিষ্ট হতে পারে। 
- প্রতিটি ভাঁজকে মাইক্রোভিলাস (বহুবচনে মাইক্রোভিলাই) বলে। 
- কোষের ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকা মাইক্রোভিলাসকে বলা হয় পিনোসাইটিক ফোস্কা। 
- কোষ ঝিল্লী প্রধানত লিপিড ও প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- রাসায়নিকভাবে কোষ ঝিল্লী ৬০-৮০% প্রোটিন, ২০-৪০% লিপিড, ৪-৫% কার্বোহাইড্রেট এবং পানি ও লবণ দিয়ে গঠিত। 

কোষ ঝিল্লী এর কাজ: 
১। কোষকে নির্দিষ্ট আকার দান করে। 
২। কোষ এর আভ্যন্তরীণ সকল বস্তুকে বেষ্টন করে রাখে। 
৩। বাইরের সকল প্রতিকূল অবস্থা থেকে অভ্যন্তরীণ বস্তুকে রক্ষা করে। 
৪। কোষের বাইরে এবং ভেতরে পদার্থের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে (ভেদ্য, অভেদ্য বা অর্ধভেদ্য হিসেবে)। 
৫। বিভিন্ন বৃহদাণু সংশ্লেষ করতে পারে। 
৬। বিভিন্ন রকম কোষ অঙ্গাণু (যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ইত্যাদি) সৃষ্টিতে সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৯৭.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ৩৪৮ মিটার/সেকেন্ড
  2. ৩২৮ মিটার/সেকেন্ড
  3. ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড
  4. ০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল  পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৯৮.
কোভিড-১৯ কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে কবে কে ঘোষণা দেয়?
  1. ১১ মার্চ ২০২০, WHO
  2. ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, UNICEF
  3. ১৪ মার্চ ২০২০, WHO
  4. ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ ২০২০, WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ ২০২০, WHO
ব্যাখ্যা
COVID-19 অতিমারী বা মহামারী:
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে COVID-19 কে অতিমারী বা মহামারী হিসেবে চিহ্নিত করে।

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
৬,৮৯৯.
মৌলিক রাশির একক কোনটি? 
  1. কেলভিন 
  2. কিলোগ্রাম 
  3. ক্যান্ডেলা 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে। 
- মৌলিক রাশি সাতটি। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ। 

মৌলিক একক: 
- মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। 
যেমন: 
• দৈর্ঘ্যের একক- মিটার, 
• ভরের একক- কিলোগ্রাম
• সময়ের একক- সেকেন্ড, 
• তাপমাত্রা/উষ্ণতার একক- কেলভিন
• তড়িৎ প্রবাহের একক- অ্যাম্পিয়ার, 
• দীপন তীব্রতার একক- ক্যান্ডেলা ও 
• পদার্থের পরিমাণের একক- মোল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯০০.
​পাকস্থলীতে খাবার হজমের জন্য কোন এসিড প্রয়োজন? 
  1. ভিনেগার 
  2. এসিটিক এসিড 
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. এসকরবিক এসিড 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- নিচে বিভিন্ন এসিডের ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- 
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: 
- সাধারণত মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) -এর প্রয়োজন হয়। 
- কোমল পানীয়গুলো অল্পমাত্রায় এসিডিক, তাই গুরুপাক খাবার পর কোমল পানীয় আমাদের পরিপাকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) তৈরিতে সাহায্য করে। 

• ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড: 
- লেবু, কমলা, আপেল, পেয়ারা, আমলকী ইত্যাদি ফলের মধ্যে ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (C6H8O6) আছে। 
- এটি দেহের ক্ষত সারাতে খুবই সহায়ক এবং এর অভাবে আমাদের শরীরে স্কার্ভি রোগ হয়। 

• ভিনেগার বা এসিটিক এসিড: 
- আম, জলপাই ইত্যাদির নানা রকম আচার সংরক্ষণ করতে ভিনেগার বা এসিটিক এসিড (CH3COOH) ব্যবহার করা হয়। 

• ল্যাকটিক এসিড: 
- কোমল পানীয়ের মতো বোরহানি বা দই খেলে এতে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিড [(CH3-CH(OH)-COOH] আমাদের হজম শক্তিতে সাহায্য করে। 

• বেকিং সোডা: 
- কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ইত্যাদি বেকিং সোডা (NaHCO3) ব্যবহার করে ফোলানো হয়। 
- তাপ দিলে এই বেকিং সোডা ভেঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা কেক, বিস্কুট, পাউরুটিকে ফুলিয়ে তোলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।