বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬৭ / ১৪০ · ৬,৬০১৬,৭০০ / ১৪,০৮০

৬,৬০১.
শ্বসন ক্রিয়ার কোন ধাপের জন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের ‘পাওয়ার হাউস' বলা হয়?
  1. গ্লাইকোলাইসিস
  2. ক্রেবস চক্র
  3. অ্যাসিটাইল কো-এ
  4. ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক্রেবস চক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেবস চক্র
ব্যাখ্যা
- শ্বসনে অংশগ্রহণকারী মাইটোকন্ড্রিয়া অঙ্গাণুটি ১৮৯৮ সালে বেনডা (Benda) আবিষ্কার করেন। 
- এটি দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী বা ঝিল্লি দিয়ে ঘেরা। ভিতরের স্তরটি ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে। এদের ক্রিস্টি (cristae) বলে। 
- জীবের শ্বাসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। 
- শ্বসন ক্লিয়ার ধাপ চারটি; গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র। 
-  ক্রেবস চক্রের বিক্রিয়াগুলো এই অঙ্গাণুর মধ্যেই সম্পন্ন হয়। ক্রেবস চক্রে অংশগ্রহণকারী সব উৎসেচক এতে উপস্থিত থাকায় এ বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। 
- ক্রেবস চক্রে সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদিত হয়। এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র’ বা ‘পাওয়ার হাউস' বলা হয়। 
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান। 
৬,৬০২.
2311Na মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) 23
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 24
সঠিক উত্তর:
গ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 12
ব্যাখ্যা
কোন পরমাণুতে ভরসংখ্যা = প্রোটন + নিউট্রন সংখ্যা, যা A দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
যেহেতু, ভরসংখ্যা হলো, প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বাদ দিলে পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যাবে।

এখানে, Na- এর ভরসংখ্যা ২৩ এবং প্রোটন সংখ্যা ১১। সুতরাং, নিউট্রন সংখ্যা= ২৩-১১=১২।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৬,৬০৩.
পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা হয় আনুমানিক-
  1. ক) ১০০ কোটি বছর আগে
  2. খ) ১০ কোটি বছর আগে
  3. গ) ১ কোটি বছর আগে
  4. ঘ) ৫০ লক্ষ বছর আগে
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ কোটি বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ কোটি বছর আগে
ব্যাখ্যা
• জীবনের সূচনা ও বিকাশ: 
- আজ থেকে প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর সৃষ্টি হয় এবং প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সূচনা হয় বলে ধারণা করা হয়।
- পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে তখন কোনো অক্সিজেন ছিলো না, তাই জীবন সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে জীবগুলো ছিল অণুজীব, আদিকোষী এবং ব্যাকটেরিয়া জাতীয় যারা অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারতো।
- পরবর্তীতে সায়ানোব্যাকটেরিয়ার আবির্ভাব ঘটে যা সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন যোগ করতে থাকে।
- মাত্র ৫৪ কোটি বছর আগে বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ বর্তমান সময়ে বায়ুমন্ডলে বিরাজমান অক্সিজেন-এর সমান হয়।

* ধারণা করা হয়, ৩.৬ বিলিয়ন অথবা ৩৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে ১০০ কোটি বছর আগে নেয়া হলো।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬০৪.
লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ-
  1. লোকভর্তি ঘরে মানুষের সোরগোল হয়
  2. শূন্য ঘর নীরব থাকে
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
  4. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়
সঠিক উত্তর:
শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়। 
- যখন একটি ঘরে মানুষ বা আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন অনেক শব্দ সেগুলোর মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়। 
অর্থাৎ, লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ বেশি থাকায় শব্দের শোষণ বেশি হয় তাই সেখানে শব্দের আওয়াজ ক্ষীণ হয়।
- আর, শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয় লোকভর্তি হল ঘরের তুলনায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬০৫.
ভাইরাস একটি -
  1. বহুকোষী জীব
  2. দ্বিকোষী জীব
  3. অকোষী জীব
  4. এককোষী জীব
সঠিক উত্তর:
অকোষী জীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকোষী জীব
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস:
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।
- ভাইরাস হলো অকোষীয়।
- ভাইরাস সাধারণত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত।
- যেমন- প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ কিংবা আরএনএ)।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৬০৬.
আমাশয় রোগের জীবাণুর জন্য দায়ী কোনটি?
  1. ক) Yersinia pestis
  2. খ) Entamoeba histolytica
  3. গ) Escherichia coli
  4. ঘ) Myxococcus xanthus
সঠিক উত্তর:
খ) Entamoeba histolytica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Entamoeba histolytica
ব্যাখ্যা
আমাশয় রোগের জীবাণুর জন্য দায়ী- Entamoeba histolytica. 

অ্যামিবীয় আমাশয় (Amoebic dysentery, Amoebiasis) Entamoeba histolytica নামক এককোষী পরজীবীঘটিত আমাশয়। এ এককোষী জীবাণু অন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি আক্রমণ করে এবং রোগ শুরু হলে শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির স্থানে স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং সেগুলি থেকে শ্লেষ্মা, পচা দেহকোষ, অ্যামিবা-কোষ নির্গত হয়। রোগ লক্ষণে থাকে পেটব্যথা, ঘন ঘন শ্লেষ্মা সহকারে ঘন ঘন মলত্যাগ (দিনে ৩০ বার বা ততোধিক হতে পারে), মলত্যাগে যন্ত্রনা, বমি ও সাধারণ দৌর্বল্য। পেটে  একটি বিশেষ ধরণের (tenesmus) ব্যথা অনুভুত হতে দেখা যায়। নাভীর চারপাশে কামড়সহ মলত্যাগের তাড়াহুড়ো ইচ্ছে কিন্তু বাথরুমে গিয়ে মলত্যাগের অতৃপ্তি।  জীবাণুঘটিত রক্ত আমাশয়ে যেখানে মলের সঙ্গে টাটকা রক্তপাত ঘটে, সেখানে অ্যামিবীয় আমাশয়ে মারাত্মক পরিস্থিতি ব্যতীত সাধারণত মলে কোনো রক্ত থাকে না।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৬,৬০৭.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কয়টি সূত্র প্রদান করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।

- সূত্র তিনটি:
প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র): - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬০৮.
ভেজা কাপড় রোদে শুকায় কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) বাষ্পীভবন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
সঠিক উত্তর:
ক) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
• রোদের তাপে কাপড়ের পানি বাস্পে পরিণত হয়। ফলশ্রুতিতে কাপড় শুকিয়ে যায়।
- কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করলে ঐ তরলের বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।

যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ।

• বর্ষাকাল অপেক্ষা শীতকালে ভিজা কাপড় দ্রুত শুকায়। 
বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে।
ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়। 
অন্যদিকে, শীতকালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে। 
অর্থাৎ, বাতাস শুকনো থাকে ফলে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৬,৬০৯.
প্রকৃতিতে মৌলিক বল কয়টি?
  1. 2 টি
  2. 3 টি
  3. 4 টি
  4. 5 টি
সঠিক উত্তর:
4 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 টি
ব্যাখ্যা
বল:
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে।
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে।
যথা: মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২। তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-18 m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-15 m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬১০.
বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. ক) Js-1
  2. খ) JC-1
  3. গ) NC-1
  4. ঘ) kWh
সঠিক উত্তর:
ক) Js-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Js-1
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। একে W দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতা হলো এক
ওয়াট।
∴1W = 1J/1s = 1Js-1


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৬১১.
নিচের কোন স্থানে g-এর মান সর্বনিম্ন?
  1. এভারেষ্ট শৃঙ্গে
  2. মেরু বিন্দুতে
  3. সমুদ্র সমতলে
  4. বিষুব রেখায়
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখায়
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:

- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্বনিম্ন প্রায় 9.78 ms-2.
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2.
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- সমুদ্র সমতলে প্রাপ্ত 9.80665 ms-2.
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬১২.
এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology) কী নিয়ে আলোচনা করে?
  1. ক) জীবদেহের কোষের গঠন
  2. খ) জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা
  3. গ) জীবের দৈহিক গঠন
  4. ঘ) জীন ও জীবের বংশগতিধারা
  5. ঙ) জীবের শ্রেনিবিন্যাস ও রীতিনীতি
সঠিক উত্তর:
খ) জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা
ব্যাখ্যা
জীবদেহের হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা হয় এন্ডোক্রাইনোলজি তে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৬,৬১৩.
ধারকের (Capacitor) ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. 1 μF = 10- 10 F
  2. 1 μF = 10- 19 F
  3. 1 μF = 10- 6 F
  4. 1 μF = 10- 3 F
সঠিক উত্তর:
1 μF = 10- 6 F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 μF = 10- 6 F
ব্যাখ্যা

• ধারকের ক্ষেত্রে  সঠিক 1 μF = 10- 6 F
- ধারক বা ক্যাপাসিটার হল এমন একটি বৈদ্যুতিক উপাদান যা চার্জ সঞ্চয় করতে পারে। “μF” মানে মাইক্রোফারাড, যেখানে “মাইক্রো” মানে 10-6 

• ধারক:
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়।
- তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়।
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে।
- সহজ কথায় বলতে গেলে যে ধারণ করে সেই ধারক। যেমন গ্লাস, বালতি বা কলসী পানি ধারণ করে। সুতরাং তাদেরকে পানি ধারক বলা যায়।
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ধারকের একক ফ্যারাড (F)।
- ধারকের একক ফ্যারাডে একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়।

১. 1 μF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10- 6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10- 9 F
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10- 12 F

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬১৪.
মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবানু-
  1. Shigella dysenteriae
  2. Mycobacterium tuberculosis
  3. Bacillus anthracis
  4. Escherichia coli
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা

• মানুষের যক্ষ্মা রোগের জীবানু হলো Mycobacterium tuberculosis. এটি একটি ধীরে বৃদ্ধি পাওয়া ব্যাকটেরিয়া, যা প্রধানত ফুসফুসে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। সংক্রমণ সাধারণত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, যখন রোগী কাশির মাধ্যমে ক্ষুদ্র থুদি বা ফোঁটা বের করে। যক্ষ্মা রোগে ফুসফুসে ক্ষয় সৃষ্টি হয়, যাকে 'টিউবারকুলোসিস লেশান' বলা হয়। রোগের প্রধান লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদী কাশি, রক্ত মিশ্রিত কফ, জ্বর, রাতের ঘাম এবং ওজন কমে যাওয়া। যদিও অন্যান্য জীবাণু যেমন Shigella dysenteriae পায়খানির অসুখ, Bacillus anthracis এনথ্রাক্স এবং Escherichia coli অন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়, তারা যক্ষ্মার কারণ নয়। Mycobacterium tuberculosis সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা, স্বাস্থ্যবিধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
 
 • অপশন আলোচনা:
ক) Shigella dysenteriae: এটি ডায়রিয়ার ব্যাকটেরিয়া।
খ) Mycobacterium tuberculosis: মানুষের যক্ষ্মা (Tuberculosis) রোগের জীবানু।
গ) Bacillus anthracis: এটি Anthrax রোগের জীবানু।
ঘ) Escherichia coli: এটি সাধারণত আন্ত্রিক জীবাণু, কিছু স্ট্রেইন ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।
 
• যক্ষ্মা:
- যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
- যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়।
- যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
- সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
- যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।

• এছাড়াও, 
- Bacillus Calmatte Guerin-BCG হলো যক্ষ্মার প্রতিষেধক।
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine).
- টিটি (Tetanus Toxoid) প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয় মায়েদের গর্ভাবস্থায় শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

৬,৬১৫.
উদ্ভিদ কাণ্ডের প্রকৃতি, বিস্তৃতি ও কাষ্ঠলতার উপর ভিত্তি করে শ্রেণীবিন্যাস করেন-
  1. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  2. থিওফ্রাস্টাস
  3. বেনথাম ও হুকার
  4. ক্রোনকুইস্ট
সঠিক উত্তর:
থিওফ্রাস্টাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওফ্রাস্টাস
ব্যাখ্যা
থিওফ্রাস্টাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক। তিনি উদ্ভিদ কাণ্ডের প্রকৃতি, বিস্তৃতি ও কাষ্ঠলতার উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদসমূহকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন। যথা- ট্রি বা বৃক্ষ, শ্রাব বা গুল্ম, আন্ডারশ্রাব বা উপগুল্ম এবং হার্ব বা বীরুৎ।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৬১৬.
পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ কোনটি?
  1. থ্যালামাস
  2. সেরেবেলাম
  3. সেরেব্রাম
  4. সেরেব্রাল পেডাংকল
সঠিক উত্তর:
সেরেবেলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরেবেলাম
ব্যাখ্যা
• সেরেবেলাম পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ।

• পশ্চাৎমস্তিষ্ক:
এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
- সেরেবেলাম,
- মেডুলা অবলংগাটা এবং
- পনস।

• সেরেবেলাম:
- পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেরেবেলাম যা সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
- দুটি কুণ্ডলীকৃত সমগোলার্ধ নিয়ে গঠিত যারা ভার্নিস নামে একটি ক্ষুদ্র যোজকের সাহায্যে যুক্ত।
- এটি বাইরের দিকে কর্টেক্স এবং ভেতরের দিকে মেডুলা নিয়ে গঠিত।
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ঐচ্ছিক চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- পেশির টান ও দেহভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে।

• মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত।
যথা:
১) অগ্রমস্তিষ্ক,
২) মধ্যমস্তিষ্ক ও
৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

• অগ্রমস্তিষ্ক:
অগ্রমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা:
- সেরেব্রাম,
- থ্যালামাস
- হাইপোথ্যালামাস।
- মস্তিষ্কের মধ্যে অগ্রমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম সবচেয়ে বড় অংশ। সেরিব্রামকে গুরুমস্তিষ্কও বলা হয়।

• মধ্যমস্তিষ্ক:
হাইপোথ্যালামাসের নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গোলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত, প্রথম দুটি সেরেব্রাল পেডাংকল এবং শেষের দুটি কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬১৭.
কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি? 
  1. লোহা 
  2. পানি 
  3. বাতাস 
  4. শূন্য মাধ্যম
সঠিক উত্তর:
লোহা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা 
ব্যাখ্যা

• লোহাতে (কঠিন মাধ্যম) শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। 

• শব্দ:
- শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে শোনার অনুভূতি জাগায়। শব্দ শক্তি তরঙ্গাকারে এক স্থান বা বিন্দ থেকে অন্য স্থানে বা বিন্দুতে সঞ্চালিত হয়। 

• শব্দ একপ্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- এটি তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি।
- কোনো মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে সংপ্রসারিত শব্দের প্রাবল্য মাধ্যমের ঘনত্বের সমানুপাতিক। অর্থাৎ মাধ্যমের ঘনত্ব বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের গতি ও বৃদ্ধি পায়।
বায়ু ও তরল মাধ্যমের ঘনত্বের থেকে লোহা অর্থাৎ কঠিন মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি হওয়ায় লোহাতে শব্দের বেগ বেশি।
- শূন্য মাধ্যমে কোন কণা না থাকায় শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না। কারণ শব্দ চলাচল করতে মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬১৮.
বায়ুমণ্ডলে সব সময় থাকে -
  1. আর্দ্রতা
  2. বাতাস
  3. জীবাণু
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডলে সব সময় থাকে -

সমাধান: 
বায়ুমণ্ডল: ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশে যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমণ্ডল।

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ,
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ,
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ,
- অন্যান্য গ্যাস ০..০২ শতাংশ,
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

বায়ুমণ্ডলের উপাদান হিসেবে আর্দ্রতা, জীবাণু, অক্সিজেন থাকতে পারে কিন্তু বাতাস ছাড়া বায়ুমণ্ডল অস্তিত্বহীন।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬১৯.
কোনো ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে 8kmh-1 বেগে কোথাও গিয়ে যদি আবার 7kmh-1 বেগে আগের যায়গায় ফিরে আসেন তবে তাঁর গড় বেগ হবে -
  1. ক) 7.5 kmh-1
  2. খ) 7 kmh-1
  3. গ) 7.47 kmh-1
  4. ঘ) 15 kmh-1
সঠিক উত্তর:
গ) 7.47 kmh-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 7.47 kmh-1
ব্যাখ্যা
ধরি, 
t1 = d/8
t2 = d/7

মোট সময় = t+ t2
= d/8 + d/7
= 15d/56

∴ মোট দূরত্ব = 2d

আমরা জানি, 
গড় বেগ = 2d/(t1 + t2)
= 2d × 56/15d
= 112/15
= 7.47 kmh-1
৬,৬২০.
নন-রেডক্স বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. জারকের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া ঘটে।
  2. বিজারকের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া ঘটে।
  3. ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না।
  4. জারণ মানের পরিবর্তন ঘটে।
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না।
ব্যাখ্যা
রেডক্স বিক্রিয়া:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে। 
- এটি রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। 
- সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
- বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে।
- সকল জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।
- ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- 
১। সংযোজন বিক্রিয়া
২। বিয়োজন বিক্রিয়া
৩। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
৪। দহন বিক্রিয়া। 

নন-রেডক্স বিক্রিয়া:
- নন-রেডক্স বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়ার সময় মৌলের পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না। 
- এক বা একাধিক বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হওয়ার সময় বিক্রিয়ক অণুতে বর্তমান মৌল সমূহের মধ্যে কোনো মৌলের পরমাণুতেই যদি ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ না ঘটে তবে তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে। 
- পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ না ঘটার কারনে বিক্রিয়া শেষে কোনো বিক্রিয়ক বা উৎপাদ মৌলের পরমাণুর জারণ সংখ্যার হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না। 
- ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না এরূপ বিক্রিয়াকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- 
১। প্রশমন বিক্রিয়া
২। অধ:ক্ষেপ বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৬২১.
কলার চারা লাগানোর সময় পাতা কেটে ফেলা হয়-
  1. ক) প্রস্বেদন রোধ করার জন্য
  2. খ) শ্বসন বন্ধ করার জন্য
  3. গ) অভিস্রবণ ত্বরান্বিত করার জন্য
  4. ঘ) সালোকসংশ্লেষণের উপযোগী করে তোলার জন্য
সঠিক উত্তর:
ক) প্রস্বেদন রোধ করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রস্বেদন রোধ করার জন্য
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গ হতে জলীয় বাষ্প বের হয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন।
- বায়বীয় অংশ থেকে পানি ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যায়।
- প্রস্বেদনের জন্য সূর্যের প্রখর উত্তাপেও গাছের পাতা গরম হয় না।
- শীত বা গ্রীষ্মের পূর্বে প্রস্বেদন কমাতে গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- কলার চারা লাগানোর সময় প্রস্বেদন রোধ করার জন্য পাতা কেটে ফেলা হয়।

৬,৬২২.
সাধারণত pH স্কেলের মান কত থেকে কত পর্যন্ত হয়ে থাকে?
  1. 0–7
  2. 1–10
  3. 0–12
  4. 0–14
সঠিক উত্তর:
0–14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0–14
ব্যাখ্যা

- সাধারণত pH স্কেলের মান 0–14 পর্যন্ত হয়ে থাকে, যেখানে 7 নিরপেক্ষ, < 7 অম্লীয় এবং > 7 ক্ষারীয় বোঝায়। 

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬২৩.
ট্রান্সফরমার সাধারণত কত প্রকারের হয়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও 
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬২৪.
What is the temperature of the triple point of water on an absolute scale?
  1. 270.52 K
  2. 271.26 K
  3. 272.72 K
  4. 273.16 K
  5. 274.37 K
সঠিক উত্তর:
273.16 K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
273.16 K
ব্যাখ্যা
পানির ত্রৈধ বিন্দু:
- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা 273.16 K নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এর উপর ভিত্তি করে পরম শূন্য তাপমাত্রা 0 K, বরফ বিন্দু 273.15 K এবং স্টিম বিন্দু 373.15 K ধরা হয়।
- তাপমাত্রা পরিমাপের কেলভিন স্কেলে বরফ বিন্দুকে 273.15 K এবং স্টিম বিন্দুকে 373.15 K ধরে মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়।
- এক একটি ভাগকে এক কেলভিন (1 K) বলা হয়।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে -
K = C+273.15

তথ্যসূত্র - পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬২৫.
নাসার তথ্যমতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ১৫° সেলসিয়াস 
  2. ২৫° সেলসিয়াস 
  3. ৩২° সেলসিয়াস 
  4. ২৭° সেলসিয়াস 
সঠিক উত্তর:
১৫° সেলসিয়াস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫° সেলসিয়াস 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর তাপমাত্রা:
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সারা বিশ্ব জুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে।
- ১৯৭৯ সাল থেকে National Oceanic and Atmospheric Administration (NOAA) সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রার হিসেব রাখছে।
- প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর আবির্ভাবের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আরও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাষ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
- নাসার তথ্যমতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১৫° সেলসিয়াস। 
- নাসা আরো জানায় ২০২৩ সাল ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ডকৃত উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল। 

এছাড়াও, 
- শনিগ্রহের গড় তাপমাত্রা -১৪০° সেলসিয়াস। 
- মঙ্গলগ্রহের গড় তাপমাত্রা -১১০° সেলসিয়াস।  
- শুক্রগ্রহের গড় তাপমাত্রা ৪৬৪° সেলসিয়াস। 

তথ্যসূত্র: 
১. নাসা ওয়েবসাইট। [লিংক] 
২. Space.com ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৬,৬২৬.
ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো-
  1. ক) ক্যালিপ্টা
  2. খ) মেসোসোম
  3. গ) ফ্ল্যাজেলা
  4. ঘ) এপোফাইসিস
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্ল্যাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্ল্যাজেলা
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার তার যে গঠন দায়ী হলো ফ্ল্যাজেলা
- ফ্ল্যাজেলা: ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত। 
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করা।
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে রাখতে পিলি সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬২৭.
কোন্ বাঙালি বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষনা করেছেন?
  1. ড. কুদরত-ই-খুদা
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. জামাল নজরুল ইসলাম
  4. অতীশ দীপংকর
সঠিক উত্তর:
জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী এবং স্টিফেন হকিংয়ের একজন সহকর্মী। তিনি কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) ও মহাবিশ্বের বিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন এবং এ বিষয়ে বাংলায় একটি বইও লিখেছেন। 

বাঙালি বিশ্ববিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম: 
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞানে জামাল নজরুল ইসলামের মতো অবদান আর কারও নেই। এই বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর জন্ম তাঁর বাবার কর্মক্ষেত্র ঝিনাইদহে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯ সালে। 
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেছেন।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- ছাত্রজীবনে তাঁর সমসাময়িক ও আজীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বিস্ময়কর বিজ্ঞান-প্রতিভা স্টিফেন হকিং। কেমব্রিজ এবং পশ্চিমে শিক্ষার গবেষণা ও অধ্যাপনায় থাকাকালে তাঁর বন্ধু ও সুহৃদমহল গড়ে ওঠে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর শিক্ষক ফ্রিম্যান ডাইসন, পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান, ভারতের সুব্রহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর, পাকিস্তানের আবদুস সালাম, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অমিয় বাগচী, তাঁর সহপাঠী জয়ন্ত নারলিকার, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম মার্লিস প্রমুখ।  
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে। তিনি এই ধারায় গবেষণা অব্যাহত রেখে পরবর্তীকালে লেখেন ফার ফিউচার অব দ্য ইউনিভার্স বা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ভবিষ্যৎ।
- জামাল নজরুল ইসলাম দেশে গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস), যেটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশের প্রবীণ পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর এ এম হারুন-অর রশিদ ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আগত খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিকতত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের অবদান’ স্মরণ করে এ প্রতিষ্ঠানকে প্রফেসর ইসলামের শ্রেষ্ঠ কীর্তি আখ্যা দিয়েছিলেন।
- ২০১৩ সালের ১৬ মার্চ মধ্যরাতে এ মহান বিজ্ঞানী আমাদের ছেড়ে গেছেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।

৬,৬২৮.
আমাদের দেহকোষ রক্ত থেকে গ্রহণ করে-
  1. অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
  2. অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
  3. ইউরিয়া ও গ্লুজোক
  4. এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেহে সকল কাজের জন্য অক্সিজেন দরকার। 
- অক্সিজেন না হলে জীবকোষ বাঁচতে পারে না। 
- রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- অক্সিহিমোগ্লোবিন রূপে প্রতিটি কোষে বহন করে।
- দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটিএসিড) গ্রহণ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি। 
৬,৬২৯.
কোনটি ফ্লোয়েম টিস্যু নয়?
  1. বাস্ট তন্তু
  2. সীভ নল
  3. ট্রাকিয়া
  4. সঙ্গী কোষ
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিয়া
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার। 
যথা- 
১। ফ্লোয়েম টিস্যু: 
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু। 

২। জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা। 
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৩০.
ট্রাইকোডার্মা কী? 
  1. এক প্রকার শৈবাল
  2. এক প্রকার ছত্রাক
  3. এক প্রকার ভাইরাস
  4. এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার ছত্রাক
ব্যাখ্যা
ট্রাইকোডার্মা: 
- ট্রাইকোডার্মা এক প্রকার ছত্রাক। 
- এ ছত্রাক বিভিন্ন ময়লা আবর্জনার সাথে ব্যবহার করে যে সার তৈরি করা হয় তাকে ট্রাইকোডার্মা অণুজীব সার বলে। 
- ২৫-৩০° সে তাপমাত্রায় এ ছত্রাক বংশবিস্তার করতে পারে। 
- পচনশীল দ্রব্য বিয়োজনের মাধ্যমে এর জীবন চক্র সম্পন্ন হয়। 
- ট্রাইকো কম্পোষ্ট তৈরিতে ট্রাইকোর্ডামা ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠে। 
- এই ছত্রাকের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে, এটি অন্যান্য অণুজীবের বা ছত্রাকের চেয়ে কঠিন বস্তু যেমন কাঠের গুড়া গাছের শক্ত অংশ বিয়োজন করতে পারদর্শী। 
- মাটিতে এর কোন নেতিবাচক প্রভাব নেই, তাই এটি পরিবেশ বান্ধব। 
- এ ছত্রাক গাছে রোগ সৃষ্টিকারী অনেক রোগজীবাণু খেয়ে ফেলে এবং গাছের সুরক্ষা দেয়। এজন্য একে ডক্টরস ফাংগাস বলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৩১.
সাইক্লোনের সময় নদীবন্দরের ক্ষেত্রে কয়টি মহাবিপদ সংকেত ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা

ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১০টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে। এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
- ১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত: বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।
- ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড়, যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার বা একটি কালবৈশাখী, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। নৌযান এদের যেকোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
- ৩ নম্বর নৌ বিপৎসংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।
- ৪ নম্বর নৌ মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।
১ এবং ২ নম্বর সংকেত কালবৈশাখী এবং বর্ষাকালীন ঝড়ো হাওয়ার জন্য প্রযোজ্য। ৩ এবং ৪ নং সংকেত সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক বড় ঝড় এবং ঘূর্ণিঝড় এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই নৌ বন্দরের জন্য ৪টি সতর্কতা সংকেত থাকলেও সাইক্লোন জনিত পূর্বাভাসের জন্য প্রযোজ্য সতর্কতা সংকেত ২টি এবং মহাবিপৎসংকেত ১টি।

সূত্র: খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত ''ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার নতুন সতর্ক সংকেত এবং গণদুর্যোগ বার্তা''।

৬,৬৩২.
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে?
  1. ৩০%
  2. ৪০%
  3. ৫০%
  4. ৬০%
সঠিক উত্তর:
৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০%
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের ৩০ শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকুল প্রভাবগুলোর কারণে সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে উঠছে।
- এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে।
- বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে প্রতি ৩-৫ বছরে বাংলাদেশের দুই- তৃতীয়াংশ অঞ্চল বন্যাপ্লাবিত হয়।
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়।
- সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকে।
- 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)'- এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- ২০১০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রণীত 'Economics of Adaptation to Climate Change: Bangladesh' প্রতিবেদন বলা হয়েছে যে শুধুমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা মোকাবিলায় ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং আবর্তক ব্যয় বাবদ যথাক্রমে ৫,৫১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ১১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২। link
৬,৬৩৩.
তড়িৎ প্রলেপন প্রক্রিয়ায় যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়? 
  1. দ্রব
  2. অ্যানোড
  3. ক্যাথোড
  4. তড়িৎ বিশ্লেষ্য
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সুবিধামতো কোনো ধাতুর উপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে। 
- সাধারণত কোনো ধাতু (যেমন: তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি) দিয়ে তৈরি জিনিসকে মরিচা থেকে রক্ষা করার এবং সুন্দর দেখানোর জন্য এদের উপর কখনো সোনা, রূপা, নিকেল ইত্যাদি মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেয়া হয়। 
- যে বস্তুটির ওপর প্রলেপ দিতে হবে সে বস্তুটিকে খুব ভালোভাবে ধুঁয়ে একটি ভোল্টমিটারের ক্যাথোড এবং যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়। 
- প্রলেপ দিতে হবে এমন ধাতুর কোনো লবণের দ্রবণ তড়িৎ দ্রব হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এখন ভোল্টমিটারের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোড রাখা বস্তুটির ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৩৪.
নিউটনের গতিসূত্র মূলত কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• নিউটোনের গতিসূত্র মূলত ৩ টি।

নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে।
- উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়োগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও ঘটে সেদিকে।
- উদাহরণ: কোনো বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়োগ করে।
- উদাহরণ: বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৩৫.
পোস্ট অফিস বক্সের সাহায্যে কী পরিমাপ করা যায়? 
  1. আধান
  2. প্রবাহ
  3. রোধ
  4. বিভব পার্থক্য
সঠিক উত্তর:
রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ
ব্যাখ্যা
পোস্ট অফিস বক্স: 
- যে রোধ বাক্সের রোধগুলোকে হুইটস্টোন ব্রিজের তিনটি বাহু হিসেবে বিবেচনা করে এর সাহায্যে হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি ব্যবহার করে কোনো অজানা রোধ নির্ণয় করা যায়, তাকে পোস্ট অফিস বক্স বলে। 
- পোস্ট অফিস বক্স হুইটস্টোন ব্রিজের আরেকটি রূপ। 
- পূর্বে পোস্ট অফিসের লোকজন টেলিগ্রাম, টেলিফোন লাইনের তারের রোধ নির্ণয়ের জন্য এই যন্ত্র ব্যবহার করতেন বলে একে পোস্ট অফিস বক্স বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৬,৬৩৬.
সর্বশেষ কোন সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গিয়েছিল? 
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে যাদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে, এসব জ্যোতিকে ধূমকেছূ বলে। 
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিক। 
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উপয় হরে পাবার অদৃশ্য হয়ে যায়। 
- সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। 
- সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায় । 
- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। 
- এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়। 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। 
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়। 
- মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৩৭.
সরু চোঙের ব্যাসার্ধ নির্ণয়ে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়? 
  1. স্ক্রু গজ
  2. মিটার স্কেল
  3. পাইরোমিটার
  4. তুলা যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ
ব্যাখ্যা

সরু চোঙ, সরু তার বা চিকন নলের ব্যাস ও ব্যাসার্ধ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করার জন্য স্ক্রু গজ (Screw Gauge) ব্যবহৃত হয়।
- এই যন্ত্রের লঘিষ্ঠ গণন (Least Count) সাধারণত ০.০১ মি.মি. বা তারও কম হয়ে থাকে, যা স্লাইড ক্যালিপার্সের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভুল।

• স্ক্রু গজ: 
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়। 
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়। 
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 


উল্লেখ্য:
- মিটার স্কেল: এটি দিয়ে বড় দৈর্ঘ্য মাপা গেলেও ১ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট পরিমাপ নিখুঁতভাবে নেওয়া সম্ভব নয়।
- পাইরোমিটার: এটি মূলত স্পর্শ না করে দূর থেকে কোনো বস্তুর অতি উচ্চ তাপমাত্রা (যেমন: চুল্লির তাপমাত্রা) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তুলা যন্ত্র: এটি কোনো দৈর্ঘ্য বা ব্যাসার্ধ পরিমাপের যন্ত্র নয়; এটি দিয়ে বস্তুর ভর (Mass) মাপা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৬৩৮.
মানবদেহের রক্তে বিদ্যমান রক্তকণিকার পরিমাণ কত?
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৫০%
  4. ৫৫%
সঠিক উত্তর:
৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫%
ব্যাখ্যা

মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৬,৬৩৯.
স্থির তাপমাত্রায় একই উপাদানের রোধ কোন বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে? 
  1. শুধুমাত্র দৈর্ঘ্য 
  2. শুধুমাত্র তাপমাত্রা 
  3. উপাদান এবং তাপমাত্রা 
  4. দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল 
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল 
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে।  
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়।
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৪০.
সিলিয়াক ধমনি রক্ত বহন করে- 
  1. অন্ত্রে
  2. বৃক্কে
  3. পাকস্থলী ও যকৃতে
  4. পেলভিসে
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলী ও যকৃতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলী ও যকৃতে
ব্যাখ্যা
সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে। 
যেমন- 
• আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে। 
• থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
• সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
• ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
• বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
• মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
• জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৪১.
খাওয়ার পর শর্করা কোন পদার্থে পরিণত হয়? 
  1. ফ্রুক্টোজ
  2. সেলুলোজ
  3. গ্লুকোজ
  4. ল্যাকটোজ
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা

শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate): 
- শর্করাজাতীয় খাদ্য শরীরে কাজ করার শক্তি যোগায়। 
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন। 
- উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে জমা থাকে। 
- ফলের রসের গ্লুকোজ, দুধের ল্যাকটোজ, গম, আলু, চাল ইত্যাদি শর্করাজাতীয় খাদ্যের বিভিন্ন রূপ। 
- গঠনপদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
- নিচের এই তিন ধরনের শর্করার গঠন এবং উৎস দেখানো হলো-

- প্রধানত চাল, গম, আলু থেকে শ্বেতসার পাওয়া যায়। 
- কাঁচা খাদ্যের শ্বেতসার সহজে হজম হয় না। এজন্য চাল, আটা, আলু ইত্যাদি রান্না করে খাওয়া হয়। 
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 
- দ্বি-শর্করা এবং বহু শর্করা পরিপাকের মাধ্যমে সরল শর্করায় (গ্লুকোজ) পরিণত হয়ে দেহে শোষণযোগ্য হয়। 
- মানব পরিপুষ্টির জন্য সরল শর্করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানবদেহ শুধু সরল শর্করা শোষণ করতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৪২.
নিম্নলিখিত কোনটি ভাইরাসজনিত রোগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রুবেলা
  2. টাইফয়েড
  3. হেপাটাইটিস বি
  4. রুবেলা
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
ব্যাখ্যা

- টাইফয়েড হলো একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ।

• ভাইরাসজনিত রোগ:
- এইডস,
- পোলিও,
- ডেঙ্গু,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- পীতজ্বর,
- হাম,
- রুবেলা,
- মাম্পস,
- হেপাটাইটিস বি,
- জন্ডিস,
- হার্পিস ইত্যাদি।

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- আমাশয়,
- টাইফয়েড,
- কলেরা,
- কুষ্ঠ,
- যক্ষ্মা,
- ধনুষ্টংকার,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিং কাশি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৬,৬৪৩.
‘The Origin of Species by means of Natural Selection’ বইটি কার লেখা?
  1. Charles Darwin
  2. Stephen jay gould
  3. Albrecht Von Haller
  4. William Wallace
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
ব্যাখ্যা
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্বতি। এর প্রকৃত অর্থ ক্রমবিকাশ।
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টেফেন জে. গোল্ড এর মতে, Evolution পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ Albrecht Von Haller, ১৯৭৪ সালে।
- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তাঁর মতামত ১৮৫৯ সালে ২৮ নভেম্বর ‘The Origin of species by means of natural selection’ নামক বইটিতে প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের মতামতটি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত।
- ডারউইনের মতবাদের মূলতত্ত্বগুলো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে, সংক্ষেপে ও তুলনামূলকভাবে কম নমুনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ওয়ালেস আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে বিবর্তনের মতবাদকে যৌথভাবে “Darwin - Wallace’s Theory” বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৪৪.
পয়েন্ট মিউটেশনের ফলে কোন রোগ হয়?
  1. ক) লুই গ্রেগরি ডিজিজ
  2. খ) হান্টিংটনস ডিজিজ
  3. গ) পারকিনসন ডিজিজ
  4. ঘ) আলঝেইমার ডিজিজ
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টিংটনস ডিজিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টিংটনস ডিজিজ
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট মিউটশনের ফলে হান্টিংটনস রোগ (Huntington’s Disease) হয়। এই রোগ হলে মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না। শরীরের পেশীগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার ক্ষমতা লোপ পায় এবং পরে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মৃত্যও ঘটে। সাধারণত চল্লিশ বছরের আগে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। পয়েন্ট মিউটশনের ফলে সিকেল সেল নামে রক্তকনিকার আরেকটি রোগ হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
৬,৬৪৫.
কোন জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে?
  1. ক) MSI
  2. খ) LSI
  3. গ) VLSI
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক) MSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) MSI
ব্যাখ্যা
• সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে মন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।

১. মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে ।

২. বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০টি উপাদান থাকে।

৩. অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০টির অধিক উপাদান থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৪৬.
ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?
  1. নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
  2. অপটিক্যাল ফাইবারে বার্তা প্রেরণ
  3. বোতাম টিপে ডায়াল করা
  4. ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
ব্যাখ্যা
- টেলিফোনে প্রধাণত দুটো প্রধান অংশ থাকে। 
যথা- গ্রাহক যন্ত্র ও প্রেরক যন্ত্র। 
- টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। 
যথা- এনালগ ও ডিজিটাল। 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে। 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দ আদান-প্রদানে অসুবিধা হয় কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে শব্দ আদান প্রদানে সুবিধা হয়। 
- বর্তমানে ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা বহুলভাবে প্রচলিত। এটির সুবিধা হল কম্পিউটার ব্যবস্থার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৬৪৭.
কোনটি কোষ বিভাজনের প্রকার নয়? 
  1. অটোসিস
  2. মাইটোসিস 
  3. মায়োসিস
  4. অ্যামাইটোসিস 
সঠিক উত্তর:
অটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোসিস
ব্যাখ্যা

- কোষ বিভাজনের প্রকার নয়- অটোসিস। 

কোষ বিভাজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি থেকে একাধিক কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলা হয়। 
- জীবজগতে তিন প্রকারের কোষ বিভাজন দেখা যায়। 
যথা- অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস এবং মায়োসিস কোষ বিভাজন। 
১। অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন: 
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়। 

২। মাইটোসিস কোষ বিভাজন: 
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়েই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়। 

৩। মায়োসিস কোষ বিভাজন: 
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র এক বার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু'বার বিভক্ত হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি অপত্য কোষে ক্রোমোসোম
সংখ্যা (n) মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার (2n) অর্ধেক হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৪৮.
নিচের কোনটি উদ্ভিদ টিস্যু তন্ত্রের প্রকারভেদ নয়? 
  1. অঙ্গীয় টিস্যু তন্ত্র 
  2. ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র 
  3. ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র 
  4. পরিবহন টিস্যু তন্ত্র 
সঠিক উত্তর:
অঙ্গীয় টিস্যু তন্ত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অঙ্গীয় টিস্যু তন্ত্র 
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদ টিস্যু তন্ত্রের প্রকারভেদ নয়- অঙ্গীয় টিস্যু তন্ত্র। 

টিস্যু তন্ত্র: 
- একই ধরনের কাজ সম্পাদন করে এ রকম কতগুলো টিস্যু মিলিতভাবে গঠন করে টিস্যু তন্ত্র। 
- উদ্ভিদের টিস্যু তন্ত্র তিন প্রকারের। 
যথা- ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র, ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র এবং পরিবহন টিস্যু তন্ত্র। 

১। ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র: 
- মূল, কান্ড, শাখা প্রশাখা, পাতা, ফল এ সব উদ্ভিদ অঙ্গের ত্বক (বহিরাবরণ) ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র দ্বারা গঠিত। 
- সাধারণত একসারি ঘন সন্নিবেশিত প্যারেনকাইমা কোষ ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র গঠন করে। 

২। ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র: 
- ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র মূল বা কান্ডের প্রধান টিস্যু। 
- একে বহির্মজ্জা বা কর্টেক্স এবং অন্তঃমজ্জা এ দুইটি অংশে ভাগ করা যায়। 
- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কান্ডের কর্টেক্স অধঃত্বক, সাধারণ বহির্মজ্জা এবং অন্তঃত্বক দ্বারা গঠিত। 
- অন্তঃত্বক দ্বারা পরিবেষ্টিত এক বা একাধিক কোষের স্তরকে বলা হয় পরিচক্র। 
- পরিচক্র দ্বারা পরিবেষ্টিত অবস্থায় মজ্জা এবং মজ্জারশ্মি থাকে। 

৩। পরিবহন টিস্যু তন্ত্র: 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম টিস্যুর সমন্বয়ে পরিবহন টিস্যুতন্ত্র গঠিত হয়। 
- ভিত্তি টিস্যুর মাঝখানে এর অবস্থান। 
- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু পাশাপাশি অবস্থান করে এবং এদের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম নামক ভাজক টিস্যু থাকে। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু কান্ডের পরিধির দিকে এবং জাইলেম টিস্যু কান্ডের কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত। 
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে ক্যাম্বিয়াম থাকে না। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৪৯.
নিচের কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণি?
  1. ব্যাঙ
  2. দোয়েল
  3. শুশুক
  4. কুমির
সঠিক উত্তর:
শুশুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুশুক
ব্যাখ্যা

• স্তন্যপায়ী (Mammalia):
- এরা কর্ডাটা পর্বের ভারটেব্রাটা উপপর্বের প্রাণি।
- বিবর্তনের দিক থেকে স্তন্যপায়ী (Mammalia) সবচেয়ে আধুনিক প্রাণি।
- স্তন্যপায়ী প্রাণিরা সন্তান প্রসব করে (ব্যতিক্রম প্লাটিপ্লাস)। 
- মানুষও এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত প্রাণি।
- তিমি, ডলফিন, শুশুক হলো সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। 

বৈশিষ্ট্য-
১। দেহ এপিডার্মাল লোম দ্বারা আবৃত থাকে।
২। পরিণত স্ত্রী প্রাণীর কার্যকরী স্তন গ্রন্থি (mammary gland) থেকে ক্ষরিত মাতৃদুগ্ধে নবজাতক লালিত হয়।
৩। উষ্ণ রক্তের প্রাণি।
৪। বহিঃকর্ণে পিনা ও মধ্য কর্ণে তিনটি ক্ষুদ্রান্থি থাকে।
৫। হৃদপিণ্ড সম্পূর্ণভাবে চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।
উদাহরণ- মানুষ, উট, বাঘ, তিমি, ডলফিন, শুশুক ইত্যাদি। 

অপরদিকে বাকি ৩ টি অপশনের মধ্যে,
- ব্যাঙ হচ্ছে উভচর শ্রেণির প্রাণি।
- দোয়েল হচ্ছে পক্ষীকূল (Aves) শ্রেণির প্রাণি।
- কুমির হচ্ছে সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৫০.
বংশগতির জনক কে?
  1. ক) ডারউইন
  2. খ) মেন্ডেল
  3. গ) লিনিয়াস
  4. ঘ) ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
খ) মেন্ডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেন্ডেল
ব্যাখ্যা
অস্ট্রিয়ার ধর্মযাজক গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে জেনেটিক্স বা বংশগতির জনক বলা হয়। তিনি দীর্ঘ ৭ বছর ৩৪ প্রকারের মটরশুটি গাছ পরীক্ষা করেন এবং অবশেষে বংশগতির দুটি সূত্র আবিষ্কার করেন।
উৎসঃ উদ্ভিদ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৬৫১.
কোন খাদ্যে পচন ধরে না?
  1. ক) ফল
  2. খ) মধু
  3. গ) দুধ
  4. ঘ) চা
সঠিক উত্তর:
খ) মধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধু
ব্যাখ্যা
মধুতে পচন ধরে না।
- এটি সহজে নষ্ট হয় না কারন মধুতে ব্যাকটেরিয়া জন্মায় না।
- ব্যাকটেরিয়া মধু অন্যান্য পদার্থে বৃদ্ধি পায় না কারণ এই পদার্থগুলোতে পানির পরিমাণ খুব কম থাকে এবং বস্তুতে থাকা যে কোনও ব্যাকটেরিয়াকে ডিহাইড্রেট করে।

উৎস: Physicsforums website.
৬,৬৫২.
শর্করা দেহে প্রধানত কোন কাজে সহায়তা করে? 
  1. দেহে শক্তি উৎপাদনে 
  2. কোষের অঙ্গাণুগুলো ধারণে
  3. মল নিষ্কাশনে 
  4. দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষায় 
সঠিক উত্তর:
দেহে শক্তি উৎপাদনে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহে শক্তি উৎপাদনে 
ব্যাখ্যা

খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৫৩.
P- type অর্ধপরিবাহীতে অপদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় -
  1. গ্রুপ-১৩
  2. গ্রুপ-১১
  3. গ্রুপ-১৫
  4. গ্রুপ-১৮
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-১৩
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- অর্থাৎ, পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্য সেমিকন্ডাক্টরে অপদ্রব্য মেশানোকে ডোপিং বা ডোপায়ন বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা - 

১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

ডোপায়নের ফলে ২ ধরনের অবিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টর পাও্যা যায়। যথা -
১. P-type - বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহির সাথে অপদ্রয় হিসেবে তৃযোজী বা গ্রুপ ১৩ এর মৌল যুক্ত করা হয়।
২. N-type - বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহির সাথে অপদ্রয় হিসেবে পঞ্চযোজী বা গ্রুপ ১৫ এর মৌল যুক্ত করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৫৪.
জেনেটিক ডিসঅর্ডারের জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) পয়েন্ট মিউটেশন
  2. খ) ক্রোমোজোমের সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি
  3. গ) ট্রানসলোকেশন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেনেটিক ডিসওর্ডারের কারণ : চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন কীভাবে মাতা-পিতা থেকে সন্তানদের মধ্যে উপরিউক্ত রোগগুলো সঞ্চালিত হয় এবং কী ধরনের অনিয়মের কারণে রোগগুলো ঘটে। যে সকল অনিয়মের কারণে
মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি হয় তা হলো-
(ক) পয়েন্ট মিউটেশন (জিনের পরিব্যপ্তি, এমনকি একটি নিউক্লিয়োটাইডের পরিব্যপ্তি),
(খ) ক্রোমোসোম সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি,
(গ) মায়োসিস কোষ বিভাজনের সময় হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের বিচ্ছিন্নকরণ না ঘটা (Non-disjunction) অ্যানাফেজ দশায় দু’মেরুতে সম-সংখ্যক ক্রোমোসোম বিতরণ না হওয়া) এবং
(ঘ) অসমসত্ত্ব ক্রোমোসোমের মধ্যে অংশের বিনিময় (Translocation) ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৫৫.
পৃথিবীর বয়স বা প্রাচীন জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়?
  1. অক্সিজেন-১৮
  2. কোবাল্ট-৬০
  3. নাইট্রোজেন-১৫
  4. কার্বন-১৪
সঠিক উত্তর:
কার্বন-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-১৪
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) কার্বন-১৪
- এটি কার্বনের একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। জীবন্ত উদ্ভিদ বা প্রাণী বায়ুুমণ্ডল থেকে কার্বন গ্রহণ করে, কিন্তু মৃত্যুর পর এই কার্বন-১৪ এর গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি নির্দিষ্ট হারে ক্ষয় হতে শুরু করে। কোনো প্রাচীন জীবাশ্মে অবশিষ্ট কার্বন-১৪ এর পরিমাণ মেপে সেটির বয়স নিখুঁতভাবে বের করা যায়। এই পদ্ধতিকে 'কার্বন ডেটিং' (Carbon Dating) বলা হয়।

• তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন-
চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ (60Co) থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: 
- বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। 
- কোবাল্ট-৬০ (60Co) থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

এছাড়াও,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- অক্সিজেন-১৮: এটি একটি স্থিতিশীল আইসোটোপ যা মূলত প্রাচীন জলবায়ু এবং তাপমাত্রা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- নাইট্রোজেন-১৫: এটি সাধারণত কৃষি গবেষণায় উদ্ভিদের প্রোটিন বা নাইট্রোজেন শোষণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৫৬.
নিকোলাস কোপার্নিকাস ছিলেন মূলত একজন -
  1. ক) জ্যোর্তিবিজ্ঞানী
  2. খ) রসায়নবিদ
  3. গ) দার্শনিক
  4. ঘ) গণিতবিদ
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যোর্তিবিজ্ঞানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যোর্তিবিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
নিকোলাস কোপার্নিকাস:
- তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৪৭৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
- তিনি ২৪ মে, ১৫৪৩ সালে ইতালির রোমে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- পরবর্তীতে জোহান কেপলার গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৬,৬৫৭.
জীবাণুযুক্ত পানি বিশুদ্ধ করার জন্য কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়? 
  1. হাইড্রোজেন গ্যাস
  2. ক্লোরিন গ্যাস
  3. ফ্লোরিন গ্যাস
  4. নাইট্রোজেন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে যে পানি পাওয়া যায় তাতে নানা রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, এমনকি রোগ সৃষ্টি করতে পারে এরূপ জীবন ধ্বংসকারী জীবাণুও থাকে। তাই ব্যবহারের আগে পানি বিশুদ্ধ করে নিতে হয়। 
- ভূগর্ভের পানি সাধারণত রোগ-জীবাণু মুক্ত থাকে, কিন্তু এই পানিতে আর্সেনিকের (As) মতো নানা রকম ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি থাকে। 
- সাধারণত যেসব প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়, সেগুলো হলো: পরিস্রাবণ, ক্লোরিনেশন, স্ফুটন, পাতন ইত্যাদি। 
- জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার জন্য ক্লোরিন গ্যাস (Cl2) ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়াও ব্লিচিং পাউডার [(Ca(OCl)Cl] এবং আরও কিছু পদার্থ, যার মধ্যে ক্লোরিন (Cl) আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। 
- আমাদের দেশে বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য যে ট্যাবলেট বা কিট ব্যবহার করা হয়, সেটি হচ্ছে মূলত সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড (NaOCl), এর মাঝে যে ক্লোরিন (Cl) থাকে, সেটি পানিতে থাকা রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে ফেলে। 
- ক্লোরিন (Cl)  ছাড়াও ওজন গ্যাস (O3) দিয়ে অথবা অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে পানিতে থাকা রোগ-জীবাণু ধ্বংস করা যায়, বোতলজাত পানির কারখানায় এ পদ্ধতি ব্যবহার করে পানিকে রোগ-জীবাণু মুক্ত করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৫৮.
ট্রান্সফরমার যন্ত্রের সাহায্যে নিম্নের কোনটি পরিবর্তন ঘটে?
  1. কারেন্ট
  2. ভোল্টেজ
  3. ফ্রিকোয়েন্সি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার:
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার।
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়।
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার হলো এক ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিকল্প কারেন্ট (AC) ব্যবহারের মাধ্যমে ভোল্টেজ ও কারেন্ট পরিবর্তন করে, কিন্তু ফ্রিকোয়েন্সি অপরিবর্তিত রাখে।

⇒ এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়।
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়।
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৫৯.
ইলেকট্রনের প্রতিকণা (Antiparticle) কী? 
  1. পজিট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. নিউট্রিনো
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
ব্যাখ্যা
কণা (Particle) ও প্রতি কণা (Antiparticle): 
- প্রতি কণা হলো এমন কণিকা যার ভর এবং স্পিন অন্য একটি কণিকার সমান, কিন্তু যার চার্জ, বেরিয়ন সংখ্যা, লেপ্টন সংখ্যা অন্য কণিকাটির সমমানের অথচ বিপরীতধর্মী। 
- বলবাহী কণা ছাড়া সকল কণারই প্রতি কণা রয়েছে। 
- ইংরেজ পদার্থবিদ পল ডিরাক গাণিতিকভাবে প্রমাণ করেন যে, ইলেকট্রনের স্পিন 1/2 । এরপর তিনি ইলেকট্রনের বিপরীত কণা পজিট্রন (এন্টিইলেকট্রন, e+) আবিষ্কার করেন এবং এর জন্য পল ডিরাক ১৯৩২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। 

- যখন কণা ও প্রতিকণা মিলিত হয় তখন তারা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে নির্ভেজাল শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তির উদ্ভব ঘটে। 
- তবে সাধারণ পরমাণুতে কণা ও প্রতিকণা কখনও একসাথে থাকে না। 
- কণাগুলো যেমন পদার্থ (Matter) গঠন করে তেমনি প্রতিকণাগুলো মিলে প্রতিপদার্থ (Anti Matter) তৈরি করে। 
- মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। 
যথা- (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৬০.
জীবের বেঁচে থাকার জন্য কোনটি অত্যাবশ্যক নয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) খাবার
  3. গ) মাটি
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
গ) মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাটি
ব্যাখ্যা
- জীবের বেঁচে থাকবার জন্য পানি, খাবার এবং অক্সিজেনের প্রয়োজন। 
- বেঁচে থাকার জন্য জীবের খাদ্য, আবাসস্থল, আশ্রয়স্থল, পানি এবং বায়ু প্রয়োজন। 
- বেঁচে থাকার জন্য মানুষের শ্বাস গ্রহণের জন্য অক্সিজেন এবং পান করবার জন্য পানি প্রয়োজন। 
- উপরিউক্ত অপশনগুলোর মধ্যে এক্ষেত্রে জীবের বেঁচে থাকার জন্য মাটি অত্যাবশ্যক নয়। 

সূত্র: লাইভ সাইন্স ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৬,৬৬১.
কৃষ্ণবিবরের আবিষ্কারক কে? 
  1. কার্ল সাগান
  2. জন হুইলার
  3. স্টিফেন হকিং
  4. অ্যালবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর বা Black hole । 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৬২.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. এসিড হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে
  2. এসিড ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে
  3. এসিড লাল লিটমাসকে নীল করে
  4. এসিড ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
এসিড লাল লিটমাসকে নীল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড লাল লিটমাসকে নীল করে
ব্যাখ্যা
এসিড:
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
যেমন—এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড।
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়। 

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. এসিড স্বাদে টক।
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী।

সূত্র- রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৬৩.
মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে কী থাকে? 
  1. স্টোলন
  2. রাইজোম
  3. শিকড়
  4. রাইজয়েড
সঠিক উত্তর:
রাইজয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইজয়েড
ব্যাখ্যা
মস: 
- মস জাতীয় উদ্ভিদে কাণ্ড ও পাতা রয়েছে। 
- তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই। 
মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে। 
- এরা সবুজ ও স্বভোজী। 
- স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়। 
উদাহারণ- Riccia, Antheceros, Semibarbula ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং পরিবেশ শিক্ষা বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৬৪.
মানবদেহের কোথায় শর্করা পরিপাককারী কোনো এনজাইম নেই? 
  1. লালা রসে
  2. আন্ত্রিক রসে
  3. অগ্ন্যাশয় রসে
  4. পাকস্থলি রসে
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে
ব্যাখ্যা
খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা: 
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে। 
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে। 
- মূলতঃ তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
- লালারসে মিউসিন এবং দু’প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে। 

- যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে- 
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ। 
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই। 
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ। 
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৬৫.
কোন তড়িৎ কোষ রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে?
  1. নিকেল অক্সাইড কোষ
  2. ড্যানিয়েল কোষ
  3. লেড-এসিড কোষ
  4. লেড সঞ্চয়ী কোষ
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল কোষ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ
তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়-
১. প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ - যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

২. সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ - যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ। 

অন্যদিকে, 
- দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে গ্যালভানিক কোষ। 
- এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল এবং সরল ভোল্টায়িক কোষ। 

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৬৬৬.
নিচের কোনটি প্রোটিনের অভাব জনিত রোগ?
  1. রিকেটস
  2. গলগন্ড
  3. মেরাসমাস
  4. বেরিবেরি
সঠিক উত্তর:
মেরাসমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরাসমাস
ব্যাখ্যা
প্রোটিনের অভাবজনিত রোগঃ
খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে 'মেরাসমাস' ও 'কোয়াশিয়রকর' নামক দুটি রোগ হয়।
মেরাসমাস রোগে পেশী ও মেদ ক্ষয় হয় ও চামড়া কুচকে যায়, দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়, কম বয়সে এ রোগ হলে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত ২ - ৪ বছর বয়সে শিশুদের খাদ্যে আমিষের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। এ রোগে শিশুদের দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, পেশী ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। 
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৬,৬৬৭.
মাটির পাত্রে পানি ঠাণ্ডা থাকে কেন?
  1. ক) মাটির পাত্র পানি থেকে তাপ শোষণ করে
  2. খ) মাটির পাত্র ভালো তাপ পরিবাহী
  3. গ) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
  4. ঘ) মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
গ) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
- মাটির পাত্রে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে।
- এসব ছিদ্র দিয়ে পানি কলসির উপরিতলে এসে পৌছে এবং বাষ্পীভূত হয়।
- বাষ্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ কলসির পানি থেকে গ্রহন করে।
- ফলে পানি ঠান্ডা থাকে।
৬,৬৬৮.
গুচ্ছ ফল কোনটি? 
  1. কাঁঠাল
  2. জাম
  3. আনারস
  4. আতা
সঠিক উত্তর:
আতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতা
ব্যাখ্যা
ফল: 
- নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে। 
- শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে। 
যেমন- আম, কাঁঠাল। 
- গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে। 
যেমন- আপেল, চালতা ইত্যাদি। 
- প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- সরল ফল, গুচ্ছফল ও যৌগিক ফল। 
১) সরল ফল: 
- ফুলের একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে যে ফলের উৎপত্তি তাকে সরল ফল বলে। যেমন- আম। এরা রসাল বা শুষ্ক হতে পারে। 
- আবার সরল ফল দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) রসাল ফল: যে ফলের ফলত্বক পুরু এবং রসাল তাকে রসাল ফল বলে। এ ধরনের ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না। 
যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি। 

খ) নীরস ফল: যে ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে। 
যেমন- শিম, ঢেঁড়স, সরিষা ইত্যাদি। 

২) গুচ্ছ ফল: 
- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে। 
যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি। 

৩) যৌগিক ফল: 
- একটি মজুরির সম্পূর্ণ অংশ যখন একটি ফলে পরিণত হয় তখন তাকে যৌগিক ফল বলে। 
যেমন- আনারস, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,৬৬৯.
অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত, পিত্তথলি ও কিডনি পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় কোনটির মাধ্যমে?
  1. ক) এনজিওগ্রাফি
  2. খ) এমআরআই
  3. গ) সিটিস্ক্যান
  4. ঘ) এক্সরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে
ব্যাখ্যা

এক্সরের ব্যবহারঃ    
১। স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
২। দাঁতের ক্যাভিটি এবং অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।
৩। পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা (Intestional Obstruction) শনাক্ত করা যায়।
৪। এক্স-রে দিয়ে পিক্তথলি ও কিডনি পাথরের অস্তিত্ত্ব বের করা যায়।
৫। বুকের এক্স-রে করে ফুসফুসের রােগ যেমন যক্ষ্মা, নিউমােনিয়া ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়।
৬। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে, তাই রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬,৬৭০.
মানুষের দেহকোষে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোমের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪৬টি
  2. খ) ২৩টি
  3. গ) ৪৪টি
  4. ঘ) ২টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা

মানব দেহকোষে ক্রোমোসোমের সংখ্যা হলো ২৩ জোড়া বা ৪৬টি। এর মধ্যে ২২জোড়া বা ৪৪টি হলো অটোসোম। আর ১ জোড়া বা ২টি হলো সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
সেক্স ক্রোমোসোম XX হলে তা হবে নারী এবং XY হলে তা হবে পুরুষ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,৬৭১.
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, বিক্ষেপণ তত - 
  1. কম
  2. বেশি
  3. মাঝামাঝি
  4. অপরিবর্তিত
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৬৭২.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়? 
  1. দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার অভিযান
  2. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
  3. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  4. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রশমন (Mitigation): 
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৭৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের স্থানীয় উদ্ভিদ প্রজাতি?
  1. রেইনট্রি
  2. শাল
  3. ইউক্যালিপটাস
  4. আকাশমনি
সঠিক উত্তর:
শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা
শাল ( Shorea robusta ) বাংলাদেশের একটি স্থানীয় ও প্রাকৃতিক বনজ বৃক্ষ। 
- এটি বিশেষত বরেন্দ্র , মধুপুর ও ভাওয়াল , গাজীপুরের বন এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়।
 - শাল গাছ কাঠের জন্য বিখ্যাত এবং এটি একটি বহুবর্ষজীবী, শক্ত কাঠের বৃক্ষ। 

অন্যদিকে, 
রেইনট্রি: মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আমদানি করা বিদেশি প্রজাতি।
ইউক্যালিপটাস: অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা দ্রুতবর্ধনশীল গাছ।
আকাশমনি: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে আগত, বাংলাদেশে চাষযোগ্য বিদেশি প্রজাতি।

তথ্যসূত্র:
- বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম। 
- "Flora of Bangladesh" – Bangladesh National Herbarium.
৬,৬৭৪.
ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য কোনটি? 
  1. স্টার্চ 
  2. গ্লাইকোজেন 
  3. সেলুলোজ 
  4. গ্লুকোজ 
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন 
ব্যাখ্যা

ছত্রাক: 
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক। 
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত। 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়। 
যেমন- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ। 

ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য: 
১। ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ। 
২। এরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম। 
৩। এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে। 
৪। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে। 
৫। এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত। 
৬। ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি। 
৭। এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না। 
৮। এদের জননাঙ্গ এককোষী। 
৯। স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না। 
১০। হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার হয় এবং 
১১। জাইগোটে মায়োসিস ঘটে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৭৫.
নিঃসরণে কোন উপাদানের প্রভাব সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ? 
  1. চাপ 
  2. আর্দ্রতা 
  3. আণবিক ভর 
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
চাপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ 
ব্যাখ্যা

ব্যাপন (Diffusion): 
- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে। 
যেমন- 
• ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়া ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 
- যে পদার্থের ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগে সেই পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং যে পদার্থের ছড়িয়ে পড়তে সময় বেশি লাগে সেই পদার্থের ব্যাপন হার কম। 
- যে পদার্থের আণবিক ভর বেশি সে পদার্থের ব্যাপন হার কম। 

নিঃসরণ (Effusion): 
- সরু ছিদ্রপথে উচ্চচাপ থেকে কোনো গ্যাসের নিম্নচাপের দিকে সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। 
যেমন- 
• বেলুনের ভেতরের বাতাস উচ্চচাপে থাকে; ছিদ্রপথ দিয়ে বেলুনের বাইরে নিম্নচাপে প্রবাহিত হওয়া এক ধরনের নিঃসরণ। 
• যানবাহনের CNG সিলিন্ডার থেকে উচ্চ গতিতে গ্যাস ইঞ্জিনে প্রবেশ করানোও এক ধরনের নিঃসরণ। 
• বাসাবাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের প্রোপেন ও বিউটেন উচ্চচাপে তরল অবস্থায় থাকে; চুলা চালানোর সময় গ্যাসে পরিণত হয়ে দ্রুত বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াও এক ধরনের নিঃসরণ। 
- তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসের কণার গতিবেগ বৃদ্ধি পায়, ফলে নিঃসরণের হারও বৃদ্ধি পায়। 

- ব্যাপন ও নিঃসরণ মূলত একই প্রকৃতির ঘটনা। 
- এদের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- ব্যাপনের ক্ষেত্রে চাপের প্রভাব নেই কিন্তু নিঃসরণের ক্ষেত্রে চাপের প্রভাব আছে। 
- ব্যাপনের ক্ষেত্রে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ উপযুক্ত মাধ্যমে সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে কিন্তু নিঃসরণের ক্ষেত্রে কেবল গ্যাসীয় পদার্থ গ্যাসীয় মাধ্যমে ধারক পাত্রের সরু ছিদ্রপথ দিয়ে দ্রুত গতিতে উচ্চ চাপ থেকে নিম্ন চাপের দিকে বের হয়ে আসে। 
যেমন- 
• রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার খুললে প্রথমে গ্যাস ছিদ্রপথ দিয়ে বের হয় (নিঃসরণ), তারপর ঘরে ছড়িয়ে যায় (ব্যাপন)। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৭৬.
উত্তর গোলার্ধে ______ উত্তর অক্ষরেখাকে 'কর্কটক্রান্তি' রেখা বলা হয়।
  1. ১৩.৫°
  2. ৬৬.৫°
  3. ২৩.৫°
  4. ৩৩.৫°
সঠিক উত্তর:
২৩.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫°
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকরক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়। 
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৬৭৭.
pH স্কেলে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডের pH এর মান কত?
  1. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH মান:

- PH এর মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়।
- নিরপেক্ষ কোনো দ্রবণের pH এর মান ৭।
- এসিড দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে কম হয়।
- ক্ষারের দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে বেশি হয়।
- PH স্কেলে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডের pH এর মান ০।
- সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষারের pH এর মান ১৪।

তথ্যসূত্র - রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৭৮.
কাঠ ও কয়লা প্রধানত কী?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. কার্বন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে কয়লায় ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে।

আবার,
কাঠের প্রধান উপাদান হচ্ছে সেলুলোজ। আবার এ সেলুলোজ কার্বণ, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত। তাই বলা যায় যে, কাঠের অন্যতম উপাদান হচ্ছে কার্বন। অন্যদিকে, কয়লা হচ্ছে কার্বনের একটি সাধারণ রূপ। সর্বোপরি বলা যায় যে, কাঠ ও কয়লা উভয়ের মধ্যেই কার্বনের পরমাণু বিদ্যমান।
৬,৬৭৯.
সমগ্র বৃক্ক স্বচ্ছ ও পাতলা কোন ধরনের ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে? 
  1. ইকোকার্ডিয়াম
  2. প্লুরা
  3. পেরিটোনিয়াম
  4. পেরিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিটোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিটোনিয়াম
ব্যাখ্যা
বৃক্ক: 
- বৃক্ক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ। 
- মানুষের উদরগহ্বরের পশ্চাৎ মেরুদণ্ডের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি বৃক্ক থাকে। 
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতিটি বৃক্ক প্রায় ১১-১২ সে.মি. লম্বা, ৫-৬ সে.মি. প্রস্থ এবং ৩ সে.মি. পুরু হয়। 
- সজীব অবস্থায় বৃক্কের রং খয়েরি লাল। 
- আকৃতিতে অনেকটা শীম বীজের মত। 
- এর বাইরের দিক উত্তল এবং ভেতরের দিক অবতল। 
- অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাম (hilum) বলে। 
- এর ভেতর দিয়ে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনী ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে। 
- সমগ্র বৃক্ক স্বচ্ছ ও পাতলা পেরিটোনিয়াম ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৮০.
বাংলাদেশের অবস্থান কোন দুটি প্লেটের মাঝে, যেখানে ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণতা রয়েছে?
  1. Indian Plate and African Plate
  2. Indian Plate and Australian Plate
  3. Indian Plate and Sunda Plate
  4. Indian Plate and Myanmar Plate
সঠিক উত্তর:
Indian Plate and Myanmar Plate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indian Plate and Myanmar Plate
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও ভূমিকম্প:
- বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে। 
- ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেটের (Indian Plate and Myanmar Plate) মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত। 
- ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেট দু'টি (১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে) দীর্ঘদিন ধরে হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে আছে। 
- কিন্তু বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূ-তাত্ত্বিক চ্যুতি এলাকা বা ফল্ট জোন সচল অবস্থায় রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৮১.
কৃষ্ণগহ্বর আবিস্কার করেন কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. জন হুইলার
  3. জি লেমেটার
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহ্বর (Black hole):
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না।
- তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণগহ্বর (Black hole)।
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কার করেন।

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৬৮২.
ইস্ট ব্যবহার করলে পাউরুটি ফুলে উঠে কেন? 
  1. ইস্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে।
  2. ইস্ট মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করে বলে।
  3. ইস্ট কার্বন মনো-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে।
  4. ইস্ট কার্বোনিক এসিড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে।
সঠিক উত্তর:
ইস্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বলে।
ব্যাখ্যা
ইস্ট: 
- বাড়িতে বা বেকারিতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয়। 
- ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক যা কার্বহাইড্রেট ও অক্সিজেনের উপর ক্রিয়া করে CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে যা পাউরুটি ফুলে উঠতে সাহায্য করে। 
- এভাবে উৎপন্ন CO2 গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে। 
- পাউরুটি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফোলার পর ওভেনে বেকিং করা হয়। 
- উত্তাপে ইস্ট মরে যায় এবং CO2 উৎপন্ন হওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রুটি ফোলাও বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৮৩.
চিন্তার সঙ্গে মস্তিস্কের যে অংশের সম্পর্ক তাকে বলা হয়-
  1. ক) সেরিব্রাম
  2. খ) সেরিবেলাম
  3. গ) মেডুলা
  4. ঘ) স্পাইনাল কর্ড
সঠিক উত্তর:
ক) সেরিব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেরিব্রাম
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম। এটা ডান ও বাম খন্ডে বিভক্ত। এদের ডান ও বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত। এই দুইখন্ড ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্তু দ্বারা সংযুক্ত।
স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে। এগুলো বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে বা সেরিব্রামে অবস্থিত।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান ৮ম শ্রেণি।
৬,৬৮৪.
O রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি রক্ত দান করতে পারেন -
  1. কেবল A ও B গ্রুপের ব্যক্তিকে
  2. শুধুমাত্র AB গ্রুপের ব্যক্তিকে
  3. কেবলমাত্র O গ্রুপের ব্যক্তিকে
  4. সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে O রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি রক্ত দান করতে পারেন।

• রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে।
- রক্ত কণিকায় অ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত।
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের অ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

• O রক্তের গ্রুপ:
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে।

• AB রক্তের গ্রুপ:
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দান করতে পারে।

• A রক্তের গ্রুপ:
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

• B রক্তের গ্রুপ:
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দান করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৮৫.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন 
  2. জোহান কেল্লার
  3. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। তার মডেলের মূল কথা ছিল পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে।

পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬,৬৮৬.
Brood pouch কোন মাছে থাকে?
  1. Sea horse
  2. তিমি
  3. হাঙ্গর
  4. ম্যাকারেল
সঠিক উত্তর:
Sea horse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sea horse
ব্যাখ্যা

• ব্রুড পাউচ (Brood Pouch):
- ব্রুড পাউচ হলো একটি বিশেষ ধরনের গর্ভধারণের পাউচ যা কিছু মাছের মধ্যে থাকে, যেখানে পুরুষ মাছ তার ডিম বা বাচ্চাদের নিরাপদে রাখে।
- এটি মূলত প্রজননের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাচ্চাদের নিরাপত্তা ও পুষ্টি দেয়।
- ব্রুড পাউচের মাধ্যমে ডিমগুলি পরিপক্ব হয়ে মাছের দেহ থেকে বের হয়।

• কোন মাছে থাকে? 
- ব্রুড পাউচ মূলত সি হর্সে (Sea Horse) দেখা যায়।
- সি হর্সের পুরুষ মাছই ডিমের যত্ন নেয় এবং তাদের ব্রুড পাউচে ডিম রাখে যতক্ষণ না তারা ফেটে বের হয়।
- অন্য মাছ যেমন তিমি, হাঙ্গর, বা ম্যাকারেল এ ধরনের ব্রুড পাউচ নেই।

- সুতরাং, ব্রুড পাউচ থাকা মাছ হলো -সি হর্স (Sea Horse). 
- সঠিক উত্তর: ক) Sea horse.

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৬,৬৮৭.
জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি আলোচনা হয় কোন শাখায়?
  1. ক) হিস্টোলজি
  2. খ) সাইটোলজি
  3. গ) এমব্রায়োলজি
  4. ঘ) ইভোলিউশন
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টোলজি
ব্যাখ্যা
হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়৷
ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগােট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলােচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়৷
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহ এ শাখার আলোচনার বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৮৮.
নিচের কোনটি আলোর ক্ষুদ্রতম কণিকা?
  1. পজিট্রন
  2. মেসন
  3. কোয়ান্টাম
  4. ডিউটেরন
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম
ব্যাখ্যা
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা
দেন। এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
৬,৬৮৯.
কোন দুই রঙের মিশ্রণে কমলা রঙ তৈরি হয়? 
  1. লাল ও নীল
  2. সাদা ও নীল
  3. হলুদ ও লাল
  4. হলুদ ও নীল
সঠিক উত্তর:
হলুদ ও লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ ও লাল
ব্যাখ্যা
রং সম্পর্কিত জ্ঞান: 
- লাল, নীল, সবুজ এ তিনটি মূল বর্ণ। 
- মূল তিনটি বর্ণ থেকে যেকোন দুটি মিশালে যে রং হয় তাকে বলা হয় গৌণ বর্ণ। 
যেমন- 
• লাল ও নীল রং মিশালে বেগুনী, 
• নীল ও হলুদ রং মিশালে সবুজ এবং 
হলুদ ও লাল রং মিশালে কমলা রং হয়। 
- তাহলে বেগুনী, সবুজ, ও কমলা এ তিনটি গৌণ বর্ণ। 
- মূল ও গৌন বর্ণের নিজ নিজ প্রখরতা কমিয়ে হয় আকাশী, গোলাপী, সবুজ কলা পাতার রং, হালকা বেগুনী ও হাল্কা কমলা রং। 
- কিন্তু একটি মূল বর্ণ ও একটি গৌণ মিশালে সে বর্ণে দুটি বর্ণের সংমিশ্রণের আভা থাকবে। 
যেমন- 
•  লাল ও কমলা মিশালে লালচে কমলা, 
• লাল ও বেগুনী মিশালে লালচে-বেগুনী ও 
• নীল মিশালে নীল-বেগুনী রং হয়। 
- এগুলোকে বলা হয় প্রান্তিক রং। 
- যে রং দৃষ্টিতে প্রখর লাগে এবং গরম অনুভূতি দেয় তাকে বলা হয় উষ্ণ বর্ণ বা গরম রং। 
যেমন- গাঢ় হলুদ ইত্যাদি। 
- আবার যে রং দেখে ঠান্ডা বোধ হয় তাকে শীতল রং বলা হয়। 
যেমন - আকাশী, হালকা বেগুনী ইত্যাদি ঠান্ডা রং। 

উৎস: গার্হস্থ্য অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৯০.
বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে বের করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. হজম প্রক্রিয়া 
  2. রেচন প্রক্রিয়া
  3. শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া 
  4. রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
রেচন প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেচন প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা

রেচনতন্ত্র (Excretory system): 
- বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় বিপাক ক্রিয়ার ফলে শরীরে উপজাত দ্রব্য হিসেবে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। 
- এসব বর্জ্য পদার্থ সাধারণত দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং দেহ থেকে নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়। 
- দেহ থেকে এসব অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করার পদ্ধতিকে রেচন প্রক্রিয়া বলে। 
- যে তন্ত্রের সাহায্যে রেচন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে রেচনতন্ত্র বলে। 
- একজোড়া বৃক্ক, একজোড়া ইউরেটার, একটি মূত্রথলি এবং একটি মূত্রনালি (ইউরেথ্রা) নিয়ে মানুষের রেচন তন্ত্র গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৯১.
পাটের আঁশ হলো এক ধরনের -
  1. সার্ফেস ফাইবার
  2. ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা
  3. বাস্ট ফাইবার
  4. জাইলেম ফাইবার
সঠিক উত্তর:
বাস্ট ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্ট ফাইবার
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েম ফাইবার বা তন্তু (Phloem fibre): 
- স্ক্লেরেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে ফ্লোয়েম ফাইবার তৈরি হয়। 
- এগুলো একধরনের দীর্ঘ কোষ, যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। এদের বাস্ট ফাইবারও বলে। 
- পাটের আঁশ হলো এক ধরনের বাস্ট ফাইবার। 
- উদ্ভিদ অঙ্গের গৌণবৃদ্ধির সময় এ ফাইবার উৎপন্ন হয়। 
- এসব কোষের প্রাচীরে কূপ দেখা যায়। 
- ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে পাতা উৎপাদিত শর্করা এবং মূলে সঞ্চিত খাদ্য একই সাথে উপরে নিচে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৯২.
নিচের কোনটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. রেডিও
  2. পেণ্ডুলাম 
  3. ডিজিটাল ঘড়ি
  4. অ্যানালগ ঘড়ি
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ঘড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ঘড়ি
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৯৩.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) শক্তি বিস্তার তরঙ্গের সমানুপাতিক।
  2. খ) শক্তি বিস্তার তরঙ্গের ব্যস্তানুপাতিক।
  3. গ) শক্তি হলো বিস্তার তরঙ্গ এর সমান।
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা

তরঙ্গের ভেতর দিয়ে শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে।
- শক্তি যত বেশি হয়, তরঙ্গের বিস্তার তত বেশি হয়ে থাকে।
- তাই শক্তি তরঙ্গ বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান।

৬,৬৯৪.
কোনটি হৃদরোগের ধরন নয়?
  1. অ্যানজাইনা পেকটোরিস
  2. মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন
  3. সিস্টিক ফাইব্রোসিস
  4. করোনারি অ্যাথেরোমা
সঠিক উত্তর:
সিস্টিক ফাইব্রোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টিক ফাইব্রোসিস
ব্যাখ্যা
• সিস্টিক ফাইব্রোসিস হৃদরোগের ধরন নয়। 

• হৃদরোগ:
- হৃদরোগ বলতে হৃৎপিণ্ড এবং রক্তবাহী নালীগুলোকে (ধমনী, শিরা, এবং কৈশিক জালিকা) প্রভাবিত করে এমন রোগগুলোকে বোঝায়।

• হৃদরোগের কারণ:
- অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যকলাপের অভাব, ধূমপান, মদ্যপান, এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।  
- উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, এবং স্থূলতা হৃদরোগের প্রধান কারণ।  
- হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।  
- বয়স বাড়ার সাথে সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।  
- সাধারণত পুরুষদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। 

• হৃদরোগ সাধারণত কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
→ অ্যানজাইনা পেকটোরিস (Angina Pectoris):
- এটি হৃদরোগের একটি সাধারণ ধরন।
- যখন হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত অক্সিজেন-যুক্ত রক্ত পায় না, তখন বুকের ব্যথা বা চাপ অনুভূত হয়—এটিই অ্যানজাইনা।
- এটি সাধারণত করোনারি ধমনীতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে হয়।
- এটিকে সাধারণত হার্ট অ্যাটাকের পূর্বাবস্থা মনে করা হয়। 

→ মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Myocardial Infarction):
- এটি হার্ট অ্যাটাক নামেও পরিচিত।
- হৃৎপিণ্ডের পেশিতে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ না হলে পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এটিই মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন।

→ করোনারি অ্যাথেরোমা (Coronary Atheroma):
- এটি হলো ধমনীতে চর্বি জমা হওয়া, যা করোনারি হার্ট ডিজিজের মূল কারণ।
- এটি রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

অন্যদিকে,
• সিস্টিক ফাইব্রোসিস (Cystic Fibrosis) কোনো হৃদরোগ নয়।
- এটি একটি ফুসফুসজনিত ও পরিপাকতন্ত্র সম্পর্কিত জেনেটিক (বংশগত) রোগ।
- এটি প্রধানত ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রে ঘন ও আঠালো শ্লেষ্মা সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
- National Institutes of Health (NIH).
৬,৬৯৫.
নদীর পানির ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. COD > BOD
  2. COD < BOD
  3. COD = BOD
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
COD > BOD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COD > BOD
ব্যাখ্যা
• প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological/Biochemical Oxygen Demand - BOD):
- পানিতে উপস্থিত অনুজীব কর্তৃক জৈব ও অজৈব পদার্থকে বিয়োজিত করতে প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা বায়োলজিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড BOD বলে।
- পানির উৎকর্ষতা নির্ধারণে BOD নির্দেশক রূপে কাজ করে।

• রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Chemical Oxygen Demand - COD):
- পানির মধ্যে কিছু অপচনশীল বা জৈব বিয়োজনের অযোগ্য (nonbiodegradable) বস্তু থাকে যাদের বিয়োজন ব্যাকটেরিয়া বা জীবণু দ্বারা সম্পন্ন হয় না।
- এগুলিকে বিয়োজনের জন্য শক্তিশালী জারক পদার্থ যেমন K2Cr2O7 (যা অক্সিজেন সরবরাহ করে) প্রয়োজন হয়।
- এরা দূষক পদার্থকে জারিত করে।
- পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (COD) বলে।

• কোন নমুনার COD এর মান BOD এর মান অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা COD নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জৈব ভাঙ্গনযোগ্য বা বিয়োজন যোগ্য এবং বিয়োজন অযোগ্য এই উভয় প্রকার জৈব বস্তুই জারিত হয়। পানিতে COD এর মান বৃদ্ধির অর্থ হলো দূষণের হার বৃদ্ধি।

উৎস: পরিবেশ রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৯৬.
জন্ডিস রোগ হলে দেহে কোনটির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়? 
  1. বিলিরুবিন 
  2. হিমোগ্লোবিন
  3. ইনসুলিন 
  4. কোলেস্টেরল 
সঠিক উত্তর:
বিলিরুবিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলিরুবিন 
ব্যাখ্যা

বিলিরুবিন: 
- লোহিত রক্তকণিকার অধিক ভাঙন কিংবা যকৃত বা পিত্তনালীর কোনো সমস্যার কারণে রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যেতে পারে। 
- এই মাত্রাতিরিক্ত বিলিরুবিন শরীরের বিভিন্ন অংশে জমা হতে থাকে, যাকে বলা হয় জন্ডিস। 

কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। 
- এটি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল, এইচডিএল এবং টোটাল কোলেস্টরল। 
- এর মধ্যে একটা হলো উপকারী। আর তিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের প্রধান হরমোন। 
- এটি এক ধরনের পলিপ্যাপটাইড, যা গ্লুকোজকে রক্ত থেকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষগুলো (আইল্যেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স-এর বিটা কোষ) থেকে নিঃসৃত হয়। 

হিমোগ্লোবিন: 
- হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেন বাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৯৭.
কোনটি সাবানকে শক্ত করে?
  1. সোয়িাম কার্বনেট
  2. সোডিয়াম সালফেট
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. সোডিয়াম সিলিকেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা
- সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।
- শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা এবং কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের ব্যবহার হয়ে থাকে।
- সাধারণত তুলনামূলক শক্ত ধরনের সাবান তৈরীর জন্যে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) এবং কোমল ধরনের সাবানের জন্যে পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH) ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও, সাবানকে শক্ত ও ভারী করার জন্য সোডিয়াম সিলিকেট (Na2SiO3) ব্যবহার করা হয়। তবে, এটা পরিমাণমত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যাতে বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৯৮.
কোনটিকে পৃথকীকরণ সূত্র বলা হয়?
  1. ক) মেন্ডেলের ২য় সূত্র
  2. খ) মেন্ডেলের ১ম সূত্র
  3. গ) মেন্ডেলের ৩য় সূত্র
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খ) মেন্ডেলের ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেন্ডেলের ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র:
‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর (hybrid) জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'। একে পৃথকীকরণ সূত্র বা মনোহাইব্রিড ক্রসের সূত্রও বলে।

মেন্ডেল এর বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র:
‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়' । একে স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্রও বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৬৯৯.
কোনটি হতে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়?
  1. ক) পেনিসিলিন
  2. খ) ইনসুলিন
  3. গ) পেনিসিলিয়াম
  4. ঘ) ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
গ) পেনিসিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেনিসিলিয়াম
ব্যাখ্যা
- পেনিসিলিন হলো একটি অ্যান্টিবায়োটিক। 
- অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic) প্রকৃতপক্ষে মানুষের উৎপাদিত রাসায়নিক বস্তু নয়।
- অ্যান্টিবায়োটিক একটি জটিল জৈব যৌগ।
- বিভিন্ন প্রকার ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়, যাদের বেশির ভাগই মাটিতে বাস করে।
- অণুজীব কর্তৃক উৎপাদিত বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে রোগ বিস্তারকারী বিভিন্ন অণুজীবের বংশ বৃদ্ধি ও বিকাশ বাধা পায়।
- অণুজীব কর্তৃক উৎপাদিত এবং অন্যান্য অণুজীবের জন্য বিষাক্ত এসব রাসায়নিক পদার্থকে অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণু প্রতিরোধক বলে ।
-  Alexander Fleming যুগান্তকারী অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন (Penicillin) আবিষ্কার করেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে, Penicillium notatum নামক এক ধরণের ছত্রাক Staphylococcus aureus নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রহিত করে।
- এমনিভাবে Penicillium notatum হতে পেনিসিলিন নামক অত্যাশ্চর্য ঔষধটির আবিষ্কার ঘটে।
- ১৯৪৫ খৃষ্টাব্দে S.A. Waksman এসমস্ত রোগ প্রতিরোধকারী জীবজ রাসায়নিক পদার্থের নামকরণ করেন অ্যান্টিবায়োটিকস (Antibiotics)।
- বর্তমানে প্রচলিত বেশির ভাগ অ্যান্টিবায়োটিক চারটি গণের অণুজীব থেকে পাওয়া যায়। যথা - Streptomyces, Penicillium, Cephalosporium Bacillus

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭০০.
ইনসুলিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) E.coli
  2. খ) ইস্ট
  3. গ) PRSV
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- ইস্ট ও E.Coli ব্যাকটেরিয়া থেকে ইনসুলিন তৈরি হয়।
- হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের ওষুধ তৈরিতে ইস্ট নামক ছত্রাক ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা-৩১৩