বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৫ / ১৪০ · ৫,৪০১৫,৫০০ / ১৪,০৮০

৫,৪০১.
পাতা শ্যাওলা পরাগায়নের জন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে?
  1. পানি
  2. পতঙ্গ
  3. বায়ু
  4. প্রাণী
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 

প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪০২.
কাচ শিল্পে কোন খনিজ উপাদান ব্যবহৃত হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. সিলিকা বালু
  3. নুড়িপাথর
  4. গ্রানাইট পাথর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা বালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা বালু
ব্যাখ্যা
অধাতব খনিজ (Non-Metallic Minerals):
১। চুনাপাথর: 
- সিমেন্ট, গ্লাস, ইস্পাত, সাবান, কাগজ, ব্লিচিং পাউডার প্রভৃতি প্রস্তুত করার জন্য চুনাপাথরের প্রয়োজন হয়। 
- এছাড়া গৃহনির্মাণে, ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও রং তৈরি করতে চুনাপাথর ব্যবহৃত হয়। 

২। সিলিকা বালু: 
- এটি এক ধরনের বালু যা কাচ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। 
- এছাড়া বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য, রং, অগ্নিচুল্লির ইষ্টক নির্মাণে এর দরকার হয়। 

৩। চীনামাটি: 
- বাসনপত্র, কাগজ, রাবার বস্তু, বৈদ্যুতিক ইনস্যুলেটর, স্যানিটারি জিনিসপত্র প্রভৃতি নির্মাণের জন্য চীনামাটি ব্যবহৃত হয়। 

৪। কঠিন শিলা: 
- মধ্যপাড়া কঠিন শিলা (গ্রানাইট) খনি প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-গর্দস্থ খনি। 
 - এই গ্রানাইট পাথর আধুনিক সুউচ্চ ভবন, সড়ক-মহাসড়ক, সেতু, কালভার্ট, নদী-শাসন, রেললাইন, ফ্লাইওভার ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 

৫। খনিজ বালু/ভারী মানিক: 
- এই খনিজ বালুর মধ্যে জিরকন, মোনাজাইট, রুটাইল, ইলমেটাইট এবং ম্যাগনেটাইট প্রধান। 

৬। পাথর বা কঠিন শিলা: 
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, গৃহনির্মাণ, নদীর বাঁধ তৈরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে কঠিন শিলার প্রয়োজন হয়। 
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলায় কঠিন শিলা পাওয়া যায়। 

৭। নুড়ি পাথর: 
- নুড়ি পাথর প্রধানত রাস্তাঘাট, গৃহ, পুল, কালভার্ট, রেলপথ ইত্যাদি নির্মাণে প্রয়োজন হয়। 
- সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ, পিয়ানগঞ্জ, পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়া; লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম প্রভৃতি স্থানে নুড়িপাথর পাওয়া যায়। 

৮। ইউরেনিয়াম আকরিক: 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে এ তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম নামক তেজস্ক্রিয় পদার্থ পাওয়া যায়। 
- এছাড়া কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু রয়েছে। 
- অস্ট্রেলিয়ার এক ভূ-বিজ্ঞানী কক্সবাজার উপকূলে এ তেজস্ক্রিয় বালুর অবস্থান আবিষ্কার করেন। 

৯। গন্ধক: 
- রাসায়নিক শিল্পে গন্ধকের ব্যবহার অধিক। 
- সালফিউরিক এসিড, বারুদ, কীটনাশক প্রভৃতি তৈরি করতে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশে গন্ধকের উৎপাদন নেই বললেই চলে, কেবল কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া যায়। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
৫,৪০৩.
নিচের কোন রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই?
  1. Gamma Ray
  2. Roentgen Ray
  3. Alpha Ray
  4. Beta Ray
সঠিক উত্তর:
Gamma Ray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gamma Ray
ব্যাখ্যা
• Gamma রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর থাকে না। Gamma রশ্মি হল একটি ধরনের উচ্চ-শক্তির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ, যা তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত হয়। এটি আলফা, বিটা কণা থেকে আলাদা কারণ আলফা কণার ইতিবাচক চার্জ এবং ভর থাকে, আর বিটা রশ্মি ইলেকট্রন বা পজিট্রন হওয়ায় তাদেরও চার্জ ও ভর আছে। কিন্তু গামা রশ্মি কেবল তরঙ্গ আকারে থাকে, তাই এর কোনো ভর বা চার্জ নেই। তাই Gamma Ray-ই হলো সেই রশ্মি যার কোনো চার্জ ও ভর নেই।
- সঠিক উত্তর হলো ক) Gamma Ray.

তেজস্ক্রিয়তা:

- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়।
যথা-
১. আলফা কণিকা (α): ধনাত্মক আধান গ্রন্থ, যা ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়।
২. বিটা কণিকা (β): ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ, যা ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়।
৩. গামা রশ্মি (γ): তড়িৎ নিরপেক্ষ, যা কোনো দিকেই বিচ্যুত হয় না।
- এই রশ্মিগুলোর উৎপত্তি পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে হয়ে থাকে।

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
৩। এই রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই।
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
৮। গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪০৪.
হাইড্রোজেন মৌলের প্রতীক -
  1. ক) H₂
  2. খ) H
  3. গ) OH
  4. ঘ) He
সঠিক উত্তর:
খ) H
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) H
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন মৌলের প্রতীক - H এবং সংকেত H₂। [সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণীর রসায়ন বই]
৫,৪০৫.
নিচের কোনটি গ্রীন শক্তির উদাহরণ নয়? 
  1. বায়ু বিদ্যুৎ 
  2. সৌর শক্তি 
  3. জলবিদ্যুৎ 
  4. কয়লা শক্তি 
সঠিক উত্তর:
কয়লা শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা শক্তি 
ব্যাখ্যা

- 'কয়লা শক্তি' একটি অনবায়নযোগ্য শক্তি যা গ্রীন শক্তি নয়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে-
• সৌর শক্তি, 
• জলবিদ্যুৎ, 
• বায়ু বিদ্যুৎ, 
• বায়োগ্যাস, 
• ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে-
কয়লা
• খনিজ তেল, 
• প্রাকৃতিক গ্যাস, 
• নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪০৬.
সুপরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড -
  1. ক) আলাদা থাকে
  2. খ) ওভারল্যাপ থাকে
  3. গ) অনেক দূরে থাকে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ওভারল্যাপ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওভারল্যাপ থাকে
ব্যাখ্যা
পরিবাহী : যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। যেমন : তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী।

পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। অর্থাৎ Ep এর মান শূন্য হয়। 
এক্ষেত্রে পরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে আংশিক উপরিলেপন ঘটে , কাজেই যোজন ইলেকট্রন খুব সহজেই পরিবহন ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারে। এই উপরিলেপনের জন্য, পরিবাহীর দুই প্রান্ডে খুব সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার ফলে এদের রোধ খুব কম হয় অর্থাৎ তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি হয়।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪০৭.
গোল্ড এর রাসায়নিক প্রতীক কোনটি? 
  1. Au
  2. Ag
  3. Hg
  4. Fe
সঠিক উত্তর:
Au
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Au
ব্যাখ্যা
- গোল্ড এর রাসায়নিক প্রতীক Au
- গোল্ড এর পারমাণবিক সংখ্যা 79. 
- অণু গঠনের সময় কোন মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের কোন পরমাণু যুক্ত হওয়ার সামর্থ্যকেই যোজনী বা যোজ্যতা বলে। 

অন্যদিকে, 
- Hg হচ্ছে পারদের রাসায়নিক প্রতীক। 
- Fe হচ্ছে আয়রনের রাসায়নিক প্রতীক। 
- Ag হচ্ছে সিলভারের রাসায়নিক সংকেত। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪০৮.
অ্যাডিপিক এসিডের সংকেত কোনটি?
  1. HOOC-(CH2)4-COOH
  2. HOOC-(CH2)6-COOH
  3. NH2-(CH2)6-NH2
  4. NH2-(CH2)4-NH2
সঠিক উত্তর:
HOOC-(CH2)4-COOH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HOOC-(CH2)4-COOH
ব্যাখ্যা
• অ্যাডিপিক এসিডের সংকেতঃ  HOOC-(CH2)4-COOH
• হেক্সামিথিলিন ডাই অ্যা মিন এর সংকেতঃ  NH2-(CH2)6-NH2
• নাইলন ৬ঃ৬ তৈরিতে অ্যাডিপিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 

সূত্র - মাধ্যমিক রসায়ন, বোর্ড বই।
৫,৪০৯.
মানুষের অস্থায়ী (দুধ) দাঁতের সংখ্যা কত? 
  1. ১৬ টি
  2. ১৮ টি
  3. ২০ টি
  4. ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
২০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ টি
ব্যাখ্যা
দাঁত (Tooth): 
- মাছ, সরিসৃপ এবং সমস্ত মেরুদন্ডী প্রাণির (স্তন্যপায়ী বাদে) দাঁত আজীবন অসংখ্যবার পড়তে ও উঠতে থাকে কিন্তু স্তন্যপায়ীদের (যেমন: মানুষ) দাঁত সারা জীবন মাত্র দুবার গজায়। 
- মানব শিশুদের অস্থায়ী দাঁত বা দুধদাঁতের সংখ্যা ২০ টি, যেগুলো পড়ে গিয়ে পরবর্তীতে ১৮ বছরের মধ্যে উপরে ও নিচের চোয়ালে ১৪-১৬ টি করে মোট ২৮-৩২ টি পর্যন্ত স্থায়ী দাঁত ওঠে। 
- মানুষের স্থায়ী দাঁত চার ধরনের। 
যেমন: 
(i) কর্তন দাঁত (Incisor): এই দাঁত দিয়ে খাবার কেটে টুকরা করা হয়। 
(ii) ছেদন দাঁত (Canine): এই দাঁত দিয়ে খাবার ছেঁড়া হয়। 
(iii) অগ্রপেষণ দাঁত (Premolar): এই দাঁত দিয়ে চর্বণ, পেষণ উভয় কাজ করা হয়। 
(iv) পেষণ দাঁত (Molar): এই দাঁত খাদ্যবস্তু চর্বণ ও পেষণে ব্যবহৃত হয়। 
- মাড়ির সবচেয়ে পেছনের বা শেষের দাঁত দুটোকে আক্কেল দাঁত বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের 8 টি কর্তন দাঁত, 4 টি ছেদন দাঁত, 8 টি অগ্রপেষণ দাঁত, 8 টি পেষণ দাঁত এবং 0-4 টি আক্কেল দাঁত থাকে। 

দাঁতের গঠন: 
- প্রতিটি দাঁতের তিনটি অংশ থাকে। 
(i) মুকুট: মাড়ির উপরের অংশ; 
(ii) মূল: মাড়ির ভিতরের অংশ এবং 
(iii) গ্রীবা: দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪১০.
উদ্ভিদের কোন অংশে ক্লোরোপ্লাস্ট এর সংখ্যা বেশি হয়ে থাকে?
  1. ক) কাণ্ড
  2. খ) পাতা
  3. গ) মূল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাতা
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্ট এর সংখ্যা অনেক বেশি।

পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি ও অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজেই ঘটে।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 

৫,৪১১.
মানবশিশুর দুধদাঁত কয়টি? 
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি 
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা
• দাঁত:
- শিশুর দাঁত, দুধ-দাঁত বা প্রাথমিক দাঁতগুলিকে ক্ষণস্থায়ী দাঁত বলা হয়।
- মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০টি।
- পরিণত মানুষের চোয়ালে মোট দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।
- মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত উপস্থিত থাকে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫,৪১২.
মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল কোনটি?
  1. বেগ
  2. দৈর্ঘ্য
  3. ভর
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
- মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল হচ্ছে- বেগ, কিন্তু অন্য রাশিগুলো নিজেরাই মৌলিক রাশি তাই অন্য রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না। 

ভৌত রাশি: 
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- 
• দৈর্ঘ্য, 
• ভর, 
• সময়, 
• তাপমাত্রা, 
• তড়িৎপ্রবাহ, 
• দীপন তীব্রতা এবং 
• পদার্থের পরিমাণ। 

যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল। 
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন - 
• বেগ, 
• ত্বরণ, 
• কাজ, 
• বল, 
• তাপ, 
• বিভব ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪১৩.
ভাইরাসের দেহে অনুপস্থিত অঙ্গাণু নিচের কোনটি?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. নিউক্লিয়াস
  3. রাইবােসােম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে। অর্থাৎ, একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। 
- এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪১৪.
শব্দের তীব্রতা কোনটির উপর নির্ভর করে? 
  1. উৎসের বিস্তার 
  2. মাধ্যমের ঘনত্ব 
  3. উৎসের আকার
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

- শব্দের তীব্রতা উৎসের বিস্তার, মাধ্যমের ঘনত্ব ও উৎসের আকার এই সবগুলোর উপরেই নির্ভর করে। 

শব্দের তীব্রতা: 

- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ। 
- শব্দের তীব্রতা বলতে বুঝি, শব্দ সঞ্চালনের পথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- শব্দের তীব্রতা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে- 
যেমন- 
১। মাধ্যমের ঘনত্ব: 
- যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হবে তার ঘনত্ব বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 

২। মাধ্যমের বেগ: 
- মাধ্যমের বেগের দিকে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং বিপরীত দিকে সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়। 

৩। উৎসের আকার: 
- উৎসের আকার বড় হলে শব্দ তরঙ্গ বেশি পরিমাণ শক্তি সঞ্চালিত রতে পারে ফলে তীব্রতা বেড়ে যায়। 

৪। উৎসের বিস্তার: 
- শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পনের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
- শব্দের তীব্রতা I এবং বিস্তার A হলে, I ∝ A2

৫। উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব: 
- উৎস ও শ্রোতার মধ্যবর্তী দূরত্ব যতো বাড়বে শব্দের তীব্রতা ততো কমে যাবে কারণ বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার ফলে শব্দ তরঙ্গের শক্তি কমে যায়। 
- তীব্রতা দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। 
- যদি তীব্রতা I এবং দূরত্ব r হয় তাহলে, I ∝ 1/r2

৬। অনুনাদী বস্তুর উপস্থিতি: 
- উৎসের কাছে কোনো অনুনাদী বস্তু থাকলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায়। 
- একটি সুরশলাকাকে বাতাসে স্পন্দিত করলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় টেবিল বা কোনো ফাঁপা কাঠের বাক্সের সাথে লাগিয়ে স্পন্দিত করলে শব্দের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়। 
- এক্ষেত্রে বেশি আয়তনের বায়ু কম্পিত হয় বলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৫,৪১৫.
What is the structural or functional unit of kidney?
  1. Medulla
  2. Neuron
  3. Nephron
  4. Renin
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Nephron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nephron
ব্যাখ্যা
মানুষের বৃক্ক:
- যে প্রক্রিয়ায় কোষীয় বিপাকের | ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।
- যে তন্ত্রের মাধ্যমে রেচনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে রেচনতন্ত্র বলে।
- বৃক্ক মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ।
- বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যিক একককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
- বৃক্ক মানুষের দেহে এবং রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তে লবণের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থুলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল ও প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪১৬.
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়-
  1. লালারস
  2. পেপসিন
  3. পিত্তরস
  4. হরমোন
সঠিক উত্তর:
হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন
ব্যাখ্যা
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় হরমোন বা প্রাণরস।
মানবদেহে শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি সম্পন্ন ও নিয়ন্ত্রণে এরা অত্যাবশ্যকীয়।
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মধ্যে রয়েছে- পিটুইটারী, হাইপোথ্যালামাস, থাইরয়েড, থাইমাস, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি ইত্যাদি।
৫,৪১৭.
চোখের শ্বেতমন্ডলের সামনের অংশকে কী বলে?
  1. লেন্স
  2. রেটিনা
  3. কর্নিয়া
  4. আইরিস
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
ব্যাখ্যা
মানব চক্ষু: 
- চোখ পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের অন্যতম। 
- মানব চক্ষুর কার্যপ্রণালি ছবি তোলার ক্যামেরার মতো। 
- মানব চক্ষুর বিশেষ বিশেষ প্রধান অংশগুলোর বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো - 
১। অক্ষিগোলক (Eye-ball): 
- চোখের কোটরে অবস্থিত এর গোলাকার অংশকে অক্ষিগোলক বলে। 
- একে চক্ষু কোটরের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সীমার চারদিকে ঘুরানো যায়। 

২। শ্বেতমণ্ডল (Sclera): 
- এটা অক্ষিগোলকের বাহিরের সাদা, শক্ত ও ঘন আঁশযুক্ত অস্বচ্ছ আবরণবিশেষ। 
- এটি চক্ষুকে বাহিরের বিভিন্ন প্রকার অনিষ্ট হতে রক্ষা করে এবং চোখের আকৃতি ঠিক রাখে। 

৩। কর্নিয়া (Cornea): 
- শ্বেতমন্ডলের সামনের অংশকে কর্নিয়া বলে। 
- শ্বেতমণ্ডলের এই অংশ স্বচ্ছ এবং অন্যান্য অংশ অপেক্ষা বাহিরের দিকে অধিকতর উত্তল। 

৪। কোরয়েড বা কৃষ্ণমণ্ডল (Choroid): 
- এটি কালো রঙের একটি ঝিল্লি দ্বারা গঠিত শ্বেতমণ্ডলের ভিতরের গাত্রের আচ্ছাদনবিশেষ। 
- এই কালো রঙের জন্য চোখের ভিতরে প্রবিষ্ট আলোকের প্রতিফলন হয় না। 

৫। আইরিস (Iris): 
- এটি কর্নিয়ার ঠিক পিছনে অবস্থিত একটি অস্বচ্ছ পর্দা। 
- পর্দাটি স্থান ও লোকবিশেষে বিভিন্ন রঙের নীল, গাঢ়, বাদামি, কালো ইত্যাদি হয়ে থাকে। 

৬। মণি বা তারারন্ধ্র (Pupil): 
- এটি কর্নিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মাংসপেশিযুক্ত একটি গোলাকার ছিদ্রপথ। 
- মাংসপেশির সংকোচন ও প্রসারণে তারারন্ধ্রের আকার পরিবর্তিত হয়। 

৭। উত্তল লেন্স (Convex lens): 
- এটি কর্নিয়ার পিছনে অবস্থিত জেলির মতো নরম স্বচ্ছ পদার্থে তৈরি একটি উত্তল লেন্স। 

৮। অক্ষিপট বা রেটিনা (Retina): 
- এটি গোলকের পিছনে অবস্থিত একটি ঈষদচ্ছ গোলাপি আলোকগ্রাহী পর্দা। 
- রেটিনার উপর আলো পড়লে স্নায়ুতন্ত্রে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং মস্তিষ্কে দর্শনের অনুভূতি জাগায়। 

৯। অ্যাকুয়াস হিউমার ও ভিট্রিয়াস হিউমার (Aqueous humour and vitreous humour): 
- লেন্স ও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার। 
- লেন্স ও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৪১৮.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর হচ্ছে:
  1. - ১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• ফোটনের নিশ্চল ভর (rest mass) শূন্য, কারণ ফোটন সবসময় আলোকে গতি করে এবং কোনো স্থির অবস্থায় থাকতে পারে না।

সঠিক উত্তর: ঘ) ০

ফোটন: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (0)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- পরে ১৯২৬ সালে লুইস প্রতিটি কোয়ান্টার নাম দেন ফোটন। সুতরাং প্রতিটি ফোটনের শক্তি হলো hf. 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 
- কোয়ান্টাম বলবিদ্যার ধারণা পেতে হলে আমাদের ফোটনের ধর্মাবলী জানা প্রয়োজন। 

- নিচে ফোটনের ধর্মগুলো দেয়া হলো- 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C= 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪১৯.
চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম কী?
  1. ক) ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3)
- চুনের নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO)
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2
- চুন (CaO) এর সাথে পানি (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়।

এছাড়া আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যৌগের রাসায়নিক নাম হচ্ছে -

- কাপড় কাচার সোডা - Na2CO3.10H2O
- খাবার সোডা - সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3)
- মরিচা - Fe2O3.nH2O

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির রসায়ন বই
৫,৪২০.
মহাবিশ্বের সৃষ্টি, গঠন ও বিবর্তন নিয়ে বিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়? 
  1. Astronomy
  2. Meteorology
  3. Geology
  4. Cosmology
সঠিক উত্তর:
Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cosmology
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য: 
- মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হলো, কিভাবে সৃষ্টি হলো, কেনইবা এটি টিকে আছে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে এটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে এর বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হয়েছে। 
- রাতের আকাশে অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাওয়া যায়, এমন অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি গ্যালাক্সি। 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টেলিস্কোপের ব্যবহার থেকে জানা যায়, সূর্য ছায়াপথ গ্যালাক্সির (Milky way) অন্যান্য নক্ষত্রের মতোই একটি সাধারণ নক্ষত্র। তখন মনে করা হতো, সূর্য হচ্ছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু। 
- বিংশ শতাব্দীতে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, সূর্যের অবস্থান গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক অনেক দূরে। 
- এরূপ কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত হয়েছে এ মহাবিশ্ব। 
- ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে। আর প্রত্যেকটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র। 

- পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় অতি অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবী থেকে মহাকাশে নক্ষত্রদের দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও এদের পরস্পরের মধ্যে রয়েছে অনেক আলোক বর্ষের ব্যবধান। 
- সভ্যতার সেই শুরু হতেই বিজ্ঞানীগণ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা পোষণ করে আসছেন। এসব ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা 'মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত। 
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে। পরীক্ষা দুটি হলো- 
১। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং ২। মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪২১.
নবজাতকের ত্বকের pH কত?
  1. ক) ৫ এর কাছাকাছি
  2. খ) ৬ এর কাছাকাছি
  3. গ) ৭ এর কাছাকাছি
  4. ঘ) ৮ এর কাছাকাছি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ এর কাছাকাছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ এর কাছাকাছি
ব্যাখ্যা
বাজারে মুখ ধােয়ার জন্য যেসব প্রসাধন সামগ্রী পাওয়া যায় তার pH-এর মান থাকে সাধারনত ৫.৫। এর কারণ আমাদের ত্বক সাধারণত এসিডিক হয় এবং এর pH ৪-৬ এর মধ্যে থাকে।
তবে নবজন্ম নেওয়া শিশুদের ত্বকের pH-এর মান ৭ এর কাছাকাছি থাকে।
তাই বড়দের জন্য যেসব প্রসাধনী ব্যবহৃত হয়, তা শিশুদের জন্য প্রযােজ্য নয়। এতে শিশুদের ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
উৎস: নবম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
৫,৪২২.
'এনজিওপ্লাস্টি' কোন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হৃদরোগ
  2. খ) স্নায়ুরোগ
  3. গ) রেচনতন্ত্রের রোগ
  4. ঘ) পারকিনসন
সঠিক উত্তর:
ক) হৃদরোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হৃদরোগ
ব্যাখ্যা
হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকার, ওপেন হার্ট সার্জারি, করোনারি বাইপাস সার্জারি, এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়।

পেসমেকার
- হৃৎপিন্ডে ডান অ্যাট্রিয়াম-প্রাচীরের উপর দিকে অবস্থিত, বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে তাকে পেসমেকার বলে।

ওপেন হার্ট সার্জারি
- শল্যচিকিৎসক যখন রোগীর বুক কেটে উন্মুক্ত করে হৃৎপিন্ডে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন তখন সে প্রক্রিয়াকে ওপেন হার্ট সার্জারি বলে ।

করোনারি বাইপাস সার্জারি
- এক বা একাধিক করোনারি ধমনির ল্যুমেন (গহ্বর) রূদ্ধ হয়ে গেলে হৃৎপিন্ডে রক্ত সরবরাহ অব্যাহত রাখতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের অন্য অংশ থেকে (যেমন-পা থেকে) একটি সুস্থ রক্তবাহিকা (ধমনি বা শিরা) কেটে এনে বৃদ্ধ ধমনির পাশে স্থাপন করে রক্ত সরবরাহের যে বিকল্প পথ সৃষ্টি করা হয় তাকে করোনারি বাইপাস বলে । করোনারি বাইপাস সৃষ্টির সামগ্রিক অস্ত্রোপচার প্রক্রিয়াটিকে করোনারি বাইপাস সার্জারি বলা হয়।

এনজিওপ্লাস্টি
- বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিন্ডের সংকীর্ণ ল্যুমেন (গহ্বর)-যুক্ত বা রূদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত ল্যুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।
- এনজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়া ল্যুমেনের ভেতর দিয়ে হৃৎপিন্ডে পর্যাপ্ত O2 সরবরাহ নিশ্চিত করে হৃৎপিন্ড ও দেহকে সচল রাখা।
- বুকে ব্যথা (অ্যানজাইনা), হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তির সহজ উপায় এনজিওপ্লাস্টি।
- ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে সুইজারল্যান্ডের ডাঃ অ্যানডেস গয়েন জিগ সর্বপ্রথম এ পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য়  পত্র(একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি) - গাজী আজমল ও গাজী আসমত ।
৫,৪২৩.
তেল বা চর্বি হচ্ছে এক ধরনের - 
  1. অ্যালকোহল
  2. এস্টার
  3. ডিটারজেন্ট
  4. অ্যালডিহাইড
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
তেল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হলো গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড, স্টেয়ারিক এসিড এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড, লিনোলিক এসিড ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
১. সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো তেল। 
২. তেলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়। 
৩. তেল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
৫,৪২৪.
কতটি আঞ্চলিক টুকরা নিয়ে টেকটনিক প্লেট গঠিত?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
গ) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর ব্যবচ্ছেদে দেখা যায় যে ভূ-ত্বক ৮টি বড় বড় টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত।
এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত। ভূ-পৃষ্ঠে যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হলো এই প্লেটগুলোর বিভিন্ন রকমের স্থানান্তর বা বিচ্যুতি।



উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।

৫,৪২৫.
ধান গাছের ব্লাইট রোগ হয় নিচের কোনটির জন্য?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
Takaeshi ১৯০৮ সালে প্রমাণ করেন যে, ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ধান গাছের ব্লাইট রোগ হয়।

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত আরো কিছু রোগের নাম:

- মানুষের রোগ:

- উদ্ভিদের রোগ:


সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৪২৬.
কোনটি অকালে ফলের ঝরা পড়া বন্ধ করে?
  1. ভার্নালিন
  2. ইথিলিন
  3. অক্সিন
  4. ফ্লোরিজেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
ব্যাখ্যা
- পসটুলেটেড হরমোনের উদাহরণ- ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন।
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদের ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।
- শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণ ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে।
- অকালে ফলের ঝরা পড়া বন্ধ করে অক্সিন।
- কৃত্রিম উপায়ে ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয় ইথিলিন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান
৫,৪২৭.
কোন মৌলিক পদার্থটি পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
৫,৪২৮.
ডোপিং এর জন্য অপদ্রব্য হিসেবে পর্যায় সারণির কোন সারির মৌল ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) প্রথম সারির
  2. খ) দ্বিতীয় সারির
  3. গ) চতুর্থ সারির
  4. ঘ) পঞ্চম সারির
সঠিক উত্তর:
ঘ) পঞ্চম সারির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পঞ্চম সারির
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪২৯.
আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
  1. ডায়নামো
  2. সৌরকোষ
  3. বাল্ব
  4. টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
সৌরকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরকোষ
ব্যাখ্যা
• আলোক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর:
- সৌরকোষ (Solar Cell) সূর্যের আলো শোষণ করে তা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এটি ফটোভোলটাইক প্রক্রিয়া দ্বারা কাজ করে।

অন্যদিকে,
- ডায়নামো: যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বাল্ব: তড়িৎ শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- টেলিফোন: শব্দ ও তড়িৎ সংকেতের আদান-প্রদান করে, আলো নয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৪৩০.
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সুনামির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণ কী?
  1. রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire)-এ অবস্থিতি
  2. অতিরিক্ত দ্বীপের উপস্থিতি
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  4. সমুদ্রের তলদেশে শৈবাল স্তরের আধিক্য
সঠিক উত্তর:
রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire)-এ অবস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire)-এ অবস্থিতি
ব্যাখ্যা

• প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকাটি রিং অফ ফায়ার নামক একটি ভৌগোলিক অঞ্চলে অবস্থিত। এটি মূলত টেকটোনিক প্লেটের একটি অতি সক্রিয় সীমানা যেখানে পৃথিবীর অধিকাংশ ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ঘটে।সমুদ্রের তলদেশে এই প্রবল ভূ-আলোড়নের কারণেই এখানে সুনামির হার পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি।

• রিং অফ ফায়ারের বৈশিষ্ট্য:
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় বেসিন জুড়ে বিস্তৃত একটি ঘোড়ার খুরের মতো আকৃতির অঞ্চল।
- বিশ্বের সক্রিয় আগ্নেয়গিরির প্রায় ৭৫ শতাংশই এই বলয়ে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে প্লেট টেকটোনিকসের কারণে প্রায়ই সমুদ্রতলদেশীয় ভূমিকম্প হয়।
- জাপান, ইন্দোনেশিয়া এবং চিলির মতো দেশগুলো এই বলয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি সুনামির ঝুঁকিতে থাকে।

• সুনামি (Tsunami):
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম।
- ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়। তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেষু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৩১.
FPS পদ্ধতিতে ভরের একক কীভাবে প্রকাশ করা হয়?
  1. আউন্স
  2. গ্রাম
  3. কিলোগ্রাম
  4. পাউন্ড
সঠিক উত্তর:
পাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাউন্ড
ব্যাখ্যা
• সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতিতে,
- দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার।
- ভরের একক গ্রাম।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

• এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতিতে,
- দৈর্ঘ্যের একক মিটার।
- ভরের একক কিলোগ্রাম।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

• এফ.পি.এস পদ্ধতিতে,
- দৈর্ঘ্যের একক ফুট।
- ভরের একক পাউন্ড।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৩২.
মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

মঙ্গল গ্রহ (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী।
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়। খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং
- কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৩৩.
মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের অঙ্গাণু কোনটি?
  1. মস্তিষ্ক
  2. যকৃত
  3. ফুসফুস
  4. বৃক্ক
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা
অঙ্গ: 
- এক বা একাধিক টিস্যু দিয়ে তৈরি এবং একটা নির্দিষ্ট কাজ করতে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশবিশেষকে অঙ্গ (Organ) বলে। 
অর্থাৎ, কোনো অঙ্গে একই অথবা একাধিক ধরনের টিস্যু থাকে এবং সেই অঙ্গ কোনো না কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে পারে। 
- দেহের অঙ্গসমূহ নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে অঙ্গসংস্থানবিদ্যা (Morphology) বলে। 
- নিচে মানবদেহের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য তন্ত্রের ধারণা দেওয়া হলো- 
১। পরিপাকতন্ত্র (Digestive system): 
- এই তন্ত্র খাদ্যগ্রহণ, পরিপাক, শোষণ এবং অপাচ্য খাদ্যাংশ নিষ্কাশনের সাথে জড়িত। 
- পরিপাকতন্ত্রের দুটি প্রধান অংশ থাকে। যথা: পৌষ্টিক নালি (digestive canal) এবং পৌষ্টিক গ্রন্থি (digestive glands)। 
- মুখছিদ্র, মুখগহ্বর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলী, ডিওডেনাম, ইলিয়াম, রেকটাম বা মলাশয় এবং পায়ুছিদ্র নিয়ে পৌষ্টিক নালি গঠিত। 
- মানুষের লালাগ্রন্থি, যকৃত এবং অগ্ন্যাশয় পৌষ্টিক গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। এসব গ্রন্থির নিঃসৃত রস খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

২। শ্বসনতন্ত্র (Respiratory system): 
- নাসারন্ধ্র, গলবিল, ল্যারিংস, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল, অ্যালভিওলাই এবং একজোড়া ফুসফুস নিয়ে মানুষের শ্বসনতন্ত্র গঠিত। 
- এই তন্ত্র পরিবেশ থেকে গৃহীত অক্সিজেনের সাহায্যে মানুষের দেহের সঞ্চিত খাদ্য থেকে জারণ প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন করে। এ শক্তি দেহের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করে। 

৩। স্নায়ুতন্ত্র (Nervous system): 
- দেহের বাইরের এবং ভিতরের উদ্দীপনা গ্রহণ করা এবং সে অনুযায়ী উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করা এই তন্ত্রের কাজ। 
- মস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ড এবং করোটিক স্নায়ু নিয়ে স্নায়ুতন্ত্র গঠিত। 
- এছাড়া স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র নামে স্নায়ুতন্ত্রের আরও একটি অংশ আছে। 
- স্নায়ুতন্ত্রের এই অংশ দেহের অনৈচ্ছিক পেশির কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। 

৪। রেচনতন্ত্র (Excretory system): 
- বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় বিপাক ক্রিয়ার ফলে শরীরে উপজাত দ্রব্য হিসেবে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। 
- এসব বর্জ্য পদার্থ সাধারণত দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং দেহ থেকে নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়। দেহ থেকে এসব অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করার পদ্ধতিকে রেচন প্রক্রিয়া বলে। 
- যে তন্ত্রের সাহায্যে রেচন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে রেচনতন্ত্র বলে। 
- একজোড়া বৃক্ক, একজোড়া ইউরেটার, একটি মূত্রথলি এবং একটি মূত্রনালি (ইউরেথ্রা) নিয়ে মানুষের রেচন তন্ত্র গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৩৪.
নিচের কোনটি হৃদপিণ্ডকে আবৃত করে রাখে? 
  1. ক) পেরিকার্ডিয়াম
  2. খ) যকৃত    
  3. গ) পলুরা 
  4. ঘ) পেরিটোনিয়াম 
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
পেরিকার্ডিয়াম নামক পদার্থটি হৃদপিণ্ডকে আবৃত করে রাখে। 

- দেহের যে প্রকোষ্ঠময় পেশল অঙ্গের নিরবিছিন্ন ছন্দময় সংকোচন ও প্রসারণের কারণে সমগ্র দেহে রক্ত সংবাহিত হয় তাকে হৃৎপিণ্ড বলে।
- মানুষের হৃদপিণ্ড বক্ষগহ্বরে মধ্যচ্ছদার উপরে ও দুই ফুসফুসের মাঝ-বরাবর বাম দিকে একটু বেশি বাঁকা হয়ে অবস্থিত।
- এটি দেখতে ত্রিকোণাকার; গোঁড়াটি চওড়া ও ঊর্ধ্বমুখী থাকে, কিন্তু সূচালো শীর্ষ দেশ নিচের দিকে পঞ্চম পাঁজরের ফাঁকে অবস্থান করে।
- হৃৎপিণ্ড একটি পাতলা দ্বিস্তরী আবরণে আবৃত। এর নাম পেরিকার্ডিয়াম।
- পেরিকার্ডিয়াম এর বাইরের দিক তন্তুময় পেরিকার্ডিয়াম এবং এর ভেতরের দিক সেরাস পেরিকার্ডিয়াম নামে পরিচিত।
- সেরাস পেরিকার্ডিয়াম আবার দুই স্তরে বিভক্ত, বাইরের দিকে প্যারাইটাল স্তর এবং ভেতরের দিকে ভিসেরাল স্তর।
- প্যারাইটাল ও ভিসেরাল স্তর দুটির মাঝখানের পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড নামক তরল পদার্থ থাকে।
- হৃৎপিন্ডের প্রাচীর অনৈচ্ছিক পেশি ও যোজক টিস্যু নিয়ে গঠিত। এর প্রাচীর গঠনকারী পেশীকে কার্ডিয়াক পেশি বলে।

সূত্র: National Library of Medicine Website [লিঙ্ক]
৫,৪৩৫.
বিশুদ্ধ পানির pH কত?
  1. পাঁচ
  2. ছয়
  3. সাত
  4. আট
সঠিক উত্তর:
সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত
ব্যাখ্যা
pH:

- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7। 
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৩৬.
মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৫
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৫৭
  4. ঘ) ১৯৫৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৭
ব্যাখ্যা

- মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন স্পুটনিক-১ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হল- ভ্রমণসঙ্গী
- ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-২ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান

৫,৪৩৭.
নিচের কোনটিকে হ্যাপ্লয়েড কোষ বলা হয়?
  1. ক) দেহ কোষ
  2. খ) আদি কোষ
  3. গ) জনন কোষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) জনন কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনন কোষ
ব্যাখ্যা
- অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- যথা: দেহ কোষ এবং জনন কোষ।
দেহ কোষ:
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। 
- যেমন: পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি।
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে। 
- তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড কোষ বলা হয়। 
জনন কোষ: 
- জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। 
- জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। 
- যেমন: শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি। 
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক।
- তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড কোষ বলা হয়। 
৫,৪৩৮.
হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভিতর জমাট বাঁধতে বাধা দেয়-
  1. ক) মনোসাইট
  2. খ) নিউট্রোফিল
  3. গ) বেসোফিল
  4. ঘ) ইওসিনোফিল
সঠিক উত্তর:
গ) বেসোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেসোফিল
ব্যাখ্যা
বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভিতর জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে। ইওসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৫,৪৩৯.
তরল পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কেমন?
  1. কঠিনের চেয়ে কম
  2. কঠিনের চেয়ে বেশি
  3. গ্যাসের চেয়ে কম
  4. গ্যাস ও কঠিনের সমান
সঠিক উত্তর:
কঠিনের চেয়ে কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিনের চেয়ে কম
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে যারে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। 
- এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
- যেকোন পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৪০.
কোন মৌলের নিউক্লিয়াসে নিউট্রন নেই?
  1. লিথিয়াম
  2. হাইড্রোজেন
  3. কার্বন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেনের তিনটি প্রধান আইসোটোপের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো প্রোটিয়াম (Protium)। এই প্রোটিয়ামের নিউক্লিয়াসে শুধুমাত্র একটি প্রোটন থাকে, কিন্তু কোনো নিউট্রন নেই। এটিই একমাত্র স্থিতিশীল পরমাণু যার নিউক্লিয়াসে নিউট্রন অনুপস্থিত। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n. 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g. 
- আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৪১.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরির ক্ষেত্রে নিচের কোন উপাদানগুলো সমন্বিত করা হয়েছিল? 
  1. কীবোর্ড, মনিটর ও সিপিইউ
  2. ক্যামেরা, স্ক্যানার ও স্পিকার
  3. র‍্যাম, রোম ও মেমোরি 
  4. ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি): 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। 
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে। 
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়। 
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে। 
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫,৪৪২.
৪র্থ শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন সংখ্যা -
  1. ক) ২
  2. খ) ৮
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ৩২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২
ব্যাখ্যা
প্রতিটি শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রনের সংখ্যা 2n2

৪র্থ শক্তিস্তরে ইলেক্ট্রন সংখ্যা = 2 x 42 = 32
৫,৪৪৩.
নিম্নের কোন অঙ্গজ জননের মাধ্যমে  মিষ্টি আলু তাদের বংশবৃদ্ধি করে?
  1. ক) দেহের খন্ডায়নের মাধ্যমে
  2. খ) মূলের মাধ্যমে
  3. গ) রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে
  4. ঘ) পাতার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
খ) মূলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মূলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
- কোন ধরনের অযৌন রেণু বা জনন কোষ সৃষ্টি না করে দেহের অংশ খন্ডিত হয়ে বা কোনো অঙ্গ রূপান্তরিত হয়ে যে জনন ঘটে তাকে অঙ্গজ জনন বলে।

- অঙ্গজ জনন প্রাকৃতিক নিয়মে বা স্বতঃস্ফুর্তভাবে ঘটলে তাকে প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন বলা হয়।

- যখন কৃত্রিমভাবে অঙ্গজ জনন ঘটানো হয় তখন তাকে কৃত্রিম অঙ্গজ জনন বলে।


- প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন:


দেহের খন্ডায়ন: সাধারণত নিম্ন শ্রেণীর উদ্ভিদে এ ধরনের জনন দেখা যায়। Spirogyra, Mucor ইত্যাদি উদ্ভিদের দেহ কোনো কারণে খন্ডিত হলে প্রতিটি খন্ড একটি স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে।

মূলের মাধ্যমে: কোনো কোনো উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হতে দেখা যায়, যেমন: পটল, সেগুন ইত্যাদি। কোনো কোনো মূল খাদ্য সঞ্চয়ের মাধ্যমে বেশ মোটা ও রসালো হয়। এর গায়ে কুঁড়ি সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে নতুন উদ্ভিদ গজায়, যেমন: মিষ্টি আলু

রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে: উদ্ভিদের খাদ্য সঞ্চয় অথবা অঙ্গজ জননের প্রয়োজনে এরা পরিবর্তিত হয়। যেমন: টিউবার, রাইজোম, কন্দ (বাল্ব), স্টোলন, অফসেট, বুলবিল ইত্যাদি রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে এরা নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি করে। যেমন: আলু, আদা, পিঁইয়াজ, রসুন ইত্যাদি।

পাতার মাধ্যমে: কখনো কখনো পাতার কিনারায় মুকুল সৃষ্টি হয়ে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, যেমন: পাথরকুচি

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
৫,৪৪৪.
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে প্রস্বেদন-
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. বন্ধ হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• প্রস্বেদনের বাহ্যিক প্রভাবক:
• তাপমাত্রা (Temperature):
- তাপমাত্রার তারতম্যের সঙ্গে প্রস্বেদনের হারও ওঠা-নামা করে।
- অধিক তাপে পানি সহজেই বাষ্পে পরিণত হতে পারে বলে প্রস্বেদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- ফলে প্রস্বেদনের হারও দ্রুততর হয়।
- তাপমাত্রা কমে গেলে তাই স্বাভাবিক নিয়মেই প্রস্বেদনের হারও কমে যায়।

উল্লেখ্য,
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকলে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায় এবং বেশি থাকলে হার কমে যায়।
- আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়, ফলে প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়। কিন্তু অন্ধকারে পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকায় এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
- বায়ুচাপ বৃদ্ধিতে বাষ্পীয়ভবন ক্রিয়া হ্রাস পায়, ফলে প্রস্বেদন কমে যায়। আবার বায়ুচাপ কমে গেলে বাষ্পীয়ভবন প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্বেদনের হারও বেড়ে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৪৫.
বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের মূল জ্বালানি কোনটি?
  1. CNG ও LPG
  2. প্রোপেন ও বিউটেন
  3. হাইড্রোজেন ও বিউটেন
  4. মিথেন ও হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
প্রোপেন ও বিউটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোপেন ও বিউটেন
ব্যাখ্যা

বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের মূল জ্বালানি হচ্ছে প্রোপেন ও বিউটেন।   

জ্বালানি হিসেবে CNG ও সিলিন্ডার গ্যাস
- আমরা যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে CNG (Compressed Natural Gas) ব্যবহার করি। এটি মূলত উচ্চচাপে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস।
- যানবাহন চালানোর সময় এটি সিলিন্ডার থেকে উচ্চ গতিতে বেরিয়ে এসে ইঞ্জিনে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এখানেও নিঃসরণ ঘটে।
- বাসাবাড়িতে জ্বালানি হিসেবে সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে মূলত প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাসকে উচ্চচাপে সংকুচিত করে তরল অবস্থায় সিলিন্ডারে ভরে রাখা হয়।
- চুলা জ্বালানোর সময় যখন সিলিন্ডারের মুখ খুলে দেওয়া হয়, তখন এটি গ্যাসে পরিণত হয়ে দ্রুতগতিতে বেরিয়ে আসে। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রেও নিঃসরণ ঘটে।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

৫,৪৪৬.
কোন তত্ত্বের সাহায্যে আলোকতড়িৎ ক্রিয়া (Photoelectric Effect) সফলভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব?
  1. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. কণা তত্ত্ব
  3. তরঙ্গ তত্ত্ব
  4. তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোকতড়িৎ ক্রিয়া বা Photoelectric Effect ব্যাখ্যা করেন।
- তরঙ্গ তত্ত্ব দ্বারা এই ঘটনাটি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব ছিল না, কারণ আলোর তীব্রতা বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের শক্তি বাড়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটে না। আইনস্টাইন প্রস্তাব করেন যে, আলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা ফোটন (Photon) হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি ফোটনের শক্তি E = hf ।

• কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার (Photoelectric Effect) ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

• কণা তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি বৈশিষ্টের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

• তরঙ্গ তত্ত্ব: 
- আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নাই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়। 

• তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। - এর দৃশ্য তরঙ্গই আলো। 
- এর জন্য কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
- এই তত্ত্ব ফটো তড়িৎ প্রতিক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ বা ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৪৭.
গুটি কলমের মাধ্যমে জন্মানো উদ্ভিদ কোনটি? 
  1. জবা 
  2. পুদিনা 
  3. চন্দ্রমল্লিকা 
  4. আম 
সঠিক উত্তর:
আম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম 
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম অঙ্গজ জনন: 
- কৃত্রিম অঙ্গজ জনন বিভিন্ন উপায়ে হতে পারে। 
যথা- 
১। শাখা কলম দ্বারা: 
- কতিপয় উদ্ভিদের কাণ্ড থেকে স্বাভাবিকভাবে নতুন উদ্ভিদ জন্মায় না কিন্তু উদ্ভিদের শাখা কেঁটে ভেজা মাটিতে রোপন করলে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- গোলাপ, চাঁপা, জবা ইত্যাদি। 

২। গুটি কলমের মাধ্যমে: 
- অনেক উদ্ভিদের শাখার চারপাশের বাকল ছাড়িয়ে নিয়ে তার চারদিকে সার ও গোবর মাটির প্রলেপ দিয়ে তার উপরে খড় বা চটের বস্তা বেঁধে রাখলে, উক্ত স্থানে শিকড় গজায় তখন শিকড়সহ শাখাটি মাতৃ উদ্ভিদ থেকে আলাদা করে অন্যত্র রোপন করা হয়। 
যেমন- গোলাপ, আম, লেবু, লিচু ইত্যাদি। 

৩। দাবা কলমের মাধ্যমে: 
- এক্ষেত্রে গাছের একটি শাখাকে মাটির সাথে আবদ্ধ করে প্রত্যেক দিন উক্ত স্থানে পানি দেয়া হয়। কয়েক দিনের মধ্যে মাটিতে আবদ্ধ শাখার পর্ব থেকে মূল গজায়। পরে মূলসহ শাখাটিকে কেটে অন্যত্র রোপন করা হয়। 
যেমন- চন্দ্রমল্লিকা, পুদিনা, লেবু ইত্যাদি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৪৮.
কোন ধরনের শর্করা দেহে সরাসরি শোষিত হয়? 
  1. দ্বি-শর্করা
  2. বহু শর্করা
  3. সরল শর্করা
  4. আঁশজাতীয় শর্করা
সঠিক উত্তর:
সরল শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল শর্করা
ব্যাখ্যা
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate): 
- শর্করা জাতীয় খাদ্য শরীরে কাজ করার শক্তি যোগায়। 
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন। 
- উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে জমা থাকে। 
- ফলের রসের গ্লুকোজ, দুধের ল্যাকটোজ, গম, আলু, চাল ইত্যাদি শর্করাজাতীয় খাদ্যের বিভিন্ন রূপ। 
- গঠনপদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
- নিচের সারণিতে এই তিন ধরনের শর্করার গঠন এবং উৎস দেখানো হলো- 

- প্রধানত চাল, গম, আলু থেকে শ্বেতসার পাওয়া যায়। 
- কাঁচা খাদ্যের শ্বেতসার সহজে হজম হয় না, এজন্য চাল, আটা, আলু ইত্যাদি রান্না করে খাওয়া হয়। 
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 
- দ্বি-শর্করা এবং বহু শর্করা পরিপাকের মাধ্যমে সরল শর্করায় পরিণত হয়ে দেহে শোষণযোগ্য হয়। 
- মানব পরিপুষ্টির জন্য সরল শর্করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানবদেহ শুধু সরল শর্করা শোষণ করতে পারে

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৪৯.
রক্ত কোন ধরনের টিস্যু?
  1. Fluid Connective Tissue
  2. Skeletal Connective Tissue
  3. Cuboidal Epithelial Tissue
  4. Fibrous Connective Tissue
সঠিক উত্তর:
Fluid Connective Tissue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fluid Connective Tissue
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)
- রক্তের উপাদান দুইটি। 
যথা - রক্তরস ও রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরে রক্তরসের ৯১-৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী। 
৫,৪৫০.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মোট কতটি পর্যায় (Period) আছে?
  1. ৭ 
  2. ৮ 
  3. ১৭ 
  4. ১৮ 
সঠিক উত্তর:
৭ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ 
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণি: 
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত। 
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়। 
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি। 
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭ টি পর্যায় ও ১৮ টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে। 
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৫১.
টমাস আলভা এডিসন কী আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত?
  1. ফোনোগ্রাফ
  2. টেলিফোন
  3. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ফোনোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোনোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
টমাস আলভা এডিসন:
- টমাস আলভা এডিসন ফোনোগ্রাফ, চলমান ছবি তোলার ক্যামেরা ‘কাইনোটোস্কোপ’, বৈদ্যুতিক বাতি ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত।
- ১৮৭৭ সালে এডিসন মেনলো পার্ক ল্যাবে ফনোগ্রাফ আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীকালে আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেলসহ বেশ ক'জন বিজ্ঞানী ফোনোগ্রাফকে আরো উন্নত করে তোলেন।

⇒ মার্কিন বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ী টমাস আলভা এডিসন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের মিলানে জন্মগ্রহণ করেন।
- এডিসন বিদ্যুৎ উৎপাদন, গণযোগাযোগ, শব্দ ধারণ ও চলচ্চিত্র ক্ষেত্রে অনেক যন্ত্র তৈরি করেছেন।
- তিনি ফোনোগ্রাফ, চলমান ছবি তোলার ক্যামেরা ‘কাইনোটোস্কোপ’, বৈদ্যুতিক বাতি ইত্যাদির উদ্ভাবক।
- এডিসনই প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আবাসনে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানায় সরবরাহ করার ধারণা দেন।
- বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিকসহ ১৪টি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এডিসন।

অন্যদিকে,
- আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ১৮৭৫ প্রথম টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- টেলিভিশন আবিষ্কার করেন জন এল বেয়ার্ড।

উৎস: Britannica.
৫,৪৫২.
ক্যাসেটের ফিতার শব্দ কী হিসেবে রক্ষিত থাকে? 
  1. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
  2. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
  3. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
  4. মেমোরি চিপ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ও টেপ-রেকর্ডার বা ক্যাসেটের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক থাকে। 
- এক্ষেত্রে স্মৃতির ফিতা বা টেপে ব্যবহৃত ক্রোমিয়াম ডাই অক্সাইড (CrO2) পদার্থের বহি:চৌম্বক ক্ষেত্র সরিয়ে নিলেও আবিষ্ট চৌম্বকত্বের বেশিরভাগই অটুট থাকে অর্থাৎ, এর আবিষ্ট চুম্বকত্ব স্থায়ী হয়। 
- ১৯৩০ সালের দিকে জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয় শব্দ সংরক্ষণের এই পদ্ধতি। 
চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়েই ক্যাসেটের ফিতাতে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়। যথা- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৫,৪৫৩.
বিষধর সাপ কামড় দিলে ক্ষত স্থানে কয়টি দাঁতের চিহ্ন থাকে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
বিষধর সাপের বিষথলী সংযুক্ত থাকে সামনের দিকের দুটি উচু দাঁতের সাথে। এইধরনের সাপ কামড়ালে তাই দুটো দাঁতই আক্রান্ত ব্যাক্তির মাংসপেশিতে ঢুকে যায় বলে পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ দেখা যায়।
৫,৪৫৪.
কোনটি শরীরের ভেতর স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়?
  1. ইস্ট্রোজেন
  2. ইনসুলিন
  3. টেস্টস্ট্রেরন
  4. হরমোন
সঠিক উত্তর:
হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন
ব্যাখ্যা
হরমোন :
- মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণীদেহে এক ধরনের নালিবিহীন গ্রন্থি থাকে। এ সব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস সরাসরি রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এ ধরনের রসকে হরমোন বলে।
- মানব দেহের কয়েকটি নালিবিহীন গ্রন্থি : মানব দেহের কয়েকটি নালিবিহীন গ্রন্থির নাম হলো- পিটুইটারি গ্রন্থি, থাইরয়েড গ্রন্থি, প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি, থাইমাস গ্রন্থি, এডরেনাল গ্রন্থি, আইলেটস অফ ল্যাংগারহ্যানস, গোনাড বা জনন অঙ্গ গ্রন্থি। 

আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস-
এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গ]কাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে ।

গোনাড বা জনন অঙ্গ গ্রন্থি-
- এ গ্রন্থি মেয়েদের ডিম্বাশয় এবং ছেলেদের শুক্রাশয়ে অবস্থিত। জনন অঙ্গ হতে নিঃসৃত হরমোন দেহের পরিণত বয়সের লক্ষণসমূহ বিকশিত করতে ভূমিকা রাখে।
- এছাড়াও প্রাণীর জনন অঙ্গের বৃদ্ধি, জননচক্র ও যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- জনন অঙ্গ হতে পরিণত বয়সের পুরুষে টেস্টোস্টেরন ও স্ত্রী দেহে ইস্ট্রোজেন হরমোন নিঃসৃত হয়। 

উৎস: জীবিবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৫৫.
১ ন্যানো সেকেন্ড হলো- 
  1. ১ সেকেন্ডের ১০ হাজার ভাগের একভাগ 
  2. ১ সেকেন্ডের ১০ লক্ষ ভাগের একভাগ 
  3. ১ সেকেন্ডের ১০ কোটি ভাগের একভাগ 
  4. ১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের একভাগ 
সঠিক উত্তর:
১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের একভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের একভাগ 
ব্যাখ্যা
• ১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে ১ ন্যানো সেকেন্ড বলে।

অর্থাৎ ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১০-৯ সেকেন্ড।
- ১ মিলি সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
- ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ।
- ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
- ১ পিকো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৪৫৬.
কোন কারণে চোখে দীর্ঘদৃষ্টির ত্রুটি দেখা দেয়?
  1. চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে
  2. চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে
  3. কোনো কারণে অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
দীর্ঘদৃষ্টি বা দূরদৃষ্টি (Hypermetropia or Farsightedness): 
- যখন কোনো চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না তখন এই ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলে। 
- সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে এই ত্রুটি দেখা যায়। 
- নিম্নলিখিত দুটি কারণে এই ত্রুটি ঘটে। 
যেমন - 
(i) চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে বা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে। 
(ii) কোনো কারণে অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে। 
- এর ফলে দূর থেকে আসা আলো সঠিকভাবে চোখের রেটিনাতে প্রতিবিম্ব তৈরি করলেও কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলোক রশ্মি চোখের লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের পর রেটিনার ঠিক উপরে না হয়ে পেছনে মিলিত হয়। 
- ফলে চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

প্রতিকার: 
- এই ত্রুটি দূর করার জন্য একটি উত্তল লেন্সের চশমা ব্যবহার করতে হবে। 
- ফলে কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলোক রশ্মি চশমার লেন্সে এবং চোখের লেন্সে পর পর দুইবার প্রতিসারিত হওয়ার কারণে ফোকাস দূরত্ব কমে যাবে এবং প্রয়োজন মতো অভিসারী হয়ে প্রতিবিম্বটি রেটিনার উপরে পড়বে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,৪৫৭.
প্রোটিনের অভাবে শিশুদের মাঝে কোন রোগ দেখা দেয়?
  1. ক) কোয়াশিওরকর
  2. খ) ম্যারাসমাস
  3. গ) উভয়টিই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টিই
ব্যাখ্যা
প্রোটিন ও প্রোটিন-ক্যালরি অভাবজনিত রোগ প্রোটিন ও ক্যালরির অভাবে বিশেষত শিশুদের মধ্যে যে ধরনের অপুষ্টি দেখা যায় তাকে প্রোটিন-শক্তি ঘাটতিজনিত অপুষ্টি বা Protein Energy Malnutrition (PEM) বা PCM (Protein Calorie Malnutrition) বলা হয়।
মারাত্মক মাত্রায় প্রোটিন ও প্রোটিন-ক্যালরির অভাবে শিশুদের মধ্যে কোয়াশিওরকর (গা ফোলা) ও ম্যারাসমাস (হাড্ডিসার) রোগ হয়।

কোয়াশিওরকর (Kwashiorkor): শৈশবে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত ও পরবর্তীতে খাবারে প্রোটিনের অভাব (Protein Deficiency) ঘটলে কোয়াশিওরকর রোগ হতে পারে। 

ম্যারাসমাস (Marasmus): খাদ্যে প্রোটিনের সাথে সাথে ক্যালরির তীব্র অভাব (Protein - Calorie Deficiency) হলে ম্যারাসমাস বা হাড্ডিসার রোগ হতে পারে। 

উৎস : গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৪৫৮.
নিচের কোন উপাদান কার্বনেরই ভিন্ন রূপ?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) হীরক
  3. গ) গ্রাফিন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কার্বনের দু‘টি রূপভেদ আছে যথা গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড (হীরক)। বিভিন্ন রূপভেদে কার্বনের ব্যবহারও বিভিন্ন।
গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
গ্রাফিন হচ্ছে দ্বিমাত্রিক কার্বন ক্রিস্টাল যা খুব ভালো তাপ এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী। গ্রাফিনকে গ্রাফাইট থেকে আহরণ করা হয়
উৎসঃ রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ও দ্যা গার্ডিয়ান
৫,৪৫৯.
নিবেশিত ফলক বা ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক পাওয়া যায়-
  1. ক) হৃদপেশিতে
  2. খ) মসৃণ পেশিতে
  3. গ) ঐচ্ছিক পেশিতে
  4. ঘ) অনৈচ্ছিক পেশিতে
সঠিক উত্তর:
ক) হৃদপেশিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হৃদপেশিতে
ব্যাখ্যা
মেরুদন্ডি প্রাণীদের হৃদপিন্ড এক ধরনের বিশেষ অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত। এ বিশেষ ধরনের পেশিকে বলা হয় হৃদপেশি। এদের কোষগুলো নলাকৃতির (অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির ন্যায়), শাখান্বিত এবং আড়াআড়ি দাগযুক্ত। এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে নিবেশিত ফলক বা ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক থাকে। এদের সংকোচন এবং প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। অর্থাৎ হৃদপেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির ন্যায় কিন্তু কাজ অনৈচ্ছিক পেশির ন্যায়। কাজ- এরা একটা ছান্দিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের মধ্যে রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৫,৪৬০.
বিগব্যাং কত বছর আগে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১০.৮ বিলিয়ন বছর
  2. ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
  3. ১৬.৮ বিলিয়ন বছর
  4. ১৭.৮ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির 'শুরু' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়।
- বিগ ব্যাং সিদ্ধান্ত অনুসারে, মহাবিশ্বের উৎপত্তি ঘটেছে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে।
- এই সিদ্ধান্তে বলা হয় যে, মহাবিশ্ব একটি একটি সুপারনোভা বা মহাস্থির বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে গ্রহাণুগুলি আরম্ভিক অবস্থায় ছিল।  
- এটাই মহাবিশ্বের বয়স।

 উৎস: i) Las Cumbres Observatory.
          ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৬১.
পরিমাণের দিক থেকে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অক্সিজেনের পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
- বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা হারঃ
• নাইট্রোজেন ৭৮.০১%,
অক্সিজেন ২০.৭১%,
• আর্গন ০.৮০%,
• জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩% ইত্যাদি।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৬২.
টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে সাধারণত কী ঘটে? 
  1. তুষারপাত
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. বৃষ্টিপাত
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব: 
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব অনুসারে, পৃথিবীর শিলামণ্ডল কয়েকটি পৃথক প্লেটে বিভক্ত, যা গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার করে সরে যায়, কখনো একে অপরের থেকে দূরে সরে, আবার কখনো পরস্পরের দিকে আসে বা পরস্পরের সঙ্গে ঘষা খায়।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলেই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা বেশি ঘটে, বিশেষত যেখানে উঁচু পর্বতশ্রেণী বিদ্যমান
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষ ও ঘর্ষণের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলিয়ে ফেলে।
- এই গলিত পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত এবং চাপের ফলে ভূপৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে এলে তা লাভা নামে পরিচিত হয় এবং এই প্রক্রিয়াকে আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলা হয়।
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে যখন পৃথিবী কেঁপে ওঠে, তখন ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫,৪৬৩.
অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন নির্গত না হলে কোন রোগ হয়?
  1. ক) স্কার্ভি
  2. খ) বহুমূত্র রোগ
  3. গ) গলগণ্ড
  4. ঘ) রিকেটস
সঠিক উত্তর:
খ) বহুমূত্র রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বহুমূত্র রোগ
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- আমরা যখন কিছু খাই, এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৪.০-৬.০ mMole\l কিংবা (৭০-১১০ মি.গ্রা./ডেসি.লি.)।
- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়।
- ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
- দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়।
- উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূর্বলক্ষণ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৫,৪৬৪.
জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু সাধারণত উপস্থিত থাকে।
  2. খ) জৈব যৌগের বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে কম সময় প্রয়োজন হয়।
  3. গ) সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে জৈব যৌগ গঠিত হয়।
  4. ঘ) জৈব যৌগে সমাণুতা ও ক্যাটিনেশন ধর্ম প্রদর্শিত হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) জৈব যৌগের বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে কম সময় প্রয়োজন হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জৈব যৌগের বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে কম সময় প্রয়োজন হয়।
ব্যাখ্যা
• সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে জৈব যৌগ গঠিত হয়।
- জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু সাধারণত উপস্থিত থাকে। এছাড়া হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, সালফার ইত্যাদি মৌলও উপস্থিত থাকে।
- জৈব যৌগে সমাণুতা ও ক্যাটিনেশন ধর্ম প্রদর্শিত হয়।
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৪৬৫.
Which colour has the shortest wavelength?
  1. Violet
  2. Red
  3. Yellow
  4. Green
  5. Blue
সঠিক উত্তর:
Violet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Violet
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য: 
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল। 
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়। 
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৪৬৬.
আদিকোষী বা প্রোক্যারিওটা অণুজীবের উদাহরণ হল-
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
এক্যারিওটা বা অকোষীয়ঃ এসব অণুজীব এতই ছোট যে তা সাধারণ আলোক অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচেও দেখা যায় না। এদের দেখতে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। যেমন- ভাইরাস।
প্রোক্যারিওটা বা আদিকোষীঃ যেসব অণুজীবের কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত নয় তারাই এ রাজ্যের সদস্য। সুগঠিত কেন্দ্রিকা না থাকায় এদের কোষকে আদিকোষ বলা হয়। যেমন- ব্যাকটেরিয়া।
ইউক্যারিওটা বা প্রকৃতকোষীঃ যেসব অনুজীব কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত তাদেরই প্রকৃত কোষ বলে। শৈবাল, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া এ ধরনের অণুজীব।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি]
৫,৪৬৭.
অণুবীক্ষণ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) রবার্ট হুক
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) এহরেনবার্গ
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা
- ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এই যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন । 
- তিনি তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়।
- জার্মান বিজ্ঞানী  এহরেনবার্গ  ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- রবার্ট হুক প্রথম কোষপ্রাচীর আবিষ্কার করেন।

সূত্র:
১. ব্রিটানিকা
২. জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৫,৪৬৮.
FPS পদ্ধতিতে ভরের একক-
  1. কিলোগ্রাম
  2. পাউন্ড
  3. গ্রাম
  4. আউন্স
সঠিক উত্তর:
পাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাউন্ড
ব্যাখ্যা
• সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতিতে
- দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার।
- ভরের একক গ্রাম।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

• এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতিতে
- দৈর্ঘ্যের একক মিটার।
- ভরের একক কিলোগ্রাম।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

• এফ.পি.এস পদ্ধতিতে
- দৈর্ঘ্যের একক ফুট।
- ভরের একক পাউন্ড।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৫,৪৬৯.
1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে সম্প্রসারণজনিত কাজ হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. আয়তনজনিত ভ্যান্ডারওয়াল ধ্রুবক (a)
  2. আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)
  3. সংকোচনশীল ধ্রুবক (Z)
  4. গ্যাসের তাপ প্রসারাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)
ব্যাখ্যা

• 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা যদি 1.0 K বাড়ানো হয়, তখন গ্যাসটি যখন স্থির চাপে প্রসারিত হয়, তখন যা কাজ করে তাকে আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি মূলত তাপ এবং চাপের সম্পর্ককে বোঝায়। আদর্শ গ্যাস সূত্র PV = nRT অনুযায়ী, এক মোল গ্যাসের জন্য তাপমাত্রা 1 K বাড়ালে গ্যাসের চাপ বা আয়তনের পরিবর্তন ঘটালে যে কাজ হয়, তা W = nRΔT হিসাবে প্রকাশ করা যায়। এখানে R হল সেই ধ্রুবক যা তাপ এবং আয়তনের পরিবর্তনকে সম্পর্কিত করে। তাই এটি কোনো ভ্যান্ডারওয়াল ধ্রুবক বা সংকোচনশীল ধ্রুবক নয়, বরং আদর্শ গ্যাসের ধ্রুবক। R এর মান, R = 8.314Jmol-1K-1

- উত্তর: খ) আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)। 

• 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে সম্প্রসারণজনিত কাজ হয় (Gas Constant):
- গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে তার অণুগুলো দ্রুতগতিতে কম্পিত হয় এবং গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- এই সম্প্রসারণজনিত কাজকে আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R) দিয়ে পরিমাপ করা হয়।
- অর্থাৎ, 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে কাজ হয় তা মূলত আদর্শ গ্যাস ধ্রুবকের মানের সাথে সম্পর্কিত।
- এটি গ্যাসের তাপগতিবিদ্যা এবং থার্মোডাইনামিক্সে গুরুত্বপূর্ণ।
- সম্প্রসারণজনিত কাজকে নির্ণয় করতে মূলত R মান ব্যবহার করা হয়, না কোনো ভ্যান্ডারওয়াল ধ্রুবক বা সংকোচনশীল ধ্রুবক।  

সুতরাং, 1.0 মোল গ্যাসের তাপমাত্রা 1.0 K বাড়ালে যে সম্প্রসারণজনিত কাজ হয়, তা নির্দেশ করে - আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)।  
- সঠিক উত্তর: খ) আদর্শ গ্যাস ধ্রুবক (R)।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫,৪৭০.
'বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব' প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯২১ সালে
  2. খ) ১৯০৫ সালে
  3. গ) ১৯১৬ সালে
  4. ঘ) ১৯১১ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
- পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৪৭১.
নিচের কোনটির আপেক্ষিক ভেদনযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) অভ্রের
  2. খ) কাঁচের
  3. গ) ইবোনাইটের
  4. ঘ) পলিথিনের
সঠিক উত্তর:
ক) অভ্রের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অভ্রের
ব্যাখ্যা
- কোনো মাধ্যমের ভেদনযোগ্যতা শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতার কতগুন তার পরিমাপকে ঐ মাধ্যমের আপেক্ষিক ভেদনযোগ্যতা বলে।
- আপেক্ষিক ভেদনযোগ্যতা μr দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- অভ্রের (মাইকা) আপেক্ষিক ভেদনযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি।
৫,৪৭২.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের আবিষ্কারক-
  1. মাইকেল ফ্যারাডে
  2. টমাস আলভা এডিসন
  3. আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
মাইকেল ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
• তাড়িতচৌম্বক আবেশের আবিষ্কারক 'মাইকেল ফ্যারাডে'।

• তাড়িতচৌম্বক আবেশ:

- ওয়েরস্টেড 1820 সালে তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বকীয় ক্রিয়া আবিস্কারের পর থেকেই বিজ্ঞানীদের মাথা চিন্তা আসে যদি তড়িৎ প্রবাহের ফলে চুম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হতে পারে তবে কেন চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হবে না?
- তিন দেশের তিনজন বিজ্ঞানী ইংল্যান্ডে মাইকেল ফ্যারাডে, আমেরিকাতে জোসেফ হেনরী এবং রাশিয়ায় এইচ. এফ. ই. লেন্‌জ পৃথক পৃথকভাবে এ বিষয়ের উপর গবেষণা করে সফলতা অর্জন করেন।
- কিন্তু মাইকেল ফ্যারাডে 1831 সালে সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন।
- সেজন্য মাইকেল ফ্যারাডে তাড়িতচৌম্বক আবেশের আবিষ্কারক হিসাবে পরিচিত।
- ফ্যারাডের পরীক্ষাগুলো থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো বদ্ধ কুন্ডলী এবং কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকলে ঐ কুন্ডলীতে একটি আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন।
- আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন ও মাইক্রোফোন আবিষ্কার করেন।
- জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৭৩.
নিচের কোনটি উদ্বায়ী পদার্থ? 
  1. গ্লিসারিন 
  2. নিকোটিন 
  3. আয়রন 
  4. আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
ব্যাখ্যা

পদার্থের অবস্থা: 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা নির্দেশ করে পদার্থের সংযুক্তি অপরিবর্তিত রেখে উহার বিভিন্ন অবস্থার প্রকাশ।  
- পদার্থের ভৌত অবস্থার মধ্যে পড়ে পদার্থের ঘনত্ব, স্থায়ীত্ব, স্ফুটনাঙ্ক, দ্রাব্যতা, চৌম্বক ধর্ম ও আলোর সাথে প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি। 
- কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা সবই কিন্তু পদার্থের ভৌত অবস্থা। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটলে পদার্থের ভৌত অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। 
- কঠিন বরফকে তাপ দিলে তরল পানি, পানিকে তাপ দিলে গ্যাসীয় অবস্থা বাষ্পে পরিণত হয়। বিপরীতভাবে জলীয় বাষ্পকে ঠাণ্ডা করলে তরল পানি, তরল পানিকে ঠাণ্ডা করলে কঠিন বরফে পরিণত হয়। 
- আবার কর্পূর, আয়োডিন, নিশাদল এসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিবর্তিত হয়। আবার গ্যাসীয় অবস্থা থেকে শীতল করলে তরল অবস্থায় পরিণত হয়ে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। 
- প্রকৃতপক্ষে কর্পূর, আয়োডিন, নিশাদল প্রভৃতি হলো উদ্বায়ী পদার্থ। 

অন্যদিকে, 
- আয়রন → ধাতু, উদ্বায়ী পদার্থ নয়। 
- নিকোটিন → জৈব যৌগ, উদ্বায়ী পদার্থ নয়। 
- গ্লিসারিন → তরল পদার্থ, উদ্বায়ী নয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৭৪.
ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মেক্সিকো
  2. খ) গুয়েতেমালা
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইতালি
ব্যাখ্যা

ভিসুভিয়াস হচ্ছে আগ্নেয় পর্বত, এর অবস্থান ইতালিতে।  

নিচে বিভিন্ন প্রকার পর্বত সম্পর্কে আলোচনা করা হলো -

পর্বতের প্রকারভেদঃ

পর্বত নানা প্রকারে গঠিত হয়। উৎপত্তির কারণ ও গঠন অনুসারে পর্বতকে পাঁচ শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ভঙ্গিল বা ভাঁজ পর্বত (Fold Mountain):
বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে শিলায় ঢেউ এর মতো ভাঁজ পড়ে যে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্কিল পর্বত বলে।
- 'পাত ভূগঠন তত্ত্ব' ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির কারণ।
যেমন - হিমালয়, আন্দিজ, আল্পস, রকি ইত্যাদি।

২. স্তূপ পর্বত (Block Mountain):
প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে কখনো কখনো ভূত্বক খাড়াভাবে ফেটে যায়, যে রেখা বরাবর ফাটল হয় তাকে চ্যুতিরেখা বলে।
- কখনো কখনো দেখা যায়, দুটি সমান্তরাল ফাটলের মধ্যবর্তী অংশটি চাপের ফলে পাশ্ববর্তী স্থান অপেক্ষা ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়।
- এই উত্থিত অংশ ভূমির উপর স্তূপ আকারে দাঁড়িয়ে থাকে বলে এধরনের পর্বতকে স্তূপ পর্বত বলে।
যেমন - জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রান্সের ভোজ পর্বত ইত্যাদি।

৩. ল্যাকোলিথ পর্বত (Lacolith Mountain):
পৃথিবীর অভ্যন্তরে ম্যাগমা বা গলিত শিলার উপাদানসমূহের সাথে বিবিধ গ্যাস মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
- এ গ্যাস অনেক সময় ঊর্ধ্বপ্রবাহী হয়ে ভূপৃষ্টের দিকে আসার চেষ্টা করে। এ গ্যাসের সাথে প্রচুর ম্যাগমাও থাকে।
- কিন্তু প্রায়ই তা ভূত্বকে আসার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভূত্বকের নিচেই সঞ্চিত থাকে। আস্তে আস্তে এই ম্যাগমা কঠিন আকার ধারন করে।
- এই ধরণের পর্বতকে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বত বলে। ভূআলোড়ন এ জাতীয় পর্বত গঠনে প্রভাব বিস্তার করে।
যেমন - যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক হিলস্‌ ও হেনরী পর্বত

৪. আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত (Volcanic Mountain):
কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের দুর্বল অংশ ফেটে যায়। ঐ ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই ইত্যাদি প্রবল বেগে নির্গত হয়ে ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- এরূপে বার বার ঐসব পদর্থ ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি হয়।
- আগ্নেয় পদার্থ সঞ্চিত হয়ে এ প্রকার পর্বত গঠিত হয় বলে একে আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত বলে।
যেমন - ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, হাওয়ায় দ্বীপের মোনালোয়া ইত্যাদি।

৫. ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট পর্বত (Erosional or Residual Mountain):
সৌরতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, হিমবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিসমূহের ফলে ভূত্বকের নরম অংশ ক্ষয় হতে হতে অপসারিত হয়।
- কঠিন শিলাগুলো অল্প ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পর্বতরূপে থেকে যায়। এরূপ সৃষ্ট পর্বতকে ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট পর্বত বলে।
যেমন - ভারতের আরাবল্লী, ইউরোপের সিয়েরা নেভেদা, উত্তর আমেরিকার অ্যাপালেশিয়ান ইত্যাদি।

উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল (১ম পত্র) বোর্ড বই।

৫,৪৭৫.
সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহের গতি প্রকৃতি ও কক্ষপথ সংক্রান্ত সূত্র প্রদান করেন- 
  1. স্যার আইজ্যাক নিউটন
  2. জোহানেস কেপলার
  3. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  4. নিকোলাস কপারনিকাস
সঠিক উত্তর:
জোহানেস কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোহানেস কেপলার
ব্যাখ্যা

সূর্যের চারিদিকে গ্রহের গতি: 
- সূর্যের চারদিকে পৃথিবীসহ মোট আটটি গ্রহ প্রদক্ষিণ করছে।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহের গতি প্রকৃতি ও কক্ষপথ সংক্রান্ত সূত্র প্রদান করেন ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার (Johann Keplar) ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দে।

• গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র ৩টিঃ
- ১ম সূত্রঃ (কক্ষপথের সূত্র),
- ২য় সূত্রঃ (ক্ষেত্রফলের সূত্র),
- ৩য় সূত্রঃ (আবর্তনকালের সূত্র),

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৫,৪৭৬.
পটাশ এলামকে সাধারণত কী নামে ডাকা হয়?
  1. ডিটারজেন্ট
  2. সেভিং সোপ
  3. কস্টিক সোডা
  4. ফিটকিরি
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
ব্যাখ্যা

• পটাশ এলামকে সাধারণত ফিটকিরি নামে ডাকা হয়। এটি একটি যৌগ, যা মূলত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন এবং পটাশিয়াম আয়ন তৈরি করে। প্রাচীনকাল থেকে পটাশ এলামকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন কাপড়ের রঙ ধরানোর সময় বা পানি পরিশোধনের ক্ষেত্রে। ফিটকিরি ব্যবহার করলে জল স্বচ্ছ হয় এবং ময়লা কণা নীচে বসে যায়। তাই, কস্টিক সোডা বা ডিটারজেন্টের সঙ্গে এটি মিলিত নয়; এটি আলাদা রূপে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক প্রয়োগে ব্যবহারযোগ্য।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ফিটকিরি।

• অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা ফিটকিরি।
- রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] (পটাশিয়াম সালফেট এলুমিনিয়াম সালফেট, ২৪ অণু পানি);
•একে পটাশ এলামও বলা হয়ে থাকে।

• ফিটকিরি:
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ।
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
-অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- পটাস অ্যালামে 24 অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ; রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৭৭.
RNA ভাইরাসঘটিত রোগ কোনটি?
  1. পোলিও
  2. গুটি বসন্ত
  3. যক্ষ্মা
  4. হেপাটাইটিস B
সঠিক উত্তর:
পোলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোলিও
ব্যাখ্যা

পোলিও রোগটি পোলিওভাইরাস (Poliovirus) দ্বারা সৃষ্ট হয়, যা একটি RNA ভাইরাস।
- এটি স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং পক্ষাঘাত (Paralysis) ঘটাতে পারে।

• DNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসঘটিত রোগের উদাহরণ হলো- গুটি বসন্ত (Smallpox), চিকেনপক্স (Chickenpox), হার্পিস সিমপ্লেক্স, হেপাটাইটিস-বি, মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণ ইত্যাদি।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ভেরিওলা ভাইরাস, হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, পারভোভাইরাস B19 ইত্যাদি।

• RNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসঘটিত রোগের উদাহরণ হলো- ডেঙ্গু, সাধারণ ঠান্ডা, ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu), COVID-19, পোলিও, এইডস, হাম, র‍্যাবিস, ইবোলা ইত্যাদি।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ডেঙ্গু ভাইরাস (Dengue Virus DENV), রাইনোভাইরাস, করোনভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, SARS-CoV-2, পোলিও ভাইরাস, HIV, মিজলস ভাইরাস, র‍্যাবিস ভাইরাস, ইয়েলো ফিভার ভাইরাস ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ২য় পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

৫,৪৭৮.
What is the name of the outer layer of the heart?
  1. Endocardium
  2. Myocardium
  3. Mesocardium
  4. Epicardium
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Epicardium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Epicardium
ব্যাখ্যা
• হৃৎপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃৎপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃৎপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে।

হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর: 
- হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। 
- এসব পেশীকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। যেমন- 

ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- মায়োকার্ডিয়াম হৃৎপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। 
- স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃৎকপাটিকাসমূহ সৃষ্টি করে তা ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃৎপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৭৯.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরটির বিস্তৃতি সবচেয়ে বেশি?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্র‍্যাটোমন্ডল
  3. মেসোমন্ডল
  4. তাপমন্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা

- The troposphere is the lowest layer of our atmosphere. Starting at ground level, it extends upward to about 10 km (6.2 miles or about 33,000 feet) above sea level.
- The next layer up is called the stratosphere. The stratosphere extends from the top of the troposphere to about 50 km (31 miles) above the ground.
Above the stratosphere is the mesosphere. It extends upward to a height of about 85 km (53 miles) above our planet.
- The layer of very rare air above the mesosphere is called the thermosphere. High-energy X-rays and UV radiation from the Sun are absorbed in the thermosphere, raising its temperature to hundreds or at times thousands of degrees.
However, the air in this layer is so thin that it would feel freezing cold to us! In many ways, the thermosphere is more like outer space than a part of the atmosphere. Many satellites actually orbit Earth within the thermosphere! Variations in the amount of energy coming from the Sun exert a powerful influence on both the height of the top of this layer and the temperature within it. Because of this, the top of the thermosphere can be found anywhere between 500 and 1,000 km (311 to 621 miles) above the ground.

সূত্র: Encyclopedia Britannica

৫,৪৮০.
নিচের কোনটির কারণে নদীখাত গভীর হয়?
  1. ক) সমুদ্রস্রোত    
  2. খ) নদীস্রোত
  3. গ) জলোচ্ছ্বাসের স্রোত
  4. ঘ) জোয়ার-ভাটার স্রোত
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোয়ার-ভাটার স্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোয়ার-ভাটার স্রোত
ব্যাখ্যা
সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি বা ফুলে ওঠাকে জোয়ার বা নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দু'বার ভাটা হয়। উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা পর পর দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা। জোয়ার ভাটায় নদীখাত গভীর হয় 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৫,৪৮১.
C3 উদ্ভিদের প্রথম স্থায়ী পদার্থ কোনটি?
  1. অক্সালো অ্যাসেটিক অ্যাসিড (OAA)
  2. ৩ -ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড (PGA)
  3. ম্যালিক অ্যাসিড
  4. ৩- ফসফোগ্লিসার‍্যাল্ডিহাইড
সঠিক উত্তর:
৩ -ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড (PGA)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ -ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড (PGA)
ব্যাখ্যা
C3 উদ্ভিদের প্রথম স্থায়ী পদার্থ ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড। 

• C3 উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদে ক্যালভিন চক্র প্রক্রিয়ার মাধ্য শর্করা তৈরি হয় এবং প্রথম উৎপন্ন স্থায়ী পদার্থ ৩-কার্বনবিশিষ্ট তাদের C3 উদ্ভিদ বলে।

•  C3 প্রক্রিয়ার নামকরণ করা হয়েছে এর আবিষ্কারক বিজ্ঞানী মেলভিন কেলভিনের নামানুসারে। 
- C3 উদ্ভিদে ক্যালভিন চক্র-এর প্রথম ধাপে রুবিসকো (RuBisCO) এনজাইম বায়ুমণ্ডলীয় CO2 কে রাইবুলোজ-১,৫-বিসফসফেট (RuBP)-এর সাথে যুক্ত করে ৬-কার্বন বিশিষ্ট অস্থায়ী কিটো এসিড তৈরি করে।। 
- কাজেই ক্যালভিন চক্রে CO2 এর গ্রহিতা হলো রাইবুলোজ-১,৫-বিসফসফেট। 
- ৬-কার্বন বিশিষ্ট অস্থায়ী কিটো এসিড এক অণু H2O গ্রহন করে দুই অণু ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড উৎপন্ন করে।
- ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ। 
- বেশিরভাগ উদ্ভিদে C3 চক্র ঘটে থাকে, তাই এদের C3 উদ্ভিদ বলা হয়। 

• C3 চক্রের কার্যাবলী:  
- কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ: C3 উদ্ভিদের পাতার স্টোমাটা (stomata) দিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করা হয়।
- কার্বন ফিক্সেশন: RuBisCO এনজাইম কার্বন ডাই অক্সাইডকে RuBP-এর সাথে যুক্ত করে একটি C3 যৌগ (৩-ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড) তৈরি করে।
- শর্করা তৈরি: C3 যৌগটি বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে অবশেষে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়।
- RuBP পুনরুদ্ধার: গ্লুকোজ তৈরির পর RuBP অণু পুনরায় C3 চক্রে প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়।

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৫,৪৮২.
অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমজোমের আকার কেমন হয়?
  1. V
  2. I
  3. L
  4. J
সঠিক উত্তর:
J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
J
ব্যাখ্যা
• সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমের আকার:
- সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমগুলো বিভিন্ন আকার ধারণ করে।

- মেটাসেন্ট্রিক: ইংরেজি V অক্ষরের মত।
- সাবমেটাসেন্ট্রিক: ইংরেজি L অক্ষরের মত।
- অ্যাক্রোসেন্ট্রিক: ইংরেজি J অক্ষরের মত।
- টেলোসেন্ট্রিক: ইংরেজি I অক্ষরের মত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৮৩.
পর্যায় সারণিতে যেকোনো পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে অধাতব ধর্ম কেমন হয়?
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. হঠাৎ হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

ধাতব ধর্ম: 
- যে সকল মৌল চকচকে, আঘাত করলে ধাতব শব্দ করে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী তাদেরকে ধাতু বলে। 
- আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সকল মৌল এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয় তাদেরকে ধাতু বলে। 
- ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগের এই ধর্মকে ধাতব ধর্ম বলে। 
- যে মৌলের পরমাণু যত সহজে ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারবে সেই মৌলের ধাতব ধর্ম তত বেশি। 
যেমন- লিথিয়াম (Li) একটি ধাতু কারণ Li একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Li+ এ পরিণত হয়। 
• Li → Li+ + e- 
- পর্যায় সারণিতে যেকোনো পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে ধাতব ধর্ম হ্রাস পায়। 

অধাতব ধর্ম: 
- যে সকল মৌল চকচকে নয়, আঘাত করলে ধাতব শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় তাদেরকে অধাতু বলে। 
- আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সকল মৌল এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয় তাদেরকে অধাতু বলে। 
- অধাতুর ইলেকট্রন গ্রহণের এই ধর্মকে অধাতব ধর্ম বলে। 
- যে মৌলের পরমাণু যত সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারবে সেই মৌলের অধাতব ধর্ম তত বেশি। 
যেমন- ক্লোরিন (CI) একটি অধাতু কারণ Cl একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl- এ পরিণত হয়। 
• Cl + e- → Cl- 
- পর্যায় সারণিতে যেকোনো পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে অধাতব ধর্ম বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৮৪.
রক্ত কণিকা কোথায় উৎপন্ন হয়?
  1. ফুসফুস
  2. অস্থিমজ্জায়
  3. হৃৎপিণ্ড
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা
• সাধারণত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্ত কণিকার জন্ম।

• রক্ত:

- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়।
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ।
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

• রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা-
- লোহিত রক্ত কণিকা,
- শ্বেত রক্ত কণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB।
৫,৪৮৫.
Hydra কোন পরিবেশে বাস করে? 
  1. মরুভূমি 
  2. শুষ্ক মাটি 
  3. মিঠা পানি 
  4. লবণাক্ত পানি 
সঠিক উত্তর:
মিঠা পানি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিঠা পানি 
ব্যাখ্যা

হাইড্রা: 
- Hydra আবিষ্কার করেন আব্রাহাম ট্রেম্বলে। 
- Hydra এর নামকরণ করেন বিজ্ঞানী লিনিয়াস। 
- বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির Hydra পাওয়া যায় তন্মধ্যে Hydra vulgaris সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। 
- কর্ষিকার সাহায্যে এরা খাদ্য গ্রহণ, দেহের সংকোচন, প্রসারণ ও চলাচল সম্পন্ন করে থাকে। 
- Hydra ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে। 

- মুকুলোদগম ও দ্বিবিভাজনের সাহায্যে অযৌন জনন এবং জননকোষ সৃষ্টি করে যৌন জনন সম্পন্ন করে। 
- Hydra পুনরুৎপত্তি (regeneration) ক্ষমতা প্রাপ্ত। 
- Hydra মিঠাপানির প্রাণী। 
- এরা সাধারণত খাল, বিল, পুকুর, হ্রদ, ডোবা, ঝর্ণার পানিতে বাস করে। 
- ঘোলা পানিতে এদের কম পাওয়া গেলেও পরিস্কার, অপেক্ষাকৃত শীতল এবং স্রোতহীন পানিতে এদেরকে তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৮৬.
বাংলাদেশে উৎপাদিত নিম্নলিখিত কোন রাসায়নিকটি কৃষিখাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. নাইট্রিক অ্যাসিড
  2. অ্যামোনিয়াম সালফেট
  3. পটাসিয়াম ক্লোরাইড
  4. ইথানল
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম সালফেট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে মূলত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি সার বেশি ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর সাড়ে ২৬ লক্ষ টন ইউরিয়া সারের প্রয়োজন হয়।
- কিন্তু বাংলাদেশে উৎপাদন হয় প্রায় ১০ লক্ষ টন। 
- টিএসপি সার প্রয়োজন হয় সাড়ে সাত লক্ষ মেট্রিকটন।
- কিন্তু দেশে উৎপাদন হয় এক লক্ষ মেট্রিকটন। 
- ডিএপি সারের প্রয়োজন হয় সাড়ে ১৬ লাখ। তার মধ্যে সাড়ে ১৫ লাখ মেট্রিকটন সার বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। 
- এমওপি সারের চাহিদা রয়েছে আট লক্ষ, যার পুরোটাই বেলারুশ, রাশিয়া, কানাডা থেকে আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত অ্যামোনিয়াম সালফেট রাসায়নিকটি কৃষিখাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

বাংলাদেশে অ্যামোনিয়াম সালফেট সার নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার, এটি সাধারণত কৃষিতে ব্যবহৃত হয়। এতে ২১% নাইট্রোজেন এবং ২৪% সালফার থাকে। এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এবং ফসলের ফলন বাড়াতে সহায়ক।
পটশিয়াম ক্লোরাইড বা মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত একটি সার। কিন্তু এটি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না, প্রায় পুরোটাই আমদানি করতে হয়।
৫,৪৮৭.
গোয়েন্দা বিভাগে নিচের কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. আলফা রশ্মি 
  2. রঞ্জন রশ্মি 
  3. বিটা রশ্মি 
  4. গামা রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি 
ব্যাখ্যা

রঞ্জন রশ্মি: 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন হয়। 
- এক্স-রের একক রন্টজেন। 
- এক্স-রে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩x১০১৬ থেকে ৩x১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 
 
এক্স-রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৮৮.
প্লাজমা অবস্থার জন্য প্রয়োজন -
  1. প্রায় শূন্য তাপমাত্রা 
  2. অতি উচ্চ তাপমাত্রা 
  3. খুব নিম্ন তাপমাত্রা 
  4. সাধারণ তাপমাত্রা 
সঠিক উত্তর:
অতি উচ্চ তাপমাত্রা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতি উচ্চ তাপমাত্রা 
ব্যাখ্যা

প্লাজমা অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি পদার্থের অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। 
- তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়, তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রেন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৮৯.
তেজস্ক্রিয় মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা -
  1. ক) ৪০ এর বেশি
  2. খ) ৫৬ এর বেশি
  3. গ) ৭৪ এর বেশি
  4. ঘ) ৮২ এর বেশি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮২ এর বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮২ এর বেশি
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা হলো যেসকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, তাদের নিউক্লিয়াস দ্রুত গতির নিউটন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে উচ্চভেদন সম্পূর্ণ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনা।

- তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- যে সকল মৌল নিজে থেকে অন্য মৌলে রূপান্তরিত হয় তাদেরকে তেজস্ক্রিয় মৌল বলে।
- যে বস্তুখণ্ড থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তাকে তেজস্ক্রিয় নমুনা বলে।
- ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন হেনরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে। পরবর্তীতে, রাদারফোর্ড, পিয়ারে এবং মেরি কুরিসহ অন্যান্য বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।

তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা –
(১) প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা (Natural radioactivity) ও
(২) কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা (Artificial radioactivity)

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
৫,৪৯০.
খাদ্য তৈরির জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে - 
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. জলীয় বাষ্প
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরির এ প্রক্তিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। 
- খাদ্য তৈরিতে উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংগ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল। 
- তার মধ্যে পানি ও ক্লোরোফিল আসে উদ্ভিদের কোষ থেকে, কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডল থেকে এবং সূর্যালোক গ্রহণ করে সূর্য থেকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৯১.
নিচের কোনটি আবর্জনাভূক প্রাণি?
  1. ক) শালিক
  2. খ) শকুন
  3. গ) ঘুঘু
  4. ঘ) দোয়েল
সঠিক উত্তর:
খ) শকুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শকুন
ব্যাখ্যা
আবর্জনাভুক (Scavenger) :
• কতিপয় মাংসাশী প্রাণি আছে যারা শুধুমাত্র তৃণভোজী প্রাণি খেয়ে বেঁচে থাকে না, এদের পাশাপাশি মাংসাশী প্রাণিও খায়। যেমন- হায়েনা, কুকুর, শিয়াল, শুকুন, কাক প্রভৃতি প্রাণি যে কোনো প্রাণির মৃতদেহকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
• এ জন্য এদেরকে বলা হয় আবর্জনাভুক।
• এরাও তৃতীয় স্তরের খাদক দলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৯২.
যেসব ইলেকট্রন রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে, তাদের কী বলা হয়? 
  1. ফ্রি ইলেকট্রন
  2. মূল ইলেকট্রন
  3. ইনার ইলেকট্রন
  4. যোজ্যতা ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
যোজ্যতা ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোজ্যতা ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক বন্ধন ও রাসায়নিক বন্ধন গঠনের কারণ: 
- কোনো একটি পরমাণুর বন্ধন গঠনের ক্ষমতাকে তার যোজ্যতা বলে। 
- নিষ্ক্রিয় মৌল হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar) এসব মৌলের বন্ধন গঠনের ক্ষমতা নেই, ফলে এদের যোজ্যতা শূন্য। 
- আবার H এর যোজ্যতা এক, O এর যোজ্যতা দুই, N এর যোজ্যতা তিন ও C এর যোজ্যতা সাধারণত চার হয়। 
- কোনো পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে বর্তমান ইলেকট্রনগুলোকে যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে। 
- এ ইলেকট্রনগুলোই বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে। 
- পরমাণুর সর্ববহি:স্থ শক্তিস্তরকে যোজ্যতাস্তর বলে। 
- রাসায়নিক বন্ধনের আধুনিক মতবাদ অনুসারে রাসায়নিক বন্ধন গঠনকালে পরমাণুগুলো সর্বাধিক স্থায়ী ইলেকট্রন গঠন কাঠামো অর্জনের চেষ্টা করে। 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ইলেকট্রন গঠনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় He ভিন্ন প্রত্যেকেরই যোজ্যতা স্তরে আটটি করে ইলেকট্রন বর্তমান। 
- He পরমাণুর যোজ্যতা স্তর প্রথম শক্তি স্তর, এখানে মাত্র দুটি ইলেকট্রন বর্তমান থেকেই যোজ্যতাস্তরকে ইলেকট্রন দ্বারা পরিপূর্ণ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৯৩.
মানুষের দৈহিক গঠনের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়-
  1. ক) জিনগত বৈচিত্রের কারণে
  2. খ) প্রজাতিগত বৈচিত্র্যের কারণে
  3. গ) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্যের কারণে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) জিনগত বৈচিত্রের কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিনগত বৈচিত্রের কারণে
ব্যাখ্যা
জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity)- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে।
যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য।
আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোঁলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৯৪.
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় কোনটি?
  1. লালা
  2. পিত্তরস
  3. পেপসিন
  4. হরমোন
সঠিক উত্তর:
হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন
ব্যাখ্যা
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় হরমোন।

• 'গ্রন্থি':

- যে সমস্ত অঙ্গসমূহ এক বা একাধিক রাসায়নিক যৌগ উৎপাদন এবং ক্ষরণের কাজে নিয়োজিত থাকে তাকে 'গ্রন্থি' বলে।
- মানবদেহে দুই ধরনের গ্রন্থি রয়েছে-

- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি।
১. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি - হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারী, থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল, প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয়, টেস্টিস, ওভারী, প্লাসেন্টা।
২. বহিঃক্ষরা গ্রন্থি- ঘর্মগ্রন্থি, ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি, স্তন গ্রন্থি, সেরোমিনাস গ্রন্থি, সেবাসিয়াস গ্রন্থি, মেবোমিয়ান গ্রন্থি, যকৃত এবং মিউকাস।

- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি: প্রাণীদেহের নালীবিহীন গ্রন্থিসমূহ হতে নিঃসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশ্রিত হয়ে রক্ত দ্বারাই দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবাহিত হয়। এ সকল গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে।
- এই রস নির্দিষ্ট পরিমাণে নিঃসৃত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ-থাইরয়েড নামক অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কর্তৃক নিঃসৃত হরমোন 'থাইরক্সিন' প্রাণীর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত করে।

• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির বৈশিষ্ট্য:
- কোন নালীপথ নেই। রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে ক্রিয়াশীল অঙ্গে পৌঁছায়।
• ক্ষরিত পদার্থ হরমোন বা প্রাণরস নামে পরিচিত।
• এ সব গ্রন্থি হতে নিঃসৃত রস দূরবর্তী নির্দিষ্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়।

 উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৯৫.
কোন রাসায়নিকের প্রভাবে ফলের রং হলুদ হয়? 
  1. লাইকোপেন
  2. ক্যারোটিন
  3. জ্যান্থোফিল
  4. ক্লোরোফিল 
সঠিক উত্তর:
জ্যান্থোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যান্থোফিল
ব্যাখ্যা
- ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন (কমলা বর্ণ কণিকা) ও জ্যান্থোফিল (হলুদ বর্ণ কণিকা) বেশি পরিমাণে থাকে এবং ক্লোরোফিল (সবুজ বর্ণ কণিক) অল্প পরিমাণে থাকে। 
- ফুলের পাপড়িতেও ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে, এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়। 
- ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে প্রজাপতি ও পাখি পরাগায়নে ও বংশবিস্তারে সাহায্য করে। 
- টমেটোর পাকলে যে লাল টকটকে রং হয় তা ক্রোমোপ্লাস্টের লাইকোপেন নামক রঞ্জক পদার্থের জন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫,৪৯৬.
কোনটি উচ্চ রক্ত চাপের লক্ষণ?
  1. বুক ধড়ফড় করা
  2. অল্প পরিশ্রমে হাঁপানি উঠা
  3. নাক দিয়ে রক্ত পড়া
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্ত চাপ: 
- উচ্চ রক্ত চাপকে নীরব ঘাতক হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্ত চাপকে উচ্চ রক্ত চাপ বলা হয়।
- এক জন পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে সিস্টোলিক চাপ ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ বা এর নিচের মাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। 
- এ রক্ত চাপ যখন মাত্রাতিরিক্ত হয় তখন তাকে উচ্চ রক্ত চাপ বলে।

উচ্চ রক্ত চাপের লক্ষণ:
- মাথা ব্যথা, বিশেষ করে মাথার পেছন দিকে ব্যথা করা। 
- মাথা ঘোরা, ঘাড় ব্যথা। 
- বুক ধড়ফড় করা ও দুর্বল বোধ করা। 
- রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়া, 
- অনিদ্রা এবং 
- অল্প পরিশ্রমে হাঁপানি উঠা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৯৭.
সন্ধামালতি কোন ধরনের রুপান্তরিত মূল?
  1. ক) কন্দাকৃতি
  2. খ) রূপান্তরিত প্রধান মূল
  3. গ) অস্থানিক মুল
  4. ঘ) শাখা মূল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কন্দাকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কন্দাকৃতি
ব্যাখ্যা

মূল কখনও বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য রূপান্তরিত হতে পারে। আকৃতিগত দিক থেকে এরা চার প্রকার যথা- ১। মূলাকৃতিমূল, ২। গাজরাকৃতিমূল ৩। শালগমাকৃতিমূল এবং ৪। কন্দাকৃতিমূল।
মূলাকৃতি মূল: এরা খাদ্য সঞ্চয় করে তাই প্রধান মূল মোটা ও রসাল হয়। এই মূলের মধ্যভাগ মোটা কিন্তুদুই প্রান্ত ক্রমশ: সরু। যেমন - মূলা।
গাজরাকৃতি মূল: এরা খাদ্য সঞ্চয় করে তাই, প্রধান মূলটি মোটা ও রসাল হয়। এই মূলের উপরের দিক মোটা এবং নিচের দিকে ক্রমশ: সরু হয়ে যায়। যেমন - গাজর।
শালগমাকৃতি মূল: এই ক্ষেত্রে প্রধান মূলটির উপরের অংশ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে গোলাকার এবং নিচের অংশ হঠাৎ করে সরু হয়ে যায়। যেমন - শালগম।
কন্দাকৃতি মূল: খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে কখনও কখনও প্রধান মূলটি অনিয়মিত ভাবে মোটা হয়। এদের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি নেই। যথা- সন্ধামালতি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৫,৪৯৮.
কোনটি শৈবালের চলনে সহায়তা করে?
  1. অ্যান্টেনা
  2. ফ্লাজেলা
  3.  সিলিয়া
  4. ছদ্মপদ
সঠিক উত্তর:
ফ্লাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যা

*** শৈবালের চলনে সহায়তা করে ফ্লাজেলা

• শৈবাল:
- শৈবাল হলো ক্লোরোফিলযুক্ত সরল, স্বভোজী জলজ উদ্ভিদ যাদের মূল, কাণ্ড ও পাতা নেই।
- এরা সালোকসংশ্লেষণ করে এবং এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে, যেমন: শেওলা।
- এদের দেহ মূলত সেলুলোজ নির্মিত এবং এরা পরিবেশের আর্দ্র স্থানে জন্মে।

• শৈবালের গঠন:
- শৈবালের গঠনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: বাহ্যিক গঠন এবং কোষীয় গঠন।
- এরা আণুবীক্ষণিক থেকে অনেক দীর্ঘাকার হয়। বাদামি শৈবাল ৬০ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ বা লম্বা হয়।
- এককোষী শৈবাল যাদের ফ্ল্যাজেলা থাকে তারা সচল, যেমন- Chlamydomonas এবং যাদের ফ্ল্যাজেলা থাকে না তারা নিশ্চল হয়, যেমন- Chlorella।
- অনেক প্রজাতি রয়েছে যারা কলোনি করে থাকে। প্রত্যেক কলোনিতে অনেকগুলো কোষ থাকে, যেমন- Volvox।
- বহু প্রজাতি রয়েছে যাদের দেহ ফিলামেন্টাস। 
- শৈবালের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠনে প্রচুর পার্থক্য বিদ্যমান।

- প্রোটোজোয়া-প্যারামিসিয়ামের চলন অঙ্গ হচ্ছে সিলিয়া।
- অ্যামিবার চলন অঙ্গ হচ্ছে ছদ্মপদ।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৯৯.
ট্রান্সফরমারে কোনটি পরিবর্তন হয়?
  1. কারেন্ট
  2. ভোল্টেজ
  3. কারেন্ট ও ভোল্টেজ
  4. ফ্রিকোয়েন্সি
সঠিক উত্তর:
কারেন্ট ও ভোল্টেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারেন্ট ও ভোল্টেজ
ব্যাখ্যা
- ট্রান্সফরমার হলো এক ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিকল্প কারেন্ট (AC) ব্যবহারের মাধ্যমে ভোল্টেজ ও কারেন্ট পরিবর্তন করে, কিন্তু ফ্রিকোয়েন্সি অপরিবর্তিত রাখে। 

ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫০০.
বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি কোন ধরনের শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. চৌম্বক শক্তি
  2. আলোক শক্তি 
  3. শব্দ শক্তি 
  4. যান্ত্রিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি 
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার ইত্যাদিতে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।