বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৩ / ১৪০ · ৫,২০১৫,৩০০ / ১৪,০৮০

৫,২০১.
১ মেগাওয়াট সমান কত ওয়াট? 
  1. ১০ ওয়াট
  2. ১০ ওয়াট
  3. ১০ ওয়াট
  4. ১০ ওয়াট
সঠিক উত্তর:
১০ ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ওয়াট
ব্যাখ্যা

কিলোওয়াট: 
- কোনো রোধ বা তড়িৎ যন্ত্রের দুই পাশের বিভব পার্থক্য এক ভোল্ট হলে যদি এর মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহিত হয়, তবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা এক ওয়াট। 
• এক ওয়াট = ১ ভোল্ট × ১ অ্যাম্পিয়ার 
- যখন অনেক বেশি তড়িৎ ক্ষমতা ব্যবহৃত হয় তখন সেটাকে কিলোওয়াট বা মেগাওয়াটে প্রকাশ করা সুবিধাজনক। 
• ১ কিলোওয়াট = ১০০০ ওয়াট বা ১০ ওয়াট। 
১ মেগা ওয়াট = ১০ ওয়াট। 

কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন- বাতি জ্বললে আলোক শক্তি বা পাখা ঘোরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
• ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা 
- অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষপে ইউনিট বলে। 
- বিদ্যুৎ বিল কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককেই হিসাব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২০২.
প্র‍থম আবিষ্কৃত কৃষ্ণ গহ্বরের নাম কী?
  1. Cygnus X-1
  2. Persius AA-2
  3. Galactus S
  4. Pegasus M5
সঠিক উত্তর:
Cygnus X-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cygnus X-1
ব্যাখ্যা

Scientists think stellar-mass black holes, which contain up to a few times the sun's mass, form when giant stars die and collapse in on themselves.
- The first black hole ever discovered was Cygnus X-1, located within the Milky Way in the constellation of Cygnus, the Swan.
- Astronomers saw the first signs of the black hole in 1964 via gas it sucked away from a closely orbiting blue supergiant star.
- As this gas spiraled into the black hole, it became so hot it emitted high-energy X-rays and gamma-rays that satellites could detect.
- A trio of studies in 2011 suggested Cygnus X-1 was located about 6,070 light-years from Earth, but the new research suggests the black hole is actually about 7,240 light-years away.

সূত্র: Encyclopedia Britannica

৫,২০৩.
জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মানব সৃষ্ট প্রধান কারণ কোনটি?
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. বন্যা
  4. বাসস্থান ধ্বংস
সঠিক উত্তর:
বাসস্থান ধ্বংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসস্থান ধ্বংস
ব্যাখ্যা
মানব সৃষ্ট কারণ:
• বাসস্থান ধ্বংস:
- জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের সব থেকে বড় কারণ হলো তাদের বাসস্থান ধ্বংস করা।
- বর্তমানে প্রতি মিনিটে পৃথিবীতে ৫০ একর বনভূমি ধ্বংস হচ্ছে। জলাভূমি ভরাট করা জলজ প্রাণীর বিলুপ্তির কারণ।

•  এক্সপ্লয়টেশন:
- সম্পদের অতিমাত্রায় আহরণ বহু জীব প্রজাতি বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

• অতিমাত্রায় পশু চারণ:
- তৃণভূমিতে অতিমাত্রায় পশুচারণের ফলে অনেক উদ্ভিদ প্রজাতি বিলুপ্তির পথে।

• পলিনেটর ধ্বংস:
- মৌমাছিসহ বহু কীটপতঙ্গ উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটায়। অতিমাত্রায় কীটনাশক, পতঙ্গনাশক ব্যবহারের ফলে পরাগায়নের এ বাহকগুলো কমে গিয়েছে। তাই পরাগায়নের অভাবে এ সকল উদ্ভিদ প্রজাতিসমূহ বিলুপ্তির পথে রয়েছে।

• পরিবেশ দূষণ:
- পরিবেশ দূষণ জীববৈচিত্র্য বিলুপ্তির একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

• প্রাকৃতিক কারণ:
- জীববৈচিত্র্য অবনতির প্রাকৃতিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, দাবানল প্রভৃতি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৪.
অগ্রমস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ -
  1. মেডুলা অবলংগাটা
  2. হাইপোথ্যালামাস
  3. থ্যালামাস
  4. সেরেব্রাম
সঠিক উত্তর:
সেরেব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরেব্রাম
ব্যাখ্যা
অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

⇒ সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ সেরেব্রাম।
- এটি মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৫.
নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় কোনটি মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. খ) হাইড্রোজেন পার অক্সাইড
  3. গ) ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
  4. ঘ) ডাইহাইড্রোজেন মনোঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা
মডারেটর (Moderator)
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হল:
(ক) ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং
(খ) গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৬.
তড়িৎ প্রলেপনে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) দ্রব
  2. খ) ক্যাথোড
  3. গ) অ্যানোড
  4. ঘ) তড়িৎ বিশ্লেষ্য
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যানোড
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন
- তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সুবিধামতো কোনো ধাতুর উপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে।
- সাধারণত কোনো ধাতু যেমন: তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি জিনিসকে মরিচা থেকে রক্ষা করার এবং সুন্দর দেখানোর জন্য এদের উপর কখনো সোনা, রূপা, নিকেল ইত্যাদি মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেয়া হয়।
- যে বস্তুটির ওপর প্রলেপ দিতে হবে সে বস্তুটিকে খুব ভালোভাবে ধুঁয়ে একটি ভোল্টমিটারের ক্যাথোড এবং যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়। 
- প্রলেপ দিতে হবে এমন ধাতুর কোনো লবণের দ্রবণ তড়িৎ দ্রব হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এখন ভোল্টমিটারের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোড রাখা বস্তুটির ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৭.
অক্সিজেন কোন ধরনের পদার্থ?
  1. বিজারক
  2. জারণ
  3. জারক
  4. ধনাত্মক
সঠিক উত্তর:
জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারক
ব্যাখ্যা

• যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে। আর ইলেক্ট্রন দান/বর্জনের প্রক্রিয়াটিকে জারণ বলে।
• যেমন- সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।

• আবার যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে। আর ইলেক্ট্রন গ্রহনের প্রক্রিয়াটিকে বিজারণ বলে।
• যেমন- অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।

উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২০৮.
তড়িচ্চালক শক্তির একক হলাে-
  1. ক) জুল
  2. খ) ভােল্ট
  3. গ) কুলম্ব
  4. ঘ) অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) ভােল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভােল্ট
ব্যাখ্যা

তড়িচ্চালক শক্তি/বলের একক (unit of emf) : তড়িচ্চালক বলের একক হলাে জুল/কুলম্ব (JC-1), বা ভােল্ট (volt, V)। তবে ভোল্টই সর্বাধিক ব্যবহৃত একক। সুতরাং তড়িচ্চালক বল ও বিভব পার্থক্যের একক একই। ভােল্ট এর নিম্নোক্ত সংজ্ঞা দেয়া যায়:
তড়িৎ বর্তনীর কোনাে এক বিন্দু হতে 1 কুলম্ব চার্জকে তড়িৎ কোষসহ সম্পূর্ণ বর্তনী একবার ঘুরিয়ে পুনরায় ওই বিন্দুতে আনতে যত জুল কাজ সম্পন্ন করা হয় কোষের তড়িচ্চালক বল হবে তত ভােল্ট। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৫,২০৯.
Which of the following minerals is found at Jamalganj in Joypurhat district?
  1. Coal
  2. White Clayy
  3. Lime stone
  4. Hard rock
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Coal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Coal
ব্যাখ্যা
কয়লাক্ষেত্র: 
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।  
- এটিতে কয়লার আনুমানিক মজুদের পরিমাণ ১০৫৪ মেট্রিক টন। 
- গভীরতা: ৬৪০-১১৫৮ মিটার। 
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি। 
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে। 

দেশের কয়লা খনিসমূহ: 
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫। 
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫। 
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯। 
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭। 
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২। 

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৫,২১০.
১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘণ্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?
  1. ১০০ জুল
  2. ৬০ জুল
  3. ৬০০০ জুল
  4. ৩৬০০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
৩৬০০০০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০০০০ জুল
ব্যাখ্যা
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।

এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।

অর্থাৎ,
১০০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘণ্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০০ জুল
∴ ১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘণ্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = (৩,৬০,০০০০ × ১০০)/১০০০ জুল
= ৩৬০,০০০ জুল 

আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।

উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই।
৫,২১১.
মানুষের উপাঙ্গীয় কঙ্কাল কতগুলো অস্থি নিয়ে গঠিত?
  1. ৮০ টি
  2. ১২৬ টি
  3. ১৮০ টি
  4. ২০৬ টি
সঠিক উত্তর:
১২৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৬ টি
ব্যাখ্যা
• মানুষের উপাঙ্গীয় কঙ্কাল ১২৬ টি অস্থি নিয়ে গঠিত। 

• কঙ্কালতন্ত্র:

- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত অস্থি ও তরুণাস্থি (কার্টিলেজ) নামক যোজক টিস্যু সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টির মাধ্যমে দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি দান করে, দেহের ভার বহন করে, পেশি সংযোগের স্থান প্রদান করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন অঙ্গসমূহ রক্ষা করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র বলে।

• মানব কঙ্কালতন্ত্রের অধিকাংশই অস্থি নির্মিত। এছাড়া এ তন্ত্রে তরুণাস্থি, টেনডন ও লিগামেন্ট থাকে যারা কঙ্কালতন্ত্রের বিভিন্ন অংশকে সংযুক্ত করে।
- মানুষের ৩০ বছর বয়সের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত অস্থির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে। 
• মানবশিশু জন্মের সময় দেহে প্রায় ৩০০টি অস্থি থাকে। তবে পরিণত মানব অন্তঃকঙ্কাল মোট ২০৬টি অস্থি নিয়ে গঠিত।

• মানুষের অন্তঃকঙ্কালতন্ত্রকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা হয়,
যথা- ১. অক্ষীয় কঙ্কাল এবং ২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।
→ অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial skeleton): কঙ্কালতন্ত্রের যে অংশগুলো দেহের লম্ব অক্ষ বরাবর অবস্থিত সেগুলোকে অক্ষীয় কঙ্কাল বলে।
• মোট ৮০টি অস্থির সমন্বয়ে অক্ষীয় কঙ্কাল গঠিত।
- করোটির অস্থিসংখ্যা - ২৯ টি। 
- মেরুদণ্ডের অস্থিসংখ্যা - ২৬ টি। 
- বক্ষপিঞ্জর অস্থিসংখ্যা- ২৫ টি । 

→ উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular skeleton): কঙ্কালতন্ত্রের যে অংশগুলো অক্ষীয় কঙ্কালের দুপাশে প্রতিসমভাবে অবস্থান করে সেগুলোকে উপাঙ্গীয় কঙ্কাল বলে।
• মোট ১২৬টি অস্থির সমন্বয়ে উপাঙ্গীয় কঙ্কাল গঠিত।
- বক্ষ অস্থিচক্রের অস্থিসংখ্যা- ৪ টি । 
- বাহুর অস্থিসংখ্যা - ৬০ টি । 
- শ্রোণিচক্রের (pelvic girdle) অস্থিসংখ্যা- ২ টি। 
- পায়ের অস্থিসংখ্যা- ৬০ টি। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৫,২১২.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব?
  1. বৈদ্যুতিক মোটর
  2. ট্রান্সফর্মার
  3. ডায়নামো
  4. ভোল্ট মিটার
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা

• ডায়নামো যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
- যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্রকে ডায়নামো বলা হয়। ডায়নামো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা চৌম্বকীয় প্রভাবে কাজ করে। এর মূল অংশ হলো একটি রোটর বা ঘূর্ণনশীল কুণ্ডলী, যা হাত, ইঞ্জিন বা অন্য কোনো যান্ত্রিক উৎস দ্বারা ঘূর্ণিত করা হয়। যখন কুণ্ডলী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরে, তখন চৌম্বকীয় প্রবাহের পরিবর্তনের কারণে কুণ্ডলীতে বৈদ্যুতিক প্রবাহ সৃষ্টি হয়। এইভাবে যান্ত্রিক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বৈদ্যুতিক মোটর ঠিক উল্টো কাজ করে, অর্থাৎ বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফর্মার এবং ভোল্টমিটার শক্তি রূপান্তরের জন্য নয়, বরং বিদ্যুৎ প্রয়োগ ও পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ডায়নামো।

• ডায়নামো:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায় তাকে জেনারেটর বা ডায়নামো বলে।
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্রের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত।
- ডায়নামো দু-প্রকার। যথা:
১. পরিবর্তী প্রবাহ ডায়নামো বা এ.সি. ডায়নামো এবং
২. একমূখী প্রবাহ ডায়নামো বা ডি. সি. ডায়নামো।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ট্রান্সফর্মার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভব এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।

• ভোল্ট মিটার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা হয় তাকে ভোল্টমিটার বলে।
- এটি প্রকৃত পক্ষে একটি বিশেষ ধরনের গ্যালভানোমিটার।

• বৈদ্যুতিক মটর:
- যে তড়িৎযন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে বৈদ্যুতিক মটর বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,২১৩.
উপকূলে কোনো একটি স্থানে জোয়ারের কত সময় পর ভাটার সৃষ্টি হয়? 
  1. ৮ ঘণ্টা ১২ মিনিট 
  2. ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
  3. ১২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট
  4. ১৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাটা বলে না। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২১৪.
দেহে শর্করার অভাব হলে কোন রোগ দেখা দেয়?
  1. কোয়াশিয়রকর
  2. মেরাসমাস
  3. হাইপোগ্লাইসেমিয়া
  4. বেরিবেরি
সঠিক উত্তর:
হাইপোগ্লাইসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইপোগ্লাইসেমিয়া
ব্যাখ্যা
শর্করার অভাব জনিত রোগ - হাইপোগ্লাইসেমিয়া।
আমিষের অভাব জনিত রোগ - কোয়াশিয়রকর,মেরাসমাস।
ভিটামিন বি১ এর অভাবজনিত রোগ - বেরিবেরি।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
৫,২১৫.
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন?
  1. গলন
  2. বাষ্পীভবন
  3. প্রস্বেদন
  4. সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায়, সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া


- সালোকসংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো ৩-৬%। 
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য সুবিধাজনক তাপমাত্রা হলো  ২২-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
- সূর্য থেকে আসা আলোর শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। 
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় এবং সবুজ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম কার্যকর হয়। 
- উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণ হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২১৬.
থ্যালাসেমিয়া কী?
  1. ক) হরমোনজনিত সমস্যা
  2. খ) রক্তজনিত সমস্যা
  3. গ) স্নায়ুজনিত সমস্যা
  4. ঘ) হৃদরোগজনিত সমস্যা
সঠিক উত্তর:
খ) রক্তজনিত সমস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রক্তজনিত সমস্যা
ব্যাখ্যা
থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে একটি রক্তজনিত সমস্যা। 

থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে এমন একটি রোগ, যেটি উত্তরাধিকারসূত্রে হয়ে থাকে। আর এ রোগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে রক্তের ব্যাধি হয়ে থাকে, যা শরীরের হিমোগ্লোবিন এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরির ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

লক্ষণসমূহ- 
১. জন্ডিস ও ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
২. তন্দ্রা ও ক্লান্তি
৩. বুকে ব্যথা
৪. হাত পা ঠণ্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫. নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৬. থ্যালাসেমিয়ার কারণে পায়ে ক্রাম্প হতে পারে।
৭. থ্যালাসেমিয়া হলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে।
৮. অনেক সময় থ্যালাসেমিয়া হলে শিশুরা আর খেতে চায় না বা খাবারে অনীহা দেখা দিতে পারে।
৯. থ্যালাসেমিয়ার কারণে শিশুদের বৃদ্ধিতে বিলম্ব দেখা দিতে পারে বা শিশুরা ঠিক মতো বেড়ে ওঠে না।
১০. অনেক সময় মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: https://www.mayoclinic.org/diseases-conditions/thalassemia/symptoms-causes/syc-20354995
৫,২১৭.
নিচের কোনটি মৃদু ক্ষার?
  1. ক) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষার:
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে।
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH) দান করে।

তীব্র ক্ষার:
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়।
- যেমন: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি।

মৃদু ক্ষার:
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়। তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়।
- যেমন: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), আয়রন (ii) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)2, আয়রন (iii) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম (iii) হাইড্রোক্সাইড Al(OH), ইত্যাদি। ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়। এর জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে।
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২১৮.
দুটি অর্ধপরিবাহী ডায়োডকে পাশাপাশি যুক্ত করে একটি অর্ধপরিবাহী ট্রায়োড তৈরি করা হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ট্রানজিস্টর
  3. জেনারেটর
  4. রেক্টিফায়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
দুটি অর্ধপরিবাহী ডায়োডকে পাশাপাশি যুক্ত করে একটি অর্ধপরিবাহী ট্রায়োড তৈরি করা হলে তাকে ট্রানজিস্টর বলে।

- ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর প্রথম তৈরি করেন উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন।
- ট্রানজিস্টর তৈরি করতে প্রয়োজন সেমিকন্ডাক্টর (সিলিকন, জার্মেনিয়াম)।
- ট্রানজিস্টরের অপর নাম অর্ধপরিবাহী ট্রায়োড।
- ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে।
- ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে।
- ট্রানজিস্টর প্রধানত ব্যবহার করা হয় এমপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক হিসেবে।
৫,২১৯.
নিম্নের কোন মৌলটি ডোপিং এর জন্য ব্যবহৃত হয় ?
  1. ক) ফ্লোরিন
  2. খ) লিথিয়াম
  3. গ) আর্সেনিক
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২২০.
হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কী?
  1. হরমোন উৎপাদন
  2. বর্জ্য পদার্থ অপসারণ
  3. শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
  4. শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করা
সঠিক উত্তর:
শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করা
ব্যাখ্যা

হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে তা শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেওয়া।

হিমোগ্লোবিন:
-
হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকার একটি জটিল প্রোটিন, যার মধ্যে লৌহ বা আয়রন থাকে। 
- এই আয়রনের কারণেই হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন অণুগুলোকে সহজে ধারণ করতে পারে। 
- এটি ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শরীরের টিস্যু ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে তা সরবরাহ করে।
- এই প্রক্রিয়ায়, হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে কোষে পৌঁছে দিয়ে কোষের বিপাকক্রিয়া ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
- এর ফলে জীবিত কোষগুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারে।
- এছাড়া হিমোগ্লোবিন কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়।
- হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির কারণেই রক্ত লাল দেখায়।
- এছাড়াও, রোগ প্রতিরোধে শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) কাজ করে।
- খাদ্য হজমে এনজাইম ও পাচকরস ভূমিকা রাখে।
- রক্ত জমাট বাঁধায় প্লেটলেট ও ফাইব্রিনোজেন কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,২২১.
অতিবেগুনী রশ্মির সাহায্যে ভিটামিন ডি তৈরীর শেষ ধাপ সংগঠিত হয়-
  1. ক) লিভারে
  2. খ) কিডনিতে
  3. গ) অগ্ন্যাশয়ে
  4. ঘ) অন্ত্রে
সঠিক উত্তর:
খ) কিডনিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিডনিতে
ব্যাখ্যা
সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমে থাকা কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন ডি তৈরী হয়। সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরীর শেষ ধাপ সংগঠিত হয় কিডনিতে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,২২২.
উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন-
  1. ক) ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২১ জুন
  3. গ) ২২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ জুন
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর তথা উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন ২১ জুন,
- পৃথিবীর তথা উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন ২২ ডিসেম্বর।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর তথা উত্তর গোলার্ধের সর্বত্র দিবারাত্রি সমান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২২৩.
রক্ত কণিকা কোথায় উৎপন্ন হয়?
  1. হৃৎপিণ্ডে
  2. প্লীহায়
  3. অস্থি মজ্জায়
  4. যকৃতে
সঠিক উত্তর:
অস্থি মজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থি মজ্জায়
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। 
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ। 
- সাধারণত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্ত কণিকার জন্ম। 
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা- 
১। লোহিত রক্ত কণিকা, 
২। শ্বেত রক্ত কণিকা এবং 
৩। অণুচক্রিকা। 

- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB। 
৫,২২৪.
বৈদ্যুতিক শক্তি কোন যন্ত্রে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. এলইডি
  2. বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি
  3. টিউবলাইট 
  4. বৈদ্যুতিক পাখা 
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক পাখা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক পাখা 
ব্যাখ্যা

- বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে তার ভেতরে থাকা মোটরের সাহায্যে ঘোরে। এই ঘূর্ণন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। মূলত বৈদ্যুতিক মোটরই হলো সেই যন্ত্র যা এই রূপান্তরটি ঘটায়। 

বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি: 
- শক্তির রূপান্তরের সবার আগে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তির কথা বলা হয় কারণ এই শক্তিকে সবচেয়ে সহজে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। শুধু তা-ই নয় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা সবচেয়ে সহজ। 
- দৈনন্দিন জীবনে বৈদ্যুতিক পাখা বা অন্যান্য মোটরে তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। (যদিও চৌম্বক শক্তি আসলে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তার পরেও মোটর বা বৈদ্যুতিক পাখার ভেতরে বিদ্যুৎশক্তিকে প্রথমে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তর করে সেখান থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হতে হয়)। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বাল্ব, টিউবলাইট বা এলইডিতে তড়িৎশক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- শব্দশক্তি তৈরি করার জন্য সাধারণত কোনো কিছুকে কাঁপাতে হয় যা এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি। যেমন- স্পিকারে বিদ্যুৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, যেখানে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২২৫.
কত সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে মডেল প্রদান করেন?
  1. ক) ১৯০৮ সাল
  2. খ) ১৯১১ সাল
  3. গ) ১৯১৮ সাল
  4. ঘ) ১৯২১ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১১ সাল
ব্যাখ্যা
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল:

- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে, এ মডেলটিকে সোলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে।
- এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়।
- রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২২৬.
উদ্ভিদে কয়টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে?
  1. ৬ টি
  2. ১০ টি
  3. ১৬ টি
  4. ৬০ টি
সঠিক উত্তর:
৬০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ টি
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি:
- উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও পরিপুষ্টির জন্য মাটি, বায়ু এবং পানি থেকে কতগুলো উপাদান গ্রহণ করে, এই উপাদানগুলোকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদন বলে।
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (essential elements) বলা হয়।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ম্যাক্রো উপাদান
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা- নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।

২. মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn). মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৫,২২৭.
কোন সালে মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
- মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। 
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন স্পুটনিক-১ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে। 
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হল- ভ্রমণসঙ্গী। 
- ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-২ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
৫,২২৮.
নদী সিকস্তি বলা হয় কাদের?
  1. নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
  2. নদীর চর জাগলে যারা দখল করতে চায়
  3. নদীতে যারা সারা বছর মাছ ধরে
  4. নদীর পাড়ে যারা বসবাস করে
সঠিক উত্তর:
নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
ব্যাখ্যা

• নদীভাঙন:
- বর্ষাকালে নদীখাতে প্রবল বেগে পানিপ্রবাহ, নদী খাতের উভয় পার্শ্বে নরম মাটি ও ফাটলের অবস্থানের কারণে যে ক্ষয় হয়ে থাকে, তাকে নদীভাঙন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণকে নদী সিকস্তি বলে। 

উল্লেখ্য:
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

৫,২২৯.
পাকা কমলায় কোন ধরনের এস্টার থাকে?
  1. মিথাইল বিউটারেট
  2. অ্যামাইল অ্যাসিটেড
  3. ইথাইল বিউটারেট
  4. অকটাইল অ্যাসিটেড
সঠিক উত্তর:
অকটাইল অ্যাসিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকটাইল অ্যাসিটেড
ব্যাখ্যা
- এস্টার হলো জৈব কার্বক্সিলিক এসিডের একটি জাতক।
- এস্টার বিভিন্ন ফুল ও ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী।
- পাকা কমলায় অকটাইল অ্যাসিটেড,
- পাকা আনারসে ইথাইল বিউটারেট,
- পাকা কলায় অ্যামাইল অ্যাসিটেড,
- নাশপাতিতে ৩-মিথাইল বিউটাইল ইথানোয়েট এস্টার বিদ্যমান থাকে।
৫,২৩০.
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড কোনটি? 
  1. অলিয়িক এসিড
  2. অক্সালিক এসিড
  3. স্টিয়ারিক এসিড
  4. লিনোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
স্টিয়ারিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিয়ারিক এসিড
ব্যাখ্যা
ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন- 
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) প্রোপানোয়িক এসিড, 
(২) স্টিয়ারিক এসিড
(৩) পামিটিক এসিড। 

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) অক্সালিক এসিড, 
(২) অলিয়িক এসিড, 
(৩) লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৫,২৩১.
সামুদ্রিক শৈবাল ও সামুদ্রিক মাছে কোনটি বেশি পাওয়া যায়?
  1. ক) লৌহ
  2. খ) ম্যাগনেশিয়াম
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য।
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং লবণ, সামুদ্রিক শৈবাল ও সামুদ্রিক মাছে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- এ সমস্ত উপাদান দেহের বৃদ্ধির কাজে সাহাজ্য করে। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়।
- লৌহের অভাবে রক্তশূণ্যতা দেখা দেয়। 

সূত্র: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৫,২৩২.
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে রক্তের কোন উপাদানটি স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. অনুচক্রিকা
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যা

• ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীরে বিশেষ ধরনের ভাইরাস সংক্রমণ ঘটে, যা মূলত রক্তের শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লেটলেট (অনুচক্রিকা) কে প্রভাবিত করে। তবে ডেঙ্গুর সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রায়শই বিপজ্জনক লক্ষণ হলো প্লেটলেট বা অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যাওয়া। অনুচক্রিকা রক্ত জমে যাওয়া এবং রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মাধ্যমে অনুচক্রিকার উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তাদের ধ্বংস বৃদ্ধি করে। এর ফলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে এবং হেমোরেজিক অবস্থার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়, যা চিকিৎসার জন্য বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন।

- সঠিক উত্তর: গ) অনুচক্রিকা। 

রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 
১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। পারপুরা: 
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে, এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৪। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৫। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৬। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৩৩.
কোথায় শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. বাতাসে
  3. পানিতে
  4. লোহায়
সঠিক উত্তর:
লোহায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহায়
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
- তরল পদার্থে শব্দের বেগ কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উল্লেখ্য,
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৩৪.
নিচের কোন গ্যাসের Breakdown strength (at atmospheric pressure) সবচেয়ে বেশি?
  1. Air
  2. SF6
  3. Nitrogen
  4. Oxygen
সঠিক উত্তর:
SF6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SF6
ব্যাখ্যা
SF6 গ্যাসের Breakdown strength (at atmospheric pressure) সবচেয়ে বেশি

এর বৈশিষ্ট্য: 
- Insulation
- Arc Quenching
- Dielectric Properties
- Chemical Stability
৫,২৩৫.
পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথর বা ইটের যে আকর্ষণ তাকে বলা হয় -
  1. মহাকর্ষ বল
  2. স্থিতিস্থাপকতা
  3. পীড়ন
  4. অভিকর্ষ বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ। 
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা এক টুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,২৩৬.
সূর্যগ্রহণ ঘটে কোন অবস্থায়? 
  1. সূর্য চাঁদের পিছনে চলে গেলে 
  2. চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে থাকলে 
  3. পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে থাকলে 
  4. সূর্য পৃথিবী ও চাঁদের মাঝে থাকলে 
সঠিক উত্তর:
চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে থাকলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে থাকলে 
ব্যাখ্যা

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট [লিঙ্ক]।

৫,২৩৭.
একটি 6- pole ল্যাপ- উন্ড জেনারেটর -এ 300 কন্ডাক্টর আছে। প্রতি কন্ডাক্টরে 5V emf Induced হয়। জেনারেটরে জেনারেটেড ভোল্টেজ হবে- 
  1. 60 v
  2. 1500 v
  3. 360 v
  4. 250 v
সঠিক উত্তর:
250 v
উত্তর
সঠিক উত্তর:
250 v
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে, 
number of poles (P) = 6
Number of conductors (Z) = 300
Emf induced per conductor = 5 V
Number of conductors per parallel path = Z/A = Z/P = 300/6 = 50

∴ Total emf = 50 × 5 = 250 V
৫,২৩৮.
কচু শাকে কোন মূল্যবান খাদ্য উপাদানটি রয়েছে?
  1. ক) লৌহ
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) থায়ামিন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কচু নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
১) কচুর শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, বি, সি,ক্যালসিয়াম ও লৌহ। ভিটামিন এ জাতীয় খাদ্য রাতকানা প্রতিরোধ করে আর ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ছোট বেলা থেকেই কচুর শাক খাওয়ানো উচিত।
২) কচুতে আছে আয়রন, যা রক্ত শূন্যতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৩) কচুতে আছে নানা রকমের ভিটামিন যা গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য দারুন উপকারি।
৪) কচুর ডাঁটায় প্রচুর পরিমানে পানি থাকে,তাই গরমের সময় কচুর ডাঁটায় রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হয়।
৫) কচুর শাকে পর্যাপ্ত পরিমানে আঁশ থাকে যা হজমে সহায়তা করে।
৬) কচুতে আছে প্রচুর ফাইবার, ফোলেট ও থায়ামিন যা মানব শরীরের জন্য অনেক দরকারি উপাদান।
৭) কচু খেলে রক্তের কোলেস্টরল কমে তাই উচ্চরক্ত চাপের রোগীদের জন্য ওল কচুর রস বেশ উপকারী।
8) নিয়মিত কচু খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
৯) কচু শাক বা কচু খেলে অনেক সময় গলা চুলকায়; কারণ কচুতে ক্যালসিয়াম অক্সলেট আছে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও পত্রিকার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
৫,২৩৯.
সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭.৯ সে. মি.
  2. ৭৬ সে. মি.
  3. ৭২ সে. মি.
  4. ৭৭ সে. মি.
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে. মি.
ব্যাখ্যা
• বায়ুর চাপ:
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান।
- আদর্শ অবস্থায় বায়ুমণ্ডলের চাপ ১০১৩.২৫ মিলিবার (১০১,৩২৫ প্যাসকেল) বা ৭৬০ পারদ মি.মি., ২৯.৯২ পারদ ইঞ্চি, বা ১৪.৬৯৬ পাউন্ড/ইঞ্চি২।
- এটিএম (atm) এককটি পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমতুল্য অর্থাৎ পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রায় ১ এটিএম।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৪০.
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তিকে অন্য কী নামে ডাকা হয়? 
  1. ট্রান্সক্রিপশন
  2. রেপ্লিকেশন
  3. প্রোটিন সংশ্লেষণ
  4. জিন ক্লোনিং
সঠিক উত্তর:
জিন ক্লোনিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন ক্লোনিং
ব্যাখ্যা

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic engineering): 
- একটি জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী ডিএনএ খণ্ড পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশল হচ্ছে জিন প্রকৌশল (Genetic engineering)। 
অর্থাৎ, কাঙ্ক্ষিত নতুন একটি বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য কোনো জীবের ডিএনএর পরিবর্তন ঘটানোকে জিন প্রকৌশল বলে। 
- এই জিন যে কৌশলগুলোর মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়, তাদের একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ কৌশল বলে। 
- এই কৌশল অবলম্বন করে একটি ডিএনএ অণুর কাঙ্ক্ষিত অংশ কেটে আলাদা করে অন্য একটি ডিএনএ অনুতে প্রতিস্থাপন করার ফলে যে নতুন ডিএনএ অণুর সৃষ্টি হয়, তাকে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বলে। 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ তৈরির প্রক্রিয়াকে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি বা জিন ক্লোনিং বলা হয়। 
- জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে উৎপন্ন নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের কোনো কোনোটিকে বলা হয় GMO (Genetically Modified Organism) আর কোনোটিকে বলে ট্রান্সজেনিক (Transgenic)। জিএমও এবং ট্রান্সজেনিক জীব এক নয়। 
- আধুনিক জীবপ্রযুক্তি বা জিন কৌশলের মাধ্যমে জিন স্থানান্তরের প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য অল্প সময়ে সুচারুভাবে স্থানান্তর করা সম্ভব হয় বলে সংশ্লিষ্ট উদ্ভাবক বা উদ্যোক্তাগণের নিকট প্রচলিত প্রজননের তুলনায় এ প্রযুক্তিটি অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৪১.
নিচের কোন ধাতুটির পারমানবিক ভর পানি অপেক্ষা কম?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. সোডিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- পানি (H₂O) এর পারমাণবিক ভর ১৮ (1 পরমাণু হাইড্রোজেন = 1, 1 পরমাণু অক্সিজেন = 16)।
- অ্যালুমিনিয়াম (Al): পারমাণবিক ভর = 27।
- সোডিয়াম (Na): পারমাণবিক ভর = 23।
- ম্যাগনেসিয়াম (Mg): পারমাণবিক ভর = 24.3। 
• সুতরাং সবগুলো পদার্থের পারমানবিক ভর পানি অপেক্ষা বেশি।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৫,২৪২.
কোনটির সাহায্যে কোনো যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তির পরিমাপ হিসেব করা যায়?
  1. চাপ
  2. ক্ষমতা
  3. কাজ
  4. কর্মদক্ষতা
সঠিক উত্তর:
কর্মদক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মদক্ষতা
ব্যাখ্যা
কর্মদক্ষতা: 
- যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত। 
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 70 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 30 একক শক্তি অপচয় হয়। 

∴ কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/ মোট প্রদত্ত শক্তি 
= কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা 
= {(E1-E2)/E1} ×100% 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৪৩.
নিম্নের কোনটি রিসাইকেলযোগ্য?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) পেট্রোল
  4. ঘ) ডিজেল
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁচ
ব্যাখ্যা
- গৃহস্থালী এবং শিল্পজাত বর্জ্যে এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে কাঁচজাত কঠিন বর্জ্য। কাঁচ ভাঙ্গুর হওয়ায় অন্যান্য ব্যবহার্য দ্রব্যের তুলনায় কাঁচ সামগ্রীর বর্জ্য তুলনামূলকভাবে বেশি।
- কাঁচ 100% রিসাইকেলযোগ্য একটি উপকরণ।

কাঁচ রিসাইক্লিং এর ধাপসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো :
১। বর্জ্য কাঁচ সংগ্রহ (Collection of waste glass) : পরিত্যক্ত ভাঙ্গা কাঁচের টুকরা, কাঁচ কারখানার ত্রুটিপূর্ণ কাঁচ দ্রব্য ও বিভিন্ন উৎস হতে প্রাপ্ত কাঁচ সামগ্রী রিসাইকেল কারখানায় নেয়া হয়।
২। পরিষ্কারকরণ (Cleaning) : সংগৃহীত কাঁচ বর্জ্যকে পানি দ্বারা উত্তমরূপে ধৌত করে কাঁচের গায়ে লেগে থাকা মাটি, কাদা, ধুলা-বালি, গাম, লেবেল ইত্যাদি অপসারিত করা হয়।
৩। পৃথকীকরণ (Separation) : পরিষ্কার বর্জ্য কাঁচ মিশ্রণ থেকে রঙ্গিন ও বর্ণহীন কাঁচ দ্রব্য পৃথক করে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। চূর্ণকরণ (Crushing) : পৃথকীকৃত কাঁচ বর্জ্যকে ক্রাশার মেশিনের সাহায্যে অতি ক্ষুদ্র আকৃতির টুকরায় পরিণত করা
হয় । চুর্ণীকৃত ক্ষুদ্রাকৃতির এ কাঁচ কিউলেট (cullet) নামে পরিচিত । ৫। অপদ্রব্য অপসারন (Removal of contaminant) : চূর্ণীকরণ প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত কিউলেটকে একটি কনভেয়ার বেল্টের উপর পরিচালনা করলে ধাতব কণাসমূহ চুম্বক দ্বারা এবং হালকা ওজনের অপদ্রব্য বায়ু প্রবাহ দ্বারা অপসারিত হয় ।
৬। বিগলন (Smelting) : অপদ্রব্যমুক্ত চূর্ণীকৃত কাঁচের সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রয়োজনীয় উপাদান যেমন- সোডাঅ্যাশ, বোরাক্স, নাইটার ইত্যাদি মিশানো হয়। অত:পর প্রাপ্ত মিশ্রণকে ট্যাংক ফার্নেসে 1300 1450°C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে গলিত কাঁচ পাওয়া যায়।
৭। আকৃতি প্রদান (Shapping) : বিগলিত কাঁচকে যান্ত্রিক উপায়ে ব্যবহার উপযোগী বিভিন্ন ধরনের কাঙ্খিত আকৃতি প্রদান করা হয় ।
৮। কোমলায়ন (Annealing) : বিগলিত কাঁচ থেকে উৎপাদিত নির্দিষ্ট আকৃতি বিশিষ্ট উত্তপ্ত কাঁচ দ্রব্যকে ধীরে ধীরে কক্ষ তাপমাত্রায় এনে কোমলায়ন করা হয়।
৯। সমাপন (Fininishing) : কোমলায়নকৃত কাঁচ বস্তুকে পরিষ্কারকরণ, ঘর্ষণ ও মসৃণ করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়।

সূত্র: ৩৩৩ পৃষ্ঠা, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   
৫,২৪৪.
রক্ত জমাট বা প্রদাহের উৎস নির্ণয়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) এমআরআই
  2. খ) বায়োপসি
  3. গ) সিটি স্ক্যান
  4. ঘ) ইসিজি
সঠিক উত্তর:
গ) সিটি স্ক্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিটি স্ক্যান
ব্যাখ্যা
- রক্ত জমাট বা প্রদাহের উৎস নির্ণয়ে সিটি স্ক্যান যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।  

সিটি স্ক্যান
:
- ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) সংস্করণের মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের সবচেয়ে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য একটি পরীক্ষা পদ্ধতি হলো সিটি স্ক্যান।
- এর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অজস্র এক্স-রে ছবি তোলা হয় এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে সেগুলোকে একত্র করা হয়।
- সিটি স্ক্যান এমন একটি মেডিকেল ইমেজিং পদ্ধতি, যাতে রোগীর শরীরের ভেতরের অবস্থা স্ক্যান করে ইমেজ বা ছবি তোলা হয়।
- একজন রেডিওলজি টেকনোলজিস্ট এই পরীক্ষা করেন।

যেসব ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান করা হয়
• টিউমার, ক্যানসারের অবস্থান নির্ণয়ে 
• মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য সমস্যা নিরীক্ষণে 
• অস্ত্রোপচার, রেডিয়েশন থেরাপি ও বায়োপসির গাইডলাইন নিশ্চিতকরণে 
• রক্ত জমাট বা প্রদাহের উৎস নির্ণয়ে 
• রক্ত চলাচলে বাধাবিপত্তি বা ব্লকেজ পরীক্ষা করতে 
• ফুসফুসের রোগ ও রোগের ধরন জানতে
• মূত্রনালিতে পাথর আছে কি না তা নির্ণয়ে এবং
• যেকোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বা প্রদাহ নির্ণয়ে। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
৫,২৪৫.
Hook's law holds good up to-
  1. ক) Elastic limit
  2. খ) Breaking point
  3. গ) Plastic limit
  4. ঘ) Yeild Point
সঠিক উত্তর:
ক) Elastic limit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Elastic limit
ব্যাখ্যা
হুকের সূত্র: স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে কোনো বস্তুর পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক। 

অর্থাৎ
পীড়ন ∝ বিকৃতি

স্থিতিস্থাপক সীমা: সর্বোচ্চ যে পরিমান বল প্রয়োগ করে অপসারণ করলে বস্তুটি পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে তাকেই স্থিতিস্থাপক সীমা বলে। স্থিতিস্থাপক সীমার বেশি বল প্রয়োগ করলে বস্তুর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে যায় বা বস্তুটি ছিড়ে বা ভেঙ্গে যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই, ড. শাহজাহান তপন।
৫,২৪৬.
পোটেনশিওমিটার দিয়ে নিচের কোনটি পরিমাপ করা যায়? 
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. উচ্চ মানের রোধ
  3. উচ্চ তড়িৎ প্রবাহ
  4. বিভব পার্থক্য
সঠিক উত্তর:
বিভব পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভব পার্থক্য
ব্যাখ্যা
মিটার ব্রীজ (Meter Bridge): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে এক মিটার লম্বা সুষম প্রস্থচ্ছেদের তারের অজানা রোধ নির্ণয় করা যায়, তাকে মিটার ব্রীজ বলা হয়। 
- হুইটস্টোন ব্রীজ নীতি প্রয়োগ করে মিটার ব্রীজ তৈরী করা হয়। 
- পরীক্ষাগারে কোনো পরিবাহীর অজানা রোধ নির্ণয় করার জন্য মিটার ব্রীজ ব্যবহার করা হয়। 

পোস্ট অফিস বক্স (Post Office Box): 
- এই যন্ত্রের সাহায্যে পোষ্ট অফিসে টেলিগ্রাফের তারের রোধ নির্ণয় করা হতো বলে এটি পোষ্ট অফিস বক্স নামে পরিচিত। 

পোটেনশিওমিটার (Potentiometer): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বিভবপতন পদ্ধতিতে বিভব পার্থক্য ও বিদ্যুৎচালক শক্তি সূক্ষ্মভাবে নির্ণয় করা যায়, তাকে পোটেনশিওমিটার বলা হয়। 
- পোটেনশিওমিটারের সাহায্যে স্বল্প মানের তড়িৎপ্রবাহ ও নিম্নমানের রোধ মাপা সম্ভব হয়। 

অ্যামমিটার: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়, তাকে অ্যামমিটার বলা হয়। 
- অ্যামমিটারের সাথে অতিরিক্ত শান্ট ব্যবহার করে এর পাল্লা বৃদ্ধি করা যায়। 

ভোল্টমিটার: 
- যেকোনো দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৪৭.
কোভিড-১৯ যে ধরনের ভাইরাস-
  1. ক) DNA
  2. খ) DNA + RNA
  3. গ) mRNA
  4. ঘ) RNA
সঠিক উত্তর:
ঘ) RNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) RNA
ব্যাখ্যা
• COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস। এটি এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস। কারণ ভাইরাসটির জিনোম হলো RNA।

• Covid-19 ভাইরাস:
- Severe Acute Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো SARS করোনা ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের কারণে ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত চীন, তাইওয়ান, কানাডা প্রভৃতি দেশে বহু লোকের মৃত্যু হয়েছিলো।
- Middle East Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো MERS করোনা ভাইরাস।
- ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিলো।
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV-2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে কোভিড-১৯ প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসে।
- এটি অদ্যবধি বাংলাদেশসহ সমস্ত পৃথিবীতে মহামারীর তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৫,২৪৮.
কোন গতির কারণে জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টি হয়? 
  1. বার্ষিক গতি
  2. আহ্নিক গতি
  3. পর্যাবৃত্ত গতি
  4. মধ্যাকর্ষণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ- 
• দিন-রাত্রি সংঘটন, 
জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টি
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি, 
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি, 
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি। 

অন্যদিকে, 
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৪৯.
নিচের কোনটি RNA এর নাইট্রোজেন বেস নয়?
  1. ক) অ্যাডেনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) থায়ামিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থায়ামিন
ব্যাখ্যা
জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA।
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থায়ামিন।
- RNA তে ও চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও ইউরাসিল। থায়ামিন এর পরিবর্তে এখানে ইউরাসিল থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৫০.
মানুষের রক্তের শ্রেণীবিন্যাস করা হয় কবে?
  1. ক) ১৮০২
  2. খ) ১৯০০
  3. গ) ১৯০১
  4. ঘ) ১৯০২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০১
ব্যাখ্যা
১৯০১ সালে বিজ্ঞানী কার্ল লেন্ড স্টেইনার মানুষের রক্তের শ্রেনিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O', এবং 'AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,২৫১.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘটে কোন তত্ত্বের মধ্য দিয়ে?
  1. ক) প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. খ) আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  3. গ) আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. ঘ) হাইজেনবার্গ এর অনিশ্চয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
ক) প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাপিয়ে দেয়। এগুলাে হলাে ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলাে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালাে বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
৫,২৫২.
স্টপ ওয়াচের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. সময়ে খরচ কমানো
  2. সময়ের গতি বৃদ্ধি করা
  3. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা
  4. একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত থেকে সময় পরিমাপ করা
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত থেকে সময় পরিমাপ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত থেকে সময় পরিমাপ করা
ব্যাখ্যা
থামা ঘড়ি (Stop Watch): 
- সময়কাল মাপার জন্য স্টপ ওয়াচ ব্যবহার করা হয়। 
- একসময় নিখুঁত স্টপ ওয়াচ অনেক মূল্যবান সামগ্রীথাকলেও ইলেকট্রনিকসের অগ্রগতির কারণে খুব অল্প দামের মোবাইল টেলিফোনেও আজকাল অনেক সূক্ষ্ম স্টপ ওয়াচ পাওয়া যায়। 
- স্টপ ওয়াচে যেকোনো একটি মুহূর্ত থেকে সময় মাপা শুরু করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর সময় মাপা বন্ধ করে কতখানি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, সেটি বের করে ফেলা যায়। 
- স্টপ ওয়াচ যত সূক্ষ্মভাবে সময় মাপতে পারে, হাত দিয়ে কখনোই তত সূক্ষ্ম সময়ে বের করতে পারা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৫৩.
যক্ষার ঝুঁকি সম্পন্ন নবজাতককে যক্ষ্মা প্রতিরোধী বিসিজি ভ্যাক্সিন শরীরে প্রয়োগ করা হয় কখন?
  1. জন্মের ৬ মাস পরে
  2. জন্মের ৩ মাস পরে
  3. জন্মের পর পরই
  4. জন্মের ১৮ সপ্তাহ পরে
সঠিক উত্তর:
জন্মের পর পরই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মের পর পরই
ব্যাখ্যা

BCG vaccine, vaccine against tuberculosis. The BCG vaccine is prepared from a weakened strain of Mycobacterium bovis, a bacteria closely related to M. tuberculosis, which causes the disease. The vaccine was developed over a period of 13 years, from 1908 to 1921, by French bacteriologists Albert Calmette and Camille Guérin, who named the product Bacillus Calmette-Guérin, or BCG. The vaccine is administered immediately after birth only in infants at high risk of tuberculosis. BCG vaccine produces an immune response that partly protects infants and young children from serious forms of tuberculosis.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

৫,২৫৪.
মানুষের পায়ে মোট কতটি অস্থি থাকে?
  1. ক) ১৪টি
  2. খ) ২৮টি
  3. গ) ৬০টি
  4. ঘ) ২০৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০টি
ব্যাখ্যা
• মানবদেহে পা (দুটি) এ মোট অস্থি সংখ্যা ৬০টি
• মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল এবং
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল
- অক্ষীয় কঙ্কালে ৮০টি এবং উপাঙ্গীয় কঙ্কালে ১২৬টি অস্থি রয়েছে। 
- উপাঙ্গীয় কঙ্কালে ১২৬টি অস্থির মধ্যে পা (দুটি) এ মোট অস্থি সংখ্যা ৬০টি। 
- প্রতিটি অগ্রপদে ও পশ্চাৎপদে ৩০টি করে অস্থি রয়েছে। 
- পায়ের অস্থি সমূহ: ফিমার- ২টি, টিবিয়া- ২টি, ফিবুলা- ২টি, প্যাটেলা- ২টি, টার্সাল- ১৪টি, মেটাটার্সাল- ১০টি, ফ্যালাঞ্জেস- ২৮টি।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫৫.
আমিষের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. ক) জেরপথ্যালমিয়া
  2. খ) পেলেগ্রা
  3. গ) বেরিবেরি
  4. ঘ) মেরাসমাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেরাসমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেরাসমাস
ব্যাখ্যা
আমিষের অভাবজনিত রোগ-
খাদ্যে পরিমিত প্রয়োজনীয় জৈব আমিষ বা মিশ্র আমিষ না থাকলে শিশুর দেহে আমিষের অভাবজনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়। দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগলে দেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। শিশুদের কোয়াশিয়রকর ও মেরাসমাস রোগ দেখা দেয়।

কোয়াশিয়রকর রোগের লক্ষণ
- শিশুদের খাওয়ায় অরুচি হয়।
- পেশি শীর্ণ ও দুর্বল হতে থাকে, চামড়া এবং চুলের মসৃণতা ও রং নষ্ট হয়ে যায় ৷
- ডায়রিয়া রোগ হয়, শরীরে পানি আসে।
- পেট বড় হয়। উপযুক্ত চিকিৎসার দ্বারা এ রোগ নিরাময় হলেও দেহে মানসিক স্থবিরতা আসে।
- কোয়াশিয়রকর রোগ মারাত্মক হলে শিশুর মৃত্যু হতে পারে।

মেরাসমাস রোগের লক্ষণ
- আমিষ ও ক্যালরি উভয়েরই অভাব ঘটে, ফলে দেহের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় ।
- শরীর ক্ষীণ হয়ে অস্থিচর্মসার হয়।
- চামড়া বা ত্বক খসখসে হয়ে ঝুলে পড়ে।
- শরীরের ওজন হ্রাস পায়।

-------------------------------------
- ভিটামিন A এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার হতে পারে, এ অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া রোগ বলে।
- ভিটামিন B কমপ্লেক্স নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) - এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। 
- ভিটামিন B কমপ্লেক্স থায়ামিন (B1) - দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

উৎস: ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই এবং ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৫,২৫৬.
পাতার মাধ্যমে প্রজনন ঘটে থাকে-
  1. পাথরকুচি
  2. আম
  3. আদা
  4. কাঁকরোল
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের প্রজনন:

• যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বা জনন বলে। প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার, যথা- অযৌন ও যৌন জনন ।

• যৌন প্রজনন: 
- বীজের মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন হয়।
- সপুষ্পক উদ্ভিদ যৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
- উদাহরণ: ধান, আম, জাম, গম ইত্যাদি।  

• অযৌন জনন: যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোষের মিলন ছাড়াই জনন সম্পন্ন হয় তাই অযৌন জনন। নিম্নশ্রেণির জীবে অযৌন জননের প্রবণতা বেশি। অযৌন জনন প্রধানত দুই ধরনের, যথা- স্পোর উৎপাদন ও অঙ্গজ জনন।

১. স্পোর/ অনুবীজ উৎপাদন: নিম্ন শ্রেণির অপুষ্পক উদ্ভিদ স্পোর বা অনুবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে বংশ রক্ষা করে। উদাহরণ: শৈবাল, ছত্রাক, মস, ফার্ণ ইত্যাদি।
২. অঙ্গজ প্রজনন: দেহ অঙ্গের মাধ্যমে (মূল, কান্ড, পাতা প্রভৃতি) প্রজনন হয়।
- মূলের মাধ্যমে: মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল প্রভৃতি।
- পাতার মাধ্যমে: পাথরকুচি (পাতার কিনারায় মুকুল সৃষ্টি হয়ে তার থেকে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়)। 
- রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে: আলু, আদা, হলুদ, পিঁয়াজ, রসুন , আনারস, কলা ইত্যাদি।


উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান। 
৫,২৫৭.
কোনটি মসবর্গীয় উদ্ভিদের উদাহরণ? 
  1. টেরিস
  2. স্পাইরোগাইরা
  3. ব্রায়াম
  4. এগারিকাস
সঠিক উত্তর:
ব্রায়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রায়াম
ব্যাখ্যা

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। 
- কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

২। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
- এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫,২৫৮.
মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল কত?
  1. ০.১ মিলি সেকেন্ড
  2. ১০ সেকেন্ড
  3. ১০০ মিলি সেকেন্ড
  4. ০.০০১ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১০০ মিলি সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ মিলি সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল ০.১ সেকেন্ড। 

• শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল:
- মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল (Persistence of Hearing) হল সেই সময়কাল যখন শব্দের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও সেই শব্দের রেশ মস্তিষ্কে থেকে যায়।
- এই সময়সীমা প্রায় ০.১ সেকেন্ড (100 মিলিসেকেন্ড)।

• যদি দুটি শব্দ ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে আসে, তবে আমরা সেটিকে একটি শব্দ হিসেবেই শুনি। 
• দুইটি শব্দ আলাদাভাবে শুনতে হলে দুইটি শব্দের মাঝে কমপক্ষে ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান দরকার। 
• কোনো শব্দ যদি প্রতিফলিত হয়ে ০.১ সেকেন্ডের পরে আমাদের কানে ফিরে আসে, তবেই আমরা আলাদা প্রতিধ্বনি শুনতে পাই।
•  প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলক পৃষ্ঠ কমপক্ষে ১৬.৫ মিটার দূরে থাকা প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৫,২৫৯.
ভাইরাসের দেহে কোষের সংখ্যা কত? 
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. অসংখ্য 
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস:
- ভাইরাস মূলত অকোষীয়।
- ভাইরাস সাধারণত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত।
- যেমন- প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ কিংবা আরএনএ)।
- ভাইরাস প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে।
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৫,২৬০.
যে কোনো আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত সাউন্ড গ্রেনেডের তীব্রতা সাধারণত কত ডেসিবেল হয়ে থাকে?
  1. 210 dB
  2. 250 dB
  3. 170 dB
  4. 100 dB
সঠিক উত্তর:
170 dB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
170 dB
ব্যাখ্যা
• শব্দদূষণ (Sound Pollution):
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে - ডেসিবল (dB)।

- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল (dB) হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডেসিবল (dB) শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ডেসিবল (dB) হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।

- শব্দ দূষণের কারণ হলো - বাস, ট্রাক, ট্রেন ও লঞ্চের হর্ণ, রেডিও, ক্যাসেট, টেলিভিশন ও মাইক উচ্চ শব্দে বাজানো।
- এছাড়া সাইরেন ও যুদ্ধসামগ্রীর শব্দ, বোমার বিস্ফোরণ, মেঘের গর্জন প্রভৃতি শব্দ দূষণের উৎস।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) - এর মতে সাধারণত ৬০ ডেসিবেল (dB) শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল (dB) শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।
- সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়।

• শব্দের তীব্রতা:
- শব্দের তীব্রতা বলতে শব্দতরঙ্গ যে দিকে সঞ্চারিত হচ্ছে, তার সাথে লম্বভাবে প্রতি একক সময়ে প্রতি একক ক্ষেত্রফল এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শক্তির পরিমাণকে বোঝায়।

- যে কোনো আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত সাউন্ড গ্রেনেডের তীব্রতা সাধারণত ১৭০ ডেসিবেল হয়ে থাকে।
- কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা : ৮০ ডেসিবেল।
- স্বাভাবিক কথাবার্তার শব্দের তীব্রতা: ৬০ ডেসিবেল।
- হাটবাজারের শব্দের তীব্রতা: ৭০ ডেসিবেল।
- মাইকে ব্যান্ড সংগীতের শব্দের তীব্রতা: ১২০ ডেসিবেল।

উৎস:
১) পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) La Salle University [লিংক]
৫,২৬১.
কোন অঙ্গাণুটি জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে? 
  1. লাইসোসোম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. রাইবোসোম
সঠিক উত্তর:
লাইসোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইসোসোম
ব্যাখ্যা
লাইসোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে (Lyso = হজমকারী ; Somo = বস্তু) অবস্থিত কতগুলো হাইড্রোলাইটিক এনজাইম একটি পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে। এদের লাইসোসোম বলে। 
- ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে দ্য দূ'বে এদের আবিষ্কার করেন। 
- কিছু স্প্রাইম মোল্ড, ছত্রাক, শৈবালসহ অধিকাংশ প্রাণী কোষে লাইসোসোম পাওয়া যায়। 
- তবে বেশির ভাগ উদ্ভিদ কোষে লাইসোসোম অনুপস্থিত। 
- সাধারণত দু'ধরনের লাইসোসোম পাওয়া যায়। 
যথা- 
১। ডাইজেসটিভ গহ্বর এবং 
২। রেসিডিউয়াল বস্তু। 

গঠন: 
- লাইসোসোম সাধারণত গোলাকার তবে অসমানও হতে পারে। 
- এদের আয়তন সাধারণত ০.২-০.৮ মাইক্রন। 
- প্রতিটি লাইসোসোম লিপোপ্রোটিন নির্মিত আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে। এর ভেতরে গাঢ়, দানাদার গহ্বরযুক্ত পদার্থ থাকে। 
- এতে টিস্যু বিগলনকারী এনজাইম ছাড়াও প্রায় ৪০ ধরনের এনজাইম থাকে। 
- এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থেকে লাইসোমের উৎপত্তি। 

কাজ: 
১। ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী জীবাণু ভক্ষণ। 
২। তীব্র খাদ্যাভাব দেখা দিলে কোষস্থ উপাদান ও অঙ্গাণুকে বিগলিত করে ধ্বংস করে যাকে অটোফ্যাগি (Autophagy) বলে। 
৩। পর্যাপ্ত পরিমাণ এনজাইম থাকায় এরা প্রায় সব ধরনের জৈবিক বস্তু হজম করতে পারে। 
৪। লাইসোসোম জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস (Autolysis) প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে। ফলে সম্পূর্ণ কোষটিই পরিপাক হয়ে যেতে পারে। 
৫। বিভিন্ন ধরনের বস্তু নিঃসরণ করে। 
৬। বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে কোষের অন্যান্য ক্ষুদ্রাঙ্গকে রক্ষা করে। 
৭। পরিপাক কাজে সাহায্য করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬২.
কোনটি মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. কয়লা
  2. গ্রাফাইট
  3. সীসা
  4. বোরন
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
মডারেটর: 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হল: 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬৩.
কোন পানি গাছ সহজে গ্রহণ করতে পারে?
  1. মহাকর্ষীয় পানি
  2. জলাকর্ষী পানি
  3. কৈশিক পানি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কৈশিক পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৈশিক পানি
ব্যাখ্যা
মাটিতে রন্ধ্র:
- মাটিতে দুই প্রকার রন্ধ্র থাকে:
• সূক্ষ্ম রন্ধ্র ও
• স্থূল রন্ধ্র। 

⇒ মাটির রন্ধ্র পরিসরে যে পানি থাকে তাকে মৃত্তিকা পানি বলে।
- পানি একটি সার্বজনীন দ্রাবক যাতে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান দ্রবীভূত থাকে।
- পানি মাটি থেকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের বাহক হিসেবে কাজ করে।

⇒ মৃত্তিকা পানি প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
• মহাকর্ষীয় পানি,
• কৈশিক পানি ও,
• জলাকর্ষী বা আদ্রিক পানি।
- কৈশিক পানি গাছের গ্রহণ উপযোগী পানি।

⇒ ফসলের বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য জমি বা মাটির কোন ক্ষতি সাধন না করে কৃত্রিম উপায়ে প্রয়োজনীয় পরিমান পানি ফসলের জমিতে সরবরাহ করাকে পানি সেচ বলে।
- সেচের পানি মাটির খাদ্য উপাদান দ্রবীভূত করে এবং গাছের জন্য সহজলভ্য করে।
- জমির জো অবস্থা আনতে, জমির লবনাক্ততা, ক্ষারত্ব দূর করতে, অনুজীবের কার্যাবলি বাড়াতে, সারের কার্যকারিতা বাড়াতে সেচ প্রয়োজন।
⇒ সেচের পানির দুইটি উৎস রয়েছে:
• ভূ-পৃষ্ঠস্থ ও,
• ভূ-গর্ভস্থ পানি।
- মাটির উর্বরতা ও ফসল উৎপাদন সেচের পানির গুণাগুণের উপর অনেকটা নির্ভরশীল।
- ফসলের পানির ন্যূনতম চাহিদা হল যে পরিমাণ পানি গ্রহণ করতে না পারলে ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয়।
- আবার ফসলের যে বৃদ্ধি পর্যায় পানির অভাব হলে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায় তাকে ফসলের পানির ক্রান্তিকাল বলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬৪.
মানুষের হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর কয় স্তর বিশিষ্ট?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ডের প্রাচীর: অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি  বলে। পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট - 

- এপিকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে।
- মায়োকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
- এন্ডোকার্ডিয়াম: এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায় ।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,২৬৫.
জেরোফাইট উদ্ভিদ কোন ইকোসিস্টেমের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট
  2. খ) ট্রপিক্যাল সিজনাল ফরেস্ট
  3. গ) মরুভূমি
  4. ঘ) পত্রঝরা বন
সঠিক উত্তর:
গ) মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মরুভূমি
ব্যাখ্যা
মরুপরিবেশে দিন ও রাত্রির তাপমাত্রার পার্থক্য ৩০° সে. পর্যন্ত হয়। এখানে যে সকল উদ্ভিদ অভিযোজিত অবস্থায় আছে তাদেরকে জেরোফাইট (Xerophyte) বলে।
এখানে বর্ষজীবী ও বহুবর্ষজীবী উভয় প্রকার উদ্ভিদ জন্মায়।
সাধারণত বছরে একবারই বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির সাথে সাথেই আগের বছরের বীজ অঙ্কুরিত হয় এবং খুব অল্প দিনেই বিকশিত হয়ে ফুল-ফলে ভরে যায়।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬৬.
ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে কত পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে?
  1. ক) ৯০° - ৯৫°
  2. খ) ৯৫° - ১১০°
  3. গ) ৯৮° - ১০৪°
  4. ঘ) ৯৫° - ১০৫°
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৫° - ১১০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৫° - ১১০°
ব্যাখ্যা
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,২৬৭.
স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ মানুষের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কত থাকে?
  1. ২.৫–৪.০ mmole/L
  2. ৩.৯–৫.৬ mmole/L
  3. ৮.০–১০.০ mmole/L
  4. ৫.৬–৭.৮ mmole/L
সঠিক উত্তর:
৩.৯–৫.৬ mmole/L
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯–৫.৬ mmole/L
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ: 
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে। 
- প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- কারও ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৩.৯-৫.৬ mmole\L কিংবা (৭০-১০০ মি.গ্রা/ডেসি.লি.)। 
- ডায়াবেটিস হলে রক্তে এর পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়। 

- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। 
- ডায়াবেটিস হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। 
- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন- হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে। 
- ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে, এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী মারা যেতে পারে। 
- এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে। 
- শর্করার মাত্রার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এমন ধরনের ডায়াবেটিসও আছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৬৮.
তড়িৎ ক্ষমতা বলতে কী বোঝায়?
  1. নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহৃত তড়িৎ শক্তির পরিমাণ
  2. মোট ব্যবহৃত তড়িৎ শক্তির পরিমাণ
  3. তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ
  4. তড়িৎ বিভবের পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহৃত তড়িৎ শক্তির পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহৃত তড়িৎ শক্তির পরিমাণ
ব্যাখ্যা

• তড়িৎ ক্ষমতা দ্বারা বোঝায় কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র একক সময়ে কত তড়িৎ শক্তি ব্যবহার বা রূপান্তর করে।

• তড়িৎ ক্ষমতা (Electric Power):
- তড়িৎ ক্ষমতা বলতে নির্দিষ্ট সময়ে কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত বা রূপান্তরিত তড়িৎ শক্তির পরিমাণকে বোঝায়।
- কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র যত বেশি তড়িৎ শক্তি অল্প সময়ে ব্যবহার করে, তার তড়িৎ ক্ষমতা তত বেশি হয়।
- তড়িৎ ক্ষমতা দ্বারা বোঝা যায় কোনো যন্ত্র কত দ্রুত তড়িৎ শক্তিকে আলো, তাপ বা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- বৈদ্যুতিক বাতি, হিটার, ফ্যান, মোটর ইত্যাদি যন্ত্রের গায়ে তাদের তড়িৎ ক্ষমতার মান লেখা থাকে।
- বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের প্রচলিত একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh)।
- কিলোওয়াট-ঘণ্টা একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলা হয়।
- বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানার বিদ্যুৎ বিল গণনায় এই kWh (ইউনিট) এককই ব্যবহার করা হয়।
- বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণে সরাসরি তড়িৎ ক্ষমতা নয়, বরং যন্ত্র কত সময় ধরে কত ক্ষমতায় ব্যবহৃত হয়েছে—তা বিবেচনা করা হয়।
- তড়িৎ ক্ষমতা যত বেশি হবে, নির্দিষ্ট সময়ে তড়িৎ শক্তি ব্যবহারের পরিমাণও তত বেশি হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৫,২৬৯.
'Species Plantarum' বইটির লেখক কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) মেন্ডেল
  3. গ) ডারউইন
  4. ঘ) লিনিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
১৭৫৩ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস 'Species Plantarum' বইটি রচনা করেন। এই বইটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে, কারণ এর প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৭০.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুপ্রবাহের দিক কোনটি? 
  1. পূর্ব গোলার্ধের বাম দিকে ও পশ্চিম গোলার্ধের বাম দিকে
  2. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের ডান দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  4. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের পশ্চিম দিকে
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু (Planatary Winds): 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• অয়ন বায়ু, 
• পশ্চিমা বায়ু ও 
• মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,২৭১.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কী?
  1. ক) হীরক
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) প্রেট্রোল
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস।
উৎসঃদৈনিক প্রথম আলো
৫,২৭২.
রেচনতন্ত্রের প্রধান কাজ কী?
  1. পুষ্টি শোষণ 
  2. হরমোন সৃষ্টিকরণ 
  3. শারীরিক তাপ নিয়ন্ত্রণ
  4. অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন
সঠিক উত্তর:
অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন
ব্যাখ্যা

রেচনতন্ত্র: 
- বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় বিপাক ক্রিয়ার ফলে শরীরে উপজাত দ্রব্য হিসেবে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। 
- এসব বর্জ্য পদার্থ সাধারণত দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং দেহ থেকে নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়। 
- দেহ থেকে এসব অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করার পদ্ধতিকে রেচন প্রক্রিয়া বলে। 
- যে তন্ত্রের সাহায্যে রেচন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে রেচনতন্ত্র বলে। 
- একজোড়া বৃক্ক, একজোড়া ইউরেটার, একটি মূত্রথলি এবং একটি মূত্রনালি (ইউরেথ্রা) নিয়ে মানুষের রেচন তন্ত্র গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৭৩.
কোনটি রক্তের কাজ নয়?
  1. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করা
  2. ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
  3. হরমোন পরিবহন করা
  4. জারক রস বা এনজাইম বিতরণ করা
সঠিক উত্তর:
জারক রস বা এনজাইম বিতরণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারক রস বা এনজাইম বিতরণ করা
ব্যাখ্যা

• রক্ত জারক রস বা এনজাইম বিতরণ করে না কারণ এনজাইমগুলো সাধারণত নালিপথের (duct) মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছায়, রক্তের মাধ্যমে নয়।

• রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

• রক্তের কাজ:
- অক্সিজেন পরিবহন,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ,
- খাদ্যসার পরিবহন,
- তাপের সমতা রক্ষা,
- বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন,
- হরমোন পরিবহন,
- রোগ প্রতিরোধ,
- রক্ত জমাট বাঁধা।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৭৪.
মৃদু ক্ষার কী? 
  1. যে ক্ষার এসিডের মতো আচরণ করে
  2. যে ক্ষার পানিতে দ্রবণীয় নয়
  3. যে ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণ আয়নিত হয়
  4. যে ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়
ব্যাখ্যা
ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে। 
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়, তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন: NaOH, KOH ও Ca(OH)2 ইত্যাদি। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়, তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন: NH4OH, Fe(OH)2, Fe(OH)3 ও Al(OH)3 ইত্যাদি। 
- ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়। 
- এর জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৭৫.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণের জন্য কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) কোবাল্ট-৬০
  2. খ) আয়োডিন-১৩১
  3. গ) ফসফরাস-৩২
  4. ঘ) কার্বন-১৪
সঠিক উত্তর:
গ) ফসফরাস-৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফসফরাস-৩২
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ:
- পর্যায় সারণিতে 82Pb এর পরবর্তী মৌলসমূহ বিশেষ করে 86Rn থেকে শুরু করে সারণির শেষের দিকের সব মৌল এবং তাদের যৌগসমূহ তেজস্ক্রিয়। 
- প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উপায়ে তৈরি আইসোটোপের মধ্যে কিছু আইসোটোপ সুস্থিত হলেও বেশির ভাগ আইসোটোপই অস্থিত। 
- এই আইসোটোপগুলো তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে অন্য মৌলের আইসোটোপে পরিণত হয় বলে এ ধরনের আইসোটোপগুলোকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- প্রকৃতপক্ষে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণের ফলে মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বিভাজন ঘটে এবং মৌলটি অন্য মৌলে পরিবর্তিত হয়। 
- প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উপায়ে তৈরি আইসোটোপের সংখ্যা ১৩০০ এরও অধিক। 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার মাধ্যমে এসব তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ তৈরি করা হয়। 
- তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত রশ্মিসমূহ অধিক গতিসম্পন্ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এদের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু'ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন- 
ক) রোগ নিরাময়ে ও 
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131(131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of  Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

কৃষি বিজ্ঞানে
- তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করে উন্নত মানের বীজ উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। 
- এছাড়াও উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণের (32P) জন্য তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়

এছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৭৬.
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দায়ী নিচের কোনটি?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) হেপারিন
সঠিক উত্তর:
গ) অণুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অণুচক্রিকা
ব্যাখ্যা

- অণুচক্রিকা বা প্লেইটলেট অস্থায়ী প্লেইটলেট প্লাগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে। রক্তজমাট ত্বরাণ্বিত করতে বিভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টর ক্ষরণ করে৷ আবার প্রয়োজন শেষে রক্তজমাট বিগলনেও সাহায্য করে৷
- বেসোফিলের সাইটোপ্লাজমে যে দানা থাকে তা থেকে হেপারিন তৈরি হয়। হেপারিন রক্তবাহিকার ভিতরে রক্তজমাট প্রতিরোধ করে।
- লোহিত রক্তকণিকা বা শ্বেত রক্তকণিকা রক্ত জমাট বাঁধার সাথে সম্পর্কিত নয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৫,২৭৭.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষের তড়িৎদ্বারের ক্যাথোডে কী ঘটে? 
  1. ইলেকট্রন গ্রহণ 
  2. ইলেকট্রন ত্যাগ 
  3. প্রোটন ত্যাগ 
  4. ইলেকট্রন নির্গমন 
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন গ্রহণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন গ্রহণ 
ব্যাখ্যা

- তড়িৎ রাসায়নিক কোষের তড়িৎদ্বারের ক্যাথোডে 'ইলেকট্রন গ্রহণ' ঘটে। 

তড়িৎদ্বার (Electrode): 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বিগলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে যে দুটি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী অর্থাৎ ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দণ্ড অর্ধেক ডুবানো থাকে তাদেরকে তড়িৎদ্বার বলা হয়। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে একটি তড়িৎদ্বারে পরমাণু বা ঋণাত্বক আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করে। 
অর্থাৎ, এ তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- অপর তড়িৎদ্বারে ধনাত্মক আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে। 
অর্থাৎ, এ তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- সম্পূর্ণ কোষের মধ্যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- যে তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া ঘটে তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার আর যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বলে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৭৮.
মানব দেহে রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধানত কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধানত: ২ ধরনের।
- সিস্টেমিক সংবহনতন্ত্র ও
- পালমোনারি সংবহনতন্ত্র।
মূলত: রক্ত সংবহনের জন্য বিভিন্ন অঙ্গের পারস্পরিক সহযোগিতায় যে অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয় তাকে ''রক্ত সংবহনতন্ত্র'' বলে। এ তন্ত্র রক্ত, রক্তবাহিকা ও হৃদপিন্ড দিয়ে গঠিত।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৫,২৭৯.
কোনো বর্তনীর দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব-প্রভেদ মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে?
  1. ক) ভোল্টমিটার
  2. খ) গ্যালভানোমিটার
  3. গ) অ্যামিটার
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা
অ্যামিটারের সাহায্যে কোনো বর্তনীর তড়িৎপ্রবাহের মান নির্ণয় করা হয়। ভোল্টমিটারের সাহায্যে কোনো বর্তনীর দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব-প্রভেদ মাপা হয়। অ্যামিটারের স্কেল অ্যাম্পিয়ারে এবং ভোল্টমিটারের স্কেল ভোল্টে অংশাঙ্কিত করা থাকে।
(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান আলোকে)
৫,২৮০.
মানুষের করোটিক স্নায়ু-
  1. ১০ জোড়া
  2. ৩১ জোড়া
  3. ২৩ জোড়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
করোটিক স্নায়ু: 

- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে। 
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া বা ২৪টি। 
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে। 
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে। যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু। 
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে। যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু। 
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে। যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু। 

অন্যদিকে, 
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া বা ৬২টি সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়। 
- মানুষের জীবকোষে ক্রোমোজোম আছে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৮১.
অগ্ন্যাশয় রসে কোন এনজাইম থাকে?
  1. ল্যাকটেজ
  2. সুক্রেজ
  3. অ্যামাইলেজ
  4. আইসোমলটেজ
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যা
খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা: 
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে। 
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে। 
- মূলতঃ তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
- লালারসে মিউসিন এবং দু'প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে। 

- যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে: 
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ। 
২.পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই। 
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ। 
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ
৫,২৮২.
ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ডাক্তারদের মতে কোন তিনটি 'D' মেনে চলা অত্যাবশ্যক?
  1. Discipline, Diet, Detox
  2. Daily exercise, Diet, Drug 
  3. Discipline, Diet, Drug
  4. Diet, Distance, Drug
সঠিক উত্তর:
Discipline, Diet, Drug
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discipline, Diet, Drug
ব্যাখ্যা

- ডায়াবেটিস চিকিৎসায় চিকিৎসকরা মূলত তিনটি 'D' বা তিনটি মূলভিত্তি (Discipline, Diet, Drug) মেনে চলার পরামর্শ দেন। 

ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা: 
- রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে গ্লুকোজের মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- চিকিৎসা করে ডায়াবেটিস রোগ একেবারে নিরাময় করা যায় না, কিন্তু এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। 
- ডাক্তারদের মতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনটি 'D' মেনে চলা অত্যাবশ্যক। 
যেমন: Discipline, Diet ও Drug. 
(i) শৃঙ্খলা (Discipline): একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার সুশৃঙ্খল জীবনব্যবস্থা মহৌষধস্বরূপ। এছাড়া নিয়মিত এবং ডাক্তারের পরামর্শমতো পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, রোগীর দেহের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বিশেষভাবে পায়ের যত্ন নেওয়া, নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করা এবং দৈহিক কোনো জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। 

(ii) খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (Diet): ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত এবং সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করা। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের মেনু অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যায়। তবে যার ডায়াবেটিস নেই, তার মিষ্টি খাওয়া বা না খাওয়ার সাথে ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নেই। 

(iii) ঔষধ সেবন (Drug): ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে। ঠিকমতো চিকিৎসা না করা হলে রোগীর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে বা বেড়ে যায়। উভয় ক্ষেত্রেই রোগী বেহুঁশ হয়ে পড়তে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। যদি ডায়াবেটিস রোগী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান, তখন তাকে বসিয়ে গ্লুকোজ বা চিনির পানি খাইয়ে দিলে অনেক সময় খারাপ পরিণতি এড়ানো যেতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৮৩.
নিউট্রনের অবস্থান -
  1. পরমাণুর নিউক্লিয়াসে
  2. পরমাণুর বাইরে
  3. পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে
  4. পরমাণুর ২য় প্রধান শক্তিস্তরে
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে
ব্যাখ্যা
পদার্থ অতি ক্ষুদ্র কণাসমূহ দ্বারা গঠিত, এই কণাগুলোর নাম পরমাণু।
একই পদার্থের পরমাণুসমূহের আকার, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য একই রকম হয়,
ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের পরমাণুসমূহের আকার, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ভিন্নরকমের হয়।
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেক্ট্রন থাকে।

[সূত্র -  রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। ]
৫,২৮৪.
তামা ও দস্তার মিশ্রণের ফলে সৃষ্ট সংকর ধাতু -
  1. ক) Babbitt Metal
  2. খ) Brass
  3. গ) Moncem Metal
  4. ঘ) Bronze
সঠিক উত্তর:
খ) Brass
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Brass
ব্যাখ্যা
গলিত জিঙ্কের (Zn) সাথে তামা (Cu) মিশিয়ে পিতল (Brass) তৈরী করা হয়৷
ব্রোঞ্জ তৈরী করার জন্য তামার সাথে টিন মেশাতে হয়৷
৫,২৮৫.
মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. এপিকালচার
  2. হর্টিকালচার
  3. মেরিকালচার
  4. সেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
ব্যাখ্যা
এপিকালচার:
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

হর্টিকালচার:
- উদ্যান সম্পর্কিত বিদ্যাকে হর্টিকালচার বলে।

সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

মেরিকালচার:
- সমুদ্রের পানিতে মাছ ও অন্যান্য জলজ জীবকে অর্থনৈতিক লাভবানের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ করাকে সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বা মেরিকালচার বলে।

উৎস: Britannica.
৫,২৮৬.
নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের-
  1. বর্গের সমানুপাতিক
  2. সমানুপাতিক
  3. বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
  4. ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- দুটি বিন্দু আধানের মধ্যবর্তী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল সম্পর্কে বিজ্ঞানী কুলম্ব একটি সূত্র বিবৃত করেন। একে কুলম্বের সূত্র বলে।
সূত্র :
- নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান আধানদ্বয়ের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল আধানদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

- দুটি আধানের পরিমাণ যথাক্রমে q1 ও q2 ও এবং মধ্যবর্তী দূরত্ব d। 
- এদের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলকে স্থির তড়িৎ বল বা কুলম্ব বল বলে এবং এ বলের মান F হলে, কুলম্বের সূত্রানুসারে,

∴ F α q1q2/d2

∴ F = C q1q2/d2
এখানে C একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক যার মান রাশিগুলোর একক এবং বিন্দু আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। এ ধ্রুবককে অনেক সময় কুলম্ব ধ্রুবক বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,২৮৭.
প্রােটিন তৈরি হয়-
  1. ফ্যাটি এসিড দিয়ে
  2. সাইট্রিক এসিড দিয়ে
  3. অ্যামিনাে এসিড দিয়ে
  4. অক্সালিক এসিড দিয়ে
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনাে এসিড দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনাে এসিড দিয়ে
ব্যাখ্যা
• প্রােটিন তৈরি হয় অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে।

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।
- প্রােটিন গঠনকারী অ্যামাইনাে অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- এই ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলাে হলাে:
১. লাইসিন,
২. লিউসিন,
৩. আইসােলিউসিন,
৪. মিথিওনিন,
৫. ট্রিপটোফ্যান,
৬. ভ্যালিন,
৭. ফিনাইল অ্যালানিন,
৮. থ্রিওনিন।

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৫,২৮৮.
হ্যালোজেনের হাইড্রো-এসিডগুলোর শক্তি ক্রম হল -
  1. HI > HBr > HCl > HF
  2. HCl > HF > HBr > HI
  3. HF > HCl > HBr > HI
  4. HBr > HF > HCl > HI
সঠিক উত্তর:
HI > HBr > HCl > HF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HI > HBr > HCl > HF
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 

- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) মৌল বলে। 
যেমন: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)। 

- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। 

- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। 
যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি। 
- হ্যালোজেনের হাইড্রো-এসিডগুলোর শক্তি ক্রম হল - HI > HBr > HCl > HF.

Figure: ptable.com [লিংক]

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৮৯.
নিম্নের কোনটি এসিডিক?
  1. ক) ইথার
  2. খ) গ্লুকোজ
  3. গ) ইথানল
  4. ঘ) ফিনল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল
ব্যাখ্যা
ফেনল:
- ফেনল হচ্ছে একটি অ্যারােমেটিক হাইড্রক্সি যৌগ। 
- যা কার্বলিক এসিড হিসেবে পরিচিত। 
- ফেনলের আণবিক সংকেতঃ C6H5OH.
-  অ্যারােমেটিক হাইড্রোকার্বনের বেনজিন বলয় থেকে এক বা একাধিক হাইড্রোজেন পরমাণুকে সম-সংখ্যক হাইড্রক্সি মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত করলে যে সব যৌগ উৎপন্ন হয় তাদের একত্রে ফেনল বলে। 
- যেমন: বেনজিন বলয়ের একটি হাইড্রোজেন পরমাণু একটি হাইড্রক্সিল মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হলে কার্বলিক এসিড নামক ফেনল পাওয়া যায়। 
- রাসায়নিক ধর্মের দিক দিয়ে ফেনল মৃৃদু অম্লধর্মী।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,২৯০.
উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান কয়টি?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ১২
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়।
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে, আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন -
১। ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং
২। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান।

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান (macro-nutrient বা macro-element): উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। ম্যাক্রো উপাদান 9 টি, যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (০), সালফার (S)।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান (micro-nutrient বা micro-element): উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট 7 টি, যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), ক্লোরিন (Cl) এবং লৌহ (Fe)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৯১.
অপসারী লেন্স এর অপর নাম-
  1. উত্তল লেন্স
  2. অভিসারী লেন্স
  3. অবতল লেন্স
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
অবতল লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবতল লেন্স
ব্যাখ্যা
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দিয়ে সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।
- অধিকাংশ লেন্স কাচের তৈরি হয়।
- তবে কোয়ার্টজ এবং প্লাস্টিক দিয়েও আজকাল লেন্স তৈরি হয় এবং এদের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
- লেন্স সাধারণত দুই ধরনের,
• উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex lens)
• অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave lens)

উত্তল বা অভিসারী লেন্স : 
উত্তল লেন্সে আলোক রশ্মিসমূহ অভিসারী বা এক বিন্দুতে মিলিত হয়। 

অবতল বা অপসারী লেন্স:
অবতল লেন্সে আলোক রশ্মিসমূহ অপসারী অর্থাৎ পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি। 
৫,২৯২.
নিচের কোনটি মৌলিক পদার্থ নয়?
  1. হীরা
  2. শ্বেত ফসফরাস
  3. রম্বিক সালফার
  4. সিলিকা
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
ব্যাখ্যা

- হীরা, গ্রাফাইট, ফুলারিনস ইত্যাদি হলো কার্বনের রূপভেদ। এরা মৌলিক পদার্থ।
- শ্বেত ফসফরাস, লোহিত ফসফরাস ইত্যাদি হলো ফসফরাসের রূপভেদ। এরা মৌলিক পদার্থ।
- রম্বিক বা আলফা সালফার, মনোক্লিনিক বা বিটা সালফার, প্লাস্টিক বা নমনীয় বা গামা সালফার, দুগ্ধ বা ডেল্টা সালফার, ল্যামডা সালফার, মিউ সালফার ইত্যাদি হলো গন্ধকের বিভিন্ন রূপভেদ। এরাও সবাই মৌলিক পদার্থ।
- সিলিকা হলো সিলিকন ডাই-অক্সাইড যা বালি গঠনের প্রধান উপাদান। সিলিকন ও অক্সিজেন নামক মৌলিক পদার্থের সমন্বয়ে সিলিকা নামক যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৫,২৯৩.
একটি বড় দেয়াল থেকে কমপক্ষে কতটুকু দুরত্বে দাড়ালে শব্দের প্রতিধ্বনি শুনা যাবে?
  1. ক) ৩৩ মি
  2. খ) ১৬.৫ মি
  3. গ) ১৬৫ মিটার
  4. ঘ) ০.১ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬.৫ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬.৫ মি
ব্যাখ্যা
শব্দের প্রতিধ্বনি তৈরী হতে সর্বনিম্ন ০.১ সেকেন্ড লাগে। এই সময়ে শব্দ অতিক্রম করে ৩৩ মিটার৷ শব্দের যাওয়া আসা মিলিয়ে ৩৩ মিটার অতিক্রম করতে হলে বড় দেয়ালের কমপক্ষে ১৬.৫ মিটার দুরত্বে দাড়াতে হবে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,২৯৪.
নিচের কোনটি দ্বি-শর্করা পুষ্টি উপাদান?
  1. ক) গ্লাইকোজেন
  2. খ) গ্লুকোজ
  3. গ) ফ্রুক্টোজ
  4. ঘ) সুক্রোজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুক্রোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুক্রোজ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাক্টোজ হলো এক শর্করা পুষ্টি উপাদান।
- সুক্রোজ, ল্যাকটোজ হলো দ্বি-শর্করা পুষ্টি উপাদান।
- শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন হলো বহু শর্করা পুষ্টি উপাদান।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৫,২৯৫.
ফোটনের চার্জ সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. ক) ধনাত্মক চার্জযুক্ত
  2. খ) চার্জ নিরপেক্ষ
  3. গ) ঋনাত্মক চার্জযুক্ত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) চার্জ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চার্জ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ অর্থাৎ এর কোনো চার্জ নেই। ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ হওয়ায় এর উপর তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। ফোটনের আচরণ কখনও কণার মতো আবার কখনও তরঙ্গের মতো। কোয়ান্টাম তত্ত্বের অপর নাম ফোটন তত্ত্ব।
৫,২৯৬.
ট্রানজিস্টরের উপযোগিতা নয় কোনটি?
  1. আকার খুব ছোট
  2. যান্ত্রিক কম্পন সহ্য করতে পারে
  3. খুব সামান্য বিভবে কাজ করে
  4. বিশাল পরিমাণে উৎপাদন শক্তি দেয়
সঠিক উত্তর:
বিশাল পরিমাণে উৎপাদন শক্তি দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশাল পরিমাণে উৎপাদন শক্তি দেয়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ট্রানজিস্টরের উপযোগিতা হলো- আকার খুব ছোট, খুব সামান্য বিভবে কাজ করে, এর ক্রিয়া তাৎক্ষণিক, এটি দীর্ঘস্থায়ী ও সস্তা এবং যান্ত্রিক কম্পন সহ্য করতে পারে।
ট্রানজিস্টরের অসুবিধা হলো- এটি উষ্ণতার খুব সুগ্রাহী এবং এটি খুব কম উৎপাদন শক্তি দেয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৫,২৯৭.
ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
  1. ক) গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
  2. খ) বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
  3. গ) পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
  4. ঘ) পাখার বাতাস সরাসরি লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
By blowing air around, the fan makes it easier for the air to evaporate sweat from your skin, which is how you eliminate body heat. The more evaporation, the cooler and more comfortable you feel.
৫,২৯৮.
বাংলাদেশের অধিকসংখ্যক সাইক্লোন সংঘটিত হওয়ার কারণ-
  1. ক) দক্ষিণের ফানেলাকার আকৃতি
  2. খ) দ্রুত হারে বন উজাড়
  3. গ) বাংলাদেশের ব-দ্বীপ আকৃতি
  4. ঘ) কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণের ফানেলাকার আকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণের ফানেলাকার আকৃতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেলাকার আকৃতির কারণে এ দেশে অধিকসংখ্যক সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৫,২৯৯.
পানির অণু কী ধরনের চুম্বকীয় প্রকৃতি প্রদর্শন করে?
  1. ডায়াচুম্বক
  2. অ্যান্টিফেরােচুম্বক
  3. ফেরােচুম্বক
  4. প্যারাচুম্বক
সঠিক উত্তর:
ডায়াচুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াচুম্বক
ব্যাখ্যা

• প্যারাচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ডায়াচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
- অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরোচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩০০.
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. ফটোতড়িৎ ক্রিয়া
  2. সমবর্তন
  3. ব্যতিচার
  4. অপবর্তন
সঠিক উত্তর:
ফটোতড়িৎ ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোতড়িৎ ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া (photoelectric effect) ব্যাখ্যা করা যায়। ফটোতড়িৎ ক্রিয়ায় যখন আলো কোনও ধাতুর উপর পড়ে, তখন ধাতুর পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। প্লাঙ্ক বলেছিলেন, আলো শক্তি কণার আকারে প্রকাশ পায়, যাকে ফোটন বলা হয় এবং প্রতিটি ফোটনের নির্দিষ্ট একটি শক্তি থাকে যা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। যদি ফোটনের শক্তি ধাতুর ইলেকট্রনকে মুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত হয়, তখন ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই তত্ত্ব আলোকে তরঙ্গ নয়, কণার মতো আচরণ করার ব্যাখ্যা দেয় এবং ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার অবস্থা বোঝাতে সাহায্য করে। তাই, প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়।

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়।
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।