PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
সাধারণ বিজ্ঞান
সাধারণ বিজ্ঞান
PrepBank · পাতা ৫১ / ১৪০ · ৫,০০১–৫,১০০ / ১৪,০৮০
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কঠিন পদার্থের জন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- এদের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে, অণুগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং অণুগুলো প্রায় স্থির থাকে, তবে সামান্য স্পন্দন করে। কঠিনের অণুগুলোর মধ্যে শক্ত আকর্ষণশক্তি কাজ করে, যার ফলে তারা সহজে স্থানান্তরিত হয় না। তাই “ঘ) কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যবর্তী বল তত প্রবল নয়” এই বর্ণনা কঠিন পদার্থের জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ বাস্তবে কঠিনে অণুগুলোর মধ্যে বল খুবই প্রবল। অন্য তিনটি বৈশিষ্ট্য কঠিনের প্রকৃতির সঙ্গে পুরোপুরি মিলিত। সুতরাং, কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে সবচেয়ে অসঙ্গত বৈশিষ্ট্য হলো (ঘ)।
• পদার্থ:
- যার ভর ও আয়তন আছে, একটি নির্দিষ্ট স্থান দখল করে এবং চাপ প্রয়োগে বাধাদান করে তাকে পদার্থ বলা হয়।
• অবস্থার উপর ভিত্তি করে পদার্থকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা:
- কঠিন পদার্থ, তরল পদার্থ ও বায়বীয় পদার্থ।
এই ৩ টি অবস্থা ছাড়াও পদার্থের আরো ২ টি অবস্থা দেখা যায়।
যথা
- তরল স্ফটিক অবস্থা ও প্লাজমা অবস্থা।
• কঠিন অবস্থা (Solid state):
- পদার্থের এ অবস্থায় নির্দিষ্ট ভরের পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতির, নির্দিষ্ট আয়তন ও আকৃতি থাকে। এ অবস্থায় পদার্থের নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক গঠন বিন্যাসে থাকে।
- এ অবস্থায় উপাদান কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই প্রবল থাকে এবং উপাদান কণার গতিশক্তি খুবই নগণ্য।
- গতিশক্তি কম হওয়ায় সুনির্দিষ্ট নিয়মে সজ্জিত থাকে। এ কারণে নির্দিষ্ট আকৃতির ও উচ্চ ঘনত্ববিশিষ্ট হয়।
- এ অবস্থায় পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি গতিশক্তির তুলনায় অনেক বেশি থাকে।
• কঠিন অবস্থার ধর্ম:
- সুনির্দিষ্ট বিন্যাস,
- দৃঢ়তা ও আলোক ধর্ম ,
- নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি ও আয়তন থাকে।
তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ভর = ওজন / অভিকর্ষজ ত্বরণ
= ৯৮ / ৯.৮
= ১০ কেজি
সুতরাং, পৃথিবীতে বস্তুর ভর ১০ কেজি।
যেহেতু বস্তুর ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাই বৃহস্পতি গ্রহেও বস্তুর ভর ১০ কেজি হবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একজন অনকোলজিস্ট হলেন একজন ডাক্তার যিনি ক্যান্সারের চিকিৎসা করেন এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন ব্যক্তির চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
- একজন oncologist কে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞও বলা যেতে পারে।
Source.cancer.net
উত্তর
ব্যাখ্যা
• যন্ত্র বা উপকরণগুলোর মধ্যে তাড়িতচৌম্বক (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক) আবেশের সাহায্যে কাজ করে ট্রান্সফরমার। ট্রান্সফরমার মূলত একটি যন্ত্র যা এক ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক প্রবাহকে অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। এটি কাজ করে চৌম্বকীয় আবেশের উপর ভিত্তি করে। যখন প্রাথমিক কুণ্ডলীতে বৈদ্যুতিক ধারা প্রবাহিত হয়, তখন এটি একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তনের কারণে সেকেন্ডারি কুণ্ডলীতে বৈদ্যুতিক প্রবাহ সৃষ্টি হয়। ট্রান্সফরমার সাধারণত বিদ্যুৎ বিতরণ, যন্ত্রপাতি ও বিদ্যুৎ সংকোচনে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, ট্রানজিস্টর, অ্যামপ্লিফায়ার এবং ডায়োড প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর তত্ত্বের ওপর কাজ করে, তারা সরাসরি চৌম্বক আবেশের মাধ্যমে কার্যকর হয় না।
- উত্তর: ক) ট্রান্সফরমার।
• তাড়িতচৌম্বক আবেশ:
- একটি তারের কুণ্ডলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুণ্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে।
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি।
• ট্রান্সফরমার:
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র।
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে।
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। যথা:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমারের গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার হয়।
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার হয়।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেত বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে অ্যামপ্লিফায়ার বলে।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- চক্ষু গোলকের সবচেয়ে ভেতরের স্তর রেটিনা।
- চোখের 'রেটিনা' স্তরটি আলোক সংবেদী, এতে আলোক সংবেদী কোষ থাকে।
- আলোক সংবেদী কোষগুলো রড ও কোণ কোষ নিয়ে গঠিত।
- চোখে রড কোষের সংখ্যা প্রায় সত্তর লক্ষ।
- কোণ কোষগুলো উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দর্শনের জন্য উপযোগী।
- রড কোষগুলো অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কেপলারের সূত্র:
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন।
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন।
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে।
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- জন কেপলার সৌরজগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত তিনটি সূত্র উপস্থাপন করেন, তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।
যেমন-
• প্রথম সূত্র:
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র:
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র:
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি (Rotation):
- পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের বা অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের উপর একবার পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ একদিন। একে সৌরদিন বলে।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি। ঘণ্টায় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার।
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
- যত মেরুর দিকে যাবে এ আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে এবং মেরুদ্বয়ে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যায়।
উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে।
উল্লেখ্য,
মস্তিস্ক হলো স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ।
স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে। মস্তিষ্কে নিউরন থাকে ১০ বিলিয়ন।
মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
মস্তিষ্ক আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান।
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। n এর মান 1, 2, 3 শক্তিস্তর ইত্যাদি।
n = 1 হলে প্রথম প্রধান শক্তিস্তর, n = 2 হলে দ্বিতীয় প্রধান শক্তিস্তর।
- পরমাণুর প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন (n = 1, 2, 3 ...............) থাকতে পারে।
এই সূত্রানুসারে,
১ম শেলে অর্থাৎ n=1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 = 2×12=2 টি,
২য় শেলে অর্থাৎ n=2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 = 2×22= 8 টি,
৩য় শেলে অর্থাৎ n=3শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 = 2×32= 18 টি,
৪র্থ শেলে অর্থাৎ n=4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 = 2×42 = 32টি ।
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আলবার্ট আইনস্টাইন ১৪ মার্চ ১৮৭৯ সালে জার্মানির উলম শহরে জন্মগ্রহন করেন।
- আপেক্ষিকতার সূত্র বা Theory of Relativity আবিষ্কার করেন।
- ভর শক্তি সম্পর্ক (E=mc2) স্থাপন করেন তিনি।
- তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
• এটি নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে বিস্তৃত এবং সূত্রাকার ক্রোমাটিন দিয়ে গঠিত।
• বিজ্ঞানী Strasburger (1875) প্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন।
• প্রজাতির বৈশিষ্ট্যভেদে কোষে এর ডিপ্লয়েড (দুই সেট ক্রোমোজোম, যার একসেট পিতা থেকে আসে এবং আর একসেট মাতা থেকে আসে) সংখ্যা 2 হতে 1600 পর্যন্ত হতে পারে।
• একটি ক্রোমোজোম দৈর্ঘ্যে সাধারণত 3.5 থেকে 30.0 মাইক্রন এবং প্রস্থে 0.2 থেকে 2.0 মাইক্রন হয়ে থাকে। (1 মাইক্রন = 1/1000 মিমি)।
• ক্রোমোজোমের কাজ হলো মাতাপিতা থেকে জিন (যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে সন্তান সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যাওয়া। মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি (Physical basis of heredity) বলে আখ্যায়িত করা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Interferons were discovered in 1957 by British bacteriologist Alick Isaacs and Swiss microbiologist Jean Lindenmann. Type I Interferons were the first to be produced by recombinant DNA technology and used therapeutically for viral infections, cancers, and autoimmune diseases.
Source: Britannica and Sciencedirect Paper.
উত্তর
ব্যাখ্যা
সমাধান:
আমরা জানি,
ত্বরণ = (শেষ বেগ - আদি বেগ)/অতিক্রান্ত সময়
⇒ a = (v - u)/t
বস্তুর ভর m হলে,
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন = mv - mu
আবার,
বল F = ma
⇒ F = m (v - u)/t
⇒ Ft = m(v - u)
⇒ m(v - u) = Ft
⇒ mv - mu = 40 × 10
= 400 Kgms-1
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক সংকেত পরিবহনের মূলনীতি হচ্ছে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।
অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়।
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়।
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত।
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন-পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত।
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়, এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের (Universe) সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হলো হাইড্রোজেন।
- মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত মৌলিক উপাদান হলো হাইড্রোজেন।
- ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বের মোট স্বাভাবিক (সাধারণ) পদার্থের মোট ভরের প্রায় ৭৫% হলো হাইড্রোজেন।
- মহাবিশ্বের মোট পদার্থের মধ্যে, তারার (Stars) গঠন (যেমন: সূর্য), আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ (Interstellar Clouds) এবং গ্যালাক্সিদের মধ্যবর্তী স্থানে (Intergalactic Space) হাইড্রোজেন গ্যাস মুখ্য উপাদান হিসেবে থাকে।
- তারার মধ্যে নিউক্লীয় ফিউশন (Nuclear Fusion) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাইড্রোজেন ক্রমাগত হিলিয়ামে রূপান্তরিত হতে থাকে।
- হাইড্রোজেন হলো পর্যায় সারণির সবচেয়ে হালকা মৌল।
- এরপরেই প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত গ্যাস হলো হিলিয়াম; এটি প্রায় ২৪% এর কাছাকাছি থাকে।
- বাকি সমস্ত উপাদান (যেমন: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, ইত্যাদি) একত্রে মাত্র ১% এরও কম পরিমাণে থাকে।
অন্যান্য অপশন:
- ক) অক্সিজেন, গ) নাইট্রোজেন: এই গ্যাস দুটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান (নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮%, অক্সিজেন প্রায় ২১%)। তবে, মহাবিশ্বের সামগ্রিক ভরের তুলনায় এদের পরিমাণ খুবই নগণ্য।
- খ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড: এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি গৌণ উপাদান এবং মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে এর পরিমাণ খুবই কম।
উৎস: নাসা ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সূর্য–পৃথিবী L2 ল্যাগরেঞ্জ বিন্দুর নিকটে অবস্থান করে পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, যা গভীর মহাকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।
• জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST):
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ একটি শক্তিশালী ইনফ্রারেড মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- এটি ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নাসা (NASA), ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ESA) এবং কানাডীয় মহাকাশ সংস্থার (CSA) যৌথ প্রকল্প।
- এটি হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত।
• কক্ষপথ ও অবস্থান:
- JWST পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করে না।
- এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এটি সূর্য–পৃথিবী ব্যবস্থার L2 ল্যাগরেঞ্জ বিন্দুর নিকটে অবস্থান করে।
- এই অবস্থানে সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই দিকে থাকে, ফলে টেলিস্কোপের সানশিল্ড একদিকে রেখে তাপ ও আলো থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়।
- L2 বিন্দুতে মাধ্যাকর্ষণ বলের সাম্যাবস্থার কারণে টেলিস্কোপ তুলনামূলকভাবে কম জ্বালানি ব্যবহার করে স্থিতিশীলভাবে কক্ষপথে থাকতে পারে।
• ল্যাগরেঞ্জ বিন্দু (Lagrange Point):
- ল্যাগরেঞ্জ বিন্দু হলো এমন বিশেষ স্থান যেখানে দুটি বৃহৎ বস্তুর মাধ্যাকর্ষণ বল ও কক্ষীয় গতি একে অপরকে সাম্যাবস্থায় রাখে।
- সূর্য–পৃথিবী ব্যবস্থায় মোট পাঁচটি ল্যাগরেঞ্জ বিন্দু রয়েছে, যথা L1, L2, L3, L4 ও L5.
- L2 বিন্দুটি পৃথিবীর বিপরীত দিকে সূর্য থেকে দূরে অবস্থিত।
• বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব:
- L2 অবস্থান থেকে JWST মহাবিশ্বের প্রাচীনতম গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- এটি নক্ষত্রের জন্মপ্রক্রিয়া, গ্রহীয় বায়ুমণ্ডল, এবং প্রাথমিক মহাবিশ্বের অবস্থা বিশ্লেষণ করে।
- ইনফ্রারেড পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এটি ধূলিকণার আড়ালে থাকা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু শনাক্ত করতে পারে।
• অন্যান্য অপশন:
- নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথ → পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০–২০০০ কিলোমিটার উচ্চতার কক্ষপথ, যেখানে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ অবস্থান করে।
- ভূ-স্থির কক্ষপথ → বিষুবরেখার উপর প্রায় ৩৫,৭৮৬ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত কক্ষপথ, যেখানে উপগ্রহ পৃথিবীর ঘূর্ণনের সাথে সমান কৌণিক বেগে আবর্তিত হয়।
- মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথ → মঙ্গল গ্রহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত কক্ষপথ, যা গ্রহ অনুসন্ধানী মহাকাশযানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: NASA, James Webb Space Telescope – Orbit Overview Page [Link], Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।
• আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।
• আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।
• আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার।
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্লবতা প্রবাহীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে (সমানুপাতিক)।
- নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানির ঘনত্ব কিছু বেশি।
- তাই সাঁতার কাটার সময় নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে বেশি উর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায়।
- এ কারণে নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও কালের কণ্ঠ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং
- মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গোধূলির প্রধান কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ।
- আলো কোন মাধ্যমে যাওয়ার পথে মাধ্যমের কণাগুলোর সাথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে তাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে।
- সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ধূলিকণা, পানিকণা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট বেগুনী, নীল, আসমানি প্রভৃতি বর্ণের বিক্ষেপণ বেশি ঘটে।
- আলোর বিক্ষেপণ এর ফলেই আকাশ নীল দেখায়।
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশের খানিকটা অংশ গাড় লাল দেখায়।
অন্যদিকে,
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশকালে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়ে যদি পূর্বের মাধ্যমেই ফিরে আসে তবে তাকে আলোর প্রতিফলন বলে।
- আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতলে দিক পরিবর্তন করে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দুটি আলোক উৎস থেকে একই বিড়ারের এবং একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো নির্গত হয়ে কোনো বিন্দুতে আপতিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও উজ্জ্বল এবং কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি হয়। আলোর এই উজ্জ্বলতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।
- সমদশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল বা চরম এবং বিপরীত দশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে অন্ধকার বা অবম-এর সৃষ্টি হয়। এটি একটি অবস্থানিক ঘটনা।
ব্যতিচারের শর্তঃ-
১। উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে।
২। একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে।
৩। তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে।
৪। তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় নিয়ত বায়ু।
নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
যথা:
• অয়ন বায়ু,
• পশ্চিমা বায়ু ও
• মেরু বায়ু।
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সদা প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয়- অয়ন বায়ু।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিজারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথোডে।
- যে ধাতব পাতে ধাতু বা কোন আয়ন ইলেকট্রন ছেড়ে দেয় তাকে ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বা অ্যানোড বলে অন্যদিকে যে তড়িৎদ্বারে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইলেকট্রন শোষিত হয় তাকে ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড বলে।
- কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ-ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ-ঋণাত্মক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়।
উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ প্রজননের মাধ্যমে নতুন জাত উদ্ভাবন ফুল চাষীদের একটি প্রধান পেশা।
অন্যদিকে,
- ফলচাষ বিষয়ক বিদ্যাকে পোমোলজি বলা হয়।
- মাঠ ফসল উৎপাদন এবং মাটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা বিদ্যাকে এগ্রোনমি বলা হয়।
- হর্টিকালচার হল উন্নয়ন, টেকসই উৎপাদন, বাজারজাতকরণ এবং উচ্চ-মূল্যের, নিবিড়ভাবে চাষ করা খাদ্য এবং শোভাময় উদ্ভিদের বিজ্ঞান ও শিল্প।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার।
- পাখী পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার এবং
- সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উপসর্গ “ন্যানো (Nano)” দ্বারা বোঝানো হয়- 10-9 ।
উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix):
- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানান কিছু পরিমাপ করতে হয়।
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6×1024 m), আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1×10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়ই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু S.I উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝানো যায়।
- দৈনন্দিন জীবনে কিন্তু এগুলো সব সময় ব্যবহার করা হয়।
যেমন- দূরত্ব বোঝানোর জন্য এক হাজার মিটার না বলে এক কিলোমিটার বলা হয়, আবার পানির আয়তন বোঝানোর জন্য এক লিটারের এক শতাংশ না বলে 10 মিলিমিটার বলা হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আবিষ্কৃত মৌল সমূহকে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলির সামঞ্জস্য রেখে যে সারণিতে পর্যায় ক্রমে স্থান দেওয়া হয়েছে তাকে পর্যায় সারণি (Periodic table) বলে।
• আধুনিক পর্যায় সারণিতে (Modern Periodic Table) মৌলগুলো পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number) অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যার (Number of Protons) ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।
• 1913 সালে মোসলে পারমাণবিক ভরের পরিবর্তে পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী মৌলগুলোকে পর্যায় সারণিতে সাজানোর প্রস্তাব দেন।
• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য:
- পর্যায় সারণিতে 7 টি পর্যায় (Period) বা অনুভূমিক সারি এবং 1৪টি গ্রুপ বা খাড়া স্তম্ভ রয়েছে।
- প্রতিটি পর্যায় বামদিকে গ্রুপ 1 থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ 18 পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মূল পর্যায় সারণির নিচে আলাদাভাবে ল্যান্থানাইড ও অ্যাকটিনাইড সারির মৌল হিসেবে দেখানো হলেও এগুলো যথাক্রমে 6 এবং 7 পর্যায়ের অংশ।
তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত গ্যাসসমূহের মধ্যে নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে।
গ্রিন হাউস প্রভাব:
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect) বলে।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো-কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক হিসেবে নিম্নে গ্রিন হাউস গ্যাস ও গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ:
১। কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2):
- কার্বন ডাইঅক্সাইড বর্ণহীন, সামান্য গন্ধযুক্ত কার্বন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত একটি গ্যাস।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ০.০৩ শতাংশ কার্বন ডাইঅক্সাইড।
- জীবের প্রশ্বাসের সাথে কার্বন ডাইঅক্সাইড, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের পচন, মোটরযান ও শিল্প কারখানার জ্বালানি (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল) পোড়ানো থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে যোগ হয়।
- বর্তমানে তরল ও কঠিন কার্বন ডাইঅক্সাইড রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে আইসক্রিম, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সবুজ উদ্ভিদ এর খাদ্য প্রস্তুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করলেও বন উজাড় বৃদ্ধি পাওয়ায়, অধিক হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার, মোটরযানের সংখ্যা প্রভৃতি বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করছে।
২। মিথেন (CH4):
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন।
- এছাড়াও জলাভূমিতে পানির নিচে পানা পচনের মাধ্যমে, ধানের বর্জ্য অবশিষ্টাংশের পচন থেকে মিথেন পাওয়া যায়।
- তাপ ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে মিথেন কার্বন ডাই অক্সাইডের চাইতে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে।
৩। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC):
- সিএফসি সাধারণত বিষমুক্ত, নিষ্ক্রিয় এবং ফ্লোরিন ও কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত যৌগ।
- সিএফসি হিমায়নে (ফ্রিজ, এসি) ও স্প্রে-ক্যানে (অ্যারেসোল), মাইক্রো ইলেকট্রিক সার্কিট ও প্লাস্টিক ফোমে ব্যবহৃত হয়।
৪। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O):
- অক্সিজেনের সাথে নাইট্রোজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ তৈরি করে।
- এটিও বর্ণহীন, সামান্য মিষ্টিগন্ধযুক্ত।
- এই গ্যাসের উৎসসমূহ হলো মোটরযান, শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, কারখানা।
অন্যদিকে,
- আর্গন (Ar): বর্ণহীন, গন্ধহীন, স্বাদহীন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তৃতীয় সর্বাধিক পরিমাণে থাকে। গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
- নাইট্রোজেন (N2): পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ৭৮.০৯% গঠন করে। গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
- হিলিয়াম : এটি একটি নিষ্ক্রিয় (inert) গ্যাস। পর্যায় সারণির Noble gas গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন।
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন।
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক।
নিকোলাস কোপার্নিকাস:
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন।
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
- পরবর্তীতে জোহানস কেপলার (১৫৭১-১৬৩০) গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন।
গ্যালিলিও গ্যালিলি:
- গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়।
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি।
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ ধারণকারী প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলা হয়। এটি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে।
প্লাস্টিড:
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।
- প্লাস্টিড তিন ধরনের।
যথা-
১। ক্লোরোপ্লাস্ট:
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে।
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়।
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে।
২। ক্রোমোপ্লাস্ট:
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়।
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটি হলুদ, কোনটি নীল আবার কোনটি লাল দেখায়।
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ।
৩। লিউকোপ্লাস্ট:
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে।
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়।
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আইসোেটাপ (Isotopes):
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। এদের মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি H পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
i) ইমিটার (Emitter),
ii) বেস (Base) এবং
iii) কালেক্টর (Collector)।
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ভিটামিন বি-১২ বা সায়ানোকোবালামিন (Vitamin B12)
ভিটামিন বি-১২ এর রাসায়নিক নাম সায়ানোকোবালামিন (Cyanocobalamin)।
সায়ানোকোবালামিনের উৎস: যকৃত, মাছ, মাংস, বৃক্ক, ডিম ইত্যাদিতে এই ভিটামিন যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া যায়।
সায়ানোকোবালামিনের কাজ:
১। রক্তের লোহিত কণিকা গঠনে ফলিক এসিডের সাথে ভিটামিন বি-১২ কাজ করে।
২। অত্যাবশ্যক এ্যামাইনো এসিড মিথিওনিন তৈরিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে ।
সায়ানোকোবালামিনের অভাবজনিত অবস্থা
৩। ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে পার্নিসাস এ্যনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হয়ে শরীর ফ্যাকাশে, দুর্বল ও অবসন্ন হয়ে যায়।
৪। স্নায়ুবিক অস্থিরতা ও চলফেরায় অক্ষমতা দেখা দেয়।
উৎস : গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র,এইচএসসি প্রোগ্রাম;বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার মধ্যে মৌলের গুণাগুণ বর্তমান থাকে।
যেমন- নাইট্রোজেনের পরমাণুতে নাইট্রোজেনের ধর্ম বিদ্যমান আর অক্সিজেনের পরমাণুতে অক্সিজেনের ধর্ম বিদ্যমান থাকে।
অণু:
- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে।
- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠিত হয়।
- আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2) গঠিত হয়।
- একই মৌলের একাধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হলে তাকে মৌলের অণু বলে। যেমন- O2 ।
- ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু পরস্পর যুক্ত হলে তাকে যৌগের অণু বলে। যেমন-CO2 ।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সরল ছন্দিত গতিতে ত্বরণ সর্বদা সাম্য অবস্থান অভিমুখী এবং এটি সরণের সমানুপাতিক।
• পর্যাবৃত্ত গতি:
- কোনো বস্তু নির্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে অতিক্রম করলে যে গতি উৎপন্ন হয় তাকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- পর্যাবৃত্ত গতি দুই ধরনের, ঘূর্ণন গতি, স্পন্দন গতি।
• পর্যায়কাল:
- পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার একই দিক থেকে নির্দিষ্ট বিন্দুটি অতিক্রম করতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বলে।
• স্পন্দন গতি:
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন কোনো বস্তু পর্যায়কালের অর্ধেক সময় এক নির্দিষ্ট দিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় বিপরীত দিকে চলে তবে ঐ গতিকে স্পন্দন গতি বা ছন্দিত গতি বলে।
• সরল ছন্দিত গতি:
- পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি যদি সরল রৈখিক হয় তবে তাকে সরল ছন্দিত গতি বলে।
- এ গতিতে ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক।
- ত্বরণের দিক সর্বদা সাম্য অবস্থান অভিমুখী।
• তরঙ্গ:
- জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না তাকে তরঙ্গ বলে।
• যান্ত্রিক তরঙ্গ ও তাড়িতচুম্বক তরঙ্গ:
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে।
- মাধ্যম ছাড়াও যে বিশেষ ধরনের তরঙ্গ সঞ্চারিত হয় তাকে তাড়িতচুম্বক তরঙ্গ বলে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
TB (Tuberculosis) একটি chronic infectious disease, যা Mycobacterium tuberculosis দ্বারা সৃষ্ট।
- যক্ষ্মার ক্ষেত্রে দেহের প্রতিরোধব্যবস্থা প্রধানত cell-mediated immunity–এর মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে T-lymphocyte গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- যেহেতু TB একটি দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ, তাই রক্তে সাধারণত Lymphocyte-এর সংখ্যা বৃদ্ধি (lymphocytosis) দেখা যায়।
- TB-তে শরীরের প্রতিক্রিয়া মূলত granuloma formation ও T-cell–নিয়ন্ত্রিত immune response এর মাধ্যমে হয়, যা সরাসরি লিম্ফোসাইট বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অ্যালভিওলাই ফুসফুসের প্রধান কার্যকরী একক যা সরাসরি বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগের কাজ সম্পন্ন করে। এটি শ্বসনতন্ত্রের অন্যতম প্রধান অংশ।
• শ্বসনতন্ত্র (Respiratory system):
- নাসারন্ধ্র, গলবিল, ল্যারিংস, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল, অ্যালভিওলাই এবং একজোড়া ফুসফুস নিয়ে মানুষের শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- এই তন্ত্র পরিবেশ থেকে গৃহীত অক্সিজেনের সাহায্যে মানুষের দেহের সঞ্চিত খাদ্য থেকে জারণ প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন করে।
- এ শক্তি দেহের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করে।
অন্যদিকে,
- কঙ্কাল পেশী, মসৃণ পেশী এবং হৃদপেশী নিয়ে পেশীতন্ত্র গঠিত।
- মুখগহ্বর, পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র এবং বৃহদান্ত্র নিয়ে পরিপাকতন্ত্র গঠিত।
- মস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ড এবং করোটিক স্নায়ু নিয়ে স্নায়ুতন্ত্র গঠিত।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের লোহিত কোষে ২ ধরণের এন্টিজেন পাওয়া যায়।
এন্টিজেন: এন্টিজেন হচ্ছে বহিরাগত কোনো বস্তু বা প্রোটিন, যেটি আমাদের রক্তে প্রবেশ করলে আমাদের শরীরের নিরাপত্তাব্যবস্থা (Immune System) সেটাকে শরীরের জন্য ক্ষতিকর মনে করে তাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে।
- ১৯০০ সালে ড. কার্ল ল্যান্টস্টেইনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আবিষ্কার করলেন, বিভিন্ন মানুষের রক্তের লোহিত কোষে দুই ধরনের অ্যান্টিজেন পাওয়া যায়।
- স্বাভাবিকভাবেই এই দুইটি অ্যান্টিজেনকে প্রতিরোধ করার জন্য বিভিন্ন মানুষের সিরামে (যে তরলে লোহিত কণিকা ভাসমান থাকে) দুটি অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়।
- লোহিত কোষে থাকা এই দুটি অ্যান্টিজেনকে A এবং B নাম দেওয়া হয়েছে।
- একজন মানুষের রক্তের লোহিত কোষে যদি A অ্যান্টিজেন থাকে তাহলে কোনোভাবেই তার রক্তে A অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি থাকতে পারবে না; যদি থাকে তাহলে এই অ্যান্টিবডি নিজেই নিজের রক্তের লোহিত কোষকে আক্রমণ করে মৃত্যুর কারণ হয়ে যাবে।
- A অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি না থাকলেও, B অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি থাকে। একইভাবে যে রক্তের লোহিত কোষে B অ্যান্টিজেন আছে সেখানে A অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি আছে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Platy শব্দের অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminthes শব্দের অর্থ কৃমি, এই শব্দ দুটি থেকে প্লাটিহেলমিনথেস শব্দটি এসেছে।
- এই পর্বের প্রাণীদের জীবনযাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়।
- এই পর্বের বহু প্রজাতি বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে।
- তবে কিছু প্রজাতি মুক্তজীবী হিসেবে স্বাদু পানিতে আবার কিছু প্রজাতি লবণাক্ত পানিতে বাস করে।
- এই পর্বের কোনো কোনো প্রাণী ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বাস করে।
যেমন- যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত।
প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ।
- বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী।
- দেহ পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত।
- দেহে চোষক ও আংটা থাকে।
- দেহে শিখা অঙ্গ নামে বিশেষ অঙ্গ থাকে, এগুলো রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
- পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত।
উদাহরণ: Fasciola (যকৃৎ কৃমি) Taenia (ফিতা কৃমি)।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কার্বনের ব্যবহার:
- কার্বনের দু'টি রূপভেদ আছে, যথা গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড (হীরক)।
- বিভিন্ন রূপভেদে কার্বনের ব্যবহারও বিভিন্ন।
গ্রাফাইটের ব্যবহার:
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন (lubrication) করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
হীরকের ব্যবহার:
- ডায়মন্ড বা হীরক ভংগুর হলেও প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পদার্থসমূহের মধ্যে অন্যতম কঠিনতম।
- ডায়মন্ড উত্তম তাপ- পরিবাহী হলেও বিদ্যুৎ-অপরিবাহী।
- হীরক একটি মূল্যবান রত্ন, দামী অলংকার প্রস্তুতিতে এর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে।
- কম দামী হীরক যা অলংকারে ব্যবহার করা যায়না সেগুলো কাঁচ কাটার কাজে, শক্ত বস্তু মসৃন করার জন্য, কঠিন শিলা জাতীয় পদার্থ ছিদ্র করার যন্ত্রে (drill) এবং শান দেওয়ার পাথর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অদানাদার কার্বনের ব্যবহার:
১। কাঠ কয়লা: জ্বালানিরূপে, ধাতু নিষ্কাশনে বিজারক পদার্থরূপে, বারুদের উপাদান হিসেবে, তেলের গন্ধ দূরীকরণে জীবাণুনাশক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
২। প্রাণিজ কয়লা: এর অত্যধিক শোষণ ক্ষমতার কারণে এটি চিনি পরিশোধনে ও বিরঞ্জনে ব্যবহৃত হয়।
৩। সক্রিয় চারকোল: গ্যাস মুখোশে এবং চিনি, তৈল প্রভৃতি বিরঞ্জনে ও পরিশোধনে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪। ভুসা কয়লা: কালো রং হিসেবে এটি ছাপার কালি, কার্বন পেপার, টাইপরাইটারের রিবন, জুতার কালি প্রভৃতি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী, নাগ)।
২. রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় বিগলিত অথবা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে দুটি ধাতব পরিবাহী অথবা গ্রাফাইট দন্ড এমনভাবে রেখে দেয়া হয় যেন একটি দিয়ে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে এবং অন্যটি দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে যায়।
- এ দুটি ধাতব অথবা গ্রাফাইট পরিবাহীকে তড়িৎদ্বার বলা হয়।
- তড়িৎদ্বার তড়িৎ রাসায়নিক কোষের ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে কোষ বর্তনী পূর্ণ করে।
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন।
যথা-
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং
২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার।
অ্যানোড তড়িৎদ্বার:
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বলে।
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়।
ক্যাথোড তড়িৎদ্বার:
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বলে।
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একইভাবে, ২১শে মার্চের পূর্বের ও পরের দেড় করে সময়ে উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল বিরাজ করে তখন দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।
- ২১শে জুনের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে মোট তিন মাস যখন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে তখন দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
- ২২শে ডিসেম্বরের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে মোট তিন মাস যখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে তখন দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো পৃথিবীর উপরিভাগের প্লেটসমূহের সঞ্চালন এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যূৎপাত।
এছাড়া অন্যান্য কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি
- তাপ বিকিরণ
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প
- ভূগর্ভস্থ চাপের হ্রাস-বৃদ্ধি
- হিমবাহের প্রভাব প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি।
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা।
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো।
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়।
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যদিও অধিকাংশক্ষেত্রে তাপশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি তৈরি করা হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি, sciencedirect.com।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- AB গ্রুপের রক্তের সিরামে কোনো ধরণের এন্টিবডি নেই।
- গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে ৮ অ্যান্টিবডি) থাকে।
- গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে।
- গ্রুপ AB: এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না।
- গ্রুপ ০: এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও ৮ অ্যান্টিবডি থাকে।
- দাতার লোহিত রক্তকোষের কোষঝিল্লিতে উপস্থিত অ্যান্টিজেন যদি গ্রহীতার রক্তরসে উপস্থিত এমন অ্যান্টিবডির সংস্পর্শে আসে, যা উক্ত অ্যান্টিজেনের সাথে বিক্রিয়া করতে সক্ষম, তাহলে অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি বিক্রিয়া হয়ে গ্রহীতা বা রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত ও এর চিকিৎসার উন্নতির জন্যে হার্ভে জে আল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চার্লস রাইস (যুক্তরাষ্ট্র), মিকায়েল হগটন (যুক্তরাজ্য) চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- রসায়নে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল শারপন্টিয়ের এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডাউডনা।
- জিনোম এডিটিংয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্যে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
(সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্রোমজমে নিউক্লিক এসিড তথা ডিএনএ ও আরএনএ, প্রোটিন এবং অল্প পরিমাণ লিপিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম আয়ন দ্বারা গঠিত।
সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
মস্তিস্কে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থের ঘাটতির কারণে এই রোগ দেখা দেয়। ব্রেন এর মধ্যে ছোট একটা অংশ রয়েছে, যেটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় 'সাবস্ট্যানশিয়া নাইগ্রা' বলা হয়। এই অংশের স্নায়ু কোষ বা নিউরোন শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটার (এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ) নষ্ট হয়ে যায় অথবা এর ঘাটতি দেখা দেয়। স্বাভাবিক অবস্থায় মস্তিস্কে ব্যাজাল গ্যাংলিয়া নামের একটি অংশ মানুষের চলাফেরা এবং গতির সমন্বয় করে থাকে, ডোপামিনের অভাবে সেই সমন্বয়ের প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে যায়, তখন একজন মানুষ আক্রান্ত হয় পারকিনসন্স রোগে।
পারকিনসন্স এর লক্ষণসমূহ-
এই রোগে আক্রান্ত হলে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপসর্গ দৃশ্যমান হয়।
প্রথমত: হাত এবং পায়ে কাঁপুনি হয়।
দ্বিতীয়ত: শরীরের একপাশের হাত এবং পা স্বাভাবিকের তুলনায় শক্ত হয়ে যায়।
তৃতীয়ত: চলাফেরার গতি ধীর হয়ে যায়।
আরও কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে:
কেউ আক্রান্ত হলে শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে না পারায় সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটতে দেখা যাবে।
কণ্ঠ বা কথার স্বর নীচু হতে পারে বা কমে যেতে পারে।
এমনকি চোখের পাতার নড়াচড়াও কমে যেতে পারে।
শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে সমস্যা হওয়ায় আক্রাত ব্যক্তি বার বার পড়ে যেতে পারেন।
এছাড়া হতাশা, উদ্বেগ, উদাসীনতা ঘুম কমে যাওয়া- এধরনের লক্ষণ যেমন দেখা দেয়।
কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং প্রস্রাব আটকে যাওয়ার মতো সমস্যাও হয়ে থাকে।
সূত্র: National Institute on Aging Website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বায়ুকে মিশ্র পদার্থ বলার কারণ:
- এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি ভাগে আছে পদার্থ যাদের ওজন বা ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা দেয়।
- দুই বা ততোধিক পদার্থকে যে কোনো অনুপাতে একত্রে মিশ্রিত করলে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে, তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলা হয়।
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ বায়ুতে এর উপাদানসমূহ যেমন- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে।
অন্যদিকে,
- তাপ, বিদ্যুৎ এবং আলো হলো শক্তির উদাহরণ।
উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ভেক্টর রাশি:
- যেসব ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়, তাদের ভেক্টর রাশি বলে।
- যেমন: সরণ, বেগ, ত্বরণ, ওজন ইত্যাদি।
- শুধু মান অথবা শুধু দিক অথবা উভয়ের পরিবর্তন হলে ভেক্টর রাশির পরিবর্তন হয়।
- দুটি ভেক্টর রাশির গুণফল একটি ভেক্টর রাশি অথবা একটি স্কেলার রাশি হতে পারে।
- ভেক্টর রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয় না।
স্কেলার রাশি:
- যেসব ভৌত রাশিকে শুধু মান দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায়, দিক নির্দেশের প্রয়োজন হয় না তাদের স্কেলার রাশি বলে।
- যেমন: দৈর্ঘ্য, দ্রুতি, ভর, কাজ ইত্যাদি।
- শুধু মানের পরিবর্তন হলে স্কেলার রাশির পরিবর্তন হয়।
- স্কেলার রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয়।
- দুটি স্কেলার রাশির গুণফল সর্বদা একটি স্কেলার রাশি পাওয়া যায়।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এই গ্রন্থি গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়।
- আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- এই গ্রন্থি বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফিউজ হল একটি রক্ষাকারী যন্ত্র যা একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- যখন তারের মধ্য দিয়ে অধিক পরিমাণে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তখন এটিকে বিচ্ছিন্ন করা হয়ে থাকে।
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে ব্যবহৃত তার সীসা ও টিনের মিশ্র ধাতু দ্বারা তৈরী।
- সীসা ৭৫% এবং টিন ২৫% এর সংকরের উপযুক্ত ব্যাসের এক টুকরা সরু তার।
- এর গলনাংক প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস।
- এরূপ এক খন্ড তার চীনা মাটির বাক্সে বাড়ির বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের সাথে আটকানো থাকে। তারটির
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন।
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন।
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক।
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে।
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ডের স্বতঃস্ফুর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (Systole) এবং স্বতঃস্ফুর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (Diastole) বলে ।
উল্লেখ্য, অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয়ে তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে ।
অলিন্দদ্বয় যখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে তখন সারাদেহের CO2 যুক্ত রক্ত উর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা দিয়ে ডান অলিন্দে আসে এবং ফুসফুস থেকে O2 সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারি শিরা দিয়ে বাম অলিন্দে আসে।
উৎস : বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পানির মধ্যে আন্দোলন সৃষ্টি করে তরঙ্গ উৎপন্ন হলে তরঙ্গ বৃত্তের আকারে পানির উপর বিস্তৃত হয়।
- একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বৃত্তের উপরস্থ পানি কণাগুলাে একবার উপরে উঠছে ও একবার নিচে নামছে বা তরঙ্গচূড়া (crest) ও তরঙ্গখাজ (trough) উৎপন্ন হচ্ছে।
- তরঙ্গচূড়ায় অবস্থিত সকল কণার দশা একই আবার তেমনি তরঙ্গখাজে অবস্থিত সকল কণার দশা সমান।
অর্থাৎ, কোনাে তরঙ্গের উপর অবস্থিত সমদশা সম্পন্ন কণাগুলাের গতিপথ (locus)-কে তরঙ্গমুখ বলে।
তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কোনো কম্পনশীল কণার বা তরঙ্গের উপরস্থ কোনো কণার একটি কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে
তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে।
- তরঙ্গের উপরে অবস্থিত পর পর দুটি সমদশা সম্পন্ন কণার দূরত্বই তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে λ (ল্যামডা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
কম্পাঙ্ক:
- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কণা একক সময়ে যতগুলো পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে ঐ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক f বলে।
- কোনো কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক f = N/t .
- কম্পাঙ্কের একক s-1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে।
বিস্তার:
- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কণা স্থির বা সাম্যাবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বিস্তার বলে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার।
- বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে -
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল ।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপার যন্ত্র হাইড্রোমিটার।
- বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।
- শ্রাব্যতা মাপার যন্ত্র মাপার যন্ত্র অডিওমিটার।
- বায়ুচাপ বলোমিটার(bolometer) - তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ মাপার যন্ত্র ক্যালোরিমিটার।
- দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব মাপার যন্ত্র ল্যাক্টোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- ধাবমান বস্তুর গতি/বেগ মাপার যন্ত্র স্পিডোমিটার।
- রক্ত চাপ মাপার যন্ত্র স্ফিগোমোম্যানোমিটার।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
- এছাড়াও এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ: জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়।
- এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।
অন্যদিকে,
- ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো- অ্যানোফিলিস।
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স।
উৎস: জীববিজ্ঞান- ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং WHO ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নলের মধ্যে এই পারদ স্তম্ভের দাঁড়িয়ে থাকার কারণ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টত বুঝা যায়, বাটির উন্মুক্ত পারদ তলের উপর সম্পূর্ণ বায়ুমণ্ডল যে চাপ প্রয়োগ করছে সেই চাপ পারদের মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়ে নলের ভিতরে ঊর্ধমুখে ক্রিয়া করে। এই ঊর্ধমুখী চাপ না থাকলে অভিকর্ষজ ত্বরণের জন্য বা পারদের ওজনের জন্য নলের ভিতরের পারদ নিচে নেমে আসতো।
- সুতরাং বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নলের মধ্যকার পারদ স্তম্ভের চাপের সমান।
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপের ক্ষেত্রে পারদ স্তম্ভের এই উচ্চতা ৭৬ সে.মি.।
- বায়ুমণ্ডলের চাপ বাড়লে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা বেড়ে যায়, আবার চাপ কমলে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা কমে যায়।
- এভাবে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করা যায়।
- বায়ু চাপ পরিমাপের এই যন্ত্রকে বলা হয় ব্যারোমিটার।
- পৃথিবীর সর্বত্র বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান নয়, আবার একই স্থানে সবসময় বায়ুমণ্ডলীয় চাপও সমান থাকে না।
- স্থান ও সময় ভেদে বায়ুমণ্ডলের চাপ বিভিন্ন হয়।
- এ কারণে বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের ঘনত্ব, বায়ু প্রবাহের দিক তাপমাত্রা প্রভাবিত হয়।
- তাই কোন স্থানের বায়ুমণ্ডলের চাপের সাথে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়।
- চাপ পরিমাপ যন্ত্র বা ব্যারোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করে কোন স্থানের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া যায়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
No place outside is safe when a thunderstorm is in the area. Get inside as soon as you hear thunder. Run to a substantial building or hard-topped metal vehicle as fast as you can.
এখানে স্পষ্ট করে বলা আছে যে, বাইরে যাওয়া কোনভাবেই নিরাপদ নয়।
তারা আরও বলে যে,
If you can’t get to a safe building or vehicle:
— Avoid open areas. Don’t be the tallest object in the area.
অর্থাৎ, যদি কোন বিল্ডিং বা ছাদ বিশিষ্ট গাড়ি আশেপাশে না থাকে তাহলেই কেবল বাইরে শুয়ে পড়তে হবে যেন আশেপাশের সবকিছুর চেয়ে নিজের উচ্চতাটা কম থাকে।
তাছাড়া, আমাদের সরকারি নির্দেশনা/লিফলেটেও গাড়ির ভেতরেই থাকতে বলা হয়েছে এবং গাড়ির ভেতরে কোন ধাতব অংশের সঙ্গে যেন স্পর্শ না লাগে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বাইরে খোলা জায়গাতে যেতে সরাসরিভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
এখানে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি আবহাওয়া সেবা সংস্থার প্রচারণামূলক নির্দেশিকার একটা ছবি দিয়ে দেয়া হলো-
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২. এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি।
৩. এক্সরে তড়িৎচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪. এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫. এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৬. আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন ঘটে ।
৭. এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শন করে।
৮. এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
৯. এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১০. এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১১. এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার:
- অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার হলো এমন একটি p-n জাংশন ভিত্তিক ডিভাইস, যা AC (Alternating Current) কে DC (Direct Current)-তে রূপান্তর করে। এটি মূলত একটি অর্ধপরিবাহী ডায়োড।
• p-n জাংশন হলো একটি অর্ধপরিবাহী উপাদান যেখানে p-টাইপ এবং n-টাইপ উপাদান একসাথে যুক্ত থাকে।
- এটি একমুখী বৈদ্যুতিক প্রবাহে সহায়তা করে, অর্থাৎ এটি একদিকে বিদ্যুৎ যেতে দেয়, আরেকদিকে দেয় না।
- এই বৈশিষ্ট্যটির জন্য p-n জাংশনকে রেকটিফায়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে ডায়োড আকারে। তাই এর অপর নাম অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার।
• বৈশিষ্ট্য:
→ একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ:
- বিদ্যুৎ কেবল একদিকে প্রবাহিত হতে পারে (Forward Bias)।
- বিপরীত দিকে বাধা দেয় (Reverse Bias)।
→ গঠন:
- একটি p-টাইপ ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী পদার্থ
→ কাজের ধরন:
- এসি → ডিসি রূপান্তর
তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তেল ও চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদানকে স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাট বলা হয়।
- ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলের সমন্বয়ে স্নেহ পদার্থে গঠিত।
- ফ্যাটি অ্যাসিডের বৈশিষ্ট্যের উপর স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাটের বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে।
- খাদ্যে প্রায় ২০ ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়।
- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন স্নেহ পদার্থগুলোকে চর্বি বলে।
যেমন- মাছ ও মাংসের চর্বি।
- চর্বি হলো সম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড।
- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল স্নেহ পদার্থকে তেল বলে।
যেমন- সয়াবিন তেল, সরিষার তেল ইত্যাদি।
- তেলগুলো অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড।
স্নেহ পদার্থের কাজ:
১। স্নেহ পদর্থের প্রধান কাজ দেহে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করা।
২। স্নেহ পদার্থ দেহের তাপমাত্রা বজায় রাখে।
৩। দেহে সঞ্চিত হয়ে ভবিষ্যতের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।
৪। ত্বকের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখে।
৫। চর্মরোগ প্রতিরোধ করে।
৬। শেহে দ্রবণীয় ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে শোষণে ফ্যাট সাহায্য করে।
স্নেহ পদার্থের অভাবজনিত অবস্থা:
- দেহে স্নেহ পদার্থের অভাবে চর্মরোগ, ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হওয়া, একজিমা ইত্যাদি হতে পারে।
- দীর্ঘদিন স্নেহ পদার্থের ঘাটতি হলে দেহে সঞ্চিত প্রোটিনের ক্ষয় হয়।
- এতে ওজন হ্রাস হয় ও স্বাস্থ্যহানি ঘটে।
অধিক ফ্যাট গ্রহণের কুফল:
- অতিরিক্ত স্নেহ জাতীয় পদার্থ গ্রহণ করলে স্থূলতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ইত্যাদি অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ব্ল্যাক বক্স একটি যন্ত্র যাতে বিমান উড্ডয়নের শুরু থেকে অবতরণ পর্যন্ত সমস্ত ঘটনা রেকর্ড করা থাকে।
- এটিকে বিমানের 'ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারও বলা হয়।
- প্রথম দিকে এটি লাল রঙের ছিল এবং 'রেড এগ' নামে পরিচিত ছিল।
- ব্ল্যাক বক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ধাতব পদার্থ (স্টেইনলেস স্টিল বা টাইটেনিয়াম) দিয়ে তৈরি।
- এটি ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ এবং প্রচণ্ড চাপেও অক্ষত থাকে।
- সর্বশেষ ২৫ ঘণ্টা পর্যন্ত তথ্য ধরে রাখতে পারে।
- অর্থাৎ ‘ব্ল্যাক বক্স’ বিমানের দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহকারী যন্ত্র।
উল্লেখ্য,
- ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে, দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেজু এয়ারের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়।
- উড়োজাহাজটি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে আসছিল।
- এতে ১৮১ জন আরোহী ছিল, যার মধ্যে ১৭৯ জন নিহত হয়েছেন।
- দুর্ঘটনার পর ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়।
- ব্ল্যাক বক্সটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ায় এর তথ্য উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
- ব্ল্যাক বক্স বিশ্লেষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] ও ইত্তেফাক নিউজ। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা:
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হয়ে থাকে।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন- রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে না, এরা প্রাণীদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলাে যে এরা সূর্যালােকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে। সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরি হওয়ার এ প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় আলােকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যৌগিক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে ভাঙলে দুই বা দুইয়ের অধিক মৌল পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলে।
- যৌগের মধ্যে মৌলসমূহের সংখ্যার অনুপাত সব সময় একই থাকে।
যেমন -
- যেখান থেকেই পানির নমুনা সংগ্রহ করা হোক না কেন রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলে সব সময় দুই ভাগ হাইড্রোজেন এবং এক ভাগ অক্সিজেন পাওয়া যাবে।
অর্থাৎ, পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত 1 : 2 ।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রক্ত উৎপাদন করা বৃক্কের কাজ নয়।
- রক্ত থেকে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য অপসারণ করা।
- রক্তে অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
- রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
- দেহে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড ইত্যাদির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা।
- দেহের পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন।
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন।
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
- জগদীশচন্দ্র বসুই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন।
- এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তিনি উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ।
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন।
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক।
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'.
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো মাইক্রোবায়োলজি।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এন্ডোক্রাইনোলজি:
- জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয় এন্ডোক্রাইনোলজি শাখায়।
• এন্টোমোলজি:
কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো এন্টোমোলজি।
• ফাইকোলজি (Phycology) হলো শৈবাল সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
– গাছ যে সকল খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে তারমধ্যে ১৬ টি উপাদানকে অত্যাবশ্যকীয়/অপরিহার্য মনে করা হয়।
– কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতিত অন্যান্য ১৩ টি উপাদান গাছ মাটি হতে সংগ্রহ করে থাকে এবং এই ১৩ টি উপাদান কে বলা হয় খনিজ পুষ্টি (Mineral Nutrients)। গাছ কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে থাকে বাতাস এবং পানি হতে।
– গাছের পুষ্টি গ্রহনের পরিমাণের উপরে নির্ভর করে এ সকল পুষ্টি উপাদান কে মোট ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
(১) মূখ্য উপাদান (Macro nutrient)- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম , ম্যাগনেসিয়াম ও সালফার,
(২) গৌন উপাদান (Micro nutrient) - আয়রণ, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, কপার, মলিবডেনাম, বোরণ ও ক্লোরিন।
এ পুষ্টি উপাদানসমূহ এর অভাবে গাছ এর স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়।
উপকারী/প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান:
– সোডিয়াম, সিলিকন, এলুমিনিয়াম, কোবাল্ট, সেলেনিয়াম প্রভৃতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
এগুলো সব গাছের জন্য অত্যাবশ্যকীয় নয় তবে সুনির্দিষ্ট গাছের জন্য দরকারি বলে ধরা হয়।
যেমন: নারিকেল গাছের জন্য সোডিয়াম।
উৎস: i) উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, Bachelor of Agriculture Education, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Texus A&M Agrilife Extension ওয়েবসাইট
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল।
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব।
শব্দের বেগ:
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 m/s।
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 m/s পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। যেমন বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 m/s, পানি মাধ্যমে 1450m/s এবং লোহার মধ্যে 5220 m/s।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।
উল্লেখ্য, মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
On July 4, 2012, scientists at the LHC announced that they had detected an interesting signal that was likely from a Higgs boson with a mass of 125–126 gigaelectron volts (billion electron volts; GeV). Further data was needed to definitively confirm those observations, and such confirmation was announced in March 2013. That same year Higgs and Belgian physicist François Englert (who had also proposed the Higgs mechanism) shared the Nobel Prize in Physics.
Source: Encyclopaedia Britannica
From CERN website:
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অর্থাৎ কিছু অধাতব মৌলের রাসায়নিক গুণাগুণ মোটামুটি অভিন্ন হলেও ভৌত ধর্মের মধ্যে বিভিন্নতা থাকে।
- এইসব পদার্থ বা মৌলগুলোকেই বহুরূপী মৌল বলে এবং মৌলের এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় বহুরূপতা।
- উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, গ্রাফাইট ও হিরক একই মৌল কার্বন দ্বারা গঠিত হলেও এদের ভৌত ধর্ম এবং রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য বিদ্যমান।
- অর্থাৎ হীরক ও গ্রাফাইট হলো কার্বনের রূপভেদ। শুধু তাই নয়; প্রকৃতিতে কার্বন বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।
উৎস : সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি।
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ কৃষ্ণবিবর তখনই তৈরি হয় যখন কোনো বৃহদাকারের নক্ষত্র নিজের মহাকর্ষীয় আকর্ষণে ধসে পড়ে। ধসের ফলে ভেতরের পদার্থ একেবারে কেন্দ্রে সিঙ্গুলারিটি (Singularity) নামক বিন্দুতে সংকুচিত হয়।
• আয়তন (Volume): এই সিঙ্গুলারিটির আয়তন প্রায় শূন্য বলে ধরা হয়।
• ঘনত্ব (Density): যেহেতু বিশাল ভর একেবারে ক্ষুদ্র বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত হয়, তাই ঘনত্ব প্রায় অসীম হয়ে যায়।
• মহাকর্ষীয় প্রভাব: এই অসীম ঘনত্বের কারণে মহাকর্ষ শক্তি এত প্রবল হয় যে আলো পর্যন্ত বের হতে পারে না।
কৃষ্ণবিবর (Black hole):
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)।
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা:
- চার্লস রবার্ট ডারউইন মানুষের বিবর্তন ব্যাখ্যা করেন এবং প্যানজেনেসিস মতবাদ প্রবর্তন করেন। পাশাপাশি প্রবাল প্রাচীরের ক্রমিক পরিবর্তনও তুলে ধরেন।
- জীবাশ্মবিদ্যাকে বিজ্ঞানের অন্যতম শাখা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন জর্জেস ক্যুভিয়ে। তিনি লিনিয়াস প্রদত্ত প্রাণী-শ্রেণিবিন্যাসের উন্নতিও ঘটান।
- থিওডোর সোয়ান কোষ মতবাদের মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে জীবদেহ কোষে গঠিত এবং পূর্ববর্তী কোষ থেকে নতুন কোষ সৃষ্টি হয়।
- থমাস হান্ট মর্গান প্রমাণ করেন যে কোষের নিউক্লিয়াসের ভিতরে ক্রোমোজোম অবস্থান করে এবং ক্রোমোজোমেই অবস্থান করে জিন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎস: প্রথম আলো, ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে (১) আলো, (২) ক্লোরোফিল, (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই- অক্সাইড।
- সূর্য হতে যে আলো পৃথিবীতে আসে তার যে অংশ উদ্ভিদের পাতায় পতিত হয় সে অংশের শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, বাকী ৯৮ থেকে ৯৯ ভাগ সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে অথবা কিছু অংশ তাপ শক্তি রূপে শোষিত হয়।
- বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এর মতে সূর্যের আলো এ পৃথিবীতে আসে তড়িৎ চুম্বকীয় বিচ্ছুরিত রশ্মি বা তরঙ্গ হিসাবে এবং সৌর শক্তি ফোটন (photon) নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনিকাসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- সূর্যের যে আলো পৃথিবীতে আসে তা বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের হয়।
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য মিটার, সেন্টিমিটার, ন্যানোমিটার, মিলিমাইক্রন এবং অ্যাংস্ট্রম হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।
রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়াকে বলা হয় রক্তশূন্যতা।
রক্তশূন্যতা রোগ হয় সাধারণত লৌহঘটিত আমিষের অভাবে।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আণবিক সংকেত এক কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন এমন যৌগদ্বয়কে পরস্পরের আইসোমার বলা হয়।
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই, কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।
- প্রোটন + নিউট্রন = ভরসংখ্যা, তাই , 'পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই' এই ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যাও সমান হবে।
অপশন আলোচনা:
• আইসোবার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে।
- প্রোটন + নিউট্রন = ভরসংখ্যা, তাই 'ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন ' এই ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যাও ভিন্ন হবে।
• আইসোটোন:
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়।
• আইসোটোপ:
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।
- এইসব ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।
উৎস: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে।
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়।
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে।
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।
- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন।
যেমন-
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়।
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়।
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন।
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কোনি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন।
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান।
- পরবর্তীতে তিনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এই মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে।
- মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
- দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয় তবে তাকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে অর্থাৎ কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে।
- অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
- অভিকর্ষ বল একটি কেন্দ্রমুখী বল।
- মাধ্যাকর্ষণ বল বা অভিকর্ষের জন্য পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না।
- পৃথিবীর কেন্দ্রীয় আকর্ষণে আকৃষ্ট হয়ে বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সঙ্গে আবর্তিত হচ্ছে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গলনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ আয়োডিন একটি বহুল ব্যবহৃত এন্টিসেপটিক, যা ক্ষতস্থানে প্রয়োগ করে জীবাণু ধ্বংস ও সংক্রমণ প্রতিরোধ করা হয়। সাধারণত পোভিডোন-আয়োডিন (Povidone-iodine) দ্রবণ আকারে ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন:
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান।
বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন:
- নিউমোনিয়া নিরাময়ে পেনিসিলিন।
- যক্ষ্মা নিরাময়ে স্ট্রেপটোমাইসিন।
- টাইফয়েড নিরাময়ে ক্লোরোমাইসেটিন।
- অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন।
- চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে।
- শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে।
যেমন- আম, কাঁঠাল।
- গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে।
যেমন- আপেল, চালতা ইত্যাদি।
- প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন- সরল ফল, গুচ্ছফল ও যৌগিক ফল।
১) সরল ফল:
- ফুলের একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে যে ফলের উৎপত্তি তাকে সরল ফল বলে। যেমন- আম। এরা রসাল বা শুষ্ক হতে পারে।
- আবার সরল ফল দুই প্রকার।
যথা-
ক) রসাল ফল: যে ফলের ফলত্বক পুরু এবং রসাল তাকে রসাল ফল বলে। এ ধরনের ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না।
যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি।
খ) নীরস ফল: যে ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে।
যেমন- শিম, ঢেঁড়স, সরিষা ইত্যাদি।
২) গুচ্ছ ফল:
- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে।
যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি।
৩) যৌগিক ফল:
- একটি মজুরির সম্পূর্ণ অংশ যখন একটি ফলে পরিণত হয় তখন তাকে যৌগিক ফল বলে।
যেমন- আনারস, কাঁঠাল ইত্যাদি।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা:
স্থির চাপে একটি নির্দিষ্ট ভরের আদর্শ গ্যাসের তাপমাত্রা ক্রমাগত কমাতে থাকলে যে তাপমাত্রায় পৌছালে তার আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় তাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।
পরমশূন্য তাপমাত্রার মান -২৭৩° সেলসিয়াস, -৪৯৫.৪° ফারেনহাইট বা ০ কেলভিন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
যে তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ গলতে আরম্ভ করে সে তাপমাত্রাকে গলনাঙ্ক বলা হয়। কঠিন পদার্থের সাথে যদি কোন অপদ্রব্য মিশ্রিত অবস্থায় থাকে তাহলে বুঝতে হবে কঠিন পদার্থটি যে তাপমাত্রায় গলার কথা সে তাপমাত্রায় গলবে না।
একইভাবে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
প্রশ্নে যেহেতু তরল বা কঠিন উল্লেখ করে বলা হয় নি তাই সঠিক উত্তর হিসেবে গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক দুইটিই গ্রহণ করতে হবে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই।