বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৩৪ / ১৪০ · ১৩,৩০১১৩,৪০০ / ১৪,০৮০

১৩,৩০১.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. একই হয়
  2. বেশি হয়
  3. কম হয়
  4. খুব কম হয়
সঠিক উত্তর:
একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই হয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়। 
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরানো হউক না কেন পাওয়ার একই খরচ হয়, কারণ ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি। 
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাকটর উত্তপ্ত হয়, এই উত্তাপের কারণে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন, এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর যা তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারণে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়, ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩০২.
গামা রশ্মিকে কোন মাধ্যমে প্রভাবিত করা যায়?
  1. বিদ্যুৎক্ষেত্র
  2. চৌম্বকক্ষেত্র
  3. বিদ্যুৎক্ষেত্র ও চৌম্বকক্ষেত্র উভয়ই
  4. কোনো মাধ্যমে নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো মাধ্যমে নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো মাধ্যমে নয়
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মি হলো উচ্চ শক্তির একটি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো গামা রশ্মি বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ বা আধানহীন, তাই এটি কোনো বৈদ্যুতিক আধান বহন করে না। আধানহীন হওয়ার কারণে গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র (Electric Field) বা চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field) দ্বারা প্রভাবিত বা বিচ্যুত হয় না। 

গামা রশ্মি (Gamma Ray): 
- গামা রশ্মি হচ্ছে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)।
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান।
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়।
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন কণা, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না।
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়।
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩০৩.
বিদ্যুৎ আবিষ্কারের সাথে কোন শিল্প বিপ্লবের সম্পর্ক রয়েছে?
  1. ১ম শিল্প বিপ্লব
  2. ২য় শিল্প বিপ্লব
  3. ৩য় শিল্প বিপ্লব
  4. ৪ র্থ শিল্প বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
২য় শিল্প বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে। বর্তমান বিশ্বও টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর। এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে। এ শিল্পবিপ্লবগুলো বদলে দিয়েছে সারা বিশ্বের গতিপথ, বিশ্ব অর্থনীতির গতিধারা।

• ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব। এতে এক ধাপে অনেকদূর এগিয়ে যায় বিশ্ব।

• এরপর ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ফলে একেবারেই পাল্টে যায় মানুষের জীবনের চিত্র। কায়িক পরিশ্রমের জায়গা দখল করে নেয় বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রপাতি। শারীরিক শ্রমের দিন কমতে থাকে দ্রুততর গতিতে। এটিকে বলা হয় দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব। প্রথম শিল্পবিপ্লব থেকে দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের প্রভাব আরও বিস্তৃত।

• দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট। শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব। ইন্টারনেটের আবির্ভাবে তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

• চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আসছে এ ভার্চুয়াল জগতেরই আরও বিস্তৃত পরিসর নিয়ে। যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে! এ নিয়েই এখন তোলপাড় চলছে সারা দুনিয়াজুড়ে। প্রযুক্তিনির্ভর এ ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। বিশ্ব এখন জোর পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দিকে। বাংলাদেশও রয়েছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে।

উৎস: www.jugantor.com.
১৩,৩০৪.
তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে কোন তড়িৎদ্বারের মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ থেকে বের হয়?
  1. অ্যানোড
  2. ক্যাথোড
  3. অ্যানোড ও ক্যাথোড দুইটিতেই
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
ব্যাখ্যা

- তড়িৎ বিশ্লেষণ (electrolysis) প্রক্রিয়ায় অ্যানোড একটি ধনাত্মক তড়িৎদ্বার (positive electrode), যেখানে ঋণাত্মক আয়ন বা অ্যানায়নগুলো এসে ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়। এই ত্যাগের মাধ্যমে ইলেকট্রনগুলো দ্রবণ থেকে বেরিয়ে বাহ্যিক সার্কিটে প্রবেশ করে।অন্যদিকে, ক্যাথোড একটি ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার (negative electrode), যেখানে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়নগুলো এসে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। বাহ্যিক সার্কিট থেকে ইলেকট্রন ক্যাথোডে প্রবেশ করে। 

তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণে দুটি ধাতব পরিবাহী বা গ্রাফাইট দন্ড ব্যবহৃত হয়, যা তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। একটির মাধ্যমে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে, অন্যটির মাধ্যমে বের হয়ে যায়। 
- তড়িৎদ্বার ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং কোষের বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের জন্য দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যেমন-
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩০৫.
ক্যাসেটের ফিতার শব্দ কী হিসেবে রক্ষিত থাকে? 
  1. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
  2. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
  3. মেমোরি চিপ হিসেবে
  4. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার ও টেপ-রেকর্ডার বা ক্যাসেটের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক থাকে। এক্ষেত্রে স্মৃতির ফিতা বা টেপে ব্যবহৃত ক্রোমিয়াম ডাই অক্সাইড (CrO2) পদার্থের বহি:চৌম্বক ক্ষেত্র সরিয়ে নিলেও আবিষ্ট চৌম্বকত্বের বেশিরভাগই অটুট থাকে অর্থাৎ, এর আবিষ্ট চুম্বকত্ব স্থায়ী হয়। 
- ১৯৩০ সালের দিকে জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয় শব্দ সংরক্ষণের এই পদ্ধতি। 
- চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়েই ক্যাসেটের ফিতাতে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়। যথা- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, লাইভ লেকচার এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৩,৩০৬.
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. বিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর আকারের অর্ধেক হবে
  2. বিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর আকারের সমান হবে
  3. বিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন হবে না
  4. বাস্তব বিম্ব গঠিত হবে
সঠিক উত্তর:
বিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর আকারের সমান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর আকারের সমান হবে
ব্যাখ্যা
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১. দর্পণ থেকে বস্তু দূরত্ব যত, দর্পণ থেকে বিম্বের দূরত্ব তত।
২. বস্তু ও বিম্ব সংযোগকারী রেখা দর্পণ তলকে লম্বভাবে ছেদ করে।
৩. সমতল দর্পণে গঠিত বিম্ব অসদ ও সোজা।
৪. বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান হয়।
৫. বিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩০৭.
বেগ নির্ণয়ের জন্য কোন মৌলিক রাশিগুলোর প্রয়োজন হয়? 
  1. তাপমাত্রা এবং ভর
  2. ভর এবং সময়
  3. দূরত্ব এবং সময়
  4. দীপন তীব্রতা এবং ভর
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব এবং সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব এবং সময়
ব্যাখ্যা

ভৌত রাশি: 
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায় যেখানে ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। পানির তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায় যেখানে পানির তাপমাত্রাও একটি রাশি ইত্যাদি। 

মৌলিক রাশি: 
- এসকল রাশির মধ্যে কয়েকটি রাশি রয়েছে যেগুলো পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না। এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩০৮.
যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে বলা হয় পরস্পরের-
  1. আইসোটোন
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number):
- কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

• আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। 

• আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

• আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার।
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩০৯.
'স্পিকার' কোন শক্তিকে কোন শক্তিতে রূপান্তরিত করে?
  1. তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে
  2. তড়িৎ শক্তিকে তাপ শক্তিতে
  3. শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে
  4. শব্দ শক্তিকে তাপ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- স্পিকার মাইক্রোফোনের বিপরীত কাজটি করে।
- এটি তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

⇒ তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে পরিণত করার জন্য স্পিকারের ভিতর স্থায়ী চুম্বকের সামনে একটি ছোট তড়িতচুম্বক রাখা হয়।
- স্থায়ী চুম্বকটি স্থিরভাবে অবস্থান করে কিন্তু তড়িতচুম্বকটি ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে।
- যখন মাইক্রোফোন থেকে আগত তড়িৎ শক্তি তড়িতচুম্বকের মধ্যে প্রবাহিত হয়, তখন স্থির চুম্বক হতে সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র এবং চলমান চৌম্বক ক্ষেত্রে মিথস্ক্রিয়া ঘটে।
- এর ফলে ঝুলন্ত তড়িতচুম্বকটি সামনে পিছনে চলাচল করে।
- এ চলাচলের ফলে বায়ুর সংকোচন-প্রসারণ ঘটে এবং শব্দের সৃষ্টি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩১০.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আর্গন : ০.৮০ শতাংশ
- কার্বন ডাইঅক্সাইড : ০.০৩ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প : ০.৪১ শতাংশ
- ধূলিকণা : ০.০১ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস : ০.০২ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৩১১.
গর্ভাবস্থায় অমরা (placenta) অতিক্রম করে মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রূণদেহে বহন করে কোন অ্যান্টিবডি?
  1. IgA
  2. IgM
  3. IgE
  4. IgG
সঠিক উত্তর:
IgG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IgG
ব্যাখ্যা

IgG হলো একমাত্র অ্যান্টিবডি যা গর্ভাবস্থায় অমরা অতিক্রম করে মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রূণদেহে বাহিত করে। যা নবজাতকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অ্যান্টিবডি:
- দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র (immune system) থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে (যেমন-ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে তাকে অ্যান্টিবডি বলে।
- প্রত্যেকটি অ্যান্টিবডি হচ্ছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (সংক্ষেপে Ig) নামে বিশেষ ধরনের একেকটি প্রোটিন অণু।
- শ্বেত রক্তকণিকার অন্যতম প্রধান কণিকা লিম্ফোসাইট।
- লিম্ফোসাইট দু'ধরনের: (১) T-কোষ ও (২) B-কোষ।
- B-লিম্ফোসাইট কয়েক উপধরনে বিভক্ত যার একটি হচ্ছে প্লাজমা B-কোষ, সংক্ষেপে প্লাজমাকোষ নামে পরিচিত।
- প্লাজমাকোষ থেকে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়।
- প্রয়োজনে প্রত্যেক প্লাজমাকোষ প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করতে পারে।
- মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে।

অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ:
- অ্যান্টিবডির গড়নে যে ভারী শৃঙ্খল রয়েছে তাতে অ্যামিনো এসিডের ক্রমের (sequence) ভিত্তিতে ভারী শৃঙ্খল ৫ ধরনের: γ-(gamma), α-(alpha), μ-(mu), ε-(epsilon) এবং δ-(delta)।
- এ পাঁচ ধরনের ভারী শৃঙ্খলবিশিষ্ট অ্যান্টিবডিগুলো নিচে বর্ণিত ৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত। যেমন-

১। ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA):
- দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১৫% হচ্ছে IgA |
- এ ধরনের অ্যান্টিবডি মিউকাস ঝিল্লিতে আবৃত থাকে, যেমন-পরিপাক, জনন ও শ্বসনতন্ত্রে বিস্তৃত হয় এবং সেখানে রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীর ও অণুকণাকে প্রশমিত করে।
- মায়ের দুধেও IgA পাওয়া যায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুদেহে স্থানান্তরিত হয়।

২। ইমিউনোগ্লোবিউলিন D (IgD):
- দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১%-এরও কম হচ্ছে IgD ।
- রক্ত, লসিকা ও লিম্ফোসাইট B-কোষে এ lg পাওয়া যায়।
- এর কাজ অজ্ঞাত হলেও বিজ্ঞানিদের ধারণা, IgD B-কোষকে সক্রিয়করণে ভূমিকা পালন করে।

৩। ইমিউনোগ্লোবিউলিন E (IgE):
- দেহের মোট ।g-র মধ্যে প্রায় ০.১% হচ্ছে IgE।
- এটি দুর্লভ Ig।
- B-কোষ, মাস্টকোষ ও বেসোফিলে এ Ig পাওয়া যায়।
- হিস্টামিন ক্ষরণকে উদ্দীপ্ত করে এটি প্রদাহ সাড়া সক্রিয় করে।

৪। ইমিউনোগ্লোবিউলিন G (IgG):
- দেহের মোট ইমিউনোগ্লোবিউলিনের (Ig) 75% IgG |
- রক্ত, লসিকা, অন্ত্র ও টিস্যু তরলে এ Ig বিস্তৃত থাকে।
- কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং অনেক বিষাক্ত পদার্থকে প্রশমিত করে।
- IgG ই একমাত্র অ্যান্টিবডি যা গর্ভাবস্থায় অমরা অতিক্রম করে মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রূণদেহে বাহিত করে।

৫। ইমিউনোগ্লোবিউলিন M (IgM):
- দেহের মোট IG-এর ৫-১০% IgM ।
- ABO ব্লাড গ্রুপের রক্তকণিকার অ্যান্টিবডি এ ধরনের।
- IgM পাওয়া যায় রক্ত ও লসিকায়।
- এটি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং বহিরাগত কোষকে পরস্পরের সঙ্গে আসঞ্জিত করে দেয়।
- অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া ও কিছু ভাইরাসের বিরুদ্ধে স্পেসিফিক ইমিউন সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে IgG & IgM একত্রে কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

১৩,৩১২.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. অ্যামপ্লিফায়ার
  2. রেজিস্ট্যান্স 
  3. রেকটিফায়ার
  4. ক্যাপাসিটর 
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামে পরিচিত। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩১৩.
কোন ধরনের মাধ্যম শব্দ তরঙ্গকে বহন করতে পারে না?
  1. কঠিন মাধ্যমে
  2. তরল মাধ্যমে
  3. শূন্য মাধ্যমে
  4. বায়ু মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• শব্দ তরঙ্গ হলো কণার কম্পন থেকে উৎপন্ন সংকেত, যা কণার মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে। শব্দের জন্য কোনো মাধ্যমের কণা থাকা আবশ্যক। কঠিন, তরল এবং বায়ুর কণার উপস্থিতি থাকায় শব্দ এগুলোতে চলতে পারে। কিন্তু শূন্য বা ভ্যাকুয়ামে কণা নেই, তাই শব্দের জন্য কোন মাধ্যম নেই এবং শব্দ তরঙ্গ শূন্যে চলতে পারে না। সুতরাং, শূন্য মাধ্যম শব্দ বহন করতে অক্ষম।

শব্দ তরঙ্গ:
- বস্তু একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। 
- তরঙ্গ চলাচলের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গ প্রবাহের দিক ও কম্পনের দিক একই। 
- সব তরঙ্গই শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ করে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩১৪.
ডিডিটি বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) কীটনাশক
  2. খ) সার
  3. গ) বিস্ফোরক পদার্থ
  4. ঘ) পানি বিশোধক
সঠিক উত্তর:
ক) কীটনাশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কীটনাশক
ব্যাখ্যা

- ডিডিটি হলো একটি কীটনাশক।
- ডিডিটি'র পূর্ণ নাম ডাইক্লোরোডাইফিনালট্রাইক্লোরোমিথেন (Dichlorodiphenyltrichloroethane – DDT)
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ১৯৪০ সালে DDT আবিষ্কৃত হলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ কীটনাশক হিসেবে অজৈব ও উদ্ভিদজাত পদার্থ থেকে গুণগত মানের দিক থেকে উন্নত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

১৩,৩১৫.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
থার্মোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর হলো থার্মোস্ফিয়ার।
- এটি ৫০০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে সৌরবিকিরণ মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ৪২৭°C থেকে ১৭২৭° C এর মধ্যে পরিবর্তিত হয়।
- বায়ুমণ্ডলের এ স্তরেই তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৩,৩১৬.
উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া কোন অঙ্গাণুতে সম্পন্ন হয়?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. প্লাস্টিড
  3. নিউক্লিয়াস
  4. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা

প্লাস্টিডের একটি প্রকারভেদ হলো ক্লোরোপ্লাস্ট, যেখানে ক্লোরোফিল থাকার কারণে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ঘটে।

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে, তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল হলো তার প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।

উল্লেখ্য-
- নিউক্লিয়াস: এটি কোষের ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া: এখানে শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয় (কোষের শক্তির ঘর)।
- এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম: এটি মূলত প্রোটিন ও লিপিড সংশ্লেষণ এবং পরিবহনে সহায়তা করে।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩১৭.
যে স্থানে g-এর মান বেশি, সেখানে বস্তুর ওজন কেমন হয়? 
  1. বেশি 
  2. কম 
  3. শূন্য 
  4. অপরিবর্তিত
সঠিক উত্তর:
বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি 
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন: 
- বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। 
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- মেরু অঞ্চলে g - এর মান বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজনও বেশি। 
- আবার পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজনও শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১৩,৩১৮.
পরমশূন্য তাপমাত্রা হল-
  1. ক) 0°C
  2. খ) 0K
  3. গ) 273K
  4. ঘ) 212°F
সঠিক উত্তর:
খ) 0K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 0K
ব্যাখ্যা
স্থির চাপে গাণিতিকিভাবে যে তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে (-273°C বা 0K) পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৩,৩১৯.
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে কোনটি? 
  1. রেজিস্টর 
  2. ট্রান্সফরমার 
  3. রেকটিফায়ার 
  4. ট্রানজিস্টর 
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার 
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
অর্থাৎ, এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে- রেকটিফায়ার। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার। 
যথা- (ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 
 
ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
 
উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন। 
৩। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩২০.
ইনসুলিন হরমোন কোন অঙ্গ থেকে নির্গত হয়? 
  1. থাইরয়েড
  2. লিভার 
  3. প্যানক্রিয়াস
  4. কিডনি
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
ব্যাখ্যা

ডায়াবেটিস রোগ: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩২১.
এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন কণাগুলোর আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় -
  1. বিক্ষেপণ
  2. প্রতিসরণ
  3. অপবর্তন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩,৩২২.
ট্রানজিস্টর কয় ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে (Bell Laboratory) প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টার ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক সাধারণ ট্রানজিস্টারে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক (Charge carrier) থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টার বলে ।
- পয়েন্ট কন্টাক্ট (Point contact) এবং জাংশন তৈরি পদ্ধতিতে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দু'ধরনের। যথা- n-p-n এবং এ p-n-p।
- বিশেষ প্রক্রিয়ায় দুটি p-n জাংশন পাশাপাশি সংযোগ করলে n-p-n বা p-n-p ট্রানজিস্টর পাওয়া যায়।

সূত্র: ৩৫৪ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   
১৩,৩২৩.
একটি চুম্বক শলাকাকে অনুভূমিকভাবে ঝুলিয়ে দিলে শলাকাটি কোন দিকে মুখ করে থাকে?
  1. পূর্ব-পশ্চিম
  2. উত্তর-দক্ষিণ
  3. উত্তর-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
উত্তর-দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: (খ) উত্তর-দক্ষিণ

 • চুম্বকত্ব: 
- যে বস্তু অন্য বিশেষ ধর্ম বিশিষ্ট বস্তুকে আকর্ষণ করতে পারে এবং যাকে মুক্তভাবে ঝুলিয়ে দিয়ে সাম্যাবস্থায় একটি নির্দিষ্ট দিকে (উত্তর -দক্ষিণে) মুখ করে থাকে, তাকেই সাধারণ ভাবে চুম্বক বলা হয়। 
- যে ধর্মের জন্য একটি চুম্বক অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে সেই ধর্মকে বলা হয় চুম্বকত্ব। 
- চুম্বকত্ব পদার্থের একটি ভৌত ধর্ম। 
- কোন পদার্থকে কৃত্রিম উপায়ে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন, তাপমাত্রা ইত্যাদির তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- আর যেসব বস্তু চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত বা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ (Magnetic substance) বলা হয়। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি চৌম্বক পদার্থ। 
- একটি চুম্বক শলাকাকে এর ভারকেন্দ্রে অনুভূমিকভাবে ঝুলিয়ে দিলে শলাকাটি সর্বদাই উত্তর-দক্ষিণ দিকে মুখ করে থাকে। 
- চুম্বকের এই অবস্থায় সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে রানী এলিজাবেথের গৃহ চিকিৎসক ড. গিলবার্ট সর্বপ্রথম এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, একটি চুম্বক ক্ষেত্র পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে অর্থাৎ পৃথিবী নিজেই একটি বড় চুম্বক। 
- পৃথিবীর এ চুম্বকত্বকে ভূ-চুম্বকত্ব বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩২৪.
ভেক্টর রাশির ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) শুধু মান দিয়ে প্রকাশ করা যায় না।
  2. খ) ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
  3. গ) ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
  4. ঘ) ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
সঠিক উত্তর:
গ) ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়।
এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি।  

ভেক্টর রাশির ধর্ম (Properties of vector):
ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। যেমন-
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩২৫.
ঝিনুক বা শামুকের খোলস কি দিয়ে গঠিত?
  1. ক) ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

ঝিনুক বা শামুকের খোলসে প্রায় ৯৮% ক্যালসিয়াম কার্বনেট থাকে। তাপ দিয়ে ঝিনুক বা শামুকের খোলস থেকে চুন তৈরি করা হয়।
তাপে ঝিনুক বা শামুকের খোলসে থাকা ক্যালসিয়াম কার্বনেট ভেঙ্গে গিয়ে ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা চুন এবং কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩২৬.
মাটি সমান্তরাল কতটি স্তরে বিভক্ত?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
  5. ঙ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
মাটি ৪ টি সমান্তরাল স্তরে বিভক্ত। প্রতিটি স্তরকে দিগবলয় বা হরাইজোন (Horizon) বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
১৩,৩২৭.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পরিবহনের কাজ করে কোনটি?
  1. রক্ত
  2. লসিকা
  3. শিরা
  4. ধমনী
সঠিক উত্তর:
রক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্ত
ব্যাখ্যা
- ফুসফুস থেকে মানবদেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পরিবহন এবং প্রতিটি কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে পরিবহনের কাজ করে থাকে রক্ত। 
- লসিকা শরীরের প্রতিরক্ষায় সাহায্য করে এবং স্নেহ জাতীয় খাদ্যের শোষণ ও পরিবহনে সাহায্য করে।
- মূত্র এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশিত হয়।

- ধমনীর সাহায্যে হৃদপিণ্ড থেকে দেহে রক্ত সঞ্চারিত হয়।
- শিরার সাহায্যে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্ত হৃদপিন্ডে ফিরে আসে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১৩,৩২৮.
পরপর দুটি সুস্পন্দ বিন্দুর বা দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?
  1. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক 
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সমান 
  3. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তিনগুণ
  4. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক 
ব্যাখ্যা

স্থির তরঙ্গ: 
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে। 
- এই তরঙ্গ তার বা দড়ি বেয়ে অগ্রসর না হয়ে বরং তার বা দড়ির ঐ অংশের মধ্যে উৎপন্ন ও লুপ্ত হবে। তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই। 
- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে। যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
​- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির। 
- পরপর দুটো সুস্পন্দ বিন্দু বা দুটো নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। 
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩২৯.
একটি গর্ভপত্রের কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

স্ত্রীস্তবক : পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়।
এটি ফুলের আর একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক। এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়। স্ত্রীস্তবকে এক বা একাধিক গর্ভপত্র থাকতে পারে।
- একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ।
যথা- গর্ভাশয় , গর্ভদন্ড ও গর্ভমুন্ড।

পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক প্রজননের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। এরা সরাসরি প্রজননে অংশ নেয়। তাই এরা অত্যাবশ্যকীয় স্তবক।
কিন্তু পুষ্পাক্ষ, বৃতি ও দলমন্ডল প্রজননে সরাসরি অংশ নেয় না। তাই এরা সাহায্যকারী স্তবক। তবে প্রজননে গুরুত্বপূর্ণঅবদান রাখে।
সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৩,৩৩০.
গরম চায়ের কাপে নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে? 
  1. পাতন
  2. ঘনীভবন
  3. বাষ্পীভবন
  4. ঊর্ধ্বপাতন
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
বাষ্পীভবন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। 
যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় বাষ্পাকারে উড়ে যায়। 

ঘনীভবন: 
- আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে। 
যেমন: জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠান্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়। 

পাতন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। 
অর্থাৎ, পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। 

ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন: নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৩৩১.
ইনসুলিন কোন অঙ্গের কোন কোষ থেকে নিঃসৃত হয়?
  1. অগ্ন্যাশয়ের α কোষ
  2. অগ্ন্যাশয়ের β কোষ
  3. যকৃৎ কোষ 
  4. হাড়ের মজ্জার কোষ 
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়ের β কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়ের β কোষ
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা (β) কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৩২.
মানুষের মধ্যে র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণ কোন রোগ ঘটায়?
  1. নিউমোনিয়া
  2. জলাতঙ্ক
  3. ডেঙ্গু
  4. গুটিবসন্ত
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা

• মানুষের মধ্যে র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণ জলাতঙ্ক (Rabies) রোগ ঘটায়। এই রোগ সাধারণত আক্রান্ত প্রাণীর কামড় বা লালা মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। ভাইরাস কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে, যার ফলে মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে জ্বর, মাথা ব্যথা, ক্লান্তি, এবং অস্বাভাবিক উদ্দীপনা দেখা দেয়। পরে রোগীর মধ্যে জলের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা (hydrophobia), চিৎকার, প্রচণ্ড উদ্দীপনা, এবং বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। যদি সময়মতো চিকিৎসা না করা হয়, জলাতঙ্ক প্রায়শই মারাত্মক হয়ে যায়। তাই আক্রান্ত প্রাণীর কামড়ের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত টিকা এবং চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: খ) জলাতঙ্ক।

ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
যেমন- 
 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৩৩.
অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৬
  3. গ) ২
  4. ঘ) ৩
সঠিক উত্তর:
গ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২
ব্যাখ্যা
কোষের প্রকারভেদ:

- অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- 
- দেহ কোষ।
- জনন কোষ।
• দেহ কোষ,
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। যেমন— পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি।
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে। তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড (2n) কোষ বলা হয়।
জনন কোষ,
-  জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। যেমন- শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি।
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক। তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ বলা হয়।

অন্যদিকে,
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
আদি কোষ।
প্রকৃত কোষ। 

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৩৪.
কোন দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়? 
  1. সম্পৃক্ত দ্রবণে
  2. অসম্পৃক্ত দ্রবণে
  3. অতিপৃক্ত দ্রবণে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অসম্পৃক্ত দ্রবণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্পৃক্ত দ্রবণে
ব্যাখ্যা
দ্রবণ (Solution): 
- কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয়। 

দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ: 
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
i. সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 

ii. অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়। 

iii. অতিপৃক্ত দ্রবণ (Super-saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৩৫.
ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. এইডস
  3. চোখ ওঠা
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা

- জন্ডিস হয়ে থাকে হেপাটাইটিস- এ, বি, সি, ডি, ই ইত্যাদি ভাইরাসের কারণে।
- এইডস হয়ে থাকে HIV নামক ভাইরাসের কারণে।
- চোখ ওঠা বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এদের মধ্যে এডেনো ভাইরাস, পিকর্না ভাইরাস, হার্পিস ভাইরাস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- নিউমোনিয়া প্রধানত স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৩,৩৩৬.
কোনটি ভিনেগার? 
  1. 6-10% HCOOH
  2. 6-10% C6H5COOH
  3. 6-10% C2H5COOH
  4. 6-10% CH3-COOH
সঠিক উত্তর:
6-10% CH3-COOH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6-10% CH3-COOH
ব্যাখ্যা
ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
- এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
- এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়। 
- তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
১. মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
২. যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
৩. ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
৪. পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
৫. দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৩৭.
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে -
  1. ক) শ্বেতরক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  2. খ) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
  3. গ) কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
১৩,৩৩৮.
Photosynthesis takes place in-
  1. Roots of the plants
  2. Stems of the plants
  3. Green parts of the plants
  4. All parts of the plants
সঠিক উত্তর:
Green parts of the plants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Green parts of the plants
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোপ্লাস্ট নামক ছোট জিনিসগুলোতে উদ্ভিদ কোষের ভিতরে সালোকসংশ্লেষণ হয়। 
- ক্লোরোপ্লাস্টে (বেশিরভাগই মেসোফিল স্তরে পাওয়া যায়) ক্লোরোফিল নামে একটি সবুজ পদার্থ থাকে। 
- সুতরাং, সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের সবুজ অংশে সঞ্চালিত হয়।

- Photosynthesis takes place inside plant cells in small things called chloroplasts. 
- Chloroplasts (mostly found in the mesophyll layer) contain a green substance called chlorophyll. 
- So, Photosynthesis takes place in green parts of the plants

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৩৩৯.
নিচের কোন প্রাণীর দেহে কখনোই নটোকর্ড থাকে না?
  1. অ্যাসিডিয়া
  2. ঘাস ফড়িং
  3. অ্যাম্ফিঅক্সাস
  4. সোনাব্যাঙ
সঠিক উত্তর:
ঘাস ফড়িং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘাস ফড়িং
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ভ্রূণাবস্থায় বা আজীবন দেহের পৃষ্ঠ-মধ্যরেখা বরাবর অবস্থিত কিছুটা নমনীয়, স্থিতিস্থাপক ও ছিদ্রযুক্ত টিস্যুর দণ্ডকে নটোকর্ড বলে।
- যেসব প্রাণীর দেহে কখনোই নটোকর্ড থাকে না তাদের ননকর্ডেট বলে। যেমনঃ কেঁচো, ঘাসফড়িং ইত্যাদি।
- যেসব প্রাণীর দেহে আজীবন বা শুধু ভ্রূণ অবস্থায় নটোকর্ড থাকে তাদের কর্ডেট বলে৷ যেমনঃ অ্যাসিডিয়া, অ্যাম্ফিঅক্সাস, ল্যাং ফিশ, মানুষ, পাখি, সোনাব্যাঙ ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৩,৩৪০.
পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যামিবা
  2. ঈস্ট
  3. টি-২ ফাজ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঈস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈস্ট
ব্যাখ্যা
ইস্ট:
- পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয়।
- ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক যা কার্বহাইড্রেড ও অক্সিজেনের উপর ক্রিয়া করে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন CO₂ বা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে।
- পাউরুটি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফোলার পর ওভেনে বেকিং করা হয়।
- উত্তাপে ইস্ট মরে যায় এবং CO₂ উৎপন্ন হওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রুটি ফোলাও বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৪১.
মনেরাকে ব্যাকটেরিয়া রাজ্য হিসেবে পুনঃনামকরণ করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) Carl Linnaeus
  2. খ) Margulis
  3. গ) Robert Whittaker
  4. ঘ) Thomas Cavalier Smith
সঠিক উত্তর:
ঘ) Thomas Cavalier Smith
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Thomas Cavalier Smith
ব্যাখ্যা

২০০৪ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির Thomas Cavalier Smith, জীবজগতের Protista রাজ্যকে Protozoa এবং Chromista নামে দুইটি ভাগে ভাগ করেন।
তিনি মনেরাকে ব্যাকটেরিয়া রাজ্য হিসেবে পুনঃনামকরণ করেন। এভাবে তিনি পুরো জীবজগতকে মোট ছয়টি রাজ্যে ভাগ করেছেন।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৩,৩৪২.
Which system in the brain controls voluntary muscle movements?
  1. Nervous system
  2. Respiratory system
  3. Digestive system
  4. Endocrine system
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Nervous system
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nervous system
ব্যাখ্যা
• স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু: 
- প্রাণী দেহের যে কলা উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে পারে তাকে স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু বলে। 
যেমন- মস্তিষ্ক, সুষুম্না কাণ্ড ইত্যাদি। 
- স্নায়ুটিস্যুর একক হচ্ছে স্নায়ুকোষ বা নিউরন। 
- মস্তিষ্ক অসংখ্য স্নায়ুকোষ বা নিউরন দিয়ে তৈরি। 

• প্রতিটি নিউরন তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা-
(ক) কোষদেহ,
(খ) ডেনড্রন এবং
(গ) অ্যাক্সন। 

স্নায়ুটিস্যুর কাজ: 
• দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় ও সংবেদন গ্রহণকারী অঙ্গ থেকে গৃহীত উদ্দীপনা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। 
• দেহের কার্যকর অংশ এ উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। 
যেমন- মশা কামড়ালে এ অনুভূতি মস্তিষ্কে পাঠায়, মস্তিষ্ক হাতকে এ কথা জানায় তখন হাত মশা মারার চেষ্টা করে। 

• উদ্দীপনা বা ঘটনাকে স্মৃতিতে ধারণ করে। 
• দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১৩,৩৪৩.
মানব দেহের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য কতটি খাদ্য উপাদান প্রয়োজন হয়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান:

- খাদ্যের যেসব জৈব ও অজৈব উপাদান দেহের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে তাদের খাদ্য উপাদান বা Nutrients বলে।
- দেহের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য ৬টি খাদ্য উপাদান প্রয়োজন হয়।
- খাদ্য উপাদান ৬টি। যথা:
• আমিষ বা প্রোটিন।
• শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট।
• স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাট।
• ভিটামিন বা খাদ্যপ্ৰাণ।
• খনিজ লবণ বা মিনারেল।
• পানি।

তথ্যসুত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৪৪.
বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ওয়াট-সেকেন্ড
  2. খ) ওয়াট-ঘন্টা
  3. গ) কিলোওয়াট-সেকেন্ড 
  4. ঘ) কিলোওয়াট-ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোওয়াট-ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোওয়াট-ঘন্টা
ব্যাখ্যা
বোর্ড অফ ট্রেড ইউনিট কে সংক্ষেপে ইউনিট বলা হয়। এটি বিদ্যুৎ শক্তি পরিমাপের একক। পদার্থ বিজ্ঞান এ ব্যবহৃত একক 1 কিলোওয়াট/ঘন্টা কে বাণিজ্যিকভাবে হিসেবের সুবিধার্থে 1 ইউনিট বলা হয়। 
এটি বিদ্যুৎ এর বানিজ্যিক ব্যবহারের একক। এটি ইউনিট নামেই বেশ পরিচিত। 
 
SOURCE: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
১৩,৩৪৫.
হৃৎপিণ্ড কতটি স্তর বিশিষ্ট পেশি দ্বারা গঠিত?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডে বাইরের দিক থেকে যথাক্রমে এপিকার্ডিয়াম, এন্ডোকার্ডিয়াম ও মায়োকার্ডিয়াম এই তিন স্তরে গঠিত।
সূত্রঃ ২৭তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
১৩,৩৪৬.
নিম্নের কোনটি উভয়লিঙ্গ ফুল নয়?
  1. গোলাপ
  2. ধুতুরা
  3. কুমড়া
  4. জবা
সঠিক উত্তর:
কুমড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমড়া
ব্যাখ্যা
- কুমড়া উভয়লিঙ্গ ফুল নয়।

• ফুল: 
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে পুষ্পাক্ষ বলে।
 
২. বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি।
- এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যংশ বলা এটি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য হয়। 
- বৃতি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য স্তবকগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কীটপতঙ্গের আক্রমণ এবং বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে । - সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে। 
- বৃতি যখন রঙ বেরঙের হয় তখন তারা পরাগায়নের মাধ্যম হিসেবে কীটপতঙ্গ, পশু-পাখি ইত্যাদিকে আকর্ষণ করে ।
 
৩. দলমন্ডল: 
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়। 
 
৪. পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়। 
 
৫. স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়। 
- এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়। একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ । যথা- গর্ভাশয় (Ovary), গর্ভদন্ড (Style) ও গর্ভমুন্ড (Stigma)। 
 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়। 
- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।  যেমন গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন কুমড়া আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১৩,৩৪৭.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. ক) শীতল
  2. খ) শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. গ) শীতল ও আর্দ্র
  4. ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।

ঘূর্ণিঝড়ের গঠন: ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে হলে কিছু বৈশিষ্ট্য বা উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো হলো-
১. সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
২. মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
৩. উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৪৮.
রক্তের অস্বাভাবিকতার কারণে-
  1. ক) হার্ট এটাক হয়
  2. খ) এনজিনা হয়
  3. গ) বাতজ্বর হয়
  4. ঘ) লিউকোমিয়া হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিউকোমিয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিউকোমিয়া হয়
ব্যাখ্যা
রক্তের ক্যান্সার বা লিউকেমিয়া রক্তের অস্বাভাবিকতাজনিত রোগ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
১৩,৩৪৯.
অগ্ন্যাশয় থেকে কোন উৎসেচক নিঃসৃত হয়?
  1. লাইপেজ
  2. গ্লুকাগন
  3. পেপসিন
  4. মিউকাস
সঠিক উত্তর:
লাইপেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইপেজ
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যাশয়: 
- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি। 
- এটি একাধারে পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইম ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিঃসৃত করে। 
অর্থাৎ, অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে। 
- অগ্ন্যাশয়রস অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে যকৃৎ-অগ্ন্যাশয়নালি দিয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 
- অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয়রস নিঃসৃত হয়, আর এই অগ্ন্যাশয়রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক থাকে। 
- এসব এনজাইম শর্করা, আমিষ এবং স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে। তাছাড়াও অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অতি প্রয়োজনীয় কিছু হরমোন, যেমন: গ্লুকাগন ও ইনস্যুলিন নিঃসরণ করে। 
- গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৫০.
A microphone is a device that captures sound input and converts it into ____________________.
  1. Heat energy
  2. Solar energy
  3. Gravitational energy
  4. Electrical energy
  5. Wind energy
সঠিক উত্তর:
Electrical energy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electrical energy
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোনে শব্দ শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তর করা হয়। আর স্পীকারে তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করা হয় ।

• শক্তির রূপান্তর:
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
- কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
- ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি।
১৩,৩৫১.
ভাইরাসের গঠনে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাইবােসােম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. সাইটোপ্লাজম
  4. নিউক্লিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের গঠনে নিউক্লিক অ্যাসিড অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) নিউক্লিক অ্যাসিড। ভাইরাস কোনো পূর্ণাঙ্গ কোষ নয়, তাই এতে রাইবোসোম, নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। ভাইরাস মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত- একটি হলো জিনগত উপাদান (DNA বা RNA), যা নিউক্লিক অ্যাসিড, এবং অন্যটি হলো প্রোটিন আবরণ বা ক্যাপসিড। এই নিউক্লিক অ্যাসিডের মাধ্যমেই ভাইরাস বংশবিস্তার ও সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম হয়। জীবকোষের ভেতরে প্রবেশ না করলে ভাইরাস কোনো বিপাকীয় কাজ করতে পারে না, তাই একে জীব ও অজীবের মধ্যবর্তী বলা হয়।
 
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৫২.
বজ্রপাতের সময় যে বৈদ্যুতিক ঝলক দেখা যায়,তা পদার্থের কোন অবস্থা?
  1. ক) প্লাজমা অবস্থা
  2. খ) গ্যাসীয় অবস্থা
  3. গ) তরল অবস্থা
  4. ঘ) কঠিন অবস্থা
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাজমা অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাজমা অবস্থা
ব্যাখ্যা
• প্লাজমা পদার্থের অণুসমূহ পরস্পরের কাছাকাছি থাকে, তবে তাদের মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি কঠিন পদার্থের মত প্রবল নয়। 
• বজ্রপাতের সময় যে বৈদ্যুতিক ঝলক দেখা যায় তা প্লাজমা।

- প্লাজমা অবস্থা হলো পদার্থের চতুর্থ অবস্থা।
- প্লাজমা অবস্থায় পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা থাকে
- প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস। 
- এ অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়।
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- সূর্যসহ মহাবিশ্বের নক্ষত্রসমূহের অভ্যন্তরভাগ প্লাজমা অবস্থার উদাহরণ ।
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
 
উৎস : পদাথবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৫৩.
জমির লবণাক্ততা নিয়িন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. ক) কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. খ) পানি সেচ
  3. গ) মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
  4. ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
খ) পানি সেচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি সেচ
ব্যাখ্যা
জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে পানি সেচ খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
Source: fao.org
১৩,৩৫৪.
নিচের কোনটি ফানজাই রাজ্যভুক্ত?
  1. ক) নীলাভ সবুজ শৈবাল
  2. খ) বহুকোষী শৈবাল
  3. গ) পেনিসিলিয়াম
  4. ঘ) অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
গ) পেনিসিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেনিসিলিয়াম
ব্যাখ্যা
নীলাভ সবুজ শৈবাল এবং ব্যাকটেরিয়া মনেরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
অ্যামিবা, এককোষি এবং বহুকোষী শৈবাল প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
ইস্ট, পেনিসিলিয়াম এবং মাশরুম ফানজাই রাজ্যভুক্ত।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১৩,৩৫৫.
উদ্ভিদে ক্লোরোসিস হয় কোনটির অভাবে?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ম্যাঙ্গানিজ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরােফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ক্লোরাোেফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরােসিস (chlorosis) বলে।
লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরােসিস হতে পারে কেননা এগুলােও ক্লোরােফিল উৎপাদনের সাথে কোনাে না কোনােভাবে জড়িত।
ক্লোরােসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।

১৩,৩৫৬.
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত -
  1. ক) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  2. খ) আলোর প্রতিসরণ
  3. গ) শব্দের প্রতিধ্বনি
  4. ঘ) শব্দের প্রতিসরণাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দের প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দের প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা

প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 

- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকেই শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূলধ্বনি ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড হওয়া প্রয়োজন।
শব্দের প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
হাইড্রোফোন নামে এক রকমের যন্ত্রের সাহায্যে মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিখুঁতভাবে পাওয়া যায়।


প্রতিধ্বনির ব্যবহারসমূহ- 
১. হিমশৈল জাহাজের অস্তিত্ব নির্ণয়ে
২. বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ নির্ণয়ে
৩. পাতলা পাতের পুরুত্ব নির্ণয়ে
৪. ক্ষতিকারক অণুজীব ধ্বংস করতে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়
৫. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করবার ক্ষেত্রে। 

সূত্র: National Ocean Service [লিঙ্ক]

১৩,৩৫৭.
গ্যালেনা কোন ধাতুর আকরিক? 
  1. লেড 
  2. লোহা 
  3. অ্যালুমিনিয়াম 
  4. তামা 
সঠিক উত্তর:
লেড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড 
ব্যাখ্যা

খনিজ (Minerals): 
- মাটির উপরিভাগে বা মাটির তলদেশে যেসকল পদার্থ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রবাদি যেমন-বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয় তাদেরকে খনিজ বলা হয়। 
- যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাকে খনি বলে। 

আকরিক (Ores): 
- যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা য়ায সে সকল খনিজকে আকরিক বলে। 
যেমন- গ্যালেনা (PbS) থেকে লাভজনকভাবে লেড ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, তাই গ্যালেনাকে লেড ধাতুর আকরিক বা লেড ধাতুর খনিজ বলা হয়। 
- বক্সাইট থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। অতএব বক্সাইটকে অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক বা খনিজ বলা হয়। আবার, কাদামাটি থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না, সেজন্য কাদামাটি শুধু অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয়। 
- অতএব, আকরিক হলে সেটা অবশ্যই খনিজ হবে কিন্তু খনিজ হলে সেটা আকরিক নাও হতে পারে। 
- আয়রনের সালফাইডকে আয়রন পাইরাইটস (FeS2) বলা হয়। আয়রন পাইরাইটস থেকে আয়রন ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৫৮.
কোন মাধ্যমে শব্দ সবচেয়ে দ্রুত সঞ্চালিত হয়?
  1. কঠিন 
  2. তরল 
  3. শূন্য
  4. বায়ু 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

শব্দের সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টিকরে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
যেমন- একটি লম্বা স্প্রিং নিয়ে এর এক প্রান্তে আঘাত করলে দেখবে স্প্রিংটির সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আন্দোলন সঞ্চালিত হচ্ছে, শব্দের ঢেউ এভাবেই সঞ্চালিত হয়। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়; আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১৩,৩৫৯.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়? 
  1. ক্যালসিয়াম 
  2. ফসফরাস 
  3. নাইট্রোজেন
  4. পটাশিয়াম 
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে নাইট্রোজেন নামক খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়।
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ। 
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 
 - বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট।
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে। 
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। 
- গাছপালা তখন মাটি থেকে 'নাইট্রোজেন' শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে। 
- যেহেতু এটি ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; cals.arizona.edu। 

১৩,৩৬০.
চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক্স-রের ভেদন ক্ষমতা ব্যবহার করে কী করা হয়?
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. রঙিন ছবি তোলা 
  3. রেডিওগ্রাফি গ্রহণ
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
রেডিওগ্রাফি গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিওগ্রাফি গ্রহণ
ব্যাখ্যা

এক্সরের ব্যবহার (Uses of X-ray): 
- বর্তমান সভ্যতায় এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- নীচে কিছু প্রচলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো- 
১। শিল্প ক্ষেত্রে: 
- এক্স-রে শিল্পে নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, ধাতুর ঢালাইয়ের ত্রুটি চিহ্নিতকরণ, আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি শনাক্তকরণ, ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান, এবং ঝালাইয়ের ত্রুটি নির্ণয় ইত্যাদি। 
- এছাড়া টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান পরীক্ষা এবং ক্ষতিকর বস্তু সনাক্তকরণেও এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

২। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্স-রের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। 
- এক্স-রের ভেদন ক্ষমতার মাধ্যমে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়, যা রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। 
- কোমল এক্স-রে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে, কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করতে পারে না। এর মাধ্যমে হাড়ের ফাঁটল, দুর্ঘটনায় প্রবেশ করা ধাতব বস্তু, পাকস্থলিতে পাথর, ফুসফুসের ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের আলসার ইত্যাদি নির্ণয় করা সম্ভব। 
- বর্তমান সময়ে ক্যান্সার চিকিৎসা এবং কিছু চর্মরোগ নিরাময়ে এক্স-রের ভূমিকা অপরিহার্য। 

৩। বৈজ্ঞানিক গবেষণায়: 
- এক্স-রে কেলাসের গঠন এবং অণু-পরমাণুর গঠন বিষয়ক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- এটি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং গবেষণার জন্য একটি অপরিহার্য সরঞ্জাম। 

৪। গোয়েন্দা বিভাগে: 
- এক্স-রে গোয়েন্দা বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। 
- এটি চোরাচালানী বা নিষিদ্ধ বস্তু, বিস্ফোরক, গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- এমনকি হত্যাকাণ্ডের তদন্তেও এক্স-রের ব্যবহার দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৬১.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা কম? 
  1. কালো
  2. সাদা
  3. হলুদ
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা
ব্যাখ্যা
- সাদা রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম, কারণ সাদা রঙের বস্তু তার উপর আপতিত প্রায় সমস্ত আলো বা তাপ বিকিরণ করে। 
- ফলে গরমের সময় সাদা কাপড় পরলে আরাম পাওয়া যায়। 
- অপরদিকে কালো রঙের বস্তু বা কাপড়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। 
- কালো রঙের বস্তু বা কাপড় তাপ বিকিরণ করতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৬২.
নিষ্ক্রিয় গ্যাস কয়টি?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe),রেডন (Rn) ও  ওগানেসন (Og) এ সাতটি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৬৩.
ক্ষার ধাতু বলতে কোন মৌলগুলোকে বোঝানো হয়?
  1. Fe, Cu, Zn, Pb
  2. Cu, Ag ও Au
  3. Be, Mg, Ca, Sr
  4. Li, Na, K, Rb
সঠিক উত্তর:
Li, Na, K, Rb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Li, Na, K, Rb
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রুপা (Ag) ও সোনা (Au)। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৬৪.
____ বেড়ে গেলে এনজিনা হয়।
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) রক্তরস
  3. গ) চর্বি
  4. ঘ) পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চর্বি
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি গাত্রে চর্বি জমা হলে রক্তের সাহায্যে হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন ও খাদ্যসার পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বুকে ব্যাথা অনুভূত হয়। এ অবস্থাকে এনজিনা বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
১৩,৩৬৫.
মানবদেহের পৌষ্টিক নালির অংশ নয় নিচের কোনটি?
  1. গলবিল 
  2. যকৃত
  3. মুখছিদ্র
  4. পাকস্থলী
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা

- মানবদেহের পৌষ্টিক নালির অংশ নয়- যকৃত, এটি পৌষ্টিক গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। 

পরিপাকতন্ত্র (Digestive system): 

- এই তন্ত্র খাদ্যগ্রহণ, পরিপাক, শোষণ এবং অপাচ্য খাদ্যাংশ নিষ্কাশনের সাথে জড়িত। 
- পরিপাকতন্ত্রের দুটি প্রধান অংশ থাকে। 
যথা: পৌষ্টিক নালি (digestive canal) এবং পৌষ্টিক গ্রন্থি (digestive glands)। 
- মুখছিদ্র, মুখগহ্বর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলী, ডিওডেনাম, ইলিয়াম, রেকটাম বা মলাশয় এবং পায়ুছিদ্র নিয়ে পৌষ্টিক নালি গঠিত। 
- মানুষের লালাগ্রন্থি, যকৃত এবং অগ্ন্যাশয় পৌষ্টিক গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।
- এসব গ্রন্থির নিঃসৃত রস খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৬৬.
ইলেক্ট্রনিক্সের বিপ্লব শুরু হয়-
  1. ক) আইসি আবিষ্কারের সময় থেকে
  2. খ) রোবট আবিষ্কারের মাধ্যমে
  3. গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
  4. ঘ) কম্পিউটার আবিষ্কারের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে‌। ট্রানজিস্টর বিবর্ধন করে তড়িৎ সংকেতকে।
১৩,৩৬৭.
জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে-
  1. ক) লাইসোজোম
  2. খ) কোষগহ্বর
  3. গ) রাইবোজোম
  4. ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
ব্যাখ্যা

- লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।
- এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলো হজম করে ফেলে।
- রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৬৮.
খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে কোন রাসায়নিক পদার্থটির ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) সালফার
  3. গ) সোডিয়াম ট্রাইঅক্সাইড
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম এপারনেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম এপারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম এপারনেট
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম এপারনেট দ্রব্যটি খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে।

- খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া যাতে খাদ্য পচন রোধ করা ছাড়াও অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।
- এতে খাদ্যের গুণাগুণ, গ্রহণযোগ্যতা, সহজলভ্যতা ও খাদ্যমান অটুট থাকে।
- এ সকল খাদ্য সংরক্ষণে সাধারণতঃ পঁচন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক সংক্রমণ এবং খাদ্যের চর্বি জাতীয় অংশের জারণ রোধ হয়।
- খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে সাধারণতঃ সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার লবণ (NaCl), ক্যালসিয়াম এপারনেট, সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), সোডিয়াম বাই সালফেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- BHA ও BHT খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে অনুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: ৬৭ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৬৯.
'এটম' অর্থ হচ্ছে -
  1. ক) অবিভাজ্য
  2. খ) বিভাজ্য
  3. গ) দ্বিবিভাজ্য
  4. ঘ) ত্রিবিভাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) অবিভাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবিভাজ্য
ব্যাখ্যা
খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সনে গ্রীক দার্শনিক ডেমেক্রিটাস সর্ব প্রথম অভিমত প্রকাশ করেন যে প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন কণিকার সাহায্যে গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্র কণিকার নাম দিয়েছিলেন ‘এটম'।
গ্রীক শব্দ ‘এটম’ অর্থ হচ্ছে অবিভাজ্য।
১৩,৩৭০.
পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব কত?
  1. ৩,২০,০০০ কিমি
  2. ৪,২০,০০০ কিমি
  3. ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
  4. ১,৫০,০০০ কিমি
সঠিক উত্তর:
৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• চাঁদ:
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আবর্তন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩.৪৭৫ কিলোমিটার। ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়।
- চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম আইটকেন।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো।
- চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে চাদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০" সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০ সেলসিয়াসের নীচে।

উৎস:
১. Baylor University Media Release. 
২. বাংলা ট্রিবিউন। [Link]
১৩,৩৭১.
নিচের কোন পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না?
  1. লোহা 
  2. নিকেল
  3. রূপা 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রূপা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপা 
ব্যাখ্যা

চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ বলা হয়। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট প্রভৃতি। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না, তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ: সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৭২.
বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় কোন ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়?
  1. চল ঘর্ষণ
  2. স্থিতি ঘর্ষণ
  3. প্রবাহী ঘর্ষণ
  4. আবর্ত ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা
ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল: 
- দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে যদি একটির উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে, তবে বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে। 
- আর যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে। 
- ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। 
যথা - 
১. স্থিতি ঘর্ষণ (Static friction), 
২. চল বা পিছলানো ঘর্ষণ (Sliding friction), 
৩. আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling friction) এবং 
৪. প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid friction) । 

প্ৰবাহী ঘর্ষণ: 
- যখন কোনো বস্তু যেকোনো প্রবাহী পদার্থ যেমন- তরল বা বায়বীয় পদার্থের মধ্যে প্রবাহিত হয় বা গতিশীল থাকে বা যখন কোনো তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিপথে কোনো স্থির বস্তু রাখা হয়, তখন উভয়ের মধ্যে যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয় তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে। 
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আবার পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগুতে হয়। আর এ বাধাই প্রবাহী ঘর্ষণ। 

- বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় প্রবাহী ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৭৩.
ধনুক থেকে তীর ছুড়লে শক্তির কী ধরণের রূপান্তর ঘটে?
  1. ক) স্থিতি শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি
  2. খ) স্থিতি শক্তি থেকে গতি শক্তি
  3. গ) গতি শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে গতি শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) স্থিতি শক্তি থেকে গতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থিতি শক্তি থেকে গতি শক্তি
ব্যাখ্যা
ধনুক থেকে তীর ছুড়লে স্থিতি শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি দু'প্রকার।
১. গতি শক্তি এবং
২. বিভবশক্তি বা স্থিতিশক্তি।

বিভবশক্তি বা স্থিতিশক্তি:
বিভবশক্তি হচ্ছে বস্তুর স্থিতিজনিত শক্তি। কোন বস্তু তার অবস্থা বা অবস্থানে স্থিতিশীল থাকার ফলে যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই বস্তুটির বিভশক্তির পরিমাপক। আবার বস্তুও বিভিন্ন অংশের পরিবর্তনের ফলে বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে বস্তুর বিভব শক্তি।
যেমন পানির ট্যাংকে রক্ষিত পানি এবং দেয়ালে ঝুলানো ছবি যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে এদের বিভবশক্তি। 

গতিশক্তি:
গতিশক্তি যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ। গতিশীল অবস্থায় বস্তু যে শক্তি লাভ করে তাই হচ্ছে গতিশীল বস্তুটির গতিশক্তি। স্থির বস্তুতে বল প্রয়োগ করলে বস্তু গতি প্রাপ্ত হয়।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নমব-দশম শ্রেণি।
১৩,৩৭৪.
রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার প্রধান কাজ কী?
  1. শিকড়ের জল শোষণ বৃদ্ধি করা 
  2. মাটিতে পটাশিয়াম বৃদ্ধি করা 
  3. মাটিতে ফসফরাস যোগ করা
  4. বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করা 
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করা 
ব্যাখ্যা

রাইজোবিয়াম: 
- রাইজোবিয়াম এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। 
- এই ব্যাকটেরিয়া শিম ও ডাল জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ের কাছে অবস্থান নিয়ে বায়ু থেকে নাইট্রোজেন গ্রহন করে শিকড়ে গুটি তৈরি করে। 
- এই ব্যাকটেরিয়া বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করে নিজের প্রয়োজন মিটায় এবং উদ্ভিদে সরবরাহ করে। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদ যেমন- মুগ, মসুর, ছোলা, মটর, সয়াবিন, চিনাবাদাম, ধইঞ্চা ইত্যাদি ফসলে ব্যাকটেরিয়া সার ব্যবহার করে উত্তম ফসল পাওয়া যায়। 
- নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী রাইজেবিয়াম অণুজীব সার ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৭৫.
কোনটি ক্ষুদ্রতম জলজ উদ্ভিদ?
  1. ক) Wolffia arrhiza
  2. খ) Azolla pinnat
  3. গ) Salvinia natans
  4. ঘ) Pistia stratiotes
সঠিক উত্তর:
ক) Wolffia arrhiza
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Wolffia arrhiza
ব্যাখ্যা

ক্ষুদিপানা (Duckweed):

- একবীজপত্রী উদ্ভিদ বর্গের Lemnaceae গোত্রের অন্তর্গত একদল অবাধ ভাসমান জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদ।
- পানিতে চরে বেড়ানো পাখিদের প্রিয়খাদ্য এবং আগাছাতুল্য বলেই এগুলির ইংরেজি নাম Duckweed।
- এই গোত্রে রয়েছে ৪টি গণ (Lemna, Spirodela, Wolffia, ও Wolfiella) এবং ৩৪ প্রজাতি।
- এগুলির মধ্যে বাংলাদেশে আছে ৬ প্রজাতি Lemna perpusillaL. trisulcaSpirodela polyrhizaS. punctataWolffia arrhizaW. microscopica
- এর মধ্যে Wolffia arrhiza হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্র জলজ উদ্ভিদ।
- এর আকার ০.১ মিমি।
- গ্রামাঞ্চলে Wolffia হলো ‘সুজিপানা’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, উচ্চ-মাধ্যমিকের উদ্ভিদবিজ্ঞান বই(ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

১৩,৩৭৬.
লোহিত রক্তকণিকার উৎপত্তি হয় কোথায়? 
  1. ফুসফুস
  2. বৃক্কে
  3. অস্থিমজ্জায়
  4. মেডুলায়
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

• অস্থিমজ্জা (Bone Marrow) হলো RBC উৎপাদনের মূল কেন্দ্র।

- লোহিত রক্তকণিকা বা RBC (Red Blood Cell) হলো রক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা অক্সিজেন বহন করে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ফিরিয়ে আনে।

উৎপত্তিস্থল
- বিশেষ করে লাল অস্থিমজ্জা (Red Bone Marrow) তে রক্তকণিকা তৈরি হয়।
- প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পাঁজর, করোটি, শ্রোণি, ও দীর্ঘ অস্থির প্রান্তে এটি সক্রিয় থাকে।

উৎপাদন প্রক্রিয়া:
- এই প্রক্রিয়ায় স্টেম সেল থেকে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয়।
- এরিথ্রোপয়েটিন (Erythropoietin) নামক হরমোন, যা বৃক্ক (Kidney) থেকে নিঃসৃত হয়, RBC উৎপাদনে উদ্দীপনা জোগায়।

RBC এর আয়ু:
- গড়ে ১২০ দিন।
- পুরনো বা ক্ষতিগ্রস্ত RBC লিভার ও প্লীহায় (Spleen) ভেঙে যায়।

গঠন ও কার্য:
- নিউক্লিয়াসবিহীন (nucleus নেই)।
- হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) নামক লৌহযুক্ত প্রোটিন থাকে, যা অক্সিজেন বহন করে।
- দেহের প্রতিটি টিস্যুকে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ফেরত নেয়।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১৩,৩৭৭.
কোনটি কলেরা, টাইফয়েড ও যক্ষ্মা রোগের সৃষ্টি করে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) সিজেলা
  4. ঘ) জিয়াডিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি করে থাকে।
যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, আমাশয়, টিটেনাশ, কুষ্ঠ (লেপরসী) প্রভৃতি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৩৭৮.
ঘর্ষণ বল ও টান বল কোন ধরনের বলের উদাহরণ?
  1. চৌম্বক বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. স্পর্শ বল
  4. অস্পর্শ বল
সঠিক উত্তর:
স্পর্শ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পর্শ বল
ব্যাখ্যা
বল: 
- যে বাহ্যিক কারণ বস্তুর স্থির বা গতিশীল অবস্থায় পরিবর্তন ঘটায় বা ঘটাতে চায় তাকে বল বলে। 
- যে বল বস্তুকে গতিশীল করে বা গতি বাড়িয়ে দেয় তাকে ত্বরণ সৃষ্টিকারী বল বলে। 
- যে বল গতিশীল বস্তুকে থামিয়ে দেয় বা বেগ কমিয়ে দেয় তাকে মন্দন সৃষ্টিকারী বল বলে। 
- কোনো বস্তুকে ঠেলতে বা টানতে হলে প্রত্যক্ষ স্পর্শ প্রয়োজন তাই এই বলকে বলা হয় স্পর্শ বল। 
যেমন- ঘর্ষণ বল, সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট বল, টান বল ইত্যাদি স্পর্শ বলের উদাহরণ। 
- দুটি চুম্বকের বিপরীতমেরু পরস্পরকে আকর্ষণ করে এবং সমমেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বা বিকর্ষণ হচ্ছে অস্পর্শ বল। 
- পৃথিবী তার পৃষ্ঠস্থ ও নিকটস্থ সকল বস্তুকে এর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বল হচ্ছে অভিকর্ষ বা মহাকর্ষ বল। 

বলের কিছু বৈশিষ্ট: 
১। বল প্রয়োগে কোনো বস্তুর জড়তার পরিবর্তন হয় বা হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। 
২। বল সর্বদা জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়াশীল থাকে। অর্থাৎ, বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করলে প্রযুক্ত বলের বিপরীত দিকে আরেকটি বল ক্রিয়া করে। একারণে বলের ক্রিয়াকে মিথস্ক্রিয়াও বলে। 
যেমন- যখন কোনো বস্তুকে দড়িতে বেঁধে টানা হয় তখন প্রযুক্ত বলের বিপরীত দিকে দড়িতে যে একটা বল ক্রিয়া করে তাকে টান বল বলে। 
৩। বল বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটায়। অর্থাৎ, বল প্রয়োগে বস্তু ত্বরণ বা মন্দন হয়। একটি গতিশীল বস্তুকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে এতে এর বেগ বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ ত্বরণ হবে। গতিশীল গাড়ীকে পিছন থেকে টেনে ধরলে এর বেগ হ্রাস পাবে বা মন্দন হবে। 
৪। বল বস্তুকে বিকৃত করতে পারে বা ভৌত ধর্মের পরিবর্তন করতে পারে। 
৫। বল একটি ভেক্টর রাশি কারণ এর মান ও দিক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৭৯.
চারিদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে বলা হয় -
  1. হ্রদ
  2. সাগর
  3. উপসাগর
  4. মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১। মহাসাগর (Ocean), 
২। সাগর (Sea), 
৩। উপসাগর (Bay), 
৪। হ্রদ (Lake)। 
 
মহাসাগর (Ocean): 
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। 
যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 
 
সাগর (Sea): 
- সাগর হচ্ছে মহাদেশের উপকূলভাগে মহাসাগরের প্রান্তে অবস্থিত জলভাগ যা প্রাকৃতিক ভূ-প্রকৃতি দ্বারা মহাসাগর থেকে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন। 
- সংক্ষেপে মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তন বিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। 
যেমন- জাপান সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, লোহিত সাগর, ভূ-মধ্যসাগর। 
 
উপসাগর (Bay): 
- শুধুমাত্র একদিকে জল এবং বাকী তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর (Bay) বলে। 
যেমন- মেক্সিকো উপসাগর, পারস্য উপসাগর, বঙ্গোপসাগর। 
 
হ্রদ (Lake): 
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে। 
যেমন- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৩৮০.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. হাইড্রোফ্লুরোকার্বন
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse Gases):
সাধারণভাবে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), যা অনেক ক্লাইমেট চেঞ্জ উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে। মিথেন (CH₄) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O) কিছুটা কম পরিমাণে, সাধারণত <20% অবদান রাখে।

Direct Greenhouse Gases:
প্যারিস চুক্তির অধীনে সাতটি ডাইরেক্ট গ্রিনহাউস গ্যাস রিপোর্ট করা হয়:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), 
- মিথেন (CH₄), 
- নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), 
- হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs), 
- পেরফ্লুরোকার্বন (PFCs), 
- সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF₆), 
- নাইট্রোজেন ট্রাইফ্লুরাইড (NF₃), 
এই গ্যাসগুলি তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা রেডিয়েটিভ ফরসিং প্রভাবের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাইমেট চেঞ্জে অবদান রাখে।
- HFCs, PFCs, SF₆ এবং NF₃ collectively "এফ-গ্যাস" নামে পরিচিত।

Indirect Greenhouse Gases:
এছাড়া আরও চারটি ইন্ডাইরেক্ট গ্রিনহাউস গ্যাস রয়েছে:
- নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- নন-মিথেন ভলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড (NMVOC)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
এই গ্যাসগুলি সরাসরি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অবদান না রাখলেও, তারা অন্যান্য গ্যাসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎপাদন ঘটাতে পারে এবং পরিবেশে অবদান রাখতে পারে।

উৎস:National Atmospheric Emissions Inventory,UK Website.
১৩,৩৮১.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. ইবরাহীম খাঁ
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
• 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস:
- 'আবদুল্লাহ' কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি উপন্যাস। এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। ১৯৩৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- কাজী ইমদাদুল হকের 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের 'তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র' অঙ্কিত হয়েছে।

- উপন্যাসটি রচনাকালীন সময়ে কাজী ইমদাদুল হকের মৃত্যু হলে, কাজী আনোয়ারুল কাদির ইমদাদুল হকের খসড়া অবলম্বন করে অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করেন। উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ।

- শিল্পের বিচারে 'আবদুল্লাহ্' উৎকৃষ্ট উপন্যাস নয়, তবে বাংলার সামাজিক বিবর্তনের, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সুচারুভাবে ফুটে উঠায় গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩,৩৮২.
কার্ডিয়াক চক্রের কোন ধাপে অ্যাট্রিয়াম দুটি প্রসারিত অবস্থায় থাকে?
  1. ক) অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল
  2. খ) অ্যাট্রিয়ামের সিস্টোল
  3. গ) ভেন্ট্রিকলের সিস্টোল
  4. ঘ) ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল
ব্যাখ্যা
• কার্ডিয়াক চক্রের অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল ধাপে অ্যাট্রিয়াম দুটি প্রসারিত অবস্থায় থাকে।
• কার্ডিয়াক চক্র চারটি ধাপে সম্পন্ন হয়-
১ অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল: এ সময় অ্যাট্রিয়াম দুটি প্রসারিত অবস্থায় থাকে।
- ফলে দেহের রক্ত ডান ও বাম আ্যাট্রিয়ামে প্রবেশ করে।
২ অ্যাট্রিয়ামের সিস্টোল: অ্যাট্রিয়াম দুটি রক্তপূর্ণ হলে অ্যাট্রিয়াম দুটি সংকুচিত হয়।
- বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড কপাটিকা দিয়ে রক্ত ভেন্ট্রিকলে প্রেরিত হয়।
৩ ভেন্ট্রিকলের সিস্টোল: ভেন্ট্রিকল দুটি সংকুচিত হয়।
- এ সময় ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ এবং সেমিলুনার কপাটিকা খোলা থাকে।
৪. ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল: ভেন্ট্রিকলে সিস্টোলের পর পরই ভেন্ট্রকলের ডায়াস্টোল শুরু হয়।
- ডায়াস্টোলের সময় বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড কপাটিকা খুলে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৮৩.
পেট্রোলিয়ামের সঙ্গে ইথানল মিশিয়ে যে জ্বালানী তৈরি হয় তাকে বলে- 
  1. বায়ো গ্যাস
  2. রেকটিফাইড স্পিরিট
  3. মেথিলেটেড স্পিরিট
  4. পাওয়ার অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৮৪.
বিকৃতির একক কী?
  1. m
  2. Nm-2
  3. kgm-3
  4. একক নেই
সঠিক উত্তর:
একক নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একক নেই
ব্যাখ্যা
বিকৃতি:
- কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করলে বস্তুর দৈহিক পরিবর্তন ঘটে।
- এই পরিবর্তন দৈর্ঘ্যে, আকারে বা আয়তনে হতে পারে। কোন বস্তুর একক মাত্রায় যে পরিবর্তন ঘটে তাকে বিকৃতি বলে ।
- যদি কোনো বস্তুর আদি মাত্রা = x এবং বল প্রযুক্ত হবার পর মাত্রা =y, মাত্রার পরিবর্তন = x ~ y 
তাহলে একক মাত্রার পরিবর্তন বা বিকৃতি = x~y / x

বিকৃতি যেহেতু একই রাশির অনুপাত সেহেতু এর কোনো একক নাই ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৮৫.
বিবর্তনবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাণের বিকাশ
  2. খ) জীবের বিবর্তন
  3. গ) কালের বিবর্তন
  4. ঘ) জীবের ক্রমবিকাশ
সঠিক উত্তর:
গ) কালের বিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কালের বিবর্তন
ব্যাখ্যা
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবংক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলােচনা এ শাখার বিষয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
১৩,৩৮৬.
DNA-তে কোন নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক থাকে না? 
  1. থাইমিন
  2. ইউরাসিল
  3. সাইটোসিন
  4. অ্যাডিনিন
সঠিক উত্তর:
ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরাসিল
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA): 
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। 
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। 
- এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত। 
- RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে। 
- এটি ১০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে। 

ডিএনএ (DNA): 
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান। 
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। 
- এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। 
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। 
যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৮৭.
প্রোটিন মূলত কোন মনোমারের পলিমার? 
  1. গ্লুকোজ
  2. অ্যামাইনো এসিড
  3. ফ্যাটি অ্যাসিড
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- পলিমার শব্দটি গ্রিক শব্দ (পলি অর্থ 'বহু বা অনেক' এবং মেরোস অর্থ 'অংশ') থেকে উৎপত্তি হয়েছে। 
অর্থাৎ, পলিমার বলতে একই ধরনের অনেকগুলো ছোট ছোট অংশ যুক্ত হয়ে যে উচ্চ আণবিক ভবিশিষ্ট বৃহদাকার অণু তৈরি হয় তাকে বুঝায়। 
- যে ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে পলিমার তৈরি হয় তাকে মনোমার বলা হয়। 
-পলিমার সাধারণত দুই প্রকার।
যথা: 
১। প্রাকৃতিক পলিমার: 
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায়, তাদেরকে প্রাকৃতিক পলিমার বলে। 
যেমন: প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, তুলা, রেশম, পশম, সিল্ক, উল ও পাট ইত্যাদি। 
- প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন বিভিন্ন শস্য দানা বিশেষ করে চাল, গম, ভুট্টা, যব ও গোল আলু এসব স্টার্চ গ্লুকোজের প্রাকৃতিক পলিমার। 
- মাছ, মাংস ও ডিম এসব প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডের পলিমার। 

২। কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে বা শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায়, তাদেরকে কৃত্রিম পলিমার বলে। 
যেমন: পলিইথিলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), পলিস্ট্যারিন, টেফলন, টেরিলিন ও নাইলন ইত্যাদি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৮৮.
শুষ্ক কোষে ক্যাথোড হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. লৌহ দণ্ড
  2. দস্তার কৌটা
  3. কার্বন দণ্ড
  4. তামার দণ্ড
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড
ব্যাখ্যা
• শুষ্ক কোষে ক্যাথোড হিসেবে কার্বনের দণ্ড ব্যবহার করা হয়।

• ড্রাই সেল:
- ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ হলো এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ। 

• ড্রাই সেলের মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 
- সাধারণত টর্চলাইট জ্বালাতে, রেডিও বাজাতে, টিভির রিমোট চালাতে, খেলনা চালাতে ড্রাই সেল ব্যবহার করা হয়।
 
• ড্রাই সেলের গঠন:
- ড্রাই সেল অ্যানোড এবং ক্যাথোড দ্বারা গঠিত।
- ড্রাই সেলে অ্যানোড হিসেবে সাধারণত ধাতব জিংকের তৈরি ছোট কৌটা ব্যবহার করা হয়।
- ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড NH4Cl জিংক ক্লোরাইড (ZnCl2) ও পাতিত পানি মিশ্রিত করে প্রস্তুতকৃত কাই (paste) দ্বারা জিংকের তৈরি ছোট কৌটা পূর্ণ করা হয়।
- এরপর জিংকের কৌটাটির মাঝখানে একটি কার্বন (গ্রাফাইট) দণ্ড প্রবেশ করানো হয়।
- ড্রাই সেলে কার্বন দণ্ড ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে।
- ড্রাই সেলের অ্যানোড ও ক্যাথোড প্রান্তকে যদি বাল্ব বা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের দুই প্রান্তে যুক্ত করা হয় তখন ইলেকট্রনের প্রবাহ সৃষ্টি হয় অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।
• ড্রাই সেলে অ্যানোড হিসেবে জিঙ্ক এবং ক্যাথোড হিসেবে কার্বন দণ্ড ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১৩,৩৮৯.
কুরি তাপমাত্রা বলতে কী বোঝায়? 
  1. যে তাপমাত্রায় চৌম্বক পদার্থ তাপ পরিবাহনের ক্ষমতা হারায় 
  2. যে তাপমাত্রায় চৌম্বক পদার্থ সর্বাধিক চুম্বকায়িত হয় 
  3. যে তাপমাত্রায় চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় 
  4. যে তাপমাত্রায় চৌম্বক পদার্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে গলতে শুরু করে 
সঠিক উত্তর:
যে তাপমাত্রায় চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে তাপমাত্রায় চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় 
ব্যাখ্যা

কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু বলে। 

রিমেনেন্স: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে। 

চৌম্বক ধারকত্ব: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সরিয়ে নেওয়ার পরেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে চৌম্বক ধারকতা বলে। 
- ইস্পাত ও নরম লোহাকে একই সমপরিমাণ চুম্বকায়িত করে রেখে দিলে নরম লোহার চেয়ে ইস্পাতের ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব হ্রাসের পরিমাণ কম। 

চৌম্বক সহনশীলতা: 
- চুম্বকত্ব হ্রাসের নিয়ামকসমূহ থাকা সত্ত্বেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক সহনশীলতা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৯০.
MRI কোন্ নীতিতে কাজ করে?
  1. শরীরের ত্রি-মাত্রিক চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে ব্যবহার করে
  2. তেজস্ক্রিয় ট্রেসার দ্বারা নির্গত গামা-রে সনাক্তের মাধ্যমে 
  3. শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে
  4. উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী চুম্বক এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ইমেজ তৈরির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

- MRI (Magnetic Resonance Imaging) মানবদেহের হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটনকে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গের সাহায্যে সারিবদ্ধ করে এবং তাদের শক্তি নির্গমনের মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিস্তারিত ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করে, যা এক্স-রে বা শব্দ তরঙ্গের চেয়ে ভিন্ন। 

এমআরআই (MRI): 
- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায়। 

- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- শরীরের যে অংশের এমআরআই স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৯১.
বিবর্তন শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
  1. ক) গ্রীক
  2. খ) ল্যাটিন
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ফরাসি
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
বিবর্তন
- গভীর যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আধুনিক মানুষের ধারণা হয়েছে যে জীব সৃষ্টির মূলেই রয়েছে বিবর্তন।
- ল্যাটিন শব্দ ‘Evolveri' থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার (Herbert Spencer) প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন।
- যে ধীর, অবিরাম এবং চলমান পরিবর্তন দ্বারা কোনো সরলতর উদবংশীয় জীব পরিবর্তিত হয়ে জটিল ও উন্নততর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটে, তাকে বিবর্তন বা অভিব্যক্তি বা ইভোলিউশন বলে।
- সময়ের সথে কোনো জীবের পরিবর্তনের ফলে যখন নতুন কোনো প্রজাতি সৃষ্টি হয়, তখন তাকে বলে জৈব বিবর্তন।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৩,৩৯২.
‘জিকা ভাইরাস‘ কোন দেশে সর্বপ্রথম ছড়ায়?
  1. ক) ভারত
  2. খ) আমেরিকা
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
- জিকা ভাইরাস প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৪৭ সালে, উগান্ডায়। 
- ২০১৫ সালে সর্বপ্রথম ব্রাজিলে ছড়িয়ে পড়ে জিকা ভাইরাস।
 
জিকা ভাইরাস এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। 

সাধারণত সংক্রামিত এডিস এজেপ্টাই মশার কামড় থেকে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। ক্রান্তীয় অঞ্চলগুলিতে যেখানে মশার প্রকোপ খুব বেশি, সেখানে এই ধরনের সংক্রমণ বেশি হয়। সংক্রামিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে জিকা ভাইরাস প্রবেশ করে।

জিকার কারণে মাত্র কয়েকদিনের জন্য মৃদু জ্বর, ফুসকুড়ি, চোখে জ্বালা, এবং দেহে ব্যথা হতে পারে। যদিও বেশীরভাগ লোকই যারা জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে তাদের কোন লক্ষণ দেখা যায় না।

জিকার লক্ষণসমূহ: 
- ১ বা ২ দিনের জন্য নীচু মাত্রায় জ্বর, সাধারণতঃ ৩৮° (১০১°ফা)-এর বেশী নয়
- চোখে জ্বালা বা চোখ লাল
- অস্থির ব্যথা
- ত্বকে চুলকানি
- পেশীতে ব্যথা ও মাথা ব্যথা
 
The first confirmed case of Zika virus infection in the Americas was reported in Northeast Brazil in May 2015, although phylogenetic studies indicate virus introduction as early as 2013. Zika rapidly spread across Brazil and to more than 50 other countries and territories on the American continent.
 
Zika virus was first discovered in 1947 and is named after the Zika Forest in Uganda. In 1952, the first human cases of Zika were detected and since then, outbreaks of Zika have been reported in tropical Africa, Southeast Asia, and the Pacific Islands. Zika outbreaks have probably occurred in many locations.
 
Source: National Library Medicine of Science , Center for disease control and prevention 
১৩,৩৯৩.
রক্তে লোহিত কণিকা তৈরি হয়?
  1. যকৃত 
  2. তরুণাস্থি 
  3. হৃদপিণ্ড
  4. অস্থিমজ্জায়
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

• লোহিত রক্তকণিকা (RBC) লোহিত অস্থিমজ্জা-তে তৈরি হয়।
- অস্থিমজ্জা হলো হাড়ের ভেতরের নরম টিস্যু, যা থেকে স্টেম সেলের মাধ্যমে রক্তকণিকা উৎপন্ন হয়।
- লোহিত কণিকার উৎপাদন প্রক্রিয়াকে এরিথ্রোপোয়েসিস বলা হয় এবং এর জন্য এরিথ্রোপোয়েটিন নামক হরমোনের প্রয়োজন হয়।  

লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 
লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৯৪.
DNA এর পূর্ণরূপ ____। 
  1. Deoxyribonucleic Acid
  2. Dinucleotide Acid
  3. Deoxygenated Nucleic Acid
  4. Dual Nucleic Acid
সঠিক উত্তর:
Deoxyribonucleic Acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deoxyribonucleic Acid
ব্যাখ্যা

• পূর্ণরূপ: DNA = Deoxyribonucleic Acid

- DNA হলো জিনগত তথ্য সংরক্ষণকারী অণু, যা জীবদেহের সমস্ত ধরণের বৈশিষ্ট্য এবং জিনগত তথ্য সংরক্ষণ ও প্রজন্মান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

DNA এর বৈশিষ্ট্য:
- “Deoxyribo” মানে হলো ডিএক্সিও রাইবোজ (Deoxyribose) চিনি, যা DNA এর শৃঙ্খলের একটি অংশ।
- “Nucleic” নির্দেশ করে যে এটি নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
- “Acid” নির্দেশ করে এর রাসায়নিক প্রকৃতি, যা অ্যাসিডিক।

গঠন:
- DNA হলো ডাবল হেলিক্স (Double helix)।
- এটি নিউক্লিয়োটাইডের শৃঙ্খল দ্বারা গঠিত, যেখানে প্রতিটি নিউক্লিয়োটাইডে ফসফেট, ডিএক্সিওরাইবোজ চিনি, এবং নাইট্রোজেন ভিত্তি থাকে।

কার্য:
- জিনগত তথ্য সংরক্ষণ।
- প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজনে সহায়ক।
- উত্তরাধিকার সূত্রে জিনগত বৈশিষ্ট্য প্রজন্মান্তরে স্থানান্তর।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 

১৩,৩৯৫.
বিটা রশ্মি কোন ধরনের বিকিরণ হিসেবে পরিচিত?
  1. ইলেকট্রনের প্রবাহ
  2. প্রোটনের প্রবাহ
  3. নিউট্রনের প্রবাহ
  4. মেসনের প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনের প্রবাহ
ব্যাখ্যা

• বিটা রশ্মি মূলত একটি ধরনের ইলেকট্রন বিকিরণ হিসেবে পরিচিত। এটি পরমাণুর অস্থির নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয় যখন একটি নিউট্রন প্রোটনে রূপান্তরিত হয় বা প্রোটন নিউট্রনে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ-শক্তির ইলেকট্রন বা পজিট্রন নির্গত হয়, যাকে আমরা বিটা কণা বলি। বিটা রশ্মি অতিসূক্ষ্ম কণার মাধ্যমে অণু এবং অণুর সঙ্গে পারস্পরিক ক্রিয়া করতে পারে, ফলে এটি বিভিন্ন পদার্থে প্রবেশ করতে সক্ষম। বিকিরণের ধরনের দিক থেকে, এটি কেবল ইলেকট্রনের প্রবাহ এবং প্রোটন, নিউট্রন বা মেসনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ইলেকট্রনের প্রবাহ।

বিটা রশ্মির ধর্ম:
- এই রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত।
- এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়। 
- এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- বিটা কণিকার ভর একটি ইলেকট্রনের ভরের সমান।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বিটা কণা প্রকৃতপক্ষে দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি এবং এটি 0.01m পুরু।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩,৩৯৬.
ভরা কটাল বা তেজ কটাল কখন ঘটে? 
  1. সমুদ্রের গভীরতার কারণে 
  2. চাঁদ পৃথিবীর নিকটবর্তী অংশে থাকলে 
  3. অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
  4. চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থাকলে 
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ার কারণে পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৯৭.
পৃথিবীর পরিধি কত?
  1. ৪৫ ডিগ্রি
  2. ৯০ ডিগ্রি
  3. ১৮০ ডিগ্রি
  4. ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দুরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৯৮.
অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. CaO
  2. MgO
  3. CuO
  4. SiO2
সঠিক উত্তর:
SiO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SiO2
ব্যাখ্যা

SiO2
অপটিক্যাল ফাইবার:
অপটিক্যাল ফাইবার হলো স্বচ্ছ, নমনীয় এবং খুব সূক্ষ্ম কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু, যা আলোক সঙ্কেত পরিবহন করে।
- আলো চলাচলের জন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের প্রয়োজন।
- কাঁচের সংকেত সিলিকন-ডাই-অক্সাইড (SiO2)।
- এটি অত্যন্ত স্বচ্ছ, রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল, ও আলোক সংকেতকে খুব কম ক্ষয় সহ পরিবহন করতে পারে  এজন্য এটি অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান।

অপটিক্যাল ফাইবার তিনটি অংশে গঠিত: 
১. Core (কোর): SiO₂ দ্বারা তৈরি, যেখানে আলো সঞ্চালিত হয়।
২. Cladding (ক্ল্যাডিং): কোরের চারপাশে থাকে, যার প্রতিসরণাঙ্ক কিছুটা কম থাকে, ফলে আলো সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে কোরে সীমাবদ্ধ থাকে।
৩. Jacket (জ্যাকেট): বাহ্যিক সুরক্ষামূলক স্তর।

অপরদিকে,
- CaO হল কুইক লাইম, যা চুনাপাথর থেকে পাওয়া যায়। এটি একধরনের ক্ষারীয় পদার্থ, আলোক পরিবাহিতা নেই, এবং স্বচ্ছ নয়
- MgO তাপ সহনশীল যা গাড়ীর ইঞ্জিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- CuO একটি ধাতব অক্সাইড যা বিদ্যুত পরিবহণে সক্ষম। 

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

১৩,৩৯৯.
নিচের কোনটি মাছের চাষ বুঝায়?
  1. পিসিকালচার (Pisciculture)
  2. সেরিকালচার (Sericulture)
  3. এপিকালচার (Apiculture)
  4. হর্টিকালচার (Horticulture)
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার (Pisciculture)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার (Pisciculture)
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৩,৪০০.
নিচের কোনটি মিঠা পানির উৎস নয়?
  1. ক) নদী
  2. খ) হ্রদ
  3. গ) ভূগর্ভস্থ পানি
  4. ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।