বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১২৮ / ১৪০ · ১২,৭০১১২,৮০০ / ১৪,০৮০

১২,৭০১.
লেড (Lead) এর পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ৬০
  2. ৭২
  3. ৮০
  4. ৮২
সঠিক উত্তর:
৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২
ব্যাখ্যা
• Pb (লেড):
- লেড এর রাসায়নিক প্রতীক  Pb.
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮২।
- এর পারমাণবিক ভর ২০৭। 
- এটি গ্রুপ ১৪ তে অবস্থিত। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
১২,৭০২.
আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1. ক) ৩%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৫.৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫%
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১২,৭০৩.
কোনটির অভাবে ক্লোরোসিস হয়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. ফসফরাস
  3. পটাশিয়াম
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

• ফসফরাস:
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

• পটাশিয়াম:
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

উৎস:  জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭০৪.
আপেক্ষিক রোধের একক কী?
  1. ক) ওহম মিটার
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) অ্যাম্পিয়ার 
  4. ঘ) গ্যালভানোমিটার 
সঠিক উত্তর:
ক) ওহম মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওহম মিটার
ব্যাখ্যা
একক দৈর্ঘ্য এবং একক প্রস্থচ্ছেদ ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট কোনো একটি পরিবাহী তার প্রস্থচ্ছেদের অভিলম্বভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহে যে পরিমাণ বাধা প্রদান করে তাকে তার আপেক্ষিক রোধ বলে।
আপেক্ষিক রোধের একক (ওহম মিটার)Ωm।

অপরদিকে 
রোধের একক— ওহম।
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক —অ্যাম্পিয়ার 

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ,ড. শাহজাহান তপন
১২,৭০৫.
বিজ্ঞানের যে শাখায় মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কী বলে?
  1. Astronomy
  2. Cosmology
  3. Cryptology
  4. Astrophysics
সঠিক উত্তর:
Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cosmology
ব্যাখ্যা
• বিজ্ঞানের যে শাখায় মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে Cosmology বলে।

• মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য:

- মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও এর পরিণতি নিয়ে নানা ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলে একটি বিশেষ শাখা তৈরি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা ‘মহাজাগতিক বিজ্ঞান’ নামে পরিচিত।
- বিংশ শতাব্দীতে দুজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা পরিচালনা করেন, যা মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থবিদের মধ্যে গৃহীত হয়। এই দুটি প্রধান আবিষ্কার হলো:

১. মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ:
- ১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল।
- তার 2.5 m টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।
- গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্র“তগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।

২. মহাজাগতিক - মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ:
- মহাবিশ্বের বিকিরিত শক্তির একটি নির্দিষ্টমাত্রা বা পরিমাণ আছে এবং সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বে ঐ নির্দিষ্ট শক্তিও সম্প্রসারিত অংশে বিকিরিত হচ্ছে। এখনো, ঐ বিকিরিত অবশিষ্ট শক্তির অস্ত্রিত্ব নির্ণয় করা যায়। এই বিকিরণকে মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ বলে।
- ষাটের দশকের মাঝামাঝি ১৯৬৫ সালে এই জাতীয় বিকিরণের প্রথম সন্ধান পান আর্নো অ্যালান পেনজিয়াস এবং রবার্ট উইলসন নামের দুইজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Astrology (জ্যোতিষশাস্ত্র),
- Cryptology (কোড অধ্যয়ন বা লেখার শিল্প)।

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭০৬.
একটি আদর্শ রাইফেলের জন্য, আদর্শ শুটিং পরিস্থিতিতে রাইফেল থেকে নির্গত বুলেটটি সম্ভাব্য কত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে?
  1. 0.8 km
  2. 1.9 km
  3. 3.2 km
  4. 6.9 km
সঠিক উত্তর:
3.2 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3.2 km
ব্যাখ্যা
• আদর্শ রাইফেলের বুলেটের সর্বোচ্চ দূরত্ব:
- একটি আদর্শ রাইফেলের বুলেট আদর্শ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ৩.২ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। এর কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

শুটিং কোণ:
- সাধারণত, ৪৫ ডিগ্রি কোণে শুট করলে বুলেট সবচেয়ে দূর পর্যন্ত যায়। এই কোণ বুলেটকে উঁচুতে উঠতে এবং বেশি দূরত্বে যেতে সহায়তা করে।

প্রাথমিক গতি:
- রাইফেল থেকে বের হওয়ার সময় বুলেটের প্রাথমিক গতি খুবই বেশি থাকে, যা তাকে দূরত্ব অতিক্রম করতে শক্তি যোগায়।

বাতাসের প্রভাব:
- আদর্শ পরিস্থিতিতে বাতাসের গতি ও দিকের প্রভাব কম থাকে। বাতাসের বাধা কম হলে বুলেট সহজেই বেশি দূরত্বে যেতে পারে।

মাধ্যাকর্ষণ শক্তি:
- মাধ্যাকর্ষণ বুলেটকে নিচে টেনে আনে। তবুও প্রাথমিক গতি ও শুটিং কোণ ঠিক থাকলে বুলেট অনেকদূর অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।

সূত্র: livescience [লিংক]
১২,৭০৭.
শনির উপগ্রহ কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ১৪
  3. গ) ৭৯
  4. ঘ) ৮২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮২
ব্যাখ্যা

Saturn has 82 moons.
Fifty-three moons are confirmed and named and another 29 moons are awaiting confirmation of discovery and official naming.
Saturn's moonsrange in size from larger than the planet Mercury — the giant moon Titan — to as small as a sports arena.


Source: Nasa
১২,৭০৮.
আপেক্ষিক তত্ত্বের মাধ্যমে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ 
  2. ভূমিকর্ষণ
  3. শক্তির সংরক্ষণশীলতা 
  4. মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ
ব্যাখ্যা

- আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব মহাকর্ষের একটি জ্যামিতিক তত্ত্ব, যা স্থান-কালের বক্রতাকে কাজে লাগিয়ে মহাকর্ষ বলকে ব্যাখ্যা করে। এই তত্ত্বের ভিত্তিতে মহাবিশ্বের নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি এবং সম্প্রসারণশীলতার ধারণা ব্যাখ্যা করা যায়। 
অন্যদিকে, 
- শব্দের বিস্তারের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন হয়; শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না। এটি আপেক্ষিক তত্ত্বের বিষয় নয়।
- শক্তির সংরক্ষণশীলতা পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি, যা আপেক্ষিক তত্ত্বের আবিষ্কারের অনেক আগে থেকেই পরিচিত ছিল। আপেক্ষিক তত্ত্ব এই নীতিকে সমর্থন করে, কিন্তু এটি আপেক্ষিক তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার মতো কোনো নতুন বিষয় নয়। বরং, ভর-শক্তি সমতা (E = mc2) এই দুটি ধারণাকে একত্রিত করে। 

আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন। 
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়, এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন। যথা- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
যথা- 
প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭০৯.
পাখি সম্পর্কিত বিদ্যা-
  1. ক) Herpetology
  2. খ) Ichthyology
  3. গ) Ornithology
  4. ঘ) Nematology
সঠিক উত্তর:
গ) Ornithology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Ornithology
ব্যাখ্যা
Ornithology শব্দের অর্থ- পাখি সম্পর্কিত বিদ্যা।
১২,৭১০.
লসিকার প্রধান উপাদান কী? 
  1. পানি
  2. প্রোটিন
  3. লোহিত রক্ত কণিকা
  4. কার্বোহাইড্রেট
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
লসিকাতন্ত্র: 
- মানব দেহে রক্ত একটি অন্যতম পরিবহন মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন কোষ কলায় পৌঁছে এবং বিভিন্ন বিপাকীয় পদার্থ রেচনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গে বাহিত হয়। 
- অন্যদিকে দেহের সমস্ত কলা রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। 
- রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালির প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে। এ উপাদানগুলোকে লসিকা (Lymph) বলে। 
- কৈশিক জালিকা ছাড়াও কিছু পরিমাণ কলারস এক ধরনের বদ্ধ নালি দিয়ে গৃহীত ও পরিবাহিত হয়ে পুনরায় রক্তে ফিরে আসে। এ সব নালিকে “লসিকা নালি” বলে। 
- অতএব লসিকা, লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি সমন্বয়ে গঠিত অন্ত্রকে “লসিকাতন্ত্র” বলে। 

লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭১১.
অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হল-
  1. গ্লাইকোজেন
  2. গ্লুকোজ
  3. ফ্রুক্টোজ (Fructose)
  4. সুক্রোজ
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
গ্লাইকোজেন: 
- গ্লাইকোজেন হলো একটি পুষ্টিজাত পলিস্যাকারাইড। 
- এটি প্রাণীদেহের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য উপাদান হলেও সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাকের (ঈস্ট) সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে। 
- গ্লাইকোজেন এর মূল গাঠনিক উপাদান α-D গ্লুকোজ। 
- হাইড্রোলাইসিস শেষে গ্লাইকোজেন হতে কেবল α-D গ্লুকোজ অণু পাওয়া যায়। 
- এর আণবিক সংকেত- (C6H10O5)n

গ্লাইকোজেন এর কাজ: 
- প্রাণীদেহের লিভার ও পেশিতে বেশি করে গ্লাইকোজেন জমা থাকে যা প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে কার্বন ও শক্তি সরবরাহ হয়। 
- রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তে প্রবাহিত হয় এবং পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পেশির কাজে শক্তি যোগায়। 

তাই, বলা যায় অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো - গ্লাইকোজেন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭১২.
আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. হাইগেন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭১৩.
একটি বৈদ্যুতিক হিটারে '1000W-220V' লেখা আছে। হিটারটির রোধ কত ওহম (Ohm)?
  1. 48.4
  2. 50
  3. 51.6
  4. 55
সঠিক উত্তর:
48.4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48.4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৈদ্যুতিক হিটারে '1000W-220V' লেখা আছে। হিটারটির রোধ কত ওহম (Ohm)?

সমাধান:
এখানে, বিভব পার্থক্য, V = 220V
ক্ষমতা, P = 1000 W
রোধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
বা, R = V2/P
বা, R = (220 × 220)/1000
বা, R = 48400/1000
∴ R = 48.4 ওহম

১২,৭১৪.
বুধকে প্রথম ছবি পাঠানোর মহাশূন্যযান কোনটি?
  1. মেরিনার-১০
  2. ভয়েজার-১
  3. মেরিনার-১
  4. ভয়েজার-২
সঠিক উত্তর:
মেরিনার-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনার-১০
ব্যাখ্যা

- নাসার (NASA) পাঠানো মেরিনার-১০ (Mariner-10) মহাকাশযানটিই প্রথম বুধ গ্রহের কাছ থেকে ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল। ১৯৭৪ সালের ২৯শে মার্চ এটি বুধের প্রথম ঘনিষ্ঠ ছবি তোলে। 

বুধ (Mercury): 

- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার এবং এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
সুতরাং, বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি, সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি আছে।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি এবং নাসা ওয়েবসাইট।

১২,৭১৫.
এম আর আই (MRI) এর ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ক) এম আর আই দেখতে সিটি স্ক্যান যন্ত্র থেকে ভিন্ন
  2. খ) এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না
  3. গ) এম আর আই এ সিটি স্ক্যান এর তুলনায় সময় কম লাগে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না
ব্যাখ্যা

MRI এর পূর্ণরূপ - Magnetic resonance imaging.
- এম আর আই দেখতে সিটি স্ক্যান যন্ত্রের মত।
- এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না।
- এম আর আই এ সিটি স্ক্যান এর তুলনায় সময় বেশি লাগে।
[তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩০২।]

১২,৭১৬.
সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের কত দিন সময় লাগে?
  1. ক) ১৮০ দিন
  2. খ) ২০০ দিন
  3. গ) ২২০ দিন
  4. ঘ) ২২৫ দিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২৫ দিন
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):

- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র। 
- পৃথিবী থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ৪.৩ কোটি কিলোমিটার। 
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭১৭.
মানুষের শ্রবণসীমার নিচের শব্দকে কী বলা হয়?
  1. ইনফ্রাসাউন্ড
  2. আলট্রাসাউন্ড
  3. মেগাসাউন্ড
  4. সাবসোনিক
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রাসাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রাসাউন্ড
ব্যাখ্যা

• ইনফ্রাসাউন্ড (Infrasound):
- যেসব শব্দের কম্পাঙ্ক মানুষের শ্রবণ সীমার নিচে থাকে, অর্থাৎ 20 Hz-এর নিচে, সেগুলোকে ইনফ্রাসাউন্ড বলা হয়।
- উদাহরণ: ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির গর্জন, কিছু বৃহৎ প্রাণীর শব্দ।

• আলট্রাসাউন্ড (Ultrasound):
- যেসব শব্দের কম্পাঙ্ক মানুষের শ্রবণ সীমার উপরে থাকে, অর্থাৎ 20 kHz-এর উপরে।
- উদাহরণ: ডেন্টিস্টদের ডেন্টাল ক্লিনিং যন্ত্র, ভয়েসহীন নেভিগেশন বা ডাক্তারি ইমেজিং (সোনোগ্রাফি)।

• মেগাসাউন্ড (Megasound):
- সাধারণত এটি ব্যবহার হয় খুব উচ্চশক্তির শব্দের জন্য যা কোনো বড় শক্তি বা বিস্ফোরণের সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৭১৮.
পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7। 
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭১৯.
Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের রেচন অঙ্গ কী নামে পরিচিত? 
  1. কিডনি
  2. শিখা অঙ্গ
  3. নেফ্রিডিয়া
  4. ম্যালপিজিয়ান নলিকা
সঠিক উত্তর:
শিখা অঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিখা অঙ্গ
ব্যাখ্যা
প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes): 
- Platy শব্দের অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminthes শব্দের অর্থ কৃমি, এই শব্দ দুটি থেকে প্লাটিহেলমিনথেস শব্দটি এসেছে। 
- এই পর্বের প্রাণীদের জীবনযাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়। 
- এই পর্বের বহু প্রজাতি বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে। 
- তবে কিছু প্রজাতি মুক্তজীবী হিসেবে স্বাদু পানিতে আবার কিছু প্রজাতি লবণাক্ত পানিতে বাস করে। 
- এই পর্বের কোনো কোনো প্রাণী ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বাস করে। 
যেমন- যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত। 

প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
• দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ। 
• বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী। 
• দেহ পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত। 
• দেহে চোষক ও আংটা থাকে। 
দেহে শিখা অঙ্গ নামে বিশেষ অঙ্গ থাকে, এগুলো রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। 
• পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত। 
উদাহরণ: Fasciola (যকৃৎ কৃমি) Taenia (ফিতা কৃমি)। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২,৭২০.
হীরক কোন মৌলের বিশেষ রূপ?
  1. কার্বন
  2. প্লাটিনাম
  3. গোল্ড
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
• মৌলের ধর্ম:
- একই মৌল প্রকৃতিতে বিভিন্ন ভৌত গুণাগুণ প্রদর্শন করে কিন্তু রাসায়নিক ধর্মের তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না।
- অর্থাৎ কিছু অধাতব মৌলের রাসায়নিক গুণাগুণ মোটামুটি অভিন্ন হলেও ভৌত ধর্মের মধ্যে বিভিন্নতা থাকে।
- এইসব পদার্থ বা মৌলগুলোকেই বহুরূপী মৌল বলে এবং মৌলের এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় বহুরূপতা।
- গ্রাফাইট ও হিরক একই মৌল কার্বন দ্বারা গঠিত হলেও এদের ভৌত ধর্ম এবং রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য বিদ্যমান।
- হীরক ও গ্রাফাইট হলো কার্বনের রূপভেদ প্রকৃতিতে কার্বন বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।
- হীরক বর্ণহীন, স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, স্ফটিকাকার পদার্থ।
- হীরক সবচেয়ে কঠিন পদার্থ।
- হীরক তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী।

উৎস; সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭২১.
পলিথিন ব্যাগ কোন মনোমার থেকে তৈরি?
  1. ফেনল
  2. মেলামাইন
  3. ভিনাইল ক্লোরাইড
  4. ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা

- পলিথিন (polyethylene) হলো একটি পলিমার যা ইথিলিন (ethylene) নামক মনোমার অণুগুলোর পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। 

পলিমার (Polymer): 
- পলিমার হলো বহু ছোট মনোমার অণু একত্রে যুক্ত হয়ে গঠিত বৃহৎ অণু, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ, যেমন পলিথিন ব্যাগ, পিভিসি পাইপ, সুইচ বোর্ড, কাপড় ও রাবারে পাওয়া যায়। 
- পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরোস (Meros) থেকে। পলি শব্দের অর্থ হলো অনেক (Many) এবং মেরোস শব্দের অর্থ অংশ (Part)। অর্থাৎ, অনেকগুলো ছোট অণু পরপর যুক্ত হয়ে বড় আকারের যে অণু তৈরি হয় তাকে পলিমার বলে। 
- যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাকে বলে মনোমার (Monomer)। 
- যে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হয় তা 'ইথিলিন' নামের মনোমার থেকে তৈরি এক ধরনের পলিমার। একইভাবে, পিভিসি পাইপ (PVC) হলো ভিনাইল ক্লোরাইড নামের মনোমার থেকে তৈরি পলিমার। তবে সব সময় একটি মনোমার থেকেই পলিমার তৈরি হবে এমন নয়, একের অধিক মনোমার থেকেও পলিমার তৈরি হতে পারে। 
যেমন- বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত বস্তু। বৈদ্যুতিক সুইচে ব্যাকেলাইট নামের একটি পলিমার ব্যবহার করা হয়। ব্যাকেলাইট তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। আবার, মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থাকে। 

প্রাকৃতিক পলিমার: 
- পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার প্রভৃতি হচ্ছে প্রাকৃতিক পলিমার। 

কৃত্রিম পলিমার: 
- মেলামাইন, রেজিন, বাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন প্রভৃতি হলো কৃত্রিম পলিমার। এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্পকারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৭২২.
Bacillus subtilis ব্যাকটেরিয়া থেকে কোন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়?
  1. স্ট্রেপ্টোমাইসিন 
  2. পলিমিক্সিন
  3. সাবটিলিন
  4. পেনিসিলিন
সঠিক উত্তর:
সাবটিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবটিলিন
ব্যাখ্যা

• Bacillus subtilis ব্যাকটেরিয়া থেকে সাবটিলিন প্রস্তুত করা হয়।

• চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া:

- অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতকরণ:
-ব্যাকটেরিয়া থেকে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়।
- যেমন— Bacillus subtilis থেকে সাবটিলিন এবং Bacillus polymyxa থেকে পলিমিক্সিন প্রস্তুত করা হয়।

-টিকা (Vaccine) প্রস্তুতকরণ:
- ব্যাকটেরিয়া থেকে কলেরা, টাইফয়েড ও যক্ষ্মা রোগের টিকা প্রস্তুত করা হয়।

- ডি.পি.টি. (DPT) টিকা:
- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কার রোগের প্রতিরোধে ব্যাকটেরিয়া থেকে টিকা প্রস্তুত করা হয়।
- যেমন— Corynebacterium diphtheriae (D), Bordetella pertussis (P) এবং Clostridium tetani (T)।
- এই তিনটি রোগের সম্মিলিত টিকাকে DPT টিকা বলা হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭২৩.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) স্টিফেন হকিং 
  2. খ) জি.লেমেটার
  3. গ) জর্জ গ্যামো
  4. ঘ) কোপারনিকাস
সঠিক উত্তর:
খ) জি.লেমেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জি.লেমেটার
ব্যাখ্যা
জি.লেমেটারকে বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক বলা হয়। তিনি একজন বেলজিয়ামের নাগরিক, ক্যাথোলিক ধর্মযাজক যাকে "Father of Big Bang Theory" নামে অভিহিত করা হয়।  

বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুসারে,মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি একক কণার বিস্ফোরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
একক বস্তুটিই মহাবিশ্বের মূল বস্তু যার পরবর্তী কালে প্রসারণের ফলে সম্প্রসারণ শীল মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এবং বস্তুটিও শীতল হতে থাকে। এই সময় থেকেই প্রসারণের শুরু যা বিগ ব্যাং নামে পরিচিত। মহাজাগতিক বস্তু প্রসারণের ফলে ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে এবং গামা রশ্মি মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে ও পরমাণুর ছোট কণার উদ্ভব হয়। 
-পরবর্তীতে স্টিফেন হকিং আধুনিক বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। 
- A Brief History of time গ্রন্থের লেখক হলেন স্টিফেন হকিং। 

সূত্র: American Museum of Natural History Website. [লিঙ্ক]
১২,৭২৪.
কিসের অভাবে ফসলের পরিপক্বতা বিলম্বিত হয়?
  1. ক) দস্তা
  2. খ) সালফার
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সালফার
ব্যাখ্যা
Plants deficient in sulphur are small and spindly with short and slender stalks, their growth is retarded, maturity in cereals is delayed, nodulation in legumes may be poor and nitrogen-fixation reduced, fruits often do not mature fully and remain light-green in color, forages contain an undesirably wide N:S ratio and thus have lower nutritive value.
Source: The Sulphur Institute, Washington, USA.
১২,৭২৫.
ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরীণ ভৌত অবস্থা কেমন?
  1. আয়তন ও ঘনত্ব উভয়ই অসীম
  2. আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম
  3. আয়তন প্রায় অসীমের কাছাকাছি, ঘনত্ব প্রায় শূন্য
  4. আয়তন অনেক বড়, ঘনত্ব খুবই কম
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম
ব্যাখ্যা

• ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরকে সিঙ্গুলারিটি বলা হয়, যেখানে পদার্থ একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র আয়তনে সংকুচিত হয়ে যায় এবং ঘনত্ব অসীমের দিকে ধাবিত হয়। এখানে প্রচলিত পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম কাজ করা বন্ধ করে দেয়, কারণ মহাকর্ষ এতই শক্তিশালী যে আলোও পালাতে পারে না।
- তাই বৈজ্ঞানিকভাবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো- খ) আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম।

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭২৬.
এক্স-রশ্মি হচ্ছে-
  1. ক) যান্ত্রিক তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) আড়তরঙ্গ
  4. ঘ) অবলোহিত তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) আড়তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড়তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
- ইহা তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10×10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭২৭.
নিচের কোনটি দিক রাশির উদাহরণ?
  1. দৈর্ঘ্য
  2. সরণ
  3. দ্রুতি
  4. কাজ
সঠিক উত্তর:
সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরণ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য এদের বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭২৮.
ছত্রাক সাধারণত কোন পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে? 
  1. যৌনপদ্ধতিতে 
  2. অযৌনপদ্ধতিতে 
  3. যৌন ও অযৌন উভয় পদ্ধতিতেই 
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
যৌন ও অযৌন উভয় পদ্ধতিতেই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌন ও অযৌন উভয় পদ্ধতিতেই 
ব্যাখ্যা

ছত্রাক: 
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত।
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি (Mycology) বলা হয়। 
- আর্দ্রতা, উষ্ণতা, খাদ্যসমৃদ্ধ ছাঁয়াযুক্ত বা অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশই ছত্রাকের উপযুক্ত বাসস্থান। 
- ছত্রাক সাধারণত অযৌন এবং যৌন উভয় উপায়ে বংশবৃদ্ধি সম্পন্ন করে। 
- কিছু কিছু ছত্রাক প্রজাতির সমস্ত দেহটিই জনন কাজে অংশ নেয়। 
- এ ধরনের ছত্রাকের দৈহিক ও জননাঙ্গের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না। এরূপ ছত্রাককে হলোকাপিক ছত্রাক বলা হয়। 
- অধিকাংশ ছত্রাকের দেহের অংশবিশেষ থেকে জননযন্ত্রের সৃষ্টি হয় কিন্তু অন্য অংশ স্বাভাবিক থাকে। এরূপ ছত্রাককে বলা হয় ইউকারপিক ছত্রাক। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭২৯.
নিচের কোনটি অন্তরক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) প্লাস্টিক
  2. খ) রাবার
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) কাঠ
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনাে মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলাে হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। মূলত অধাতুগুলাে বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়।
উদাহরণ: প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলাে হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থ । (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)

১২,৭৩০.
ঘূর্ণিঝড় আইলা কত সালে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড় আইলা:
- ২০০৯ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা।
- যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- আইলা হলো ২০০৯ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরে জন্ম নেওয়া একটি ঘূর্ণিঝড়।
- ২১ মে ভারতের কলকাতা থেকে ৯৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এর উৎপত্তি।
- তবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ এবং ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাংশে আইলা আঘাত হানে ২৫ মে।
- মালদ্বীপের আবহাওয়াবিদরা এর নাম আইলা দেন।
- ‘আইলা’ শব্দের অর্থ ডলফিন বা শুশুকজাতীয় জলচর প্রাণী।
- নামটি এই ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নির্ধারণ করেন জাতিসংঘের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা ‘ইউএন এস্কেপ’-এর (UN Escape) বিজ্ঞানীরা। 
- ঘূর্ণিঝড় আইলার ব্যাস ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার, যা ঘূর্ণিঝড় সিডর থেকে ৫০ কিলোমিটার বেশি।
- এটি ১০ ঘণ্টা সময় নিয়ে উপকূল অতিক্রম করে।
-  বাংলাদেশে আইলা পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীর হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
- আইলার প্রভাবে খুলনা ও সাতক্ষীরায় ৭১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুই অঞ্চলে প্রাণ হারিয়েছে মোট ১৯৩ জন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৩১.
নিচের কোনটি গুরুমস্তিষ্কের অংশ নয়?
  1. ক) মেডুলা
  2. খ) সেরিব্রাম
  3. গ) থ্যালামাস
  4. ঘ) হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
ক) মেডুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেডুলা
ব্যাখ্যা
পশ্চাৎমস্তিষ্ক লঘুমস্তিষ্ক নামেও পরিচিত। লঘুমস্তিষ্ক গুরুমস্তিষ্কের চেয়ে আকারে ছোটো এবং গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থান করে৷

লঘুমস্তিষ্কের অংশ তিনটি,
যথা- সেরিবেলাম, পনস এবং মেডুলা বা সুষুম্নাশীর্ষক।

গুরুমস্তিষ্কের অংশ হলো- সেরিব্রাম, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস।
মেরুরজ্জু বা সুষুম্নাকাণ্ড মেরুদণ্ডের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে। মেরুরজ্জু মস্তিষ্কের অংশ নয়।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি
১২,৭৩২.
গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. ক) ১০ গুণ
  2. খ) ১০০ গুণ
  3. গ) ১০০০ গুণ
  4. ঘ) ১০,০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ গুণ
ব্যাখ্যা
- একটি সরু ছিদ্রযুক্ত লেড বা সীসার পাত্রে রেডিয়াম রেখে দিলে তা থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছিদ্র দিয়ে সরলরেখায় বের হয়। এ রশ্মিকে চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত করলে তা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এদেরকে যথাক্রমে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বলা হয়।
- এদের মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জযুক্ত, বিটা রশ্মি ঋনাত্মক চার্জযুক্ত এবং গামা রশ্মি হচ্ছে চার্জবিহীন বা চার্জনিরপেক্ষ। 

গামা রশ্মি (γ-রশ্মি):
প্রকৃতি: গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ। α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে। এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।
বেগ: তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ বলে এদের গতিবেগ সেকেন্ডে 186000 মাইল বা 3 × 108 km। 
বায়ুর আয়নীকরণ: এরা প্রধানত পরোক্ষভাবে পদার্থকে আয়নিত করে। বহু দীর্ঘ পথে ঐ আয়নীকরণ সংঘটিত হয় বলে গামা রশ্মির আপেক্ষিক আয়নীকরণ ক্ষমতা খুব কম।
ছেদন ক্ষমতা: গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি। রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
জীবকোষের উপর ক্রিয়া: জীবন্ত কোষের ক্ষতিসাধন করে। 
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
১২,৭৩৩.
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের মেরুদণ্ডে কতটি কশেরুকা থাকে?
  1. ক) ২৫টি
  2. খ) ২৬টি
  3. গ) ৩১টি
  4. ঘ) ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬টি
ব্যাখ্যা
একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে কশেরুকা থাকে ২৬টি। আর নবজাতকের শরীরে মেরুদণ্ডে হাড় থাকে ৩৩টি।

পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে কশেরুকা থাকে -
- ৭টি গ্রীবাদেশীয় কশেরুকা
- ১২টি বক্ষদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি কটিদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি হাড় একীভূত হয়ে একটি শ্রোণিদেশীয় কশেরুকা
- ৪টি হাড় একীভূত হয়ে একটি পুচ্ছদেশীয় কশেরুকা

- এই সর্বমোট ২৬টি কশেরুকা।
- শৈশাবস্থায় শ্রোণিদেশীয় ও পুচ্ছদেশীয় হাড়গুলো একীভূত না হওয়ায় তখন মেরুদণ্ডে মোট অস্থির সংখ্যা থাকে ৩৩টি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১২,৭৩৪.
একটি অণু ভাঙলে কী পাওয়া যায়?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) ইলেকট্রন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) পরমাণু
সঠিক উত্তর:
ঘ) পরমাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পরমাণু
ব্যাখ্যা
একটি অণু ভাঙলে পরমাণু পাওয়া যায় এবং পরমাণু ভাঙলে পাওয়া যায় ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১২,৭৩৫.
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় পদার্থকে তাপ দিলে কী ঘটে? 
  1. সরাসরি তরলে রূপান্তরিত হয় 
  2. সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
  3.  প্রথমে তরলে, পরে বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না 
সঠিক উত্তর:
সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
ব্যাখ্যা

ঊর্ধ্বপাতন: 
- পদার্থের সাধারণ পরিবর্তনের ধারাক্রম হলো তাপের প্রভাবে কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে বাষ্পীয় অবস্থায় রূপান্তর। 
- কিন্তু এমন কিছু পদার্থ আছে যাদেরকে তাপ দিয়ে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্প এবং বাষ্পকে শীতল করলে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। 
- এক্ষেত্রে কঠিন থেকে বাষ্প এবং বাষ্প থেকে কঠিন অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়ার সময় পদার্থ তার মধ্যবর্তী তরল অবস্থা প্রাপ্ত হয় না, যাদের উদ্বায়ী পদার্থ বলে। 
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতনবলা হয়। 
যেমন- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৩৬.
Which semiconductor is used in Transistor?
  1. Manganese
  2. Arsenic
  3. Germanium
  4. Tungsten
সঠিক উত্তর:
Germanium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Germanium
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ১৯৪৮ সালে জে বার্ডিন ও ডব্লিউ এইচ ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রিক সার্কিট বা বর্তনীতে  ট্রানজিস্টর বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেত বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে অ্যামপ্লিফায়ার বলে।
- ট্রানজিস্টর দুই ধরনের। যথা- n-p-n এবং p-n-p ।
- ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয় - জার্মেনিয়াম, সিলিকন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,৭৩৭.
কোনটি এসিডের প্রভাব নিষ্ক্রিয় করতে ব্যবহৃত ক্ষারক নয়? 
  1. চুন
  2. বেকিং সোডা
  3. ক্যালামিন
  4. মেলিটিন
সঠিক উত্তর:
মেলিটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলিটিন
ব্যাখ্যা
ক্ষারক: 
- সকল ক্ষারক লাল লিটমাস কাগজের রং পরিবর্তন করে নীল করে। 
- পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক অর্থাৎ ক্ষারসমূহ পানিতে হাইড্রক্সাইড আয়ন (OH-) উৎপন্ন করে। 
যেমন- 
• NaOH → Na+ + OH- 
• KOH → K+ + OH- 
- ক্ষারক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ উৎপন্ন করে। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

প্রাত্যহিক জীবনে ক্ষারকের ব্যবহার: 
- মৌমাছি হুল ফুটালে এবং পিঁপড়া কামড় দিলে শরীরে যেহেতু ফরমিক এসিড, মেলিটিন এবং অ্যাপামিন নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, তাই সেগুলি জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যাওয়ার কারণ হয়ে থাকে। 
- এসিডের প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় করতে ক্ষারক ধর্মীয় মলম, লোশন (যেমন চুন), ক্যালামিন (যা জিংক কার্বোনেট) এবং বেকিং সোডা ব্যবহার করা হয়, যা এই জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। 

মাটির এসিডিটি দূর ক্ষারকের ব্যবহার: 
- মাটিতে এসিডিটি বৃদ্ধি পেলে উর্বরতা নষ্ট হয়ে যায়, যা প্রশমিত করতে ক্ষারক যেমন- চুন (CaO), মিল্ক অব লাইম (Ca(OH)2 এবং চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহৃত হয়। 
- টুথপেস্ট ও টুথপাউডার ক্ষারীয় পদার্থ হয়ে মুখে এসিডীয় অবস্থা নিরসন করে দাঁতের ক্ষয় রোধ করে। 
- সাবান যেমন- শক্ত সাবান, তরল সাবান এবং কাপড় কাচার সাবান ক্ষারক হিসেবে তৈরি হয়। আবার শেভিং ফোম এবং নরম সাবানও ক্ষারক দিয়ে তৈরি। 
- গ্যাস্ট্রিক ব্যথা বা এসিডিটির জন্য ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Mg(OH)2) ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Al(OH)3) এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৩৮.
কোন রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি? 
  1. লাল
  2. সাদা
  3. কালো
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। 
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। 
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক, কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। 
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৩৯.
শুষ্ক কোষে কোনটি ইলেকট্রন দান করে? 
  1. দস্তার খোল
  2. কার্বন দণ্ড
  3. কয়লার গুড়া
  4. ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
দস্তার খোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তার খোল
ব্যাখ্যা
শুষ্ক কোষ (Dry Cell): 
- শুষ্ক কোষ হল একটি প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি সেল, যা লেকল্যান্স বিদ্যুৎ কোষের একটি ভিন্ন রূপ। 
- এ বিশেষ লেকল্যান্স কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ক্যাথোডের গায়ে H2 গ্যাস দ্বারা পোলারন বা ছদন নিবারক হিসেবে জারকরূপে কঠিন ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) ব্যবহৃত হয় বলে একে শুষ্ক কোষ বলে। 

গঠন: 
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে জিংক অর্থাৎ দস্তার তৈরি একটি একমুখ বন্ধ ফাঁপা চোঙকে বহিঃপাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা ঋণাত্মক পাত বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। 
- চোঙটিকে একটি কাগজের মোড়কে ঢেকে রাখা হয়। 
- এ চোঙের ঠিক মাঝখানে একটি কার্বন দণ্ড (কোষের নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বাররূপে) কোষের ধনাত্মক পাত বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 
- কার্বন দণ্ডের মাথায় একটি পিতলের টুপি থাকে। 
- এ কার্বন দণ্ডটি আলকাতরাযুক্ত কাগজের উপর খাড়াভাবে বসানো থাকে ফলে কার্বন দণ্ড থেকে দস্তার ফাঁপা চোঙ বিচ্ছিন্ন থাকে। 
- এর চারপাশে কাগজের থলিতে MnO2 ও গুঁড়া কার্বনের একটি আঠালো পেস্ট থাকে। 
- কাগজের থলি সচ্ছিদ্র পাত্রের কাজ করে এবং কার্বন গুঁড়া ব্যবহারের ফলে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়। 
- দস্তার চোঙ ও কাগজের থলির মাঝে আঠালো স্টার্চের গুঁড়া, NH4Cl ও সামান্য ZnCl2 এর একটি পেস্ট থাকে, যা MnO2 কে ভেজা রাখতে সাহায্য করে। 
- কোষের উপরের মুখে পিচ বা গালা স্তর থাকে। 
- জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে
- এ কোষের E.M.F. প্রায় 1.5 Volt. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১২,৭৪০.
অটোইমিউন রোগে মূলত কী ধরনের ঘটনা ঘটে?
  1. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে দুর্বল হয়ে যায়
  2. শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজের কোষকে আক্রমণ করে
  3. ভাইরাস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়
  4. ব্যাকটেরিয়া প্রতিরক্ষা কোষের ভেতরে বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজের কোষকে আক্রমণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজের কোষকে আক্রমণ করে
ব্যাখ্যা

◉ সাধারণ অবস্থায় শরীরের ইমিউন সিস্টেম (Immune system) বাইরের জীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, টক্সিন ইত্যাদি) শনাক্ত করে এবং সেগুলোকে ধ্বংস করে। কিন্তু, অটোইমিউন রোগে ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত নিজের শরীরের কোষ ও টিস্যুকে "শত্রু" মনে করে আক্রমণ শুরু করে।

লোহিত কণিকা উৎপাদন হ্রাস হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির অভাব, যেমন, আয়রন, ভিটামিন B12 বা ফোলেট, যা লাল রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে।
২. কিডনির রোগ।
৩. কয়েক ধরনের ক্যান্সার, যেমন লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং মাল্টিপল মায়োলোমা।
৪. অটোইমিউন রোগ যেমন লুপাস বা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস যাতে রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলো আপন দেহকেই আক্রমণ করে।
৫. নির্দিষ্ট ধরনের সংক্রমণ, যেমন এইচআইভি এবং যক্ষ্মা।
৬. থাইরয়েডের সমস্যা যেমন হাইপোথাইরয়েডিজম।
৭. অন্ত্রে প্রদাহের রোগ যেমন আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং ক্রোনস ডিজিজ।
৮. অস্থিমজ্জা থেকে রক্ত কণিকা তৈরি বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া।
৯. নির্দিষ্ট ধরনের ওষুধ সেবন বা চিকিৎসা নেওয়া, বিশেষ করে ক্যান্সারের জন্য কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশন থেরাপি।
১০. বিষাক্ত পদার্থ যেমন সীসার সংস্পর্শে আসা।
১১. কিছু জেনেটিক রোগ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১২,৭৪১.
Which year was the first case of AIDS diagnosed in the United States of America?
  1. 1979
  2. 1981
  3. 1985
  4. 1987
  5. 1989
সঠিক উত্তর:
1981
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1981
ব্যাখ্যা
এইডস রোগ: 
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। 
- এটি একটি সংক্রামক রোগ। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়। 
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে। 

- এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘অ্যাকুয়ার্ড ইম্যুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রম’ যা সংক্ষেপে AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)। 
- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human immunodeficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে। 
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। 
- দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। 
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। 
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে। 

- প্রধানত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে, এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৪২.
কোনটির আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে? 
  1. টেলিভিশন
  2. কম্পিউটার
  3. অসিলেটর
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ও এর প্রভাব: 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে: এমিটার, বেস, এবং কালেক্টর।
- এটি একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ডিভাইস।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে এর আবিষ্কার ঘটে।
- আবিষ্কারের পর থেকে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক যন্ত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন ও হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে, তাই এটিকে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৪৩.
সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে কী বলে? 
  1. দ্রুতি 
  2. মন্দন 
  3. বেগ 
  4. সরণ 
সঠিক উত্তর:
মন্দন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্দন 
ব্যাখ্যা

মন্দন:
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে
- অন্য ভাবে একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে।
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ। 

ত্বরণ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়।
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি ।
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়।

দ্রুতি:
- কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে বা দূরত্বের হারকে দ্রুতি বলে।
- এটি একটি স্কেলার রাশি।
- বেগের মান দ্বারা দ্রুতি পরিমাপ করা হয়।

সরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে সরল পথে কোনো বস্তু যে দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করে তাকে সরণ বলে।
- সরণ একটি ভেক্টর রাশি।
- কোনো গতিশীল বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন একটি  নির্দিষ্ট দিকে হলে সরণ ঘটে।

বেগ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৪৪.
নিচের কোনটিকে 'জৈব মুদ্রা' বলা হয়?
  1. Glucose
  2. ATP
  3. Chlorophyll
  4. Oxygen
সঠিক উত্তর:
ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATP
ব্যাখ্যা
ATP-কে অনেক সময় 'জৈবমুদ্রা' বা 'শক্তি মুদ্রা' (Biological coin or energy coin) বলা হয়।
• ATP(অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট):

- DNA এবং RNA-এর গাঠনিক উপাদানগুলোর একটি হলো অ্যাডেনিন।
- এটি একটি নাইট্রোজেন বেস। এর সাথে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ সুগার অণু যুক্ত হয়ে তৈরি হয় অ্যাডিনোসিন।
- অ্যাডিনোসিন অণুর সাথে পর্যায়ক্রমে একটি, দুটি এবং তিনটি ফসফেট/ফসফোরিক এসিড গ্রুপ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে অ্যাডিনোসিন মনোফসফেট (AMP), অ্যাডিনোসিন ডাইফসফেট (ADP) এবং অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) গঠন করে।
- ATP-এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে যে শক্তি বের হয়, সেই শক্তি দিয়ে জীবদেহের প্রতিটি জৈবনিক কাজ অর্থাৎ, মাংসপেশির সংকোচন থেকে ইন্দ্রিয়ানুভূতি, খাবার খাওয়া থেকে হজম করা, নিঃশ্বাস নেওয়া থেকে কথা বলা, চিৎকার করা থেকে হাসি-কান্না, দৈহিক বৃদ্ধি থেকে প্রজনন, দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখা থেকে শুরু করে দেহের প্রতিটি কোষের স্বাভাবিক আয়তন বজায় রাখা- এর সবই সম্পন্ন হয়।
- আমরা যে খাবার খাই তা জারিত হয়, সেই জারণ থেকে নির্গত শক্তি দ্বারা ফসফোরাইলেশনের মাধ্যমে আবার সেই ভাঙা দুই টুকরা জোড়া লেগে ATP তৈরি হয়।
- শক্তির প্রয়োজন হলে তা আবার ভাঙে।
- তারপর খাদ্য থেকে শক্তি নিয়ে আবার জোড়া লাগে।
- এ যেন এক রিচার্জেবল ব্যাটারি। ATP শক্তি জমা করে রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে।
- এজন্য ATP-কে অনেক সময় 'জৈবমুদ্রা' বা 'শক্তি মুদ্রা' (Biological coin or energy coin) বলা হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৪৫.
মানবদেহে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় কোথায়?
  1. যকৃৎ
  2. অগ্ন্যাশয়
  3. বৃক্ক
  4. পিটুইটারি গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
• ইনসুলিন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে নিঃসৃত হয়। অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স  (Islets of Langerhans) নামক কোষগুচ্ছে বিটা কোষ (β-cells) ইনসুলিন উৎপন্ন করে।

• ইনসুলিন কাজ- 
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি কোষে গ্লুকোজের অনুপ্রবেশ ও ব্যবহার বৃদ্ধি করে যেখানে তা শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
-  যকৃত ও পেশিকোষে গ্লাইকোজেন সংশ্লেষণ (গ্লাইকোজেনেসিস) ও সঞ্চয় হার বৃদ্ধি করে।
-  রক্ত-শর্করার মাত্রা কমায়;
-  গ্লুকোনিওজেনেসিস ও কিটোন বডি উৎপাদন রোধ করে এবং
-  মেদ টিস্যুতে ফ্যাট সংশ্লেষণ ও সঞ্চয় ত্বরান্বিত করে। এর অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
১২,৭৪৬.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক রশ্মি কিভাবে চলে?
  1. সরাসরি তন্তুর মধ্য দিয়ে 
  2. দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
  3. তন্তুর বাইরের অংশ দিয়ে 
  4. যেকোনো পথে বিচ্ছিন্ন হয়ে 
সঠিক উত্তর:
দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাঁচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১২,৭৪৭.
আলফা রশ্মি হলো মূলত -
  1. প্রোটন
  2. আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  3. নিউট্রন
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি মূলত আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস যার ভর 6.6 × 10-27 কেজি। 
- ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2 × 10-19 কুলম্ব। 
- আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6 x 10-13J হতে 9 MeV বা 1.44 x 10-12J পর্যন্ত হয়। 
- আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
- আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
- ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৪৮.
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে, তাকে কী বলে? 
  1. স্টিম বিন্দু 
  2. ত্রৈধ বিন্দু 
  3. নিম্ন স্থির বিন্দু
  4. ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
ব্যাখ্যা

থার্মোমিটার: 
- তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য থার্মোমিটারের নলে একটি দাগ কাঁটা স্কেল প্রয়োজন হয়। 
- দাগ কাঁটার জন্য দুটি বিশেষ তাপমাত্রাকে নির্দিষ্ট করা হয়। 
- এ দুটি বিশেষ তাপমাত্রাকে থার্মোমিটারের স্থিরাংক (Fixed point) বলে। 
- পারদ থার্মোমিটারের ক্ষেত্রে বরফের গলনাংককে নিম্ন স্থিরাংক (Lower Fixed point) এবং পানির স্ফুটাঙ্ককে ঊর্ধ্ব স্থিরাংক (Upper Fixed point) ধরা হয়। 
- নলের যে দুটি বিন্দুতে নিম্ন স্থিরাংক এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাংক দাগ কাটা হয় তাদের নিম্ন স্থির বিন্দু এবং ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বলে। 

নিম্ন স্থির বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে। 
অর্থাৎ, যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে। 

ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে। 
অর্থাৎ‍, যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে। 

ত্রৈধ বিন্দু: 
- 4.58 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৪৯.
৪.২ জুল যান্ত্রিক শক্তি =_____________ তাপ।
  1. ২ ক্যালরি
  2. ১ ক্যালরি
  3. ৪ ক্যালরি
  4. ৩ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৫০.
আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. চার্লস ডারউইন
  4. উপরের কাউকেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

• আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস

• অ্যারিস্টটল: 
- অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান এর জনক বলা হয়।
- প্রাণীদের গঠন ও স্বভাব নিয়ে তার ব্যাপক গবেষণা রয়েছে।

• ক্যারোলাস লিনিয়াস:
- যেকোনো প্রাণী সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে হলে সর্বপ্রথম প্রয়োজন তার শনাক্তকরণ। আর এ কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করার অন্যতম মাধ্যম হলো শ্রেণিকরণ।
- প্রাণিবিজ্ঞান চর্চার শুরু থেকেই অনেক বিজ্ঞানী প্রাণিদের শ্রেণিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। তারমধ্যে অন্যতম ছিলেন সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭-১৭৭৮)। এজন্য তাকে আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক (Father of taxonomy) বলা হয়।
- প্রতিটি জীবের দুটি বৈজ্ঞানিক নাম (গণ ও প্রজাতি) প্রদানের প্রবর্তন করেন, যেমন মানুষের জন্য Homo sapiens। একে দ্বিপদী নামকরণ বলা হয়।

• চার্লস ডারউইন:
- চার্লস ডারউইন বিবর্তনবাদ এবং প্রাকৃতিক নির্বাচন এর ধারণা আবিষ্কার করেন।
- তার বিখ্যাত বই 'On the Origin of Species' এই তত্ত্বকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেয়। 

উৎস: ১) জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) BBC

১২,৭৫১.
সবাত শ্বসন প্রধানত কোন অঙ্গানুতে ঘটে?
  1. রাইবোজোম
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া
ব্যাখ্যা

শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন (respiration) বলে। 
- শ্বসনের সময় খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়। 
- শ্বসন প্রতিটি সজীব কোষে দিন ও রাতের সবসময় ঘটে। 
- কোষের সাইটোপ্লাজম বা সাইটোসল (cytosol) এবং কোষস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া নামক অঙ্গানুতে সবাত শ্বসন হয়। 
- অবাত শ্বসন হয় সাইটোপ্লাজমে। 
- সবাত ও অবাত শ্বসনে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে যে রাসায়নিক শক্তি উৎপাদন করে তা কোষের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করার জন্যে প্রধানত ATP হিসাবে তৈরি ও পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য ATP কে জৈবনিক মুদ্রা বা biological coin বলা হয়। 
- সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারনের সর্বশেষ ধাপ কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে হয় এবং অন্যান্য উচ্চশক্তিসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ ATP তে রূপান্তরিত হয় এবং সেজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা powerhouse of a cell বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৫২.
কোন ভাইরাসের কারণে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
  1. ভেরিওলা ভাইরাস
  2. ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  3. অ্যাডিনো ভাইরাস
  4. র‍্যাবিস ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
অ্যাডিনো ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডিনো ভাইরাস
ব্যাখ্যা

ভাইরাস:
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।

ভাইরাসের অপকারিতা:
- বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো-
- ফ্ল্যাভি ভাইরাস- ডেঙ্গু,
- র‍্যাবিস ভাইরাস- জলাতঙ্ক,
- ভেরিওলা ভাইরাস- গুটিবসন্ত,
- অ্যাডিনো ভাইরাস- নিউমোনিয়া,

উৎস: জীববিজ্ঞান (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৫৩.
আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) অ্যামিটার
  2. খ) ভোল্টামিটার
  3. গ) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তু তড়িৎগ্রস্থ কিনা তা যাচাই করা যায় এবং তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
অ্যামিটার হলো একটি যন্ত্র যার সহায়তায় বিদ্যুতের প্রবাহ সরাসরি বৈদ্যুতিক একক অ্যাম্পিয়ারে পরিমাপ করা যায়।

যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।

দূরবীক্ষণ যন্ত্র তথা দূরবীন (টেলিস্কোপ) এমন একটি যন্ত্র যা দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু দর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি দূরবর্তী বস্তু থেকে নির্গত বিকিরণ সংগ্রহ, পরিমাপ এবং বিশ্লেষণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

১২,৭৫৪.
পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কোথায় অবস্থান করে?
  1. ক) পানির উপরিভাগে
  2. খ) পানির মধ্যভাগে
  3. গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
  4. ঘ) পানির তলদেশে
সঠিক উত্তর:
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
ব্যাখ্যা

যদি, জলাধার হিসেবে বলা হয়,
তাহলে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি থাকে পানির উপরিভাগে, এবং গভীরতার সাথে সাথে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন পানির সকল স্তর তথা উপরিভাগ, মধ্যভাগ এবং তলদেশ সকল স্তরেই থাকে।
না হলে মধ্য এবং তলদেশের জলজ প্রাণীদের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না। মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। যারা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না তাদের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

যাইহোক, প্রশ্ন যদি এটা দেয়া হতো, 
পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি কোথায় অবস্থান করে?
সঠিক উত্তর: ক) পানির উপরিভাগে; এটা হতো।
-----
তবে, প্রথমত,
প্রশ্নে এটা চাওয়া হয়নি যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন "সবচেয়ে বেশি" কোথায় অবস্থান করে।
দ্বিতীয়ত,
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে - এই অপশনটি অকারণে দেয়া হয়নি।

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন, এখানে দ্রবীভূত মানে হচ্ছে পানির মধ্যে অক্সিজেনের অণুগুলো অবস্থান করছে। কীভাবে করছে? আণবিক স্তর বিবেচনায়, পানির আন্তঃআণবিক স্থানে।
The United States Geological Survey অনুসারে, প্রতি মিলিয়ন পানির অণুতে অক্সিজেনের প্রায় দশ অণু পর্যন্ত দ্রবীভূত হতে পারে।

নিচে University of Florida, Institute of Food and Agricultural Sciences থেকে পানির আন্তঃআণবিক স্থানে দ্রবীভূত অক্সিজেন কীভাবে অবস্থান করে তার একটা চিত্র দেয়া হল -

১২,৭৫৫.
সিলিন্ডারে যে গ্যাস বিক্রি করা হয় তা প্রধানত-
  1. বিউটেন
  2. ইথেন
  3. প্রোপেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
বিউটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিউটেন
ব্যাখ্যা
বিউটেন: 
- সিলিন্ডারে করে বাজারে যে গ্যাস বিক্রি করা হয় তার মূল উপাদান হলো বিউটেন, যা সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। 
- কিন্তু উচ্চচাপে তরল অবস্থায় পরিবর্তিত করা হয় যা উচ্চচাপ যুক্ত আধারে সংরক্ষণ ব্যবহার ও স্থানান্তরের জন্য সুবিধাজনক। 
- বিউটেন একটি চার কার্বন বিশিষ্ট হাইড্রোকার্বন। 
- কক্ষতাপমাত্রায় বিউটেন একটি গ্যাসীয় পদার্থ। 
- এলপিজি মূলত বিউটেন ও প্রোপেন এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। 
 - বিউটেনের রাসায়নিক সংকেত C4H10. 
 - বিউটেনের দুটি আইসোমার বা সমাণু আছে। 
যথা- n-বিউটেন এবং আইসো বিউটেন। 
- আইসো বিউটেনের আরেকটি নাম মিথাইল প্রোপেন, এটি মূলত জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এলপিজি মূলত একটি আমদানিনির্ভর পণ্য, এটি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। 
 
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)।
১২,৭৫৬.
একটি পরিণত শুক্রাণুর কতটি অংশ থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
জননকোষ:

- শুক্রাণু ও ডিম্বাণু হচ্ছে জননকোষ।
- পুং জনন কোষকে শুক্রাণু ও স্ত্রী জনন কোষকে ডিম্বাণু বলা হয়।
- একটি পরিণত শুক্রাণুর তিনটি অংশ থাকে। যথা:
• মস্তক,
• মধ্যখণ্ড,
• লেজ ।

- স্ত্রী প্রজননতন্ত্র পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
• ডিম্বাশয়,
• ফেলোপিয়ান নালী,
• জরায়ু,
• যোনি,
• বহিঃযৌনাঙ্গ।

তথ্যসূত্র - প্রাণি বিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৫৭.
ডায়াবেটিস রোগীকে কোন কারণে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়?
  1. প্রোটিন হ্রাস হলে
  2. গ্লুকোজ উৎপাদন কম হলে
  3. ইনসুলিন অতিরিক্ত নিঃসৃত হলে
  4. ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে
ব্যাখ্যা

- ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়, কারণ তাদের অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন নিঃসৃত হয় না (টাইপ ১) অথবা শরীর ইনসুলিনকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে না (টাইপ ২), যার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো- ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা অকার্যকর হলে। 

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- ইনসুলিনের ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। এই অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৫৮.
বহুপ্রতিসম ফুল কোনটি?
  1. জবা
  2. মটর
  3. কলাবতী
  4. শিম
সঠিক উত্তর:
জবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবা
ব্যাখ্যা
• বহুপ্রতিসম (Actinomorphic) ফুল:
- বহুপ্রতিসম (Actinomorphic) ফুল হলো এমন ফুল, যা একাধিক সমতলে কাটা হলে সমানভাবে বিভক্ত হয় এবং প্রতিটি অংশ অভিন্ন থাকে।
- জবা (Hibiscus) ফুল বহুপ্রতিসম, কারণ এটি বিভিন্ন দিক থেকে কাটা হলেও প্রতিসম থাকে।
উদাহরণ: সরিষা, শাপলা, সূর্যমুখী ইত্যাদি

অন্যদিকে,
- মটর (Pisum sativum) ও শিম (Lablab purpureus) একপ্রতিসম (Zygomorphic), কারণ এগুলো একটি নির্দিষ্ট সমতলে কাটা হলে দুই সমান অংশে বিভক্ত হয়।
- কলাবতী (Canna indica) ফুলও একপ্রতিসম, কারণ এর গঠন অসমান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৭৫৯.
বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে কোনটি ঘটে? 
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপ কমে যায় 
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ বন্ধ হয় 
  3. সৌরশক্তি বৃদ্ধি পায় 
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর এবং পরিবেশের উপর তার প্রভাব: 
- শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। 
- এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলো পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয়, তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় যেটি একটি গ্রিন হাউস গ্যাস। 
অর্থাৎ, এই গ্রিন হাউস গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত। 
- বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে, সে কারণে পৃথিবীর যেসব দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে এবং কৃষিজমি লবণাক্ত হয়ে পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে, তার মাঝে বাংলাদেশ একটি। 
- এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব দেশ মিলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের পরিমাণ কমানোর চেষ্টা করছে। 

- নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ হয় না, কিন্তু নিউক্লিয়ার বর্জ্য অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় এবং এদের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নিরাপদ মাত্রায় পৌঁছানোর জন্য লক্ষ লক্ষ বছর সংরক্ষণ করতে হয় যেটি পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। 
- আধুনিক প্রযুক্তির কারণে নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্র অনেক নিরাপদ হলেও মাঝে মাঝে মানুষের ভুল কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে বড় দুর্ঘটনা ঘটে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে। 
যেমন- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল এবং জাপানের ফুকুশিমার দুর্ঘটনা। 
- তুলনামূলকভাবে পরিবেশের উপর নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষতিকর প্রভাব কম, তবে জলবিদ্যুতের জন্য যখন নদীতে বাঁধ দেওয়া হয় তখন একদিকে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পরিবেশের ক্ষতি হয়, অন্যদিকে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে বাঁধের পরবর্তী এলাকায় তীব্র খরার সৃষ্টি হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৭৬০.
বর্তনীতে কত প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বর্তনীতে প্রধানত দুই প্রকার রোধ বা রোধক ব্যবহার করা হয়।

• রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

• রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৬১.
নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি?
  1. ক) এইডস
  2. খ) ডায়াবেটিস
  3. গ) কোভিড-১৯
  4. ঘ) ক+গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+গ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
এইডস, যক্ষ্মা, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হাম, হার্পিস, কোভিড-১৯, দাদ ইত্যাদি হল সংক্রামক রোগ।
অন্যদিকে,
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা, কিডনি রোগ ইত্যাদি হল অসংক্রামক রোগ।
উৎসঃ প্রথম আলো।

১২,৭৬২.
পূর্ণবয়স্কদের রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা কত?
  1. ৯০/৬০ mmHg
  2. ১২০/৮০ mmHg
  3. ১৪০/৯০ mmHg
  4. ১৬০/১০০ mmHg
সঠিক উত্তর:
১২০/৮০ mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০/৮০ mmHg
ব্যাখ্যা
• পূর্ণবয়স্কদের রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা ১২০/৮০ mmHg।

• রক্তচাপ (Blood Pressure):
- রক্তপ্রবাহের সময় ধমনির গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।

• হৃৎপিণ্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনির গায়ে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে। একে সিস্টোলিক চাপ (Systolic Pressure) বলে।
• হৃৎপিন্ডের (প্রকৃতপক্ষে নিলয়ের) প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। একে ডায়াস্টোলিক চাপ (Diastolic Pressure) বলে।

• চিকিৎসকদের মতে, পরিণত বয়সে একজন মানুষের আদর্শ রক্তচাপ (Blood pressure) সাধারণত ১২০/৮০ mmHg।
- রক্তের সিস্টোলিক (Systolic) চাপের আদর্শ মান ১২০ mmHg এর নিচে। 
- রক্তের ডায়াস্টোলিক (Diastolic) চাপের আদর্শ মান ৮০ mmHg এর নিচে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১২,৭৬৩.
মহাবিষ্ফোরণ তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. জর্জ ল্যামেটার
  3. স্টিফেন হকিং
  4. এডুইন হাবল
সঠিক উত্তর:
জর্জ ল্যামেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ ল্যামেটার
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানের বিষয় হিসাবে বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব এর জন্ম শুরু হয় ১৯১৬ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রণয়নের পর থেকে। ১৯২৯ সালে এডুইন হাবল এর মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ আবিষ্কারের ফলে এর উৎপত্তি এর উৎপত্তি সম্পর্কীয় আলোচনা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়। আজ থেকে ১৫০০-২০০০ কোটি বছর আগে মহাবিশ্বের আকৃতি ছিলো ডিম্বাকার। অভ্যন্তরীণ বিপুল চাপ ও তাপের কারণে প্রচন্ড শব্দে ডিম্বাকার বস্তুর মহাবিষ্ফোরণ ঘটে। এই বিষ্ফোরণের ফলেই সৃষ্টি হয়েছিলো আমাদের এই মহাবিশ্ব। এটাই বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব বা মহাবিষ্ফোরণ তত্ত্ব। বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী জর্জ ল্যামেটার এই তত্ত্বের প্রবক্তা।
অনেকেরই ধারণা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা স্টিফেন হকিং। এটি ভুল ধারণা। বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বিজ্ঞানী জর্জ ল্যামেটার। স্টিফেন হকিং শুধুমাত্র বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২,৭৬৪.
কোন ভাইরাসটিতে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে?
  1. ভ্যাকসিনিয়া
  2. ভ্যারিওলা
  3. এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স
  4. র‍্যাবিস
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাবিস
ব্যাখ্যা
• র‍্যাবিস ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে। 

• ভাইরাস:

- ভাইরাস (Virus) হলো একটি অতিআণুবীক্ষণিক সংক্রামক বস্তু যা শুধুমাত্র জীবের জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

• নিউক্লিক এসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাসকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
→ RNA ভাইরাস: যে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে বলা হয় RNA ভাইরাস। 
উদাহরণ-
- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিওভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক।

→ DNA ভাইরাস: যে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে DNA থাকে তাকে বলা হয় DNA ভাইরাস। 
উদাহরণ-
- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ( phi X 174 oplus M 13 কলিফায়) ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১২,৭৬৫.
পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চার সর্বাধিক মৃত্যুর কারণ কোনটি নয়?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) অপুষ্টিজনিত
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চার সর্বাধিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে অপুষ্টিজনিত, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ইত্যাদি। কিন্তু পাঁচ বছরের নিচের বাচ্চাদের সাধারণত ক্যান্সার রোগ হয় না।
১২,৭৬৬.
জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি হলো-
  1. ক) প্রাণিবিজ্ঞান ও ছত্রাকবিজ্ঞান
  2. খ) উদ্ভিদবিজ্ঞান ও ছত্রাকবিজ্ঞান
  3. গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান
  4. ঘ) ইকোলজি ও অনুজীববিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
জীবের ধরন অনুযায়ী জীববিজ্ঞান কে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যথা- উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং প্রাণীবিজ্ঞান।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৬৭.
প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম 10 টাকা হলে 10টি 100 ওয়াট বাল্ব 3 ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখলে কত টাকা বিল পরিশোধ করতে হবে?
  1. ক) 300 টাকা
  2. খ) 100 টাকা
  3. গ) 30 টাকা
  4. ঘ) 3 টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) 30 টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 30 টাকা
ব্যাখ্যা
• ১ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ ওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
• ১ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ১ ইউনিট বলা হয়।
• ১ ইউনিট = ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা। 

১০ টি ১০০ ওয়াট বাল্ব ৩ ঘন্টা জ্বললে বিদ্যুৎ খরচ হয় (১০ × ১০০ × ৩) = ৩০০০ ওয়াট বা ৩ কিলোওয়াট-ঘন্টা

সুতরাং, বিল পরিশোধ করতে হবে ৩ × ১০ = ৩০ টাকা
১২,৭৬৮.
কোন রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি? 
  1. সবুজ
  2. লাল
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। 
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। 
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক, কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। 
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৬৯.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা কে? 
  1. গ্যালিলিও
  2. এডুইন হাবল 
  3. স্টিফেন হকিং
  4. জি. ল্যামেটার 
সঠিক উত্তর:
জি. ল্যামেটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. ল্যামেটার 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব: 
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.

উৎস:
পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১২,৭৭০.
ইলেকট্রনকে ত্বরান্বিত করে কোনো ধাতব পদার্থের উপর নিক্ষেপ করা হলে -
  1. ক) আলফা রশ্মি উৎপন্ন হয়
  2. খ) বিটা রশ্মি উৎপন্ন হয়
  3. গ) গামা রশ্মি উৎপন্ন হয়
  4. ঘ) এক্সরে উৎপন্ন হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে উৎপন্ন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে উৎপন্ন হয়
ব্যাখ্যা
এক্সরে: 
কোন উপায়ে ইলেকট্রনকে ত্বরান্বিত করে সেই ত্বরান্বিত ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতব পদার্থের উপর নিক্ষেপ করা হলে ঐ পদার্থের ভিতরের ইলেকট্রন দ্বারা বিকর্ষিত হয়ে ত্বরান্বিত ইলেকট্রনগুলোর মন্দন হয় এবং গতি শক্তি হারায়।
এই হারানো গতি শক্তি E = hf আকারে রশ্মিতে পরিণত হয়। একে এক্সরে বলে।

এক্সরের একক হলো রন্টজেন। যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,৭৭১.
ফল পাকানোর জন্য দায়ী-
  1. ইথিলিন
  2. মিথিলিন
  3. এস্টার
  4. জিবেরেলিন
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা
• ইথিলিন (C₂H₄):
- ইথিলিন (C₂H₄) একটি উদ্ভিদের হরমোন, যা ফল পাকানোর জন্য প্রধানত দায়ী।
- এটি একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন, যা স্বাভাবিকভাবে ফল, ফুল ও অন্যান্য উদ্ভিদকোষ উৎপন্ন করে।
- ইথিলিন ফলের কোষে কিছু এনজাইম সক্রিয় করে ফক পাকতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে,
- মিথিলিন (Methyline) – এটি একটি রাসায়নিক যৌগ, যা ফল পাকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- এস্টার (Ester) – এটি মূলত সুগন্ধি যৌগ, যা ফলের সুগন্ধ বাড়ায়, তবে পাকানোর কাজে সরাসরি ভূমিকা রাখে না।
- জিবেরেলিন (Gibberellin) – এটি গাছের বৃদ্ধি ও অঙ্কুরোদগমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে ফল পাকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৭৭২.
যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো -
  1. এইচআইভি/এইডস
  2. ম্যালেরিয়া
  3. হাম
  4. যক্ষা
সঠিক উত্তর:
হাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম
ব্যাখ্যা
হাম: 
- হাম একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ। 
- হাম রোগের জন্য মোরবিলি ভাইরাস দায়ী। 
- হামে আক্রান্ত শিশু থেকে এই রোগের জীবাণু বাতাসের মাধ্যমে সুস্থ শিশুর শরীরে প্রবেশ করে এবং হাম রোগে আক্রান্ত হয়। 
- ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে এক ডোজ এমআর (হাম-রুবেলা) টিকা এবং ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে হামের ২য় ডোজের টিকা দিয়ে শিশুকে হাম রোগ থেকে প্রতিরোধ করা যায়। 
- হামের কারণে শৈশবে অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে। 

উৎস: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, National Library of Medicine, US Govt.
১২,৭৭৩.
BMR এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Body Measurement Rate
  2. Basal Metabolic Rate
  3. Basal Measurement Ratio
  4. Body Metabolic Ratio
সঠিক উত্তর:
Basal Metabolic Rate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Basal Metabolic Rate
ব্যাখ্যা
বিএমআর (BMR): 
- পূর্ণ বিশ্রামরত অবস্থায় বেসাল মেটাবলিক রেট (BMR- Basal Metabolic Rate) মানব শরীরে ব্যবহৃত শক্তির পরিমাণ নির্দেশ করে।
- BMR এর মান নির্ণয়- বিএমআর এর মান বের করা কিছুটা জটিল। 
- এর সমীকরণ লিঙ্গ ও বয়সভেদে পার্থক্য রয়েছে। 
- হ্যারিস বেনেডিক্ট এর সূত্রটি ব্যবহার করে লিঙ্গ ও বয়সভেদে এর পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
যেমন-
মেয়েদের বিএমআর = ৬৫৫ + (৯.৬ × ওজন কেজি) + (১.৮ × উচ্চতা সেমি) - (৪.৭ × বয়স বছর)।
ছেলেদের বিএমআর = ৬৬ + (১৩.৭ × ওজন কেজি) + (৫ × উচ্চতা সেমি) – (৬.৮ × বয়স বছর)। -
যেমন- ধরা যাক,
একজন মহিলার বয়স ৩৩ বছর, উচ্চতা ১৬৫ সেমি, ওজন ৯৪ কেজি।
সুতরাং তার বিএমআর = ৬৫৫ + (৯.৬ × ৯৪) + (১.৮ × ১৬৫) - (৪.৭ × ৩৩)
= ৬৫৫ + ৯০২.৪ + ২৯৭ – ১৫৫.১
= ১৬৯৯.৩ ক্যালরি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৭৪.
ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে কোন জাতীয় খাদ্যে?
  1. শর্করা
  2. প্রোটিন
  3. পানি
  4. চর্বি
সঠিক উত্তর:
চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্বি
ব্যাখ্যা

ক্যালরি: 
- ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপ হচ্ছে ১ ক্যালরি। 
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এই তাপ আমাদের দেহের ভিতরে খাদ্যের পরিপাক, বিপাক, শ্বাসকার্য, রক্তসঞ্চালন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে।
- খাদ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে আবার আমরা খাবার থেকেই শক্তি পাই। 
- খাদ্যের তাপশক্তি মাপার একক হলো কিলোক্যালরি। 
- যেসব খাদ্যে শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ পদার্থ থাকে, সেসব খাদ্য থেকে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়। 
- যেসব খাদ্যে পানি ও সেলুলোজের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। 
- তেল বা চর্বি জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১২,৭৭৫.
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম কার্যকর হয়?
  1. লাল আলোতে
  2. সবুজ আলোতে
  3. কমলা আলোতে
  4. নীল আলোতে
সঠিক উত্তর:
সবুজ আলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ আলোতে
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায়, সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার রাসায়নিক বিক্রিয়া:

- সালোকসংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড।
- সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো ৩-৬%
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য সুবিধাজনক তাপমাত্রা হলো  ২২-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- সূর্য থেকে আসা আলোর শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় এবং সবুজ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম কার্যকর হয়।
- উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণ হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, Live MCQ লেকচার শীট।
১২,৭৭৬.
সম্মুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
  2. N-type ধনাত্মক প্রান্তে , P-type ঋণাত্মক প্রান্তে
  3. P-type, N-type উভয়ই ঋণাত্মক প্রান্তে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
ব্যাখ্যা
সম্মুখী ঝোঁক:
- যখন জাংশনে বহিভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যাতে বিভব প্রাচীর হ্রাস পায় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু হয় তখন একে সম্মুখী ঝোঁক প্রয়োগ করা বুঝায়।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ধনাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সাথে এবং ঋণাত্মক প্রাপ্ত n টাইপের প্রান্তের সাথে সংযোগ দেয়া হয়।
- যখন সম্মুখী ঝোঁক দ্বারা বিভব প্রাচীর অপসারিত হয়, জাংশনের রোধ তখন শূন্যে নেমে আসে।
- তখন p-n জাংশানে ও বহিঃস্থ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্ঠি হয়।
- এই প্রবাহকে সম্মুখী প্রবাহ বলে।

বিমুখী ঝোঁক:
- যদি বহির্ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যাতে বিভব প্রাচীরের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তবে এ ধরনের ঝোঁক প্রয়োগকে বলা হয় বিমুখী ঝোঁক প্রয়োগ বা বিপরীত বায়াসিং (Reverse biasing)।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে এবং ধনাত্মক প্রান্ত n-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে সংযোগ দেয়া হয়।
- বিভব প্রাচীর বৃদ্ধির ফলে আধান বাহকের চলাচলে আরো অধিক বাধার সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ রোধ অনেক বেড়ে যায় ফলে বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৭৭.
ভাইরাসে কোনটি থাকে না?
  1. ক) সাইটোপ্লাজম
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) রাইবোসোম
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য:
 •ভাইরাস অকোষীয়।
এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
 • এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত ।
•এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
•ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়।
•জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,৭৭৮.
কোনটি সরল টিস্যুর উদাহরণ ?
  1. প্যারেনকাইমা
  2. ট্রাকিড
  3. ভেসেল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্যারেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারেনকাইমা
ব্যাখ্যা
সরল টিস্যু- যে স্থায়ী টিস্যু একই প্রকার কোষ দ্বারা গঠিত, একই উৎসস্থল থেকে উৎপন্ন হয় এবং একই ধরনের কাজ সম্পন্ন করে তাকে সরল টিস্যু বলা হয়।
আকৃতি ও প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।যথা-
১) প্যারেনকাইমা,
২) কোলেনকাইমা এবং
৩) স্ক্লেরেনকাইমা।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৭৯.
উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ ও প্রাণীর শ্বসন প্রক্রিয়া পরিবেশে কীভাবে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সৃষ্টি করে?
  1. একে অপরের শক্তির চাহিদা পূরণ করে
  2. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখে
  3. শুধুমাত্র উদ্ভিদের খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে
  4. কেবল প্রাণীর বেঁচে থাকা নিশ্চিত করে
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখে
ব্যাখ্যা

• সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সৃষ্টি হয়।

• পরিবেশের উপাদানের আন্তঃসম্পর্ক:
- পরিবেশে জীব উপাদান ও জড় উপাদান সবসময় পরস্পরের সাথে ক্রিয়া ও আদান-প্রদানে যুক্ত থাকে।
- জীব উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ ও প্রাণী অন্তর্ভুক্ত।
- জড় উপাদানের মধ্যে বায়ু, পানি, মাটি, আলো ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- জীব ও জড় উপাদানের এই পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ককে বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) বলা হয়।
 
• সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া:
- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরি করে।
- এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি ব্যবহার করে।
- সালোকসংশ্লেষণের ফলে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।
- উৎপন্ন গ্লুকোজ উদ্ভিদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- উৎপন্ন অক্সিজেন পরিবেশে মুক্ত হয়।
 
• শ্বসন প্রক্রিয়া:
- শ্বসন প্রক্রিয়া উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ের মধ্যেই ঘটে।
- শ্বসনে অক্সিজেন ব্যবহার করে দেহে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়।
- এই কার্বন ডাই-অক্সাইড পুনরায় পরিবেশে ফিরে যায়।
 
• সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসনের পারস্পরিক সম্পর্ক:
- সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন অক্সিজেন শ্বসনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
- এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণী একে অপরের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরিবেশে ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতার মাধ্যমেই জীবমণ্ডলে শক্তি ও গ্যাসের প্রবাহ সচল থাকে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- একে অপরের শক্তির চাহিদা পূরণ করে → শক্তি উৎপাদন সরাসরি নয়, গ্যাসের আদান-প্রদান মূল বিষয়।

 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

১২,৭৮০.
নিচের প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে?
  1. মানুষ
  2. বিড়াল
  3. কুকুর
  4. বাদুড়
সঠিক উত্তর:
বাদুড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদুড়
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৮১.
নিম্নের কোনটি বহুকোষী জীব নয়?
  1. ক) মানুষ
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) প্লাজমোডিয়াম
  4. ঘ) খ‌ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ‌ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ‌ ও গ
ব্যাখ্যা
কোন কোন জীবের দেহ একটি মাত্র কোষ দিয়ে গঠিত, এদেরকে বলা হয় এককোষী জীব।
যেমনঃ ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, প্লাজমোডিয়াম ইত্যাদি।
১২,৭৮২.
নিচের কোনটি নিশ্চিত আণুবীক্ষণিক জীব?
  1. হাইড্রা
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. শৈবাল
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা

*** ব্যাকটেরিয়া এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।

• ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion = little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উৎপত্তি। ব্যাকটেরিয়া (এক বচনে ব্যাকটেরিয়াম)  এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- ডাচ বিজ্ঞানী Antony Van Leeuwenhoek ১৬৭৫ সালে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণযন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

• ছত্রাক:
- ছত্রাক বহুকোষী, অভাস্কুলার, হাইফিসমৃদ্ধ মাইসেলিয়াম দ্বারা গঠিত সুকেন্দ্রিক জীব যারা শোষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
- অধিকাংশ ছত্রাকই খালি চোখে দেখা যায়।

• শৈবাল:
- শৈবাল সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ এবং আলো ছাড়া জন্মাতে পারে না।
- এরা সুকেন্দ্রিক, এককোষী বা বহুকোষী। অধিকাংশ শৈবালই খালি চোখে দেখা যায়।

• হাইড্রা:
- হাইড্রা হচ্ছে নিডারিয়া (Cnidaria) পর্বভুক্ত সরল গড়নের জলজ প্রাণী। হাইড্রা খালি চোখেই দেখা যায়।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান 

১২,৭৮৩.
মৌলগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধাতু?
  1. লিথিয়াম (Li)
  2. সোডিয়াম (Na)
  3. ক্যালসিয়াম (Ca)
  4. ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
ব্যাখ্যা

• ধাতুর প্রতিক্রিয়াশীলতা: ধাতুর প্রতিক্রিয়াশীলতা নির্ভর করে ধাতুটি কত সহজে ইলেকট্রন হারিয়ে ধনায়ন (cation) তৈরি করতে পারে তার উপর। অর্থাৎ, যে ধাতুটি দ্রুত ইলেকট্রন হারাতে পারে, সেটিই বেশি প্রতিক্রিয়াশীল।

- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K) ইত্যাদি ধাতু গ্রুপ-১ এ অন্তর্ভুক্ত, যাদের প্রতিক্রিয়াশীলতা অত্যন্ত বেশি।
- এদের মধ্যে প্রতিক্রিয়াশীলতা নিচের দিকে বাড়ে, অর্থাৎ Li < Na < K < Rb < Cs 

• সোডিয়াম (Na):
- এটি একটি নরম, রূপালী ধাতু যা বাতাসে বা পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত বিক্রিয়া করে।
- পানির সাথে বিক্রিয়া করলে এটি হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) তৈরি করে:
2Na + 2H2O → 2NaOH + H2
- এই বিক্রিয়াটি এতটাই তীব্র যে, সোডিয়ামকে সাধারণত কেরোসিন তেলে সংরক্ষণ করা হয় যেন এটি বাতাস বা আর্দ্রতার সাথে বিক্রিয়া না করে।

সুতরাং, সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধাতু হলো সোডিয়াম (Na)।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।

১২,৭৮৪.
নিচের কোনটি হিগস বোসনের সঠিক বৈশিষ্ট্য? 
  1. স্পিন আছে, ভর নেই
  2. স্পিন নেই, ভর আছে 
  3. স্পিন ও ভর উভয়ই আছে 
  4. স্পিন ও ভর উভয়ই নেই 
সঠিক উত্তর:
স্পিন নেই, ভর আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিন নেই, ভর আছে 
ব্যাখ্যা

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্তানান্তরিত হয়। হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্তানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৮৫.
অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের নাম কী?
  1. ক) ফোলিক এসিড
  2. খ) এমিনো এসিড
  3. গ) পেনিসিলিন
  4. ঘ) ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রাকে হ্রাস করে ফলে রক্ত স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস : উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৮৬.
বায়ুর আর্দ্রতা রক্ষায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. পানি
  3. সূর্যালোক
  4. বায়ুচাপ
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
- বায়ুর আর্দ্রতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হল পানি
- বায়ুমণ্ডলীয় জলবাষ্প বা পানি হিসেবেই বায়ুতে আর্দ্রতা বহন করা হয়।
- তাই বায়ু আর্দ্রতা পরিমাণ রক্ষার জন্য পানির উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
- বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ, সূর্যালোক এসব পানির মাধ্যমে আর্দ্রতার ওপর প্রভাব ফেলে।

আবহাওয়া ও জলবায়ু: 

- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে। 
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে। 
- কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক অবস্থা। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ ও বারিপাত ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১২,৭৮৭.
মানবদেহে লেড কত মাত্রার বেশি থাকলে বিষক্রিয়া দেখা দেয়? 
  1. 25 ppb 
  2. 50 ppb
  3. 75 ppb
  4. 85 ppb
সঠিক উত্তর:
50 ppb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 ppb
ব্যাখ্যা

লেড (pb)-এর ব্যবহার:
- লেড-এসিড স্টোরেজ ব্যাটারির ইলেকট্রোড তৈরিতে লেড পারঅক্সাইড (PbO2) ব্যবহৃত হয়। পরিত্যক্ত স্টোরেজ ব্যাটারির PbO2 মাটিতে ও সারফেস ওয়াটারে Pb2+ আয়নরূপে মিশে থাকে। 
- কয়লার দহনকালে কয়লার মধ্যস্থ লেড যৌগ থেকে লেড বাষ্পরূপে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া হার্বিসাইড লেড আর্সেনেট যুক্ত পাউডার এবং স্প্রে থেকেও লেড বাতাসে সংক্রমিত হয়। পরে অধঃক্ষেপরূপে বাতাস থেকে এসব লেড যৌগ ও লেড কণা মাটিতে পুকুর ও জলাভূমিতে মিশে থাকে। 
- মাটি ও পানি থেকে লেড (II) আয়নরূপে উদ্ভিদ দেহে প্রবেশ করে। পরে উদ্ভিদ থেকে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির দেহে চর্বিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- পেট্রোল ইঞ্জিনে ব্যবহৃত জ্বালানির অকটেন নাম্বার বৃদ্ধির জন্য এখনও টেট্রাঅ্যালকাইল লেড (PbR4) ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ইঞ্জিনে জ্বালানির দহনে সৃষ্ট বর্জ্য গ্যাসে লেড বাষ্প লেড অক্সাইডে পরিণত হয়ে মাটিতে অধঃক্ষিপ্ত হয়। এই উভয় উৎসের Pb2+ আয়ন মাটিসহ পুকুর, নদী ও হ্রদের পানিতে মিশে থাকে। 
 
খাদ্য শৃঙ্খলে Pb-এর প্রবেশ পথ: 
- মাটি থেকে উদ্ভিদে এবং উদ্ভিদ থেকে গরু, ছাগল ও পোল্ট্রির হাঁস-মুরগির দেহে তিন ধাপে সঞ্চিত হয়।
- এ সব প্রাণীর মাংস খাদ্যরূপে তৃতীয় স্তরের খাদক মানুষ গ্রহণ করলে মানুষের দেহে লেডের বিষক্রিয়া ঘটায়।
- আবার পুকুর, নদী ও হ্রদের পানি লেড দ্বারা দূষিত হলে ঐ লেড প্রথমে প্লাঙ্কটনে এর পরে মাছ ও পাখির দেহে সঞ্চিত হয়। 
- সবশেষে ঐ মাছ ও পাখির মাংস লেড দূষিত হওয়ায় তা খাদ্য শৃঙ্খলের তৃতীয় পর্যায়ভুক্ত খাদক মানুষের দেহে লেডের বিষক্রিয়া ঘটায়। 
 
লেড (pb)-এর বিষক্রিয়ার প্রভাব: 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর রিপোর্ট মতে, মানবদেহে লেডের পরিমাণ 50 ppb এর বেশি হলে লেডের বিষক্রিয়া দেখা দেয়। 
- লেডের বিষক্রিয়ায় দাঁতের মাড়ি নীলাভ হয়। 
- এছাড়া লেড হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে বাঁধা দেয়, ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- লেড দূষণের ফলে গর্ভবতী মহিলা মৃত সন্তান প্রসব করেন। 
- সাত বছরের কম বয়সের শিশুর লেড বিষাক্ততায় মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়; শিশুর বুদ্ধিবৃত্তি বা IQ হ্রাস পায়। 
 
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. হাজারী ও নাগ)।

১২,৭৮৮.
পারমাণাবিক বোমা তৈরি হয় কি ধাতু দিয়ে?
  1. ক) রেডিয়াম
  2. খ) প্লুটোনিয়াম
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়মি
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুটোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুটোনিয়াম
ব্যাখ্যা
পারমাণাবিক বোমা তৈরি হয় ইউরেনিয়াম-235 বা প্লুটোনিয়াম-239 ধাতু দিয়ে। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙ্গে বেরিয়াম এবং ক্রিপ্টনে পরিণত হয়।
Verified From: Britannica Encyclopaedia.
১২,৭৮৯.
তাপ প্রয়োগে তরলকে গ্যাসে পরিণত করবার প্রক্রিয়াটির নাম কী?
  1. ক) গলন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) বাষ্পীভবন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটন
ব্যাখ্যা
তাপ প্রয়োগে কোন তরলের তাপমাত্রা বাড়িয়ে কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দ্রুত বাষ্পে পরিণত করার পদ্ধতিকে স্ফুটন বলা হয়।

উদাহরণ : পানিতে তাপ প্রয়োগ করলে এর তাপমাত্রা বাড়ে। তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে 100°C মানে পৌঁছালে পানি ফুটতে শুরু করে। এ অবস্থায় তাপ প্রয়োগ অব্যাহত থাকলে পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়।
 
তাপ প্রয়োগ করলে কঠিন বস্তু যখন তরলে পরিণত হয় তখন এই প্রক্রিয়াকে গলন বলে। অর্থাৎ তাপমাত্রা স্থির রেখে পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিণত হওয়াকে গলন বলে। 

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৯০.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে-
  1. ক) ১০ কিমি
  2. খ) ১০ নিউটন
  3. গ) ২৭ কিমি
  4. ঘ) ৫ কিমি
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্টে বায়ু চাপ ১০ নিউটন বা 10m/atm.
(m = meter, atm = atmosphere)
• যেহেতু পানির ঘনত্ব সমান তাই তলদেশের দিকে যেতে থাকলে চাপ একই হারে বাড়তে থাকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই।
১২,৭৯১.
নিম্নের কোনটি মিঠা পানির উৎস নয়? 
  1. ভূগর্ভস্থ পানি
  2. নদী
  3. হ্রদ
  4. মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাসাগর
ব্যাখ্যা

বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 

- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৭৯২.
ডি.এন.এ (DNA) টেস্টের বিজ্ঞানভিত্তিক নামগুলো হলো -
  1. ফিঙ্গার প্রিন্টিং
  2. ডি.এন.এ টাইপিং
  3. ডি.এন.এ টেস্টিং
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডি.এন.এ টেস্ট একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট নমুনার ডি.এন.এ নকশার সাথে অন্য কোনো নমুনার ডি.এন.এ নকশার তুলনা করে নমুনা দুটির মধ্যে মিল বা অমিল নির্ণয় করা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে এর মাধ্যমে ডিএনএ এর জিন সিকুয়েন্স অর্থাৎ নিউক্লিক অ্যাসিডের ক্রম মিলানো হয়।
- ডিএনএ টেস্টের বিজ্ঞানভিত্তিক এক ব্যবহারিক পদ্ধতিকে বলা হয় ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং। এছাড়া ডিএনএ টাইপিং, ডিএনএ টেস্টিং ইত্যাদি নামও প্রচলিত রয়েছে।

জেনেটিক ডিসওর্ডার এক প্রকার অস্বাভাবিকতা যার ফলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়।
যেমন- বর্ণান্ধতা, থ্যালাসেমিয়া, ডাউন সিন্ড্রোম, পাটাও সিন্ড্রোম, এডওয়ার্ড সিন্ড্রোম, ক্লাইনফেল্টার ও ডাবল ওয়াই সিন্ড্রোম, ট্রিপলো-X সিন্ড্রোম, টার্নার সিন্ড্রোম, হানটিংটন’স সিন্ড্রোম এবং সিকিল সেল ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৯৩.
তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোথায়?
  1. লাউড স্পীকারে
  2. মোবাইল ফোনে
  3. মাইক্রোফোনে
  4. বৈদ্যুতিক মোটরে
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটরে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
⇒ মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
⇒ জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
⇒ লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
⇒ মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৯৪.
উদ্ভিদ কোন খাদ্যোপাদান মাটি থেকে নেয় না?
  1. ক) জিংক
  2. খ) পটাশিয়াম
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদের সাধারণত ১৬টি উপাদানকে গাছের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান বলা হয়।
- এই ১৬টি উপাদান হলো: কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটামিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), সালফার (S), লৌহ (Fe), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), জিংক (Zn), কপার (Cu), ক্লোরিন (CI), বোরন (B), ও মালিবডেনাম (Mo)।

উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানের উৎস:
- বায়ু হতে উদ্ভিদ C, O এবং N সংগ্রহ করে।
- C ও O বায়ু CO2 হিসেবে প্রধানতঃ পাতার স্টোমাটার সাহায্যে গ্রহণ করে। 
- মাটি হতে উদ্ভিদ খনিজ পদার্থ (Mineral matter) ও জৈব পদার্থ (Organic matter) সংগ্রহ করে।
- C, H, O ব্যতিত অন্যান্য উপাদান অর্থাৎ ১৩টি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদ মাটি হতে পরিশোষণ করে।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৯৫.
কৃষ্ণবিবর হতে আলো বেরিয়ে আসতে না পারার কারণ কোনটি?
  1. এর মধ্যাকর্ষণ শক্তি অত্যন্ত বেশি
  2. এতে ভাসমান ধুলিকণা অত্যন্ত বেশি
  3. এর মহাকর্ষ শক্তি অত্যন্ত বেশি
  4. এদের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ শক্তি অত্যন্ত বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ শক্তি অত্যন্ত বেশি
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Blackhole)
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Blackhole)। বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৯৬.
পেট্রোল ইঞ্জিন সফলতার সাথে কে চালু করেন? 
  1. কার্নো
  2. কেলভিন
  3. ড. অটো
  4. জেমস ওয়াট
সঠিক উত্তর:
ড. অটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. অটো
ব্যাখ্যা
- নিকোলাস অটো প্রথম পেট্রোল ইঞ্জিন তৈরি করেন। 

অন্যদিকে, 
- জেমস ওয়াট বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কার করেন। 
- তাপ গতিবিদ্যার জনক লর্ড কেলভিন, তিনি ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন। 
- তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য 'সাদী কার্নো' সকল দোষ-ত্রুটি মুক্ত যে আদর্শ যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন তাকে কার্নো ইঞ্জিন বলে। 
- কার্নো ইঞ্জিন একটি আদর্শ ইঞ্জিনের ধারণামাত্র, বাস্তবে এর রূপান্তর সম্ভব হয়নি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৭৯৭.
ক্যান্সারের চিকিৎসায় কোন মৌলের আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. Chlorine
  2. Carbon
  3. Cobalt
  4. Hydrogen
সঠিক উত্তর:
Cobalt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cobalt
ব্যাখ্যা

- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ। 

- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়। 

- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়।

- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়।

- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।

 উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই, নবম শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান।

 

১২,৭৯৮.
সাইক্লোনের কেন্দ্রের চারদিকে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে ঘুরতে থাকে?
  1. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  2. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  3. দ্রাঘিমারেখার সাথে সমান্তরালে
  4. নিরক্ষরেখা বরাবর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা

সাইক্লোন হলো উষ্ণ কেন্দ্রীয় লঘুচাপ, যার চারদিকে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রচণ্ডভাবে ঘুরতে থাকে
ঘূর্ণিঝড় এর ব্যাসার্ধ সাধারণত ৫০০-৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১২,৭৯৯.
সেরিকালচার কী?
  1. পাখিপালন
  2. মৎস্য চাষ
  3. রেশম চাষ
  4. মৌমাছি চাষ
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষাবাদ:
• পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যা - এভিকালচার;
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা - সেরিকালচার;
• মৌমাছির চাষ বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার;
• সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১২,৮০০.
১৮২০ সালে কে দেখান বিদ্যুৎপ্রবাহ দিয়ে চুম্বক তৈরি করা যায়? 
  1. ম্যাক্সওয়েল
  2. ফ্যারাডে
  3. অরস্টেড
  4. হেনরি
সঠিক উত্তর:
অরস্টেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরস্টেড
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানের অবদান ও আবিষ্কার: 
- বিদ্যুৎ ও চুম্বকের ওপরে এক সময় ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। 
- 1778 সালে কুলম্ব বৈদ্যুতিক চার্জের ভেতরকার বলের জন্য সূত্র আবিষ্কার করেন। 
- 1800 সালে ভোল্টা বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করার পর বিদ্যুৎ নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা শুরু হয়। 
- 1820 সালে অরস্টেড দেখান বিদ্যুৎপ্রবাহ দিয়ে চুম্বক তৈরি করা যায়। 
- 1831 সালে ফ্যারাডে এবং হেনরি ঠিক তার বিপরীত প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন। তারা দেখান চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ তৈরি করা যায়। 
- 1864 সালে ম্যাক্সওয়েল তার বিখ্যাত ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ দিয়ে পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে একই সূত্রের মাঝে নিয়ে এসে দেখান যে, আলো আসলে একটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। বিদ্যুৎ ও চুম্বক আলাদা কিছু নয়, আসলে এ দুটি একই শক্তির দুটি ভিন্ন রূপ। এটি সময়োপযোগী একটি আবিষ্কার ছিল কারণ, 1801 সালে ইয়ং পরীক্ষার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ করে রেখেছিলেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।