বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১০৫ / ১৪০ · ১০,৪০১১০,৫০০ / ১৪,০৮০

১০,৪০১.
ওজন এর এস আই  একক কোনটি?
  1. নিউটন
  2. কেজি
  3. পাউন্ড
  4. আউন্স
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
• নিউটন (Newton) হলো বলের এসআই একক, এবং যেহেতু ওজন হলো ভরের ওপর মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রয়োগ, তাই ওজনের এককও নিউটন।
• সূত্র: ওজন = ভর × মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ (W = m × g)
• যেখানে ভরের একক কেজি (kg) এবং g’র একক m/s², তাই ওজনের একক হয়  Kg·m/s² = নিউটন।

• ভৌত রাশি ও তাদের SI একক:
- দৈর্ঘ্য - মিটার (m), 
- ভর - কিলোগ্রাম (kg), 
- সময় - সেকেন্ড (s), 
- তাপমাত্রা - কেলভিন (K), 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ - অ্যাম্পিয়ার (A), 
- পদার্থের পরিমাণ - মোল (mol), 
- আলোক তীব্রতা - ক্যান্ডেলা (cd), 
- বল - নিউটন (N)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,৪০২.
উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়নের বৈশিষ্ট্য হলো—
  1. নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়
  2. জিনগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়
  3. প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে
  4. প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে
সঠিক উত্তর:
প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে
ব্যাখ্যা

◉ স্ব-পরাগায়নে একই ফুল বা একই গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে। ফলে বাহকের প্রয়োজন হয় না, পরাগরেণুর অপচয়ও তুলনামূলকভাবে কম হয়। এর ফলে যে নতুন উদ্ভিদ জন্মে, তার বৈশিষ্ট্য প্রায় একই থাকে, অর্থাৎ প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। তবে অসুবিধা হলো—এতে জিনগত বৈচিত্র্য কম থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে অভিযোজন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

পরাগায়ন (pollination): 
- পরাগায়নকে পরাগ সংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন ফুল এবং বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুধরনের, স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন। 

স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে, তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। 
- সরিষা, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে থাকে। 
- স্ব-পরাগায়নের ফলে পরাগরেণুর অপচয় কম হয়, পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় না এবং পরাগায়ন নিশ্চিত হয়। এর ফলে নতুন যে উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, তাতে বৈশিষ্ট্যেরও কোনো পরিবর্তন আসে না এবং কোনো একটি প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। 
- তবে এতে জিনগত বৈচিত্র্য কম থাকে। 
- এই বীজের থেকে জন্ম নেওয়া নতুন গাছের অভিযোজন ক্ষমতা কমে যায় এবং অচিরেই প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে। 

পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগ সংযোগ ঘটে, তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়। 
- পর-পরাগায়নের ফলে নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়, বীজের অংকুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনীশক্তিসম্পন্ন হয় এবং নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়। 
- দুটি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয় এবং বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এ কারণে এসব গাছে নতুন বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়। 
- তবে এটি বাহকনির্ভর প্রক্রিয়া হওয়ায় পরাগায়নের নিশ্চয়তা থাকে না, এতে প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে। ফলে প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হওযার সম্ভাবনা থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪০৩.
জ্বালানীর দহনের ফলে নিচের কোন শক্তির রূপান্তর ঘটে? 
  1. তাপ শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে
  2. রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
  3. তাপ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে
  4. রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
- জ্বালানীর দহনের ফলে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- তাপ এক প্রকার শক্তি, আবার কাজ করার সামর্থকে শক্তি বলে। 
- জ্বালানীর দহনের ফলে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। 
- বাড়িতে কাঠ পুড়িয়ে রান্না করা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলপিজি গ্যাস পুড়িয়ে রান্না করা, এমনকি শুকনো পাতা বা শুকনো গোবর পুড়িয়ে রান্না করলেও রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- রাসায়নিক শক্তির প্রধান উৎস কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি সবই হলো জীবাশ্ম জ্বালানী। 
- সিরামিক শিল্প, কাঁচ শিল্প, লোহা ও ইস্পাতের ঢালাই শিল্প, অ্যালুমিনিয়ামের ঢালাই শিল্প সব ক্ষেত্রেই প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় রাসায়নিক শক্তি থেকে। 
- তাপ শক্তিকে ব্যবহার করে ইটের ভাটায় ইট পোড়ানো হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪০৪.
রেচনতন্ত্রের অংশ নয় কোনটি? 
  1. বৃক্ক
  2. ইউরেটর
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. ইউরেথ্রা 
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যাশয়
অগ্নাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি (অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা)। এর প্রধান কাজ হরমোন (ইনসুলিন, গ্লুকাগন) উৎপাদন ও পাচক রস নিঃসরণ করা। 

মানবদেহের রেচনাতন্ত্র অংশ:

- বৃক্ক: মূত্র তৈরি করে, শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণ করে।
- ইউরেটর: কিডনি থেকে মূত্রকে মূত্রাশয় পর্যন্ত পরিবহন করে।
- মূত্রাশয়: মূত্র সংরক্ষণ করে।
- ইউরেথ্রা: মূত্র দেহ থেকে বের করে।

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,৪০৫.
বিজ্ঞানের কোন শাখায় মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. কসমোলজি
  2. আর্কিওলজি
  3. প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা
  4. নৃবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য:
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা ‘মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত।
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে। পরীক্ষা দুটি হলো-
• মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ।
• মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪০৬.
কোন শ্রেণির কয়লায় কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. এ্যানথ্রাসাইড কয়লা
  2. বিটুমিনাস কয়লা
  3. বাদামি কয়লা
  4. পীট কয়লা
সঠিক উত্তর:
পীট কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীট কয়লা
ব্যাখ্যা

কয়লার শ্রেণী বিভাগ:
- কয়লা কার্বনের সমাবেশ মাত্র। কয়লার গুনাগুন তাপ প্রদান ক্ষমতার উপর নির্ভরশীল।
- কয়লার গুনাগুনের তারতম্য অনুযায়ী কয়লাকে প্রধানত চার শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়।
যেমন: 
১। এ্যানথ্রাসাইড কয়লা
২। বিটুমিনাস কয়লা
৩। লিগনাইট বা বাদামি কয়লা
৪। পীট কয়লা

নিম্নে বিভিন্ন শ্রেণীর কয়লার বর্ণণা দেয়া হলো: 
১। এ্যানথ্রাসাইড: এ শ্রেণীর কয়লা সবচেয়ে শক্ত ও উৎকৃষ্ট শ্রেণীর। এটার রং ঘন কৃষ্ণবর্ণ, উজ্জল ও ভারী হয়ে থাকে। এটা সহজে প্রজ্জলিত হতে চায় না। তবে একবার প্রজ্জলন হলে নীল আভাযুক্ত প্রচন্ড তাপ উৎপন্ন হয় এবং দীর্ঘ সময় জ্বলতে থাকে। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে।

২। বিটুমিনাস কয়লা: এটি মধ্যম শ্রেণীর কয়লা যা থেকে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। তবে সামান্য ধোয়াও বের হয়ে থাকে। এতে ৮২ ভাগ কার্বন ও ৫ ভাগ হাইড্রোজেন থাকে। পৃথিবীর সঞ্চিত কয়লার ৭৫ ভাগ কয়লাই এ শ্রেণীভূক্ত।

৩। লিগনাইট বা বাদামী কয়লা: এটি একটি নিকৃষ্ট ধরনের কয়লা। এটি সাধারনত নরম ও ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়ে থাকে। এর রং বাদামী বলে একে বাদামী কয়লাও বলা হয়। এতে ৬৫ ভাগ কার্বন থাকে। এ ধরনের কয়লায় গ্যাস ও জলীয় বাষ্প বেশী থাকার ফলে তাপ তুলনামূলক ভাবে কম হয়।

৪। পীট কয়লা: এটি কয়লার মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন মানের। এটাকে পুরপুরি কয়লা বলা যায় না। এতে মাত্র ৪৯% কার্বন থাকে এবং জ্বালালে খুব ধোঁয়া হয়। অত্যন্ত কম কার্বন থাকে বলে তাপ উৎপাদন ক্ষমতা খুব কম এবং খুব তাড়াতাড়ি পুড়ে যায়। 

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,৪০৭.
কোনটিকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয় না?
  1. উটপাখি
  2. প্লাটিপাস
  3. লিমুলাস
  4. স্ফোনোডন
সঠিক উত্তর:
উটপাখি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উটপাখি
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
যেমন - 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণি, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী ইত্যাদি। 
- অন্যদিকে, ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো এক ধরনের উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্ম। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪০৮.
ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির সংকেতকে কী বলা হয়?
  1. অক্টাল
  2. ডেসিমাল
  3. বাইনারি
  4. হেক্সাডেসিমাল
সঠিক উত্তর:
বাইনারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪০৯.
ইনসুলিন কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ৫০টি
  2. ৫১টি
  3. ৫২টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 

- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪১০.
একটি লোহার টুকরোকে দ্রুত ও বারবার চুম্বকিত ও বিচুম্বকিত করলে চৌম্বক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তিতে
  2. আলোক শক্তিতে
  3. যান্ত্রিক শক্তিতে
  4. বিদ্যুৎ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

চৌম্বক শক্তির রূপান্তর: 
- একটি লোহার টুকরোকে দ্রুত ও বারবার চুম্বকন ও বিচুম্বকন করলে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এক্ষেত্রে চৌম্বক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪১১.
তরলের বাষ্পায়ন নিচের কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে?
  1. বায়ুর শুষ্কতা
  2. বাতাসের চাপ
  3. বাতাসের প্রবাহ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- সাধারণভাবেই একটা তরলের বাষ্পায়ন বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
১। বাতাসের প্রবাহ: 
- বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 

২। তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: 
- তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 
- এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 

৩। তরলের প্রকৃতি: 
- তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি। 
- উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 

৪। বাতাসের চাপ: 
- বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। 
- শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 

৫। উষ্ণতা: 
- তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 

৬। বায়ুর শুষ্কতা: 
- বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪১২.
দূরবীক্ষণ যন্ত্রে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. সমতল
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল
ব্যাখ্যা

উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়।
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪১৩.
AIDS রোগ প্রথম আমেরিকায় কোন সালে চিহ্নিত হয়? 
  1. ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে
  2. ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে
  3. ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা

এইডস রোগ: 
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। 
- এটি একটি সংক্রামক রোগ। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়। 
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে। 

- এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘অ্যাকুয়ার্ড ইম্যুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রম’ যা সংক্ষেপে AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)। 
- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immuno Deficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে। 
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। 
- দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। 
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। 
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে। 
- প্রধাণত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে, এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪১৪.
বায়ুমন্ডলের তৃতীয় স্তরটির নাম কী?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল
  2. খ) স্ট্র্যাটোমন্ডল
  3. গ) আয়নমণ্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নমণ্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাসঃ ভূপৃষ্ঠ > ট্রপোস্ফিয়ার > স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার > থার্মোস্ফিয়ার/আয়নোস্ফিয়ার > এক্সোস্ফিয়ার > ম্যাগনেটোস্ফিয়ার।
উৎসঃভূগোল ও পরিবেশঃনবম -দশম শ্রেণী
১০,৪১৫.
উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে কোন গ্রহ শীর্ষে?
  1. মঙ্গলের
  2. বৃহস্পতির
  3. নেপচুনের
  4. বুধের
  5. শনির
সঠিক উত্তর:
শনির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনির
ব্যাখ্যা

• উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে শনির শীর্ষে অবস্থান। আমাদের সৌরজগতে প্রতিটি গ্রহের নিজস্ব উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে। তবে উপগ্রহের সংখ্যা অনুযায়ী পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। মঙ্গল এবং পৃথিবীর মতো গ্রহের কয়েকটি মাত্র উপগ্রহ আছে, যেমন মঙ্গলের দুইটি ছোট চাঁদ। বৃহস্পতির বহু উপগ্রহ রয়েছে, তবে শনির উপগ্রহের সংখ্যা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি। শনির বৃহৎ এবং সুপরিচিত রিং সিস্টেমের পাশাপাশি অনেক ছোট ও বড় চাঁদ রয়েছে। নেপচুনেরও কয়েকটি উপগ্রহ আছে, কিন্তু শনির উপগ্রহের তুলনায় তা কম। সুতরাং, উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে শনিই শীর্ষে।

গ্রহ: 
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি।
- মঙ্গলের উপগ্রহ দুইটি (ফোবস ও ডিমোস)।
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ শনির।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপগ্রহ বৃহস্পতির।
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ বলা হয়। 
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ বলা হয়। 
- মঙ্গলকে লালগ্রহ বলা হয়। 
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়। 
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা  ৮৩টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১০,৪১৬.
তাপমাত্রা কম থাকলে বায়ু কীরূপ হবে?
  1. হালকা
  2. শীতল
  3. উষ্ণ
  4. ঘন
সঠিক উত্তর:
ঘন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘন
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 
- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফুর্ত ঘটনা। 
- এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয় সেগুলো হলো- 

তরলের প্রকৃতি: 
- বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। 
- সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। 
- উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 

বায়ু প্রবাহ: 
- তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

তরলের উপর চাপ: 
- তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। 
- চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। 
- শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 

তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: 
- বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। 
- তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয় এবং তাপমাত্রা কম হলে বাষ্পায়নও ধীরগতির হয় অর্থাৎ ঘন হয়। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: 
- বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪১৭.
কিটোনের কার্যকরী মূলক-
  1. -OH
  2. -COOH
  3. >C=O
  4. -NH2
সঠিক উত্তর:
>C=O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
>C=O
ব্যাখ্যা
কার্যকরী মূলক (Functional groups)
- অসংখ্য জৈব যৌগসমূহকে কতকগুলো সমধর্মী শ্রেণী বা সমগোত্রীয় শ্রেণীতে (Homologous series) ভাগ করা হয়।
- একই সমধর্মী শ্রেণীর যৌগ সমূহের মধ্যে যথেষ্ট সাদৃশ্য আছে।
- প্রত্যেক জৈব যৌগের শ্রেণীর ধর্ম উহাদের অণুতে একটি বিশেষ মূলকের উপস্থিতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই মুলকটিকে ঐ শ্রেণীর কার্যকরী মূলক বা ক্রিয়াশীল মুলক বলে। অর্থাৎ “কোন জৈব যৌগের অণুতে উপস্থিত যে পরমাণু বা পরমাণুগোষ্ঠী যৌগের সব রাসায়নিক ধর্মকে কার্যকর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে কার্যকরী মূলক বা ক্রিয়াশীল মূলক বলে।”

• উদাহরণ:
- অ্যালকোহলের কার্যকরী মুলক হ'ল হাইড্রোক্সিল মূলক -OH
- অ্যামিনের কার্যকরী মুলক –NH2,
- কিটোনের >C=O,
- এসিডের -COOH ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪১৮.
রাদারফোর্ডের মডেল কোন কণার ঘূর্ণন ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছিল?
  1. প্রোটন
  2. ইলেকট্রন
  3. ফোটন
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল: 
- 1911 খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। 
- এ মডেল অনুসারে- 
(a) প্রত্যেকটি পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে। এই কেন্দ্রের নাম নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রন এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রন অবস্থান করে। যেহেতু আপেক্ষিকভাবে ইলেকট্রনের ভর শূন্য ধরা হয় কাজেই নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের ভরই পরমাণুর ভর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
(b) নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে ও পরমাণুর ভেতরে বেশির ভাগ জায়গাই ফাঁকা। 
(c) সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কক্ষপথে যেমন গ্রহগুলো ঘুরে তেমনি নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কক্ষপথে ইলেকট্রনগুলো ঘুরছে। কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি প্রোটন থাকে নিউক্লিয়াসের বাইরে ঠিক সেই কয়টি ইলেকট্রন থাকে। যেহেতু প্রোটন এবং ইলেকট্রনের চার্জ একে অপরের সমান ও বিপরীত চিহ্নের, তাই পরমাণুর সামগ্রিকভাবে চার্জ শূন্য। 
(d) ধনাত্মক চার্জবাহী নিউক্লিয়াসের প্রতি ঋণাত্মক চার্জবাহী ইলেকট্রন এক ধরনের আকর্ষণ বল অনুভব করে। এই আকর্ষণ বল কেন্দ্রমুখী এবং এই কেন্দ্রমুখী বলের কারণে পৃথিবী যেরকম সূর্যের চারদিকে ঘুরে ইলেকট্রন সেরকম নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরে। 

- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করা হয়েছে বলে এ মডেলটিকে সোলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে। আবার, এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়। 

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা: 
- রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন। 
- তিনিই সর্বপ্রথম একটি গ্রহণযোগ্য পরমাণু মডেল প্রদান করলেও তার পরমাণু মডেলের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। 
সেগুলো হলো- 
(a) এই মডেল ইলেকট্রনের কক্ষপথের আকার (ব্যাসার্ধ) ও আকৃতি সম্বন্ধে কোনো ধারণা দিতে পারেনি। 
(b) সৌরজগতের সূর্য ও গ্রহগুলোর সামগ্রিকভাবে কোনো আধান বা চার্জ নেই কিন্তু পরমাণুতে ইলেকট্রন এবং নিউক্লিয়াসের আধান বা চার্জ আছে। কাজেই চার্জহীন সূর্য এবং গ্রহগুলোর সাথে চার্যযুক্ত নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের তুলনা করা সঠিক নয়। 
(c) একের অধিক ইলেকট্রনবিশিষ্ট পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো কীভাবে নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমণ করে তার কোনো ধারণা এ মডেলে দেওয়া হয়নি। 
(d) ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণনের সময় ক্রমাগত শক্তি হারাতে থাকবে। ফলে ইলেকট্রনের ঘূর্ণন পথও ছোট হতে থাকবে এবং এক সময় ইলেকট্রনটি নিউক্লিয়াসে পতিত হবে। অর্থাৎ পরমাণুর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা ঘটে না অর্থাৎ ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্বানুসারে রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল সঠিক নয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪১৯.
নিচের কোনটি DNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাস বেসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) এডিনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) ইউরাসিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরাসিল
ব্যাখ্যা

DNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাস বেসে ইউরাসিল থাকে না। 

DNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা- এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং থাইমিন। DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি বেস মিলিতভাবে একটি জেনেটিক কোড গঠন করে। প্রতিটি কোড ২০ প্রকার এমাইনো এসিডের যেকোন একটিকে নির্দেশ করে।

অপরদিকে RNA এর নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা- এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল।
ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে।
DNA পূর্ণরূপ- Deoxyribonucleic acid

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,৪২০.
পানিতে কোন রাসায়নিক উপাদানের আধিক্যে শ্যাওলা জন্মে?
  1. ক) সালফেট ও নাইট্রেট
  2. খ) ফসফেট ও নাইট্রোজেন
  3. গ) পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
খ) ফসফেট ও নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফসফেট ও নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
পানিতে ফসফেট ও নাইট্রোজেন এর আধিক্যে শ্যাওলা জন্মে।
১০,৪২১.
মানুষের শরীরে কত ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ৮ ধরনের
  2. ১৩ ধরনের
  3. ১৮ ধরনের
  4. ২০ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২০ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ ধরনের
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং কিছু ক্ষেত্রে সালফার-এ পাঁচটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট আমিষের পরিচয় হয় কিছু অ্যামাইনো এসিড দিয়ে। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেগুলো আমিষ গঠনের একক। 
- উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। যথা- প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ। 
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির-এগুলো প্রাণিজ আমিষ। 
- উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন- ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বাদাম হচ্ছে উদ্ভিজ্জ আমিষের উদাহরণ। 

- ২০টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো এসিডকে (লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইনকে) অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়। এই আটটি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড মানুষের শরীর সংশ্লেষ করতে পারে। প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি। 
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়। অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম। 
- প্রাণীদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য, দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং-এগুলো সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। 
- প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪২২.
যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে বলে-
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. পারমাণবিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোবার বলে। ভরসংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।
- একই মৌলের একাধিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলোকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪২৩.
ব্যাসল্ট কী ধরনের শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
সঠিক উত্তর:
বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
- ভূঅভ্যন্তরের উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাহিরে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে যে আগ্নেয় শিলা তৈরি তা বহিঃজ আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
এরূপ শিলার মধ্যে রয়েছে:
- ব্যাসল্ট
- অ্যান্ডিসাইট
- রায়োলাইট প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ভূঅভ্যন্তরের উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাহিরে না এসে ভূগর্ভে জমাটবদ্ধ হয়ে যে আগ্নেয় শিলা তৈরি তা অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
এরূপ শিলার মধ্যে রয়েছে:
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৫০)
১০,৪২৪.
আমব্রিয়েল, টাইটানিয়া এবং ওবেরন কোন গ্রহের উপগ্রহ?
  1. মঙ্গল
  2. ইউরেনাস
  3. শনি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
ব্যাখ্যা
ইউরেনাস:
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- ইউরেনাসে একদিন সময় লাগে প্রায় ১৭ ঘন্টা।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৮টি।
- এর মধ্যে প্রধান পাঁচটি চাঁদ: মিরান্ডা, এরিয়েল, আমব্রিয়েল, টাইটানিয়া এবং ওবেরন

অন্যদিকে -
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুইটি: ডিমোস ও ফোবোস।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) NASA ওয়েবসাইট।
১০,৪২৫.
“The origin of species by means of natural selection” বইটির লেখক কে?
  1. ক) মেন্ডেল
  2. খ) ডারউইন
  3. গ) ডে ভ্রিস
  4. ঘ) ভাইজম্যান
সঠিক উত্তর:
খ) ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডারউইন
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে ডারউইনের The origin of species by means of natural selection বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ দেন।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
১০,৪২৬.
স্নায়ুকোষ বা নিউরনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়-
  1. ক) এর কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না
  2. খ) এটি মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ
  3. গ) এর কোষদেহে সাইট্রোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস থাকে
  4. ঘ) অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয়
ব্যাখ্যা
স্নায়তন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে। নিউরন মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ। নিউরন দুইটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা- ক) কোষদেহ এবং খ) প্রলম্বিত অংশ।
কোষদেহ : কোষদেহ নিউরনের প্রধান অংশ। কোষদেহ বিভিন্ন আকৃতির হয়, যেমন-গোলাকার, ডিম্বাকার বা নক্ষত্রাকার। কোষদেহ কোষ আবরণী, সাইট্রোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস দ্বারা গঠিত। এই কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না। তাই এরা অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয় না।
প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে উৎপন্ন শাখা-প্রশাখাকে প্রলম্বিত অংশ বলে। প্রলম্বিত অংশ দুই প্রকার। যথা- ১) অ্যাক্সন এবং ২) ডেনড্রন।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১০,৪২৭.
কয়টি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
শরীর গঠনের জন্য আমিষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- শরীরের প্রতিটা অংশ এবং কোষে প্রোটিন রয়েছে।
- শরীর গঠন ও বৃদ্ধির জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন - এ চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো এমাইনো এসিডে পরিনত হয়।
- আমিষের পরিচয় হয় এমাইনো এসিডের সাহায্যে। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
১০,৪২৮.
কোনো পদার্থ কতটুকু অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝতে কোন বিজ্ঞানী pH স্কেল ব্যবহার করেন?
  1. জে. জে. থমসন
  2. জেমস চ্যাডউইক
  3. আইনস্টাইন
  4. সোরেনসেন
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪২৯.
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) সবুজ সার
  3. গ) পটাশ
  4. ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়। 

- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে।
- গাছের কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

সূত্র: কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
১০,৪৩০.
এক অ্যাটোসেকেন্ড = কত সেকেন্ড?
  1. 10-18
  2. 10-21
  3. 10-15
  4. 10-12
সঠিক উত্তর:
10-18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-18
ব্যাখ্যা
অ্যাটোসেকেন্ড: 
- এক অ্যাটোসেকেন্ড হল এক সেকেন্ডের 1×10-18 এর সমান। 
- এটি আন্তর্জাতিক সিস্টেমে সময়ের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একটি একক। 
- ১ সেকেন্ডেকে ১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ দিয়ে ভাগ করলে যে ক্ষুদ্র সময়টা পাওয়া যাবে (১০-১৮ সেকেন্ড) তার সমান। 
- পরমাণুর ভেতরের জগতে কোনো কোনো ঘটনা ঘটে অ্যাটোসেকেন্ডের দশভাগের একভাগ বা তার চেয়েও কম সময়ে। সেসব ক্ষুদ্রতম সময়ের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আলোক স্পন্দনের এই অ্যাটোসেকেন্ড স্পন্দন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 
অর্থাৎ, পরমাণুর ভেতরকার কার্যকলাপ সম্পর্কে একটা স্পষ্ট চিত্র তৈরি করতে পারা যাবে। 
- অ্যাটোসেকেন্ড পদার্থবিদ্যা সবচেয়ে বড় সুফল নিয়ে আসবে ইলেকট্রনিক জগতে, যেখানে সবকিছু চলে ইলেকট্রোডাইনামিকস বা ইলেকট্রন গতিবিদ্যার সাহায্যে। 
- তুলনা করার জন্য, এক অ্যাটোসেকেন্ড =  এক সেকেন্ড ধরা হলে, এক সেকেন্ড = প্রায় 31.71 বিলিয়ন বছর। 
- মার্কিন বিজ্ঞানী পিয়েরে অগাস্তিনি, হাঙ্গেরিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রেঙ্ক ক্রাউজ ও ফরাসি বিজ্ঞানী অ্যান লুইলিয়ে এই তিন বিজ্ঞানী ইলেকট্রনের আলোক শোষণের ঘটনাকে অ্যাটোসেকেন্ড স্কেলে পরিমাপ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন।
- ২০২৩ সালে এই তিন বিজ্ঞানী পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। 

উল্লেখ্য যে, 
- এক মিলিসেকেন্ড = 10-3 = 1/1,000 
- এক মাইক্রোসেকেন্ড = 10-6 = 1/1,000,000 
- এক ন্যানোসেকেন্ড = 10-9 = 1/1,000,000,000 
- এক পিকোসেকেন্ড = 10-12 = 1/1,000,000,000,000 
- এক ফেমটোসেকেন্ড = 10-15 = 1/1,000,000,000,000,000 
- এক অ্যাটোসেকেন্ড = 10-18 = 1/1,000,000,000,000,000,000

উৎস:
কালেরকণ্ঠ পত্রিকা (৩ অক্টোবর, ২০২৩)।
১০,৪৩১.
বস্তুর ভর সৃষ্টি করে কোন কণা?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) নিউট্রন
  3. গ) হিগ-বোসন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
গ) হিগ-বোসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিগ-বোসন
ব্যাখ্যা
- পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং যার ফলে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে এ কণাটিই হলো হিগের কণা।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণার অপর নাম- ঈশ্বর কণা।
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান - পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট।
১০,৪৩২.
রোগীর জন্ডিস শরীরের কোন স্থানে ভালোভাবে ফুটে ওঠে?
  1. হাতের তালু
  2. চোখের sclera
  3. চোখের Conjunctiva
  4. জিহ্বার তলদেশ
সঠিক উত্তর:
চোখের Conjunctiva
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের Conjunctiva
ব্যাখ্যা
জন্ডিস হল এমন একটি অবস্থা যা শরীরে অতিরিক্ত বিলিরুবিন জমার কারণে ত্বক, চোখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।
- বিলিরুবিন হল একটি হলুদ রঙ্গক যা লাল রক্তকণিকা ভাঙ্গনের সময় গঠিত হয়। জন্ডিসের উপস্থিতি লিভার, গলব্লাডার বা লোহিত রক্তকণিকা ভাঙ্গনের সাথে একটি অন্তর্নিহিত সমস্যা নির্দেশ করে। 

- ত্বক এবং চোখের হলুদ হওয়া

- গাঢ় প্রস্রাব: জন্ডিস গাঢ় রঙের প্রস্রাব হতে পারে, যা প্রস্রাবে অতিরিক্ত বিলিরুবিনের উপস্থিতির ফলস্বরূপ।

- ফ্যাকাশে মল: অন্ত্রে বিলিরুবিনের অভাবের কারণে মল ফ্যাকাশে বা মাটির রঙের হয়ে যেতে পারে।

- চুলকানি (প্রুরিটাস): জন্ডিস ত্বকে তীব্র চুলকানির কারণ হতে পারে, যা কিছু ব্যক্তির জন্য বিরক্তিকর হতে পারে।

- ক্লান্তি এবং দুর্বলতা: জন্ডিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করতে পারেন, কারণ অন্তর্নিহিত লিভার বা গলব্লাডার সমস্যা শরীরের পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ এবং শক্তি উত্পাদন করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

পেটে ব্যথা: পিত্তথলি-সম্পর্কিত জন্ডিসের ক্ষেত্রে, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে উপরের ডান চতুর্ভুজ অংশে হতে পারে।

- ক্ষুধা হ্রাস: জন্ডিস ক্ষুধা হ্রাস এবং অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস হতে পারে।

- বমি বমি ভাব এবং বমি: জন্ডিসে আক্রান্ত কিছু ব্যক্তির বমি বমি ভাব এবং বমি হতে পারে।

- মানসিক বিভ্রান্তি (হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি): গুরুতর ক্ষেত্রে, যকৃতের কর্মহীনতার সাথে সম্পর্কিত জন্ডিস মানসিক বিভ্রান্তি, স্মৃতির সমস্যা এবং পরিবর্তিত চেতনা হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,৪৩৩.
প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের মূল একক কোনটি?
  1. গ্লুকোজ
  2. অ্যামাইনো এসিড
  3. ফ্যাটি এসিড
  4. গ্লিসারল
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
ব্যাখ্যা

- স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ইত্যাদি শর্করা জাতীয় খাবারের মূল একক হলো গ্লুকোজ।
- প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের মূল একক হলো অ্যামাইনো এসিড।
- স্নেহ জাতীয় খাবারের মূল একক হলো ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১০,৪৩৪.
রেশম কীটের দেহ নিঃসৃত আঁশ হতে কোন ধরনের কাপড় তৈরি করা হয়?
  1. ক) সুতি
  2. খ) শিফন
  3. গ) রেশমি
  4. ঘ) ভেলভেট
সঠিক উত্তর:
গ) রেশমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেশমি
ব্যাখ্যা
- রেশম কীটের দেহ নিঃসৃত আঁশ হতে রেশমি ধরনের কাপড় তৈরি করা হয়। 
- রেশম সুতা উৎপাদনের লক্ষ্যে রেশমপোকা প্রতিপালনকে রেশম চাষ বলে। 
- রেশম চাষের তিনটি পর্যায় রয়েছে: তুঁত গাছ চাষ, রেশমপোকা পালন এবং কাপড় তৈরির জন্য রেশমগুটির সুতা পৃথক করা। 
- প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরোপুরি কৃষিভিত্তিক, তৃতীয় পর্যায় মূলত শিল্পগত ব্যাপার, যা নিষ্পন্ন হয় কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠানে যা ফিলাচার নামে পরিচিত। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১০,৪৩৫.
নিম্নলিখিত কোনটির উপর বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. ক) ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন
  2. খ) ইকুয়েটর
  3. গ) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
  4. ঘ) ট্রপিক অব ক্যানসার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ট্রপিক অব ক্যানসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ট্রপিক অব ক্যানসার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।

- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৩৬.
কোন রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. লিউকেমিয়া চিকিৎসায়
  2. থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
  3. হাড়ের ক্যান্সার চিকিৎসায়
  4. হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ নির্ণয়ে
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
ব্যাখ্যা

• থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ব্যবহৃত হয়।

- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- এই রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য:
- রক্তস্বল্পতা বা লিউকেমিয়া চিকিৎসায় সাধারণত তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32) ব্যবহৃত হয়।
- হাড়ের ব্যথানাশক বা হাড়ের ক্যান্সারের চিকিৎসায় স্ট্রনসিয়াম (Sr-89) অথবা রেডিয়াম ব্যবহৃত হয়।
- হৃদযন্ত্রের রক্ত সঞ্চালন বা ব্লকেজ পরীক্ষা করতে টেকনেশিয়াম (Tc-99m) ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪৩৭.
কোন তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1 হয়?
  1. 0° C
  2. 0° K
  3. 273° C
  4. 373° K
সঠিক উত্তর:
0° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ মস্তিষ্কে থাকে। এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1 । 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৩৮.
কোন বলের কারণে সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে? 
  1. অভিকর্ষ বল
  2. সবল নিউক্লীয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. তড়িৎচৌম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, 
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং 
৪। সবল নিউক্লীয় বল। 

মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৩৯.
কত ক্যারেট স্বর্ণ ১০০% বিশুদ্ধ?
  1. ক) ২৫ ক্যারেট
  2. খ) ২৪ ক্যারেট
  3. গ) ২২ ক্যারেট
  4. ঘ) ২১ ক্যারেট
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪ ক্যারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪ ক্যারেট
ব্যাখ্যা

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১০,৪৪০.
লোহার যোজনী কত? 
  1. ২ ও ৩
  2. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
২ ও ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ও ৩
ব্যাখ্যা

• লোহা প্রধানত ২ ও ৩ যোজনী প্রদর্শন করে।

• যোজনী:
- যোজনী হলো একটি মৌল কতটি ইলেকট্রন ব্যবহার করে অন্য মৌলের সঙ্গে যৌগ (bond) গঠন করতে পারে তা নির্দেশ করে।
- এটি মূলত মৌলের শেষ কক্ষপথে উপস্থিত ইলেকট্রনের সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয়।

• লোহা (Fe) এর যোজনী:
- লোহা একটি অবস্থান্তর মৌল (গ্রুপ - ৮)।
- লোহা বিভিন্ন অক্সিডেশন স্টেটে থাকতে পারে, যার ফলে এর যোজনীও পরিবর্তিত হয়।

• লোহা প্রধানত দুইটি যোজনী প্রদর্শন করে:
- Fe2+ (Ferrous) → যোজনী ২
- Fe3+ (Ferric) → যোজনী ৩

• বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ:
- FeO (Ferrous oxide) → লোহা ২+ অবস্থায় → যোজনী ২
- Fe2O3 (Ferric oxide) → লোহা ৩+ অবস্থায় → যোজনী ৩
- লোহা উভয় অক্সিডেশন অবস্থায় রাসায়নিক যৌগ তৈরি করতে সক্ষম।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

১০,৪৪১.
প্রবল জোয়ারের কারণ, যখন-
  1. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
  3. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  4. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
ব্যাখ্যা
• প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে।

• জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আর্ষণ শক্তি পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্র পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং. নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।- জোয়ার ভাটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।
- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৪২.
সবুজ উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড বিজারণের কতটি গতিপথ শনাক্ত করা হয়েছে? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
- আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে আলোর প্রত্যক্ষ প্রয়োজন পড়ে না, তবে আলোর উপস্থিতিতেও এই প্রক্রিয়া চলতে পারে। 
- বায়ুমণ্ডলের CO2 পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে কোষে প্রবেশ করে। 
- আলোক পর্যায়ে তৈরি ATP, NADPH এবং H+ এর সাহায্যে আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে CO2 বিজারিত হয়ে কার্বোহাইড্রেটে পরিণত হয়। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) বিজারণের তিনটি গতিপথ শনাক্ত করা হয়েছে। 
যেমন: ক্যালভিন চক্র, হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র এবং ক্রেসুলেসিয়ান এসিড বিপাক। 

ক্যালভিন চক্র বা C3 গতিপথ: 
- CO2 আত্তীকরণের এ গতিপথকে আবিষ্কারকদের নামানুসারে ক্যালভিন-বেনসন ও ব্যাশাম চক্র বা সংক্ষেপে ক্যালভিন চক্র বলা হয়। 
- অধিকাংশ উদ্ভিদে এই প্রক্রিয়ায় শর্করা তৈরি হয় এবং প্রথম স্থায়ী পদার্থ 3-কার্বনবিশিষ্ট ফসফোগ্লিসারিক এসিড বলে এই ধরনের উদ্ভিদকে বলে C3 উদ্ভিদ। 
- ক্যালভিন তাঁর এ আবিষ্কারের জন্য ১৯৬১ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র বা C4 গতিপথ: 
- অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী M.D. Hatch ও C.R. Slack (1996 সালে) CO2 বিজারণের আর একটি গতিপথ আবিষ্কার করেন। 
- এই গতিপথের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো 4-কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো এসিটিক এসিড, তাই একে C4 গতিপথ বলে। 
- C4 উদ্ভিদে একই সাথে হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র এবং ক্যালভিন চক্র পরিচালিত হতে দেখা যায়। 
- C3 উদ্ভিদের তুলনায় C4 উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার বেশি এবং উৎপাদন ক্ষমতাও বেশি। 
- সাধারণত ভূট্টা, আখ, অন্যান্য ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ, মুথা ঘাস, অ্যামারন্যথাস ইত্যাদি উদ্ভিদে C4 পরিচালিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৪৩.
সুর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র কোনটি?
  1. ক) আলফা সেন্টুরাই
  2. খ) সিরিয়াস
  3. গ) বার্নার্ড’স স্টার
  4. ঘ) লাকাইল ৯৩৫২
সঠিক উত্তর:
ক) আলফা সেন্টুরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলফা সেন্টুরাই
ব্যাখ্যা
সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হচ্ছে আলফা সেন্টুরাই নক্ষত্র। এটি পৃথিবী থেকে চার আলোক বর্ষ দূরে অবস্থিত। আলফা সেঞ্চুরাই আসলে একটি ত্রিপল স্টার সিস্টেম।
Source: NASA
১০,৪৪৪.
কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ব্যাপন
  2. অভিস্রবণ
  3. প্রস্বেদন
  4. সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
• অভিস্রবণ:
- কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে
- দুটো দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- অভিস্রবন এক প্রকার ব্যাপন।
- অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে।

• ব্যাপন:
- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘনস্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ করার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত হয়ে ঘনত্বের পার্থক্যে সমতা না আসা পর্যন্ত ব্যাপন চলতে থাকে এবং তারপর বন্ধ হয়ে যায়।
- এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি ঢাললে ক্রমান্বয়ে চিনির দানার অনুগুলো গ্লাসের সমস্ত পানিতে ছড়িয়ে পড়ে এই প্রক্রিয়ায়।

• প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গ হতে জলীয়বাষ্প বের হয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন।
- উদ্ভিদ তার মূল দিয়ে মাটি হতে পানি শোষণ করে থাকে এবং এ পানিই কান্ড, শাখা-প্রশাখা, পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গে স্থানান্তরিত হয়।

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ কোষে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশের বায়ুমণ্ডল থেকে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মূল দ্বারা শোষিত জলের বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যের সংশ্লেষ ঘটে এবং গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইডের সমপরিমাণ অক্সিজেন প্রকৃতিতে নির্গত হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, Live MCQ লেকচার শীট।
১০,৪৪৫.
নিম্নলিখিত কোনটি গুচ্ছিত ফল?
  1. আনারস
  2. স্ট্রবেরি
  3. ধান
  4. শিম
সঠিক উত্তর:
স্ট্রবেরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রবেরি
ব্যাখ্যা

• একটি মাত্র ফুলের বহু মুক্ত গর্ভপত্রী (Apocarpous) জায়াঙ্গের প্রতিটি গর্ভাশয় যখন আলাদা আলাদা ছোট ফলে পরিণত হয় এবং একটি সাধারণ পুষ্পাক্ষের ওপর গুচ্ছাকারে অবস্থান করে, তখন তাকে গুচ্ছিত ফল (Aggregate fruit) বলে।
- স্ট্রবেরি একটি গুচ্ছিত ফলের উদাহরণ।
- অন্যদিকে আনারস হলো একটি যৌগিক ফল, ধান হলো ক্যারিঅপসিস এবং শিম হলো লিগিউম জাতীয় একক ফল।

• ফল (Fruits):
- প্রকৃত ফল (True fruit): গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আম, জাম, লিচু।

- অপ্রকৃত ফল (False fruit): গর্ভাশয় ব্যতীত অন্য অংশ থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আপেল, কাঁঠাল।

- সরল ফল (Simple fruit): একটি পুষ্প হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন আম, ধান।

-গুচ্ছিত ফল (Aggregate fruit): একটি মাত্র পুষ্পের মুক্ত গর্ভাশয়গুলো হতে একগুচ্ছ ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- আতা, স্ট্রবেরি।

- যৌগিক ফল (Multiple fruit): সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- লিগিউম (Legume): ফল উপর থেকে নিচে দুটি কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- শিম, মটর।

- ক্যাপসুল (Capsule): ফল উপর থেকে নিচে বহু কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন ধুতুরা, ঢেঁড়স, পাট।

- ক্যারিঅপসিস (Caryopsis): ফল এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট এবং একটি মাত্র বীজযুক্ত। ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পর সংলগ্ন থাকে।
যেমন ধান, গম।

- সিলিকুয়া (Siliqua): শুষ্ক বিদারী ফল যা পরিপক্ব হলে নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ ফেটে যায়। এই ফল লম্বা ও নলাকার হয়।
যেমন- সরিষা, মূলা।

- বেরি (Berry): ফল এক বা একাধিক গর্ভপত্রী এবং বহুবীজী। এদের বহিঃত্বক পাতলা। অন্তঃত্বক ও মধ্যত্বক সংযুক্ত থাকে।
যেমন কলা, টমেটো।

- সাইজোকার্প (Schizocarp): শুষ্ক অবিদারী ফল।
যেমন- ধনে, গাজর।

- সরোসিস (Sorosis): এক্ষেত্রে স্পাইক বা স্প্যাডিক্স মঞ্জরীটি একটি একক রসালো যৌগিক ফলে পরিণত হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- পেপো (Pepo): বহু বীজযুক্ত সরস ফল যাদের অমরাবিন্যাস বহুপ্রান্তীয় এবং গর্ভাশয় অধোগর্ভ। বহিঃত্বক চামড়ার মতো এবং বীজগুলো অমরার সাথে সংযুক্ত।
যেমন- কুমড়া, শসা।

- ড্রপ (Drupe): এক বা একাধিক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট গর্ভাশয়তে একক বীজযুক্ত ফলের সৃষ্টি হয়। এর বহিঃত্বক পাতলা, মধ্যত্বক রসালো ও পুরু এবং অজ্ঞত্বক কাষ্ঠল।
যেমন- আম, কুল ও আমড়া।

- হেসপেরিডিয়াম (Hesperidium): সরস অবিদারী ফল। ফলের অন্তঃত্বক রসালো ও কোয়া গঠন করে।
যেমন- কমলা, বাতাবীলেবু।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

১০,৪৪৬.
শেভিং ফোম বা জেল- এর রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
  1. ক) CuSO4.5H2O
  2. খ) C17H35COOK
  3. গ) ZnCO3
  4. ঘ) C17H35COONa
সঠিক উত্তর:
খ) C17H35COOK
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) C17H35COOK
ব্যাখ্যা
• শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যার রাসায়নিক সংকেত হলো- C17H35COOK
• কাপড় কাচার সাবানে থাকে মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট, যার রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa
• কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O
• তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O
• ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O]
• ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
• মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
• বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৪৭.
পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্ট শিলাকে কী বলা হয়? 
  1. জীবাশ্ম শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. আগ্নেয় শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
শিলা: 
- ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
- ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
- ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
যেমন- নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
- গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks): 
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল। এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে। 
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে। 
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই, তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা। 
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই। এই শিলার বৈশিষ্ট্য হলো- (ক) স্ফটিকাকার, (খ) অস্তরীভূত, (গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর, (ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং (ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী। 
- আগ্নেয়গিরি বা ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় ভূত্বকের দুর্বল অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে উত্তপ্ত গলিত লাভা নির্গত হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট শিলার সৃষ্টি হয়। 

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): 
- ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম এবং রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি। 

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): 
- উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্থূল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৪৮.
মানুষের লালারসে কোন ধরনের এনজাইম থাকে?
  1. ক) ট্রিপসিন
  2. খ) মিউসিন
  3. গ) টায়ালিন
  4. ঘ) অ্যামাইলেজ
সঠিক উত্তর:
গ) টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টায়ালিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের লালারসে টায়ালিন এনজাইম থাকে। 

মুখবিবর
:
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর।
- মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে।
- নিম্ন চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে।

- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে।
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়।
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে।
- আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে।

অন্যদিকে, 
- পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই।
- অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ।
- আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৪৯.
যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের কী বলা হয়?
  1. আইসোটোন
  2. আইসোবার
  3. আইসোমার 
  4. আইসোটোপ
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

- যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ (Isotope) বলা হয়। একই প্রোটন সংখ্যা থাকায় আইসোটোপগুলো একই মৌলের ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু হয়, তবে ভিন্ন নিউট্রন সংখ্যার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। 

• আইসোবার: 
- যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলে। 

• আইসোটোন: 
- যে সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। 

• আইসোটোপ: 
- যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 

• আইসোমার: 
- যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪৫০.
বিভব শক্তি অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. শব্দ শক্তি
  2. তাপ শক্তি
  3. গতি শক্তি
  4. স্থিতি শক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
ব্যাখ্যা
বিভবশক্তি: 
বিভবশক্তিকে স্থিতিশক্তি বলা হয়। 
- বিভবশক্তি হচ্ছে বস্তুর স্থিতিজনিত শক্তি। 
- কোন বস্তু তার অবস্থা বা অবস্থানে স্থিতিশীল থাকার ফলে যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই বস্তুটির বিভশক্তির পরিমাপক। 
- আবার বস্তুও বিভিন্ন অংশের পরিবর্তনের ফলে বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে বস্তুর বিভব শক্তি। 
যেমন- পানির ট্যাংকে রক্ষিত পানি এবং দেয়ালে ঝুলানো ছবি যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে এদের বিভবশক্তি। 
- একইভাবে একটি বস্তুকে টান টান করলে এর মধ্যে বিভব শক্তি জমা থাকে। 
- বিভবশক্তি যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ। 
- গতি শক্তিও যান্ত্রিকশক্তির একটি রূপ। 
অর্থাৎ, যান্ত্রিক শক্তি দু'প্রকার। 
যথা- গতি শক্তি এবং বিভবশক্তি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৫১.
শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ হিসেবে কোনটি থাকে? 
  1. লাইকোপিন
  2. ফ্ল্যাভোনয়েড
  3. ক্লোরোফিল
  4. ক্যারোটিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যা
শৈবাল: 
- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
অর্থাৎ, আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। ঐ সব রঞ্জক পদার্থের উপর ভিত্তি করে শৈবালের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- প্রোক্যারিয়োটিক হওয়ায় নীলাভ-সবুজ শৈবাল বর্তমানে সায়ানো ব্যাকটেরিয়া হিসেবে বিবেচিত। 
- শৈবাল তিনটি প্রক্রিয়ায় জনন কার্য সম্পন্ন করে। 
যেমন- (ক) অঙ্গজ জনন, (খ) অযৌন জনন এবং (গ) যৌন জনন। 

শৈবালের বৈশিষ্ট্য: 
- শৈবালে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায়- 
১। এরা সবাই অপুষ্পক। 
২। এরা স্বভোজী অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেরা নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
৩। এরা প্রকৃতকোষী, এককোষী অথবা বহুকোষী হয়। এরা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ অর্থাৎ এদেরকে মূল, কান্ড এবং পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
৪। এদের দেহে ভাস্কুলার টিস্যু (পরিবহন টিস্যু) থাকে না। 
৫। অধিকাংশ শৈবালের জননাঙ্গ এককোষী। কোন কোন শৈবালের জননাঙ্গ বহুকোষী হয়। জননাঙ্গ বহুকোষী হলে তা বন্ধ্যা কোষের স্তর দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকে না। 
৬। এদের রেণুথলী (স্পোরাঞ্জিয়া) সব সময় এককোষী। 
৭। এদের জাইগোট স্ত্রীজননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কখনও বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না। 
৮। এদের কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত। 
৯। গ্যামিটের মিলনের পরেও এদের বহুকোষী ভ্রূণ গঠিত হয় না। 
১০। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া এদের সঞ্চিত খাদ্য শর্করা। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৫২.
উড়োজাহাজের গতি পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. ওডোমিটার
  2. অ্যালটিমিটার 
  3. ম্যানোমিটার
  4. ট্যাকোমিটার
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যা

- উড়োজাহাজের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম হলো ট্যাকোমিটার (Tachometer)। আধুনিক বিমানে বায়ুর গতির সাপেক্ষে গতি মাপতে 'এয়ার স্পিড ইন্ডিকেটর' ব্যবহৃত হয়। 

অন্যদিকে, 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১০,৪৫৩.
নির্দিষ্ট ভরের দুটি বস্তু কণার মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করলে বল পূর্বের কতগুণ হবে?
  1. অর্ধেক
  2. দ্বিগুণ
  3. চারগুণ
  4. এক-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: 
- মানুষ লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠতে পারে না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে কারণ পৃথিবী তাদেরকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে, এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। এই ঘটনাকে (Phenomenon) বলে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র ও মহাকর্ষ বল: 
- দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে, এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
- বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
- এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র: "মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে"। 
ধরা যাক, m1 এবং m2 ভরের দুটি বস্তু কণা পরস্পর থেকে d দূরত্বে অবস্থিত। এদের মধ্যকার আকর্ষণ বল F হলে, মহাকর্ষ সূত্রানুসারে, 

F = G(m1m2)/d2
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক, একে সর্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক বলে। 
অর্থাৎ, দুটি এক কিলোগ্রাম ভরের বস্তু এক মিটার দূরত্বে স্থাপন করলে এরা পরস্পরকে যে বলে আকর্ষণ করে, তার মান সংখ্যাগতভাবে G এর মানের সমান। 
- মহাকর্ষ সূত্রানুসারে দেখা যায়, নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থিত দুটি বস্তু কণাদ্বয়ের বস্তুর ভরের গুণফল দ্বিগুণ হলে বল দ্বিগুণ হবে, ভরের গুণফল তিনগুণ হলে বল তিনগুণ হবে। 
- আর নির্দিষ্ট ভরের দুটি বস্তু কণার মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করলে বল পূর্বের এক-চতুর্থাংশ হবে, দূরত্ব তিনগুণ করলে বল পূর্বের নয় ভাগের এক ভাগ হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১০,৪৫৪.
শ্বসন প্রক্রিয়ার কোন ধাপ মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে না?
  1. অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি
  2. ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র
  3. গ্লাইকোলাইসিস
  4. ক্রেবস চক্র
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোলাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোলাইসিস
ব্যাখ্যা

• শ্বসন ক্রিয়ার ধাপ চারটি: গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র।
- এর প্রথম ধাপ (গ্লাইকোলাইসিসের বিক্রিয়াগুলো) মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে না।
- তবে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপ মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যেই সম্পন্ন হয়।

মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria):
- মাইটোকন্ড্রিয়া দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী বা ঝিল্লি দিয়ে ঘেরা।
- ভিতরের স্তরটি ভিতরের দিকে আঙ্গুলের মতো ভাঁজ হয়ে থাকে।এদের ক্রিস্টি (cristae) বলে।
- ক্রিস্টির গায়ে বৃন্তযুক্ত গোলাকার বস্তু থাকে, এদের অক্সিজোম (oxisomes) বলে।
- অক্সিজোমে উৎসেচকগুলো (enzymes) সাজানো থাকে।
- মাইটোকন্ড্রিয়নের (এক বচন) ভিতরে থাকে ম্যাট্রিক্স (matrix)।
- জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। 
- শ্বসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রেবস চক্র (তৃতীয় ধাপ) মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়।
- ক্রেবস চক্রে সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদিত হয়।
- এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র' বা 'পাওয়ার হাউস' বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪৫৫.
মরিচার রাসায়নিক সংকেত কী? 
  1. CaCO3
  2. Fe2O3.nH2O
  3. NaHCO3
  4. Na2CO3.10H2O
সঠিক উত্তর:
Fe2O3.nH2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fe2O3.nH2O
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক নাম ও সংকেত: 
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3). 
- চুনের নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO). 
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2
- চুন (CaO) এর সাথে পানি (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 
- মরিচার রাসায়নিক সংকেত হলো Fe2O3.nH2O

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৫৬.
ট্রান্সফরমারের ক্ষমতা কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. KW
  2. KVA
  3. MVAR
  4. MVA
সঠিক উত্তর:
KVA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
KVA
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সফরমারের ক্ষমতা KVA (কিলোভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার) এককে প্রকাশ করা হয়। কারণ ট্রান্সফরমার হলো একটি যন্ত্র যা বিদ্যুৎশক্তি স্থানান্তর করে কিন্তু নিজে কোনো বিদ্যুৎ খরচ করে না।

ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪৫৭.
বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রধানত কোন ধরণের কারখানায় ETP স্থাপন করা বেশি প্রয়োজন?
  1. ট্যানারি শিল্প
  2. পশু খামার শিল্প
  3. রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প
  4. কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প
সঠিক উত্তর:
ট্যানারি শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যানারি শিল্প
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে ETP (Effluent Treatment Plant) বা বর্জ্য পানি নিষ্কাশন কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন হয় মূলত সেই সকল শিল্পে যেখানে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক বা দূষিত পানি উৎপন্ন হয়। বিশেষভাবে ট্যানারি শিল্পে ETP থাকা বাধ্যতামূলক, কারণ চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় ক্রোমিয়াম, সলফার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হয়, যা সরাসরি পরিবেশে ফেলা হলে মাটি, জল এবং মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে। অন্যদিকে, পশু খামার, রেডিমেড গার্মেন্টস বা কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বর্জ্য পানি কম দূষিত বা সহজে পরিচালনাযোগ্য হলেও, কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মান অনুসারে ছোট ETP থাকতে পারে। তাই সর্বাধিক জরুরি এবং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ETP হলো ট্যানারি শিল্পে।
 
• ETP (Effluent Treatment Plant) এর প্রয়োজনীয়তা শিল্প কারখানায়:
- ETP হলো একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শিল্প কারখানার তরল বর্জ্য বা জলকে পরিশোধন করা হয়।
- এটি পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের সময় কিছু ধরণের শিল্পে ETP স্থাপন বাধ্যতামূলক।  

• ট্যানারি শিল্প (Tannery Industry):
- ট্যানারি শিল্পে চামড়া প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রচুর রঞ্জক এবং রাসায়নিক ব্যবহার হয়।
- এই শিল্প থেকে নির্গত বর্জ্যে ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে।
- তাই, ট্যানারি শিল্পে ETP স্থাপন করা বাধ্যতামূলক।  

• পশু খামার শিল্প (Animal Farming Industry):
- পশুপালন বা খামার শিল্প থেকে সাধারণত জৈব বর্জ্য উৎপন্ন হয়।
- যদিও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন, এটি ETP বাধ্যতামূলক নয়।  

• রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প (Readymade Garments Industry):
- গার্মেন্টস শিল্পে প্রধানত রঙ এবং রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বর্জ্য সাধারণত সহজে পরিশোধনযোগ্য।
- তাই সব ক্ষেত্রে ETP বাধ্যতামূলক নয়।  
- টেক্সটাইল ডাইং ফ্যাক্টরিগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিকযুক্ত রঙিন পানি নির্গত হয়, যা শোধন করতে ETP লাগে। তবে রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্পের তুলনায় ট্যানারি শিল্পে ETP স্থাপন করা বেশি প্রয়োজন। 

• কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প (Agricultural Processing Industry):
- কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে তরল বর্জ্য সাধারণত কম দূষিত হয়।
- ETP স্থাপন সাধারণত ঐচ্ছিক, নির্দিষ্ট শিল্প ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।  

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

১০,৪৫৮.
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ভরের একক কী? 
  1. কেজি
  2. সেন্টিগ্রাম 
  3. কুইন্টাল 
  4. গ্রাম 
সঠিক উত্তর:
কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেজি
ব্যাখ্যা

সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে- 
• দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার (cm),
• ভরের একক গ্রাম (g) এবং
• সময়ের একক (s). 

এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি (SI) এম.কে.এস. পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হয়েছে। তাই
• দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m), 
ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং
• সময়ের একক (s). 

এফ.পি.এস পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে-
• দৈর্ঘ্যের একক ফুট (ft),
• ভরের একক পাউন্ড (lb)এবং
• সময়ের একক (s). 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং britannica.com।

১০,৪৫৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়গুলো সাধারণত কোন মাসে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) মার্চ
  2. খ) অগাস্ট
  3. গ) সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর
ব্যাখ্যা



উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।

১০,৪৬০.
তাপের এস.আই একক এবং ক্যালরির মধ্যে সম্পর্ক কোনটি সঠিক?
  1. 1 Cal = 1 J
  2. 1 Cal = 4.2 J
  3. 1 J = 4.2 Cal 
  4. 1 J = 1 Cal
সঠিক উত্তর:
1 Cal = 4.2 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 Cal = 4.2 J
ব্যাখ্যা

- তাপের আন্তর্জাতিক বা এস.আই (S.I) একক হলো জুল (Joule)। অন্যদিকে, ক্যালরি (Calorie) হলো তাপের একটি প্রচলিত একক। বৈজ্ঞানিক পরিমাপে এই দুই এককের মধ্যে সম্পর্ক হলো ১ ক্যালরি তাপ প্রায় ৪.১৮৪ জুলের সমান, যাকে গাণিতিক সুবিধার্থে সাধারণত ৪.২ জুল ধরা হয় অর্থাৎ, 1 Cal ≈ 4.2 J । 

তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের এস.আই একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৪৬১.
হাইড্রোজেন গাড়ি থেকে বর্জ্য হিসেবে নিচের কোনটি নির্গত হয়?
  1. কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. জলীয় বাষ্প
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন গাড়িতে হাইড্রোজেন জ্বালানী কোষে অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। 
- এই বিক্রিয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। 
- এই প্রক্রিয়ায় একমাত্র বর্জ্য হিসেবে নির্গত হয় জলীয় বাষ্প।
 
- পেট্রোল এবং ডিজেল গাড়িতে, জ্বালানী পুড়িয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়। 
- বাতাসে অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্লোবাল ওয়ার্মিং হওয়ার জন্য দায়ী।
 
উৎস: বিবিসি ওযেবসাইট।
১০,৪৬২.
পরিবাহকের ক্ষেত্রফল বাড়লে রোধের সম্পর্ক কোনটি? 
  1. R∝A
  2. R∝1/A
  3. R ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে না
  4. R∝√A 
সঠিক উত্তর:
R∝1/A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
R∝1/A
ব্যাখ্যা

বিদ্যুতের রোধ (Resistance, R) হলো পরিবাহকের বৈদ্যুতিক প্রবাহের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মাত্রা।
কোনো পরিবাহকের রোধ নির্ভর করে: 
- দৈর্ঘ্য (L) – দীর্ঘ পরিবাহকের রোধ বেশি।
- ক্ষেত্রফল (A) – বড় ক্ষেত্রফলের পরিবাহকের রোধ কম।
- প্রতিরোধ (ρ) – পদার্থের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
•মূল সূত্র: R=ρ(L/A)
- R ∝ L (দৈর্ঘ্যের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক)
- R ∝ 1/A (ক্ষেত্রফলের সাথে বিপরীত সমানুপাতিক)

ফলাফল: ক্ষেত্রফল বাড়ালে রোধ কমে, ক্ষেত্রফল কমলে রোধ বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান। 

১০,৪৬৩.
RADAR - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Radio Detection And Routing
  2. খ) Radio Detecting And Routing
  3. গ) Radio Detection And Ranging
  4. ঘ) Radio Detecting And Ranging
সঠিক উত্তর:
গ) Radio Detection And Ranging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Radio Detection And Ranging
ব্যাখ্যা
'RADAR'- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Radio Detection And Ranging.

এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়। রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়।
যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৬৪.
নিচের কোনটি সুনামির প্রধান কারণ নয়? 
  1. ভূমিকম্প 
  2. নদীভাঙন 
  3. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত 
  4. নভোজাগতিক ঘটনা 
সঠিক উত্তর:
নদীভাঙন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীভাঙন 
ব্যাখ্যা

- সুনামির প্রধান কারণ নয়- নদীভাঙন। 

সুনামি: 

- Tsunami একটি জাপানি শব্দ, যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ, সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 

- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্মরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল টেকটোনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১০,৪৬৫.
মেঘ বিস্ফোরণের (Cloudburst) ক্ষেত্রে কোন ঘটনাটি সত্য? 
  1. এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  2. সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে
  3. এর ফলে আকস্মিক বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধি হয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst): 
- মূলত, মেঘ বিস্ফোরণ এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে এটি।

কারণ
- এটি সাধারণত বর্ষার সময় পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে থাকে।
- হিমালয়ের পাদদেশে আরব সাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাস পাহাড়ের কারণে ওপরে উঠে যায়, যা 'অরোগ্রাফিক লিফট' নামে পরিচিত।
- এর ফলে বিশাল কিউমুলোনিম্বাস মেঘ (উলম্ব মেঘ) তৈরি হয়, যা বড় আকারের বৃষ্টির ফোঁটা ধারণ করতে পারে।
- এই মেঘ ভারী হয়ে ফেটে গেলে অল্প সময়ে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত ঘটে।

প্রভাব
- আকস্মিক বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধি;
- সেতু, রাস্তা, ঘরবাড়ি ধ্বংস;
- কৃষি জমি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত;
- বহু মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা।

• ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরের চাশোটি এলাকায় গত ১৪ আগস্ট ২০২৫ সালে ভয়াবহ মেঘ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

উৎস: দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

১০,৪৬৬.
টেলিভিশনের মৌলিক রং নয় কোনটি? 
  1. নীল
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রংয়ে ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 

- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। 
- এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। 
- এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৬৭.
'Origin of Species' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  2. খ) থিওফ্রাস্টাস
  3. গ) চার্লস ডারউইন
  4. ঘ) উইলিয়াম হার্ভে
সঠিক উত্তর:
গ) চার্লস ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চার্লস ডারউইন
ব্যাখ্যা
ইংলিশ জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন সর্বপ্রথম বিবর্তনের ধারণা দেন। ১৮৫৯ সালে তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ 'Origin of Species' এ প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন যা বৈজ্ঞানিক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৬৮.
2311Na এ সোডিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) 11
  2. খ) 12
  3. গ) 23
  4. ঘ) 16
সঠিক উত্তর:
খ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 12
ব্যাখ্যা
কোনো পরমাণুতে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলে।
ভরসংখ্যাকে A দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেহেতু ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। সোডিয়ামের (Na) ভরসংখ্যা হলো 23, এর প্রোটন সংখ্যা 11, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে 23 - 11 = 12

কোনো পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা পরমাণুর প্রতীকের নিচে বাম পাশে লেখা হয়, পরমাণুর ভরসংখ্যা প্রতীকের বাম পাশে উপরের দিকে লেখা হয়। যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর প্রতীক Na, এর পারমাণবিক সংখ্যা 11 এবং ভরসংখ্যা 23। এটাকে এভাবে প্রকাশ করা যায়: 2311Na

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি
১০,৪৬৯.
বিষুব অঞ্চলের তুলনায় মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন কেন বেশি?
  1. মেরুতে বস্তুর ঘনত্ব বেশি 
  2. মেরুতে ভরের মান বেশি 
  3. মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি 
  4. মেরুতে বস্তুর আকার বড় 
সঠিক উত্তর:
মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি 
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন: 
- একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। 
- কোন বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি হয়। 
- বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও বেশি। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১০,৪৭০.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়?
  1. অ্যামিটার
  2. জেনারেটর
  3. মাইক্রোফোন
  4. বৈদ্যুতিক মোটর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
ব্যাখ্যা

• জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- এটি মাইকেল ফ্যারাডের তড়িৎ-চুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- যখন কোনো পরিবাহী কুন্ডলীকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে যান্ত্রিকভাবে ঘুরানো হয়, তখন তাতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর:
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য:
-অ্যামিটার: এটি বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ (Current) পরিমাপ করার যন্ত্র, শক্তি রূপান্তরকারী নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৪৭১.
নিচের কোনটি সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ?
  1. কেলাসিত ইথেন ডাইওয়িক এসিড বা অক্সালিক এসিড
  2. পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট
  3. অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট
  4. পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: 

- যেসব কঠিন রাসায়নিক পদার্থকে (১) বিশুদ্ধ অবস্থায় প্রস্তুত করা যায়; (২) এরা বাতাসের সংস্পর্শে জলীয় বাষ্প বা O2 সহ বিক্রিয়া করে না; (৩) এদের ওজন নেয়ার সময় রাসায়নিক নিক্তিকে ক্ষয় করে না এবং (৪) এদের দ্রবণের ঘনমাত্রা দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকে, এদেরকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। 
যেমন- 
(১) অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) ক্ষার, 
(২) কেলাসিত ইথেন ডাইওয়িক এসিড বা অক্সালিক এসিড (H2C2O4.2H2O), 
(৩) পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট (K2Cr2O7) জারক পদার্থ, 
(৪) কেলাসিত সোডিয়াম ইথেন ডাইওয়েট বা অক্সালেট (Na2C2O4.2H2O) বিজারক পদার্থ ইত্যাদি হলো প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ। 

সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: 
- যে সব পদার্থের মধ্যে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের চারটি বৈশিষ্ট্যের যেমন বিশুদ্ধতা, বাতাসে অপরিবর্তিত থাকা, রাসায়নিক নিক্তির ক্ষয় না করা অথবা ঘনমাত্রার পরিবর্তন না ঘটা ইত্যাদির মধ্যে কোনো একটির অভাব ঘটলে, এদেরকে সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। 
যেমন- 
(১) NaOH ক্ষার, 
(২) HCl এসিড, 
(৩) H2SO4 এসিড, 
(৪) পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (KMnO4) জারক পদার্থ, 
(৫) সোডিয়াম থায়োসালফেট (Na2S2O3.5H2O) বিজারক ইত্যাদি। 
- এ সব সেকেন্ডারি পদার্থের মোলার দ্রবণ বা ডেসিমোলার (0.1M) দ্রবণ প্রমাণ দ্রবণ হয় না। 
- সেকেন্ডারি পদার্থের দ্রবণকে অপর পদার্থের প্রমাণ দ্রবণ দ্বারা টাইট্রেশন করে এর সঠিক মোলার ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়। 
- এরূপ সেকেন্ডারি পদার্থের যেমন KMnO4 এর 0.1M দ্রবণ তৈরি করে জারণ-বিজারণ টাইট্রেশনে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১০,৪৭২.
করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি কোন দেশ হতে?
  1. ইতালি
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
- ১১ মার্চ ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। 
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে। 
- ১১ জানুয়ারি ২০২০ চীনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়। 
- ভাইরাসটির অফিসিয়াল নাম - Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2 (SARS-CoV-2)। 
- এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয়, তার অফিসিয়াল নাম - Coronavirus Disease (COVID-19)। 

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
১০,৪৭৩.
জীবন্ত মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) ফ্লিস উল
  2. খ) পুল্ড উল
  3. গ) অ্যারিস উল
  4. ঘ) বোরাক্স উল
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্লিস উল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্লিস উল
ব্যাখ্যা
- মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে।
- রেশম মূলত ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন দ্বারা তৈরি।
- জীবন্ত মেষ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয়, তাকে ফ্লিস উল (Fleece Wool) বলে।
- মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয়, পুল্ড উল (Pulled Wool) বলে।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৭৪.
প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য শব্দের বেগ কতটুকু বৃদ্ধি পায়?
  1. ০.৬ মিটার/সেকেন্ড
  2. ০.৮ মিটার/সেকেন্ড
  3. ১.৬ মিটার/সেকেন্ড
  4. ১.৮ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০.৬ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৬ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
- শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে।
- যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার।
- কিন্তু প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পাবে।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি।
- ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৭৫.
শীতকালে ভিজা কাপড় অপেক্ষাকৃত তাড়াতাড়ি শুকায় কারণ -
  1. ক) বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকে।
  2. খ) বাতাসে সামান্য জলীয় বাষ্প থাকে।
  3. গ) বায়ুর চাপ বেশি থাকে।
  4. ঘ) বাতাসের তাপমাত্রা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসে সামান্য জলীয় বাষ্প থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসে সামান্য জলীয় বাষ্প থাকে।
ব্যাখ্যা
বর্ষাকাল অপেক্ষা শীতকালে ভিজা কাপড় দ্রুত শুকায়। 
ভিজা কাপড় শুকানো অর্থ কাপড়ের জলকণা বাষ্পায়নের মাধ্যমে উবে যাওয়া। 
বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে।
ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়। 
 
অন্যদিকে শীতকালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে। 
অর্থাৎ বাতাস শুকনো থাকে ফলে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়।
 
কোনো স্থানের বা একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে অর্থাৎ বায়ু কতটুকু শুকনো বা ভেজা থাকে তার নির্দেশক বায়ুর আর্দ্রতা।
কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প আছে এবং ঐ একই তাপমাত্রায় ঐ আয়তনের বায়ুকে সম্পৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্পের প্রয়োজন তার অনুপাতকে ঐ স্থানের বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে।
 
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,৪৭৬.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ক) স্টেথোস্কোপ
  2. খ) কার্ডিওগ্রাফ
  3. গ) ক্রেস্কোগ্রাফ
  4. ঘ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রেস্কোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রেস্কোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ। এছাড়া হৃৎপিন্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র স্টেথোস্কোপ; হৃৎপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র কার্ডিওগ্রাফ; এবং মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র স্ফিগমোম্যানোমিটার। সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৭৭.
নিচের কোন অঙ্গাণুটি (organelle) ঝিল্লি বা পর্দা দ্বারা আবৃত নয়?
  1. রাইবোসোম
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. পারঅক্সিসোম
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
ব্যাখ্যা

রাইবোসোম হলো প্রোটিন সংশ্লেষণের কেন্দ্র, যা RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত ছোট দানাদার কাঠামো। এগুলোর কোনো ঝিল্লি থাকে না।

রাইবোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাই রাইবোসোম। 
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার। 
- রাইবোসোমের কোনো আবরণী নেই। 
- সাইটোপ্লাজমে একাধিক রাইবোসোম মুক্তোর মালার মতো অবস্থান করলে তাকে পলিরাইবোসোম বা পলিসোম বলে। 
- আদিকোষ ও প্রকৃতকোষ-এই উভয় প্রকার কোষেই রাইবোসোম উপস্থিত থাকার কারণে রাইবোসোমকে সর্বজনীন অঙ্গাণু বলা হয়। 
 
• ক্লোরোপ্লাস্ট:  
- সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট। 
- ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। 
- ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা (pigment) অধিক মাত্রায় ধারণ করে বলে এরা সবুজ বর্ণের। 
- এতে অন্যান্য বর্ণকণিকাও কিছু কিছু পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। 
- ১৮৮৩ সালে বিজ্ঞনী শিম্পার সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ্য করেন এবং নামকরণ করেন ক্লোরোপ্লাস্ট। 
- সমস্ত ক্লোরোপ্লাস্ট একটি দুই স্তরবিশিষ্ট আংশিক অনুপ্রবেশ্য (semipermeable) মেমব্রেন (ঝিল্লি) দ্বারা আবৃত থাকে। 

• মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- প্রকৃত জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা শক্তিঘর বলা হয়।
- এ অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া প্রভৃতি ঘটে থাকে।
- দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমন্ত্র যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে। 
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু। 

• পারঅক্সিসোম: 
- পারঅক্সিসোম প্রায় সব ধরনের কোষে দেখা গেলেও প্রাণীর কিডনি ও লিভার কোষে অধিক থাকে। 
- অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের আউটপকেটিং-এর মাধ্যমে এরা তৈরি হয়। 
- এরা এক আবরণী বিশিষ্ট, ব্যাস ০.২-১৭ µm, এবং এরা দানাদার। 
- এর ভেতরে ক্রিস্টাল বা দানার আকারে সঞ্চয়ী এনজাইম জমা থাকে। 
- এর মধ্যে catalase প্রধান এনজাইম, এদেরকে মাইক্রোসোম (microsome) নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ১৯৬৭ সালে বেলজিয়াম সাইটোলজিস্ট Christian de Duve কোষের সাইটোপ্লাজম থেকে পারঅক্সিসোম অঙ্গাণুটি আবিষ্কার করেন। 
- পারঅক্সিসোম প্রাণীর কিডনি ও লিভার কোষে অধিক থাকে। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪৭৮.
ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে? 
  1. ক) সাত
  2. খ) পাঁচ 
  3. গ) তিন 
  4. ঘ) দুই 
সঠিক উত্তর:
ক) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাত
ব্যাখ্যা
ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে মূলত সাত ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন—আফ্রিকান প্লেট, এন্টার্কটিক প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট, উত্তর আমেরিকান প্লেট, প্যাসিফিক প্লেট, দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
১০,৪৭৯.
কোন ধাতুটির বিজারণ তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটানো হয়?
  1. Cu
  2. Zn
  3. Al
  4. Au
সঠিক উত্তর:
Al
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Al
ব্যাখ্যা
ধাতব অক্সাইডকে মুক্ত ধাতুতে রূপান্তর: 
- আকরিককে ভষ্মীকরণ বা তাপজারণ করায় যে ধাতব অক্সাইড পাওয়া যায় তাদেরকে বিজারিত করলে ধাতু পাওয়া যায়। 
- বিভিন্নভাবে এ বিজারণ সম্পন্ন করা যায়। 
যেমন- তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজারণ, কার্বন বিজারণ পদ্ধতি, স্ববিজারণ ইত্যাদি। 
- ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজে তাদের অবস্থানের উপর কোন পদ্ধতিতে বিজারণ সম্পন্ন হবে তা নির্ভর করে। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৮০.
অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় কাজ করে কোন তাপমাত্রায়?
  1. ক) 0K
  2. খ) 273K
  3. গ) -273K
  4. ঘ) 100°C
সঠিক উত্তর:
ক) 0K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0K
ব্যাখ্যা
- অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় কাজ করে পরম শূন্য তাপমাত্রায় বা (0K) তাপমাত্রায়। 

অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৮১.
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- এ মতবাদটির প্রবক্তা কে?
  1. এডউইন হাবল
  2. আইনস্টাইন
  3. টলেমি
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
এডউইন হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডউইন হাবল
ব্যাখ্যা
• মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- এ মতবাদটি এডউইন হাবল সর্বপ্রথম প্রদান করেন।

- সর্বপ্রথম ১৯২০ সালে আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল পর্যবেক্ষণ করেন যে, পৃথিবী থেকে দূরবর্তী নক্ষত্র এবং ছায়াপথগুলি ক্রমশই সরে যাচ্ছে।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব মতবাদ প্রদান করেন।
- স্টিফেন হকিং আধুনিক বিগ ব্যাঙ মতবাদের প্রবক্তা।
- কোপার্নিকাস সর্বপ্রথম প্রমাণ করেন যে, সূর্য নয়, পৃথিবীই সূর্যের চারদিকে ঘোরে, যে পথে পৃথিবী ঘোরে সেটা পৃথিবীর কক্ষপথ আর এই কক্ষপথ বৃত্তাকার।
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন, যা হাবলের সাথে মিলে যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র বা Theory of Relativity আবিষ্কার করেন।
- টলেমি ছিলেন প্রাচীন গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, ভূগোল-বিশারদ।
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৮২.
ডোপামিনের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. স্ট্রোক
  2. পারকিন্‌সন
  3. এপিলেপিস
  4. পক্ষাঘাত
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
ব্যাখ্যা
স্নায়ুবিক বৈকল্যজনিত শারীরিক সমস্যা:

পক্ষাঘাত:
- শরীরের কোনো অংশের মাংস পেশির কার্য ক্ষমতা নষ্ট হওয়াকে পক্ষাঘাত বলে।
- সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। 
- আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, যাতে শরীরের এক পাশের কোনো অঙ্গ বা উভয় পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
যেমন- দু'হাত ও পায়ের পক্ষাঘাত। 

এপিলেপ্‌সি:
- এটি মস্তিষ্কের একটি রোগ। এ রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়। 
- আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে। অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়। অনেক সময় রোগী হঠাৎ সাময়িকভাবে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরে কাঁপুনি দিতে দিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। 
- কোনো কারণে রোগী পানিতে পড়লে নিজ শক্তিতে উঠতে পারে না। ফলে ডুবে মারা যায়। 
- এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে। তবে ৫ থেকে ২০ বছর বয়সে ব্যাপকতা বেশি দেখা যায়।

পারকিন্‌সন রোগ:
- এ রোগ মস্তিষ্কে এমন এক অবস্থা যাতে হাতে ও পায়ের কাঁপুনী হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া, হাঁটাহাটি করতে অপারগ হয়। 
- এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। 
- পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়
- ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।
- এছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক বলা হয়। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৮৩.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র হতে বিদ্যুত উৎপাদন পদ্ধতি কোনটি?
  1. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  2. নিউক্লিয়ার ফিশন
  3. সৌরবিদ্যুত
  4. জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয়ার ফিশন: নিউক্লিয়ার ফিশনে ভারী পারমাণবিক যেমন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ভেঙে ছোট পারমাণবিকে বিভক্ত করা হয়। এই বিভাজনের ফলে প্রচুর তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা বাষ্প তৈরি করে এবং টারবাইন ঘূর্ণন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশে স্থাপিত একটি ফিশন ভিত্তিক নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট।
- এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear fission) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

অপরদিকে,
- নিউক্লিয়ার ফিউশন: হালকা পরমাণুর মিলনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়, এখনও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি।
- সৌরবিদ্যুত: সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে।
- জলবিদ্যুৎ: জলপ্রবাহ বা জলাধার থেকে টারবাইন ঘূর্ণন করে বিদ্যুৎ তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান, World Nuclear Association: [লিংক] 

১০,৪৮৪.
দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি, কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?
  1. হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDISM)
  2. রাতকানা
  3. এনিমিয়া
  4. কোয়াশিয়রকর (KWASHIORKOR)
সঠিক উত্তর:
হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDISM)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDISM)
ব্যাখ্যা
- সামুদ্রিক মাছ/শৈবাল আয়োডিনের ভাল উৎস। 
- আয়োডিনের অভাবে হাইপো-থাইরয়ডিজম বা গলগণ্ড রোগ হয়। 
- ফলে দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি থাকলে আয়োডিনের অভাবজনিত হাইপো-থাইরয়ডিজম রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই গলগণ্ড (Goitre) বলে। 
- গলগন্ড (Goiter)  খাদ্য ও খাবার পানিতে আয়োডিনের অভাব, সংক্রমণজনিত প্রদাহ, টিউমার, অথবা গলগ্রন্থির কম কার্যকারিতার কারণে গলগ্রন্থির (thyroid) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। 

- ''Severe and prolonged iodine deficiency, may lead to a deficient supply of thyroid hormones. This condition is referred to as hypothyroidism.'' 

উৎস: WHO and US National Library of Medicine National Institutes of Health এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১০,৪৮৫.
'Cosmic Ray' কে বাংলায় বলা হয়-
  1. ক) ক্যাথোড রশ্মি
  2. খ) রনজেন রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) তেজস্ক্রিয় রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
'Cosmic Ray' কে বাংলায় বলা হয় মহাজাগতিক রশ্মি। এই রশ্মি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী হেস ১৯১৩-১৪ সালে। এই রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে নোবেল পুরস্কার পান এবং এই রশ্মি বিদ্যুৎ চার্জযুক্ত।
১০,৪৮৬.
রেডিও সংকেত শনাক্তকরণে সর্বপ্রথম কে অর্ধপরিবাহী জাংশন ব্যবহার করেন?
  1. আইনস্টাইন
  2. রবার্ট হুক
  3. অ্যালেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. জগদীশচন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। 
- তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহী জাংশন ব্যবহার করেন। 
- এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 

- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
- তিনি উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। 
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। 
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,৪৮৭.
ডিটারজেন্টের রাসায়নিক নাম কী ?
  1. ক) সোডিয়াম সালফেট
  2. খ) লরাইল অ্যালকোহল
  3. গ) লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট
  4. ঘ) সোডিয়াম লরাইল সালফেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম লরাইল সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম লরাইল সালফেট
ব্যাখ্যা
- ডিটারজেন্ট সাবানের মতোই এক প্রকার পরিষ্কারক দ্রব্য।
- ডিটারজেন্ট সাধারণত পাউডারের মতো হয় এবং তরল আকারেও পাওয়া যায়।
- লরাইল অ্যালকোহলের ( C12H26O ) সাথে সালফিউরিক এসিড ( H2SO4 ) বিক্রিয়া করে লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট ( C12H26SO4 ) এবং পানি উৎপন্ন করে।
- এই লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট ( C12H26SO4 ) এর সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ( NaOH ) বিক্রিয়া করে সোডিয়াম লরাইল সালফেট ( C12H25SO4Na ) এবং পানি (H2O) উৎপন্ন হয়।
- সোডিয়াম লরাইল সালফেট ( C12H25SO4Na ) ডিটারজেন্ট নামে পরিচিত।

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪৮৮.
H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর কত? 
  1. 16 
  2. 2
  3. 18 
  4. 32 
সঠিক উত্তর:
18 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18 
ব্যাখ্যা
H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর: 
- পানির অণুতে 2 পরমাণু হাইড্রোজেন ও 1 পরমাণু অক্সিজেন রয়েছে। 
- হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 1 এবং অক্সিজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 16. 
সুতরাং, H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = (1 × 2 + 16 x 1) 
H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = 18

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৮৯.
আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1. ৫%
  2. ৯%
  3. ১১%
  4. ২১%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

সূত্র - ষষ্ঠ শ্রেণি, কৃষি শিক্ষা, বোর্ড বই
১০,৪৯০.
HPLC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High pressure liquid chromatography
  2. খ) High power liquid chromatography
  3. গ) High plant liquid chromatography
  4. ঘ) High performance liquid chromatography
সঠিক উত্তর:
ঘ) High performance liquid chromatography
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) High performance liquid chromatography
ব্যাখ্যা
HPLC এর পূর্ণরূপ - High performance liquid chromatography.

- হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি (HPLC) হলো বিশ্লেষণাত্মক রসায়নের একটি কৌশল।
- কোন মিশ্রণের উপাদানগুলিকে আলাদা করতে এবং প্রতিটি উপাদানকে চিহ্নিত করতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া মিশ্রণের উপাদানগুলো পরিমাপ করতেও এটি ব্যবহৃত হয়। 
- এটি প্রাথমিকভাবে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে একটি বিশ্লেষণাত্মক কৌশল হিসাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং প্রথমে রঙিন যৌগগুলিকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হতো।

HPLC এর প্রধান দুইটি রূপ হচ্ছে -
1. Normal-Phase HPLC
2. Reversed-Phase HPLC


সূত্র: LibreTexts Chemistry and Chemistry Views.
১০,৪৯১.
পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ শ্বাসকার্য চালায়-
  1. ক) ফুসফুসের সাহায্যে
  2. খ) ত্বকের সাহায্যে
  3. গ) ক ও খ উভয়টিই ঠিক
  4. ঘ) ফুলকার সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
গ) ক ও খ উভয়টিই ঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক ও খ উভয়টিই ঠিক
ব্যাখ্যা
ব্যাঙ একটি উভচর প্রাণি।
উভচর প্রাণিরা শীতল রক্ত বিশিষ্ট।
পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ ফুসফুস এবং ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
তবে উভচর প্রাণিগুলো শুরুর দিকে ফুলকারে সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।

১০,৪৯২.
পারপুরা রোগে কোন উপাদান প্রভাবিত হয়?
  1. হিমোগ্লোবিন
  2. অনুচক্রিকা
  3. শ্বেত রক্ত কণিকা
  4. লোহিত রক্ত কণিকা
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যা

রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন-
১। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

২। পলিসাইথিমিয়া: 
- দেহে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়াকে পলিসাইথিমিয়া রোগ বলে। 

৩। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। এ রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৪। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৪৯৩.
নিচের কোনটি ভাইরাসের দেহে বিদ্যমান?
  1. রাইবােসােম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. সাইটোপ্লাজম
  4. নিউক্লিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৯৪.
হিমোগ্লোবিন কী জাতীয় পদার্থ?
  1. আয়োডিন
  2. লৌহ
  3. আমিষ
  4. স্নেহ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
- হিমোগ্লোবিন আমিষ জাতীয় পদার্থ।
- রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।

[তথ্যসূত্র - জীব বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৯৭।]
১০,৪৯৫.
এপিকালচার কী?
  1. রেশম চাষ বিদ্যা
  2. মৎস্য চাষ বিদ্যা
  3. মৌমাছি চাষ বিদ্যা
  4. পাখি পালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে। বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে। মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে। যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,৪৯৬.
কোন উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না?
  1. টেরিস
  2. ব্রায়াম
  3. এগারিকাস
  4. স্পাইরোগাইরা
সঠিক উত্তর:
এগারিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারিকাস
ব্যাখ্যা
অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
১। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
- এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

২। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। 
- কিন্তু এদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১০,৪৯৭.
সুষম খাদ্যে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিড-এর অনুপাত -
  1. ১ঃ১ঃ২
  2. ১ঃ২ঃ১
  3. ৪ঃ১ঃ১
  4. ১ঃ৪ঃ১
সঠিক উত্তর:
৪ঃ১ঃ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ঃ১ঃ১
ব্যাখ্যা
সুষম খাদ্য:
- যেসব খাদ্যে পরিমিত পরিমাণে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদান উপস্থিত থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।

সুষম খাদ্যের বৈশিষ্ট্য:
১। একজন মানুষের বিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদনের সামর্থ্য থাকতে হবে।
২। খাদ্যে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের অনুপাত হবে ৪ঃ১ঃ১।
৩। সুষম খাদ্য তালিকায় ফল ও টাটকা শাকসব্জি থাকতে হবে।
৪। খাদ্যের প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও খনিজ লবণ থাকতে হবে।
৫। সুষম খাদ্য অবশ্যই সহজপাচ্য হতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৯৮.
টলেমি ছিলেন একজন -
  1. দার্শনিক
  2. জ্যোতির্বিদ
  3. চিকিৎসক
  4. সৈনিক
সঠিক উত্তর:
জ্যোতির্বিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোতির্বিদ
ব্যাখ্যা
টলেমি:
- টলেমি ছিলেন প্রাচীন গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, ভূগোল-বিশারদ।
- তিনি ছিলেন গ্রিক-রোমান শাসিত মিশরের অধিবাসী।
- ১৪৫ সালে বিখ্যাত বই ‘আলমাজেস্ট’-এ তিনি মহাবিশ্বের একটি মডেল দাঁড় করান। 
- তাঁর তৈরি করা মহাবিশ্বের মডেলে ধারাবাহিকভাবে পৃথিবী, চাঁদ, বুধ, শুক্র, সূর্য, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনিকে রাখা হয়েছে।
- এগুলোর কেন্দ্রে পৃথিবীকে দেখানো হয়েছে।
- তিনি ঈশ্বর বিশ্বাসী ছিলেন।
- তাঁর মডেল অনুসারে পুরোহিতরা মনে করেছিলেন যে, স্বর্গ নরক রয়েছে বাইরের গোলকের ঊর্ধ্বে।
- সেই কারণে ধর্মের সাথে তিনি সংঘাত এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- পরবর্তী সময়ে যে সকল বিজ্ঞানীরা মনে করতেন টলেমির এই ধারণা ঠিক নয়, তাঁরা পুরোহিতদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার সাহস পান নি।
- এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো বিজ্ঞানী কোপার্নিকাস ।

উল্লেখ্য,
- সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘুরছে এই সত্যকে প্রমাণসহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্যালিলিও, কিন্তু তার জন্য তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল।

উৎস: i) ২৩ নভেম্বর, ২০১৭, কালের কন্ঠ।
          ii) Britannica.
১০,৪৯৯.
Which light has the shortest wavelength?
  1. Red
  2. Green
  3. Violet
  4. Blue
সঠিক উত্তর:
Violet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Violet
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৫০০.
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) সিলেট 
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড রাজশাহীতে অবস্থিত। 

রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশে ১৯৭৮ সালে (অধ্যাদেশ ১৯৭৭ সাল) প্রতিষ্ঠিত। রেশম উৎপাদনে উৎসাহ দান ও রেশম শিল্পে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চার জন সার্বক্ষণিক ও ৭ জন খন্ডকালীন সদস্য নিয়ে এই বোর্ড গঠিত। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হলেন চেয়ারম্যান। বোর্ডের কার্যাবলি নিম্নোক্ত প্রধান বিভাগসমূহে বিভক্ত: ১. অর্থসংস্থান ও পরিকল্পনা; ২. সম্প্রসারণ ও উদ্বুদ্ধকরণ; ৩. উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ এবং ৪. প্রশাসন।

বোর্ডের প্রধান লক্ষ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে: ১. রেশম উৎপাদন ও রেশম শিল্পের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন; ২. রেশম উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণে উদ্যোগ, সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান; এবং ৩. তুঁত, ভেরেন্ডা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদের উন্নত চাষপদ্ধতি উদ্ভাবন।

দেশের বিভিন্ন অংশে বোর্ডের ১৪টি নার্সারি, ৩৯টি কেন্দ্র ও ১৫৯টি উপকেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।