বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১০৩ / ১৪০ · ১০,২০১১০,৩০০ / ১৪,০৮০

১০,২০১.
উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) অভিস্রবণ
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) ইমবাইবিশন
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'।  
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
১০,২০২.
বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. হর্টিকালচার
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার
ব্যাখ্যা

পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

অন্যান্য অপসনসমূহ, 
এপিকালচার (Apiculture) — মৌমাছি পালন।
সেরিকালচার (Sericulture) — রেশম উৎপাদনের জন্য রেশমকীট পালন।
হর্টিকালচার (Horticulture) — ফল, ফুল, শাকসবজির চাষ।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১০,২০৩.
ডায়াবেটিস রোগের সাথে কোন গ্রন্থিটি জড়িত?
  1. অগ্ন্যাশয়
  2. প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি
  3. পিনিয়াল গ্রন্থি
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা

- অগ্ন্যাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি। অগ্ন্যাশয়ের অন্তঃক্ষরা অংশে উপস্থিত বিটা কোষ থেকে ক্ষরিত হয় ইনসুলিন।
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। তাই বিটা কোষ কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলে ইনসুলিন নিঃসরণ কমে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ডায়াবেটিস রোগ হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১০,২০৪.
ভিলাই পোষ্টিকতন্ত্রের কোথায় থাকে?
  1. পাকস্থলি
  2. ক্ষুদ্রান্ত্র
  3. বৃহদান্ত্র
  4. পিত্তথলি
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত্র
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র (Small Intestine):
- পাকস্থলী থেকে বৃহদন্ত্র পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা, প্যাঁচানো নলটিকে ক্ষুদ্রান্ড বলে।
- ক্ষুদ্রান্ত্র আবার তিনটি অংশে বিভক্ত, ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম।
- ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এবং অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় নালি এসে মিলিত হয়।
- পিত্তনালির মাধ্যমে যকৃতের পিত্তরস এবং অগ্ন্যাশয়ের অগ্ন্যাশয় রস ডিওডেনামে এসে পৌঁছে।
- ক্ষুদ্রান্ত্রের গায়ে আত্মিক গ্রন্থিও থাকে।
- ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মতো প্রক্ষেপিত অংশ থাকে, এদের ভিলাই বলে
- ভিলাইপরিপাককৃত খাদ্য উপাদান শোষণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২০৫.
এক ন্যানো সমান-
  1. ক) ১০-৬
  2. খ) ১০-৯
  3. গ) ১০-১২
  4. ঘ) ১০-১৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১০-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০-৯
ব্যাখ্যা
এক ন্যানো সমান ১০-৯; এক মাইক্রো সমান ১০-৬; এক পিকো সমান ১০-১২ এবং এক ফেমটো সমান ১০-১৫। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২০৬.
গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশ করতে STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা কত ধরা হয়?
  1. - 298° C
  2. 0° C
  3. 25° C
  4. 298 K
সঠিক উত্তর:
0° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশের দুটি পদ্ধতি আছে। 
যেমন- 
(১) STP পদ্ধতি: 
- STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure. 
- STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 0°C বা 273 K ও চাপ 1 atm বা 101.325 kPa ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন হয়, Vm = 22.414 Lmol-1

(২) SATP পদ্ধতি: 
- SATP এর পুরো নাম Standard Ambient Temperature and Pressure. 
- এ পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 25°C বা 298K ও চাপ 100 kPa (কিলো প্যাসকেল) ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন, Vmθ = 24.789 Lmol-1

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
১০,২০৭.
রেডক্স বিক্রিয়ায় মৌলের কোন বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়? 
  1. পরমাণুর ভর 
  2. ইলেকট্রনের আকার 
  3. পরমাণুর সংখ্যা 
  4. জারণ সংখ্যা 
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

রেডক্স বিক্রিয়া: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
- বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে। 
- সকল জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। 
- ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- সংযোজন বিক্রিয়া, বিয়োজন বিক্রিয়া, প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি। 

নন-রেডক্স বিক্রিয়া: 
- নন-রেডক্স বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়ার সময় মৌলের পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না। 
- এক বা একাধিক বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হওয়ার সময় বিক্রিয়ক অণুতে বর্তমান মৌল সমূহের মধ্যে কোনো মৌলের পরমাণুতেই যদি ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ না ঘটে তবে তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে। 
- পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ না ঘটার কারণে বিক্রিয়া শেষে কোনো বিক্রিয়ক বা উৎপাদ মৌলের পরমাণুর জারণ সংখ্যার হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না। 
- ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না এরূপ বিক্রিয়াকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- প্রশমন বিক্রিয়া এবং অধঃক্ষেপ বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২০৮.
নিরপেক্ষ দ্রবণে pH মান কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২০৯.
কোনটি পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স ব্যবহার করা হয়?
  1. ভর
  2. দৈর্ঘ্য
  3. তাপমাত্রা
  4. বিদ্যুৎ প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
• দৈর্ঘ্য পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স ব্যবহার করা হয়।

• ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স:
- ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স (Vernier Calipers) হলো একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাপক যন্ত্র যা খুব ছোট দৈর্ঘ্য বা ব্যাস, গভীরতা ইত্যাদি 0.01 সেন্টিমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভার্নিয়ার স্কেল বিশিষ্ট ক্যালিপার্স দিয়ে ছোট দৈর্ঘ্য খুব সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়, যা সাধারণ স্কেলের চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত ।

• এটি প্রধানত দুটি স্কেল নিয়ে গঠিত। যথা:
– প্রধান স্কেল ও
– ভার্নিয়ার স্কেল।

• এটি দিয়ে পরিমাপ করা হয়- 
- ছোট বস্তু বা নলাকার জিনিসের দৈর্ঘ্য, বাহ্যিক ব্যাস বা প্রস্থ। 
- ফাঁপা বস্তুর অভ্যন্তরীণ ব্যাস। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১০,২১০.
পৃথিবীর মূল মধ্যরেখা হতে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে বলা হয়—
  1. ক) অক্ষাংশ
  2. খ) সুমেরু
  3. গ) কুমেরু
  4. ঘ) দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে। 
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে । 
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)। - প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত। 
- দ্রাঘিমা রেখাসমূহ পরস্পরের সাথে সমদূরত্বে অবস্থিত নয়, অর্থাৎ মেরুদ্বয়ে এই রেখাগুলো পরস্পরের সর্বাপেক্ষা নিকটে অবস্থান করে এবং নিরক্ষরেখা বরাবর সর্বাপেক্ষা দূরে অবস্থান করে।
 
উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,২১১.
নিম্নলিখিত কোনটি প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. অ্যামিবা
  2. প্যারামেসিয়াম
  3. শৈবাল
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়া প্রোটিস্টা (Protista) রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়; এটি মনেরা (Monera) রাজ্যের সদস্য।

রাজ্য-2: প্রোটিস্টা (Protista): 

- এই প্রোটিস্টা রাজ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নে দেওয়া হলো-
• এরা এককোষী বা বহুকোষী, একক বা কলোনিয়াল (দলবদ্ধ) বা ফিলামেন্টাস এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট। 
• কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। 
• ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA এবং প্রোটিন থাকে। 
• কোষে সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে। 
• খাদ্যগ্রহণ শোষণ বা ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে ঘটে। 
• মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অযৌন প্রজনন ঘটে এবং কনজুগেশনের মাধ্যমে অর্থাৎ জৈবনিকভাবে ভিন্ন কিন্তু গঠনগতভাবে এক, এরূপ দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন প্রজনন ঘটে।
• কোনো ভ্রূণ গঠিত হয় না। 
উদাহরণ: অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, এককোষী ও বহুকোষী শৈবাল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

১০,২১২.
মহাবিশ্বের অর্ধেক কণা কোন বাঙালি বিজ্ঞানীর নামে?
  1. Subrahmanyan Chandrasekhar
  2. Jagadish Chandra Bose
  3. Homi Bhabha
  4. Satyendra Nath Bose
সঠিক উত্তর:
Satyendra Nath Bose
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satyendra Nath Bose
ব্যাখ্যা
• মহাবিশ্বে মৌলিক কণাগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়: ফার্মিয়ন এবং বোসন।
- "বোসন" নামটি এসেছে সত্যেন্দ্র নাথ বোসের নাম থেকে।
- বোসন কণাগুলো ফোর্স ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে এবং এগুলোর ধর্ম বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান দিয়ে বর্ণিত।
- তাই সত্যেন্দ্র নাথ বোস মহাবিশ্বের অর্ধেক কণার নামের ভিত্তি।

অপশন আলোচনা:
ক) Subrahmanyan Chandrasekhar
- এই বিজ্ঞানী বিখ্যাত তাঁর চন্দ্রশেখর সীমা (Chandrasekhar Limit) সংক্রান্ত গবেষণার জন্য, যা তারার পতন এবং কৃষ্ণগহ্বরের গঠন নিয়ে কাজ করে।
- তবে তাঁর নামের সাথে মহাবিশ্বের অর্ধেক কণার কোনো সংযোগ নেই।

খ) Jagadish Chandra Bose
- জগদীশ চন্দ্র বসু বিখ্যাত তাঁর উদ্ভিদ বিজ্ঞানের গবেষণা এবং রেডিও প্রযুক্তির অগ্রদূত হিসেবে।
- কিন্তু তাঁর নাম মহাবিশ্বের কণার কোনো শ্রেণির সঙ্গে যুক্ত নয়।

গ) Homi Bhabha
- হোমি ভাবা ভারতের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত।
- তবে মহাবিশ্বের কণার নাম তাঁর নামে নয়।

ঘ) Satyendra Nath Bose
- সত্যেন্দ্র নাথ বোস কোয়ান্টাম মেকানিক্সে তাঁর অবদানের জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর নাম থেকেই "বোসন" কণার নামকরণ করা হয়েছে।
- বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান এবং বোসন কণাগুলো মহাবিশ্বের অর্ধেক কণার শ্রেণি হিসেবে পরিচিত।
১০,২১৩.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
  2. এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
  3. এক্স-রশ্ম তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
- ইহা তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10×10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২১৪.
ফিল্টার কোন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করে থাকে?
  1. ক) ক্লোরিনেশন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) পরিস্রাবণ
  4. ঘ) পাতন
সঠিক উত্তর:
গ) পরিস্রাবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিস্রাবণ
ব্যাখ্যা
সাধারণত যেসব প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়, সেগুলাে হলাে পরিস্রাবণ, ক্লোরিনেশন, স্ফুটন, পাতন ইত্যাদি। নিচে এই প্রক্রিয়াগুলাে বর্ণনা করা হলােঃ

পরিস্রাবণঃ পরিস্রাবণ হলাে তরল আর কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার একটি প্রক্রিয়া। পানিতে অদ্রবণীয় ধুলা-বালির কণা থেকে শুরু করে নানারকম ময়লা-আবর্জনার কণা থাকে। এদেরকে পরিস্রাবণ করে পানি থেকে দূর করা হয়। এটি করার জন্য পানিকে বালির স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়, তখন পানিতে অদ্রবণীয় ময়লার কণাগুলাে বালির স্তরে আটকে যায়। বালির স্তর ছাড়াও খুব সূক্ষ্মভাবে তৈরি কাপড় ব্যবহার করেও পরিস্রাবণ করা যায়। বর্তমান সময়ে আমাদের অনেকের বাসায় আমরা যেসব ফিল্টার ব্যবহার করি, সেখানে আরাে উন্নতমানের সামগ্রী দিয়ে পরিস্রাবণ করা হয়।

ক্লোরিনেশনঃ যদি পানিতে রােগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে, তবে তা অবশ্যই দূর করতে হবে এবং সেটি করা হয় জীবাণুনাশক ব্যবহার করে। নানারকম জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার কাজে ব্যবহার করা হয়। এদের মাঝে অন্যতম হচ্ছে ক্লোরিন গ্যাস। এছাড়া ব্লিচিং পাউডার এবং আরও কিছু পদার্থ যার মাঝে ক্লোরিন আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, সেগুলাে ব্যবহার করা হয়।

স্ফুটনঃ পানিকে খুব ভালােভাবে ফুটালে এতে উপস্থিত জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। প্রশ্ন হতে পারে, জীবাণুমুক্ত করার জন্য কতক্ষণ পানি ফুটাতে হয়? স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট ফুটালে সেই পানি জীবাণুমুক্ত হয়। বাসা-বাড়িতে খাওয়ার জন্য এটি একটি সহজ এবং সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া।

পাতনঃ যখন খুব বিশুদ্ধ পানির প্রয়ােজন হয়, তখন পাতন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়। যেমন: ঔষধ তৈরির জন্য, পরীক্ষাগারে রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুরোপুরি বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়। এই প্রক্রিয়ায় একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাপ দিয়ে সেটাকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। পরে ঐ বাষ্পকে আবার ঘনীভূত করে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ করা পানিতে অন্য পদার্থ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২১৫.
ট্রান্সফরমারে সাধারণত কয়টি কুণ্ডলী থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলত দুইটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২১৬.
অ্যান্টিবডি কে গঠন করে? 
  1. নিউট্রাফিল
  2. বেসোফিল
  3. মনোসাইট
  4. লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা
অ্যাগ্রানুলোসাইট: 
- এ ধরনের শ্বেত রক্তকোষের সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ। 
- অ্যাগ্রানুলোসাইট শ্বেত রক্তকোষ দুরকমের; যথা- লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট। 
- দেহের লিম্ফনোড, টনসিল, প্লিহা ইত্যাদি অংশে এরা তৈরি হয়। 
- লিম্ফোসাইটগুলো বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট কোষ। 
- মনোসাইট ছোট, ডিম্বাকার ও বৃক্কাকার নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট বড় রক্তকোষ। 
- লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশ করা রোগজীবাণু ধ্বংস করে। 
- এভাবে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 
- মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২১৭.
বাংলাদেশ কত ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ২০°৩৯´ থেকে ২৬°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. খ) ২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  3. গ) ৮৬°০২´ থেকে ৮৯°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  4. ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ৮৮°০১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং 
২০°৩৪´ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।

বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) এবং ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,২১৮.
পৃথিবীর বায়বীয় আবরণ প্রধানত -
  1. ৩ স্তরবিশিষ্ট
  2. ৪ স্তরবিশিষ্ট
  3. ৫স্তরবিশিষ্ট
  4. স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর:
৫স্তরবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫স্তরবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের তারতম্যের জন্য বায়ুমণ্ডলকে ৫টি স্তরে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। ট্রপোমণ্ডল, 
২। স্ট্রাটোমণ্ডল, 
৩। মেসোমণ্ডল, 
৪। তাপমণ্ডল এবং 
৫। এক্সোমণ্ডল। 

অন্যদিকে, 
- বায়ুমণ্ডলের গঠনকারী উপাদানের বৈশিষ্টের (যেমন - চাপ, ঘনত্ব, উষ্ণতা) উপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে চারটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১. ট্রপোমণ্ডল, 
২. স্ট্র্যাটোমণ্ডল, 
৩. মেসোমণ্ডল ও 
৪. তাপমণ্ডল। 

[অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর ৫টি স্তরে ভাগ' কে নেয়া হয়েছে। কারণ, অধিকাংশ বইয়ের মধ্যে ৫টি স্তর দেওয়া আছে]। 
  
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২১৯.
থার্মোমিটারে কি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) পারদ
  4. ঘ) পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
গ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারদ
ব্যাখ্যা

পারদ একটি তরল ধাতু। তাপে পারদের সুষম এবং দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে, যা তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য একটি প্রয়ােজনীয় বৈশিষ্ট্য।
এছাড়া পারদের গলনাঙ্ক পানির গলনাঙ্কের অনেক কম এবং স্ফুটনাঙ্ক পানির স্ফুটনাঙ্কের অনেক বেশি।
এজন্য সাধারণত জীবদেহের তাপমাত্রা মাপতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।

১০,২২০.
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের কোন ধাপে ক্রোমিয়াম তরল বর্জ্যে যুক্ত হয়?
  1. কালারিং
  2. ট্যানিং
  3. লাইমিং
  4. ডিলাইমিং
সঠিক উত্তর:
ট্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যানিং
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। 
- ব্যাপক শিল্পায়ন পরিবেশ দুষণের অন্যতম একটি কারণ। 
- শিল্পোৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কঠিন, তরল, বায়ুবীয় অবস্থার অনেক পদার্থ পরিবেশে দূষক হিসেবে কাজ করে। 
- দূষক হচ্ছে সে সকল পদার্থ যার উপস্থিতি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে মানুষ তথা প্রাণিকূলের স্বাভাবিক জীবন যাপন হুমকি হয়ে উঠে। 
- প্রতিটি শিল্প কারখানায় কম বেশি ক্ষতিকারক বিভিন্ন গ্যাসীয়, তরল ও কঠিন দূষক নির্গত হয়। 

চামড়া শিল্পের দূষকসমূহ: 
- সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণকারী শিল্প কারখানার মধ্যে চামড়া শিল্প অন্যতম।
- চামড়া শিল্পের বিভিন্ন ধাপে উৎপন্ন দূষক পদার্থ সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো- 
১। সিক্তকরণ (Soaking): 
- এ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তরল বর্জ্যে প্রচুর পরিমাণ NaCl, দ্রবীভুত প্রোটিন, জৈব পদার্থ, ধূলা-বালি, ময়লা, গোবর ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে। 
- এগুলো পঁচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি করে ফলে বায়ু দূষণ ঘটে। 
- অধিকন্তু বর্জ্যে বিদ্যমান NaCl ও রাসায়নিক দ্রব্য পানি ও মাটির দূষণ ঘটায়। 

২। লাইমিং (Liming): 
- এ ধাপে বর্জ্যে ক্ষার, সালফাইড, CaCO3 প্রোটিন, কতিপয় ধাতব আয়ন উপস্থিত থাকে এবং পানিকে দূষিত করে। 

৩। ডিলাইমিং (Deliming): 
- এ ধাপে বর্জ্যে অ্যামোনিয়াম দ্রবণের আধিক্যের ফলে পানি দূষণ ঘটে। 

৪। ট্যানিং (Tanning): 
- বর্জ্য অম্লীয় প্রকৃতির হয় এবং Cr এর পরিমান বৃদ্ধি পায় ফলে পানি দূষণ ঘটে। 

৫। রংকরণ (Colouring): 
- বর্জ্যে বিভিন্ন প্রকার রঞ্জক পদার্থ, তৈল, গ্রিজ ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে ফলে মাটি দূষণ ও পানি দূষণ ঘটে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২১.
আকাশ নীল দেখায় কেন?
  1. ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  2. খ) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত কম বলে
  3. গ) নীল আলোর বিচ্ছুরণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  4. ঘ) নীল আলোর বিচ্ছুরণ অপেক্ষাকৃত কম বলে
সঠিক উত্তর:
ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
ব্যাখ্যা
নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বলে নীল আলো্র বিক্ষেপণ বেশি হয়, মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক বেশি হয়, ন্যূনতম বিচ্যুতি বেশি হয়। উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১০,২২২.
বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের মধ্যে কোন আকর্ষণ কাজ করে?
  1. ক) গতি
  2. খ) মহাকর্ষ
  3. গ) অভিকর্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে।
যেমন: চন্দ্র ও সূর্যের মাঝে আকর্ষণ।

অভিকর্ষ: পৃথিবী এবং অন্য যেকোনো বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ তাকে অভিকর্ষ বলে।
মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে। দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয় তবে যে আকর্ষণ হয় তাই অভিকর্ষ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১০,২২৩.
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় সাধারনত কোনটি ঘটে?
  1. কঠিন থেকে তরলে রূপান্তর
  2. কঠিন থেকে বায়বীয়তে সরাসরি রূপান্তর
  3. তরল থেকে বায়বীয়তে রূপান্তর
  4. বায়বীয় থেকে কঠিনে রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন থেকে বায়বীয়তে সরাসরি রূপান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন থেকে বায়বীয়তে সরাসরি রূপান্তর
ব্যাখ্যা
• ঊর্ধ্বপাতন:
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।

- নিশাদল (NH4CI), কর্পূর (C10H16O), ন্যাফথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।
- কোনো কঠিন পদার্থের মিশ্রণের মধ্যে একটি উদ্বায়ী পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ঐ উদ্বায়ী পদার্থকে মিশ্রণ থেকে সহজে পৃথক করা যায়, যেমন নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) এর সাথে খাদ্য লবণ (NaCl) মিশ্রিত থাকলে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতির মাধ্যমে নিশাদলকে পৃথক করা যাবে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১০,২২৪.
নিচের কোনটি ছোঁয়াচে রোগ?
  1. ক) হুপিংকাশি
  2. খ) ধনুষ্টংকার
  3. গ) জলবসন্ত
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
যে সকল রোগের বিস্তার রোগীর সংস্পর্শে বা ছোঁয়ায় বিস্তার লাভ করে তাদেরকে ছোঁয়াচে রোগ বলে। ছোঁয়াচে রোগের উদাহরণ হলো- জলবসন্ত, হুপিংকাশি, কলেরা, ধনুষ্টংকার, যক্ষ্মা, মাম্পস, ফাইলেরিয়া ইত্যাদি।
১০,২২৫.
মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের-
  1. এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
  2. অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
  3. এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
  4. এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২২৬.
গ্যাসীয় পদার্থ পাত্রে রাখলে কী হয়? 
  1. পাত্রের নিচে জমে থাকে
  2. নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে
  3. পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে
  4. শুধু পাত্রের মুখ পর্যন্ত ওঠে
সঠিক উত্তর:
পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও  নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২২৭.
ক্লাস রুমে শব্দের তীব্রতার লেভেল কত?
  1. 10 dB
  2. 50 dB
  3. 30 dB
  4. 60 dB
সঠিক উত্তর:
50 dB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 dB
ব্যাখ্যা
- ক্লাস রুমে শব্দের তীব্রতার লেভেল হলো- 50 dB. 

শব্দের তীব্রতার লেভেল: 

- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- এর মূল একক W/m2
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্ব নিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। 
- এই সর্ব নিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। 
- এর মান 10-12 Wm-2 বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস:
পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৮.
চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে কী বলে?
  1. খনিজ
  2. ধাতু
  3. অধাতু
  4. উপধাতু
সঠিক উত্তর:
ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতু
ব্যাখ্যা
- চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে ধাতু বলে।

পদার্থ: 
-
সকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৯.
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ক) থমাস হান্ট মর্গান
  2. খ) থিওডোর সোয়ান
  3. গ) স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা

- লুই পাস্তুর মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন।
- থমাস হান্ট মর্গান বংশগতির সঞ্চারণে ক্রোমোজোমের ভূমিকা আবিষ্কার করেন।
- স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার প্রথম প্রিয়ন আবিষ্কার করেন।
- থিওডোর সোয়ান কোষ মতবাদ বর্ণনা করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১০,২৩০.
প্রতিসাম্যতার ভিত্তিতে 'অ্যামিবা' কী ধরনের প্রাণী?
  1. কেন্দ্রীয় প্রতিসাম্য
  2. অরীয় প্রতিসাম্য
  3. অপ্রতিসাম্য
  4. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য
সঠিক উত্তর:
অপ্রতিসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রতিসাম্য
ব্যাখ্যা

• অ্যামিবা একটি এককোষী প্রাণী যার কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই। ক্ষণপদের সাহায্যে এটি প্রতিনিয়ত আকার পরিবর্তন করে বলে একে কোনো অক্ষ বা তল বরাবর দুটি সমান অংশে ভাগ করা যায় না, তাই এটি অপ্রতিসাম্য প্রাণীর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

• অ্যানিমেল ডাইভারসিটি বা প্রাণি বৈচিত্র্য:
- প্রকৃতির বিভিন্ন অঞ্চলে সাফল্যমণ্ডিতভাবে বংশবিস্তার করে টিকে থাকার উদ্দেশ্যে প্রাণি প্রজাতিগুলোর বহিঃঅঙ্গসংস্থান ও অন্তঃঅঙ্গসংস্থান, আকার, আকৃতি, প্রকৃতি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে অভিযোজিত হওয়ার ফলে প্রাণীদের মধ্যে যে বৈচিত্র্যময়তার উদ্ভব ঘটে, তাকে প্রাণিবৈচিত্র্য বলে।

প্রতিসাম্য:
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে।
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. গোলীয় প্রতিসাম্য:
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus).
খ. অরীয় প্রতিসাম্য:
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে খ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus).
গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য:
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa).
ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য:
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica).
ঙ. অপ্রতিসাম্য:
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus).

 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,২৩১.
মেরুরেখার উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে কী বলে?
  1. সুমেরু
  2. নিরক্ষবৃত্ত
  3. কুমেরু
  4. কর্কটক্রান্তি
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
ব্যাখ্যা
অক্ষরেখা (Latitude):
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে।
- এই নিরক্ষরেখাকে ০০ ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা হয়।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,২৩২.
খাদ্য উৎপাদক জীবকে কী বলা হয়?
  1. ক) ইকোটোন
  2. খ) অটোট্রফ
  3. গ) হেটেরোট্রফ
  4. ঘ) ফটোট্রফ
সঠিক উত্তর:
খ) অটোট্রফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অটোট্রফ
ব্যাখ্যা
বাস্তুতন্ত্র (Ecology)
- বাস্তুতন্ত্র (Ecology) হলো জীব, পরিবেশ এবং জীবগুলি একে অপরের সাথে এবং তাদের পরিবেশের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করে সে সম্পর্কে অধ্যয়ন।
- বাস্তুতন্ত্রের জীবজ উপাদান ৩ ধরনের। যথা- উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক। 
- বিয়োজক হচ্ছে ব্যাক্টেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতি ক্ষুদ্র জীব বা অনুজীব।
- উৎপাদক হচ্ছে যারা নিজের খাদ্য নিজে উৎপাদন করে, যেমন- সবুজ উদ্ভিদ এবং খাদক খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- খাদ্য উৎপাদক জীবকে অটোট্রফ (Autotroph) বলা হয়।
- দুটি ভিন্ন বাস্তুতন্ত্র যে অঞ্চল বরাবর মিলিত হয়, সেই অঞ্চলকেই বলা হয় ইকোটোন।
- খাদ্য উৎপাদক স্বভোজী অর্থাৎ অটোট্রফ অথবা তৃণভোজী জীবকে যারা খাদ্যরূপে তাদেরকে পরভোজী জীব (Heterotroph) বলা হয়।

সূত্র:
১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. রসায়নবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
১০,২৩৩.
নিচের কোনটি উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়?
  1. পেপিলোমা
  2. বানচি টপ
  3. টোবাকো মোজাইক
  4. বুশিস্টান্ট
সঠিক উত্তর:
পেপিলোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেপিলোমা
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস এবং সৃষ্ট রোগের নাম:
• টোবাকো মোজাইক ভাইরাস - তামাকের মোজাইক রোগ।
• বীন মোজাইক ভাইরাস - সিমের মোজাইক রোগ।
• বুশিস্টান্ট ভাইরাস - টমেটোর বুশিস্টান্ট রোগ।
• টুংরো ভাইরাস - ধানের টুংরো রোগ।
• বানচি টপ ভাইরাস - কলার বানচি টপ রোগ।
• পট্যাটো মোজাইক ভাইরাস - গোলালুর মোজাইক রোগ।

- পেপিলোমা ভাইরাস প্রানীদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস।
-  পেপিলোমা ভাইরাসের কারণে মানুষের এনোজেনিটাল ক্যান্সার হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১০,২৩৪.
নিচের কোন পরীক্ষাটি TB রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়?
  1. MT test
  2. Xene-xpert test
  3. X - ray chest
  4. CRP
সঠিক উত্তর:
CRP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CRP
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা (টিবি) সংক্রমণ শনাক্ত করার জন্য বেশ কিছু পরীক্ষা করা যায়। কোন পরীক্ষাটি ব্যবহার করতে হবে তার পছন্দটি প্রায়শই ক্লিনিকাল পরিস্থিতি এবং উপলব্ধ সংস্থানগুলির উপর নির্ভর করে। এখানে টিবি সনাক্ত করতে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ পরীক্ষা তুলে ধরা হল:
- Tuberculin Skin Test (TST) or Mantoux Test.
- Interferon-Gamma Release Assays (IGRAs).
- Chest X-ray.
- Sputum Smear Microscopy.
- Xene-Xpert MTB/RIF Assay.
- Bronchoscopy and Bronchoalveolar Lavage (BAL).
- Molecular Tests (Nucleic Acid Amplification Tests).

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১০,২৩৫.
In which two places mirages are usually seen?
  1. Desert & pitch road
  2. Mountain & sea
  3. Mountain & Sky
  4. Sea and sky
সঠিক উত্তর:
Desert & pitch road
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Desert & pitch road
ব্যাখ্যা
• Mirage কী?
- Mirage হলো একটি প্রাকৃতিক অপটিক্যাল বিভ্রম (optical illusion) — যা তখন ঘটে যখন আলো বিভিন্ন তাপমাত্রার স্তরের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে এবং বেঁকে যায়।
- এর ফলে কোনো বস্তু বা পানির অস্তিত্ব ভুলভাবে আমাদের চোখে প্রতিফলিত হয়।

• Mirage কীভাবে ঘটে?
- Mirage ঘটার মূল কারণ হলো আলোর প্রতিসরণ (refraction) — অর্থাৎ, আলো যখন এক ধরনের মাধ্যম (density) থেকে অন্য ধরনের মাধ্যমে যায়, তখন তা বেঁকে যায়।

• গরম পরিবেশে, ভূমির কাছাকাছি বাতাস খুব গরম ও হালকা হয়, আর তার ওপরে থাকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ও ঘন বাতাস। এই দুটি স্তরের ঘনত্ব ভিন্ন হয়।

• সূর্যের আলো যখন উপরের ঠান্ডা স্তর থেকে নিচের গরম স্তরের দিকে নামে, তখন তা ক্রমশ নিচের দিকে বেঁকে যায় (bends downward)। কিন্তু আমাদের চোখ তা সোজা পথেই আসছে বলে ধরে, ফলে আমরা দেখি যেন সেই আলো নিচের মাটিতে প্রতিফলিত হয়েছে — ঠিক পানির মতো।

• Mirage কোথায় দেখা যায় বেশি?
১) মরুভূমি (Desert):
- মরুভূমিতে বালি প্রচণ্ড গরম হয়।
- এর ফলে বালির ওপরের বাতাস অনেক গরম থাকে এবং আলো নিচের দিকে বেঁকে যায়।
- দূরে মনে হয় যেন পানির এক টুকরো অংশ আছে, কিন্তু বাস্তবে কিছুই থাকে না।

২) পিচঢালা রাস্তায় (Pitch Road):
- গরম দিনে পিচ রাস্তাও অনেক তাপ ধরে রাখে।
- ঠিক মরুভূমির মতোই এখানেও নিচের বাতাস গরম হয়।
- রাস্তায় অনেক দূরে তাকালে দেখা যায় যেন পানি জমে আছে — এটি একটি Mirage।

সঠিক উত্তর:
ক) মরুভূমি ও পিচ রাস্তায় (Desert & Pitch Road).

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১০,২৩৬.
সূর্যের রশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানাের কৌশল জানতেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) থমাস ইয়ং
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আর্কিমিডিস
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
গ) আর্কিমিডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্কিমিডিস
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিস ধাতুর ভেজাল নির্ণয় করতে সক্ষম হন। তিনি লিভারের নীতি আবিষ্কার করেন। এ ছাড়া তিনি গােলীয় দর্পণের সাহায্যে সূর্যরশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানার কৌশল জানতেন। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১০,২৩৭.
ব্যাকটেরিওফাজ মূলত কী?
  1. ব্যাকটেরিয়ার একটি প্রজাতি
  2. ব্যাকটেরিয়া-ভক্ষক ভাইরাস
  3. ফাঙ্গাস
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া-ভক্ষক ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া-ভক্ষক ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিওফাজ হলো ব্যাকটেরিয়া-ভক্ষক ভাইরাস। 

• ব্যাকটেরিওফায:

- যে সমস্ত ভাইরাস ঠাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয় তাদেরকে ব্যাকটেরিওফায বলে।

- ফায (Phage) একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ হলো 'to eat' বা ভক্ষণ। প্রকৃত অর্থে ফায হলো ঐ সব ভাইরাস যারা জীবদেহে অবস্থিত রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়।
 - ফায- এর জেনেটিক বস্তু ব্যাকটেরিয়ার দেহে প্রবেশ করে এবং একসময় ব্যাকটেরিয়া কোষটি ধ্বংস হয়ে যায়।
- ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী দ্য হেরেলি ফেলিক্স ( d' Herelle Felix) এ ভাইরাসকে ব্যাকটেরিওফায বা ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস বা ফায নামে অভিহিত করেন।
- বিজ্ঞানী Twort ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস তথা T2 ভাইরাস আবিষ্কার করেন। 

• কার্যপদ্ধতি:
- ব্যাকটেরিয়ার দেহে আটকে যায়।
- DNA পোষক ব্যাকটেরিয়ার ভিতরে অনুপ্রবেশ করে।
-  ব্যাকটেরিয়ার কোষ ব্যবহার করে নিজের কপি তৈরি করে।
- শেষে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরকে বিগলিত (Lysis) করে বাইরে বেরিয়ে আসে।

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১০,২৩৮.
কোনটি পৌষ্টিক গ্রন্থি নয়?
  1. ক) লালা গ্রন্থি
  2. খ) যকৃৎ
  3. গ) অগ্ন্যাশয়
  4. ঘ) পিট্যুইটারী গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিট্যুইটারী গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিট্যুইটারী গ্রন্থি
ব্যাখ্যা
পরিপাকতন্ত্রের প্রধান কাজ খাদ্য পরিপাক, পরিপাককৃত খাদ্য শোষণের পর অপাচ্য অংশ সাময়িকভাবে জমা রাখা এবং দেহ থেকে নিষ্কাশন করা। এ তন্ত্রের লালাগ্রন্থি, যকৃত এবং অগ্ন্যাশয় নামে পৌষ্টিক গ্রন্থিসমূহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় রস নিঃসৃত করে পরিপাকে অংশ নেয়। পিট্যুইটারী, থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, সুপ্রারেনাল ইত্যাদি অন্তক্ষরা গ্রন্থি। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১০,২৩৯.
লাল আলোতে হলুদ রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) কালো
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়।

- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়।
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে।
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না।
- সুতরাং লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৪০.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. এক্সোমন্ডল
  4. আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস: 
- পৃথিবীর চতুর্দিকের গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়। এর বিস্তার উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- বায়ুমণ্ডল পাঁচটি স্তরে বিভক্ত।
এগুলো হলো:
১. ট্রপোমণ্ডল
২. স্ট্রাটোমণ্ডল
৩. মেসোমণ্ডল
৪. তাপমণ্ডল
৫. এক্সোমণ্ডল।

তাপমণ্ডল (Thermosphere):
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।
- এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত। এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল (Ionosphere) নামে পরিচিত।
- আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
- আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,২৪১.
ভিটামিন B12 কমপ্লেক্স এর অপর নাম কী?
  1. থায়ামিন
  2. রাইবোফ্ল্যাভিন
  3. ফলিক এসিড
  4. কোবালামিন
সঠিক উত্তর:
কোবালামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবালামিন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স
- থায়ামিন (B1) - দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়
- রাইবোফ্ল্যাভিন (B2) - এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
- নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) - অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। 
- পিরিডক্সিন (B6) - এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।।
- ফলিক এসিড (B9) - এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দিতে পারে।
- কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) - এর অভাবে রক্তশূন্যতা রোগ দেখা দেয়।

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১০,২৪২.
বাংলাদেশের কোন প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা রয়েছে?
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও সুন্দা প্লেট 
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট ও আফ্রিকান প্লেট 
  3. ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেট
  4. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট 
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেট
ব্যাখ্যা

টেকটোনিক প্লেট:
- বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে। 
- ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেটের মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত। 
- ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেট দু'টি (১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে) দীর্ঘদিন ধরে হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে আছে। 
- কিন্তু বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূ-তাত্ত্বিক চ্যুতি এলাকা বা ফল্ট জোন সচল অবস্থায় রয়েছে।

- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
যেমন- 
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate), 
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate), 
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate), 
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate), 
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate), 
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও 
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১০,২৪৩.
বস্তুর কোন ধর্মের কারণে স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকতে চায়? 
  1. জড়তা
  2. ক্ষমতা
  3. বল
  4. শক্তি
সঠিক উত্তর:
জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা
ব্যাখ্যা
জড়তা (Inertia): 
- জড়তা বস্তুর একটি ধর্ম, যে ধর্মের কারণে স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে গতিশীল থাকতে চায়। 
- জড়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। স্থিতি জড়তা (Inertia of rest): 
- স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতা বা ধর্মকে স্থিতি জড়তা বলে। 

২। গতি জড়তা (Inertia of motion): 
- সুষম গতিশীল বস্তু চিরকাল সুষম গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতা বা ধর্মকে গতি জড়তা বলে। 

নিউটনের প্রথম সূত্র: 
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থিরই থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে। 
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি বস্তুর জড়তা ও বলের গুণগত ধারণা দেয়। 

বল: 
- যা কোন স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা কোন গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে এর গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায়, তাকে বল বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৪৪.
কোন অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো সবচেয়ে দূরে দূরে অবস্থান করে?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) গ্যাসীয়
  4. ঘ) স্ফটিক অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
ব্যাখ্যা
যখন কোন পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে, তখন তার অণুগুলো মুক্ত অবস্থায় থাকে, ফলে অণুগুলোর একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

অপরদিকে,
- কঠিন অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো কাছাকাছি থাকে, কিন্তু একটি অনু অন্য অণুর সাপেক্ষে নড়তে পারে না।
- তরল অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো কাঁপে নিজ অবস্থানে থেকে, কিন্তু স্থান পরিবর্তন করতে পারে না।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
১০,২৪৫.
কোন প্রক্রিয়ায় বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়?
  1. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  2. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  3. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  4. উভমুখী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রত্যাবর্তী ও অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- কোনো সিস্টেম যখন এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যায় বা পরিবর্তিত হয়, তখন অবস্থার এ পরিবর্তন দু'ভাবে সংঘটিত হতে পারে। যথা:

১. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে।

• প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ:
১. আমরা জানি, বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।

২. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে খুব ধীরে ধীরে কোনো স্প্রিংকে সম্প্রসারণ করতে প্রতি ধাপে স্প্রিং এর উপর যে পরিমাণ কাজ করা হবে, সংকোচনের সময় স্প্রিংটিও সেই একই পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করবে।

৩. অল্প উপর থেকে একটি স্থিতিস্থাপক বলকে একটি স্থিতিস্থাপক ইস্পাত পাতের উপর ফেলা হলে বলটি যদি | প্রাথমিক উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠে আসে তবে বোঝা যাবে যে, শক্তির কোনো অপচয় হয়নি। সুতরাং প্রক্রিয়াটি প্রত্যাবর্তী।

২. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারে না অর্থাৎ সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয় না তাকে অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া বলে।
- প্রকৃতিতে যে সমস্ত পরিবর্তন বা রূপান্তর নিজ থেকেই ঘটে সেগুলোকে স্বতঃস্ফূর্ত পরিবর্তন বলে। যেমন- তাপ সবসময়ই উচ্চতর তাপমাত্রা থেকে নিম্নতর তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হবে, বস্তু সবসময়ই উঁচু থেকে নিচুতে পড়তে থাকে।

• অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ:
১. দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না।

২. তাপমাত্রার পার্থক্য আছে এমন দুটি বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে রাখলে তাপ সবসময়ই অধিক তাপমাত্রার বস্তু হতে কম তাপমাত্রার বস্তুতে প্রবাহিত হবে। কিন্তু কখনোই কম তাপমাত্রার বস্ত্র হতে অধিক তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হবে না। সুতরাং এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

৩. বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৪৬.
শব্দোত্তর তরঙ্গের সাহায্যে জামা-কাপড় কীভাবে পরিষ্কার করা হয়?
  1. শব্দ শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  2. শব্দ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  3. শব্দ শক্তিকে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  4. শব্দ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- কয়লা পোড়ালে রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সাধারণত বিদ্যুৎকোষে রাসায়নিক দ্রব্যের বিক্রিয়ার ফলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- এছাড়া কয়লা, পেট্রোল, কেরোসিন, গ্যাস ইত্যাদি পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে তাপ ও আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 

পারমাণবিক শক্তির রূপান্তর: 
- পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পারমাণবিক শক্তিকে প্রাথমিকভাবে তাপশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 
- তাপশক্তিকে ব্যবহার করে টারবাইন ঘুরিয়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে যান্ত্রিক শক্তিকে জেনেরেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 

তাপ শক্তির রূপান্তর: 

- বাষ্পীয় ইঞ্জিনে তাপের সাহায্যে উৎপন্ন তাপশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে রেলগাড়ি চালানো হয়। 

আলোক শক্তির রূপান্তর: 
- ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোর ক্রিয়ার ফলে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সূর্যের আলোকে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তিতে পরিণত করা হয়। 
- এছাড়া বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন- পকেট ক্যালকুলেটর, রেডিয়ো ও ইলেকট্রনিক ঘড়িতে সৌর শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করা হয়। 

শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- শব্দোত্তর তরঙ্গ দ্বারা উৎপন্ন শব্দশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জামা কাপড়ের ময়লা পরিষ্কার করে। 
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত করে। 

চৌম্বক শক্তির রূপান্তর: 
- লোহাকে দ্রুত ও বারবার চুম্বক এবং বিচুম্বকরনকালে তাপ উৎপন্ন হয়। এতে চৌম্বক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- তাছাড়া তড়িৎ চুম্বকের সাহায্যে ভারী জিনিসপত্র উঠানো যায়। এতে চৌম্বকশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

বিদ্যুৎশক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে বিদ্যুৎ চালনা করলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বৈদ্যুতিক পাখার মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে পাখা ঘুরতে থাকে। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্ব বা LED লাইট জ্বললে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১০,২৪৭.
২ নিউটন বল কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর প্রয়োগ করায় বস্তুটি  ৫ মিটার দূরে সরে গেলো। সম্পন্ন কাজের পরিমাণ কত?
  1. ২০ জুল
  2. ২০ ওয়াট
  3. ১০ জুল
  4. ১০ ওয়াট
সঠিক উত্তর:
১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ নিউটন বল কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর প্রয়োগ করায় বস্তুটি  ৫ মিটার দূরে সরে গেলো। সম্পন্ন কাজের পরিমাণ কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বল = 2 নিউটন
সরণ = 5 মিটার

আমরা জানি,
কাজ = বল × সরণ
= ২ × ৫
= ১০ জুল
অর্থাৎ, সম্পন্ন কাজের পরিমাণ ১০ জুল।
১০,২৪৮.
ইকোলজিক্যাল পিরামিডের সর্বনিম্ন স্তরে থাকে-
  1. প্রাইমারি খাদক
  2. টারশিয়ারি খাদক
  3. উৎপাদক
  4. সর্বোচ্চ খাদক
সঠিক উত্তর:
উৎপাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদক
ব্যাখ্যা
ইকোলজিক্যাল পিরামিড : বিভিন্ন ইকোসিস্টেমের খাদ্য শৃঙ্খলের বিন্যাস সম্পর্কিত পিরামিড আকৃতির নকশাকে ইকোলজিক্যাল পিরামিড বলে।
সাধারণত একটি ইকোসিস্টেমে উৎপাদকের তুলনায় প্রাথমিক খাদকের সংখ্যা কম থাকে। আবার প্রাথমিক খাদকের তুলনায় সেকেন্ডারি খাদকের সংখ্যা কম থাকে। সেকেন্ডারি খাদকের তুলনায় টারসিয়ারি খাদকের সংখ্যা আরও কম থাকে।
খাদ্য স্তরগুলোর মধ্যকার এরূপ সম্পর্ক নিয়ে নকশা আঁকলে একটি পিরামিডের ন্যায় চিত্র পাওয়া যাবে।



সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৪৯.
কোন ধাতুর গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম?
  1. ক) দস্তা
  2. খ) সীসা
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) পারদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পারদ
ব্যাখ্যা

যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে, তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
প্রদত্ত পদার্থ গুলোর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম; যার মান -৩৮.৮৩°C।
ফলে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল পদার্থ।
অন্য দিকে,
দস্তার গলনাঙ্ক ৪১৮°C
সীসার গলনাঙ্ক ৩২৭°C
এবং লোহার গলনাঙ্ক ১৫৩৫°C।

১০,২৫০.
দীপন তীব্রতার একক কোনটি?
  1. নিউটন
  2. মোল
  3. ক্যান্ডেলা
  4. অ্যাম্পিয়ার 
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
পরিমাপের একক: 
- পরিমাপ বলতে বুঝায় কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা। 
- যে কোন ভৌত রাশির পরিমাপের জন্য তার একটি নিদিষ্ট পরিমাণকে আদর্শ হিসেবে ধরা হয় এবং এই পরিমাণের সাপেক্ষে সমগ্র ভৌত রাশিটির পরিমাপ করা হয়। 
- বিভিন্ন ভৌত রাশি (যেমন- ক্ষেত্রফল, আয়তন, ওজন, সময়, বল, তাপ, শক্তি) ইত্যাদি পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন একক রয়েছে এবং পরিমাপের বিভিন্ন পদ্ধতিতে এদের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে। 
- এ এককগুলো আবার পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। 
সুতরাং, যে আদর্শ পরিমাপের সাথে তুলনা করে ভৌত রাশিকে পরিমাপ করা হয় তাকে পরিমাপের একক বলা হয়। 
যেমন- মিটার, কিলোগ্রাম, সেকেন্ড, নিউটন, জুল ইত্যাদি পরিমাপের এককের উদাহরণ। 

এস.আই. (SI) এর মৌলিক একক সমূহ: 
- যেহেতু মৌলিক রাশির একক সমূহ অন্য কোনো এককের উপর নির্ভর করে না, তাই মৌলিক একক ইচ্ছামত নির্বাচন করা যায়। 
- তবে নির্বাচিত এককগুলোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থাকতে হবে এবং এই এককগুলোর কিছু বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। 
- এটি হবে অপরিবর্তনীয় অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্র ভেদে কোন কিছুর উপর নির্ভর করবে না। কালের বিবর্তনে বা অন্য কোন প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলে এর কোন পরিবর্তন হবে না। 
- 1960 সালে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালুর সময় মৌলিক এককগুলোর যে আদর্শ বা স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণ করা হয়েছিল পরবর্তীকালে উপযুক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের লক্ষ্যে এদের মধ্যে অনেক এককের আদর্শ বদল করা হয়েছে কিন্তু তাতে এককগুলোর মানের কোনরূপ পরিবর্তন হয়নি। 
যেমন- 1900 সালে ট্রপিক্যাল বৎসরের উপর ভিত্তি করে সময়ের একক সেকেন্ড এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সিজিয়াম পরমাণুর পারমাণবিক পরিবৃত্তির উপর ভিত্তি করে সেকেন্ডের সংজ্ঞা প্রণয়ন করা হয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে মৌলিক এককগুলোর জন্য সর্বশেষ গৃহীত আদর্শ নিম্নে বর্ণনা করা হল- 
১। দৈর্ঘ্যের একক: মিটার 
- বায়ুশূন্য স্থানে আলো 1/299,792,458 সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সে দূরত্ব কে 1 মিটার (m) বলা হয়। 

২।  ভরের একক: কিলোগ্রাম 
- ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস্ এ সংরক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে 1 কিলোগ্রাম (kg) বলে। 
- এই সিলিন্ডারটির উচ্চতা ও ব্যাস উভয়েই 3.9 cm  । 

৩। সময়ের একক: সেকেন্ড 
- একটি সিজিয়াম পরমানুর (133Cs) 9,192,631,770 টি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময়ের প্রয়োজন হয় তাকে 1 সেকেন্ড (s) বলে। 

৪। তাপমাত্রার একক: কেলভিন 
- 1 পানির ত্রৈধ বিন্দুর (triple point) তাপমাত্রার 1/273.16 ভাগকে 1 কেলভিন (K) বলে। 

৫। তড়িৎ প্রবাহের একক: অ্যাম্পিয়ার 
- শূন্য মাধ্যমে 1m দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেক্ষনীয় প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরল পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ তড়িৎপ্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে 2×10-7 N নিউটন বল উৎপন্ন হয় তাকে 1 ampere বলে। 

৬। দীপন তীব্রতার একক: ক্যান্ডেলা 
- ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে 540×1012 হার্জ কম্পাঙ্কের এক 1 বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরোডিয়ান ঘনকোণে 1/863 ওয়াট। 

৭। পদার্থের পরিমাণের একক: মোল 
- যে পরিমাণ পদার্থে 0.012 কিলোগ্রাম কার্বন-১২ এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ) থাকে তাকে 1 মোল বলে। 



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৫১.
পৃথিবীর উপরিভাগের যে বড় বড় টুকরোগুলো ভাসমান অবস্থায় আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. টেকটনিক প্লেট
  2. জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা
  3. ম্যান্টল
  4. ম্যাগমা
সঠিক উত্তর:
টেকটনিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটনিক প্লেট
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর উপরিভাগের বড় বড় টুকরোগুলো ভাসমান অবস্থায় আছে এবং এগুলোকে টেকটনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ারের অংশ এবং এগুলো ক্রমাগত নড়াচড়া করে, যা ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং পর্বত গঠনের মতো ভূতাত্ত্বিক ঘটনাগুলোর কারণ হয়ে থাকে।

টেকটনিক প্লেট: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত এগুলোকে প্লেট বলা হয়।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে।
- প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর ভাগ সৃষ্টি হয়।
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত ভরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত ।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে একেই ভুমিকম্প বলে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা: জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা বলতে পৃথিবীর ভূত্বকের স্তরগুলোকে বোঝায়, যা বিভিন্ন প্রকার শিলা এবং মাটির স্তর দ্বারা গঠিত। এই স্তরগুলো সময়ের সাথে সাথে জমা হয়ে তৈরি হয় এবং ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের তথ্য ধারণ করে।

গ) ম্যান্টল: ম্যান্টল হলো পৃথিবীর ভূত্বক এবং কোরের মধ্যবর্তী স্তর। এটি একটি অর্ধ-কঠিন স্তর, যা প্রধানত সিলিকেট খনিজ দ্বারা গঠিত। ম্যান্টল টেকটনিক প্লেটের নিচে অবস্থান করে এবং এর গতিশীলতা প্লেটগুলোর নড়াচড়ার জন্য দায়ী।

ঘ) ম্যাগমা: ম্যাগমা হলো গলিত শিলা, যা পৃথিবীর ভূত্বক এবং ম্যান্টলে পাওয়া যায়। এটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভা হিসেবে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা টেকটনিক প্লেট গঠন করে না, বরং এটি প্লেটগুলোর নড়াচড়া এবং ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

১০,২৫২.
সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস-
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. র‍্যাডন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোজেন হচ্ছে সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
- হাইড্রোজেন গ্যাস একটি গ্রিন এনার্জি, যাকে দাহ্য করা হলে শুধুমাত্র পানি উৎপন্ন করে, তাই এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাস দাহ্য কিন্তু দহনে সাহায্য করে না।

• হাইড্রোজেন গ্যাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন, বর্ণহীন, স্বাদহীন, গন্ধহীন।
২. জলে প্রায় অদ্রাব্য গ্যাস।
৩. হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌল।
৪. বাতাস হাইড্রোজেন এর চেয়ে ১৪.৪ গুণ ভারী।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,২৫৩.
মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য কোন ভ্যাকসিন দেওয়া হয়?
  1. Bacillus Calmette Guerin
  2. Tetanus toxoid
  3. Measles vaccine
  4. Zero dose
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
ব্যাখ্যা
• মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 

• ভ্যাকসিনেশন:

- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৫৪.
কোনটি ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) ফোটন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফোটন
ব্যাখ্যা

- আলোক শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
- ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা।
- এটি কণা ও তরঙ্গ উভয়ই ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।

১০,২৫৫.
ফানজাই (Fungi)-এর কোষপ্রাচীর প্রধানত কোন পদার্থ দিয়ে গঠিত?
  1. প্রোটিন
  2. সেলুলোজ
  3. কাইটিন
  4. লিপিড
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
ব্যাখ্যা

- ফানজাই (Fungi) বা ছত্রাকের কোষপ্রাচীর প্রধানত কাইটিন নামক একটি শক্ত পলিস্যাকারাইড দিয়ে গঠিত। কিছু ক্ষেত্রে গ্লুকান এবং গ্লাইকোপ্রোটিনও থাকতে পারে। এই কাইটিন উপাদানটি ছত্রাকের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীকোষ থেকে এদের আলাদা করে। 

ফানজাই (Fungi): 

- ফানজাই এর বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
- এরা অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী।  
- এদের দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম (সরু সুতার মতো অংশ) দিয়ে গঠিত। 
- এইগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত। 
- এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত। 
- এদের খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। 
- এদের ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। 
- এরা হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে। 
উদাহরণ: ইস্ট, Penicillium, মাশরুম ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,২৫৬.
পোলিও রোগের প্রতিষেধক টিকা কী দিয়ে তৈরি হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. সায়ানো ব্যাকটেরিয়া
  3. ভাইরাস
  4. ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা

পোলিও: 
- পোলিও একটি ভাইরাসজনিত রোগ। 
- পোলিও ভাইরাসে RNA থাকে। 
- এ রোগের নাম পোলিওমাইলিটিস। 
- পোলিও রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
- এছাড়াও, বসন্ত, জন্ডিস ও জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকাও ভাইরাস দিয়ে তৈরি করা হয়। 

তথ্যসূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,২৫৭.
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়-
  1. পটকা মাছ
  2. হাঙ্গর
  3. ডলফিন
  4. জেলী ফিস
সঠিক উত্তর:
ডলফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলফিন
ব্যাখ্যা
- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। 
- কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য ডলফিন বা শুশুক মাছ মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে। 
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই। 

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do. 
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads. 
 - This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water. 
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs. 

উৎস: uk.whales.org
১০,২৫৮.
মানবদেহের অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এক্স রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণে এক্স রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়।
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয় ।
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায় ।
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায় ।
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।

এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

সূত্র: ৩৪১ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৫৯.
মানবদেহে শতকরা কত ভাগ খনিজ লবণ থাকে?
  1. ক) ১৫%
  2. খ) ১%
  3. গ) ২%
  4. ঘ) ৪%
সঠিক উত্তর:
খ) ১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১%
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২১ অনুসারে উত্তর ধরা হলো -
বিতর্ক থাকতে পারে। তাই, পরবর্তীতে অ্যাপ আপডেটের পরে তথ্যকল্পদ্রুম সিরিজে/ফিচারে আলোচনা করা হবে।

 

১০,২৬০.
মারকারির সংকেত কী?
  1. ক) Au
  2. খ) Pb
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Hg
সঠিক উত্তর:
ঘ) Hg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Hg
ব্যাখ্যা
Au হলো গোল্ডের প্রতীক, Pb হলো লেড, Fe হলো আয়রন এবং Hg হলো মারকারির প্রতীক৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১০,২৬১.
গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় কত ঘণ্টা আগে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ৫ ঘণ্টা
  3. ৪ ঘণ্টা
  4. ৩ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।  
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৬২.
জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে কী বলে?
  1. ক) অ্যালিল
  2. খ) জিনোটাইপ
  3. গ) ফিনোটাইপ
  4. ঘ) লোকাস
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনোটাইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনোটাইপ
ব্যাখ্যা
লোকাস- ক্রোমোসোমে একটি জিনের অবস্থানকে লোকাস বলে।

অ্যালিল, অ্যালিলোমর্ফ : ক্রোমোসোমের একই লোকাসে অবস্থানকারী জিনগুলোকে পরস্পরের অ্যালিল বলা হয়। জিনগুলোর একত্রে অবস্থান করাকে অ্যালিলোমর্ফ বলে। মনে করি, মানুষে বাদামী চোখের রং এর জন্য দায়ী জিন B ও নীল চোখের রং এর জন্য দায়ী জিন b পরস্পরের অ্যালিল।

জিনোটাইপ : জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জিনোটাইপ বলে।
মনেকরি, মটরশুঁটি গাছের লম্বা কান্ডের জন্য T জিন এবং বামন কান্ডের জন্য t জিন দায়ী।
অতএব TT, tt, Tt যথাক্রমে বিশুদ্ধ লম্বা, বিশুদ্ধ বামন ও সঙ্কর লম্বা মটরশুঁটি গাছের জিনোটাইপ।

ফিনোটাইপ - জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে। ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬৩.
সেরিকালচার কী?
  1. ক) মৌমাছি পালনকে
  2. খ) রেশমপোকা পালনকে
  3. গ) মৎস্যচাষ পালনকে
  4. ঘ) সমন্বিত হাঁস-মুরগি পালনকে
সঠিক উত্তর:
খ) রেশমপোকা পালনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেশমপোকা পালনকে
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভিত্তিতে রেশমপোকার পালনকে সেরিকালচার বলে। 

রেশমপোকা (Silkworm)  বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান প্রাকৃতিক রেশম উৎপাদন করে, Lepidoptera বর্গের এমন কতক লার্ভার সাধারণ নাম। এরা হতে পারে Bombycidae গোত্রের তুঁতগাছের রেশমপোকা (Mulberry silkworm, Bombyx mori) ও অন্য গাছের রেশমপোকা, যেমন Saturniidae গোত্রের এরি রেশমপোকা (Eri silkworm, Samia cynthia ricini), মুগা রেশমপোকা (Muga silkworm, Antheraea assama), তসর রেশমপোকা (Tasar silkworm, A. mylitta ও A. paphia) ইত্যাদি। 

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে B. mori চাষ হয়। বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লোকে তুঁতগাছের রেশমপোকা multivoltine জাতগুলি প্রায় এককভাবে চাষ করে। অবশ্য পরীক্ষামূলকভাবে কিছু bivoltine জাতের রেশমপোকার চাষও হচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ ও ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড রেডিয়েশন বায়োলজি সাভার, ঢাকা পরীক্ষামূলকভাবে S. c. ricini নামক রেশমপোকা প্রতিপালন করছে। বর্তমানে দেশের রেশমচাষিদের কাছে এরি রেশমপোকা চাষের বাণিজ্যিক গুরুত্ব নেই।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১০,২৬৪.
প্রোটিন জাতীয় খাদ্যে নিচের কোন উপাদানটি অনুপস্থিত?
  1. কার্বন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: আমিষ, শর্করা ও স্নেহ। 

আমিষ: 
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রন থাকে। 
- শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। যথা- 

১। প্রাণিজ আমিষ: 
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃত ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। 
- এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। 

২। উদ্ভিজ্জ আমিষ: 
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
- অনেক সময় দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৬৫.
চাঁদ ও সূর্য যখন একই সরলরেখায় থাকে, তখন- 
  1. ভাটা সৃষ্টি হয়
  2. জোয়ার দুর্বল হয়
  3. জোয়ার হয় না
  4. জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়
সঠিক উত্তর:
জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়
ব্যাখ্যা
জোয়ার ও ভাটা: 
- সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 

জোয়ার-ভাটার কারণ: 
- প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। 
যেমন- 
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: 
- মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না। চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়। 

(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি: 
- পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৬৬.
কোন গ্যাসের ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অ্যামোনিয়া
  3. অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:
- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- যেমন: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ।
- কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার কম।
- যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম, তার ব্যাপন হার তত বেশি৷

এখানে,
- হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসের আণবিক ভর ২,
- অ্যামোনিয়া (NH3) গ্যাসের আণবিক ভর ১৭,
- অক্সিজেন (O2) এর আণবিক ভর ৩২,
- নাইট্রোজেন (N2) এর আণবিক ভর ২৮।

- এখানে, হাইড্রোজেন এর আণবিক ভর সবচেয়ে কম, তার ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি৷ 
- কাজেই হাইড্রোজেন (H2) এর ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি। 
১০,২৬৭.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
ব্যাখ্যা
সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৬৮.
অপরিশোধিত তেল থেকে কেরোসিন, ডিজেল ও পেট্রোল পৃথক করা হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. তাপীয় বিক্রিয়া
  2. আংশিক পাতন
  3. পরিস্রবণ
  4. ক্রিস্টালাইজেশন
সঠিক উত্তর:
আংশিক পাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংশিক পাতন
ব্যাখ্যা
পেট্রোলিয়াম: 
- পেট্রোলিয়াম সাধারণত 5000 ফুট বা তার চেয়েও গভীরে শিলা স্তরের মধ্যে পাওয়া যায়। 
- পেট্রোলিয়ামের সাথে অনেক সময় প্রাকৃতিক গ্যাস থাকে, যা পেট্রোলিয়ামের উপরিভাগে চাপ প্রয়োগ করে। 
- কূপ খনন করা হলে এই প্রাকৃতিক গ্যাস পেট্রোলিয়ামকে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে উঠে আসতে সাহায্য করে। 
- যে পেট্রোলিয়াম খনি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় তাকে অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) বা পেট্রোলিয়াম বলে। 
- এই অপরিশোধিত তেল অস্বচ্ছ, এতে কখনো কখনো সালফারের কিছু কিছু যৌগ থাকার কারণে দুর্গন্ধযুক্ত হয়। 
- পেট্রোলিয়াম বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ, এদের স্ফুটনাঙ্কও বিভিন্ন। 
- এই পেট্রোলিয়াম মূলত বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ এবং সরাসরি ব্যবহার উপযোগী নয়। এই অপরিশোধিত তেল আংশিক পাতন পদ্ধতিতে স্ফুটনাঙ্কের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়। 
- অপরিশোধিত তেল ব্যবহারের উপযুক্ত নয়, কিন্তু একে যদি আংশিক পাতনের সাহায্যে পৃথক করা হয় তবে এ অপরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল, গ্যাস, পেট্রোলিয়াম, ন্যাপথা, কেরোসিন, ডিজেল, প্যারাফিন মোম এবং পিচ প্রভৃতি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়, যা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৬৯.
অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রবের ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি।
  2. দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
  3. দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে।
  4. পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর:
দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
ব্যাখ্যা
অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 

- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
- যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3 ) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৭০.
নিয়ত বায়ু নিচের কোন শর্ত মেনে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে
  2. সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে
  3. উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
  4. নিম্নচাপ থেকে উচ্চচাপ অঞ্চলের দিকে
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
ব্যাখ্যা

- বায়ুর ধর্মই হলো উচ্চচাপ এলাকা থেকে নিম্নচাপ এলাকার দিকে প্রবাহিত হওয়া। নিয়ত বায়ু পৃথিবীর স্থায়ী উচ্চচাপ বলয়গুলো থেকে স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়গুলোর দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়। বায়ুচাপের এই পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ। 

বায়ুপ্রবাহ: 

- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৭১.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে স্ট্রাটোমণ্ডলের অবস্থান?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো রকম জলীয়বাষ্প থাকে না।
ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
ঝড়-বৃষ্টি থাকেনা বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
১০,২৭২.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে গাড়ীর গতি পরিমাপ করা হয়?
  1. ওডোমিটার
  2. স্পিডোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রনোমিটার
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা
ওডোমিটার: 
- এটি গাড়ী যতক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার মোট দৈর্ঘ্য পরিমাপ করে। 
অর্থাৎ, এটি গাড়ীর মোট চলাচল পরিমাপ করে। 

স্পিডোমিটার: 
- এটি গাড়ীর তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে। 
যেমন- কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বা মাইল প্রতি ঘণ্টা। 

তাহলে, 
- যদি প্রশ্ন করা হয়, "গাড়ীর গতি পরিমাপ করা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে"? তাহলে উত্তর হবে "স্পিডোমিটার"। 
কারণ, এটি তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে। 
- আবার যদি প্রশ্ন করা হয়, "গাড়ী মোট কতক্ষণ চলেছে তা পরিমাপ করা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে"? তাহলে উত্তর হবে "ওডোমিটার"। 

উল্লেখ্য যে,
- স্পিডোমিটার দ্বারা একটি গাড়ির তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে কিন্তু ওডোমিটার দ্বারা যতক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার মোট দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব পরিমাপ করা হয়। এই দূরত্বকে সময় দ্বারা ভাগ করে গতি নির্ণয় করা যায়।

তাই, অপশনে স্পিডোমিটার ও ওডোমিটার দুইটাই থাকলে সঠিক উত্তর হবে স্পিডোমিটার। আর অপশনে স্পিডোমিটার না থাকলে ওডোমিটার উত্তর করা যেতে পারে।

----------------------------
অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র হলো ক্রনোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র হলো ট্যাকোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
স্পিডোমিটার সম্পর্কিত লিঙ্ক.
ওডোমিটার সম্পর্কিত লিঙ্ক.
১০,২৭৩.
এক্স-রশ্মি কোন পথে চলে?
  1. বক্র পথে
  2. সরল পথে
  3. জটিল পথে
  4. আবর্তিত পথে
সঠিক উত্তর:
সরল পথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল পথে
ব্যাখ্যা

- এক্স-রশ্মি (X-ray) হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তি সম্পন্ন তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ। দৃশ্যমান আলোর মতোই এক্স-রশ্মিও একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সর্বদা সরল পথে চলাচল করে, এটি বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না। 

এক্স-রশ্মির ধর্ম: 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
- এক্স-রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।  
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৭৪.
যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম কোনটি?
  1. Salmonella typhosa
  2. Vibrio cholerae
  3. Mycobacterium tuberculosis
  4. Clostridium tetani
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা

• রোগ: যক্ষ্মা, ব্যাকটেরিয়ার নাম: Mycobacterium tuberculosis.

• রোগ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার তালিকা:

- যক্ষ্মা:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Mycobacterium tuberculosis.

- নিউমোনিয়া:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Diplococcus pneumoniae.

- টাইফয়েড:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Salmonella typhosa.

- কলেরা:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Vibrio cholerae.

- ডিপথেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Corynebacterium diphtheriae.

- আমাশয়: 
ব্যাকটেরিয়ার নাম: Bacillus dysenteriae.

- ধনুষ্টঙ্কার:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Clostridium tetani.

- হুপিং কাশি:
ব্যাকটেরিয়ার নাম: Bordetella pertussis.

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৭৫.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান কোনটি?
  1. প্যারেনকাইমা টিস্যু
  2. পাতার মেসোফিল টিস্যু
  3. পাতার কোলেনকাইমা টিস্যু
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাতার মেসোফিল টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতার মেসোফিল টিস্যু
ব্যাখ্যা
• পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।

• সালোকসংশ্লেষণ:

- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়।
- তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,২৭৬.
Earthquakes are caused by -
  1. Tectonics plate movement
  2. Denudation
  3. Earth revolution
  4. Earth's rotation
সঠিক উত্তর:
Tectonics plate movement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tectonics plate movement
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, এগুলোকে বলা হয় পাত সঞ্চালন বা প্লেট টেকোনিক। 
- ভূঅভ্যন্তরে পাত সঞ্চালন বা প্লেট টেকোনিকের আকম্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে। 
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে। 
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে। 
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরতৃ বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়। 
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে। 
- যে যন্ত্রের সাহাযে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ। 
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৭৭.
ক্লোরোফরম ব্যবহৃত হয় - 
  1. জীবাণুনাশক হিসেবে
  2. ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায়
  3. চেতনানাশক হিসেবে
  4. অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে
সঠিক উত্তর:
চেতনানাশক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেতনানাশক হিসেবে
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোফরম ব্যবহৃত হয় চেতনানাশক হিসেবে। 

ক্লোরোফরম: 
- ইথানল, ব্লিচিং পাউডার ও পানির মিশ্রণকে পাতন করলে ক্লোরোফরম পাতিত তরল রূপে সংগৃহীত হয়। 
- ব্লিচিং পাউডার ও পানি থেকে উৎপন্ন ক্লোরিন দ্বারা ইথানল প্রথমে জারিত হয়ে আ্যাসিটালডিহাইড বা ইথান্যাল উৎপন্ন করে এবং পরে ক্লোরিনেশন দ্বারা ক্লোরাল এবং শেষে ক্ষারীয় বিশ্লেষণের ফলে ক্লোরোফরম উৎপন্ন হয়। 
- চেতনানাশক হিসেবে ক্লোরোফরম ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৭৮.
সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কোনটি?
  1. ক) লিথিয়াম
  2. খ) পটাশিয়াম
  3. গ) প্লাটিনাম
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৭৯.
টেকটনিক প্লেট ও সাব প্লেটের মধ্যবর্তী স্থানকে কি বলে?
  1. ক) রেড লাইন
  2. খ) ফল্ট লাইন
  3. গ) রিস্ক লাইন
  4. ঘ) ইয়েলো লাইন
সঠিক উত্তর:
খ) ফল্ট লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফল্ট লাইন
ব্যাখ্যা

ভূবিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী প্লেট ও সাব-প্লেট দিয়ে গঠিত। এ রকম দু'টি প্লেটের মাঝখানে যে ফাঁক থাকে তাকে বলা হয় ফল্ট লাইন।
প্লেটগুলাে গতিশীল। দু'টি চলন্ত প্লেটের ফল্ট লাইনে পরস্পর সংঘর্ষ হলে অথবা হঠাৎ ফল্ট লাইনে শূন্য অবস্থার সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়।
বাংলাদেশ অবস্থান করছে ভারতীয়, ইউরেশীয় ও মিয়ানমারের টেকটনিক প্লেটের মধ্যে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম

১০,২৮০.
দাঁতের কেভিটি চিকিৎসায় কোন ধরণের রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) এক্স রশ্মি
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা

রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।

তীব্র গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন প্রবাহ তথা ক্যাথোড রশ্মি যখন উচ্চ গলনাংক বিশিষ্ট কোন কঠিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে, তখন ওই কঠিন বস্তু থেকে উচ্চভেদন শক্তি সম্পন্ন এবং আলোক রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট হচ্ছে অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, তাকে এক্স রশ্মি বলে বা এক্স-রে বলে।
চিকিৎসায় এক্স-রে ব্যবহার:
১. স্থানচ্যুত হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় খুব সহজেই শনাক্ত করা যায়।
২. দাঁতের কেভিটি এবং অন্যান্য ক্ষয় বের করবার জন্য এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
৪. কিডনি ও পিত্তথলিতে পাথরের অস্তিত্ব ব্যবহার করা যায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

১০,২৮১.
নিম্নের কোনটি ভাসমান উদ্ভিদ নয়?
  1. টোপাপানা
  2. খুদিপানা
  3. পাতাশেওলা
  4. কচুরিপানা
সঠিক উত্তর:
পাতাশেওলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতাশেওলা
ব্যাখ্যা
জলজ উদ্ভিদ:
- পুকুরে বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।
যথা-
ক) শেওলা:
- অগভীর পুকুরের তলদেশে বা পুকুর পাড়ে বিভিন্ন ধরনের শেওলা জন্মে।
- যেমন- স্পাইরোগাইরা।

খ ) ভাসমান উদ্ভিদ:
- এ সকল উদ্ভিদ পানিতে ভেসে থাকে।
- এদের মূল মাটিতে আটকানো থাকে না।
- যেমন- কচুরিপানা, টোপাপানা, খুদিপানা ইত্যাদি।

গ) নির্গমশীল উদ্ভিদ:
- এ সব উদ্ভিদের শিকড় পানির নিচে মাটিতে থাকে কিন্তু পাতা ও কাণ্ডের উপরের অংশ বা শুধু পাতা পানির উপর দাঁড়িয়ে থাকে বা ভেসে থাকে।
- যেমন- শাপলা, পানিফল, শুসনি শাক, আড়াইল।

ঘ) নিমজ্জিত বা ডুবন্ত উদ্ভিদ:
- এ ধরনের জলজ উদ্ভিদ পানির তলদেশে থাকে।
- এদের শিকড় মাটিতে থাকে।
- এদের পাতা ও ডাল কখনো পানির উপরে আসে না।
- যেমন- কাঁটাঝাঁঝি, পাতাঝাঁঝি, পাতাশেওলা, নাজাস।

ঙ) লতানো উদ্ভিদ:
- এদের শিকড় পুকুরের পাড়ে আটকানো থাকে এবং কাণ্ড, পাতা পানিতে ছড়িয়ে থাকে।
- যেমন- হেলেঞ্চা, কলমিলতা, মালঞ্চ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৮২.
মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপের একক কোনটি?
  1. অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল
  2. পারসেক
  3. ট্রিলিয়ান কিলোমিটার
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পারসেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারসেক
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক দূরত্ব:
- pc বা পারসেক হল মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপের একক।
- সূর্য বা পৃথিবীর মধ্যকার গড় দূরত্বকে এক অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট (AU) বলে।
- 1 AU = 1.495x108 km.
- 1 AU দৈর্ঘ্যের কোনো চাপ যে দূরত্বে ঠিক এক সেকেন্ডে কোণ উৎপন্ন করে সেই দূরত্বকে 1 pc বা এক পারসেক বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৮৩.
মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. IMAP
  4. POP3
সঠিক উত্তর:
POP3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP3
ব্যাখ্যা

• POP (Post Office Protocol) সরাসরি মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তা ডাউনলোড করে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে সংরক্ষণ করে।
- POP3 সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল। 
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১০,২৮৪.
প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করা কোনটির প্রধান কাজ?
  1. ক) কোষ প্রাচীর
  2. খ) রাইবোসোম
  3. গ) গলগি বস্তু
  4. ঘ) লাইসোসোম
সঠিক উত্তর:
খ) রাইবোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাইবোসোম
ব্যাখ্যা
রাইবোসোম:
- এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম এর উভয় দিকে অথবা নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর গায়ে, মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের অভ্যন্তরে অথবা সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে অবস্থিত গোলাকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানার মত অঙ্গাণুকে রাইবোসোম বলে।
- সাইটোপ্লাজমে একাধিক রাইবোসোম মুক্তার মালার মত অবস্থান করলে তাকে পলিরাইবোসোম বলে।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রবিনসন ও ব্রাউন উদ্ভিদ কোষে এদের আবিষ্কার করেন।
- পরে ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে জি. ই. প্যালাডে প্রাণী কোষে এদের দেখতে পান।
- প্রোক্যারিয়োটিক কোষে রাইবোসোম আদি ক্রোমোসোম (অর্থাৎ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) থেকে উৎপন্ন হয় কিন্তু ইউক্যারিয়োটিক কোষে নিউক্লিয়োলাসে উৎপন্ন হয়।
- রাইবোসোম এর প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করা
- এছাড়া, স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচিএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৮৫.
নিম্নের কোনটি লবণাক্ত পানির উৎস? 
  1. নদী
  2. উপসাগর
  3. হ্রদ
  4. ভূগর্ভস্থ পানি
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 

- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৮৬.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারণ কী? 
  1. তাপের প্রভাব
  2. অণুর সংখ্যা
  3. পরমাণুর বিন্যাস
  4. রাসায়নিক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন, বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সব পদার্থ। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যথা: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ পদার্থই কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তনই পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। 
- পদার্থের এ তিন অবস্থার মধ্যে আবার বেশ সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম বর্তমান। 
- সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন পদার্থের আকার ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
- তরলের ক্ষেত্রে আয়তন ঠিক থাকলেও আকারের পরিবর্তন ঘটে। 
- পানিকে গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে এবং বোতলে রাখলে ঐ বোতলের আকার ধারণ করে। 
- বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন আকার ও আয়তন থাকে না। 
- পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৮৭.
Which is the hearing range of dogs?
  1. ক) 4 Hz - 45,000 Hz
  2. খ) 45 Hz - 64,000 Hz
  3. গ) 1,000 Hz - 91,000 Hz
  4. ঘ) 2,000 Hz - 110,000 Hz
সঠিক উত্তর:
ক) 4 Hz - 45,000 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 4 Hz - 45,000 Hz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার পাল্লা:

- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz - ২০,০০০ Hz.
- কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz - ৪৫,000 Hz.
- বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz - ৬৪,000 Hz.
- ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz - ৯১,০০০ Hz.
- বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz - ১১০,০০০ Hz.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৮৮.
মানব শিশুদের অস্থায়ী বা দুধদাঁতের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১৬ টি
  2. ১৮ টি
  3. ১৫ টি
  4. ২০ টি
সঠিক উত্তর:
২০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ টি
ব্যাখ্যা
দাঁত (Tooth): 
- মাছ, সরিসৃপ এবং সমস্ত মেরুদন্ডী প্রাণির (স্তন্যপায়ী বাদে) দাঁত আজীবন অসংখ্যবার পড়তে ও উঠতে থাকে কিন্তু স্তন্যপায়ীদের (যেমন: মানুষ) দাঁত সারা জীবন মাত্র দুবার গজায়। 
- মানব শিশুদের অস্থায়ী দাঁত বা দুধদাঁতের সংখ্যা ২০ টি, যেগুলো পড়ে গিয়ে পরবর্তীতে ১৮ বছরের মধ্যে উপরে ও নিচের চোয়ালে ১৪-১৬ টি করে মোট ২৮-৩২ টি পর্যন্ত স্থায়ী দাঁত ওঠে। 
- মানুষের স্থায়ী দাঁত চার ধরনের। 
যেমন- 
১। কর্তন দাঁত (Incisor): এই দাঁত দিয়ে খাবার কেটে টুকরা করা হয়। 
২। ছেদন দাঁত (Canine): এই দাঁত দিয়ে খাবার ছেঁড়া হয়। 
৩। অগ্রপেষণ দাঁত (Premolar): এই দাঁত দিয়ে চর্বণ, পেষণ উভয় কাজ করা হয়। 
৪। পেষণ দাঁত (Molar): এই দাঁত খাদ্যবস্তু চর্বণ ও পেষণে ব্যবহৃত হয়। 

- মাড়ির সবচেয়ে পেছনের বা শেষের দাঁত দুটোকে আক্কেল দাঁত বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৮ টি কর্তন দাঁত, ৪ টি ছেদন দাঁত, ৮ টি অগ্রপেষণ দাঁত, ৮ টি পেষণ দাঁত এবং ০-৪ টি আক্কেল দাঁত থাকে। 
- প্রতিটি দাঁতের তিনটি অংশ থাকে। 
১। মুকুট: মাড়ির উপরের অংশ, 
২। মূল: মাড়ির ভিতরের অংশ এবং 
৩।  গ্রীবা: দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৮৯.
তরঙ্গ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দুই প্রকার। যথা- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ।।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৯০.
ছায়াপথ (Milky Way) কী? 
  1. একটি গ্রহ
  2. একটি নীহারিকা
  3. একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ
  4. একটি ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু (Comet): 
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। 
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। 
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এদের লেজ লম্বা হতে থাকে। 
- অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে এরা অনেক বছর পর পর আবির্ভূত হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। 
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়। হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে। 

ছায়াপথ (Milky Way): 
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে। 
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। 
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ। 
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন। সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত। 

নীহারিকা (Nebula): 
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ। এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক। 
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৯১.
গমের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে-
  1. ক) পাতা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে
  2. খ) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
  3. গ) ফুলে ফুলে সংস্পর্শে
  4. ঘ) কীটপতঙ্গের সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
ব্যাখ্যা
• গমের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে

বায়ুর সাহায্যে পরাগায়ন:
- যে ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে সম্পন্ন হয়ে থাকে তাকে বায়ু পরাগী ফুল বলে এবং এ প্রক্রিয়াকে বায়ু পরাগায়ন বলে।
- বায়ু পরাগী ফুল সাধারণত আকর্ষণহীন হয়।
- এ সমস্ত ফুল আকারে ছোট তাই এদের পরাগরেণু ক্ষুদ্র ও হালকা হয়। এদের পরাগরেণু হালকা হওয়ায় সহজেই বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে। 
- বাতাসে ভেসে আসা পরাগরেণু ধরার জন্য এসকল উদ্ভিদের ফুলের গর্ভমুন্ড পাখির পালকের মত রোমশ হয়।
- পাইনাস, ধান, ভূট্টা, ইক্ষু, গম জাতীয় উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটে বাতাসের সাহায্যে।
- বেশির ভাগ ফুলের পারাগায়ন ঘটে পতঙ্গের মাধ্যমে।
- শিমুল, কদম জাতীয় উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটে প্রাণীর মাধ্যমে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৯২.
তুঁতের রাসায়নিক সংকেত কী? 
  1. CuSO4.5H2O
  2. NaHCO3
  3. Na2SO4.10H2O
  4. Na2CO3.10H2O
সঠিক উত্তর:
CuSO4.5H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4.5H2O
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO । 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O, 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৯৩.
ফুলের বাইরের স্তবককে কী বলে?
  1. ক) বৃত্যাংশ
  2. খ) পুষপাক্ষ
  3. গ) পুষ্পবৃন্ত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফুলের বাইরের স্তবককে বৃতি বলে। এর প্রতিটি খণ্ডকে বৃত্যাংশ বলে। সবুজ বৃতি খাদ্য প্রস্তুতির কাজে অংশ নেয়। এদের প্রধান কাজ ফুলের ভিতরের অংশগুলােকে রােদ, বৃষ্টি এবং পােকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
১০,২৯৪.
ভারি পানিতে নিচের কোনটি বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) প্রোটিয়াম
  2. খ) ডিউটেরিয়াম
  3. গ) ট্রিটিয়াম
  4. ঘ) ভ্যানাডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ডিউটেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিউটেরিয়াম
ব্যাখ্যা

পানির সংকেত হলো H2O এবং ভারি পানির সংকেত হলো D2O।
পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন।
ভারি পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন।
প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

সূত্রঃ মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১০,২৯৫.
পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট এর সংকেত কোনটি?
  1. ক) K2MnO2
  2. খ) KMnO4
  3. গ) K2MnO4
  4. ঘ) KMnO2
সঠিক উত্তর:
খ) KMnO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) KMnO4
ব্যাখ্যা

পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট এর সংকেত হল KMnO4

পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট হচ্ছে অজৈব যৌগ।
ইহার রাসায়নিক সংকেত KMnO4 এবং K+ ও MnO−4 দ্বারা গঠিত।
এটা লালচে কালো স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ, যেটি পানিতে দ্রভিভুত হয়ে তাৎক্ষণিক গোলাপি বা লালচে দ্রবণ তৈরি করে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির রসায়নবিজ্ঞান

১০,২৯৬.
নিচের কোনটি হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী?
  1. রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি
  2. ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশন
  3. তামাক সেবন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলো হলো-

ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশন: হৃদপেশির আঘাতজনিত কারণে হৃদপিণ্ডের স্পন্দন থেমে যায় এমনকি মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অঞ্চলে রক্ত সঞ্চালন অক্ষম হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ৫ মিনিটের মধ্যে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি: অতিমাত্রায় কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ফলে ধমনির ভেতরের প্রাচীরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়ে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

উচ্চ রক্ত চাপ (Hyper blood pressure /hypertension): অতিমাত্রায় উচ্চ রক্ত চাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হঠাৎ রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

তামাক সেবন: তামাক ও তামাক জাতীয় রাসায়নিক উপাদান রক্ত নালির প্রাচীরে আক্রান্ত করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি বাড়িয়ে তোলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৯৭.
কোন বিক্রিয়াটি সৌর শক্তির উৎস?
  1. Nuclear fusion
  2. Ionization
  3. Nuclear Fission
  4. Chemical combustion
সঠিক উত্তর:
Nuclear fusion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nuclear fusion
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়ার ফিউশন: যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়
এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
 
সৌর শক্তির উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন। 
 
The Sun is powered by nuclear fusion, a process by which nuclear reactions between light elements form heavier ones (up to iron). Substantial amounts of energy are released in cases where the interacting nuclei belong to elements with low atomic numbers. Fusion reactions constitute the fundamental energy source of stars.

[উৎস: ব্রিটানিকা ]
১০,২৯৮.
জৈব যৌগ কোনটি?
  1. কস্টিক সোডা
  2. খাবার লবণ
  3. খাবার সোডা
  4. বেনজিন
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন- 
• মিথেন, 
• ইথেন, 
বেনজিন
• ইউরিয়া, 
• প্রোপিন, 
• পেন্টাইন ইত্যাদি। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 

অজৈব যৌগ: 
- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। 
যেমন- 
• পানি, 
খাবার লবণ
খাবার সোডা
• কাপড় কাচার সোডা, 
কস্টিক সোডা
• চুন, 
• মরিচা ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৯৯.
বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কিসের একক পাওয়া যায়? 
  1. ত্বরণের
  2. দৈর্ঘ্যের
  3. কাজের
  4. ক্ষমতার
সঠিক উত্তর:
কাজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজের
ব্যাখ্যা
কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে মিটার (m)।
- অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়। 
- এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৩০০.
ইনসুলিন কি?
  1. ক) এক ধরনের এনজাইম
  2. খ) এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ
  3. গ) এক ধরনের হরমোন
  4. ঘ) এক ধরনের অন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) এক ধরনের হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক ধরনের হরমোন
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাব হলে প্রোটিন, শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবারের বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ফলে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, একে ডায়াবেটিস রোগ বলা হয়।
চিনি জাতীয় খাবারের সাথে এ রোগের সম্পর্ক নেই।
ডায়াবেটিস হলে হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদি অঙ্গের স্বভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি