বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৯ / ১৪০ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ১৪,০৮০

৫,৮০১.
নিচের কোনটি ভৌত জীববিজ্ঞানের শাখা?
  1. ক) জীবাশ্মবিজ্ঞান
  2. খ) এন্ডোক্রাইনোলজি
  3. গ) অণুজীববিজ্ঞান
  4. ঘ) পরিবেশ বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে।
আর ফলিত জীববিজ্ঞান শাখায় জীবন সংশ্লিষ্ট প্রায়োগিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
অঙ্গসংস্থান, শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, হিস্টলজি, ভ্রূণবিদ্যা, কোষবিদ্যা, বিবর্তনবিদ্যা, বাস্তুবিদ্যা, জীবভূগোল, এন্ডোক্রাইনোলজি ইত্যাদি ভৌত জীববিজ্ঞানের শাখা।
অপরদিকে, মৎস্যবিজ্ঞান, অণুজীববিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি, প্রাণরসায়ন, পরিবেশ বিজ্ঞান, জিনপ্রযুক্তি, ফার্মেসি, জীবাশ্মবিজ্ঞান ইত্যাদি ফলিত জীববিজ্ঞানের শাখা।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮০২.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘটে -
  1. ক) ১৮০০ সালে
  2. খ) ১৮৬০ সালে
  3. গ) ১৯০০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাপিয়ে দেয়। এগুলাে হলাে ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলাে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালাে বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

৫,৮০৩.
ভাইরাস জনিত রোগ কোনটি?
  1. ক) কলেরা
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) জন্ডিস
  4. ঘ) কুষ্ঠব্যাধি
ব্যাখ্যা
• জন্ডিস হলো ভাইরাস জনিত রোগ। 
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। 
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। জমা হয় প্লীহাতে।
- যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়। 
- ভাইরাসের কারণে আরও যে সকল রোগ হয় তা হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, পোলিও, হাম, বসন্ত, ডেঙ্গু, হেপাটাইটিস, জলাতঙ্ক, হারপিস, এইডস প্রভৃতি।
- কলেরা, নিউমোনিয়া, কুষ্ঠব্যাধি হলো ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮০৪.
কিসের তারতম্য থেকে আবহাওয়ার অবস্থা জানা যায়?
  1. ক) জলবায়ু
  2. খ) আর্দ্রতা
  3. গ) বৃষ্টিপাত
  4. ঘ) বায়ুচাপ
ব্যাখ্যা
বায়ু তার ওজনের কারণে ভূপৃষ্ঠের ওপর যে চাপ প্রয়োগ করে তাকে বায়ুচাপ বলে। বায়ুচাপের তারতম্য থেকে আবহাওয়ার অবস্থা জানা যায়।
৫,৮০৫.
কোন রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই?
  1. ক) ক্যান্সার
  2. খ) যক্ষ্মা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
এইডস:
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। এটি একটি সংক্রামক রোগ।
- ১৯৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়।
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে।
- এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘অ্যাকুয়ার্ড ইম্যুন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রম’ যা সংক্ষেপে AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)।
- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immuno Deficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে।
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।
- এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই। এটি ধীরে ধীরে মানুষের শরীরে কাজ করে। 
- প্রধাণত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে।
- এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে।
- AIDS প্রতরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,৮০৬.
জীবাশ্মগত বিদ্যাকে বলা হয়- 
  1. Parasitology
  2. Paleontology
  3. Ophthalmology
  4. Helminthology
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil) ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুঁড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুঁড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে পৃথিবীর ভূ-ত্বকে প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (Paleontology) বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- Ophthalmology হচ্ছে চোখের গঠন, ক্রিয়া ও রোগবিষয়ক চিকিৎসাবিজ্ঞান; চক্ষুবিজ্ঞান। 
- Helminthology হচ্ছে কৃমি সম্পর্কিত বিদ্যা। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৭.
চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পর তা ছোট ছোট কাগজের কাছে আনা হলে সেগুলো লাফিয়ে চিরুনির কাছে চলে আসে কেন?
  1. ক) বাতাসের জন্য
  2. খ) বৈদ্যুতিক আবেশের জন্য
  3. গ) আঁচড়ানোর ফলে চিরুনি গরম হয় বলে
  4. ঘ) চৌম্বক আবেশের ফলে
ব্যাখ্যা
চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পর সেই চিরুনিটি যখন ছোট ছোট কাগজের কাছে আনা হয় তখন কাগজগুলো লাফিয়ে চিরুনির কাছে চলে আসে৷ ব্যাপারটা ঘটে বৈদ্যুতিক আবেশের জন্য৷
উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
৫,৮০৮.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়?
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ডায়নামো
  3. বৈদ্যুতিক মটর
  4. হুইল
ব্যাখ্যা
ডায়নামো যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 

• ডায়নামো:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ডায়নামো বা জেনারেটর বলে।
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্রের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত।

• বৈদ্যুতিক মটর:
- যে তড়িৎযন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে বৈদ্যুতিক মটর বলে।

• ট্রান্সফর্মার:
-যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভব এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮০৯.
রংধনুতে নিচের কোন রংটি অনুপস্থিত ?
  1. ক) বেগুনী
  2. খ) কালো
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) লাল
ব্যাখ্যা
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল
রংধনুতে কালো রং অনুপস্থিত। 

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮১০.
নিম্নের কোনটি মানব দেহের সংবেদী অঙ্গ নয়?
  1. হৃৎপিণ্ড
  2. কর্ণ 
  3. নাসিকা
  4. চক্ষু
ব্যাখ্যা

- হৃৎপিণ্ড একটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ যা রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থার অংশ এবং এর প্রধান কাজ হল রক্ত পাম্প করা, এটি কোনো সংবেদী অঙ্গ নয়। 

মানব সংবেদী অঙ্গ: 
- পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রকৃতি ও পরিবর্তন অনুধাবনে সক্ষম ইন্দ্রিয় সমূহকে সংবেদী অঙ্গ বা রিসেপ্টর বলা হয়।
- বিশেষ ধরনের সংবেদী কোষের সমন্বয়ে সংবেদী অঙ্গ গঠিত।
- মানব দেহের সংবেদী অঙ্গ হলো- চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বক।
- এরা সাধারণভাবে পঞ্চ ইন্দ্রিয় নামে পরিচিত ।
- এদের মধ্যে চক্ষু দর্শন অনুভূতি, কর্ণ শ্রবণ অনুভূতি ও ভারসাম্য অনুভূতি, নাসিকা ঘ্রাণ অনুভূতি, জিহ্বা স্বাদ অনুভূতি এবং ত্বক স্পর্শ অনুভূতি মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৮১১.
কোনটি লোহার আকরিক?
  1. জিপসাম
  2. রকসল্ট
  3. ম্যাগনেটাইট
  4. বক্সাইট
ব্যাখ্যা

• সোডিয়ামের আকরিকঃ
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স ইত্যাদি।
• ক্যালসিয়ামের আকরিকঃ
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট ইত্যাদি।
• আয়রন বা লোহার আকরিকঃ
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট ইত্যাদি।
• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিকঃ
- বক্সাইট,
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮১২.
অ্যানোড তড়িৎদ্বার কোথায় সংযুক্ত থাকে? 
  1. ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তে
  2. ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তে
  3. ব্যাটারির কেন্দ্রের সাথে
  4. ব্যাটারির বাইরের অংশে
ব্যাখ্যা
তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণে দুটি ধাতব পরিবাহী বা গ্রাফাইট দন্ড ব্যবহৃত হয়, যা তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। 
- একটির মাধ্যমে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে, অন্যটির মাধ্যমে বের হয়ে যায়। 
- তড়িৎদ্বার ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং কোষের বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের জন্য দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যেমন- একটি অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং অপরটি ক্যাথোড তড়িৎদ্বার। 

অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৩.
নীহারিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত
  2. নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন বিদ্যমান
  3. শতকরা ১ ভাগ কার্বন বিদ্যমান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নীহারিকার:
- প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত।
- বেশির ভাগ নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন, শতকরা ৯ ভাগ হিলিয়াম আছে।
- এ ছাড়া বাকি শতকরা ১ ভাগ হিসেবে রয়েছে কার্বন, নাইট্রোজেন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাসিয়াম।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোটো নীহারিকা NGC 7027 মাত্র ০.১ আলোকবর্ষ।
- আবিষ্কৃত সর্ববৃহৎ ট্যারান্টুলা নেবুলা প্রায় ১৮৬২ আলোকবর্ষ।

তথ্যসুত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ জুন ২০২৩।
৫,৮১৪.
কোন রোগের কারণ সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি?
  1. এপিলেপসী
  2. পারকিনসন
  3. প্যারালাইসিস
  4. ডায়াবেটিস
ব্যাখ্যা
• এপিলেপসী রোগের কারণ সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি। 
• এটি মস্তিস্কের রোগ।
• একে মৃগী রোগ বলা হয়। 
• আক্রান্ত ব্যাক্তির কাপুনি বা খিচুনি দিয়ে উঠে। 

সূত্র - মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৫,৮১৫.
নিচের কোনটির কারণে তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না?
  1. ক) তাপ
  2. খ) চাপ
  3. গ) চৌম্বক ক্ষেত্র
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। 
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৬.
p-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. ব্রোমিন
  3. ফসফরাস
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 
• p- টাইপ অর্ধপরিবাহী:

- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে।
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়।
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে।
- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে।
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে।
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে।
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন।
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৭.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে বায়ুচাপ কেমন বিদ্যমান থাকে?
  1. নিম্নচাপ
  2. উচ্চচাপ
  3. চারপাশের সমান 
  4. বায়ুচাপ অনুপস্থিত থাকে 
ব্যাখ্যা

◉ ঘূর্ণিঝড় মূলত অতিমাত্রায় নিম্নচাপের কেন্দ্রকে ঘিরে সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রে চাপ কমে গেলে আশেপাশের এলাকা থেকে বাতাস প্রবল বেগে ভেতরের দিকে ধাবিত হয়।

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮১৮.
সাধারণত রেডিওথেরাপিতে কোন রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে?
  1. আলফা
  2. এক্সরে
  3. লেজার
  4. ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
- রেডিও থেরাপি একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়া যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়।
- রেডিও থেরাপি শব্দটি ইংরেজি Radiation Therapy এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- রেডিওথেরাপি হলো ক্যানসার আরোগ্য বা নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল।
- এটি ব্যবহার করে ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যধির চিকিৎসা করা হয়।
- সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে।

শরীরের যে অঙ্গে ক্যানসার হয়েছে সে অঙ্গের আক্রান্ত স্থানে রশ্মি প্রয়োগ করা হয় এর ফলে কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়। 

উৎস : বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৯.
মহাবিশ্বে কয় ধরনের বল হয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের চার ধরনের বল রয়েছে। যথা-মহাকর্ষ, তাড়িৎচৌম্বকীয়, দুর্বল নিউক্লিয়ার বল এবং শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮২০.
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) অ্যাকোয়া রেজিয়া
  2. খ) সালফিউরিক এসিড
  3. গ) ইথানয়িক এসিড
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এক মোল গাঢ় নাইট্রিক এসিড (HNO3) ও তিন মোল গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের (HCl) আনুপাতিক মিশ্রণ হল রাজঅম্ল বা অ্যাকুয়া রেজিয়া।
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়। 

Aqua regia dissolves gold, though neither constituent acid will do so alone, because, in combination, each acid performs a different task.
Nitric acid is a powerful oxidizer, which will actually dissolve a virtually undetectable amount of gold, forming gold ions (Au3+). The hydrochloric acid provides a ready supply of chloride ions (Cl-), which react with the gold ions to produce chloroaurate anions, also in solution.

Source: MIT
৫,৮২১.
What is the chemical component of genes?
  1. ক) Hydrobromic acid
  2. খ) Deoxyribonucleic acid
  3. গ) Phosphorous acid
  4. ঘ) Carboxylic acid
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিক এসিড ২ ধরনের। যথা - DNA এবং RNA।
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA।
- DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
- DNA এর পূর্ণনাম- Deoxyribonucleic acid.
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর ডাবল হেলিক্সের বর্ণনা দেন।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।
৫,৮২২.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া প্রধানত কয়টি পর্যায়ে বিভক্ত?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের পর্যায় : এটি একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। ইংরেজ শারীরতত্ত্ববিদ ব্ল্যাকম্যান (১৯০৫) একে দুটি পর্যায়ে ভাগ করেন। যথা-
(ক) আলোক নির্ভর পর্যায় এবং
(খ) আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮২৩.
নিচের কোনটি জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) সাধারণত কার্বন পরমাণু উপস্থিত থাকে।
  2. খ) সমাণুতা ও ক্যাটিনেশন ধর্ম প্রদর্শন করে।
  3. গ) বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে অনেক বেশি সময় লাগে।
  4. ঘ) সাধারণত আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা
- সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে জৈব যৌগ গঠিত হয়।
- জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু সাধারণত উপস্থিত থাকে। এছাড়া হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, সালফার ইত্যাদি মৌলও উপস্থিত থাকে।
- জৈব যৌগে সমাণুতা ও ক্যাটিনেশন ধর্ম প্রদর্শিত হয়।
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া সম্পন্ন হতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৮২৪.
‘ইকোলজি’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন -
  1. আর্নেস্ট হেকেল
  2. লেস্টার ব্রাউন
  3. নরম্যান বোরল্যাগ
  4. আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা
বাস্তুবিদ্যা (Ecology):

- জীববিজ্ঞানের যে বিশিষ্ট শাখায় পরিবেশে বিন্যস্ত বিভিন্ন জীব ও তার পারিপার্শ্বিক জড় উপাদান এবং তাদের পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়া, নির্ভরশীলতা ও মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি বলে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রধান নিয়ামক : পানি, গাছপালা ইত্যাদি।
- পরিবেশবিজ্ঞানের ইংরেজি পরিভাষা Ecology ইকোলজি। 
- গ্রিক  ওইকোস অর্থাৎ "বাসস্থান" এবং লোগোস অর্থাৎ "বিদ্যা" ইংরেজি Ecology পরিভাষাটি এসেছে।
- ইকোলজি শব্দটি জার্মান বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল ১৮৬৯ সালে সর্বপ্রথম প্রণয়ন করেন।
- ‘ইকোলজি’ হলো পরিবেশের সাথে প্রাণীজগতের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যা।
- সুইডিশ বিজ্ঞানী সুভনটে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম ‘গ্রিনহাউজ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- লেস্টার ব্রাউন প্রথম ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
- নরম্যান বোরলগ সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে অভিহিত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং অ্যাকাডেমিয়া। 
৫,৮২৫.
অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের একটি প্রধান সুবিধা কী? 
  1. এটি শুধুমাত্র আলো ধারণ করে
  2. দূরত্ব যতই হোক সংকেতের শক্তি হ্রাস পায় না
  3. এটি তড়িৎ শক্তিতে কাজ করে
  4. এটি কেবল চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাঁচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৮২৬.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়?
  1. এক্সোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. ট্রপোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

• এক্সোস্ফিয়ার (Exosphere): 
- তাপমণ্ডলের (থার্মোস্ফিয়ার) উপরে প্রায় ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোস্ফিয়ার বলে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়। 

• এক্সোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য: 
- এক্সোস্ফিয়ার, তাপমণ্ডল (থার্মোস্ফিয়ার) অতিক্রম করে ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়। এটি ক্রমান্বয়ে ইন্টারপ্লানেটারি স্পেসে প্রবেশ করে। 
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। 
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলাে সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮২৭.
তড়িৎ প্রবাহের একক কী? 
  1. ভোল্ট
  2. ওহম
  3. ওয়াট
  4. অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহ: 
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। 
যথা- ১. পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ এবং ২. অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ। 
পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ: 
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। 
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 

অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৮২৮.
মিউকরে মূলের পরিবর্তে কোন অংশ থাকে?
  1. কাণ্ড
  2. রাইজয়েড
  3. কণা
  4. পাতা
ব্যাখ্যা

মিউকর মূলহীন, তাই মূলের কাজ রাইজয়েড দ্বারা সম্পন্ন হয়।
- এটি মাটি বা পৃষ্ঠে স্থায়িত্ব এবং খাদ্য শোষণে সহায়ক।

• মিউকর:
- মিউকর একটি ছত্রাক।
- মিউকর মূলহীন (rootless) ছত্রাক।
- এটি মাটিতে আটকে থাকার জন্য বিশেষভাবে গঠিত অংশ ব্যবহার করে।

• রাইজয়েডের ভূমিকা:
- মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড (Rhizoids) থাকে।
- এটি মাটি বা অন্য পৃষ্ঠে আটকানোর জন্য কাজ করে।
- এটি জল শোষণ এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৫,৮২৯.
শিশুর দেহে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি থাকলে এবং মানসিক বিকাশ ব্যাহত হলে কোন রোগ হতে পারে? 
  1. হাইড্রোসেফালি
  2. ক্রিটিনিজম
  3. মাইক্রোসেফালি
  4. ডাউন সিনড্রোম
ব্যাখ্যা
- বুদ্ধি প্রতিবন্ধীতার সাথে সম্পর্কিত কিছু রোগ রয়েছে যা দেখে সহজে শনাক্ত করা যায়। 
যেমন- 
ক) হাইড্রোসেফালি: 
- মাথার ভিতরে তরল পদার্থ জমে থাকে, ফলে মাথার আকৃতি অস্বাভাবিক বড় হয়। 

খ) ক্রিটিনিজম: 
- শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বিলম্ব হয়। শিশুর দেহে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন কম হয়। ফলে শিশু খুব ধীরে বেড়ে ওঠে, কপাল ছোট, মুখমন্ডল ও হাত-পা ফোলা ইত্যাদি। 

গ) মাইক্রোসেফালি: 
- মাথার আকৃতি অস্বাভাবিক ছোট, এরা গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়। 

ঘ) ডাউন সিনড্রোম: 
- মুখোমন্ডল গোলাকার, তীর্যক চোখ, চোখের পাতা পুরু হয়। জন্মের সময় শিশু দুর্বল ও শিথিল থাকে। হাত, পা ও ঘাড় খাটো হয়। উপুর হওয়া, বসা, হাঁটা দেরি হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩০.
সমুদ্রে পানির গভীরতা মাপার একক-
  1. ফুট
  2. মিটার
  3. ফ্যাদম
  4. কিলোঘণ্টা
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রে পানির গভীরতা মাপার একক ফ্যাদম। 
- এক ফ্যাদম সমান ৬ ফিট (১.৮৩ মিটার)। 
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করার যন্ত্র হচ্ছে ফ্যাদোমিটার। 

অন্যদিকে, 
- বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র হলো হাইগ্রোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ মাপার যন্ত্র হচ্ছে ম্যানোমিটার। 
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র হলো ব্যারোমিটার। 

উৎস:
ব্রিটানিকা।
৫,৮৩১.
WWF এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) World Wide Federation for Nature
  2. খ) World Wide Fund for Nature
  3. গ) World Warming Federation for Natural  
  4. ঘ) Wild World Fund for Nature
ব্যাখ্যা
WWF এর পূর্ণরূপ হচ্ছে World Wide Fund for Nature.

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার ( ডব্লিউডবিএফ ) হল একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা।
- ইহা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, মরুভূমি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কাজ করে এবং পরিবেশের উপর মানবিক প্রভাব হ্রাস পায়।
- এটি পূর্বে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ডের নামকরণ করা হয়েছিল, যা কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল নাম।
- লিভিং প্ল্যানেট রিপোর্ট ডব্লিউডএফএফ দ্বারা ১৯৯৮ সাল থেকে প্রতি দুই বছর প্রকাশিত হয়; এটি একটি লিভিং প্ল্যানেট সূচক এবং পরিবেশগত পদাঙ্ক হিসাব উপর ভিত্তি করে।  
- বিশ্বের বৃহত্তম সংরক্ষণ সংস্থা (ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার, সংক্ষেপে নাম) যেটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য তহবিল সংগ্রহ করে, এটি বিভিন্ন দেশগুলিতে বিতরণ করে, প্রাকৃতিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলি উন্নীত করে, বিভিন্ন প্রচারাভিযান, শিক্ষা এবং সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে WWF. 

সূত্র- WWF Website [লিঙ্ক]
৫,৮৩২.
তাপ সঞ্চালনের সবচেয়ে দ্রুততম পদ্ধতি কোনটি?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. আবেশ
ব্যাখ্যা

• তাপ সঞ্চালন:
- উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহকে তাপ সঞ্চালন বলা হয় ।

• তাপ সাধারনত ৩ টি উপায়ে সঞ্চালিত হয়। যথা-
- পরিবহন
- পরিচলন
- বিকিরন

• বিকিরন:
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলা হয় ।
- বিকীর্ণ তাপের শক্তি সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় না, বা জড় মাধ্যম থাকলেও তাকে উত্তপ্ত করে না।
- অর্থাৎ তাপ সঞ্চালনের জন্য সবচেয়ে দ্রুততম পদ্ধতি হলো বিকিরন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৩৩.
প্রাথমিক ভ্যাকসিন দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে যে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. বুস্টার ডোজ
  2. ডিএনএ টিকা
  3. বিসিজি
  4. টিটেনাস টক্সয়েড
ব্যাখ্যা

টিকা (Vaccine):
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিস্রুত সাসপেনশন। 
- সাধারণত কোনো রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব দিয়েই ওই রোগের টিকা তৈরি করা হয়।
- টিকা প্রবেশ করালে প্রাণিদেহে ওই একই জীবাণু বা নিকট সম্পর্কিত রোগ জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধক্ষম হয়ে ওঠে।
- দেহে টিকা দেওয়া মানে হলো ওই রোগের জীবাণু দেহে প্রবেশে করানো।
- কিন্তু যেহেতু এ জীবাণুগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে নিষ্ক্রিয় থাকে সেহেতু এরা জীবদেহে কোনো রোগ সৃষ্টি না করে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 

টিকা দেওয়ার গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা: 
১। টিকা দেওয়ার ফলে দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগাক্রমণ প্রতিরোধ করা হয়।
২। ভ্যাকসিন দেহের মধ্যে প্রবিষ্ট ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াদের প্রজনন ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়।
৩। টিকার মাধ্যমে যে সব রোগ- প্রতিরোধ করা হয় সে রকম কয়েকটি হলো- যক্ষ্মা, টিটেনাস, কলেরা, জলাতঙ্ক, হুপিংকাশি, গুটি বসন্ত, ডিপথেরিয়া, পোলিও, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-B ইত্যাদি।
৪। টিকা দেওয়ার ফলে কৃত্রিম শক্তির ইমিউনিটি সৃষ্টি করা হয়।

বুস্টার ডোজ (Booster dose): 
- দেহে অধিক মাত্রায় অ্যান্টিবডি সৃষ্টি এবং ইমিউনিটি সাধনের জন্য প্রাথমিক ভ্যাকসিন দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে যে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় তাকে বুস্টার ডোজ বলে।

তথ্যসূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৩৪.
শরীরের কোনো অংশ পোড়া গেলে তৎক্ষণাৎ প্রাথমিক ব্যবস্থা কি নেয়া উচিত?
  1. ক) লবণ পানি দেয়া
  2. খ) ডিম ভেঙ্গে শুধু সাদা অংশ দিয়ে প্রলেপ দেয়া
  3. গ) বরফ বা পরিষ্কার পানি দেয়া
  4. ঘ) নারিকেল তেল দেয়া
ব্যাখ্যা
• প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত স্থানে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ছাড়া অন্য কিছুই ব্যবহার করা যায় না।
 • ঠান্ডা পানি, বরফ, কুসুম গরম পানি—কোনোটাই পুড়ে যাওয়া স্থানের জন্য উপযোগী নয়।
•  খুব ঠান্ডা পানি দিলে আক্রান্ত স্থানের কোষগুচ্ছ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
• তবে আক্রান্ত স্থানে  ডিম ভেঙ্গে শুধু সাদা অংশ দিয়ে প্রলেপ দিলে  কোষগুচ্ছ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে না। 

উৎস: প্রথমআলো। 
৫,৮৩৫.
প্লাস্টিক কোন ধরনের পলিমার?
  1. প্রাকৃতিক
  2. সংশ্লেষিত
  3. জৈব
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্লাস্টিক হলো সংশ্লেষিত বা কৃত্রিম পলিমার। 

• প্লাস্টিক:
- যে সব পলিমারকে তাপদিলে নমনীয় হয় এবং চাপ দিয়ে বিভিন্ন আকৃতি প্রদান করা যায় সে সব পদার্থকে প্লাস্টিক বলে।
- প্লাস্টিক (plastic) হলো পলিমারের একটি বিশেষ রূপ। 
- কোন প্লাস্টিক পদার্থের প্রক্রিয়াজাত করার গুণাবলি যেমন নমনীয়তা ও আকৃতি প্রদান ইত্যাদি গুণাবলি কে প্লাস্টিসিটি বলে।

• সংশ্লেষিত পলিমার:
- সংশ্লেষিত পলিমার হল পরীক্ষাগারে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হওয়া পলিমার।
- এগুলি প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় না, বরং কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়। 
- প্লাস্টিক হলো সংশ্লেষিত পলিমার (Synthetic Polymer), যা পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ (যেমন: ইথিলিন, প্রোপিলিন) থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।

• প্লাস্টিকের উদাহরণ:
- পলিথিন।
- পলিস্টাইরিন।
- PVC.

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩৬.
মানুষের হাম রোগের জন্য দায়ী কোন ভাইরাস?
  1. ক) ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  2. খ) রুবিওলা ভাইরাস
  3. গ) ভেরিওলা ভাইরাস
  4. ঘ) অ্যাডিনো ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসঘটিত মানুষের কিছু রোগ:


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৮৩৭.
নিচের কোনটি মৌলিক পদার্থ নয়?
  1. ফুলারিন
  2. হীরা
  3. রম্বিক সালফার
  4. ফসফিন
ব্যাখ্যা
• ফসফিন (PH₃) একটি যৌগিক পদার্থ, কারণ এটি ফসফরাস ও হাইড্রোজেন  দুটি ভিন্ন মৌল দিয়ে গঠিত।
- তাই ফসফিন মৌলিক পদার্থ নয়, এটি একটি যৌগ। 

• মৌলিক পদার্থ:
- যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে ওই পদার্থ ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট অন্য কোন নতুন পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
- উদাহরণ:হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হিলিয়াম, কার্বন, গন্ধক, তামা, দস্তা, পারদ, সোনা, রুপা প্রভৃতি মৌলিক পদার্থ।

- হীরা, গ্রাফাইট, ফুলারিনস ইত্যাদি হলো কার্বনের রূপভেদ। এরা মৌলিক পদার্থ।
- শ্বেত ফসফরাস, লোহিত ফসফরাস ইত্যাদি হলো ফসফরাসের রূপভেদ। এরা মৌলিক পদার্থ।
- রম্বিক বা আলফা সালফার, মনোক্লিনিক বা বিটা সালফার, প্লাস্টিক বা নমনীয় বা গামা সালফার, দুগ্ধ বা ডেল্টা সালফার, ল্যামডা সালফার, মিউ সালফার ইত্যাদি হলো গন্ধকের বিভিন্ন রূপভেদ। এরাও সবাই মৌলিক পদার্থ।
- সিলিকা হলো সিলিকন ডাই-অক্সাইড যা বালি গঠনের প্রধান উপাদান। সিলিকন ও অক্সিজেন নামক মৌলিক পদার্থের সমন্বয়ে সিলিকা নামক যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন হয়।

উৎস:  রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি  ও ব্রিটানিকা।
৫,৮৩৮.
“The origin of species by means of natural selection’-বইটির লেখক কে?
  1. ক) স্টিফেন হকিং
  2. খ) নিউটন
  3. গ) ভাইজম্যান
  4. ঘ) ডারউইন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
১৮৫৯ সালে ডারউইনের The origin of species by means of natural selection বইটি প্রকাশিত হয়।
এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন মত দেন।
উল্লেখ্য যে, ডারউইন যে জীবের বিবর্তনবাদের কথা বলেছেন তাই এই বইয়ের মাধ্যমে প্রচার করেছেন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,৮৩৯.
পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ করা হয়েছে - 
  1. ২৭০.০০ K
  2. ২৭৩.১৬ K
  3. ১০০.০০ K
  4. ৩৭৩.১৬ K
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- খ) ২৭৩.১৬ K 

• তাপমাত্রা:

- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

• ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু:
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে।

• নিম্ন স্থির বিন্দু:
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে, অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে।

• পানির ত্রৈধ বিন্দু:
- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা 273.16 K নির্ধারণ করা হয়েছে

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৮৪০.
ক্যাসেটের ফিতাতে শব্দ সংরক্ষণের জন্য কোন পদার্থটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. কপার সালফেট 
  2. নিকেল ক্লোরাইড
  3. ক্রোমিয়াম ডাই অক্সাইড
  4. ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড 
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার ও টেপ-রেকর্ডার বা ক্যাসেটের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক থাকে। 
- এক্ষেত্রে স্মৃতির ফিতা বা টেপে ব্যবহৃত ক্রোমিয়াম ডাই অক্সাইড (CrO2) পদার্থের বহি:চৌম্বক ক্ষেত্র সরিয়ে নিলেও আবিষ্ট চৌম্বকত্বের বেশিরভাগই অটুট থাকে অর্থাৎ, এর আবিষ্ট চুম্বকত্ব স্থায়ী হয়। 
- ১৯৩০ সালের দিকে জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয় শব্দ সংরক্ষণের এই পদ্ধতি। 
- চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়েই ক্যাসেটের ফিতাতে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৫,৮৪১.
নিচের কোন শক্তি পরিবেশ বান্ধব নয়? 
  1. জলবিদ্যুৎ শক্তি 
  2. সৌর শক্তি 
  3. বায়োগ্যাস 
  4. কয়লা 
ব্যাখ্যা

- 'কয়লা' পরিবেশ বান্ধব নয়। কারণ, এটি একটি অনবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশ বান্ধব নয় এবং এই শক্তির উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৪২.
অপুষ্পক উদ্ভিদ মূলত কোন উপায়ে প্রজনন সম্পন্ন করে? 
  1. দ্বিভাজন প্রক্রিয়া দ্বারা
  2. ফল দ্বারা
  3. খণ্ডায়ন দ্বারা 
  4. স্পোর বা রেণু দ্বারা
ব্যাখ্যা

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না।
- এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে, এদের অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
যেমন- অ্যাগারিকাস ও স্পাইরোগাইরা, মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- সপুষ্পক উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয়। 
যেমন- আম, কাঁঠাল, শাপলা, জবা ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- কোনো উদ্ভিদ ফল উৎপন্ন করে আবার কোনটি ফল উৎপন্ন করে না, তাই বীজগুলো অনাবৃত থাকে। 
- এরা প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা: নগ্নবীজী উদ্ভিদ ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 
- এদের দেহে অত্যন্ত উন্নত ধরনের পরিবহন কলা উপস্থিত থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫,৮৪৩.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন-
  1. ক) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  2. খ) হেনরি বেকরেল
  3. গ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  4. ঘ) মেরি কুরি
ব্যাখ্যা
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
- বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৮৪৪.
ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন-
  1. এডিসন
  2. গ্যালিলিও
  3. টরেসিলি
  4. জর্জ কেলী
ব্যাখ্যা
ব্যারোমিটার: 
- টরেসিলি ১৬৪৩ সালে তরল তলের উচ্চতা ও বায়ুচাপের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রথম বায়ুমন্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্র আবিস্কার করেন। এর নাম ব্যারোমিটার। - যে যন্ত্র দিয়ে বাতাসের চাপ মাপা হয় সে যন্ত্রকে বলা হয় ব্যারোমিটার। 
- বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার জন্য এখনো নির্ভরতার সঙ্গে ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- ব্যারোমিটারে পারদ স্তভের উচ্চতাকে বায়ুমন্ডলীয় চাপের আদর্শ ধরা হয়। 
- আদর্শ বায়ু চাপ 76cm পারদ স্তম্ভের ওজনের সমান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৮৪৫.
রক্তের প্রধান উপাদান
  1. ক) এরিথ্রোসাইট
  2. খ) লিউকোসাইট
  3. গ) প্লাজমা
  4. ঘ) থ্রম্বােসাইট
ব্যাখ্যা
রক্তের প্রধান উপাদান হলাে রক্তরস বা প্লাজমা
সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% হলাে রক্তকনিকা।
রক্তরসের ৯০% হলাে পানি এবং বাকি ১০% হলাে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদান।

রক্তকনিকা ৩ প্রকার।
যথাঃ
১. এরিথ্রোসাইট বা লােহিত রক্তকনিকা,
২. লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকনিকা এবং
৩. থ্রম্বােসাইট বা অনুচক্রিকা।

সূত্র: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি
৫,৮৪৬.
দোলকের দোলনকাল নির্ভর করে ______ উপর।
  1. ক) দোলকের দৈর্ঘের
  2. খ) মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরনের
  3. গ) দোলকপিণ্ডের ভরের
  4. ঘ) দোলকের দৈর্ঘ্যে ও মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের
ব্যাখ্যা
t=2π√(L/g)
- একটি সরল দোলকের দোলনকাল কার্যকর দৈর্ঘ্য L এবং অভিকর্ষজ ত্বরন g এর উপর নির্ভর করে।
- দোলনকাল কার্যকর দৈর্ঘ্য L এর বর্গমূলের সমানুপাতিক এবং g এর বর্গমূলের ব্যাস্তানুপাতিক।

তাই বলা যায় দোলনকাল কার্যকর দৈর্ঘ্য L এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভর করে
৫,৮৪৭.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ৫০° সেলসিয়াস থেকে ৫১° সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য কত তাপের প্রয়োজন? 
  1. ১ ক্যালরি 
  2. ২ ক্যালরি 
  3. ৩ ক্যালরি 
  4. ৪ ক্যালরি 
ব্যাখ্যা
• ক্যালরি:
- পদার্থের অণুগুলোর কম্পন বা গতির কারণে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা হচ্ছে তাপ।
- যেহেতু এটা শক্তি তাই স্বাভাবিকভাবে অন্য শক্তির মতোই তার একক হচ্ছে জুল (J)।
- তাপের আরো একটি একক আছে, তার নাম ক্যালরি (cal)।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1°C বাড়াতে হলে যে পরিমাণ তাপের দরকার সেটা হচ্ছে ক্যালরি।
- 1 ক্যালরি হচ্ছে 4.2J এর সমান।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৪৮.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশির এস.আই একক?
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. ভোল্ট 
  3. ওহম
  4. নিউটন 
ব্যাখ্যা

- আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি বা S.I পদ্ধতিতে মোট ৭টি মৌলিক রাশি রয়েছে। তড়িৎ প্রবাহ বা বৈদ্যুতিক প্রবাহ এই ৭টি মৌলিক রাশির একটি এবং এর একক হলো অ্যাম্পিয়ার (Ampere)। যেহেতু এটি একটি মৌলিক রাশির একক, তাই একে মৌলিক একক বলা হয় 

মৌলিক রাশি: 

- যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে। 
- মৌলিক রাশি সাতটি। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ। 

মৌলিক একক: 
- মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। 
যেমন- 
• দৈর্ঘ্যের একক- মিটার, 
• ভরের একক- কিলোগ্রাম, 
• সময়ের একক- সেকেন্ড, 
• তাপমাত্রা/উষ্ণতার একক- কেলভিন, 
• তড়িৎ প্রবাহের একক- অ্যাম্পিয়ার, 
• দীপন তীব্রতার একক- ক্যান্ডেলা ও 
• পদার্থের পরিমাণের একক- মোল। 

অন্যদিকে, 
- ভোল্ট: এটি তড়িৎ বিভব বা বিভব পার্থক্যের একক, যা একটি লব্ধ বা উদ্ভূত রাশি।
- ওহম: এটি বৈদ্যুতিক রোধের (Resistance) একক, যা মৌলিক রাশি নয় বরং একটি লব্ধ রাশি।
- নিউটন: এটি বলের (Force) একক। বল একটি লব্ধ রাশি যা ভর, দৈর্ঘ্য ও সময়ের ওপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৪৯.
ক্ষারক একটি এসিডকে প্রশমন করলে কি উৎপন্ন হয়?
  1. ক) লবণ ও পানি
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন
ব্যাখ্যা
ক্ষারক হলো ঐ সকল পদার্থ যা এসিডকে প্রশমিত করে এর বৈশিষ্ট্যসূচক ধর্ম বিলুপ্ত করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫,৮৫০.
নিচের কোনটি এসি কারেন্টের বৈশিষ্ট্য?
  1. শুধু একদিকে চলে
  2. ব্যাটারি থেকে উৎপন্ন হয়
  3. সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন হয়
  4. সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন হয় না
ব্যাখ্যা
• AC (Alternating Current) বা পরিবর্তীধারার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে।

• AC কারেন্টের বৈশিষ্ট্য:
- AC কারেন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর তার দিক পরিবর্তন করে।
- সাধারণত ৫০ Hz বা ৬০ Hz ফ্রিকোয়েন্সিতে চলে (যেমন: আমাদের গৃহস্থালির বিদ্যুৎ সরবরাহ ৫০ Hz)।
- অর্থাৎ, প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বা ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে।
- AC কারেন্ট জেনারেটর (Alternator) থেকে উৎপন্ন হয়, ব্যাটারি থেকে নয়।
- এর তরঙ্গধারা সাইন ওয়েভ (Sinusoidal Wave) আকারে ওঠানামা করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা
৫,৮৫১.
রকেট আবিষ্কার করেন কে?
  1. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  2. থিওডর মাইম্যান
  3. উইলিয়াম গিলবার্ট
  4. ডব্লিউ কনগ্রিড
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন আবিষ্কার:
- ডব্লিউ কনগ্রিড রকেট আবিষ্কার করেন।

- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন।
- উইলিয়াম গিলবার্ট বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন।
- ডিনামাইট আবিষ্কার করেন আলফ্রেড নোবেল।
- ওপেনহেইমার আবিষ্কার করেন পারমাণবিক বোমা; 
- থিওডর মাইম্যান আবিষ্কার করেন লেজার রশ্মি;
- টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেন গ্রামোফোন, ফনোগ্রাফ, সিনেমা প্রজেক্টর, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র।
- পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। 

উৎস: Britannica.
৫,৮৫২.
রক্তের কোন কণিকা বৃদ্ধি পেলে ব্লাড ক্যান্সার হয়?
  1. ক) শ্বেত কণিকা
  2. খ) লোহিত কণিকা
  3. গ) শ্বেত ও লোহিত কণিকা
  4. ঘ) কোন কণিকা নয়
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট:
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে।
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC এর তুলনায় অনেক কম।
- রক্তের শ্বেত রক্তকণিকা বৃদ্ধি পেলে ব্লাড ক্যান্সার হয়।

রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন:

১. অ্যানিমিয়া:
- লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যায়।

২. পলিসাইথিমিয়া:
- লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

৩. লিউকোসাইটোসিস:
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ১ ঘন মি.লি. রক্তে ২০,০০০- ৩০,০০০ হয়।

৪. লিউকেমিয়া:
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা, প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক হারে বেড়ে ১ ঘন মি.লি. রক্তে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫৩.
শক্তিশালী জীবাণুনাশক ও জীবাণুজনিত পচন নিরোধক হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গ্লিসারিন
  2. খ) সাবান
  3. গ) ডিটারজেন্ট
  4. ঘ) ফরমালিন
ব্যাখ্যা
ফরমালিন:
- মিথান্যাল পানিতে দ্রবীভূত করে ফরমালিন প্রস্তুত করা হয়।
- 40% মিথান্যাল 52% পানি ও ৪% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রণ ফরমালিন।
- মৃত জীবদেহ সংরক্ষণে ফরমালিনকে ব্যবহার করা হয়।
- ফরমালিন শক্তিশালী জীবাণুনাশক ও জীবাণুজনিত পচন নিরোধক
- সংক্রামক রোগীর ব্যবহৃত বিছানা, আসবাব ও ঘর জীবাণুমুক্ত করতে ফরমালিনকে ব্যবহার করা হয়।
- কিছু অসাধু অর্থলোভী ব্যবসায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ফল, শাক-সবজি সংরক্ষণে ফরমালিনকে ব্যবহার করে থাকে। 
- ফরমালিন ব্যবহারে খাদ্যের অস্বাভাবিক খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙ্গে যায়।
- খাদ্যের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ ও খাদ্যমান বিনষ্ট হয়।
- ফরমালিনযুক্ত খাবার খেলে মানুষের কিডনি, যকৃত, হৃৎপিন্ড ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ক্যান্সারের ঝুকি বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৮৫৪.
বিটা কণার ভেদন ক্ষমতা -
  1. আলফা কণা অপেক্ষা বেশী
  2. আলফা কণা অপেক্ষা কম
  3. আলফা কণার সমান
  4. শূন্য
ব্যাখ্যা
বিটা (β) রশ্মি
- বিটা কণা প্রকৃতপক্ষে দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন।
- বিটা  রশ্মি হচ্ছে অতি উচ্চ দ্রুতি সম্পন্ন ইলেক্ট্রনের প্রবাহ।
- বিটা কণার দ্রুতি আলোর দ্রুতির প্রায় সমান। (শতকরা ৯৮ ভাগ)।
- এটি ঋণাত্বক চার্জযুক্ত। এর আধান  -১.৬×১০-১৯ কুলম্ব। 
- এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়। 
- ভেদন ক্ষমতা আলফা কণা অপেক্ষা বেশী।
- বিটা কণিকার ভর একটি ইলেকট্রনের ভরের সমান। ৯.১×১০-৩১ কেজি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫৫.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো-
  1. লাল-সবুজ-হলুদ-লাল-সবুজ
  2. লাল-সবুজ-হলুদ-সবুজ-লাল
  3. লাল-হলুদ-সবুজ- হলুদ -লাল 
  4. লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ
ব্যাখ্যা
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো:
লাল-হলুদ-সবুজ- হলুদ -লাল 
ট্রাফিক সিগন্যালে লাল মানে থামতে হবে।
হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে নিতে হবে যাত্রার প্রস্তুতি। অর্থাৎ আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার পরই যাত্রা শুরু নির্দেশক হলুদ আলো।
আর সবুজ বাতি জ্বলে উঠলেই এগিয়ে যেতে হবে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,৮৫৬.
ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯ এর প্রথম ভাঙ্গা টুকরাটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
  1. ১৫ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯:
- ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯ থেকে টুকরো টুকরো অংশ বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে 221,000 কি.মি (137,300 মাইল) বেগে প্রতি ঘন্টায় ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ সালে আঘাত আনতে শুরু করেছিল। 
- পৃথিবী-ভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের জন্য গ্রহের 9.92-ঘন্টা ঘূর্ণন সময় দ্রুত প্রতিটি প্রভাবের স্থানকে দৃশ্যমান করে তুলেছিল। 
- গড়ে সাত থেকে আট ঘণ্টা সময়ের মধ্যে আলাদা হয়ে প্রতিটি খণ্ড জোভিয়ান বায়ুমণ্ডলের গভীরে নিমজ্জিত হয় এবং প্রচণ্ড শক্তিতে বিস্ফোরিত হয় এবং "ফায়ারবল" নামক অতি-গরম গ্যাসের বুদবুদ তৈরি করে।

উৎস: Britannica.
৫,৮৫৭.
কোনটির সংক্রমণে আমাশয় হয়?
  1. ক) প্রোটোজোয়া
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
আমাশয় (Dysentery): Entamoeba histolytica নামক এক ধরনের প্রােটোজোয়া, সিগেলা (Shigella) নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি জীবাণুর সংক্রমণে আমাশয় হয়। ঘন ঘন মলত্যাগ, মলের সাথে শ্লেষ্মা বের হওয়া, পেটে ব্যথা, অনেক সময় শ্লেষ্মাযুক্ত মলের সাথে রক্ত যাওয়া এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য হজম না হওয়া আমাশয় রােগের লক্ষণ। আমাশয় হলে প্রয়ােজনে পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হয়, কারণ সময়মতাে চিকিৎসা না করা হলে মারাত্মক কিছু ঘটতে পারে।
এ রােগ প্রতিরােধে যা করতে হবে তা হলাে: বিশুদ্ধ পানি পান করা, শাকসবজি ও ফলমূল উত্তমরূপে পানি দিয়ে ধৌত করা, মল ত্যাগের পর হাত সাবান দিয়ে ভালােভাবে ধােয়া, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করা, খাওয়ার আগে হাত ও থালাবাসন ভালােভাবে ধুয়ে নেওয়া।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
৫,৮৫৮.
ভূমিকম্পের সংগে নিচের কোনটি সংঘটনের সম্পর্ক আছে?
  1. ক) নদীভাঙ্গা
  2. খ) বন্যা
  3. গ) খরা
  4. ঘ) সুনামি
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের ফলেই সুনামি সংঘটিত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৫,৮৫৯.
কোন পর্যায়ে DNA এর প্রতিলিপন সম্পন্ন হয়?
  1. ক) প্রোফেজ
  2. খ) মেটাফেজ
  3. গ) টেলোফেজ
  4. ঘ) ইন্টারফেজ
ব্যাখ্যা

কোষ বিভাজন আরম্ভ হওয়ার পূর্বে ইন্টারফেজ পর্যায়েই DNA প্রতিলিপন সম্পন্ন হয়।

ইন্টারফেজ দশা- ইন্টারফেজ হল কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া পর্যায়ের প্রস্তুতির পর্ব। কোষ বিভাগের সময়, ডিএনএ দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং তারপরে কন্যা কোষগুলিতে বিতরণ করা হয়। তাই কোষ বিভাগের এই প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়োটাইড এবং সমস্ত প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়।
ইন্টারফেজ এর গুরুত্ব:
-ইন্টারফেজ, কোষ বিভাজনের মধ্যবর্তী সময়কালে, এমন সময় হয় যখন কোষটি বিভিন্ন বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপে বৃদ্ধি পায় এবং ব্যস্ত থাকে। কোনও কোষ বিভক্ত হওয়া উচিত কিনা তা Interphase সিদ্ধান্ত নেয়।
-ইন্টারফেজের তিন-পর্যায়ের জি 1, এস, জি 2 রয়েছে। এই পদক্ষেপগুলিতে, ডিএনএ প্রতিরূপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম এবং প্রোটিনগুলি সংশ্লেষিত করা হয়।
-জি ১ পর্যায়ে সাইটোপ্লাজম এবং নিউক্লিয়াসের অনুপাত বজায় থাকে। এস পর্যায়ে ডিএনএ এবং ক্রোমোজোমের নকল ঘটে এবং জি 2 পর্বে কোষটি বৃদ্ধি পায় এবং মাইটোসিসের জন্য প্রস্তুত হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,৮৬০.
চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের কত ভাগ হয়? 
  1. ১/২ 
  2. ১/৬ 
  3. ১/৩
  4. ১/১০ 
ব্যাখ্যা

পৃথিবী ও চাঁদে বস্তুর ওজন: 
- চন্দ্রে কোনো বস্তর ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬)। 
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে এ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে এ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫,৮৬১.
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. N2 গ্যাস
  2. H2 গ্যাস
  3. CH3 গ্যাস
  4. CH4 গ্যাস
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (CH4) গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬২.
লেবুগাছ কোন জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. বৃক্ষ
  2. গুল্ম
  3. বীরুৎ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদ কাষ্ঠল, সাধারণত কান্ডহীন এবং গোড়া হতে অধিক শাখা-প্রশাখা বের হয়ে ঝোপে পরিণত হয় তাদেরকে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বলে।
- এই জাতীয় উদ্ভিদের শেকড় মাটির গভীরে যায় না।
- যেমন- লেবু, জবা, রঙ্গন, গন্ধরাজ, গোলাপ ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৬৩.
যে যন্ত্রের সাহায্যে ডুবোজাহাজে পানির নিচ থেকে ওপরের দৃশ্য দেখা যায় -
  1. টেলিস্কোপ
  2. পেরিস্কোপ
  3. বাইনোকুলার
  4. দূরবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো কোনো লুক্কায়িত স্থান থেকে পর্যবেক্ষণের জন্য যন্ত্রবিশেষ।
- এর সরলতম আকারে এটি ৪৫ ডিগ্রী কোনে প্রতি প্রান্তে পরস্পরের সাথে সমান্তরালে স্তাপিত দর্পণসহ একটি নল দ্বারা গঠিত।
- পেরিস্কোপ আলোর প্রতিফলন এবং ব্যতিচার নীতির উপর তৈরি হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে পরীক্ষায় ব্যবহার করা হতো।
- এটি সাধারণত পানির নিচে বা কোন অবরুদ্ধ স্থানে থাকা জিনিস দেখতে ব্যবহৃত হয়।
- পেরিস্কোপের মাধ্যমে একটি নাবিক বা ব্যবহারকারী সাবমেরিন বা অন্যান্য যানের উপরিভাগের দৃশ্য দেখতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয় সাবমেরিনে বা ডুবজাহাজে।

অন্যদিকে,
- বাইনোকুলার এক ধরনের হস্তধৃত দূরবীক্ষণ যন্ত্র, স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমার বাইরে অবস্থিত বস্তু দেখার জন্য ব্যবহার হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৫,৮৬৪.
নিচের কোন প্রাণীটি মেরুদণ্ডী প্রাণী? 
  1. মাছ
  2. মশা
  3. কেঁচো
  4. চিংড়ি
ব্যাখ্যা
- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, তাদেরকে বলা হয় অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 

২। মেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে, তাদেরকে বলা হয় মেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদির মেরুদণ্ড আছে। 
- এদের মেরুদণ্ড আছে, দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে, পাখনা বা দুই জোড়া পা থাকে, চোখ সরল প্রকৃতির। 
- মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে। 
- এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫,৮৬৫.
সেলুলার ফোনের জনক কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. টমাস এডিসন
  3. মার্টিন কুপার
  4. আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন (Mobile Phone): 
- মোবাইল ফোন বা সেলফোন বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম।
- এটি প্রকৃত পক্ষে একটি ট্রান্সমিটার ও রিসিভার অর্থাৎ একে এক কথায় ট্রান্সসিভার বলে।
- প্রথম দিকে এটি শুধু যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি বিনোদন থেকে শুরু করে ইন্টারনেট ব্যবহার পর্যন্ত সকল কাজেই ব্যবহার করা যায়।
- মোবাইল ফোন এখন একটি ছোটো খাটো কম্পিউটারের ন্যায় কাজ করে।
- এর সাহায্যে গেইম খেলা, গানশুনা, গান ডাইনলোড করা, সিনেমা দেখা, ভিডিও কনফারেন্স করা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা, চিঠি-পত্র আদান প্রদান করা, স্থির ও ভিডিও চিত্র গ্রহন ও প্রেরণ ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করা যায়।
- তাছাড়াও মোবাইল ফোন দিয়ে ক্যাশ পেমেন্ট, বিল পরিশোধ, এয়ারপোর্টে চেক-ইন, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির দরখাস্ত করা যায়।

 
মার্টিন কুপার:
- মার্টিন কুপার (জন্ম: ২৬ ডিসেম্বর, ১৯২৮, শিকাগো, ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র) একজন আমেরিকান প্রকৌশলী।
- তিনি ১৯৭২–৭৩ সালে প্রথম মোবাইল সেল ফোন তৈরি করার দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। 
- তিনি প্রথম মোবাইল ফোন কল করেন।
- তিনি ব্যাপকভাবে সেলুলার ফোনের জনক হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
Britannica. 
৫,৮৬৬.
আপেক্ষিক রোধের সাথে পরিবাহকত্বের সম্পর্ক কিরূপ?
  1. ক) সমানুপাতিক
  2. খ) ব্যাস্তানুপাতিক
  3. গ) বর্গের সমানুপাতিক
  4. ঘ) বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক রোধ: স্থির তাপমাত্রায় একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল এবং একক দৈর্ঘ্যরে কোনো পরিবাহীর বিপরীত দুই পৃষ্ঠের রোধকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ বলে।

পরিবাহকত্ব: স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যরে এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহিতাকে পরিবাহকত্ব বলে।

আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে পরিবাহকত্ব বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬৭.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম?
  1. বায়বীয়
  2. শূন্য
  3. তরল
  4. কঠিন
ব্যাখ্যা
• শব্দের গতি:
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন- ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।
- তরলে পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন- পানি।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৬৮.
The radiant energy of the Sun results from
  1. ক) Nuclear fission
  2. খ) Nuclear fusion
  3. গ) Cosmic radiation
  4. ঘ) Combustion
ব্যাখ্যা
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ভিন্ন মৌল তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বা নিউক্লিয় সংযোজন বিক্রিয়া বলে।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া।
- নিউক্লিয় ফিউশন নীতির উপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেনের আইসোটোপ- ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৮৬৯.
ক্ষার ধাতু নয় কোনটি?
  1. Na
  2. K
  3. Li
  4. Ca
ব্যাখ্যা

• গ্রুপ ১ এর ধাতুগুলোকে (Li, Na, K) ক্ষার ধাতু বলা হয়, কিন্তু Ca গ্রুপ ২ এর ধাতু হওয়ায় এটি ক্ষার ধাতু নয়।
- Ca কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। 


• ক্ষার ধাতু:
- ক্ষার ধাতু হলো গ্রুপ ১ এর ধাতব মৌল, যেমন লিথিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম।
- খুব প্রতিক্রিয়াশীল, বিশেষত পানি ও বাতাসের সঙ্গে।
- একমাত্র ভ্যালেন্স ইলেকট্রন থাকে, যা সহজেই হারায়।
- হালকা, নরম এবং কম ঘনত্বযুক্ত।
- সাধারণত ধাতব চকচকে এবং সাদা-হলকা রঙের।

• মৃৎক্ষার ধাতু:
- মৃৎক্ষার ধাতু হলো গ্রুপ ২ এর সেই ধাতু যা মূল্যবান, কম প্রতিক্রিয়াশীল এবং রসায়নে স্থিতিশীল।
- অক্সিজেন বা জল দ্বারা সহজে প্রতিক্রিয়াশীল নয়।
- সাধারণ পরিবেশে দাগ বা জং ধরে না।
- ধাতু হিসেবে চিরস্থায়ী চকচকে রূপ বজায় রাখে।
- শিল্প, গহনা, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৭০.
জীব সংরক্ষণ ও পচন নিবারণের জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. গ্লিসারিন
  2. ফরমালিন
  3. ভিনেগার
  4. সাবান
ব্যাখ্যা
ফরমালিন: 
- মিথান্যালের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। 
- ফরমালিনে ৪০ ভাগ মিথান্যাল ও ৬০ ভাগ পানি থাকে। 
- মৃত জীবদেহ সংরক্ষণে ফরমালিন ব্যবহৃত হয়। 
- ফরমালিন শক্তিশালী জীবাণুনাশক ও জীবাণুজনিত পচন নিরোধক। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৭১.
একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি? 
  1. ইঁদুর 
  2. খরগোস 
  3. ভেড়া 
  4. গরু 
ব্যাখ্যা

ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত। 
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। 
২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 
- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে বলে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং বলে। যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৭২.
জোয়ার-ভাঁটার তেজ কটালে কোন সময়ে হয়? 
  1. অমাবস্যার তিথিতে
  2. যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণ অবস্থান করে
  3. একাদশীতে
  4. অষ্টমী তিথিতে
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটার তেজ সবচেয়ে বেশি হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময়, কারণ তখন সূর্য ও চন্দ্র এক রেখায় থাকে। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) অমাবস্যার তিথিতে।

পানির উচ্চতা ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ: 
- পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে জোয়ার ভাঁটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. তেজ কটাল বা ভরা কটাল এবং 
২. মরা কটাল। 

তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৭৩.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট কতটি? 
  1. ১৬ টি
  2. ১২ টি
  3. ১০ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন: ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 

যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)। 

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। 

যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৭৪.
নিচের কোনটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) কোহি সুলতান
  2. খ) ফুজিয়ামা
  3. গ) মাওনালেয়া
  4. ঘ) স্ট্রম্ব্যালি
ব্যাখ্যা
- যেসব আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যূৎপাত অনেক আগে বন্ধ হয়ে গেছে তবে ভবিষ্যতে আবার হতে পারে তাদের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলা হয়।
সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ:
- ফুজিয়ামা (জাপান)
- কিলিমাঞ্জারো (তাঞ্জানিয়া) প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- কোহি সুলতান (ইরান) : মৃত আগ্নেয়গিরি
- স্ট্রম্ব্যালি (ইতালি) : সক্রিয় আগ্নেয়গিরি
- মাওনালেয়া (যুক্তরাষ্ট্র) : সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
৫,৮৭৫.
আমের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. ক) Copsychus saularis
  2. খ) Mangifera indica
  3. গ) Solanum tuberosum
  4. ঘ) Panthera tigris
ব্যাখ্যা
Mangifera indica L. (আম),
Persicaria eciliata Hassan (বিষ কাটালী),
Copsychus saularis L. (দোয়েল),
Tenualosa ilisha Hamilton (ইলিশ),
Panthera tigris L. (বাঘ),
Solanum tuberosum L. (আলু)।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৭৬.
বাষ্পীয় ইঞ্জিনে তাপশক্তি কীসে পরিণত হয়? 
  1. শব্দ শক্তিতে
  2. যান্ত্রিক শক্তিতে
  3. রাসায়নিক শক্তিতে
  4. পারমাণবিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- রেলগাড়ি চলে বাষ্পিয় ইঞ্জিনের বা ইলেকট্রিক শক্তির সাহায্যে। 
- আবার, তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করে বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালনা করা হয়। 
অর্থাৎ, বাষ্পীয় ইঞ্জিনে তাপশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে পরিণত হয়। 
- বাষ্পকে আবার বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালনা করা ছাড়াও আরো অনেক কাজে ব্যবহার করে থাকি। 
যেমন - বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন চালনা করা যায়। এ টারবাইন ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৭৭.
পৃথিবী কোনো বস্তুকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে তা আবার নিচে পড়ে যায় কেন?
  1. চৌম্বক শক্তির কারণে
  2. ভর বৃদ্ধির কারণে
  3. পৃথিবীর মহাকর্ষ বলের কারণে
  4. পৃথিবীর সবল বলের কারণে
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী কোনো বস্তুকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে তা আবার নিচে পড়ে যায়- পৃথিবীর মহাকর্ষ বলের কারণে।  

মহাকর্ষ: 

- লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠা যায় না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে; এমনকি গাছের ফল মাটিতে পড়ে বা ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে মাটিতে পড়ে কারণ পৃথিবী সবকিছুকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
অর্থাৎ, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। 
- শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৮৭৮.
পোলিও ভ্যাকসিন এর আবিষ্কারক কে?
  1. জোনাস সাল্ক
  2. লুই পাস্তুর
  3. এডওয়ার্ড জেনার
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা

পোলিও ভ্যাকসিন:
- পোলিও ভাইরাসজনিত স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রামক রোগ পোলিও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
- আবিষ্কারক: জোনাস সাল্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- সময়কাল: ১৯৫৫ সাল।
- বৈশিষ্ট্য: Killed virus (নিষ্ক্রিয় ভাইরাস) দ্বারা তৈরি, ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রদান।
- ব্যাপক ব্যবহার শুরু: ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪, মার্কিন স্কুলশিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে।
- ফলাফল: যুক্তরাষ্ট্রে পোলিও আক্রান্তের হার প্রতি ১ লক্ষে ১৮ জন থেকে কমে ২ জনের নিচে নেমে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ - 
- লুই পাস্তুর: জলাতঙ্ক ও অ্যানথ্রাক্সসহ একাধিক ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেন এবং জীবাণু তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।
- এডওয়ার্ড জেনার: গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেন।
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং: পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা

৫,৮৭৯.
সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে কী বলা হয়?
  1. জিন ক্লোনিং
  2. সেল ক্লোনিং
  3. রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং
  4. প্রাকৃতিক ক্লোনিং
ব্যাখ্যা

ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত। 
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। ২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 

- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং বলে। 
যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৮০.
নিচের কোন এনজাইম প্রোটিনকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে?
  1. ক) ট্রিপসিন
  2. খ) অ্যামাইলেজ
  3. গ) লাইপেজ
  4. ঘ) প্রোটিওলেজ
ব্যাখ্যা
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জটিল ও শোষণ অনুপযোগী খাদ্যবস্তু দেহাভ্যন্তরে বিভিন্ন এনজাইম ও পানির সাহায্যে ভেঙ্গে তরল, সরল ও শোষণ উপযোগী খাদ্যবস্তুতে পরিণত হয় তাকে পরিপাক (Digestion) বলে। 
- খাদ্য সিলেন্টেরনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখছিদ্র বন্ধ হয়ে যায় এবং অন্তঃত্বকীয় গ্রন্থিগুলো সক্রিয় হয়।
- মূলত গ্যাস্ট্রোডার্মিস নিঃসৃত এনজাইমের ক্রিয়ায় শিকারের মৃত্যু ঘটে।
- এরপর দেহ প্রাচীরের সংকোচন ও প্রসারণের ক্রিয়ায় খাদ্যবস্তু চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
- পরবর্তীতে অন্তঃত্বকের ফ্ল্যাজেলীয় কোষের ফ্ল্যাজেলায় সঞ্চালনে খাদ্যকণা এনজাইমের সাথে ভালোভাবে মিশ্রিত হয়।
- গ্রন্থিকোষ নির্মিত ট্রিপসিন এনজাইম প্রোটিনকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে
- লিপিড ও শর্করা খাদ্যবস্তুর কোন পরিবর্তন হয় না।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৮১.
বৃহদন্ত্রের কোন অংশ অ্যাপেনডিক্সের সাথে সংযুক্ত থাকে? 
  1. সিকাম
  2. ইলিয়াম 
  3. কোলন
  4. মলাশয়
ব্যাখ্যা

অন্ত্র (Intestine): 
- পাকস্থলীর পরের অংশ অন্ত্র, এটি একটি লম্বা প্যাঁচানো নালি। 
- অন্ত্র দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত। 
যেমন- ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্র। 
(১) ক্ষুদ্রান্ত্র (Small Intestine): 
- পাকস্থলী থেকে বৃহদন্ত্র পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা, প্যাঁচানো নলটিকে ক্ষুদ্রান্ত্র বলে। 
- ক্ষুদ্রান্ত্র আবার তিনটি অংশে বিভক্ত। 
যথা- ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম। 
- ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এবং অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় নালি এসে মিলিত হয়। 
- পিত্তনালির মাধ্যমে যকৃতের পিত্তরস এবং অগ্ন্যাশয়ের অগ্ন্যাশয় রস ডিওডেনামে এসে পৌঁছে। 
- ক্ষুদ্রান্ত্রের গায়ে আন্দ্রিক গ্রন্থিও থাকে। 
- ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মতো প্রক্ষেপিত অংশ থাকে, এদের ভিলাস বলে। ভিলাস পরিপাককৃত খাদ্য উপাদান শোষণ করে। 

(২) বৃহদন্ত্র (Large Intestine): 
- ইলিয়াম থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত মোটা নলাকৃতির অংশ হলো বৃহদন্ত্র। 
- বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। 
যথা- সিকাম, কোলন ও মলাশয়। 
- সিকামের সাথে অ্যাপেনডিক্স নামক ক্ষুদ্র নলের মতো প্রবৃদ্ধি সংযুক্ত থাকে। 
- বৃহদন্ত্রে মূলত পানি শোষিত হয়, মল তৈরি হয় এবং মল জমা থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৬, সংস্করণ)।

৫,৮৮২.
রক্তচাপ মাপার যন্ত্রটির নাম কি?
  1. ক) থার্মোমিটার 
  2. খ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
  3. গ) ব্যারোমিটার
  4. ঘ) হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যা

স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
গ্রিক শব্দ ‘Sphygmos’ (স্পন্দন) এবং বৈজ্ঞানিক পরিভাষা ‘Manometer’-এর (চাপমানযন্ত্র) সমন্বয়ে ‘স্ফিগমোম্যানোমিটার’ শব্দটির উৎপত্তি। নাম থেকে যন্ত্রটির কাজ বোঝা যায় সহজেই।
স্ফিগমোম্যানোমিটার প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৮৮১ সালে। আবিষ্কার করেন অস্ট্রিয়ান চিকিৎসক স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল রিটার ভন বাস্ক। এরপর একাধিকজনের হাত ধরে বর্তমান রূপে এসে পৌঁছেছে যন্ত্রটি। ১৮৯৬ সালে ইতালিয়ান শিশুচিকিৎসক স্কিপিয়ন রিভা-রকি এটিকে আরও সহজে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন। ১৯০১ সালে, নিউরোসার্জন হার্ভে কুশিং এর আধুনিকতর রূপ উপহার দেন এবং তখন থেকেই চিকিৎসাজগতে রীতিমতো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যন্ত্রটি।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান এবং প্রথম আলো পত্রিকা ওয়েবসাইট ১৬ই অগাস্ট, ২০২২ (ব্যাখ্যা)

৫,৮৮৩.
পুরুষ ও নারীর স্বরের পার্থক্য মূলত কোন ভৌত রাশির উপর নির্ভরশীল?
  1. তীব্রতা
  2. বিস্তার
  3. কম্পাঙ্ক
  4. বেগ
ব্যাখ্যা

- পুরুষ ও নারীর কণ্ঠস্বরের মূল পার্থক্য তৈরি হয় শব্দের তীক্ষ্ণতা (Pitch) বা সুরের বৈশিষ্ট্যের কারণে। শব্দের এই তীক্ষ্ণতা সরাসরি তার কম্পাঙ্ক (Frequency)-এর ওপর নির্ভরশীল। 

শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave): 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, সেটাকে প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
- পুরুষের গলার স্বর মোটা এবং নারী ও শিশুদের গলার স্বর তীক্ষ্ণ। যখন কোনো একটা শব্দ করা হয় তখন আমাদের ফুসফুস থেকে বাতাস গলা দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসে। আমাদের গলায় ও ফুসফুসে বাতাস ঢোকার জন্য এবং বের হওয়ার জন্য রয়েছে Wind pipe এর উপরে শব্দ সৃষ্টি করার জন্য রয়েছে স্বরযন্ত্র (Larynx)। সেখানে দুটো পর্দা ভালভের মতো কাজ করে, এই পর্দা দুটির নাম ভোকাল কর্ড (Vocal Cord)। বাতাস বের করার সময় এগুলো কাঁপতে পারে এবং শব্দ তৈরি করে। 
- বয়সের সাথে সাথে পুরুষের ভোকাল কর্ড শক্ত হয়ে যায়, নারীদেরটি কোমল থাকে। সে জন্য পুরুষেরা কম কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে মেয়েরা বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে। সে কারণে পুরুষের গলার স্বর মোটা, নারীর স্বর তীক্ষ্ণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৮৪.
লোহিত রক্তকণিকার কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  2. খ) দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা
  3. গ) হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখা
  4. ঘ) নিষ্কাশনের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করা
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্তকণিকার কাজ হলো দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা, হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখা এবং নিষ্কাশনের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা। অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৮৫.
ডালটনের পারমাণবিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি সত্য?
  1. সকল মৌলিক পদার্থ অতি ক্ষুদ্র, অবিভাজ্য নিরেট কণার সমন্বয়ে গঠিত
  2. একই মৌলিক পদার্থের পরমাণুগুলো একই প্রকারের
  3. একাধিক পরমাণুর রাসায়নিক মিলনে যৌগিক পরমাণু সৃষ্টি করে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডালটনের তত্ত্ব:
১। সকল মৌলিক পদার্থ অতি ক্ষুদ্র, অবিভাজ্য নিরেট কণার সমন্বয়ে গঠিত। কণাগুলেকে বলা হয় পরমাণু।
২। একই মৌলিক পদার্থের পরমাণুগুলো একই প্রকারের, কিন্তু বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণুগুলো বিভিন্ন।
৩। একাধিক পরমাণুর রাসায়নিক মিলনে যৌগিক পরমাণু সৃষ্টি করে।

থমসনের পরমাণু মডেল:
- একটি নিরেট ধনাত্মক গোলক এবং এই গোলকের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে ইলেকট্রনগুলো ছড়ানো আছে ঠিক যেমন পুডিং এর মধ্যে কিসমিস ছড়ানো থাকে।
- ১৮৯৭ সালে বিজ্ঞানীরা থমসন পরমাণু সম্পর্কে দুটি মতবাদ ব্যক্ত করেন :
১। প্রতিটি পরমাণুতে ইলেকট্রন বিদ্যমান।
২। যেহেতু প্রতিটি পরমাণু বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৮৬.
সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের ____ লবণ।
  1. ক) সোডিয়াম
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) বেরিলিয়াম
ব্যাখ্যা
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK)।
- এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
- সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে।
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি
৫,৮৮৭.
হাড় ও দাঁত শক্ত রাখার জন্য অত্যাবশ্যক খনিজ উপাদান কোনটি?
  1. আয়োডিন
  2. আয়রন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁত শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৮৮.
‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত স্কোপোলামিনের মূল উপাদান কোথায় থেকে সংগ্রহ করা হয়? 
  1. তুলসী গাছ থেকে
  2. ধুতরা ফুল থেকে
  3. আফিম গাছ থেকে
  4. গুয়ারানা নির্যাস থেকে
ব্যাখ্যা
শয়তানের নিঃশ্বাস: 
- স্কোপোলামিন মূলত একটি সিনথেটিক ড্রাগ। 
- এই স্কোপোলামিন 'ডেভিলস ব্রেথ' বা 'শয়তানের নিঃশ্বাস' নামেও বেশ পরিচিত। 
- তবে এটা প্রাকৃতিক কোনো উপাদান নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে কৃত্রিমভাবে স্কোপোলামিন তৈরি করা হয়। এটা তরল এবং পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায়। তবে এর গুরুত্বপূর্ণ বা মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। 
- স্কোপোলামিন প্রথম দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোয়েন্দা জ্ঞিাসাবাদের ক্ষেত্রে ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তখন এর ব্যবহার হতো লিকুইড হিসেবে, ইনজেকশনের মাধ্যমে। 
- আবার চিকিৎসা বিজ্ঞানেও ওষুধ তৈরিতে এর নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন পরবর্তী রোগীর জন্য ওষুধে এর ব্যবহার আছে। 
- যখন এটি কথা বলানোর জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা 'ট্রুথ সেরাম'। আবার যখন এটি পাউডার ফর্মে নিঃশ্বাসের জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা ‘ডেভিলস ব্রেথ’। আর যখন এটা বমি অথবা মোশন সিকনেসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় তখন এটা আসলে মেডিসিন হিসেবে ব্যবহার হয়। 
- বর্তমানে স্কোপোলামিন মূলত পাউডার হিসেবে প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। অপরাধের ক্ষেত্রে এই ড্রাগ কাগজ, কাপড়, হাত এমনকি মোবাইলের স্ক্রিনে লাগিয়েও এর ঘ্রাণ দিয়ে কিছু সময়ের জন্য কারো মানসিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া সম্ভব। 
- এটা নিঃশ্বাসের সঙ্গে ঢুকলেই মাত্র ১০ মিনিট বা তারও আগে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মেমোরি আর ব্রেন তখন সচেতনভাবে কাজ করতে পারে না। কারো ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে এক ঘণ্টা লাগে। আবার কেউ তিন/চার ঘণ্টার মধ্যেও স্বাভাবিক হতে পারে না।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা (১০ মে, ২০২৪) [লিঙ্ক]।
৫,৮৮৯.
নিচের কোনটি সরল টিস্যুর উদাহরণ নয়?
  1. কোলেনকাইমা টিস্যু
  2. ফ্লোয়েম টিস্যু
  3. প্যারেনকাইমা টিস্যু
  4. স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু 
ব্যাখ্যা

• ফ্লোয়েম হলো একটি জটিল টিস্যু (Complex Tissue), যা একাধিক ধরণের কোষ (যেমন: সিভনল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম ফাইবার) নিয়ে গঠিত।
- অন্যদিকে সরল টিস্যুর সকল কোষ আকার ও আকৃতিতে অভিন্ন থাকে।

সরল টিস্যু (Simple tissue):
- যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন, তাকে সরল টিস্যু বলে।
- কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
- প্যারেনকাইমা,
- কোলেনকাইমা এবং
- স্ক্লেরেনকাইমা।

অন্যদিকে,
জটিল টিস্যু (Complex tissues):
- জটিল টিস্যু (Complex tissues) বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে।
- জটিল টিস্যু দুই ধরনের,
- জাইলেম এবং
- ফ্লোয়েম। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৯০.
কোন রাসায়নিক পদার্থের জন্য রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধে না?
  1. ক) হিস্টামিন
  2. খ) হেপারিন
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) পিউরিন
ব্যাখ্যা
রক্তের শ্বেত কণিকা প্রধানত ২ ধরনের:

১) দানাদার শ্বেত কণিকা:
নিউট্রোফিল
ইওসিনোফিল 
বেসোফিল 

২) অদানাদার শ্বেত কণিকা:
মনোসাইট 
লিম্ফোসাইট

এর মধ্যে বেসোফিল থেকে হেপারিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয় যার কারনে রক্তনালির ভিতরে রক্ত জমাট বাধে না।

উৎস: একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
৫,৮৯১.
কোনটি মৌলিক বল নয়?
  1. ক) অভিকর্ষ
  2. খ) তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
  3. গ) সবল নিউক্লিয় বল
  4. ঘ) দুর্বল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে অসংখ্যা ধরণের বল আছে। কিন্তু সকল বলই ১) মহাকর্ষ, ২) তড়িৎ চৌম্বকীয়, ৩) সবল নিউক্লিয়, এবং ৪) দুর্বল নিউক্লিয় বল এই চারটি মৌলিক বলের সংমিশ্রণ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,৮৯২.
বিজ্ঞানের কোন শাখায় মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. Oceanography
  2. Ornithology
  3. Cosmology
  4. Archaeology
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য:
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা ‘মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত।
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে। পরীক্ষা দুটি হলো-
• মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ।
• মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ।

মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ:
- ১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল।
- তার 2.5 m টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।
- গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্র“তগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।

'মহাজাগতিক - মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ:
- মহাবিশ্বের বিকিরিত শক্তির একটি নির্দিষ্টমাত্রা বা পরিমাণ আছে এবং সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বে ঐ নির্দিষ্ট শক্তিও সম্প্রসারিত অংশে বিকিরিত হচ্ছে। এখনো, ঐ বিকিরিত অবশিষ্ট শক্তির অস্ত্রিত্ব নির্ণয় করা যায়। এই বিকিরণকে মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ বলে।
- ষাটের দশকের মাঝামাঝি ১৯৬৫ সালে এই জাতীয় বিকিরণের প্রথম সন্ধান পান আর্নো অ্যালান পেনজিয়াস এবং রবার্ট উইলসন নামের দুইজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯৩.
মানবদেহে লােহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কত দিন?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন।

• লোহিত রক্ত কণিকা:
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াসবিহীন।
- এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জন পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে।
- লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি ভাসমান ব্যাগ এবং চ্যাপ্টা আকৃতির।
- এ কারণে লোহিত কণিকা তার আকারের পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম।
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না।
- এ কণিকাগুলো সার্বক্ষণিক অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হয় এবং রক্তরসে চলে আসে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯৪.
কোনটি জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়?
  1. ফেরাস হাইড্রোক্সাইড
  2. ফেরিক হাইড্রোক্সাইড
  3. অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে। 
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), ফেরাস হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)2, ফেরিক হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড  Al(OH)3 ইত্যাদি। 
- ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯৫.
ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের কেন্দ্রে কী থাকে?
  1. অত্যধিক বায়ুচাপ
  2. নিম্ন বায়ুচাপ
  3. অত্যধিক তাপমাত্রা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

◉ ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের কেন্দ্রকে "চোখ" (Eye) বলা হয়। এই কেন্দ্রে বায়ুচাপ অত্যন্ত নিম্ন থাকে, যা আশপাশের উচ্চ বায়ুচাপবিশিষ্ট বাতাসকে কেন্দ্রের দিকে টেনে আনে।

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
- বায়ুর অনিয়মিত প্রবাহের দরুন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। সমুদ্রের পানিপৃষ্ঠের বায়ুপুঞ্জের মধ্যে নিম্নস্তরের বায়ু উষ্ণ ও আদ্র হয় এবং ওপরের দিকের বায়ু শীতল ও শুষ্ক হয়।
- বায়ুর প্রবাহের সময় নিম্নের উষ্ণ ও আদ্র বায়ু ওপরে ওঠে ওপরের শীতল বায়ুর সাথে ঘনীভূত হয়ে আদ্রতা বাড়ে এবং বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড় সাধারণত সমুদ্রের ওপর সংঘটিত হয়ে সমুদ্রের পাশ্ববর্তী এলাকায় ক্ষতিসাধন করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় বায়ু প্রবাহের গতিবেগ থাকে ৬৫ কি.মি বা এরও বেশি।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলে।
- ঘূণিঝড়ের জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি নিকটবর্তী এলাকায় অন্তত ২৭ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আদ্র বায়ু প্রয়োজন হয়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৮৯৬.
উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে অবদান সবচেয়ে বেশি রাখে-
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) সালফার
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) ফসফেট
ব্যাখ্যা
বিতর্ক হতে পারে। তবে, সাধারণ বৃদ্ধির জন্য বেস্ট এন্সার হিসেবে নাইট্রজেন নেয়া হল।
নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো নাইট্রোজেন। উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্যপ্রস্তুত ব্যাহত হয়। ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়।
অন্যদিকে, পটাশিয়াম উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। কোষ বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৫,৮৯৭.
একই মৌলের আইসোটোপগুলোর মধ্যে কোনটি ভিন্ন হয়? 
  1. প্রোটন সংখ্যা 
  2. পারমাণবিক সংখ্যা 
  3. ইলেকট্রন সংখ্যা
  4. নিউট্রন সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

- আইসোটোপ হল একই মৌলের পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন। নিউট্রন সংখ্যার এই ভিন্নতার কারণেই আইসোটোপগুলোর ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। 

আইসোটোপ (Isotope): 

- ডালটনের পারমাণবিক মতবাদ অনুযায়ী একটি মৌলের সব পরমাণু সমান ভর বিশিষ্ট।
- কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা যায় যে, একই মৌলের বিভিন্ন পরমাণুর ভিন্ন ভিন্ন ভর হতে পারে। তবে, এক্ষেত্রে প্রোটন বা ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ আছে যাদের ভর যথাক্রমে 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 । 
- এই সাতটি আইসোটোপের মধ্যে হাইড্রোজেন/প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম এই স্থায়ী তিনটি আইসোটোপ প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন সেসব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- আইসোটোপসমূহের মধ্যে রাসায়নিক ধর্মের কোন পার্থক্য দেখা যায় না।
- হাইড্রোজেনের স্থায়ী আইসোটোপ তিনটিতেই হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা 1, কিন্তু প্রথমটির ভর সংখ্যা 1, দ্বিতীয়টির ভর সংখ্যা 2 এবং তৃতীয়টির ভর সংখ্যা 3 । 
- প্রথম আইসোটোপে কোন নিউট্রন নেই, দ্বিতীয়টিতে 1 টি নিউট্রন এবং তৃতীয়টিতে ২ টি নিউট্রন আছে। 
- প্রকৃতিতে সকল আইসোটোপের পরিমাণ সমান থাকে না। 
যেমন- এক লক্ষ হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে হাইড্রোজেনের পরিমাণ 99985 টি, ডিউটেরিয়াম পরমাণুর সংখ্যা 15 টি এবং ট্রিটিয়ামের সংখ্যা অতি নগণ্য। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৯৮.
আধুনিক চাষ বিষয়ক নিচের কোন জোড়াটি সঠিক? 
  1. হর্টিকালচার — মাছ চাষ
  2. এভিকালচার — রেশম চাষ
  3. প্রণকালচার — চিংড়ি চাষ
  4. সেরিকালচার — মৌমাছি পালন
ব্যাখ্যা

- আধুনিক চাষ বিষয়ক সঠিক জোড়াটি হচ্ছে প্রণকালচার — চিংড়ি চাষ । 

আধুনিক কৃষি ও চাষ বিষয়ক বিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি: 

• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 

৫,৮৯৯.
নিচের কোন উদ্ভিদ সুন্দরবনে জন্মায় না? 
  1. সুন্দরী
  2. গরান
  3. চাপালিশ
  4. গেওয়া
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন: 
- ‘সুন্দরবন’ বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। 
- সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্য ৩৫টি প্রজাতি হলো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের। 
- সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ হলো সুন্দরী ও গেওয়া। 
- এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে- গরান, কেওড়া, ধুন্দল, বাইন, গোলপাতা, কেওড়া, পশুর প্রভৃতি। 

অন্যদিকে, 
- চাপালিশ উদ্ভিদ পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৯০০.
বায়োমাস শক্তির প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. কার্বন ও নাইট্রোজেন
  2. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  3. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  4. কার্বন ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়োমাস শক্তি: 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস।
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।