- মৌমাছি চাষ বা এপিকালচার (Apiculture) একোয়াকালচারের (জলজ চাষ) উদাহরণ নয়। এটি হলো মৌমাছি প্রতিপালন এবং তাদের থেকে মধু, মোম ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহের পদ্ধতি। এটি একটি ভূমি-ভিত্তিক কৃষি কার্যক্রম।
অন্যদিকে,
- ওয়েস্টার চাষ, চিংড়ি চাষ, এবং শামুক চাষ- এই সবই হলো একোয়াকালচারের উদাহরণ, কারণ এই প্রাণীগুলোকে জলজ পরিবেশে (সমুদ্রের পানি, স্বাদু পানি বা লবণাক্ত পানির মিশ্রণে) চাষ করা হয়।
মৎস্যবিজ্ঞান:
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের বিভিন্ন দিক যেমন- শ্রেনীবিন্যাস, মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজনন, প্রতিপালন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপণন, রোগতত্ত্ব তথা মাছ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বলে।
- বর্তমানে মাছ চাষের সাথে অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন জলজ প্রাণি যেমন- চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ, ব্যাঙ ইত্যাদি চাষ করা হয়।
- বিজ্ঞানের ভাষায় মাছ চাষকে একোয়াকালচার (Aquaculture) বলা হয়।
- Aquaculture শব্দটি Latin শব্দ 'Aqua' যার অর্থ “পানি” এবং English শব্দ 'Culture' যার অর্থ "চাষ” নামক দু'টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, Aquaculture অর্থ পানিতে চাষ অথবা মাছ চাষকে বুঝায়।
- অন্যভাবে, নিয়ন্ত্রিত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলজ জীবের চাষকে একোয়াকালচার বলে। একে আবার Aquafarming বলা হয়। যেমন- মাছ চাষ (Fish farming/culture), চিংড়ি চাষ (Shrimp farming/culture), ওয়েস্টার চাষ (Oyster farming/culture), সীউঈড চাষ (Seaweed farming/culture) ইত্যাদি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার।
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার।
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার।
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার।
উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।