বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা / ২৯ · ৩০১৪০০ / ২,৮৮৩

৩০১.
According to Section 368(2), what restriction applies to a sentence of transportation?
  1. It must specify the exact prison
  2. It must specify the duration only
  3. It shall not specify the place of transportation
  4. It must include the country of transportation
সঠিক উত্তর:
It shall not specify the place of transportation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It shall not specify the place of transportation
ব্যাখ্যা

Section- 368: Sentence of death, Sentence of transportation:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) নির্বাসনে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

৩০২.
ফৌজদারি আদালতের রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, কোন পরিস্থিতিতে রায় পরিবর্তন বা রিভিউ করা যেতে পারে?
  1. রায়ে করণিক ভুল থাকলে
  2. অপরাধী অনুপস্থিত থাকলে
  3. মামলার কোন নতুন সাক্ষ্য পাওয়া গেলে
  4. কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যায় না
সঠিক উত্তর:
রায়ে করণিক ভুল থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে করণিক ভুল থাকলে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) রায়ে করণিক ভুল (clerical mistake) থাকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.

৩০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪২ ধারায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত কী করবে?
  1. নতুন সাক্ষী ডাকবে
  2. রায় ঘোষণা করবে 
  3. ন্যায়সঙ্গত অনুমান করবে
  4. অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪২ – অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার ক্ষমতা:
(১) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণে যে কোনো পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আদালত তদন্ত বা বিচারকার্যের যে কোনো পর্যায়ে, পূর্বে কোনো সতর্কীকরণ ছাড়াই, তাকে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারে। প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এবং অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আহ্বান করার পূর্বে আদালত মামলার বিষয়ে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

(২) অভিযুক্ত ব্যক্তি এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানালেও বা ভুল উত্তর দিলেও সে জন্য তাকে কোনো শাস্তির অধিকারী হবে না; তবে এর ফলে আদালত যে ন্যায়সঙ্গত ধারণা বা অনুমান গঠন করতে পারে, তা গ্রহণ করতে পারবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তির দেওয়া উত্তরসমূহ সংশ্লিষ্ট তদন্ত বা বিচারের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে, এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারের ক্ষেত্রেও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে- যদি সেই উত্তর তার অন্য কোনো অপরাধ সংঘটনের ইঙ্গিত দেয়।

(৪) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই শপথবদ্ধ করা যাবে না।

৩০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৫(১) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কখন আসামিকে খালাস দেবেন?
  1. যখন সাক্ষীরা উপস্থিত না হয়
  2. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যখন আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়
  4. যখন আসামি অপরাধ স্বীকার করে
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৫(১) অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ২৪৪ অনুসারে সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রয়োজনমতো অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের পরে এবং যদি অভিযুক্তকে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দোষ মনে করেন, তখন খালাসের আদেশ দিবেন।
- এখানে মূল শর্ত হলো ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দোষ সাব্যস্ত করার সিদ্ধান্ত। তিনি ধারা ২৪৪ অনুযায়ী সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্য সংগ্রহ এবং (প্রয়োজনে) আসামির জবানবন্দি নেওয়ার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন।


⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৫ ধারার বিধান - খালাস:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি ২৪৪ ধারায় উল্লেখিত সাক্ষ্যগ্রহণ করে এবং তিনি স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে যে অতিরিক্ত সাক্ষ্য (যদি থাকে) হাজির করতে বলেন তা গ্রহণ করে এবং (যদি তিনি উপযুক্ত মনে করেন) আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে আসামীকে নির্দোষ বলে সাব্যস্ত করেন, তাহলে তিনি খালাসের আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
শাস্তি:
(২) যদি ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ না করেন, তবে যদি তিনি অভিযুক্তকে দোষী মনে করেন, তাহলে তিনি আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের উপর দণ্ড আরোপ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 245. Acquittal:
(1) If the Magistrate upon taking the evidence referred to in section 244 and such further evidence (if any) as he may, of his own motion, cause to be produced, and (if he thinks fit) examining the accused, finds the accused not guilty, he shall record an order of acquittal.
Sentence:
(2) Where the Magistrate does not proceed in accordance with the provisions of section 349 , he shall, if he finds the accused guilty, pass sentence upon him according to law.

৩০৫.
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার,  যাকে গ্রেফতার করা হবে-
  1. তার থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা গোপন রাখবেন।
  2. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং অবশ্যই উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
  3. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন কিন্তু কোন ভাবে তাকে পরোয়ানাটি দেখাবেন না।
  4. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
সঠিক উত্তর:
তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারার বিধান পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

♦ Section 80. Notification of substance of warrant: The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
৩০৬.
যদি কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ডে থাকাকালীন অবস্থায় ধারা ১০৬ বা ১১৮ অনুযায়ী মুচলেকা প্রদানের আদেশ পান, তবে মুচলেকার মেয়াদ কখন থেকে শুরু হবে?
  1. জামিনের তারিখ থেকে
  2. আদেশের তারিখ থেকে
  3. গ্রেফতারের তারিখ থেকে
  4. কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি কারাগারে থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ জারি করা হয়, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

৩০৭.
কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষগণকে নোটিশ দিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যেতে পারেন?
  1. কেবলমাত্র অভিযুক্ত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বিচারের সময়
  3. শুধুমাত্র তদন্তের সময়
  4. তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ (সরেজমিনে পরিদর্শন)-

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Sec 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৩০৮.
জামিনঅযোগ্য অপরাধের মামলার জামিনের ক্ষেত্রে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. জামিন দেওয়া যায় না
  2. ম্যাজিস্ট্রেট জামিন দিতে পারে না, তবে হাইকোর্ট জামিন দিতে পারে
  3. জামিন দেওয়া আদালতের Discretionary Power
  4. জামিন পাওয়া অভিযুক্তের অধিকার।
সঠিক উত্তর:
জামিন দেওয়া আদালতের Discretionary Power
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন দেওয়া আদালতের Discretionary Power
ব্যাখ্যা
♦ জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary Power। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অপরাধে অপরাধী হওয়ার মতো বিশ্বাসযোগ্য কারণ ব্যতীত আদালত এই বিবেচনা প্রয়োগ করতে পারেন। তবে সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে তিনটি কারণে জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়ার বিষয় বিবেচনার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে। এই তিনটি কারণ হলো- (১) ১৬ বছরের কম বয়স্ক (২) স্ত্রীলোক ও (৩) পীড়িত বা অক্ষম ব্যক্তি

♦ জামিনযোগ্য হলে অধিকার বলে জামিন প্রাপ্ত হবে।  জামিনঅযোগ্য হলে অধিকারবলে দাবি করা না গেলেও জামিন চাইতে পারেন। 
৩০৯.
গণ উৎপাত সংক্রান্ত বিধান কোথায় প্রযোজ্য হয় না?
  1. বিভাগীয় এলাকায়
  2. জেলা এলাকায়
  3. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  4. পার্বত্য চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধিতে গণ উৎপাত সংক্রান্ত যে বিধানসমূহ দেয়া হয়েছে, তা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না।

• 
ফৌজদারি কার্যবিধির দশম অধ্যায়ে ধারা ১৩৩-১৪৩ পর্যন্ত গণ উৎপাত সংক্রান্ত বিধানসমূহ রয়েছে। উক্ত অধ্যায়ের ধারা ১৩২ক তে দেয়া আছে-

''এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।''

Section 132A: Application-
The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
 
৩১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
 
ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 
Section 480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৩১১.
দায়রা জজ নিম্নোক্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ম্যাজিষ্ট্রেটের দন্ডাদেশ
  2. ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজের আদেশ
  4. অপর্যাপ্ত দন্ডের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে এবং ৪১৭ক ধারা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দক্ষের আদেশের বিরুদ্ধে এবং ৪১৭ ধারা অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না। কিন্তু যেহেতু এটা মামলার একটি কার্য পদ্ধতি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট সঠিক কার্য পদ্ধতি মেনে আসামীকে ডিসচার্জ দিয়েছে কিনা তা নির্ধারন করার জন্য দায়রা জজ ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৩১২.
মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রথম কর্তব্য কী?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো
  2. সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা
  3. সংবাদ দাতাকে চলে যেতে বলা
  4. তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করা
সঠিক উত্তর:
সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে, যদি কেউ মৌখিকভাবে আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেন, তাহলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রথম ও অবশ্য কর্তব্য হল সেই মৌখিক সংবাদটি নিজে বা নিজের তত্ত্বাবধানে লিপিবদ্ধ করা। এরপর সেই লিখিত বিবৃতিটি সংবাদদাতাকে পড়ে শোনানো এবং তার স্বাক্ষর নেওয়া আবশ্যক। তাই সরাসরি তদন্ত শুরু করা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানোর আগে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শোনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

৩১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারায় "সাধারণ নাগরিক" কী ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. জামিনযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  2. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  3. জামিন অযোগ্য ও আমলঅযোগ্য অপরাধ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ নাগরিক শুধুমাত্র সেই ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন যেগুলো জামিন অযোগ্য (অর্থাৎ জামিন পাওয়া যায় না) এবং আমলযোগ্য (অর্থাৎ পুলিশ তদন্তের যোগ্য, মামলা নেওয়ার যোগ্য)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৩১৪.
ধারা ৪১৩ অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না?
  1. দায়রা আদালত ২ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
  2. দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করলে
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ১০,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করলে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: b) দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে,
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

৩১৫.
ফৌজদারী আপিলে কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতা নয়?
  1. বৈচারিক অনুসন্ধান
  2. সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. আপিল নিষ্পত্তিকরণ
  4. দণ্ড বৃদ্ধিকরণ
সঠিক উত্তর:
বৈচারিক অনুসন্ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈচারিক অনুসন্ধান
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী আপিল আদালতের ক্ষমতা সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করে:

১. বৈচারিক অনুসন্ধান (ক): আপিল আদালত সাধারণত নিম্ন আদালতের রায়ের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয় এবং নিজস্ব বৈচারিক অনুসন্ধান চালায় না।
২. সাক্ষ্য গ্রহণ (খ): আপিল আদালত নতুন করে সাক্ষ্য গ্রহণ করে না; এর বদলে, এটি নিম্ন আদালতের সাক্ষ্য এবং রেকর্ড পর্যালোচনা করে।
৩. আপিল নিষ্পত্তিকরণ (গ): এটি আপিল আদালতের প্রধান কাজ। তারা আপিল করা মামলার উপর পুনর্বিবেচনা করে এবং একটি রায় দেয়।
৪. দণ্ড বৃদ্ধিকরণ (ঘ): আপিল আদালতের ক্ষমতা আছে দণ্ড বৃদ্ধি করার জন্য, যদি তারা মনে করে যে নিম্ন আদালতের দেওয়া দণ্ড যথেষ্ট নয়।

এই বিবেচনায়, উল্লেখিত বিকল্পগুলির মধ্যে, ক) বৈচারিক অনুসন্ধান হলো এমন একটি কাজ যা আপিল আদালত সাধারণত পরিচালনা করে না।
৩১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৩য় কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
  2. আমলযোগ্য নাকি আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  4. কোন আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য নাকি আমল-অযোগ্য অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য নাকি আমল-অযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৩১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান কোন ধারাগুলোতে আলোচিত হয়েছে?
  1. ধারা ২৪১ থেকে ২৫০
  2. ধারা ২৩১ থেকে ২৪০
  3. ধারা ২৫১ থেকে ২৬০
  4. ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম আলাদা আলাদা আদালতের জন্য আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
১. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান:
→ ধারা ২৪১ থেকে ২৫০ পর্যন্ত
- এই ধারাগুলো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সংক্রান্ত নিয়মাবলি নির্ধারণ করে (যেমন: অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, সাক্ষী হাজিরের আদেশ, রায় ঘোষণা ইত্যাদি)।
২. দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান:
→ ধারা ২৬৫ক (265A) থেকে ২৬৫জ (265J) পর্যন্ত
- এই ধারাগুলোর মাধ্যমে দায়রা আদালতে মামলা শুরু থেকে রায় ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ পর্যন্ত দায়রা আদালতে বিচারসংক্রান্ত সকল বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ ।
৩১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপসযোগ্য অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া আছে?
  1. ৩৪৩ ধারায়
  2. ৩৪৫ ধারায়
  3. ৩৪৭ ধারায়
  4. ৩৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
-৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
- ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে ।

- প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৩১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুসারে মামলার রেকর্ড তলব করার ক্ষেত্রে আদালতের অবস্থান কী?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারীর অনুরোধে তলব করা যাবে
  2. বাধ্যতামূলকভাবে তলব করতে হবে
  3. কখনোই তলব করা যাবে না
  4. তলব করা যাবে কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়
সঠিক উত্তর:
তলব করা যাবে কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলব করা যাবে কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার বিধান- আপিল খারিজের সারবস্তু:
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
------------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 421.Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: 
Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same. 
 
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৩২০.
সাক্ষ্যের অভাবে শাস্তি থেকে অপরাধী যেন অব্যাহতি না পায় তার জন্য একজন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে তাকে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৩৩৭
  2. ৩৩৮
  3. ৩৪০
  4. ৩৪২
সঠিক উত্তর:
৩৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৭
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭ (অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমার প্রস্তাব)  মোতাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধীর সহযোগীকে অপরাধটির তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে ক্ষমা করতে পারেন।
- এই ধারার লক্ষ্য, সাক্ষ্যের অভাবে শাস্তি থেকে অপরাধী যেন অব্যাহতি না পায় তার জন্য একজন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে তাকে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয়।
৩২১.
৩৩৭ ধারায় তদন্তাধীন অপরাধে ক্ষমা দিতে হলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের
  2. দায়রা আদালতের
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. তদন্তকারী অফিসারের
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।

ধারা ৩৩৭ – সহঅভিযুক্তকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা:

(১) যে সকল অপরাধ- শুধুমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য, অথবা যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা দণ্ডবিধির ধারা ২১১ অনুযায়ী যার শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত, এছাড়া দণ্ডবিধির ধারা ২১৬A, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫, ৪৭৭A–এ উল্লিখিত অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে,
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট- তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকার্যের যে কোনো পর্যায়ে অপরাধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধ সম্পর্কে অবগত কোনো ব্যক্তিকে পূর্ণ সত্য প্রকাশের শর্তে ক্ষমা (pardon) দিতে পারেন।

শর্ত হলো-
তিনি তার জানা অপরাধ সম্পর্কিত সব তথ্য এবং অপরাধে অন্য যেসব ব্যক্তি মূল বা সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে, সেসবের সম্পূর্ণ ও সত্য বিবরণ দেবেন।

প্রথম দফা শর্ত (Proviso):
যখন অপরাধ অনুসন্ধান বা বিচারাধীন, তখন প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা দিতে পারবেন না, যদি না তিনি নিজেই মামলার অনুসন্ধান করছেন, বা নিজেই বিচার পরিচালনা করছেন। আর যখন অপরাধ তদন্তাধীন, তখন ক্ষমা দিতে পারবেন কেবল যে ম্যাজিস্ট্রেটের ওই অপরাধ বিচার করার এখতিয়ার আছে, এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে হবে।
 
(১ক) যে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা (pardon) দেবেন- তাকে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে। অভিযুক্ত চাইলে তিনি সেই নথির একটি কপি পাবেন (কপি পেতে খরচ দিতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কারণে বিনা খরচে দেন)।
 
(২) যে ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করবে (approver), তাকে অপরাধ সম্পর্কে জ্ঞাত আদালতে (যে ম্যাজিস্ট্রেট Cognizance নেন), এবং
পরবর্তীকালের বিচারেও সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।
 
(২ক) যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে এবং (২)–এর অধীনে সাক্ষ্য দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের যৌক্তিক ভিত্তি আছে, তবে তিনি মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন।

(৩) যে ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে, যদি জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখা হবে।

৩২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়ে থেকে?
  1. ২৬৫গ ধারা
  2. ২৬৫ঙ ধারা
  3. ২৬৫চ ধারা
  4. ২৬৫ছ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬৫চ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫চ ধারা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২৬৫চ ধারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা। যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা- যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265F: Date for prosecution evidence:
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
৩২৩.
সমন অনুযায়ী সাক্ষী হাজির না হলে, আদালত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ কি শাস্তি দিতে পারেন?
  1. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা
  2. অনধিক ২৫০ টাকা জরিমানা
  3. অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. অনধিক এক মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons

(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
৩২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অনুযায়ী কত টাকা পর্যন্ত চুরির মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য?
  1. এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  2. দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  3. পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  4. দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০(১)(ঘ) অনুযায়ী— চুরি (Penal Code ধারা 379, 380, 381) সংক্রান্ত মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য হবে যদি চুরি করা সম্পত্তির মূল্য পাঁচ লক্ষ টাকার বেশি না হয়। অতএব, পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চুরির মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ অনুযায়ী Summary Trial পরিচালনা করতে পারেন:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। 
- প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। 
- প্রথম শ্রেণির ক্ষমতাপ্রাপ্ত বেঞ্চ অব ম্যাজিস্ট্রেট।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ অনুযায়ী Summary Trial-এ বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধ
- ওজন ও পরিমাপ সম্পর্কিত অপরাধ (ধারা 264–266)
- আঘাত (Hurt) — ধারা 323
- চুরি (ধারা 379, 380, 381) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ (ধারা 403) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- চুরি করা সম্পত্তি গ্রহণ/সংরক্ষণ (ধারা 411) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- চুরি করা সম্পত্তি গোপন/নষ্ট করতে সহায়তা (ধারা 414) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- Mischief (ধারা 426, 427)
- Criminal trespass ও House trespass (ধারা 447, 448 ইত্যাদি)
- নির্বাচনী ঘুষ ও ছদ্মবেশ (ধারা 171E, 171F)
 
অর্থাৎ  ধারা ২৬০ অনুযায়ী চুরি মামলার Summary Trial-এর সীমা হলো সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 260.Power to try summarily:
(1) Notwithstanding anything contained in this Code,-
(a) the Metropolitan Magistrate,
(b) any Magistrate of the first class , and
(c) any Bench of Magistrates invested with the powers of a Magistrate of the first class,[shall] try in a summary way all or any of the following offences:-
(a) offences not punishable with death, transportation or imprisonment for a term exceeding [two years];
(b) offences relating to weights and measures under sections 264, 265 and 266 of the Penal Code;
(c) Hurt, under section 323 of the same Code;
(d) theft, under section 379, 380 or 381 of the same Code, where the value of the property stolen does not exceed [ five lac taka];
(e) dishonest misappropriation of property under section 403 of the same Code, where the value of the property misappropriated does not exceed [five lac taka];
(f) receiving or retaining stolen property under section 411 of the same Code, where the value of such property does not exceed [five lac taka];
(g) assisting in the concealment or disposal of stolen property, under section 414 of the same Code, where the value of such property does not exceed [five lac taka];
(h) mischief, under sections 426 and 427 of the same Code;
(i) criminal trespass, under section 447, and house trespass, under section 448, and offences under sections 451, 453, 454, 456 and 457 or the same Code;
(j) insult with intent to provoke a breach of the peace, under section 504, and criminal intimidation, under section 506, [and offences under sections 509 and 510] of the same Code;
(jj) offence of bribery and personation at an election under sections 171E and 171F of the same Code;
(k) abetment of any of the foregoing offences;
(l) an attempt to commit any of the foregoing offences, when such attempt is an offence;
(m) offences under section 20 of the Cattle-trespass Act,1871: Provided that no case in which a Magistrate exercises the special powers conferred by section 33A shall be tried in a summary way.

৩২৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898- কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law]:
⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

মৌলিক আইন [Substantive Law]:
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৩২৬.
অভিযোগ পরিবর্তন হলে,কোন পক্ষের সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা যাবে?
  1. ফরিয়াদী পক্ষের
  2. অভিযুক্ত পক্ষের
  3. উভয় পক্ষের
  4. পুনরায় ডাকা যাবে না
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

• অভিযোগ পরিবর্তন হলে সরকার পক্ষ ও অভিযুক্ত পক্ষের যে সকল সাক্ষীর জবানবন্দী ইতোপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছে,এরূপ পরিবর্তন ও সংযোজনের ভিত্তিতে তাদের ধারা ২৩১ এর অধীন পুনঃতলব,পুনঃসমন এবং পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে এবং আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলে অতিরিক্ত সাক্ষীকেও তলবের অনুমতি দিবেন।
৩২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত সমন লিখিতভাবে, দুই প্রতিলিপিতে, আদালতের প্রধান কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিলসহ হতে হবে?
  1. ধারা ৬৬
  2. ধারা ৬৭
  3. ধারা ৬৮
  4. ধারা ৬৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৮
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(১) ধারা অনুসারে: প্রতিটি সমন লিখিত আকারে প্রদান করতে হবে, সমন দুই কপিতে প্রস্তুত করতে হবে, আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক নির্দেশিত অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68.
-Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
- Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

৩২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ কর্মকর্তাকে চোরাই সম্পত্তি জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫১
  2. ধারা ৫৪৮
  3. ধারা ৫৫০
  4. ধারা ৫৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০ পুলিশ কর্মকর্তাকে নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে চোরাই বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন সম্পত্তি জব্দ করার আইনি ক্ষমতা প্রদান করে।
- কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি সন্দেহ করেন যে কোনো সম্পত্তি চুরি হয়েছে বা কোনো অপরাধের সাথে যুক্ত, তাহলে তিনি সেই সম্পত্তি জব্দ করতে পারেন।
- তবে যদি তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ হন, তাহলে জব্দের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০: সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা:
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 550: Powers to police to seize property suspected to be stolen:
Any police officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
৩২৯.
একজন ম্যাজিস্ট্রেট একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেওয়ার সময়, তার সাধারণ এখতিয়ারের সীমার সর্বোচ্চ-
  1. তিনগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  2. দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  3. চারগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  4. সমান দণ্ড দিতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

৩৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 
খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৩৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারা অনুসারে, অপরাধী অজানা হলে কে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ 
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫১২(২) অনুযায়ী, যদি প্রতীয়মান হয় যে কোনও অজানা ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিতে পারেন যে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই অপরাধ সম্পর্কিত তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন।
- অন্যান্য কর্মকর্তা (জেলা জজ, দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষেত্রে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

৩৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে?
  1. ৫২১
  2. ৫২৩
  3. ৫২৫
  4. ৫২২
সঠিক উত্তর:
৫২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারার বিধান:-ধ্বংসশীল সম্পপত্তি বিক্রয়ের ক্ষমতা: 
উক্ত সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত হয় বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ধ্বংসশীল হয়, অথবা যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট উহা জদের খরব দেয়া হয়েছে তিনি যদি মনে করেন যে, ইহা বিক্রয় করা মালিকের পক্ষে মঙ্গলজনক হবে অথবা উহার মূল্য দশ এবং ৫২৩ ও ৫২৪ ধারার বিধানসমূহ যথাসম্ভব উক্ত বিক্রয় লব্ধ অর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 525. Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if theMagistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৩৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৬০
  2. ১৬১
  3. ১৬২
  4. ১৬৪
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ধারার বিধান পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:
(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।
(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।
(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
৩৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে?
  1. ধারা ৩৮০
  2. ধারা ৩৭৬
  3. ধারা ৩৭৫
  4. ধারা ৩৭৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালতের প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, বাতিল, পরিবর্তন, কিংবা আসামিকে খালাস দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে এই অনুমোদন আপিলের সময়সীমা পার না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া যাবে না।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামিকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামিকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপিলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপিল পেশ করা হলে উহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
- In any case submitted under section 374, the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or
(c) may acquit the accused person:
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৩৩৫.
মৃত্যুদন্ডে দন্ডনীয় কোন অপরাধের তদন্ত যদি ১২০ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হয়, তবে আসামী
  1. অব্যাহতি পেতে পারে
  2. শাস্তি ভোগ করতে পারে
  3. দন্ডিত হতে পারে
  4. জামিনে মুক্ত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
জামিনে মুক্ত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনে মুক্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিকা মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
৩৩৬.
যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২১ ধারার অধীনে আদালত আদেশ দিতে পারে যে উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি-
  1. ধ্বংস করা হবে
  2. আদালতে জমা দিতে হবে
  3. অভিযুক্ত পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে
  4. আদালতে সংরক্ষণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করা হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
৩৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  2. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটক ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৩৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি যদি করা হয়, তবে তা কোন ধারায় লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হবে?
  1. ২৬১ ধারা
  2. ২৬৪ ধারা
  3. ৩৬৪ ধারা
  4. ৩৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায়, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে জানিয়ে দেবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নন এবং তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হতে পারে। স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারার পদ্ধতিতে রেকর্ড করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪. ধারায় বিবৃতি এবং দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার ক্ষমতা:
(১) যে কোন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট এবং যে কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, যাকে সরকার এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রদান করেছে, যদি তিনি পুলিশ কর্মকর্তা না হন, তবে তিনি তদন্তের সময় বা তদন্তের পরবর্তী সময়ে, তদন্ত শুরু বা বিচারের পূর্বে, যে কোন বিবৃতি বা দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন।

(২) উক্ত বিবৃতিগুলি এমনভাবে রেকর্ড করা হবে, যা পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন। উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি, ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী রেকর্ড এবং স্বাক্ষরিত হবে, এবং এই বিবৃতি বা দোষ স্বীকারোক্তি পরবর্তীতে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, যিনি মামলাটি তদন্ত বা বিচারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 164: Power to record statements and confessions:
(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class] and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may if he is not a police officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterward before the commencement of the inquiry or trial.
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried.
৩৩৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৩৫ ধারায় কোন আদালতকে নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগকে
  2. শুধু দায়রা জজকে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন/ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।
৩৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. দায়রা আদালতে রিভিশন
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
৩৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৮ অনুসারে আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮-এর বিধান অনুযায়ী, এই কোডের উদ্দেশ্যে সরকার (Government) তার প্রশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেক আদালতের ভাষা কী হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা: 
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

৩৪২.
কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি-
  1. একই পুশিল ষ্টেশনের হয়।
  2. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
  3. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের একই পদমর্যাদা লিখা থাকেন।
  4. দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অসুস্থ থাকেন।
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারামতে কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি পরোয়ানার উপর অপর কোন পুলিশ অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারার বিধান পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত পরোয়ানাঃ কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত কোন পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃকও কার্যকরী হতে পারে, যদি নির্দেশ অথবা অনুমোদনপ্রাপ্ত অফিসার পরোয়ানার উপর তাঁর নাম লিখিতভাবে অনুমোদন করে।

♦ Section 79. Warrant directed to police-officer: A warrant directed to any police- officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
৩৪৩.
ফৌজদারি মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোন আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
---------------------
⇒ CrPC-Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৩৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক কোন ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে প্রযোজ্য?
  1. ধারা ২৬১
  2. ধারা ২৬২
  3. ধারা ২৪৫
  4. ধারা ৩৪২ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করে, যা ধারা ২৬২–এর সাধারণ বিধানের ব্যতিক্রম হিসেবে প্রযোজ্য।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক: সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিশেষ পদ্ধতি:
- ২৬২ ধারায় যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ, ৩৪২ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা এবং রায় ঘোষণা, যদি সম্ভব হয়, আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে যে কোনো স্থানে একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 264A. Special procedure for summary trials:
Notwithstanding anything contained in section 262, the framing of charges, recording of evidence, examination of the accused under section 342, and pronouncement of judgment may, if practicable, be completed in the same session at any place within the jurisdiction of the Court.

৩৪৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি কয় ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. ৯ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৩ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৩৪৬.
'ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪১৮ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২০ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.

৩৪৭.
তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না করলে,ম্যাজিস্ট্রেট কি আদেশ দিতে পারেন?
  1. কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
  2. যেকোনো অপরাধে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. যেকোনো অপরাধের অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিতে পারেন
  4. পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জরিমানার শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটা নির্দেশনামূলক।যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হয় তাহলে-
যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন,যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয় অথবা
দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে ।
৩৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে, মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি রিপোর্ট দাখিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এ মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট যেভাবে ইনকোয়ারি করবেন তার ক্ষমতা এবং কার্যপ্রণালী বর্ণিত আছে, তবে সেখানে রিপোর্ট দাখিলের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৩৪৯.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়। এই ২৪ ঘণ্টা হিসাব করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময় বাদ দিতে হব? 
  1. কোন সময় বাদ দিতে হবে না
  2. গ্রেফতারের পর থেকে FIR লিখা পর্যন্ত সময়
  3. গ্রেফতারের স্থান হতে থানাতে যাওয়ার সময়
  4. গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে নাঃ কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

----------------------------------------
Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
৩৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাটি General Clauses Act এর কোন ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩: একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না

(১) যে ব্যক্তি কোনো আদালতের আইনি অধিকারভুক্ত বিচারাধীন কোন অপরাধে একবার বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাস প্রাপ্ত হয়েছে, তার এই দণ্ড বা খালাস প্রযোজ্য থাকা অবস্থায়, তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না, এবং একে বাদ দিয়ে যে কোনো অপরাধের জন্যও বিচার করা যাবে না, যা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারত, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে করা যেত, অথবা যা সে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী দণ্ডিত হতে পারত।

(২) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে, তাকে পরবর্তীতে অন্য কোনো আলাদা অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি সেই অপরাধটি তার পূর্ববর্তী বিচারাধীন মামলায় ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আলাদা অভিযোগ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আনা হতে পারত।

(৩) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধের ফলে কোনো অন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা তার প্রথম দণ্ডিত অপরাধ থেকে পৃথক ছিল, তাকে পরবর্তীতে সেই অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি অপরাধের ফলাফল তখন ঘটেনি বা আদালত জানত না যে তা ঘটেছে।

(৪) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধটি যে কোনো কাজ দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল, তাকে সেই একই কাজ দ্বারা সংঘটিত অন্য কোনো অপরাধের জন্য পরবর্তীতে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে, যদি প্রথমে বিচারকারী আদালত সেই অপরাধের বিচার করার জন্য যোগ্য না ছিল।

(৫) এই ধারায় কোনো কিছুই General Clauses Act, ১৮৯৭ এর ধারা ২৬ বা এই কোডের ধারা ১৮৮ এর বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
৩৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় নিম্নের কোন বিষয়টি বিবেচনায় আনা যাবেনা?
  1. স্বত্ব
  2. দখলের অধিকার
  3. মালিকানা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন দখলের অধিকার, স্বত্ব, মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
৩৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারা অনুযায়ী অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার শর্ত কী?
  1. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে দিতে হবে
  2. উচ্চতর আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. কমপক্ষে ৩ মাসের সময় দিতে হবে
  4. অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দিবার ক্ষমতা: 
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোন নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the 3 Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:

Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
৩৫৩.
ধারা ১৪৮-এর অধীনে স্থানীয় তদন্তের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।

Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 

(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
৩৫৪.
কোন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল দায়ের করতে পারবে না
  2. দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
  3. শুধু রিভিশন করতে পারবে
  4. আপিল বা রিভিশনের সুযোগ নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট,যেখানে যা প্রযোজ্য, আপিল চলবে; দায়রা আদালতে নয়।

আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
৩৫৫.
ফৌজদারি মামলায় আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
অর্থাৎ কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
৩৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কোন বিষয়ে বিধান নেই?
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. আগাম জামিন
  4. হেবিয়াস কর্পাস
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে রিভিউ এর কোনো বিধান নেই। রিভিশনের বিধান ৪৩৫, ৪৩৯ ও ৪৩৯ক ধারায় আছে। ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাসের বিধান আছে। ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের বিধান আছে।
৩৫৭.
সরেজমিনে পরিদর্শন [Local inspection] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩৮
  2. ৫৩৯
  3. ৫৩৯ক
  4. ৫৩৯খ
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৩৯খ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই স্থান অথবা উক্ত অনুসন্ধান বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করবেন।
৩৫৮.
একটি চায়ের দোকানে দুইজন ব্যক্তির ছুরিকাঘাতের ঘটনায়, পুলিশ সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য নেবার জন্য ক্ষমতাবান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ১৫৯ ধারা 
  2. ১৬০ ধারা
  3. ১৬১ ধারা
  4. ১৬২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা এবং ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

১৬০ ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না। যদি কোন ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
৩৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় কাদের ক্ষেত্রে বিশেষ এখতিয়ারের বিধান করা হয়েছে?
  1. কিশোরদের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারীদের
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্তদের
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৩৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারানুসারে একজন আসামীর দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষমতা কার?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন জজ
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর বিবৃতি এবং আসামীর স্বীকারোক্তি উভয়ই রেকর্ড করতে পারেন। তবে, এরূপ দোষ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুযায়ী লিপিবদ্ধ ও স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরিত হবে।
৩৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী কমিশন সম্পাদিত হওয়ার পর তা কোথায় ফেরত দিতে হয়?
  1. দায়রা আদালতে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  4. যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।

(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.

(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
৩৬২.
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. হাজির হতে বাধ্য
  2. হাজির হতে বাধ্য নয়
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ১৬০ ধারা অনুযায়ী,
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না।

Section 160- Police-officer's power to require attendance of witnesses:
Any police-officer making an investigation under this Chapter may, by order in writing, require the attendance before himself of any person being within the limits of his own or any adjoining station who, from the information given or otherwise, appears to be acquainted with the circumstances of the case; and such person shall attend as so required.

যদি কোনো ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
৩৬৩.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৩৬৮ অনুযায়ী দণ্ডাদেশে কী নির্দেশ থাকতে হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
  3. মৃত্যুদণ্ডের জন্য আসামির শারীরিক পরীক্ষা
  4. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৩৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারেন ________?
  1. আদালত সমন জারি করে।
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা লিখিত আদেশ দ্বারা।
  3. ক এবং খ উভয়।
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সমন দ্বারা।
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৪(১) (দলিলাদি অথবা অন্য জিনিস দাখিল করার সমন) মোতাবেক যখন কোন আদালত বা কেস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই কার্যবিধির অধীন কোন তদন্ত অনুসন্ধান এই কার্যবিধি অধীন কোন তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং চলাকালে মনে করেন যে, উক্ত কার্যের জন্য কোন দলিল বা কোন জিনিস প্রয়োজনীয় বা বাঞ্চনীয় তখন উক্ত আদালত বা অফিসার সমন বা লিখিত আদেশ দ্বারা যে ব্যক্তির নিকট দলিল বা বস্তু রয়েছে বলে অনুমতি হয়, তাকে সমন বা আদেশে লিখিত সময়ে ও স্থানে হাজির হতে এবং উহা হাজির করতে অথবা উহা দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
৩৬৫.
যদি একজন পুলিশ কর্মকর্তা সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে নতুন বিধান অনুযায়ী তার কী করতে হবে?
  1. কিছুই করার প্রয়োজন নেই, এটি তার বিবেচনার বিষয়।
  2. গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
  3. ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানাতে হবে।
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নিতে হবে যে সে আবার অপরাধ করবে না।
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) দ্বিতীয়ত অংশের প্রদত্ত শর্তাংশ (Proviso) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;"
"তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;"

সুতরাং, সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধের ক্ষেত্রে যদি পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant)
(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:
প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন;
দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:—
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং
(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:—
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না;
এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;
তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;
চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;
পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;
ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;
সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;
অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;
নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;
দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;
একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন।
(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or 
      (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
        and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

৩৬৬.
৫২৩ ধারায় জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার কত দিনের মধ্যে হাজির না হলে, তা সরকারের হেফাজতে চলে যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৪ -

ক্রোকের আদেশ হতে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে দাবীদার এমন সম্পত্তিতে দাবী প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এবং এই ১ মাসের মধ্যে দাবী প্রতিষ্ঠা না করলে এবং যদি কোন দাবীদার ৬ মাসের মধ্যে হাজির না হয়, তখনই সম্পত্তিটি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে।

Section 524- Procedure where no claimant appears within six months

(1) If no person within such period establishes his claim to such property, and if the person in whose possession such property was found, is unable to show that it was legally acquired by him, such property shall be at the disposal of the Government, and may be sold under the orders of the Chief Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate], or of a Magistrate of the first class empowered by the Government in this behalf. 
 
(2) In the case of every order passed under this section, an appeal shall lie to the Court to which appeals against sentences of the Court passing such order would lie.
৩৬৭.
একজন প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট কারাদন্ড দিতে পারে অনধিক-
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৩৬৮.
ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে কত দিনের বেশি আসামীকে রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
৩৬৯.
সংক্ষিপ্ত বিচারের কোন দণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই আপিল করা যাবে না
  2. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
  3. ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
  4. সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৩৭০.
নিচের কোনটি পুলিশ ডায়েরি এর ব্যবহার নয়?
  1. ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  2. ফৌজদারি আদালত অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পুলিশ ডায়েরি তলব করতে পারে।
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে।
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারা অনুযায়ী জেরায় ব্যবহার করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭২(২) মোতাবেক যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারেন এবং এই ডায়েরি সংশ্লিষ্ট মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে নয়, তবে মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

• আদালত কেবল এই ডায়েরি দেখেছেন বা এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলেই আসমী বা তার প্রতিনিধি তাচেয়ে পাঠাবার বা দেখার অধিকারী হবেন না; তবে এই ডায়েরি প্রণয়নকারী পুলিশ অফিসার যদি তার স্মৃতি সজীব করার জন্য ব্যবহার করেন, অথবা আদালত যদি উক্ত অফিসারের বিরোধিতা করার জন্য উহা ব্যবহার করেন, তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারা, যেখানে যেরূপ প্রযোজ্য হবে।
৩৭১.
পুলিশ কর্মকর্তা 'Police Diary' তে কী লিপিবদ্ধ করে থাকেন?
  1. জামিননামার শর্তসমূহ
  2. তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
  3. বিচারিক কার্যক্রমের তথ্য
  4. পক্ষদ্বয়ের পারিবারিক তথ্য
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
 
• ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে,
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
 
• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
 
• এখানে উল্লেখ্য যে, আসামী বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
৩৭২.
৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
  3. আসামীর সম্মতি
  4. আইনজীবীর অনুমতি
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
- ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
- ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
৩৭৩.
'আদালত সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫১
  3. ধারা ৩৫২
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৩৭৪.
ধারা ২৬৪ক অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচার (summary trial)-এ কোনটি এক সেশনে করা যেতে পারে?
  1. চার্জ গঠন
  2. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  3. রায় ঘোষণা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬৪ক – সংক্ষিপ্ত বিচার: বিশেষ প্রক্রিয়া (Special Procedure for Summary Trials)
সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত মামলায়, আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে এবং যদি তা সম্ভব হয়, তখন নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ প্রবর্তন (Framing of charges);
- সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ (Recording of evidence);
- অভিযুক্তের পরীক্ষা (Examination of the accused);
- রায় ঘোষণা (Pronouncement of judgment).

৩৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব কী?
  1. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা
  2. ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করা
  3. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করা
  4. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান- অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ:
কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

Section 150- Information of design to commit such offences:
Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
৩৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার অধীনে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত হচ্ছে-
  1. দায়রা আদালত ও জেলা আদালত
  2. জেলা আদালত ও হাইকোর্ট
  3. সুপ্রীম কোর্ট ও জেলা আদালত
  4. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
৩৭৭.
Under Criminal Procedure Code, 1898 what is the period of limitation prescribed for taking cognizance of an offence which is punishable with imprisonment for a term exceeding 3 years?
  1. 2 years
  2. 3 years
  3. 5 years
  4. No limit of period prescribed
সঠিক উত্তর:
No limit of period prescribed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No limit of period prescribed
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) No limit of period prescribed.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী ফৌজদারি (Criminal) মামলার জন্য সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত নেই।
অর্থাৎ, যদি অপরাধের শাস্তি ৩ বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য হয়, আদালত যে কোনো সময় সেই অপরাধের বিচার শুরু করতে পারে।
কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, তবে যতদিন পর্যন্ত অপরাধের বিষয়ে মামলা দায়ের না হয়, ততদিনও মামলা করা যেতে পারে,
যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত মনে করে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলা গ্রহণযোগ্য।

- এছাড়াও, তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলা বা বৈধ দাবির জন্য প্রযোজ্য। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত এই আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, CrPC) অনুসারে, কোনো ফৌজদারী ঘটনার (অপরাধ) প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (First Information Report, FIR) দায়ের করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। অর্থাৎ, কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী বা সংশ্লিষ্ট কেউ ঘটনার পর যেকোনো সময় থানায় গিয়ে FIR দায়ের করতে পারেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী ৩ বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। আদালত ন্যায়ের স্বার্থে যে কোনো সময় cognizance নিতে পারে।

৩৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।

♦  ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
৩৭৯.
ফৌজদারী মামলার কোন পর্যায়ে আসামী ডিসচার্জের আবেদন করতে পারেন?
  1. অপরাধ আমলে নেওয়ার সময়
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী পরীক্ষাকালে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।
- উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।
- অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

⇒ অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
- অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
- প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং
- প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে

⇒ মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
- মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
৩৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিকল্প রায় (Judgment in Alternative) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩৬৭(৩)
  2. ৩৬৯(২)
  3. ৩৬৭(১)
  4. ৩৬৯(১)
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)- Judgment in alternative
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৩৮১.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০-এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ, তাঁদের ক্ষমতা, এবং তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিটি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ করবে। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান, স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান সম্পর্কেও এখানে নির্দেশনা রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।
(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।
(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।
(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।
(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-10. Executive Magistrates: 
(1) In every district and in every Metropolitan Area, the Government shall appoint as many persons as it thinks fit to be
Executive Magistrates and shall appoint one of them to be the District Magistrate.
(2) The Government may also appoint any Executive Magistrate to be an Additional District Magistrate, and such Additional District Magistrate shall have all or any of the powers of a District Magistrate under this Code or under any other law for the time being in force, as the Government may direct.
(3) Whenever in consequence of the office of a District Magistrate becoming vacant, any officer succeeds temporarily to the chief executive in the administration of the district, such officer shall, pending the orders of the Government, exercise all the powers and perform all the duties respectively conferred and imposed by this Code on the District Magistrate.
(4) The Government may, or subject to the control of the Government, the District Magistrate may, from time to time, by order define local areas within which the Executive Magistrate may exercise all or any of the powers with which they may be invested under this Code and, except as otherwise provided by such definition, the jurisdiction and powers of every such Executive Magistrate shall extend throughout the district.
(5) The Government may, if it thinks expedient or necessary, appoint any persons employed in the Bangladesh Civil Service (Administration) to be an Executive Magistrate and confer the powers of an Executive Magistrate on any such member.
(6) Subject to the definition of the local areas under sub-section (4) all persons appointed as Assistant Commissioners, Additional Deputy Commissioners or Upazila Nirbahi Officer in any District or Upazila shall be Executive Magistrates and may exercise the power of Executive Magistrate within their existing respective local areas.
(7) Nothing in this section shall preclude the Government from conferring, under any law for the time in force, on a Commissioner of Police, all or any of the powers of an executive Magistrate in relation to a Metropolitan area.
৩৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
৩৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর বিধান অনুসারে Chief Judicial Magistrate-এর অধীনে কারা থাকবে?
  1. Sessions Judge
  2. Executive Magistrates
  3. Judicial Magistrates
  4. Metropolitan Magistrates
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrates
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭(২) অনুসারে, গ) Judicial Magistrates সঠিক উত্তর।
- ধারা ১৭(২) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate...”
অর্থাৎ, Chief Judicial Magistrate-এর অধীনে থাকবে: অন্যান্য Judicial Magistrates (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণির) এবং Benches of Judicial Magistrates.

ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো অনুযায়ী:
Chief Judicial Magistrate (CJM): তিনি জেলার প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং তার প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক বন্টন (distribution of business) ক্ষমতা তার অধীনস্থ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর প্রযোজ্য। তার অধীনে থাকেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।
Sessions Judge: জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহ (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সহ) প্রশাসনিকভাবে সেশন জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ। তবে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজস্ব বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন।
Executive Magistrates: ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকেন এবং তারা মূলত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ইত্যাদি নির্বাহী কাজ করেন। তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নন।
Metropolitan Magistrates: মহানগর এলাকার জন্য সমান্তরাল পদ হলো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), যার অধীনে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ থাকেন। তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নন, বরং মেট্রোপলিটন সেশন জজের অধীনে থাকেন। 
- সুতরাং, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি অধীনস্থ হলেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

৩৮৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর ৯৯ক ধারা মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য কত দিনের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
•[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৯৯ক ধারা] মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাজেয়াপ্তির আদেশের তারিখ থেকে ২ মাসের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে।
৩৮৫.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে-
  1. পরিবর্তন করা যায়
  2. যেকোনো ভুল সংশোধন করা যায়
  3. করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
  4. রিভিউ করা যায়
সঠিক উত্তর:
করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
ব্যাখ্যা
• বিচার সমাপ্ত হবার পর নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে

Section 369: Court not to alter judgment
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৩৮৬.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ২৫০: মিথ্যা, অমূলক বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা পুলিশ/ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং মামলায় অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা অব্যাহতি দেন, এবং তাঁর মত হয় যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল—
তাহলে, অভিযোগকারী (বা তথ্যদাতা) উপস্থিত থাকলে, ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সাথে সাথে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি অভিযুক্তকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না।
যদি অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকেন, তবে তাঁকে হাজির করার জন্য সমন জারি করা হবে।

(২) অভিযোগকারী যদি কারণ দর্শান, ম্যাজিস্ট্রেট তা বিবেচনা করবেন।
যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল, তবে তিনি লিখিত কারণ উল্লেখ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন।

ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা হতে পারবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে পারবেন।

(২ক) যদি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান না করা হয়, তবে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের সাধারণ কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।

(২খ) এ ধরনের কারাদণ্ড হলে দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা প্রয়োগ হবে।

(২গ) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া মানে এই নয় যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা অন্য কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।
তবে, পরবর্তীতে একই বিষয়ে কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময়, এখানে প্রদত্ত টাকার পরিমাণ বিবেচনা করা হবে।

(৩) যদি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কারও বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, তবে অভিযোগকারী সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

(৪) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা আসামিকে প্রদান করা যাবে না।
যেসব ক্ষেত্রে আপিল করার সুযোগ নেই, সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের টাকা এক মাস পর প্রদান করা যাবে।

(৫) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন যে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করতে হবে।

৩৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী কে জামিনযোগ্য অপরাধে আটক ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী, জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তি যদি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকেন বা আদালতে হাজির হন এবং জামিন দিতে প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এই মুক্তি দিতে পারে, আদালত অথবা পুলিশ অফিসার (ওসি বা দায়িত্বরত অফিসার)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন: যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
- এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
৩৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও অধিকতর তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৭৩(১) ধারা
  2. ১৭৩(২) ধারা
  3. ১৭৩(৩খ) ধারা
  4. ১৯০(১) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ) ধারা
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] এবং ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
৩৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, যদি ছয় মাসের মধ্যে সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসে, তবে সম্পত্তি কার নিয়ন্ত্রণে থাকে?
  1. পুলিশের নিয়ন্ত্রণে
  2. সরকারের নিয়ন্ত্রণে
  3. আদালতের নিয়ন্ত্রণে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণে
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিয়ন্ত্রণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিয়ন্ত্রণে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, যদি ছয় মাসের মধ্যে জব্দকৃত সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসে এবং যে ব্যক্তির কাছ থেকে সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে সে যদি প্রমাণ করতে না পারে যে সম্পত্তিটি বৈধভাবে অর্জিত হয়েছে, তবে সেই সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এই সম্পত্তি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বিক্রি করা যেতে পারে।

- ধারা ৫২৩(২) অনুসারে, যদি সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এক মাসের মধ্যে দাবিদারকে হাজির হওয়ার জন্য প্রকাশনা জারি করেন।
- ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে কোনো দাবিদার না এলে এবং সম্পত্তির বৈধতা প্রমাণ না হলে, সম্পত্তি সরকারের হয়ে যায় এবং বিক্রির নির্দেশ দেওয়া যায়।
- ধারা ৫২৪(২) অনুসারে, এই ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, যেখানে আপিল সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা হয় সেখানে দায়ের করা যায়।
অতএব, ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসলে সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩৯০.
আপিল আদালত কত দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  3. আপিল আবেদন দাখিলের ৯০ দিনের মধ্যে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়

(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision

(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৩৯১.
অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কোন আইন অনুযায়ী ধরে নিতে হবে?
  1. দণ্ড বিধি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. প্রচলিত সাধারণ আইন অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোনো অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
৩৯২.
সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য নিম্নলিখিত কাকে কমিশন দেয়া যায়?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবায়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ

ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,

উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
৩৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার (২) উপ-ধারা অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে কে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯২(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর অনুপস্থিত হন বা নিযুক্ত না হন, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সেই মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অন্য কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারেন, তবে এটি নিয়মিত পুলিশ কর্মকর্তার নিম্নপদস্থ নয় এমন ব্যক্তি হতে হবে, যা সরকার দ্বারা নির্ধারিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.

৩৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২(২) অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে বা কোন পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ না থাকলে, কে অন্য কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯২(২) অনুযায়ী, যদি কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত না থাকেন, অথবা তিনি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামলার জন্য একজন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। তবে শর্ত হলো, যাকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তিনি যেন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা না হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
৩৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা অনুসারে আদালত জামিন দেওয়ার সময় কী করতে পারে?
  1. আসামিকে জরিমানা আরোপ করতে পারে
  2. তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারে
  3. যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, কোনো আদালত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সময় যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারে যাতে আসামির পলায়ন রোধ করা যায় বা তার সৎ আচরণ নিশ্চিত করা যায়। এই শর্তগুলো মামলার পরিস্থিতি এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে আরোপ করা হয়, যেমন নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়া, নির্দিষ্ট এলাকা ত্যাগ না করা ইত্যাদি।

- অর্থাৎ ৪৯৮ ধারার (২) উপধারা স্পষ্টভাবে জামিনের শর্ত আরোপের ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে, যা ন্যায়বিচার এবং আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 498. Power to direct admission to bail or reduction of bail:
(1) The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
(2) Any Court, while releasing the accused on bail, may impose reasonable and fair conditions to prevent his abscondence or to ensure his good behaviour.

৩৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  2. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটক ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৩৯৭.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে, তাকে কত সময় পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ১ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে। 

ধারা ৫১৪- জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে, অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন ।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
৩৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার অধীনে যুগ্ম দায়রা জজ কোন ধরনের দণ্ড প্রদান করতে পারেন না?
  1. অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কম কারাদণ্ড
  4. কোনো দণ্ডই দিতে পারেন না
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যে-সব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

- অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবে না।

---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৩৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানার অধীন পরিচালিত তল্লাশীর মাধ্যমে প্রাপ্ত জিনিস কার নিকট দাখিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. পরোয়ানা প্রদানকারী আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা প্রদানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা প্রদানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারা: অধিক্ষেত্র বহির্ভূত স্থানে তল্লাশী চালিয়ে প্রাপ্ত বস্তু বিলিবন্দেজ করা:
যখন, কোন তল্লাশী পরোয়ানা প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাহিরের যে কোন স্থানে তল্লাশী পরোয়ানা কার্যকরকালে যেসব জিনিসের জন্য তল্লাশী পরিচালনা করা হচ্ছে তার কোন কোনটি পাওয়া যায়, সেসব জিনিস, অতঃপর বিধৃত বিধানসমূহ অনুসারে তৈয়ারী করা তালিকাসহ, অবিলম্বে কার্যত পরোয়ানা জারীকারী আদালতের সমক্ষে নিয়ে যেতে হবে, যদি না এরূপ স্থানে ঐ আদালত অপেক্ষা ঐস্থানে এখতিয়াবান ম্যাজিস্ট্রেটের নিকটতর হয়, যেক্ষেত্রে ঐ তালিকা ও জিনিসপত্র অবিলম্বে ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং বিরুদ্ধ কিছু করার উত্তম কারণ না থাকলে ঐরূপ ম্যাজিস্ট্রেট ঐরূপ আদালতে ঐগুলি নিয়ে যাবার ক্ষমতা দিয়ে আদেশ দিবেন।

সহজ ভাষায়-
যদি কোনো আদালত একটি তল্লাশির পরোয়ানা জারি করে এবং তা আদালতের এখতিয়ার এলাকার বাইরে কোনো স্থানে কার্যকর করা হয়, তখন তল্লাশির সময় যেসব বস্তু খোঁজা হচ্ছিল, সেগুলো পাওয়া গেলে-পাওয়া যাওয়া বস্তুর একটি তালিকা তৈরি করতে হবে এবং এসব বস্তু এবং তালিকা অবিলম্বে সেই আদালতে জমা দিতে হবে, যেখান থেকে তল্লাশির পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তবে, যদি পরোয়ানা জারি করা আদালতের চেয়ে তল্লাশির স্থানের নিকটবর্তী অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, তাহলে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও বস্তু ও তালিকা জমা দেওয়া যেতে পারে। সেই ম্যাজিস্ট্রেট, যদি কোনো বিরোধী কারণ না থাকে, বস্তুগুলো মূল আদালতে পাঠানোর জন্য আদেশ দেবেন।
৪০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে কয়টি বিষয়ে আপিলের বিধান আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজধারী কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে ২ টি বিষয়ে আপিল করা যায়।
•১) ঘটনার প্রশ্নে ও ২) আইনের প্রশ্নে (Question of Law & Question of Fact).