বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা৮৩প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২৯ / ২৯ · ২,৮০১২,৮৮৩ / ২,৮৮৩

২,৮০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১(১) ধারা অনুসারে, এই কার্যবিধির অধীনে কোনো ব্যক্তি বা অধস্তন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪১(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করিতে পারবেন।"
অর্থাৎ, এই কার্যবিধির অধীনে কোনো ব্যক্তি বা সরকারের অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তাকে যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে, তা প্রত্যাহারের ক্ষমতা একমাত্র সরকারের (Government) আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 41-Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.

২,৮০২.
ফৌজদারি মামলার কোনো অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার পদ্ধতির কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. ক্রোকাদেশ > সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. সমন > ক্রোকাদেশ > গ্রেফতারি পরোয়ানা
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ > সমন
  4. সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
সঠিক উত্তর:
সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
• সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ।

• ফৌজদারি মামলার কোন আসামিকে আদালতে হাজির করার পদ্ধতি: 
i) সমন জারি;
ii) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি; অথবা
iii) হুলিয়া জারি এবং সম্পত্তি ক্রোক করার মাধ্যমে।
 
ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
১. সর্বপ্রথম আদালত সমন (সাধারণ নোটিশ) জারি করে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হওয়ার জন্য।
২. যদি সমন অমান্য করা হয়, তাহলে আদালত ওয়ারেন্ট বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হাজির করার জন্য।
৩. যদি ওয়ারেন্টও অমান্য করা হয়, তাহলে আদালত হুলিয়া বা ক্রোকাদেশ প্রদান করে।
২,৮০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে কয় শ্রেণীর বিচারিক আদালত আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
-------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
২,৮০৪.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
♦The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী  খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
♦যেহেতু The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কথা বলা হয়াছে তাই উত্তর হবে, The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭(৩) ধারা অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে।
♦ খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
২,৮০৫.
দায়রা আদালতে কার দ্বারা বাদীপক্ষের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা হয়?
  1. মামলার বাদী দ্বারা
  2. একজন পুলিশ অফিসার দ্বারা
  3. একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন আইনজীবী দ্বারা
সঠিক উত্তর:
একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ২৬৫ক অনুযায়ী: “In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.”
- অর্থাৎ দায়রা আদালত বা সেশন্স আদালতে বিচারের সময় বাদীপক্ষের (প্রসিকিউশনের) মামলা বাধ্যতামূলকভাবে পাবলিক প্রসিকিউটর (PP বা এপিপি) পরিচালনা করবেন।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
 -In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.

২,৮০৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুযায়ী আদালত সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. 544(2)
  2. 542
  3. 540(2)
  4. 543
সঠিক উত্তর:
544(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
544(2)
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪(২) অনুযায়ী, আদালত সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর খরচ এবং সুরক্ষা:

(১) সরকারের কোনো অর্ডার থাকার শর্তে, কোনো ফৌজদারি আদালত যদি মঞ্জুর করে, তবে সরকার পক্ষ থেকে অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে, যখন তারা কোনো তদন্ত, বিচার বা এই কোড অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রমে আদালতে উপস্থিত হন।

(২) কোনো আদালত, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন বা নিজ উদ্যোগে, ফৌজদারি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে, সেই ধরনের কোনো আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে যা কোনো তথ্যদাতা, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses and protection of complainants, witnesses and victims:

(1) Subject to any order made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Government, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.

(2) Any Court may, on the application of any aggrieved person or on its own motion, at any stage of a criminal proceeding, pass such order or take such steps as may be necessary for the protection or security of any informant, complainant, victim or witness.

২,৮০৭.
একজন দায়রা জজ কোন এলাকার জন্য 'জাস্টিস অব দ্য পিস' হতে পারেন?
  1. শুধু বিভাগীয় শহরের জন্য
  2. শুধু মহানগরী এলাকার জন্য
  3. তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
  4. দায়রা জজ জাস্টিস অব দ্য পিস হতে পারেন না
সঠিক উত্তর:
তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন।

Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
২,৮০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে কয় প্রকারের বিচারক থাকে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
---------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

২,৮০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুসারে, অভিযোগ প্রণয়নের পর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামির কী হবে?
  1. শাস্তি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. জামিন পাবে
  4. নতুন করে বিচার হবে
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪(খ) স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে অভিযোগ প্রণয়নের পর (চার্জ ফ্রেমিং-এর পর) মামলা প্রত্যাহার করা হলে আসামি সংশ্লিষ্ট অপরাধ থেকে খালাস (Acquittal) পাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

২,৮১০.
পুলিশ হেফাজতে কেউ মারা গেলে কে ইনকোয়ারি করবেন?
  1. থানার অফিসার ইনচার্জ
  2. দায়রা আদালত
  3. নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র অপরাধ আমল গ্রহণে যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

২,৮১১.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' উপস্থিত থাকলেও, 'ক' অনুপস্থিত থাকে। এক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. 'খ' কে খালাস দিবে
  2. মামলা বাতিল করবে
  3. মামলা স্থগিত রাখবে
  4. মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
ব্যাখ্যা
• উক্ত ক্ষেত্রে আদালত মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন; ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
২,৮১২.
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১ লাখ টাকা
  2. ২ লাখ টাকা
  3. ৩ লাখ টাকা
  4. ৫ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
২ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩২: বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে সাজা দিতে পারবেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা দিতে সক্ষম-
(ক) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব (solitary confinement) অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
- সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন অনুযায়ী যে কোনো সাজা দিতে পারবে, একাধিক ধরণের সাজা একত্রিত করে।

২,৮১৩.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালত অবমাননা করলে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮০: অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

২,৮১৪.
চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক-
  1. ২৫ হাজার টাকা
  2. ২০ হাজার টাকা
  3. ১৫ হাজার টাকা
  4. ১০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-
> মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ;
> ৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত;
> ৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> ৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ, ৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা, ৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন, ৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ;
> ৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উচ্চানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ;
> ১৭১ ও ১৭১৯ ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ: এবং
উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
২,৮১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এর অধীন কবর থেকে লাশ তোলার ক্ষমতা কার আছে?
  1. ডাক্তার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. পরিবারের সদস্য
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২)-এর অধীন, যখন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে ইতিপূর্বে কবর দেওয়া কোনো ব্যক্তির লাশ পরীক্ষা করা মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য যুক্তিযুক্ত, তখন তিনি লাশটি কবর থেকে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন। এই ক্ষমতা শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটের, অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.

২,৮১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ফরমের বিবরণ
  2. জামিনযোগ্য অপরাধ 
  3. ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্দেশ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে।
যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
--------------
ফৌজদারি কার্যবিধির পাঁচটি তফসিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গঠিত। প্রতিটি তফসিল আলাদা আলাদা দিক নির্দেশ করে, যা নীচে ব্যাখ্যা করা হলো:
1. ১ম তফসিল (First Schedule): এই তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে, অর্থাৎ বর্তমানে এর কোনো কার্যকারিতা নেই।
2. ২য় তফসিল (Second Schedule): এই তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং ফৌজদারি দন্ডবিধির অধীন অপরাধগুলো কোন আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, তা উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলটি অপরাধ শ্রেণিবিন্যাস এবং বিচারিক ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
3. ৩য় তফসিল (Third Schedule): এখানে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ রয়েছে। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা এই তফসিলে নির্ধারিত।
4. ৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule): এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে বা কিছু নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ এই অতিরিক্ত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।
5. ৫ম তফসিল (Fifth Schedule): এখানে বিভিন্ন ফরমের বিবরণ রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যে সকল ফরম ব্যবহৃত হয়, যেমন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি, সেগুলোর কাঠামো এবং প্রয়োগের নিয়মাবলী এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত।

এগুলো ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো ও ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

২,৮১৭.
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার ক্ষেত্রে কোন বিধান মানা বাধ্যতামূলক?
  1. পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতে করতে হবে
  2. গোপনীয় কক্ষে নারী পুলিশের উপস্থিতিতে করতে হবে
  3. শালীনতার রেখে নারী পুলিশ সদস্য দ্বারা করতে হবে
  4. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
সঠিক উত্তর:
শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে।
৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
২,৮১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী _________ কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে, উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে।
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ২ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে, উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
২,৮১৯.
"_____________" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath.
  1. Judicial proceeding
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Judicial confession
সঠিক উত্তর:
Judicial proceeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial proceeding
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী,
(ড) "বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম" অর্থ সেসব কার্যক্রম অন্তর্ভূক্ত হবে যেন আইনসঙ্গতভাবে শপথপূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে;

(m) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:

(ট) "ইনকোয়ারী" অর্থ হল এই আইন অনুসারে কোন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা আদালত দ্বারা পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত ইনকোয়ারী;

(ঠ) “তদন্ত" অর্থ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের লক্ষ্যে কোন পুলিশ অফিসার অথবা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হতে এতদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি (ম্যাজিষ্ট্রেট নন) দ্বারা পরিচালিত সকল কার্যক্রম;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ধারা অনুযায়ী বিচারিক দোষ স্বীকার (Judicial confession)- যখন কোন ব্যক্তি আদালত বা বিচারকের নিকট কোন দোষ স্বীকার করে, তখন তাকে বিচারিক দোষ স্বীকার বা Judicial confession বলে।

----------------------------
♦ The code of Criminal Procedure, 1908 Section 4:
(k) "inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court: 
 
(l) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf: 

(m) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:
২,৮২০.
আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৩৪১ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪৫ ধারায়
  4. ৩৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারামতে ফৌজদারি মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে ও সাক্ষী হতে পারবে। অর্থাৎ আসামী তার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং একই মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্য সকল আসামীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারবে। কোন মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি উকিলের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে।
২,৮২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সরকার বিশেষ কোন দিবসে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ ক্ষমতার আওতায় দণ্ড মওকুফ করতে পারেন?
  1. ৪০১ ও ৪০২ ধারায়
  2. ২০৩ ও ২০৪ ধারায়
  3. ৩০৪ ও ৩০৫ ধারায়
  4. ৩২৬ ও ৩২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০১ ও ৪০২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০১ ও ৪০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১ অনুযায়ী সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড স্থগিত [Suspend] বা মণ্ডকৃষ্ণ  করতে পারে এবং ৪০২ ধারায় দত্ত পরিবর্তন বা রদবদল [ Commutation] করতে পারে। বিশেষ কোন দিবস বলতে ২৬ই মার্চ ইত্যাদি দিনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ ক্ষমতার আওতায় সরকার দত্ত মওকুফ করতে পারে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতাঃ (১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দত্ত প্রাপ্ত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড কিংবা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করবার জন্য সরকার বরাবর আবেদন করা হয়, সেক্ষেত্রে যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত অথবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত কিনা সে সম্পর্কে তাঁর মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং উক্ত বিবৃতির সহিত বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(৩) যেরূপ শর্তে কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি মর্মে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করবেন এবং অতঃপর যে যে ব্যক্তির দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছিল সে মুক্ত থাকলে যেকোন পুলিশ অফিসার তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন এবং তার দণ্ডের অনতিবাহিত অংশ ভোগ করার জন্য তাকে কারাগারে প্রেরণ করা যাবে।
(৪) যে শর্তে এই ধারার অধীন দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করা হয় যা, যে ব্যক্তির দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করা হয় সেই ব্যক্তি পূরণ করবে অথবা শর্ত এমন হবে যা পূরণে সে স্বাধীন থাকবে।
(৪ক) এই বিধি বা অন্য কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী কোন ফৌজদারী আদালত কোন আদেশ দান করলে তা যদি কোন ব্যক্তির স্বাধীনতা খর্ব করলে বা তার বা তার সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করলে,উপরে বর্ণিত উপ-ধারা সমূহের বিধান এই আদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে ।
(৫) প্রেসিডেন্টের অনুকম্পা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরীকরণের বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকারে এই ধারার কোন কিছু হস্তক্ষেপ করবে মর্মে মনে করা যাবে না ।
(৫ক) প্রেসিডেন্ট কোন শর্ত সাপেক্ষে ক্ষমা মঞ্জুর করলে উক্ত শর্ত যে প্রকৃতিরই হোক না কেন তা এই আইন অনুসারে কোন উপযুক্ত আদালতের দণ্ড কর্তৃক আরোপিত শর্ত মর্মে আখ্যায়িত হবে এবং সেই অনুসারে বলবৎ যোগ্য হবে।
(৬) সরকার সাধারণ বিধিমালা বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক দণ্ড স্থগিত রাখা এবং আবেদন পেশ ও বিবেচনার শর্তাবলী সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন ।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০২ ধারার বিধান সাজা রদ বদলের ক্ষমতাঃ (১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেনঃ
মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এরর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।
২,৮২২.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১১৭(৩) ধারার অধীনে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকা সম্পাদন না করেন, তাহলে তাকে কতদিন পর্যন্ত হেফাজতে রাখা যেতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১৫ দিন
  2. সর্বোচ্চ ৩০ দিন
  3. অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
  4. আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১১৭(৩) ধারা অনুসারে,
ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, শান্তিভঙ্গ বা সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট বা কোন অপরাধ নিবারণ বা জননিরাপত্তার জন্য আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন তাহলে (১) উপধারা অনুসারে পরিচালিত অনুসন্ধানের সমাপ্তি সাপেক্ষে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে তিনি যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১২ ধারা অনুসারে আদেশ দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তির অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত শান্তি রক্ষার জন্য অথবা সদাচরণের জন্য জামিনদারসহ বা ব্যতীত একটি মুচলেকা সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ মুচলেকা সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত অথবা সম্পাদন না করলে অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন।

(3) Pending the completion of the inquiry under sub-section (1) the Magistrate, if he considers that immediate measures are necessary for the prevention of a breach of the peace or disturbance of the public tranquillity or the commission of any offence or for the public safety, may, for reasons to be recorded in writing, direct the person in respect of whom the order under section 112 has been made to execute a bond, with or without sureties, for keeping the peace or maintaining good behaviour until the conclusion of the inquiry, and may detain him in custody until such bond is executed or, in default of execution, until the inquiry is concluded:
২,৮২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুসারে, কে আদালতের কার্যধারার নকল নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. সরকারি কৌঁসুলি
  2. বাদী পক্ষ
  3. যে কোনো সাধারণ নাগরিক
  4. রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবেঃ শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548: Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
২,৮২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫ ধারার অধীন আদালত কি ধরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
  2. দণ্ডিত ব্যক্তির পারিবারিক তথ্য জানানোর আদেশ
  3. দণ্ডিত ব্যক্তির বাংলাদেশ ত্যাগ না করার আদেশ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা-৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)-

কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,
তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে।

তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
২,৮২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ কার্যকর করার এখতিয়ার কার আছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, যদি কোন মহিলা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং দেখা যায় যে তিনি গর্ভবতী, তাহলে "The High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life."
অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে।
- এছাড়া হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
- দায়রা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারা অনুযায়ী এ ধরনের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখে না।
অতএব, সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) হাইকোর্ট বিভাগ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার বিধান গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

২,৮২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, যদি জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত থাকে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিবেন
  2. মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
  3. মালিক খুঁজে না পাওয়ায় তা নষ্ট করবেন
  4. পুলিশ অফিসারের জিম্মায় দিয়ে দিবেন
সঠিক উত্তর:
মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩(২) ধারা অনুসারে, যদি জব্দকৃত মালিক অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং সম্পত্তির বিস্তারিত বর্ণনাসহ একটি ঘোষণা (proclamation) জারি করবেন যাতে বলা হবে যদি কেউ ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন, তাহলে ঘোষণার তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়ে সেই দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
২,৮২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকেন?
  1. ৪৯২
  2. ৪৯৩
  3. ৪৯৪
  4. ৪৯৫
সঠিক উত্তর:
৪৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯২
ব্যাখ্যা
⇒  সরকারপক্ষে দায়রা আদালতে যে মামলা পরিচালনা করে তাকে পাবলিক প্রসিকিউটর বলা হয়। 
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২ এর অধীন সরকার বা ক্ষেত্রমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতিত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
২,৮২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
  3. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
সঠিক উত্তর:
যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে 'যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য' তা উল্লেখ আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
-যা নিম্নরূপ-
 -দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি 
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২,৮২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি পদ্ধতিগত (Procedural Law or Adjective) আইন।

 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধের সংজ্ঞা, অপরাধ সংঘটনের উপাদান এবং শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ করা হলেও উক্ত অপরাধের বিচারের পদ্ধতির কোন বিধান নেই। দন্ডবিধির অধীন অপরাধসমূহ কিভাবে বিচার দন্ডবিধি প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানসমূহ করা হবে তা ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন। 
২,৮৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬(২) ধারা অনুযায়ী, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো দলিল, পার্সেল বা অন্য কোনো বস্তুর তল্লাশির জন্য পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬(২) ধারা অনুযায়ী, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোনো দলিল, পার্সেল বা বস্তু তল্লাশির পরোয়ানা কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইস্যু করতে পারেন।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারি করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পারসেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশি করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
২,৮৩১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৮ অনুযায়ী কোন ধারা অধীনে কমিশন ইস্যু হলে বিচার বা অনুসন্ধান মুলতবি রাখা যাবে?
  1. ৫০২ ও ৫০৪ ধারা
  2. ৫০৪ ও ৫০৫ ধারা
  3. ৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
  4. ৫০৭ ও ৫০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬-এর অধীন কমিশন জারি করা হলে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যেতে পারে। এই মুলতবি রাখার সময়কাল কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

২,৮৩২.
বিচারকারী আদালত রায় দেওয়ার সময় জরিমানায় টাকা থেকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে ___________।
  1. মামলা পরিচালনায় ব্যয়িত খরচ বহনে
  2. অপরাধের শিকার ব্যক্তির দেওয়ানি আদালতে আদায়যোগ্য ক্ষতিপূরণ
  3. চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ইত্যাদিতে অপরাধে সংশ্লিষ্ট পণ্য সরল বিশ্বাসে ক্রয়কারীকে
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫৪৫ ধারার বিধান জরিমানার টাকা হতে ব্যয় কিংবা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আদালতের ক্ষমতাঃ
(১) যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারী আদালত বর্তমানে কার্যকর কোন আইনের অধীন জরিমানা করেন কিংবা আপীলে, রিভিশনে বা অন্য কোনভাবে কোন জরিমানা কিংবা যে শাস্তি জরিমানার অংশ হয় তা অনুমোদন করেন, সেক্ষেত্রে আদালত রায় দিবার সময় আদায়কৃত জরিমানা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিম্নে বর্ণিত কর্মে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারবেন-

(ক) সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনায় যে ব্যয় হয়েছে তা নির্বাহ,

(খ) আদালত যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে, তাহলে সংশিষ্ট অপরাধে তাহার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তজ্জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(গ) কোন ব্যক্তি চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা কিংবা চোরাই জানিয়া বা চোরাই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চোরাইমাল অসৎভাবে গ্রহণ বা রাখা বা স্বেচ্ছায় উহা হস্তান্তর, সহায়তা ইত্যাদি কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং উক্ত পণ্য মালিককে প্রত্যর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি তা সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেছিল তাকে ক্ষতিপূরণ দান ।

(২) যে মোকদ্দমায় জরিমানা করা হল তা আপীলযোগ্য হলে আপীল দায়ের করার জন্য প্রদত্ত সময় অতিক্রান্ত না হলে কিংবা আপীল দায়ের করা হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্তরূপে অর্থ প্রদান করা হবে না।
২,৮৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মতে পুলিশ নাম ও ঠিকানা না জানালে বা জানাতে অস্বীকার করলে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে যদি সে নাম এবং বাসস্থান এর ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-57.Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained.
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required:
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh.
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.
২,৮৩৪.
'X', The Penal Code, 1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'X' কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'X' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'X' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪২৬
  2. ৪২৮
  3. ৪৩৫
  4. ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
♦ আপীল চলমান থাকাবস্থায় দণ্ড স্থগিতপূর্বক জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় বিচারিক আদালত, আপীল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ কে আপীল চলাকালীন দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]
♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]
♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]
♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]
♦ অর্থাৎ দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করলে আপিল আদালত দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড কার্যকর করার উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারেন এবং তাঁকে জেল হতে জামিনের মাধ্যমে মুক্তি দিতে পারেন।
২,৮৩৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পরে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসারের জন্য Memorandum of Arrest প্রস্তুত করা বাধ্যতামূলক?
  1. 43A
  2. 47A
  3. 46A
  4. 45A
সঠিক উত্তর:
46A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
46A
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

২,৮৩৬.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন ধরনের আপিল শুনানির ক্ষমতা রাখেন?
  1. শুধুমাত্র জামিন সংক্রান্ত আপিল
  2. সরকার নির্দেশিত আপিল
  3. দায়রা জজ কর্তৃক অর্পিত আপিল
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
২,৮৩৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট আমলযোগ্য অপরাধ তদন্তের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৫৪
  2. ১৫৫
  3. ১৫৭
  4. ১৯০
সঠিক উত্তর:
১৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৬: আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases)
(১) কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন, যা সেই থানার এলাকার মধ্যে ঘটে এবং যার বিচার করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট আদালতের রয়েছে (চ্যাপ্টার XV অনুযায়ী)।

(২) তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রমকে এই যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্তে অধিকারী ছিলেন না।

(৩) ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটও উক্ত ধরনের অপরাধে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
২,৮৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত বা আপিলকারী মৃত্যুবরণ করলে আপিল বাতিল হওয়ার বিধান আছে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪৩০
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত বা আপিলকারী ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং উক্ত আপিল কেবল তার সাজা বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণভাবে আপিল বাতিল (abate) হয়ে যায়।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যায় নির্ভর করে কে আপিলকারী তার উপর। এই ধারার মূল বক্তব্য হলো:
- ধারা ৪১৭ (খালাসের বিরুদ্ধে আপিল) এবং ধারা ৪১৭ক (অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল) এর অধীন যেসব আপিল হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেলে আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়।
- এই দুটি ধারায় সাধারণত পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী আপিলকারী হন, তাই আপিলকারীর মৃত্যু তেমন প্রভাব ফেলে না।
- কিন্তু অন্যান্য আপিল—যেমন ধারা ৪০৭, ৪০৮, ৪১০ ইত্যাদির অধীনে যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই আপিলকারী—সেক্ষেত্রে যদি সে মারা যায়, তবে আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যায়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 431. Abatement of appeals:
- Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
২,৮৩৯.
এক ব্যক্তি “খ” আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে আহত হলো এবং “গ” আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। উল্লেখিত ব্যক্তির সাথে সংঘঠিত অপরাধের বিচার কোন আদালতে করা যাবে?
  1. খ আদালতে
  2. গ আদালতে
  3. বাদী যেখানে চাইবে
  4. খ বা গ যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
খ বা গ যেকোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৭ অনুসারে, প্রত্যেকটি অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারধীন সীমানার মধ্যে সংঘটিত হয় সাধারণত সেই আদালত কর্তৃক এর অনুসন্ধান ও বিচার হবে।

• তবে ধারা ১৭৯ এ দেয়া আছে-
যেক্ষেত্রে কোন কিছু সম্পাদন এবং এর পরিণতির কারণে কোন কাজ অপরাধ হয় সেক্ষেত্রে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার নিম্নোক্ত যেকোনো একটি আদালতে হতে পারবে-

>যে আদালতের এখতিয়ারভুক্ত সীমানার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে
সেই আদালতে অথবা
>যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে এর ফলাফল দেখা দিয়েছে। 
২,৮৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫২ ধারা মতে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property) কে করিবেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. যে কোন ব্যক্তি
  3. সেনাবাহিনী
  4. পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-

- কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

--------------------
♦ Prevention of injury to public property
Section 152. A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
২,৮৪১.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'ক' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'ক' এর দরখাস্তটি ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৩৯
  3. ৪২৬
  4. ৪২৮
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৬ এ বলা হয়েছে- দণ্ডিত ব্যক্তির আপীল সাপেক্ষ আপীল-আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদেশ দিতে পারবেন যে, আপীলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামী আটক থাকলে আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দিতে হবে।
২,৮৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  3. গঠিত চার্জের প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো আসামীর সাক্ষ্য গ্রহণ। আসামীর বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, আসামী ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের আবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে আসামীর বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি আসামীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন আসামী সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে
২,৮৪৩.
যদি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারার অধীনে দেওয়া দণ্ড আপিলের মাধ্যমে বাতিল হয়ে যায়, তবে মুচলেকার কী হবে?
  1. মুচলেকা বহাল থাকবে
  2. মুচলেকা বাতিল হয়ে যাবে
  3. মুচলেকার পরিমাণ কমানো হবে
  4. মুচলেকা নতুন করে সম্পাদন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা বাতিল হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা বাতিল হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) মুচলেকা বাতিল হয়ে যাবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ অনুসারে, আদালত শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা দিতে আদেশ দিতে পারে শুধুমাত্র তখনই, যখন কোনো ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হয় এবং দণ্ডিত হয় নির্দিষ্ট অপরাধে।
তবে যদি ঐ দণ্ড আপিলের মাধ্যমে বাতিল হয়ে যায়, তাহলে সেই ব্যক্তির দোষী সাব্যস্ত হওয়া আর থাকে না, এবং সেই কারণে তার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ অনুসারে মুচলেকার আদেশ আর কার্যকর থাকে না।
এটা সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং বিচারিক দৃষ্টান্ত অনুযায়ীও স্বীকৃত যে, মূল দণ্ড যদি বাতিল হয়, তবে মুচলেকার ভিত্তি (conviction) উঠে যায়। ফলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যায়।
→ অর্থাৎ ধারা ১০৬ শান্তি রক্ষার মুচলেকা দেওয়ার ক্ষমতা দেয় শাস্তির সময়। যদি সেই শাস্তিই বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকা আর কার্যকর থাকে না।
- তাই খ) মুচলেকা বাতিল হয়ে যাবে — এই উত্তরটি সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.

২,৮৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২ অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতিতে যদি একজন আসামীর দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তার সর্বোচ্চ সাজা কত দিন হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২ অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতিতে যদি একজন আসামীর দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তার সর্বোচ্চ সাজা ২ বছর হতে পারে।

- এটি সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেখানে গুরুতর অপরাধের জন্য বিচারের ব্যবস্থা করা হয় না, বরং লঘু অপরাধের জন্য দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া প্রযোজ্য।
- এই প্রক্রিয়ায় সাজা দিতে হলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, যা গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য না।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৬২(২) অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারের (Summary Trial) মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া যাবে না।
ধারা ২৬২(২)-এর বিধান:
"No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter."
অর্থাৎ,  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২-এ স্পষ্ট বলা আছে যে, সংক্ষিপ্ত বিচারে ২ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া যায় না।
২,৮৪৫.
মুচলেকার আদেশ অনুযায়ী, মুচলেকা প্রদান না করলে আদালত কত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারামতে মুচলেকার আদেশ অনুযায়ী মুচলেকা প্রদান না করলে আদালত অনধিক ৩ বছরের জন্য কারাদন্ড প্রদান করতে পারে।
-----------------------------------
Imprisonment in default of security (Proceedings when to be laid before High Court Division or Court of Sessions)

♦ section 123(3) The Sessions Judge, after examining such proceedings and requiring from the Magistrate any further information or evidence which he thinks necessary, may pass such order on the case as he thinks fit: 
 
Provided that the period (if any) for which any person is imprisoned for failure to give security shall not exceed three years.
২,৮৪৬.
মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল-
  1. অভিযোগকারীকে শাস্তি(Punishment)
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি(Release)
  3. অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal)
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge)
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal)
ব্যাখ্যা
• চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।
[If a complainant,at any time before a final order is passed in any case under this Chapter,satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]

• অপরদিকে,৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিতে পারে।
২,৮৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. পরোয়ানা সহিত গ্রেফতার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রেফতার
  3. বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
  4. সাধারন নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার
সঠিক উত্তর:
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

Section 61: Person arrested not to be detained more than twenty-four hours-
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
২,৮৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২২-এর অধীনে দখল পুনরুদ্ধারের আদেশ কখন দেওয়া যেতে পারে?
  1. যেকোনো সময়
  2. শুধু দণ্ডাদেশ প্রদানের সময়
  3. মামলা দায়েরের ৩ মাসের মধ্যে
  4. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, শক্তি প্রদর্শন বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কাউকে কোনো স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করে এবং সেই অপরাধে দণ্ডিত হয়, তবে আদালত চাইলে দণ্ডাদেশ প্রদানের সময় বা দণ্ডের তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে দখল পুনরুদ্ধারের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখ করা হয়েছে, তখন আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানের সময় বা এই দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে যেকোনো সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে উক্ত আদেশ দ্বারা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
(৩) যেকোনো আপিল আদালত, দণ্ড অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 522. Power to restore possession of immovable property:
(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of any immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
২,৮৪৯.
পুলিশ তদন্তের সময় সাক্ষীর মৌখিক বক্তব্য লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে পারে কোন ধারার অধীনে?
  1. ১৬০ ধারায়
  2. ১৬১ ধারায়
  3. ১৬২ ধারায়
  4. ১৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী, পুলিশ তদন্তের সময় সাক্ষীর মৌখিক বক্তব্য লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
========
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
২,৮৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, ৫১ ধারায় জব্দকৃত বা চোরাই সন্দেহভাজন মাল জব্দ করলে পুলিশ অফিসারকে কী করতে হবে?
  1. মালিককে তা বুঝিয়ে দিতে হবে
  2. আদালতে অভিযোগ দাখিল করতে হবে
  3. সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া মাল খরচ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, যদি কোনো পুলিশ অফিসার ৫১ ধারায় জব্দ করা মাল, চোরাই মাল বা চোরাই সন্দেহে পাওয়া মাল, অথবা এমন কোনো সম্পত্তি যা অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টি করে, তা জব্দ করেন, তাহলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে সেই জব্দের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন।
এর পর ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্ধান্ত নেবেন মালটি দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান করা হবে কি না, অথবা, এমন ব্যক্তি চিহ্নিত না হলে মাল হেফাজতে রাখা হবে কি না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
২,৮৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রটি জনসাধারণের বাধ্যবাধকতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ করা
  2. সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. ব্যক্তিগত বিরোধে সহায়তা করা
  4. অন্য কাউকে গ্রেফতার করতে সাহায্য করা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত বিরোধে সহায়তা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত বিরোধে সহায়তা করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার বিধান জনসাধারণ যখন ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করবেন:
কোন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন
ক) অন্য কোন লোককে (যে লোককে গ্রেফতার করার জন্য উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসার ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন) গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ) শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সরকারী সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে ।
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-42. Public when to assist:
-Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid-
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest;
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
২,৮৫২.
X নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে A আহত হয় এবং Z নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে মারা যায়। A এর নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে?
  1. X নামক আদালতে
  2. Z নামক আদলতে
  3. X বা Z নামক আদালতে
  4. X এবং Z নামক আদালতে
সঠিক উত্তর:
X বা Z নামক আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X বা Z নামক আদালতে
ব্যাখ্যা
♦অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধের পরিণাম দেখা দিয়েছে সেই সেই আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে। 
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।
♦১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
♦অর্থাৎ A এর নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে X বা Z নামক আদালতে।
২,৮৫৩.
একজন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার সিদ্ধান্তে পার্সোনাল ইন্টারেস্ট (ব্যক্তিগত আগ্রহ) যুক্ত থাকে, তখন তাকে কী করতে হবে?
  1. মামলাটি বাতিল করতে হবে
  2. মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে
  3. মামলার বিচার করতে উভয় পক্ষের অনুমতি নিতে হবে
  4. অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে একজন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার সিদ্ধান্তে পার্সোনাল ইন্টারেস্ট (ব্যক্তিগত আগ্রহ) যুক্ত থাকে, তখন তাকে অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে।
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না।
৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, ঊর্ধ্বতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫৬: বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকার ক্ষেত্রে বিধান:
কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, যার আদালত থেকে আপিল করা যায় এমন আদালতের অনুমতি ছাড়া, এমন কোনো মামলার বিচার বা শুনানি পরিচালনা করতে পারবেন না যেখানে তিনি নিজে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত রয়েছেন। এছাড়া কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে প্রদত্ত কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত বলে গণ্য করা হবে না:
১. তিনি একজন পৌর কমিশনার বা অন্য কোনো সরকারি পদে রয়েছেন এবং সেই সূত্রে মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
২. তিনি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থান বা মামলার সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট তদন্ত করেছেন।

উদাহরণ: A একজন কালেক্টর হিসেবে B-কে এক্সাইজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করার নির্দেশ দেন। এই মামলায় A ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বিচার পরিচালনা করতে অযোগ্য হবেন, কারণ তিনি ব্যক্তিগতভাবে মামলার সাথে জড়িত।

- অর্থাৎ কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত থাকলে সেই মামলার বিচার বা শুনানি পরিচালনা করতে পারবেন না।
- শুধুমাত্র সরকারি পদে থাকা বা স্থান পরিদর্শন করা ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত হওয়া বলে গণ্য হবে না।
- এই বিধান মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রযোজ্য।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections 556. Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
- No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself. 

Explanation:–
- A Judge or Magistrate shall not be deemed a party, or personally interested, within the meaning of this section, to or in any case by reason only that he is a Municipal Commissioner or otherwise concerned therein in a public capacity, or by reason only that he has viewed the place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place in which any other transaction material to the case is alleged to have occurred, and made an inquiry in connection with the case. 

Illustration:
A, as Collector, upon consideration of information furnished to him, directs the prosecution of B or a breach of the excise Laws. A is disqualified from trying this case as a Magistrate.
২,৮৫৪.
কোন ধারা অনুযায়ী সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬২
  4. ধারা ২৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬১
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 
 
• কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী-
সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
২,৮৫৫.
১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত অপরাধ আপসযোগ্য হলে, তা আপোস করতে পারবে-
  1. উক্ত ব্যক্তির অনুমতি সাপেক্ষে যেকোন ব্যক্তি
  2. অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে ভুক্তভোগী
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উক্ত ব্যক্তির পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উক্ত ব্যক্তির পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উক্ত ব্যক্তির পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫(২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধি হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।

• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা অভিযুক্তের খালাস বলে গণ্য হবে।

• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা অভিযুক্তের খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
২,৮৫৬.
কোন আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা)-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা আদালত।

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২,৮৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে আপিল খারিজ করা যেতে পারে?
  1. যদি আপিল যথাযথভাবে নথিভুক্ত না হয়
  2. যদি আপিলকারী আদালতে উপস্থিত না হন
  3. যদি আপিলকারী একাধিকবার আপিল দাখিল করেন
  4. যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই
সঠিক উত্তর:
যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অধীনে যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই তখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:ঃ
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
২,৮৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন?
  1. ধারা ২০৩
  2. ধারা ২০৫
  3. ধারা ২০০
  4. ধারা ২০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-

(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
২,৮৫৯.
আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের দরখাস্ত কার বরাবর দাখিল করতে হবে?
  1. সরাসরি আপিল আদালত
  2. নিজের আইনজীবী
  3. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারা- আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

Section 420- Procedure when appellant in jail:
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২,৮৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি অনুমতি ছাড়াই বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সরকারি সলিসিটর
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উপরিউক্ত সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(১) অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর, অথবা সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য অফিসার অনুমতি ছাড়াই বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন। অন্য সকল ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(১) অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার অনুমতি ছাড়াই মামলা পরিচালনা করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

২,৮৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ কতদিনের কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে কোনো দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছর কারাদণ্ড হতে পারে। এর মানে হলো, সংক্ষিপ্ত বিচারে বিচারিত অপরাধ যদি গুরুতর না হয় এবং শাস্তি কম হয়, তবে আদালত একে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারে, কিন্তু এই ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ দুই বছরের বেশি হতে পারে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
- গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials:
(1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned.
→ Limit of imprisonment:
(2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.

২,৮৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারা অনুসারে কে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুসারে, দায়রা আদালত নিজে অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-কে নির্দেশ দিয়ে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা দিতে পারে, যদি সাক্ষ্য সংগ্রহের স্বার্থে তা প্রয়োজন হয় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় এই ক্ষমা প্রদান করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
২,৮৬৩.
অপরাধ করার জন্য যে সম্পত্তি ব্যবহার করা হয়েছে, উক্ত সম্পত্তি আদালত হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারে-
  1. অপরাধী খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত
  2. অনুসন্ধান বা বিচারের সময়
  3. প্রকৃত মালিক দাবি না করা পর্যন্ত
  4. প্রকৃত মালিক খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান বা বিচারের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান বা বিচারের সময়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১৬ক-

যে সম্পত্তি বিষয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে এবং উক্ত সম্পত্তি অনুসন্ধান বা বিচারের সময় ফৌজদারী আদালতে হাজির করা হলে আদালত এমন সম্পত্তি হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারে।

Section 516A- Order for custody and disposal of property pending trial in certain cases
When any property regarding which any offence appears to have been committed, or which appears to have been used for the commission of any offence, is produced before any Criminal Court during any inquiry or trial, the Court may make such order as it thinks fit for the proper custody of such property pending the conclusion of the inquiry or trial, and, if the property is subject to speedy or natural decay, may, after recording such evidence as it thinks necessary, order it to be sold or otherwise disposed of.
২,৮৬৪.
সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী (স্থলাভিষিক্ত) সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, তা নির্ধারণ করবেন-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৯- জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিগণ কর্তৃক প্রয়োগের বিধান

(১) এই বিধির অন্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ও কর্তব্য তার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি প্রয়োগ বা সম্পাদন করতে পারবেন।

(২) কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) স্থলাভিষিক্ত কে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে এই বিধি, বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন, তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যেখানে যেমন, লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

(৩) কোন অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারীকে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, এই বিধি বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে জজ উক্ত অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী বলে অভিহিত হবেন তাহা দায়রা জজ লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

Section 559- Provision for powers of Judges and Magistrates being exercised by their successors in office
(1) Subject to the other provisions of this Code, the powers and duties of a Judge or Magistrate may be exercised or performed by his successor in office. 
 
(2) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Magistrate, the Chief Metropolitan Magistrate or, the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, the District Magistrate shall determine by order in writing the Magistrate who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Magistrate. 
 
(3) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Additional or Assistant Sessions Judge, the Sessions Judge shall determine by order in writing the Judge who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Additional or Assistant Sessions Judge.
২,৮৬৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 173A অনুযায়ী, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা পুলিশ সুপার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
জেলা পুলিশ সুপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পুলিশ সুপার
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৭৩A (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে জেলা পুলিশ সুপার সঠিক উত্তর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

২,৮৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, সরকার দায়রা বিভাগ বা জেলার সংখ্যা বা সীমা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে কোন ধারার অধীনে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure) এর ধারা ৭ অনুযায়ী, সরকার দায়রা বিভাগ (Sessions Division) এবং জেলার (District) সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
 - ধারা ৭(২) স্পষ্টভাবে বলে:
"The Government may alter the limits or the number of such divisions and districts."
অর্থাৎ, সরকার দায়রা বিভাগ ও জেলার সংখ্যা বা সীমানা ইচ্ছামতো পরিবর্তন করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।
(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।
(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।

২,৮৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে ক্ষমা করার বিধান রয়েছে?
  1. দুষ্কর্মের সাক্ষীকে
  2. দুষ্কর্মের সহযোগীকে
  3. দুষ্কর্মকারীকে
  4. উল্লেখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগীকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগিকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।

৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট

৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।

Section 337- Tender of pardon to accomplice
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate] or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall] exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the 318[Chief Judicial Magistrate] has been obtained to the exercise thereof. 
 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session. 
 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.
২,৮৬৮.
আপিল বিভাগে মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষিত হয় কোন সনে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
ব্যাখ্যা
♦ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের উদ্দেশ্যে জনাব মাজদার হোসেনসহ কতিপয় বিচার বিভাগীয় অফিসার ১৯৯৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নং- ২৪২৪ /৯৫ দায়ের করেছিলেন। বিষয়টির উপর ১৩ জুন ১৯৯৬ সাল থেকে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ শুনানির পর হাইকোর্ট বিভাগ ৭ মে ১৯৯৭ সালে রায় প্রদান করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপীল করে (দেওয়ানী আপীল নং- ৭৯/ ১৯৯৯) এবং আপীল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের উক্ত রায় নিরীক্ষণ করে ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে রায় প্রদান করে ( ৫২ ডি এল আর, ৮২ )
২,৮৬৯.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি যে জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যদি সেটি তার থাকার স্থান না হয়, তাহলে কতক্ষণ এর মধ্যে তার পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

২,৮৭০.
'জামিনঅযোগ্য অপরাধ' সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ৩য় তফসিলে
  2. ২য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধির ২য় তফসিলে জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:

১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
-----------
- ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল ও কলাম:
প্রথম তফসিল: বাতিল
দ্বিতীয় তফসিল: এতে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিচে বর্ণিত:
১ম কলাম: দণ্ডবিধির ধারা
২য় কলাম: অপরাধের নাম
৩য় কলাম: আমলযোগ্য অপরাধ বা আমল অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম: ওয়ারেন্ট বা সমন প্রদান করা হবে
৫ম কলাম: জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম: আপোষযোগ্য বা আপোষঅযোগ্য
৭ম কলাম: শাস্তি
৮ম কলাম: আদালতের এখতিয়ার
তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা
চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা 
পঞ্চম তফসিল: ফরমসমূহ (৫৩টি)
২,৮৭১.
বেসরকারি ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন, যদি অপর ব্যক্তিটি-
  1. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
  2. কোনো অপরাধ করেছেন মর্মে সন্দেহ হয়
  3. আমলযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য যেকোনো অপরাধ করেন
  4. জামিন যোগ্য ও অ-আমলযোগ্য অপরাধ করেন
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে।
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]
♦ ৫৯ ধারা তে বলা আছে (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।ত
(২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২,৮৭২.
Section 118 of the Criminal Procedure Code states that- no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, that specified in the order made under __________.
  1. Section 112
  2. Section 113
  3. Section 114
  4. Section 116
সঠিক উত্তর:
Section 112
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 112
ব্যাখ্যা
Section-118: Order to give security:
If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 

Provided- 
firstly , that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112:  
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
২,৮৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে নকল প্রদান সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪৪
  2. ধারা ৫৪৬
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালত থেকে নকল পেতে পারে। সাধারণত খরচ দিতে হয়, তবে বিশেষ কারণ থাকলে বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
২,৮৭৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার নীতিটি প্রযোজ্য হবে না কোন ক্ষেত্রে?
  1. অভিযোগ খারিজের ক্ষেত্রে
  2. ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে
  3. আসামীকে অব্যাহতির ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার বিধান একবার সাজাপ্রাপ্ত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না কিন্তু ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যাতে বলা আছে নালিশ খারিজ, ধারা-২৪৯ এর অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেওয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসাবে পরিগণিত করা যাবে না।

♦অভিযোগ খারিজের ক্ষেত্রে আসামী অব্যাহতি পায়, ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ হলে আসামী মুক্তি পেতে পারে বা অন্য যে ক্ষেত্রে আসামী অব্যাহতি পেতে পেরে, সেই সকল ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। কারণ এই সকল ক্ষেত্রে অব্যাহতি বা মুক্তি খালাস বলে গণ্য হবে না।
২,৮৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে কয় শ্রেণীর বিচারক থাকে?
  1. ৫ শ্রেণীর
  2. ৪ শ্রেণীর
  3. ৩ শ্রেণীর
  4. ২ শ্রেণীর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।

-ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
-(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.] 
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.] 
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
২,৮৭৬.
হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত কোন ধরনের অধিকার রক্ষা করে?
  1. ভোটের অধিকার
  2. চুক্তির অধিকার
  3. ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
  4. সম্পত্তির অধিকার
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার।
⇒ হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus) একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ — “তাকে হাজির করো”। এটি একটি সংবিধানসম্মত ও মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার আইনি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যদি কোন ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া আটক বা বন্দী করা হয়, তবে তাকে অবিলম্বে আদালতে হাজির করার নির্দেশ জারি করা যায়।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট একটি মৌলিক অধিকার রক্ষাকারী রিট, যা প্রধানত ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (Right to Personal Liberty) রক্ষা করে।
- এটি তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে বা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক করা হয়।
→ এই রিটের মূল উদ্দেশ্য হলো: একজন নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা বা মুক্তি নিশ্চিত করা।
যদি আদালত মনে করে যে ওই ব্যক্তি বেআইনিভাবে আটক রয়েছেন, তবে তাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
 
→ অর্থাৎ হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত ব্যক্তির বেআইনী আটক থেকে মুক্তি ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (Right to Personal Liberty) রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি সংবিধানের ৩৩ ও ১০২ অনুচ্ছেদ এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় প্রতিষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রতিকার।
২,৮৭৭.
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of _______.
  1. revision
  2. appeal
  3. second appeal
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
revision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
revision
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:

কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

Section 440: Optional with Court to hear parties

No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
২,৮৭৮.
বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালত মোট কয়টি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে (Criminal Procedure Code, 1898) ধারা ৬(১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত দুইটি শ্রেণির: ১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions) ২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

২,৮৭৯.
দণ্ডবিধির অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহ কীভাবে তদন্ত ও বিচারাধীন হবে?
  1. শুধুমাত্র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা
  2. আলাদা বিশেষ আইন অনুযায়ী
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
“All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.”
- অর্থাৎ, দণ্ডবিধি (Penal Code) অনুযায়ী সংঘটিত সকল অপরাধ: তদন্ত (investigation), অনুসন্ধান (inquiry), বিচার (trial), এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া সবকিছু ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
২,৮৮০.
কোনো সংবাদপত্র বা পুস্তক যা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকারের জন্য মানহানিকর হলে বা অশ্লীল হলে তা বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. দায়রা আদালত
  3. সরকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
২,৮৮১.
ম্যাজিস্ট্রেট The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মোতাবেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. 501
  2. 504
  3. 539A
  4. 539B
সঠিক উত্তর:
539B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
539B
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর  ধারাঃ ৫৩৯খ (১) কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই স্থান অথবা উক্ত অনুসন্ধান বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করবেন।
(২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে । পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা আসামী চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবাহ করতে হবে।
২,৮৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রসিকিউশন পরিচালনার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত থাকে?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. বাদী কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial) 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫খ ধারা তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A. Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B. Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
২,৮৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি প্রশ্নের উত্তর না দেয় বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. তাকে শাস্তি দিতে পারে
  2. তাকে মুক্তি দিতে পারে
  3. তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পুলিশ হেফাজতে দিতে পারে
  4. আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি প্রশ্নের উত্তর না দেয় বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তাহলে আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

→ ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
→ (2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
(4) No oath shall be administered to the accused