বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা / ২৯ · ১০১২০০ / ২,৮৮৩

১০১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০২ক অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে কে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক (Section 402A)-এ বলা হয়েছে: “The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.”
- অর্থাৎ, যেসব ক্ষমতা ধারা ৪০১ ও ৪০২-এর মাধ্যমে সরকারকে দেওয়া হয়েছে, যেমন: দণ্ড স্থগিত করা (suspend), দণ্ড মওকুফ করা (remit), অথবা দণ্ড পরিবর্তন করা (commute) এই ক্ষমতাগুলো মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।
- এই ধারা মূলত রাষ্ট্রপতির দয়ার ক্ষমতা (clemency power) নিশ্চিত করে, যাতে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন।

→ সুতরাং, ধারা ৪০২ক অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত দণ্ড স্থগিত, মওকুফ বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।
- সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.
১০২.
খায়রুল ও হারুন হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। হারুন দোষ স্বীকার করে। হারুন এর দোষ স্বীকার খায়রুল এর বিরুদ্ধে প্রযোজ্য হবে-
  1. খায়রুল ও হারুনের যৌথভাবে বিচার হলে।
  2. হারুন নিজের সাথে খায়রুলকে জড়িয়ে দোষ স্বীকার করলে।
  3. হারুন এর দোষ স্বীকার প্রমাণিত হলে।
  4. সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা-৩০ অনুযায়ী- যেখানে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে একজনের দোষ স্বীকার, যা দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করেছে, তা প্রমাণ করা হয়েছে, সেখানে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারকারী ও অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেই দোষ স্বীকার বিবেচনা করতে পারেন।
১০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে, তা স্বাক্ষর করবে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে:
৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
----------------------------
⇒ Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges:
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
১০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন সাক্ষীর প্রতি সমন ইস্যু করতে পারেন?
  1. আদালতের নিজস্ব উদ্যোগে
  2. সরকার পক্ষের আবেদনক্রমে
  3. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর
  4. ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে সাক্ষীর প্রতি সমন ইস্যু করতে পারেন। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের discretion বা বিবেচনার উপর নির্ভর করে, তবে আবেদনকারী পক্ষের অনুরোধে তারা এই ব্যবস্থা নিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোনো জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।
(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence:
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court.
(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing.
(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
১০৫.
Code of Criminal Procedure- এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৬
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।

• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।

• অন্যদিকে, পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offence] সংবাদ দিলে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ১৫৫ ধারা অনুসরণ করেন।১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা -

১. Non-Gr (Non-Registered) Case;
২. Non-FIR Case;
৩. Non-Cognizable Case নামে পরিচিত.

আবার, আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে।
১০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে কী করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ নিজে গ্রহণ করতে পারেন
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন
  3. পুলিশকে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
-হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ তফসিলে
  4. তৃতীয় তফসিলে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফসিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়।

- ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।

ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

- অর্থাৎ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
১০৮.
"Trial in absentia" refers to-
  1. absence of complainant
  2. absence of witness
  3. absence of accused
  4. absence of plaintiff
সঠিক উত্তর:
absence of accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
absence of accused
ব্যাখ্যা
''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী কার অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. পুলিশের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
১১০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কাকে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ করতে হস্তক্ষেপ করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. যেকোন ব্যক্তিকে
  2. পুলিশ অফিসারকে
  3. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে
  4. উল্লিখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ-
 
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
 
Section 152: Prevention of injury to public property-
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
১১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ক ধারা অনুযায়ী, 'shown arrest' অনুমোদনের জন্য কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে
  2. অভিযুক্তকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে
  3. ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করতে হবে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬৭ক : shown arrest ও আটক সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব:
(১) কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি চান যে, কোনো ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় আটক আছেন, তাঁকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হোক, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এমন প্রার্থনা অনুমোদন করবেন না, যদি না—
- ওই আটক ব্যক্তিকে তাঁর সামনে হাজির করা হয়,
- ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করা হয়,
- অভিযুক্তকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনে যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া যায়।

(২) যদি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেপ্তার শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইনের অধীনে কাউকে আটক রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর অনুমতি দেবেন না।

(৩) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো কর্মকর্তা, যিনি আইনগত ক্ষমতার বলে কাউকে আটক রাখার অধিকারী, তিনি বেআইনিভাবে কাজ করেছেন, তবে তিনি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

১১২.
ম্যাজিস্ট্রেট কয়টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-

> অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
> পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
> তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোন তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] । তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
১১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারায় হাইকোর্ট দণ্ডিত ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. শাস্তি মওকুফের
  2. অধিকতর অনুসন্ধানের
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা-
 
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
 
হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 
Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken-
 
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
 
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১১৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে?
  1. ১৭২ ধারা
  2. ১৭৩ ধারা
  3. ১৭৪ ধারা
  4. ১৭১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
♦ধারাঃ ১৭২ বলা আছে যে (১) এই অধ্যায়ের অধীন তদন্তকারী পুলিশ অফিসার প্রতিদিন ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন, কখন তার নিকট খবর পৌছাল, কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করলেন, কোন স্থা বা স্থানগুলি তিনি পরিদর্শন করলেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে যে অবস্থা সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হলেন ।
(২) যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশ ডায়ের চাহিয়া পাঠাতে পারেন এবং এই ডায়ের সংশ্লিষ্ট মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে নহে, তবে উহার অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। আদালত কেবল এই ডায়ের দেখেছেন বা উহার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলেই আসমী বা তার প্রতিনিধি উহা চাহিয়া পাঠাবার বা দেখিবার অধিকারী হবেন না; তবে এই ডায়ের প্রণয়নকারী পুলিশ অফিসার যদি তার স্মৃতি সজীব করার জন্য ব্যবহার করেন, অথবা আদালত যদি উক্ত অফিসারের বিরোধিতা করার জন্য উহা ব্যবহার করেন, তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারা, যেখানে যেরূপ প্রযোজ্য হবে।
১১৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দিতে পারেন-
  1. ৫২২ ধারা
  2. ৫৫৫ ধারা
  3. ৫৪৪ ধারা
  4. ৪৪৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২২ ধারা
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২২ ধারায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দিতে পারেন এবং ১৪৫ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন।
১১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. মূল্য ১০ টাকার কম হলে
  2. সম্পত্তি দ্রুত ক্ষয়শীল হলে
  3. মালিকের জন্য বিক্রয় কল্যাণকর হলে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবক্ষেত্রে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত যেকোনো পরিস্থিতিতে আটককৃত সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন—
১) মূল্য ১০ টাকার কম হলে,
২) সম্পত্তি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হলে,
৩) বিক্রয় মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে,
৪) এবং যদি মালিক অজানা বা অনুপস্থিত থাকেন।
- এই সকল পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১১৭.
ধারা ২৪৩ অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং যথাযথ কারণ দেখায় না কেন তাকে দণ্ডিত করা হবে না, তখন ম্যাজিস্ট্রেট কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন
  2. অভিযোগের পুনরায় তদন্ত করবেন
  3. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেন
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪৩- অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে দণ্ডন:

যদি অভিযুক্ত স্বীকার করে যে তিনি অভিযুক্ত অপরাধটি করেছেন, তবে তার স্বীকৃতি সম্ভবত তার ব্যবহৃত শব্দে যতটা সম্ভব সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা হবে; এবং যদি অভিযুক্ত কোনো যথাযথ কারণ না দেখায় কেন তাকে দণ্ডিত করা হবে না, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সেই অনুযায়ী দণ্ডিত করতে পারেন।
১১৮.
দুইটি রাজনৈতিক দল একই জায়গায়, একই সময়ে সমাবেশ ডাকলে এবং সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবার সম্ভাবনা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রয়োগ করা হয়?
  1. ১৪৪ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৬৪ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে বা ঘটার সম্ভাবনা থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।

• ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
১১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৪ ধারা
  3. ৪৯৩ ধারা
  4. ৪৯২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে রায় ঘোষণার পূর্বে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন। এই প্রত্যাহার সাধারণভাবে হতে পারে অথবা নির্দিষ্ট এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে হতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী দুইটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের অবস্থান নির্ধারিত হয়:
১) যদি অভিযোগ গঠনের পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharged) দিতে হয়।
২) যদি অভিযোগ গঠনের পরে বা যেখানে অভিযোগ গঠন প্রয়োজন হয় না, সেখানে মামলা প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্তকে খালাস (Acquitted) দিতে হয়।
→ ধারা ৪৯৪ এর মূল উদ্দেশ্য হলো: আদালতের অনুমতিক্রমে প্রসিকিউশনের বিচারিক কার্যক্রম থেকে সরে আসার ব্যবস্থা রাখা, যা ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় আদেশ কে জারি করতে পারে?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান
- (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হওয়ার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা শান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।
(২) জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারি করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।
(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।
(৪) যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই নামানুসারে তার নিজের বা তার অধীন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কুলির মাধ্যমে তার নিকট হাজির হওয়ার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কার ক্ষেত্রে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই নামানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।
(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
১২১.
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পূর্ব শর্ত কোনটি?
  1. ক্রোক (৮৮ ধারা)
  2. জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি
  3. হুলিয়া (৮৭ ধারা)
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী- যে ক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং কখনই আদালতে উপস্থিত হয় নাই সে ক্ষেত্রে তার অনুপস্থিতি বিচার শুরু করার আগে- প্রথমে কমপক্ষে ৩০ দিনের সময় দিয়ে হুলিয়া জারি করতে হবে, অতপর ম্যাজিস্ট্রেট তার সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিবেন এবং সর্বশেষে বহুল প্রচারিত ২ টি বাংলা পত্রিকায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন

♦ উল্লেখ্য, যে ক্ষেত্রে আসামী হাজির হওয়ার পর বা জামিন নেওয়ার পর পলায়ন করে বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়- সেক্ষেত্রে উপরোক্ত বিধান প্রযোজ্য নয়।
১২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার অধীন পুলিশের নিকট প্রদত্ত সাক্ষ্য কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. যেকোনো অনুসন্ধানে
  2. যেকোনো অনুসন্ধানে বা বিচারে
  3. উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
  4. কোনো ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-

(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না; এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। প্রদত্ত ধারা অনুসারে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

• পুলিশ সাক্ষীর যে জবানবন্দি ১৬১ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে, তা বিচার বা অনুসন্ধানে নিম্নলিখিত ২ টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়-

i. জবানবন্দিটি যদি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হয়। [সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা]
ii. জবানবন্দিটির উপর ভিত্তি করে পুলিশ কোন বিষয় উদঘাটন করলে। [সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা]
১২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুসারে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১২৪.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. অব্যাহতি
  4. নিষ্কৃতি
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।

♦ অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
১২৫.
আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনাবশত কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে বা কোন সন্দেহজনক মৃত্যু হলে বা পুলিশ হেফাজতে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে সুরতহাল পরিচালনা করতে পারে?
  1. ১৭৫ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৩ ধারা
  4. ১৭৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৪(৫) ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত ম্যাজিষ্ট্রেটগণ সুরতহাল তদন্ত পরিচালনা করতে ক্ষমতাবান যথা চীফ মেট্রোপলিটনম্যাজিষ্ট্রেট, যে কোন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট।
♦ অর্থাৎ ধারা ১৭৪(৫) অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরতহাল করতে ক্ষমতাবান।
♦ Section 174 sub-section(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Govern- ment or the District Magistrate.

(Sub-section (5) was substituted by The Code of Criminal Procedure (Amendment) Act 2009)
১২৬.
আপিলের দরখাস্তের সাথে কি দাখিল করতে হবে?
  1. আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
  2. আপিলকৃত মামলার আরজির কপি
  3. সাক্ষ্যের বিবরণ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকৃত রায় বা আদেশের কপি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৯- আপিলে দায়েরের পদ্ধতি

প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419: Petition of Appeal
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
১২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারার (৪) উপধারায় সরকার কাকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।

• ১৯০ ধারার উপধারা (৪) এ দেয়া আছে-
সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

Section 190(4)-
Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.
১২৮.
In which section of the Code of Criminal Procedure is it stated that 'Separate charges for distinct offences'?
  1. 233
  2. 234
  3. 235
  4. 236
সঠিক উত্তর:
233
উত্তর
সঠিক উত্তর:
233
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।
উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
-------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences:
- For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239. 
Illustration 
A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
১২৯.
'চ' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'ছ'-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির অভিযোগ দায়ের করেন। হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'ছ' হাজির থাকলেও, 'চ' অনুপস্থিত থাকে। এক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. 'ছ' কে খালাস দিবে
  2. 'ছ' কে অব্যাহতি দিবে
  3. মামলা স্থগিত রাখবে
  4. মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
ব্যাখ্যা
উক্ত ক্ষেত্রে আদালত মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন; ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১৩০.
'ক' ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরি, চোরাইমাল গ্রহন, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সহ একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার শেষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হয়। তাহলে 'ক' উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. অব্যাহতি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. মুক্তি পাবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়, তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে খালাস বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
১৩১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন সাধারণ ব্যক্তি কেউ non- bailable ও cognizable অপরাধ করে তখন তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৫৪
  2. ৫৬
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-

ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

১৩২.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. দায়রা জজের নিকট আপীল
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
১৩৩.
'ক' একজন ফরিয়াদি,'খ'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও 'ক' হাজির হননি।উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. ফরিয়াদীকে পরের দিন উপস্থিত হতে বলবেন
  2. অভিযুক্ত অব্যাহতি পাবেন
  3. অভিযুক্ত খালাস পাবেন
  4. মামলা যথারীতি চলবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত খালাস পাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত খালাস পাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

• তবে,যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে,অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।
১৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে "Sentence of death" সম্পর্কিত ধারা কোনটি?
  1. ধারা ৩৬৭
  2. ধারা ৩৬৮
  3. ধারা ৩৬৯
  4. ধারা ৩৭০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।
(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে মানসিকভাবে অসুস্থ আসামিকে কার দ্বারা পরীক্ষা করানো হবে?
  1. পুলিশ সার্জন
  2. সিভিল সার্জন
  3. সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার
  4. 'খ' অথবা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলাকালে আদালতের মনে হয় যে সে মানসিকভাবে অসুস্থ ও বিচার মোকাবিলা করার মত অবস্থায় নেই, তাহলে বিচারক আসামিকে একজন সিভিল সার্জন অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- তাই সঠিক উত্তর: 'খ' অথবা 'গ' — অর্থাৎ সিভিল সার্জন অথবা সরকার নির্ধারিত মেডিকেল অফিসার।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
১৩৬.
কোন অপরাধের বিচারের এখতিয়ার দায়রা আদালতের নাই?
  1. ডাকাতি
  2. হত্যা
  3. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  4. শিশু পাচার
সঠিক উত্তর:
শিশু পাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশু পাচার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

উল্লেখিত অপরাধগুলোর মধ্যে শিশু অপরাধের বিচার আমলে নেয়ার এখতিয়ার শুধু 'মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল' এর আছে, বাকি গুলো দায়রা আদালত নিতে পারে।
১৩৭.
যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে আদালত-
  1. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের পরোয়ানা জারি করবে
  2. দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিবে
  3. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা জারি করবে
  4. উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনো আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারামতে, 

(১) যে ক্ষেত্রে কোনো আসামিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়, তখন শাস্তি দানকারী আদালত দুটি বা উভয় উপায় মোতাবেক জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন—

(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা

(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানি পদ্ধতি মোতাবেক পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের ক্ষমতা দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। 

তবে শর্ত থাকে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হবেন এবং যদি অনাদায়ের কারণে কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে কোনো আদালত (ক) ও (খ)-এ উল্লেখিত পরোয়ানা দেবেন না। তবে বিশেষ কোনো কারণবশত আবশ্যক মনে করলে আদালত ওই কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দেবেন।

(২) সরকার (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদ পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া ওই পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অপর কোনো ব্যক্তির কোনো দাবি থাকলে সেটি নির্ধারণের ব্যবস্থা করার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবে সরকার।

(৩) আদালত যখন (১) উপধারার (খ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কালেক্টরকে পরোয়ানা দেন তখন ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, ওই পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করতে হবে। নিকটতম যে দেওয়ানি আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন, ওই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে ওই ডিক্রিদাতা আদালত বলে গণ্য করতে হবে। ডিক্রি জারির ব্যাপারে কার্যবিধির বিধানগুলোও একই ভাবে প্রযোজ্য হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক রেখে এমন কোনো পরোয়ানা বলবৎ করা যাবে না। 
১৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীকে সমন দিলে, সমন তার কর্মস্থলে পাঠাতে হবে -
  1. তার অফিস বরাবর
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।
- যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেথা
-অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72. Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section. 
(2) Such signature shall be evidence of due service.
১৩৯.
যখন একই অপরাধের জন্য অভিযোগের ভিত্তিতে সি.আর কেস এবং পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে অন্য একটি মামলা চলমান থাকে, সেই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি সঠিক?
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলাটি চলমান থাকবে
  2. একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
  3. উভয় মামলার বিচার এবং অনুসন্ধান স্থগিত থাকবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রে অনুসন্ধান এবং বিচার করা যাবে 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে-

নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন এবং তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে [ধারা ২০৫(ঘ)(২)]
১৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক কোনো সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য, কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ২ মাসের
  2. ১ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ৩ মাসের
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
১৪১.
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত সময়ের জন্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮: রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদান-
যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত, জানতে পারেন যে তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি আছেন, যিনি ওই এখতিয়ারের ভেতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচার করেন বা প্রচারের চেষ্টা করেন, অথবা প্রচারে সহায়তা করেন-**
(ক) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১২৩ক বা ১২৪ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(খ) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(গ) বিচারক সম্পর্কিত এমন কোনো বিষয়, যা দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল;

তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যদি তাঁর মতামত অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ থাকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য, সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য হতে পারে।

তবে, কোনো নিবন্ধিত প্রকাশনা, যা "মুদ্রণ যন্ত্র ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৩" অনুযায়ী সম্পাদিত, মুদ্রিত এবং প্রকাশিত হয়েছে, তার সম্পাদক, প্রকাশক, মুদ্রক বা মালিকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীনে কোনো কার্যক্রম নেওয়া যাবে না, যদি না সরকার বা সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার নির্দেশ বা অনুমোদন থাকে।
১৪২.
কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার অধীনে একই বিচারে একাধিক অপরাধের শাস্তি প্রদান করেন, তবে মোট শাস্তির পরিমাণ-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
  2. ২০ বছরের অধিক কারাদণ্ড হবে না
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের তিন গুণের বেশী হবে না
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ এখতিয়ারের দ্বিগুণের বেশী হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
১৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আসামির দোষ স্বীকারের প্রেক্ষিতে দণ্ডিত করার ক্ষমতা কোন আদালতের রয়েছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. 'ক' অথবা 'খ' উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঙ বিশেষভাবে দায়রা আদালত (Court of Session)-এর জন্য প্রযোজ্য। এটি অধ্যায় XXIIA-এর অধীন একটি বিশেষ বিধান যা শুধুমাত্র দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ পর্যন্ত বিধানগুলো দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
অন্যদিকে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি অধ্যায় XX (ধারা ২৪১-২৫০)-এ বর্ণিত হয়েছে। 
- ধারা ২৬৫ঙ-তে  "দায়রা আদালতে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড" নির্দেশ করে। 
সুতরাং, শুধুমাত্র দায়রা আদালতই ধারা ২৬৫ঙ-এর অধীন আসামির দোষ স্বীকারের প্রেক্ষিতে তাকে দণ্ডিত করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেন বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

১৪৪.
কোন ধরনের অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯(খ) অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না?
  1. জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযুক্ত
  2. আদালতে হাজির হওয়ার পর অভিযুক্ত পলাতক হলে
  3. পরোয়ানা জারির পর স্বেচ্ছায় হাজির না হওয়া অভিযুক্ত
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে; অর্থাৎ পলাতক বা আত্মগোপন করেছে এমন অভিযুক্তকে সর্বনিম্ন ৩০ দিনের সময় দিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে এবং লিখিত হুলিয়া জারি করেছে। তবে উক্ত লিখিত হুলিয়া জারির পরও অভিযুক্ত হাজির হয়নি এবং এই কারণে ৮৮ ধারা অনুসারে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছে।

২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।

জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার:
পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্ন লিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না। ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, যেক্ষেত্রে-
i. অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার পর বা
ii. অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার পর বা

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পলাতক হয় বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে এমন পলাতক ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার প্রয়োজন নেই।
১৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে কে দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. পুলিশ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা মতে সরকার দণ্ড হ্রাস, মওকুফ ও পরিবর্তন করতে পারেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত অথবা মওকুফ করার ক্ষমতা (Power to suspend or remit sentences): সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা শর্তসাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে পারেন বা সম্পূর্ণ দত্ত বা দণ্ডের অংশবিশেষ মওকুফ করতে পারেন।
- যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হলে, সরকার আদালতের প্রিজাইডিং জজকে আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিনা, সে সম্পর্কে মতামত জানাতে বলতে পারে এবং বিচারের নথি নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
- যে সকল শর্তে দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তি তখন মুক্ত থাকলে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে।
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরে বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-401.Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
১৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের কাস্টডিতে থাকা জিনিসের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিতে পারেন কে?
  1. যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬(২) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছে যে, ডাক বিভাগ বা টেলিগ্রাফ বিভাগের কাস্টডিতে থাকা কোনো দলিল, পার্সেল বা বস্তু সম্পর্কে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার ক্ষমতা কেবলমাত্র তিন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের আছে:
১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
২) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
৩) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
- এই ক্ষমতা সাধারণ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১৪৭.
বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন কার্যক্রমের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. রিভিউ
  2. আপিল
  3. দণ্ড কার্যকর
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন। অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

• তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের বিধি ১৫০ অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মৃত্যুদণ্ড আদেশের বিরুদ্ধে রায়ের ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।

Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application. Case of person sentenced to death

 ⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 

⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ অনুসারে, তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের নিকট বিবৃতি দিলে তা লিপিবদ্ধ করা হলে বিবৃতিদাতা কী করবেন?
  1. বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন
  2. বিবৃতিটি সংশোধন করবেন
  3. বিবৃতিটি প্রত্যাখ্যান করবেন
  4. বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
সঠিক উত্তর:
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করবেন না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না;
-এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৬২: পুলিশকে প্রদত্ত বিবৃতি স্বাক্ষরিত হবে না; ওই বিবৃতির ব্যবহার প্রমাণে:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্তের সময় পুলিশের কাছে কোনো ব্যক্তি যে বিবৃতি প্রদান করবে, সেটি যদি লিখিত আকারে নথিবদ্ধ করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি তা স্বাক্ষর করবেন না; এবং এমন কোনো বিবৃতি বা তার কোনো অংশ, যা পুলিশ-ডায়েরি বা অন্য কোন নথিতে লেখা রয়েছে, তা কোনো তদন্ত বা বিচারে (এখানে প্রদত্ত কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:
প্রকৃতপক্ষে, যদি কোনো সাক্ষী যে বিবৃতি দিয়েছে এবং যার বিবৃতি লিখিত আকারে নেওয়া হয়েছে, তাকে অভিযুক্ত পক্ষের দ্বারা উক্ত বিচারে বা অনুসন্ধানে উপস্থিত করা হয়, তবে আদালত অভিযুক্তের অনুরোধে ওই লিখিত বিবৃতি পর্যালোচনা করবে এবং সেই বিবৃতির একটি কপি অভিযুক্তকে প্রদান করবে, যাতে কোনো অংশ যদি যথাযথভাবে প্রমাণিত হয় তবে তা সেই সাক্ষীকে পরিপন্থীভাবে প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন প্রমাণ আইন, ১৮৭২, ধারা ১৪৫ অনুযায়ী। যখন সেই বিবৃতির কোনো অংশ ব্যবহৃত হয়, তখন সেই অংশের একটি অংশ আবার সাক্ষীর পুনঃপরীক্ষণেও ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র তার পাল্টা-প্রশ্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করার জন্য:
এছাড়া, আদালত যদি মনে করেন যে, বিবৃতির কোনো অংশ তদন্ত বা বিচারের বিষয়ে প্রাসঙ্গিক নয় বা অভিযুক্তের প্রতি তার প্রকাশ অপ্রয়োজনীয় এবং জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাহলে আদালত সে সম্পর্কে তার মতামত রেকর্ড করবে (কিন্তু এর জন্য কোনো কারণ প্রকাশ করবে না) এবং সে অংশকে অভিযুক্তকে প্রদত্ত বিবৃতির কপি থেকে বাদ দেবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছু ১৮৭২ সালের প্রমাণ আইন, ধারা ৩২, উপধারা (১) বা ১৮৭২ সালের প্রমাণ আইন, ধারা ২৭-এ উল্লিখিত বিবৃতির ওপর প্রযোজ্য হবে না।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-162: Statements to police not to be signed; use of such statements in evidence:
(1) No statement made by any person to a police officer in the course of an investigation under this Chapter shall, if reduced into writing, be signed by the person making it; nor shall any such statement or any record thereof, whether in a police-diary or otherwise, or any part of such statement or record, be used for any purpose (save as hereinafter provided) at any inquiry or trial in respect of any offence under investigation at the time when such statement was made:

Provided that, when any witness is called for the prosecution in such inquiry or trial whose statement has been reduced into writing as aforesaid, the Court shall on the request of the accused, refer to such writing and direct that the accused be furnished with a copy thereof, in order that any part of such statement, if duly proved, may be used to contradict such witness in the manner provided by section 145 of the Evidence Act, 1872. When any part of such statement is so used, any part thereof may also be used in the re-examination of such witness, but for the purpose only of explaining any matter referred to in his cross-examination:

Provided, further that, if the Court is of the opinion that any part of any such statement is not relevant to the subject matter of the inquiry or trial or that its disclosure to the accused is not essential in the interests of justice and is inexpedient in the public interests, it shall record such opinion (but not the reasons therefor) and shall exclude such part from the copy of the statement furnished to the accused.

(2) Nothing in this section shall be deemed to apply to any statement falling within the provisions of section 32, clause (1), of the Evidence Act, 1872 or to affect the provisions of section 27 of that Act.
১৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. তৃতীয় তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. প্রথম তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১৮৯৮ সালের আইনে মোট পাঁচটি তফসিল ছিল, যার মধ্যে প্রথম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে কার্যকর রয়েছে চারটি তফসিল।
- প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ার ফলে বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিলসমূহ:
→ প্রথম তফসিল: বর্তমানে বাতিল। 
→ দ্বিতীয় তফসিল: আমলযোগ্য/অযোগ্য অপরাধ ও জামিন সংক্রান্ত বিধান।
→ তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
→ চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
→ পঞ্চম তফসিল: বিভিন্ন ফরমের ফরম্যাট।

সুতরাং, প্রথম তফসিলটি বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট চারটি তফসিল রয়েছে।
১৫০.
আসামীকে রিমান্ডে পাঠানোর সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

১৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় কোন পদ্ধতিতে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. FIR এর মাধ্যমে
  2. আদালতে হাজির হওয়ার মাধ্যমে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে
  4. অভিযুক্ত সহ হাজির হওয়ার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
FIR এর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FIR এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
১৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন মুচলেকা বাতিল করতে পারেন?
  1. ১২২ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।

-------------
♦ Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
Section 125. The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
১৫৩.
যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত ৫ বছরের অধিক কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল হবে ________।
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. আপীল বিভাগে
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
১৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত বছরের কম বয়সের কোনো শিশুর অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করতে পারেন?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

১৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭ অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে সর্বোচ্চ কত দিন আসামিকে রাখা যেতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭(২) অনুযায়ী, যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে সময় সময় হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারেন, তবে পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না
অর্থাৎ, যেকোনো পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে রাখা যাবে সর্বোচ্চ ১৫ দিন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর ধারা ১৬৭(২) অনুযায়ী কোনো আসামিকে পুলিশ হেফাজতে সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি রাখা যাবে না।
- এই ১৫ দিন একবারে নাও হতে পারে; তা ভেঙে ভেঙে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু সব মিলিয়ে ১৫ দিনের সীমা অতিক্রম করা যাবে না।
- ১৫ দিনের পর যদি আরও আটক রাখার প্রয়োজন হয়, তখন পুলিশ হেফাজত নয়, বিচারিক হেফাজত (জেল কাস্টডি) দেওয়া হবে।

১৫৬.
তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে তা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে করা হয়?
  1. ধারা ১৬৫
  2. ধারা ৯৯
  3. ধারা ১০০
  4. ধারা ১৬১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি করবেন বা করাবেন।

• তিনি যদি নিজে তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।
• ১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
১৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০-এর অধীনে অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ কতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড বা অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 -------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 

১৫৮.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন আপীল শুনানী করবেন?
  1. যেকোনো আপীল
  2. শুধুমাত্র দায়রা জজের অনুমোদিত আপীল
  3. শুধুমাত্র সরকারের নির্দেশিত আপীল
  4. দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি:
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।

শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
১৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করেন?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে অপরাধ স্বীকার করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় কোন ধারা অনুসারে?
  1. ধারা ২৬৫ক
  2. ধারা ২৬৫ঘ
  3. ধারা ২৬৫চ
  4. ধারা ২৬৫ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত ধারাগুলোর মধ্যে ধারা ২৬৫ঘ (Section 265D) বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারায় বলা হয়েছে—
“When a charge has been framed, the charge shall be read and explained to the accused and the accused shall be asked whether he pleads guilty or claims to be tried.”
- অর্থাৎ, চার্জ গঠনের সময়, বিচারক: অভিযোগ পড়ে শোনাবেন এবং ব্যাখ্যা করবেন। এরপর অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবেন— সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
১৬১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আপোসযোগ্য মামলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২০২
  2. ২৫৬
  3. ৩৪০
  4. ৩৪৫
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫ ধারায় আপোসযোগ্য মামলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে। 
১৬২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন দুটি ধারার বিধানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা প্রভাবিত করবে না?
  1. ১৭ ও ১৮ ধারা
  2. ২১ ও ২৩ ধারা
  3. ২৭ ও ৩২(১) ধারা
  4. ৪০ ও ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ও ৩২(১) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ও ৩২(১) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা: পুলিশকে দেওয়া বিবৃতি স্বাক্ষর করা যাবে না এবং এসব বিবৃতির প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত চলাকালীন পুলিশের কাছে কোনো বিবৃতি প্রদান করেন, তাহলে সেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ হলেও তিনি তা স্বাক্ষর করতে পারবেন না। এছাড়া, পুলিশ ডায়েরি বা অন্য কোনো নথিতে থাকা এমন কোনো বিবৃতি তদন্তাধীন অপরাধের বিচার বা তদন্তে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, যদি না নিম্নলিখিত শর্ত প্রযোজ্য হয়:

প্রথম শর্ত: যদি কোনো সাক্ষী প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসেন এবং তার পূর্বে লিপিবদ্ধ করা বিবৃতি থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে আদালত উক্ত বিবৃতি পর্যালোচনা করতে পারে। সেই অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার একটি অনুলিপি সরবরাহ করা হবে, যাতে সাক্ষীকে বিপরীত প্রমাণ প্রদানের জন্য জেরা করা যায় (প্রমাণ আইন, ১৮৭২-এর ১৪৫ ধারা অনুসারে)। যদি উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ বিপরীত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে সেই সাক্ষীর পুনঃজিজ্ঞাসাবাদ (re-examination) চলাকালীন শুধুমাত্র ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

দ্বিতীয় শর্ত: যদি আদালত মনে করে যে উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, অথবা সেটির প্রকাশ অভিযুক্তের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এবং জনস্বার্থে তা অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর, তাহলে আদালত তার মতামত লিপিবদ্ধ করবে (কিন্তু কারণ উল্লেখ করবে না) এবং অভিযুক্তকে সরবরাহকৃত অনুলিপি থেকে সেই অংশ বাদ দেবে।

(২) এই ধারা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২(১) ধারা (মৃত্যুর আগে প্রদত্ত বিবৃতি) বা ২৭ ধারা (অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবিষ্কৃত প্রমাণ) সংক্রান্ত বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

১৬৩.
দায়রা আদালত কোন ধরণের চার্জ গঠন করবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. মৌখিক বা লিখিত
  4. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫(ঘ) তে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে বলা আছে-
বিবেচনা ও শুনানির পর যদি আদালত অভিমত ব্যক্ত করেন যে, অভিযুক্ত একটা অপরাধ করেছে বা এরূপ মনে করার কারণ আছে,তাহলে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন।
যেক্ষেত্রে আদালত অভিযোগ গঠন করেন,সেক্ষেত্রে অভিযোগ অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখা করতে হবে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে,সে দোষ স্বীকার করে কিংবা বিচার প্রার্থনা করে কিনা।
১৬৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় গ্রেফতারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারার বিধান: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা: এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

---------------------
♦ Section 53. Power to seize offensive weapons: The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
১৬৫.
একজন অভিযোগকারী একটি মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, এবং মামলা চলাকালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি তার অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন। এক্ষেত্রে, নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. মামলা স্থগিত করা হবে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা শুরু হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
  4. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
১৬৬.
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পর কত দিনের মধ্যে যদি তিনি উপস্থিত হন, তবে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৮৯ (Restoration of attached property) অনুসারে, কোনো পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (attachment) করার পর, যদি তিনি ২ (দুই) বছরের মধ্যে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হন বা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয় এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হন যে:
১. তিনি পরোয়ানা এড়ানোর জন্য পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেননি, এবং
২. তিনি proclamation-এর এমন কোনো নোটিস পাননি যা তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপস্থিত হতে সক্ষম করত,
তাহলে তার সম্পত্তি, অথবা সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে তার নীট বিক্রয়লব্ধ অর্থ, সমস্ত ক্রোক-সংক্রান্ত খরচ বাদ দিয়ে তাকে ফেরত দেওয়া হবে।অতএব, সঠিক সময়সীমা হল ২ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.

১৬৭.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-

আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আপিল আদালত নিম্নে উল্লিখিত কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দণ্ডাদেশ স্থগিত করতে পারে
  2. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। 
 
উক্ত ধারা অনুযায়ী আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপীল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপীল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
১৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট: (১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
১৭০.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
১৭১.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে "জামিনযোগ্য অপরাধ" বলতে কী বোঝায়?
  1. যে কোনো অপরাধ যা জামিনযোগ্য
  2. শুধুমাত্র পুলিশ কর্তৃক জামিনযোগ্য অপরাধ
  3. যে অপরাধে আদালত জামিন দিতে বাধ্য
  4. দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজধারী কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(খ) অনুসারে "জামিনযোগ্য অপরাধ" এর সংজ্ঞা নিম্নরূপ: "bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force.
অর্থাৎ, "জামিনযোগ্য অপরাধ" বলতে সেই অপরাধকে বোঝায় যা দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অথবা কোনো সক্রিয় আইন দ্বারা যাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ।

১৭২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারার অধীন হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোনো আদালতের আদেশ কেমন হতে হবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
১৭৩.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন কোন ধরনের অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে?
  1. ৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  2. ৭ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  3. ৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  4. ২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
১৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় প্রদত্ত তল্লাশি পরোয়ানার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে।
- ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
-  ১০০ ধারার অধীন জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-100: Search for persons wrongfully confined:
-If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
১৭৫.
জামিন অযোগ্য অপরাধ হলেও নিম্নের কোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করা যেতে পারে?
  1. অক্ষম
  2. স্ত্রীলোক
  3. ১৫ বছরের পুরুষ
  4. পূর্বোক্ত সবার
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত সবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বোক্ত সবার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-

♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।

♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।

♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years), ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা, iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়।
১৭৬.
কোন অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির নিকট প্রাপ্ত অর্থ নিরাপরাধ ক্রেতাকে প্রদান করা যায়?
  1. ক্ষতি
  2. চুরি
  3. চোরাই মাল গ্রহণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৯ ধারার বিধানঃ আসমির নিকট প্রাপ্ত অর্থ নিরাপরাধ ক্রেতাকে প্রদান (Payment to innocent purchaser of money found on accused)- যদি চুরি বা চোরাই মাল গ্রহণ সংক্রান্ত অপরাধে দন্ডিত ব্যক্তির নিকট থেকে গ্রেফতারের সময় টাকা পাওয়া যায় এবং প্রমাণিত হয় যে, চোরাই বলে না জেনে অন্য কোন ব্যক্তি তার নিকট থেকে উক্ত চোরাইমাল ক্রয় করেছে, তাহলে উক্ত ক্রেতার আবেদনক্রমে এবং উক্ত চোরাইমাল দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের পর আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্রেতা যে মূল্য দিয়েছিল, দন্ডিত ব্যক্তির নিকট প্রাপ্ত অর্থের মধ্য থেকে তার অনধিক পরিমাণ অর্থ ক্রেতাকে প্রদান করা হোক।
১৭৭.
'চ' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে 'চ' কে-
  1. চুরির অপরাধেই দণ্ডিত করতে হবে
  2. চোরাইমাল গ্রহণের অপরাধে দণ্ডিত করা যাবে
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর অপরাধে দণ্ডিত করা যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
 
• ধারা ২৩৭ এ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়, সাক্ষ্য- প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো, তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।
 
উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
১৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নালিশি দরখাস্ত গ্রহণকালে নালিশকারীকে পরীক্ষা করা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য-
  1. স্বেচ্ছাধীন
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশমূলক
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নালিশি দরখাস্ত গ্রহণ করে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ ধারার অধীন ফরিয়াদি বা অভিযোগকারী বা নালিশি দরখাস্তকারীকে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের (যদি থাকে) শপথপূর্বক পরীক্ষা করবে বা তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করবে এবং তারা অভিযোগ মৌখিকভাবে দিলে, তা লিখিত আকারে রেকর্ড করবে। এই ধারায় নালিশকারীকে পরীক্ষা করা ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য বাধ্যতামূলক।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি: নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;
(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।
(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200. Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate:
Provided as follows:-
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192;
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties;
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.
১৭৯.
মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে না পারলে, আদালত অভিযুক্তকে-
  1. যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে অব্যাহতি দিতে পারে
  2. জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে খালাস দিতে পারে
  4. যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে খালাস দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)।উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়, তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
১৮০.
'ম' এর বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক মিথ্যা ও তুচ্ছ অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করেন এবং অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। অভিযোগকারী যদি যথাযথ কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. অভিযোগকারীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন
  2. অনধিক ৩০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
  3. অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কেবলমাত্র মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে, ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫২ ধারায় আদালত বেআইনীভাবে আটক কোন ধরনের ব্যক্তিকে অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
  2. কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৮ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
  3. ২১ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালক বা বালিকাকে
  4. ১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালক বা বালিকাকে
সঠিক উত্তর:
কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২: অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা-

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বেআইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
১৮২.
ক্রোক সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কোনটি প্রমাণ করতে হয়?
  1. পরোয়ানা কার্যকরীকরণ এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে নাই
  2. সে পলাতক ছিল না
  3. হুলিয়ার নোটিশ পায় নাই
  4. সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৯ ধারা মতে ক্রোকী সম্পত্তি ফেরৎ পাওয়ার জন্য ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী হুলিয়াধীন ব্যক্তি যদি ২ বৎসরের মধ্যে হাজির হয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেন নাই বা হুলিয়ার নোটিশ পান নাই, তাহলে আদালত ক্রোক সম্পর্কিত খরচ কেটে রেখে বাকি সম্পত্তি অবমুক্ত করতে পারেন।
১৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদলত
  2. দায়রা জজ আদলত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. এটর্নী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain 121[any such matter, word or visible representation,] as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
১৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় Release of accused when evidence deficient এর বিধান আছে?
  1. ১৫৯ ধারা
  2. ১৬৯ ধারা
  3. ১৭৯ ধারা
  4. ১৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.
১৮৫.
সরকার কর্তৃক অশ্লীল বই বাজেয়াপ্ত হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট বাজেয়াপ্ত ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৯৯ক ধারায় সরকারকে কতিপয় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

সংবাদপত্র বা পুস্তক বা দলিলসমূহে নিম্নোক্ত বিষয়বস্তু বিদ্যমান থাকলে তা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে:
১) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর;
২) মারাত্মক শিষ্টাচারহীন বা গালিগালাজপূর্ণ বা অশ্লীল;
৩) আমলযোগ্য অপরাধ করতে উত্তেজিত করে এমন শব্দ বা তিরস্কার;
৪) যা প্রকাশ করা পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ধারা ১২৩৩, ১২৪এ, ১৫৩৩, ১৯২,২৯৫এ, ৫০৫, ৫০৫এ অনুযায়ী দণ্ডণীয়।

৯৯খ ধারা অনুযায়ী-
উপরিউক্ত উপাদানযুক্ত সংবাদপত্র, পুস্তক, দলিল বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হলে, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুই মাসের মধ্যে HCD এর নিকট ঘোষণা বাতিলের আবেদন করতে পারে।

৯৯গ ধারা অনুযায়ী-
৩ জন বিচারক নিয়ে গঠিত HCD এর স্পেশাল বেঞ্চ আবেদন শ্রবণ করে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।
১৮৬.
ফৌজদারি মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কয়টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
-কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-
- অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
- পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
- তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোন তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] ।
তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190.Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence- 
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence; 
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer; 
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed. 

(2) the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial.

(3) The Government may empower any Magistrate of the second class to take cognizance under sub-section (1), clause (c), of offences for which he may try or send for trial. 
(4) Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.
১৮৭.
“ন্যায়বিচার ব্যাহত নাহলে, ভুল আদালতে অনুষ্ঠিত বিচারে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত বাতিল হবে না'- বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৫৩০ ধারায়
  2. ৫৩১ ধারায়
  3. ৫৩৩ ধারায়
  4. ৫৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারার বিধানঃ ভূল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারাঃ কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভূল দায়রা বিভাগে, জেলায়, বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।
১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঘ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে, তাহলে আদালতের কী করণীয়?
  1. মামলা বাতিল করা
  2. তাকে দণ্ডিত করা
  3. তাকে অব্যাহতি দেওয়া
  4. নতুন বিচারের নির্দেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
তাকে দণ্ডিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে দণ্ডিত করা
ব্যাখ্যা
উত্তর: তাকে দণ্ডিত করা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

- আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেন বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
১৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী কে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. 'ক' বা 'খ' অথবা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' অথবা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ (Section 338 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, দায়রা আদালত, অথবা তার নির্দেশে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এটি রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
১৯০.
কোনো সাক্ষী তার প্রদত্ত সাক্ষ্যের কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করলে, আদালত ৩৬০ ধারার অধীনে কী করবে?
  1. সাক্ষ্য সংশোধন করবে
  2. সাক্ষীকে শাস্তি দেবে
  3. সাক্ষীকে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে বলবে
  4. আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
সঠিক উত্তর:
আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬০ ধারা- সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর সম্পর্কিত পদ্ধতি:

(১) যেহেতু প্রতিটি সাক্ষীর সাক্ষ্য ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গ্রহণ করা হয়, সেগুলো শেষ হলে, তা আসামির সামনে, যদি সে আদালতে উপস্থিত থাকে, অথবা তার পক্ষে আইনজীবী থাকলে তার আইনজীবীর সামনে পড়ে শোনানো হবে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে সাক্ষ্য সংশোধন করা হবে।

(২) যদি সাক্ষী কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করেন, যখন তার সাক্ষ্য পড়ে শোনানো হয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা সেশন জজ সেই অংশ সংশোধন না করে, সাক্ষীর আপত্তির একটি মেমোরেন্ডাম (নথিপত্র) তৈরি করবেন এবং যেকোনো প্রয়োজনীয় মন্তব্য যোগ করবেন।

(৩) যদি সাক্ষ্য কোনো ভাষায় গ্রহণ করা হয় যা সাক্ষী বুঝতে পারেন না এবং সাক্ষ্যটি যে ভাষায় নেওয়া হয়েছে, সেই ভাষায় সাক্ষীকে তা বুঝিয়ে পড়ে শোনানো হবে অথবা এমন ভাষায় তা ব্যাখ্যা করা হবে যা সাক্ষী বুঝতে পারেন।
১৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারায় কার মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা আছে?
  1. অভিযুক্তের
  2. নালিশকারীর
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. ক ও খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারার অধীনে নালিশকারী আদালতে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারেন।

ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার:
মামলা প্রত্যাহারের অর্থ হচ্ছে মামলা তুলে নেওয়া। একটি মামলা থানা বা আদালতে করার পর পরবর্তী সময় সেই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া যায়। ফৌজদারি মামলা সাধারণত দুই ধরনের:
১. কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (সিআর);
২. জেনারেল রেজিস্ট্রার (জিআর) মামলা।

জিআর মামলা সাধারণত থানায় করা হয় এবং সিআর মামলা করতে হয় ফৌজদারি আদালতে। ২৪৮ ধারায় বলা হয়েছে যে,
কোনো মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে পর্যন্ত বিচারপ্রার্থী যদি ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তোষ অর্জন করতে পারেন যে তাঁকে নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়ার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সেই নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেবেন এবং আসামিকে খালাস দেবেন।
১৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুসারে, কোনো ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে-
  1. দায়রা জজ
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

মহানগর এলাকায়-
১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

মহানগর এলাকার বাইরে-
১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট

• ধারা ১৯০(২) অনুসারে-
সরকার এবং এই আদেশ হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক প্রদেয় কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের প্রেক্ষিতে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেসব অপরাধ বিচার করতে বা বিচারার্থে পাঠাতে পারেন, সেসব অপরাধ যেকোন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারার্থ গ্রহণ করতে ক্ষমতায়ন করতে পারেন।
[the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial]
১৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(২খ) ধারায়, পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারবেন?
  1. অভিযুক্তদের শাস্তি দেবেন
  2. অভিযোগটি বাতিল করবেন
  3. অভিযুক্তদের গ্রেফতার করবেন
  4. অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দেবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দেবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-202:Postponement for issue of process:
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath.
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.

১৯৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরিতে থাকা ব্যক্তির উপর সমন কীভাবে পরিবেশন করতে হবে?
  1. সরাসরি অভিযুক্তকে
  2. পুলিশের মাধ্যমে
  3. ডাকে সরাসরি বাড়িতে পাঠিয়ে
  4. সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে। যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারার বিধান: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বরাবর সমন জারি:
(১) যে ব্যক্তির উপর সমন জারী করতে হবে, তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন তাহলে সমন প্রদানকারী আদালত সাধারণ অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি যে অফিসে কার্যরত আছে উহার প্রধান কর্মকর্তার নিকট দুই কপি সমন প্রেরণ করবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অতঃপর ৬৯ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সমন জারী করবেন এবং উক্ত ধারার প্রয়োজনানুসারে পৃষ্ঠাঙ্কন করবেন এবং তার স্বাক্ষরসহ আদালতে প্রত্যাপণ করবেন।
(২) এরূপ স্বাক্ষর যথাযথভাবে সমন জারীর  প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72: Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section.
(2) Such signature shall be evidence of due service.

১৯৫.
অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আনীত আপিল চলাকালে আসামী মারা গেলে আপিলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. খারিজ হবে না
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারার বিধান আপীল পণ্ড হওয়াঃ ধারা-৪১৭ ও ধারা-৪১৭ক এর অধীন প্রত্যেকটি আপীল আসামীর মৃত্যু হলে চুড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপীল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপীল বাতিল সম্পর্কে বিধান আছে। খালাসের এবং অপর্যাপ্ত দন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলাকালীন অবস্থায় আসামীর মৃত্যু হলে আপীলটি চূড়ান্তভাবে পন্ড বা বাতিল বা এবেট হয়ে যাবে। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি পন্ড হবে। যেমন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী আপীল করলো অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আসামী হলো আপীলকারী এবং সে মারা গেলে উক্ত আপীল বাতিল বা এবেট হবে। কিন্তু জরিমানার বা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে আপিলকারী বা আসামী মারা গেলেও, আপীলটি পন্ড হবেনা এবং আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলাভিষিক্ত হবে।

♦দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে জরিমানা বা অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে।
১৯৬.
মেট্রোপলিটন এলাকায় নিচের কে সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালতের বিচারক?
  1. দায়রা জজ
  2. মহানগর দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান: নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণ:
(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

-অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
১৯৭.
অভিযোগ তৈরি না করার ফলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে, আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করার
  2. অভিযোগ প্রণয়ন করার
  3. অভিযোগ ছাড়া বিচার করার
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়ন করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়ন করার
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল:
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
১৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(২খ) ধারামতে, Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and ______ the accused.
  1. bail
  2. acquit
  3. release
  4. discharge
সঠিক উত্তর:
discharge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
discharge
ব্যাখ্যা
Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.

(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 

(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.

(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
১৯৯.
If a complaint is withdrawn with the permission of Magistrate at any time before a final order is passed, the Magistrate shall ___________.
  1. acquit the accused
  2. release the accused
  3. discharge the accused
  4. punish the complainant
সঠিক উত্তর:
acquit the accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
acquit the accused
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
 
[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]
 
• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিতে পারে।
২০০.
যুগ্ম দায়রা জজের নিম্নের কোন শাস্তি দেয়ার এখতিয়ার নেই?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ

(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-

(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.

(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.

(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.