বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১৬ / ২৯ · ১,৫০১১,৬০০ / ২,৮৮৩

১,৫০১.
অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেলে ওসি প্রথমে কী করবেন?
  1. ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করবেন
  2. ইনকোয়েস্ট করবেন
  3. ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
  4. মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

১,৫০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  3. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  4. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
১,৫০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন?
  1. ২০৫ ধারায়
  2. ২০৫ক ধারায়
  3. ২০৫খ ধারায়
  4. ২০৫ঘ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫- ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন:
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused-
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 

(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
১,৫০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুসারে গ্রেফতারের সময় পুলিশ অফিসারের কী থাকতে হবে?
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. সরকারি গাড়ি
  3. সাদা পোশাক পরা
  4. পরিষ্কার ও দৃশ্যমান নাম পরিচয়
সঠিক উত্তর:
পরিষ্কার ও দৃশ্যমান নাম পরিচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিষ্কার ও দৃশ্যমান নাম পরিচয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক (ক) অনুসারে, গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ কর্মকর্তার সঠিক, দৃশ্যমান এবং পরিষ্কার নাম পরিচয় থাকতে হবে, যা সহজে শনাক্তকরণের সুবিধা প্রদান করে।
সঠিক উত্তর: ঘ) পরিষ্কার ও দৃশ্যমান নাম পরিচয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেফতারের পদ্ধতি এবং গ্রেফতারকারী অফিসারের কর্তব্য:
গ্রেফতার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য যে ব্যক্তি গ্রেফতার করে, তাকে নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে হবে—
১. (ক) তার নাম স্পষ্ট, পরিচিতিযোগ্য এবং সহজে বোঝার মতোভাবে ধারণ করতে হবে, যাতে পরিচয় সহজ হয়।
২. (খ) নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং চাহিদা হলে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে এবং গ্রেফতারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।
৩. (গ) গ্রেফতারের একটি স্মারকলিপি তৈরি করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষীর সাক্ষরিত থাকবে; ওই সাক্ষী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার সম্মানিত নাগরিক হতে হবে। যদি এমন কেউ না থাকে, তবে তার কারণ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করতে হবে।
(ii) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা অঙ্গুলিমুদ্রা থাকবে, যদি সে প্রত্যাখ্যান না করে।
৪. (ঘ) যদি গ্রেফতার স্থান তার বাসার বাইরে হয়, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবার, আত্মীয় বা তার নিজ নির্বাচিত বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের জায়গার খবর দিতে হবে।
৫. (ঙ) যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছে পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে হবে, মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করতে হবে।
৬. (চ) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি চাইলে, গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিজের পছন্দের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করার অথবা পরিবারের কাছাকাছি কারো সাথে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে।

১,৫০৫.
ধারা ৪০২ অনুসারে, কোন শাস্তির পরিবর্তন সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া করতে পারবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্বাসন
  3. সশ্রম কারাদণ্ড
  4. উল্লেখিত সকল শাস্তি
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল শাস্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:
(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, সশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
১,৫০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে জব্দকৃত সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত ঘোষণার পর কত সময়ের মধ্যে দাবিদারকে হাজির হয়ে তার দাবি প্রতিষ্ঠা করতে হয়?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. এক মাসের মধ্যে
  3. তিন মাসের মধ্যে
  4. ছয় মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
এক মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫২৩(২)-এর অনুযায়ী, যদি জব্দকৃত সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত হয়, ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ একটি ঘোষণা (Proclamation) জারি করবেন। সেই ঘোষণার তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে যে কেউ দাবিদার হিসাবে হাজির হয়ে তার দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

১,৫০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার অধীন জরিমানা ব্যতীত অন্য কোন অর্থ কিভাবে আদায় করতে হবে?
  1. অর্থদণ্ড হিসেবে
  2. ক্ষতিপূরণ হিসেবে
  3. জরিমানা হিসেবে
  4. প্রতিদান হিসেবে
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।

উল্লেখ্য - অর্থদণ্ড এবং জরিমানা শব্দ দুটি প্রায়ই একই অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে আইনের ক্ষেত্রে অল্প পার্থক্য আছে।
- অর্থদণ্ড হলো আদালত বা বিচার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কোনো অপরাধের শাস্তি হিসেবে আর্থিক জরিমানা প্রদান।
- আর সাধারন জরিমানা হচ্ছে সাধারণত প্রশাসনিক বা আর্থিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের কারণে আরোপিত হয়।
------------------ 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
১,৫০৮.
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞের মতামতের রিপোর্টকে কী বলে -
  1. সুরতহাল
  2. বিশেষজ্ঞের মতামত
  3. ময়নাতদন্ত
  4. মৃত্যু রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্ত
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) মতে- মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞের (ডাক্তারের) মতামতের রিপোর্টকে বলা হয় ময়নাতদন্ত এবং তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্টকে বলা হয় সুরতহাল রিপোর্ট।
১,৫০৯.
স্থাবর সম্পত্তির বিরোধে স্থানীয় অনুসন্ধান (Local inquiry) সংক্রান্ত বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।

♦ ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে (The report of the person so deputed may be read as evidence in the case).


♦ Local inquiry
Section 148.(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
১,৫১০.
নিম্নে কে পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'জাস্টিস অব দি পিস'?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
  3. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  4. এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।

♦ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারপতি পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

♦অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে সমগ্র বাংলাদেশের ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' হলেন- প্রধান বিচারপতি।
১,৫১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীন পুলিশ অধিকতর তদন্ত (further investigation) করতে পারে?
  1. ১৭৩ (১) ধারার
  2. ১৭৩ (২) ধারার
  3. ১৭২ (২) ধারার
  4. ১৭৩ (৩খ) ধারার
সঠিক উত্তর:
১৭৩ (৩খ) ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩ (৩খ) ধারার
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শিট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুনঃতদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশিটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
১,৫১২.
কারাদণ্ড কার্যকরের প্রত্যেকটি পরোয়ানা নির্দেশিত হবে-
  1. আটককৃত পুলিশ অফিসার বরাবর
  2. যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর
  3. ফরিয়াদির ইচ্ছাধীন কর্মকর্তা বরাবর
  4. যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার প্রধান কর্মকর্তার বরাবর
সঠিক উত্তর:
যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ
কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

Section 384: Direction of warrant for execution
Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
১,৫১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৫৪
  2. ধারা ১৬৭
  3. ধারা ১৬৯
  4. ধারা ১৭০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তদন্তের পর যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ বা যুক্তিসংগত সন্দেহের ভিত্তি নেই, তাহলে তিনি আসামিকে (হেফাজতে থাকলে) একটি মুচলেকা (Bond) সম্পাদন করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন।
সুতরাং, সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার সরাসরি বিধান রয়েছে ধারা ১৬৯-এ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.

১,৫১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করবেন?
  1. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হলে
  2. কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে
  3. অন্য কারও দ্বারা, প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৪(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি নিম্নলিখিত যেকোনো তথ্য পান, তাহলে তিনি নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করে মৃতদেহের স্থানে গিয়ে তদন্ত (inquest) করবেন এবং সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) তৈরি করবেন:
(a) কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে (has committed suicide)
(b) কোনো ব্যক্তি অন্য কারও দ্বারা হত্যা করা হয়েছে, বা প্রাণী বা যন্ত্র বা দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছে (has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident)
(c) এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করেছে (has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence)
অর্থাৎ, উপরের তিনটি পরিস্থিতি (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনাজনিত/হত্যাজনিত মৃত্যু, বা অপরাধজনিত সন্দেহজনক মৃত্যু) যেকোনো একটি হলেই পুলিশ অফিসারকে এই ধারার অধীনে তদন্ত করতে হবে।
- সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো ক্ষেত্রই (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, সন্দেহজনক মৃত্যু) ধারা ১৭৪-এর আওতাভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান অনুযায়ী:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে—
- কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
- অন্য কারও দ্বারা, কোনো প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।
এরূপ অবস্থায় মারা গেছে, যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে এটি অপরাধজনিত মৃত্যু।
- তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করবেন।
- এরপর তিনি মৃত ব্যক্তির লাশের স্থানে উপস্থিত হয়ে তদন্ত পরিচালনা করবেন।
- তদন্তে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।
- পুলিশ মৃতদেহের জখম, হাড় ভাঙা, থেঁতলানো ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন পর্যবেক্ষণ ও বর্ণনা করবেন।
- সেইসঙ্গে কোনো অস্ত্র, যন্ত্র বা উপায়ে ওই চিহ্নগুলো সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়, তা উল্লেখ করবেন।
- তদন্ত শেষে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ উল্লেখ করে একটি লিখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে, যা সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) নামে পরিচিত।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police station or some other police officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:

Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.
(2) The report shall be signed by such police officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.

(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.

১,৫১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫২ ধারায়, মহিলাদের দেহ তল্লাশির ক্ষেত্রে কী জরুরি?
  1. মহিলার অনুমতি
  2. জনসমক্ষে তল্লাশি করা
  3. শালীনতা বজায় রাখা
  4. পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশির বিধান রয়েছে।
- ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশি করাতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,  Section 52. Mode of searching women:
- Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১,৫১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ -
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।

১,৫১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা কোন ধরনের অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সকল ধরনের অপরাধী
  2. নারী অপরাধী
  3. কিশোর অপরাধী
  4. সামরিক অপরাধী
সঠিক উত্তর:
কিশোর অপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোর অপরাধী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:

(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein.

(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
১,৫১৮.
ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. অব্যাহতি না পাওয়া অভিযুক্তের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র পুলিশের তদন্তের ক্ষেত্রে
  3. ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রে নয়
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী,
যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা সেশন জজ ধারা ৪৩৫-এর অধীনে বা অন্য কোনোভাবে কোনো নথি পরীক্ষা করেন, তখন তারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারেন যাতে তিনি নিজে বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত তদন্ত সম্পন্ন করেন। এই তদন্ত করা যেতে পারে এমন অভিযোগে যা ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা হয়েছে, অথবা এমন মামলায় যেখানে কোনো অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেও এই ধরনের তদন্ত করতে পারেন, অথবা তাঁদের অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তা করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে কোনো আদালত discharged ব্যক্তির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে না যতক্ষণ না সেই ব্যক্তিকে যথাযথভাবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে কেন এই নির্দেশ দেওয়া উচিত নয়। 

১,৫১৯.
আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝাবে?
  1. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
  2. বিচার পূর্ব জামিন
  3. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
  4. যুক্তিতর্ক শুনানী পূর্ব জামিন
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
ব্যাখ্যা
আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে গ্রেফতার পূর্ব জামিন বোঝায়।

আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশের গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,৫২০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুসারে নিম্নের কোন ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন-
  1. স্ত্রীলোক
  2. ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি
  3. অক্ষম বা পীড়িত ব্যক্তি
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯৭ ধারা অনুসারে স্ত্রীলোক, ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি, অক্ষর বা পীড়িত ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন
১,৫২১.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার পর কি করবেন?
  1. অভিযোগ গ্রহণ করে সরাসরি তদন্ত শুরু করবেন
  2. সংবাদটির সারাংশ লিখে রাখবেন
  3. সংবাদ প্রদানকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দিবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:

(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
১,৫২২.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী দোষ স্বীকার (Guilty plead) করায় আদালত আসামীকে দণ্ড প্রদান করলে আসামী-
  1. দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবে
  2. দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না
  3. দন্ডের পরিমাণ বা দণ্ডের বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপিল করতে পারবে।
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, এর ধারা ৪১২ মতে 

♦Guilty plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দণ্ড দিলে সেই দন্ডাদেশের বিরুদ্ধ আপিল চলে না।

♦ Guilty plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপরের ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দন্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপিল করতে পারে এবং এমন আপিল চলবে। 
১,৫২৩.
আমলঅযোগ্য মামলার সংবাদ প্রদানকারীকে কী নির্দেশ দেয়া হয়?
  1. সাক্ষ্য দেয়ার
  2. আদালতের অনুমতি নিয়ে আসার
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
  4. কোনো নির্দেশ দেওয়া হয় না
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

১,৫২৪.
একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে?
  1. ৯০ দিনের মধ্যে
  2. ১২০ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।

Section 417- Appeal in case of acquittal

(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১,৫২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারায়, কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন:
যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী অথবা বিচারিক, তিনি যে স্থানটির তল্লাশী করার জন্য উপযুক্ত, সেসব স্থানে তল্লাশী করার জন্য তিনি নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 105- Magistrate may direct search in his presence:
Any Magistrate, whether Executive or Judicial] may direct a search to be made in his presence of any place for the search of which he is competent to issue a search-warrant.
১,৫২৬.
নিচের কোনটি গ্রেফতার এর নিয়ম নয়?
  1. স্পর্শ না আটকের মাধ্যমে গ্রেফতার করবে।
  2. গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধা দিলে সকল প্রয়োজনীয় পন্থা অবলম্বন করা
  3. আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
  4. মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ৪৬ মোতাবেক গ্রেফতার এর নিয়ম সমূহ
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
১,৫২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) অনুযায়ী, তদন্ত কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
১,৫২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের জন্য কয়টি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ড (conviction) বা খালাস (acquittal) প্রমাণের জন্য মূলত দুইটি প্রধান পদ্ধতি নির্ধারিত হয়েছে। এগুলো হলো:
(ক) আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী: যে আদালত পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস দিয়েছে, সেই আদালতের রেকর্ড যার হেফাজতে থাকে, সেই অফিসারের স্বাক্ষরযুক্ত সত্যায়িত উদ্ধৃতির মাধ্যমে দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে।
(খ) জেল কর্তৃপক্ষ বা ওয়ারেন্ট অনুযায়ী (শুধুমাত্র দণ্ডের ক্ষেত্রে): দণ্ডিত ব্যক্তিকে যে কারাগারে রাখা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট, অথবা আটকের পরোয়ানা (commitment warrant) পেশ করেও দণ্ড প্রমাণ করা যায়।
- তবে উপরের যেকোনো পদ্ধতি ব্যবহার করলেও প্রমাণ দিতে হবে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পূর্ব দণ্ডপ্রাপ্ত/খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তি একই। এ জন্য সনাক্তকরণ বা পরিচয় সম্পর্কিত অতিরিক্ত সাক্ষ্য দিতে হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৫১১ অনুযায়ী ২টি প্রধান পদ্ধতি, ১. আদালতের নথিপত্রের উদ্ধৃতি ২. জেল সার্টিফিকেট বা ওয়ারেন্ট পেশ। এই কারণে সঠিক উত্তর: খ) ২টি।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
১,৫২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারা অনুসারে, কোন আদালত দণ্ডিত ব্যক্তিকে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা জননিরাপত্তার বিরুদ্ধে অপরাধে দণ্ডিত হয়, তখন বিচারকারী আদালত (যেটি এই অপরাধে তাকে দণ্ড প্রদান করেছে) তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার মুচলেকা দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
- এই ধারা যেহেতু "বিচারকারী আদালত"কে এই ক্ষমতা দেয়, এবং বিচারকার্যে অংশ নিতে পারে: হাইকোর্ট (যদি সেখানে বিচার হয়ে থাকে), দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাই ধারা ১০৬ এর আওতায় এদের প্রত্যেকেই এই আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
১,৫৩০.
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম-
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে।

ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-

কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

Section 531: Proceedings in wrong place
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
১,৫৩১.
মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিম্নোক্ত কোন আদালতের Confirmation ব্যতীত কার্যকর হয় না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  3. দায়রা আদালত
  4. আপীল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে।দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

এছাড়া, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।
১,৫৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৬ অনুযায়ী, যদি একাধিক অপরাধের মধ্যে সন্দেহ থাকে, তবে বিচারক কি করতে পারেন?
  1. সন্দেহ থাকলে বিচার বন্ধ করে দেবেন
  2. শুধুমাত্র একটি অপরাধের জন্য বিচার করবেন
  3. একাধিক অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করতে পারেন
  4. একাধিক অপরাধের জন্য পৃথকভাবে বিচারের ব্যবস্থা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
একাধিক অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
→ যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার একই সময়ে করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৬ ধারা অনুযায়ী- যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে, যে-সকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, তাহলে আসামিকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-236: Where it is doubtful what offence has been committed:
If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute, the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.

Illustrations:
(a) A is accused of an act which may amount to theft, or receiving stolen property, or criminal breach of trust or cheating. He may be charged with theft, receiving stolen property criminal breach of trust and cheating, or he may be charged with having committed theft, or receiving stolen property, or criminal breach of trust or cheating. 
(b) A states on oath before the Magistrate that he saw B hit C with a club. Before the Sessions Court A states on oath that B never hit C. A may be charged in the alternative and convicted of intentionally giving false evidence, although it cannot be proved which of these contradictory statements was false.
১,৫৩৩.
বেআইনি উদ্দেশ্যে কোন মহিলা বা ১৬ বছরের কম বয়সী বালিকাকে অপহরণ বা বেআইনিভাবে আটক রাখা হলে তাকে প্রত্যর্পণে বাধ্য করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে কার?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫২ মতে- কোন বে-আইনী উদ্দেশ্যে কোন স্ত্রীলোককে অথবা ষোল বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বা বে-আইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে বলে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথ পূর্বক নালিশ করা হলে তিনি সেই স্ত্রীকেকে অবিলম্বে মুক্তি দিবার বা উক্ত বালিকাকে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা পিতা, অভিভাবক বা তার আইন সংগত হেফাজতের অধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে এই আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারবেন ।
১,৫৩৪.
ফৌজদারী মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ২৫ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম মুলতবি বা স্থগিত করতে পারে। এটা করা হয় সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে কিংবা অন্যকোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
১,৫৩৫.
গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না, যদি না উক্ত ব্যক্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  3. আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
১,৫৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৫৪
  2. ২০০
  3. ১৫৬
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
১,৫৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুযায়ী, তদন্তের উদ্দেশ্যে ডাক বা টেলিগ্রাফ অফিসে থাকা চিঠি বা পার্সেল চাওয়ার ক্ষমতা কার?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৫(১) স্পষ্ট করে বলছে— যদি ডাক (Postal) বা টেলিগ্রাফ (Telegraph) কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা কোনো চিঠি, পার্সেল বা বস্তু তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হয়, তবে সরাসরি আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)
- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate)
- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate)
- সেশন কোর্ট (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।
২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs.
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.

১,৫৩৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে অভিযোগ পরিবর্তন (Alteration of charge) করা হয়?
  1. ২২৮
  2. ২২৭
  3. ২২৫
  4. ২২৬
সঠিক উত্তর:
২২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৭
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান- 
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
১,৫৩৯.
পরবর্তীতে একই বিষয়ে কোন ধরনের মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময়, আদালত ৫৪৫ ধারার অধীন প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করবেন?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারি
  3. উভয় ধরনের মামলায়
  4. কোনো ধরনের মামলায় হিসেবে ধরা যাবে না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৬- টাকা প্রদান পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় বিবেচনা করতে হবে

একই বিষয়ে পরবর্তী কোন দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময় ৫৪৫ ধারার অধীন ক্ষতিপূরণ স্বরূপ কোন পরিমাণ অর্থ দেয়া বা আদায় হয়ে থাকলে আদালত তা হিসাবে ধরবেন।

Section 546- payments to be taken into account in subsequent suit
At the time of awarding compensation in any subsequent civil suit relating to the same matter, the Court shall take into account any sum paid or recovered as compensation under section 545.
১,৫৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়ে, আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে?
  1. ২০৫ ধারায়
  2. ২০৫গ ধারায়
  3. ২০৫গগ ধারায়
  4. ২০৫ঘ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতঃপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205. Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

১,৫৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৪৮৭
  2. ৪৯১
  3. ৪৯২
  4. ৪৯৪
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
⇒ যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
১,৫৪২.
আদালত অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর জন্য কোন পরিস্থিতিকে প্রাথমিক শর্ত হিসেবে বিবেচনা করে?
  1. মামলাটি গুরুতর হওয়া
  2. মামলাটি দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা
  3. অভিযুক্তের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়া
  4. তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা।

ধারা ৩৩৯খ – অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia):

(১) যদি আদালত বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ পায় যে- কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক, অথবা তিনি নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না, এবং তাকে গ্রেপ্তারের তাৎক্ষণিক কোনো সম্ভাবনা নেই, তাহলে আদালত, যে আদালত অপরাধের বিষয়ে cognizance গ্রহণ করেছে, সেই অভিযুক্তকে একটি জাতীয় দৈনিক প্রচারিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্দেশ দিবে, যাতে তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে বলা হবে।

যদি অভিযুক্ত উক্ত নির্দেশ অনুযায়ী উপস্থিত না হন, তাহলে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia) চালিয়ে যেতে পারবে।

প্রথম শর্ত (Proviso):
আদালত চাইলে এই উপস্থিতির নির্দেশটি নিম্নলিখিত যেকোনো সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দিতে পারে- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা প্রশাসকের অফিস, বাংলাদেশ পুলিশ অথবা অন্যান্য সরকারী ওয়েবসাইট যেখানে জনগণের ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে।
 
(২) যদি কোনো মামলায় অভিযুক্ত একবার আদালতে উপস্থিত হয় বা জামিনে মুক্তি পায়, তারপর সে পলাতক হয়ে যায় বা আদালতে আর হাজির না হয়, তাহলে উপ-ধারা (১)-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

এ ক্ষেত্রে, যে আদালত সেই মামলার বিচার করতে সক্ষম, সে আদালত নিজস্ব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার (Trial in Absentia) চালিয়ে যাবে।

১,৫৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় "Trial in absentia" এর উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৩৯(খ) ধারায়
  3. ৩৩৯(২) ধারায়
  4. ৩৪৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ) ধারায়
ব্যাখ্যা
'Trial in absentia' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia

(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১,৫৪৪.
আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য কমপক্ষে কয়টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে হবে?
  1. আদালতের এখতিয়ারাধীন
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৩৯খ অনুপস্থিতিতে বিচার:
♦(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয়, সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মাগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনষ্ঠিত হবে।
♦(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হওয়ার পর অথবা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আসামি পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
১,৫৪৫.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  2. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন
  3. বিচার করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন
  4. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে।
১,৫৪৬.
১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ কোন আদালত বিচার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'খ' বা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী হন এবং তার অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে তার বিচার করতে পারেন:
১) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
২) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
৩) অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
- তাই সঠিক উত্তর ঘ) 'খ' বা 'গ' — কারণ CJM ও CMM উভয়েই এ ক্ষেত্রে বিচার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী, এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৫৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, Proclamation-এর ফলে জব্দকৃত সম্পত্তির ওপর যদি অন্য কেউ স্বার্থ দাবি করে, তাহলে কত দিনের মধ্যে দাবি বা আপত্তি জানাতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৮(৬ক) স্পষ্টভাবে বলছে: যদি কোনো সম্পত্তি ধারা ৮৮ অনুযায়ী জব্দ (attachment) করা হয়, এবং কোনো ব্যক্তি (যিনি ঘোষিত পলাতক আসামি নন) দাবি করেন যে ঐ সম্পত্তিতে তার আইনগত স্বার্থ (interest/ownership) আছে, এবং তার এই স্বার্থ আইন অনুযায়ী জব্দযোগ্য নয়, তবে তাকে অবশ্যই জব্দের তারিখ থেকে ছয় (৬) মাসের মধ্যে আদালতে দাবি বা আপত্তি উত্থাপন করতে হবে।
এরপর আদালত সেই দাবি তদন্ত (inquiry) করবে এবং দাবি সঠিক প্রমাণিত হলে সম্পত্তি ফেরত দিতে পারে, অন্যথায় তা বাতিল (disallow) করে দেবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর ধারা ৮৮(৬ক) অনুসারে, যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ (পলাতক ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ) জব্দকৃত সম্পত্তির উপর স্বার্থ দাবি করে বা আপত্তি উত্থাপন করে, তবে তাকে জব্দের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সেই দাবি বা আপত্তি আদালতে উপস্থাপন করতে হবে। এই দাবি বা আপত্তি সম্পত্তির উপর তাদের অধিকার বা স্বার্থ প্রমাণ করার জন্য করা হয়, এবং আদালত এই দাবির বিষয়ে তদন্ত করে তা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করতে পারে।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-88(6A) If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part:
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.

১,৫৪৮.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা-
  1. নাগরিক অধিকার
  2. আইনগত অধিকার
  3. মৌলিক অধিকার
  4. সাংবিধানিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইনগত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে কাউকে আটক করা হলে কিংবা বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে আটক করা হলে জামিন দেওয়া হবে (Shall be released on bail)। এখানে Shall শব্দটি ব্যবহার করায় এই ধারার অধীন জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার হিসেবে গণ্য।
♦অর্থাৎ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা হল আইনগত অধিকার।
১,৫৪৯.
একজন আসামির বিরুদ্ধে একটি অপরাধের তদন্ত চলছে, যা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডযোগ্য। তদন্তকারী পুলিশ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৭ ধারায়-
  1. আসামিকে অব্যাহতি দিতে হবে
  2. তদন্ত যতদিন চলবে, আসামিকে হাজতে রাখতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
  4. দায়রা জজ বাধ্যতামূলকভাবে জামিন দেবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে আসামিকে জামিন দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
১,৫৫০.
জামিনদার জামিননামা বাতিলের আবেদন করলে, উক্ত আদালত-
  1. মুচলেকা বাতিল করবেন
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন
  3. জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১,৫৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ অনুসারে, কার্যক্রম বন্ধ করার পর ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলা বাতিল করতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দিতে পারেন
  4. নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
১,৫৫২.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না-
  1. অনধিক ১৫০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

♦ সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।
১,৫৫৩.
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একজন রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে দণ্ডিত হলে, তিনি তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ কোর্টে
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ কোর্টে
  4. মহানগর দায়রা জজ কোর্টে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান -যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge:

Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১,৫৫৪.
১০৬ থেকে ১০৮ ধারার অধীন মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা কী?
  1. অনধিক এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  2. অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  3. অনধিক এক বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  4. অনধিক তিন বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
সঠিক উত্তর:
অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৬ ধারার (দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা অনধিক ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২৩]
১,৫৫৫.
২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক কত বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।♦অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।
১,৫৫৬.
রায়ে কোন বিষয়টি অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. সিদ্ধান্ত
  2. নির্ধারণীয় বিষয়
  3. সিদ্ধান্তের কারণ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
১,৫৫৭.
অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নোক্ত কোন ধারায় শর্ত আরোপ করা হয়েছে?
  1. ১৯২
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৪
সঠিক উত্তর:
১৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৯৫ এমন কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করে, যাতে আদালত নিজে থেকে (suo moto) বা সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে সেই অপরাধ আমলে নিতে না পারে যতক্ষণ না নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করে।

ধারা ১৯৫- সরকারী কর্মচারীর আইন সংগত কর্তৃত্ব অবমাননার অভিযোগ:
(১) কোন আদালত আমলে আনবেন না-
ক) সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মচারী অথবা তিনি যার অধীনস্ত তার লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৭২ ধারা হতে ১৮৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ; জনসাধারণের ন্যায় বিচার বিরোধী কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

খ) অপরাধটি কোন আদালতের কার্যক্রমে বা কোন কার্যক্রম সম্পর্কে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৯, ২০০, ২০৫, ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০, ২১১ বা ২২৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অথবা, সাক্ষ্যে প্রদত্ত দলিলাদি সম্পর্কিত কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

গ) অপরাধটি কোন আদালতের কোন কার্যক্রমে পেশকৃত বা সাক্ষ্যে গৃহীত কোন দলিল সম্পর্কে উক্ত কার্যক্রমের কোন পক্ষ কর্তৃক সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় বর্ণিত বা ৪৭১, ৪৭৫ বা ৪৭৬ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ ।

(২) উপধারা (১)-এর (খ) (গ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আদালত বলতে দেওয়ানী রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত বুঝায়, কিন্তু ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন কোন রেজিষ্টার বা সাব রেজিষ্ট্রারকে বুঝায় না।

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে কোন আদালতকে সেই আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করা হবে যে আদালতে পূর্বতন আদালতের আপীলযোগ্য ডিক্রি বা দণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপীল করা যায় অথবা দেওয়ানী আদালতের ক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে সাধারণতঃ সাধারণ মূল এখতিয়ার সম্পন্ন প্রধান আদালতে আপীল চলে না সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত দেওয়ানী আদালত অবস্থিতঃতবে শর্ত এই যে—ক) যখন কোন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক আদালত আপীল চলে, তখন উক্ত আদালতকে নিম্ন মানের এখতিয়ারবান আপীল আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে, এবং
খ) যখন দেওয়ানী আদালতে আপীল চলে এবং রাজস্ব আদালতেও আপীল চলে, তখন যে মামলা বা কার্যক্রম সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই মামলা বা কার্যক্রমের প্রকৃতি অনুসারে উক্ত আদালতকে দেওয়ানী বা রাজস্ব আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে।

(৪) (১) উপ-ধারায় উল্লেখিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে উক্ত (১) উপধারার বিধানাবলী অপরাধ করার ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

(৫) কোন সরকারী কর্মচারী (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদের অধীন অভিযোগ করলে তিনি যে কর্তৃপক্ষের অধস্তন সেই কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারেন এবং এরূপ করা হলে উক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত আদেশের একটি নকল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং আদালত উহা পাবার পর উক্ত অভিযোগ সম্পর্কে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
১,৫৫৮.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় 'ক' রাষ্ট্রদোহিতা অপরাধে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে তাকে আপিল করতে হবে-
  1. দায়রা জজ বরাবর
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
  3. ক বা খ
  4. 'ক' যে আদালতে আপিল দায়ের করতে চায়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class

Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-

(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১,৫৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম বাতিল ঘোষনা করতে পারে?
  1. ৫৬৫ ধারা
  2. ৫৬২ ধারা
  3. ৫৬১ক ধারা
  4. ৫৬০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১ক ধারা
ব্যাখ্যা
• উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের বা আধা-বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কোন কার্যধারা, আদেশ বা রায় বাতিল করার প্রক্রিয়াই 'Quashment' নামে পরিচিত।
অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করাকে Quashment of the proceeding বলে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ‘Quashment' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোন ফৌজদারি মামলা বা মামলার যে কোন কার্যধারা বাতিল ঘোষণা করতে পারেন। যেমন- বিনা কারণে মামলার বিচার বিলম্বিত হলে বা কোন মোকদ্দমার বিচার আরম্ভ বিলম্ব হলে উক্ত মোকদ্দমার বিচার বা proceeding quash হবে।
১,৫৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারায় যদি আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত হয় এবং তার জেল হাজতে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ দেয়া হয়, তবে এটি কোন শর্তে প্রযোজ্য হবে না?
  1. যারা শুধুমাত্র অর্থদণ্ড প্রাপ্ত
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
  3. যে সকল আসামি জামিনে মুক্ত থাকে
  4. যারা পাঁচ বছরের কম সময় জেলে ছিল
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং তার জেল হাজতে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ দেয়া হয়, তবে এটি মৃত্যুদণ্ড (death penalty) প্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তার জেল হাজতে থাকা সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
১,৫৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ১৪৫ ধারার ক্ষমতা হল বাধ্যতামূলক
  2. ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
  3. ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা মালিকানা নির্ধারণ হয় না
  4. ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
- ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
- ১৪৫(৪) ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পক্ষসমূহ ও সাক্ষীদের বক্তব্য শ্রবন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

-সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বৃদ্ধি না করলে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; কিন্তু ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
-যেহেতু ১৪৫ ধারায়  he, shall শব্দাবলী ব্যবহার করা হয়েছে তাই ১৪৫ ধারার ক্ষমতা বাধ্যতামূলক।

- প্রশ্নেমতে ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে তথ্যটি সঠিক নয়।
১,৫৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারাটি স্ত্রীলোক সম্পর্কিত?
  1. ৪৭
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫৩
সঠিক উত্তর:
৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৫২ তে স্ত্রীলোকের দেহতল্লাশী এর পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
• কোন নারীর দেহ তল্লাশীর প্রয়োজন হলে অন্যকোন নারী দ্বারা কঠোরভাবে শালীনতা বজায় রেখে তল্লাশী করতে হবে।
১,৫৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী, কোন অবস্থায় তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আসামিকে মুক্তি দিতে পারেন? 
  1. আসামি দোষী সাব্যস্ত না হলে
  2. তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
  4. সাক্ষীরা অনুপস্থিত থাকলে
সঠিক উত্তর:
তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তে প্রমাণের অভাব হলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুযায়ী, তদন্তের পর যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ বা যুক্তিসংগত সন্দেহের ভিত্তি নেই, তাহলে তিনি আসামিকে (হেফাজতে থাকলে) একটি মুচলেকা (bond) সম্পাদন করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.

১,৫৬৪.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য কার নির্দেশে বিক্রি করা যাবে?
  1. জব্দকারি পুলিশ কর্মকর্তার
  2. যে এলাকায় পাওয়া গেছে, উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  3. যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
  4. যে এলাকায় পাওয়া গেছে, উক্ত এলাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১,৫৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেওয়ার পর অভিযোগকারীর কী করতে হবে?
  1. শুধু মৌখিকভাবে বললেই যথেষ্ট
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে হবে
  3. লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
  4. পুলিশ অফিসারকে ঘটনা স্থলে নিয়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পুলিশ স্টেশন অফিসারকে প্রদান করা হয়, তখন অভিযোগকারীকে অভিযোগের লিখিত কপি পড়ে শোনানো হবে এবং তাকে সই করতে হবে। অভিযোগটি পুলিশ স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্ত হতে হবে, এবং এর সারাংশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিখে রাখতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন।
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে।
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। 
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। 
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
১,৫৬৬.
কোনটি রায়ের বিষয়বস্তু নয়?
  1. বিচার্য বিষয়সমূহ
  2. আসামী যে ধারায় ও অপরাধে দণ্ডিত
  3. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ
  4. প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি সাক্ষীর বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• বিচার সমাপ্ত হবার অব্যাহত পর অথবা নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

ধারা ৩৬৭ঃ রায়ে যে সকল বিষয় উল্লেখ করতে হবে
-

১. বিচার্য বিষয়সমূহ [points for determination]
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ [the decision and reasons for the decision]
৩. আসামী যে অপরাধে (যদি থাকে) দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল [section]
৪. শাস্তি [punishment]

• সাক্ষীর বক্তব্য রায়ের বিষয়বস্তু নয়।
১,৫৬৭.
ফৌজদারি সমন জারি করতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. সরকারী কর্মচারী
  3. আদালতের অফিসার
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.
১,৫৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. অপরাধী পলাতক থাকলে
  2. অপরাধে অভিযোগকারীর সম্পৃক্ততা থাকলে
  3. অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
  4. বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ সংঘটিত হলে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা-
যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে, অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.
১,৫৬৯.
According to Section 341 of The Code of Criminal Procedure, which Court has the authority to issue the final order in cases where the accused does not understand the proceedings but is not insane?
  1. Trial court
  2. Sessions Court
  3. District Court
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 341: Procedure When Accused Does Not Understand Proceedings:
-If the accused is not insane but still cannot understand the proceedings, the Court may continue with the inquiry or trial. However, if a conviction occurs in any Court other than the High Court Division, the case proceedings, along with a report of the circumstances, must be forwarded to the High Court Division. The High Court Division will then issue an appropriate order based on the case details.
------------------
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪১ ধারার বিধান আসামী কার্যক্রম না বুঝিলে তখনকার পদ্ধতি:
আসামী মাতাল না হওয়া সত্ত্বেও যদি তাকে মামলার কথা বুঝানো না যায় তাহলে আদালত অনুসন্ধান বা বিচার চালায়ে যেতে পারেন; এবং হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিত অন্য কোন আদালতের ক্ষেত্রে যদি মামলার ফল দণ্ডজ্ঞা হয় তা হলে, ঘটনার অবস্থাসহ মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ সে সম্পর্কে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-341. Procedure where accused does not understand proceedings:
-If the accused, though not insane, cannot be made to understand the proceedings, the Court may proceedwith the inquiry or trial; and, in the case of a Court other than High Court Division, if such proceedings result in a conviction, the proceedings shall be forwarded to the High Court Division with a report of the circumstances of the case, and the High Court Division shall pass thereon such order as it thinks fit.
১,৫৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ কত প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ৯ প্রকার
  4. ১১ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৯ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯টি পরিস্থিতিতে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহ থাকলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking)
৩. অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property)
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে বা পলায়ন চেষ্টা করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict)
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে (Requisition of arrest)

এই ৯ প্রকার ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant: 

(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest- 
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned; 
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking; 
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government; 
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing; 
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody; 
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ; 
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh; 
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3); 
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
১,৫৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে, এর ফলাফল কী হয়?
  1. মামলাটি স্থগিত থেকে যায়
  2. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হয়
  3. অভিযুক্তকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়
  4. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: যদি কোন অভিযোগকারী তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে, ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তা প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারেন, এবং তখনই তিনি অভিযুক্তকে খালাস দিবেন।
- সুতরাং, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে এর সরাসরি এবং বাধ্যতামূলক ফলাফল হল অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দেওয়া।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

১,৫৭২.
দায়রা মামলা বিচারের কোন পর্যায় পর্যন্ত চার্জ পরিবর্তন করা যায়?
  1. রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
  2. আসামীকে ৩৪২ ধারায় পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্ব পর্যন্ত
  4. রায় প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় প্রচারের পূর্ব তারিখ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
১,৫৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারার অধীনে, একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আলাদা অপরাধের জন্য কী করা হয়?
  1. অভিযোগ একসাথে গঠন করা হয়
  2. কোন অভিযোগ গঠন করা হয় না
  3. প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
  4. একটি অভিযোগের মাধ্যমে সব অপরাধ বিচারের জন্য নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারায় বলা হয়েছে, যখন একজন ব্যক্তি একাধিক আলাদা অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা আলাদা অভিযোগ গঠন করা হয় এবং প্রতিটি অভিযোগের বিচার আলাদাভাবে হবে।
এই ধারার উদ্দেশ্য হল, প্রতিটি অপরাধের বিচারের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং পৃথক অভিযোগ নিশ্চিত করা, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা পৃথক অপরাধের সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানাতে পারেন এবং তার জন্য আলাদা বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়।
অতএব, প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয় (অর্থাৎ, প্রতিটি আলাদা অপরাধের জন্য পৃথকভাবে অভিযোগ তৈরি হয়)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।
উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences:
- For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239.
Illustration
A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
১,৫৭৪.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী কোন বয়সের ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হলে, তাকে জেলে না পাঠিয়ে সংশোধনাগারে পাঠানো হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

১,৫৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৯০ ধারায়
  2. ৩৯২ ধারায়
  3. ৩৯৪ ধারায়
  4. ৩৯৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৬: পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকর-
(১) এই কোড অনুযায়ী যদি কোনো পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড প্রদান করা হয়, তবে -
যদি দণ্ড মৃত্যুদণ্ড, অর্থদণ্ড বা বেত্রাঘাত (whipping) হয়, তবে পূর্ববর্তী বিধানের অধীন না থাকলে অবিলম্বে কার্যকর হবে;
আর যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা নির্বাসনের দণ্ড হয়, তবে নিচের নিয়ম অনুযায়ী কার্যকর হবে:(২) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর হয়, তবে নতুন দণ্ড অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর না হয়, তবে নতুন দণ্ড কার্যকর হবে তখন, যখন পলাতক ব্যক্তি তার পলায়নের সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের যে অবশিষ্ট সময় ছিল, তা পুনরায় ভোগ করবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে—
(ক) নির্বাসনের দণ্ড (transportation) কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(খ) নির্জন কারাদণ্ড (solitary confinement) সহ কারাদণ্ড, নির্জন কারাদণ্ড ব্যতীত কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(গ) সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) বিনাশ্রম কারাদণ্ডের (simple imprisonment) তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে, নির্জন কারাদণ্ড থাকুক বা না থাকুক।
১,৫৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  3. নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
  4. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
সঠিক উত্তর:
নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশ হিসেবে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১,৫৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় কার্যকরী হবে?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮২ ধারা
  3. ৮৩ ধারা
  4. ৮৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় কার্যকরী হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 82. Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
১,৫৭৮.
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Final Report
  2. Complaint
  3. Charge Sheet
  4. Investigation Report
সঠিক উত্তর:
Charge Sheet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge Sheet
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
ক) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

খ) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।

১,৫৭৯.
চুরির মামলায় বিচার চলাকালে তিন মাস জেলে থাকার পর "X" বিচার শেষে ছয় মাসের দণ্ড পেলে কতদিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন সাজা ভোগ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
→ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 35A.Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
১,৫৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(১) ধারায় কাকে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. অভিযুক্ত
  2. অভিযোগকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. সহ-অভিযুক্ত
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।

Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১,৫৮১.
ফৌজদারি মামলার রিভিশনের কার্যক্রম কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. নির্ধারিত সময় উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

১,৫৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪১২ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

১,৫৮৩.
'A' is wounded within the local limits of the jurisdictions of Court 'X', and dies within the local limits of the jurisdiction of Court 'Z'. The offence of the culpable homicide of 'A' may be tried by-
  1. Court 'Z'
  2. Court 'X'
  3. Court 'X' or 'Z'
  4. Both 'X' and 'Z'
সঠিক উত্তর:
Court 'X' or 'Z'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court 'X' or 'Z'
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৯: যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয় বা ফলস্বরূপ হয় সেখানে অভিযুক্তের বিচার:
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ থাকে যা তার দ্বারা করা কিছু কাজের কারণে এবং এর ফলস্বরূপ ঘটে, তখন এই অপরাধটি সেই আদালতে তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে, যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজটি করা হয়েছে বা যার স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত ফলস্বরূপ ঘটেছে।

উদাহরণ:
(ক) যদি A-এর উপর আক্রমণ করা হয় এবং সে আদালত X-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হয় এবং পরে আদালত Z-এর স্থানীয় সীমার মধ্যে মারা যায়, তাহলে A-এর হত্যা সম্পর্কিত অপরাধটি আদালত X বা Z-এর দ্বারা তদন্ত করা যেতে পারে বা বিচার করা যেতে পারে।
১,৫৮৪.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদন্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রিভিশন
  2. আপিল
  3. রেফারেন্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন যে সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে
১,৫৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার অধীন পুলিশের নিকট প্রদত্ত সাক্ষ্য কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণে
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে
  3. কোনো ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
(১) তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয়, তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না;
-এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না:
তবে শর্ত এই যে, যে ব্যক্তির বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, তাকে সরকার পক্ষের সাক্ষী হিসাবে তলব করা হলে উক্ত লিখিত বিবৃতি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা অনুসারে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্যের বৈপরীত্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ পুলিশ সাক্ষীর যে জবানবন্দি ১৬১ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে, তা বিচার বা অনুসন্ধানে নিম্নলিখিত ২ টি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়-
i. জবানবন্দিটি যদি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হয়। [সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা]
ii. জবানবন্দিটির উপর ভিত্তি করে পুলিশ কোন বিষয় উদঘাটন করলে। [সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা]
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-162: Statements to police not to be signed; use of such statements in evidence:
(1) No statement made by any person to a police officer in the course of an investigation under this Chapter shall, if reduced into writing, be signed by the person making it; nor shall any such statement or any record thereof, whether in a police-diary or otherwise, or any part of such statement or record, be used for any purpose (save as hereinafter provided) at any inquiry or trial in respect of any offence under investigation at the time when such statement was made: 
 
Provided that, when any witness is called for the prosecution in such inquiry or trial whose statement has been reduced into writing as aforesaid, the Court shall on the request of the accused, refer to such writing and direct that the accused be furnished with a copy thereof, in order that any part of such statement, if duly proved, may be used to contradict such witness in the manner provided by section 145 of the Evidence Act, 1872. When any part of such statement is so used, any part thereof may also be used in the re-examination of such witness, but for the purpose only of explaining any matter referred to in his cross-examination: 
 
Provided, further that, if the Court is of the opinion that any part of any such statement is not relevant to the subject matter of the inquiry or trial or that its disclosure to the accused is not essential in the interests of justice and is inexpedient in the public interests, it shall record such opinion (but not the reasons therefor) and shall exclude such part from the copy of the statement furnished to the accused. 
 
(2) Nothing in this section shall be deemed to apply to any statement falling within the provisions of section 32, clause (1), of the Evidence Act, 1872 or to affect the provisions of section 27 of that Act.
১,৫৮৬.
দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে কোন আদালত জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারেন?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898- ধারা ১৭ক: যুগ্ম দায়রা জজদের অধীনতা:
(১) সকল যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judges) সেই দায়রা জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ, যার আদালতে তারা বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকেন। দায়রা জজ সময় সময় এই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিচারকার্যের বণ্টন সংক্রান্ত বিধি তৈরি করতে পারেন অথবা বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

(২) দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে তিনি অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ-এর মাধ্যমে জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে, ঐ অতিরিক্ত বা যৌথ দায়রা জজ উক্ত আবেদন নিষ্পত্তির অধিকার রাখেন।
১,৫৮৭.
Summary dismissal of appeal এর বিধান রয়েছে কোন ধারায়?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪২৩ ধারায়
  3. ৪২২ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা- ৪২১: আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)- ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
১,৫৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৭ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্তকে এক অপরাধের জন্য চার্জ করা হয় এবং অন্য অপরাধ প্রমাণিত হয়, তবে কী হবে?
  1. কিছু করা হবে না
  2. মুক্তি দেওয়া হবে
  3. দণ্ডিত করা যাবে
  4. নতুন চার্জ গঠন হবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান:
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল।কিন্তু দেখা গেল যে,সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে।উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 237.When a person is charged with one offence, he can be convicted of another:
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it. 

Illustration:
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.
১,৫৮৯.
চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের অব্যাহতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কোন কাগজপত্র বিবেচনা করবে?
  1. ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট
  2. পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি
  3. ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
১,৫৯০.
ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক-এর আপিল কখন বাতিল হবে?
  1. অভিযোগপত্র বাতিল হলে
  2. অভিযুক্ত মারা গেলে
  3. জামিন না মঞ্জুর হলে
  4. মামলা স্থগিত হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত মারা গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত মারা গেলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী,

ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক অনুযায়ী আপিল: অভিযুক্তের মৃত্যু ঘটলে, সেই আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল (abate) হয়ে যাবে।

অন্যান্য সকল আপিল (জরিমানা ছাড়া): আপিলকারী মারা গেলে, সেই আপিলও চূড়ান্তভাবে স্থগিত হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

১,৫৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. পুলিশ রিপোর্ট
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. অভিযুক্তের সম্মতি
  4. সরকারের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করার জন্য সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) আবশ্যক। ধারাটি বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বিদেশে সংঘটিত অপরাধ বা বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ/বিমানে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করার বিধান দেয়।
পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা: তবে, এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো প্রথম শর্তসাপেক্ষে (First Proviso) অংশে। এতে উল্লেখ আছে: "এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না।"
অনুমোদনের সময়: এই অনুমোদন তদন্ত শুরুর পূর্বেই নিতে হবে। তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে এটি নেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করতে অবশ্যই সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়বদ্ধতা:
যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমা ব্যতীত বা বাইরে কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, অথবা
যখন কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি যেখানেই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ করে,
তখন সেই অপরাধের জন্য তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা যেতে পারে যেন অপরাধটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো স্থানে সংঘটিত হয়েছে যেখানে তাকে পাওয়া যেতে পারে:
অভিযোগ তদন্তের উপযুক্ততা প্রত্যয়নের জন্য রাজনৈতিক এজেন্টগণ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো কার্যক্রম, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে একই অপরাধের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হতো, তা বাংলাদেশের সীমার বাইরের কোনো অঞ্চলে একই অপরাধের জন্য ১৯৭৪ সালের প্রত্যর্পণ আইন (Extradition Act, 1974) এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আরও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge:
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.

১,৫৯২.
মহানগর দায়রা আদালতের সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি কার কাছে প্রেরণ করা হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং খ উভয়ের কাছে
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

১,৫৯৩.
একটি ফৌজদারি আদালত পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারেন-
  1. সাক্ষ্যের জন্য
  2. তদন্তের জন্য
  3. বিচারের জন্য
  4. সুরতহালের জন্য
সঠিক উত্তর:
বিচারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারের জন্য
ব্যাখ্যা
♦ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের বিবরণ/অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করেন, তাকেই পুলিশ ডায়েরি বলা হয়। পুলিশ ডায়েরিতে উল্লেখ থাকে; কখন সংবাদটি তার নিকট পৌঁছেছিল। কখন তদন্ত শুরু এবং শেষ করেছে। কোন কোন স্থানটি পরিদর্শন করেছে।তল্লাশি, গ্রেফতার, আলামত উদ্ধার, ১৬১ ধারায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পর্কিত সকল বিবরণসহ মামলার সকল প্রকার কার্যক্রম।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(২) ধারামতে শুধুমাত্র আদালত অনুসন্ধান বা বিচারে (সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার ব্যতীত) সহায়তা পেতে অর্থাৎ ন্যায় বিচারের স্বার্থে পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারে।
♦ কোনভাবেই অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারে না, তবে তদন্ত কর্মকর্তা (IO) স্মৃতি পুনঃরুজ্জীবিত করার জন্য (Refreshing Memory) পুলিশ ডায়েরী বা কেস ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
১,৫৯৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-২৪১ক এর প্রায় অনুরূপ আরেকটি ধারা কোনটি?
  1. ২৬৫ক
  2. ২৬৫গ
  3. ২৬৫ঘ(১)
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৬৫গ মোতাবেক মামলার নথি এবং তার সাথে দাখিলী দলিলাদি বিবেচনা এবং তৎসম্পর্কে আসামী ও সরকার পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামীর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর কোনই কারণ নেই, তাহলে আদালত আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং তদ্রুপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
১,৫৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৩(৩) অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট A–কে B–র কাছ থেকে চুরি করার জন্য দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে A–কে দস্যুতার অভিযোগে-
  1. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
  2. নতুন অভিযোগ গ্রহণ করা যাবে না
  3. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- ক) পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

কারণ:
ধারা ৪০৩(৩) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যে অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, যদি সেই কাজের ফলে পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটে যা একটি নতুন ও ভিন্ন অপরাধ সৃষ্টি করে, এবং যা দণ্ডাদেশের সময় ঘটেনি বা জানা ছিল না- তাহলে তাকে সেই নতুন অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

ধারা ৪০৩ – একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধে পুনরায় বিচার করা যাবে না:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে উপযুক্ত আদালতে বিচারপ্রাপ্ত হয়ে দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হন, এবং সেই দণ্ড বা খালাস বলবৎ থাকে- তাহলে তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না। এমনকি একই ঘটনার ভিত্তিতে এমন কোনো ভিন্ন অভিযোগেও বিচার করা যাবে না, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী আনা যেত বা ধারা ২৩৭ অনুযায়ী যার জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা যেত।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে খালাসপ্রাপ্ত বা দণ্ডিত হন, তবুও তিনি ভিন্ন ও পৃথক কোনো অপরাধে পরবর্তীতে বিচারিত হতে পারেন- যদি ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আগের বিচারেই তাকে আলাদা অভিযোগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যে অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, যদি সেই কাজের ফলে পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটে যা একটি নতুন ও ভিন্ন অপরাধ সৃষ্টি করে, এবং যা দণ্ডাদেশের সময় ঘটেনি বা জানা ছিল না- তাহলে তাকে সেই নতুন অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(৪) কোনো ব্যক্তি একই কাজের ভিত্তিতে কোনো অপরাধে খালাসপ্রাপ্ত বা দণ্ডিত হলেও, যদি প্রথম আদালত পরবর্তীতে যার জন্য বিচার হবে সেই অপরাধটি বিচার করার ক্ষমতা না রাখে, তাহলে তাকে সেই অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(৫) এই ধারার কিছুই General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২৬ বা CrPC-এর ধারা ১৮৮–এর বিধানকে বাধাগ্রস্ত করবে না।

ব্যাখ্যা: যে পরিস্থিতিতে- অভিযোগ খারিজ, ধারা ২৪৯ অনুসারে কার্যক্রম স্থগিত, অথবা অভিযুক্তের ডিসচার্জ- এসবকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসেবে গণ্য করা হবে না।

Illustrations (উদাহরণসমূহ)
(a) A একজন চাকর হিসেবে চুরি করার অভিযোগে বিচার হয়ে খালাস পায়। তাকে একই ঘটনার ভিত্তিতে চাকর হিসেবে চুরি, সাধারণ চুরি, অথবা অপরাধমূলক আত্মসাৎ-এই কোনোটিতেই পুনরায় বিচার করা যাবে না।

(b) A হত্যার অভিযোগে বিচার হয়ে খালাস পায়। বিচারের সময় দেখা যায়, হত্যার সময় সে ডাকাতিও করেছে। তাকে পরে ডাকাতির অভিযোগে বিচার করা যাবে।

(c) A গুরুতর আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হয়। পরে আহত ব্যক্তি মারা গেলে- A কে culpable homicide–এর অভিযোগে পুনরায় বিচার করা যাবে।

(d) A সেশন কোর্টে B–কে হত্যার (culpable homicide) অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। পরে একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে মার্ডার–এর অভিযোগে বিচার করা যাবে না।

(e) A কে প্রাথমিক আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট B–কে আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত করে। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে গুরুতর আঘাত (grievous hurt)–এর অভিযোগে বিচার করা যাবে না- যদি না এটি উপ-ধারা (৩)-এর আওতায় আসে (যেমন: আঘাতের ফল পরে গুরুতর হয়েছে ইত্যাদি)।

(f) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট A–কে B–র কাছ থেকে চুরি করার জন্য দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে robbery–র অভিযোগে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(g) A, B, C–কে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট D–কে ডাকাতি করার অপরাধে দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাদের dacoity–এর অভিযোগে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

১,৫৯৬.
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] আপিল-
 
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না, যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
 
[Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.
Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.]
১,৫৯৭.
এজাহার সম্পর্কে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সত্য-?
  1. এজাহার একটি চূড়ান্ত সাক্ষ্য
  2. এজাহার কোন মূল সাক্ষ্য না
  3. ঘটনা সম্পর্কে অবগত যেকোন ব্যক্তি এজাহার দায়ের করতে পারে
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বি.পি. ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
♦অর্থাৎ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বলে।
♦প্রাথমিক তথ্য বিবরনী কোন মূল সাক্ষ্য না। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর উপর ভিত্তি করে কোন দণ্ড দেওয়া যাবে না।
১,৫৯৮.
গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ৮১ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
 
• ধারা ৮১- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবে:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।
 
Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
১,৫৯৯.
চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর কার অনুমোদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হয়?
  1. পুলিশ সুপার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. তদন্তকারী অফিসার
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

→ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন:

- মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন দাখিল করেন, তাকে পুলিশ রিপোর্ট বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-তে পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
পুলিশ রিপোর্ট সাধারণত দুই প্রকার—
১) চার্জশিট (Charge Sheet):
- যদি প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকে চার্জশিট বলে। এর ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যান।
২️) চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report): 
- যদি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া না যায়, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বলা হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharge) দেন।

১,৬০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুযায়ী, সরকার কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করার সময় কী করতে পারবেন?
  1. সরকারি গেজেটে নোটিফিকেশন জারি করতে পারবেন
  2. অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি দিতে পারবেন
  3. পুলিশ অফিসারকে তল্লাশি করার নির্দেশ দিতে পারবেন
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুযায়ী, সরকার যখন কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে, তখন তাদের তিনটি কাজ করতে হয়:
- সরকারি গেজেটে নোটিফিকেশন জারি করতে হবে, যাতে সরকার প্রকাশনাটি বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে এবং এর কারণ উল্লেখ করে।
- অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি দিতে হবে, অর্থাৎ সরকার কেন এই প্রকাশনাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করছে, তার বিস্তারিত কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।
- পুলিশ অফিসারকে তল্লাশি করার নির্দেশ দিতে হবে, যাতে পুলিশের পক্ষ থেকে বাজেয়াপ্তকৃত প্রকাশনাগুলি খুঁজে এবং উদ্ধার করা যায়।
এই তিনটি পদক্ষেপ একসাথে গ্রহণ করার মাধ্যমে সরকার বাজেয়াপ্তকৃত প্রকাশনাগুলি উদ্ধারের জন্য কার্যক্রম শুরু করে।


⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গণে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোনো সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সংগত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।