উত্তর
ব্যাখ্যা
IMF এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন বুলগেরিয়ার নাগরিক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। তিনি ১ অক্টোবর ২০১৯ পাঁচ বছরের জন্যে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
(তথ্যসূত্র: IMF ওয়েবসাইট)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১১ / ২৫ · ১,০০১–১,১০০ / ২,৪৬৩
- "Human Development Index" (HDI) রিপোর্ট প্রতি বছর United Nations Development Programme (UNDP) কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- এই সূচকটি বিশ্বের সকল দেশের জীবনধারণের মান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আয়ের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।
UNDP:
- UNDP এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী বা UNDP জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
- UNCTAD 'বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন' প্রকাশ করে।
- UNFPA 'বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন' প্রকাশ করে।
- WIPO 'বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক' প্রকাশ করে।
সূত্র: UNDP ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
• The World Food Programme (WFP):
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP), সংস্থাটি ১৯৬১ সালে জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP) এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে।
- ২০২০ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (WFP) শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP) লক্ষ্য বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশকে সাহায্য করা যাদের পর্যাপ্ত খাবার নেই।
- সংস্থাটি জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দ্বিতীয়, জিরো হাঙ্গার অর্জনের জন্য কাজ করে, যা ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং পুষ্টির উন্নতি এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই কৃষিকে উন্নীত করার অঙ্গীকার করে।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় ধরনের দুর্যোগের শিকার ব্যক্তিদের খাদ্য সংগ্রহ ও সংকটপূর্ণ এলাকায় পরিবহন করে সহায়তা করে।
- এটি যুদ্ধ এবং অন্যান্য সংঘাত, মহামারী এবং মহামারী, ফসলের ব্যর্থতা এবং বন্যা, খরা, ভূমিকম্প এবং ঝড়ের মতো বিপর্যয় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাহায্য করে।
তথ্যসূত্র: WFP ওয়েবসাইট।
MONUSCO:
- এর পূর্ণনাম: (United Nations Organization Stabilization Mission in the Democratic Republic of the Congo)
- স্থান: গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।
- শুরু: ১৯৯৯ (পূর্বে MONUC নামে, ২০১০ সালে MONUSCO নামকরণ)।
- উদ্দেশ্য: বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির নিরস্ত্রীকরণ, এবং দেশে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা।
অন্যদিকে,
- UNMISS (United Nations Mission in South Sudan)
- স্থান: দক্ষিণ সুদান।
- শুরু: ২০১১ সালে।
- উদ্দেশ্য: সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, এবং মানবিক সহায়তা প্রদান।
- MINUSMA (United Nations Multidimensional Integrated Stabilization Mission in Mali)
- উদ্দেশ্য: মালিতে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাসবাদ ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই, এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তা।
- UNIFIL (United Nations Interim Force in Lebanon)
- উদ্দেশ্য: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা এবং দক্ষিণ লেবাননে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- UNAMID (United Nations–African Union Mission in Darfur)
- উদ্দেশ্য: দারফুরে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা প্রদান, এবং শান্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা। (এই মিশন ২০২০ সালে শেষ হয়েছে, তবে এটি একটি উল্লেখযোগ্য মিশন ছিল।)
উৎস: জাতিসংঘ ওযেবসাইট।
Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল:২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- OPCW নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৩ সালে।
⇒ মূল উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ।
- বিদ্যমান রাসায়নিক অস্ত্রের ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ।
- শিল্পখাতে রাসায়নিকের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে।
- এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ সাও টোমে ও প্রিন্সিপ ২০২৪ সালে LDC থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে।
- ২০২৬ সালে LDC-ভুক্ত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে বাংলাদেশ, নেপাল, লাওস।
⇒ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC - Least Developed Countries) থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘ তিনটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে একটি দেশের উন্নয়ন ও উত্তরণের যোগ্যতা। এই সূচকগুলো হলো:
- মাথাপিছু জাতীয় আয় (Income),
- মামানবসম্পদ (Income),
- জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা (Economic and Environmental Vulnerability)।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
• জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র:
⇒ ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন এবং সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন (ইউএসএসআর) সহ অক্ষশক্তির সাথে যুদ্ধরত ছাব্বিশটি রাষ্ট্র আটলান্টিক সনদে অন্তর্ভুক্ত একটি নথিতে উদ্দেশ্য ও নীতির সাধারণ কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করে, যা 'জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র' নামে পরিচিত হয়।
- পরবর্তী সময়ে আরও একুশটি রাষ্ট্র সেই ঘোষণাপত্র মেনে চলে।
⇒ জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে 'জাতিসংঘ' শব্দটির প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যবহার ছিল। 'জাতিসংঘ' নামটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল।
• জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রের মূল স্বাক্ষরকারীরা:
- মূল ছাব্বিশটি স্বাক্ষরকারী দেশ ছিল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন, চীন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, কোস্টারিকা, কিউবা, চেকোস্লোভাকিয়া, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর, গ্রীস, গুয়াতেমালা, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নিকারাগুয়া, নরওয়ে, পানামা, পোল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিয়ন, যুগোস্লাভিয়া
উল্লেখ্য,
⇒ জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ - ৫১ টি।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice বা ICJ):
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গসংস্থার মধ্যে একটি।
- এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে।
- এই আদালতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন।
- প্রত্যেক বিচারক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের যৌথ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন বিচারকের মেয়াদ নির্ধারিত থাকে ৯ বছর।
- তবে তারা পুনরায় নির্বাচিত হতে পারেন।
উল্লেখ্য,
- আদালতের মধ্যে একজন সভাপতি এবং একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন বিচারকদের মধ্য থেকেই।
- সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর, তবে তাকেও পুনঃনির্বাচিত করা যায়।
সূত্র: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন 'মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
• ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। [নভেম্বর, ২০২৫]
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
তথ্যসূত্র: ILO ওয়েবসাইট।
প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ক 'আলমাআতা' ঘোষণাটি ১৯৭৮ সালে গৃহীত হয়।
'আলমাআতা' ঘোষণা (The Alma-Ata Declaration):
- স্থান: আলমাআতা, কাজাখস্তান।
- সময়: ১২-১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
⇒ প্রধান উদ্দেশ্য:
- Primary Health Care (PHC) বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত করা।
- সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা নিশ্চিত করা, যাতে স্বাস্থ্য অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়।
- স্বাস্থ্যসেবা কেবল হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজভিত্তিক ও প্রতিরোধমূলক হয়ে ওঠে।
- ২০০০ সালের মধ্যে বিশ্বের সকল মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করা।
উল্লেখ্য,
- কাজাখস্তানের বৃহত্তম নগরী আলমাআতায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের ১৩৪ সদস্য দেশের মন্ত্রীরা ২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যের বিষয়টি ঘোষণা করেছিলেন।
উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
• ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
তথ্যসূত্র: ILO ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য: ১৫টি।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য: ০৫টি।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য: ১০টি।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। [জানুয়ারি,২০২৬]
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- Global Wage Report: বৈশ্বিক মজুরি প্রবণতা পর্যালোচনা করে।
উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• IAEA:
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৭৯টি। [নভেম্বর, ২০২৫]
- বর্তমান মহাপরিচালক: Rafael Mariano Grossi. [নভেম্বর, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: “Atoms for Peace and Development”.
- IAEA হলো NPT বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা।
- উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার উৎসাহিত করা।
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে (non-proliferation) নজরদারি করা।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান।
• ইরানের সদস্যপদ ত্যাগ:
- জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
- এর ফলে সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি থেকে ২জুলাই, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল তেহরান।
তথ্যসূত্র: IEAE ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।
সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন:
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা সম্মেলন হিসেবেও পরিচিত।
- এ সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল - ২৬ জুন পর্যন্ত সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্রে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশক্তির মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
- এই সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল।
⇒ এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা, যা যুদ্ধ এবং সংঘাত প্রতিরোধ করবে এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে।
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং তারা জাতিসংঘের সংবিধান বা চার্টার অনুমোদন করে।
- এই সম্মেলনে প্রধানভাবে মিত্র শক্তি বা Allied Powers-এর ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে এবং একে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সেজন্য ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘের জন্ম দিনকে সারা বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ধারা ৫১:
- জাতিসংঘের কোনো সদস্যের ওপর কোনো আক্রমণ ঘটলে যতক্ষণ পর্যন্ত না আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি নিরাপত্তা পরিষদ গ্রহণ করছে ততক্ষণ সেই রাষ্ট্রের একক সহজাত অধিকার বা যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার সম্বন্ধে বর্তমান সনদের কোনো অংশই অন্তরায় হবে না। আত্মরক্ষার এই অধিকার কার্যকর করার জন্য সদস্যগণ কর্তৃক অবলম্বিত ব্যবস্থাদি সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পেশ করতে হবে এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংরক্ষণ বা পুনরুদ্ধারের জন্য এই সনদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিধিব্যবস্থা গ্রহণে নিরাপত্তা পরিষদের কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব কোনো মতেই বাধাগ্রস্ত হবে না।
⇒ জাতিসংঘ সনদ অনুসারে, 'ন্যাটো' (North Atlantic Treaty Organization) এবং 'ওয়ারশ চুক্তি' (Warsaw Pact) দুটি মূলত জাতিসংঘ সনদের ধারা ৫১ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ধারা ৫১ জাতিসংঘ সনদের আত্মরক্ষা সম্পর্কিত ধারা, যা রাষ্ট্রগুলোর জন্য তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মূলত একটি সামরিক নিরাপত্তা চুক্তি হিসেবে, যার উদ্দেশ্য ছিল একে অপরকে বাহ্যিক আক্রমণের বিরুদ্ধে রক্ষা করা।
- ওয়ারশ চুক্তি ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়, যা ন্যাটোর বিপরীতে পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট দেশগুলোর সামরিক জোট ছিল।
অন্যদিকে,
- ধারা ৪৯: নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক স্থিরীকৃত কর্মপন্থা অনুসরণ করার জন্য জাতিসংঘের সদস্যরা পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদানে স্বীকৃত থাকবে।
- ধারা ৪৬: সামরিক বাহিনী নিয়োগ-সম্পর্কিত পরিকল্পনাদি সামরিক স্টাফ কমিটির সহায়তায় নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রণীত হবে।
- ধারা ২৫: বর্তমান সনদ অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্যরা নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত মেনে চলতে এবং তা কার্যকর করতে সম্মত হচ্ছে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন:
• জাতিসংঘ সনদ গৃহীত হবার পর ১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারি প্রথম বারের মত সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
• এটি লন্ডনের ওয়েষ্ট মিনিস্টারের সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত হয়।
• ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে ১১১ টি ধারা সম্বলিত জাতিসংঘের সনদ অনুমোদিত হয়।
• সর্বসম্মতভাবে সনদটি স্বাক্ষরিত হয় ২৪ অক্টোবর।
• জাতিসংঘ সনদের ধারা ১১১ টি।
• মোট ৫১ টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
• প্রতি বছর ২৪ অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে।
• জাতিসংঘ সনদ গৃহীত হবার পর এ পর্যন্ত সনদের চারটি ধারা সংশোধন করা হয়েছে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং রাজনৈতিক সংগঠন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
▪ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
▪ এর সদরদপ্তর ইতালির রোম শহরে অবস্থিত।
▪ বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ডেভিড এম বিসলি।
▪ ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছে WFP (World Food Programme) বা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
▪ বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে অবদানের জন্যে WFP কে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।
তথ্যসূত্র: WFP এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of Discrimination against Women.
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW গ্রহণ করে।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- CEDAW সনদে পরিচ্ছদ আছ: -৬ টি, ধারা আছে: ৩০ টি।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
তথ্যসূত্র: OHCHR ওয়েবসাইট।
• UNESCO:
- পূর্ণরূপ: United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization
- প্রতিষ্ঠা: ১৬ নভেম্বর ১৯৪৫
- কার্যক্রম শুরু: ৪ নভেম্বর ১৯৪৬
- জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও তথ্য/যোগাযোগ ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান)
- সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৯৪টি [নভেম্বর, ২০২৫]
- সহযোগী সদস্য: ১১টি
- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ: ২৭ অক্টোবর, ১৯৭২।
• UNESCO এর গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম ও উদ্যোগসমূহ:
- UNESCO World Heritage Centre
- Education for Sustainable Development (ESD)
- Man and the Biosphere (MAB)
- Memory of the World Programme
- International Geoscience and Geoparks Programme (IGGP)
তথ্যসূত্র: UNESCO এর ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।
এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণ,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।
উৎস: History.com, UN ওয়েবসাইট।
• জাতিসংঘ সনদ:
- জাতিসংঘের সনদ হল জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা দলিল।
- এটি ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে আন্তর্জাতিক সংস্থা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত হয়
- এটি ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কার্যকর হয়।
⇒ ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থার জাতিসংঘ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করেন। পোল্যান্ড, যেখানে প্রতিনিধিত্ব করা হয়নি, পরে এটিতে স্বাক্ষর করে এবং জাতিসংঘের মূল ৫১টি সদস্য।
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে, জাতিসংঘ সনদ ১৯৬৩, ১৯৬৫ এবং ১৯৭৩ সালে তিনবার সংশোধন করা হয়েছে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
- ITU (International Telecommunication) ১৮৬৫ সালের ১৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো International Telegraph Union. ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি এটি ITU নাম ধারণ করে।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ নভেম্বর জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ITU সদস্যপদ লাভ করে।
- এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি রাষ্ট্র এবং প্রায় ৯০০ কোম্পানি।
- বর্তমান মহাসচিব হাওলিন ঝাও।
তথ্যসূত্র - ITU- এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ICCPR:
- ICCPR-এর পূর্ণরূপ: International Covenant on Civil and Political Rights.
- এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ১৯৬৬ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে।
- আন্তর্জাতিক এই চুক্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য অর্থাৎ বিশ্বের প্রতিটি পেশার এবং প্রতিটি মানুষ যেন সমান অধিকার পায় সেই লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে দুইটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো মানুষের মৌলিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার যেমন-জীবনের অধিকার, বাকস্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচারের অধিকার সুরক্ষা করা।
- এতে মোট ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- এই চুক্তি বাস্তবায়ন তদারকি করে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিটি (UN Human Rights Committee)।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এটি ২০০০ সালে অনুমোদন করে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ৫টি।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (আগস্ট ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (আগস্ট, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
বাংলাদেশ কর্তৃক পালনকৃত দায়িত্ব:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ২ বার।
- প্রথম মেয়াদ (১৯৭৯-১৯৮০)।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- দ্বিতীয় মেয়াদ (২০০০-২০০১)।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
বাংলাদেশ কর্তৃক পালনকৃত দায়িত্ব:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ২ বার।
- প্রথম মেয়াদ (১৯৭৯-১৯৮০)।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- দ্বিতীয় মেয়াদ (২০০০-২০০১)।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
- জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা তাদের স্বতন্ত্র নীল রঙের হেলমেট বা বেরেটের জন্য 'ব্লু হেলমেট' নামে পরিচিত।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। [আগস্ট - ২০২৫]
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
এছাড়াও,
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ১৯৮৮ সালে।
সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এর আগে, ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়, সেখানে ৫০টি দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এটি চূড়ান্ত হয়।
- জাতিসংঘের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত এবং এর দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি: ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ এবং আরবি।
এছাড়াও,
- জাতিসংঘের প্রথম প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি দেশ, তবে বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১৯৩টি হয়েছে [মে - ২০২৫]।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স।
- নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি, এর মধ্যে ১০টি অস্থায়ী সদস্য দেশ থাকে।
সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
জাতিপুঞ্জ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা: ১০ জানুয়ারি ১৯২০।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির (Treaty of Versailles) অংশ হিসেবে জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রস্তাবক: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র: ৪১টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বিলুপ্তি: ২০ এপ্রিল ১৯৪৬।
নোট:
- “জাতিপুঞ্জের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কয়টি” এই প্রশ্নের অপশনে ৪১টি থাকলে অবশ্যই ৪১টি উত্তর করবেন।
- তবে প্রশ্নের অপশনে ৪১টি না থাকলে ৪২ উত্তর হবে।
- আবার, জাতিপুঞ্জ বিলুপ্তির তারিখের ক্ষেত্রে, ২০ এপ্রিল ১৯৪৬ অপশনে থাকলে নিঃসন্দেহে এটা উত্তর হবে।
- তবে, প্রশ্নের অপশনে ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ না থাকলে ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬ উত্তর করতে পারেন।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
• UNRWA:
- United Nations Relief and Works Agency.
- UNRWA হচ্ছে জাতিসংঘের একটি সংস্থা,
- যা ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য মানবিক সাহায্য, ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুনর্বাসন ও সামাজিক সেবা প্রদান করে।
- প্রতিষ্ঠিত: ৮ ডিসেম্বর ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠার পটভূমি: ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের ফলে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি জনগণের শরণার্থী হয়ে পড়ার পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলুশন 302 (IV) দ্বারা সংস্থাটি গঠিত হয়।
• UNRWA পাঁচটি অঞ্চল জুড়ে কাজ করে:
- জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া, গাজা স্ট্রিপ ওয়েস্ট ব্যাংক (ইসরায়েল অধিকৃত)।
• ফিলিস্তিনি শরণার্থীর সংজ্ঞা:
- UNRWA অনুসারে, একজন ফিলিস্তিনি শরণার্থী হলেন:
- “যে ব্যক্তি ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে ফিলিস্তিনে বাস করতেন,
- এবং ১৯৪৮ সালের সংঘর্ষে ঘরছাড়া হয়েছেন এবং UNRWA-এর কার্যক্রম এলাকাগুলোর কোনো একটিতে আশ্রয় নিয়েছেন।”
• সদর দপ্তর:
- আম্মান, জর্ডান (প্রশাসনিক দপ্তর)
- গাজা (অপারেশন হেডকোয়ার্টার)
- UNHCR ও UNRWA আলাদা সংস্থা, UNHCR বিশ্বব্যাপী শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে, কিন্তু UNRWA কেবলমাত্র ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।
উৎস: UNRWA ওয়েবসাইট।