বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws-2

মোট প্রশ্ন৩১৬এই পাতা১৫প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws-2

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩১৫ / ৩১৬

৩০১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীনে মামলা দায়ের করার অধিকার আছে-
  1. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালের
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির
  3. আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর
  4. খ এবং গ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ের
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।
৩০২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের অধীন বিচার কোন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে?
  1. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
  2. নিয়মিত বিচার পদ্ধতিতে
  3. আপীল পদ্ধতিতে
  4. বিশেষ বিচারিক পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৩০৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা নিরীক্ষা প্রতিবেদন কার নিকট উপস্থাপন করতে হয়?
  1. সরকার
  2. বিটিআরসি
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
  4. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৬: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা:
(১) মহাপরিচালক, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না উহা নিশ্চিত করিবার জন্য, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতৎসংক্রান্ত প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই অধ্যাদেশের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রত্যেক বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।

(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।

(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতাবেক এজেন্সি কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ (স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন) সংস্থা বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট কনসোর্টিয়াম মানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষাগার বা সনদধারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিরাপত্তা নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাইবে।
৩০৪.
রহিম একজন ব্যবসায়ী। সে জানে যে, তার পরিচিত একজন মানব পাচারের চেষ্টা করছে। রহিম তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় যাতে অপরাধটি সহজে সংঘটিত হয়। এই পরিস্থিতিতে রহিমের জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ এই পরিস্থিতি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮ এর “অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা” অপরাধের আওতায় পড়ে, যেখানে কেউ  মানব পাচারের জন্য তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় বা অন্যভাবে সহযোগিতা করে। সেই অনুযায়ী, রহিমের জন্য প্রযোজ্য দণ্ড হবে: খ) সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮: অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩০৫.
সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৩০৬.
কোনো এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করতে পারে কে?
  1. পরিবেশ আদালত
  2. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  3. পরিবেশ আপীল আদালত
  4. সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 

(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, পরিবেশের অবক্ষয়ের কারণে কোন এলাকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (Eco-system) সংকটাপন্ন অবস্থায় উপনীত হইয়াছে বা হইবার আশংকা রহিয়াছে তাহা হইলে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করিতে পারিবে এবং অবিলম্বে উক্ত সংকটাপন্ন অবস্থা হইতে উত্তোরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত সকল প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সীমানা ও মানচিত্রসহ আইনগত বর্ণনার উল্লেখ থাকিবে এবং এই সকল মানচিত্র ও আইনগত বর্ণনা সংশ্লিষ্ট এলাকাতে প্রদর্শিত হইবে এবং তাহা উক্ত এলাকার দালিলিক বর্ণনা হিসাবে বিবেচিত হইবে।

(৩) কোন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণার পর সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ করিবে।

(৪) প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন বলিয়া ঘোষিত এলাকায় কোন্ কোন্ ক্ষতিকর কর্ম বা প্রক্রিয়া চালু রাখা বা শুরু করা যাইবে না তাহা সরকার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে।
৩০৭.
'গ' তার ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত এক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে। উক্ত কাজের জন্য 'গ' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ২১- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৩০৮.
ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো নারীকে যৌন হয়রানির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫- যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্ল‍্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করার হুমকি প্রদান করেন, যাহা ক্ষতিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল‍্যাকমেইলিং’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।
৩০৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে 'সম্পত্তি' বলতে বোঝাবে-
  1. দেশে অবস্থিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
  2. দেশের বাহিরে অবস্থিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
  3. দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান সম্পত্তি
  4. উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(টট) অনুসারে, ‘সম্পত্তি’ অর্থ দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত— 
 
(অ) যে কোন প্রকৃতির দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি; বা 
 
(আ) নগদ টাকা, ইলেকট্রনিক বা ডিজিটালসহ অন্য যে কোন প্রকৃতির দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট যাহা কোন সম্পত্তির মালিকানা স্বত্ব বা মালিকানা স্বত্বে কোন স্বার্থ নির্দেশ করে।
৩১০.
কোন আইন রহিত করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ রহিত করে গত ২১ মে, ২০২৫ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
- এ অধ্যাদেশে সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে মোট নয়টি অধ্যায়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ বাদ পড়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ধারাগুলোয় নিষ্পন্নাধীন কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারা ও তদন্ত বাতিল হবে এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
- এ ছাড়া এসব ধারায় আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল হবে।

উল্লেখ্য,
- নতুন অধ্যাদেশে সাইবার অপরাধের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল ব্যবহার করে কোনো নেটওয়ার্কে অবৈধ প্রবেশ বা ক্ষতিসাধনকে এখন থেকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে।
- অধ্যাদেশে আরও উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করা।

তথ্যসূত্র: সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫।
৩১১.
আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর আওতায় মিথ্যা মামলা দায়েরের শান্তি কত বৎসর কারাদণ্ড?
  1. ২ থেকে ৫
  2. ৩ থেকে ৫
  3. ২ থেকে ৭
  4. ১ থেকে ২
সঠিক উত্তর:
২ থেকে ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ থেকে ৫
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৬ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
- যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
৩১২.
‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’-এ অজামিনযোগ্য ধারা কয়টি?
  1. ৭টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 

ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।
৩১৩.
সাইবার জালিয়াতির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১: “সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড”:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্তন বা ডিজিটাল মানি বা ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি উৎপাদন বা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করিয়া মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনা, হুন্ডি কার্যে নিযুক্তি কিংবা জুয়ার পোর্টাল পরিচালনা করা।
৩১৪.
'ক' বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ৫,০০,০০০/-টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্যাংক 'ক' এর বিরুদ্ধে দায়ের করতে পারবে-
  1. অর্থঋণ আদালতে নিয়মিত মামলা
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে টাকার মামলা
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে টাকার মামলা
  4. সার্টিফিকেট মামলা
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট মামলা
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী,

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় সম্পর্কিত যাবতীয় মামলা ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত, ঘোষিত বা গণ্য হওয়া অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করিতে হইবে এবং উক্ত আদালতেই উহাদের নিষ্পত্তি হইবে।

তবে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনূর্ধ্ব ৫,০০,০০০ টাকার (পাঁচ লক্ষ টাকা) দাবী সম্বলিত মামলাসমূহ অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের না করিয়া The Public Demands Recovery Act, 1913 এর বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা হিসাবেও দায়ের করা যাইবে।
৩১৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২০ ধারায়, তল্লাশীর প্রতিবেদন কত সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৭২ ঘণ্টা।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০: প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক:
(১) কোন মানব পাচার অপরাধ প্রতিরোধকল্পে, উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন, এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাহার ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বা নির্দেশে এই আইনের অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশী করিবার, যে কোন আঙ্গিনায় প্রবেশ করিবার এবং এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে এমন সরঞ্জামাদি বা তথ্য-প্রমাণ বা দলিল আটক করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তির সহিত অথবা কোন স্থানে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের উপযোগী সরঞ্জাম বা উপাদান উপস্থিত আছে এবং তল্লাশী পরোয়ানা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে অপরাধটি প্রকৃতই সংঘটিত হইবার বা কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হইবার যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান থাকিলে উপ-ধারা (১) এর অধীন বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করা যাইবে এবং তল্লাশী চালাইবার পূর্বে তল্লাশীর জন্য প্রস্ত্তত অফিসার যেই স্থানে তল্লাশী চালাইবেন উক্ত স্থানটি যেই এলাকায় অবস্থিত সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশীতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহবান জানাইবেন এবং উক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাইতে হইবে এবং উক্ত অফিসার তল্লাশীর সময় জব্দকৃত সমস্ত সামগ্রী এবং যেই সকল স্থানে উক্ত সামগ্রীসমূহ পাওয়া গিয়াছে তাহাদের একটি তালিকা প্রস্ত্তত করিবেন এবং উহাতে সাক্ষীগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।
 
(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩ এর বিধানের আলোকে এবং যেই ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তিতে তল্লাশী চালানো হইবে তাহার মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশী সম্পাদন করিতে হইবে এবং, বিশেষতঃ, কোন নারীর বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালনা করা হইলে তল্লাশী দলের সহিত অবশ্যই একজন নারী কর্মকর্তা বা নারী প্রবেশন কর্মকর্তা থাকিবেন। 
 
(৪) তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন এবং তাহার অনুলিপি ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের এখতিয়ারসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে, যাহা ট্রাইব্যুনালের হেফাজতে রক্ষিত থাকিবে এবং উক্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং যাহার বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালিত হইয়াছে তাহাকে প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি প্রদান করিতে হইবে।