বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কৃষি সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান

মোট প্রশ্ন১১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কৃষি সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১১৭

.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. আড়াইহাজার
  3. ঈশ্বরদী
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BARRI):
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ প্রতিষ্ঠানটি সর্বতোভাবে নিয়োজিত রয়েছে।
- প্রধান কার্যালয় - গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী পরিচালক।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ:
- ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার
ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী:
- গবেষণার বিষয়াবলির বিস্তৃত রূপরেখা প্রণয়ন ও অনুমোদন;
- ইনস্টিটিউটের 'ম্যান্ডেটে' উল্লিখিত ফসলসমূহের নতুন জাত উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা, মানসম্পন্ন উৎপাদন প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির স্থিতিশীল ও উৎপাদনশীল - কৃষি গবেষণার উদ্যোগ গ্রহণ করা:
- কৃষি কাজ দক্ষতার সহিত সম্পন্ন করিবার জন্য কৃষকগণকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও তথ্যাবলি সরবরাহ করা;
- কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গবেষণা কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, প্রকল্প এলাকা ও খামার স্থাপন করা;
- ফসলের নতুন জাত ও ইহাদের পরিচর্যার উপর পরীক্ষণ ও প্রদর্শনী পরিচালনা করা।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট।
.
দেশের একমাত্র কৃষি ভিত্তিক উত্তরা ইপিজেডটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
ব্যাখ্যা

 উত্তরা ইপিজেড: 
- একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড হলো- উত্তরা ইপিজেড।
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় উত্তরা ইপিজেড। 
- নীলফামারীতে অবস্থিত উত্তর বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানিমুখী শিল্প কেন্দ্র।
- জোন এলাকা- ২১৩.৬৬ একর।
- শিল্প প্লট- ১৯০টি।
- বিনিয়োগকারী দেশসমূহ- চীন, যুক্তরাজ্য, হংকং এবং বাংলাদেশ। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড হচ্ছে চট্রগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. পাবনা
  3. যশোর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট

.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ধানমন্ডি
  2. সাভার
  3. ভালুকা
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট BRRI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rice Research Institute.
- এর প্রধান কার্যালয়: জয়দেবপুর, গাজীপুর। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
.
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঈশ্বরদী,পাবনা
  2. শিবগঞ্জ, বগুড়া
  3. সাভার, ঢাকা
  4. নশিপুর, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ, বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ, বগুড়া
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশ মসলা  গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত শিবগঞ্জ , বগুড়া।
- বাংলাদেশ মসলা  কেন্দ্র ১৯৯৫ সালে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর ৩টি আঞ্চলিক কেন্দ্র  এবং ৭টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক ২৭ টি মসলা জাতীয় ফসলের উপর এ পর্যন্ত সর্বমোট ৫৭ টি জাত উদ্ভাবিত হয়েছে, 
- তাছাড়া উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে উৎপাদন প্রযুক্তি, মৃত্তিকা ও পানি ব্যবস্থাপনা, পোকামাকড় ও রোগ বালাই ব্যবস্থাপনা, পোষ্ট-হারভেষ্ট প্রযুক্তিসহ আরও ৬৬টি উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হইয়াছে। 

⇒ উল্লেখ্য,
- ১৯৯৫- ৯৬ সালে এ দেশে ১.৩৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন ছিল ৩.০০ লক্ষ মেঃ টন
- কিন্তু বর্তমানে ৪.২৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন হচ্ছে ৩৫.৯৩ লক্ষ মেঃ টন।
- তুলনামূলকভাবে মসলা ফসলের মোট উৎপাদন বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১১.৯৮ গুন।

উৎস: মসলা গবেষনা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

.
What is the full form of BADC?
  1. Bangladesh Agricultural Department Corporation
  2. Bangladesh Association Defence Corporation
  3. Bangladesh Association Development Corporation
  4. Bangladesh Agricultural Development Corporation
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Agricultural Development Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Agricultural Development Corporation
ব্যাখ্যা
BADC:
- BADC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Development Corporation.
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
  2. নশিপুর, দিনাজপুর
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট:
→ বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান এই প্রতিষ্ঠান নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
→ অত্র প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল  ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স  চালু হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট। 
.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. ভোলা
  3. ময়মনসিংহ
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ 
  3. খুলনা 
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) হলো দেশের বৃহৎ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) ইতিহাস শতাধিক বছরের।
- ১৮৮০ সালে এটি বেঙ্গল ল্যান্ড রেকর্ডস ডিপার্টমেন্টের অধীনে ছোট শাখা হিসেবে শুরু হয়।
- ১৯০৮ সালে ঢাকা ফার্ম প্রতিষ্ঠা পায়, যা ১৯৬৬ সালে জয়দেবপুরে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়।
- এবং পরবর্তীতে BARI স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 

- এটি ২০৫টিরও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা পরিচালনা করে।
- কেন্দ্রীয় স্টেশনের পাশাপাশি BARI-এর ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র ও ২৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- ফসলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো হলো –
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তেলশস্য গবেষণা কেন্দ্র ও
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র। 
------------------------- 
অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকায় অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 
- এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১১.
BRRI এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Rural Research Institute
  2. Bangladesh Rice Research Institute
  3. Bangladesh River Research Institute
  4. Bangladesh Resource and Research Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Rice Research Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Rice Research Institute
ব্যাখ্যা

 BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১২.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৯৬ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৯৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি):

- বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি-নির্ভর। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ লোক গ্রামাঞ্চলে বাস করে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সংগে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।।

 - ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জমির ফসল নিবিড়তা অধিকতর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কৃষক সমাজের সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র দূরীকরণ, গ্রামীণ সম্প্রদায়ের টেকসই স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পিত সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল।

- এরই ধারাবাহিকতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণা সমন্বয়, পরিকল্পনা, গবেষণার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

- পরবর্তিতে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণার গুরুত্ব ও সাফল্য বিবেচনায় এ্যাক্টের আওতায় কার্যপরিধি অধিকতর বৃদ্ধি, সুসংহত ও জোরদার করে ১৯৯৬ সালে কাউন্সিলকে সমন্বয়কারীর দায়িত্ব প্রদান পূর্বক “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন ১৯৯৬” পুনঃপ্রণয়ন করা হয়।

- এই আইনের আওতায় কৃষি খাতের অধীন শস্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বন বিষয়ক উপখাতের সংগে সংশ্লিষ্ট দশটি জাতীয় গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে নিয়ে জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS) পূনর্গঠিত হয়। 

- কৃষি গবেষণা সিস্টেম এর কার্যকর সমন্বয় সাধনে বিএআরসির ভূমিকা অধিকতর জোরদার করার লক্ষ্যে ২০১২ সালের ৮ মার্চ সংসদ কর্তৃক “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১২” অনুমোদন করা হয়। কৃষি গবেষণা কর্মসূচী সমন্বয়কল্পে “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১২” বিএআরসিকে গবেষণা সম্পদ বরাদ্দকরণে ক্ষমতা প্রদান করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI):
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- পাটের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বিজেআরআই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি গবেষণা, কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- প্রধান কার্যালয়: মানিক মিয়া এভিনিউ ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো'র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৪.
দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BJRI
  3. BRRI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- BARI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Research Institute.
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উল্লেখ্য,
- কৃষি গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে নং-৩২ জারিকরণ।
- এই অধ্যাদেশ বলে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নং-৬২ এর মাধ্যমে ‘ডাইরেক্টরেট অব এগ্রিকালচার (রিসার্চ এন্ড এডুকেশন)’ বিলুপ্ত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিএআরআই-এর ম্যান্ডেট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ: ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

⇒ কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য নিচে দেওয়া হল:
১. ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহ চাষাবাদের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা করা।
২. ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবন করা।
৩. চাহিদা অনুযায়ী দেশে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. কৃষি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম কর্মশালা ইত্যাদির আয়োজন করা।
৫. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা।
৬. বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৭. ফসলের উপর বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্বন্ধে পুস্তিকা, পোস্টার লিফলেট তৈরি করা এবং প্রচার করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI- Bangladesh Jute Research Institute) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI-Bangladesh Rice Research Institute)।
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র (BSRI-Bangladesh Sugarcrop Research Institute)।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
'বারি গম-৩৩' এর বীজ রোপন করা হয়-
  1. মার্চের মাঝামাঝি
  2. সেপ্টম্বরের মাঝামাঝি
  3. নভেম্বরের মাঝামাঝি
  4. জুলাইয়ের মাঝামাঝি
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের মাঝামাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের মাঝামাঝি
ব্যাখ্যা

• গম চাষ:
- চট্টগ্রামে মূলত তিন জাতের গম চাষ হচ্ছে-বারি-৩৩, বিডব্লিউএমআরআই-১ ও বিডব্লিউএমআরআই-২।
- বারি-৩৩ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, আর বাকি দুটি জাত এসেছে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে।
- নভেম্বরের মাঝামাঝি বীজ রোপণ করা হয়।
- তিনটিই উচ্চ ফলনশীল জাত, প্রতি হেক্টরে ৪-৫ টন পর্যন্ত ফলন হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১৬.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন:
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

 ⇒ কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- চিনি উৎপাদনের পরিমাণ এবং আহরণের হার বৃদ্ধি;
- উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারপূর্বক উচ্চ ফলনশীল আখচাষ ও চিনিকলে সরবরাহ;
- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি  ও কারখানার আধুনিকায়ন;
- উৎপাদিত পণ্য বিপণন, বাজার সম্প্রসারণ ও ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা সুসংহতকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট।

১৭.
নিচের কোনটি চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. BJRI
  2. BRRI
  3. BARI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BSRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSRI
ব্যাখ্যা
BSRI:
- বাংলাদেশে চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান BSRI.
- BSRI হলো Bangladesh Sugarcrop Research Institute বা বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশের সুগারক্রপ (চিনি উৎপাদনকারী ফসল) যেমন আখ, খেজুর, পাটালি ইত্যাদি ফসলের গবেষণা, উন্নয়ন, এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।
- ১৯৫১ সালে (প্রথমে Sugarcane Research Station বা ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র নামে) প্রতিষ্ঠিত।
- মূল কার্যালয়: ঈশ্বরদী, পাবনা, বাংলাদেশ।

এছাড়া,
- BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- BJRI হলো Bangladesh Jute Research Institute বা বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।

উৎস: বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৮.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. করমজল, সুন্দরবন
  2. নাইক্ষংছড়ি, বান্দরবান
  3. ফকিরহাট, বাগেরহাট
  4. চকোরিয়া, কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
করমজল, সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করমজল, সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
- বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উল্লেখ্য,
- বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির নোনা পানির কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে ২০০২ সালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজলে দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজননকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

⇒ বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৯.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
২০.
'বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর 
  3. পাবনা 
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত।
- এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
-  একজন মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে প্রধান কার্যালয় থেকে দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, যশোর, জামালপুর, জয়দেবপুর, হাটহাজারী, ইত্যাদি কেন্দ্র/উপকেন্দ্রে গম ও ভুট্টার গবেষণা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২১.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত? 
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে “ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি" নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২২.
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. বাগেরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র:
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র: বাগেরহাট।
- প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু: ০১ জুন, ২০১০
- মোট আয়তন: ৩.২৪ হেক্টর
- পুকুর কমপ্লেক্স: ১.৪২ হেক্টর

এছাড়াও -
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র: কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র: ময়মনসিংহ।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র: ফরিদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র: পাইকগাছা, খুলনা।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট: ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২৩.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

২৪.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. BSRI
  2. BARI
  3. BINA
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BINA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BINA
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
- বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা। 
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।

⇒ মুখ্য নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালক বিনা’র সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
-  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)-এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- BSRI (Bangladesh Sugarcrop Research Institute) পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।

২৫.
বাংলাদেশে "তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র" কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
i. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
ii. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
iii. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
iv. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
v. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত-
  1. হালদা নদী
  2. চলনবিল
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র।
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- প্রতিবছর হালদা নদীতে একটি বিশেষ মূহুর্তে ও বিশেষ পরিবেশে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস ও কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- স্থানীয় জেলেরা ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২৭.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত-
  1. ঢাকা
  2. দিনাজপুরে
  3. ময়মনসিংহে
  4. জয়দেবপুরে
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুরে
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট। 
২৮.
”তুলা উন্নয়ন বোর্ড” কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
কৃষি মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- তুলা এবং বস্ত্র উৎপাদনে বাংলাদেশের গৌরবময় ঐতিহ্য আছে। 
 - এ দেশে তুলা উৎপাদনের প্রচেষ্টা খুব সীমিত ছিল।
- স্বাধীনতার আগে স্থানীয় বস্ত্র কলের জন্য কাঁচামালের যোগান দেয়া হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। 
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ করে করে দিলে স্থানীয়ভাবে তুলার উৎপাদনের গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল।
- এসময় আমাদের বস্ত্র শিল্পগুলো কাঁচামালের অভাবে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল।
- এই অবস্থায় ১৯৭২ সালে দেশে তুলার চাষ সম্প্রসারণ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয় । 
- তুলা উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৪-৭৫ সালে মাঠ পর্যায়ে আমেরিকান আপল্যান্ড তুলা দিয়ে পরীক্ষামূলক তুলার চাষ শুরু করে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষনার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়। 
- বর্তমানে তুলা গবেষণা ও সম্প্রসারণ কাজ তুলা উন্নয়ন বোর্ড সম্পাদন করছে।

উৎস: তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

২৯.
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) এর প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান কোথায়? 
  1. কক্সবাজার
  2. চাঁদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
- প্রধান কার্যালয়ের  মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বিনা’র মোট ১৩ (তেরো)টি  উপকেন্দ্র রয়েছে। 
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা’র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়। 

উৎস: BINA এর ওয়েবসাইট।

৩০.
'বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
  4. ময়মনসিংহ 
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।

৩১.
"মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" কোথায় অবস্থিত? 
  1. ভোলা 
  2. খুলনা 
  3. বাগেরহাট
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

- "মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" বাগেরহাটে অবস্থিত।

• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
- হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- গরু- সাভার, ঢাকা।
- ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
- মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- কুমির- করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

৩২.
স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. আনোয়ার হোসেন
  2. ড. আব্দুল খালেক
  3. ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ড. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
-'স্বর্ণা' নামের বহুল পরিচিত এই 'জৈবসার'-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান কোথায় প্রতিষ্ঠা করা হয়? 
  1. মানিলছড়া
  2. হালদা ভ্যালি
  3. মালনিছড়া
  4. জাফলং
সঠিক উত্তর:
মালনিছড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালনিছড়া
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

সূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩৪.
Where is the 'Bangladesh Tea Research Institute' located? 
  1. Sylhet
  2. Moulvibazar
  3. Habiganj
  4. Chattogram
সঠিক উত্তর:
Moulvibazar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Moulvibazar
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট: 
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর প্রধান কার্যালয়।
- ১৯৫৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- ভারতের আসামের পরেই উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরাতন চা গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। 
- বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৩৫.
SRDI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Soil Resources Development Institute
  2. Soil Resource Developing Institute
  3. Seed Research and Development Institute
  4. Soil Research and Development Institute
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
ব্যাখ্যা
SRDI:
- SRDI পূর্ণরূপ: Soil Resources Development Institute বা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এ প্রতিষ্ঠানে ২টি উইং, ২টি বিভাগ, প্রশাসন, কার্টোগ্রাফী, ডাটা প্রসেসিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকেল এন্ড আইসিটি এবং পাবলিকেশন অ্যান্ড রেকর্ড শাখাসহ ৯টি শাখা, ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৩৩টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ৭টি ভিাগীয় গবেষণাগার, ১৬টি আঞ্চলিক গবেষণাগার এবং ২টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
- এছাড়া কৃষকের মৃত্তিকা নমুনা সরেজমিনে পরীক্ষা করে ফলাফলের ভিত্তিতে সুষম মাত্রার সার সুপারিশ করার লক্ষ্যে ১০টি ভ্রাম্যমান মৃত্তিকা পরীক্ষাগার রয়েছে।

তথ্যসূত্র - SRDI ওয়েবসাইট।
৩৬.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. কার্ডিনাল
  2. অঘ্রাণী
  3. তাহেরপুরী
  4. কুফরী
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

৩৭.
'বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. পাবনা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান বিনা।
- যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩ (তেরো)টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
৩৮.
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৯.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. টিলাগড়
  2. চকোরিয়া
  3. সাভার
  4. ভালুকা
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৫৯-৬০ খ্রি. সালে ২৬১৩ একর  অনাবাদি জমির উপর খামারটি স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে খামারে মোট জমির পরিমান ৭৯২.৮৭ একর।
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, বিভিন্ন সংকরজাতের ও দেশি জাতের গরু পালনের মাধ্যমে দেশের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের সাথে সাথে দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

⇒ বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট। 
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট :
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা ২০৫ টির ও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- জয়দেবপুরের কেন্দ্রীয় স্টেশন ছাড়াও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৬টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ২৪টি উপকেন্দ্র আছে।

⇒ বহুবিষয়ক কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইনস্টিটিউটের ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে -
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তৈলশস্য গবেষণা কেন্দ্র,
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪১.
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. পাবনা
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪২.
নিচের কোনটি জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৬৪
  2. ব্রি ধান ৭২
  3. ব্রি ধান ৭৯
  4. ব্রি ধান ৮৩
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪৩.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তুরাগ নদীর তীরে
  2. শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে
  3. পদ্মা নদীর তীরে
  4. বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ: 
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদা দাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধ নির্মিত হয়।

এছাড়াও,
- ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করেছে বরাক নদীতে।
- টিপাইমুখ বাঁধ মণিপুর রাজ্য।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প।
- দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- ডিএনডি প্রকল্প - ঢাকা - নারায়ণগঞ্জ - ডেমরা প্রকল্প।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BADC
  2. BARI
  3. BARC
  4. DAE
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

৪৫.
পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য?
  1. BINA
  2. BARI
  3. Seed Certification Agency
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BINA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BINA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
- বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।

অন্যদিকে,
- BADC-এর প্রধান কাজ কৃষি উন্নয়ন।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency)-এর প্রধান কাজ বীজের মান নিয়ন্ত্রণ।
- BARI-এর প্রধান কাজ কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
৪৬.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাজশাহী
  3. গাজীপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

BRRI ধান বিষয়ক গবেষণার জন্য দেশের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং এর সদর দপ্তর গাজীপুরে অবস্থিত।

• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, 
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

সূত্র:  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৪৭.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কোন উইংটি বাজেট, জনবল ও হিসাবরক্ষণ দেখাশোনা করে?
  1. সরেজমিন উইং
  2. গবেষণা উইং
  3. প্রশাসনিক উইং
  4. পরিকল্পনা উইং
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক উইং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক উইং
ব্যাখ্যা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক উইং:
- এ উইং এর কাজ হচ্ছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা ও নথিপত্র সংরক্ষণ।
- একজন পরিচালক এ উইং এর দায়িত্বে আছেন।

⇒ এ উইং এর প্রধান দায়িত্বগুলো হলো:
◉ সকল উইং এর বার্ষিক রাজস্ব বাজেট তৈরির কাজ সমন্বয় করা;
◉ মাঠ পর্যায়ের সকল অফিসসহ অত্র অধিদপ্তরের সকল প্রকার রাজস্বের হিসাব ও এর প্রতিবেদন রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ বর্তমানে প্রচলিত সরকারি নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় সকল রাজস্ব ও প্রকল্প হিসাবের নিরীক্ষণ নিশ্চিত করা;
◉ বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের পরিমাণ প্রকল্প ছকে গ্রহণ করা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সেগুলো পুর্নবিন্যাস করার জন্য পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইংকে উপদেশ প্রদান করা;
◉ ডিএই এর ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ অনুযায়ী জনবল নিয়োগ ও বদলীর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ডিএই এর জনবলের হালনাগাদ রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ দ্রব্যসামগ্রী সময়মতো সংগ্রহ, সরবরাহ, ঠিক মতো সংরক্ষণ ও হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা এবং অফিসের জন্য সকল প্রকার সরবরাহ, গুদামজাতকৃত দ্রব্য, যন্ত্রপাতি ও সম্পত্তির রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ ডিএই এর কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের সরকারি বিধান মোতাবেক আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতা ও সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

৪৮.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
• নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- ১৯৪৮ সালে ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে  বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে;
- এবং ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে  ফরিদপুরে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি  ঢাকা শহর হতে ১৪০ কিলোমিটার দুরে।
- এটি ৮৬ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন (ফরিদপুর জেলা)।
৪৯.
'ব্রি ধান ৬৪' কোন জাতের ধান?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
সঠিক উত্তর:
জিংক সমৃদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিংক সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫০.
বাংলাদেশ হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চকরিয়া, কক্সবাজার
  2. সাভার, ঢাকা
  3. করমজল, সুন্দরবন
  4. টিলাগড়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
চকরিয়া, কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকরিয়া, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রসমূহ:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫১.
কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করে থাকে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. BRRI
  2. NAPE
  3. DAE
  4. BARI
সঠিক উত্তর:
DAE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DAE
ব্যাখ্যা
DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) পাবলিক সেক্টরে উৎপাদিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য দায়ী।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর 
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঢাকা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Fisheries Research Institute) বাংলাদেশের মৎস্য গবেষণা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য নিবেদিত একটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। 
- এটি বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ইনস্টিটিউটের সদরদপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।

এছাড়াও, ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে:
- স্বাদুপানি কেন্দ্র ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- নদী কেন্দ্র চাঁদপুরে অবস্থিত।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত
- লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫৩.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. পঞ্চগড়
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• চা নিলাম কেন্দ্র:
-  দেশে বর্তমানে চা নিলাম কেন্দ্র আছে ৩টি।
- চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের পর পঞ্চগড়ে হলো দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর হয়।
-  চাষীদের কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হলো। 
- উৎপাদনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড়ে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)।
৫৪.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
  3. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- BRRI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rice Research Institute.
- অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

⇒ স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
৫৫.
'বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী' কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. পাবনা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।
৫৬.
BWMRI কোন দুটি শস্যের উন্নয়ন ও গবেষণার কাজ করে থাকে?
  1. পাট ও আখ
  2. গম ও ভুট্টা
  3. গম ও সরিষা
  4. চা ও তামাক
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

• BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫৭.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।

⇒ প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

⇒ বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ৪টি বিভাগ রয়েছে; যথা: (১) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিভাগ, (২) অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ, (৩) সম্প্রসারণ ও প্রেষণা বিভাগ এবং (৪) উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিভাগ।
- এ ছাড়াও গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসহ এমআইএস সেল, নিরীক্ষা শাখা, জনসংযোগ শাখা সরাসরি মহাপরিচালকের অধীনে ন্যাস্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের নুতন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের বিষয়টি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৫৮.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুষ্টিয়া
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫৯.
বাংলাদেশে বীজের মান নিয়ন্ত্রণ করে কোন সংস্থা?
  1. SCA
  2. AIS
  3. BRRI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
SCA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SCA
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশে বীজের মান নিয়ন্ত্রণ করে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি (Seed Certification Agency)। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা, এটি নিয়ন্ত্রিত ফসলের বীজ পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন করে।

SCA:
- এর পূর্ণরূপ Seed Certification Agency বা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বীজের মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রত্যয়নের উদ্দেশ্যে।
- এটি সরকার ও বেসরকারি খাতে উৎপাদিত নোটিফাইড ফসলের (যেমন ধান, গম, পাট, আলু) বীজ মাঠ পরিদর্শন, পরীক্ষা ও ট্যাগ ইস্যুর মাধ্যমে মান নিশ্চিত করে।
- জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন-২০১৮ এবং বীজ বিধিমালা-২০২০ অনুসারে এজেন্সীর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চাষীদের উৎপাদিত বীজেও সেবা প্রদান করে, আমদানিকৃত বীজও পরীক্ষার আওতায় আনে।
- এছাড়া বীজের মান পরীক্ষা করে ভ্যারাইটি অবমুক্তকরণ ও নিবন্ধন, বীজের মান পরীক্ষা, ট্যাগ প্রদান প্রভৃতি কাজও করে।

সূত্র: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট। 

৬০.
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. পাবনা
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ
- দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৬১.
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. কৃষি মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য মন্ত্রণালয়
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• স্পারসো:
​- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
​- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
​- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
​- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
​- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
​- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

উৎস: স্পারসো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬২.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. পঞ্চগড়
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠানটির মূল কাজ হলো ধান নিয়ে গবেষণা করা।
- নতুন জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান উদ্ভাবন, রোগ নির্ণয়, মৃত্তিকার ধরণ অনুযায়ী ধানের জাত উদ্ভাবন, পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ধান রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন, সার ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ, শস্য সংগ্রহের প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও হস্তান্তর করা, প্রশিক্ষণ প্রদানসহ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে থাকে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
BWMRI কোন ফসল নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ধান ও পাট
  2. তুলা ও আখ
  3. চা ও তামাক
  4. গম ও ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৬৪.
বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে? 
  1. ১৩৩ টি
  2. ১২৬ টি
  3. ১২১ টি 
  4. ১০১ টি
সঠিক উত্তর:
১২১ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ টি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট ১২১ টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে।
- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাত হল; লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- গতকাল বুধবার জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন এ তিনটি জাত অনুমোদন করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন  অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ
- দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৬৫.
বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. পাবনা
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৬৬.
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. পাবনা
  3. গাজীপুর
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ডাল গবেষণা:
-
বাংলাদেশের ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী, পাবনায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্রের ১ (এক) টি আঞ্চলিক কেন্দ্র মাদারীপুর।
- এবং একটি উপকেন্দ্র (গাজীপুর) রয়েছে।
- বর্তমানে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে  হতে প্রায় ৯ টি ডাল জাতীয় ফসলের এ পর্যন্ত মোট ৪৩ টি জাত।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।
- আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র  হতে বেগুন, পটল ও বাতাবিলেবুসহ অন্যান্য ফসলের প্রায় ৭ (সাত) টি জাত ।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র শিবগঞ্জ, বগুড়া।
-  উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
-  উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।

উৎস: BFRI ওয়েবসাইট।
৬৭.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত মোট ধানের জাত কয়টি?(অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ১২১টি
  2. ১২৬টি
  3. ১২৭টি
  4. ১২৯টি
সঠিক উত্তর:
১২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আটটি উচ্চফলনশীল বা হাইব্রিড জাতসহ মোট ১২১টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। 

- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাত হল; লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- গতকাল বুধবার জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন এ তিনটি জাত অনুমোদন করা হয়।

• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৬৮.
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।

৬৯.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. মানিকগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৭০.
’বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট’ কোথায় অবস্থিত?
  1. পাবনা
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই):
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) দেশের একটি অগ্রজ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঈশ্বরদী 
- এখানে গবেষণা হয় ইক্ষু, তাল, খেজুর, গোলপাতা ও সুগারবীট ফসলের উপর।
- এছাড়া চিনি, গুড় ও চিবিয়ে খাওয়াসহ ইক্ষুর বহুমুখী ব্যবহারের উপরও গবেষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের স্বল্প বৃষ্টিপাত এলাকায় ইক্ষুই একমাত্র নির্ভরযোগ্য অর্থকরী ফসল।
- ইক্ষুর উপর ভিত্তি করেই দেশে চিনি ও গুড় তৈরির শিল্প গড়ে উঠেছে।

উৎস: বিএসআরআই ওয়েবসাইট।

৭১.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

কৃষিশুমারি: 
- স্বাধীনতার পূর্বে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- দেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে। যেমন: ১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-১৯৮৪, ১৯৯৬,২০০৮, ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ৫ বার।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়- ৯ জুন থেকে ২০ জুন, ২০১৯ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৭২.
কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের নাম কী?
  1. পিআরএসপি
  2. এসএফডিএফ
  3. পিকেএসএফ
  4. পিডিবিএফ
সঠিক উত্তর:
এসএফডিএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসএফডিএফ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন:
- কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পেন নাম এসএফডিএফ বা Small Farmers Development Foundation বা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯৭৫-১৯৭৬ অর্থবছরে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার ৩টি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে 'ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প' কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- ১৯৮৮ হতে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ১১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।
- জুন ১৯৯১ সালে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়।
- ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন হয়।
- দায়দেনাসহ (with assets and liabilities) ১৯৯৪ প্রকল্পটিকে মেয়াদ সমাপনান্তে বিদ্যমান সম্পদ ও সালের কোম্পানী আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধন গ্রহণের মাধ্যমে “ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (Small Farmers Development Foundation)” নামে একটি লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তর করা হয় ৷

অন্যদিকে,
- পিডিবিএফ হলো পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন।
- পিকেএসএফ হলো পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। 
- পিআরএসপি হলো দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৩.
”মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার” কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. কক্সবাজার
  3. চাঁদপুর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

”মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার” বাগেরহাটে অবস্থিত।

• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
• হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
• বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
• গরু- সাভার, ঢাকা।
• ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
• মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
• কুমির- করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

৭৪.
'ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চাদঁপুর
  3. খুলনায়
  4. ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
চাদঁপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাদঁপুর
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭৫.
দেশের একমাত্র ‘ফসফেটিক‘ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. আশুগঞ্জ সার কার‌খানা
  3. টিএসপি সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
টিএসপি সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিএসপি সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৭৬.
কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BADC
  4. BINA
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলো BARI.
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (BINA) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট, BARI, BRRI, BINA এর ওয়েবসাইট।
৭৭.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) মৌলিক কাজ কী?
  1. নতুন জাত উদ্ভাবন
  2. সেচ সংক্রান্ত
  3. কৃষি গবেষণা সমন্বয়
  4. বীজ, সার সরবরাহ
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
ব্যাখ্যা
• Bangladesh Agricultural Development Corporation(BADC)
• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি):
 - তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII,১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত।
- মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।

•  বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে:
- সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা ।
- অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ এবং ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

উৎস: BADC ওয়েবসাইট।
৭৮.
বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. মিরপুর
  3. ডেমরা
  4. আগারগাওঁ
সঠিক উত্তর:
মিরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম :
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম (বিএনএইচ) দেশের উদ্ভিদ প্রজাতির উপর মাঠ পর্যায়ে পরিচালিত জরীপের মাধ্যমে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্তসহ শুষ্ক উদ্ভিদ নমুনা সংরক্ষণ এবং শ্রেণীবিদ্যা বিষয়ক গবেষণার একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- ন্যাশনাল হারবেরিয়াম পুঙ্খাণুপুঙ্খ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে ফুল-ফল সমেত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির নমুনা, উহাদের প্রাচুর্য, প্রাপ্তিস্থান, প্রচলিত ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংগ্রহ, সনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করে সংরক্ষণ করে থাকে।
- ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ‘‘বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইস্ট পাকিস্তান’’ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম এর প্রাথমিক কাঠামো বিনির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১ জুলাই থেকে ইহা ‘‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম’’ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নির্বাহী আদেশে ১ জুলাই ১৯৯৪ থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম জনবলসহ কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে স্থানান্তরিত হয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনে ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১ জুলাই থেকে জনবলসহ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরিত করা হয় এবং ২০০৪ সালে ১৬ অক্টোবর হারবেরিয়ামকে পরিদপ্তর হিসেবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর (Attached Department) ঘোষণা করা হয়।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০০ তারিখে  যুক্তরাজ্যের আর্থিক সহায়তায় মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান প্রাঙ্গনে ১.২৪ একর জমির উপর নির্মিত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৯.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BJRI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা
BARI:
- BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মহাপরিচালক ৪(চার)টি উইং যথা গবেষণা উইং, সেবা ও সরবরাহ উইং, প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং এবং পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং এর ৪(চার) জন পরিচালকের মাধ্যমে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন।
- গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত বিভিন্ন ফসলের ৬৫২টি উচ্চ ফলনশীল জাত এবং ৬৪০টি ফসল উৎপাদনের প্রযুক্তিসহ মোট ১২৯২ টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে (সেপ্টেম্বর ২০২৩)।
- এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল ইত্যাদির ১০০০০ এর অধিক কৌলি সম্পদ (জার্মপ্লাজম) জিন ব্যাংকের মাধ্যমে সংরক্ষণ করছে।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮০.
গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) এর প্রধান কার্যালয় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. পাবনা
  3. কুষ্টিয়া
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৮১.
কৃষকের পণ্য অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক তৈরি করা ওয়েবসাইটের নাম কী?
  1. বাজার
  2. সদাই
  3. কৃষকের হাসি
  4. কেনাবেচা
সঠিক উত্তর:
সদাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদাই
ব্যাখ্যা
সদাই:
- কৃষকের পণ্য অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ‘সদাই’ নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে।
- কৃষক এবং ভোক্তাদের জন্য আলাদা দুটি মোবাইল অ্যাপও তৈরি করেছে তারা।
- কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘অনলাইনভিত্তিক কৃষি বিপণনব্যবস্থা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প ২০২০ সালের জুনে শুরু হয়।
- এই প্রকল্পের আওতায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সদাই’ ওয়েবসাইট ও দুটি অ্যাপ বানানো হয়, যা ইতিমধ্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বুঝে পেয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৮২.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চকোরিয়া, কক্সবাজার
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ফকিরহাট, বাগেরহাট
  4. ভালুকা, ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৫৯-৬০ খ্রি. সালে ২৬১৩ একর অনাবাদি জমির উপর খামারটি স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে খামারে মোট জমির পরিমান ৭৯২.৮৭ একর।
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, বিভিন্ন সংকরজাতের ও দেশি জাতের গরু পালনের মাধ্যমে দেশের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের সাথে সাথে দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৩.
বাংলাদেশে সরকারিভাবে বীজ উৎপাদনকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI 
  3. BADC
  4. BARC
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান - BADC.

• BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ কৃষি উন্নয়ন।
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট। 

৮৪.
বীজ প্রত্যয় এজেন্সি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।
৮৫.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. পাবনা
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৮৬.
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ফরিদপুর
  3. পাবনা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮৭.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কোথায় অবস্থিত?
  1. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  4. মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
 - বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- জয়দেবপুরের কেন্দ্রীয় স্টেশন ছাড়াও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৬টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ২৪টি উপকেন্দ্র আছে।

এছাড়াও, 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৮.
বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BADC
  2. BINA
  3. BRRI
  4. BARI
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
৮৯.
"কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. ফুলবাড়িয়া
  3. কাশিয়ানী
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার: 
- "কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" বাংলাদেশে সাভার, ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৫৯-৬০ সালে ২৬১৩ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এর আয়তন ৭৯২.৮৭ একর।
- ১৯৬৩-৬৪ সালে সিন্ধি, শাহীওয়ালসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় এবং
- ১৯৭৩ সালে সরকারের উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া থেকে হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের গরু আনা হয়। এটি বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, সংকর জাতের গরু পালন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।  

সূত্র: কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ওয়েবসাইট। 

৯০.
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র-
  1. Post Harvest Management
  2. Post-Entry Quarantine Centre
  3. Agriculture Information and Communication Council
  4. Agriculture Information and Communication Centre
সঠিক উত্তর:
Agriculture Information and Communication Centre
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Agriculture Information and Communication Centre
ব্যাখ্যা
কৃষিভিত্তিক সেবা:
- ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র - Agriculture Information and Communication Centre (AICC)।

উল্লেখ্য,
- আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষার জন্য Post-Entry Quarantine Centre স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
- শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানোর জন্য - ‘Post Harvest Management’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
- কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের ই-কৃষি সেবার উন্নয়ন করা হয়েছে।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কৃষি বাতায়ন, বন্ধু ফোন, Online Fertiliser Recommendation Software, Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি।
- জেলা পর্যায়ে বিপণন অফিসগুলোকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতাভুক্তকরণ এবং হাট বাজারের বাজারদর ও তথ্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট www.dam.gov.bd-তে প্রচার এবং পরিবীক্ষণ জোরদারকরণ করা হয়েছে।
-  সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ এবং কফি ও কাজুবাদাম জাতীয় ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ।
- কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রধান কার্যালয়ে ০১টি কৃষি কল সেন্টার স্থাপন।
- বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানীর কল সেন্টারসমূহে যোগাযোগের মাধ্যমে কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক সেবার ব্যবস্থা গ্রহণ।

তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৯১.
BADC-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. পাবনা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

৯২.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট- এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1.  ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4.  খুলনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলা নাম: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইংরেজি নাম: Bangladesh Forest Research Institute
- সংক্ষিপ্ত নাম: বি.এফ.আর.আই (BFRI)
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
- প্রধান কার্যালয়: চট্টগ্রাম
- বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট।
- এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। 
- এই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য:
(১) দারিদ্র্য বিমোচনকল্পে প্রযুক্তিগত উপকরণাদি সরবরাহের মাধ্যমে পার্বত্য, সমতল, পল্লী ও উপকূলীয় বনের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নয়ন।
(২) সর্বোত্তম ও পরিপোষক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পতিত ও প্রান্তিক জমিতে বনায়ন ও কৃষিবনায়নে গবেষণা সুবিধা প্রদান।
(৩) প্রযুক্তিগত উপকরণ যোগানোর মাধ্যমে বনজ দ্রব্যাদির যুক্তিযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; জাতীয় ও পল্লী বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষণা কর্মসূচি হলো: 
(১) টেকসই উৎপাদনের জন্য বৃক্ষপ্রজাতি উন্নয়ন;
(২) ক্লোনজাত ও বীজজাত চারাগাছের বাগান ও বীজতলা স্থাপন;
(৩) মাইক্রোবিস্তারণ কৌশল উন্নয়ন;
(৪) নার্সারি, বনায়ন এবং পাহাড়, সমতল ও ম্যানগ্রোভ বনের বনবিদ্যাগত উন্নয়ন; বৃক্ষরোপণ,
(৫) পল্লী বনায়ন ও কাঠনির্ভর শিল্প সম্পর্কে আর্থ-সামাজিক সমীক্ষা পরিচালনা;
(৬) বন ও নার্সারির জন্য সমন্বিত ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা;
(৭) পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা গবেষণা;
(৮) শিল্প ও অন্যান্য কাজে কাঠের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, গুণগত উন্নতি সাধনের জন্য কাঠ সিজনিং, বনজ দ্রব্যের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষক দ্রব্যাদি ব্যবহার;
(৯) শিল্পকর্মে বর্জ্যকাঠের ব্যবহার, মন্ড উৎপাদনের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন, মন্ড আমদানির বিকল্প হিসেবে দেশী কাঁচামাল থেকে মন্ডপ্রস্ত্তত; সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শসেবা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৯৩.
উচ্চ লবণ সহিষ্ণু গমের নতুন জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

গমের নতুন জাত: 
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগ উচ্চ লবণসহিষ্ণু গমের নতুন জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে।

- উচ্চ লবণাক্ততা  সহনশীলতার দিক থেকে দেশে এটিই গমের প্রথম জাত।
- ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে এ তথ্যটি প্রকাশ করা হয়।
- গবেষণার নেতৃত্বে: কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ময়নুল হক ও মসিউল ইসলাম।
 - এটি উন্নতমানের গমের জাত যা লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চফলনশীল ও অধিক প্রোটিনসমৃদ্ধ।
- এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা ৯১টি।

উৎস: গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।

৯৪.
BARI-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. ধানমণ্ডি
  2. ঈশ্বরদী
  3. জয়দেবপুর
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- কৃষি গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে নং-৩২ জারিকরণ।
- এই অধ্যাদেশ বলে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নং-৬২ এর মাধ্যমে ‘ডাইরেক্টরেট অব এগ্রিকালচার (রিসার্চ এন্ড এডুকেশন)’ বিলুপ্ত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিএআরআই-এর ম্যান্ডেট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ: ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

⇒ কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য নিচে দেওয়া হল:
১. ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহ চাষাবাদের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা করা।
২. ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবন করা।
৩. চাহিদা অনুযায়ী দেশে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. কৃষি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম কর্মশালা ইত্যাদির আয়োজন করা।
৫. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা।
৬. বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৭. ফসলের উপর বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্বন্ধে পুস্তিকা, পোস্টার লিফলেট তৈরি করা এবং প্রচার করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
বাংলাদেশে ডাল গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান কোথায়?
  1. রামগঞ্জ
  2. জয়দেবপুর
  3. শিবগঞ্জ
  4. ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা

• ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র:
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের  (বারি) একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৯০-১৯৯৫ সালে সিডিবি ফেজ-১  প্রকল্পের মাধ্যমে ডাল গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ।
- এই কেন্দ্রটি ঈশ্বরদী শহর হতে প্রায় ২ কি. মি. পূর্বে ঈশ্বরদী-পাবনা আঞ্চলিক মহাসরকের পার্শ্বে অবস্থিত
- এ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের  আওতাধীণ  ফসলের উচ্চ ফলনশীল উন্নত জাত এবং উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি উদ্ভাবন, ফসল ও মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন ব্যবস্থাপনাসহ কৃষি যন্ত্রপাতি, ফসল সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ের ওপর লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণা করে থাকে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:

১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৯৬.
বাংলাদেশ আম গবেষনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আম গবেষণা কেন্দ্র:
- আম গবেষণা কেন্দ্র ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- আম গবেষণা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- কেন্দ্রের প্রধান উদ্দেশ্য আম চাষের ওপর সার্বিক গবেষণা পরিচালনা এবং আমের জাত উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধি।
- কেন্দ্রটির প্রায় ১২.৪০ হেক্টর (৩০.৬ একর) জমির উপর আছে ফলবাগান, গবেষণাগার, অফিস ও আবাসিক ভবন এবং ৬৫ জাতের তিন শতাধিক আমগাছ।
- একজন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কেন্দ্র প্রধান এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছেন কয়েক জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

তথ্যসূত্র - আম গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
৯৭.
তাঁত গবেষণা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. রংপুর
  3. বগুড়া
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর কিছু গবেষণা কেন্দ্র এবং তাদের অবস্থান:
মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র - ময়মনসিংহ।
আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট - রংপুর।
তাঁত গবেষণা বোর্ড - নরসিংদী।
পাট গবেষণা কেন্দ্র - ঢাকা।
তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট - যশোর।
মসলা গবেষণা কেন্দ্র - বগুড়া।
নদী গবেষণা কেন্দ্র - ফরিদপুর।
রাবার গবেষণা বোর্ড - কক্সবাজার।
ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
রেশম গবেষণা কেন্দ্র - রাজশাহী।
ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট - সিলেট।
হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট - নারায়ণগঞ্জ।
কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট - রামপাল, বাগেরহাট।
চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট - হাজারীবাগ, ঢাকা।
বন গবেষণা কেন্দ্র - চট্টগ্রাম।
ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র - চাঁদপুর।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
চা গবেষণা কেন্দ্র - শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট - রংপুর।
গম গবেষণা কেন্দ্র - দিনাজপুর।
আম গবেষণা কেন্দ্র - চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭০টি
  3. ১৭১টি
  4. ১৭২টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা-বাগান:
- চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধকৃত দেশে মোট চা-বাগানের সংখ্যা – ১৭১ টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- মৌলভীবাজার জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ৯০ টি।
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১৯ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২২ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১১ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১ টি।
- খাগড়াছড়ি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা -১ টি

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

৯৯.
উদ্ভিদ প্রজনন ও শস্যের জাত উন্নয়নে কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. BFRI
  2. SRDI
  3. BARI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) বিভিন্ন দানাদার ফসল, তৈলবীজ ও সবজির উন্নত জাত উদ্ভাবনে কাজ করে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার  পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মহাপরিচালক ৪(চার)টি উইং যথা গবেষণা উইং, সেবা ও সরবরাহ উইং,  প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং এবং পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং এর ৪(চার) জন পরিচালকের মাধ্যমে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন।
- গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

অন্যদিকে,
- বিএডিসি (BADC) মূলত বীজ উৎপাদন ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে থাকে।
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১০০.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী
  2. বাংলাদেশ পারমাণবিক কৃষি ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।