বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ৬০১৭০০ / ৮৩২

৬০১.
ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কোনটি?
  1. জামদানি বুননশিল্প
  2. শীতলপাটি বুননশিল্প
  3. মঙ্গল শোভাযাত্রা
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্পের ঐতিহ্য ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:

⇒ ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ বা বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো সেই সব জ্ঞান, দক্ষতা, প্রথা, আচরণ ও শিল্প-অনুশীলন যা কোনো সমাজ বা সম্প্রদায় পরম্পরাগতভাবে টিকিয়ে রাখে।

⇒ ২০০৩ সালে ইউনেসকোর তত্ত্বাবধানে ‘কনভেনশন ফর দ্য সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ নামে যাত্রা শুরু করে। এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোকে আইসিএইচ উপাদান শনাক্ত, রক্ষা ও প্রচারের জন্য বাধ্যবাধকতা দেয়। বাংলাদেশ ২০০৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।

উল্লেখ্য,
 - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)

উৎস: প্রথম আলো।

৬০২.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. বেকারত্ব
  2. কার্বন নিঃসরণ
  3. সামাজিক ব্যবসা
  4. দারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ব্যবসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ব্যবসা
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
-  ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

উৎস: Yunus Centre.
৬০৩.
থ্রি-জিরো তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ড. মনসুর রহমান
  2. ড. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. আব্দুল হক
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

• থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Business Standard.

৬০৪.
‘বঙ্গবন্ধু-১’ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় কবে?
  1. ২ মে ২০১৮
  2. ১২ মে ২০১৮
  3. ২ জুন ২০১৮
  4. ১২ জুন ২০১৮
সঠিক উত্তর:
১২ মে ২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মে ২০১৮
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
-- ট্রান্সপন্ডার রয়েছে ৪০টি।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬০৫.
দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহানা পারভীন
  2. জোবায়দা আক্তার 
  3. সেলিনা বেগম 
  4. নাজনিন খাতুন
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।

⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

উৎস: প্রথম আলো।

৬০৬.
'সওগাত' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন কে?
  1. মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী
  2. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
  3. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
ব্যাখ্যা
• 'সওগাত' পত্রিকা: 
- ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায়  কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ নামে একটি ছোট গল্প পাঠান।
- এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
- সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখক ছিলেন বেগম রোকেয়া, কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল মনসুর আহমদ এবং আবুল ফজল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।

• তাছাড়া, 
 - মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সম্পাদিত পত্রিকা- 'মোসলেম ভারত'।
- 'মোহাম্মদ আকরাম খাঁ' সম্পাদিত পত্রিকা- সাপ্তাহিক মোহাম্মদী।  
- মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা- 'কোহিনূর'।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৬০৭.
২০২৪ সালের ‘বর্ষপণ্য’ কোনটি?
  1. চামড়া শিল্প
  2. তৈরি পোশাক
  3. চা-শিল্প
  4. হস্তশিল্প
সঠিক উত্তর:
হস্তশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তশিল্প
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের বর্ষপণ্য: 
- হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় এ খাতে বিশেষ নজর দিতে ‘হস্তশিল্প’কে ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। 
- ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২৮তম আন্তর্জাতিক বানিজ্যমেলার উদ্বোধনের সময় তিনি এই ঘোষণা দেন। 

সূত্র: বাসস প্রত্রিকা রিপোর্ট। 
৬০৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে ইউনেস্কোর ‘দ্য ট্রি অব পিস’ পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৮ সালে
  5. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘দ্য ট্রি অব পিস’ (The Tree of Peace) পুরস্কারটি লাভ করেন। এটি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত একাদশ গ্লোবাল বাকু ফোরামে তাকে সম্মাননা হিসেবে প্রদান করা হয়। 

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী।
- তাঁর আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি। 

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

৬০৯.
বাংলাদেশ কত সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কাজ করছে?
  1. ১৯৭৮ সাল
  2. ১৯৯৯ সাল
  3. ১৯৮৮ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সাল
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি।
৬১০.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. চর দখল
  2. নাইওর
  3. হত্যাযজ্ঞ
  4. পাইন্যার মা
সঠিক উত্তর:
পাইন্যার মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইন্যার মা
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬১১.
২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে কতজন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন?
  1. ৫০ জন
  2. ৫২ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ৫৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ জন
ব্যাখ্যা

পতাকা হাতে প্যারাট্রুপারের বিশ্বরেকর্ড:
- ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপনের সময় নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ৫৪ জন প্যারাট্রুপার জাতীয় পতাকা হাতে একসাথে প্যারাস্যুটিং করেছে।
- বিজয় দিবসে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে ‘টিম বাংলাদেশে’র উদ্যোগে এই বিশেষ মহড়া ও রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার ১২ হাজার উচ্চতায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সি-১৩০বি পরিবহন বিমান থেকে জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করে।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ের প্রদর্শনী।

তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]

৬১২.
"Mother of Humanity" খ্যাতি কে পেয়েছেন?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. অং সান সুচী
  3. শেখ হাসিনা
  4. মাদার তেরেসাঁ
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

মাদার অব হিউম্যানিটি:

- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’(মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'।
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।

উৎস: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, কালের কন্ঠ।
৬১৩.
নিচের কোনটি চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন তৈরি চিত্রকর্ম?
  1. তিনকন্যা
  2. নাইওর
  3. দুর্ভিক্ষ
  4. চরদখল
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষ
ব্যাখ্যা

• জয়নুল আবেদিন:
- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
-  ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

অন্যদিকে,
• কামরুল হাসান এর চিত্রকর্ম- তিনকন্যা, নাইওর।
• এস এম সুলতান এর চিত্রকর্ম- চরদখল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬১৪.
বাংলাদেশের প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. রংপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র:
- চীনের সহায়তায় গড়ে তোলা হোয়েছে দেশের প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র।
- এটি ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বেজমেন্ট-১-এ অবস্থিত।
- এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর রোবটের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি ও বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হবে।
- কেন্দ্রে মোট ৬২টি রোবোটিক ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট।
- কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হিসেবে চীন সরকার প্রায় ২০ কোটি টাকার রোবোটিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
- এই কেন্দ্রে প্রথমে জুলাই আন্দোলনে আহত, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের প্রয়োজন—এমন ব্যক্তিদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৬১৫.
Who is the proponent of the concept of Three Zeros?
  1. Amartya Sen
  2. Dr. Muhammad Yunus
  3. Simon H.Johnson
  4. Billgates
সঠিক উত্তর:
Dr. Muhammad Yunus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dr. Muhammad Yunus
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বই ‘Three Zeros’।
- বইটিতে তার আলোচনার বিষয়বস্তু তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যথা— শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)।
• ‘Zero Poverty’ বা শূন্য দারিদ্র্যের আলোচনায় তিনি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য কোনো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক অবস্থা নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট অবস্থা, যা সম্পদের অসম বণ্টনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছে।
• তার দ্বিতীয় ধারণা Zero Unemployment বা শূন্য বেকারত্ব। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন— উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কেননা আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু সঠিক অর্থায়নের অভাবে অনেকেই তাদের সম্ভাবনা পূর্ণ করতে পারেন না।
• তৃতীয়ত তিনি Zero net carbon emissions বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) Yunus Social Business।
৬১৬.
ওয়াসফিয়া নাজরীন বিখ্যাত-
  1. অ্যাথলেট হিসেবে
  2. ক্রিকেটার হিসেবে
  3. এভারেস্টজয়ী হিসেবে
  4. নারী উদ্যোক্তা হিসেবে
সঠিক উত্তর:
এভারেস্টজয়ী হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভারেস্টজয়ী হিসেবে
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

এছাড়াও,
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

অন্যদিকে,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।

৬১৭.
‘মাসুদ রানা’ সিরিজের 'মাসুদ রানা' চরিত্রটি নিচের কোন কথাসাহিত্যিকের সৃষ্ট একটি কাহিনী?
  1. জহির রায়হান
  2. আনিসুল খক
  3. ড. আবেদ চৌধুরী
  4. কাজী আনোয়ার হোসেন
সঠিক উত্তর:
কাজী আনোয়ার হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী আনোয়ার হোসেন
ব্যাখ্যা
মাসুদ রানা:
- মাসুদ রানা বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট একটি কাহিনী-চরিত্র।
- ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে।
- তৃতীয় বই স্বর্ণমৃগ থেকে বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বনে শুরু হয় ‘মাসুদ রানা’ লেখা।
- প্রথম দুটি বইয়ের বাইরে আর একটা মৌলিক ‘মাসুদ রানা’ লিখেছিলেন, নাম পিশাচ দ্বীপ।
- ‘মাসুদ রানা’র প্রথম চরিত্র-পরিচিতি দেওয়া হয় ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত রানা! সাবধান!! বইয়ে।

উল্লেখ্য,
- ‘মাসুদ রানা’র কাহিনি সংগ্রহ করা হয় ইয়ান ফ্লেমিং, অ্যালিস্টেয়ার ম্যাকলিন, জেমস হেডলি চেজ, রবার্ট লুডলাম, ফ্রেডরিক ফোরসাইথ, উইলবার স্মিথসহ অনেক লেখকের বই থেকে।
- মূল কাহিনির কাঠামোতে সংযোজন-বিয়োজন করে দাঁড় করানো হয় একেকটা নতুন ‘মাসুদ রানা’।
- ‘মাসুদ রানা’র প্রথম দিকের বইগুলোর প্রকাশক ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন।
- মাসুদ রানার প্রিয় অস্ত্র ওয়ালথার পিপিকে।

উৎস: ২০ জানুয়ারি, ২০২২, প্রথম আলো।
৬১৮.
বাংলাদেশ কত তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে 'UN Water Convention' এ যুক্ত হয়েছে?
  1. ১৫ জুন, ২০২৫
  2. ২০ জুন, ২০২৫
  3. ২৫ জুন, ২০২৫
  4. ৩০ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২০ জুন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
UN Water Convention এবং বাংলাদেশ:
- ২০২৫ সালের ২০ জুন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে UN Water Convention এ  যোগ দিয়েছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বে ৫৬তম দেশ হিসেবে এ চুক্তিতে যুক্ত হয়েছে।
- ১৯৯২ সালে প্রণীত জাতিসংঘ পানি কনভেনশন আন্তঃসীমান্ত ভূ-উপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানিসম্পদের ব্যবস্থাপনায় একটি বিস্তৃত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রদান করে।
- বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকেই এই কনভেনশনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত এবং ২০২৪ সালে স্লোভেনিয়ায় অনুষ্ঠিত এর দশম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- UN Water Convention এর পূর্ণনাম Convention on the Protection and Use of Transboundary Watercourses and International Lakes.
- এই কনভেশন ১৯৯২ সালে গৃহীত হয় এবং ২০০০ সালে কার্যকর হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- সীমান্তবর্তী নদী ও হ্রদের যৌথ ব্যবস্থাপনা,
- পানির ন্যায্য ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা,
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট পানি সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [link]
৬১৯.
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন -
  1. রেনেল
  2. রাখালদাস
  3. কানিংহাম
  4. জর্জ মার্শাল
সঠিক উত্তর:
কানিংহাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানিংহাম
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬২০.
National Academy for Primary Education কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- National Academy for Primary Education ময়মনসিংহে অবস্থিত।

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট।
৬২১.
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে বাংলাদেশ কবে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৬২২.
ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. মস্কো মেট্রোরেল করপোরেশন
  2. ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
  3. চায়না সিনোহাইড্রো করপোরেশন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় গণপরিবহণের জন্য ‘ঢাকা মেট্রোরেল’ হলো ‘জাইকা’-এর অর্থায়নে একটি সরকারি প্রকল্প।
- প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করছে।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬।
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- ডিএমটিসিএলের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির নাম ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

তথ্যসূত্র - Dhaka Metro Mass Rapid Transit System ওয়েবসাইট।
৬২৩.
"আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলার গান গাই" গানটির গীতিকার কে? 
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আলাউদ্দিন আলী
  3. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  4. প্রতুল মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
প্রতুল মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতুল মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

প্রতুল মুখোপাধ্যায়: 
- "আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলার গান গাই" গানটির গীতিকার প্রতুল মুখোপাধ্যায়।
- তিনি এই গানটি বাংলা ১৪০০ সালের পয়লা বৈশাখ লিখে ও সুরারোপ করেন।
- পরের বছর ‘যেতে হবে’ অ্যালবামে প্রকাশিত হওয়ার পর গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার এক জরিপে এটি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে।

উল্লেখ্য, 
- প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৯৪২ সালে বাংলাদেশের বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।

৬২৪.
অন্নপূর্ণা-১ পর্বত জয়ী প্রথম বাংলাদেশী কে?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. বাবর আলী
  3. খালেদ হাসান
  4. মেহেদী হাসান
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী বাংলাদেশী:
- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয় করেছেন বাবর আলী।
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে তিনি এই পর্বতচূড়া জয় করেছেন।
- ২০২৪ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন তিনি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৬২৫.
কালুরঘাট সেতু কোন নদীর ওপর নির্মিত হবে? [মে, ২০২৫]
  1. নাফ
  2. হালদা
  3. মেঘনা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কালুরঘাট সেতু:
- ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর একনেক সভায় কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর রেল-কাম-রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এতে ব্যয় ধরা হয় ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর এই ‘রেল কাম রোড সেতু’র দৈর্ঘ্য হবে ৭০০ মিটার।
- সেতুর প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, কর্ণফুলী নদীর ওপর বিদ্যমান রেল সেতুর ৭০ মিটার উজানে নতুন সেতু নির্মিত হবে।
- দুই পাশে দুই লেন করে চার লেনের সেতু তৈরি হবে। এক পাশে চলবে ট্রেন, অপর পাশে বাস-ট্রাকসহ সাধারণ যানবাহন চলবে।

উল্লেখ্য,
- ১৪ মে, ২০২৫ চট্টগ্রামে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলক উন্মোচন করে সেতু নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ২০২৬ সালের শুরুর দিকে নতুন সেতুর কাজ শুরু হয়ে ২০৩০ সালে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]
৬২৬.
বর্তমানে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- ১৯৪৮ সালে সংঘটিত ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বশান্তির মঞ্চে বাংলাদেশের পথচলা শুরু ১৯৮৮ সালে।
- তখন জাতিসংঘের ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনে ১৫ জন সদস্য পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ।
- পেশাদারত্বের মাধ্যমে শান্তি রক্ষা মিশনে বর্তমানে বাংলাদেশ তৃতীয় শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ।
- বর্তমানে ১০ দেশে শান্তির পতাকা হাতে নিয়োজিত আছেন ৪৪৪ নারীসহ ৫ হাজার ৮১৮ শান্তিরক্ষী।
- আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্যানুযায়ী, তিন দশকের বেশি সময়ে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩টি দেশ ও স্থানে ৬৩টি জাতিসংঘ মিশন সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।
- বিশ্বশান্তি রক্ষার এ যাত্রায় ৩৫ বছরে জীবন দিয়েছেন ১৬৮ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫৭ জন।
- বর্তমানে ১০টি দেশ বা স্থানে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয় বাংলাদেশ পুলিশ।
- ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশের নারী পুলিশ সদস্যরা শান্তিরক্ষী মিশনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

উৎস: UN peacekeeping ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
৬২৭.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য কোন স্কিমটি রয়েছে?
  1. প্রগতি
  2. প্রবাস
  3. সমতা
  4. সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।
৬২৮.
সম্প্রতি, টাইম সাময়িকীর প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. লিডার
  2. টাইটান
  3. ইনোভেটর
  4. আইকন
সঠিক উত্তর:
লিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিডার
ব্যাখ্যা
টাইম সাময়িকীর প্রভাবশালী- ১০০ ব্যক্তির তালিকা:
- ১৬ এপ্রিল ২০২৫ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন।
- তালিকাটি বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে- আর্টিস্ট, আইকন, লিডার, টাইটান, পায়োনিয়ার ও ইনোভেটর।
- খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী টাইম'র বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- টাইমে প্রকাশিত তালিকায় স্থান পাওয়া প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি লেখা প্রকাশ করা হয়েছে।
- সেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।

উল্লেখ্য,
- এ তালিকায় অন্যান্যদের মধ্যে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাম্প প্রশাসনের সদস্য ইলন মাস্ক, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাম, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৬২৯.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে "প্রেসিডেন্সিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স" পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদা
  2. শহীদুল জহির
  3. কাজী আবুল মনসুর
  4. সাঈফ সালাহউদ্দিন
সঠিক উত্তর:
সাঈফ সালাহউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঈফ সালাহউদ্দিন
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্সিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০১৬ সালে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (PECASE)’ পদক লাভ করেন কম্পিউটার বিজ্ঞানী সাঈফ সালাহউদ্দিন।
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে এ পদক পান এহসান হক।
- ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন অসাধারণ সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের সম্মান জানাতে এ পদক চালু করেন।
- হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এ পুরস্কারের লক্ষ্য হলো উদ্ভাবনী এবং সুদূরপ্রসারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের স্বীকৃতি প্রদান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে ক্যারিয়ার সচেতনতা বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্বকে তুলে ধরা।

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৩০.
সম্প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন উপাধি লাভ করেছেন? [মে, ২০২৫]
  1. ডক্টর অব সায়েন্স (D.Sc)
  2. ডক্টর অব ল (LL.D)
  3. ডক্টর অব ফিলোসফি (Ph.D)
  4. ডক্টর অব লিটারেচার (D.Litt)
সঠিক উত্তর:
ডক্টর অব লিটারেচার (D.Litt)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডক্টর অব লিটারেচার (D.Litt)
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি মে, ২০২৫-এ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লিটারেচার’ (ডি-লিট) ডিগ্রি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।
- ১৪ মে, ২০২৫ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাকে এ ডিগ্রি প্রদান করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ১৯৭২ সালে শিক্ষকতা শুরু করে প্রায় এক দশক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: i) The Daily Star বাংলা.
ii) প্রথম আলো।
৬৩১.
বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু'-১ উৎক্ষেপণকারী সংস্থা-
  1. স্পেস এক্স
  2. থ্যালেন অ্যালেনিয়া স্পেস
  3. অ্যারিয়েল স্পেস
  4. নাসা স্পেস এক্স
সঠিক উত্তর:
স্পেস এক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেস এক্স
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ :

-
বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
- উৎক্ষেপণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।


উৎক্ষেপণ সময়:
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪ : ১৪ মিনিট 
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২ : ১৪ মিনিট।

স্থান:
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।

সূত্র: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
৬৩২.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী শিক্ষক কে ছিলেন?
  1. লীলা নাগ
  2. লাবণ্য দাশ
  3. করুণাকণা গুপ্তা
  4. নুরজাহান বেগম
সঠিক উত্তর:
করুণাকণা গুপ্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করুণাকণা গুপ্তা
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী শিক্ষক ছিলেন- করুণাকণা গুপ্তা। 
--------------------------- 
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৯৩৫ সালে করুণাকণা গুপ্তের মহিলা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগকে সেই সময়ে সাহসী পদক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করা হলেও বর্তমানে ১৫,৩০৫ ছাত্রী ও ৬৬৩ জন নারী শিক্ষকের নিয়োগ আজ আর কোনো বিস্ময়ের ব্যাপার নয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূরণ করেছে।
- লীলা নাগ (১৯০০-১৯৭০) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।

তথ্যসূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৬৩৩.
থ্রি - জিরো তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. শূন্য দারিদ্র্য
  2. শূন্য ক্ষুধা
  3. শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ
  4. সবকটিই অন্তর্ভুক্ত
সঠিক উত্তর:
শূন্য ক্ষুধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য ক্ষুধা
ব্যাখ্যা

• থ্রি - জিরো তত্ত্ব:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

• সেগুলো হচ্ছে-
• শূন্য দারিদ্র্য,
• শূন্য বেকারত্ব,
• শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উৎস: The Bussiness Stundard.

৬৩৪.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ সরকার আইএলওর কয়টি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা: 
- ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তিনটি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- কনভেনশনগুলো হলো পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনভেনশন, ১৯৮১ (নং-১৫৫);
- কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়নে প্রচারণামূলক কাঠামো কনভেনশন, ২০০৬ (নং-১৮৭)
- এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ক কনভেনশন, ২০১৯ (নং-১৯০)।
- কনভেনশন তিনটির মধ্যে কনভেনশন ১৮৭ ও কনভেনশন ১৫৫ আইএলও'র মৌলিক কনভেনশন।
- ২০২২ সালে এ দুটিকে মৌলিক কনভেনশন হিসেবে গ্রহণ করে আইএলও।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।[লিঙ্ক]

৬৩৫.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি -
  1. ফাতিমা হক
  2. ফাতিমা ইয়াসমিন
  3. কায়সার আহমেদ
  4. খুরশিদা আক্তার
সঠিক উত্তর:
ফাতিমা ইয়াসমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাতিমা ইয়াসমিন
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank):
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬।
- সদর দপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৮টি দেশ।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের লক্ষ্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কে উৎসাহিত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এর সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
-  এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ফাতিমা ইয়াসমিন।

উৎস: Asian Development Bank ওয়েবসাইট।
৬৩৬.
বাংলাদেশ ও কোন দেশের যৌথ উদ্যোগে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- অবস্থান: পায়রা, পটুয়াখালী।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- ২০১৬ সালে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।
- উৎপাদন ক্ষমতা- ১৩২০ মেগাওয়াট।
- ২১ মার্চ, ২০২২ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: ২১ মার্চ, ২০২২, বিবিসি বাংলা নিউজ।
৬৩৭.
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয় কবে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পুরস্কার:
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের সিদ্ধান্ত রহিত করেছে সরকার।
- অর্থাৎ তাঁকে দেওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার বহাল করা হয়েছে।
- ২০০৩ সালে তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)। 

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ ‍বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৬৩৮.
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. টাঙ্গাইল
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. কুষ্টিয়া
  4. শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে গিয়ে তথাকার অত্যাচারিত কৃষকদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অচিরেই দলের আসাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করে।
- নবগঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী, এবং টাঙ্গাইলের শামসুল হক হন সাধারণ সম্পাদক।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে ভাসানী তখনকার বিরোধী দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট নামে একটি মোর্চা গঠন করেন।
- এ মোর্চার অপরাপর নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে এবং মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন।
- টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- ঐ বছর ১৮ মার্চ মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।
- এর প্রেক্ষিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র: সিরাজগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৬৩৯.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করে কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয় ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৪০.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ‘ডাবল হেডার’ রেকর্ড করেছেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. বাবর আলী
  3. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা
‘ডাবল হেডার’ রেকর্ড
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয়ের দুদিনের মাথায় চতুর্থ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ লোৎসের চূড়ায় পৌঁছেছেন বাবর আলী।
- আর এর মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এক অভিযানে হিমালয়ের দুই শৃঙ্গ জয়ের অনন্য রেকর্ড গড়লেন চট্টগ্রামের এই পর্বতারোহী।
- পর্বতারোহনের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘ডাবল হেডার’।

উৎস- বিবিসি।  
৬৪১.
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর কোন দেশ ২০২৮ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করবে?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা:
- এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পরেও বাংলাদেশ চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত পাবে।

উল্লেখ্য, 
- চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে।
- ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশন কার্যকর হবে।
- স্বাভাবিক নিয়মে এরপর শুল্কমুক্ত সুবিধা উঠে যাওয়ার কথা থাকলেও, চীন এই সুবিধা আরও দুই বছর বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
- ২০২২ সাল থেকেই বাংলাদেশ চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে, যদিও তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে না।

সূত্র: দৈনিক কালের কণ্ঠ ও বিজিনেজ স্ট্যান্ডার্ড।

৬৪২.
বাংলাদেশের প্রথম নারী অর্থ প্রতিমন্ত্রী কে?
  1. শামসুন নাহার
  2. নাহিদ ইজাহার খান
  3. নাহিদা আক্তার
  4. ওয়াসিকা আয়শা খান
সঠিক উত্তর:
ওয়াসিকা আয়শা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসিকা আয়শা খান
ব্যাখ্যা
ওয়াসিকা আয়শা খান:
- দেশের প্রথম নারী অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান।

উল্লেখ্য,
- ১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় ওয়াসিকা আয়শা খান অর্থ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
- তিনি বাণিজ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- তার পিতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সার।
- ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত ওয়াসিকা।
- ২০২১ সালের জুনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হন ওয়াসিকা।

উৎস: i) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) ২ মার্চ, ২০২৪ The Business Standard।
৬৪৩.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড): 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানে। 
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লায় অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬৪৪.
নিচের কোনটি একটি পুনর্বাসন প্রকল্প?
  1. কাবিখা
  2. কাবিটা
  3. আশ্রয়ণ
  4. শেষ সম্বল
সঠিক উত্তর:
আশ্রয়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্রয়ণ
ব্যাখ্যা
আশ্রয়ণ প্রকল্প: 
- এটি একটি সমন্বিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প ।
- সারা দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় “আশ্রয়ণ প্রকল্প”।
- আশ্রয়ণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে ৬৫ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায়. পরিবারের দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। 
- আশ্রয়ণ প্রকল্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৪৫.
বাংলাদেশের ১৮তম সেনাপ্রধান কে?
  1. জেনারেল আবদুল আমিন
  2. জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
  3. জেনারেল আজিজ আহমেদ
  4. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সেনাপ্রধান
- বাংলাদেশের ১৮তম সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
- তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
- ওয়াকার-উজ-জামান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের পাশাপাশি নবম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সাভার এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার, সেনাসদরে সামরিক সচিব এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরর আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া ও জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) নবম পদাতিক ডিভিশন হিসেবে ওয়াকার-উজ-জামান টানা তিন বছর অত্যন্ত সফলভাবে বিজয় দিবস প্যারেড ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬-এর প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
- বিরল এই কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সেনাগৌরব পদক’ (এসজিপি)-এ ভূষিত হন।

সূত্র- আইএসপিআর।
৬৪৬.
সর্বশেষ এভারেস্টজয়ী বাংলাদেশি হলেন - [সেপ্টেম্বর, ২০২৫] 
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. খালেদ হোসেন
  3. বাবর আলী
  4. ইকরামুল হাসান শাকিল
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৬৪৭.
বর্তমানে বাংলাদেশ কোন সংস্থার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ব্রিকস
  2. বিমসটেক
  3. কমনওয়েলথ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিমসটেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমসটেক
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন: 
- বর্তমানে বিমসটেক এর সভাপতি বাংলাদেশ। 

- আগামী দুই বছরের জন্য বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ।
- ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এ দায়িত্ব বুঝে নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূস তার বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকরি বিমসটেকের ওপর জোর দেন এবং আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার উপস্থাপন করেন।
- তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংগঠন।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন। (link)

৬৪৮.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. WHO
  2. IMO
  3. ILO
  4. FAO
সঠিক উত্তর:
WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WHO
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা - ১৯৪টি। (জুলাই, ২০২৫)
- এ সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামো: বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন, কার্যকরী বোর্ড, সম্পাদকীয় বোর্ড নিয়ে গঠিত।
- রোগমুক্ত বিশ্ব গঠন ও সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাই এ সংস্থার মূল লক্ষ্য এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করা, সংক্রামক ব্যাধি নির্মূল, স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন, স্বাস্থ্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক হলেন টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ইথিওপিয়ার নাগরিক।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে ২২ জুন, ১৯৭২।
- বাংলাদেশ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদস্যপদ লাভ করে ১৩ নভেম্বর ১৯৭৩।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬৪৯.
২০২৫ সালের হেনলি পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ কততম অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ৯৭তম
  2. ৯৮তম
  3. ৯৯তম
  4. ১০০তম
সঠিক উত্তর:
১০০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
২০২৫ সালে হেনলি পাসপোর্ট সূচক:
- হেনলি পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের।
- সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন।
- হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস ২০০৬ সাল থেকে এই তালিকা প্রকাশ করছে।
- বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্টের র‍্যাঙ্কিং করা হয় ভিসামুক্ত ভ্রমণের সংখ্যার ভিত্তিতে।
- বাংলাদেশের অবস্থান সূচকে ১০০তম।
- বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ৪০টি দেশে ভিসামুক্তভাবে বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে যেতে পারেন।
- ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জাপান, সাউথ কোরিয়া, সুইডেন, জার্মানি, ইতালি ও স্পেন ২য় অবস্থানে।
- এই দেশগুলোর নাগরিকরা ১৯০টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন।
- ৩য় অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ড।
- সূচকে সবার নিচে রয়েছে আফগানিস্তান (১০৭তম)।

তথ্যসূত্র: Henley and partners ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬৫০.
সম্প্রতি, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেয়েছে- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস
  3. রেড ক্রস বাংলাদেশ
  4. বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (এমওএনইউএসসিও) কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট বিএএনএফপিইউ-১ এর সদস্যদেরকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়েছে। 
- অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ আগস্ট এ পদক প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে এমওএনইউএসসিও কিনশাসার বিভিন্ন সেকশনে কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার্স (আইপিও)-কে বিএএনএফপিইউ-১ এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়।
- বিএএনএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭ এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমীর নেতৃত্বে মোট ১৭৮ জন শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
- তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন। 

উল্লেখ্য,
- কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]

৬৫১.
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু হয়েছে কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

৫-জি সেবা:
- ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে। 
- প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সাতটি জায়গায় রবির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে।
- পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি অঞ্চলে এই সেবা চালু হবে।
- অন্যদিকে, গ্রামীণফোন রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় তারা ফাইভ-জি চালু করেছে।
- পর্যায়ক্রমে টাওয়ার নামে পরিচিত বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো (বিটিএস) ফাইভ-জির আওতায় আনা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে এসে প্রথম প্রজন্মের, অর্থাৎ ওয়ান-জি প্রযুক্তি আসে সিটিসেলের মাধ্যমে।
- এরপর ১৯৯৬ সালে আসে টু-জি প্রযুক্তি। এর প্রায় ১৭ বছর পর চালু হয় থ্রি-জি।
- অন্যদিকে ফোর-জি চালু হয় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
- সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক ২০২১ সালে দেশে প্রথম ফাইভ-জির পরীক্ষা করেছিল।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৬৫২.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- আন্তর্জাতিক চাপে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি সরকার ০৮ ই জানুয়ারি তারিখে ২৯০ দিন আটক রাখার পর তাকে মুক্ত করে দেয়।
- তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে চলে যান।
- তারপর লন্ডন থেকে ভারত হয়ে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি আসেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধুর  স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৬৫৩.
পাকিস্তানের ২য় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে 'বাংলা'কে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি।
- সংবিধানে লেখা হয়, 214/1: The State language of Pakistan shall be Urdu and Bengali.
- ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয়, যা কার্যকর করা হয় ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ থেকে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৫৪.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. দারিদ্র্য
  2. দুর্নীতি
  3. কার্বন নিঃসরণ
  4. বেকারত্ব
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
৬৫৫.
'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্য এর স্থপতি কে?
  1. মর্তুজা বশীর
  2. অখিল পাল
  3. এস. এম. সুলতান
  4. মৃণাল হক
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
ব্যাখ্যা
• ভাস্কর্য:
 - জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
৬৫৬.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. নুরুল হুদা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. রেহমান সোবহান
  4. এম.এল. কোরেশী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
৬৫৭.
কোন বাংলাদেশী স্থপতি ২য় বারের মতো আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সায়রা মাহমুদ
  2. নাজমুল হক
  3. মেরিনা তাবাশ্যুম
  4. কাজী কাওসার হোসেন
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।
- এ পুরস্কারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি স্থাপনা মানুষের আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা-ও গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৬৫৮.
কক্সবাজার বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের কততম জেলা?
  1. ৪৫তম
  2. ৪৬তম
  3. ৪৭তম
  4. ৪৮তম
সঠিক উত্তর:
৪৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮তম
ব্যাখ্যা
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ:
- ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেন।
- আর এর মধ্য দিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার, তথা যুক্ত হবে ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে।
- রেলপথটি বাংলাদেশকে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত করবে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
- ১ ডিসেম্বর যাত্রী নিয়ে এই নতুন রেলপথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
- ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের ৬০টি জেলায় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য আছে বাংলাদেশে রেলওয়ের।
- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মায়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
- দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়।
- এই রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
- এর অর্থায়ন করেছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকার।

তথ্যসূত্র - ঢাকা পোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ও কালের কন্ঠ, ১০ নভেম্বর, ২০২৩।
৬৫৯.
বাংলায় ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল আলম
  4. শফিউল আলম
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
• জয়নুল আবেদিন:
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠাতা। 
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে খ্যাতি অর্জন করেন।
- দুর্ভিক্ষের উপর তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো 'ম্যাডোনা-৪৩' এবং 'দ্য রেবেল ক্রো'। 

তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:   
• সংগ্রাম,
• গুনটানা, 
• মই দেয়া, 
• বিদ্রোহী গরু, 
• নবান্ন,
• মনপুরা-৭০,
• মইটানা,
• পাইন্যার মা প্রভৃতি।   

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৬০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. কামাল হাসান
  2. এএনএ সাহা
  3. কাইয়্যুম চৌধুরী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম:
- স্বাধীনতা উত্তর সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামে দেশের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যকে প্রাধান্য দিয়ে সেগুলোকে শৈল্পিক উৎকর্ষে উদ্ভাসিত করে তোলা হয়।
- বরেণ্য শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- কালের পরিক্রমায় মুদ্রণ ব্যবস্থার পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে মনোগ্রামের মূল ডিজাইনে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসে।
- মনোগ্রামের মূল ডিজাইন পুনরুদ্ধার, রং নির্ধারণ এবং শিল্পী কামরুল হাসান কর্তৃক অংকিত ডিজাইনের নিগুঢ় অর্থ উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে সাবেক নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন বইয়ে মুদ্রিত মনোগ্রামকে ভিত্তি করে শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এর সহযোগিতায় সঠিকরূপে মনোগ্রামের কাজ সম্পাদিত হয়।

⇒ ব্যাংকের মনোগ্রামে ব্যবহৃত -
- মনোগ্রামের রং: গাঢ় সবুজ। 
- মনোগ্রামের ঠিক মাঝখাণে রয়েছে ডিজাইনকৃত ধানের গোলা এবং এর ঢাকনা। ধানের গোলা আর্থিকভাবে সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- গোলার নিচে নদীর ঢেউ। গোলার নিচে দুটি বক্ররেখা নদীর ঢেউয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- দুপাশে ধানের ছড়া। ধানের গোলার দুপাশে দুটি ধানের ছড়া দেখানো হয়েছে। মাঠভরা সোনালি ফসল বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাণের গোলার নিচে একটি কুঁড়িতে তিনটি পাটের পাতা রয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে পাটিপাতাকে যুক্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস ছিল পাট। হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬৬১.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ওরা ১১ জন
  2. রক্তাক্ত বাংলা
  3. মুখ ও মুখোশ
  4. আবার তোরা মানুষ হ
সঠিক উত্তর:
মুখ ও মুখোশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখ ও মুখোশ
ব্যাখ্যা
• মুখ ও মুখোশ:
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় ।
- মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
৬৬২.
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান কত সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:
- ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- র‍্যামন ম্যাগসেসে ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
- ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
- এখন পর্যন্ত ১৩ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তবর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন। 
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
- পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি।
- তিনি ফ্রেন্ডস অব আর্থ ইন্টারন্যাশনাল এবং আইইউসিএনের নির্বাহী সদস্য।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালে, ঢাকায়।
- পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক, ২০১২ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৯ সালে ‘পরিবেশের নোবেল’খ্যাত গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজে ভূষিত হন তিনি।
- ২০০৯ সালে টাইম সাময়িকী তাঁকে হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট খেতাবে ভূষিত করে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগের জন্য তাঁর নেতৃত্বাধীন বেলা সম্মানজনক ট্যাঙ্গ পুরস্কার লাভ করে। 

উৎস: i) The Ramon Magsaysay Award Foundation ওয়েবসাইট।
ii) ৯ আগস্ট, ২০২৪, প্রথম আলো।
৬৬৩.
How many people are currently holding the title of Grand Master in chess in Bangladesh? [May, 2025]
  1. 4
  2. 5
  3. 6
  4. 7
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

⇒ বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- এরা হলেন নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ। ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ। তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।

এছাড়াও
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
৬৬৪.
‘বীরশ্রেষ্ঠ' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. পান্না কায়সার
  3. জাহানারা ইমাম
  4. সালমা হোসেন
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
‘বীরশ্রেষ্ঠ' গ্রন্থ:
- ‘বীরশ্রেষ্ঠ' গ্রন্থের রচয়িতা জাহানারা ইমাম।

⇒ জাহানারা ইমাম:
- জাহানারা ইমাম একজন কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র প্রথম আহ্বায়ক।
- তিনি ‘শহীদ জননী’ হিসেবে বিশেষভাবে খ্যাত।
- ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পুত্র শাফী ইমাম রুমী।
- একাত্তরে তাঁর এই পুত্র রুমী ছাত্রত্ব ত্যাগ করে দেশের মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এবং কয়েকটি সফল গেরিলা অপারেশনের পর পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে নিহত হন।
- বিজয় লাভের পর রুমীর বন্ধুরা রুমীর মা জাহানারা ইমামকে সকল মুক্তিযোদ্ধার মা হিসেবে বরণ করে নেন।
- তখন থেকেই তিনি ‘শহীদ জননী’র মর্যাদায় ভূষিত হন।
- তিনি বেশ কিছু বই লিখেছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ ‘একাত্তরের দিনগুলি’।

⇒ গল্প, উপন্যাস ও দিনপঞ্জি জাতীয় রচনা মিলিয়ে তাঁর বেশ কয়েকটি গ্রন্থ রয়েছে।
- সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘অন্য জীবন’ (১৯৮৫), ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ (১৯৮৫), ‘জীবন মৃত্যু’ (১৯৮৮), ‘চিরায়ত সাহিত্য’ (১৯৮৯), ‘বুকের ভিতরে আগুন’ (১৯৯০), ‘নাটকের অবসান’ (১৯৯০), ‘দুই মেরু’ (১৯৯০), ‘নিঃসঙ্গ পাইন’ (১৯৯০), ‘নয় এ মধুর খেলা’ (১৯৯০), ‘ক্যানসারের সঙ্গে বসবাস’ (১৯৯১) ও ‘প্রবাসের দিনলিপি’ (১৯৯২)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৬৫.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি কে?
  1. সালমা মাসুদ চৌধুরী
  2. কৃষ্ণা দেবনাথ
  3. জিনাত আরা
  4. নাজমুন আরা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। 

প্রথম নারী বিচারপতি:

- দেশের বিচার বিভাগের প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।
- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি তিনি।

⇒ ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন।
- দেশের প্রথম নারী জেলা জজ তিনি, হাইকোর্টেও প্রথম নারী বিচারপতি।
- ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
- ২০২১ সালের মে মাসে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রথম মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পান তিনি।

অন্যদিকে,
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
৬৬৬.
বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক 'বলাকা'-এর নকশা কে করেছিলেন?
  1. এস.এম সুলতান
  2. রামেন্দু মজুমদার
  3. শিবনারায়ণ দাস
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক "বলাকা" ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
৬৬৭.
ছিটমহল বিনিময় কার্যক্রম শুরু হয় কোন তারিখে?
  1. ৩১.৭.২০১৬
  2. ৩১.৭.২০১৪
  3. ৩১.৭.২০১৯
  4. ৩১.৭.২০১৫
সঠিক উত্তর:
৩১.৭.২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১.৭.২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যবর্তী ছিদ্মহল বিনিময়:
- ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
- বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে মোট ১৬২ টি ছিটমহল বিনিময় হয়।
- বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ১৭,১৬০ একর জায়গা।
- ভারতের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ৭১১০ একর জায়গা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৬৮.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন পদক পান?
  1. মানবাধিকার
  2. নারীর ক্ষমতায়ন
  3. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস
  4. মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস
সঠিক উত্তর:
নারীর ক্ষমতায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যা
নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পদক পান।

প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন:
- গ্লোবাল পার্টনারশিপস ফোরাম-এর পক্ষ থেকে ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন-উইম্যান-এর পক্ষ থেকে ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মালটার প্রেসিডেন্ট ম্যারি লুইস কোলেইরো প্রেকা এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের স্ত্রী বান সুন-তায়েকও ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: i) যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ মিশনের ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।
৬৬৯.
পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ঢাকার সাথে দেশের কোন অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে?
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরীয়তপুর জেলার জাজিরা প্রান্ত সংযোগকারী সেতু।
- পদ্মা সেতুর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।

একনজরে:
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- প্রথম স্প্যান বসানো হয় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
৬৭০.
‘মাই বাইসাইকেল-মর থেংগারি’ কোন ভাষায় নির্মিত সিনেমা?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. রাখাইন
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
- চাকমা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা ‘মাই বাইসাইকেল-মর থেংগারি’।
- সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডে ৯ বছর ধরে আটকে আছে। 
- অং রাখাইন পরিচালিত সিনেমাটি নানা কারণে সেন্সর পায়নি।
- এই সিনেমাটি মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হওয়া চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪) দেখানো হয়। 
- এছাড়া ‘সাউথ এশিয়ান ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৫’ তেও চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী হয়। (১০ জানুয়ারি ২০১৫)
- চাকমা ভাষায় থেংগারি শব্দের অর্থ বাইসাইকেল।
- সিনেমার ইংরেজি নাম মাই বাইসাইকেল।
- সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে পাহাড়ঘেড়া এক গ্রামের কমল নামের চাকমা যুবককে ঘিরে। শহরে জীবিকা অর্জনে বিফল হয়ে একটি বাইসাইকেল নিয়ে গ্রামে ফেরত আসেন তিনি। বাইসাইকেলে মানুষ ও মালামাল পরিবহন করে জীবিকার সন্ধান করতে থাকেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো (২৯ ডিসেম্বর ২০২৪) ।
৬৭১.
‘পথে প্রবাসে’ প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. আবুল কালাম আজাদ
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
অন্নদাশঙ্কর রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা
অন্নদাশঙ্কর রায়:
- অন্নদাশঙ্কর রায় একাধারে একজন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও চিন্তাবিদ।
- উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
- তিনি একজন বিখ্যাত ছড়াকারও।
- তাঁর জন্ম হয় ব্রিটিশ-ভারতে বর্তমান ওড়িশার ঢেঙ্কানলে। 
- অন্নদাশঙ্কর গদ্য ও পদ্য উভয় ক্ষেত্রেই ভূমিকা রেখেছেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম বাংলাদেশে বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে আছে—
- উপন্যাস: ‘সত্যাসত্য’ (ছয়টি উপন্যাস), ‘যার যেথা দেশ’, ‘অজ্ঞাতবাস’, ‘কলঙ্কবতী’, ‘দুঃখমোচন’, ‘আগুন নিয়ে খেলা’;
- প্রবন্ধ:
‘তারুণ্য’, ‘জীয়নকাঠি’, ‘দেশকালপাত্র’, ‘নতুন করে বাঁচা’, ‘সাতকাহন’, ‘আত্মজীবনী’, ‘পথে প্রবাসে’;
- ছোটগল্প: ‘প্রকৃতির পরিহাস’, ‘দু কান কাটা’, ‘যৌবন জ্বালা’, ‘কামিনি কাঞ্চন’, ‘রুপের দায়’ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৭২.
জামাল নজরুল ইসলাম কে?
  1. ফুটবল খেলোয়াড়
  2. অর্থনীতিবিদ
  3. কবি
  4. বৈজ্ঞানিক
সঠিক উত্তর:
বৈজ্ঞানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈজ্ঞানিক
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।
৬৭৩.
কততম বাংলাদেশি হিসেবে বিজ্ঞানী এহসান হক 'প্রেসিডেন্সিয়াল পদক' পেয়েছেন?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্সিয়াল পদক পেলেন এহসান হক:
- যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানসূচক প্রেসিডেন্সিয়াল পদক পেলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী এহসান হক।
- পুরস্কারটির নাম ‘প্রেসিডেনশিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স’ পদক। 
- তরুণ ও সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের জন্যে এ পদক দেয় মার্কিন সরকার। 
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে এ পদক পাচ্ছেন এহসান হক। 
- এর আগে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে এ পদক পান বাংলাদেশি কম্পিউটার বিজ্ঞানী সাঈফ সালাহউদ্দিন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন অসাধারণ সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের সম্মান জানাতে এ পুরস্কার চালু করেন।
- বর্তমানে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রাণালয়ের উদ্ভাবন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক এহসান হক।
- এর আগে তিনি সৌদি আরবের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- সৌদি সরকারের তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকেন্দ্র সাডায়ায় কাজ করছেন তিনি।
- সাডায়ার পূর্ণরূপ সৌদি ডেটা অ্যান্ড এআই অথোরিটি অর্থাৎ সৌদি তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্তৃপক্ষ।
- ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অব মেডিসিন তাঁকে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একজন উদীয়মান পথপ্রদর্শক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

উৎস: 
৬৭৪.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কত সালে টেস্ট মর্যাদা পায়?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
৬৭৫.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?
  1. গজারিয়া
  2. গাজীপুর
  3. সাভার
  4. ভালুকা
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া
ব্যাখ্যা
• ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- রাজধানীর অদূরে মেঘনা নদীর পার ঘেঁষে গড়ে ওঠা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- ঢাকা থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে উপজেলার বাউশিয়া মৌজায় ২০০ একর জমির ওপর বাস্তবায়ন হচ্ছে প্রকল্পটি।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।
৬৭৬.
বাংলাদেশের প্রথম গ্রিন ডেটা সেন্টার কোথায় নির্মাণ করা হবে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. চট্রগ্রাম
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
গ্রিন ডেটা সেন্টার:
- গ্রিন ডেটা সেন্টার এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে আইটি অবকাঠামোগত এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যা শক্তি কম খরচ করে এবং পরিবেশের ক্ষতি কম করে।
- দেশে প্রথমবারের মতো চট্রগ্রামে গ্রিন ডেটা সেন্টার নির্মাণ করা হবে।

- অত্যাধুনিক এই ডেটা সেন্টারটি চট্টগ্রামের কাছে বিটিসিএল’র মালিকানাধীন একটি স্থানে স্থাপন করা হবে। 
- গ্রিন ডেটা সেন্টার তৈরির জন্য বাংলাদেশ ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) মধ্যে একটি  সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
- এই সেন্টারটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি দ্বারা চালিত হবে।

উল্লেখ্য,
- ডেটা সেন্টারটি পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাণিজ্যিক সেবা প্রদান করবে এবং বিটিসিএলের অভ্যন্তরীণ ডেটা স্টোরেজ চাহিদা পূরণ করবে।
- আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইন করা এই সেন্টারটি ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে সর্বোচ্চ কার্যক্ষমতা এবং সম্প্রসারণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
৬৭৭.
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বিআরটিসি
  2. ডিটিসিএ
  3. ডিএমটিসিএল
  4. ডিএইচইউটিএস
সঠিক উত্তর:
ডিএমটিসিএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএমটিসিএল
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল: 
- প্রকল্পের নাম: ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬। 
- উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা: জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ।
- পরিচালনা সংস্থা: ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
- বাংলাদেশে প্রথম মেট্রোরেল চালু হয়: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেল জনসাধারণের জন্য চালু হয়: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- বাংলাদেশের মেট্রোরেলের লোগোর ডিজাইনার- আলী আহসান নিশান।
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে- জাইকা ও বাংলাদেশ সরকার।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট চালু করেছে।
- মেট্রোরেলের জন্য গঠিত পুলিশের বিশেষ ইউনিটের নাম - এমআরটি পুলিশ।

তথ্যসূত্র: ডিএমটিসিএল, বিবিসি বাংলা।
৬৭৮.
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. হুগলি
  3. চট্টগ্রাম
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ:
- ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে এক সঙ্গীতপরিবারে তাঁর জন্ম। তিনি ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।
- আলাউদ্দিন খাঁ'র ডাক নাম ছিল ‘আলম’।
- ১৯৩৫ সালে তিনি নৃত্যশিল্পী উদয়শঙ্করের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেন।
- তিনিই ভারতীয় উপমহাদেশের রাগসঙ্গীতকে সর্বপ্রথম পাশ্চাত্যের শ্রোতাদের নিকট পরিচিত করান।
- তিনি নৃত্যাচার্য উদয়শঙ্কর পরিচালিত নৃত্যভিত্তিক ‘কল্পনা’ শীর্ষক একটি ক্ল্যাসিকধর্মী ছায়াছবিতে আবহসঙ্গীতে সরোদ পরিবেশন করেন।
- ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান’ (১৯৫২), ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৫৮) ও ‘পদ্মবিভূষণ’ (১৯৭১); বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬১) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯৫৪ সালে তিনি ভারত সরকার কর্তৃক প্রথম সঙ্গীত নাটক আকাদেমীর ফেলো নির্বাচিত হন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ্ মুসলিম হল তাঁকে আজীবন সদস্যপদ দান করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৭৯.
বঙ্গবন্ধু শান্তিতে অবদানের জন্য কোন পদক লাভ করেন?
  1. ম্যাগসেসে পদক
  2. ফ্রিডম পদক
  3. জওহরলাল নেহেরু পদক
  4. জুলিও কুরি শান্তি পদক
সঠিক উত্তর:
জুলিও কুরি শান্তি পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলিও কুরি শান্তি পদক
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:

- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসুত্র - কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
৬৮০.
জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?
  1. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  2. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবন রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- এ অসাধারণ ভবনটি আমেরিকার স্থাপতি লুই আই কান-এর সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে সংসদ ভবনের নকশা সম্পন্ন হয় এবং এর পরপরই  নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্মাণাধীন প্রধান অবকাঠামোটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ভবনের মূল নকশায় কোনো রকম পরিবর্তন না এনে নির্মাণ সম্পন্ন করার কৃতিত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- এ ভবন কমপ্লেক্সটির সর্বমোট নির্মাণ ব্যয় ১২৮ কোটি টাকা।
- ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় 
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন। 
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফের্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬৮১.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ৬৩তম
  2. ৬৪তম
  3. ৬৫তম
  4. ৬৬তম
সঠিক উত্তর:
৬৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫তম
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।


তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬৮২.
Who is the creator of the artwork 'Monpura 70'?
  1. Shahabuddin Ahmed
  2. Zainul Abedin
  3. Qayyum Chowdhury
  4. SM Sultan
সঠিক উত্তর:
Zainul Abedin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zainul Abedin
ব্যাখ্যা

• মনপুরা-৭০ :
-জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬)  আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
-ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- আবেদিনের কাছে প্রাচ্যের অঙ্কন ধারা অতিমাত্রায় রীতি নির্ভর ও অপরিবর্তনশীল মনে হয়েছে, যা তাঁকে সন্তুষ্ট করতে পারে নি। 
-অন্য দিকে ইউরোপীয় ধারা তাঁর কাছে সীমাবদ্ধ হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে। এসব কিছু মিলিয়ে তিনি রিয়ালিজমের প্রতি আকৃষ্ট হন।
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা-৭০’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৬৮৩.
কত সালে প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস ৩০তম অধিবেশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬৮৪.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম সম্প্রচার কবে শুরু হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।

- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।

- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র: বিটিভি ওয়েবসাইট।
৬৮৫.
১৯৭০ সালের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের প্রেক্ষাপট নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম হলো- 
  1. মনপুরা-৭০
  2. সংগ্রাম 
  3. ম্যাডোনা ৪৩
  4. নবান্ন
সঠিক উত্তর:
মনপুরা-৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনপুরা-৭০
ব্যাখ্যা

জয়নুল আবেদিন:
- বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল ।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার (বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলা) কেন্দুয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলো হলো, ১৯৫৭-এ নৌকা, ১৯৫৯-এ সংগ্রাম, ১৯৭১-এ বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের প্রেক্ষাপট নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম হলো 'মনপুরা-৭০'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬৮৬.
কোন নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মিত হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী
  2. সাঙ্গু
  3. হালদা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
৬৮৭.
নিম্নের কোন ব্যক্তি সর্বপ্রথম ভারতবর্ষের মানচিত্র অঙ্কন করেন?
  1. জেমস রেনেল
  2. কামরুল হাসান
  3. শিব নারায়ণ
  4. র‍্যাডক্লিফ
সঠিক উত্তর:
জেমস রেনেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস রেনেল
ব্যাখ্যা

মানচিত্র:
​​- রেনেল, জেমস ভূগোলবিদ ও নৌ-প্রকৌশলী। 
- ​তিনি বাংলার নদী অববাহিকা সম্পর্কে অনুসন্ধান চালান এবং সর্বপ্রথম ভারতবর্ষের মানচিত্র অঙ্কন করেন।
​-  ব্রিটিশ কৌশলগত ও প্রশাসনিকভাবে  গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ 'বেঙ্গল অ্যাটলাস অ্যাটলাসে' ১৭৭৯ সালে প্রকাশ করেন।
​- ১৭৭৭ সালে ভারত ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত তিনি অসংখ্য স্থানীয় ও প্রাদেশিক মানচিত্র তৈরির দায়িত্বে ছিলেন।

অন্যদিকে,
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হচ্ছে শিব নারায়ণ দাস।
​- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৬৮৮.
'সব কটা জানালা খুলে দাও না'-গানটির গীতিকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. নজরুল ইসলাম বাবু
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
নজরুল ইসলাম বাবু
- 'সব কটা জানালা খুলে দাও না: গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।

⇒ তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- 'একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার',
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’,
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।

⇒ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে তুরার পাহাড়ে বসে যুদ্ধে প্রশিক্ষণের অবসরমুহূর্তে তিনি লিখতেন গান।
- ট্রেনিং শেষে দেশে ফিরে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আধুনিক ও চলচ্চিত্রের অসংখ্য জনপ্রিয় গান লিখেছেন।
- তার লেখা গান গেয়েছেন বশীর আহমেদ, সৈয়দ আবদুল হাদী, আশা ভোঁসলে, সুবীর নন্দী, রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন, শাম্মী আখতার, দিলরুবা খান, বেবী নাজনীন, সুখেন্দু চক্রবর্তী, অ্যান্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ^জিৎ, শুভ্রদেব, কুমার শানুসহ অনেকে।

⇒ নজরুল ইসলাম বাবু ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত পদ্মা মেঘনা যমুনার গীত রচনার জন্য শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। 
- তিনি ২০২২ সালে পান একুশে পদক।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।
৬৮৯.
সম্প্রতি, দেশে রিকশা আর্ট নিয়ে প্রদর্শনীর নাম কী? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. The Colors of Rickshaw
  2. Rickshaw: The Art of Bangladesh
  3. Rickshaw Culture and Heritage
  4. Rickshaw Artistry: A World Heritage
সঠিক উত্তর:
Rickshaw Artistry: A World Heritage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rickshaw Artistry: A World Heritage
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
→ সম্প্রতি, দেশে রিকশা আর্ট নিয়ে প্রদর্শনীর নাম-Rickshaw Artistry: A World Heritage. 
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা:

- ১০ জানুয়ারি, ঢাকার গুলশানে অবস্থিত আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা-তে ‘রিকশা আর্টিস্ট্রি: আ ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ’ চিত্র প্রদর্শনীটি উদ্বোধন হয়।
- প্রধান অতিথি ছিলেন ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রেক্স মোলার।
- প্রদর্শনীতে ১৬টি চিত্রকর্ম, ১৭টি পেন্সিল স্কেচ এবং টিনের ওপর আঁকা ৩৬টি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে।
- ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে রিকশাচিত্রের ঐতিহ্য লালন করছেন নব কুমার ভদ্র।
- তার কাজ দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে।
- নব কুমারের চিত্রকর্মে চলচ্চিত্র শিল্পীদের মুখাবয়ব, বাংলার গ্রামীণ জীবন এবং প্রাচীন লোককথার চিত্র দেখা যায়।
- প্রদর্শনীটি ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবং এটি সপ্তাহে ছয় দিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৩ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় রিকশা এবং তার রঙিন চিত্রকর্ম।
- রিকশা একটি ছোট, তিন চাকার যাত্রীবাহী যান, যা একজন ব্যক্তি টানেন।
- রিকশাগুলি হাতে তৈরি হয় এবং এতে প্রাকৃতিক দৃশ্য, ফুল, পাখি, প্রাণী, ঐতিহাসিক ঘটনা, গল্প, জাতীয় নায়ক, চলচ্চিত্র তারকা এবং লেখনী চিত্রিত থাকে।
- রিকশাগুলি সজ্জিত থাকে ট্যাসেল, প্লাস্টিক ফুল এবং চিন্তেল দিয়ে।
- রিকশাগুলি ধীরে চলে, তাই তার চিত্রকর্ম সহজেই দর্শকদের চোখে পড়ে।
- এটি এক ধরনের চলমান প্রদর্শনী হিসেবে কাজ করে এবং ঢাকার নগর জীবনের প্রতীক।
- রিকশা তৈরি ও চিত্রকর্মের ঐতিহ্য কর্মশালার মাধ্যমে শিখানো হয়।
- রিকশা শিল্পীরা তাদের দক্ষতা সন্তান বা আত্মীয়দের কাছে শিখিয়ে দেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক নিউজ [লিঙ্ক] এবং ইউনেস্কো ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬৯০.
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. জাহানারা ফেরদৌস
  2. দিলরুবা নাসরিন
  3. রুবাব ফাতিমা
  4. ইসমাত জাহান
সঠিক উত্তর:
ইসমাত জাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসমাত জাহান
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নিযুক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক: 
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ এস এ করিম জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন।
- ২০০৭ সালের ১৮ জুন জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে ইসমাত জাহান নিয়োগ পান।
- তিনি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১২তম স্থায়ী প্রতিনিধি।
- রুবাব ফাতিমা ১৫তম ও ২য় নারী স্থায়ী প্রতিনিধি।

উৎস: জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন ওয়েবসাইট। 
৬৯১.
প্রথম বাংলাদেশী এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম কোন সালে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেন?
  1. ২০০৮
  2. ২০১১
  3. ২০০৯
  4. ২০১০
সঠিক উত্তর:
২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৬৯২.
চট্টগ্রামের বে টার্মিনাল উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করবে কোন সংস্থা? [মে, ২০২৫]
  1. এডিবি
  2. জাইকা
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
বে টার্মিনাল উন্নয়ন প্রকল্প:
- গত ২০ এপ্রিল একনেক সভায় বে টার্মিনাল মেরিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (বিটিএমআইডিপি) অনুমোদন হয়।
- এতে ১৩ হাজার ৫২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় হিসেব করা হয়েছে।
- এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ঋণ সহায়তা দেবে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি এবং সরকারি তহবিল থেকে খরচ হবে ৪ হাজার ১৯২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
- ইতিমধ্যে প্রজেক্ট (বিটিএমআইডিপি) বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের সাথে ৬৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
- প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি মাস থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় ‘বে টার্মিনাল’ প্রকল্প হাতে নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- এই বে টার্মিনালে বাংলাদেশের মোট ৩৬ শতাংশ কনটেইনার ওঠা–নামা করা হবে। এতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। 
- পরিণামে দৈনিক এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ ডলার সাশ্রয় হবে।

তথ্যসূত্র: বাসস।
৬৯৩.
পদ্মা সেতুতে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ১ নভেম্বর, ২০২৩ সালে
  2. ২ নভেম্বর, ২০২৩ সালে
  3. ৩ নভেম্বর, ২০২৩ সালে
  4. ৪ নভেম্বর, ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতুতে রেল চলাচল:
পদ্মা সেতুর সড়কপথ চালুর ১০ মাসের মাথায় ৪ এপ্রিল ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
এদিন ৪১ কিলোমিটার রেলপথে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করে ৭ বগি বিশেষ ট্রেনটি।
- ১ নভেম্বর ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়।

পদ্মা সেতু:
পদ্মা সেতু প্রকল্পতে চীনের একটি কোম্পানী কাজ করে।
- মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
মাওয়া প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬১৭ কিলোমিটার।
জাজিরা প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র দ্যা ডেইলী স্টার, ২৫ জুন ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক ৪ এপ্রিল ২০২৩ ও নয়া দিগন্ত, ০২ নভেম্বর ২০২৩।
৬৯৪.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- এটি বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১ জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে চালু হয়েছিল।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরো নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়েছিল।
- ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয়।
- বাসস-এর এখন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় জাতীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।

৬৯৫.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
  1. পারভীন ফাতেমা
  2. ফিরোজা বেগম
  3. রওশন জাহান
  4. কানিজ ফাতেমা
সঠিক উত্তর:
ফিরোজা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজা বেগম
ব্যাখ্যা
• টেস্ট টিউব বেবি নেওয়ার পদ্ধতি:
- টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ।
- এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। 
- এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু।
- ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়।

• বাংলাদেশে টেস্ট টিউব বেবি: 
- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে।
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩) ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

সূত্র: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।
৬৯৬.
’A World of Three Zeros’ বইয়ের লেখক কে?
  1. আহমদ ছফা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. শওকত উসমান
  4. হুমায়ূন আজাদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
• অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
-  তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- মার্কিন রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা পদক ২০০৯ সালে লাভ করেন।
- তিনি ছিলেন কিং হুসেন হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাওয়ার্ডের প্রথম প্রাপক (জর্ডান, ২০০০)।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

• তাঁর রচিত গ্রন্থ :

- A World of Three Zeros.
- Building Social Business.



উৎস:
ইউনূস সেন্টার  { লিংক} এবং ব্রিটানিকা।
৬৯৭.
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গুগল ওয়ালেট’ সেবা চালু হয়েছে কবে?
  1. ২০ জুন, ২০২৫
  2. ২২ জুন, ২০২৫
  3. ২৪ জুন, ২০২৫
  4. ২৫ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৪ জুন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে গুগল পে:
- ২৪ জুন, ২০২৫ তারিখে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে গুগলের ডিজিটাল লেনদেন সেবা 'গুগল ওয়ালেট'।

- এই সেবা সাধারণভাবে ‘গুগল পে’ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় দেশের বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক এই ডিজিটাল লেনদেন সেবাটি চালু করেছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর (২৪ জুন, ২০২৫) এ সেবার উদ্বোধন করেন।
- গুগল পে-এর এ সুবিধা আপাতত কেবল সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংকও এই সেবায় যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- গুগল পে মূলত একটি মোবাইল পেমেন্ট এবং ডিজিটাল ওয়ালেট পরিষেবা, যা গুগল দ্বারা পরিচালিত।
-  স্মার্টফোনের মাধ্যমে যেকোনও পয়েন্ট-অব-সেল (পিওএস) টার্মিনালে দেশে বা বিদেশে ফোন ট্যাপ করেই অর্থ পরিশোধ সম্ভব হবে।
- এতে আর আলাদাভাবে প্লাস্টিক কার্ড সঙ্গে বহনের প্রয়োজন হবে না।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৬৯৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে কোনটি সঠিক নয়?
  1. গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা
  2. ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন
  3. ২০০৬ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
  4. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে রয়েছে:
- স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৯৯.
২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে কোন পণ্যকে ঘোষণা করা হয়েছে? 
  1. পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
  2. টেক্সটাইল ও পোশাক
  3. ইলেকট্রনিক্স পণ্য
  4. খাদ্য প্রক্রিয়াজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
ব্যাখ্যা

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 
- পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- 'পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্টকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা। 

৭০০.
'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্সে:
- দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্স 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' একটি মেগা প্রকল্প, যা ময়মনসিংহের ত্রিশালে উপজেলায় নির্মাণাধীন। 
-  ১৭৩.৫৯ একর জায়গা নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স।
- ত্রিশাল মিলিটারি ট্রেনিং এরিয়াতে হতে যাচ্ছে এই কমপ্লেক্স।
- পুরো জায়গাটিই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।  
- প্রাথমিক নকশা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে মোট ৩৩টি খেলার অবকাঠামো তৈরি হবে। 
- বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
- 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর ভিত্তিপ্রস্থর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
- এটি দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টি-স্পোর্টস কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত হবে এবং ভবিষ্যতে 'অলিম্পিক ভিলেজ' হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। (Link)