PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং
PrepBank · পাতা ৪ / ৫ · ৩০১–৪০০ / ৪৩৫
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো:
- মেগা,
- ড্রপবক্স,
- ওয়ান ড্রাইভ,
- গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.
• অপশন আলোচনা:
- Microsoft Excel হলো একটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Dropbox ফাইলের নিরাপত্তা প্রধানত ক্লাউড এনক্রিপশন এবং ব্যাকআপের মাধ্যমে নিশ্চিত করে। যখন আপনি কোনো ফাইল আপলোড করেন, তখন Dropbox সেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের সার্ভারে পাঠায় এবং সেখানে শক্তিশালী এনক্রিপশন ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে। এর ফলে কেউ অনুমোদন ছাড়া ফাইল পড়তে বা চুরি করতে পারে না। এছাড়াও, Dropbox নিয়মিত ব্যাকআপ রাখে, যাতে হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত ফাইল সহজেই পুনরুদ্ধার করা যায়। অন্য কোনো অপশন যেমন পুরনো ফাইল মুছে ফেলা, কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড দেওয়া বা ফিজিক্যাল লক ব্যবহার করা শুধুমাত্র আংশিক বা স্থানীয় নিরাপত্তা দেয়, কিন্তু Dropbox-এর মূল নিরাপত্তা ব্যবস্থা হল ক্লাউড এনক্রিপশন এবং ব্যাকআপ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ক্লাউড এনক্রিপশন আর ব্যাকআপ দিয়ে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।
• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তবে WPS Office হচ্ছে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS),
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।
• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড,
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
• কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) IaaS
IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: Amazon EC2, Google Cloud Storage, Rackspace
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং:
SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ: Google Docs, Microsoft 365, Lotus, Yahoo!mail, Zoho
PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure App Services, Heroku, Salesforce Platform
HaaS (Hardware as a Service)
- এটি একটি হার্ডওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার প্রসেসিং এবং ডেটা সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়া হয়। ব্যবহারকারী তাদের নিজের অ্যাপ্লিকেশন চালাতে এবং ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
১. হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
২. পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
৩. প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
৪. কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।
যেমন- অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।
২. Platform-as-a -Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে।
৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন।
যেমন: গুগল ডকস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• PaaS বা Platform as a Service হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি স্তর যা ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার টুলস (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেস, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এক্সিকিউশন এনভায়রনমেন্ট) প্রদান করে।
- এটি ব্যবহারের ফলে ডেভেলপারদের নিজস্ব অবকাঠামো বা সার্ভার সেটআপ করার দুশ্চিন্তা করতে হয় না।
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
- নির্দিষ্ট URL-এ প্রবেশ করে আমরা ঐ Website এর বিভিন্ন Resource গুলো Locate করতে পারি।
https://web.livemcq.com/#introপ্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- web.livemcq.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- '/' বা Slash এর পর #intro হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)
- Domain Name সচরাচর 'www' দিয়েই শুরু হয়। যেমন: https://www.12ka4.com/intro
তাহলে,
URL এর তিনটি অংশ থাকে। যথা -
i) প্রোটোকলের নাম,
ii) হোস্ট নেইম এবং
iii) ফাইল নেইম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের দরুন আজকের যুগে ঘরের কোণে বসে নিজস্ব ছোট্ট কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একটি বিশালাকার কম্পিউটারকে ভাড়ার মাধ্যমে যথেচ্ছা ব্যবহার করা যায় এবং যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেই কম্পিউটারে সংরক্ষণও করা যায়, এই বিশালাকার কম্পিউটারের ধারণাটিই ক্লাউড কম্পিউটিং।
- আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিগত সবকিছুই চলছে এই ক্লাউড কম্পিউটিং ধারণার উপর ভিত্তি করে, 'ক্লাউড' শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত।
- ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো ব্যবহারকারী পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিশাল তথ্যভান্ডার দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবহার এবং সংরক্ষণ করতে পারেন।
- বিনামূল্যের এবং অর্থের বিনিময়ে উভয় প্রকার সার্ভিস ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্তর্গত। এক্ষেত্রে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে থাকে, ক্রেতা বা ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিসদাতা সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় কম্পিউটিংয়ের কাজ সমাধা করে থাকে।
- ক্লাউড কম্পিউটিংকে সমন্বিত টেকনোলজি হিসেবে গণ্য করা হয়, যার দ্বারা ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই ব্যাবসায়িকভাবে লাভবান হয়ে থাকেন।
- ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- একক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় কিংবা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় যাতে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, এ ধরনের ক্লাউডকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এ সব পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তবে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের অনেক শাখায় ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিমাত্র ক্লাউড ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাশ্রয়ী হয়।
২। পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসোর্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড।
- Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
৩। হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- দুই বা ততোধিক ধরনের ক্লাউডের (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি) সংমিশ্রণই হলো হাইব্রিড ক্লাউড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্লাউড পৃথক বৈশিষ্ট্যের হলেও এক্ষেত্রে একই সাথে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে।
- ক্লাউড সার্ভিসের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য একাধিক ক্লাউডকে একীভূত করা হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্ক স্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
পাবলিক ক্লাউড: এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.
প্রাইভেট ক্লাউড: এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড: দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
২. Platform-as-a -Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন।
যেমন: গুগল ডকস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. কোর (Core) : সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা 100 মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে কোর।
২. ক্ল্যাডিং (Cladding) :
কোরের ঠিক বাইরের অংশটি হচ্ছে ক্ল্যাডিং। ক্ল্যাডিং হচ্ছে কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি এক বিশেষ ধরণের আবরণ যা কোর থেকে নির্গত আলোক রশ্মি প্রতিফলিত করে তা পুনরায় কোরে ফেরত পাঠায়।
৩.জ্যাকেট (Jacket) : ক্ল্যাডিং-এর প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি বাইরের অংশটি হচ্ছে জ্যাকেট। জ্যাকেট ফাইবারকে জলীয়বাষ্প, আর্দ্রতা, ঘর্ষণ, মচকানো এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
জনপ্রিয় কিছু ক্লাউড সার্ভিস:
- Amazon Web Services (AWS)
- Microsoft Azure
- Google Cloud (GCP - former Google Cloud Platform)
- IBM Cloud-Blue cloud (former SoftLayer)
- Oracle Cloud
- Alibaba Cloud
- Red Hat
- Heroku
===================
- Ecosia হচ্ছে এক ধরনের সার্চ ইঞ্জিন, যেখানে ইউজারদের সার্চের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন করা হয়।
সূত্র: https://www.ecosia.org/
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - EC2.
IaaS বা Infrastructure as a Service হল ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি মডেল যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ভৌত হার্ডওয়্যার বা সার্ভার পরিচালনার ঝামেলা ছাড়াই ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করতে পারে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী শুধুমাত্র রিসোর্সের জন্য অর্থ প্রদান করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, EC2 (Elastic Compute Cloud) একটি IaaS সেবা, যা ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল সার্ভার তৈরি, কনফিগার ও পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
• অপশন আলোচনা:
ক) WordPress: এটি একটি CMS (Content Management System), যা সাধারণত SaaS বা PaaS (Platform as a Service) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ব্যবহারের সুবিধা থাকে, পরিকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
খ) Google Apps (Google Workspace): এটি সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের পরিষেবা (SaaS), যেমন Gmail, Docs ইত্যাদি।
ঘ) Salesforce: এটি একটি CRM (Customer Relationship Management) সমাধান, যা সম্পূর্ণরূপে SaaS (Software as a Service)।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপারেশন কোডে নির্দেশ নেমোনিক থাকে। এই নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণত নিচের মত হয় ।
LDA(লোড) : প্রধান মেমরির কোন নির্দিষ্ট অবস্থানের (অপারেন্ডে দেওয়া) সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরে রাখে (Load Accumulator) !
STA(স্টোর) : STore Accumulator (মেশিনভাষার অনুরূপ)।
ADD(যোগ) : ADD, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ ।
SUB(বিয়োগ) : SUBtract, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
MUL(গুণ): MULtiple প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে গুণ করে গুণফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
DIV (ভাগ) : DIVide, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
JMU(নিশর্ত জাম্প) : পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে (লেবেলে) যাও ।
JAZ(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ০ হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে
যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS):
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ: Amazon Web Services, Google Cloud ইত্যাদি।
• প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS):
এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ: AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
• সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS):
এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com
৩. https://www.ibm.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)
• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড
- প্রাইভেট ক্লাউড
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
• ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎস (Source) প্রােগ্রামকে বস্তু (Object) প্রােগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যার প্রয়ােজন হয় তাকে অনুবাদক বলে।
অনুবাদক তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ
(১) কম্পাইলার (Compiter)
(২) ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
(৩) এ্যাসেম্বলার (Assembler)
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার উপর ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত।
- যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
• প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ।
- ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
• NIST এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তবে, WeTransfer একটি ফাইল শেয়ারিং পরিষেবা, যা মূলত বড় আকারের ফাইল অন্যদের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি ক্লাউড স্টোরেজ পরিষেবা নয়।
⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো:
- মেগা,
- ড্রপবক্স,
- ওয়ান ড্রাইভ,
- গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
⚪ সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন লিংক, তথ্য ও সার্ভিস বা সেবার সংগ্রহ যা ব্যবহারকারীদেরকে তথ্য জানানোর জন্য সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়।
- ওয়েব পোর্টালের হোম পেজে বিভিন্ন তথ্য ও লিংকসমূহ ইনডেক্স আকারে থাকে বিধায় ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যের উৎস বা লিংক খুঁজে পায়। - একটি ওয়েব পোর্টাল সাধারণত আঞ্চলিক খবর, স্থানীয় তথ্য, স্টক রিপোর্ট, সরকারি সেবার তথ্য, জাতীয় খবর এবং গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল সেবা প্রদান করে।
- অবশ্য ওয়েব পোর্টাল ব্যক্তিগত, আঞ্চলিক, সংস্কৃতিক, সরকারি, কর্পোরেট ইত্যাদি ধরনের হতে পারে। যেমন: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (www.bangladesh.gov.com) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ওয়েব পোর্টাল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবেঃ -
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
১. হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
২. পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
৩. প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
৪. কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ: Amazon Web Services, Google Cloud, IBM Cloud ইত্যাদি।
প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ: AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি।
[Microsoft Azure এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।]
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com/
৩. https://www.ibm.com/
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।
৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।
৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।
- এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
• যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability),
• যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand),
• যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং
• উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA যৌথভাবে Open API (Application Programming Interface) চালু করে, যা ক্লাউড কম্পিউটিংকে আরও উন্মুক্ত ও সহজলভ্য করে তোলে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing):
- ক্লাউড শব্দের অর্থ মেঘ। প্রযুক্তির ভাষায় ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- আকাশে যেমন মেঘ সর্বত্র ছড়িয়ে থাকে, তেমনি ইন্টারনেটও সারা বিশ্বজুড়ে জালের মতো বিস্তৃত।
- ইন্টারনেটভিত্তিক এই অবকাঠামো থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার ধারণা থেকেই ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের জন্ম।
- অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে ক্লাউড কম্পিউটিং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ধারণা:
- নিজের কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ বা সার্ভার ব্যবহার না করে,
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করাই ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল বিষয়।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহারিক উদাহরণ:
- কোনো প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ রয়েছে।
- ব্যবহারকারীর চাপ সময়ভেদে পরিবর্তিত হয়—
- নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহারকারী বেশি,
- অন্য সময়ে ব্যবহারকারী কম।
- সর্বক্ষণ অতিরিক্ত সার্ভার চালু না রেখে,
- যখন লোড বেশি থাকে তখন অতিরিক্ত সার্ভার ভাড়া নেওয়া হয়।
- এতে—
- খরচ কমে,
- রিসোর্সের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
- সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও অব্যবহৃত সময় অন্য গ্রাহকের কাছে সার্ভার ভাড়া দিতে পারে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ধারণার সূচনা হয় ১৯৬০-এর দশকে।
- ২০০৬ সালে Amazon Web Services (AWS) বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA যৌথভাবে Open API (Application Programming Interface) চালু করে।
- এর ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অবকাঠামােগত সেবা (laas: Infrastructure as a service) : এই মডেলে অবকাঠামাে ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন -এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
EC2 -এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলােই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতাে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Amazon Web Services (AWS)
- Microsoft Azure
- Google Cloud (GCP - former Google Cloud Platform)
- IBM Cloud-Blue cloud (former SoftLayer)
- Oracle Cloud
- Alibaba Cloud
- RedHat
- Heroku
_________________________
- AliExpress একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।
২. Platform-as-a- Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন।
৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Google Workspace.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
- ২০০৬ সালে ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩. IBM Website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
IaaS (Infrastructure as a Service) হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন- সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীদের শারীরিক হার্ডওয়্যার কেনা বা পরিচালনার প্রয়োজন দূর করে, ফলে খরচ কমে এবং নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। উদাহরণস্বরূপ, Amazon Web Services (AWS) বা Microsoft Azure এমন প্ল্যাটফর্ম যারা IaaS সেবা প্রদান করে। এই মডেলে সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন আগে থেকে ইনস্টল করা থাকে না, বরং ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী সবকিছু কনফিগার করে। ফলে এটি সবচেয়ে নমনীয় ক্লাউড পরিষেবা মডেল হিসেবে বিবেচিত।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS),
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।
• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড,
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার হচ্ছে:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- MS Excel হচ্ছে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- VMware Workstation হলো একটি ডেস্কটপ ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার। এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা নয়।
⚪ ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।
৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অন্যতম বড় সুবিধা হলো Scalability (স্কেলযোগ্যতা), অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সার্ভিস বা রিসোর্স বাড়াতে বা কমাতে পারে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন
- সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।
৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।
৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।
এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
- যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability),
- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand),
- যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং
- উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
যে সকল ওয়েবপেজ পূর্ব থেকে তৈরিকৃত তথ্যপ্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলা হয়।
- HTML, CSS ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি হয়।
ডায়নামিক ওয়েবসাইট:
- যে সকল ওয়েবপেজ আপডেটকৃত তথ্য প্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায় তাকে ডায়নামিক ওয়েবসাইট বলা হয়।
- ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করা হয়।
- PHP, ASP, JSP ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরি হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud) একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য সংরক্ষিত থাকে। এটি সাধারণত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা হয় এবং শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য। এটি নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ, এবং কাস্টমাইজেশনের জন্য আদর্শ।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
অন্যদিকে,
Amazon Web Services (AWS), Google Cloud, এবং Microsoft Azure হলো পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদানকারী। এগুলি বহু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত এবং শেয়ার্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে কাজ করে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে।
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়।
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Cloud Service Provider (CSP) হলো এমন প্রতিষ্ঠান, যা Cloud Computing Services যেমন IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service) প্রদান করে।
- Intel ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়।
ইনটেল কর্পোরেশন (Intel Corporation):
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক। যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু শুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) IBM → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
IBM Cloud প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে IaaS, PaaS, এবং AI-Powered Cloud Solutions প্রদান করে।
খ) Salesforce → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
Salesforce Cloud, Marketing Cloud, Service Cloud, AI-Powered CRM ইত্যাদি ক্লাউড-ভিত্তিক পরিষেবা দেয়।
ঘ) Oracle → ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান
Oracle Cloud এর মাধ্যমে IaaS, PaaS, SaaS, এবং Database Cloud Services প্রদান করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS), এবং
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড এবং
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।
SaaS-এর একটি আরেকটি উদাহরণ হল Microsoft Office 365, যেখানে সমস্ত Microsoft Office অ্যাপ্লিকেশন স্থানীয় কম্পিউটারে ইনস্টল না করেই একটি ব্রাউজারে কাজ করা যায়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; Southern New Hampshire University Website।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এ নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Cloud computing is the on-demand availability of computer system resources, especially data storage and computing power, without direct active management by the user. Large clouds often have functions distributed over multiple locations, each location being a data center.
Cloud computing is believed to have been invented by Joseph Carl Robnett Licklider in the 1960s with his work on ARPANET to connect people and data from anywhere at any time.
source - LinkedIn
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Amazon Web Services (AWS) হলো একটি বিস্তৃত ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যা অবকাঠামো (IaaS), প্ল্যাটফর্ম (PaaS) এবং সফটওয়্যার (SaaS) সেবা প্রদান করে।
Amazon Web Services (AWS):
- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
AWS মূলত তিনটি key cloud service model-এ কাজ করে:
- IaaS (Infrastructure as a Service) → Example: EC2, S3.
- PaaS (Platform as a Service) → Example: AWS Elastic Beanstalk.
- SaaS (Software as a Service) → Example: AWS WorkSpaces.
উৎস: Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Dropbox হলো একটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং ডেটা ক্লাউডে সংরক্ষণ এবং শেয়ার করার সুযোগ দেয়।
Dropbox:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের মূল বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.
- ক্লাউড কম্পিউটিং- এর মূল বৈশিষ্ট্য ছাড়াও আরো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো একটি ইন্টারনেট সেবা, যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা কম সময়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারী দূর থেকে ক্লাউড বা ভার্চুয়াল স্পেসে তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং তিন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যথা-
১. অবকাঠামােগত সেবা:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশ ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ:
১. যে কোনাে স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলােড এবং ডাউনলােড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
৪. নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয় না।
৫. যে কোনাে ছােট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
৬. তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়ােজন হয় না।
৭. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাসমূহ:
১. ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
২. তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩. ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
৪. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ড্রপবক্স মূলত একটি ক্লাউড স্টোরেজ সেবা যা ব্যবহারকারীদের ফাইল, ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ডেটা অনলাইনে সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস ও শেয়ার করার সুবিধা দেয়। ব্যবহারকারী সহজেই ফাইল আপলোড, ডাউনলোড এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। ড্রপবক্স ফাইলের ব্যাকআপ রাখার জন্যও ব্যবহৃত হয়, যাতে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হলে ডেটা নিরাপদ থাকে। এছাড়া, একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ফাইল সিঙ্ক্রোনাইজেশন করা সম্ভব। ড্রপবক্স কোনো ভিডিও সম্পাদনা, অ্যান্টিভাইরাস সুরক্ষা বা অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য ব্যবহার হয় না। তাই সঠিক উত্তর হবে ক) ক্লাউড স্টোরেজ।
• Dropbox:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট:
ধরা যাক একটি বৃহৎ কোম্পানি যার অফিস দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে এবং দেশের বাইরেও আরও কয়েকটি দেশব্যাপি বিস্তৃত। এই কোম্পানির প্রতিটি অফিসেই ল্যান রয়েছে এবং দেশে ও দেশের বাইরে এই ল্যানগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ওয়ান (WAN) বলা যায়।
তবে পার্থক্য হচ্ছে, এই ওয়ানের একটি অংশ বা রিসাের্স (যেমন : আর্থিক হিসাব, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কৌশল ইত্যাদি) অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে শুধু কোম্পানির নিজস্ব লােকজন এসব রিসাের্স ব্যবহার করতে পারে। কোম্পানির সুৱক্ষিত রিসোর্স সংবলিত এই নেটওয়ার্ক অংশটিকে বলা হয় ইন্ট্রানেট (Intranet)।
ইন্টারনেটের মতােই সম্প্রতি ইন্ট্রানেটও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইট্রানেট হচ্ছে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ইন্টারনেট প্রটোকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য, কর্মক্ষম সিস্টেম অথবা কম্পিউটিং সেবা শেয়ার করে।
কোন কোম্পানির ওয়ানের একটি নির্দিষ্ট অংশ বা এর রিসাের্স সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে পারে। এসব উন্মুক্ত রিসাের্সের মধ্যে থাকতে পারে কোম্পানির প্রােফাইল, প্রজেক্ট এবং প্রোগ্রাম, শেয়ার স্ট্যাটাস, বাৎসরিক প্রতিবেদন ইত্যাদি। কোম্পানির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ ইউজাররা এসব তথ্য দেখতে পারে বা ডাউনলােড করে সংরক্ষণ করতে পাত্রে। ওয়ানের এ ধরনের উক্ত অংশকে বলা এক্সট্রানেট (Extreet)।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পাবলিক ক্লাউড হলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউড, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহার করা যায়।
• ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing):
- তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী বিশাল কম্পিউটার সিস্টেম ভাড়াভিত্তিতে ব্যবহার ও তথ্য সংরক্ষণের ধারণাই ক্লাউড কম্পিউটিং।
- ‘ক্লাউড’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত।
- ব্যবহারকারী পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউডের তথ্যভান্ডার ব্যবহার ও সংরক্ষণ করতে পারে।
- বিনামূল্যে এবং অর্থের বিনিময়ে উভয় ধরনের সার্ভিস এতে অন্তর্ভুক্ত।
- হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি রিসোর্স সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- ব্যবহারকারী নিজস্ব ডিভাইস ব্যবহার করে সার্ভিসদাতা সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে।
- এটি সমন্বিত টেকনোলজি, যা ব্যবহারকারী ও সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ের জন্য ব্যাবসায়িকভাবে লাভজনক।
- ক্লাউড কম্পিউটিং প্রধানত তিন প্রকার।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- একক প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ও নিয়ন্ত্রিত ক্লাউড।
- নিজস্ব বা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হতে পারে।
- পরিচালনা ব্যয়বহুল হলেও বড় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ডেটা সেন্টার সাশ্রয়ী সমাধান হতে পারে।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ ও অন্যান্য রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে।
- Amazon, Microsoft ও Google তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে পাবলিক ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করে।
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- দুই বা ততোধিক ক্লাউড (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি)-এর সমন্বয়।
- পৃথক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেও সমন্বিতভাবে কাজ করে।
- সার্ভিসের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে একাধিক ক্লাউড একীভূত করা হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- প্রাইভেট ক্লাউড → একক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রিত অবকাঠামো।
- হাইব্রিড ক্লাউড → একাধিক ক্লাউডের সমন্বিত ব্যবস্থা।
- ইন্ট্রানেট ক্লাউড → অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা কাঠামো।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Customer to customer (C2C) is a business model that enables customers to trade with each other, frequently in an online environment.
Online C2C company sites include Craigslist, Etsy, and eBay, which sell products or services through a classified or auction system.
Source: investopedia.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেল মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
যেমনঃ র্যানসমওয়্যার(Ransomware)।
- র্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Infrastructure-as-a-Service (IaaS) হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি সার্ভিস মডেল যেখানে ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া নেয়।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ধারণা হলো নিজের কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ ব্যবহারের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করা।
- এটি কোনো একক প্রযুক্তি নয়; বরং বিভিন্ন প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ সেবা।
- Amazon বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়।
• Infrastructure-as-a-Service (IaaS):
- এই মডেলে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
• Platform-as-a-Service (PaaS):
- এখানে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি পূর্ব থেকেই প্রস্তুত থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপাররা এই প্ল্যাটফর্মে তাদের তৈরি সফটওয়্যার ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure.
• Software-as-a-Service (SaaS):
- এই মডেলে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Google Docs.
• NIST এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Standards and Technology (NIST) অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি মডেল যেখানে ব্যবহারকারীর তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করা হয়।
• রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট বা বড় যেকোনো পরিমাণ রিসোর্স সরবরাহ করা সম্ভব।
• অন-ডিমান্ড:
- ব্যবহারকারী যখন প্রয়োজন অনুভব করবে তখনই সেবা নিতে পারবে এবং চাহিদা অনুযায়ী সেবা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
• পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- ব্যবহারকারী আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ না করেই যতটুকু ব্যবহার করবে ততটুকুর জন্যই পেমেন্ট করবে।
• অন্যান্য অপশন:
- Software-as-a-Service (SaaS) → ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রস্তুত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করার ক্লাউড সেবা মডেল।
- Platform-as-a-Service (PaaS) → অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহকারী ক্লাউড সেবা মডেল।
- Database-as-a-Service (DBaaS) → ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদানকারী ক্লাউডভিত্তিক সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন আইটি পরিষেবা গ্রহণ করতে পারেন।
ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার চারটি ভাগের মধ্যে SaaS অন্যতম।
• SaaS:
- SaaS বা Software as a Service হলো একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সফটওয়্যার পরিষেবা, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাধারণত একটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে প্রবেশ করতে পারে ও ব্যবহার করতে পারে।
- এজন্য আলাদাভাবে সফটওয়্যার ক্রয় কিংবা ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।
• SaaS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সফটওয়্যার সেবা (Software Service): ব্যবহারকারীরা সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: Google Docs, Microsoft 365, Salesforce)।
- সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক: ব্যবহারকারীরা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সাবস্ক্রিপশন ফি প্রদান করে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
- ক্লাউড-ভিত্তিক: অ্যাপ্লিকেশনগুলো ক্লাউডে হোস্ট করা হয় এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটি এক্সেস করা যায়।
- প্রবেশযোগ্যতা: ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।
• SaaS-এর উদাহরণসমূহ:
- ইমেইল: Microsoft Outlook, Gmail ইত্যাদি
- অফিস টুলস: Microsoft Office 365, Google Workspace ইত্যাদি
- CRM (Customer Relationship Management): Salesforce, Hubspot ইত্যাদি
- Collaboration: Slack, Microsoft Teams ইত্যাদি
- স্ট্রিমিং পরিষেবা: Netflix, Hulu ইত্যাদি
তথ্যসূত্র:
- MIcrosoft .
- IBM.
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণী।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১) অবকাঠামােগত সেবা (laas: Infrastructure as a service)
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Paas: Platform as a service)
৩) সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (Saas: Software as a service)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস)
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস)
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ)
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্যি পেমেন্ট করতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ব্রাউজারে যেই ওয়েব সাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় এইচটিএমএল (HTML) ও সিএসএস (CSS)। HTML-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (Hyper Text Markup Language)।
এটি কোনাে প্রােগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়। এর কাজ হচ্ছে কোনাে তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযােগী করা।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনের কম্পিউটার সমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। এ সংগঠনের নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটার গুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে। কেন্দ্রীয় কম্পিউটার এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যাহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Google Docs এবং Microsoft 365 উভয়ই Software as a Service বা SaaS মডেলের অধীনে পরিচালিত হয়।
- এই মডেলে, ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী (যেমন: গুগল ও মাইক্রোসফট) তাদের অ্যাপ্লিকেশনগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে সরবরাহ করে।
• SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
- উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.
• PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
- উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পে-অ্যাজ-ইউ-গো মডেলে গ্রাহক কেবল তার ব্যবহৃত রিসোর্সের জন্যই অর্থ প্রদান করেন।
- যখন কোনো অ্যাপ বা সার্ভিসে লোড বা ট্রাফিক বৃদ্ধি পায়, তখন গ্রাহক তাৎক্ষণিক বাড়তি রিসোর্স গ্রহণ করতে পারেন এবং লোড কমে গেলে রিসোর্স কমিয়ে খরচ সাশ্রয় করতে পারেন।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).
২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.
৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.
• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়। হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি পরিকাঠামো যেখানে পাবলিক ক্লাউড এবং প্রাইভেট ক্লাউড একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে সুরক্ষিত রাখতে পারে, একই সঙ্গে কম গুরুত্বপূর্ণ বা বড় পরিসরের কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করতে পারে। এটি সংস্থাগুলোর জন্য উন্নত স্কেলেবিলিটি, ফ্লেক্সিবিলিটি এবং খরচের সাশ্রয় নিশ্চিত করে। হাইব্রিড ক্লাউড ব্যবসার চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্লাউড পরিবেশের সুবিধা একত্রিত করার একটি কার্যকর পদ্ধতি।
- উত্তর: ক) হাইব্রিড ক্লাউড।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপশন আলোচনা:
- ফাইল স্টোরেজ ক্ষমতা: এটি Azure Storage বা অন্য সেবা দ্বারা প্রদান করা হয়, AAD এর কাজ নয়।
- ডোমেন নিবন্ধন সেবা: ডোমেন নিবন্ধন মূলত অন্য সেবার কাজ, যেমন Azure DNS।
- মনিটরিং টুলস: Azure Monitor বা অন্যান্য টুল দ্বারা মনিটরিং করা হয়, যা AAD এর মূল কাজ নয়।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
১. যেকোন স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়।
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
৪. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা-
১. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
২. ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত থাকে না।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer বা P2P) নেটওয়ার্কিং হল এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে নেটওয়ার্কে থাকা প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড সরাসরি একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরকে সরাসরি ডেটা শেয়ার করতে পারে। এতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার প্রয়োজন হয় না। এই ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণস্বরূপ, বিটটরেন্ট (BitTorrent) এবং লিমেলাইট (LimeWire) এর মতো সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের মধ্যে বড় ফাইল, যেমন ভিডিও, অডিও বা সফটওয়্যার, সরাসরি বিনিময় করতে দেয়। অন্যদিকে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ওয়েব হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম বা ইমেইল সার্ভার সাধারণত ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে কাজ করে, যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার তথ্য বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- সুতরাং, P2P নেটওয়ার্কের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত অ্যাপ্লিকেশন হল ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন।
- সঠিক উত্তর: ক) ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন।
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS)
- প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS)
- সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS)
• এছাড়া আরও একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা ইদানিং বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে, সেটি হলো সিকিউরিটি সেবা (Security as a service- SECaaS)।
• সিকিউরিটি সেবা (Security as a service- SECaaS): এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল যা কোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কম অর্থের বিনিময়ে কর্পোরেট অবকাঠামো হিসাবে কোন বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের নিরাপদ তথ্য সেবা প্রদান করে। এই ধরনের সেবার মধ্যে এন্টিভাইরাস, এন্টি-ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, অনধিকার প্রবেশকারী ঠেকানো ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত থাকে। এই সেবায় মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারী নিরাপদ আন্তঃক্লাউড নেটওয়ার্ক যোগাযোগ সবিধা গ্রহণ করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
• একটি কোম্পানির ওয়েব অ্যাপে হঠাৎ ট্রাফিক বেড়ে গেলে যে ক্লাউড ফিচারটি নিশ্চিত করে অ্যাপ ক্র্যাশ হবে না, তা হলো Elasticity. Elasticity বলতে ক্লাউড সিস্টেমের সেই ক্ষমতাকে বোঝায়, যেখানে চাহিদা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স (যেমন সার্ভার, CPU, RAM) বাড়ানো বা কমানো যায়। ট্রাফিক হঠাৎ বেড়ে গেলে ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম অতিরিক্ত রিসোর্স যুক্ত করে লোড সামলাতে পারে, ফলে অ্যাপের পারফরম্যান্স ঠিক থাকে এবং ব্যবহারকারীরা নির্বিঘ্নে সেবা পায়। অন্যদিকে Multi-tenancy, Cloud bursting বা Virtualization এই পরিস্থিতিতে সরাসরি অ্যাপ ক্র্যাশ প্রতিরোধের মূল ভূমিকা পালন করে না।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Hypervisor হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করে। এটি একটি ফিজিক্যাল সার্ভারের হার্ডওয়্যার রিসোর্স যেমন CPU, RAM, Storage ইত্যাদি ভাগ করে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিনকে ব্যবহার করতে দেয়।
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। [লিংক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার শুধুমাত্র ক্লায়েন্ট নয়, বরং সার্ভারের মতো কাজ করতে পারে। অর্থাৎ, যেকোনো কম্পিউটার অন্য কম্পিউটার থেকে ডেটা গ্রহণ এবং নিজেই ডেটা সরবরাহ করতে পারে। এটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত নয়। ফলে তথ্য একেবারেই সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং প্রতিটি পিয়ার একে অপরের সাথে তথ্য বিনিময় করতে পারে। এছাড়া, P2P নেটওয়ার্ক সাধারণত অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হার্ডওয়্যার দাবি করে না। সুতরাং সঠিক বিবৃতি হলো: “প্রতিটি কম্পিউটার ক্লায়েন্ট ও সার্ভার উভয় রূপে কাজ করতে সক্ষম।”
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).
• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ও
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
• ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand ও
- Pay as you go.
• মাইক্রোসফট ও গুগল ২০০৮ সালে এবং আলিবাবা ২০০৯ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: Microsoft.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের প্রকারভেদ
- ক্লাউডের ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- নিচে এগুলোর বর্ণনা দেয়া হলো:
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud)
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড; যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত।
- যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন- আমাজনের EC2। এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো- যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
- আর অসুবিধাটা হলো- একই জায়গায় একাধিক ক্লায়েন্টের আনাগোনার ফলে নিরাপত্তার সমস্যা হতে পারে।
- Microsoft, Google প্রভৃতি পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud)
- প্রাইভেট ক্লাউডকে ক্লাউড বলা চলে কিনা এ নিয়ে মতভেদ আছে।
- এ রকম ক্লাউড হলো কোনো বড় সংস্থার নিজের নানা সার্ভিস চালাবার জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেলে ব্যবহার করা।
- সমস্যা হলো, এতে করে কিন্তু খরচ অনেক হচ্ছে, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হচ্ছে, ম্যানেজ করার জন্য লোক রাখা হচ্ছে।
- তবে বড় সংস্থার ক্ষেত্রে সুবিধাও আছে, কোনো বড় কোম্পানিতে ১০টি ডিপার্টমেন্ট থাকলে ১০টি ডেটা সেন্টার না বসিয়ে ১টিকেই ক্লাউড মডেলে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যাচ্ছে।
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud)
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি, কারণ স্থানীয় স্থাপনা-তো বানাতেই হচ্ছে এখানে।
- তবে স্থানীয়ভাবে কাজ করিয়ে নেয়ার সুবিধাগুলো থাকছে, তার সাথে অতিরিক্ত চাহিদা মেটানোরও একটা ব্যবস্থা এখানে থাকছে পাবলিক ক্লাউডে পাঠানোর মাধ্যমে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
• PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.
• SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা-
- ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
- তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উদাহরণ:
একটি প্রতিষ্ঠান তাদের সংবেদনশীল ডেটা Private Cloud-এ রাখে, এবং সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট Public Cloud-এ হোস্ট করে। এই দুই ক্লাউড যদি একত্রে কাজ করে, তখন সেটি Hybrid Cloud হয়।
• অপশন আলোচনা:
খ) Community Cloud: কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সম্প্রদায়ের জন্য ভাগ করা ক্লাউড।
গ) Public Cloud: সবার জন্য উন্মুক্ত ক্লাউড, যেমন Google Cloud, AWS ইত্যাদি।
ঘ) Private Cloud: কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত ক্লাউড।
• বিস্তারিত আলোচনা:
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• AWS (Amazon Web Services) হলো একটি পাবলিক ক্লাউড সেবার উদাহরণ।
-পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
-পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ:
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।
উল্লেখ্য:
- Dropbox একটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস (SaaS), কিন্তু পাবলিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম নয়।
- Azure Stack ও VMware হলো প্রাইভেট বা হাইব্রিড ক্লাউড সমাধান, যা কোম্পানির নিজস্ব সার্ভার রুমে বসানো হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে সার্ভার সাধারণত একটি শক্তিশালী কম্পিউটার হয়, যা একাধিক ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে। মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাধারণত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারীকে পরিষেবা দিতে পারে, তাই এটি সার্ভারের জন্য উপযুক্ত।
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
(ক) পার্সোনাল কম্পিউটার → পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) সাধারণত একক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি সার্ভার হিসেবে কার্যকরী নয়।
(খ) সুপার কম্পিউটার → সুপার কম্পিউটার সাধারণত জটিল গণনা, বিজ্ঞান গবেষণা, এবং সিমুলেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি সাধারণ সার্ভার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.
• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হল একটি ইন্টারনেট সেবা, যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা কম সময়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারী দূর থেকে ক্লাউড বা ভার্চুয়াল স্পেসে তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং তিন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যথা-
১। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
২। অবকাঠামোগত সেবা এবং
৩। সফটওয়্যার সেবা।
১. অবকাঠামােগত সেবা:
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা:
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশ ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা:
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ:
১. যে কোনাে স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলােড এবং ডাউনলােড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
৪. নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয় না।
৫. যে কোনাে ছােট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
৬. তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়ােজন হয় না।
৭. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাসমূহ:
১. ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
২. তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩. ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
৪. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Translators
Any program written in a high level language is known as source code. However, computers cannot understand source code. Before it can be run, source code must first be translated into a form which a computer understands - this form is called object code.
A translator is a program that converts source code into object code. Generally, there are three types of translator:
• compilers
• interpreters
• assemblers
Source: bbc.co.uk