PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
Bank General Knowledge
Bank General Knowledge
PrepBank · পাতা ২৩ / ৬২ · ২,২০১–২,৩০০ / ৬,১৭৯
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আলবার্ট আইনস্টাইন ছিলেন একজন জার্মান বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী।
- আইনস্টাইনের বাবা-মা ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ, মধ্যবিত্ত ইহুদি।
- তিনি ১৪ মার্চ ১৮৭৯ সালে জার্মানিতে জনগ্রহন করেন।
- তিনি একজন পদার্থবিদ ছিলেন। তার গবেষণা কোয়ান্টাম মেকানিক্স থেকে শুরু করে মহাকর্ষ এবং গতি সম্পর্কে তত্ত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ১৯২১ সালে তিনি পদার্থবিদ্যার জন্য নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন।
- অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ১৮ এপ্রিল, ১৯৫৫ সালে ৭৬ বছর বয়সে মারা যান।
সূত্র - Worldatlas.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইডেনের Sveriges Riksbank.
- এটি ১৬৬৮ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত হয়।
- ১৮৬৭ সালে Sveriges Riksbank নাম লাভ করে।
- রিক্সব্যাঙ্ক বিশ্বের প্রাচীনতম কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অন্যদিকে,
- ১৬৯৪ সালের ২৭ জুলাই স্থাপিত হয় 'ব্যাংক অব ইংল্যান্ড'।
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- 'ব্যাংক অব ইংল্যান্ড'কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জননী নামেও অভিহিত করা হয়।
তথ্যসূত্র: Sveriges Riksbank. (Link)
উত্তর
ব্যাখ্যা
IPCC:
- IPCC -এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকারি প্যানেল।
- এটি ১৯৮৮ সালে গঠিত হয় জাতিসংঘের দুটি সংস্থা—বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)–এর যৌথ উদ্যোগে।
- এই সংস্থাটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, এর প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে গবেষণা করে এবং সরকারগুলোর জন্য নীতিনির্ধারণী সুপারিশ প্রদান করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গবেষণা ও সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় IPCC ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ নং অনুসারে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
এছাড়া,
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
দুদু মিয়া:
- "জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী"- এটি ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা দুদু মিয়ার ঘোষণা।
উল্লেখ্য,
- দুদু মিয়া হাজী শরীয়তউল্লাহর একমাত্র পুত্র। তাঁর আসল নাম মুহসীনউদ্দীন।
- ১৮৪০ সালে পিতার মৃত্যুর পর দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলন এর নেতৃত্ব লাভ করেন।
- শিক্ষাগ্রহণের জন্য তিনি প্রায় পাঁচ বছর মক্কায় অতিবাহিত করেন এবং পিতার অসুস্থতার কারণে ১৯ বছর বয়সে দেশে ফিরে আসেন।
- দুদু মিয়াকে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব এর পর সরকার বন্দি করে। ১৮৬১ সালে মুক্তির পূর্বপর্যন্ত কলকাতার নিকটবর্তী আলীপুর জেলে তাঁকে আটক রাখা হয়। ১৮৬২ সালে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
• দুদু মিয়ার নেতৃত্বেই ফরায়েজি আন্দোলন অনেক বেশি শক্তিশালী রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনের চরিত্র লাভ করে।
- দুদু মিয়া মনে করতেন, বিশ্বের মালিক ও প্রতিপালক একমাত্র আল্লাহ্। সুতরাং ভূসম্পত্তিসহ সকল প্রকার পার্থিব সম্পত্তি ও সম্পদের মালিকও আল্লাহ্। তাই কর বা খাজনা যদি দিতে হয়, তবে তা আল্লাহ্ পথে দিতে হবে, কোন ব্যক্তিকে নয়। তিনি ঘোষণা করেন ‘জমির মালিকানা কৃষকের’।
- সে সময়কার জমিদারেরা রায়তদের ওপর যে সমস্ত খাজনা ও কর আরোপ করেছিল, দুদু মিয়া সেগুলোকে বেআইনি ও নীতি-বিরুদ্ধ বলে ঘোষণা দেন।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- 'আমার কিছু কথা' বইটির লেখক শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী।
উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরো তিনটি গ্রন্থ হলো: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা’, ‘আমার দেখা নয়াচীন'।
অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'নাইন মান্থস টু ফ্রিডম'।
উৎস: আমার কিছু কথা -শেখ মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৪০০ কিমি।
- উৎপত্তিস্থান: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার নেভাদো মিস্মি (Nevado Mismi) পর্বত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
- নদীটি পেরু, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, বলিভিয়া, ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
উল্লেখ্য,
- আমাজন নদী দীর্ঘতম হওয়া সত্ত্বেও এটি কোন ব্রিজ অতিক্রম করেনা।
উৎস: i) Worldatlas.
ii) Live Science.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলায় তুর্কি শাসনের ইতিহাস:
- বাংলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন বখতিয়ার খলজি।
- এ পর্বের প্রথম পর্যায় ছিল ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।
- এ যুগের শাসনকর্তাদের পুরোপুরি স্বাধীন বলা যাবে না।
- তাঁদের কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহযোদ্ধা খলজি মালিক, আবার কেউ কেউ তুর্কি বংশের শাসক।
- শাসকদের সকলেই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হয়ে এসেছিলেন।
- পরবর্তীকালে অনেক শাসনকর্তাই দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছেন।
- তবে তাঁদের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।
- দিল্লির আক্রমণের মুখে তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।
- মুসলিম শাসনের এ যুগ ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ।
- তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাদেশের নাম দিয়েছিলেন 'বুলগাকপুর'। এর অর্থ 'বিদ্রোহের নগরী'।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২৪ জন।
উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
⇒ ড. এম সাখাওয়াত হোসেন:
- নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
⇒ জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান:
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়।
⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- অর্থ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কালবৈশাখী ঝড় গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- এই ঝড় বিদ্যুৎ এবং বজ্রসহ প্রবলবেগে মার্চ-এপ্রিল মাসে সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- তীব্র গতি সম্পন্ন কালবৈশাখী ঝড় দেশের প্রচুর ক্ষতি করে।
- বাংলাদেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত কালবৈশাখীর দ্বারা সংঘটিত হয়।
- গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাত ধান, পাট ও আখ চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- অন্যদিকে শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু আমাদের দেশে শৈত্যপ্রবাহের আগমন ঘটায়।
- এই সময় গম ও রবিশস্য চাষ উপযোগী।
- প্রকৃতি প্রভাবিত কৃষিকাজই পরিবেশসম্মত ও কৃষকের জন্য লাভজনক।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের উষ্ণতা রোধকল্পে জাপানের কিয়োটোতে (১৯৯৭) একটি চুক্তি হয়েছিল।
- তাতে বলা হয়েছিল, শিল্পোন্নত দেশগুলো সামগ্রিকভাবে বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ১৯৯০ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ২ ভাগ হারে হ্রাস করবে।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- কিন্তু বুশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ফলে কিয়োটো চুক্তি অকার্যকর হয়ে যায়।
অন্যদিকে:
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের দিনেই ফ্রান্সের ভার্সাইতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা প্রথম ভার্সাই চুক্তি নামে পরিচিত। এটি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।
সূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ- ২০২৫ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে-: ভারত।
- ২ নভেম্বর ২০২৫ নাভি মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত।
- শুরুতে ভারতীয় দল ৭ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে।
- দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৫.৩ ওভারে ২৪৬ রানে অলআউট করেছে স্বাগতিকরা।
- প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল হয়েছেন শেফালি বর্মা এবং প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছেন দীপ্তি শর্মা।
উল্লেখ্য,
- নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ- ২০২৫ টুর্নামেন্টে ৮ দল অংশগ্রহন করে।
- ভারত ও শ্রীলংকায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: ESPN Cricinfo. [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পাট খাতের সমৃদ্ধির ধারা চলমান রাখতে এবং এই খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০২৪ সালে পাট দিবসে ১১টি ক্যাটাগরিতে ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- জাতীয় পাট দিবস-২০২৪ –এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে - ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, স্মার্ট পাট শিল্পের বাংলাদেশ’।
যেসব ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়:
১. পাটবীজ, পাট ও পাটজাত পণ্যের গবেষণায় সেরা গবেষক/ বিজ্ঞানী/ উদ্ভাবক,
২. সেরা পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষি,
৩. সেরা পাট উৎপাদনকারী চাষি,
৪. পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী সেরা পাটকল,
৫.পাটজাত পণ্য রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান,
৬.পাটের সুতা উৎপাদনকারী সেরা পাটকল,
৭.পাটের সুতা রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান,
৮. বহুমুখী পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী সেরা পাটকল,
৯. বহুমুখী পাটপণ্য রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান,
১০.বহুমুখী পাটপণ্যের সেরা মহিলা উদ্যোক্তা এবং,
১১. বহুমুখী পাটজাতপণ্য উৎপাদনকারী সেরা পুরুষ উদ্যোক্তা।
উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইনকিলাপ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।
⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।
এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।
উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- SAARC-এর ৬ষ্ঠ সম্মেলন ১৯৯১ সালে কলম্বো, শ্রীলঙ্কা-তে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই সম্মেলনের সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি হলো: SAARC Preferential Trading Arrangement (SAPTA)
- SAPTA ছিল SAARC সদস্য দেশগুলির মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা উন্নয়নের জন্য একটি চুক্তি।
- SAPTA চুক্তি ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়, তবে এর ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ৬ষ্ঠ সম্মেলনের সময়।
- এই চুক্তি সদস্য দেশগুলিকে নিজেদের মধ্যে প্রাধান্য দিয়ে শুল্কে ছাড় দেওয়ার সুবিধা প্রদান করে, যাতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সহজ হয়।
- এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৫ সালে।
অন্যদিকে -
SAFTA:
- SAFTA এর পূর্ণরূপ: South Asian Free Trade Area (SAFTA)।
- সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া (সাফটা) সংক্রান্ত চুক্তি ইসলামাবাদে দ্বাদশ সার্ক সম্মেলনের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৬ জানুয়ারি ২০০৪।
উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কারক ও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক।
- তিনি এক্স-রে আবিষ্কারের জন্য ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৮৯৫ সালের ৮ নভেম্বর, রন্টজেন যখন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন, তখন তিনি এক ধরনের অজানা রশ্মির উপস্থিতি টের পান।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে এই রশ্মি কাঁচ বা কাগজ ভেদ করে যেতে পারে, কিন্তু ধাতব বস্তুর মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত হয়।
- তিনি তার স্ত্রী বার্থার হাতে পরীক্ষা চালান এবং প্রথমবারের মতো মানুষের হাড়ের ছবি তোলেন—যা ছিল ইতিহাসের প্রথম এক্স-রে ইমেজ!
- নতুন এই রশ্মির প্রকৃতি তখনো অজানা থাকায় তিনি একে "X-ray" নাম দেন, যেখানে "X" অজানা কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হতো।
- এক্স-রে আবিষ্কারের ফলে পরমাণুর গঠন, কোয়ান্টাম মেকানিক্স ও পদার্থবিজ্ঞানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
- এর ফলে অস্ত্রোপচার ও রোগ নির্ণয়ের নতুন দিগন্ত খুলে যায় এবং আধুনিক মেডিক্যাল ইমেজিংয়ের সূচনা হয়।
- আজ এক্স-রে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা স্ক্যানিং, শিল্প কারখানায় ত্রুটি নির্ণয় এবং গবেষণায় অপরিহার্য প্রযুক্তি।
- ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান তার যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য।
- তিনি নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করলেও এর জন্য কোনো পেটেন্ট নেননি, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন এই আবিষ্কার মানবতার কল্যাণে বিনামূল্যে ব্যবহৃত হওয়া উচিত।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং।
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।
উল্লেখ্য,
- লর্ড ক্যানিং ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- লর্ড ক্যানিং উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
অন্যদিকে
- লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
- বঙ্গবঙ্গ (১৯০৫) কার্যকর হয় লর্ড কার্জনের সময়ে।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে।
উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আসিয়ানের সর্বশেষ সদস্য দেশ পূর্ব তিমুর।
• ASEAN:
- এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর একটি জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ব্যাংকক, ডিক্লারেশন স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- প্রতিষ্ঠাকাল সদস্য দেশ: পাঁচটি সদস্য দেশ যথা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপাইন।
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- বর্তমান সদস্য দেশ ১১টি। [নভেম্বর, ২০২৫]
- অন্য সদস্য দেশগুলো: ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া ও পূ্র্ব তিমুর।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।
উৎস: ASEAN ওযেবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মেঘের অনেক রং:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র মেঘের অনেক রং।
- হারুনর রশীদ এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন।
- এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়।
- ছবিটিকে বলা হয়, ‘যুদ্ধবিহীন মুক্তিযুদ্ধের ছবি’। কারণ ছবিটিতে কোনো যুদ্ধ দেখানো হয়নি।
- গল্পের প্রয়োজনে শুধু স্মৃতিতে উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধের খণ্ডচিত্র।
- এতে অভিনয় করেছেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ প্রতিদিন ও ডেইলি স্টার। (Link)
উত্তর
ব্যাখ্যা
২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।
⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।
⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।
⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এর মধ্যে ৩০টি জেলা ভারতের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত;
- আর ৩টি জেলা মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে—এগুলো হলো বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার।
- এই তিন জেলার মধ্যে রাঙামাটি একটি বিশেষ জেলা;
- কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যেখানে ভারত (ত্রিপুরা ও মিজোরামের অংশ) এবং মিয়ানমার—উভয় দেশের সঙ্গেই সীমান্ত রয়েছে;
- ফলে রাঙামাটি একটি ত্রি-সীমান্ত সংযোগকারী জেলা হিসেবে পরিচিত।
- অন্যদিকে, বান্দরবান জেলা কেবল মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে, ভারতের সঙ্গে এর কোনো সীমান্ত নেই।
- একইভাবে, কক্সবাজারও শুধুমাত্র মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত;
- ভারতের সঙ্গে এর কোনো সীমান্ত নেই, কারণ জেলার দক্ষিণ ও পশ্চিমাংশ বঙ্গোপসাগরের দিকে উন্মুক্ত।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) ১৪৫টি দেশকে আন্তর্ভুক্ত করে ‘Defense Spending by Country 2024’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
• প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক খাতে ব্যয়ে শীর্ষ ৫ দেশ:
- ১ম অবস্থানে রয়েছে - যুক্তরাষ্ট্র,
- ২য় অবস্থানে রয়েছে - চীন,
- ৩য় অবস্থানে রয়েছে - রাশিয়া,
- ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে - ভারত,
- ৫ম অবস্থানে রয়েছে - সৌদি আরব।
• মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ:
- ১৯ তম অবস্থানে রয়েছে - ইসরায়েল,
- ২৪ তম অবস্থানে রয়েছে - আরব আমিরাত,
- ৩৩ তম অবস্থানে রয়েছে - ইরান,
- ৩৪ তম অবস্থানে রয়েছে - কুয়েত,
• সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান:
- ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে - ভারত,
- ২৯তম অবস্থানে রয়েছে - বাংলাদেশ,
- ৫০তম অবস্থানে রয়েছে - পাকিস্তান,
- ৭৪তম অবস্থানে রয়েছে - শ্রীলংকা,
- ১০০তম অবস্থানে রয়েছে - আফগানিস্তান,
- ১৩৬তম অবস্থানে রয়েছে - নেপাল।
তথ্যসূত্র - গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি (প্রথমটি গাজীপুরে, দ্বিতীয়টি বেতবুনিয়ায়)।
- ট্রান্সপন্ডার রয়েছে ৪০টি।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশ করা ‘মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২৩–২৪’ এ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কার অবস্থান সবচেয়ে এগিয়ে।
⇒ মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অবস্থান:
- শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৭৮ তম।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯ তম।
- ভারতের অবস্থান ১৩৪ তম।
- পাকিস্তানের অবস্থান ১৬৪ তম।
- নেপালের অবস্থান ১৪৬ তম।
- ভূটানের অবস্থান ১২৫ তম।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।
উৎস: i) নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট।
ii) সমকাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এজেন্ডা ২০৬৩ (Agenda 2063) হলো আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রণীত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নের ৫০তম বার্ষিকীতে এজেন্ডাটি গৃহীত হয।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আফ্রিকার সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, যাতে ২০৬৩ সালের মধ্যে আফ্রিকা একটি উন্নত, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ মহাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
⇒ এজেন্ডা ২০৬৩-এর ৭টি মূল লক্ষ্য রয়েছে:
১. আফ্রিকার সমস্ত জনগণের জন্য সমান সুযোগ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য।
২. আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে একটি রাজনৈতিকভাবে সমন্বিত এবং শক্তিশালী মহাদেশ গঠন।
৩. সুশাসন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
৪. আফ্রিকার সকল অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যাতে সংঘাতের উত্থান রোধ করা যায়।
৫. আফ্রিকার জনগণের সাংস্কৃতিক পরিচয়, ঐতিহ্য এবং নৈতিক মূল্যবোধের সম্মান এবং প্রচার।
৬. জনগণের ক্ষমতায়ন এবং তাদের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে একটি শক্তিশালী এবং স্বনির্ভর আফ্রিকা গঠন।
৭. আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আফ্রিকার প্রভাব এবং অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করা, যাতে আফ্রিকা বিশ্বের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
উৎস: African Union ওয়েবসাইট। [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হাঙ্গেরি আইসিসির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
- আইসিসির বর্তমান সদস্যদেশ ১২৫।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম দেশ হিসেবে হাঙ্গেরি আইসিসি থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।
- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়া আইসিসির সদস্য নয়।
- তাই এসব দেশ আন্তর্জাতিক আদালতটির রায় বা নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য নয়।
উৎস: প্রথম আলো (৩ এপ্রিল ২০২৫)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ - সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- বৈদ্যুতিক বাল্বে দুটি মোটা তার একটি বায়ুশূন্য বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসপূর্ণ বাল্বের বায়ুনিরুদ্ধ মুখের মধ্য দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করানো থাকে।
- বাল্বের ভিতরে তারের দুই প্রান্তের সাথে সরু টাংস্টেনের তারের কুন্ডলী সংযুক্ত থাকে, এটিকে ফিলামেন্ট বলে।
- এই বাহুকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে ফিলামেন্টে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।
- বাল্বের এই ফিলামেন্ট উত্তপ্ত হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে।
- এটি শক্ত ও স্থিতিস্থাপক ধাতু, তাই তাপ ও বৈদ্যুতিক প্রবাহের চাপ সামলাতে পারে।
অপরদিকে
- নাইক্রোম একটি তাপপ্রতিরোধী ধাতু, কিন্তু সাধারণত তা হিটার বা ওভেনে ব্যবহৃত হয়, বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে নয়।
- তামা বা অ্যালুমিনিয়াম খুব দ্রুত গলে যায় এবং অক্সাইডেশন হয়, তাই তারা ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।
উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণ পরিষদ গঠিত হয়।
- এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- এ বিলের উপর আলোচনা-সমালোচনা চলে।
- আলোচনার পর ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।
⇒ এ শাসনতন্ত্রের অধীনে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- কিন্তু এ শাসনতন্ত্র যথার্থভাবে কাজ করতে পারেনি।
- এ শাসনতন্ত্র দিনে দিনে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- শাসনতন্ত্রের এ ব্যর্থতার জন্যে (পশ্চিম পাকিস্তানের) শাসকবর্গই দায়ী ছিলেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে শাসনতন্ত্র রচনার আড়াই বছরের মধ্যেই এটি বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক শাসন জারী করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
গুরত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের মুদ্রা:
- হাইতির মুদ্রার নাম গুর্দে,
- তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা,
- ব্রাজিলের মুদ্রা রিয়েল,
- জাপানের মুদ্রা ইয়েন,
- চীনের মুদ্রা ইউয়ান,
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং,
- মালয়েশিয়ার মুদ্রা রিঙ্গিত,
- মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াট,
- রাশিয়ার মুদ্রা রুবল,
উৎস: Britannica ও প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এছাড়াও,
- টেলিভিশন আবিষ্কারক জন লোগি বেয়ার্ড এবং ফিলো ফার্নসওয়ার্থ।
- টেলিফোন আবিষ্কারক আলেকজান্দার গ্রাহাম বেল।
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন আবিষ্কারক পার্সি স্পেন্সার।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ - নিউরন।
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি - যকৃত৷
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি - ফিমার।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
সৌদি আরবে তিন দিন উইকেন্ড:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব।
- সম্প্রতি সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে সৌদি আরবে সপ্তাহে তিন দিন ছুটির যুগে প্রবেশ করছে।
উল্লেখ্য,
- বিশ্বের অনেক দেশে চার দিনের অফিস পরীক্ষামুলক চলছে।
- ইউরোপের অনেক প্রতিষ্ঠান তিন দিনের ছুটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।
- পাইলট প্রকল্পের চার দিনের অফিসে সুফলও নাকি মিলছে।
- এবার সে পথে হাঁটতে যাচ্ছে সৌদি আরব।
- পাঁচ দিনের অফিস ও দুই দিনের ছুটি বদলে যাচ্ছে। দেশটির একটি প্রতিষ্ঠানে তিন দিন ছুটি চালু করছে।
- রাজধানী রিয়াদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লুসিডিয়া কর্মীদের সপ্তাহে তিন দিন ছুটি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
- প্রথম কোনো কোম্পানি হিসেবে এটি করতে যাচ্ছে লুসিডিয়া।
- উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
উৎস: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ইউরেনাস(Uranus)
- ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- গড় ব্যাস হল ৪৯,০০০ কিলোমিটার
- গ্রহটি সূর্য থেকে ২৮৭ কোটি কিলোমিটার দূরে।
- উপগ্রহ ২৭ টি
পৃথিবী(Earth)
- পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ
- গড় ব্যাস হল ১২,৬৬৭ কিলোমিটার
- সূর্য থেকে দূরত্ব হল ১৫ কোটী কিলোমিটার
- একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
মঙ্গল(Mars)
- মঙ্গল পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ
- গড় ব্যাস হল ৬,৭৮৭ কিলোমিটার
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব হল ২২.৮ কোটি কিলোমিটার
- ফেবোস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
বুধ(Mercury)
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ
- গড় ব্যাস হল ৪৮৫০ কিলোমিটার
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব হল ৫.৮ কোটি কিলোমিটার
- বুধের কোন উপগ্রহ নাই।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।
সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।
তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'। সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সেই পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করায়।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
উৎস: BBC.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৮ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের শীর্ষ বাজার ভারত।
- দ্বিতীয় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
- গত অর্থবছরে ভারতে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের প্লাস্টিক পণ্য আর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের প্লাস্টিক পণ্য,
- যা এর আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি।
উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।
⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা, এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার স্যাটেলাইট রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বৈশ্বিক রাজনৈতিক এবং আদর্শিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়, যা "শীতল যুদ্ধ" নামে পরিচিত।
⇒ বাফার রাষ্ট্র হলো এমন একটি স্বাধীন দেশ, যা প্রতিদ্বন্দ্বী দুই শক্তির মধ্যে অবস্থিত থেকে তাদের মধ্যে সংঘাত এড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
⇒ স্নায়ুযুদ্ধের সময় পোল্যান্ড সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিমা ব্লকের মধ্যে বাফার রাষ্ট্র হিসাবে কাজ করেছিল।
অন্যদিকে,
⇒ রোমানিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবাধীন পূর্ব ব্লকের অংশ ছিল।
⇒ বেলজিয়াম ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল এবং পশ্চিমা ব্লকের সাথে যুক্ত ছিল।
⇒ সুইডেন শীতল যুদ্ধের সময় নিরপেক্ষ থাকলেও পূর্ব ও পশ্চিম ব্লকের মধ্যে সরাসরি বাফার রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেনি এবং সর্বশেষ ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে সুইডেন ।
উৎস - ব্রিটানিকা.কম এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস। [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জন্ম: ১ এপ্রিল, ১৮১৫, শ্যেনহাউজেন, আল্টমার্ক, প্রুশিয়া (বর্তমান জার্মানি)।
- মৃত্যু: ৩০ জুলাই, ১৮৯৮, হামবুর্গের কাছে।
- প্রুশিয়ার প্রধানমন্ত্রী: ১৮৬২–৭৩ এবং ১৮৭৩–৯০।
- জার্মান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম চ্যান্সেলর: ১৮৭১–৯০ সাল।
- সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর বিসমার্ক শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন।
- তার কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি প্রায় দুই দশক ধরে ইউরোপে শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম হন।
- দেশীয় রাজনীতিতে তিনি ভূমি-মালিক শ্রেণির একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হন।
- তার শাসন এই শ্রেণির প্রভাবের অধীন ছিল।
- অটো ভন বিসমার্ক কূটনৈতিক দক্ষতা ও জার্মান ঐক্যের জন্য ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।
উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এছাড়াও,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
- প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
- দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত। 'যুদ্ধবন্দীদের সর্বদা মানবিক আচরণ করতে হবে' এটা এই কনভেনশনের মূল কথা।
- চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও রেডক্রস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সক্রেটিস বলেছেন, 'সৎ গুণই জ্ঞান' (Virtue is knowledge) I
- তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা অন্যায় করতে পারেন না।
- ন্যায় বোধের উৎস হচ্ছে 'জ্ঞান' (knowledge) এবং অন্যায়বোধের উৎস হচ্ছে 'অজ্ঞতা' (ignorance)।
উল্লেখ্য,
- ৪৬৯ খ্রিস্টপূর্বে প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে সক্রেটিস জন্মগ্রহণ করেন।
- "Know thyself" (নিজেকে জানো) – এটি সক্রেটিসের বিখ্যাত শিক্ষা।
উৎস: i) Britannica.
ii) Gargi College.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল।
- ব্রাজিল পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮১৫ সালে ব্রাজিলে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ যাদের ভাষা পর্তুগিজ।
- ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া।
- ব্রাজিলের মুদ্রা - রিয়াল।
উৎস: ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট ও এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- এর অর্থ হলো ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ’।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি।
- যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- ২০০৭ সালে এ চারটি দেশ নিয়ে QUAD গঠিত হয়।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।
- কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অগ্ৰযাত্রা প্রতিহত করা।
উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলওয়ার অঙ্গরাজ্যে কোয়াডের ৪র্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে,
- যুক্তরাজ্য QUAD-এর সদস্য নয়।
উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৭৯৯ সালে এই বিপ্লব শেষ হয়।
উল্লেখ্য,
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
⇒ ১৭৯৯ সালে, নেপোলিয়নের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে, বিপ্লবী ধারার শেষ হয় এবং একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা শুরু হয়, যার মধ্যে শাসন ব্যবস্থা বেশ কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে পায়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সরকার প্রধান - প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান - রানি বা রাজা।
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন - ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন - ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটিশ রাজপরিবারের বাসভবন - বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- সংবিধান - অলিখিত।
- রাষ্ট্রপ্রধান - রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী - মার্গারেট থ্যাচার।
- ''Fleet Street'' সংবাদপত্র প্রকাশনার জন্য বিখ্যাত একটি সড়ক।
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করে।
• অ-তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তফসিলি ব্যাংক রয়েছে যা হল:
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি
• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস।
- ১৯৮৩ সালে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কোনও জামানতের প্রয়োজন হয় না।
- ২০০৬ সালে ড.ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক এবং গ্রামীণ ব্যাংক।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ট্রেজারি বিল (টি-বিল) হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত স্বল্পমেয়াদী ঋণপত্র যার মেয়াদ একবছরের নিচে।
- বাংলাদেশ সরকার ট্রেজারি বিল এবং বন্ড ইস্যু করে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে।
- ১৮ বছর বা তদুর্ধ্ব ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান,ট্রাস্ট ফান্ড, ব্যাঙ্ক, বীমা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি ফান্ড, ইত্যাদি সহ যে কেউ এই বিল বা বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবে।
- ট্রেজারি বিল বা বন্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত ঋণপত্র তাই এর বিনিয়োগে ঝুঁকি নাই।
- সাধারণত ট্রেজারি বিলের মেয়াদ: ৯১ দিন, ১৮২ দিন ও ৩৬৪ দিন।
- একজন বিনিয়োগকারী সর্বনিন্ম ১ লক্ষ টাকার ও তার গুণিতক হারে যেকোনো পরিমান টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে। বিনিয়োগের কোন সর্বোচ্চ সীমা নেই।
⇒ ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগের সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ:
- স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগ।
- Fixed Interest
- সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেনযোগ্য, যা বিনিয়োগকারীর তারল্য নিশ্চিত করে।
- সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত, তাই এটি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ।
- কর রেয়াতের সুবিধা।
- আবগারি শুল্ক (Excise Duty) মুক্ত।
- উৎস কর (Source Tax) মাত্র ৫%।
উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড (এবিএল) বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে।
⇒ বাংলাদেশের ব্যাংকবিহীন জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আনার মহৎ উদ্দেশ্যে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় সফলভাবে আগ্রণী–ডিওইআর (Agrani-DOER) পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
- পাইলট প্রকল্পগুলোর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ব্যাংকটি সারা দেশে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করেছে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা জারি করে।
- এই নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
উৎস: অগ্রণী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
- বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।
উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন,
- এটা নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ভ্যাঙ্কুভার, কানাডায়।
- গ্রিনপিসের সদর দপ্তর আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।
সূত্র: Greenpeace International ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এশিয়ার দশম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৪৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৫০ কোটি ডলার।
- ৪৬টি দেশের জিডিপির আকারের হিসাব দিয়েছে এডিবি।
- তবে এই তালিকায় জাপান নেই।
- দক্ষিণ এশিয়ায় এখন ভারতের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বড়।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।
- এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন।
- চীনের জিডিপির আকার ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
- দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতের জিডিপির আকার ৩ লাখ ৯১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।
- তৃতীয় স্থানে থাকা কোরিয়ার জিডিপি হলো ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫০ কোটি ডলারের।
উৎস: প্রথম আলো (২৯ এপ্রিল ২০২৫)
উত্তর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- জাগ্রত চৌরঙ্গী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার অবস্থিত।
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- তৎকালীন গাজীপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। কংক্রিট, গ্রে ও হোয়াইট সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।
তথ্যসূত্র -জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সম্মানসূচক নাগরিকত্ব:
- সম্প্রতি ইয়াংওয়ানের চেয়ারম্যান কিহাক সাংকে বাংলাদেশের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবদানের স্বীকৃতি দিতে বিদেশি বন্ধুদের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করে আসছে।
- ৯ এপ্রিল, ২০২৫ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাংকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেছে বাংলাদেশ।
- কিহাক সাং তাঁর ৭৮ বছরের জীবনের অর্ধেকের বেশি সময় ধরে জড়িয়ে আছেন বাংলাদেশের সঙ্গে।
⇒ সরকারের নির্দেশনা অনুসারে বিদেশি নাগরিকদের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগ।
- একজন বাংলাদেশি নাগরিক যে আইনি ও রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করেন, সেটা সম্মানসূচক নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিরা পাবেন না।
- এমন নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিরা ভোট দেওয়া বা ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না। তাঁরা ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসা সুবিধা পাবেন।
এছাড়াও,
- মোহাম্মদ আলী, অমর্ত্য সেন, ডা. এড্রিক বেকার (২০১১), ফাদার মারিনো রিগন, গর্ডন গ্রিনিজ-তাদেরকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
উৎস: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ শ্বাস-প্রশ্বাসের সময়, আমরা বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি। এই গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়া ফুসফুসের alveoli-তে ঘটে, যেখানে অক্সিজেন রক্তে শোষিত হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত থেকে বাতাসে নির্গত হয়।
শ্বসন:
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O2) গ্রহণ করে, সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (CO2) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।
- শ্বসনের দু'টি পর্যায় থাকে।
যথা-
১। বহিঃশ্বসন (External respiration) ও
২। অন্তঃশ্বসন (Internall respiration) ।
- ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের বায়ুর সাথে ফুসফুসীয় রক্ত জালিকার মধ্যে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসের সময় যে গ্যাসীয় আদান প্রদান হয় তাকে বহিঃশ্বসন বলে।
- অপরদিকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন (O2) দেহের কলাকোষে প্রবেশ করে কোষস্থ খাদ্যের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও পানি উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে অন্তঃশ্বসন বলে।
এতে নিম্নের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে-
- যে সকল অঙ্গ সম্বিলিতভাবে দেহ ও প্রকৃতির মধ্যে শ্বসন গ্যাস (O2 ও CO2) বিনিময় প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের সমষ্টিকে শ্বসনতন্ত্র বলে।
- শ্বসনতন্ত্র রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিপাকে সৃষ্ট গ্যাসীয় বর্জ্য অপসারণ করে।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।
- মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
উৎস: বাসস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্যাশ প্যাটেল।
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (মে, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।
তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।
উল্লেখ্য,
- সাংগ্রাই রাখাইন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ ও প্রধান উৎসব।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।
• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
⇒ খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
- এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর।
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত।
অন্যদিকে,
- চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫:
- ২০২৫ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন ২২-২৩ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়।
- ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো আফ্রিকান দেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এবারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'সংহতি, সমতা ও স্থায়িত্ব'।
• জি-২০:
- জি-২০ বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠনের নাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ২১টি; ১৯টি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ও আফ্রিকান ইউনিয়ন। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- এসব দেশ বিশ্বব্যাপী মোট জিডিপি'র প্রায় ৮৫ শতাংশ ও বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- প্রথম G-20 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
• জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২০তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- ২০২৬ সালের ২১তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে: মায়ামি, যুক্তরাষ্ট্র।
তথ্যসূত্র: বাসস, জি-২০ ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি):
- সম্প্রতি গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) প্রকাশ করেছে।
- মোট ১৬৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও অঞ্চল নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকা করা হয়েছে।
- তলিকায় বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে আবারও শীর্ষে দেশ আইসল্যান্ড।
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্টেও তৃতীয় স্থানে আছে আইসল্যান্ড।
- তালিকায় ২য় এবং ৩য় অবস্থানে যথাক্রমে আছে আয়ারল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড।
উৎস: Global peace Index.[Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়।
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে থাকে।
- গ্লুকোজ, ল্যাকটোজ ও শ্বেতসার শর্করার বিভিন্ন রূপমাত্র।
- গঠন পদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- সাধারণত চাল, গম, আলু থেকে শর্করা বা শ্বেতসার পাওয়া যায়।
- কাঁচা খাদ্যের শ্বেতসার সহজে হজম হয় না বলে একে চাল, আটা, আলু ইত্যাদির সাথে রান্না করে খাোয়া হয়।
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়।
- দ্বি-শর্করা ও বহু শর্করা পরিপাকের মাধ্যমে সরল শর্করায় পরিণত হয়ে দেহে শোষণযোগ্য হয়।
- কারণ মানবদেহে শুধু সরল শর্করা শোষণ করতে পারে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- লক্ষ্মীপুর জেলায়।
- দেশে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ শতাংশই মিলছে লক্ষ্মীপুর থেকে।
- জেলায় এবার ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে এর চেয়ে আরও ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর বেশি জমিতে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সমূহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- ১৯৭৩ সালে জীবন বীমা কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানীর সংখ্যা ৩৬টি।
- বাংলাদেশে প্রাইভেট জীবন বীমা কোম্পানীর সংখ্যা ৩৪টি।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
• জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
তথ্যসূত্র - সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলা নববর্ষ:
- বাংলা নববর্ষ প্রবর্তনের কৃতিত্ব মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের।
- মুঘল সম্রাট আকবর কৃষকদের খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন।
- হিজরি সন কৃষি ফসলের সাথে মিলত না, ফলে কৃষকদের অসুবিধা হতো।
- এ সমস্যা সমাধানের জন্য আকবর তার রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি (আমির ফতুল্লাহ শিরাজি)-কে দায়িত্ব দেন সৌর সন এবং হিজরি সনের সমন্বয়ে একটি নতুন পঞ্জিকা তৈরি করতে।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন এই সনের প্রথম মাস বৈশাখ হওয়ায় 'পহেলা বৈশাখ' কে 'বাংলা নববর্ষ' হিসেবে পালনের প্রথা শুরু হয় আকবরের আমল থেকেই।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বনিক বার্তা। (Link)
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন ১৬১.৭৬ মিলিয়ন বর্গ কিমি।
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
গভীরতম স্থান:
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ।
- ভূ-মধ্যসাগরের গভীরতম স্থান মাতাপ্যান।
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান সুন্দা ট্রেঞ্চ।
সূত্র - Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রাশিয়ার তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরি ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হচ্ছে এস-৪০০।
- মূলত দেশটির আগেরকার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে এস-৫০০ তৈরি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- ‘এস-৫০০’ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশপথের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
- ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণের এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতা প্রায় ৬০০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থা বিমান এবং কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলা করতে পারে।
উৎস: Reuters.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সার্কের সর্বশেষ (৮ম) সদস্য হলো আফগানিস্তান।
- আফগানিস্তান ২০০৭ সালে যোগ দেয়।
• সার্ক( SAARC):
- এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি প্রতিষ্ঠত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৮টি।[ অক্টোবর,২০২৫]
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
- সার্ক এর মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা দ্বীপ রাষ্ট্র।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- সচিবালয়: ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।
• SAARC এর আঞ্চলিক কেন্দ্র:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর, ভারত।
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।
তথ্যসূত্র: SAARC ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ করা হয়েছিল ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- তবে, পার্কটি আগে আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর, ইংরেজ শাসকরা এক প্রহসনমূলক বিচারের মাধ্যমে অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে ফাঁসি দেয়।
- সিপাহিদের লাশ এনে এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, যাতে জনগণকে ভয় দেখানো যায়।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয় এবং পার্কটির নাম পরিবর্তন করে ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’ রাখা হয়।
- সিপাহী বিদ্রোহটি ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- তাই তাঁর নামানুসারে এই পার্কের নতুন নামকরণ করা হয়।
সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালের ইউএস ওপেন নারী একক গ্র্যান্ড স্লামে জয়ী হয়েছেন আরিনা সাবালেঙ্কা।
- বেলারুশের টেনিস তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা ইউএস ওপেন নারী এককের ফাইনালে হারা যুক্তরাষ্ট্রের আমান্দা আনিসিমোভাকে।
- আরিনা সাবালেঙ্কা ৬-৩, ৭-৬ (৭-৩) গেমে হারিয়ে গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী হয়েছেন।
- সাবালেঙ্কার এটি ক্যারিয়ারের চতুর্থ গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা।
- তিনি ২০২২ সালের পর থেকে কোনো হার্ডকোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনাল মিস করেননি।
- তাই তাকে আধুনিক হার্ডকোর্টের রানি বলা হয়।
উৎস: ESPN ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
আনন্দবিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।
⇒ দেববংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সিন্ধু পানি চুক্তি (১৯৬০):
- সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল বিশ্বব্যাংক।
উল্লেখ্য,
- এই চুক্তি হয়েছিল ভারতের উজানের নদীসমূহের পানি ব্যবহারে পাকিস্তানের উদ্বেগ নিরসনের জন্য।
- দীর্ঘ আলোচনার পর, বিশ্বব্যাংকের উদ্যোগ ও মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে সিন্ধু অববাহিকার ছয়টি নদীর পানি দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়।
- পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদীর (সতলুজ, বিপাশা, ইরাবতী) পানি ভারত ব্যবহার করতে পারে এবং পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি নদীর (সিন্ধু, ঝিলাম, চেনাব) অধিকাংশ পানি ব্যবহারের অধিকার পাকিস্তানের।
- বিশ্বব্যাংক চুক্তিটির আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থাও করেছিল।
সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সাহারা মরুভূমি:
- সাহারা মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- সাহারা মরুভূমির আয়তন ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- আয়তনের দিক থেকে এটি অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পর তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে।
- এটি পুরো আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% এলাকা দখল করে।
- সাহারা মরুভূমি ১১টি উত্তর আফ্রিকান দেশের ভেতরে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার ও সুদান।
- ‘সাহারা’ শব্দটি আরবি শব্দ ‘সাহরা’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘মরুভূমি’।
- সাহারা মরুভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৮০০ কিলোমিটার।
- এর প্রস্থ সর্বাধিক ১,৮০০ কিলোমিটার।
- উত্তরে এটি ভূমধ্যসাগর ও অ্যাটলাস পর্বতমালা দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- পূর্বে লোহিত সাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, এবং দক্ষিণে সাহেল অঞ্চল দ্বারা বেষ্টিত।
- সাহেল অঞ্চল সাহারা মরুভূমি ও সাব-সাহারান আফ্রিকার আর্দ্র সাভানার মধ্যে সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে।
উৎস: World Atlas এবং ব্র্রিটানিকা।.
উত্তর
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে খ, গ এবং ঘ ধারা সংযোজনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- এই সংশোধনী মোতাবেক, একজন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অনধিক ১০ জন উপদেষ্টার দ্বারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের কথা বলা হয়।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়।
অন্যদিকে,
• নবম সংশোধনী (জুলাই, ১৯৮৯)।
- জনগণের সরাসরি ভোটে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে কোনো ব্যক্তি পর পর দুই মেয়াদের অধিক অধিষ্ঠিত না হতে পারার নিয়ম করা হয়।
• একাদশ সংশোধনী (আগস্ট, ১৯৯১)।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্রয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।
• পঞ্চদশ সংশোধনী (জুলাই, ২০১১)।
- তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়।
- ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি পুনঃস্থাপন করা হয় এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০ এ উন্নীত করা হয়।
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
- সূচকের শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
- সূচকটি প্রকাশিত হয় ২ মে, ২০২৫।
- ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF) সূচকটি প্রকাশ করে।
⇒ শীর্ষ দেশ:
• নরওয়ে।
• এস্তোনিয়া।
• নেদারল্যান্ডস।
• সুইডেন।
• ফিনল্যান্ড।
⇒ এই তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ইরিত্রিয়া।
⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।
তথ্যসূত্র - Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপশন আলোচনা:
- The cultivation of pearls in oysters (ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার চাষ) - পার্ল কালচার।
- The study of microorganisms in soil (মাটিতে ক্ষুদ্রজীবের অধ্যয়ন) - মাইক্রোবায়োলজি বা মাইক্রোঅর্গানিজম স্টাডি।
- The production of honey by bees (মৌমাছি দ্বারা মধু উৎপাদন) - অ্যাপিকালচার।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং এখানেই দেশের প্রথম ইপিজেডের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইপিজেডগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং রপ্তানির জন্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
EPZ:
- EPZ-এর পূর্ণরূপ Export Processing Zone.
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি,
- এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ক্লাইভ।
- উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে রবার্ট ক্লাইভের স্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- তরুণ বয়সে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই) ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকুরী গ্রহণ করে স্বীয় কর্ম প্রচেষ্টার দ্বারা উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষর করলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
- রবার্ট ক্লাইভের চারিত্রিক দোষ থাকা সত্বেও উপমহাদেশে ইংরেজ শক্তির গোড়াপত্তনে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।
- উপমহাদেশের ইতিহাসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে লর্ড ক্লাইভের নাম অবিস্মরণীয়।
- কেননা প্রথম পর্যায়ে তিনি দাক্ষিণাত্যে কোম্পানিকে রক্ষা করেন।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC এর পূর্ণরুপ- South Asian Association for Regional Co-Operation.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে (ঢাকায়)।
- ১৭ জানুয়ারী, ১৯৮৭ সালে কাঠমান্ডুতে SAARC এর সচিবালয় স্থাপিত হয়।
- সার্ক আটটি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।
- সচিবালয়- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা- ৮ টি।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন আবুল আহসান।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার [সেপ্টেম্বর,২০২৫]
• সার্কের আঞ্চলিক কেন্দ্রেসমূহ:
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র- ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র- ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।
উৎস: সার্ক ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- এটি পণ্য ও পরিষেবার উপর ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও তা নিষ্পত্তি এবং ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ করার অভিলক্ষ্যে কাজ করে থাকে।
- ইহার প্রধান সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
কার্যাবলি:
১. বাজার তদারকির মাধ্যমে ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ;
২. ভোক্তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং
৩. জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার ও ওয়ার্কসপ আয়োজনসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।
উল্লেখ্য,
- 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন।
- ন্যায্য মূল্যে ন্যায্য সেবা ও পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের একটি অধিকার।
- এ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিদিনই বাজার তদারকি করে অপরাধ দমনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং ভোক্তাগণ তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে এই আইন অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাচ্ছেন।
- এই আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ সচেতন হতে শুরু করেছেন।
উৎস: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব একটি বৈশ্বিক সমস্যা।
- তাই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের (ইউনএফসিসিসি) আওতায় ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর Conference of Parties (COP) অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯–এর সভাপতিত্ব করেন মুখতার বাবায়েভ (Mukhtar Babayev)।
⇒ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- এই সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
- যদিও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ফ্রান্সের মতো বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা অনুপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,
- এ জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্যে আসে প্রায় ২০০টি সদস্য দেশ।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে।
- পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
German watch:
- এটি একটি অলাভজনক বেসরকারি পরিবেশ এবং বাণিজ্য সংস্থা।
- এটি শিল্পোন্নত দেশের সাথে অনুন্নত দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি প্রতি বছর "বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক" প্রকাশ করে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে।
উৎস: German watch এর ওয়েবসাইট।