বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws

মোট প্রশ্ন৬৭০এই পাতা৬৭প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws

PrepBank · পাতা / · ৬০১৬৬৭ / ৬৭০

৬০১.
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির বার্ষিক গড় আয় সর্বোচ্চ কত টাকা?
  1. ১,০০,০০০
  2. ১,৫০,০০০
  3. ২,০০,০০০
  4. ৩,০০,০০০
সঠিক উত্তর:
১,৫০,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫০,০০০
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা নীতিমালা ২০১৪ এর বিধি ২ এর বিধান:
 আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা:
(১) এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যথা:-
(ক) অসচ্ছল বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তি যাহার বার্ষিক গড় আয় সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ১,৫০,০০০/- টাকা এবং অন্যান্য আদালতের ক্ষেত্রে ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে নয়;
(খ) কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন কোন ব্যক্তি;
(গ) বাৎসরিক ১,৫০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে আয় করিতে অক্ষম কোন মুক্তিযোদ্ধা; এবং
(ঘ) কোন শ্রমিক যাহার বার্ষিক গড় আয় ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে নয়।
(২) উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যথা:-
(ক) কোন শিশু;
(খ) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
(গ) শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
(ঘ) নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
(ঙ) ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
(চ) পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
(ছ) বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি; 
(জ) ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুস্থ মাতা;
(ঝ) দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
(ঞ) আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
(ট) অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
(ঠ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
(ড) আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
(ঢ) বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
(ণ) আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
(ত) জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি; এবং
(খ) আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
৬০২.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন একজন হ্যাকার সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন?
  1. ৩ কোটি
  2. ১ কোটি
  3. ৫ কোটি
  4. ৫০ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
১ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩২- হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
 
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-

(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা

(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৬০৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কত ধারায় 'Temporary release' এর বিধান রয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৩ ধারায়
  4. ১১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 14: Temporary release of persons detained-

(1) The Government may, at any time, direct that any person detained in pursuance of a detention order may be released for any specified period either without conditions or upon such conditions specified in the direction as that person accepts, and may, at any time, cancel his release. 

(2) In directing the release of any person under sub-section (1), the Government may require him to enter into a bond, with or without sureties, for the due observance of the conditions specified in the direction. 

(3) Any person released under sub-section (1) shall surrender himself at the time and place, and to the authority, specified in the order directing his release or cancelling his release, as the case may be. 

(4) If any person fails without sufficient cause to surrender himself in the manner specified in sub-section (3), he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 

(5) If any person released under sub-section (1) fails to fulfil any of the conditions imposed upon him under the said sub-section or in the bond entered into by him, the bond shall be declared to be forfeited and any person bound thereby shall be liable to pay the penalty thereof.

• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪ ধারা সরকার আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে। এমন অস্থায়ীভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্ধারিত স্থান এবং সময়ে আত্মসমর্পণ করবে। যদি সে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয় সে যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬০৪.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা
  2. দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা
  3. দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা
  4. দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে আইন তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে আইন তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে আইন তৈরি করা
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ১৭- কমিশনের কার্যাবলী

কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 

(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 

(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
৬০৫.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, জাতীয় শিশুকল্যাণ বোর্ডের সভাপতি কে হন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনমন্ত্রী
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী, জাতীয় শিশুকল্যাণ বোর্ডের সভাপতি হন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। বোর্ডটি শিশুদের উন্নয়ন, সুরক্ষা ও কল্যাণ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন, তদারকি এবং সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৭ জাতীয় শিশুকল্যাণ বোর্ড: বোর্ড গঠন:
সভাপতি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। 
 মূল সদস্যরা:
- সংসদের মনোনীত ২ জন মহিলা এমপি (সরকার ও বিরোধীদল থেকে)
- পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় সচিব/যুগ্মসচিব।
- বিভাগীয় কমিশনার (ঢাকা)।
- বিভিন্ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি।
- শিশু ও প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রতিনিধিরা।
- ২ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ১টি এনজিও প্রতিনিধি।

৬০৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্সপ্রাপ্ত নন এরূপ ব্যক্তির নিকট থেকে মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি পেলে উক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শান্তি________ বৎসর কারাদণ্ড?
  1. ১০
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৭ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড:
- লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
৬০৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১১ অনুযায়ী জেলা কমিটির সভা _________ অনুষ্ঠিত হবে।
  1. প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার
  2. প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একবার
  3. প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একবার
  4. প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে একবার
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(২) অনুসারে জেলা কমিটির সভা সম্পর্কে বলা হয়েছে: "(২) জেলা কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিমাসে জেলা কমিটির কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷"
অর্থাৎ আইন অনুযায়ী জেলা কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করতে হবে। সুতরাং, সঠিক উত্তর ক।

৬০৮.
দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের দায়িত্ব কার?
  1. কমিশনের চেয়ারম্যানের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সচিবালয়ের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৯: বার্ষিক প্রতিবেদন:
(১) প্রতি পঞ্জিকা বত্সরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে৷ 
 
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন৷

৬০৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে, নিম্নলিখিত কোনটি ‘‘শোষণ’’ বা ‘‘নিপীড়ন’’ এর উদাহরণ নয়?
  1. ঋণ-দাসত্ব
  2. জবরদস্তিমূলক শ্রম
  3. ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
  4. চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে পাঠানো
সঠিক উত্তর:
চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে পাঠানো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে পাঠানো।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১৫):
‘‘শোষণ’’ বা ‘‘নিপীড়ন’’ (exploitation) অর্থ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাহার সম্মতিক্রমে বা বিনা সম্মতিতে কৃত নিম্নলিখিত কার্যসমূহ, তবে কেবল এইসব বিষয়েই ইহার অর্থ সীমিত হইবেনাঃ— 
(ক) পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(খ) কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন বা বিতরণে নিয়োজিত করিয়া মুনাফা ভোগ; 
(গ) জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়; 
(ঘ) ঋণ-দাসত্ব (debt-bondage), দাসত্ব বা সার্ভিচিউড্(servitude) , দাসত্বরূপ কর্মকাণ্ড, বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড্; 
(ঙ) প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(চ) কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার; 
(ছ) কোন ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা; এবং 
(জ) ব্যবসা করিবার উদ্দেশ্যে অপরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানী বা কাউকে বিকলাঙ্গ করা।

উল্লেখ্য,
'কাউকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে পাঠানো'- এটি সরাসরি "শোষণ" বা "নিপীড়ন"-এর মধ্যে পড়ে না, যতক্ষণ না সেটির মাধ্যমে পরবর্তীতে জবরদস্তিমূলক শ্রম, যৌন নিপীড়ন, দাসত্ব ইত্যাদি ঘটে। তবে এটি একটি প্রতারণার কৌশল হতে পারে যার মাধ্যমে পরে শোষণ ঘটানো হয়।
৬১০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ সাক্ষী বা ভিকটিমকে হুমকি প্রদানের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড (ধারা ১৪, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২):
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬১১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী "সাইবার স্পেস" এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ইন্টারনেট
  2. টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেটওয়ার্ক
  4. অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২(১)(শ)-এ "সাইবার স্পেস" এর সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “সাইবার স্পেস” অর্থে আন্তঃসংযোগকৃত সকল ডিজিটাল ডিভাইস এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কসমূহের সকল ফিজিক্যাল এবং ভার্চুয়াল জগত বুঝাইবে (যেমন-ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন কম্পিউটিং, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেটওয়ার্ক, গেইমিং নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং, মেশিন ভিশন, ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অফ থিংস, সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য সকল আধুনিকতম ইলেকট্রনিক ও অপটিক্যাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে ডাটা তৈরি, ডাটা মিররিং, অ্যাক্সেস, প্রেরণ, সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনাসহ সকল ধরনের হিউম্যান ও নন-হিউম্যান অনলাইন কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়; ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার ডাটা, সিগনালিং ডাটা, ট্রাফিক ডাটা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উৎপন্ন ডাটাও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

 ⇒ সংজ্ঞা থেকে স্পষ্ট যে সাইবার স্পেসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো "আন্তঃসংযোগকৃত" (interconnected) ডিভাইস ও নেটওয়ার্ক। একটি অফলাইন কম্পিউটার সিস্টেম কোনো নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত নয়, তাই এটি সাইবার স্পেসের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়।

৬১২.
Which of the following courts is competent to try an offence under Section 138 of the Negotiable Instruments Act?
  1. Any Civil Court
  2. Any Magistrate's Court
  3. Court of Sessions
  4. Only Magistrate of First Class
সঠিক উত্তর:
Court of Sessions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Sessions
ব্যাখ্যা
Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

ধারা ১৪১-
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধিনিয়ম V of 1898)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধান প্রযোজ্য হবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এ বর্ণিত অপরাধে কোনো আদালত অভিযোগ গ্রহণ করবে না, যদি না চেকের প্রাপকের (payee) অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, যথাযথ ধারক (holder in due course) এর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।

(খ) এই অভিযোগটি অবশ্যই করতে হবে ধারা ১৩৮-এর প্রভিশোর (c) দফার অধীনে কার্য কারণ (cause of action) উদ্ভবের এক মাসের মধ্যে।

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য কোনো অপরাধ বিচার করতে পারবে না সেশন আদালতের চেয়ে নিম্ন কোনো আদালত।
৬১৩.
বর্তমানে চেক ডিজঅনার মামলায় চেকদাতাকে সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কোন শর্ত প্রমাণ করতে হয়?
  1. চেকপ্রাপ্তির বৈধ কারণ
  2. চেকগ্রহীতার বৈধ অধিকার
  3. চেকের বৈধ বিনিময়
  4. উল্লিখিত সকল শর্ত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল শর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল শর্ত
ব্যাখ্যা
• চেক ডিজঅনারের (cheque dishonour) মামলা করার কারণ-

ক. ব্যাংকের হিসাবে অপর্যাপ্ত তহবিল বা অর্থ থাকলে। তার মানে চেকে যে পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে তা অপেক্ষা কম অর্থ হিসাবে থাকা;
খ. যে ব্যক্তি চেক প্রদান করেছে যদি তার স্বাক্ষর না মেলে;
গ. যদি চেকে উল্লেখিত অর্থের অংক ও কথার গরমিল পাওয়া যায়;
ঘ. চেক মেয়াদ উর্ত্তীণ হলে;
ঙ. যথাযথভাবে চেক পূরণ করা না হলে;
চ. চেকে ঘষামাজা করলে;
ছ. চেকে কাটাকাটি থাকলে পূর্ণ স্বাক্ষর দিয়ে তা সত্যকরণ করা না হলে।

এতদিন উপরে উল্লিখিত কোনো কারণে চেক ডিজঅনার হলেই চেকদাতাকে সাজা দেওয়া হতো। সর্বোচ্চ আদালত [Md. Abul kaher Shahin VS Emran Rashid and others,25 BLC (AD)] মামলার রায়ের ফলে এখন থেকে চেকের বৈধ বিনিময় প্রমাণে ব্যর্থ হলে, কোনো চেকদাতাকে সাজা দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে চেকপ্রাপ্তির বৈধ কারণ থাকতে হবে। যদি প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকারের ভিত্তিতে চেক প্রদান করা হয় এবং সেই প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকার যদি বাস্তবায়িত না হয় তাহলে চেক প্রদানকারীর টাকা পরিশোধে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না এবং চেক গ্রহীতার কোনো অধিকার তৈরি হবে না।

আদালত এই মামলার রায়ে উল্লেখ করেন যে,
''Where the amount promised shall depend on some other complimentary facts or fulfillment of another promise and if check is issued on that basis, but the promise is not fulfilled it will not create any obligations on the part of the drawer of the check or any right which can be claimed by the Holder of the cheque''
৬১৪.
A, একজন তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার, কোনো ব্যক্তির সন্দেহজনক আচরণ ছাড়া তার ঘরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারায় A অনূর্ধ্ব কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

৬১৫.
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অন্য কারণে দ্রব্য মজুত করেছিলেন, তবে তার সর্বাধিক শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি নেই
  2. তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ছয় মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. এক বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫: কালোবাজারি বা মজুতদারির জন্য শাস্তি:

(১) যে কেউ মজুতদারি বা কালোবাজারি করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইবে, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ড, অথবা আজীবন কারাদণ্ড, অথবা চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং তাহার উপর অর্থদণ্ডও আরোপযোগ্য হইবে।

তবে যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অর্থাৎ আর্থিক বা অন্য কোনো স্বার্থের জন্য নয়, অন্য কোনো কারণে দ্রব্য মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি সর্বাধিক তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নির্দেশ দিবে যে, অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে এমন দ্রব্য বা সামগ্রী সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হইবে।

৬১৬.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর অধীনে গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় আসামীকে জামিন প্রদান বিষয়ক বিধানাবলি বর্ণিত হয়েছে কোথায়?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৫ ও ২৩ ধারায়
  2. The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ও ৪৯৭ ধারায়
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭০ ও ৭১ ধারায়
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ধারার বিধান মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন। 
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্য দিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন। 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা: 
এই আইনের― 
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে; এবং 
(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ২০, ২৫, ২৯ ও ৪৭ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; 
(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে; 
(ঘ) অধীন কোনো অপরাধ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক দ্বিতীয় বা ততোধিকবার সংঘটনের ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।

অন্যদিকে,
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭০ ধারায় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রযোজ্য হইবে, এবং আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা উক্ত ট্রাইব্যুনালের থাকিবে৷ 
(২) ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭১ ধারায় জামিন সংক্রান্ত বিধান:
সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করিবেন না, যদি না- 
(ক) রাষ্ট্রপক্ষকে অনুরূপ জামিনের আদেশের উপর শুনানীর সুযোগ প্রদান করা হয়; 
(খ) বিচারক সন্তুষ্ট হন যে,- 
(অ) অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচারে দোষী সাব্যস্ত নাও হইতে পারেন মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে; 
(আ) অপরাধ আপেক্ষিক অর্থে গুরুতর নহে এবং অপরাধ প্রমাণিত হইলেও শাস্তি কঠোর হইবে না; এবং 
(গ) তিনি অনুরূপ সস্তুষ্টির কারণসমূহ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন৷
৬১৭.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ২০ ধারা অনুযায়ী, শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য কোন তারিখটি প্রাসঙ্গিক?
  1. গ্রেপ্তারের তারিখ
  2. জন্ম সনদের তারিখ
  3. অভিযোগ দাখিলের তারিখ
  4. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০ (শিশু আইন, ২০১৩): শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:
আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
৬১৮.
নিম্নের কোন ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নয়?
  1. ভবঘুরে
  2. বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন এমন কোনো ব্যক্তি
  3. আদর্শ গ্রামে ঘর বরাদ্ধপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি
  4. সকলেই যোগ্য
সঠিক উত্তর:
সকলেই যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই যোগ্য
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন:-

⇒ কোন শিশু;
⇒ মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
৬১৯.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ মধ্যস্থতা চুক্তিকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত আদেশ
  3. প্রাথমিক রিপোর্ট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০: ধারা ২১গ - মধ্যস্থতা-চুক্তির কার্যকারিতা:
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।
৬২০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৯ ধারা অনুযায়ী ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন হলে আদালত সর্বোচ্চ কত কার্য দিবসের জন্য বিচারকার্য মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. ১৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।
৬২১.
কোনো জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, উক্ত জেলার কোন আদালত মানব পাচার সম্পর্কিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে?
  1. দ্রুত বিচার আদালত
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. চীফ জুডিশিয়াল/মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন

(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে। 
 
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে। 
 
(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে। 
 
(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
৬২২.
কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা কোন বিষয় বিবেচনা করবেন না?
  1. সংশ্লিষ্ট অপরাধ গুরুতর কিনা
  2. সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্যে আসে কিনা
  3. সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
  4. উল্লিখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২- জামিন, ইত্যাদি

(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।
৬২৩.
আইনগত সহায়তার অধীন সুপ্রীমকোর্টে মামলা পরিচালনার জন্য একজন আইনজীবীর সর্বনিম্ন কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৩ বছরের
  2. ৭ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ১০ বছরের
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা

(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।

(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
৬২৪.
জ্ঞাত আয়ের উৎস ছাড়া কেউ যদি সম্পত্তি অর্জন করেন এবং সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৫ বছর জেল
  2. ৭ বছর জেল
  3. ১০ বছর জেল
  4. ১৪ বছর জেল
সঠিক উত্তর:
১০ বছর জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর জেল
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৭: "জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল":
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
৬২৫.
একজন ইউটিউবার সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিওতে একজন নির্যাতিত নারীর নাম ও ছবি প্রকাশ করেন। উক্ত কাজের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার] নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৬২৬.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. সচিব
  2. পরিচালক
  3. মহাপরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী ধারা ১২ – প্রধান নির্বাহী:
(১) চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হইবেন; এবং তাঁহার পদত্যাগ, অপসারণ, অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি একজন কমিশনারকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সাময়িকভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারিবেন৷ 
 
(২) চেয়ারম্যানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য কমিশনারগণ তাঁহাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এইরূপ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের নিকট কমিশনারগণের জবাবদিহিতা থাকিবে৷
৬২৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে________
  1. যে-কোনো আমলী আদালত
  2. শুধু সিনিয়র স্পেশাল জজ
  3. শুধু সংশ্লিষ্ট থানা
  4. শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
সঠিক উত্তর:
শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এর বিধি ৩ এর বিধান কমিশন ও উহার অধঃস্তন কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের।
(১) কোন ব্যক্তি আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে কমিশনের জেলা কার্যালয় বা বিভাগীয় কার্যালয় বা প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করিতে পারিবে।
৬২৮.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য কোনো ব্যক্তি কোনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করলে, উক্ত ব্যক্তি কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ডে
  2. অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে
  3. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ডে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ২৯- মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার, ইত্যাদি

যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে Penal Code (Act No. XLV of 1860) এর section 499 এ বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্তরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬২৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সাক্ষীর নিরাপত্তা প্রদানে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩২(ক) ধারায়
  3. ৩২(খ) ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২(খ) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(খ) ধারায়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩২(খ)- সাক্ষী, ইত্যাদির সুরক্ষা ও ভাতা:
(১) ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিত্তে বা স্বীয় বিবেচনায় তদন্তাধীন বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা কোন সাক্ষীকে নিরাপত্তা বা সুরক্ষা প্রদানে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান ও ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় আগত সাক্ষীদের যাতায়াত ও সময়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ যুক্তিসংগত পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ ও প্রদান করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের অনুকূলে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করিবে।]
৬৩০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি হাতেনাতে ধৃত হন, তবে পুলিশ কত সময়ের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির করবে?
  1. ২৪ ঘণ্টা
  2. ৪৮ ঘণ্টা
  3. ৭২ ঘণ্টা
  4. নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২: ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৬৩১.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে সরকার কখন প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারে?
  1. যেকোনো সময়
  2. আপিল নিষ্পত্তির পর
  3. রায়ের ১ মাসের মধ্যে
  4. হাইকোর্টের অনুমতির পর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ৩০(ক)- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।

[Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
৬৩২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Safe custody' এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩০ ধারায়
  4. ৩২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩১ ধারায় নিরাপত্তামূলক হেফাজতের বিধান রয়েছে।

ধারা ৩১- নিরাপত্তামূলক হেফাজত
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে, কোন নারী বা শিশুকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত নারী বা শিশুকে কারাগারের বাহিরে ও সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে সরকারি কর্তৃপক্ষের হেফাজতে বা ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় যথাযথ অন্য কোন ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখিবার নির্দেশ দিতে পারিবে৷

Section 31: Safe custody
if at any stage of the trial of an offence under this Act, the Tribunal thinks that any woman or child is needed to be kept in safe custody, the Tribunal can direct to keep the woman or the child, out of the jail and under the custody of a Govt. authority determined by the Govt. for this purpose or under the custody of a person or organization whom the tribunal thinks proper.
৬৩৩.
নিচের কোনটি বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করানো অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের শর্ত?
  1. নারী অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে
  2. নারীকে অবশ্যই বিবাহিত হতে হবে
  3. দৈহিক বলপ্রয়োগ অবশ্যই থাকতে হবে
  4. অপরাধীর সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯খ -বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:

ধারা বিবরণ:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া (মানে জোরপূর্বক বা হিংসা ছাড়া), বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সের কোন নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করে এবং সে সময় ওই ব্যক্তির সাথে ওই নারীর মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহলে সে ব্যক্তি দণ্ডনীয়।

দণ্ড:
- সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
- সাথে অতিরিক্ত অর্থদণ্ড।

⇒ এই ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১১ নং অধ্যাদেশ) এর ৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত এবং সংশোধিত।
৬৩৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীনে মামলা দায়ের করার অধিকার আছে-
  1. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালের
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির
  3. আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর
  4. খ এবং গ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ের
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।
৬৩৫.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ডের বিধান আছে?
  1. ৭০
  2. ৭১
  3. ৭২
  4. ৭৩
সঠিক উত্তর:
৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৭০ ধারার বিধান: শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড:
- কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬৩৬.
মাদকদ্রব্য অপরাধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) এর আবেদন করবে কে?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী অফিসার
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী অফিসার
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।
 
(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
৬৩৭.
মাদকদ্রব্যের উৎস হতে গন্তব্য পর্যন্ত কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল হচ্ছে-
  1. তল্লাশি অভিযান
  2. নিয়ন্ত্রিত বিলি
  3. চোরাচালান প্রতিরোধ
  4. গোপন অভিযান
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
ব্যাখ্যা
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২(১৫) ধারার বিধান:
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়;

⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-

(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।

(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।

(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
৬৩৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের অধীন বিচার কোন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে?
  1. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
  2. নিয়মিত বিচার পদ্ধতিতে
  3. আপীল পদ্ধতিতে
  4. বিশেষ বিচারিক পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৬৩৯.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কয়টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ১ টি
  3. ২ টি
  4. নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতির কথা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩৪ক ধারা অনুযায়ী-
১/ ফাঁসি দিয়ে, বা
২/ নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে; মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যেতে পারে।

Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.
৬৪০.
আইনগত সহায়তা নীতিমালা, ২০১৪ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী, কে আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণে যোগ্য?
  1. কেবল আসামি
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. শুধুমাত্র দরিদ্র ব্যক্তি
  4. কেবল নারী ও শিশু
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪: অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও যে কোন ব্যক্তিতাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
৬৪১.
যৌতুকের জন্য জাহানাকে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ দণ্ড কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড + অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৬৪২.
ধর্মীয় ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংগঠন গঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কোন ধারায়?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২০ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ধর্মের নামে বা ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো সংগঠন বা ইউনিয়ন গঠন করা বা তাতে অংশগ্রহণ করা নিষিদ্ধ। এই ধারায় আরও বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সংগঠন এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে, তবে সরকার সেই সংগঠনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং সংগঠনের সম্পত্তি ও তহবিল সরকারের কাছে বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া, বিলুপ্তির পরও সংগঠনের সদস্য বা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলে বা অংশগ্রহণ করলে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৬৪৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা নিরীক্ষা প্রতিবেদন কার নিকট উপস্থাপন করতে হয়?
  1. সরকার
  2. বিটিআরসি
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
  4. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৬: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা:
(১) মহাপরিচালক, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না উহা নিশ্চিত করিবার জন্য, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতৎসংক্রান্ত প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই অধ্যাদেশের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রত্যেক বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।

(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।

(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতাবেক এজেন্সি কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ (স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন) সংস্থা বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট কনসোর্টিয়াম মানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষাগার বা সনদধারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিরাপত্তা নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাইবে।
৬৪৪.
রহিম একজন ব্যবসায়ী। সে জানে যে, তার পরিচিত একজন মানব পাচারের চেষ্টা করছে। রহিম তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় যাতে অপরাধটি সহজে সংঘটিত হয়। এই পরিস্থিতিতে রহিমের জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ এই পরিস্থিতি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮ এর “অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা” অপরাধের আওতায় পড়ে, যেখানে কেউ  মানব পাচারের জন্য তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় বা অন্যভাবে সহযোগিতা করে। সেই অনুযায়ী, রহিমের জন্য প্রযোজ্য দণ্ড হবে: খ) সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮: অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৬৪৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর কত বিধিতে মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. বিধি ২৫
  2. বিধি ২৬
  3. বিধি ২৭
  4. বিধি ২৮
সঠিক উত্তর:
বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ২৫- মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম:

(১) কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার এর নিকট মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য যে কোনো বিষয় মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করা হইলে, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক উহা নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা থাকিবে।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আপসযোগ্য যে কোনো বিষয় মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোনো নথি লিগ্যাল এইড অফিসে প্রেরণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ার নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাইবে না।

(৩) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল থেকে মধ্যস্থতার জন্য কোনো নথি প্রাপ্ত হইলে নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করত স্বয়ং নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন, বা ক্ষেত্রমতে, লিগ্যাল এইড অফিসারকে বা স্পেশাল মেডিয়েটর-কে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিবেন।

(৪) এই বিধির অধীন কোনো মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে পক্ষদের প্রতি কোনো নোটিশ জারি ও মধ্যস্থতা সভার কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে এই বিধিমালার তৃতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত বিধিবিধান অনুসরণ করিতে হইবে।

(৫) মধ্যস্থতাকারী এই বিধিমালার অধীন মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন হইবার বা ক্ষেত্রমত, উক্তরূপ কার্যক্রম বা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হইবার পর অনধিক ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল হইতে প্রাপ্ত দলিল ও কাগজাদসহ প্রস্তুতকৃত মধ্যস্থতা-চুক্তি বা প্রতিবেদন যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, নির্ধারিত ফরম অনুসারে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনালের নিকট প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করিবেন।

৬৪৬.
সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬৪৭.
কোনো এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করতে পারে কে?
  1. পরিবেশ আদালত
  2. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  3. পরিবেশ আপীল আদালত
  4. সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 

(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, পরিবেশের অবক্ষয়ের কারণে কোন এলাকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (Eco-system) সংকটাপন্ন অবস্থায় উপনীত হইয়াছে বা হইবার আশংকা রহিয়াছে তাহা হইলে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করিতে পারিবে এবং অবিলম্বে উক্ত সংকটাপন্ন অবস্থা হইতে উত্তোরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত সকল প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সীমানা ও মানচিত্রসহ আইনগত বর্ণনার উল্লেখ থাকিবে এবং এই সকল মানচিত্র ও আইনগত বর্ণনা সংশ্লিষ্ট এলাকাতে প্রদর্শিত হইবে এবং তাহা উক্ত এলাকার দালিলিক বর্ণনা হিসাবে বিবেচিত হইবে।

(৩) কোন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণার পর সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ করিবে।

(৪) প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন বলিয়া ঘোষিত এলাকায় কোন্ কোন্ ক্ষতিকর কর্ম বা প্রক্রিয়া চালু রাখা বা শুরু করা যাইবে না তাহা সরকার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে।
৬৪৮.
'গ' তার ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত এক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে। উক্ত কাজের জন্য 'গ' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ২১- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬৪৯.
ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো নারীকে যৌন হয়রানির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫- যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্ল‍্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করার হুমকি প্রদান করেন, যাহা ক্ষতিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল‍্যাকমেইলিং’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।
৬৫০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে 'সম্পত্তি' বলতে বোঝাবে-
  1. দেশে অবস্থিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
  2. দেশের বাহিরে অবস্থিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
  3. দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান সম্পত্তি
  4. উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(টট) অনুসারে, ‘সম্পত্তি’ অর্থ দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত— 
 
(অ) যে কোন প্রকৃতির দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি; বা 
 
(আ) নগদ টাকা, ইলেকট্রনিক বা ডিজিটালসহ অন্য যে কোন প্রকৃতির দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট যাহা কোন সম্পত্তির মালিকানা স্বত্ব বা মালিকানা স্বত্বে কোন স্বার্থ নির্দেশ করে।
৬৫১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫৫ ধারা মতে, আদালত কোন পরিস্থিতিতে মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না?
  1. শিশু আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  2. শিশুর পক্ষে সাক্ষী না থাকলে
  3. শিশুর অভিভাবক আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  4. শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে
সঠিক উত্তর:
শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৫৫: আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি:
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
৬৫২.
কোন আইন রহিত করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ রহিত করে গত ২১ মে, ২০২৫ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
- এ অধ্যাদেশে সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে মোট নয়টি অধ্যায়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ বাদ পড়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ধারাগুলোয় নিষ্পন্নাধীন কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারা ও তদন্ত বাতিল হবে এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
- এ ছাড়া এসব ধারায় আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল হবে।

উল্লেখ্য,
- নতুন অধ্যাদেশে সাইবার অপরাধের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল ব্যবহার করে কোনো নেটওয়ার্কে অবৈধ প্রবেশ বা ক্ষতিসাধনকে এখন থেকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে।
- অধ্যাদেশে আরও উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করা।

তথ্যসূত্র: সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫।
৬৫৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে যৌতুক বলতে বোঝায়-
  1. বিবাহের সময় দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  2. বিবাহের পূর্বে দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  3. বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  4. উল্লিখিত সকল সম্পদ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল সম্পদ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(ঞ) “যৌতুক” অর্থ-

(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা

(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ;
৬৫৪.
প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ বিষয়ে শিশু আইন, ২০১৩ এর কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা:
- (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন। 
 
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
৬৫৫.
রায় প্রদানকালে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মর্মে সন্তোযজনকভাবে প্রমাণিত হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কত দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে?
  1. অনধিক দুই বৎসর
  2. অনধিক সাত বৎসর
  3. অনধিক এক বৎসর
  4. অনধিক পাঁচ বৎর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বৎসর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৭(৩) অনুসারে, বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করে অভিযুক্তের পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে এবং প্রয়োজনে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
সুতরাং, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ দায়েরকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৬৫৬.
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'- কোথায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১ক, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  2. বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
  3. বিধি ১০, আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫
  4. ধারা ১৭, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
ব্যাখ্যা
• 'আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা' শিরোনামে আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর ১৫ বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে-
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'

অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।
৬৫৭.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক এর দফা (গ) অনুযায়ী, মামলা প্রেরণের বিষয়ে কোন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে?
  1. প্রবেশন কর্মকর্তাকে
  2. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  3. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. জেলা ও দায়রা জজ আদালতকে
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক- মামলা বিচারের জন্য প্রেরণ বা স্থানান্তর:
কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ করিবার পর, মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করিয়া-
(ক) শিশু কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ শিশু আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে;
(খ) প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে; এবং
(গ) দফা (ক) ও (খ) এর অধীন মামলা প্রেরণের বিষয়টি পাবলিক প্রসিকিউটরকে অবহিত করিতে হইবে।

৬৫৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোন পদ্ধতিতে অর্থদণ্ড আদায় করতে পারে?
  1. দণ্ডিত ব্যক্তিকে কারাবন্দী রেখে
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করে
  3. ক্রোক ছাড়া সম্পত্তি সরাসরি নিলামে বিক্রয় করে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১৬: অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি:
এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।
৬৫৯.
নিচের কোন বয়সের নারীর ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ প্রযোজ্য?
  1. যেকোন বয়স
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের বেশি
  4. ১৮ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের বেশি
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]
৬৬০.
আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর আওতায় মিথ্যা মামলা দায়েরের শান্তি কত বৎসর কারাদণ্ড?
  1. ২ থেকে ৫
  2. ৩ থেকে ৫
  3. ২ থেকে ৭
  4. ১ থেকে ২
সঠিক উত্তর:
২ থেকে ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ থেকে ৫
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৬ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
- যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
৬৬১.
‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’-এ অজামিনযোগ্য ধারা কয়টি?
  1. ৭টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 

ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।
৬৬২.
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪(৩) অনুযায়ী, যদি মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তার জন্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪: অস্থায়ী মুক্তি (Temporary release):
১. সরকার যে কোনো সময় নির্দেশ দিতে পারে যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশ (detention order) অনুযায়ী আটক রাখা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। মুক্তি কোনো শর্ত ছাড়াই বা সরকারের নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী হতে পারে, যা ওই ব্যক্তি গ্রহণ করে। সরকারের ইচ্ছায় যে কোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করা যেতে পারে।

২. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি দেওয়ার সময় সরকার ওই ব্যক্তিকে একটি বন্ড (bond) করতে বাধ্য করতে পারে, যা নিশ্চয়তা (sureties) সহ বা ছাড়া হতে পারে, যাতে মুক্তির শর্তাবলী ঠিকভাবে পালন করা হয়।

৩. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি প্রাপ্ত যে কোনো ব্যক্তি মুক্তি নির্দেশ বা মুক্তি বাতিলের নির্দেশে উল্লেখিত সময়, স্থান এবং কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করবে।

৪. যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া উপধারা (৩) অনুযায়ী নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

৫. যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী বা নিজের বন্ডে উল্লেখিত শর্তগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বন্ডটি বাজেয়াপ্ত (forfeit) ঘোষণা করা হবে এবং বন্ডে বাধ্য থাকাকালীন যে কোনো ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য অর্থ প্রদানে বাধ্য থাকবে।

৬৬৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুসারে 'শিশু' বলতে কাকে বোঝায়?
  1. অনুর্ধ্ব ১২ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  2. অনুর্ধ্ব ১৪ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  3. অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
  4. অনুর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ট) এ 'শিশু' এর সংজ্ঞা এভাবে দেওয়া হয়েছে:
"(ট) 'শিশু' অর্থ অনধিক ষোল বৎসর বয়সের কোন ব্যক্তি;"
অর্থাৎ, এই আইনের আওতায় যে কোনো ব্যক্তি যার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হয়নি, তাকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হবে।

৬৬৪.
A detention order issued by a District Magistrate under Section 3(2) of The Special Powers Act, 1974 remains valid for how long without government approval?
  1. 15 days
  2. 30 days
  3. 60 days
  4. 90 days
সঠিক উত্তর:
30 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর Section 3(3) অনুসারে, যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট Section 3(2)-এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে আটকের আদেশ (detention order) জারি করেন, তখন সেই আদেশ সরকারের অনুমোদন ছাড়া ৩০ দিনের বেশি বলবৎ থাকতে পারবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974, Section 3(3)- When any order is made under sub-section (2), the District Magistrate or the Additional District Magistrate making the order shall forthwith report the fact to the Government together with the grounds on which the order has been made and such other particulars as, in his opinion, have a bearing on the matter, and no such order shall remain in force for more than thirty days after the making thereof unless in the meantime it has been approved by the Government.

৬৬৫.
সাইবার জালিয়াতির সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১: “সাইবার স্পেসে জালিয়াতির অপরাধ ও দণ্ড”:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘সাইবার স্পেসে জালিয়াতি’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্ট কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে সাইবার স্পেস ব্যবহার করিয়া কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বা স্বাক্ষরবিহীন ডিজিটাল ডকুমেন্টস উৎপাদন বা ইলেক্ট্রনিক ফাইল উৎপাদন বা বিদ্যমান ফাইল পরিবর্তন বা ডিজিটাল মানি বা ইলেক্ট্রনিক মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি উৎপাদন বা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করিয়া মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনা, হুন্ডি কার্যে নিযুক্তি কিংবা জুয়ার পোর্টাল পরিচালনা করা।
৬৬৬.
'ক' বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ৫,০০,০০০/-টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্যাংক 'ক' এর বিরুদ্ধে দায়ের করতে পারবে-
  1. অর্থঋণ আদালতে নিয়মিত মামলা
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে টাকার মামলা
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে টাকার মামলা
  4. সার্টিফিকেট মামলা
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট মামলা
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী,

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় সম্পর্কিত যাবতীয় মামলা ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত, ঘোষিত বা গণ্য হওয়া অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করিতে হইবে এবং উক্ত আদালতেই উহাদের নিষ্পত্তি হইবে।

তবে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনূর্ধ্ব ৫,০০,০০০ টাকার (পাঁচ লক্ষ টাকা) দাবী সম্বলিত মামলাসমূহ অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের না করিয়া The Public Demands Recovery Act, 1913 এর বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা হিসাবেও দায়ের করা যাইবে।
৬৬৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২০ ধারায়, তল্লাশীর প্রতিবেদন কত সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৭২ ঘণ্টা।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০: প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক:
(১) কোন মানব পাচার অপরাধ প্রতিরোধকল্পে, উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন, এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাহার ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বা নির্দেশে এই আইনের অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশী করিবার, যে কোন আঙ্গিনায় প্রবেশ করিবার এবং এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে এমন সরঞ্জামাদি বা তথ্য-প্রমাণ বা দলিল আটক করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তির সহিত অথবা কোন স্থানে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের উপযোগী সরঞ্জাম বা উপাদান উপস্থিত আছে এবং তল্লাশী পরোয়ানা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে অপরাধটি প্রকৃতই সংঘটিত হইবার বা কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হইবার যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান থাকিলে উপ-ধারা (১) এর অধীন বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করা যাইবে এবং তল্লাশী চালাইবার পূর্বে তল্লাশীর জন্য প্রস্ত্তত অফিসার যেই স্থানে তল্লাশী চালাইবেন উক্ত স্থানটি যেই এলাকায় অবস্থিত সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশীতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহবান জানাইবেন এবং উক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাইতে হইবে এবং উক্ত অফিসার তল্লাশীর সময় জব্দকৃত সমস্ত সামগ্রী এবং যেই সকল স্থানে উক্ত সামগ্রীসমূহ পাওয়া গিয়াছে তাহাদের একটি তালিকা প্রস্ত্তত করিবেন এবং উহাতে সাক্ষীগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।
 
(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩ এর বিধানের আলোকে এবং যেই ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তিতে তল্লাশী চালানো হইবে তাহার মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশী সম্পাদন করিতে হইবে এবং, বিশেষতঃ, কোন নারীর বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালনা করা হইলে তল্লাশী দলের সহিত অবশ্যই একজন নারী কর্মকর্তা বা নারী প্রবেশন কর্মকর্তা থাকিবেন। 
 
(৪) তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন এবং তাহার অনুলিপি ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের এখতিয়ারসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে, যাহা ট্রাইব্যুনালের হেফাজতে রক্ষিত থাকিবে এবং উক্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং যাহার বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালিত হইয়াছে তাহাকে প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি প্রদান করিতে হইবে।