বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws

মোট প্রশ্ন৬৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৬৭০

১০১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা _________ এর অধীন কোনো মামলা প্রেরিত না হলে, শিশু-আদালত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করবে না।
  1. ১৫
  2. ১৫ক
  3. ১৬
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ১৬: শিশু-আদালত:
(১) আইনের সহিত সংঘাত জড়িত শিশু কর্তৃক সংঘটিত যে কোনো অপরাধের বিচার করিবার জন্য, প্রত্যেক জেলা সদরে শিশু-আদালত নামে এক বা একাধিক আদালত থাকিবে। 

(২) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) এর অধীন গঠিত প্রত্যেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্বীয় অধিক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শিশু আদালত হিসাবে গণ্য হইবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় উক্তরূপ কোনো ট্রাইব্যুনাল না থাকিলে উক্ত জেলার জেলা ও দায়রা জজ স্বীয় অধিক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শিশু-আদালত হিসাবে গণ্য হইবে। 

(৩) ধারা ১৫ক এর অধীন কোনো মামলা প্রেরিত না হইলে, শিশু-আদালত শিশু কর্তৃক সংঘটিত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না
১০২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে কমিশনার নিযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮(১) অনুসারে কমিশনার নিযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৮(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “আইন, আইন প্রণয়ন, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, হিসাব বা নিরীক্ষা সংক্রান্ত পেশায় বা শৃঙ্খলা বাহিনী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পর্যায়ে কর্মের বা দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।”

- অর্থাৎ কমিশনার নিয়োগের জন্য ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

১০৩.
The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন কে?
  1. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. উপদেষ্টা পর্ষদ (Advisory Board)
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা: কতিপয় ব্যক্তিকে আটক বা বহিস্কারাদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত করিবার জন্য আদেশ প্রদান করা আবশ্যক, তাহা হইলে - 
(ক)উক্ত ব্যক্তিকে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(খ) উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে উল্লিখিত পদ্ধতিতে এবং সময়ের পূর্বে ও পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে, বহিস্কারাদেশ প্রদান করা যাইবে না।

(২) যদি কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাহাকে ধারা ২ এর দফা (চ) এর উপ-দফা (ই), (ঈ), (উ), (উ), (ঋ) বা (এ) এর অর্থানুসারে কোনো ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত রাখিবার উদ্দেশ্যে আটক রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি তাহাকে আটকের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুসারে কোনো আদেশ প্রদান করা হইলে, আদেশ প্রদানকারী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুরূপ আদেশ প্রদানের কারণ এবং তাহার মতে উক্ত বিষয়ের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিবরণসহ আটকের বিষয়টি অনতিবিলম্বে সরকারকে অবহিত করিবেন, এবং সরকার কর্তৃক ইতোমধ্যে ইহা অনুমোদিত না হইলে, উক্ত আটকাদেশ প্রদানের পর হইতে পরবর্তী ত্রিশ দিনের অধিক কার্যকর থাকিবে না।

(8) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে, উপ-ধারা (৫) এর বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি তাহাকে অপসারণ করিতে পারিবেন।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১০৪.
চেক ডিজঅনারের মামলার রায়ে ক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
আপিল
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  
চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

রিভিউ
দেওয়ানী মোকদ্দমায় রিভিউ (Review) করার বিধান রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ করার বিধান আছে। ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন বিধান নেই। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত কোন বিধান রাখা হয়নি। তাই ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন সুযোগ নেই। তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্ত থেকে দেখা যায়, ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা ফৌজদারী এবং কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃতির। তার আলোকে চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিউ করা যেতে পারে।

Nizam Uddin Mahmood v. Abdul Hamid Bhuiyan and another[24 BLD (2004)(AD)239] মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ সংক্রান্ত বিধানের অনুমতি দিয়েছেন।

রিভিশন 
চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিশন দায়ের করা যায়। শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখানেও ফৌজদারী কার্যবিধির রিভিশনের বিধান প্রযোজ্য হবে। 
১৩৮ ধারার মামলা থেকে আইনগত বিষয় উদ্ভূত হলে ফৌজধারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগে অথবা একই আইনের ৪৩৯ক ধারা মতে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। আগে একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতেন। ১৯৭৮ সালে Law Reforms Ordinance দ্বারা ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
১০৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) অনুসারে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।
(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

১০৬.
Who has the authority to revoke or modify a detention order under The Special Powers Act, 1974?
  1. The Supreme Court
  2. The Government
  3. The District Magistrate
  4. The Police Officer-in-Charge
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 - ধারা ১৩: আটকাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিধান-
সরকার যে কোন সময় আটকাদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।
[A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.]
১০৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী, সরকার কত দিনের মধ্যে আটক আদেশের তারিখ হতে আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।

Section 10: Reference to Advisory Board-
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.
১০৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন তদন্ত বা বিচার কার্যে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ২ বছর।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৮গ- মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]

১০৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ২৫ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ৩০ ধারা
  4. ৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩০ ধারা: ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা:
অডিও ভিস্যুয়াল যন্ত্র বা কোন ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ধারণকৃত সাক্ষ্য প্রমাণ ট্রাইব্যুনালের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য (admissible) হইবে।
১১০.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবে-
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২১ ধারার বিধান: মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে।
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে।
(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
১১১.
'ম' একজন ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে, কিন্তু সে তা সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়। এই অপরাধের জন্য 'ম' এর সর্বনিম্ন কোন দণ্ড হতে পারে?
  1. কেবল অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৯(৪)- যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি 16[মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে] দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১১২.
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে অবগত করতে হবে-
  1. প্রতি সপ্তাহে একবার
  2. ৬ মাসে একবার
  3. প্রতি মাসে একবার
  4. ১৫ দিনে একবার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৩৪- ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণকে সাধারণভাবে তথ্য সরবরাহ

(১) মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি সরকার বা পুলিশ বা ক্ষেত্রমত, বেসরকারি সংস্থাসমূহের নিকট হইতে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে মাসে অন্তত একবার অবগত হইবার অধিকারী হইবে। 
 
(২) তদন্তকারী কর্মকর্তা বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে চিহ্নিত ও উদ্ধারকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের অধিকার, আইনি সহায়তার সুযোগ এবং এই আইনের অধীন অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অবগত করিবে। 
 
(৩) মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের গোপনীয়তার অধিকারের প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ, উদ্ধার, স্থানান্তর, প্রত্যাবর্তন, প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত দায়িত্বসমূহ কার্যকরভাবে সম্পাদনে সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, সাংবাদিক বা জনসাধারণকে সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যসমেত একটি ব্যাপক ভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার পরিচালনা করিবে।
১১৩.
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১১৪.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনারের মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য কী করা বাধ্যতামূলক?
  1. আপিল আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  2. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের সম্পূর্ণ অর্থ জমা দিতে হবে।
  3. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  4. আপিল দায়েরের পর যেকোনো এক সময় চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপিল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লিখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
----------
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881, Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

১১৫.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব _______বৎসর।
  1. ১৬
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-

বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
১১৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে৷
১১৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে এবং তার জন্য স্বতন্ত্র কোনো দণ্ড না থাকলে, লঙ্ঘনকারী কোন দণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. কারাদণ্ডে
  2. অর্থ দণ্ডে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১১৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতারণা বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত প্রতারণা
  2. চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
  3. তামাদি আইনের ১৮ ধারায় উল্লিখিত প্রতারণা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১১) অনুসারে,

‘‘প্রতারণা’’ (fraud) অর্থ ঘটনা বা আইন লইয়া ইচ্ছাকৃত বা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কথা বা আচরণ বা লিখিত কোন চুক্তি বা দলিল দ্বারা-
⇒  অন্যকে প্রতারিত (to defraud) করা, বা
⇒ প্রলুদ্ধ (to induce) বা
⇒ ভুল পথে পরিচালিত করা এবং প্রতারণাকারী ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তির অভিপ্রায়কে কেন্দ্র করিয়া সংঘটিত প্রবঞ্চনা (deception) এবং
চুক্তি আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ১৭ এ যেই অর্থে ”Fraud” অভিধাটি ব্যবহৃত হইয়াছে তাহাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১১৯.
মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সর্বোচ্চ কত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৩৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫১: বিচার সমাপ্তির মেয়াদ:
(১) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করিতে হইবে।]

(২) কোনো অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোনো বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হইলে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করিতে পারিবে এবং তৎসম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে ৷

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে কোনো বিচার কার্য সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিচার কার্য সমাপ্তির জন্য সর্বশেষ আরও ১৫ (পনেরো) কার্যদিবস সময় বর্ধিত করিতে পারিবে এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বর্ধিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে বিচার কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।

সারাংশ:
মূল বিচারকাল – ৯০ কার্যদিবস।
শর্তসাপেক্ষে প্রথম সময় বর্ধন – +৩০ কার্যদিবস (কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা সহ সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের অবহিত করা প্রয়োজন)।
দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত সময় বর্ধন – +১৫ কার্যদিবস (এবং একইভাবে অবহিতকরণ বাধ্য)।
এভাবে সর্বোচ্চ ১৩৫ কার্যদিবস–এ মধ্যে বিচার অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
১২০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কর্তৃক দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা

কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাবস্ত্য কোন ব্যক্তিকে এইরূপ যে কোন দণ্ডদান করতে পারবে যা উক্ত ব্যক্তির অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে অনুমোদন করেছে। অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারবে।
কিন্তু কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ৭ বৎসরে বেশি কারাদণ্ডে এবং ১০ হাজার টাকার বেশি জরিমানা করতে পারবে না।

Section 28: Powers of Special Tribunals


Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force,- 
(a) a Special Tribunal consisting of a Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted; 

(b) a Special Tribunal consisting of a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted except death, 26[imprisonment for life] or imprisonment for a term exceeding seven years and fine exceeding ten thousand taka.
১২১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের সর্বনিম্ন পদমর্যাদা কী?
  1. কনস্টেবল
  2. এএসআই
  3. এসআই
  4. ইন্সপেক্টর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার পদমর্যাদা থাকা কর্মকর্তাদের প্রদান করা হয়েছে।
- অর্থাৎ পুলিশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পদমর্যাদা হলো উপ-পরিদর্শক (SI)। কনস্টেবল, এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক)-এর এই ক্ষমতা নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) এসআই।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।

১২২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি তথ্য প্রদান করলে, তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: "তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা":
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
১২৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২- এ কত বছরের নিম্নের ব্যক্তিকে 'শিশু' হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১৪)-

“শিশু” অর্থ:
আঠারো (১৮) বছর বয়স পূর্ণ করেনি এমন কোন ব্যক্তি।
১২৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, দলবদ্ধভাবে নারী বা শিশু ধর্ষণের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, তবে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তির কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১২৫.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব কত বছর?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-
 
বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
১২৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন কোন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা?
  1. সহকারী উপ-পরিদর্শক
  2. উপ-পরিদর্শক
  3. পরিদর্শক (তদন্ত)
  4. সহকারী পুলিশ সুপার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
১২৭.
'ক' তার ৮ বছরের ছেলেকে একটি রিভলবার দিয়ে বলে তার বন্ধু 'খ' কে দিয়ে আসতে। উক্ত কাজের জন্য 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা
  3. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১২৮.
The Arms Act,1878 এর 19A ধারার অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা- ১৯ক: বিশেষ কতকগুলি অস্ত্রের ব্যাপারে ৬,১৩, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গের জন্য

১৯ ধারায় কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও যে কেউ ১৯ ধারায় ক, গ, ঙ অথবা চ দফায় কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে, অপরাধ যদি পিস্তল, রিভলবার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য কোনো কঠোর কারাদণ্ডে, যাহার মেয়াদ দশ বছরের কম হইবে না, দণ্ডিত হইবে ।
১২৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এ এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (extraterritorial application) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ:
(১) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে অথবা বাংলাদেশের কোন জাহাজ বা বিমানে কোন ব্যক্তি বাংলাদেশী কোন নাগরিকের বিরুদ্ধে এই আইনের আওতাধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে। 
(২) যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটন করে তাহা হইলে উক্ত অপরাধ ও তাহা সংঘটনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।

১৩০.
শিশু আদালত মোট কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে?
  1. ৩৬০ দিনের মধ্যে
  2. ১২০ দিনের মধ্যে
  3. ৪২০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা
 
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

অর্থাৎ শিশু আদালত মোট ৪২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
১৩১.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে ঘটিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে-
  1. প্রতি এক মাসে কমপক্ষে একটি
  2. প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একটি
  3. প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি
  4. প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে একটি
ব্যাখ্যা
৮ ধারার বিধান: বোর্ডের সভা
 (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেতেগ, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷ 
(২) বোর্ডের সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি তিন মাসে বোর্ডের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে তত্কর্তৃক নির্দেশিত কোন সদস্য বা এইরূপ কোন নির্দেশ না থাকিলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের দ্বারা নির্বাচিত অন্য কোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷ 
(৪) বোর্ডের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার তেগত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷ 
(৫) বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার তেগত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের তগমতা থাকিবে৷ 
(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রম্্নটি থাকার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷
১৩২.
সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে অন্যূন কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ১ লক্ষ টাকা
  3. ২ লক্ষ টাকা
  4. ৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৩৩.
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু একত্রে অপরাধ করলে, শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫(২) অনুযায়ী-
  1. একসাথে অপরাধ আমলে গ্রহণ করা যাবে
  2.  কেবল শিশুর অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  3. কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  4. প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
ব্যাখ্যা

• শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ:

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে।

১৩৪.
কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য মাদকদ্রব্য আইনে নির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে, তাহলে সেই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১৩৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১(১) (ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধের তদন্তের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্তের সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারি কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্ত-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে অথবা এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নিকট সোপর্দ হইলে, তাহার ধৃত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে;
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হইলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী ৬০ (ষাট) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে; এবং
(গ) একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকিলে উক্ত মামলার তদন্ত উপ-ধারা (১) (খ) অনুযায়ী সম্পন্ন হইবে।
১৩৬.
The Special Powers Act, 1974 এর অধীন উপদেষ্টা বোর্ড কয় জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৯: উপদেষ্টা বোর্ড গঠন:
১। সরকার, যখন প্রয়োজন মনে করিবে, তখন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য একটি উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করিবে।

২। উপদেষ্টা বোর্ড তিনজন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুইজন হইবেন এমন ব্যক্তি, যাঁহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যাঁহারা উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য; এবং অপর একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের সেবায় কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এই ব্যক্তিগণকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হইবে।

৩। সরকার বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যিনি উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য, তাঁহার মধ্যে একজনকে বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে।
১৩৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. জাতীয় সংসদের স্পীকার
  4. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার বিধান জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
 (১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ- 

(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) জাতীয় সংসদের স্পীকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ-সদস্য, যাহাদের মধ্যে একজন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(ঘ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; 
(ঙ) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; 
(চ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; 
(ছ) মহা-পুলিশ পরিদর্শক; 
(ছছ) রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(জ) মহা-কারা পরিদর্শক; 
(ঝ) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল; 
(ঞ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি; 
(ট) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা; 
(ঠ) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত বেসরকারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ড) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত নারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ঢ) পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা ১(ঠ) এবং (ড) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বছরের মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই কোন কারণ না দর্শাইয়া উক্তরূপ কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে: 
আরো শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোন সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাতগরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন৷

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী।
১৩৮.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Trial in absentia' এর বিধান আছে?
  1. ধারা ২১(৬)
  2. ধারা ২৪(৬)
  3. ধারা ২৬(৬)
  4. ধারা ২৭(৬)
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৭(৬)- বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো আসামী পলায়ন করিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন যাহাতে তাহাকে গ্রেফতার করা না যায়, বা উহার সম্মুখে বিচারের জন্য হাজির করা না যায় এবং তাহাকে গ্রেফতার করিবার আশু সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে উহা বহুল প্রচারিত কমপক্ষে ২ (দুই) টি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, আদেশে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উহার সম্মুখে হাজির হইবার জন্য তাহাকে নির্দেশ প্রদান করিবে এবং উক্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে, তাহার অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার করা যাইবে।
১৩৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার অধীন অপরাধের বিচারের জন্য কে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিচারক
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬ ধারার (২) উপ-ধারা অনুসারে, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তাদের নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে "যুগ্ম দায়রা জজ" সঠিক উত্তর, কারণ এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখিত। জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিচারক এই ধারায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে উল্লেখিত নন, এবং তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) যুগ্ম দায়রা জজ।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।
- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 (3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

১৪০.
দ্রুত বিচার আদালত কোন আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. দায়রা আদালত
  2. যুগ্ম দায়রা আদালত
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. বিশেষ ট্রাইবুনাল
ব্যাখ্যা
ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি

(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।
১৪১.
মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র পুলিশ
  2. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালে
  3. পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৭: অভিযোগ দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে। 
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
১৪২.
যদি শিশুকে জামিনে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে কত ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৫২: জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে। 
১৪৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. পরিচালক
  3. কমিশনার
  4. মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৭: মহাপরিচালক:
(১) অধিদপ্তরের একজন মহাপরিচালক থাকিবে এবং তিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন। 
(২) মহাপরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবে এবং তাহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
১৪৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কত ধারায় কমিশনের নিরপেক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৩: কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি-
(১) এই আইন, বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে৷

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে।

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
১৪৫.
‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু’ বলতে কী বোঝায়?
  1. যে শিশু আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে
  2. যে শিশু অন্য শিশুদের সহিত সংঘাতে লিপ্ত
  3. যে শিশু বিচারাধীন মামলায় সাক্ষী দেয়
  4. যে শিশু অপরাধে অভিযুক্ত অথবা দোষী সাব্যস্ত
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ ধারা ২(৩) ‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু (Children in Conflict with the Law)’ অর্থ-
এমন কোন শিশু যে, দণ্ডবিধির ধারা ৮২ ও ৮৩ এ বিধান সাপেক্ষে, বিদ্যমান কোন আইনের অধীন কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত অথবা বিচারে দোষী সাব্যস্ত;

১৪৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায় বা আদেশে ক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারেন-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮: আপীল:
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
১৪৭.
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করলে অন্যূন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ৭ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারার বিধান: ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড:
-কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৪৮.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর কততম ধারায় হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা-১৩
  2. ধারা-১৯
  3. ধারা-৩২
  4. ধারা-৪১
ব্যাখ্যা
• ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’: 
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 
ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

 
- সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৩২ ধারার বিধান হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

- ব্যাখ্যা:-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমেঅবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
১৪৯.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
১৫০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ রয়েছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে 36[বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
১৫১.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো-
  1. স্পেশাল জজ আদালত
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. 'ক' ও 'খ' তে উল্লিখিত উভয় আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো- স্পেশাল জজ আদালত।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: অপরাধের তদন্ত ও বিচার:

(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ ধারা ২(ঠ) তে উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক একাধিক তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠত যৌথ তদন্তকারী দল, তদন্ত করিবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ Criminal Law (Amendment) Act, 1958 (Act XL of 1958) এর ধারা ৩ এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার সম্পত্তি অনুসন্ধান ও সনাক্তকরণের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক এই আইনের পাশাপাশি অন্যান্য আইনে এতদ্‌উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ক্ষমতাও প্রয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) তদন্তকারী সংস্থা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে অবহিত করিবে।

উল্লেখ্য,
Criminal Law (Amendment) Act, 1958  এর ধারা ৩ – স্পেশাল জজ নিয়োগ:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে যথেষ্ট সংখ্যক স্পেশাল জজ (Special Judges) নিয়োগ করবে, যারা তফসিলে উল্লেখিত অপরাধগুলি বিচার ও শাস্তি প্রদানের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

(২) কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না যদি না সে:
- বর্তমানে সেশন জাজ (Sessions Judge) হয় বা
- অতিরিক্ত সেশন জাজ (Additional Sessions Judge) অথবা
- সহকারী সেশন জাজ (Assistant Sessions Judge) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছে।

১৫২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ৪৩ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৪২- মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল

(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে।

(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত 
অর্থ।
১৫৩.
কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে কয় জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর ৫ ধারা মতে,

কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে ৩ জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে এবং বিচার প্রার্থীর সম্মতি সাপেক্ষে তাদের মধ্য থেকে একজনকে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হবে।
১৫৪.
'চ', তার প্রতিবেশি 'ছ' এর ৮ বছরের বাচ্চাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখে। পরবর্তীতে 'ছ' এর কাছে পরিচয় গোপন করে ফোনে 'চ' ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়। এক্ষেত্রে 'চ' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৮: মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি-

যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১৫৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক(১) অনুযায়ী, সরকার কোন ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে?
  1. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  2. শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. নারী ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক- শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]

১৫৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশে আদালত সর্বোচ্চ কত দিন সময় দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
১৫৭.
Under The Special Powers Act, 1974, how many members constitute the Advisory Board?
  1. Two
  2. Three
  3. Five
  4. Seven
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 9: Constitution of Advisory Board:
(1) The Government shall, whenever necessary, constitute an Advisory Board for the purposes of this Act. 
 
(2) The Advisory Board shall consist of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the High Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, and such persons shall be appointed by the Government. 

(3) The Government shall appoint one of the members of the Advisory Board who is, or has been, or is qualified to be appointed as, a Judge of the 4[High Court] to be its Chairman.

উপদেষ্টা পরিষদ গঠন-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবে।

(২) তিন জন ব্যক্তির সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুই জন হইবেন এইরূপ ব্যক্তি যাহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য এবং অন্য একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিযুক্ত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এবং উক্ত ব্যক্তিগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

(৩) সরকার উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্যকে উহার চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ছিলেন, বা আছেন, বা নিযুক্ত হইবার যোগ্য।
১৫৮.
সালমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রায় প্রদানকালে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হয়, অভিযোগ মিথ্যা ছিল। এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. শুধু ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষতিপূরণের আদেশ ও সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল—
- অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করবে, এবং
- অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে,
- প্রয়োজন মনে করলে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 

(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১৫৯.
সাইবার ট্রাইব্যুনাল কোন ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিজিটাল জালিয়াতি
  2. ডিজিটাল প্রতারণা
  3. পরিচয় প্রতারণা
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা

কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
১৬০.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে করা পুনর্বিবেচনা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
১৬১.
লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কতদিনের মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন?
  1. অনধিক ১৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

১৬২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, বিচারকার্য মুলতবির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত দিন?
  1. তিন কার্য দিবস
  2. পাঁচ কার্য দিবস
  3. সাত কার্য দিবস
  4. দশ কার্য দিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলবে। তবে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহলে বিচারকার্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য মুলতবি করা যাবে, যা তিন কার্য দিবসের অধিক হবে না। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে বিচারকার্যে অযথা বিলম্ব না হয় এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সীমিত সময়ের মধ্যে মুলতবি করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) তিন কার্য দিবস।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।

১৬৩.
যদি শিশু আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণে ৩৬০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে না পারে, তাহলে উক্ত আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা বর্ধিত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩২ ধারার বিধান- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত  যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

১৬৪.
'A' নামের একজন যুবক 'B' নামের ১৭ বছরের মেয়েকে “আমি তোকে বিয়ে করবই” বলে প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখানে 'A' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত হবে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৯ক ধারায়
  3. ৯খ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী কেউ যদি বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ঘটনাস্থলে পারস্পরিক আস্থা বা সম্পর্ক থাকে, এবং যদি নারী ষোল বছরের বেশি বয়সী হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

১৬৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Trial in Absentia' এর বিধান আছে?
  1. ১১ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২১ ধারায় Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার


(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং

(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
১৬৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. তদন্তের সময়সীমা
  2. রায় ঘোষণার সময়সীমা
  3. বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
  4. অভিযোগ গঠনের সময়সীমা
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

১৬৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৬- মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

শাস্তি:
সর্বনিম্ন: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
সর্বোচ্চ: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড।
১৬৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ ‘‘ভিকটিম’’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তির-
  1. আইনগত অভিভাবক
  2. আইনগত উত্তরাধিকারী
  3. ক বা খ
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
১৬৯.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী হ্যাকিং এর অপরাধের শাস্তি কী?
  1. অনধিক বারো বৎসর এবং অন্যূন পাঁচ বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক দশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক দশ বৎসর এবং অন্যূন তিন বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অনধিক পঞ্চাশ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির ক্ষতি, অনিষ্ট সাধন যেমন ই-মেইল পাঠানো, ভাইরাস ছড়ানো, সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ বা সিস্টেমের ক্ষতি করা ইত্যাদি অপরাধ অর্থাৎ হ্যাকিং এর সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৬ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কাজ করেন, যার ফলে কোনো কম্পিউটার রিসোর্সের কোনো তথ্য বিনাশ, বাতিল বা পরিবর্তিত হয় বা এর উপযোগিতা হ্রাস পায় অথবা কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন, তবে এটি হবে হ্যাকিং অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে কোনো মিথ্যা বা অশ্লীল কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয় অথবা রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে এগুলো হবে অপরাধ। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

• বর্তমানে এই অপরাধের বিচার 'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর অধীন করা হয়।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৩২- হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড


যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
১৭০.
নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত কোনো তথ্য সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করলে, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক তা ব্লক করার জন্য কাকে অনুরোধ করতে পারেন?
  1. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সিকে
  2. কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমকে
  3. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
  4. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিলকে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:

(১) জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য- উপাত্ত সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।

(২) যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা উহার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য, মহাপরিচালকের মাধ্যমে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি, উক্ত বিষয়াদি সরকারকে অবহিতক্রমে, তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবে।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
১৭১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালকে প্রাথমিক ভাবে কত কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ, মোট সময় সর্বাধিক ২৭০ কার্যদিবস হলে মামলার নিষ্পত্তি হতে পারে, কিন্তু প্রাথমিক সময়সীমা ১৮০ কার্যদিবস নির্ধারিত।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

১৭২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ২০ লাখ টাকা
  3. ৫০ লাখ টাকা
  4. ১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১ কোটি টাকা।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৭৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কয় ধরনের কাজকে ক্ষতিকর কাজ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৯ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারায় ৮ ধরনের কার্যকে ক্ষতিকর কার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিকর কার্য অর্থ এমন কোন কাজ যা-

১. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
২. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৩. বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা জননিরাপত্তা বিপন্ন বা জনশৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণীর বা অংশের মধ্যে ঘৃণ্য বা শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টি করে বা উহার উসকানি দেয় বা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৫. আইন প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপে উত্তেজিত বা উৎসাহিত করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৬. জনগণের মধ্যে বা জনগণের কোন অংশের মধ্যে ভীতি বা সন্ত্রাসের সৃষ্টি করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৭. রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৮. ক্ষতিকর রিপোর্ট অর্থ এমন কোন রিপোর্ট, বিবৃতি বা দৃশ্যমান বিবরণ, তা সত্য হোক বা মিথ্যা হোক, যা প্রকাশ একটি ক্ষতিকর কাজ বা ক্ষতিকর কাজ সংঘটনের উসকানি দান করে।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
১৭৪.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
১৭৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট আইনের প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর অধীন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করিয়া বিচারকার্য সম্পাদন করা যাইবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে।
১৭৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  2. বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দেয়ার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২
 
ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি
 
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
১৭৭.
ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে প্রথমবার সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বৎসর
  2. ১০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা বা প্রচারণার দণ্ড:
-(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
- (৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা ৩(তিন) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
- (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন )  দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর কিন্তু তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো।
১৭৮.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেন, তবে তিনি _________ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. ৩ মাস পর্যন্ত
  2. ৬ মাস পর্যন্ত
  3. ১ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ২৫ অনুসারে,
যে ব্যক্তি কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং জরিমানাও করা হবে।

তবে, শর্ত হিসেবে এতে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেছিলেন তবে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই সাথে জরিমানাও করা হবে তাকে।

একই সাথে আদালত কালোবাজারি বা মজুত হয়েছে এমন কিছু সরকারকে বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দিতে পারবে।

Section 25: Penalty for hoarding or dealing in black-market

(1) Whoever is found guilty of the offence of hoarding or dealing in the black-market shall be punishable with death, or with 13[imprisonment for life], or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine: 
 
Provided that if, in the case of an offence of hoarding, the person accused of such offence proves that he was hoarding for purposes other than gain, whether financial or otherwise, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to three months, and shall also be liable to fine.

(2) A court convicting an offence of hoarding or dealing in the black-market shall order the forfeiture to Government of anything in respect of which the offence was committed.
১৭৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ(২) ধারায় বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫খ (২): চোরাচালানের শাস্তি:
যে কেউ এমন কোনো পণ্য বিক্রয় করে, বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, প্রদর্শন করে বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের অধিকারভুক্ত বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা বাংলাদেশে আনা কোনো বিদ্যমান আইনের অধীনে নিষিদ্ধ, সেই ব্যক্তি ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling:
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
১৮০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১০ ধারায় আটককৃত ব্যক্তির আটকের কারণ কার নিকট পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. উপদেষ্টা বোর্ডের
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।
 
ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।
১৮১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে কোনো অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো ব্যক্তি বাধাপ্রদান করার অপরাধের জন্য শাস্তি-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা

(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
১৮২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ তদন্তের স্বার্থে কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারেন কে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. তথ্য কমিশনার
  3. মহাপরিচালক
  4. তদন্তকারী অফিসার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) মহাপরিচালক।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৬: তথ্য সংরক্ষণ:
(১) তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি মহাপরিচালকের নিকট এইরূপে প্রতীয়মান হয় যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
১৮৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৬০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ১২০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির জন্য সাধারণ মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে ৯০ কার্যদিবস। এর মানে হলো, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত মামলা প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করতে বাধ্য। এই সময়সীমা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচারে বিলম্ব রোধ করা।
ধারা ৫১(২): যদি অনিবার্য কারণে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ৩০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এবং সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৩): যদি এই বর্ধিত ৩০ কার্যদিবসেও বিচার সমাপ্ত না হয়, তবে আদালত যুক্তিসংগত কারণ লিপিবদ্ধ করে আরও ১৫ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে এবং এ ক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৪): উপরোক্ত বর্ধিত সময়ের মধ্যে বিচার আবশ্যিকভাবে সমাপ্ত করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ হলো ৯০ কার্যদিবস। এই সময়সীমা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৯০ কার্যদিবস।

১৮৪.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা
  3. দায়রা আদালতে আপিল
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
১৮৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘ভিকটিম’’ এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ২ (৫)
  3. ধারা ২ (১০)
  4. ধারা ২ (১২)
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
১৮৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় 'মানব পাচার' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ২ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- মানব পাচার:

(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে— 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)। 
 
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবে না। 
 
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১৮৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করলে, কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫ঘ- অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করেন, বা ষড়যন্ত্র করেন, বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন বা সহায়তা করেন, তাহা হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধটির জন্য বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৮৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক এর অধীনে থানার অফিসার ইনচার্জ কার মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. শুধু অভিযোগকারীর
  2. শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অভিযোগকারীর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তি উভয়ের
ব্যাখ্যা

 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব-
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

১৮৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২৮ ধারার বিধান আপীল: 
- ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
১৯০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর মিথ্যা মামলা দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি অনধিক _____ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
১৯১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে আদালত কী করতে পারবে?
  1. মামলা খারিজ করতে পারবে
  2. মামলা স্থগিত রাখতে পারবে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করতে পারবে
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১-আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
১৯২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে ব্যর্থ হয়, তবে কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১০ কার্যদিবস
  3. ১৫ কার্যদিবস
  4. ৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টকে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

১৯৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩১(২) অনুযায়ী, মাদক অপরাধের তদন্ত ৬০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে অতিরিক্ত কত দিন সময় দেওয়া যায়?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১৫ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৪৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
⇒ "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮" এর ধারা ৩১(২) অনুযায়ী, মাদক অপরাধের তদন্ত ৬০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া যায়। 
- ধারা ৩১(১)(খ) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হয়, তবে তদন্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে, ধারা ৩১(২) এ উল্লেখ আছে যে, কোনো যুক্তিসংগত কারণে এই সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তদন্তকারী অফিসার যুক্তিসঙ্গত কারণ লিপিবদ্ধ করে, অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের সময় পাবেন তদন্ত শেষ করার জন্য।

প্রাসঙ্গিক অংশ:
"কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবেন..."
১৯৪.
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি নোটিশ প্রদানের কোনটি অনুমোদিত পদ্ধতি নয়?
  1. সরাসরি
  2. ডাকযোগে
  3. জাতীয় বাংলা পত্রিকায়
  4. ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি  ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে নোটিশ প্রদান অনুমোদিত পদ্ধতি নয়।

----------------
Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
১৯৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৩ ধারায়, মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অবৈধ সম্পদ ও অর্থ যাচাইয়ের জন্য কোন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিতে হবে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪
  3. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য 23[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে] আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া 24[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
১৯৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩৫(১) ধারায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে কত ঘন্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৫: বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার:

(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন, নষ্ট হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট অনতিবিলম্বে দাখিল করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার পর পুলিশ অফিসার সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে বা যাতায়াতের সময় ব্যতীত অনধিক ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবেন।

১৯৭.
Section 138A of Negotiable Instruments Act, 1881 states that an appeal will not lie unless-
  1. The appellant files a written explanation
  2. 50% of the dishonoured cheque amount is deposited
  3. 25% of the dishonoured cheque amount is deposited
  4. Both A & B
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881: Section 138A- Restriction in respect of appeal-
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের 
৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

১৯৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামিকে হাজির করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২১ (আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার):
ফৌজদারী কার্যবিধির Section 87, 88 ও 339B এ ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন এবং তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী বিশ দিনের মধ্যে উক্ত অনুপস্থিত বা পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করিবার নিমিত্ত তথ্যপ্রযুক্তির যে কোন উপযুক্ত মাধ্যমে বা একটি বাংলা দৈনিক জাতীয় খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা বা অন্যবিধ যুক্তিসংগত যে কোন উপায়ে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ জারি করিয়া হাজির হইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।]
১৯৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে প্রাথমিক তদন্তকারী কর্মকর্তা বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্ত কার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, নূতনভাবে তদন্ত ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা কত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২০ক ধারার বিধান তদন্তের সময়সীমা: 
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। 
২০০.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভিশন
  3. আপিল ও রিভিশন উভয়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ অনুযায়ী:
শিশু-আদালতের প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করা যেতে পারে। এছাড়াও, একই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যেতে পারে। অতএব, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উভয় প্রতিকারই প্রযোজ্য।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।