বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws

মোট প্রশ্ন৬৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৬৭০

.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারায় কমিশনারগণের কয়টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারাতে কমিশনার হওয়ার মোট ৭টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮: কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যুন ২০ (বিশ) বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন;
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন;
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন;
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন;
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন;
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷

.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৭ ধারায় কাদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মাদকদ্রব্য সেবনকারী
  2. মাদকদ্রব্য আমদানিকারী
  3. বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশিকারী
  4. মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড:
লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
.
শিশু আইনের কত ধারায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বর্ণনা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৯ ধারায়
  3. ৮৬ ধারায়
  4. ৮৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯- সুবিধাবঞ্চিত শিশু:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:- 
 
(ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে; 
(খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু; 
(গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু; 
(ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু; 
(ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু; 
(চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু; 
(ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; 
(জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; 
(ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; 
(ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; 
(ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; 
(ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; 
(ড) হিজড়া শিশু; 
(ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; 
(ণ) এইচআইভি-এইড্‌স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা 
(ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
 
(২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।
.
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি কত?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ৭,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি নির্ধারিত হয়েছে ৭,০০০ টাকা। এছাড়াও, এই ধরনের মামলার জন্য আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ৭,০০০ টাকা।

.
Which section of The Special Powers Act, 1974 provides for the confirmation of death sentences by the High Court Division?
  1. Section 28
  2. Section 29
  3. Section 30(1)
  4. Section 30(2)
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.

(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি করার শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 
.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সাথে জড়িত থাকার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি টাকা জরিমানা
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০(২) এর বিধান অনুসারে: (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
সুতরাং, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো—দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বা উভয় দণ্ড একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) অনুসারে, আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. শুধুমাত্র দায়েরকৃত মামলায়
  2. শুধুমাত্র বিচারাধীন মামলায়
  3. শুধুমাত্র দায়েরযোগ্য মামলায়
  4. দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

.
শিশু আইন অনুসারে শিশুর বয়স নির্ধারণের প্রাসঙ্গিক তারিখ কোনটা হবে?
  1. আদালতে উপস্থিত হওয়ার তারিখ
  2. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  3. গ্রেপ্তার করার তারিখ
  4. বিচারকার্য শুরু হওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০- শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
১০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৪২ ধারায় কোন আইনের প্রযোজ্যতার বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭৩
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. উল্লিখিত সকল আইন
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪২: ফৌজদারি কার্যবিধি, Evidence Act ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ:
(১) এই অধ্যাদেশে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
১১.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন কয় সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন?
  1. ৫ সদস্যবিশিষ্ট
  2. ৩ সদস্যবিশিষ্ট
  3. ৭ সদস্যবিশিষ্ট
  4. ৬ সদস্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
উপদেষ্টা পর্ষদঃ

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন।

সদস্যগণ:
⇒ ২জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন/আছেন/হওয়ার যোগ্য এমন হতে হবে, এবং এই দুজনের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন।
⇒ বাকী ১জন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা থেকে হবে।
 
১০ ধারার অধীন সরকার কাউকে আটকের ১২০দিনের মধ্যে গ্রেফতারের কারণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট উপদেষ্টা পর্ষদের নিকট প্রেরণ করবে এবং ১১ ধারার অধীন উপদেষ্টা পর্ষদ আটকের সর্বোচ্চ ১৭০ দিনের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন পাঠাবে।
 
⇒ আটকটি বাতিল না হলে, প্রতি ৬ মাসে তা একবার করে পর্ষদ কর্তৃক রিভিউ করতে হবে (ধারা ১২)।

⇒ তবে, সরকার চাইলে যেকোন সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে (ধারা ১৩)।
১২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এ কয় ধরনের কার্যকে "ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৭ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৮ ধরনের।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ):

"ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)"  অর্থ নিম্নবর্ণিত অভিপ্রায় বা সম্ভাবনা রহিয়াছে এইরূপ কোনো কার্য করা, যথা:-
১. রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত করা;
২. বাংলাদেশ এবং বিদেশি রাষ্ট্রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট বা বিঘ্নিত করা;
৩. দেশের সুরক্ষা, জননিরাপত্তা বা সাধারণ শৃঙ্খলা হ্রাস বা ভঙ্গ করা;
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা অংশ, বা জনগণের মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া;
৫. আইনের রক্ষণাবেক্ষণ বা আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা, বা তা উসকে দেওয়া;
৬. জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও সেবায় বাধা সৃষ্টি করা;
৭. জনগণের মাঝে ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা;
৮. রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থ ক্ষুন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
১৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪(৪) অনুসারে, কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য চেয়ারম্যানসহ ন্যূনতম দুইজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪-কমিশনের সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷
(৪) চেয়ারম্যানসহ দুই জন কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷

১৪.
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক
  4. উপদেষ্টা/মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১২: জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল:
(১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী (যদি থাকে), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;
(গ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(ঘ) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব;
(ঙ) গভর্ণর, বাংলাদেশ ব্যাংক
(চ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(ছ) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ;
(জ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ;
(ঝ) সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগ;
(ঞ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ট) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ;
(ঠ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ;
(ড) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড;
(ঢ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন;
(ণ) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর;
(ত) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা;
(থ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার;
(দ) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ধ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক;
(ন) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;
(প) সচিব, তথ্য কমিশন;
(ফ) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ); এবং
(ব) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।

(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।
১৫.
চেক ডিজঅনারের জন্য আদালত জরিমানা করতে পারে চেকে উল্লিখিত অর্থের-
  1. অর্ধেক
  2. ২ গুন
  3. ৩ গুন
  4. ৪ গুন
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
১৬.
কোন ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে কী দণ্ডে পতিত হবেন?
  1. অনুর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনুর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনুর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধার ৩৬(৫):
কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা যে-কোনো ধরনের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট অথবা বিরক্তিকর কোনো আচরণ করিলে কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালনা করিলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ এই ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

১৭.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে কারাদণ্ডের সাথে অতিরিক্ত ____________ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ
  2. ১০ (দশ) লক্ষ টাকা
  3. ক এবং খ এর মধ্যে যা কম সেই পরিমাণ
  4. ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 

(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে, আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 

(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
১৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ প্রদত্ত লাইসেন্স বা পারমিটের মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. উল্লেখিত নির্ধারিত সময়
  3. অর্থবছর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩: লাইসেন্স, ইত্যাদি:
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 

(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
১৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখলের শাস্তি কী?
  1. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বনিম্ন ২ বছর, অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. সর্বনিম্ন ৭ বছর, অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৭- জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসর সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।
২০.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী-
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে, অনধিক _______ দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর ১০ বিধির বিধান: মিমাংসা সভা মূলতবী:-
মিমাংসা সভার কোন দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত না হইলে বা উক্ত দিনে পক্ষগণ আপোষ-মিমাংসায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে, লিগ্যাল এইড অফিসার, উপযুক্ত মনে করিলে, উক্ত দিনের মিমাংসা সভা মূলতবী করিয়া উভয় পক্ষের উপস্থিতির জন্য সুবিধাজনক অপর একটি দিন ধার্য করিবেন, যাহা কোনক্রমেই ৭ (সাত) দিনের অধিক হইবে না।

অর্থাৎ,
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে অনধিক ৭দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
২১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তফশিল অনুসারে শিশা (Shisha) কোন শ্রেণির মাদকদ্রব্য?
  1. 'ক' শ্রেণি
  2. 'খ' শ্রেণি
  3. 'গ' শ্রেণি
  4. তফশিলে নেই
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তফশিল-এর ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য-এর ক্রমিক ৪-এর শেষে স্পষ্টভাবে শিশা (Shisha) উল্লেখ আছে। তফশিলের ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে: “শিশা (Shisha)' অর্থ বিভিন্ন ধরনের ভেষজের নির্যাস সহযোগে ০.২%-এর ঊর্ধ্বে নিকোটিন এবং এসেন্স ক্যারামেল মিশ্রিত ফ্রুট স্লাইস সহযোগে তৈরি যে-কোনো পদার্থ।”

অতএব, আইনের তফশিলভুক্ত সংজ্ঞা ও তালিকা অনুযায়ী শিশা = ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য।

২২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির আটক স্থান কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপদেষ্টা বোর্ড
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫: আটক স্থান ও আটক অবস্থার শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন-
(ক) এমন স্থানে আটক থাকিতে এবং এমন শর্তাবলীর অধীন থাকিতে, যার মধ্যে শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তির শর্তও অন্তর্ভুক্ত, যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারেন; এবং

(খ) সরকার কর্তৃক আদেশ প্রদানের মাধ্যমে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হইবার জন্য।
২৩.
দ্রুত বিচার আদালতের মামলার আপীল নিষ্পত্তি কোন আদালতের মাধ্যমে হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
  4. দ্রুত বিচার আপিল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।

২৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে দুদক কেমন প্রকৃতির কমিশন?
  1. সরকারের অধীনস্থ
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
  3. বিচার বিভাগের অধীন সংস্থা
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩(২) অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন।
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

- ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

২৫.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করলে তিনি অন্যূন কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন?
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
 (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট।
 (৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংগঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদণ্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
২৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন প্রণীত বিধি কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. সরকারি গেজেটে
  2. জাতীয় সংবাদপত্রে
  3. কমিশনের ওয়েবসাইটে
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের জার্নালে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশন, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।"
অর্থাৎ, দুর্নীতি দমন কমিশন যদি এই আইনের অধীনে কোনো বিধি বা নিয়ম তৈরি করে, তবে সেটিকে সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হয়।
- সরকারি গেজেট হলো সরকার কর্তৃক প্রকাশিত একটি অফিসিয়াল প্রকাশনা, যেখানে আইন, বিধি, নীতিমালা ও সরকারী আদেশসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এই প্রকাশের মাধ্যমে বিধিটি আইনি বৈধতা পায় এবং তা জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।
২৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে জামিন দেওয়ার এখতিয়ার কার আছে?
  1. শুধু পুলিশের
  2. শুধু সরকারের
  3. শুধু বিচারিক আদালতের
  4. বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৩- জামিন সংক্রান্ত বিধান:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রকে শুনানীর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়া এবং সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করিয়া আদালত কিংবা আপীল আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত কিংবা, ক্ষেত্রমত, দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে তাহা হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আদালত কিংবা, ক্ষেত্রমত, আপীল আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারিবে৷
২৮.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে। সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
২৯.
দুর্নীতি বিষয়ে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন হতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাজে বাধা প্রদান করলে সংঘটিত অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ কত বৎসর কারাদণ্ড?
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ)  সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 

(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 

(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৩০.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুসারে চেক ডিজঅনার মামলায় আপিল করার পূর্বে চেকের অর্থের ৫০% কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. জেলা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
  4. আপিল দায়েরকারী আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ক (NI Act, 1881, Section 138A) চেক ডিজঅনার (Check Dishonour) মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার পূর্বে, চেকে উল্লিখিত অর্থের অন্তত ৫০% টাকা শাস্তি প্রদানকারী আদালতে (যে আদালত শাস্তি দিয়েছে) জমা দিতে হবে। এটি আপিল দায়েরের একটি বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত। যদি এই টাকা জমা না দেওয়া হয়,তাহলে আপিল দায়েরই হবে না।
⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒  NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৩১.
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ কমিশনার সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বন্ধ করতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৯: মাদকদ্রব্যের দোকান অথবা পানশালা (Bar) সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের অনুমোদন ব্যতীত লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো মদের দোকান অথবা পানশালা বন্ধ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে তাঁহার অধীন কোনো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোনো মাদকদ্রব্যের দোকান বা পানশালা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য উক্ত দোকান বা পানশালা বন্ধ করিতে পারিবেন। 

(২) বিশেষ জরুরি অবস্থায় মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে এই মেয়াদ আরও ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন। 

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন জারিকৃত কোনো আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে মহাপরিচালকের নিকট তাঁহার অবগতির জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।
৩২.
মানব পাচার অপরাধে তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৫০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯(৩) অনুযায়ী, মানব পাচার অপরাধের তদন্ত সাধারণত ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এটিই সাধারণ সময়সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, ধারা ১৯(৪)-এ উল্লেখ আছে যে, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তদন্ত কর্মকর্তা সময়সীমা শেষ হওয়ার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে লিখিতভাবে আবেদন করে অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস সময় বৃদ্ধির জন্য অনুমোদন পেতে পারেন। এই অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ সময়সীমা হতে পারে ১২০ কার্যদিবস। কিন্তু প্রশ্নে সাধারণ সময়সীমা জানতে চাওয়া হয়েছে, যা ৯০ কার্যদিবস।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ১৯-তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।

৩৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে কতটি গাছের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫০টির বেশি
  2. ১০০টির বেশি
  3. ৫০০টির বেশি
  4. ১০০০টির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, গাঁজা গাছ চাষের ক্ষেত্রে শাস্তি গাছের সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়:
→ ৫০টির বেশি কিন্তু ৫০০টির কম গাছ: অন্যূন ৫ বছর, অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
→ ৫০০টির বেশি গাছ: অন্যূন ৭ বছর, অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সারণিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।"
সুতরাং, ৫০০টির বেশি গাঁজা গাছ চাষের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি অনূর্ধ্ব ১০ বছর কারাদণ্ড।
--------- 
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৬(১) এবং সংশ্লিষ্ট সারণির ক্রমিক নং ১৮ অনুসারে, প্রথম তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির ১ নং ক্রমিকভুক্ত  গাঁজা অথবা ভাং গাছ সম্পর্কে ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর লঙ্ঘন।
(ক) গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(খ) গাছের সংখ্যা ৫০টির ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ৫০০টি হইলে অন্যূন ৫ বৎসর, অনূর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড;
(গ) গাছের সংখ্যা ৫০০টির ঊর্ধ্বে হইলে অন্যূন ৭ বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

৩৪.
দ্রুত বিচার আইনে আদালত অভিযোগপত্র প্রাপ্তির কত কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৩৫.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর নিচের কোন ধারাগুলোর অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হবে?
  1. ১৭, ১৯, ২৮ ও ৩২
  2. ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২
  3. ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬
  4. ২১, ২২, ২৩ ও ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৫২ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের-
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে;

(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ধারা ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; এবং

(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক)-তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে।
৩৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৩৩ ধারার অধীনে, কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. কমিশনের চেয়ারম্যান
  3. অনুমোদিত আইনজীবী
  4. অনুমোদিত বিশেষ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪"-এর ধারা ৩৩: কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট:
(১) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত এবং স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রসিকিউটর এর সমন্বয়ে কমিশনের অধীন উহার নিজস্ব একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকিবে৷

(২) উক্ত প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

(৩) এই ধারার অধীন কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন কর্তৃক অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত বা অনুমোদিত আইনজীবীগণ এই আইনের অধীন মামলাসমূহ পরিচালনা করিবে৷

(৪) এই ধারার অধীন নিযুক্ত প্রসিকিউটরগণ পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

(৫) দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় অথবা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক গৃহীত যে কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালতে কেহ কোন প্রতিকার প্রার্থনা করিলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত কোন মামলায় বা কার্যক্রমে কোন ব্যক্তি জামিন কিংবা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার প্রার্থনা করিলে কমিশনকে শুনানীর জন্য যুক্তিসংগত সময় প্রদান না করিয়া শুনানি গ্রহণ করা যাইবে না।
৩৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দণ্ড-
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড
  2. ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
৩৮.
মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একজন নারীকে আটক করলে অর্থদণ্ডসহ সাজা কি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

ধারা-৮ মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি


যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৩৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০(৪) অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করবে?
  1. স্বপ্রণোদিতভাবে
  2. অভিযোগকারীর নালিশের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশমতে
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি:
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।

৪০.
মহানগর এলাকায় সান্ধ্য আইন (Curfew) জারি করতে পারে কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৪- সান্ধ্য আইন:
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদন্ডে, বা অর্থদন্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ২৪ অনুযায়ী-
⇒ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (সরকার নিয়ন্ত্রণে) সান্ধ্য আইন জারি করতে পারেন,
⇒ লঙ্ঘন করলে–সর্বোচ্চ ১ বছরের জেল এবং/অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে।
৪১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য কত কর্মদিবস সময় বরাদ্দ?
  1. ৬০ কর্মদিবস
  2. ৯০ কর্মদিবস
  3. ১২০ কর্মদিবস
  4. ১৮০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক (১) অনুযায়ী, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধের তদন্ত কার্য ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ থেকে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সুতরাং, তদন্তকারী কর্মকর্তার জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ সময় হলো ১২০ কর্মদিবস।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক- তদন্তের সময়সীমা:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,-
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

৪২.
'পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না'- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১১: অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
৪৩.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. চেকের সমপরিমাণ জরিমানা
  4. চেকের দ্বিগুণ জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে চেক প্রদান করেন এবং ব্যাংক সেই চেকটি অর্থের ঘাটতির কারণে বা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করার কারণে অবৈরত ঘোষণা করে, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা তখনই প্রযোজ্য যদি:
(ক) চেকটি প্রদান তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা যতদিন বৈধ, তার মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করা হয় ড্রয়ার (চেকদাতা)-কে।
(গ) ড্রয়ার সেই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
৪৪.
'ক' তার ৭ বছরের শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করান। উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন? 
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
 শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭৯: শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্ত্ত বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৪৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান কোন ধারা দ্বারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩২ক 
  3. ধারা ৩২খ
  4. ধারা ৩১ক
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩২খ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ দ্বারা যুক্ত) সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ভাতা সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য। এই ধারার বিবরণ নিম্নরূপ:
নিরাপত্তা: ট্রাইব্যুনাল বা ম্যাজিস্ট্রেট, আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজ বিবেচনায়, তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী, শিকার বা সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
এই নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে, যাতে সাক্ষী বা শিকারের জানমাল সুরক্ষিত থাকে।
সাক্ষীর ভাতা: ট্রাইব্যুনাল মামলার সাক্ষীদের যাতায়াত এবং সময়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যুক্তিসঙ্গত অর্থ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের জন্য এই উদ্দেশ্যে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করবে, যাতে সাক্ষীরা তাদের উপস্থিতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পান।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ধারা ৩২: এই ধারাটি অভিযুক্ত বা শিকারের মেডিক্যাল পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতা সম্পর্কিত কোনো বিধান নেই।
ধারা ৩২ক: এই ধারাটি ডিএনএ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধানের সাথে সম্পর্কিত। এটি সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার বিষয়ে কোনো বিধান ধারণ করে না।
ধারা ৩১ক: এই ধারাটি ট্রাইব্যুনাল, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং পুলিশের জবাবদিহিতা এবং বিচারে বিলম্বের প্রতিবেদন সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এতে সাক্ষীর নিরাপত্তা বা ভাতার কোনো উল্লেখ নেই।

অর্থাৎ ধারা ৩২খ স্পষ্টভাবে সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং ভাতা প্রদানের বিষয়ে বিধান রাখে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।

৪৬.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিম্নের কোনটির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে করা কাজ অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. পাট মিল
  2. সরকারি ভবন
  3. টেলিফোন লাইন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ১৫ অনুযায়ী: অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
৪৭.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ______ বৎসরের কম বয়স্ক শিশুকে কোনো অবস্থাতেই গ্রেপ্তার করা যাবে না।
  1. ১১
  2. ১৮
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪৪ ধারার বিধান: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না।
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না।
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
৪৮.
'ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন'- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৮- আপীল
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

Section 28: Appeal
The party aggrieved by the order, judgment or punishment imposed by the Tribunal, can appeal to the High Court Division within the period of sixty days against such order, judgment or punishment.
৪৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, অধ্যাদেশের অধীন মামলা নিষ্পত্তির প্রাথমিক সময়সীমা কত?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালের কাছে অভিযোগ গঠনের পর মামলা নিষ্পত্তির জন্য ১৮০ কার্যদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
 যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৫০.
যৌতুকের জন্য নারীকে মারাত্মক জখম করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
 • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি-
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫১.
দুর্নীতি প্রতিরোধে “ফাঁদ মামলা (Trap case)” এর বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৬
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২১
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৬- ফাঁদ মামলা (Trap case):
দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্ত আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধৃত করিবার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার এর অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap case) প্রস্তুত করিতে বা পরিচালনা করিতে পারিবেন।
৫২.
সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৩.
১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হলে, সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সর্বোচ্চ কত কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫: মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।
৫৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় বর্ণিত যৌতুকের জন্য নারীর মৃত্যু ঘটানোর সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  3. ২০ বছর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞা অনুসারে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
  2. মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
  4. আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২ অনুসারে "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
- মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
- মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
- আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান
- মামলাপূর্ব ও মামলা-পরবর্তী মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি
তবে আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। আইনগত সহায়তা বলতে শুধুমাত্র আইনি সেবা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বহনকে বোঝায়, আবেদনকারীর ব্যক্তিগত বাসস্থানের ব্যবস্থা করাকে নয়।
---------- 
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) “আইনগত সহায়তা” অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;
(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

৫৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ বর্ণিত অপরাধ সমূহের বিচার করেন-
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. স্পেশাল জজ
  4. মহানগর দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৮ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
- (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 

- (২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
- (৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
৫৭.
“মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল” গঠন করবে কে?
  1. সরকার
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৪২: মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল:
(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে। 
 
(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ। 
৫৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ২১ক- লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:

(১) সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিতে পারিবে। 
 
(২) লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে আইনে পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন বিষয় প্রেরণ করা হইলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকিবে।
৫৯.
The Criminal Law Amendment Act, 1958 অনুযায়ী স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০ এ আপিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- ধারা-১০(১) অনুসারে: "স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।"
অর্থাৎ, স্পেশাল জজ যদি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ পদমর্যাদার হন, তাহলে তাঁর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০: আপিল, রিভিশন ও মামলা স্থানান্তর:
আপিল: স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।
রিভিশন: আপিল গ্রহণকারী আদালত রিভিশনের ক্ষমতা রাখবে।
খালাসের বিরুদ্ধে আপিল: স্পেশাল জজ যদি কোনো অভিযুক্তকে খালাস দেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দায়েরের নির্দেশ দিতে পারবে।
মামলা স্থানান্তর: হাইকোর্ট বিভাগ এক স্পেশাল জজের আদালত থেকে অন্য স্পেশাল জজের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারবে। তবে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬ সত্ত্বেও, স্থানান্তরের আবেদন নাকচ করলে স্পেশাল জজ মামলার শুনানি মূলতবি করতে বাধ্য নন এবং নাকচের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
অভিযোগ প্রত্যাহার: কমিশনের লিখিত আদেশ ছাড়া এই আইনের অধীনে কোনো অভিযোগ প্রত্যাহার করা যাবে না।

৬০.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে কী ধরণের আবেদন করা যায়?
  1. শুধু রিট
  2. শুধু আপিল
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৬১.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪: ধারা ৮- কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন।
৬২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর অধীন কোনো অফিসার কর্তৃক বেআইনি তল্লাশির দণ্ড কী?
  1. অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৬৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩৯ ধারায় কে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. সরকার
  2. ভিকটিম
  3. ট্রাইব্যুনালে
  4. মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৯: ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার:
ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
৬৪.
শিশু আদালত শিশুর _______ ব্যতীত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না। 
  1. বৈধ অভিভাবক
  2. আইনানুগ অভিভাবক
  3. মাতা-পিতা
  4. আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫- আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি

(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
৬৫.
সুপ্রিম কোর্ট লিগাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
  3. আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০- ধারা  ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:

(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: — 
 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য; 
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন; 
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি; 
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) অ্যাটর্নি-জেনারেল এর সহিত পরামর্শক্রমে কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল, যিনি ইহার সাচিবিক দায়িত্বও পালন করবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
৬৬.
একজন যুগ্ম দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে-
  1. দায়রা আদালতে
  2. সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬(২) ধারা অনুসারে প্রত্যেক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তার নিজস্ব দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইন অনুসারে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বলে গণ্য হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩০ ধারা অনুসারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে ৩০ দিনের মধ্যে।
--------------
⇒ Section 26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21: 

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.

(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

⇒ Section 30. Appeals and confirmation of death sentences:

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof. 
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
৬৭.
শিশু আইনে বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি কখন প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা যায়?
  1. শিশুকে গ্রেফতারের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)
 
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
৬৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে, ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে?
  1. ধারা ২৭৪
  2. ধারা ৩৭৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ৪৭৪
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন-
 
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
 
Section 29: Confirmation of death penalty-
 
When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৬৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ লাইসেন্স বা পারমিট একাদিক্রমে কত বছর নবায়ন না করলে পুনরায় নবায়নের যোগ্য হবে না?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩(২)-এর শর্তাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।"
অর্থাৎ, যদি কোনো লাইসেন্স বা পারমিট ধারাবাহিকভাবে তিন বছর নবায়ন না করা হয়, তবে তা আর নবায়নের যোগ্য থাকবে না। এরপর নতুন করে আবেদন করতে হতে পারে।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে।
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।

৭০.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের ৮গ ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কার্যপদ্ধতি কী দ্বারা নির্ধারণ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বারা
  2. মন্ত্রণালয়ের আদেশে দ্বারা
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
  4. সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার (১) উপ-ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নিজেই নির্ধারণ করিতে পারিবে। এর অর্থ হলো, কমিটি নিজের বিবেচনায় সভা পরিচালনার নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করতে পারে, এবং এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির আদেশ, মন্ত্রণালয়ের আদেশ বা সরকারি প্রজ্ঞাপনের কোনো ভূমিকা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

৭১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ “স্পেশাল জজ” বলতে কোন আইনের অধীনে নিযুক্ত জজকে বোঝায়?
  1. The Anti-Corruption Act, 1957
  2. The Criminal Law Amendment Act, 1958
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Anti-Corruption (Tribunal) Ordinance, 1960
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২(ঠ):
“স্পেশাল জজ” অর্থ the Criminal Law Amendment Act, 1958 (Act No. XL of 1958) এর section 3 এর অধীন নিযুক্ত Special Judge৷
৭২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী,  আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. ধ্বংস করার
  2. বিক্রি করার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. স্থানীয় থানার অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।

৭৩.
Whoever commits offence of manufactures, converts or sells or keeps, offers or exposes for sale any arms, ammunition or military stores in contravention of the provisions of section 5 of the Arms Act, 1878 এর সর্ব নিম্ন শাস্তি কত বছর?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
Section 5- Unlicensed manufacture, conversion and sale prohibited

No persons shall manufacture, convert or sell, or keep, offer or expose for sale, any arms, ammunition or military stores, except under a license and in the manner and to the extent permitted thereby. 

Nothing herein contained shall prevent any person from selling any arms or ammunition which he lawfully possesses for his own private use to any person who is not by any enactment for the time being in force prohibited from possessing the same; but every person so selling arms or ammunition to any person other than a person entitled to possess the same by reason of an exemption under section 27 of this Act shall, without unnecessary delay, give to the Magistrate of the district, or to the officer in charge of the nearest police-station, notice of the sale and of the purchaser's name and address.

Section 20- For secret breaches of sections 5, 6, 10, 14 and 15

Whoever does any act mentioned in clause (a), (c), (d) or (f) of section 19, in such manner as to indicate an intention that such act may not be known to any public servant as defined in the Penal Code, or to any person employed upon a railway or to the servant of any public carrier, and whoever, on any search being made under section 25 conceals or attempts to conceal any arms, ammunition or military stores, shall be punished with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both: 
 
Provided that if an offence committed under this section is in respect of a pistol, revolver, rifle or 17[shot gun or other fire-arm], the offender shall be punished with transportation for life on any shorter term, or with imprisonment for a term which may extend to fourteen years, or with fine.
৭৪.
একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী চাকরি দেয়ার নামে গরীব কর্মীদের বিদেশে পাচার করে এবং এতে বিপুল আর্থিক মুনাফা অর্জন করছে। উক্ত ঘটনায়, গোষ্ঠীর সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭: সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

⇒ সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
৭৫.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।

শিশু আইন ২০১৩ এর ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:

কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি-
⇒ অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড; অথবা
⇒ অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড; অথবা
⇒ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৭৬.
ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্ম লাভকারী শিশু কার পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার অধিকারী হবে?
  1. পিতার
  2. মাতার
  3. শিশুর ইচ্ছানুযায়ী ব্যক্তির
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:

(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।

(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।
৭৭.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৩৮(১ক) অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার মোট কয়টি বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮(১ক) অনুসারে নোটিশ প্রদানের ৩টি বৈধ পদ্ধতি উল্লেখ আছে:
১. ব্যক্তিগতভাবে সরবরাহ - ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করার মাধ্যমে। 
২. রেজিস্টার্ড ডাক - প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রেরণের মাধ্যমে। 
৩. পত্রিকায় প্রকাশ - বহুল প্রচারিত একটি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করার মাধ্যমে।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

-------
The Negotiable Instruments Act, 1881, Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.

৭৮.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর বিধান অনুসারে ডিক্রীকৃত অর্থ আদায়ের জন্য দায়িক, কে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখতে পারে-
  1. এক মাস পর্যন্ত
  2. তিন মাস পর্যন্ত
  3. ছয় মাস পর্যন্ত
  4. ডিক্রীকৃত অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪- দেওয়ানী আটকাদেশ

(১) উপ-ধারা (১২) এর বিধান সাপেক্ষে, অর্থ ঋণ আদালত, ডিক্রীদার কর্তৃক দাখিলকৃত দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে, ডিক্রীর টাকা পরিশোধে বাধ্য করিবার প্রয়াস হিসাবে, দায়িককে ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখিতে পারিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর উল্লিখিত বিধান, মূল ঋণ গ্রহীতার মৃত্যুর কারণে পারিবারিক উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী স্থলাভিষিক্ত দায়িক-ওয়ারিশদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
৭৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হলে তা কখন কার্যকর হবে?
  1. তৎক্ষণাত কার্যকর হবে
  2. দায়রা আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন

এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।

Section 29: Confirmation of death penalty

When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৮০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ড আদায়ের ক্ষেত্রে কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করা যাবে
  2. শুধুমাত্র বিদ্যমান সম্পদ হতে আদায় করা যাবে
  3. সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড এর দাবী প্রাধান্য পাবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- ভবিষ্যত সম্পত্তি হইতে অর্থদণ্ড আদায়:

এই আইনের ধারা ৪ হইতে ১৪ পর্যন্ত ধারাসমূহে উল্লিখিত অপরাধের জন্য ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আরোপিত অর্থদণ্ডকে, প্রয়োজনবোধে, ট্রাইব্যুনাল অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করিতে পারিবে এবং অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ হইতে আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে আদায়যোগ্য হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পদের উপর অন্যান্য দাবী অপেক্ষা উক্ত অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবী প্রাধান্য পাইবে।
৮১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এ অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে ধৃত না হলে, অভিযোগ/রিপোর্ট অপরাধ সংঘটনের কত কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে?
  1. ৩ কার্যদিবস
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৭ কার্যদিবস।

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

৮২.
দায়রা আদালত কোন অপরাধের বিচার করতে পারে না?
  1. হত্যা
  2. ডাকাতি
  3. অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখা
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
ব্যাখ্যা
• অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার বিচার ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারা অনুযায়ী হয়, যা বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর আওতাধীন। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী এই আইনে উল্লেখিত ও এই আইনের সিডিউলে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার এই আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে অনুষ্ঠিত হবে।
 
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-
 
১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
 
অর্থাৎ অবৈধ অস্ত্র দখলে রাখার অপরাধ স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচার্য বিষয়।
৮৩.
'আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু' বলতে বোঝায়-
  1. বিদ্যমান কোন আইনের অধীন অপরাধে অভিযুক্ত
  2. বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার
  3. শিশু আইনের অধীনে কোন অপরাধে অভিযুক্ত
  4. উল্লিখিত সকল শিশু
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩

ধারা ২(৪)-
‘আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু (Children in Contact with the Law)’ অর্থ এমন কোন শিশু, যে বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার বা সাক্ষী;
৮৪.
বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) কে তৈরি করে?
  1. বাহক (Bearer)
  2. ধারক (Holder)
  3. গ্রহীতা (Acceptor)
  4. প্রদানকারী (Drawer)
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুযায়ী, বিনিময় পত্র (Bill of Exchange) তৈরি করে প্রদানকারী (Drawer)। প্রদানকারী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিনিময় পত্রে স্বাক্ষর করে এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে (প্রদানকারী বা Drawee) নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য শর্তহীন নির্দেশ দেন।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৭ অনুসারে:
- প্রদানকারী (Drawer) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্র তৈরি করেন বা টানেন (draws the bill)
- গ্রহীতা (Acceptor) হলেন তিনি যিনি বিনিময় পত্রে সম্মতি প্রকাশ করেন
- ধারক (Holder) হলেন তিনি যিনি দলিলের দখলে থাকেন
- বাহক (Bearer) হলেন তিনি যিনি বাহকের নামে প্রদানযোগ্য দলিলের দখলে থাকেন
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ৫ এ বিনিময় পত্রের সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এটি একটি লিখিত দলিল যাতে নির্মাতা (maker) দ্বারা স্বাক্ষরিত শর্তহীন নির্দেশ থাকে। বিনিময় পত্রের ক্ষেত্রে এই নির্মাতাই হলেন প্রদানকারী (Drawer)।

⇒ Section-5. “Bill of exchange”
 A “bill of exchange” is an instrument in writing containing an unconditional order, signed by the maker, directing a certain person to pay on demand or at fixed or determinable future time a certain sum of money only to, or to the order of, a certain person or to the bearer of the instrument.

⇒ Section-7. The maker of a bill of exchange or cheque is called the “drawer;” the person thereby directed to pay is called the “drawee.”

৮৫.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার মামলার কারণ কখন উদ্ভব হয়? যে দিন-
  1. চেক ইস্যু করা হয়
  2. চেকটি অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়
  3. চেক দাতা নোটিশ গ্রহণ করেন
  4. চেক দাতার নোটিস প্রাপ্তির পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

 উক্ত আইনের ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক চেক গ্রহীতা বা ধারক চেক ডিজঅনারের বিষয়টি জানার পর ৩০ দিন সময় দিয়ে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দাতাকে নোটিশ দিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে, তার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
৮৬.
অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন কী জারি করতে পারে?
  1. রুল
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. ওয়ারেন্ট
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৮৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক অনুসারে, স্পেশাল মেডিয়েটরদের তালিকা প্রস্তুত করবে-
  1. সরকার
  2. জেলা আদালত
  3. জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
  4. চীফ লিগ্যাল এড অফিসার
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

⇒ “সংস্থা” অর্থ এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা;

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।

৮৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ‘মাদকাসক্ত’ এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(১৫) ধারায়
  2. ২(৩১) ধারায়
  3. ২(২৭) ধারায়
  4. ২(৩৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮

ধারা ২(৩১)-
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।
৮৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী কোন ধরনের মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে?
  1. যেখানে শুধু অর্থদণ্ড প্রযোজ্য
  2. যেখানে শাস্তি ২ বছরের বেশি নয়
  3. যেখানে শাস্তি ৩ বছরের বেশি নয়
  4. যেখানে শাস্তি ৫ বছরের বেশি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৮ অনুসারে: "বিচারের বিশেষ পদ্ধতি:-  এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক কারাদণ্ড না হইলে, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করিতে হইবে।"
অর্থাৎ, যে সকল মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড নয় (মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন বা ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হলে), সেসব মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে।
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নিষ্পন্ন হবে যদি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা ৫ (পাঁচ) বছরের অধিক কারাদণ্ড না হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২-এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ, যেসব অপরাধের শাস্তি ৫ বছর বা তার কম হয়, সেগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হবে।

৯০.
'ক' তার বন্ধু 'খ' কে ত্রিশ হাজার টাকা ধার দেয়। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার সময় 'খ', 'ক' কে চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিতে বলেন। 'ক' ব্যাংকে গিয়ে দেখেন একাউন্টে কোনো টাকা নেই। 'ক' যথাযথ কার্যক্রম সম্পন্ন করে 'খ' এর বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা করে। এক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী 'খ' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. চেকে উল্লেখিত টাকার ২ গুন জরিমানা
  3. চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৯১.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৬ অনুযায়ী জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব কে হবেন?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. রেজিস্ট্রার জেনারেল
  4. আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬(১)(দ) অনুসারে, জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সদস্য-সচিব হলেন নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। 
- "(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।"

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৬-জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
(১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী/উপদেষ্টা, যিনি বোর্ডের চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) জাতীয় সংসদের স্পিকার মনোনীত ২ (দুই) জন সংসদ-সদস্য, যাহাদের একজন সরকারদলীয় এবং অপরজন বিরোধীদলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল;
(ঘ) সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;
(ঙ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(চ) সচিব, অর্থ বিভাগ;
(ছ) সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ;
(জ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
(ঝ) সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
(ঞ) রেজিস্ট্রার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(ট) মহা-পুলিশ পরিদর্শক;
(ঠ) মহা-কারা পরিদর্শক;
(ড) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল;
(ঢ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতি;
(ণ) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা;
(ত) সরকার কর্তৃক মনোনীত আইন ও অধিকার সম্পর্কিত বেসরকারি সংস্থার ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি;
(থ) সরকার কর্তৃক নারী সংস্থা হইতে মনোনীত ৩ (তিন) জন প্রতিনিধি; এবং
(দ) নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের প্রত্যেকে স্ব স্ব মনোনয়ন প্রাপ্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ উদ্ভব হইলে সরকার উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের যে কাহারো মনোনয়ন মেয়াদপূর্তির পূর্বেই বাতিল করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ত) ও (থ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।

৯২.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ কী সাজা দিতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা (Powers of Special Tribunals):

যেকোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ কিছু থাকলেও, এই ধারার অধীন নিম্নরূপ ব্যবস্থা করা হয়েছে:
(ক) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় সেশন জজ, অতিরিক্ত সেশন জজ, অথবা সহকারী সেশন জজ দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে,
- তার জন্য আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে।

(খ) যদি কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা, তবে
- উক্ত ট্রাইব্যুনাল যে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তার জন্য
- আইনে অনুমোদিত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে, তবে নিম্নোক্ত দণ্ড প্রদান করিতে পারিবে না:
• মৃত্যুদণ্ড;
• যাবজ্জীবন কারাদণ্ড;
• সাত বছরের বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড;
• ১০,০০০ টাকার বেশি অর্থদণ্ড।
৯৩.
কারফিউ আদেশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৪: কারফিউ (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণে, আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবেন যে—যে কোনো এলাকা বা এলাকায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, কোনো ব্যক্তি বাইরে থাকতে পারবে না, তবে যে ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত লিখিত পারমিট থাকবে তার ব্যতীত। আদেশে নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হতে পারে।

(২) এই ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে, অপরাধীকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

৯৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুযায়ী, আয়ের সীমা বিবেচনা করা ব্যতীত কোন সকল ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য?
  1. শিশু
  2. ব্যবসায়ী
  3. সরকারি কর্মকর্তা
  4. বৈদেশিক শিক্ষার্থী
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪-এর অনুচ্ছেদ ২(২) এ আয়ের সীমা বিবেচনা না করে কিছু বিশেষ শ্রেণির ব্যক্তিদের সরাসরি আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে "শিশু"।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪-এর অনুচ্ছেদ ২-এর উপ-অনুচ্ছেদ (২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আয়ের সীমা বিবেচনা না করেই (অর্থাৎ আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন) নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য বলে গণ্য হবেন:
- শিশু
- মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি
- শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু
- নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে
- ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তি
- পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি
- বয়স্ক ভাতাভোগী ব্যক্তি
- ভিজিডি কার্ডধারী দুস্থ মাতা
- এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু
- অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুস্থ মহিলা
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
- আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অধিকার প্রতিষ্ঠায় অক্ষম ব্যক্তি
- বিনা বিচারে আটক ব্যক্তি
- আদালত বা জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অসচ্ছল বলে বিবেচিত ব্যক্তি
- সংস্থা কর্তৃক চিহ্নিত অন্যান্য দুর্যোগকবলিত বা অসচ্ছল ব্যক্তি

অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র “শিশু” এই তালিকায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত। অন্য অপশনসমূহ (ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, বৈদেশিক শিক্ষার্থী) আয়ের সীমা বিবেচনা ব্যতীত যোগ্যতার তালিকায় নেই; তাদের ক্ষেত্রে সাধারণত আয়ের সীমা (অথবা অন্যান্য শর্ত) যাচাই করা হয়।


৯৫.
কোনো কোম্পানি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত অপরাধ করলে, কে দায়ী হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র কোম্পানির পরিচালক
  3. কোম্পানির মালিক এবং শেয়ারহোল্ডারগণ শুধু
  4. কোম্পানি এবং কোম্পানির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয়ই
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।

৯৬.
'মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬' কবে জারি করা হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  2. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
⇒ ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ (২০২৬ সনের ০৫ নং অধ্যাদেশ) ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রণীত হয় এবং সরকারি গেজেট (Extraordinary Gazette) এ প্রকাশিত হয়েছে।
- এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের মাধ্যমে পূর্বে প্রচলিত 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩ নং আইন)' সম্পূর্ণরূপে রহিত করা হয়েছে।
- 'মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬' এ মোট ৯টি অধ্যায় এবং ৬৫টি ধারা রয়েছে।

৯৭.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আপীল দায়েরের পূর্বে সর্বনিম্ন কত শতাংশ অর্থ জমা দিতে হবে?
  1. ১০%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
- চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
- চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।

NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
৯৮.
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত শাস্তির বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন

বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কোন আপীল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ দান বা ঘোষণা প্রকাশের তারিখ হতে ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন মৃত্যুদণ্ডাদেশ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। 

Section 30: Appeals and confirmation of death sentences

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
৯৯.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১গ(১) এর অধীন মধ্যস্থতা চুক্তি কী হিসাবে গণ্য হবে?
  1. আদালতের ডিক্রি
  2. আদালতের নোটিশ
  3. আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ
  4. পক্ষগণের নোটিশ
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১গ: মধ্যস্থতা-চুক্তির কার্যকারিতা:
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।

১০০.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. চেকের অর্ধেক টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।

সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।