বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

মোট প্রশ্ন২৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ২৩৬

.
প্রকল্প হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক যাত্রা শুরু করে -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
- এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
- এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
- তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
বর্তমানে বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২৮টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৯টি 
ব্যাখ্যা

• বীমা:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ।

.
কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য কত সালে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে 
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি):
- কৃষি ও কৃষিভিত্তিক খাতে ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিকেবি অর্ডার ১৯৭৩ এর অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

⇒ ১৯৭৩ সালের ২৭ নং রাষ্টপতি আদেশ অনুসারে, জলবায়ু-নির্ভর অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিকেবি আমানত, ঋণ, অনলাইন ব্যাংকিং, কম্পিউটারাইজড ব্যাংকিং, স্বয়ংক্রিয় বৈদেশিক রেমিটেন্স সিস্টেম এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসহ সকল প্রকার ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদন করে। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) বাংলাদশে কৃষি ঋণের অগ্রদূত। বিকেবি কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, অতি দরিদ্র, বর্গা চাষী এবং সাধারন জনগনের জন্য ঋণ সুবিধা দিয়ে থাকে যারা কৃষি উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সফলতার মূল পরিচালক।
- এর প্রধান কার্যালয়: মতিঝিল সি/এ, ঢাকা।

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) ওয়েবসাইট।

.
তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট কতটি? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ৬২ টি
  2. ৬১ টি
  3. ৬৩ টি
  4. ৬৪ টি
ব্যাখ্যা

• তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২টি।

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

.
সম্প্রতি দেশের কোন ব্যাংক প্রথমবারের মতো সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড চালু করেছে?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি
  2. ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।
- এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এএমডি আহমেদ শাহীন ও ডিএমডি এম খোরশেদ আনোয়ার; ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং দ্য ইউরস ট্রুলির চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম, এমডি মাহজাবিন ফেরদৌস ও সিইও ব্রেইটি সাবরিন।

উৎস: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. সফিউল কাদের
  3. লুৎফর রহমান
  4. এম এ বাকী খলীলী
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বে আধুনিক ক্ষুদ্রঋণের জনক তিনি।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের স্থপতি সফিউল কাদের।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
.
কোন দুটি ব্যাংক একীভূত করে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ঢাকা ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
  2. বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
  3. আব্দুল্লাহ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংক
  4. ঢাকা ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক:
- বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূত করে ১৬/১১/২০০৯ খ্রি. তারিখে শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) "কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮নং আইন)" এর আওতায় ১৬ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয় এবং ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিডিবিএল এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে সম্পাদিত Vendors Agreement মোতাবেক বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সকল সম্পদ-দায় বিডিবিএল এর নিকট হস্তান্তরিত হয় এবং ০৩ জানুয়ারি, ২০১০ খ্রি. তারিখে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী:
- দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), অবকাঠামো, ইউটিলিটি, পরিবহন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান;
- আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা;
- দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
BACPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Automated Check Processing System
  2. Bangladesh Automated Clearance Processing System
  3. Bangladesh Automated Character Processing System
  4. Bangladesh Automated Cheque Processing System
ব্যাখ্যা
BACPS:
- BACPS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Automated Cheque Processing System.

উল্লেখ্য,
- BACH হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস, যেখানে দু'ধরণের আন্তঃব্যাংক লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।
- একটি হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক প্রসেসিং সিস্টেম (BACPS), যার মাধ্যমে ব্যাংকসমূহের ক্লিয়ারিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- অপরটি হচ্ছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN) যার মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক ইলেকট্রনিক ডেবিট ও ক্রেডিট লেনদেনসমূহ পরিচালিত হয়।

⇒ চেক ক্লিয়ারিং:
- চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য চেকের প্রাপককে নিম্নোক্ত হারে চার্জ পরিশোধ করতে হয়:
• ৫০,০০০ টাকার নিচে চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না;
• ৫০,০০০ টাকা বা এর বেশি কিন্তু ৫ লক্ষ টাকার নিচে চেক এর জন্য ভ্যাটসহ মোট ১০ টাকা;
• ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক Regular Value ক্লিয়ারিং এর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ ২৫ টাকা; ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক High Value ক্লিয়ারিংএর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ মোট ৬০ টাকা; • সকল ধরণের G2P অর্থাৎ কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে দেয়া সরকারি চেক, সরকারি পাওনার বিপরীতে কিংবা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার বিভিন্ন পাওনার বিপরীতে অথবা ইউটিলিটি বিলের বিপরীতে প্রদত্ত চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ পরিশোধ করতে হয় না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশে VAT চালু হয় কত সালে?
  1. ১ জুলাই, ১৯৮৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জুলাই, ১৯৯১
  4. ১ জুলাই, ১৯৯২
ব্যাখ্যা
• মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর
- তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

উৎসঃ এনবিআরের ওয়েবসাইট।
১১.
মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৪ সাল
  2. ২০০৬ সাল
  3. ২০০৮ সাল
  4. যৌথভাবে পুরস্কার পাননি
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে রয়েছে:
- স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।


উৎস: ইউনূস সেন্টার।
১২.
বাংলাদেশে প্রথম স্বতন্ত্র আইএফআরএস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. এবি ব্যাংক
  3. সিটি ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
আইএফআরএস প্রতিবেদন:
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র আইএফআরএস ‘এস-১’ ও ‘এস-২’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
- ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবিলিটি স্ট্যান্ডার্স বোর্ডের (আইএসএসবি) তৈরি জলবায়ু ও টেকসই ঝুঁকি প্রকাশের বৈশ্বিক ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে এ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই প্রতিবেদনে টেকসই ও জলবায়ু–সম্পর্কিত ঝুঁকি ও সুযোগে কীভাবে ব্র্যাক ব্যাংক এক্সপোজার শনাক্ত, পরিচালনা ও প্রকাশ করে থাকে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
- প্রথম ইনডিপেনডেন্ট রিপোর্ট প্রকাশের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে নতুন প্রবর্তিত এই স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (আইএফআরএস) এস–১ ও এস–২ স্ট্যান্ডার্ডস প্রবর্তিত হয়।
- যা সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু–সম্পর্কিত আর্থিক তথ্য প্রকাশে একটি সমন্বিত ও বিনিয়োগকারীকেন্দ্রিক কাঠামো প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৩.
কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. BSEC
  2. FID
  3. Bangladesh Bank
  4. CDBL
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আহম্মদুল্লাহ মিয়া
  3. ডা. এ কে এম আবদুল ওয়াহেদ
  4. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
BRAC: 
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- ফজলে হাসান আবেদ যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট' উপাধি লাভ করেন।

উৎস: ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
১৫.
সিকিউরিটি প্রেস থেকে প্রথম ছাপানো নোট কোনটি?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০ টাকা
  3. ১০ টাকা
  4. ৫ টাকা
  5. ২ টাকা
ব্যাখ্যা
• ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’:
- বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা টাকার প্রথম প্রচলন শুরু হয় ০৪ মার্চ, ১৯৭২ সনে।
- দেশের নিজস্ব মুদ্রণালয় না থাকায় প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কারেন্সি নোট ও ব্যাংক নোট আমদানীপূর্বক দেশে নোটের চাহিদা মিটানো হতো।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- যা ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট;
- এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ হয়। 
-  ৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সনে  বাংলাদেশের মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস ওয়েবসাইট।
১৬.
কোন রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  3. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

⇒ সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২৩৪টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে। নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৭.
What does NPSB stand for in Bangladesh's banking sector?
  1. National Payment System of Banks
  2. National Payment Switch Bangladesh
  3. National Processing Service Bureau 
  4. Network Payment and Settlement Board
ব্যাখ্যা

NPSB:
- NPSB-এর পূর্ণরূপ: National Payment Switch Bangladesh.

⇒ NPSB হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক রিটায়েল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম।
- NPSB সিস্টেম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- NPSB পদ্ধতির আওতায় বর্তমানে আন্তঃব্যাংক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম), পয়েন্ট অফ সেলস (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) লেনদেন প্রক্রিয়া করছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN)। বাংলাদেশে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অত্যান্ত চমৎকার একটি ব্যাংকিং সেবা। যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার নিকটাবর্তী যে কোনো একটি ব্যাংকের শাখা থেকে থেকে অতি অল্প সময়ে ও কম খরচে অন্য আরেকটি ব্যাংকের যে কোনো শাখায় টাকা পাঠাতে পারবেন। এটির মাধ্যমে ক্রেডিট ও ডেবিট দুই ধরনেরই লেনদেন করা যায়। বাংলাদেশে কার্যরত সব তফশিলি ব্রাংক BEFTN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অর্থ লেনদেন সেবা দিচ্ছে।
- এনপিএসবি ও বিইএফটিএন ছাড়াও আরেকটি পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে আরটিজিএস (RTGS) বা রিয়েল টাইম গ্রোস সিস্টেম (Real Time Gross System)। এ পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৮.
NDB -এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB):
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা NDB মূলত BRICS জোটের উদ্যোগে গঠিত একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- BRICS-এর পাঁচ দেশ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) ২০১৪ সালের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- পরে ২০১৫ সালে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার সময় NDB-এর সদস্য ছিল মাত্র পাঁচটি BRICS দেশই।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, উরুগুয়ে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আলজেরিয়া যোগ দেওয়ায় বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯টি দেশ।
- ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- ব্যাংকটির মূল লক্ষ্য হলো-
• উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন;
• এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ ও অর্থায়ন প্রদান করা। 
- এটি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর একটি বিকল্প আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবেও বিবেচিত হয়। 

উৎস: New Development Bank Official Website.

১৯.
বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ ব্যাংক খাত:
• দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।

উল্লেখ্য,
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম। 

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিলভুক্ত নতুন ইসলামি ব্যাংক কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. জনতা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  2. আল-বারাকাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  3. আল-ফালাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  4. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রজ্ঞাপনে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এর আগে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা।
- অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

উৎস:- দ্যা বিজন্যাস স্ট্যান্ডার্ড।

২১.
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী কোনটি?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. প্রিন্সিপাল অফিসার
  4. পরিচালক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।



তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
২২.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক -
  1. আইএফআইসি ব্যাংক
  2. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. সিটি ব্যাংক
  4. গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসি।
- ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
২৩.
সম্প্রতি দেশের পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে কী নামকরণ করা হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. সমন্বিত ইসলামী ব্যাংক
  2. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক 
  4. কেন্দ্রীয় ইসলামী ব্যাংক 
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

উৎস: i) BRAC EPL.
ii) প্রথম আলো।

২৪.
বাংলাদেশের কোন সংস্থাটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও হিসেবে পরিচিত?
  1. ব্র্যাক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. আশা
  4. বার্ড
ব্যাখ্যা
BRAC:
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
২৫.
When did Grameen Bank start working as "Grameen Bank Project"?
  1. in 1973
  2. in 1976
  3. in 1983
  4. in 1986
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৬.
দেশের মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. একনেক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক: 
- দেশের মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ (১৯৭২ সালের পিও নং ১২৭) অনুসারে ঢাকায় একটি কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহে এর দশটি অফিস রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
২৭.
বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের বৈধ মাধ্যম কোনটি?
  1. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন
  2. মানিগ্রাম
  3. রিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণের বৈধ পন্থা:
- প্রাপকের অনুকূলে রেমিট্যান্স/চেক/ড্রাফট/টিটি/এমটি ইত্যাদি শুধুমাত্র বাংলাদেশে ব্যবসারত কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ বৈধ।
- প্রবাসী আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্স করা যায়।
- গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ হাউস:
i) Western Union Money Transfer
ii) Transfast Remittance L.L.C. Global
iii) Moneygram International
iv) RIA Finanacial Services LTD
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা সংগৃহীত হবে না এমন কোন পন্থার (যেমন অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম) অবলম্বন Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় দন্ডনীয় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোনালী ব্যাংক।
২৮.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) কত সালে গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৩ 
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৫৪
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

২৯.
Name of the bank established under Bangladesh Police Welfare Trust is -
  1. Mutual Trust Bank
  2. Community Bank Bangladesh Ltd.
  3. IFIC Bank
  4. Trust Bank Bangladesh Ltd.
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- ব্যাংকটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।
৩০.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  3. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:

- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩১.
১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে কোন দুটি ব্যাংক একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড
  2. ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  4. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পর স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে সাথে, রক্ত, অশ্রু, বেদনা এবং আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনের বেদনায় ভরা একটি যুদ্ধ, দেশের ইতিমধ্যেই ভাঙা আর্থিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের উত্তরাধিকারকে একটি নবজাত রাষ্ট্রের ধসে পড়া অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দিনের একটি জরুরি আহ্বান হিসেবে অনুভূত হয়েছিল।
- এই পটভূমিতে, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য, এই অঞ্চলে পূর্বে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে নতুন ব্যাংক তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং এই উদ্যোগের ফলে ১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে পূর্ববর্তী ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।

⇒ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর জনতা ব্যাংক জয়েন্ট স্টক অফ রেজিস্ট্রারদের সাথে নিবন্ধিত হয় এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২০২০ সংশোধনীর আওতায়, ব্যাংকটির নামকরণ করা হয় জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- চেয়ারম্যান: জনাব এম. ফজলুর রহমান।

উৎস: Janata Bank PLC ওয়েবসাইট।
৩২.
বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. এনবিআর
  3. ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন
  4. আইডিআরএ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA)।

• Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA)

» প্রতিষ্ঠা:
- IDRA গঠিত হয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১০ অনুযায়ী।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ জানুয়ারি ২০১১-এ।

» উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশের বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
পলিসি ধারকদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ কার্যকর করার মাধ্যমে বীমা শিল্পের বিন্যস্ত উন্নয়ন ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা।

» গঠন:
- নেতৃত্বে একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য।
- বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক রয়েছেন।

» প্রধান কার্যক্রম ও দায়িত্ব:
- বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান করা।
- বীমা, পুনর্বীমা, মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফিকেট প্রদান, নবায়ন, পরিবর্তন বা বাতিল করা।
- বীমা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও তদন্ত করা।
- নতুন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
- তহবিল ও বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, সলভেন্সি মার্জিন রক্ষা।
- প্রিমিয়াম হার নির্ধারণ ও বীমাকারীর সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
- বিরোধ বা দাবি সমাধান এবং অ্যাকচুয়ারিয়াল রিপোর্ট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া নির্ধারণ।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।  

৩৩.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৬টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬২টি।
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৩৪.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৩৫টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪৫টি
  4. ৪৬টি
ব্যাখ্যা

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- - দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট। [link]
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।

৩৫.
দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক কোনটি?
  1. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  2. প্রাইম ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  3. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক 'নগদ':
- দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি'।
- আইনে বিশেষ ছাড় দিয়ে ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এর ফলে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬২।

⇒ ব্যাংক কোম্পানি আইনে একক ব্যক্তি, পরিবার বা কোম্পানির কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণে যে বিধিনিষেধ রয়েছে, সেটিতেই ছাড় দেওয়া হয়েছে নগদকে।
- ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪ক(১) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ব্যাংকের শেয়ার কেন্দ্রীভূত করা যাবে না।
- এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা পরিবারের সদস্যরা একক, যৌথ বা উভয় নামে কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার কিনতে পারবেন না।
- তবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের শেয়ারের ক্ষেত্রে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ওই ধারা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
- অর্থাৎ নগদ ডিজিটাল ব্যাংকে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারধারী রয়েছে।

⇒ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১২৭ নম্বর আদেশ)-এর ৩৭(২) (a) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (৩ জুন) থেকে 'নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত করা হল।
- ফলে এখন থেকে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংকের মতোই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক।
- তবে ব্যাংকটির সদর দফতর থাকলেও অন্য কোনো শাখা থাকবে না।

উৎস: i) Nagad ওয়েবসাইট।
ii) ৪ জুন ২০২৪, প্রথম আলো।
৩৬.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল -
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন  প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৭.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কতজন? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে। এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ৪ জন।
- এরা হলেন - নুরুন নাহার, ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী, ডাঃ মোঃ কবির আহমেদ। 

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]
৩৮.
বাংলাদেশে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ৪৫টি
  2. ৩৭টি
  3. ৪৩টি
  4. ৪৭টি
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকের প্রকারভেদ:
------------------------------------------------
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,( বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

​উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৩৯.
দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।
- এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এএমডি আহমেদ শাহীন ও ডিএমডি এম খোরশেদ আনোয়ার; ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং দ্য ইউরস ট্রুলির চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম, এমডি মাহজাবিন ফেরদৌস ও সিইও ব্রেইটি সাবরিন।

উৎস: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।
৪০.
বাংলাদেশের সরকারি নোট কোনগুলো?
  1. ১০, ২, ২০ টাকার নোট
  2. ১, ২, ৫ টাকার নোট
  3. ১০, ২০, ৫ টাকার নোট
  4. ১০, ২, ৫ টাকার নোট
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশের নতুন ১০০ টাকার নোটে সামনের অংশে বামপাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে।
- পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

৪১.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী, জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন কত?
  1. ৩০০ কোটি টাকা
  2. ৫০০ কোটি টাকা
  3. ৭০০ কোটি টাকা
  4. ৯০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বীমা কর্পোরেশন: 

- বীমা হলো একটি চুক্তি।এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৪২.
বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকির দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস রেগুলেটরি কমিশন
  3. সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান' বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্স প্রদান, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং তদসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

- তফসিলি ব্যাংক ছাড়াও দেশে কার্যরত সকল ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (Non-Bank Financial Institutions)
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৩৫ টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে। 
- সাধারণত মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ কোম্পানী, মিউচুয়াল এসোসিয়েশন, মিউচুয়াল কোম্পানি, লিজিং কোম্পানি এবং বিল্ডিং সোসাইটিসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট। Link

৪৩.
New Development Bank-এর বর্তমান সভাপতি কে?
  1. দিলমা রুসেফ
  2. মার্কোস প্রাডো
  3. লেসলি ম্যাসডর্প
  4. কে ভি কামাথ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

New Development Bank:

- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।

অন্যদিকে -
- কে ভি কামাথ নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- লেসলি ম্যাসডর্প নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- মার্কোস প্রাডো ট্রয়জো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট।

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
৪৪.
বাংলাদেশের কতটি জীবন বীমা কোম্পানি রয়েছে?
  1. ৩৬
  2. ২৬
  3. ৪৬
  4. ৫৬
ব্যাখ্যা

• বীমা প্রতিষ্ঠান:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

• বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং ডেইলিস্টার বাংলা [লিংক]।

৪৫.
ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. যমুনা ব্যাংক 
  2. পূবালী ব্যাংক 
  3. জনতা ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক 
ব্যাখ্যা

জনতা ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পর স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে সাথে, রক্ত, অশ্রু, বেদনা এবং আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনের বেদনায় ভরা একটি যুদ্ধ, দেশের ইতিমধ্যেই ভাঙা আর্থিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের উত্তরাধিকারকে একটি নবজাত রাষ্ট্রের ধসে পড়া অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দিনের একটি জরুরি আহ্বান হিসেবে অনুভূত হয়েছিল।
- এই পটভূমিতে, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য, এই অঞ্চলে পূর্বে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে নতুন ব্যাংক তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং এই উদ্যোগের ফলে ১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে পূর্ববর্তী ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়

⇒ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর জনতা ব্যাংক জয়েন্ট স্টক অফ রেজিস্ট্রারদের সাথে নিবন্ধিত হয় এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২০২০ সংশোধনীর আওতায়, ব্যাংকটির নামকরণ করা হয় জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- চেয়ারম্যান: জনাব এম. ফজলুর রহমান।

উৎস: Janata Bank PLC ওয়েবসাইট।

৪৬.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. রূপালী ব্যাংক
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. পূবালী ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৭.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে-
  1. জনতা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. রূপালী ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে।

• সোনালী ব্যাংক:

- ১৯৭২ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও প্রিমিয়ার ব্যাংক একত্রে “সোনালী ব্যাংক” নামে প্রতিষ্ঠিত।
- ৩ জুন ২০০৭-এ কোম্পানি নিবন্ধন, ৫ জুন ২০০৭-এ ব্যাংকিং লাইসেন্স এবং ১৫ নভেম্বর ২০০৭-এ কার্যক্রম শুরু।
- ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে “সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড” নামে সাবসিডিয়ারী কোম্পানি মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ২৯ জুন ২০১০ থেকে ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু।
- “সোনালী ফাউন্ডেশন” পরিচালনা করে কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব কার্যক্রম।
- মোট শাখা: ১,২৩৪ (দেশে ১,২৩২, বিদেশে ২); গ্রামাঞ্চল ৬৯৬, শহরাঞ্চল ৫৩৬।
- বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রমের জন্য ৪৮ অনুমোদিত শাখা ও ৬১৭ বৈদেশিক করেসপন্ডেন্ট রয়েছে।
- প্রশাসনিক ইউনিট: ১৮ জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ৬৯ প্রিন্সিপাল অফিস, প্রধান কার্যালয়ের ৪৭টি বিভাগ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জ কোম্পানী (৯টি শাখা), যুক্তরাজ্যে ৬টি শাখা, সৌদি আরব ও কুয়েতে প্রতিনিধি অফিস।
- মালয়েশিয়ায় IME, SDN BHD ও মে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রেরিত অর্থ কার্যক্রম পরিচালনা।
- প্রশিক্ষণ: ঢাকায় স্টাফ কলেজ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া ও ময়মনসিংহে ইনস্টিটিউট।
- ঋণ ও অর্থনৈতিক সহায়তা: কৃষি ও শিল্প প্রকল্প ঋণ, আমদানী-রফতানি ঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ, SME ঋণ, ভোগ্যপণ্য ঋণ ইত্যাদি।
- দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং জনসাধারণকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা।

উৎস: সোনালী ব্যাংক ওয়েব সাইট।

৪৮.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে কোন ব্যাংক?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। 
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে। 
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৯.
বাংলাদেশে আইএমএফ-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  2. ধানমন্ডি, ঢাকা
  3. টঙ্গী, গাজীপুর
  4. আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা
IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৫০.
কত সালে দেশে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।
 
উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
একটি চেকের বৈধতা কতদিন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১ বছর
  5. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা

একটি চেকের বৈধতা ৬ মাস বা ১৮০ দিন।

চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী  একটি চেকের বৈধতার মেয়াদ সাধারণত ইস্যু করার তারিখ থেকে ৬ মাস (১৮০ দিন) পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এরপর আর উক্ত চেকের মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে না। 
- তারিখ পরিবর্তন করে প্রস্তুতকারকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আবার টাকা উত্তোলন করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ধাতব মুদ্রা প্রচলন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭১ সালে 
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে প্রথম চারটি ধাতব মুদ্রা প্রচলন করা হয়।
- এগুলো হচ্ছে পাঁচ পয়সা, ১০ পয়সা, ২৫ পয়সা এবং ৫০ পয়সা।
- এর পরের বছর ১৯৭৪ সালে আরেকটি নতুন মুদ্রা সংযোজিত হয় যার মূল্যমান ছিল এক পয়সা।

⇒ ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ কয়েনেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী, এই ধাতব মুদ্রাগুলো বাতিল বা অচল করা হয়নি এবং এগুলো এখনো চাহিদা অনুযায়ী বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যে এক, পাঁচ ও ১০ পয়সার কয়েন প্রচলিত হয়েছিল, সেগুলো মূলত অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। অন্যদিকে ২৫ এবং ৫০ পয়সা ছিল ইস্পাতের তৈরি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে যেসব কাগজের তৈরি ব্যাংক নোট রয়েছে সেগুলো বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন থেকে ছাপানো হয়। কিন্তু ধাতব মুদ্রা দেশে নয় বরং অন্য দেশ থেকে তৈরি করে নিয়ে আসতে হয়।
- বাংলাদেশে সবশেষ ২০১১-১২ অর্থবছরে তিনটি ধাতব মুদ্রা বিদেশ থেকে মিন্ট করে বা তৈরি করে নিয়ে আসা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশে ব্যাংক এবং বিবিসি।

৫৩.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. সীমান্ত ব্যাংক
  3. ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- এই ব্যাংকটি আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (এডব্লিউটি) দ্বারা পরিচালিত।
- বিস্তৃত পরিসরের কর্পোরেট, খুচরা, এসএমই এবং ইসলামিক ব্যাংকিং পণ্য নিয়ে টিবিএল ১৯৯৯ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে এবং তখন থেকে একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনসাধারণের আস্থা অর্জন করেছে।
- চেয়ারম্যান: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। 
- ভাইস চেয়ারম্যান: মেজর জেনারেল মোঃ মাসুদুর রহমান। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫-এর অধীনে সৃষ্ট সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক সীমান্ত ব্যাংক।

উৎস: ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

৫৪.
কোনটি নৌ-বীমার অত্যাবশ্যকীয় শর্ত নয়?
  1. যাত্রার নিরাপদ সময়
  2. নিরাপত্তা বহর সাথে রাখা
  3. জলদস্যুর উৎপাত
  4. যাত্রার সুনির্দিষ্ট তারিখ
  5. সম্পদের নিরপেক্ষতা ঘোষণা
ব্যাখ্যা
নৌ বীমা:
- নৌবীমা মূলত সম্পত্তি বীমা।
- সমুদ্র পথে চলাচলকালে টাকায় পরিমাপযোগ্য সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ও বিপদজনিত ঝুঁকির বিপরীতে যে বীমা করা হয় তাকে নৌবীমা বলে।
- নৌবীমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য হলো নৌ বিপদ সমূহের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা, আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি, সঞ্চয় সংগ্রহ ও মূলধন গঠন, কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, অদৃশ্যমান রপ্তানী আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি, সামুদ্রিক ক্ষতি সর্বনিম্ন করণ প্রভৃতি।

⇒ নৌ বীমায় ব্যবহৃত কতিপয় শব্দ ও ধারা হলো বীমাকারীর নাম, বীমাকৃত বিষয়বস্তু ও বীমাকৃত ঝুঁকির উল্লেখ, সমুদ্র যাত্রা বা অভিযাত্রা বা উভয়েরই উল্লেখ, বীমাকৃত অর্থের পরিমাণ, বীমাকারী বা বীমাকারীগণের নাম, বীমাপত্রের প্রাথমিক শব্দাবলী, স্বত্ব নিয়োগ ধারা, হারান বা না হারান, সমুদ্র যাত্রার বিবরণ, জাহাজের নাম, কাপ্তানের নাম, ঝুঁকির আরম্ভ ও পরিসমাপ্তি, ঘাটে ভিড়ান ও অবস্থান, যাত্রার পরিবর্তন, যাত্রা পরিত্যাগ, ব্যয়দাবী ও শ্রমধারা, পরিহার ধারা, প্রতিদান ধারা, স্মারকলিপি ধারা, পণ্যগার থেকে পণ্যাগার ধারা, যুদ্ধ বিগ্রহের ধারা, ব্যর্থতার ধারা, জাহাজ বা পণ্য বন্ধকীতে ঋণ গ্রহন ধারা মেয়াদ বৃদ্ধি ধারাসহ সময়, পণ্য ও মাসুল ধারা উল্লেখযোগ্য।

⇒ নৌ-বীমার শ্রেণীবিন্যাস:
১। জাহাজ বীমা,
২। পণ্য বীমা,
৩। মাসুল বীমা,
৪। দায়-বীমা।

⇒ ব্যক্ত প্রকাশিত শর্তাবলী:
১। যাত্রার নিরাপদ সময়,
২। যাত্রার সুনির্দিষ্ট তারিখ:,
৩। নিরাপত্তা রক্ষী সাথে রাখা,
৪। সম্পদের নিরপেক্ষতা ঘোষণা।

অন্যদিকে,
- জলদস্যুর উৎপাত নৌ-বীমার অত্যাবশ্যকীয় শর্ত নয়।

উৎস: ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক কোনটি?
  1. NCC Bank PLC
  2. Eastern Bank PLC
  3. Trust Bank PLC
  4. Community Bank Bangladesh PLC
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

৫৬.
Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
  4. সিটি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
Bkash ব্র্যাক ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে।

বিকাশ (Bkash):

- Bkash-এর যাত্রা শুরু ২০১১ সালে।
- ব্র্যাক ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল এবং সফটব্যাংক-এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল আর্থিক সেবা দিয়ে আসছে।

⇒ দেশজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্চেন্টের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিকাশ একটি ক্যাশলেস ডিজিটাল আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে। ফলে, প্রায় ৮ কোটি গ্রাহকের আস্থা নিয়ে বিকাশ এখন প্রতিদিনের সঙ্গী।
- বাংলাদেশের ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট-২০২৩ এ ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার’ সম্মাননায় ভূষিত হয় বিকাশ।

উৎস: বিকাশ ওয়েবসাইট।
৫৭.
বাংলাদেশে কতটি  বিশেষায়িত ব্যাংক (Specialized Bank) রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকের প্রকারভেদ:
------------------------------------------------
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,( বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

​উল্লেখ্য,
​• ​তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

​• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

​উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৫৮.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা না থাকলে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে যে ব্যাংক -
  1. যমুনা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
দেশে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ৪৩টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ব্যাংক রয়েছে ৬টি, এগুলো হলো
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি
• জনতা ব্যাংক পিএলসি
• রূপালী ব্যাংক পিএলসি
• অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি 
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি (বিডিবিএল)
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট।
৬০.
বর্তমানে দেশে কয়টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৪]
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ব্যাংক খাত:

- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি।
- যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

⇒ বিদেশি ব্যাংক:
১. ব্যাংক আল-ফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. সিটিব্যাংক এনএ,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. হংকং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিমিটেড (যুক্তরাজ্য),
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৬১.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ 
  2. ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ৩১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
- এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
- এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
- তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৬২.
ব্রেটন উডস সংস্থা হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. AIIB
  2. NATO 
  3. World Bank
  4. ADB
ব্যাখ্যা

• ব্রেটন উডস সংস্থা: 
- ব্রেটন উডস সংস্থা বলতে প্রধানত বোঝানো হয়: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্ব ব্যাংক কে (World Bank).
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফলে ব্রেটন উডস সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এই প্রতিষ্ঠান দুটি বিশ্বব্যাপী আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে।

বিশ্বব্যাংক: 
- বিশ্বব্যাংক জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস–এ প্রতিষ্ঠিত হয়;
- মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসের পর ইউরোপকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে।
- পরে, এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- সংস্থাটি ১৯৪৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং
- এর সদর দপ্তর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত।
--------------------------------------
উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের মূল কাজ হলো:
• নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়া,
• নীতিগত পরামর্শ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করা।
- যাতে টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

• আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF):
- IMF কে ব্রেটন উডস সংস্থা বলা হয়ে থাকে।
- IMF সদস্য দেশগুলোকে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সংকটে সহায়তা প্রদান করে;
- প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দেয়, এবং
- বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে,
- IMF বৈদেশিক মুদ্রার হার নিয়ন্ত্রণ করে ও ঋণ সহায়তা দেয়।

উৎস: Britannica ও World Bank Website. 

৬৩.
Insurance companies of Bangladesh operate under the -
  1. Insurance Corporation Act 1973
  2. Insurance Corporation Act 2000
  3. Insurance Corporation Act 2010
  4. Insurance Corporation Act 2016
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বীমা হচ্ছে একজনের ঝুঁকিকে অনেকের কাঁধে বিস্তৃত করার একটি বৈধ ব্যবস্থা।
- ১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে বীমা ব্যবসা ভাল অবস্থায় ছিল।
- এ সময় ৪৯টি জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানি ব্যবসায় পরিচালনা করত।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৯৫ দ্বারা বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করে।
- এই আদেশবলে প্রতিরক্ষা, ডাক জীবন বীমা এবং বিদেশি জীবন বীমা কোম্পানিসমূহ ব্যতীত এদেশে ব্যবসারত সকল বীমা কোম্পানি ও সংস্থাকে সরকারি খাতের ৫টি কর্পোরেশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
- এগুলি হচ্ছে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলি বীমা কর্পোরেশন, রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি বীমা আইন-১৯৭৩ এর অধীনে কাজ করে।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ মে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩-এর আওতায় বীমা শিল্পে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়।
- এই আইনের আওতায় ৫টি কর্পোরেশনের স্থলে ২টি কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়।
- একটি হচ্ছে সাধারণ বীমা ব্যবসায়ের জন্য সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, এবং অন্যটি জীবন বীমা ব্যবসায়ের জন্য জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

⇒ বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স একাডেমী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালে এটি বীমা বিষয়ে পেশাগত শিক্ষার উন্নয়ন, আয়োজন ও শিক্ষা প্রদান এবং বীমা বিষয়ে গবেষণা করার উদ্দেশ্যে স্থাপন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬৪.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুসারে, কোম্পানির কত শতাংশ পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে?
  1. ২০%
  2. ৩০%
  3. ৪৫%
  4. ৫০%
  5. ৬০%
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

পুনঃবীমা ব্যবসার ক্ষেত্রে, বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এই মর্মে নির্দেশনা প্রদান করে যে কোম্পানির ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে আর বাকী ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা কোম্পানি চাইলে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে অথবা দেশি-বিদেশি যে কোন বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে করতে পারবে।

⇒ এছাড়াও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালনাকারী বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ঝুঁকির পুনঃবীমা করে থাকে।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬৫.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ।
৬৬.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক অ-তফসিলী ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৬৭.
বিশ্বব্যাংক কোন পদ্ধতিতে মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে?
  1. এটলাস মেথড
  2. এভারেজ মেথড
  3. ইনকাম মেথড
  4. সাসটেইন মেথড
  5. লুইসি মেথড
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ:
- বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে থাকে যে পদ্ধতিতে, তাকে বলা হয় এটলাস মেথড।
- একটি দেশের স্থানীয় মুদ্রার মোট জাতীয় আয়কে (জিএনআই) মার্কিন ডলারে রূপান্তর করা হয়।
- এই রূপান্তর হয় এটলাস পদ্ধতিতে।
- অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে তিন বছরের গড় বিনিময় হারকে সমন্বয় করা হয়।
- যাতে করে আন্তর্জাতিক মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হারের ওঠানামা সমন্বয় হয়।
- এ কারণে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব আর বিশ্বব্যাংকের হিসাব এক হয় না।

⇒ মধ্যম আয়ের দেশ শ্রেণীকরণটি মূলত বিশ্বব্যাংকের।
- বিশ্বব্যাংক সাহায্য দেওয়ার সুবিধার জন্য এই শ্রেণীকরণটি করেছে।

⇒ জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করে, যেমন: স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশ।
- বাংলাদেশ এলডিসিতে অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৫ সালে।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৬৮.
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বানিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. বিএসইসি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি ):
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ৮ জুন ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• বিএসইসির কার্যাবলি:
- শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণ: 
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা: 
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিয়ম-নীতি নিশ্চিতকরণ: 
- নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে একটি পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শেয়ার বাজার।

উৎস: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ।
৬৯.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৬২ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই। 

⇒ সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগে বয়সসীমা তুলে দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- এ পদে বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।
- এ কারণে বিধানটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৭০.
গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু হয়?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭১.
বাংলাদেশে ব্যাংকিং কোম্পানি আইন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯০ সালে 
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- বাংলাদেশে ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ১৯৯১ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- এই আইনটি ব্যাংকিং কোম্পানি সম্পর্কিত বিধান প্রণয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭২.
নিম্নের কোন ব্যাংকটি আয়কর মুক্ত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জনতা ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর।
- এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ৭৬ এর উপধারা (১) এর ক্ষমতাবলে, গ্রামীণ ব্যাংক আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪ এর অধীন স্থাপিত গ্রামীণ ব্যাংকের অর্জিত সকল আয়কে এই আইনের অধীন আয়কর প্রদান হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।’ এর এই কর অব্যাহতির মেয়াদ থাকবে ২০২৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৭৩.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক। -
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৭৪.
বাংলাদেশের বীমা খাতের জন্য প্রণীত জাতীয় বীমা নীতি কোনটি?
  1. জাতীয় বীমা নীতি ২০১০
  2. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৩
  3. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
  4. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে জাতীয় বীমা নীতি প্রণয়ন করে, যা দেশের বীমা খাতের উন্নয়ন, সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
- এই নীতির লক্ষ্য বীমা খাতকে আরও শক্তিশালী করা, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমার ভূমিকা নিশ্চিত করা।
- বীমাযোগ্য ঝুঁকিসমূহ নিরসনে বীমা সম্বন্ধে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি, বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়ন, আর্থিক শৃংখলা বজায়, বীমা সেবা পরিচালনায় পেশাদারিত্ব সৃষ্টি এবং বীমা সেবার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করে বীমা খাতকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা প্রদান সম্ভব হবে।

উৎস: জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রেপো রেট কত শতাংশ? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ৯%
  2. ৯.৫০%
  3. ১১.৫০%
  4. ১১%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বৃদ্ধি: 

- মূল্যস্ফীতি কমাতে বিদ্যমান নীতি সুদহার শতকরা ৯ শতাংশ হতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করে ৯.৫০ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

ব্যাংক রেট (Bank Rate)
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে মুদ হারে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয় বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোকে তাকে ব্যাংক রেট বা হার বলে।
- বর্তমানে Bank Rate ৪%।

রেপোরেট (Repo Rate)
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে স্বল্পমেয়াদী ঋণ গ্রহণ করে, তাকে Repo rate বলে।
- বর্তমান রেপোরেট ৯.৫০% (বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ)।
- সর্বনিম্ন রেপো নেট  ৪.৫০% (২০১০ সালে)। 

রিভার্স রেপোরেট (Reverse Repo Rate)
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্ধৃত অর্থ যেহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে তাকে রিভার্স রেপো নেট বলে। 

Standing Lending Facility (SLF)
- স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটিকেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ব্যাংককে ওভার নাইট ঋন দিতে ব্যবহার করে এটি। 
- বর্তমান রেট  ১১%। 

Standing Deposit facilities (SDF) 
- বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি ব্যবহার করে।
- অর্থাৎ সে রেটে বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে  টাকা ডিপোজিট করতে পারে তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে SDF বলে।
 - বর্তমানে এসডিএফ রেট ৮%।

সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
৭৬.
কোন সালে বাংলাদেশে বীমা জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা ব্যবসা জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
SLR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Liquidity Reserve
  2. Statutory Liquidity Ratio
  3. Systemic Liquidity Ratio
  4. Statutory Liquidity Requirement
  5. System Liquidity Reserve
ব্যাখ্যা

SLR:
- SLR-এর পূর্ণরূপ: Statutory Liquidity Ratio.
- সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR) আমানতের ন্যূনতম শতাংশকে বোঝায় যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে তাদের নিজস্ব ভল্টে সোনার সম্পদ, নগদ বা সরকার- অনুমোদিত সিকিউরিটি হিসাবে বজায় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়।
- CRR (Cash Reserve Ratio) হচ্ছে তফসিলি ব্যাংকগুলো কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংক বাধ্যতামূলক নগদ জমার হার।
- এই অনুপাত বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকের অর্থনীতিতে অর্থ ইনজেক্ট করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- SLR (সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত) RBI দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- SLR ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, 1949 এর ধারা 24 (2A) দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) Business Standard.

৭৮.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক এবং বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা একত্রিত হয়ে গঠিত হয়-
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. কর্মসংস্থান ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (BDBL) গঠিত হয় ১৬ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে Companies Act,
- 1994 অনুযায়ী একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে।
- এটি গঠিত হয় রাষ্ট্রীয় খাতে দুইটি উন্নয়নমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (DFIs)- 
১) বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (BSB) এবং
২) বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (BSRS).

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

৭৯.
নিচের কোনটি সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে একীভূত হওয়া ব্যাংকের তালিকায় নেই?
  1. ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক
  2. ইউনিয়ন ব্যাংক
  3. সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
  4. আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে একীভূত হওয়া ব্যাংকের তালিকায় নেই। 

সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

⇒  ৯ অক্টোবর পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

উৎস: i) BRAC EPL.
ii) প্রথম আলো।

৮০.
বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কোন আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১১
  2. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৬
  3. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৭
  4. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮১.
বীমা কোম্পানিগুলাে জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বীমা হচ্ছে একজনের ঝুঁকিকে অনেকের কাঁধে বিস্তৃত করার একটি বৈধ ব্যবস্থা।
- ১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে বীমা ব্যবসা ভাল অবস্থায় ছিল।
- এ সময় ৪৯টি জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানি ব্যবসায় পরিচালনা করত।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৯৫ দ্বারা বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করে।
- এই আদেশবলে প্রতিরক্ষা, ডাক জীবন বীমা এবং বিদেশি জীবন বীমা কোম্পানিসমূহ ব্যতীত এদেশে ব্যবসারত সকল বীমা কোম্পানি ও সংস্থাকে সরকারি খাতের ৫টি কর্পোরেশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
- এগুলি হচ্ছে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলি বীমা কর্পোরেশন, রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি বীমা আইন-১৯৭৩ এর অধীনে কাজ করে।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ মে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩-এর আওতায় বীমা শিল্পে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়।
- এই আইনের আওতায় ৫টি কর্পোরেশনের স্থলে ২টি কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়।
- একটি হচ্ছে সাধারণ বীমা ব্যবসায়ের জন্য সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, এবং অন্যটি জীবন বীমা ব্যবসায়ের জন্য জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮২.
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে বাজার মূলধন এক বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক ব্যাংক:
- দেশের শেয়ারবাজারে এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বাজার মূলধন অতিক্রম করেছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক।
- ২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম ব্যাংকটি এ মাইলফলক অর্জন করেছে।
- বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্র্যাক ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। 

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে ব্র্যাক ব্যাংক।
- বর্তমানে সারা দেশে ১৯১টি শাখা, ৯৪টি উপশাখা, ১ হাজার ১২১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ৮ হাজারেরও বেশি কর্মী নিয়ে এই ব্যাংকের কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে।
- আর গ্রাহক সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
৮৩.
বাংলাদেশে কতটি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩২টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৮টি
ব্যাখ্যা

• আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান' বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্স প্রদান, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং তদসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

- তফসিলি ব্যাংক ছাড়াও দেশে কার্যরত সকল অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (Non-Bank Financial Institutions)
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৩৫ টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে। 
- সাধারণত মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ কোম্পানী, মিউচুয়াল এসোসিয়েশন, মিউচুয়াল কোম্পানি, লিজিং কোম্পানি এবং বিল্ডিং সোসাইটিসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট। (Link) (Link2)

৮৪.
'Bank for the Poor' নামে পরিচিত ব্যাংক কোনটি?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- 'Bank for the Poor' নামে পরিচিত ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংক।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৮৫.
বাংলাদেশ পুলিশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. সীমান্ত ব্যাংক
  4. ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫-এর অধীনে সৃষ্ট সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক সীমান্ত ব্যাংক।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

৮৬.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. মো. সফিকুল হক চৌধুরী
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া। সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে। এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।
- ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা। 
৮৭.
কোন আমলে দেশে হুন্ডি প্রথার বিকাশ ঘটে?
  1. সেন আমলে
  2. সুলতানি আমলে
  3. মোঘল আমলে
  4. ব্রিটিশ আমলে
ব্যাখ্যা
ব্যাংকিং প্রথা:
- ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার লাভ করার ঢাকা, হুগলী ও মুর্শিদাবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্রে অর্থ ব্যবসায়ীদের শাখা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- মোঘল শাসকরাও এই সকল ঋণ প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করতো।
- এ সময়ে মোঘল সম্রাটগণ ভূমি, রাজস্ব ও খাজনা মুদ্রায় আদায় করতেন।
- শুধু তাই না জনগণ মোঘল টাকশালে সোনা-রুপা প্রভৃতি মূল্যবান বস্তু মুদ্রায় রূপান্তরিত করতে পারতো।
- হুন্ডি ও বিনিময় পত্র তখন থেকেই প্রচলিত ছিল।
- ১৭০০ সালের শেষ দিকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ বেনিয়াদের উপস্থিতি ঘটে।
- ১৭২৪ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেকর্ড পত্র থেকে জানা যায় যে, বাংলা অঞ্চলের রাজস্ব মুর্শিদাবাদে জগৎশেঠ পরিবারের মাধ্যমে হুন্ডি করে দিল্লীতে পাঠানো হতো।
 - অতএব বোঝা যায় যে, মোঘল আমলেই এদেশে গোষ্ঠী মালিকানাধীন ঋণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয় এবং হুন্ডি ও বিনিময় পত্রের প্রচলন ঘটে।

উৎস: ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৮.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদের নাম কী?
  1. ব্যবস্থাপনা পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. চেয়ারম্যান
  4. নির্বাহী পরিচালক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৮৯.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. সিটিব্যাংক এনএ
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
  4. উরি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংকিং ব্যবস্থা:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- - বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ এবি ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৮১ সালের ৩১ ডিসেম্বর আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড এর নামে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদন প্রদানের সূচনা হয়।
- ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল এ ব্যাংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাগণ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ব্যাংক লিমিটেডের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে এর প্রতিষ্ঠা।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: i) এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯০.
বাংলাদেশের মোট অ-তফসিলী ব্যাংক কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে ৩টি।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৯১.
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রথম প্রকল্প চট্টগ্রামের কোথায় শুরু হয়?
  1. জোবরা
  2. হালিশহর
  3. আনোয়ারা
  4. রাউজান
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৯২.
বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে।
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের কয়টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার সাথে যুক্ত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২৫টি
  2. ২৮টি
  3. ৩১টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা:
- ২০১৪ সালে ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে চালু হয় এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৩১টি ব্যাংক এই সেবার সঙ্গে যুক্ত।
- দেশজুড়ে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় প্রায় আড়াই কোটি গ্রাহক হিসাব খোলা হয়েছে এবং ২১ হাজার কেন্দ্রের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে।
- গত মার্চ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় আমানত জমা হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা।
- তার বিপরীতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।

উল্লেখ্য,
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এজেন্ট আউটলেটে দেশে শীর্ষে আছে ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক।
- গত মার্চের শেষে তাদের এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬২৫।
- এরপরের অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া। মার্চ শেষে দেশজুড়ে তাদের এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৩৬।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। তাদের এজেন্ট আউটলেট ২ হাজার ৭৯০।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
৯৪.
How many state-owned insurance companies in Bangladesh?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৯৫.
বাংলাদেশে ব্যাংক নোট নয় কোনটি?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৯৬.
RTGS-এর পূর্ণরূপ -
  1. Real Time Gross Standardize
  2. Real Time Gross Settlement
  3. Real Time Gross System
  4. Real Time Gross Service
ব্যাখ্যা
RTGS:
- RTGS-এর পূর্ণরূপ: Real Time Gross Settlement.
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৯শে অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করে।
- এটি একটি পেমেন্ট প্রক্রিয়া।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি ইকোসিস্টেমে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি দেশে বৃহৎ মূল্য এবং সময় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থপ্রদানের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করে।

উল্লেখ্য,
- একটি ইলেকট্রনিক সিস্টেম হিসাবে, এটি একটি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংকে রিয়েল-টাইমে এবং মোট ভিত্তিতে তহবিল স্থানান্তর নিশ্চিত করে৷
- এখানে রিয়েল-টাইম লেনদেনগুলির জন্য কোন সময়ের প্রয়োজন নেই৷
- লেনদেনগুলি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে নিষ্পত্তি করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯৭.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. যমুনা ব্যাংক পিএলসি
  3. এবি ব্যাংক পিএলসি
  4. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।
৯৮.
বর্তমানে দেশে কয়টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩১টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩৭টি
  4. ৪০টি
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Finance Companies (FCs)):
- ফাইন্যান্স কোম্পানি (FCs) হলো এমন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলো ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এর আওতায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
- এর মধ্যে ২টি সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন, ১টি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহায়ক, ২টি সরকার এবং বিদেশী সরকারি সংস্থার যৌথ মালিকানাধীন, ১৯টি বেসরকারি দেশীয় উদ্যোক্তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং ১১টি দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগ।
- ফাইন্যান্স কোম্পানির প্রধান অর্থের উৎস হলো মেয়াদি আমানত (কমপক্ষে তিন মাসের মেয়াদ), ব্যাংক ও অন্যান্য ফাইন্যান্স কোম্পানি থেকে ঋণ সুবিধা, কল মানি, বন্ড এবং সিকিউরিটাইজেশন।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]

৯৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. নোট প্রচলন
  2. সরকারের ব্যাংক
  3. নিকাশ ঘর
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী:
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী নিচে আলোচনা করা হল:
- নোট প্রচলন
- সরকারের ব্যাংক
- অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ
- ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল
- বৈদেশিক বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা
- নিকাশ ঘর
- উন্নয়নমূলক কার্যাবলী
- অন্যান্য কাজ
- উপরিউক্ত কাজ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক অথনৈতিক বিষয়ে গবেষণা করা, অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান তৈরি করা, ব্যাংক কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপাত্ত ও পরামর্শ দেয়া ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করে থাকে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
বর্তমানে দেশে কতটি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৪৬টি
  2. ৪৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। link