বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ৫০১৬০০ / ৬৭৮

৫০১.
কোন ডাটাবেজ কনস্ট্রেন্টটি একটি টেবিলের ডেটাকে অন্য টেবিলের নির্দিষ্ট কলামের সাথে সংযুক্ত রেখে ডাটা ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করে?
  1. প্রাইমারি কী (Primary Key)
  2. ফরেন কী (Foreign Key)
  3. ইনডেক্সিং (Indexing)
  4. ট্রিগার (Trigger)
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী (Foreign Key)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী (Foreign Key)
ব্যাখ্যা

ফরেন কী (Foreign Key) হল একটি ডাটাবেজ কনস্ট্রেন্ট, যা একটি টেবিলের নির্দিষ্ট কলামকে অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী (Primary Key) এর সাথে সংযুক্ত রাখে এবং ডাটা ইন্টিগ্রিটি বজায় রাখে। এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করতে সাহায্য করে।

কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

প্রাইমারি কী (Primary Key)
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key)
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

ফরেন কী (Foreign Key)
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০২.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান হিসেবে পরিচিত?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. ডাটা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ: 
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়। 
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। 
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি। 
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান: 
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- 
১. ফিল্ড (Field), 
২. ডাটা (Data), 
৩. রেকর্ড (Record) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৩.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়?
  1. ওরাকল
  2. মাইক্রোসফট এক্সেস
  3. মাইক্রোসফট এক্সেল
  4. মাই এসকিউএল
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোসফট এক্সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোসফট এক্সেল
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলোঃ
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স
- ওরাকল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মাইক্রোসফট এক্সেল হলো স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৫০৪.
ডেটাবেইজে একই কাজ বারবার করার জন্য কী তৈরি করতে হয়?
  1. ক) মেইলিং লেভেল
  2. খ) রিলেশন
  3. গ) ইনডেক্স
  4. ঘ) ম্যাক্রো
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাক্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাক্রো
ব্যাখ্যা
ম্যাক্রো হলো কতগুলো নির্দেশাবলী যা একটি নির্দেশ হিসেবে সংরক্ষিত করে রাখা যায়। এবং পরবর্তীতে এই একটি নির্দেশ দিয়ে অনেক নির্দেশাবলীর কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায়।
৫০৫.
নিচের কোনটির Stack এর সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. FIFO
  2. Pop
  3. LIFO
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
FIFO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FIFO
ব্যাখ্যা
• Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার।
- এ যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO I
- প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে।
- যথা Push এবং Pop.
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় FIFO (First In First Out) I
- FIFO- Queue এর সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: Computerhope Website.
৫০৬.
কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি -
  1. ফাইন্ড
  2. সার্চ
  3. সর্ট
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা

কুয়েরিঃ
কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে। কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা প্রবেশ করা, ডিলিট করা অথবা ডাটা মডিফাই করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোও করা যায়।
শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ এবং মুদ্রণের জন্য প্রদর্শিত তথ্য কুয়েরি আকারে সংরক্ষণ করতে হয়। কুয়েরি আকারে সংরক্ষিত তথ্য সরাসরি মুদ্রণ করা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৫০৭.
Intel Itanium কত বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর?
  1. ৩২ বিট
  2. ৬৪ বিট
  3. ১৬বিট
  4. ৮ বিট
সঠিক উত্তর:
৬৪ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ বিট
ব্যাখ্যা
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর হলো ইন্টেল 4004, যা ১৯৭১ সালে উদ্ভাবিত হয়। 
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫০৮.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে বের করার জন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. ডেটাবেজ
  2. স্প্রেডশিট
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  4. প্রেজেন্টেশন
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৯.
আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা নিচের কোনটি করতে পারে?
  1. Input data
  2. Scan data
  3. Process Data
  4. Print data
সঠিক উত্তর:
Print data
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Print data
ব্যাখ্যা
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।

- আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- আউটপুট ডিভাইসের সাহায্যে Print data/VIew data দুটিই করতে পারে। 

- আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।

ইনপুট ডিভাইস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রোজেক্টর, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।
ইনপুট-অউটপুট ডিভাইস: সিডি/ডিভিডি-রম ড্রাইভ, ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ড্রাইভ, নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার, ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার, মডেম, টাচ স্ক্রিন, হ্যান্ডসেট প্রভৃতি।
৫১০.
ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতিতে মূল ডেটাকে কী বলা হয়?
  1. এনক্রিপ্টেড ডেটা
  2. প্লেইন টেক্সট
  3. কোড টেক্সট
  4. সাইফারটেক্সট
সঠিক উত্তর:
প্লেইন টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেইন টেক্সট
ব্যাখ্যা
এনক্রিপশন পদ্ধতিতে মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট বলা হয়।

• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)
- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plane leti) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Ciphor text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৫১১.
একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে ডাটাবেজে কোনটি গঠিত হয়?
  1. রেকর্ড
  2. তথ্য
  3. টেবিল
  4. ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের জন্য একাধিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। যখন একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি একক একক তথ্যের বিস্তারিত রূপ ধারণ করে, তখন তাকে রেকর্ড বলা হয়। অর্থাৎ, একটি রেকর্ড হলো ডাটাবেজের সেই ইউনিট যেখানে বিভিন্ন ফিল্ডের মান একসাথে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার এবং ইমেইল প্রতিটি একটি ফিল্ড, এবং সবগুলো ফিল্ড মিলিত হয়ে ঐ ব্যক্তির রেকর্ড তৈরি করে। সুতরাং, একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে যে গঠন তৈরি হয়, তা হলো রেকর্ড। এটি ডাটাবেজের মৌলিক একক এবং ডাটাবেজের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: ক) রেকর্ড। 

উপাত্ত:
- সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামালসমূহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে।

ফিল্ড:
- ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে স্টোর করার জন্য ব্যবহার করে।

রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।

টেবিল:
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত।

অর্থাৎ,
- একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে রেকর্ড গঠিত।
- একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে টেবিল গঠিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১২.
১ এক্সাবাইট = ?
  1. ক) ১০২৪ জেটাবাইট
  2. খ) ১০২৪ ইট্রাবাইট
  3. গ) ১০২৪ পেটাবাইট
  4. ঘ) ১০২৪ টেরাবাইট
সঠিক উত্তর:
গ) ১০২৪ পেটাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০২৪ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৫১৩.
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে কী বলা হয়?
  1. ফিল্ড
  2. ডেটা
  3. রেকর্ড
  4. ডেটা টেবিল
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা
• ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- একটি ফিল্ডে একই ধরণের ডেটা থাকে।
- ফিল্ডে ভেলিডেশন অপশন সেট করে ডেটা এন্ট্রি রোধ করা যায়।

অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচন:
- ডেটা টেবিলের বভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা ইনপুট করি তাই ডেটা।
- সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫১৪.
যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, তখন কর্মী এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশিত হয়:
  1. One-to-One
  2. One-to-Many
  3. Many-to-One
  4. Many-to-Many
সঠিক উত্তর:
Many-to-One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Many-to-One
ব্যাখ্যা

• যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই এখানে সঠিক উত্তর গ) Many-to-One.
 
ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১৫.
নিচের কোনটি DML কমান্ড?
  1. Drop statement
  2. Alter statement
  3. Rename statement
  4. Insert statement
সঠিক উত্তর:
Insert statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insert statement
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
• Rename statement
 
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
Insert statement
• Delete statement
• Update statement
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৬.
DES এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Encryption System
  2. Data Encryption Standard
  3. Data Encryption Style
  4. Data Encryption Structure
সঠিক উত্তর:
Data Encryption Standard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Encryption Standard
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা:

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৭.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশন এর ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Atomicity
  2. Availability
  3. Authentication
  4. Authorization
সঠিক উত্তর:
Atomicity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Atomicity
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা বুঝায় Atomicity.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৫১৮.
নিম্নের কোনটির Memory Capacity সর্বোচ্চ?
  1. ক) এক্সাবাইট
  2. খ) জেটাবাইট
  3. গ) টেরাবাইট
  4. ঘ) পেটাবাইট
সঠিক উত্তর:
খ) জেটাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেটাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৫১৯.
যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে কী বলা হয়?
  1. One-to-One
  2. Many-to-Many
  3. Self-Referencing
  4. One-to-Many
সঠিক উত্তর:
One-to-Many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-Many
ব্যাখ্যা

• যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে One-to-Many সম্পর্ক বলা হয়। এখানে “One” অংশটি বোঝায় প্রথম টেবিলের একটি নির্দিষ্ট রেকর্ড এবং “Many” অংশটি বোঝায় দ্বিতীয় টেবিলের একাধিক রেকর্ড। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি Customer টেবিলের একটি গ্রাহক একাধিক Order দিতে পারে। কিন্তু প্রতিটি Order সাধারণত একটি নির্দিষ্ট Customer-এর সাথেই যুক্ত থাকে। এই ধরনের সম্পর্ক ডেটাবেস ডিজাইনে খুবই সাধারণ এবং এটি টেবিলগুলোর মধ্যে তথ্যকে সুসংগঠিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-Many.
 
• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২০.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না?
  1. Oracle
  2. SQLite
  3. Google Docs
  4. Postgre SQL
সঠিক উত্তর:
Google Docs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Docs
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনঃপ্রাপ্তি সহজ করে। Oracle, SQLite এবং PostgreSQL এই তিনটি হল স্বতন্ত্র DBMS, যা তথ্যের সংগঠন, অনুসন্ধান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। Oracle সাধারণত বড় এন্টারপ্রাইজ পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, SQLite হালকা এবং এম্বেডেড ডেটাবেসের জন্য উপযোগী, আর PostgreSQL একটি ওপেন সোর্স এবং ফিচার-সমৃদ্ধ ডেটাবেস। তবে Google Docs মূলত একটি ক্লাউড-ভিত্তিক ডকুমেন্ট এডিটিং এবং সংরক্ষণ প্ল্যাটফর্ম, যা সরাসরি DBMS হিসেবে কাজ করে না। এটি ব্যবহারকারীর ডেটা অনলাইনে সংরক্ষণ করে, কিন্তু সম্পর্কিত টেবিল বা জটিল ডেটা ম্যানেজমেন্ট ফিচার নেই। তাই, DBMS হিসেবে Google Docs ব্যবহার হয় না।

- উত্তর: গ) Google Docs.
 
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৫২১.
নিচের কোনটি ডাটাবেসের ধরন?
  1. রিলেশনাল
  2. হায়ারার্কিকাল
  3. নেটওয়ার্ক
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসের ধরন মূলত ডাটার সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। রিলেশনাল ডাটাবেস হল সবচেয়ে প্রচলিত ধরণ, যেখানে ডাটা টেবিল আকারে থাকে এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারিত থাকে। হায়ারার্কিকাল ডাটাবেসে ডাটা গাছের মতো স্তরভিত্তিক আকারে সংরক্ষিত হয়, যেখানে প্রতিটি রেকর্ডের একটি পিতামাতা থাকে। নেটওয়ার্ক ডাটাবেসে ডাটা নোড আকারে থাকে এবং একাধিক সম্পর্ক তৈরি করা যায়, যা জটিল সংযোগ সমর্থন করে। এই তিনটি ধরনই ডাটাবেস ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, দেওয়া অপশন  গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) সবগুলো।

 
• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data):
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information):
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record):
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field):
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row):
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column):
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table):
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS):
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model):
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

এছাড়াও,

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

সূত্র:
- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২২.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) Data Definition Language
  2. খ) Data Manipulation Language
  3. গ) Query Language
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ মানে হচ্ছে তথ্যভান্ডার। কম্পিউটার আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত ফাইলের স্তুপে জমা থাকতো তথ্য, এখন তথ্য সংরক্ষণ করা হয় ডেটাবেজে।
কয়েকটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজঃ
- Data Definition Language - এটি এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি ডেটার প্রকার ও উহাদের মাঝে সম্পর্ক নির্ণয় করে।
- Data Manipulation Language - ইহা এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে ডেটা হালনাগাদ হয়।
- Query Language - ইহা এমন এক ধরণের ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
৫২৩.
The main purpose of database indexing is to:
  1. Automatic backup creation
  2. Reduce file size through compression
  3. Validating data integrity during transactions
  4. Sorting records for efficient data lookup and retrieval
সঠিক উত্তর:
Sorting records for efficient data lookup and retrieval
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sorting records for efficient data lookup and retrieval
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Sorting records for efficient data lookup and retrieval.

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না।
সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর।
- সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৪.
একটি এনটিটিতে থাকা প্রতিটি ফিল্ডকে কী বলা হয়?
  1. ভ্যালু
  2. এট্রিবিউট
  3. রেকর্ড
  4. এনটিটি সেট
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা

◉ একটি এনটিটিতে থাকা প্রতিটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলা হয়।
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
- অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

এনটিটি: 
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে ডাটার এনটিটি বলে।
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৫.
SQLite ডেটাবেজ সফটওয়‍্যারটি তৈরি করেন কে?
  1. কেনেথ এইচ ওলসেন
  2. হেনরি এফ কড
  3. এডরয়ার্ড রবার্ট
  4. ডক্টর রিচার্ড হিপ
সঠিক উত্তর:
ডক্টর রিচার্ড হিপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডক্টর রিচার্ড হিপ
ব্যাখ্যা
• এসকিউলাইট (SQLite):
- SQLite একটি ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ সফটওয়‍্যার।
- ২০০০ সালে ডক্টর রিচার্ড হিপ এটি তৈরি করেন।
- SQLite তৈরিতে C প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
-এটি সি-ভাষার লাইব্রেরি, যা একটি ছোট, দ্রুত ও হাই রিলায়েবল SQL ডেটাবেজ ইঞ্জিন প্রয়োগ করে।
- SQLite বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ডেটাবেজ ইঞ্জিন।
- মোবাইল, ডেস্কটপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন ডেটাবেজ সফটওয়্যারের তুলনায় এটি অনেক সহজ বলে ডেটাবেজ শেখার জন্য খুবই জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫২৬.
SQL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Sequential Query Language
  2. Standard Query Language
  3. Structured Query Language
  4. Static Query Language
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
ব্যাখ্যা

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫২৭.
ডিভিডি কোন ধরনের স্মৃতি?
  1. ক) প্রধান স্মৃতি
  2. খ) সহায়ক স্মৃতি
  3. গ) অস্থায়ী স্মৃতি
  4. ঘ) স্থায়ী স্মৃতি
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সহায়ক স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সহায়ক স্মৃতি
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমরি দুই প্রকার। যথা- ১। প্রধান মেমরি ও ২। সহায়ক মেমরি।
RAM ও ROM প্রধান মেমরির অন্তর্ভুক্ত। হার্ড ডিক্স, ফ্লাস ডিক্স, ফ্লপি ডিক্স, চৌম্বক ড্রাম, ক্যাম্প্যাক্ট ডিক্স, ডিভিডি হলো সহায়ক মেমরি।

৫২৮.
কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে কোন অপারেশনটি করা যায়?
  1. ডাটা অনুসন্ধান
  2. ডাটা প্রবেশ
  3. ডাটা ডিলিট
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা অনুসন্ধান, ডাটা প্রবেশ এবং ডাটা ডিলিট—সবগুলো অপারেশন করা যায়।

• কুয়েরির ধারণা:
- কুয়েরি হলো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে নির্দিষ্ট শর্তে প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি।
- কুয়েরির মাধ্যমে বিভিন্ন শর্ত প্রয়োগ করে ডাটা আলাদা করা সম্ভব।

• কুয়েরির মাধ্যমে সম্পাদনযোগ্য অপারেশন:
- কুয়েরির সাহায্যে ডাটাবেজে সংরক্ষিত নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে নতুন ডাটা প্রবেশ করানো যায়।
- কুয়েরির সাহায্যে প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা ডিলিট করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটা মডিফাই বা আপডেট করাও সম্ভব।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় কুয়েরির ভূমিকা:
- বিপুল পরিমাণ ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা খুব দ্রুত ও সহজে পাওয়া যায়।
- ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর ও সময় সাশ্রয়ী করে তোলে।
- শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ ও পরবর্তী ব্যবহারের জন্য কুয়েরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম-
  1. ক) ডিবেজ (dBASE)
  2. খ) ফক্স প্রাে (Foxpro)
  3. গ) এম এস এক্সিস (MS Access)
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম ডাটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে-
-ডিবেজ (dBASE),
-ফক্স প্রাে (Foxpro),
-ডিবেজ ৩+ (dBASE Ill+),
-ফক্সবেজ (FoxBASE),
-ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro),
-এম এস এক্সিস (MS Access) ইত্যাদি।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৫৩০.
Crosstab Query-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. শর্তের উপর ভিত্তি করে ডেটা ফিল্টার করা
  2. ডেটা সংক্ষিপ্ত করা এবং এটিকে একটি ম্যাট্রিক্স ফরম্যাটে প্রদর্শন করা
  3. একটি টেবিলের মান আপডেট করা
  4. রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ডেটা সংক্ষিপ্ত করা এবং এটিকে একটি ম্যাট্রিক্স ফরম্যাটে প্রদর্শন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সংক্ষিপ্ত করা এবং এটিকে একটি ম্যাট্রিক্স ফরম্যাটে প্রদর্শন করা
ব্যাখ্যা
⚪ ক্রসট্যাব কোয়েরি সাধারণত ডেটা সংক্ষেপ করতে এবং সেটিকে একটি সারণি (ম্যাট্রিক্স) আকারে উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক্স এবং ওয়াই অ্যাক্সিসে ভিন্ন ভিন্ন মান দেখানো হয়।

⚪ কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

⚪ কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৩১.
Informix is an example of -
  1. Graphics software
  2. Database software
  3. Spreadsheet software
  4. Word processing software
সঠিক উত্তর:
Database software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database software
ব্যাখ্যা
Informix হচ্ছে কর্পোরেট পর্যায়ের জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যার।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও তা সম্পর্কিত তথ্য। এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যারগুলো মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:
- Informix,
- Oracle,
- SQL Server,
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩২.
একটি এক্সেলে ফাইলের যে অংশে কাজ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ওয়ার্কবুক
  2. ওয়ার্কশীট
  3. ফিল্ড
  4. ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কশীট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কশীট
ব্যাখ্যা

ওয়ার্কশীটঃ
একটি এক্সেলে ফাইলের যে অংশে কাজ করা হয় তাকে ওয়ার্কশীট বলে। ওয়ার্কশীটে গ্রাফ কাগজের ন্যায় অনেক সেল থাকে।
ওয়ার্কবুকঃ
এক্সেল শিটে কাজ করার পর এটিকে ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। সংরক্ষিত এই ফাইলকে ওয়ার্ক বুক বলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫৩৩.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) ফক্সপ্রো
  2. খ) লিনাক্স
  3. গ) ফোরট্রান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ফক্সপ্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফক্সপ্রো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এ তথ্যকে বলা হয় ডাটাবেজ।
বর্তমানে অনেক ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয় ।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
- Informix
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ফাইল
- মেকার
- ওরাকল
- Firebird
- মাই এসকিইএল
- SQL Server Express
- সাইবেজ
- InterBase
- ডিবেজ
- DATACOM/DB
- ফক্সপ্রো
- বেজ ইত্যাদি
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)
৫৩৪.
এক word কত বিট বিশিষ্ট হয়? 
  1. ক) 8
  2. খ) 16
  3. গ) 4
  4. ঘ) 2
সঠিক উত্তর:
খ) 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 16
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) :
৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
অপরদিকে,
- কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।


কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক:
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
 
 
৫৩৫.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. ফক্সবেজ
  2. ডিজে
  3. এম এস এক্সেস
  4. ডিবেজ ৩+
সঠিক উত্তর:
ডিজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজে
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে- ডিবেজ (dBASE), ফক্স প্রাে (Foxpro), ডিবেজ ৩+ (dBASE III+), ফক্সবেজ (FoxBASE), ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro), এম এস এক্সেস (MS Access) ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫৩৬.
ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. Caesar Code
  2. Data Encryption Standard
  3. Data Advanced Code
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা:

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৭.
ডাটাবেজে ইনডেক্সিংয়ের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. ক্যোয়ারির পারফরম্যান্স উন্নত করা
  3. ডাটাবেজ ব্যাকআপ করা
  4. ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ক্যোয়ারির পারফরম্যান্স উন্নত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যোয়ারির পারফরম্যান্স উন্নত করা
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজে ইনডেক্সিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্যোয়ারির পারফরম্যান্স উন্নত করা। যখন কোনো ডাটাবেজে ইনডেক্স তৈরি করা হয়, তখন এটি ডেটার দ্রুত অনুসন্ধান এবং অনুসরণের জন্য বিশেষ ধরনের ডাটা স্ট্রাকচার তৈরি করে। এর ফলে ডাটাবেজে কোনো তথ্য খোঁজার সময় অনেক কমে যায়, কারণ পুরো টেবিল স্ক্যান না করে সরাসরি ইনডেক্স ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় রেকর্ড পাওয়া যায়। এটি বিশেষভাবে বড় ডাটাবেজে কার্যকর এবং দ্রুত ক্যোয়ারির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্য অপশনগুলো যেমন ডেটা সংরক্ষণ, ব্যাকআপ বা অখণ্ডতা নিশ্চিতকরণ ইনডেক্সিংয়ের উদ্দেশ্য নয়।

• ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৮.
ইউনিকোড সিস্টেমে প্রতিটি ক্যারেক্টারের জন্য কয় বিট বরাদ্ধ রয়েছে?
  1. 1-4
  2. 8-32
  3. 8-16
  4. 1-16
সঠিক উত্তর:
8-32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8-32
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড সিস্টেমে প্রতিটি ক্যারেক্টারের জন্য 8-32 বিট বরাদ্ধ রয়েছে।
 
Unicode uses between 8 and 32 bits per character, so it can represent characters from languages from all around the world. It is commonly used across the internet. As it is larger than ASCII, it might take up more storage space when saving documents.

Global companies, like Facebook and Google, would not use the ASCII character set because their users communicate in many different languages.
 
উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট 
৫৩৯.
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাধ্যমে কী করা যায়?
  1. ডাটাবেজ ডিজাইন ও কাঠামো তৈরি করা
  2. ডাটাবেজ ফরম্যাট ও প্রেজেন্টেশন নির্ধারণ করা
  3. ডাটা ক্রিয়েট, ড্রপ, রিনেইম করা
  4. ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা
সঠিক উত্তর:
ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা
ব্যাখ্যা
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর মাধ্যমে ডাটা ইনসার্ট, আপডেট, ডিলিট করা যায়।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪০.
ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটা ফাইলের মধ্যেকার রিলেশনকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা

প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন ও
- Many to Many রিলেশন।

৫৪১.
Many to Many রিলেশনে তৈরিকৃত জাংশন টেবিল কোন রিলেশনের মতো কাজ করে?
  1. ক) One to One
  2. খ) One to Many
  3. গ) Many to One
  4. ঘ) Many to Many
সঠিক উত্তর:
খ) One to Many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) One to Many
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ রিলেশন:
- ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার প্রয়োজনে ডাটা ফাইলসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে নিতে হয়।
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। 
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• One to One রিলেশন
• One to Many রিলেশন
• Many to One রিলেশন
• Many to Many রিলেশন।
Many to Many:
- রিলেশন যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিল One to Many রিলেশনের মতো কাজ করে।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪২.
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস একটি -
  1. ক) স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  2. খ) গ্রাফিক্স সফটওয়্যার
  3. গ) ওয়েব ব্রাউজিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বর্তমানে অনেক ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-

- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার
- ওরাকল
- মাই এসকিইএল
- ডিবেজ
- ফক্সপ্রো
- বেজ 
- ফাইল মেকার
- Informix
- Firebird
- SQL Server Express
- InterBase ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫৪৩.
SQL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Structured Query Language
  2. Simple Query Language
  3. System Query Logic
  4. Sequential Question Language
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
ব্যাখ্যা

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৪৪.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স DBMS-এর উদাহরণ?
  1. SQLite
  2. Altibase
  3. MongoDB
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• SQLite, Altibase ও MongoDB সবগুলোই ওপেন সোর্স DBMS-এর উদাহরণ।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৪৫.
(111111110)2=(?)10
  1. ক) 255
  2. খ) 510
  3. গ) 512
  4. ঘ) 256
সঠিক উত্তর:
খ) 510
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 510
ব্যাখ্যা

111111110 = 1×28 + 1×27 +1×26 +1×25 +1×24 +1×23 +1×22 +1×21 +0x20 = 256 + 128 + 64 + 32 +16 +8 +4 +2 +0 = 510

৫৪৬.
Indexing is mainly used to -
  1. organize files for easy access
  2. quickly locate specific records
  3. arrange data in different formats
  4. store data in smaller blocks
সঠিক উত্তর:
quickly locate specific records
উত্তর
সঠিক উত্তর:
quickly locate specific records
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Quickly locate specific records

ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হলো ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত তথ্যকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর প্রক্রিয়া।
- কোনো ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) ক্রমানুসারে সাজানো হলে সেটিকে ইনডেক্স করা বলা হয়।
- ডাটাবেসে নির্দিষ্ট তথ্য দ্রুত খুঁজে পেতে ফাইলের রেকর্ডগুলোকে ইনডেক্স করা হয়।
- সর্টিং-এর মতো, ইনডেক্সিং ব্যবহার করে ডাটাবেসের রেকর্ডকে কোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চ বা নিম্ন ক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- তবে ইনডেক্স করা ফাইল সর্টেড ফাইলের তুলনায় দ্রুত কার্যকর হয়।
- ডাটাবেসে রেকর্ড সংশোধন বা নতুন তথ্য সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলও আপডেট হয়।
- এ কারণে আধুনিক ডাটাবেসে সর্টিং-এর পরিবর্তে ইনডেক্সিং ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৭.
কোন পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার এর দুই পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) রিং টপোলজি
  2. খ) বাস টপোলজি
  3. গ) স্টার টপোলজি
  4. ঘ) ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ক) রিং টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান, প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন।

সূত্রঃ তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৪৮.
যখন একাধিক ফিল্ড একসাথে প্রাইমারি কী-এর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. অল্টারনেট কী
  3. ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• যখন কোনো টেবিলে একাধিক ফিল্ড একসাথে মিলিত হয়ে একটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে, তখন সেই ফিল্ডগুলোর সমষ্টিকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) বলা হয়। এটি একক কলামের পরিবর্তে একাধিক কলামের সংমিশ্রণ যা প্রতিটি রেকর্ডের স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের রেজিস্ট্রেশন টেবিলে student_id এবং course_id একসাথে মিলিয়ে প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন ইউনিক হয়। এই ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র student_id বা course_id যথেষ্ট নয়, তাই দুইটি ফিল্ড একসাথে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কম্পোজিট কী ডেটার স্বতন্ত্রতা বজায় রাখতে এবং তথ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: ক) কম্পোজিট প্রাইমারি কী।

• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৯.
The process of searching through large datasets to identify patterns and relationships is called:
  1. Data Entry
  2. Data Mining
  3. Data Scrubbing
  4. Data Buffering
সঠিক উত্তর:
Data Mining
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Mining
ব্যাখ্যা

• ডেটা মাইনিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ ডেটা বা বিগ ডেটা (Big Data) থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক বা পরিসংখ্যানগত মডেল ব্যবহার করে অর্থবহ প্যাটার্ন, প্রবণতা (Trend) এবং তথ্যের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক খুঁজে বের করা হয়। এটি মূলত Raw data-কে কার্যকর ব্যবসায়িক বা বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।

• ডেটা মাইনিং (Data Mining): 
- ডেটা মাইনিং মূলত বিজনেস ইন্টেলিজেন্স এবং প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিক্সে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্লাস্টারিং, ক্লাসিফিকেশন এবং অ্যাসোসিয়েশন রুল লার্নিংয়ের মতো কৌশল ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে বড় ডেটাসেট থেকে অসংলগ্ন তথ্য বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছেঁকে তোলা হয়।
- ডেটা মাইনিংয়ে মেশিন লার্নিং, পরিসংখ্যান এবং ডাটাবেস সিস্টেমের সমন্বয় ঘটানো হয়।
- বিপণন, ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রগুলোতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Data Entry: এটি কেবল কম্পিউটারে তথ্য টাইপ বা ইনপুট করার কাজ, কোনো বিশ্লেষণ নয়।
- Data Scrubbing: এটি মূলত ডেটাসেট থেকে ভুল, অসম্পূর্ণ বা ডুপ্লিকেট তথ্য খুঁজে বের করে তা পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া।
- Data Buffering: এটি ডেটা প্রসেস করার সময় মেমোরিতে সাময়িকভাবে তথ্য জমা রাখার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

৫৫০.
বিপুল পরিমাণ তথ্যের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত খুঁজে পেতে কোন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার 
  4. রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫১.
ডেটাকে ১, ২, ৩, ৪….ক্রমানুসারে সাজানোর পদ্ধতিকে কি বলে ?
  1. ক) সংখ্যানুক্রমিক পদ্ধতি
  2. খ) সাংকেতিক পদ্ধতি
  3. গ) অবরোহী পদ্ধতি
  4. ঘ) আরোহী পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আরোহী পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আরোহী পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

- আরোহী বা অধঃক্রমে (Ascending) সাজানো বলতে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজানোকে বলা হয়।
- অবরোহী বা উর্ধ্বক্রম (Descending) সাজানো বলতে বুঝায় মানের বড় থেকে ছোট ক্রমে সাজানোকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি

৫৫২.
কী নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা যায়?
  1. স্কিমা
  2. এনটিটি
  3. অ্যাট্রিবিউট
  4. ফিল্ডের রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ফিল্ডের রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ডের রেকর্ড
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট: 
- এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে বিপুল পরিমান ডাটা থেকে কোন টেবিলের ডাটা প্রিন্ট করতে চাইলে রিপোর্ট আকারে প্রিন্ট করা হয়। 
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন। 
- ডাটা টেবিলে বিভিন্ন রকম ডাটা বিভিন্নভাবে সাজানো থাকে। 
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ বা ফিল্ডের রেকর্ডসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রর্দশনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে। 
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়। 
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও রো অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়। 
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৩.
ডেটাবেজের কাঠামো ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে কোন উপাদান প্রাধান্য পায়?
  1. Field
  2. Entity
  3. Table
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
Entity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Entity
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজের গঠন ও বৈশিষ্ট্য বোঝাতে Entity সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি Entity হলো ডেটাবেজের মধ্যে সংরক্ষিত বাস্তব বিশ্বের কোনো বস্তু, ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনা যা তথ্য হিসেবে সংরক্ষণযোগ্য। এটি ডেটার মূল ইউনিট হিসেবে কাজ করে এবং প্রতিটি Entity-এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বা Attribute থাকে। যেমন, একজন ছাত্র একটি Entity, যার বৈশিষ্ট্য হতে পারে নাম, রোল নম্বর, বয়স ইত্যাদি। ডেটাবেজের কাঠামো তৈরিতে Entity-র উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ডেটার সম্পর্ক ও সংগঠনের ভিত্তি স্থাপন করে। অন্য উপাদান যেমন Field বা Table প্রায়শই Entity-এর অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, তাই Entity হলো ডেটাবেজের গঠন ও বৈশিষ্ট্য বোঝার প্রধান উপাদান।

• ডেটাবেজ:
- ডেটাবেজ হলো তথ্যভান্ডার যেখানে তথ্য সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহার করা যায়।
- ষাটের দশকে প্রথম ডেটাবেজ প্রোগ্রামের প্রচলন হয়।
- ১৯৬০ সালে চার্লস ডব্লিউ বাকম্যান ''ইন্টিগ্রেটেড ডেটাবেজ সিস্টেম'' প্রচলন করেন।
- তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ১৯৬৮ সালে আইবিএম প্রথম ''ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আইএমএস'' তৈরী করে।

- ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।
- রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।
- টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

- এনটিটি: কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।
- এট্রিবিউট: এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৫৪.
ডাটাবেজ হচ্ছে-
  1. ক) হিসাব নিকাশের প্রোগ্রাম
  2. খ) তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম
  3. গ) পরিসংখ্যান বিষয়ক প্রোগ্রাম
  4. ঘ) ড্রাফটিং ও ডিজাইন বিষয়ক প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
৫৫৫.
কোনটি সত্য?
  1. ক) সর্টিং ছাড়া সার্চিং সম্ভব নয়
  2. খ) সার্চিং ছাড়া সর্টিং সম্ভব নয়
  3. গ) সর্টিং এবং সার্চিং একই
  4. ঘ) সবগুলোই সত্য
সঠিক উত্তর:
খ) সার্চিং ছাড়া সর্টিং সম্ভব নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সার্চিং ছাড়া সর্টিং সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা

যে প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ড বা তথ্য খুঁজে বের করা হয় তাকে সার্চিং (Searching) বলে।

যে প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজের রেকর্ড সমূহ নির্দিষ্টক্রমে সাজানো হয় তাকে সর্টিং (Sorting) বলে।

সটিং করতে অবশ্যই সার্চিং করতে হয়, কিন্তু সার্চিং করতে সর্টিং প্রয়োজন হয় না।

৫৫৬.
SQL এর প্রথম সংস্করণ উদ্ভাবনের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়?
  1. IBM
  2. Microsoft
  3. SAP
  4. Apple
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা
• SQL:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৭.
RDBMS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ফ্ল্যাট টেক্সট ফাইলে রাখে
  2. ট্রানজেকশন সমর্থন করে না
  3.  ডেটা XML ফাইলের মধ্যে রাখে
  4. ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

- RDBMS বা Relational Database Management System-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা।
- প্রতিটি টেবিলে সারি (Row) ও কলাম (Column) থাকে, যেখানে সারি দ্বারা রেকর্ড এবং কলাম দ্বারা অ্যাট্রিবিউট প্রকাশ করা হয়।
- এর মাধ্যমে ডেটাকে সহজে সংগঠিত, অনুসন্ধান ও হালনাগাদ করা যায়৷ এছাড়া টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা যায়, যা ডেটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং নির্ভুলতা বজায় রাখে।
- SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে এই ডেটার উপর বিভিন্ন অপারেশন চালানো যায়। 

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৫৫৮.
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ড নয়-
  1. Update statement
  2. Alter statement
  3. Create statement
  4. Drop statement
সঠিক উত্তর:
Update statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Update statement
ব্যাখ্যা
• Update statement ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ড নয়।

• ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:

- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
- Create statement,
-  Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৯.
নিচের কোনটি প্রাইমারি কী?
  1. বয়স
  2. ঠিকানা
  3. নাম
  4. রোল নম্বর
সঠিক উত্তর:
রোল নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোল নম্বর
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি ডাটাবেস টেবিলের সেই ফিল্ড বা কলাম যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এটি কোনো রেকর্ডের জন্য ইউনিক এবং কখনো খালি (NULL) থাকতে পারে না। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলির মধ্যে বয়স, ঠিকানা, এবং নাম এক বা একাধিক রেকর্ডের জন্য পুনরাবৃত্তি হতে পারে, তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে রোল নম্বর প্রতিটি শিক্ষার্থী বা রেকর্ডের জন্য আলাদা হয় এবং পুনরাবৃত্তি হয় না। তাই এটি একেবারে অনন্যভাবে প্রতিটি রেকর্ডকে চিহ্নিত করতে পারে। সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে প্রাইমারি কী হলো রোল নম্বর।
 
 • কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬০.
ডেটাবেজের ব্যবহার কোনটি?
  1. ক) কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া।
  2. খ) কম্পিউটারের গতিশীলতা আনয়ন করা।
  3. গ) প্রধান মেমোরির সহায়ক হিসেবে কাজ করা।
  4. ঘ) উপাত্ত সংরক্ষণ করা।
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপাত্ত সংরক্ষণ করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপাত্ত সংরক্ষণ করা।
ব্যাখ্যা

- ডেটাবেজকে বলা হয় তথ্যভাণ্ডার।
- ইহা একটি কম্পিউটারভিত্তিক পদ্ধতি, যার সাহায্যে সংগৃহীত উপাত্ত সংরক্ষন করবার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী পুন্রুদ্ধার করা যায়।
- একটি ডেটাবেজ হল কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহ।
- উপাত্তকে একটি উপাত্ত মডেল অনুসারে সাজিয়ে এই কাঠামোটি অর্জন করা হয়।


সূত্র: নবম দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 

৫৬১.
Which of the following is the best approach to securing sensitive data in transit over a network?
  1. Use of unencrypted email communication
  2. Using Virtual Private Networks (VPNs) and encryption protocols
  3. Relying on user passwords alone
  4. Disabling firewalls
সঠিক উত্তর:
Using Virtual Private Networks (VPNs) and encryption protocols
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Using Virtual Private Networks (VPNs) and encryption protocols
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Using Virtual Private Networks (VPNs) and encryption protocols.
• নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় (Data in transit) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এনক্রিপশন (Encryption) এবং ভিপিএন (VPN) ব্যবহার করা। ভিপিএন একটি সুরক্ষিত টানেল তৈরি করে যার ভেতর দিয়ে ডেটা প্রবাহিত হয় এবং এনক্রিপশন প্রোটোকল (যেমন—SSL/TLS) ডেটাকে এমনভাবে কোড করে ফেলে যা কোনো হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যক্তি মাঝপথে ধরে ফেললেও পড়তে পারে না। এটি ডেটার গোপনীয়তা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) এবং ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard (DES)।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- এটি হলো এনক্রিপশনের আগে পাঠযোগ্য অবস্থায় থাকা মূল ডেটা।
২. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৩. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
৪. এনক্রিপশন কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট বা ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

• VPN:
- VPN (Virtual Private Network) হলো একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেটে নিরাপদ ও ব্যক্তিগত সংযোগ (secure & private connection) নিশ্চিত করে।
- এটি ডাটা এনক্রিপশন করে এবং ইউজারের আইপি অ্যাড্রেস লুকিয়ে রাখে, যাতে হ্যাকার, ISP (Internet Service Provider), এবং তৃতীয় পক্ষের নজরদারি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
- VPN সংযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসটির আসল আইপি (Internet Protocol) ঠিকানা গোপন করে এবং ইন্টারনেট ট্রাফিক এবং ডাটা একটি ব্যক্তিগত এবং সুরক্ষিতভাবে এনক্রিপ্ট করা টানেলের মাধ্যমে সর্বজনীন নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে রাউটিং করে।
- VPN টানেলের ভেতরে যখন ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয় তখন আইএসপি, অনুসন্ধান ইঞ্জিন, বিপণনকারী, হ্যাকার এবং অন্যরা ওয়েবে আপনার ক্রিয়াকলাপ দেখতে বা ট্র্যাক করতে পারে না ।

উৎস:
১। টেলিকমিনিকেশন এবং নেটওয়ার্ক, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Microsoft Azure Website. [Link]
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬২.
ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধানের পদ্ধতি হলো -
  1. Read out
  2. Record
  3. Query
  4. Sorting
সঠিক উত্তর:
Query
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Query
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল।
Query ডাটাবেজের কোন উপাদান নয়।
- ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান বা প্রদর্শনের পদ্ধতি হলো কুয়েরি (Query)।
- ডাটা অনুসন্ধানের জন্যে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়।
- QUEL, QBE, SQL (Structured Query Language) ইত্যাদি হলো কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৩.
যখন নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়, সেই প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Merging
  2. Querying
  3. Programming
  4. Indexing
সঠিক উত্তর:
Querying
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Querying
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি,মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে সাধারণত কয়েকটি ধরনের মধ্যে ভাগ করা হয়:

• Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে নির্দিষ্ট ফিল্ড বা ক্ষেত্র বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য এই ধরনের কুয়েরি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত তথ্য অনুসন্ধান এবং প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Parameter Query:
- এই কুয়েরি পদ্ধতিতে, প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি চালানো হয়। এটি ব্যবহারকারীকে শর্ত নির্বাচন করার সুযোগ দেয় এবং কুয়েরি ফলাফল অনুসারে ডাটার পরিসীমা সীমাবদ্ধ করতে সাহায্য করে।

• Crosstab Query:
- এই কুয়েরি পদ্ধতি ব্যবহার করে ফলাফলকে একটি সামারি আকারে ডাটা শিটে প্রদর্শন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ডাটা সারি এবং কলামে প্রদর্শিত হয়। এটি বিশেষ করে বড় পরিসরের ডাটার জন্য উপযোগী, যেখানে তুলনা এবং বিশ্লেষণ করা সহজ হয়।

• Action Query:
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি, ডাটা আপডেট, বা ডাটা মুছে ফেলা জন্য Action Query ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা ম্যানিপুলেশন যেমন টেবিল তৈরি, ডাটা আপডেট বা মুছে ফেলা করা সম্ভব হয়।

অপশন আলোচনা:
- ক) মার্জিং: দুটি বা তার বেশি ডেটাসেট একত্রিত করা।
- খ) কুয়েরি: ডেটাবেস থেকে তথ্য খোঁজা।

- গ) প্রোগ্রামিং: কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ করতে নির্দেশনা দেয়া।
- ঘ) ইনডেক্সিং: ডেটার দ্রুত অনুসন্ধানের জন্য সূচী তৈরি করা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB.
৫৬৪.
একটি রিলেশনাল ডেটাবেজ সারণীতে ডেটার ক্ষুদ্রতম যৌক্তিক একক কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. টেবিল
  4. ডেটাবেজ
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা

একটি ডেটাবেজ সারণীর প্রতিটি রেকর্ডের মধ্যে ডেটার ক্ষুদ্রতম ও একক অংশকে ফিল্ড বলা হয়।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণ করে, যেমন একজন ব্যক্তির নাম বা বয়স।

ডাটাবেজ (Database):
- 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
- সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

ফিল্ড (Field):
- ফিল্ড হলো ডেটার সেই একক, যা একটি নির্দিষ্ট অ্যাট্রিবিউট বা বৈশিষ্ট্যকে বর্ণনা করে।
- যেমন, একটি 'শিক্ষার্থী' টেবিলে 'নাম', 'রোল নম্বর', 'শ্রেণি' ইত্যাদি হলো একেকটি ফিল্ড।
- এই ফিল্ডগুলো ডেটাবেজের তথ্যকে সুসংগঠিত করে।
- ফিল্ডগুলো একটি রেকর্ডের অংশ হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- রেকর্ড (Record): টেবিলের একটি সারি, যা একাধিক ফিল্ডের সমষ্টি।
- টেবিল (Table): রেকর্ডের সমষ্টি।
- ডেটাবেজ (Database): এক বা একাধিক টেবিলের সমষ্টি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

৫৬৫.
যখন রেকর্ড Ascending বা Descending ক্রমে সাজানো হয় এবং এতে একাধিক ফিল্ড ব্যবহৃত হয়, তখন সেই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় –
  1. Indexing
  2. Cryptography
  3. Sorting
  4. Query
সঠিক উত্তর:
Sorting
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sorting
ব্যাখ্যা
• যখন রেকর্ড Ascending বা Descending ক্রমে সাজানো হয় এবং এতে একাধিক ফিল্ড ব্যবহৃত হয়, তখন সেই প্রক্রিয়াটিকে Sorting বলা হয়। Sorting হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ডেটাবেসের তথ্যকে নির্দিষ্ট একটি বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে সজ্জিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ছাত্রদের তালিকাকে প্রথমে নাম অনুযায়ী এবং পরে নাম একই হলে রোল নম্বর অনুযায়ী সাজানো হলে তা multi-level sorting-এর উদাহরণ। এটি ডেটা বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান ও উপস্থাপন সহজ করে তোলে। Ascending অর্থাৎ ছোট থেকে বড় বা A থেকে Z এবং Descending অর্থাৎ বড় থেকে ছোট বা Z থেকে A ক্রমে রেকর্ড সাজানো হয়। তাই সঠিক উত্তর: গ) Sorting.

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
ক) কুয়েরি (Query):
- কুয়েরি হলো ডেটাবেস থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খোঁজার বা বের করার একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য ফিল্টার বা সার্চ করতে ব্যবহৃত হয়, তবে কুয়েরির মাধ্যমে সর্ট করা গেলেও, নিজে থেকে এটি "Sorting" নয়।

খ) ক্রিপটোগ্রাফি (Cryptography):
- ক্রিপটোগ্রাফি হলো তথ্য গোপন বা নিরাপদ রাখার বিজ্ঞান। এটি ডেটা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Sorting-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

গ) সর্টিং (Sorting):
- এটাই সঠিক উত্তর। এটি রেকর্ড বা তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া বোঝায়।

ঘ) ইনডেক্সিং (Indexing):
- ইনডেক্সিং হলো ডেটাবেসে তথ্য খোঁজার গতি বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য সাজায় না, বরং তথ্য খোঁজা দ্রুত করে। Sorting-এর মতো এটি রেকর্ডের অর্ডার পরিবর্তন করে না।
- ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৬৬.
ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ কোনটি?
  1. কারেন্সি
  2. মেমো
  3. টেক্সট
  4. ভ্যালু
সঠিক উত্তর:
মেমো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেমো
ব্যাখ্যা
• মেমো:
- এটি একটি Conditional Data টাইপ অর্থাৎ এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ৬৫,৫৩৬ সংখ্যা বর্ণ লেখা যায়।
- সাধারণত মন্তব্য (Remark) History, Reference ফিল্ডে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।
- এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- অ্যাকসেসের আগের ভার্সনের Text ফিল্ডটি নতুন ভার্সনে Short Text নামে করা হয়েছে

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৬৭.
SQL-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Systematic Question Logic
  2. Simple Query List
  3. Standard Question Language
  4. Structured Query Language
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
ব্যাখ্যা

• SQL-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Structured Query Language (ঘ)। এটি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডাটাবেস ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। SQL ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, সংশোধন, আপডেট এবং অনুসন্ধান করতে পারে। এটি মূলত রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (RDBMS) সাথে কাজ করে এবং ডাটার উপর বিভিন্ন ধরনের অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে। SQL-এর মাধ্যমে সহজেই টেবিল তৈরি, তথ্য যোগ বা মুছে ফেলা, এবং জটিল কুয়েরি চালানো সম্ভব। তাই এটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্টে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• SQL Query:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language।
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center SQL তৈরি করা হয়েছে।

• SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ড সেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাঙ্গুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কীভাবে কোয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন এ্যান্ড ইউজারগণ।

• SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়।যেমন-
- ডাটা কোয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

৫৬৮.
অ্যাপ্লিকেশনের ব্যাক-এন্ড ডেভেলপ করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. GUI
  2. Statement
  3. Database
  4. Form
সঠিক উত্তর:
Database
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database
ব্যাখ্যা
- একটি অ্যাপ্লিকেশনের ব্যাক-এন্ড ডেভেলপ করতে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়।
- একটি ডাটাবেস হল তথ্যের একটি সংগঠিত সংগ্রহশালা।
- এর সাহায্যে ডেটা সহজেই অ্যাক্সেস, পরিচালনা, পরিবর্তন, আপডেট এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ডেটাবেজ মূলত ডেটা লেখা এবং অনুসন্ধানের জন্য Structured query language (SQL) ব্যবহার করে।
৫৬৯.
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজের কমান্ড নয় কোনটি?
  1. Insert statement
  2. Drop statement
  3. Delete statement
  4. Update statement
সঠিক উত্তর:
Drop statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Drop statement
ব্যাখ্যা
♦ ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
•  Rename statement

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Insert statement
• Delete statement
• Update statement

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭০.
ডাটাবেজের উপাদান হিসেবে পরিচিত - 
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. ডাটা 
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ফিল্ড, রেকর্ড ও ডাটা— তিনটিই ডাটাবাজের উপাদান হিসেবে পরিচিত। 

​ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ফিল্ড (Field),
২. ডাটা (Data),
৩. রেকর্ড (Record)
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭১.
কোনটি কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Illustrator
  3. PowerPoint
  4. Windows Media Player
সঠিক উত্তর:
Informix
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Informix
ব্যাখ্যা
কর্পোরেট ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে Informix.

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭২.
Which of the following is a Data manipulation language command?
  1. Create
  2. Rename
  3. Insert
  4. Alter
সঠিক উত্তর:
Insert
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insert
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Insert

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৩.
ওয়েবসাইটকে আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় কোনটি?
  1. HTTP
  2. HTML
  3. CSS
  4. IMAP
সঠিক উত্তর:
CSS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CSS
ব্যাখ্যা
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৫৭৪.
Encrypted and unreadable data is called—
  1. Plain text
  2. Source data
  3. Cipher text
  4. Open data
সঠিক উত্তর:
Cipher text
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cipher text
ব্যাখ্যা

• Cipher text হলো প্লেইন টেক্সটকে এনক্রিপশন করার পর যে দুর্বোধ্য বা unreadable ডাটা পাওয়া যায়।
- এই ডাটা সরাসরি পড়া বা বোঝা যায় না।

• ডাটা এনক্রিপশন (Data Encryption):
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উৎস (প্রেরক) থেকে গন্তব্যে (প্রাপক) প্রেরণের পূর্বে ডাটাকে যে বিশেষ পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়, তাকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- এর ফলে প্রেরিত ডাটা কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সহজে ব্যবহার করতে পারে না।
 
• এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া:
- প্রেরক কম্পিউটার ডাটাকে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে একটি মাধ্যমের (Transmission Medium) মাধ্যমে পাঠায়।
- প্রাপক কম্পিউটার ডাটাটি ব্যবহারের পূর্বে সেটিকে ডিক্রিপ্ট (Decrypt) করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপশনের নিয়ম এবং প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপশনের নিয়ম নির্ধারিত থাকে।
- এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• ডাটা এনক্রিপশনের জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ড হলো—

১. সিজার কোড (Caesar Code),
২. ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (DES – Data Encryption Standard)।
 
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল উপাদানসমূহ:

- প্লেইন টেক্সট (Plain Text):
- যে ডাটা সাধারণভাবে পড়া ও বোঝা যায়।

- সাইফার টেক্সট (Cipher Text):
- মূল বার্তাকে এনক্রিপ্ট করার পর যে দুর্বোধ্য টেক্সট পাওয়া যায়।

- এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (Encryption Algorithm):
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত গাণিতিক সূত্র বা নিয়মাবলি।

- কী (Key):
- একটি গোপন কোড, যা ডাটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এই কী-এর সাহায্যে সাইফার টেক্সটকে পুনরায় প্লেইন টেক্সটে রূপান্তর করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৫.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে DDL ব্যবহৃত হয় কোন কাজে?
  1. ডাটা সংরক্ষণ
  2. ডাটা ইনসার্ট
  3. ডাটা ডিলিট
  4. ডাটা মডিফাই
সঠিক উত্তর:
ডাটা সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:  
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট এবং মডিফাই করার জন্য DML ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৬.
রিলেশনাল ডাটাবেস মডেল সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. এডগার কড
  2. বিল গেটস
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ডেনিস রিচি
সঠিক উত্তর:
এডগার কড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডগার কড
ব্যাখ্যা

• এডগার কড — রিলেশনাল ডাটাবেস মডেল ১৯৭০ সালে এডগার কড প্রবর্তন করেন, যা আধুনিক ডাটাবেস প্রযুক্তির ভিত্তি।

• রিলেশনাল ডাটাবেস মডেল:
- রিলেশনাল ডাটাবেস হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক টেবিলভিত্তিক ডাটাবেস মডেল।
- এটি আধুনিক ডাটাবেস প্রযুক্তির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- ১৯৭০ সালে এডগার কড (Edgar Codd) সর্বপ্রথম রিলেশনাল ডাটাবেস পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
- তিনি গাণিতিক সূত্রের ভিত্তিতে এই মডেল প্রতিষ্ঠা করেন।
- রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে ডাটার তিনটি দিক রয়েছে—
- ডাটা স্ট্রাকচার (Data Structure),
- ডাটা ইন্টেগ্রিটি (Data Integrity),
- ডাটা ম্যানিপুলেশন (Data Manipulation)।

• রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশনাল ডাটাবেস পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- উল্লেখযোগ্য RDBMS সফটওয়্যারসমূহ হলো—
- Microsoft Access,
- Oracle,
- Dbase,
- Microsoft Visual Basic,
- Microsoft Visual FoxPro,
- Power Builder,
- Delphi,
- Informix.

• অন্যান্য অপশন:
- বিল গেটস → মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা, রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলের প্রবর্তক নন।
- চার্লস ব্যাবেজ → কম্পিউটারের জনক হিসেবে পরিচিত।
- ডেনিস রিচি → C প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান।

৫৭৭.
কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
  1. ক) #
  2. খ) &
  3. গ) @
  4. ঘ) $
সঠিক উত্তর:
গ) @
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) @
ব্যাখ্যা
- ইমেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার প্রোগ্রামার রোমান্ড স্যামুয়েল টমলিসন ই-মেইল এর সূচনা করেন।
- ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে তদানিন্তন আরপানেটে সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনিক মেইল প্রেরণ করা হয়।
- একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে @ চিহ্নটি।
- ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৫৭৮.
ডাটাবেজ থেকে দ্রুত তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি সহায়তা করে?
  1. ফরম্যাটিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. কম্প্রেশন
  4. এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৯.
ডেটাবেজকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ হল কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহ। উপাত্তকে একটি উপাত্ত মডেল অনুসারে সাজিয়ে এই কাঠামোটি অর্জন করা হয়।
ডেটাবেজকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- Relational Database ও NoSQL
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি

৫৮০.
Which of these is not an RDBMS software?
  1. Oracle
  2. Microsoft Access
  3. SQL Server
  4. Microsoft Word
সঠিক উত্তর:
Microsoft Word
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Word
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Microsoft Word

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮১.
Memo-ফিল্ডে লেখা যায়-
  1. বর্ণ
  2. সংখ্যা
  3. চিহ্ন
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
Memo:
- Memo হলো Conditional Data টাইপ।
- এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়।
- সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮২.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে অনেক চাইল্ড রেকর্ড একটি প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করতে পারে?
  1. One-to-one
  2. Many-to-many
  3. One-to-many
  4. Self-referencing
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড রেকর্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করতে পারে যাকে One-to-many সম্পর্ক বলা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, কিন্তু প্রতিটি চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। উদাহরণ হিসেবে ধরুন একটি স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্রের সম্পর্ক, যেখানে একজন শিক্ষক অনেক ছাত্রের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে, কিন্তু প্রতিটি ছাত্রের শুধুমাত্র এক শিক্ষক থাকে। এই সম্পর্ক ডাটাবেজ ডিজাইনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ডেটার সংহতি এবং অর্গানাইজেশন সহজ করে। তাই, অনেক চাইল্ড রেকর্ড একটি প্যারেন্ট রেকর্ডকে রেফার করলে তা One-to-many সম্পর্ক।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৩.
MS Access Database-এর রেকর্ড বাদ দেয়ার অপশন কোনটি?
  1. Delete Record
  2. Delete Data
  3. Delete Field
  4. Delete Row
সঠিক উত্তর:
Delete Record
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delete Record
ব্যাখ্যা
- Database এর রেকর্ড বাদ দেয়ার জন্য Delete Record ক্লিক করতে হয়।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম থাকে।
- ডিবিএমএস ডাটাবেজ তৈরি, এ্যাকসেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- ডিবিএমএস ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। যেমন- ওরাকল, মাইএসকিউএল, মাইক্রোসফট এ্যাকসেস ইত্যাদি।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রাথমিক কাজসমূহ:
- প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটাবেজ তৈরি করা।
- নতুন ডাটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা।
- ডাটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা।
- নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন করা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা/ রেকর্ড বাদ দেয়া।
- ডাটা কুয়েরি করা।
- রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডাটাবেজকে যে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো।
- প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ডাটাবেজ বা ডাটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা।
- ডাটাবেজ হালনাগাদ করা ও যথাসম্ভব ডাটা ডুপ্লিকেশন কমানো।
- ডাটা সংরক্ষণ করা; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৪.
DML-এর পূর্ণ রূপ কীভাবে লেখা হয়?
  1. Database Management Language
  2. Data Maintenance Language
  3. Data Manipulation Language
  4. Data Management Language
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
ব্যাখ্যা

• DML-এর পূর্ণরূপ হলো Data Manipulation Language. এটি একটি ধরনের SQL কমান্ডের সেট যা ডেটাবেসের মধ্যে তথ্য পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। DML-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ডেটাবেসে তথ্য সন্নিবেশ (Insert), আপডেট (Update), মুছে ফেলা (Delete), এবং নির্বাচন (Select) করতে পারে। এটি ডেটা সংরক্ষণ বা ডেটাবেসের কাঠামো পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং বিদ্যমান তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। সহজভাবে বলা যায়, DML হলো সেই ভাষা যা ডেটাবেসের তথ্যের উপর কার্যকরী অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে। তাই DML-এর সঠিক উত্তর হলো: গ) Data Manipulation Language.

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৫.
ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কী তৈরি করা যায়?
  1. টেবিল
  2. রিপোর্ট
  3. ইনডেক্স
  4. মডিউল
সঠিক উত্তর:
রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিপোর্ট
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

• রিপোর্টের ধারণা:
- রিপোর্ট হলো ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট বিন্যাসে উপস্থাপন করার একটি ব্যবস্থা।
- রিপোর্টের মাধ্যমে তথ্য মুদ্রণ বা তথ্য সরবরাহ করা হয়।
- সাধারণত তথ্য প্রদর্শন ও বিতরণের জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।

• রিপোর্ট তৈরির উৎস:
- রিপোর্ট টেবিলের ডেটা থেকে তৈরি করা যায়।
- টেবিলের ডেটা কলাম ও রো অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়।
- এছাড়া ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করেও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে শর্তযুক্ত বা নির্দিষ্ট তথ্য নির্বাচন করে সেই তথ্য রিপোর্টে উপস্থাপন করা সম্ভব।

• রিপোর্ট ব্যবহারের সুবিধা:
- প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপন করা যায়।
- তথ্য মুদ্রণ ও বিতরণ সহজ হয়।
- ডাটাবেজের তথ্য ব্যবহারকারীর জন্য বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- টেবিল: ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, উপস্থাপন বা মুদ্রণের জন্য নয়।
- ইনডেক্স: ডাটা দ্রুত অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মডিউল: প্রোগ্রামিং ও স্বয়ংক্রিয় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৬.
ACID প্রপার্টি কোন টেকনোলজির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওয়েব সার্ভার
  2. নেটওয়ার্ক প্রটোকল
  3. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. ডাটাবেজ ট্রানজেকশন
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ ট্রানজেকশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ ট্রানজেকশন
ব্যাখ্যা

◉ ACID (Atomicity, Consistency, Isolation, Durability) হলো ডাটাবেজ ট্রানজেকশনের চারটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য যা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডেটার নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৫৮৭.
এক্সপার্ট সিস্টেম কি?
  1. অ্যাপ্লিকেশন
  2. যন্ত্র
  3. রোবট
  4. নিউরাল নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
অ্যাপ্লিকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপ্লিকেশন
ব্যাখ্যা
কোন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ করে ঐ বিষয়ের উপর কোনো প্রশ্ন করে কম্পিউটার থেকে উহার উত্তর জেনে নেওয়ার ব্যবস্থাকে এক্সপার্ট সিস্টেম বলে। 
- এক্সপার্ট সিস্টেম হলো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার একটি প্রয়োগ (অ্যাপ্লিকেশন)। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা মানুষের চিন্তা ভাবনা করার দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে একত্রে ধারণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৮৮.
কোন DML কমান্ডটি একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. CREATE
  2. SELECT
  3. UPDATE 
  4. DELETE
সঠিক উত্তর:
UPDATE 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UPDATE 
ব্যাখ্যা

• DML (Data Manipulation Language) কমান্ডের মধ্যে UPDATE কমান্ডটি ব্যবহার করা হয় একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য। যখন কোনো টেবিলের নির্দিষ্ট রেকর্ডের মান পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের সাহায্য নেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো কর্মচারীর বেতন বাড়ানো বা নাম পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পরিবর্তন করা হয়। অন্যদিকে, CREATE টেবিল তৈরি করার জন্য, SELECT ডেটা পড়ার জন্য এবং DELETE ডেটা মুছার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সঠিক DML কমান্ড হলো UPDATE.

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৯.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ নয়?
  1. QBE
  2. ALGOL
  3. QUEL
  4. SQL
সঠিক উত্তর:
ALGOL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ALGOL
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ:
- ডেটাবেজে কোনো প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা-
• QUEL - QUEery Language
• QBE - Query By Example 
• SQL - Structured Query Language

- ALGOL উচ্চতর বা তৃতীয় প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৯০.
কোন NoSQL ডাটাবেজ ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড?
  1. MongoDB
  2. Neo4j
  3. Cassandra 
  4. Redis
সঠিক উত্তর:
MongoDB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MongoDB
ব্যাখ্যা

• ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড NoSQL ডাটাবেজ হলো এমন একটি ডাটাবেজ যা ডেটাকে ডকুমেন্ট আকারে সংরক্ষণ করে, সাধারণত JSON বা BSON ফরম্যাটে। এই ধরনের ডাটাবেজে প্রতিটি ডকুমেন্ট একটি স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের ডেটা একটি ডকুমেন্টে সহজে রাখা যায়। তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে, MongoDB একটি ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ। এটি ফ্লেক্সিবল স্কিমা সমর্থন করে এবং ডকুমেন্টগুলোকে সংগ্রহ (collection) আকারে সংরক্ষণ করে। অন্যদিকে Neo4j হলো গ্রাফ-ডাটাবেজ, Cassandra হলো কলাম-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ, আর Redis হলো কী-ভ্যালু স্টোর। তাই MongoDB একমাত্র ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড।

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৫৯১.
একটি ডেটাবেজে, প্রাইমারি কী-এর মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
  2. এটির ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে
  3. এটি সবসময় NULL হতে হবে
  4. এটি প্রায়ই পরিবর্তিত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
ব্যাখ্যা
• একটি ডেটাবেজে প্রাইমারি কী হল এমন একটি কলাম বা ক্ষেত্র যা প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে সনাক্ত করে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক বা অনন্য মান থাকতে হবে, অর্থাৎ কোন দুইটি রেকর্ডের প্রাইমারি কী একই হতে পারে না। এছাড়া, প্রাইমারি কী কখনো NULL মান নিতে পারে না, কারণ NULL মান থাকলে রেকর্ড সনাক্তকরণে সমস্যা হয়। প্রাইমারি কী সাধারণত স্থায়ী হয়, তাই এটি প্রায়ই পরিবর্তিত হয় না। সুতরাং, প্রাইমারি কী রেকর্ড সঠিকভাবে এবং দ্রুত সনাক্ত করার জন্য অপরিহার্য একটি ইউনিক ও অবিচলিত উপাদান।

উত্তর: ক) এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে।

• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর,  একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯২.
কোনটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়?
  1. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  2. ডেটাবেজ রেকর্ড
  3. ডেটাবেজ তৈরি
  4. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রেকর্ড
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রেকর্ড ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৫৯৩.
Spreadsheet এ নিচের কোনটি দ্বারা worksheet content সম্পর্কে ধারনা করা সম্ভব?
  1. ক) Formula
  2. খ) Values
  3. গ) Labels
  4. ঘ) Cell format
  5. ঙ) Cursor
সঠিক উত্তর:
গ) Labels
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Labels
ব্যাখ্যা
In a spreadsheet program, such as Microsoft Excel, a label is text in a cell, usually describing data in the rows or columns surrounding it, which helps to get an idea about the worksheet content.
৫৯৪.
কোনটি ডাটাবেজের একটি উপাদান?
  1. পাওয়ার কেবল
  2. ডিস্ক
  3. রেকর্ড
  4. মাউস
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
ব্যাখ্যা
রেকর্ড ডাটাবেজের একটি উপাদান।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৫৯৫.
What does the function "VLOOKUP" stand for in Excel?
  1. Vertical Lookup
  2. Value Lookup
  3. Variable Lookup
  4. Verified Lookup
সঠিক উত্তর:
Vertical Lookup
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vertical Lookup
ব্যাখ্যা

VLOOKUP ফাংশনটি Excel-এ Vertical Lookup (ভার্টিক্যাল লুকআপ)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

• VLOOKUP (Vertical Lookup):
- • VLOOKUP (Vertical Lookup) হলো Excel-এর একটি function, যা একটি টেবিলের প্রথম কলামে (first column) নির্দিষ্ট একটি মান খোঁজে এবং সেই মানের সাথে মিল থাকা সারির অন্য একটি কলাম থেকে তথ্য ফেরত দেয়।
- এটি বৃহৎ ডেটা সেটে দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।

উৎস:
1. Microsoft Support Website.
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

৫৯৬.
Which of the following is a task performed by a DBMS?
  1. Designing websites
  2. Database creation
  3. Network design
  4. Image editing
সঠিক উত্তর:
Database creation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database creation
ব্যাখ্যা
Database creation is a task performed by a DBMS.

• Database Management System (DBMS):

যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৫৯৭.
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে কোন ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ক্যাজি (SCSI)
  2. সাস (SAS)
  3. সাটা (SATA)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়। এজন্য আইডিই (IDE- Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়ােজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
৫৯৮.
দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে কোন কী (Key) ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেইন কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ফরেইন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেইন কী
ব্যাখ্যা

ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৯.
নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারে ডেটা প্রবাহ ফিল্টারিংয়ের কাজ করে -
  1. ক) ফার্মওয়্যার
  2. খ) সফটওয়্যার
  3. গ) ফায়ারওয়াল
  4. ঘ) এন্টিভাইরাস
সঠিক উত্তর:
গ) ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস।
- এটি নেটওয়ার্ককে হ্যাকিং কিংবা অনাদিষ্ট প্রবেশ থেকে রক্ষা করে।
- এটির মাধ্যমে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
[উৎস: কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট]
৬০০.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ-
  1. MS Word
  2. Oracle
  3. SQLite
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
খ+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ+গ
ব্যাখ্যা
Oracle ও SQLite এই দুইটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।