বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিভিন্ন গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট এবং গোয়েন্দা সংস্থা

মোট প্রশ্ন৬৭৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিভিন্ন গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট এবং গোয়েন্দা সংস্থা

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৬৭৬

.
FSB পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. KGB
  2. TGF
  3. KFS
  4. KML
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
‘ইএলএন (ELN)’ কোন দেশভিত্তিক গেরিলা গোষ্ঠী?
  1. পেরু
  2. নাইজেরিয়া
  3. মেক্সিকো
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
ইএলএন (ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি):
- ইএলএন কলম্বিয়ার সবচেয়ে পুরনো সক্রিয় গেরিলা গোষ্ঠী। 

- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ায় জাতীয় মুক্তি বাহিনী "গৃহযুদ্ধ" শুরু করার পর থেকে কলম্বিয়ায় ২০০,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
- ফ্যাবিও ভাস্কেজ কাস্তানো নামে একজন উদারপন্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই দলটি একটি মার্কসবাদী সংগঠন হিসেবে গঠিত হয়েছিল।
- এটি কলম্বিয়ার সরকার এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের নামে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে।।
- এই দলটি নিজেদেরকে দরিদ্রদের সমর্থক হিসেবে দেখে এবং কলম্বিয়ায় বিদেশী প্রভাবের অবসান ঘটাতেও চায়।
- তবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী লড়াই, অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি,
- ইএলএন গেরিলারা বর্তমানে ভেনেজুয়েলা সীমান্তের কাছে একটি বিশাল ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে।
- যেখানে লড়াইয়ের ফলে প্রায় ৫৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

উৎস: encyclopedia.com [Link]
.
FBI কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (মে, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত কারা?
  1. সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স
  2. কিউবার গেরিলা বাহিনী 
  3. ইয়েমেনের জঙ্গি গোষ্ঠী
  4. লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী
ব্যাখ্যা

হোয়াইট হেলমেট (White Helmets):
- হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত হলো সিরিয়ার সিভিল ডিফেন্স। 
- এরা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বোমা হামলা ও ধ্বংসলীলার শিকার সাধারণ মানুষজনকে উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জরুরি পরিষেবা প্রদান করে, আর তাদের সাদা হেলমেট থেকেই এই নামকরণ হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই গোষ্ঠীর লক্ষ্য "সকল পক্ষের বোমা হামলা ও যুদ্ধ বন্ধ করা এবং সিরিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা"।
- যখন সিরিয়ার কোথাও বোমা হামলা হচ্ছে সবার আগে সেখানে ছুটে যাচ্ছে 'হোয়াইট হেলমেট'।
- তারা সিরিয়ার ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবনবাজি রেখে মানুষকে উদ্ধার করছে বিশেষ করে শিশুদের।
- হোয়াইট হেলমেটস গ্রুপ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫৪,০০০ জীবন বাঁচিয়েছে।
- হোয়াইট হেলমেটদের লক্ষ্য হলো "সর্বনিম্ন সময়ের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক জীবন বাঁচানো এবং মানুষের আরও আঘাত এবং সম্পত্তির ক্ষতি কমানো।"

উৎস: i) White Helmets ওয়েবসাইট।
ii) History.com

.
'ইন্টারপোল গ্লোবাল কমপ্লেক্স ফর ইনোভেশন' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল :
- ইন্টারপোল হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- International Criminal Police Organization হলো ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালে। 
- বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- ২০১৫ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে অবস্থিত, ইন্টারপোল গ্লোবাল কমপ্লেক্স ফর ইনোভেশন হল সাইবার অপরাধ, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইন্টারপোলের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। 
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- ইন্টারপোলের বর্তমান সভাপতি হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আহমেদ নাসের আল-রাইসি।
- মিঃ আল-রাইসি ২০২১ সালের নভেম্বরে ইস্তাম্বুলে ৮৯তম সাধারণ পরিষদে নির্বাচিত হন।
- ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। [ব্যাখ্যা আপডেট - ডিসেম্বর, ২০২৫]

উৎস: ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
CIA এর প্রধান কার্যালয় কোন শহরে অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ভার্জিনিয়া
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা

• CIA:
- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা CIA হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও গোপন অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ল্যাংলিতে।
- CIA বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: CIA ওয়েবসাইট।

.
IRA কোন দেশের সশ্বস্ত্র সংগঠন?
  1. পেরু
  2. কোস্টারিকা
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA):
- 'Irish Republican Army' (IRA) যাকে 'Provisional Irish Republican Army' ও বলা হয়। 
- IRA (The Irish Republican Army) হলো আয়ারল্যান্ডের সশ্বস্ত্র সংগঠন।
- IRA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে।
- ২০০৫ সালে সংগঠনটি অস্ত্র ত্যাগ করে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
- আইআরএর উদ্দেশ্য ছিল আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসনকে অকার্যকর করার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার করা এবং একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করা।

অন্যদিকে,
- শাইনিং পাথ পেরুর সশ্বস্ত্র সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ULFA-এর সাথে ভারত সরকারের দ্বন্দ্ব কোন অঞ্চলে প্রধানত কেন্দ্রীভূত ছিল?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. আসাম
  3. মণিপুর
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- 'ULFA-এর সাথে ভারত সরকারের দ্বন্দ্ব আসাম অঞ্চলে প্রধানত কেন্দ্রীভূত ছিল

উলফা (ULFA):

- এর পূর্ণরূপ: United Liberation Front of Assam ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

উৎস - South Asia Terrorism Portal.

.
স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শেখ হাসান নাসরুল্লাহ
  2. শেখ আহমেদ ইয়াসিন
  3. আল মুজাহিদিন
  4. আহমেদ আবদি গোদানে
ব্যাখ্যা
• হামাস:
→ হামাস ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
শেখ আহমেদ ইয়াসিন ১৯৮৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
→ হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি ২০১৭ সাল থেকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২১ সালে ইসমাইল হানিয়া দ্বিতীয়বারের মতো পুনঃনির্বাচিত হন।
→ হামাস ২০০৬ সাল থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
→ হামাসের সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৯১ সালে ইজ্জ আল দ্বীন আল কাসেম বিগ্রেড গঠিত হয়। 
→ হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা রিপোর্ট।
১০.
নকশালবাড়ি আন্দোলন একটি-
  1. ক) সাংস্কৃতিক আন্দোলন
  2. খ) বামপন্থী আন্দোলন
  3. গ) পরিবেশবাদী আন্দোলন
  4. ঘ) অহিংস আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- নকশালবাড়ি আন্দোলন হলো ভারতের একটি বামপন্থী মাওবাদী আন্দোলন।
- ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রাম থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এই আন্দোলন অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।
- নকশালবাড়ি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।
- এদের লক্ষ্য ছিলো ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করা।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
১১.
মোসাদ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

মোসাদ
- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- মশাদের প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদর দপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- মোসাদ কাজ:
• তথ্য সংগ্রহ, 
• গোপন অভিযান ও 
• সন্ত্রাসবাদ দমন।

- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- ইসরায়েলের অন্য গোয়েন্দা সংস্থা সমূহ: Shin Bet (Shabak), Aman.

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

১২.
HTS কোন দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. ইরান
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
HTS:
- HTS-এর পূর্ণরূপ: Hay'at Tahrir al-Sham।
- হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) একটি ইসলামিক সশস্ত্র গোষ্ঠী যা সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিম অংশে, বিশেষ করে ইদলিব প্রদেশে সক্রিয়।
- প্রতিষ্ঠা: ২০১৭ সালে আহরার আল-শাম এবং অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সাথে মিলে হায়াত তাহরির আল-শাম গঠন করা হয়।

⇒ এর গঠন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কথিত আইএস গ্রুপের নেতা আবু বকর আল বাগদাদী।
- এটি মূলত আল-কায়েদার সিরিয়ান শাখা আল-নুসরা ফ্রন্টের উত্তরসূরি।
- এটি আগে আল-কায়েদার সিরিয়ান শাখা ছিল।
- ২০১৬ সালে এই গোষ্ঠীর নেতা আবু মোহাম্মেদ আল জাওলানি আল-কায়েদার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করে।
- এর নামই রাখা হয় হায়াত তাহরির আল -শাম এবং পরে এর সাথে আরও কিছু ছোট গোষ্ঠী যোগ হয়।

⇒ এর মূল লক্ষ্য ছিল সিরিয়ার সরকার ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
- জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র এবং তুরস্কসহ অনেক দেশে এইচটিএস সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত।
- তাদের বিদ্রোহে ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে সিরিয়াস গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- টানা গৃহযুদ্ধের কারণে কার্যত ধসে গেছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা।
- এইচটিএস গোষ্ঠীটিই প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ও প্রাণঘাতী ছিলো।
- কয়েক বছর ধরে ইদলিব ছিলো যুদ্ধক্ষেত্র, কারণ সরকারি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছিলো।
- ২০২০ সালে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে। আর তুরস্ক বিদ্রোহীদের সমর্থন যুগিয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১৩.
হিজবুল্লাহ কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট?
  1. ইয়েমেন
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ একটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন।
- এটি লেবাননের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ১১৯০ সাল পর্যন্ত চলা লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডস ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- মূলত ইরানের উদ্যোগেই হিজবুল্লাহ সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল।

⇒ হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।

⇒ এর তৃতীয় মহাসচিব: শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে শেখ হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- সম্প্রতি ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

⇒ তাদের নিজস্ব রেডিও ও টিভি চ্যানেল রয়েছে।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

উৎস: Britannica.
১৪.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক জোট-
  1. ক) ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. খ) ওইসিডি
  3. গ) বেনেলাক্স
  4. ঘ) ন্যাটো
ব্যাখ্যা
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
North Atlantic Treaty Organization- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে। এটিও একটি সামরিক জোট।
বেনেলাক্স ও ওইসিডি হচ্ছে অর্থনৈতিক জোট।
সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১৫.
Warsaw Pact কী ধরনের চুক্তি?
  1. ক) অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  2. খ) সামরিক জোট
  3. গ) বাণিজ্যিক ব্লক
  4. ঘ) জলবায়ু সংকট
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact (Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়। এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো হলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১৬.
FSB কোন সংস্থার উত্তরসূরি?
  1. CIA 
  2. KGB
  3. MI6
  4. Mossad
ব্যাখ্যা

ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (FSB):
- FSB রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৯৪ সালে সোভিয়েত আমলের কেজিবি (KGB) এর উত্তরসূরি সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- FSB এর প্রধান কার্যালয় মস্কোর লুবিয়ানকা স্কয়ারে, যেখানে আগে কেজিবি সদর দপ্তর ছিল।
- রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রপতি ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের কার্যকলাপ তত্ত্বাবধান করেন।
- FSB রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা অভ্যন্তরীণ সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

• কর্মক্ষেত্র ও দায়িত্ব:
- কাউন্টারইন্টেলিজেন্স: অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা কার্যক্রম ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম: সন্ত্রাস মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা পালন।
- সামরিক নজরদারি: সামরিক বাহিনীর উপর নজরদারি পরিচালনা। -

উৎস: Britannica.

১৭.
'Inter-Services Intelligence' কোন দেশের গোয়েন্দাসংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• Inter-Services Intelligence (ISI) পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা।
- Federal Investigation Agency (FIA) পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা।

• অন্যান্য কিছু দেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নাম:
- National Security Intelligence (NSI) - বাংলাদেশ। 
- Criminal Investigation Department (CID)- বাংলাদেশ। 
- Research and Analysis Wing (RAW)- ভারত। 
- Central Bureau of Investigation (CBI) -ভারত
- Federal Security Service (FSB)- রাশিয়া। 
- Secret Intelligence Service (SIS)- যুক্তরাজ্য।
- Military Intelligence, Section 6 (MI6) -যুক্তরাজ্য।
- MOSSAD - ইসরাইল।
- Central Intelligence Agency (CIA)- যুক্তরাষ্ট্র। 
- Federal Bureau of Investigation (FBI)- যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮.
কোন গেরিলা সংগঠনের সাথে শান্তিচুক্তির কারণে জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. M-19
  2. ফার্ক
  3. টুপাক আমারু
  4. শাইনিং পাথ
ব্যাখ্যা
জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস:
- জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন 'ফার্ক'-এর সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- তিনি বামপন্থি ফার্ক বিদ্রোহীদের সঙ্গে ৫২ বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসানের প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ২০১৬ দালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।

⇒ ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

উৎস: Britannica.
১৯.
আমান কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
আমান:
- মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে 'আমান' অনেক পুরনো সংস্থা।
- আমান ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
- ১৯৫০ সালে ইহুদি নেতাদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এই গোয়েন্দা সংস্থাটি তৈরি হয়।
- হিব্রু ভাষায় এই সংস্থাটিকে বলা হয় 'আগাফ হা- মোডিলিন'।
- ইতিহাস বিখ্যাত দুর্ধর্ষ গুপ্তচর নারী সিলভিয়া ছিলেন এই গোয়েন্দা সংস্থার অন্যতম সদস্য।
- আমান ব্যতীত ইসরায়েলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো মোসাদ এবং শিনবেত।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪।
২০.
‘ডেল্টা ফোর্স’ কোন দেশের বিশেষ সামরিক বাহিনী? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত 
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• ডেল্টা ফোর্স: 
- ডেল্টা ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত গোপন ও শক্তিশালী বিশেষ অভিযান ইউনিট।
- সদর দপ্তর: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে বেকউইথ এবং কর্নেল থমাস হেনরি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডেল্টা ফোর্স গঠনের ধারণাটি আসে কর্নেল চার্লস বেকউইথের কাছ থেকে।
- তিনি ছিলেন একজন গ্রিন বেরেট (একটি বিশেষায়িত ফোর্স) এর সদস্য এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক।
- এটি Combat Applications Group (CAG), Army Compartmented Elements (ACE), Task Force Green এবং সংক্ষেপে “the Unit” নামেও পরিচিত, পাশাপাশি বিভিন্ন গোপন কভার নামও রয়েছে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।

• দায়িত্ব: 
- এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এ ইউনিটকে সবচেয়ে জটিল, গোপন ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, 
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো। (Link1) (Link2)

২১.
মোসাদের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. ড্যানি ইয়াতম
  2. রেউভেন শিলোয়াহ
  3. ইয়োসি কোহেন
  4. ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
২২.
মরো ন্যাশনাল লিবারেশান ফ্রন্ট প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) হাশিম সালামাত
  2. খ) ইবরাহিম মুরাদ
  3. গ) নূর মিসৌরী
  4. ঘ) শেখ হাসানুল বান্না
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে মুসলমান অধ্যুষিত ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের স্বাধীনতার দাবীতে নূর মিসৌরী এর নেতৃত্বে মরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (MNLF) গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে MNLF থেকে বের হয়ে হাশিম সালামাত মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট (MILF) গঠন করে। ১৯৯৬ সালে নূর মিসৌরী ফিলিপাইন সরকারের সাথে শান্তি চুক্তি সম্পাদন করার ফলে মিন্দানাও এর চারটি অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু MILF এর বিরোধিতা করে লড়াই চালু রাখে। ২০১৪ সালে সরকারের সাথে MILF এর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ফলে ২০১৯ সালে মিন্দানাও দ্বীপে বাংসামরো নামে নতুন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে করে মিন্দানাও দ্বীপে দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে চলা লড়াইয়ের অবসান হয়। (সূত্রঃ দৈনিক নয়াদিগন্ত)
২৩.
“Stasi” কোন দেশের গোপন পুলিশি সংস্থা?
  1. ক) কিউবা
  2. খ) ইরান
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
“Stasi”, official name Ministerium für Staatsicherheit (German: “Ministry for State Security''), secret police agency of the German Democratic Republic (East Germany). The Stasi was one of the most hated and feared institutions of the East German communist government. The Stasi developed out of the internal security and police apparatus established in the Soviet zone of occupation in Germany after World War II.
Source: britannica.com
২৪.
মুখবরাত কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
গোয়েন্দা সংস্থা: 
- মিশর- মুখবরাত। 
- ইসরায়েল -মোসাদ,আমান।
- জাপান - নাইচো।
- ইরান- ভিভাক।
- সৌদি আরব- এস পি এ( SPA)।
- চীন- এম এস এস(MSS)।
- পাকিস্তান - আইএসআই( ISI)।
- যুক্তরাষ্ট্র- সিআইএ, ফেয়ারফ্যাক্স, এনএসএ(NSA), এফবিআই( FBI)।
- যুক্তরাজ্য- এসআইএস( SIS), এম আই৬, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড, ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিস।
- ফ্রান্স- ডিজিএসআই।
- ভারত - RAW,CBI.

উৎস: ব্রিটানিকা 
২৫.
জাপানের গেরিলা সংগঠন কোনটি?
  1. ক) গডস আর্মি
  2. খ) রেড আর্মি
  3. গ) কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি
  4. ঘ) ইউপিডিএফ
ব্যাখ্যা
জাপানের কমিউনিস্ট উগ্রপন্থী সংগঠন হলো রেড আর্মি। এর প্রতিষ্ঠাতা ফুসেকা শিজেনবো নামে একজন নারী। ১৯৭১ সালে লেবাননে তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠন বিশ্বব্যাপী অনেকগুলো আলোচিত অপারেশন পরিচালনা করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় জাপানের বিমান ছিনতাই করে নিয়ে আসা। ২০০০ সালে ফুসেকা জাপানে গ্রেফতার হলে রেড আর্মি এর কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়ে। ২০০১ সালে ফুসেকা রেড আর্মি বিপুল্ত ঘোষণা করেন।(সূত্রঃ গার্ডিয়ান)
২৬.
'খোমার রুজ' কোন দেশের গেরিলা বাহিনী?
  1. ক) কম্বোডিয়া
  2. খ) নিকারাগুয়া
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
• খোমার রুজ: 
- খোমার রুজ হচ্ছে কম্বোডিয়ার একটি গেরিলা বাহিনী।
- তাদের অতি বাম রাজনীতি, লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন দখল করার পর রাজধানী জনশূন্য করা, জোর করে শিক্ষিত তথা বুদ্ধিজীবীদের গ্রামে পাঠিয়ে কৃষকদের সাথে কাজ করতে বাধ্য করা ইত্যাদির কারণে খোমার রুজরা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে বিতর্কিত হয়ে আছে।

- তারা চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের আলোকে কম্বোডিয়ায় একটি নতুন ধরণের সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিলেন।
- খেমার রুজের নেতৃত্বে ছিলেন পলপট, ইয়ান সেনরী প্রমুখ।
- ওরা গ্যারিলা যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল নমপেনের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিলেন।
- ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় ছিল।
- ১৯৭৮ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
২৭.
‘পলিসারিও ফ্রন্ট’ কোন অঞ্চলের মিলিশিয়া গোষ্ঠী?
  1. ক) তাঞ্জানিয়া
  2. খ) পশ্চিম সাহারা
  3. গ) লিবিয়া
  4. ঘ) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
‘পলিসারিও ফ্রন্ট’ হলো মরক্কো অধিকৃত পশ্চিম সাহারা বা পশ্চিম আফ্রিকা অঞ্চলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
পলিসারিও ফ্রন্ট দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম সাহারায় ‘সাহারাওয়ি আরব ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক’ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে আসছে। আলজেরিয়া পলিসারিও ফ্রন্টকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
সম্প্রতি ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের উপর মরক্কোর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
২৮.
ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা RAW-এর মূল দায়িত্ব কোনটি?
  1. অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা তৎপরতা
  2. অর্থনৈতিক জালিয়াতি তদন্ত
  3. অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদ দমন
  4. বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা
ব্যাখ্যা

RAW:
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে। 
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।
- RAW-এর মূল দায়িত্ব হলো ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ। 

⇒ কাজ:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের নিকট ভারতের পরাজয়ের দুর্বলতার অনুসন্ধানে ভারত সরকার একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

⇒ চীন ও পাকিস্তানকে মোকাবেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ, দক্ষিণ আফ্রিকায় ANC ক্ষমতা লাভ, আফগানিস্তানে ভারতের উপস্থিতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে RAW গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Council on Foreign Relations.

২৯.
হুথিদের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা কে?(নভেম্বর, ২০২৫)
  1. আবদুল মালিক আল-হুথি
  2. হুসেইন আল-হুথি
  3. আবদুল হুসেইন আল-হুথি
  4. মোহাম্মদ হারিস আল-হুথি
ব্যাখ্যা

হুথি:
- ইয়েমেনের সংখ্যালঘু শিয়া মুসলিম জায়েদিদের পক্ষে কথা বলা সশস্ত্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী হুথি।
- তাদের দাবি, ইরান-নেতৃত্বাধীন "প্রতিরোধ অক্ষ"-এর অংশ তারা। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও বৃহত্তর পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এই অক্ষে হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো মধ্যপ্রাচ্যের আরও সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে তারা আনসারুল্লাহ (আল্লাহর পক্ষে) নামে পরিচিত।
- নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া গোষ্ঠীটির নাম এসেছে তাদের প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন আল-হুথির নাম থেকে।
- তার ভাই আবদুল মালিক আল-হুথি তাদের বর্তমান নেতা।

উৎস: বিবিসি নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ।

৩০.
'শিন বেত' গোয়েন্দা সংস্থাটি কোন দেশের?
  1. ইসরায়েল
  2. ফিলিপাইন
  3. রাশিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা

- 'শিন বেত' ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। 

• শাবাক বা শিন বেত:

- শাবাক বা শিন বেত গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব হলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- শিন বেত দাবি করে, তারা পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আসা হুমকির বিরুদ্ধে 'অদৃশ্য ঢাল' হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
ইসরায়েলের আরো গোয়েন্দা ইউনিট গুলো হল:
• মোসাদ:
- মোসাদ গঠিত হয় ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় বছর পর, ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে।
- তাদের কাজ ছিল ইসরায়েলকে বাইরের হুমকি থেকে রক্ষা করা।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্ব নিরাপদ রাখা।

• ইউনিট ৮২০০ :
- ইউনিট ৮২০০-কে ইসরায়েলি গোয়েন্দা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয় এবং এই ইউনিটের মাধ্যমেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইলেকট্রনিক মাধ্যমে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা করে।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মতে, এটি তাদের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা ইউনিট।
- ইউনিট ৮২০০-তে ১০ হাজারের বেশি লোক কাজ করে এবং এখানে যারা কাজ করে তারা এলিট এবং শিক্ষিত বাহিনী থেকে বাছাই করা।
- এই ইউনিটে কাজ করা সদস্যদের সংখ্যা মোসাদ ও শিন বেটের সদস্যদের থেকেও বেশি।
-  গোয়েন্দাগিরির জন্য ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র বানানোর দায়িত্বও ইউনিট ৮২০০-এর।
-  ২০১০ সালে ইরানে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর সাইবার হামলায় ইউনিট ৮২০০ জড়িত ছিল।

• আমান: 
- আমান হলো ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ সদর দপ্তরের অধীনে কাজ করে।
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সামরিক কমান্ডকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা।
- ইসরায়েলে গোয়েন্দা সংস্থার ইতিহাস ইসরায়েলের অস্তিত্বের চেয়েও পুরনো।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

৩১.
PKK হলো -
  1. ক) ফিলিস্তিনিদের সংগঠন
  2. খ) পাকিস্তানিদের সংগঠন
  3. গ) তুরস্কের কুর্দিদের সংগঠন
  4. ঘ) ফিলিপাইনের মুসলিম বিদ্রোহীদের সংগঠন
ব্যাখ্যা
PKK (তুরস্ক)

- পূর্ণরূপ: Partiya Karkeren Kurdistan (কুর্দি ভাষা) বা কুর্দিস্তান ওয়াকার্স পার্টি।
- দাবি: তুরস্ক থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন কুর্দিস্তান রাষ্ট্র গঠন।
- আদর্শ: বিপ্লবী মার্কসবাদ ও লেনিনবাদ।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ ওকালান।
- বর্তমান প্রধান কমান্ডার: মুরাত কারাইলান।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩২.
উলফা ভারতের কোন রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. মনিপুর
  2. মিজোরাম
  3. আসাম
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা
উলফা:
- ULFA এর পূর্ণরূপ United Liberation Front of Assam.
- ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
৩৩.
'FSB' কোন দেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৪.
ANZUS কোন ধরনের জোট?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) অর্থনৈতিক
  3. গ) সামরিক
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ANZUS হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট। তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত। দেশুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কমিউনিজম আগ্রাসন রোধে ১৯৫১ সালে ANZUS গঠিত হয়।

সূত্র:- ANZUS ওয়েবসাইট। 
৩৫.
MI6 কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরাক
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• MI6 (Secret Intelligence Service):
- MI6 বা Military Intelligence, Section 6, হলো ব্রিটেনের বিদেশী গুপ্তচরবৃত্তির প্রধান সংস্থা।
- এটি দেশের বাইরে থেকে গোপন তথ্য সংগ্রহ করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটি Secret Intelligence Service (SIS) নামে পরিচিত।
- এর সদর দপ্তর লন্ডনের ভক্সহল ক্রস-এ অবস্থিত।
-  MI6-এর কার্যক্রম Intelligence Services Act 1994 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এটি Foreign, Commonwealth & Development Office-এর অধীনে কাজ করে।
- মূল কার্যাবলী:
• সংস্থাটি বিদেশী নাগরিক ও সংস্থার উপর গোপন তথ্য সংগ্রহ করে সরকারের কাছে সরবরাহ করে এবং 
• আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুপ্তচরবৃত্তি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- MI6-১৯০৯ সালে Secret Service Bureau-এর একটি বিদেশী শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- MI6-এর কার্যক্রম গোপনীয়তার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে অজানা, তবে James Bond-এর মতো কাল্পনিক চরিত্রগুলোর মাধ্যমে এটি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে।

উৎস: Britannica.

৩৬.
M23 কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ইথোপিয়া
  2. ডি আর কঙ্গো
  3. সুদান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

March 23 Movement (M23):
- March 23 Movement (M23) হলো ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (DRC)-এর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- M23 বিদ্রোহের উৎপত্তি হয় ২৩ মার্চ ২০০৯ সালে স্বাক্ষরিত এক শান্তিচুক্তির ব্যর্থতা থেকে।
- পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংগঠনটি দেশটির পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- M23 বর্তমানে DRC-র পূর্বাঞ্চলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
- তারা বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত।
- কঙ্গোর সরকার ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী তাদের দমনের চেষ্টা করছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৭.
FBI-এর বর্তমান প্রধান কে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. Kash Patel
  2. Gerhard Schinider
  3. Roberd S Mueller
  4. Tamir Pardo
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI-এর পুর্ণরূপ: Federal Bureau of Investigation.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ: ২৬ জুলাই, ১৯০৮।
- প্রতিষ্ঠাতা: অ্যাটর্নি জেনারেল চার্লস জে. বোনাপার্ট।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল (Kash Patel)।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংগঠিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশী যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।
৩৮.
FSB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. The Federal Security Service
  2. The Federal Intelligence Bureau
  3. The National Security Agency
  4. The Federal Intelligence Directorate
ব্যাখ্যা

• FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ: The Federal Security Service. 
- যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

তথ্যসূত্র: FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৯.
The Moro National Liberation Front (MNLF) কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ফিলিপাইন
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. লেবানন
  4. মিয়ানমার 
ব্যাখ্যা

The Moro National Liberation Front (MNLF):
- The Moro National Liberation Front (MNLF) ফিলিপাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এটি ফিলিপাইনের সুলু, পালাওয়ান এবং মিন্দানাও অংশ নিয়ে স্বাধীন মুসলিম দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রামরত একটি গ্রুপ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- এই দলটি মুসলিম স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ফিলিপাইন সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিল, যা পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে কিছুটা স্থিতিশীল হয়। 

অন্যদিকে -
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।

উৎস: Britannica.

৪০.
ইন্টারপোলের সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
Interpol:
- International Criminal Police Organization হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৬টি দেশ। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
- এর বর্তমান মহাসচিব হলেন ব্রাজিলের ভালডেসি উরকুইজা। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- ২০২৫ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪১.
'হুতি' কোন দেশের সশস্ত্র সংগঠন?
  1. বাহরাইন
  2. সিরিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৪২.
হিজবুল্লাহ কোন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ইয়েমেন
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ (Hezbollah):
- হিজবুল্লাহ বা "আল্লাহর দল", একটি শিয়া মুসলিম মিলিট্যান্ট গোষ্ঠী যা ১৯৮২ সালে লেবাননে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়।
- হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পক্ষে কাজ করে।
- তবে এটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে লেবাননের সীমানার বাইরে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- একাধিক দেশ হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তবে লেবাননে এটি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করছে এবং দেশটির পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে এবং তাদের সক্রিয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি করে।

উৎস:
Encyclopedia Britannica
BBC News
৪৩.
আজভ ব্যাটালিয়ন কোন দেশের আধা-সামরিক গোষ্ঠী?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. জার্মানি
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
আজভ ব্যাটালিয়ন ইউক্রেনের আধা-সামরিক গোষ্ঠী।

আজভ ব্যাটালিয়ন:
- আজভ ব্যাটালিয়ন হলো একটি সশস্ত্র আধা-সামরিক গোষ্ঠী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- এই গোষ্ঠীটি অতি-জাতীয়তাবাদী।
- এরা নব্য-নাৎসিবাদ ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
- এরা নিজেদের নব্য-নাৎসি পরিচয় দিয়ে থাকে।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- পরে একে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'ইনটারভেনশন ইউনিট' হিসেবে যুক্ত করা হয়।
- আজভ ব্যাটালিয়নের প্রতিষ্ঠাতা আন্দ্রেই বিলেতস্কি। 

উল্লেখ্য,
- আজভ ব্যাটালিয়নের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯০০।
- তাদের অধিকাংশই প্যারামিলিটারি।
- এই ব্যাটালিয়নের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয় ইসরায়েলি আর্মির কর্মকর্তারা।
- বর্তমানে আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি (ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক)।

⇒ ২০১৪ সালে ২ মে এই প্যারামিলিটারি বাহিনী ওডেসায় হাউস অভ ট্রেড ইউনিয়নসে হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালায়।
- এছাড়া দনবাস (ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল) অঞ্চলে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে এই আজভ গোষ্ঠী।
- ২০১৫ সালে এক ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার পর কুখ্যাত হয়ে ওঠে আজভ ব্যাটালিয়ন।
- ২০১৮ সালে আজভ ইউনিট রোমা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ড চালায়।

উৎস: i) ১ মার্চ, ২০২২, Al Jazeera।
         ii) ১৭ মার্চ, ২০২২, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪৪.
পিকেকে (PKK) কোন দেশের মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন?
  1. তুরস্ক
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
তুরস্কে:
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিকেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে। তুরস্ক সরকার পিকেকে গোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে সিরিয়া ও উত্তর ইরাকে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

এছাড়াও, 
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক।
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‍তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- কামাল পাশা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪৫.
CIA কোন দেশের গোয়েন্দা বাহিনী?
  1. ক) ইসরাইল
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
- CIA (Central Intelligence Agency) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।
- CIA বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় বহুমাত্রিক তৎপরতায় নিয়োজিত।
(তথ্যসূত্রঃ CIA ওয়েবসাইট)
৪৬.
নিচের কোনটি RAW-এর মূল দায়িত্ব?
  1. বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
  2. সীমান্ত রক্ষা
  3. রাজ্য পুলিশকে সহায়তা
  4. সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে। 
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।

⇒ মূল দায়িত্ব:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উৎস: Council on Foreign Relations.
৪৭.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
  1. রেঞ্জার্স
  2. ইউরোপোল
  3. ইউরোটেক্স
  4. ফ্রনটেক্স
ব্যাখ্যা
• ইউরোপীয় ইউনিয়ন:
- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত মোট দেশের সংখ্যা ২৭ টি।
- এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০ টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- সর্বশেষ ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে - ক্রোয়েশিয়া (১ জানুয়ারী, ২০২৩)।
- সদর দপ্তর- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসামুক্ত প্রবেশের চুক্তি শেনজেন চুক্তি।
- ম্যাসট্রিচট চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নামকরণ করা হয়।
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে। এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ফ্রনটেক্স।

সূত্র: ইউ ওয়েবসাইট।
৪৮.
ANZUS চুক্তির আওতায় নেই-
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ANZUS চুক্তি: 
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা চুক্তি।
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
- চুক্তিটি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ড একটি অ্যান্টি-নিউক্লিয়ার নীতি গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- এর প্রতিক্রিয়ায় ১৯৮৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তির বাধ্যবাধকতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করে।
- তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির অংশীদার থাকলেও, ১৯৮৬ সাল থেকে কার্যত ANZUS নিষ্ক্রিয়।
- অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও, নিউজিল্যান্ড এই জোটে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করে না।

উৎস: Britannica.
৪৯.
সাভাক কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম?
  1. মিশর
  2. ইরান
  3. জার্মানি
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB)।
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI)।
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA)।
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB)।
- ব্রিটেন: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6)।
- ইসরায়েল: MOSSAD।
- ইরান: সাভাক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
৫০.
'আজভ ব্রিগেড' কোন দেশের সশস্ত্র বাহিনী?
  1. জর্ডান
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. ইউক্রেন
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

আজভ ব্রিগেড:
- 'আজভ ব্রিগেড' ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র বাহিনী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্রিগেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- অ্যান্ড্রি বিলেটস্কি সশস্ত্র বাহিনীটি প্রতিষ্ঠাতা নেতা ছিলেন।
- আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি। তিনি ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা, ০১ মে, ২০২২।

৫১.
‘March 23 Movement (M23)’ কী?
  1. মানবাধিকার সংস্থা
  2. বিদ্রোহী গোষ্ঠী
  3. পরিবেশ রক্ষা কর্মসূচী
  4. নারী অধিকার আন্দোলন
ব্যাখ্যা

March 23 Movement (M23):
- March 23 Movement (M23) হলো ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (DRC)-এর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- M23 বিদ্রোহের উৎপত্তি হয় ২৩ মার্চ ২০০৯ সালে স্বাক্ষরিত এক শান্তিচুক্তির ব্যর্থতা থেকে।
- পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংগঠনটি দেশটির পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- M23 বর্তমানে DRC-র পূর্বাঞ্চলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
- তারা বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত।
- কঙ্গোর সরকার ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী তাদের দমনের চেষ্টা করছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫২.
'ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস' কোন দেশের সামরিক বাহিনী?
  1. ইসরায়েল
  2. লেবানন
  3. সিরিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস:
- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (The Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) ইরানের প্রধান সামরিক বাহিনী।

⇒  ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা, যার রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটির ভেতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গার্ডস বাহিনী বিশেষত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল হোসেইন সালামি ইসরাইলের চালানো বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
- হোসেইন সালামি ২০১৯ সাল থেকে বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইরানের পরমাণু ও সামরিক কৌশল নির্ধারণে ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
- তার নেতৃত্বেই ইরান আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে একাধিক সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে এসেছে, বিশেষত ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে।

উৎস: i) Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৫৩.
কোন দেশের নেতৃত্বাধীন জোট হুথি বিদ্রোহীদের দমন করতে যুদ্ধ করে যাচ্ছে?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ইরাক
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) লেবানন
ব্যাখ্যা
• হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত।
• হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
• এরা মুসলিম শিয়া মতাবলম্বী জনগোষ্ঠী।
• হুথিরা ইরানের সমর্থনপুষ্ট।
• এরা উত্তর ইয়েমেনে বাস করে।
• এদের প্রথম উথান ঘটে ১৯৮০ সালের দিকে।
• ২০১১ সালে আরব বসন্তের পর হুথিরা পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠে এবং রাজধানী সানা সহ দেশের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়। এর ফলে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় যা এখনো চলমান। 

তথ্যসূত্র:- ডয়েচেভেলে এবং ডেইলি স্টার।
৫৪.
হিজবুল্লাহ কী?
  1. লেবাননের শিয়া মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
  2. লেবাননের সুন্নী মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
  3. ইরাকের সুন্নী মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
  4. ইয়েমেনের সুন্নী মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
• হিজবুল্লাহ (Hezbollah):
- হিজবুল্লাহ, যার অর্থ "আল্লাহর দল"।
- এটি লেবাননের শিয়া মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- বর্তমানে সংগঠনটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাইম কাসেম। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- এটি মূলত ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়।
- হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পক্ষে কাজ করে।
- তবে এটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে লেবাননের সীমানার বাইরে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে এবং তাদের সক্রিয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৫.
আমেরিকার চালকবিহীন গোয়েন্দা বিমান 'স্টিলথ ড্রোন'টি কী?
  1. ক) বোমারু বিমান চালিত
  2. খ) মিগ চালিত
  3. গ) হেলিকপ্টার চালিত
  4. ঘ) শক্তিশালী রকেট চালিত
ব্যাখ্যা
‘ড্রোন’ হলো এক প্রকার চালকবিহীন বিমান।
এটি Unmanned Aerial Vehicles (UAVs) কিংবা Remotely Piloted Aerial Systems (RPAS) নামেও পরিচিত।
এ ধরনের বিমান মনুষ্যচালিত বিমান থেকে আকারে ছোট হয়ে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টিলথ ড্রোন একটি বোমারু বিমান চালিত ড্রোন।
৫৬.
'হিজবুল্লাহ' কোন দেশের রাজনৈতিক ও সশস্ত্ৰ গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- হিজবুল্লাহর নতুন প্রধান শেখ নাঈম কাশেম।
- হিজবুল্লাহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং অন্যান্য সামাজিক সেবার ক্ষেত্রেও কাজ করে থাকে।

উৎস: Britannica.com
৫৭.
’CIA' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা ’CIA, ফেয়ারফ্যাক্স, এনএসএ(NSA), এফবিআই( FBI)।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাজ্য-  এসআইএস( SIS), এম আই৬, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড, ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিস।
- ভারত - RAW,CBI.
- মিশর- মুখবরাত। 
- ইসরায়েল -মোসাদ,আমান।
- জাপান - নাইচো।
- ইরান- ভিভাক।
- সৌদি আরব- এস পি এ( SPA)।
- চীন- এম এস এস(MSS)।
- পাকিস্তান - আইএসআই( ISI)।
- ফ্রান্স- ডিজিএসআই।

উৎস: ব্রিটানিকা
৫৮.
NASA এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) ফ্লোরিডা
  2. খ) ওয়াশিংটন ডিসি
  3. গ) কেপ কেনেডি
  4. ঘ) টেকসাস
ব্যাখ্যা
NASA Headquarters, in Washington, provides overall guidance and direction to the agency, under the leadership of the Administrator.
Source: Nasa.gov
৫৯.
RAW - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Remote Armed Warfare
  2. Research and Analysis Wing
  3. Regional Agency of War
  4. Reporting and Action Wing
ব্যাখ্যা
• RAW:
- এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing.
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW.
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

সূত্র: ব্রিটানিকা.
৬০.
ইরানের গোপন পুলিশ বাহিনী কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. সাভাক
  2. স্পার্টান
  3. সামুরাই 
  4. হুন 
ব্যাখ্যা

• ইরানেরগোপন পুলিশ বাহিনী: 
- ইরানের কুখ্যাত গোপন পুলিশ বাহিনী সাভাক (SAVAK).
- এটি ছিল শাহের শাসনামলের (১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত) রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনকারী সংস্থা।
- এটি ১৯৫০-এর দশকে সিআইএ ও ইসরায়েলের মোসাদের আদলে গঠিত হয়েছিল এবং
- গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও গুপ্তহত্যার মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক কার্যক্রম রোধ করত।
- ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর সাভাক বিলুপ্ত করা হয়।
- বর্তমানে ইরানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হলো গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় (VAJA), এবং
- সামাজিক নিয়ম প্রয়োগের জন্য রয়েছে গাইডেন্স পেট্রোল (Guidance Patrol).

অন্যদিকে,
• স্পার্টান: স্পার্টানরা ছিল প্রাচীন গ্রিসের স্পার্টা নগর–রাষ্ট্রের অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সামরিক-কেন্দ্রিক যোদ্ধা সমাজ।
• সামুরাই: সামুরাইরা ছিল জাপানের মধ্যযুগীয় যুগের অভিজাত বুশিদোযোদ্ধা শ্রেণি।
• হুন: হুনরা ছিল মধ্য এশিয়ার যাযাবর ও ভয়ংকর যুদ্ধকৌশলী গোষ্ঠী, যারা দ্রুতগামী অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে আক্রমণ চালানোর জন্য কুখ্যাত।

উৎস: Britannica.

৬১.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান?
  1. ক) টর্নেডো
  2. খ) জেভলিন
  3. গ) স্টেলথ
  4. ঘ) টাইফুন
ব্যাখ্যা
স্টেলথ যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান। এটি রাডারের নজর এড়াতে সক্ষম জঙ্গিবিমান। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য যুদ্ধবিমান- এফ-১৬, সি-১৩০ ও বি-৫২ ইত্যাদি।
টর্নেডো, জেভলিন, টাইফুন, হান্টার, হারিকেন, গ্লাডিয়েটর, ক্যামেরন ইত্যাদি যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৬২.
১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে অ্যাথলেটদের অপহরণের জন্য কোন গেরিলা সংগঠনটি কুখ্যাত হয়েছিল?
  1. ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  2. জইশ মোহাম্মদ
  3. হুথি বিদ্রোহী
  4. হিজবুত তাহরীর
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- Black September ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর গঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- বিলুপ্ত ঘোষিত হয়: ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে।
- জার্মানিতে মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৬৩.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
হিযবুত তাহরীর:

- হিযবুত তাহরীর পশ্চিমাদের ইরাক আক্রমণের সূত্র ধরে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালায়।
- জেরুজালেমের বিচারক তাকিউদ্দিন আল-নাবানি ১৯৫৩ সালে হিযবুত তাহরীর গড়ে
তোলেন।
- হিযবুত তাহ্রীর আরবি শব্দ, যার অর্থ মুক্তির দল।
- ২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীরকে বাংলাদেশ সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে যে হামলা হয়েছিল, সেই হামলার আত্মঘাতী সদস্যদের প্রধানসহ তিনজন ছিলেন হিযবুত তাহরীরের কর্মী।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ ও বিবিসি বাংলা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
৬৪.
খেমারুজ কী?
  1. ক) উপজাতির নাম
  2. খ) একটি রাজধানীর নাম
  3. গ) একটি ভাষার নাম
  4. ঘ) একটি গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
খেমারুজ একটি গেরিলা সংগঠন ছিল। খেমারুজ নেতা ছিলেন পলপট। তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক সোশ্যালিস্ট স্বৈরশাসক। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পলপটের নেতৃত্বে খেমারুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা কম্বোডিয়া গণহত্যা নামে পরিচিত। ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী কম্বোডিয়া আক্রমণ করলে পলপট ও খেমারুজ শাসনের পতন ঘটে।
উৎসঃ হিস্টোরি ডটকম।
৬৫.
MI6 এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. ম্যানচেস্টার
  3. বার্মিংহাম
  4. এডিনবরা
ব্যাখ্যা

• MI6:
- MI6 'Secret Intelligence Service' নামে পরিচিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রচারের জন্য দায়িত্বশীল।
- এটি ১৯০৯ সালে সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরোর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সামরিক গোয়েন্দা (Military Intelligence) বিভাগের ছয় নম্বর সেকশন হিসেবে MI6 নামে পরিচিত।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এটি অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের সময় ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ভূমিকা, শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত।

তথ্যসূত্র: SIS (Secret Intelligence Service) ওয়েবসাইট।

৬৬.
নিচের কোনটি চীনের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) CSIS
  2. খ) Naicho
  3. গ) MSS
  4. ঘ) DGSE
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের কতিপয় গোয়েন্দা সংস্থা:
চীন - Ministry of State Security Chinese (MSS)
জাপান - Cabinet Intelligence and Research Office (Naicho)
কানাডা - Canadian Security Intelligence Service (CSIS)
কিউবা - The Intelligence Directorate Direction General Inteligencia(DGI)
ফ্রান্স - Directorate-General for External Security (DGSE)
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট। 
৬৭.
সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে পরিচালিত মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনীর অভিযান-
  1. ক) অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  2. খ) অপারেশন ওডিসি ডন
  3. গ) অপারেশন জেরোনিমো
  4. ঘ) অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম
ব্যাখ্যা
সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে পরিচালিত মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনীর অভিযান অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম। যা ৭ অক্টোবর, ২০০১ সালে তালেবান ও আল কায়েদার লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। সূত্র- সিএনএন পত্রিকা।
৬৮.
নিচের কোন গেরিলা সংগঠনের সাথে পরেশ বড়ুয়া জড়িত?
  1. ক) রেড আর্মি
  2. খ) এল.টি. টি. ই
  3. গ) উলফা
  4. ঘ) ইউনিটা
ব্যাখ্যা

পরেশ বড়ুয়া উলফা বা (United Liberation front of Assam-ULFA) এর সামরিক শাখার প্রধান। উলফা ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন। এটি ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য যে, উলফা’র রাজনৈতিক শাখার নেতৃত্ব দেন অনুপ চেটিয়া। বর্তমানে উলফার কার্যক্রম সেভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে না কেননা এর শীর্ষ নেতারা জেলে।
উৎসঃ South Asian Terrorism portal.

৬৯.
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-
  1. ISI 
  2. M-19
  3. FBI
  4. M-16 
ব্যাখ্যা

• এফবিআই (FBI):
- এফবিআই (FBI)-এর পূর্ণরূপ- Federal Bureau of Investigation.
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এই সংস্থাটি বিশ্বের অন্যতম দক্ষ, বৃহৎ ও শক্তিশালী নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন সংস্থা হিসেবে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক পর্যন্ত প্রায় সবার সম্পর্কিত তথ্য এই সংস্থার নিকট সংরক্ষিত থাকে।
- দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, অপরাধ তদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাই এর প্রধান দায়িত্ব।
- এফবিআই প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৮ সালের জুলাই মাসে। 
- এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যেই এই সংস্থার কার্যালয় রয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ISI- পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা। 
- M-I6- যুক্তরাজ্যের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা।
- M-19- কলম্বিয়ার একটি শহুরে গেরিলা সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার ওয়েবসাইট। 

৭০.
ফেয়ার ফ্যাক্স কি?
  1. ক) সংবাদ সংস্থা
  2. খ) পরিবেশ সংস্থা
  3. গ) গোয়েন্দা সংস্থা
  4. ঘ) মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
Fairfax County, officially the County of Fairfax is located in the Commonwealth of Virginia in the United States. The county is home to the headquarters of intelligence agencies such as the Central Intelligence Agency, National Geospatial-Intelligence Agency, and National Reconnaissance Office, as well as the National Counterterrorism Center and Office of the Director of National Intelligence.
৭১.
'Azov Brigade' is the armed forces of which country?
  1. Libya
  2. Iran
  3. Poland
  4. Ukraine
  5. Germany
ব্যাখ্যা
আজভ ব্রিগেড:
- 'আজভ ব্রিগেড' ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র বাহিনী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- অ্যান্ড্রি বিলেটস্কি সশস্ত্র বাহিনীটি প্রতিষ্ঠাতা নেতা ছিলেন।
- আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি। তিনি ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা, ০১ মে, ২০২২।
৭২.
হামাস কত সালে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।
- গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ নেয়: ২০০৭ সালে।

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- তাদের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে প্যালেস্টাইনের সাধারণ নির্বাচনে হামাস ফাতাহকে হারিয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফাতাহ হেরে যাওয়ার পর এবং হামাস যোদ্ধারা গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়। ওই সংঘাতের ফলে ফিলিস্তিনের যৌথ সরকারের বিলুপ্তি ঘটে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শাসনভার ভাগ হয়ে যায়। ফিলিস্তিনের দুই অংশ- পশ্চিম তীর ফাতাহ আর গাজা হামাসের শাসনে চলে যায়।
- ১০ জুন, ২০০৭ থেকে গাজায় হামাস এবং ফাতাহের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। তিন দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর হামাস গাজা নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.

৭৩.
'হামাস' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
  2. ইসমাইল হানিয়া
  3. খালেদ মাশাল
  4. শেখ আহমাদ ইয়াসিন
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৪.
ফেয়ারফ্যাক্স কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন 
  3. কানাডা 
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ফেয়ার ফ্যাক্স:
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা।
- সংস্থাটি অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা:
- সিআইএ, এফবিআই, এনজিএ, এনএসএ, আইএনআর ইত্যাদি।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৭৫.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর প্রধানের পদবী কী?
  1. ক) মহাপরিচালক
  2. খ) মহাসচিব
  3. গ) প্রশাসক
  4. ঘ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) - এর প্রধানের পদবী মহাপরিচালক
- (১০ম) মহাপরিচালক - গাই রাইডার (১০ম)।
- তিনি ১ অক্টোবর, ২০১২ দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ২০১৭ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে এই পদে নির্বাচিত হন ৷ তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিক।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- এটি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
- এটি ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে

তথ্যসূত্র:- ILO ওয়েবসাইট।
৭৬.
রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা KGB-এর বর্তমান নাম কী?
  1. FBI
  2. CIA
  3. FSB
  4. ISB
ব্যাখ্যা

​• কেজিবি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বিদেশী গোয়েন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা।
• ​১৯৫৪ সালে কেজিবি তৈরি করা হয়েছিল।
• ​সোভিয়েত ইউনিয়নে "কমিউনিস্ট পার্টির ঢাল" হিসেবে কেজিবি কাজ করে।
• ​সোভিয়েত যুগে কেজিবির দায়িত্বের মধ্যে ছিল দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সুরক্ষা, সীমান্ত সৈন্যদের তত্ত্বাবধান এবং জনগণের উপর সাধারণ নজরদারি।
• ​KGB-এর বর্তমান নাম- Federal Security Service (FSB)।
​•  ১৯৯৫ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন ​KGB পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৭.
থাড (THAAD) বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) খেলোয়াড়দের সংগঠন
  2. খ) একটি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন
  3. গ) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  4. ঘ) একটি বিনোদন কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘টার্মিনাল হাই অলটিচুড এরিয়া ডিফেন্স বা থাড’।
- ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ায় (THAAD) ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্থাপন করে।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৭৮.
কোন দেশ দুটির মধ্যকার সংঘাত ইতিহাসে 'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' নামে পরিচিত?
  1. ক) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
  2. খ) ইসরায়েল ও সিরিয়া
  3. গ) পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি
  4. ঘ) ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন ও জর্ডানের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ হয় ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে,
- যা ইতিহাসে আইলুল আল-আসওয়াদ বা  ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে পরিচিত।
- ১০ দিনের এই যুদ্ধে পিএলও এর বহু নেতাকর্মী নিহত হয় এবং জর্ডান থেকে বহু ফিলিস্তিনিদেকে উচ্ছেদ করা হয়।
- এর প্রতিবাদস্বরূপ ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামক গেরিলা সংগঠনটির উদ্ভব হয়।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোন স্বাধীনতাকামী সংগঠন নয়, মূলত একটি গেরিলা সংগঠন।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট। 
৭৯.
ANZUS-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট। 
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।

উল্লেখ্য,
- নেদারল্যান্ডস ANZUS এর সদস্য দেশ নয়। 

উৎস: Britannica.
৮০.
ইসলামিক স্টেট (আইএস) -এর প্রথম খলিফা ছিলেন কে?
  1. আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি
  2. আবু বকর আল বাগদাদি
  3. মোল্লা বিন ওমর
  4. কাশেম সুলাইমানি
ব্যাখ্যা

ইসলামিক স্টেট (আইএস):
- ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন।
- শুরুতে এর নাম ছিল ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্ট (আইএসআইএল)। 
- ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে।
- এর প্রথম খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি।
- তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন।
- তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
- গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আইএস প্রধানের গোপন আস্তানায় মার্কিন বিশেষ বাহিনী অভিযান চালায়। ওই অভিযানেই ইরাকি নাগরিক আবু ইব্রাহিম আল–কুরায়শি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।

উৎস: আল জাজিরা এবং প্রথম আলো।

৮১.
Interpol-এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৮৯টি 
  2. ১৯১টি 
  3. ১৯৩টি 
  4. ১৯৫টি 
  5. ১৯৬টি 
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

উল্লেখ্য,
- ইন্টারপোলের ২০২৫ সালে ৯৩তম সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে মরোক্কোর মারাকেশে।
- ইন্টারপোলের ১৯৬টি সদস্য দেশের প্রতিনিধি হিসেবে পুলিশ প্রধান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। 
- ইন্টারপোলের এ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাজনিত সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে সাইবার অপরাধ ও ডেটাভিত্তিক তদন্ত, আন্তদেশীয় সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, বিশ্বব্যাপী স্ক্যাম সেন্টার উচ্ছেদ, ইন্টারপোলের উদ্ভাবনী পুলিশি সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নারী পুলিশ নেতৃত্বের বিকাশ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

৮২.
MI6 কী?
  1. একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
  2. ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা
  3. ব্রিটেনের সামরিক বাহিনী
  4. একটি দাতা সংস্থা
ব্যাখ্যা
MI6:
-  MI6 এর পূর্ণনাম -  Military Intelligence, Section 6.
- MI6 ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯০৯ সালে বর্তমান রূপ লাভ করে।
- এর অফিশিয়াল নাম 'সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস'।
- এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিতি লাভ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৮৩.
কোন দেশে 'হুথি বিদ্রোহীরা' সক্রিয় রয়েছে?
  1. লেবানন
  2. ইয়েমেন
  3. ইসরাইল
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
হুথি বিদ্রোহী:
- হুথি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ। এই গ্রুপ ইয়েমেনে সক্রিয় রয়েছে।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ। এরা ইরানের সমর্থনপুষ্ট।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়। তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ইয়েমেনে ৯৯.৫ শতাংশ মুসলমান, যার মধ্য ৭০ শতাংশ সুন্নী ও ৩০ শতাংশ শিয়া।
- এই ৩০ শতাংশ শিয়ারাই মুলত হুথি সম্প্রদায়।
- এই হুথিদেরকে ইরানের শিয়া সরকার ও লেবাননের হিজবুল্লার সহযোগী সংগঠন বলে মনে করা হয়।

উৎস: ডয়েচেভেলে পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৪.
ULFA ভারতের কোন রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. মিজোরাম
  2. মেঘালয়
  3. মণিপুর
  4. আসাম
ব্যাখ্যা
উলফা:
- United Liberation Front of Assam - ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
৮৫.
আরব বসন্তে প্রথম কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. ক) হোসনি মোবারক
  2. খ) আলী আব্দুল্লাহ সালেহ
  3. গ) মুয়াম্মার গাদ্দাফি
  4. ঘ) জাইন আল আবেদিন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
এর ফলে ১৪ মার্চ ২০১১ তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন আল আবেদীন বেন আলী এর পতন ঘটে।
পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে। লিবিয়া ও সিরিয়ায় গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং দ্য গার্ডিয়ান)
৮৬.
নকশাল আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. চারু মজুমদার
  2. কানু স্যানাল
  3. জঙ্গল সাঁওতাল
  4. ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
নকশাল আন্দোলন:
- নকশাল আন্দোলন একটি কমিউনিস্ট আন্দোলন।
- নকশাল বা নকশালবাদী বলতে উগ্র বামপন্থী দলগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
-  ১৯৬৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।
- নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।

উৎস: Britannica.
৮৭.
’স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ কোন দেশের পুলিশ সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. নেদারল্যান্ড
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

• স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড:
- স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড হল লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরের প্রচলিত নাম।
এটি যুক্তরাজ্যের একটি বিখ্যাত পুলিশ সংস্থা।
- যা লন্ডন শহরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ তদন্তে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৮২৯ সালে,।
- উদ্যোক্তা: তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট পিল।
- প্রথম অফিস: স্কটল্যান্ড প্লেস নামে একটি রাস্তায় অবস্থিত ছিল।
- নামের উৎস: এলাকার নাম থেকেই "Scotland Yard" নামটি প্রচলিত হয়।
- বর্তমান নাম: New Scotland Yard।

এর কার্যাবলী:
- অপরাধ তদন্ত: খুন, চুরি, জালিয়াতি, সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি অপরাধে তদন্ত চালায়।
- ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স: গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ।
- Forensic Service: অপরাধস্থলে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বিশ্লেষণ।
- জননিরাপত্তা রক্ষা: লন্ডনে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
- সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।

উৎস: Britannica.

৮৮.
Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল কোনটি?
  1. RSB
  2. RSK
  3. BKR
  4. KGB
ব্যাখ্যা
FSB:
- এটি রাশিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৯.
খেমারুজদের নেতা ছিলেন কে?
  1. ক) হোচিমিন
  2. খ) লরা কাবিলা
  3. গ) পলপট
  4. ঘ) ম্যানুয়েলু মারুলেন্দা
ব্যাখ্যা
- খেমারুজ হলো কম্বোডিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা। খেমারুজদের নেতা ছিলেন পলপট।
- পলপটের নেতৃত্বে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত চার বছরের খেমারুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা ‘কম্বোডিয়ান গণহত্যা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭৯ সালে পলপট ও খেমারুজ শাসনের পতন ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৯০.
ISIS -এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Islamic Struggle for Islamic State
  2. খ) International Struggle for Islamic State
  3. গ) International Struggle for Islamic Salvation
  4. ঘ) Islamic State in Iraq and Syria
ব্যাখ্যা
Islamic State in Iraq and Syria (ISIS)

- ইরাক ও সিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকারী একটি উগ্র সুন্নী মতবাদীভিত্তিক গোষ্ঠী।
- এছাড়াও তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল, মিশরের সিনাই উপদ্বীপ এবং মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় রয়েছে।
- খিলাফত ঘোষণার পর তারা বিশ্বব্যপী মুসলিমদের উপর ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামরিক কর্তৃত্ব দাবি করে।
- তাদের ঘোষিত খিলাফত ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।
- এসব কাজের মধ্যে রয়েছে বিনাবিচারে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ হত্যা, শিরশ্ছেদ ও আগুনে পুড়িয়ে প্রতিপক্ষ ও বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যা দৃশ্যের ভিডিও প্রকাশ, প্রাচীন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস ইত্যাদি।
- এরা ইসলামের নামে বিভিন্ন আধিপত্যবাদি মানবতা বিরোধী কাজ শুরু করলে সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম এর গ্রান্ড মুফতি এদেরকে ইসলামের প্রধান শত্রু হিসাবে ঘোষণা করেন।
- অপর নাম:
→ Islamic State (IS)
→ Islamic State of Iraq and the Levant (ISIL)


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৯১.
International Police Association (IPA) - এর সদরদপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
International Police Association (IPA), ১৯৫০ সালে ব্রিটিশ সার্জেন্ট আর্থার ট্রুপ কর্তৃক গঠিত হয়। এটি পুলিশে কর্মরত ব্যাক্তিদের কল্যাণের জন্য গঠিত। বর্তমানে ১০০টি দেশের প্রায় ৩,৬০,০০০ সদস্য রয়েছে সংগঠনটির। এর সদরদপ্তর নটিংহ্যামশায়ার, যুক্তরাজ্যে অবস্থিত।
IPA website
৯২.
’আমান’ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. ভারত
  2. ইসরায়েল
  3. মিশর
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (M16).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

উৎস: - Britannica.com and WorldAtlas.com.

৯৩.
'হামাস' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ফিলিস্তিন
  2. লিবিয়া
  3. সিরিয়া
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
- এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
- এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯৪.
ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন হামাসের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
  2. হাসান নাসরুল্লাহ
  3. শেখ আহমেদ ইয়াসিন
  4. ইসমাইল হানিয়া 
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ আহমেদ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।

উল্লেখ্য,
- ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমেদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- দের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।
- ২০০৬ সালে গাজার সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে হামাস।
- ২০০৭ সালে গোটা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ পায় দলটি।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
iii) CIA World Factbook.

৯৫.
ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন 'হামাস' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস একটি ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন। 
- এটি ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শেখ ইয়াসিন।

উল্লেখ্য, 
- হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনো অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৯৬.
কত সালে হিজবুল্লাহ গঠন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:

- এটি লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর, লেবাননের শিয়া ধর্মগুরুদের একটি দল লেবানন থেকে ইসরাইলকে তাড়ানো এবং সেখানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৭.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী
  2. হাফিজ সাঈদ
  3. শায়েখ আব্দুর রহমান
  4. আবু বকর আল বাগদাদি
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: Britannica.
৯৮.
FSB-এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল? 
  1. KGB
  2. CIA
  3. SIS
  4. MSS
ব্যাখ্যা

• FSB (Federal Security Service):
- রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (FSB)।
- FSB এর পূর্ণরুপ: Federal Security Service.
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল KGB.
- রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন এই পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: মস্কো, রাশিয়া।

অন্যদিকে, 
- CIA হলো Central Intelligence Agency (CIA)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন একটি বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- SIS হলো Secret Intelligence Service (SIS)। এটি ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS হলো Ministry of State Security। এটি চীনের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৯৯.
‘গডস আর্মি’ কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. লেবানন
  3. ফিলিপাইন
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি হল কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের একটি বিচ্ছিন্ন দল।
- সংগঠনটির নেতৃত্ব দেয় যমজ ভাই জনি এবং লুথার হটু।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।

অন্যদিকে -
- শ্রীলঙ্কার গেরিলা সংগঠন LTTE.
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।
- ফিলিপাইনের গেরিলা সংগঠন MNLF.

উৎস: Federation of American Scientists.
১০০.
ইন্টারপোলের রেড নোটিস কী?
  1. সন্ত্রাসবিরোধী নীতি
  2. আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সতর্কতা
  3. আর্থিক লেনদেনের নোটিশ
  4. আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
- বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি হয়েছে। ইন্টারপোলের নিজস্বভাবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষমতা নেই। তবে ইন্টারপোল একটি আন্তর্জাতিক নোটিস ব্যবস্থার সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ একে অন্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি সদস্য দেশ এজন্য করে থাকে যে সে চায় অন্য দেশগুলো তাকে একজন অপরাধীর অবস্থান খুঁজে পেতে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করুক।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট। [link]