উত্তর
ব্যাখ্যা
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫০ / ৫১ · ৪,৯০১–৫,০০০ / ৫,০২৮
• ChatGPT একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক চ্যাটবট, যা OpenAI কোম্পানির উদ্যোগে উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটি মূলত প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের সাথে স্বাভাবিক কথোপকথন করতে সক্ষম। ChatGPT বিভিন্ন ধরণের তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, লেখা তৈরি করতে পারে এবং শিক্ষামূলক সহায়তা প্রদান করতে পারে। যদিও Microsoft, Google এবং Apple কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে, ChatGPT বিশেষভাবে OpenAI-এর গবেষণা এবং প্রযুক্তির ফলাফল। OpenAI-এর লক্ষ্য হলো নিরাপদ এবং লাভজনক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করা, যা মানুষ এবং সমাজের জন্য উপকারী হবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) OpenAI.
• ChatGPT:
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
- চ্যাটজিপিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান।
উৎস: Britannica.
• প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবাহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলা হয়।
- একসময় যখন কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলিত ছিলনা, তখন হ্যাকাররা টেলিফোনে নানা ধরনের হ্যাকিং পরিচালনা করত।
- সাধারণভাবে ফোন হ্যাকারদের ফ্রেকার (Phreaker) নামে অভিহিত করা হয়।
• স্নিকিং (Sneaking):
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
• IoT (ইন্টারনেট অব থিংস) ব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি। কারণ এই ধরনের সিস্টেমে অসংখ্য ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ব্যক্তিগত তথ্য, সেন্সর ডেটা ও সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান হয়। যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়, তবে হ্যাকাররা সহজেই ডেটা চুরি, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ বা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করতে পারে। প্রাইভেসি সুরক্ষা না থাকলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হতে পারে, যা বড় ধরনের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই IoT সিস্টেম ডিজাইন করার সময় নেটওয়ার্ক স্পিড বা অ্যাপ ডিজাইন কম গুরুত্বপূর্ণ হলেও সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়।
ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।
IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে,
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে,
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়,
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।
◉ ওভার ক্লাউড- নামে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর কোনো স্বীকৃত মডেল নেই।
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.
সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
পাবলিক ক্লাউড: এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.
প্রাইভেট ক্লাউড: এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড: দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ Wi-Fi (Wireless Fidelity) হল তারবিহীন (wireless) নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (RF) ব্যবহার করে ডাটা ট্রান্সমিট করে। Wi-Fi এর সাধারণ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড: 2.4-5 GHz.
Wi-fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
WhatsApp was founded by Jan Koum and Brian Acton who had previously spent 20 years combined at Yahoo.
WhatsApp joined Facebook in 2014, but continues to operate as a separate app with a laser focus on building a messaging service that works fast and reliably anywhere in the world.
Source: whatsapp.com
• ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।
• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা।
গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করে।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ভিন্নধর্মী প্রটোকলবিশিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ধরনের বা ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকলবিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের সুযােগ করে দেয় অর্থাৎ এটি মূলত একটি নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস।
- গেটওয়ে PAT(Protocol Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে বলে একে 'প্রটোকল কনভার্টার' বলে।
উল্লেখ্য, রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
Tesla Inc. পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদান করে না।
- Tesla মূলত ইলেকট্রিক গাড়ি ও শক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud)
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড; যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত।
- যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন- আমাজনের EC2। এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো- যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
- আর অসুবিধাটা হলো- একই জায়গায় একাধিক ক্লায়েন্টের আনাগোনার ফলে নিরাপত্তার সমস্যা হতে পারে।
- Microsoft, Google প্রভৃতি পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
◉ ইন্টারনেট সংযোগের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে Dial-Up, ISDN, এবং Broadband সরাসরি ইন্টারনেট সংযোগের পদ্ধতি।
- অন্যদিকে, ইথারনেট (Ethernet) একটি লোকাল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি (LAN), যা ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)
Dial-Up System:
- এ ধরনের পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটার মডেমের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
Broadband:
- এ ধরনের সার্ভিস সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার প্রদান করে থাকে। ব্রডব্যান্ড সিস্টেমে ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদানের হার অনেক বেশি।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।
SWIFT Code:
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক।
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে।
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
• ওয়াইম্যাক্স (Wi-Max):
- ওয়াইম্যাক্স এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access এবং এর IEEE নাম হলো 802.16.
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে।
- ওয়াইম্যাক্স WMAN (Wireless Metropolitan Area Network) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ থাকে।
ওয়াইম্যাক্সের সুবিধা:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেয়া যায়।
- ক্যাবল ও ডিএসএল এর পরিবর্তে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও সেবা পাওয়া যায় এমনকি যেখানে ফোনের সংযোগ পৌঁছেনি সেখানেও।
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবাগুলো প্রদান করা যায়।
- নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ। ১৯৬৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ সর্বপ্রথম নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা চালু করে। সেই থেকেই কম্পিউটার নেটওয়ার্কের জয়যাত্রা শুরু।
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ, তথ্যের আদান প্রদান, ই- কমার্স, ই-মেইল, ই-লাইব্রেরি,
টেলিকনফারেন্স, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির প্রচলন ও প্রসার ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
◉ QR কোডে তথ্য পড়া হয় আলো ব্যবহার করে, অর্থাৎ Optical Reading প্রযুক্তির মাধ্যমে।
QR কোড:
– QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
– এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
– কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।
QR কোডের ব্যবহার:
– মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
– এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।
QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য:
– QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
– বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
– সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
– Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
– অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।
উৎস:
1. Kaspersky ওয়েবসাইট।
2. Britannica ওয়েবসাইট।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হল সিমুলেটেড বা কৃত্রিম বাস্তব অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করা।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- ব্যবহারকারী একটি হেডসেট এবং সেন্সরের সাহায্যে সেই পরিবেশে প্রবেশ করতে এবং তার সাথে মিথস্ক্রিয়া (interact) করতে পারেন।
- VR-এর প্রধান লক্ষ্য হলো এমন একটি কৃত্রিম, কিন্তু বাস্তব-সদৃশ অভিজ্ঞতা তৈরি করা যা ব্যবহারকারীকে মনে করিয়ে দেয় যে তারা সত্যিই সেই পরিবেশে আছে। এই পদ্ধতিকে সিমুলেশন (Simulation) বলা হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- গেমিং, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ (যেমন - পাইলট বা সার্জনদের জন্য) এবং স্থাপত্যের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
অন্যদিকে,
• বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া: এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি, VR-এর মূল কার্যনীতি নয়।
• ন্যানো টেকনোলজি প্রয়োগ: ন্যানো প্রযুক্তি অতি ক্ষুদ্র পার্টিকেল নিয়ে কাজ করে, সিমুলেশন তত্ত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
• রিমোট সেন্সিং পদ্ধতি: দূর থেকে বস্তুর ডেটা সংগ্রহ করার একটি পদ্ধতি, যা মূলত ভূগোল বা আবহাওয়ার মতো ক্ষেত্রগুলিতে ব্যবহৃত হয়। এটি VR-এর মূল কৌশল নয়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
◉ টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো,
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি,
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি,
- USB Security Key.
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ-
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে,
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে,
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে,
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে।
উৎস:
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। [লিংক]
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.
• Quantum Computing-এ তথ্যের মৌলিক একক হলো Qubit (Quantum bit), যা classical bit-এর মতো শুধু 0 বা 1 নয়—একসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে।
• Quantum Computing:
- Quantum Computing হলো এমন একটি কম্পিউটিং পদ্ধতি, যেখানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে quantum mechanics-এর নীতি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে classical computer-এর bit-এর পরিবর্তে qubit ব্যবহৃত হয়।
• Qubit (Quantum Bit):
- Qubit হলো quantum computing-এর মৌলিক তথ্য একক।
- Classical bit যেখানে শুধু 0 অথবা 1 হতে পারে, সেখানে qubit 0 এবং 1—দুই অবস্থাতেই একসাথে থাকতে পারে।
- এই বৈশিষ্ট্যকে superposition বলা হয়।
• Qubit কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- Qubit একাধিক অবস্থায় থাকতে পারায় quantum computer একই সময়ে বহু গণনা করতে পারে।
- এর ফলে নির্দিষ্ট কিছু জটিল সমস্যা classical computer-এর তুলনায় দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Bit → Classical computing-এর তথ্য একক।
- Byte → 8টি bit নিয়ে গঠিত ডেটা একক।
- Register → একাধিক bit বা qubit ধারণের কাঠামো, মৌলিক একক নয়।
উৎস: IBM & Britannica.
• ২০২২ সালে Twitter (বর্তমান X) অধিগ্রহণ করেন ইলন মাস্ক (Elon Musk).
• X (পূর্বে Twitter)-এর পরিচয়:
- X একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
- আগে এটি Twitter নামে পরিচিত ছিল।
• প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস:
- Twitter প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: জ্যাক ডরসি, নোয়া গ্লাস, বিজ স্টোন ও ইভান উইলিয়ামস।
• মালিকানা পরিবর্তন:
- ২০২২ সালে ইলন মাস্ক Twitter অধিগ্রহণ করেন।
- অধিগ্রহণের পর ২০২৩ সালে Twitter-এর নাম পরিবর্তন করে X রাখা হয়।
• সেবার ধরন ও ব্যবহার:
- X একটি ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া ও মাইক্রোব্লগিং সেবা প্রদান করে।
- দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও মতামত প্রকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• আয়ের প্রধান উৎস:
- X-এর আয়ের প্রধান উৎস হলো বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা।
• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- জেফ বেজোস: Amazon-এর প্রতিষ্ঠাতা।
- বিল গেটস: Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা
- ল্যারি পেজ: Google-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — Twitter [Link].
২) Official X (About) [Link].
• সঠিক উত্তর হলো ঘ) All of the above.
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম বলতে এমন মাধ্যমকে বোঝায়, যেখানে পণ্য বা সেবা অনলাইনে প্রচার, ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেন করা যায়। Facebook ই-কমার্সে ব্যবহৃত হয় Facebook Page, Marketplace ও Messenger-এর মাধ্যমে, যেখানে বিক্রেতা সরাসরি ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে পণ্য বিক্রি করতে পারে। Amazon একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যেখানে পণ্য তালিকাভুক্ত করা, অনলাইন পেমেন্ট ও হোম ডেলিভারির সুবিধা রয়েছে। YouTube-ও ই-কমার্সে ভূমিকা রাখে, কারণ ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে পণ্যের প্রচার, রিভিউ এবং লিংকের মাধ্যমে বিক্রয় সম্ভব। তাই তিনটিই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।
• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).
• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।
• এছাড়াও,
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
- Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• এনএফসি (Near Field Communication) একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪–১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির উন্নত রূপ। এনএফসি ডিভাইসগুলো রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ করে এবং সাধারণত “ট্যাপ” বা “ক্লিক” করে সংযোগ স্থাপন করা যায়। এটি Bluetooth বা Wi-Fi-এর মতো দীর্ঘ দূরত্বের সংযোগ নয়, এবং GPS-এর মতো অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার হয় না। তাই NFC সক্রিয় করার জন্য মূল প্রযুক্তি হিসেবে প্রয়োগ করা হয় RFID, যা নিরাপদ, দ্রুত এবং কম শক্তি খরচে ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব করে।
- সঠিক উত্তর: ঘ) RFID.
• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।
• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• ২০০৮ সালে 'সাতোশি নাকামোতো' (Satoshi Nakamoto) ছদ্মনামের এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী একটি হোয়াইট পেপারের মাধ্যমে বিটকয়েনের ধারণা দেন এবং ২০০৯ সালে এটি প্রথম ব্লকচেইন ভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) লেনদেনের সুযোগ করে দেয়।
বিটকয়েন ও ব্লকচেইনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি সম্পূর্ণ বিকেন্দ্রীভূত (Decentralized), অর্থাৎ কোনো সরকার বা সংস্থা এটি নিয়ন্ত্রণ করে না।
- এর মোট সরবরাহ সীমাবদ্ধ (সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন হতে পারে)।
- লেনদেনগুলো পাবলিক লেজারে সংরক্ষিত থাকে, যা যে কেউ যাচাই করতে পারে।
- মাইনিং (Mining) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন বিটকয়েন তৈরি এবং লেনদেন যাচাই করা হয়।
অন্যান্য অপশন:
- Ethereum: এটি ২০১৫ সালে চালু হওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্লকচেইন যা মূলত স্মার্ট কন্ট্রাক্ট (Smart Contract) তৈরির জন্য পরিচিত।
- Ripple: এটি মূলত ব্যাংকগুলোর মধ্যে দ্রুত এবং স্বল্প খরচে আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের জন্য ২০১২ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- Dogecoin: এটি ২০১৩ সালে বিটকয়েনকে ব্যাঙ্গ করে একটি 'মিম' (Meme) হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।
উৎস: ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]
1G সিস্টেমে চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি ছিল FDMA।
প্রথম প্রজন্ম (1st Generation - 1G : 1979-1990)
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- আশির দশকে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ছিল সেলুলার নেটওয়ার্কনির্ভর এবং এগুলো অ্যানালগ সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে কাজ করত।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- নব্বইয়ের দশকের আগ পর্যন্ত এ প্রজন্মের সিস্টেম চলতে থাকে।
- এই প্রজন্মে রোমিং ব্যবস্থা সীমিত ছিল।
- উদাহরণ: AMPS (Advanced Mobile Phone System), TACS (Total Access Communication System) ইত্যাদি।
প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
1. অ্যানালগ পদ্ধতিতে রেডিও সিগন্যালের ব্যবহার ছিল।
2. সেলুলার নেটওয়ার্কের প্রবর্তন।
3. বেজ স্টেশন ও মোবাইল ফোন দুটি ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হতো।
4. অর্ধপরিবাহী মেমোরি এবং মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার হতো।
5. চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি হলো FDMA।
6. আকার তুলনামূলকভাবে বড় এবং ওজন বেশি ছিল।
7. কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
Microsoft company owns GitHub.
GitHub
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর: ঘ) Enhanced Data rates for GSM Evolution।
Bluetooth Frequency রেঞ্জ হচ্ছে 2.4 GHz।
ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে
বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
• সঠিক উত্তর: ঘ) Microsoft Azure Stack.
হাইব্রিড ক্লাউড এমন একটি কম্পিউটিং পরিবেশ যেখানে প্রাইভেট ক্লাউড এবং পাবলিক ক্লাউড একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠানকে সংবেদনশীল ডেটা প্রাইভেট ক্লাউডে রাখার সুযোগ দেয়, পাশাপাশি স্কেলিং এবং লোড ব্যবস্থাপনার জন্য পাবলিক ক্লাউড ব্যবহার করতে দেয়। Microsoft Azure Stack হলো একটি হাইব্রিড ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, যা Azure-এর সুবিধা স্থানীয় ডেটা সেন্টারেও নিয়ে আসে। এটি প্রতিষ্ঠানকে একই কোডবেস, টুলস এবং পরিষেবা ব্যবহার করে অন-প্রিমিসেস এবং ক্লাউড উভয় পরিবেশে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও পরিচালনা করার ক্ষমতা দেয়। অন্য অপশন গুলো হাইব্রিড ক্লাউড সেবা সরবরাহ করে না।
• হাইব্রিড ক্লাউড:
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।
• প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে।
- উচ্চ নিরাপত্তা থাকে।
- সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী।
• পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে।
- স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে।
- উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud।
• হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
- নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
- খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।
তথ্যসূত্র:
- Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।
- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
রোবটিক্স হলো প্রযুক্তির একটি শাখা যেটি রোবট সমূহের ডিজাইন, নির্মাণ, কার্যক্রম ও প্রয়োগ নিয়ে কাজ করে।
New Collegiate ডিকশনারীর মতে “রোবট হচ্ছে একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যা মানুষ যেভাবে কাজ করতে পারে সেভাবে কাজ করে অথবা এর কাজ দেখে মনে হয় এর বুদ্ধিমত্তা আছে।
রোবট (Robot) শব্দটি এসেছে মূলত স্লাভিক শব্দ “রোবোটা” হতে যার অর্থ হলো শ্রমিক।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান
সঠিক উত্তর - খ) Google
Google
- Google হলো একটি আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে Google, Alphabet Inc. নামক হোল্ডিং কোম্পানির অধীনে কাজ করছে।
- অ্যান্ড্রয়েড OS তৈরি করেছে Google Inc. (২০০৫ সালে Android Inc. অধিগ্রহণের পর)
- এটি Linux-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম
- Google বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ পরিচালনা করে।
- সদর দপ্তর: মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে Google হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হিসেবেও পরিচিত হয়।
- শুরুতে কেবল অনলাইন সার্চ ফার্ম হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে Google ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন:
১। ইমেইল (Gmail)
২। অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি (Google Docs)
৩। মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য সফটওয়্যার
সূত্র: ব্রিটানিকা।
◉ Wi-Fi 6 (IEEE 802.11ax) হলো Wi-Fi এর সর্বশেষ প্রজন্মের স্ট্যান্ডার্ড, যা পুরোনো Wi-Fi 5 (802.11ac)-এর তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও কার্যকর। Wi-Fi 6 সর্বাধিক ৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড (Gbps) স্পিড দিতে পারে।
Wi-Fi:
- Wi-Fi হল তারহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডাটা স্থানান্তর করে।
- ১৯৮৫ সালে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন (FCC) ২.৪ GHz এবং ৫.৮ GHz ব্যান্ড উন্মুক্ত করে, যা Wi-Fi প্রযুক্তির বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে।
- ১৯৯৭ সালে: IEEE 802.11 নামে প্রথম Wi-Fi স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ১৯৯৯ সালে: Wi-Fi Alliance (পূর্বে WECA) গঠিত হয় Wi-Fi প্রযুক্তির প্রচার ও উন্নয়নের জন্য।
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ "Wireless Fidelity" নয়, বরং এটি (Wi-Fi) একটি মার্কেটিং টার্ম।
- Wi-Fi নামটি WECA দ্বারা নিয়োগকৃত একটি মার্কেটিং ফার্ম দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এর মনোরম শব্দ এবং “hi-fi” [high-fidelity] এর সাথে সাদৃশ্যের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।
- প্রাথমিক 802.11 স্ট্যান্ডার্ড: সর্বোচ্চ গতি ২ Mbps।
- Wi-Fi 6 (802.11ax, ২০১৯): সর্বোচ্চ ৯.৬ Gbps পর্যন্ত গতিতে ডাটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- Wi-Fi বর্তমান ডিজিটাল যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, যা তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে।
উৎস:
১। Britannica ওয়েবসাইট।
২। TP-Link ওয়েবসাইট।
• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।
SWIFT Code:
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক।
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে।
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
• ইন্টারনেটের প্রথম বাস্তব কার্যক্রম ১৯৬৯ সালে ARPANET-এর মাধ্যমে শুরু হয়।
• ইন্টারনেট:
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
• ইন্টারনেটের ব্যবহার:
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ২০২১ সালে Facebook, Inc. কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms, Inc. রাখা হয়।
• মেটা(Meta):
- Meta Platforms, Inc. হলো একটি আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি, যা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদান করে।
- ২০২১ সালে Facebook, Inc. কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms, Inc. রাখা হয়।
- “Meta” নামটি এসেছে Metaverse ধারণা থেকে, যা ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল বিশ্বের সমন্বিত ভবিষ্যৎ নির্দেশ করে।
- Meta–এর প্রতিষ্ঠাতা ও CEO হলেন Mark Zuckerberg।
• Meta–এর প্রধান প্ল্যাটফর্ম ও সেবা:
- Facebook – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
- Instagram – ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- WhatsApp – মেসেজিং ও ভয়েস কল সেবা।
- Messenger – ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সেবা।
- Oculus – ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(VR) প্রযুক্তি।
• Meta ও Metaverse:
- Meta মূলত Metaverse উন্নয়নে কাজ করছে।
- Metaverse হলো একটি ভার্চুয়াল থ্রিডি ডিজিটাল পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়ালি কাজ, যোগাযোগ ও বিনোদন করতে পারে।
- Meta ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(VR) ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি(AR) প্রযুক্তির মাধ্যমে Metaverse বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
উৎস: Meta, Facebook & Britannica [Link]