• সঠিক উত্তর: গ) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন হ্যাকার যারা কখনও কখনও আইনগত বা নৈতিক সীমার মধ্যে থাকে এবং কখনও তা অতিক্রম করে। তারা মূলত সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে দুর্বলতা খুঁজে বের করে, যা ইতিবাচক কারণ হিসেবে ধরা হয়। তবে, তারা অনুমোদন ছাড়া এই কাজ করতে পারে বা কিছু ক্ষতিকারক কার্যকলাপে জড়িত হতে পারে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ, গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নৈতিকতার দিক থেকে সাদা এবং কালো হ্যাটের মধ্যে মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। তারা সাধারণত সচেতনতা বাড়ানো এবং নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য হ্যাক করে, কিন্তু কখনও কখনও ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কৌতূহলের জন্য অননুমোদিত হ্যাকিংও করে।
হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।