উত্তর
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ standards.ieee.org
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৫ / ৫১ · ৩,৪০১–৩,৫০০ / ৫,০২৮
১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং
- আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। দেশে বর্তমানে ৫০-এর অধিক আই.এস.পি রয়েছে।
সোর্স: বাংলাপিডিয়া
“অ্যাপল কম্পিউটার” কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৫।
সঠিক উত্তর - ক) স্পুফিং
• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• IEEE 802.16 সাধারণত WiMAX প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত। এটি একটি ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস মানদণ্ড যা দূরত্বের মধ্যে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। WiMAX দীর্ঘ-দূরত্বের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ককে সমর্থন করে, যা শহর বা গ্রামীণ এলাকাতেও দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম। এটি ওয়াই-ফাই-এর চেয়ে অনেক বেশি দূরত্বে কাজ করতে পারে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস যেমন কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা রাউটারকে কানেক্ট করতে সাহায্য করে। WiMAX-এর লক্ষ্য ছিল উচ্চ ব্যান্ডউইথ এবং নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যেখানে তারযুক্ত সংযোগ কঠিন বা ব্যয়বহুল। তাই IEEE 802.16 মানটি WiMAX-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- সঠিক উত্তর: ঘ) WiMAX.
• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16
এছাড়াও,
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
• IoT হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সেন্সর সমৃদ্ধ ডিভাইস, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং তথ্য সংগ্রহ, প্রেরণ ও গ্রহণ করে।
• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট হলো একটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে একটি "নেটওয়ার্ক অফ নেটওয়ার্কস” তৈরি করেছে।
- এটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭০ এর দশকে শুরু হলেও সাধারণ মানুষের জন্য এটি পরিচিত হয় ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে।
- ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছিলেন।
- ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা বাড়ার একটি বড় কারণ হলো "স্মার্ট” ডিভাইস ও "ইন্টারনেট অফ থিংস” (IoT), যেখানে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন স্মার্টফোন, যন্ত্র, থার্মোস্ট্যাট, নিরাপত্তা ক্যামেরা, গাড়ি, এমনকি পুরো শহর ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
◉ IPv4 ঠিকানায় চারটি অক্টেট (ডট দ্বারা বিভক্ত সংখ্যা) থাকে, যেখানে প্রতিটি অক্টেটের মান ০ থেকে ২৫৫-এর মধ্যে হতে বাধ্যতামূলক। এখানে ১৯২.৩০০.১.৫ ঠিকানাটির দ্বিতীয় অক্টেটে ৩০০ ব্যবহার করা হয়েছে, যা অনুমোদিত সীমা (২৫৫) অতিক্রম করে। ফলে এটি একটি অবৈধ IPv4 ঠিকানা।
আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5
২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
হ্যাকাথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা যেখানে সফটওয়্যার, কম্পিউটার কিংবা বাস্তব সমস্যা সমাধান করার উদ্দেশ্যে প্রোগ্রামারদেরকে নিয়ে দিন ব্যাপী বা সপ্তাহব্যাপী ইভেন্টের আয়োজন হয়ে থাকে।
- টুইটার একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- এটি আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট।
- যেখানে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন।
- ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারের বর্তমান সিইও জ্যাক ডরসি।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।
উৎসঃ টুইটারের ওয়েবসাইট।
• আইবিএম-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্ল্যাটফর্মকে সাধারণভাবে Watson নামে বলা হয়। এটি ২০১১ সালে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়েছিল, যখন Watson “Jeopardy!” খেলার চ্যালেঞ্জে মানুষকে পরাস্ত করেছিল। Watson কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ব্যবহার করে বিশাল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে এবং মানুষের মতো ভাষায় উত্তর দিতে পারে। পরবর্তীতে IBM আরও উন্নত সংস্করণ হিসেবে WatsonX চালু করেছে, যা আরও শক্তিশালী এবং ব্যবসায়িক AI সমাধান প্রদান করে। অন্যদিকে, BlueGene হলো সুপারকম্পিউটার এবং DeepBlue হলো বিশিষ্ট দাবার কম্পিউটার, যা Watson-এর AI প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- তাই AI প্ল্যাটফর্মের নাম হলো Watson.
⚪ আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines.
- ১৯১১ সালে আইবিএম প্রযুক্তি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
উৎস: IBM এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ই-কমার্সে পন্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে COD (Cash on Delivery) বলে।
• Microsoft Azure হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম যা মূলত IaaS (Infrastructure as a Service) এবং PaaS (Platform as a Service) হিসেবে পরিচিত।
- এটি ডেভেলপারদের জন্য ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ এবং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।
- অন্যদিকে Google Docs, Salesforce এবং Dropbox হলো সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যার বা সার্ভিস, যা SaaS মডেলের অন্তর্ভুক্ত।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service):
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.
২. PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku.
৩. SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo! mail,
- Dropbox,
- Salesforce Platform.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।
• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি।
• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
• ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায় বা ভিত্তি হিসেবে যে নেটওয়ার্ককে ধরা হয় তা হলো ARPANET। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে গড়ে ওঠা একটি গবেষণাধর্মী নেটওয়ার্ক, যার উদ্দেশ্য ছিল তথ্য আদান–প্রদানকে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন করা। পরবর্তীতে এই নেটওয়ার্কেই TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে এটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কে রূপ নেয়, যা আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি তৈরি করে। সুতরাং, ইন্টারনেটের সূচনা এবং এর প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কাঠামো হিসেবে ARPANET–ই স্বীকৃত।
• ARPANET:
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- ১৯৬৯ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে অনৈতিক উদ্দেশ্যে হস্তক্ষেপ করার কাজকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়। এটি মূলত ফোন বা টেলিফোন নেটওয়ার্কের সিগন্যালিং সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বা সেবা ব্যবহার করার প্রক্রিয়া। ফ্রেকাররা সাধারণত ফ্রিকোয়েন্সি বা টেলিফোন সিস্টেমের ডিজিটাল কোড ব্যবহার করে নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ করে, যা নেটওয়ার্কে ভুক্তভোগী বা অপারেটরের ক্ষতি করতে পারে। এটি হ্যাকিংয়ের একটি বিশেষ ধরনের উপায় হিসেবে ধরা হয়, যেখানে মূল লক্ষ্য টেলিফোন বা কমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তা ভঙ্গ করা। অন্যদিকে ভিশিং বা ফিশিং মূলত তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়, আর ক্র্যাকিং সফটওয়্যার বা সিস্টেম ভাঙার সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ফ্রেকিং।
• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ Two-Factor Authentication (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা পদ্ধতি যেখানে ব্যবহারকারীকে দুইটি ভিন্ন ধাপে (ফ্যাক্টর) পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়।
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA):
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো,
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি,
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি,
- USB Security Key.
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ-
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে,
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে,
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে,
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে।
উৎস:
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.
◉ LTE (Long Term Evolution) হলো 4G (Fourth Generation) মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও উন্নত যোগাযোগ পরিষেবা প্রদান করে।
এটি 3G নেটওয়ার্কের তুলনায় দ্রুততর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড এবং নিম্ন ল্যাটেন্সি (Low Latency) নিশ্চিত করে।
LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত। 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)।
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.
• র্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার (malware) যা কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে দেয়, যাতে ব্যবহারকারী সেগুলোতে প্রবেশ করতে না পারে।
- ফাইল এনক্রিপ্ট করার পর, আক্রমণকারী সেই ফাইলগুলোর অ্যাক্সেস ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীর কাছে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে।
• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.
উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।
তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।
• P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক এমন একটি সিস্টেম যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ফাইল বা তথ্য শেয়ার করতে পারে, কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর নির্ভর না করে। P2P নেটওয়ার্কের সাধারণ ব্যবহার হলো বড় ফাইল, যেমন গান, ভিডিও, সফটওয়্যার ইত্যাদি শেয়ার করা। এতে প্রতিটি ব্যবহারকারী একই সময়ে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করতে পারে, যা দ্রুত এবং কার্যকর হয়। অন্যদিকে Gmail দিয়ে ইমেইল পাঠানো বা ওয়েবসাইট হোস্ট করা সাধারণত সার্ভার-ভিত্তিক ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, এবং Microsoft Word চালানো সম্পূর্ণরূপে ব্যক্তিগত ডিভাইসে হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা।
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।
• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity।
- এটি একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি।
- এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (GHz) অথবা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- Wi-Fi মূলত Wireless LAN (WLAN) এর জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
অন্যদিকে,
- IEEE 802.3 হল ইথারনেট স্ট্যান্ডার্ড।
- IEEE 802.15 হল ব্লুটুথ স্ট্যান্ডার্ড।
- IEEE 802.16 হল WiMAX নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
টুইটার একটি মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট।
- এর সিইও জ্যাক ডর্সি।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- এর সদরদপ্তর সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত।
• AWS (Amazon Web Services) পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, Local Data Center, HPE, FortiCloud হচ্ছে প্রাইভেট ক্লাউড।
- পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ-
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• অ্যাক্টিভ হাবের মূল কাজ হলো সিগন্যালকে বর্ধিত ও পুনর্গঠন করা। এটি একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। যখন একটি সিগন্যাল হাবে আসে, তখন অ্যাক্টিভ হাব সেই সিগন্যালকে শক্তিশালী করে এবং প্রয়োজনীয় ফরম্যাটে পুনর্গঠন করে, যাতে তা দূরবর্তী ডিভাইসগুলোতে সঠিকভাবে পৌঁছায়। শুধুমাত্র ফিজিক্যাল সংযোগ দেওয়া বা সিগন্যাল বন্ধ করা অ্যাক্টিভ হাবের কাজ নয়। এছাড়াও, এটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করতে ব্যবহার হয় না। তাই অ্যাক্টিভ হাব মূলত নেটওয়ার্কের ডেটা ট্রান্সমিশনের মান বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর: খ) সিগন্যালকে বর্ধিত ও পুনর্গঠন করা।
• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।
• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।
২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।
এছাড়াও,
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।
- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।
২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।
৩. ওয়্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
Wi-Fi:
- Wi-Fi (Wireless Fidelity) হলো এমন একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (GHz) অথবা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- Wi-Fi মূলত Wireless LAN (WLAN) এর জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি। অর্থাৎ Wi-Fi ব্যবহার করে একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায় যা তার ছাড়া কাজ করে।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- Wi-Fi এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।
- Wi-Fi এর ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
• চ্যাটজিপিটি মূলত Transformer Neural Network-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। Transformer মডেলটি ২০১৭ সালে পরিচিত হয় এবং এটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণে বিপ্লব আনেছে। এই আর্কিটেকচারে Attention মেকানিজম ব্যবহার করা হয়, যা মডেলকে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে থাকা শব্দগুলির মধ্যে সম্পর্ক ধরতে সাহায্য করে। Convolutional Neural Network সাধারণত ছবি বা ভিজ্যুয়াল ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Recurrent Neural Network সিকোয়েন্স ডেটার জন্য কাজ করলেও দীর্ঘ সিকোয়েন্সে কার্যকারিতা সীমিত। Support Vector Machine মূলত ক্লাসিফিকেশন বা রিগ্রেশন সমস্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই চ্যাটজিপিটি ও এর মত বড় ভাষা মডেল Transformer Neural Network-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- সঠিক উত্তর: ক) Transformer Neural Network.
• ChatGPT:
- ChatGPT হলো একটি সফটওয়্যার যা স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেয়।
- এটি OpenAI নামে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ৩০ নভেম্বর ২০২২ সালে চালু করে।
- ChatGPT হচ্ছে GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারে তৈরি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক।
- এর কাজ হলো মানুষের মতো স্বাভাবিক লেখা তৈরি করা, যেমন চ্যাটবট, কন্টেন্ট তৈরি, ভাষা অনুবাদে।
- ChatGPT শব্দের সম্ভাবনা হিসাব করে টেক্সট তৈরি করে, পূর্ববর্তী শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করে।
- ChatGPT-র কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা ("হ্যালুসিনেশন")।
• GPT আর্কিটেকচার:
- GPT-এর পূর্ণরূপ হলো Generative Pre-trained Transformer। এটি এক ধরণের বৃহৎ নিউরাল নেটওয়ার্ক যা বিপুল পরিমাণ টেক্সচুয়াল ডেটার উপর প্রশিক্ষণ লাভ করে এবং মানুষের মতো বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে সক্ষম।
- এই কাঠামোটি গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত ট্রান্সফরমার (Transformer) নামক বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যা ডেটার মধ্যে জটিল সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
- ChatGPT-এর নামটিও এই মডেলের নাম থেকেই এসেছে (Chat + GPT)।
উৎস: ব্রিটানিকা, IBM website.
• VR সফটওয়্যারের “6DoF” হলো “Six Degrees of Freedom” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহারকারীর মুভমেন্ট বা অবস্থান বোঝায়। 6DoF ব্যবহারকারীর অবস্থা ছয়টি ভিন্ন দিক থেকে ট্র্যাক করতে সক্ষম: তিনটি অনুবর্তন (forward/backward, up/down, left/right) এবং তিনটি ঘূর্ণন (pitch, yaw, roll)। অর্থাৎ ব্যবহারকারী কেবল সামনে বা পিছনে নয়, উঁচু বা নিচে, বামে বা ডানে সরতে পারে, এবং একই সাথে তার মাথা বা দেহ ঘুরাতে পারে। এটি VR অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে এবং ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল জগতে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নেভিগেট করার ক্ষমতা দেয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Six Degrees of Freedom.
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
• Router হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে (যেমন LAN ↔ WAN) একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। এটি IP Address ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয় এবং একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউটিং করে।
রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি NAT (Network Address Translator) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- সুইচ (Switch): একই LAN-এর ভেতরে একাধিক ডিভাইসকে সংযুক্ত করে, কিন্তু WAN-এর সাথে সংযুক্ত করতে পারে না।
- রিপিটার (Repeater): সিগন্যাল দুর্বল হলে সেটিকে পুনরায় শক্তিশালী করে, নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্রিজ (Bridge): একই প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি আলাদা ল্যান (LAN) কে যুক্ত করে একটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ১৯৭৮ সালে Paulien Hogeweg প্রথম জীববৈজ্ঞানিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে Bioinformatics শব্দটি ব্যবহার করেন।
• বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় (Interdisciplinary) বিজ্ঞানক্ষেত্র, যা জীববিজ্ঞান–সংক্রান্ত ডেটার
সংরক্ষণ, আহরণ, সাজানো ও বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির উদ্ভাবন ও উন্নয়ন করে।
• উৎপত্তি ও পরিভাষার ব্যবহার:
- জীববৈজ্ঞানিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গুরুত্ব স্বীকৃত হওয়ায় ১৯৭৮ সালে Paulien Hogeweg প্রথম Bioinformatics শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তিনি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে জীবন–সম্পর্কিত সিস্টেম গবেষণার ক্ষেত্রে এই শব্দটির প্রবর্তন করেন।
• সম্পর্কিত বিজ্ঞানক্ষেত্র:
- বায়োইনফরমেটিক্স গড়ে উঠেছে—
- প্রাণপদার্থবিদ্যা (Biophysics) এবং
- প্রাণরসায়ন (Biochemistry)–এর সাথে সমান্তরাল একটি ক্ষেত্র হিসেবে।
• প্রাথমিক অবদান:
- বায়োইনফরমেটিক্সের প্রাথমিক পর্যায়ে Elvin A. Kabat (১৯৮০–১৯৯১) অ্যান্টিবডি–সংক্রান্ত ধারাবাহিক গবেষণার মাধ্যমে জৈব অনুক্রম বিশ্লেষণ (Biological Sequence Analysis)–এর প্রবর্তন করেন।
• গুরুত্বপূর্ণ অগ্রদূত:
- National Center for Biotechnology Information (NCBI)–এর পরিচালক David Lipman, Margaret Oakley Dayhoff–কে তার অবদানের জন্য বায়োইনফরমেটিক্সের জনক–জননী (Father & Mother of Bioinformatics) হিসেবে অভিহিত করেন।
• Genomic Revolution ও ডেটাবেজ:
- Genomic Revolution–এর শুরুর দিকে— নিউক্লিওটাইড ক্রম (Nucleotide Sequence) এবং অ্যামিনো এসিড ক্রম (Amino Acid Sequence) সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডেটাবেজ তৈরিতে Bioinformatics শব্দটির পুনঃব্যবহার শুরু হয়।
• ওপেন সোর্স বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যার:
- বহুল ব্যবহৃত ওপেন সোর্স টুলসমূহ হলো—
- Bioconductor,
- BioPerl,
- Biopython,
- BioJava,
- BioRuby,
- Bioclipse,
- EMBOSS,
- Taverna Workbench,
- UGENE ইত্যাদি।
• ওপেন বায়োইনফরমেটিক্স ফাউন্ডেশন:
- ওপেন সোর্স বায়োইনফরমেটিক্স সফটওয়্যারের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে Open Bioinformatics Foundation ২০০০ সাল থেকে Bioinformatics Open Source Conference (BOSC)–এর পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।
◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।
DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর: গ) স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার।
⚪ বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GSM এবং CDMA.• ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় গোপনে তথ্য সংগ্রহ বা চুরি করার প্রক্রিয়াকে স্নিফিং (Sniffing) বলা হয়। এই পদ্ধতিতে একজন আক্রমণকারী নেটওয়ার্কে চলমান ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত ডেটা সংগ্রহ করে। সাধারণত এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে করা হয়। স্নিফিং বৈধভাবেও ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন নেটওয়ার্ক ট্রাবলশুটিং বা মনিটরিংয়ের জন্য, তবে অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে এটি সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্নিফিং।
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।
• ফিশিং (Phishing):
ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• Dropbox ফাইলের নিরাপত্তা প্রধানত ক্লাউড এনক্রিপশন এবং ব্যাকআপের মাধ্যমে নিশ্চিত করে। যখন আপনি কোনো ফাইল আপলোড করেন, তখন Dropbox সেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের সার্ভারে পাঠায় এবং সেখানে শক্তিশালী এনক্রিপশন ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে। এর ফলে কেউ অনুমোদন ছাড়া ফাইল পড়তে বা চুরি করতে পারে না। এছাড়াও, Dropbox নিয়মিত ব্যাকআপ রাখে, যাতে হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত ফাইল সহজেই পুনরুদ্ধার করা যায়। অন্য কোনো অপশন যেমন পুরনো ফাইল মুছে ফেলা, কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড দেওয়া বা ফিজিক্যাল লক ব্যবহার করা শুধুমাত্র আংশিক বা স্থানীয় নিরাপত্তা দেয়, কিন্তু Dropbox-এর মূল নিরাপত্তা ব্যবস্থা হল ক্লাউড এনক্রিপশন এবং ব্যাকআপ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ক্লাউড এনক্রিপশন আর ব্যাকআপ দিয়ে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।