বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ২৯ / ৫১ · ২,৮০১২,৯০০ / ৫,০২৮

২,৮০১.
প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট নিচের কোন যন্ত্রটি প্রথম উদ্ভাবিত হয়?
  1. Telegraph
  2. Teletype
  3. Telephone
  4. Telescope
সঠিক উত্তর:
Telescope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Telescope
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত যন্ত্রগুলোর মাঝে একমাত্র Telescope প্রথম উদ্ভাবিত হয়। 
The first telescope is thought to have been built in the Netherlands in the early 1600s, but Italian mathematician Galileo Galilei almost immediately popularized use of the "far seeing" device for scientific purposes.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
২,৮০২.
কম্পিউটারের কাজের গতি বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ভার্চুয়াল মেমোরি
  2. মেইন মেমোরি
  3. চৌম্বক মেমোরি
  4. ক্যাশ মেমোরি
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা

- কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য প্রসেসর এবং প্রধান স্মৃতির মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত বিশেষ ধরনের স্মৃতিকে ক্যাশ মেমোরি বা ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- কোনো এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে কাজ করার জন্য যে তথ্যগুলো বারবার ব্যবহৃত হয় সেই তথ্যগুলোকে ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা হয়।

২,৮০৩.
নিচের কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি মাইক্রোব্লগিং সাইট এর উদাহরণ?
  1. Pinterest
  2. Tumblr
  3. Facebook
  4. Flicker
সঠিক উত্তর:
Tumblr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tumblr
ব্যাখ্যা
- Tumblr is an American microblogging and social networking website.
- The site, Tumblr, was launched in private beta in 2006 and to the public in early 2007.
- It hosted “tumblelogs,” or short-form blogs, of text and various other types of media. Bloggers can also make their blogs private. 

- Pinterest is an image sharing and social media service designed to enable saving and discovery of information on the internet using images, and on a smaller scale, animated GIFs and videos, in the form of pinboards.
- It was founded in 2009.

- Facebook is an American online social media and social networking service owned by Facebook, Inc. Founded in 2004 by Mark Zuckerberg.

- Flickr is an American image hosting and video hosting service, as well as an online community.
- It was created by Ludicorp in 2004 and is a popular way for amateur and professional photographers to host high-resolution photos.

[উৎস - সংশ্লিষ্ট মাধ্যমগুলোর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা]
২,৮০৪.
ফোনের IMEI দেখতে হলে কোন কোড ডায়াল করা উচিত?
  1. *#911#
  2. *#IMEI#
  3. *#06#
  4. *#123#
সঠিক উত্তর:
*#06#
উত্তর
সঠিক উত্তর:
*#06#
ব্যাখ্যা
• ফোনের IMEI (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার দেখতে হলে সঠিক কোড হলো *#06#। এটি একটি ইউনিক নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য নির্দিষ্ট এবং ফোন হারিয়ে গেলে সেটি শনাক্ত করতে বা ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারীকে ফোনের ডায়াল প্যাডে *#06# টাইপ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে IMEI নম্বরটি প্রদর্শিত হয়। এটি কোনো এসএমএস বা কল প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি সিস্টেম-নির্ধারিত শর্টকোড। অন্যান্য অপশন যেমন *#911#, *#IMEI# বা *#123# এই কাজে সঠিক নয় এবং কাজও করবে না। তাই IMEI জানার জন্য সঠিক উত্তর: গ) *#06#.

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৮০৫.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার
  2. মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার
  3. অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্ম:
- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম ও পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- এ ফোন তৈরির পর থেকে মোবাইল কমিউনিকেশনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের কিছু কিছু ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে NMT (Nordic Mobile Telephone) কর্তৃক ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ ১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- নেটওয়ার্কে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে অ্যানালগ সিস্টেমের ব্যবহার।
- সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার।
- অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার।
- মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার।
- ছোট ও হালকা মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০৬.
কোন হ্যাকাররা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি করে?
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• যে হ্যাকাররা সিস্টেমে বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করে এবং ব্যক্তিগত, আর্থিক বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি বা ক্ষতি করে, তাদের বলা হয় ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার। তারা সাধারণত তাদের নিজের স্বার্থে বা মুনাফার উদ্দেশ্যে এই ধরনের কাজ করে। ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তার ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে এবং তা ভেঙে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, ম্যালওয়্যার ছড়ানো বা অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটাতে পারে। তারা কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া কাজ করে, ফলে আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৮০৭.
স্যামসাং এর তৈরি রোবট কোনটি?
  1. সোফিয়া
  2. রোবরে
  3. মুরাতা বয়
  4. আসিমো
সঠিক উত্তর:
রোবরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোবরে
ব্যাখ্যা
স্যামসাং এর তৈরি রোবট হচ্ছে রোবরে।

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
• হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
• সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
• সোফিয়া হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮০৮.
ই-মেইল সার্ভিস ব্যাবহার করার জন্য কোনটি প্রয়োজন নেই?
  1. ক) ইন্টারনেট
  2. খ) প্রেরক ও প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা
  3. গ) ই-মেইল প্রেরণ ও গ্রহণ করার একটি সফটওয়্যার
  4. ঘ) কেবল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেবল
ব্যাখ্যা
ই-মেইল সার্ভিস ব্যাবহার করার জন্য কেবলের প্রয়োজন নেই।কারণ এটি একটি ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভিস।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২,৮০৯.
ব্লুটুথ কোন ধরনের প্রযুক্তি?
  1. অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি
  2. স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
  3. স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রযুক্তি
  4. দীর্ঘ দূরত্বের তারযুক্ত প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি: কাছাকাছি ডিভাইসের মধ্যে রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়, যেমন—মোবাইল ও ব্লুটুথ ইয়ারবাড সংযোগ।

• ব্লুটুথ(Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বে ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক(PAN) তৈরি হয়, যেখানে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ(Harald Bluetooth)–এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তির নাম Bluetooth রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে ব্লুটুথ প্রযুক্তি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস ও ঘরোয়া বিনোদনমূলক ডিভাইসে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি অবস্থিত দুই বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তর করে।
- কোনো লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
- সাধারণত ১০–১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড কমিউনিকেশনের মতো দেয়াল বা অন্যান্য বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।
- একটি পিকোনেট(Piconet)–এ একটি মাস্টার ডিভাইস সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- দীর্ঘ দূরত্বের তারযুক্ত প্রযুক্তি: কেবল বা ফাইবারের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়, যেমন—ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড কেবল।
- স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রযুক্তি: কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে দূরপাল্লার যোগাযোগ সম্পন্ন করা হয়, যেমন—ডিশ টিভি সেবা।
- অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি: আলোক সংকেতের মাধ্যমে উচ্চগতিতে ডাটা পরিবহন করা হয়, যেমন—ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮১০.
নিচের কোনটিকে পিকোনেট বলা হয়?
  1. Bluetooth
  2. Wi-fi
  3. Wi-max
  4. LAN
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা
Bluetooth:
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮১১.
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন হিসেবে নিচের কোন মোবাইল ফোনটিকে সর্বাধিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. Nokia 3310
  2. Simon
  3. BlackBerry 850
  4. Motorola DynaTAC
সঠিক উত্তর:
Simon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simon
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন হলো IBM Simon।
- এটি ১৯৯২ সালে তৈরি করা হয়েছিল। আজকের স্মার্টফোনের মতো এতে টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস ছিল এবং এর মাধ্যমে ইমেল পাঠানো, ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করা এবং নোট নেওয়ার মতো কাজ করা যেত।

• স্মার্টফোন:
- প্রযুক্তি কোম্পানী IBM বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে যার নাম ছিল সাইমন।
- 16 আগস্ট, 1994-এ জনসাধারণের কাছে বিক্রি হয়েছিল।
- এতে একটি টাচস্ক্রিন, ইমেইল ক্ষমতা, একটি ক্যালকুলেটর এবং একটি স্কেচ প্যাড সহ কয়েকটি অন্তর্নির্মিত অ্যাপ রয়েছে৷
- এটির কোড-নাম ছিল "অ্যাঙ্গলার" এবং ভেগাসের ফল কমডেক্স কনভেনশনে উন্মোচন করা হয়েছিল।
- ব্যাটারি একবার চার্জ করলে ১ ঘণ্টা চালানো যেত।
- বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিভাইসটি কেবলমাত্র 50,000 ইউনিট স্থানান্তরিত করতে ছয় মাস ব্যয় করেছে।

• স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
- মডেম সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- মেমোরি বেশি থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮১২.
PSTN এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Public Service Telephone Networks
  2. Public Switched Telephone Networks
  3. Public Switched Telecommunication Networks
  4. Public Service Telecommunication Networks
সঠিক উত্তর:
Public Switched Telephone Networks
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Public Switched Telephone Networks
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
 
 
উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা
২,৮১৩.
প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করাকে বলে-
  1. ক) স্প্যামিং
  2. খ) হ্যাকিং
  3. গ) পাইরেসি
  4. ঘ) ফিশিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিশিং
ব্যাখ্যা

- প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে ফিশিং বলে।
- সদ্য প্রকাশিত গান বা সিনেমার mp3 বা মুভি ফাইল ইন্টারনেট শেয়ার করাকে পাইরেসি বলে।
- স্প্যামিং হচ্ছে ই-মেইল একাউন্টে অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল আসা যা আমাদের বিরক্তি ঘটায়।
- হ্যাকিং হচ্ছে সাধারণত অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোন কম্পিউটারকে মোহচ্ছন্ন করে তা পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়া।

২,৮১৪.
রোবট সোফিয়ার মূল নির্মাতা কে?
  1. মার্শাল ম্যকলুহান
  2. ফানুক হ্যানসন
  3. অড্রে হেপবার্ন
  4. ডেভিড হ্যানসন
সঠিক উত্তর:
ডেভিড হ্যানসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড হ্যানসন
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে হংকং-এর তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া।
- এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮১৫.
RFID কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
  1. স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়
  2. সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং
  3. স্টক ম্যানেজমেন্ট
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এটি স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ে ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে যানবাহনের তথ্য শনাক্ত করে দ্রুত টোল সংগ্রহ করা যায়। এছাড়াও, এটি সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিংয়ে কাজে লাগে, যেমন কর্মচারী বা ছাত্রদের উপস্থিতি নজরদারি করা। স্টক ম্যানেজমেন্টেও RFID ব্যবহৃত হয়, যাতে পণ্য বা মালামালের চলাচল ও অবস্থান সহজে ট্র্যাক করা যায়।
- তাই, উপরের সব ক্ষেত্রেই RFID প্রযুক্তি কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। উত্তর: ঘ) বর্ণিত সবগুলো।

 
• RFID:

- RFID প্রযুক্তি ১৯৭০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়।
- এর পূর্ণরূপ: Radio Frequency Identification.
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু বা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।
- ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত দূরত্ব বস্তু চিহ্নিত করা যায়।​

• প্রযুক্তির উপাদান:
- ট্যাগ (Tag): ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণকারী চিপ ও অ্যান্টেনা।
- রিডার (Reader): ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে ডাটাবেসে প্রেরণকারী ডিভাইস।​

• কার্যপ্রণালী:
- রিডার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে।
- ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে তথ্য প্রেরণ করে।
- রিডার প্রাপ্ত তথ্য ডাটাবেসে আপডেট করে।​

• ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ির চাবি ও নিরাপত্তা প্রবেশ কার্ড: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল।
- সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং।
- স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা।
- স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়।
- স্টক ম্যানেজমেন্ট,
- পশুদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ।​

• নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:
- RFID কার্ডে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।
- শুধু একটি নম্বর থাকে, যা নিরাপদ ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের দিকে নির্দেশ করে।
- তথ্য এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

• উদাহরণস্বরূপ:
- NEXUS, SENTRI, FAST.
- ১৯৯৫ সাল থেকে সীমান্তে যাত্রীদের দ্রুত প্রবেশের জন্য ভিসিনিটি RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে।

উৎস: US Homeland Security and Britannica. [Link]

২,৮১৬.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সফটওয়্যারভিত্তিক সেবার উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Google Apps
  2. Dropbox
  3. Azure
  4. Hubspot
সঠিক উত্তর:
Azure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Azure
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

• অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।

• প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

• সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

• নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮১৭.
Key logger এক ধরনের -
  1. ফার্ম ওয়্যার
  2. এন্টিভাইরাস
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
সঠিক উত্তর:
স্পাইওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পাইওয়্যার
ব্যাখ্যা
কি লগারকে অনেক সময় সিস্টেম মনিটর বা কি স্ট্রোক লগার বলা হয়ে থাকে। কোন ব্যবহারকারীর সিস্টেমে এটা সেট করে দিলে কী বোর্ডে যে যে বাটন প্রেস করবে সেসব তথ্যই কী লগার সেটকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এর কাছে চলে যাবে। এমনকি  অনেক সময় ব্যবহারকারী জানতেও পারবেন না যে ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার কত মূল্যবান ও গোপনীয় তথ্য আরেকজনের কাছে চলে যাচ্ছে।
২,৮১৮.
What is cryosurgery mainly used for?
  1. Blood circulation
  2. Pain measurement
  3. Increasing body temperature
  4. Destroying abnormal tissues
সঠিক উত্তর:
Destroying abnormal tissues
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Destroying abnormal tissues
ব্যাখ্যা

• Cryosurgery মূলত শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা (খুব ঠান্ডা) প্রয়োগ করা হয়—যেমন ক্যান্সার বা চর্মরোগের চিকিৎসায়।

• ক্রায়োসার্জারি (Cryosurgery):
- ক্রায়োসার্জারি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- একে Cryotherapy নামেও পরিচিত।
- গ্রিক শব্দ ‘Cryo’ (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং ‘Surgery’ (হাতের কাজ) থেকে শব্দটির উৎপত্তি।
 
• ক্রায়োসার্জারির কাজের মূল উদ্দেশ্য:
- অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা।
- সুস্থ টিস্যুকে যতটা সম্ভব অক্ষত রাখা।
- নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ন্ত্রিতভাবে চিকিৎসা করা।
 
• ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার ক্ষেত্র:
- অশ্বরোগ।
- ছানি।
- প্রোস্টেট ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সার।
- চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা।
 
• ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত তাপমাত্রা ও উপাদান:
- প্রধানত Liquid Nitrogen ব্যবহার করা হয়।
- প্রায় –41°C তাপমাত্রায় কোষ ধ্বংস করার কাজ সম্পন্ন হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮১৯.
মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য চুরি করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Debugging
  4. Plagiarism
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াকে Phishing বলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতারকরা নিজেকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে, যাতে ব্যবহারকারী সহজেই বিভ্রান্ত হয়। সাধারণত আকর্ষণীয় লিংক, জরুরি বার্তা বা ভয়ের ভাষা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়। ফিশিং আক্রমণের ফলে আর্থিক ক্ষতি, পরিচয় চুরি এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই অচেনা লিংক বা সন্দেহজনক ই-মেইল থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
- সঠিক উত্তর: ক) Phishing.

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮২০.
কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. রমে
  2. ক্যাশ মেমোরিতে
  3. হার্ড ডিস্কে
  4. র‍্যামে
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে ।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৮২১.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারি OTT অ্যাপ কোনটি?
  1. ক) সংলাপ
  2. খ) সুরক্ষা
  3. গ) রেল সেবা
  4. ঘ) আলাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাপ
ব্যাখ্যা
প্রথম সরকারি OTT অ্যাপ:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেডের (BTCL) OTT (Over The Top) কলিং সেবা 'আলাপ' উদ্বোধন করা হয় ৪ এপ্রিল ২০২১। এটা দেশের প্রথম সরকারি OTT অ্যাপ। সরকারের জন্য অ্যাপটি তৈরি করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘রিভ সিস্টেমস’। ২৪ মার্চ ২০২১ ‘আলাপ’ অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে ছাড়া হয়। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ইন্সটল করলেই একজন গ্রাহক নিজের বর্তমান মুঠোফোন নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে একটি নতুন আলাপ নম্বরের মালিক হবেন।

আলাপের বৈশিষ্ট্য:
১. ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ‘আলাপ’ থেকে ‘আলাপ’ কথা বলা ও চ্যাট করা যাবে বিনামূল্যে।
২. যাদের ‘আলাপ’ নেই, শুধু টেলিফোন আছে, তাদের সঙ্গেও কথা বলা যাবে।
৩. ‘আলাপ’ থেকে যেকোনো মোবাইল বা ল্যান্ডফোনে কথা বললে প্রতি মিনিটে খরচ হবে ৩০ পয়সা (এর সঙ্গে ১৫% ভ্যাট যুক্ত হবে)।
৪. যেকোনো মোবাইল বা ল্যান্ড ফোন নম্বর থেকেও ‘আলাপ’-এ কল করা যাবে।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৮২২.
ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সার্ভিস কোনটি?
  1. ভিওআইপি
  2. আইপিটিভি
  3. ওয়াইফাই-এর হটস্পট
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স-এর বৈশিষ্ট্য:
১. ওয়াইম্যাক্স 2.0 - 66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
২. ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক। 80-1000 Mbps।
৩. কার্যক্ষমতা/এলাকা 10 থেকে 50 কি.মি. পর্যন্ত।
৪. শক্তিশালী এনক্রিপশন থাকায় ডেটা নিরাপত্তা বেশি।
৫. ওয়াইম্যাক্স-এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
৬. Wimax নেটওয়ার্ক-এর ব্যান্ডউইথ 30 Mbps থেকে 75 Mbps।
৭. TDD (Time Division Duplexing) এবং FDD (Frequency Division Duplexing) সমর্থন করে।

• ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সার্ভিসসমূহ:
১. ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি)।
২. ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (আইপিটিভি)।
৩. ওয়াইফাই-এর হটস্পট।
৪. মোবাইল টেলিফোন সার্ভিস ও মোবাইল ডেটা টিভি।
৫. মোবাইল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সার্ভিস এবং ফাইবার অপটিক ক্যাবলের বিকল্প পন্থা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮২৩.
URL শব্দটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওয়েবসাইট
  2. মনিটর
  3. স্কিন
  4. কিবোর্ড
সঠিক উত্তর:
ওয়েবসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
URL: 
- একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পুর্ণাঙ্গ অ্যাড্রেসকে URL বলে। 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator. 
যেমন: http://www.xyz.com. এইটিই একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব অ্যাড্রেস বা URL. 
- শুধুমাত্র www.xyz.com বা, xyz.com কে URL বলা হয় না। 
- একটি URL এর তিনটি অংশ থাকে। 
i) প্রোটোকলের নাম, 
ii) হোস্টনেইম এবং 
iii) ফাইল নেইম। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮২৪.
Which generation of programming language is known as 'High Level language'?
  1. 1st
  2. 2nd
  3. 3rd
  4. 4th
  5. 5th
সঠিক উত্তর:
3rd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3rd
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ প্রজন্মে ভাগ করা যায়। যথা-

১। প্রথম প্রজন্ম (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)।
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)।
৪। চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)।
৫। পঞ্চম প্রজন্ম (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি,মাহবুবুর রহমান।
২,৮২৫.
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয় তাদেরকে কী বলে?
  1. সাইবার ক্রাইম
  2. সাইবার অ্যাকশান
  3. নেটওয়ার্কিং ক্রাইম
  4. ইন্টারনেট ক্রাইম
সঠিক উত্তর:
সাইবার ক্রাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার ক্রাইম
ব্যাখ্যা
সাইবার ক্রাইম:
কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরণের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।

নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো -

১. হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
২. অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা ।
৩. কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে ।
৪. আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ ।
৫. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৬.
Which memories has the shortest access time?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. Magnetic Core memory
  4. Magnetic Bubble memory
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
ব্যাখ্যা
Memory:
- মেমোরি তৈরির মূল, ধারণক্ষমতা এবং অ্যাক্সেস টাইম বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
- CD, RAM এর চেয়ে Cache Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

Cache Memory:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে Cache Memory বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য Cache Memory ব্যবহৃত হয় ৷
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
২,৮২৭.
নকল বা ফেইক ওয়েবসাইট দিয়ে কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করাকে কী বলে?
  1. Man-in-the-Middle
  2. স্প্যামিং
  3. DoS
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
ব্যাখ্যা
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

স্প্যামিং (Spaming) :
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানােকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। যখন কোনাে ব্যবহারকারী কোনাে ওয়েবসাইট ভিজিট করেন বা কোনাে গ্রুপের মেসেজ বাের্ডে প্রবেশ করেন তখন স্প্যামাররা সেখান থেকে ই-মেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করে। ব্যবহারকারীর ই-মেইলে বিভিন্ন প্রতারণামূলক মেসেজ পাঠায়।
 
• DoS (Denial of Service):
- ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২,৮২৮.
5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) LTE (Long Term Evolution
  2. খ) RAT (Radio Access Technology)
  3. গ) HSPA (High Speed Package Access)
  4. ঘ) GSM (Global System for Mobile communication)
সঠিক উত্তর:
খ) RAT (Radio Access Technology)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) RAT (Radio Access Technology)
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ডঃ
1G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-AMPS
2G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-GSM, CDMA
3G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-HSPA,WCDMA, UTMS, 3GPP
4G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড- WiMAX 2, LTE
5G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-RAT, MIMO, 5G NR

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
২,৮২৯.
কোন নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  3. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network),
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) এবং 
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩০.
শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি হচ্ছে-
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  3. কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  4. ডিএনএ পর্যবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ পর্যবেক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ পর্যবেক্ষণ
ব্যাখ্যা

◉ সঠিক উত্তর খ) ডিএনএ পর্যবেক্ষণ, কারণ এটি সরাসরি জৈবিক ও অপরিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে।

• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা:

১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৮৩১.
হোম পেইজ ও হোম পেইজের সাথে লিংককৃত পেইজগুলো কিভাবে সাজানো যায় তার উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের কাঠামোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৫ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৬ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
• একটি ওয়েবসাইট মূলত কতগুলো ওয়েব পেইজের সমষ্টি। ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিভিন্ন পেজগুলো কিভাবে সাজানো থাকে তাই হল ওয়েবসাইটের কাঠামো।
- সাধারণত একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে তিনটি অংশ থাকে। যথা:
১. হোম পেজ (Home Page)
২. প্রধান অংশ (Main Section) ও
৩. উপশাখা (Subsection)

হোম পেজ:
হোম পেইজ হলো ওয়েবসাইটে প্রবেশের প্লাটফর্ম। এটি সুন্দর ও আকর্ষনীয় হওয়া উচিৎ। ওয়েব ব্রাউজার শুরুতে এই পেইজটি লোড করে। এখানে ওয়েবসাইটের অন্যান্য সকল পেইজের তথ্য সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন ধরনের তথ্য বহন করছে তা হোম পেইজ থেকেই জানা যায়। অন্যান্য পেইজ ব্রাউজ করার জন্য এই পেইজে লিংক দেওয়া থাকে।

প্রধান অংশ:
হোম পেইজের পরের ওয়েব পেজগুলোকে প্রধান অংশ বা মূল সেকশন বলে। ওয়েবসাইটের প্রধান অংশটি কয়েকটি ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত হতে পারে। সাধারণত হোম পেজের বিষয়গুলোর উপর বিস্তারিত তথ্য এখানে সন্নিবেশ করা থাকে।

উপশাখা:
প্রধান অংশে অন্তর্ভূক্ত পেইজ আবার এক বা একাধিক পেইজের সাথে যুক্ত থাকে যাদেরকে উপশাখা বা সাব- সেকশন পেইজ বলে। এই পেইজগুলোতে বিস্তারিত তথ্য এবং লিংক যুক্ত করে তথ্যের সমন্বয় করা হয়।

হোম পেইজ ও হোম পেইজের সাথে লিংককৃত পেইজগুলো কিভাবে সাজানো যায় তার উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. হায়ারারকিক্যাল কাঠামো (Hierarchical Structure)
২. লিনিয়ার কাঠামো (Linear Structure)
৩. নেটওয়ার্ক কাঠামো (Network Structure)
৪. হাইব্রিড কাঠামো (Hybride Structure)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২,৮৩২.
SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যার উদ্দেশ্য মূলত - 
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
  3. সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট
  4. ইমেইল সার্ভার
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা

• SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যা মূলত ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে। এই আক্রমণে হ্যাকাররা ওয়েব ফর্ম বা URL ইনপুটে ক্ষতিকর SQL কোড ঢুকিয়ে ডেটাবেজের তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, লগইন ফর্মে সাধারণ টেক্সটের পরিবর্তে বিশেষ SQL স্টেটমেন্ট প্রবেশ করিয়ে তারা অপ্রত্যাশিতভাবে অ্যাক্সেস পেতে পারে। SQL ইনজেকশন প্রতিরোধে প্রস্তুত ওয়েব কোডে ইনপুট যাচাই, প্রিপেয়ার্ড স্টেটমেন্ট ব্যবহার এবং যথাযথ অনুমতি সীমাবদ্ধতা রাখা জরুরি। এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইল সার্ভার নয়, বরং সরাসরি ওয়েবসাইটের ব্যাকএন্ড ডেটাবেজের উপর প্রভাব ফেলে।

- সঠিক উত্তর: খ) ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট। 

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- Microsoft. [link]

২,৮৩৩.
সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে কোন সংস্থা গঠিত হয়েছে?
  1. BSA
  2. BCS
  3. BSTI
  4. BTRC
সঠিক উত্তর:
BSA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSA
ব্যাখ্যা

- BSA (Business Software Alliance) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা সফটওয়্যার সংক্রান্ত কপিরাইট লঙ্ঘন এবং পাইরেসি রোধে কাজ করে।
- বাংলাদেশে সফটওয়্যার পাইরেসি এই সংস্থা মূল ভূমিকা পালন করছে।
- তারা নিয়মিত সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম, আইনগত পদক্ষেপ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহিত করে।

- BCS (Bangladesh Computer Society): এটি মূলত বাংলাদেশের কম্পিউটার পেশাজীবী ও শিক্ষাব্যক্তিদের সমিতি, পাইরেসি রোধের জন্য নয়।
- BTRC (Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission): এটি টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, মূলত ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ নীতি ও লাইসেন্স তদারকি করে।
- BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution): এটি মূলত বাংলাদেশে মান নির্ধারণ ও পণ্য/সেবা পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন সংস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮৩৪.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Symantec
  2. McAfee
  3. Perrin
  4. ESET NOD32
সঠিক উত্তর:
Perrin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Perrin
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
-TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-virus ইত্যাদি।

অপরদিকে,
Perrin.Exeহলো কম্পিউটার ভাইরাস। 

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়); তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল
২,৮৩৫.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের ভূমিকা কী?
  1. ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয় 
  2. সমস্ত ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. সার্ভারের অনুলিপি তৈরি করা
  4. ক্লায়েন্টের হার্ডওয়্যার এনক্রিপ্ট করা
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয় 
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের প্রধান ভূমিকা হল ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট সার্ভারের রিসোর্স বা সার্ভিসের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে। এটি মূলত ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেয়, যাতে ডেটা রিমোটলি অ্যাক্সেস করা যায়। নেটওয়ার্ক ডেটা সংরক্ষণ, সার্ভারের অনুলিপি তৈরি বা ক্লায়েন্ট হার্ডওয়্যার এনক্রিপশনের জন্য সরাসরি দায়ী নয়, বরং এটি শুধুমাত্র যোগাযোগ ও তথ্য পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের মূল কাজ হল ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া।

উত্তর: ক) ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়। 
 
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৩৬.
Google + কী?
  1. সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা
  2. সার্চ ইঞ্জিন
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৮৩৭.
Which company first introduced the smartphone to the market?
  1. Blackberry
  2. Apple
  3. BellSouth 
  4. Samsung
সঠিক উত্তর:
BellSouth 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BellSouth 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) BellSouth 

স্মার্টফোন
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন, যা মোবাইল কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করেছিল IBM।
- বেলসাউথ ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে।
- ১৯৯৩ সালে IBM তৈরি করেছিল Simon নামে প্রথম স্মার্টফোন, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস ছিল।
- স্মার্টফোনে ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,৮৩৮.
অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম কোনটি?
  1. Azure
  2. AWS
  3. Cloudera
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
AWS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AWS
ব্যাখ্যা
- অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
 
উৎস: aws.amazon.com


অন্যদিকে,
- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
- Cloudera যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডাটা ম্যানেজম্যান্ট সেবাদানকারী  কোম্পানি।
২,৮৩৯.
বিশেষভাবে পরিকল্পিত ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লিংক, তথ্য এবং সেবার সংগ্রহ রয়েছে তাকে কী বলে?
  1. ক) Web Browser
  2. খ) Web Page
  3. গ) Web Portal
  4. ঘ) Search Engine
সঠিক উত্তর:
গ) Web Portal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Web Portal
ব্যাখ্যা
• ওয়েব পোর্টাল (Web Portal):
- ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন লিংক, তথ্য ও সার্ভিস বা সেবার সংগ্রহ যা ব্যবহারকারীদেরকে তথ্য জানানোর জন্য সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়।
- ওয়েব পোর্টালের হোম পেজে বিভিন্ন তথ্য ও লিংকসমূহ ইনডেক্স আকারে থাকে বিধায় ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যের উৎস বা লিংক খুঁজে পায়। - একটি ওয়েব পোর্টাল সাধারণত আঞ্চলিক খবর, স্থানীয় তথ্য, স্টক রিপোর্ট, সরকারি সেবার তথ্য, জাতীয় খবর এবং গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল সেবা প্রদান করে।
- অবশ্য ওয়েব পোর্টাল ব্যক্তিগত, আঞ্চলিক, সংস্কৃতিক, সরকারি, কর্পোরেট ইত্যাদি ধরনের হতে পারে। যেমন: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (www.bangladesh.gov.com) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ওয়েব পোর্টাল। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪০.
'ক্লাউড কম্পিউটিং' এ কোন ধরনের সেবা প্রদান করা হয় না?
  1. ক) UaaS
  2. খ) laaS
  3. গ) PaaS
  4. ঘ) SaaS
সঠিক উত্তর:
ক) UaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) UaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

সার্ভিস মডেল অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ: সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়-

অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ:  Amazon Web Services, Google Cloud ইত্যাদি।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ:  AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
 
সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি। 

[IBM Cloudএবং Microsoft Azure এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com
৩. https://www.ibm.com
২,৮৪১.
রিপিটার কোন লেয়ারে কাজ করে থাকে?
  1. ক) Network Layer
  2. খ) Physical Layer
  3. গ) Transport Layer
  4. ঘ) Session Layer
সঠিক উত্তর:
খ) Physical Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Physical Layer
ব্যাখ্যা
রিপিটার :
একটি নেটওয়ার্ক মিডিয়ার মধ্য দিয়ে ডেটা সিগন্যাল প্রবাহের সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করার পর এটেনুয়েশনের কারণে সিগন্যাল আস্তে আস্তে দূর্বল হয়ে পড়ে। তখন এই সিগন্যালকে পুনরোদ্ধার করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে এই কাজটি যে ডিভাইস করে থাকে তাকে রিপিটার বলে।
এটি একটি ২-পোর্ট বিশিষ্ট ডিভাইস।
রিপিটার ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে।
২,৮৪২.
একটিমাত্র ফিজিক্যাল লাইন থাকে কোন টপোলজিতে?
  1. ক) রিং টপোলজি
  2. খ) স্টার টপোলজি
  3. গ) হাইব্রিড টপোলজি
  4. ঘ) বাস টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাস টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
বাস টপোলজি: 

- বাস টপোলজির ক্ষেত্রে, সকল ডিভাইসসমূহ একটি একক সংযোগ লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই সংযোগ লাইনকে বাস (Bus) বলা হয় যা ব্যাকবোন হিসাবেও পরিচিত। এই সংযোগ লাইনের দুপ্রান্তে দুটি টার্মিনেটর থাকে ।
- প্রতিটি নোড (নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে নোড বলা হয়) ড্রপ ক্যাবল দ্বারা বা সরাসরি ব্যাকবোন তারের সাথে সংযুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহ দ্বিমুখী হয়ে থাকে।
- যখন একটি নোড অপর একটি নোডে বার্তা প্রেরণ করতে চায়, তখন ডেটা এবং প্রাপকের তথ্য কমন সংযোগ লাইনে প্রেরণ করে। কমন লাইনে সংযুক্ত সকল নোড বার্তাটি পায় অর্থাৎ ব্রডকাস্ট হয় এবং কেবলমাত্র প্রাপক তা গ্রহণ করে।
- একাধিক হোস্ট একই সাথে ডেটা প্রেরণ করার সময় বাস টপোলজির সমস্যা হতে পারে।
- বাস টপোলজির সুবিধা
১। এই টপোলজির প্রধান সুবিধা হলো নেটওয়ার্ক খুব সাধারণ এবং ফিজিক্যাল লাইনের সংখ্যা মাত্র একটি। ফলে ইন্সটলেশন সহজ ও সাশ্রয়ী।
২। কো-এক্সিয়াল বা টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলগুলো মূলত বাস-ভিত্তিক নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয় যা 10 Mbps পর্যন্ত সমর্থন করে। Attenuation
৩। রিপিটারের সাহায্যে নেটওয়ার্কের ব্যাকবোন সহজে সম্প্রসারণ করা যায়।
৪। এই টপোলজি সরল এবং ছোট আকারের নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা সহজ।
৫। এই টপোলজির কোনো একটি নোড নষ্ট হলেও অন্য নোডগুলো প্রভাবিত হয় না।
৬। সহজেই কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত এবং নেটওয়ার্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা যায়।
৭। কেন্দ্রীয় কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস (হাব, সুইচ) বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না, ফলে খরচ কম হয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২,৮৪৩.
ওয়েবসাইটের কোন কাঠামোতে পেইজগুলো একটি নির্দিষ্ট সিকুয়েন্স অনুযায়ী সাজানো থাকে?
  1. ক) হায়ারারকিক্যাল কাঠামো
  2. খ) লিনিয়ার কাঠামো
  3. গ) নেটওয়ার্ক কাঠামো
  4. ঘ) হাইব্রিড কাঠামো
সঠিক উত্তর:
খ) লিনিয়ার কাঠামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিনিয়ার কাঠামো
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইট কাঠামোর প্রকারভেদ:  
- হোম পেইজ ও হোম পেইজের সাথে লিংককৃত পেইজগুলো কিভাবে সাজানো যায় তার উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. হায়ারারকিক্যাল কাঠামো (Hierarchical Structure)
২. লিনিয়ার কাঠামো (Linear Structure)
৩. নেটওয়ার্ক কাঠামো (Network Structure) ও
৪. হাইব্রিড কাঠামো (Hybride Structure) ।
লিনিয়ার কাঠামো:
- এই ধরনের কাঠামোতে পেইজগুলো একটি নির্দিষ্ট সিকুয়েন্স অনুযায়ী সাজানো থাকে
- কোন পেইজ কোন পেইজের পরে হবে তা ওয়েব ডিজাইনের সময় ঠিক করা হয়।
- এই ধরনের পেইজগুলোতে সাধারণত Next, previous, Last, First ইত্যাদি অনুযায়ী সাজানো থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪৪.
টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়, এই প্রযুক্তিটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ন্যানোটেকনোলজি
  2. রোবটিক্স
  3. বায়োসেন্সর
  4. বায়োইনফরমেট্রিক্স
সঠিক উত্তর:
ন্যানোটেকনোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
১. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

২. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮৪৫.
নিচের কোনটিতে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. Internet
  2. Cable TV Broadcasting
  3. ISDN
  4. Telephone Network
সঠিক উত্তর:
Internet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা পুরোপুরি প্যাকেট সুইচিং (Packet Switching) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে ইন্টারনেটের বিভিন্ন রাউটার ও নোডের মাধ্যমে গন্তব্যে পাঠানো হয়।

• প্যাকেট সুইচিংয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং সাপোর্ট করে, ফলে একই চ্যানেল ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারী ডেটা আদান-প্রদান করতে পারেন।
- 'ফল্ট টলারেন্ট' বা ত্রুটি সহনশীল তাই নেটওয়ার্কের কোনো একটি পথ অকেজো হলেও ডেটা বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য IP (Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিটি প্যাকেটের সাথে উৎস এবং গন্তব্যের আইপি ঠিকানাসহ অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ তথ্য যুক্ত থাকে।
- ডেটা প্যাকেটগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময় বা পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর কারণে এতে সামান্য 'ডিলে' বা বিলম্ব হতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- Cable TV Broadcasting: এটি মূলত ব্রডকাস্টিং বা সম্প্রচার প্রযুক্তি যা এনালগ বা ডিজিটাল সিগন্যাল আকারে তথ্য একমুখীভাবে প্রেরণ করে।
- ISDN: ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস ডিজিটাল নেটওয়ার্ক মূলত সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে ডিজিটাল ডেটা ও ভয়েস আদান-প্রদান করে।
- Telephone Network: প্রথাগত টেলিফোন নেটওয়ার্ক (PSTN) সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে যেখানে কলের সময় একটি নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল কানেকশন বজায় রাখা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা [link]

২,৮৪৬.
টেলেক্স- এর মাধ্যমে নিচের কোনটি পাঠানো হয়?
  1. ক) কথা ও শব্দ
  2. খ) ছবি
  3. গ) বার্তা
  4. ঘ) শব্দ ও ছবি
সঠিক উত্তর:
গ) বার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বার্তা
ব্যাখ্যা

টেলেক্স একধরণের টেলিপ্রিন্টার। এতে একটি টাইপরাইটার থাকে। যে তথ্য, সংবাদ বা চিঠি প্রেরণ করতে হবে তা টাইপরাইটারে টাইপ করতে হয়। যে নম্বরে প্রেরণ করা হয়, সে নম্বরে তা টাইপ হয়ে বেরিয়ে আসে।
From Britannica:
Telex, an international message-transfer service consisting of a network of teleprinters connected by a system of switched exchanges. Subscribers to a telex service can exchange textual communications and data directly and securely with one another.

২,৮৪৭.
কোন ধরনের হ্যাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮৪৮.
‘মাইক্রোপ্রসেসর’ প্রথম তৈরি করে কোন কোম্পানি?
  1. ক) অ্যাপল
  2. খ) ইনটেল
  3. গ) আইবিএম
  4. ঘ) মাইক্রোসফট
সঠিক উত্তর:
খ) ইনটেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইনটেল
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরঃ
আইসি-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে কম্পিউটারের পুরাে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশকে একটি আইসি চিপ আকারে রাখা সম্ভব হয়। ছােট সিলিকন পদার্থের তৈরি এ চিপকেই মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়। ১৯৬৯ সালে ইনটেল কোম্পানি ৪০০০ নামে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে । ১৯৭১ সালে ইনটেল আরও শক্তিশালী মাইক্রোপ্রসেসর ইনটেল ৪০০৪ তৈরি করেন। এর পর তাঁরা তৈরি করেন ৮০০৮ প্রসেসর। এই ইনটেল ১৯৭৪ সালে ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে কম্পিউটারকে মানুষের দ্বারপ্রান্তে এনে দেয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
২,৮৪৯.
কোন যোগাযোগ ব্যবস্থায় উভয় ব্যক্তি একই সময়ে কথা বলা ও শোনা চালিয়ে যেতে পারে, যেমন একটি ফোন কলের ক্ষেত্রে?
  1. Full-duplex
  2. Simple Mode
  3. Simplex
  4. Half-duplex
সঠিক উত্তর:
Full-duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full-duplex
ব্যাখ্যা

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।

- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

২,৮৫০.
ব্লুটুথ ভার্শন 4.0 এর তাত্ত্বিকভাবে ডেটা রেট কত?
  1. ক) 26 Mbit/s
  2. খ) 22 Mbit/s
  3. গ) 20 Mbit/s
  4. ঘ) 23 Mbit/s
সঠিক উত্তর:
ক) 26 Mbit/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 26 Mbit/s
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্পদূরত্বে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে। 
বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট ইন আকারে থাকে। 
তাছাড়া ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টারের সাহায্যে যে কোন কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়। 
এটি বর্তমানে বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় ডেটা কমিউনিকেশন প্রটোকল। 
এর ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ মেগাবিট/সেকেন্ড বা তারচেয়ে বেশি। 
ব্লুটুথ ব্যবহার করে একই সাথে একাধিক ডিভাইসের সংযোগ দেওয়া যায়।
 এ যাবৎ ব্লুটুথের অনেক ভার্সন বাজারে বের হয়েছে। 
বর্তমানে ব্লুটুথ ভার্সন ৪.০ বিদ্যমান এবং তা ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।
 
ব্লুটুথ ভার্সন    ----    ডেটা রেট
1.2                  ----  1 Mbit/s
2.0 + EDR      ----  3 Mbit/s (বাস্তবে ২.১ Mbit/s)
3.0 + HS        ----  3 Mbit/s
4.0                ----  26 Mbit/s (তাত্ত্বিকভাবে)


 উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮৫১.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে কোন প্রযুক্তি কাজ করে?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. WiMAX
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা
⚪ IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে Bluetooth প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে।

এটি কম শক্তি খরচে কম দূরত্বের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড মূলত ব্যক্তিগত এলাকা নেটওয়ার্ক (PAN) এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্লুটুথের মতো প্রযুক্তির জন্য উপযুক্ত।

⚪ ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।

- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

⚪ এছাড়াও,
• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৫২.
অনলাইন পেমেন্টের জন্য কোনটি সবচেয়ে নিরাপদ?
  1. ক্রেডিট কার্ড
  2. ডেবিট কার্ড
  3. মোবাইল ব্যাংকিং
  4. সবগুলোই নিরাপদ যদি TLS ব্যবহার করা হয়
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই নিরাপদ যদি TLS ব্যবহার করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই নিরাপদ যদি TLS ব্যবহার করা হয়
ব্যাখ্যা

◉ অনলাইন পেমেন্ট নিরাপদ হওয়ার জন্য শুধু কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং-ই যথেষ্ট নয়, বরং ডেটা এনক্রিপশন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। 
​- SSL (Secure Sockets Layer) বা বর্তমানের TLS (Transport Layer Security) ব্যবহার করা হলে ব্যবহারকারীর তথ্য (কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, OTP ইত্যাদি) এনক্রিপ্টেড আকারে সার্ভারে পৌঁছে, ফলে মাঝপথে হ্যাকারদের পক্ষে চুরি করা কঠিন হয়।

​ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

​TLS (Transport Layer Security): 
​- অনলাইন লেনদেনকে নিরাপদ করার জন্য ব্যবহৃত এনক্রিপশন প্রোটোকল। এটি ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, OTP) এনক্রিপ্ট করে সার্ভারে পাঠায়, ফলে হ্যাকাররা মাঝপথে ডেটা পড়তে বা পরিবর্তন করতে পারে না।

উৎস: 
​১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
​২। Kaspersky website.

২,৮৫৩.
কম্পিউটার যে বিন্দুতে যুক্ত হয় তাকে বলা হয়-
  1. ক) নোড
  2. খ) কানেক্টর
  3. গ) পয়েন্ট
  4. ঘ) নোটিশ
সঠিক উত্তর:
ক) নোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নোড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে তাকে নোড বলে। রিং নেটওয়ার্কে কম্পিউটার গুলো নোডের মাধ্যমে বৃত্তাকার পথে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮৫৪.
বাংলাদেশে SEA-ME-WE-5 এর ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায়?
  1. পটিয়া, কক্সবাজার
  2. কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
  3. পায়রা, বরগুনা
  4. মংলা, বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য-পশ্চিম ইউরোপ ৫ (SEA- ME-WE 5) একটি অপটিক্যাল ফাইবার সাবমেরিন ক্যাবল যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- ক্যাবলটি প্রায় ২০,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে টেলিযোগাযোগ বহন করে।
- প্রতি সেকেন্ডে ২৪ টেরাবাইটের ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ সরবরাহ করে।
- ক্যাবলটি ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, জিবুতি, ইয়েমেন, সৌদি আরব, মিশর, ইতালি, তুরস্ক ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করেছে।

- এটি বাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্তি যা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় ২০১৭ সালে সংযুক্ত হয়।

• The Kuakata Cable Landing Station (Kuakata CLS) is located at Kuakata, Patuakhali, Bangladesh, owned and operated by Bangladesh Submarine Cable Company (BSCCL) for the cable landing of SEA-WE-ME 5 (SMW5) in Bangladesh.

উৎস: www.submarinenetworks.com.
২,৮৫৫.
বিশ্বে সর্বপ্রথম ৫জি মোবাইল কমিউনিকেশন ব্যবহার চালু করে কোন দেশ?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- টেলিটকই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
২,৮৫৬.
কোন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ?
  1. টেসলা
  2. ভলভো
  3. টাটা
  4. টয়োটা
সঠিক উত্তর:
টেসলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেসলা
ব্যাখ্যা
Tesla, Inc. is an American electric vehicle and clean energy company based in Palo Alto, California. Tesla's current products include electric cars, battery energy storage from home to grid-scale, solar panels and solar roof tiles, as well as other related products and services.
source: tesla.com
২,৮৫৭.
বাংলাদেশে 3G (Third Generation) চালু হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৫ অক্টোবর ২০১২
  2. খ) ১৪ অক্টোবর ২০১৩
  3. গ) ১৫ অক্টোবর ২০১৩
  4. ঘ) ১৪ অক্টোবর ২০১২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪ অক্টোবর ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪ অক্টোবর ২০১২
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ বিবিসি নিউজ।
২,৮৫৮.
আর্থিক ক্ষেত্রে iBAS++ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Internet-Based Accounting Standard
  2. Internal Business Audit System
  3. International Banking Accounting System
  4. Integrated Budget and Accounting System
সঠিক উত্তর:
Integrated Budget and Accounting System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Integrated Budget and Accounting System
ব্যাখ্যা

• iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Budget and Accounting System। এটি সরকারী বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। iBAS++ ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। এছাড়া, এটি সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ অন্যান্য আর্থিক প্রক্রিয়া iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই, এটি বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন।

• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।

সূত্র: iBAS++ website.

২,৮৫৯.
কোন ম্যালওয়্যার অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে?
  1. স্পাইওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. ট্রোজান
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

অ্যাডওয়্যার অবাঞ্ছিত বা অননুমোদিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার হলো একটি সমষ্টিগত শব্দ, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহৃত ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রোগ্রাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ​সাধারণত ব্যবহারকারী বিপজ্জনক লিঙ্ক বা ইমেইলের সঙ্গে সংযোগ করলে এটি ডিভাইসে ইনস্টল হয়। 
​- ম্যালওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান, রুটকিট, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার ইত্যাদি।

ম্যালওয়ারের সাধারণ ধরণ
• স্পাইওয়্যার (Spyware):
ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে গোপনে ইনস্টল করা হয়।
ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের ইতিহাস, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর সংগ্রহ করে।

• ওয়ার্ম (Worm):
একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম যা নিজেকে অন্যান্য কম্পিউটারে নকল করে সংক্রমিত করে।
ভাইরাসের মতো হোস্ট প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণত মানুষের সাহায্য ছাড়াই নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে যায়।

• ​ট্রোজান হর্স (Trojan horse):
অনুমোদিত প্রোগ্রামের মধ্যে গোপনভাবে অননুমোদিত নির্দেশাবলী লুকিয়ে রাখে।
 
​আরও কিছু ​ম্যালওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো: 
• ​রুটকিট (Rootkit):
কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের মূল স্তরে সংক্রমণ ঘটায়, যা ড্রাইভ পুরোপুরি মুছে ফেলা ছাড়া সরানো যায় না।  

• ​​ভাইরাস (Virus):
কম্পিউটার প্রোগ্রামের কোডের একটি অংশ যা নিজেকে অন্য কোড বা ফাইলের সাথে সংযুক্ত করে নকল করে।
সাধারণত কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামে সংযুক্ত হয়ে যায়।

​• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):

ডিভাইস বা ডেটার অ্যাক্সেস ব্লক করে রাখে এবং মালিককে মুক্তির জন্য মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
সাধারণত ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফাইল এনক্রিপ্ট করে।

• স্কেয়ারওয়্যার (Scareware):
ভুল সতর্কবার্তা দেখিয়ে ব্যবহারকারীকে আরও ম্যালওয়্যার ডাউনলোড করতে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে প্ররোচিত করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮৬০.
নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে কোন ধরনের হ্যাকাররা?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে গ্রে হ্যাট হ্যাকার  এবং হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা।

• হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮৬১.
প্লেজিয়ারিজম বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) প্রোগ্রামিং
  2. খ) খেলা করা 
  3. গ) চৌর্যবৃত্তি
  4. ঘ) শুরু করার প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চৌর্যবৃত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌর্যবৃত্তি
ব্যাখ্যা
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে উপস্থাপন বা প্রকাশ করাকেই বলা হয় প্লেজিয়ারিজম।
অর্থাৎ, তথ্যসূত্র উল্লেখ ব্যতিত কোন ছবি, অডিও, ভিডিও এবং তথ্য ব্যবহার করা হলো প্লেজিয়ারিজম।

প্লেজিয়ারিজম একটি অন্যায় কাজ ও অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (HSC) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই।
২,৮৬২.
ই-মেইলে 'CC' ফাংশন কী কাজ করে?
  1. ই-মেইল সংরক্ষণ করে
  2. ই-মেইল ডিলিট করে
  3. একই ই-মেইল কপি করে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানোর কাজ করে
  4. ই-মেইলে ফাইল সংযুক্ত করে
সঠিক উত্তর:
একই ই-মেইল কপি করে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানোর কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই ই-মেইল কপি করে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানোর কাজ করে
ব্যাখ্যা
• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৩.
FOMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Fiber Optic Mobile Application
  2. Frequency of Mobile Access
  3. Freedom of Mobile Multimedia Access
  4. Fast Online Mobile Access
সঠিক উত্তর:
Freedom of Mobile Multimedia Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Freedom of Mobile Multimedia Access
ব্যাখ্যা
• FOMA এর পূর্ণরূপ হলো Freedom of Mobile Multimedia Access. এটি ছিল বিশ্বের প্রথম ৩জি (3G) মোবাইল পরিষেবা, যা ২০০১ সালে জাপানের মোবাইল অপারেটর NTT DoCoMo চালু করে। FOMA নেটওয়ার্কটি W-CDMA (Wideband Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা তুলনামূলকভাবে উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া সেবা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল, মাল্টিমিডিয়া মেসেজিং এবং উচ্চমানের ভয়েস কল উপভোগ করতে পারেন। FOMA প্রযুক্তি মোবাইল যোগাযোগে নতুন দিগন্তের সূচনা করে এবং পরবর্তীকালে বিশ্বব্যাপী ৩জি নেটওয়ার্কের মানদণ্ড স্থাপন করে। তাই সঠিক উত্তর: গ) Freedom of Mobile Multimedia Access.

• মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Mobile Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৬৪.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ?
  1. Wi-Fi
  2. CDMA
  3. LTE
  4. GSM
সঠিক উত্তর:
GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM
ব্যাখ্যা
• EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো GSM (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। এটি মূলত 2.5G বা 2G-এর পরবর্তী ধাপে উন্নয়নের প্রতিনিধিত্ব করে। GSM প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে EDGE দ্রুতগতির ডেটা সেবা প্রদান করে, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মাল্টিমিডিয়া পরিষেবার জন্য সহায়ক। এটি GPRS-এর (General Packet Radio Service) চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি ডেটা গতি প্রদান করতে সক্ষম। EDGE-এর মাধ্যমে মোবাইল ব্যবহারকারীরা সীমিত ব্যান্ডউইডথেও আরও উন্নত অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। সুতরাং, EDGE মূলত GSM প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। সঠিক উত্তর: ঘ) GSM.

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৫.
একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. কম্পোজিট কী
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
ব্যাখ্যা
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার। 
যথা - 
• প্রাইমারি কী, 
• কম্পোজিট কী এবং 
• ফরেন কী। 
 
প্রাইমারি কী: 
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে। 
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৬.
HTML পেজে কোন এট্রিবিউট কোনো ইমেজের জন্য একটি 'অলটারনেট টেক্সট' নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Src
  2. খ) Title
  3. গ) Alt
  4. ঘ) Align
সঠিক উত্তর:
গ) Alt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Alt
ব্যাখ্যা
• HTML পেজে Alt এট্রিবিউট কোনো ইমেজের জন্য একটি 'অলটারনেট টেক্সট' নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
• Alt এট্রিবিউট: HTML পেজে Alt এট্রিবিউট কোনো ইমেজের জন্য একটি 'অলটারনেট টেক্সট' নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: <img src="boat.gif" alt="Big Boat">

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৬৭.
ইমেইল গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য নিচের কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. POP3
  2. FTP
  3. SMTP
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
POP3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP3
ব্যাখ্যা

• ইমেইল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ব্যবহারকারীর ডিভাইসে গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য POP3 (Post Office Protocol version 3) প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, ইমেইল পাঠানোর জন্য SMTP ব্যবহৃত হয়।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উল্লেখ্য:
- FTP: ইন্টারনেটে বা লোকাল নেটওয়ার্কে ফাইল আদান-প্রদান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTTP: এটি মূলত ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল।

উৎস: মাইক্রোসফট। ব্রিটানিকা।

২,৮৬৮.
WWW-তে থাকা ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সার্ভার
  2. কম্পাইলার
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ব্রাউজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা

ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য দেখতে চায়। এই তথ্য প্রদর্শনের জন্য আমরা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করি। ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ওয়েব সার্ভার থেকে HTML, CSS, JavaScript এবং অন্যান্য ফাইল নিয়ে সেগুলোকে ব্যবহারকারীর জন্য প্রদর্শনযোগ্য আকারে রূপান্তর করে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, এবং মাইক্রোসফট এজ হলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। সার্ভার মূলত তথ্য সংরক্ষণ করে এবং ব্রাউজারকে তথ্য সরবরাহ করে। কম্পাইলার কোডকে যান্ত্রিকভাবে অনুবাদ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করে। তাই, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য সঠিক উত্তর হলো ওয়েব ব্রাউজার।

- সঠিক উত্তর: গ) ওয়েব ব্রাউজার।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

২,৮৬৯.
স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই প্রয়োজন মতো ডেটা ট্রান্সমিট করা যায় কোন পদ্ধতিতে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. ক) ও খ) উভয়েই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

উল্লেখ্য,
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে (Asynchronous Transmission) ডাটা প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
২,৮৭০.
নিচের কোনটি একটি সাইবার অপরাধের ধরণ?
  1. ক) ফিশিং
  2. খ) ডিফ্রেগমেন্টিং
  3. গ) ডিবাগিং
  4. ঘ) হান্টিং
সঠিক উত্তর:
ক) ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিশিং
ব্যাখ্যা
সাইবার ক্রাইম
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবার বুলি, স্পুফিং, ফিশিং, স্নিকিং এসবই সাইবার অপরাধের বিভিন্ন ধরণ।

কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরণের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।
নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো -
১. হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
২. অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা ।
৩. কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে।
৪. আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ।
৫. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

[তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, HSC প্রোগ্রাম, পৃষ্ঠা - ৩০]
২,৮৭১.
যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি কী নামে পরিচিত?
  1. Phishing
  2. Man-in-the-Middle
  3. Denial of Service
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Denial of Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Denial of Service
ব্যাখ্যা
• যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি Denial of Service নামে পরিচিত।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing: ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮৭২.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন?
  1. Yahoo
  2. Google
  3. Alta Vista
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়। ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়। ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়। 

- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন: Yahoo, Google, Alta Vista, Mamma, Hotbot, Go ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড।
২,৮৭৩.
What is the main purpose of using a VPN? 
  1. To download large files faster
  2. To hide your IP address and encrypt your internet traffic
  3. To increase internet speed
  4. To block advertisements
সঠিক উত্তর:
To hide your IP address and encrypt your internet traffic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To hide your IP address and encrypt your internet traffic
ব্যাখ্যা

• VPN বা Virtual Private Network হলো একটি বিশেষ প্রযুক্তি যা পাবলিক ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করার সময় একটি সুরক্ষিত এবং ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

• VPN:
- VPN-এর পূর্ণরূপ: Virtual Private Network.
- পাবলিক নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে যেহেতু পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে।
- যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে, তাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতি হলো VPN।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরি হয়।
- VPN সংযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসটির আসল আইপি (Internet Protocol) ঠিকানা গোপন করে এবং ইন্টারনেট ট্রাফিক এবং ডাটা একটি ব্যক্তিগত এবং সুরক্ষিতভাবে এনক্রিপ্ট করা টানেলের মাধ্যমে সর্বজনীন নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে রাউটিং করে।
- VPN অতি দ্রুত সময়ে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে এ নেটওয়ার্ক আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়, অবস্থান বা ডাটা না দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার একটি উপায় তৈরি করে।
- VPN টানেলের ভেতরে যখন ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয় তখন আইএসপি, অনুসন্ধান ইঞ্জিন, বিপণনকারী, হ্যাকার এবং অন্যরা ওয়েবে আপনার ক্রিয়াকলাপ দেখতে বা ট্র্যাক করতে পারে না।

উৎস: টেলিকমিনিকেশন এবং নেটওয়ার্ক, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা [link].

২,৮৭৪.
What is the purpose of a hyperlink?
  1. ক) To link to a specific file or document
  2. খ) To link to a website or webpage
  3. গ) To link to a specific location within a webpage
  4. ঘ) To link to a specific section of a document
সঠিক উত্তর:
খ) To link to a website or webpage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) To link to a website or webpage
ব্যাখ্যা
- Hyperlinks, also known as "links," are used to connect web pages to other web pages or resources on the internet.
- They allow users to navigate between different pages on a website or different websites altogether.

Reference: www.w3schools.com
২,৮৭৫.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন অংশটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে? 
  1. ব্যবহারকারীর নাম
  2. @ চিহ্নের আগের অংশ
  3. @ চিহ্নের পরের অংশ
  4. ডট (.) চিহ্নের পরের অংশ
সঠিক উত্তর:
@ চিহ্নের পরের অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
@ চিহ্নের পরের অংশ
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নের পরের অংশটি (যেমন: gmail.com বা yahoo.com) সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।

• ই-মেইল (E-mail): 

- ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আজকাল বহুল ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ মাধ্যম। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন করে যে কোনো ডকুমেন্ট, চিঠি-পত্র, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং যে কোনো তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
- টেলিফোন লাইন ও মোডেম ব্যবহার করে এ সংযোগ স্থাপন করা যায়। 
- প্রেরণকৃত তথ্য প্রাপক গ্রহণ না করা পর্যন্ত নেটওয়ার্কের একটি স্টোরেজে (সার্ভার) জমা থাকে। 
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে ফ্রি ই-মেইল পরিষেবা প্রদান করে। 
- ব্যবহারকারীরা এসব সাইটে বিনামূল্যে ই-মেইল একাউন্ট খুলতে পারেন। 
- একাউন্ট তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন আপ বা ক্রিয়েট একাউন্ট অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পূরণ করতে হয়। 
- একাউন্ট তৈরি হলে সেটির মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান করা যায়। 
- ই-মেইল ঠিকানায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন থাকে, যেমন @gmail.com, @yahoo.com ইত্যাদি। 
- প্রতিটি একাউন্টের জন্য পৃথক পাসওয়ার্ড নির্ধারিত থাকে। 
- ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন থেকে তার ধরন চেনা যায়, যেমন .com (কমার্শিয়াল), .org (সংস্থা), .net (নেটওয়ার্ক), এবং .edu (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৬.
জনপ্রিয় ওয়েবিনার এবং মিটিং প্ল্যাটফর্ম Zoom-এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) ঝাং ইয়েমিং
  2. খ) লিও সুয়ানজি
  3. গ) এরিক ইউয়ান
  4. ঘ) এন্ড্রিও ইয়ং
সঠিক উত্তর:
গ) এরিক ইউয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এরিক ইউয়ান
ব্যাখ্যা
-  ভিডিও কমিউনিকেশন সফটওয়্যার 'জুম' (Zoom) ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - এরিক ইউয়ান (চীনা বংশদ্ভোত আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা)
- সদরদপ্তর - সানজোসে, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: জুম ওয়েবসাইট।
২,৮৭৭.
V-SAT ব্যবহার করা হয় -
  1. ক) Receive of data
  2. খ) Voice and video signals over a satellite communication network
  3. গ) Broadcast television
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
V-SAT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Very Small Aparture Terminal. 

Very Small Aparture Terminal (V-SAT): 
-খুব ছোট আকারের সংযোগযন্ত্র যা দ্বিমুখী ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে ।
- এর থালা আকৃতির অ্যান্টেনার ব্যাস ৩ মিটারের কম হয়।
- এটি বেশি ব্যবহার হয় বিক্রয়কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আদান-প্রদানের জন্য।
- দুর্গম ও গ্রাম এলাকায় ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম।
- তথ্য গ্রহণ, টেলিভিশনে সম্প্রচার ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগে ভূমিকা রাখে।
২,৮৭৮.
ফেসবুক এর জনক কে?
  1. ক) বিল গেটস
  2. খ) মার্ক জাকার বার্গ
  3. গ) মার্ক টোয়েন
  4. ঘ) স্টীভ জবস
সঠিক উত্তর:
খ) মার্ক জাকার বার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মার্ক জাকার বার্গ
ব্যাখ্যা
ফেসবুক এর জনক মার্ক জাকারবার্গ। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
২,৮৭৯.
ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া কত (মিটারে)?
  1. 10 থেকে 500
  2. 50 থেকে 200
  3. 10 থেকে 1000
  4. 100 থেকে 1000
সঠিক উত্তর:
50 থেকে 200
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 থেকে 200
ব্যাখ্যা
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi): 
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)। 
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত। 
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮৮০.
স্যালামি অ্যাটাক প্রধানত কোন শিল্পকে টার্গেট করে?
  1. ব্যাংক ও অর্থনীতি
  2. কৃষি
  3. নির্মাণ
  4. শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক ও অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক ও অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
• স্যালামি অ্যাটাক প্রধানত ব্যাংক ও অর্থনীতি খাতকে টার্গেট করে। এটি একটি ধরনের সাইবার ক্রাইম যেখানে হ্যাকাররা ছোট ছোট পরিমাণ অর্থ ক্রমাগত চুরি করে থাকে, যেন ব্যবহারকারী বা ব্যাংক সহজে বুঝতে না পারে। এই ছোট ছোট লেনদেনগুলো সময়ের সাথে যুক্ত হয়ে বড় আর্থিক ক্ষতি সৃষ্টি করে। কারণ এই ধরনের আক্রমণ খুব ধীরে ধীরে ঘটে এবং প্রতিটি লেনদেন খুবই সামান্য, তাই সিস্টেমে তেমন কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে না। ফলে, স্যালামি অ্যাটাক মূলত ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য বড় একটি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। কৃষি, নির্মাণ বা শিক্ষা ক্ষেত্রে সাধারণত এই ধরনের আক্রমণ কম দেখা যায়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২,৮৮১.
ARPANET-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Advanced Research Proposal Agency Network
  2. Advanced Research Protocol Agency Network
  3. Advanced Research Program Agency Network
  4. Advanced Research Projects Agency Network
সঠিক উত্তর:
Advanced Research Projects Agency Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Advanced Research Projects Agency Network
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৮২.
আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে-
  1. ক) ১৯৬৯ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে‌ ১৯৮৩ সালে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮৮৩.
GSM এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. General System  for Mobile Communications
  2. Global Standard for Mobile Technology
  3. Global System for Mobile Communications
  4. General Standard for Mobile Technology
সঠিক উত্তর:
Global System for Mobile Communications
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global System for Mobile Communications
ব্যাখ্যা

• মোবাইল যোগাযোগ (Mobile Communications):
- একাধিক চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা/তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত কমিউনিকেশন সিস্টেমকে মোবাইল কমিউনিকেশন বলা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ক্যাবল ছাড়া যোগাযোগের প্রযুক্তি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের উৎকর্ষতার ফসল হলো মোবাইল কমিউনিকেশন।
- এটি একটি ডুপ্লেক্স বা দ্বিমুখী কমিউনিকেশন সিস্টেম, যার সাহায্যে সুনির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এরিয়ার মধ্যে স্থির বা চলমান উভয় অবস্থায় যে কোনো ধরনের ডেটা কমিউনিকেশন সম্ভব হয়ে থাকে। তবে চলমান অবস্থাতে ডেটা কমিউনিকেশনের বিশেষ সুবিধাটির জন্য এটি মোবাইল কমিউনিকেশন হিসেবেই ব্যাপকভাবে সুপরিচিত।
- বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মোবাইল কমিউনিকেশন একটি অতি প্রয়োজনীয় এবং জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এর জন্য অসংখ্য দেশীয় বা আন্তর্জাতিক মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার রয়েছে।
- কোনো মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার যে ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে তার স্থানীয় সেবাকে বিস্তৃত রাখে, তাকে ঐ মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ক কাভারেজ এরিয়া বলা হয় অর্থাৎ মোবাইল কোম্পানিগুলোর স্থানীয় সার্ভিস প্রধানত দেশীয় সীমা দ্বারা নির্ধারিত।

• জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (SMS)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো GSM-এর সাথে সংযুক্ত হয়। এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ)- মাহবুবুর রহমান।

২,৮৮৪.
META-র অন্তর্গত নয় কোনটি?
  1. Messenger
  2. Facebook
  3. Lightshot
  4. Oculus VR
সঠিক উত্তর:
Lightshot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lightshot
ব্যাখ্যা
• META (আগে Facebook Inc.) হলো একটি প্রযুক্তি কোম্পানি যা মূলত সামাজিক যোগাযোগ এবং ভার্চুয়াল বাস্তবতার পণ্য ও সেবার জন্য পরিচিত। এর অন্তর্ভুক্ত প্রধান প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে Facebook, Messenger, এবং Oculus VR অন্যতম। Facebook হলো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে মানুষ ছবি, ভিডিও, স্ট্যাটাস শেয়ার করে যোগাযোগ করে। Messenger হলো Facebook-এর মেসেজিং অ্যাপ, যা ব্যবহারকারীদের সরাসরি বার্তা পাঠানোর সুবিধা দেয়। Oculus VR হলো ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট এবং প্ল্যাটফর্ম, যা META-এর আওতাভুক্ত। অন্যদিকে, Lightshot হলো একটি তৃতীয়-পক্ষের স্ক্রিনশট টুল, যা META-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Lightshot।

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ। (তথ্য: ২ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত)।
প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 

- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৫.
নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীদের কাছে ভিডিও স্ট্রিম করার জন্য মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. কেবল স্থানীয় সার্ভার
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  4. ব্লকচেইন
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড কম্পিউটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা

• নেটফ্লিক্স মূলত ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করে ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা প্রদান করে। এটি কোনো একক স্থানীয় সার্ভারের উপর নির্ভর করে না, বরং বড় বড় ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে কাজ করে। ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করলে নেটফ্লিক্স প্রচুর পরিমাণের ভিডিও কন্টেন্ট সঞ্চয়, প্রসেস এবং ব্যবহারকারীর ডিভাইসে দ্রুত পৌঁছাতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ডেটা ট্রান্সফার করে ল্যাগ বা বিরতি ছাড়াই ভিডিও স্ট্রিমিং নিশ্চিত করে। এছাড়াও ক্লাউড প্রযুক্তি নেটফ্লিক্সকে স্কেল করার সুবিধা দেয়, মানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়লেও সহজে সার্ভিস পরিচালনা করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ক্লাউড কম্পিউটিং।
 
• নেটফ্লিক্স (Netflix): 
- নেটফ্লিক্স হলো একটি নিবন্ধনভিত্তিক (subscription-based) স্ট্রিমিং সার্ভিস।
- নেটফ্লিক্স ইউজারদের ইন্টারনেটে বিভিন্ন টিভি শো ও সিনেমা বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখার সুবিধা প্রদান করে। 
- প্রয়োজনে এই শো বা মুভিগুলো ডাউনলোড করে অফলাইনেও দেখা যায়। 
- এটি একটি মার্কিন বিনোদনধর্মী প্রতিষ্ঠান, যেটি ১৯৯৭ সালের ২৯ আগস্ট রিড হ্যাস্টিংস (Reed Hastings) ও মার্ক রেন্ডোল্ফ (Marc Randolph) কর্তৃক - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের স্কটস ভ্যালি শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- নামকরা সব চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়াল তৈরি করে বিভিন্ন দেশের দর্শকদের মন জয় করেছে নেটফ্লিক্স। 
- নেটফ্লিক্স দেখতে পারবে শুধু তাদের নিবন্ধিত গ্রাহকরা এবং এ জন্য অবশ্যই মাসিক ফি দিতে হবে। 
- বাংলাদেশসহ বহু দেশে নিজেদের জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা চালু করেছে নেটফ্লিক্স। ফলে এই দেশগুলোর নিবন্ধিত গ্রাহকরা যে কোনো স্থান থেকে টিভি শো ও মুভি উপভোগ করতে পারবেন।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৮৬.
কত সালে আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়?
  1. ১৯৫৯
  2. ১৯৬১
  3. ১৯৬৪
  4. ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯
ব্যাখ্যা

১৯৫৭ সালে তৎকালীন সােভিয়েত রাশিয়া স্পুটনিক উক্ষেপন করার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করে। এজন্য তারা প্রতিরক্ষা দপ্তরের অভ্যন্তরে গড়ে তােলে একটি প্রজেক্ট।
এই প্রজেক্টের নাম রাখা হয় আরপা (ARPA = Advanced Research Projects Agency)। ১৯৬২ সালে ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনােলােজির লিক লিডার (J C R Lick Lider) প্রথম তার গ্যালাকটিক নেটওয়ার্ক কনসেপ্ট বর্ণনা করেন। তাতে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে প্রােগ্রাম ও তথ্যের আদান প্রদানের কথা বলা হয়। তার এই ধারণাই অনেকটা আজকে ইন্টারনেটে রূপলাভ করেছে।
১৯৬৫ সালে থমাস মেরিল (Thomas Merill) এবং লরেন্স রবার্ট (Lorence Robert) প্রথম MIT এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে বােল্ট (Bolt), বেরানাক (Beranak), নিউম্যান (Newman) (সংক্ষেপে BBN) আরপা-এর সাথে যুক্ত হয়ে প্যাকেট-সুইচিং নেটওয়ার্কের উদ্ভাবন করেন। তখন থেকে এর নাম হয় আরপানেট (ARPAnet)।
১৯৬৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর আরপানেট নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা চুড়ান্ত হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এক্ষেত্রে চারটি সংযােগের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়।
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে রে টোমলিনশন (Ray Tomlinson) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য প্রথম সফটওয়্যার তৈরি করেন।
১৯৭৩ সালে Transmission Control Protocol/Internet protocol (TCP/IP) এর উন্নয়ন শুরু হয়।
১৯৭৬ সালে দুইটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের উন্নয়ন ঘটে। এর একটি হল জেরক্সের ড. রবার্ট ও জে মেটকালফে ইথারনেট। এই ইথারনেটই পরে লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পথ খুলে দিয়েছিল। অপর সিস্টেসটি ছিল স্যাটনেট (SATNET)।
১৯৮২ সালের দিকে ইন্টারনেট শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই সময় ইন্টারনেটের সংজ্ঞা নিরুপন করে বলা হয় - “ইন্টারনেট হল টিসিপি/আইপি ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ”।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

২,৮৮৭.
সহায়ক মেমোরির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) চৌম্বক টেপ
  2. খ) চৌম্বক ডিস্ক
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) ROM
সঠিক উত্তর:
ঘ) ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ROM
ব্যাখ্যা
RAM, ROM হচ্ছে প্রধান মেমোরির উদাহরণ। অপরদিকে, চৌম্বক টেপ , চৌম্বক ডিস্ক  এবং অপটিক্যাল ডিস্ক হচ্ছে সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

প্রধান মেমোরি হলো যে মেমোরির সাথে সিপিইউ এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে তাকেই প্রধান মেমোরি বলা হয়। প্রধান মেমোরিতে সে সব তথ্য-উপাত্ত থাকে, যা সবসময় প্রয়োজন হয়। প্রক্রিয়া করণের জন্য প্রোগ্রাম ও ডাটা স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা হয়। এই ধরণের মেমোরির কার্যবলী অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়। এই  মেমোরির সঞ্চয় ক্ষমতা কম থাকে। প্রধান মেমোরিকে আবার অভ্যান্তরীণ মেমোরি ও বলা হয়।

যে মেমোরির সাথে মাইক্রো প্রসেসরের সরাসরি কানেকশন থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযোগ রক্ষা করে থাকে তাকে সহায়ক বা অভ্যান্তরীণ মেমোরি বলা হয়। ব্যবহারকারী এটি থেকে ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয় উপাত্ত বা প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমোরি বলা হয়। সাধারণতঃ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি। 

সূত্র- ৪০ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২,৮৮৮.
কোনটি সাইবারস্টকিং (Cyberstalking) -এর উদাহরণ?
  1. একটি ব্লগে ভদ্রভাবে মন্তব্য করা
  2. বন্ধুর প্রোফাইল অনুসরণ করা
  3. কারো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট পছন্দ করা
  4. বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
সঠিক উত্তর:
বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
ব্যাখ্যা

• সাইবারস্টকিং (Cyberstalking) হলো ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যমে কারও উপর নিয়মিতভাবে হুমকি, তাড়া বা অপ্রয়োজনীয় নজরদারি চালানোর একটি অবৈধ আচরণ। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তি বিশেষকে মানসিকভাবে উত্তেজিত বা ভীত করে রাখা। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ঘ) বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো হলো সাইবারস্টকিং-এর উদাহরণ। কারণ এটি পুনরায় পুনরায় তাড়া করার মতো আচরণ এবং প্রাপকের জন্য মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, একটি ব্লগে ভদ্রভাবে মন্তব্য করা, বন্ধুর প্রোফাইল অনুসরণ করা বা কারো পোস্ট পছন্দ করা সাধারণ অনলাইন ব্যবহার এবং সেগুলো হুমকি বা দমনমূলক নয়। তাই শুধুমাত্র হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো সাইবারস্টকিং-এর অন্তর্ভুক্ত।
 
 • সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks, প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৮৯.
কোন কোম্পানি প্রথম স্মার্টফোন উদ্ভাবন করেছে?
  1. অ্যাপল
  2. ব্ল্যাকবেরি
  3. আইবিএম
  4. মাইক্রোসফট
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনের ইতিহাসে প্রথম উদ্ভাবক হিসেবে IBM-কে মানা হয়। IBM তাদের Simon Personal Communicator (SPC) তৈরি করে। এটি কেবল ফোন নয়, বরং ইমেইল পাঠানো, ক্যালেন্ডার ব্যবস্থাপনা, নোট লেখা এবং সহজ কিছু অ্যাপ চালানোর ক্ষমতা রাখত। তাই এটি আধুনিক স্মার্টফোনের প্রাথমিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও পরে ব্ল্যাকবেরি এবং অ্যাপল iPhone-এর মাধ্যমে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তা ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ঘটায়, IBM-এর Simon প্রথমে “স্মার্টফোন” ধারণা বাস্তবায়ন করেছিল। সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর: গ) আইবিএম।
 
স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮৯০.
লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
ব্যাখ্যা
লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 

ই-বাণিজ্য বা ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।

ই-কামর্সকে প্রধানত চার ভাগে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে যথাঃ
Business to Business
Business to Consumer
Consumer to Consumer
Consumer to Business

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ- 
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়।
২. ই কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়কে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়।
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।
৬. তথ্যের নির্ভুলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২,৮৯১.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. মাইক্রো ওয়েভ
  3. ক্যাবল
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ক্যাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাবল
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network।
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল (কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল) ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯২.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে "হাব" কেন্দ্রীয় সংযোগের কাজ করে?
  1. রিং টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• হাব কেন্দ্রীয় সংযোগের কাজ করে এমন নেটওয়ার্ক টপোলজি হলো স্টার টপোলজি। স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচ থাকে, যার সঙ্গে সমস্ত কম্পিউটার বা নোড সরাসরি সংযুক্ত থাকে। 

হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 

- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৯৩.
ইন্টারনেট থেকে জমি সংক্রান্ত তথ্য ও রেকর্ডের কপি সংগ্রহের পদ্ধতিকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ই-এমটিএস
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-পর্চা
  4. ই-লার্নিং
সঠিক উত্তর:
ই-পর্চা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-পর্চা
ব্যাখ্যা
⚪ ই-পর্চা:
- অনলাইন থেকে জমি সংক্রান্ত তথ্য, জমির রেকর্ডের অনুলিপি সংগ্রহ করার সিস্টেমকে ই-পর্চা বলে। 

⚪ ই-লার্নিং:
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্বতিকে ই-লার্নিং বলে। 

⚪ ই-পুর্জি:
চিনিকলসমূহের তথ্য ইলেকট্রনিক উপায়ে আখচাষি বা অন্যদের কাছে সরবরাহের পদ্বতিকে ই-পুর্জি বলে। 

⚪ ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৪.
কোনটি ছাড়া ওয়েবপেজে ছবি, হাইপারলিংক, অ্যাংকর নাম ইত্যাদি যুক্ত করা যায় না?
  1. ক) এম্পটি এলিমেন্ট
  2. খ) এট্রিবিউট
  3. গ) হেড
  4. ঘ) কনটেইনার
সঠিক উত্তর:
খ) এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা
• এট্রিবিউট ছাড়া ওয়েবপেজে ছবি, হাইপারলিংক, অ্যাংকর নাম ইত্যাদি যুক্ত করা যায় না।
• এইচটিএমএল এট্রিবিউট (HTML attribute): এট্রিবিউট হচ্ছে কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য নির্ধারক নির্দেশ। 
- যেমন, কোনো টেক্সটে একটি শব্দ আছে। এ শব্দটি যদি লাল রং করা হয় তাহলে এর এট্রিবিউট হবে রেড কালার।
- এইচটিএমএল ডকুমেন্টের জন্য এট্রিবিউট খুবই প্রয়োজনীয়।
- এট্রিবিউট ছাড়া ওয়েবপেজে অনেক তথ্য যেমন- ছবি, হাইপারলিংক, অ্যাংকর নাম ইত্যাদি যুক্ত করা যায় না।
- HTML tag এর সাথে এট্রিবিউট যুক্ত করার জন্য ট্যাগ নামের পর স্পেস দিয়ে এট্রিবিউট নাম, সমান চিহ্ন (=) এবং কোটেশন চিহ্নের মধ্যে এট্রিবিউট ভ্যালু দিতে হবে।
- যেমন, This is paragraph এ টেক্সটি একটি প্যারাগ্রাফ হিসেবে প্রদর্শিত হবে এবং টেক্সট এর রং হবে লাল। এর জন্য কোড লিখতে হবে:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৯৫.
"Google App Engine" কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. Container as a Service
  2. Infrastructure-as-a-Service - IaaS
  3. Platform-as-a-Service - PaaS
  4. Software-as-a-Service - SaaS
সঠিক উত্তর:
Platform-as-a-Service - PaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platform-as-a-Service - PaaS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: Google Docs.

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এইাৎ এসসি প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৬.
Which of the following is Amazon's cloud platform?
  1. ক) Azure
  2. খ) AWS
  3. গ) Cloudera
  4. ঘ) GWS
সঠিক উত্তর:
খ) AWS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) AWS
ব্যাখ্যা
- অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
 
উৎস: aws.amazon.com

অন্যদিকে,
- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
- Cloudera যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডাটা ম্যানেজম্যান্ট সেবাদানকারী  কোম্পানি।
২,৮৯৭.
কী ছাড়া আইসিটি যন্ত্র ব্যবহার কল্পনা করা যায় না?
  1. ক) মোবাইল ফোন
  2. খ) রেডিও
  3. গ) টেলিভিশন
  4. ঘ) ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২,৮৯৮.
SCSI (Small Computer System Interface)-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. শুধু ওয়্যারলেস ডিভাইসের জন্য
  2. দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর
  3. ধীর ডেটা স্থানান্তর
  4. শুধু সফটওয়্যার সংযোগের জন্য
সঠিক উত্তর:
দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর
ব্যাখ্যা

• SCSI সাধারণত দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর নিশ্চিত করে।

• SCSI (Small Computer System Interface):
SCSI (Small Computer System Interface) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারফেস প্রোটোকল, যা কম্পিউটারের সাথে হার্ড ড্রাইভ, সিডি-রোম, স্ক্যানার বা প্রিন্টার মতো ডিভাইস সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।

• SCSI এর মূল বৈশিষ্ট্য:
দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার: SCSI সাধারণত দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ডেটা স্থানান্তর নিশ্চিত করে।
একাধিক ডিভাইস সংযোগ: একক SCSI চ্যানেলে একাধিক ডিভাইস (সাধারণত ৮ বা ১৬) সংযুক্ত করা যায়।
স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারফেস: বিভিন্ন কম্পিউটার এবং ডিভাইসের মধ্যে সমন্বয় সহজ হয়।
ব্যবহার: সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং উচ্চ ক্ষমতার স্টোরেজ সিস্টেমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮৯৯.
ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. Data Sheet
  2. Spreadsheet
  3. Blockchain
  4. Virtual Box
সঠিক উত্তর:
Blockchain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blockchain
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল মুদ্রা (crypto currency) তে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- ব্লকচেইন হলো ডেটা সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত পদ্ধতি। 
- যে পদ্ধতি অনুযায়ী ডেটাগুলো বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয় এবং এতে ডেটার মালিকানা সংরক্ষিত থাকে। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করলে কোনো একটি ব্লকের ডেটা পরিবর্তন করতে চাইলে সেই চেইনে থাকা প্রতিটি ব্লকে পরিবর্তন আনতে হবে, যা অসম্ভব। তাই এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করাটা বেশ নিরাপদ।
 
- ব্লকচেইনকে আধুনিক কালের এক অভিনব উদ্ভাবন বলা হচ্ছে।
- ‘সাতোশী নাকামতো’ ছদ্মনামের এক বা একাধিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ প্রযুক্তির উদ্ভাবক। 
- ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো বিটকয়েন সফটওয়্যার প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে ব্লকচেইন প্রযুক্তির অনেক বিবর্তন ঘটে চলেছে।
- তথ্যকে ডিজিটালরূপে বণ্টন করা (অনুলিপি নয়) এই ব্লকচেইন প্রযুক্তি এক নতুন ধরনের ইন্টারনেট সৃষ্টি করেছে। 
- কেবল ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের জন্য ব্লকচেইনের উদ্ভাবন করা হলেও এখন প্রযুক্তির নানা ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।
 
উৎস : প্রথম আলো।
২,৯০০.
'ব্রডকাস্ট' ট্রান্সমিশন কোন ধরনের ডাটা ট্রান্সমিশন মোডে হয়ে থাকে?
  1. ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. হাফ-ডুপ্লেক্স
  4. ফুল-ডুপ্লেক্স
সঠিক উত্তর:
সিমপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ইউনিকাস্ট (Unicast): 
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়। 
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত। 

ব্রডকাস্ট (Broadcast): 
- এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। 
যেমন- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ। 

মাল্টিকাস্ট (Multicast): 
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে। 
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্সে হয়ে থাকে। 
যেমন- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ। 

অ্যানিকাস্ট (Anycast): 
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গম্ন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে। 
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।