ব্যাখ্যা
Source:businessinsider.com
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩২ / ৫১ · ৩,১০১–৩,২০০ / ৫,০২৮
সঠিক উত্তর - গ) Vinton Gray Cerf
ইন্টারনেট (Internet)
- ইন্টারনেট হলো পৃথিবীব্যাপী বিস্তৃত একটি বিশাল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট-বড় নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফ (Vinton Grey Cerf)-কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয় ARPANET দ্বারা।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে Internet Society (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় যেখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়, সেখানে ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint) প্রযুক্তিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এর প্রধান কারণ হলো এটি অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে, খরচ কম এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ।
• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition) এবং
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test) ।
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification) এবং
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification) ।
অন্যান্য অপশন:
- ডিএনএ: এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণে সবচেয়ে নিখুঁত হলেও প্রতিদিনের হাজিরার জন্য এটি একটি অসম্ভব ও সময়সাপেক্ষ ল্যাবরেটরি পরীক্ষা।
- ভয়েস রিকগনিশন: আশেপাশের কোলাহল বা ব্যবহারকারীর শারীরিক অসুস্থতা (যেমন- সর্দি) থাকলে এই পদ্ধতি সঠিক ফলাফল দেয় না।
- আইরিশ স্ক্যান: এটি অতি উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন ও ব্যয়বহুল প্রযুক্তি, যা সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অফিসের জন্য সাশ্রয়ী নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ওয়াইফাই এর একটি দ্রুততর সংস্করন হল IEEE 802.11 জি, যার গতি ৫৪ এমবিপিএস।
ওয়াইফাই এর পুরো নাম হল ওয়্যারলেস ফিডেলিটি (Wireless Fidelity) ।
এটি হল বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কোন ক্যাবল বা তাঁরের সংযোগ ছাড়াই, আমরা ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবহার করছি।
ওয়াইফাই সক্ষম ডিভাইসগুলি রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ এবং গ্রহণের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
• সঠিক উত্তর: ঘ) VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে। এটি মূলত ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) প্রযুক্তির একটি সমন্বিত রূপ। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী ডিজিটাল ও ভৌত উভয় উপাদানের সাথে বাস্তবসম্মতভাবে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ পান।
• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR):
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব ও ভার্চুয়াল পরিবেশের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশনকে একত্রিত করে।
- এটি শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং VR, AR এবং MR-কে একসাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
- XR ব্যবহারকারীদের বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানের সাথে মিলিয়ে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন- শিক্ষা, গেমিং, চিকিৎসা এবং শিল্পক্ষেত্রে।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- VR হলো একটি কম্পিউটার-জেনারেটেড পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে।
- ব্যবহারকারী সাধারণত হেডসেট বা VR গিয়ার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।
• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR):
- AR হলো প্রযুক্তি যা বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদানগুলো সংযুক্ত করে।
- এটি বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানকে একসাথে প্রদর্শন করে, যেমন- মোবাইল স্ক্রিন বা AR চশমার মাধ্যমে।
• মিক্সড রিয়েলিটি (MR):
- MR হলো এমন প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উপাদানকে একত্রিত করে এবং ব্যবহারকারীকে উভয়ের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এটি VR এবং AR এর মিশ্রণ হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: University of California, Los Angeles - Advanced Research Computing [link]
সেলুলার টপোলজিতে প্রতিটি সেলে বেস স্টেশন থাকে যা মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
সেলুলার টপোলজি:
- সেলুলার টপোলজি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে "সেল" বা কোষ বলা হয়।
- প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে যা সেই এলাকার মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এই সিস্টেমে, একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক সেলে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস একটি সেল থেকে অন্য সেলে যায়, তখন কলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলের বেস স্টেশনে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলা হয়।
সেলুলার সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়।
- একটি সেলের মধ্যে থাকা মোবাইল বা পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে বেস স্টেশন।
- ফ্রিকোয়েন্সি পুনর্ব্যবহার করার মাধ্যমে স্পেকট্রাল দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়।
- কল চলাকালীন একটি সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলে।
- চাহিদা বাড়লে সেলগুলোকে ছোট করে বিভক্ত করা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যগুলো সেলুলার সিস্টেমকে অন্যান্য ওয়্যারলেস টেলিফোন সিস্টেম থেকে আলাদা করে এবং এটি বৃহৎ মেট্রোপলিটন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহককে পরিষেবা দিতে সক্ষম।
উৎস: ব্রিটানিকা।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
• HTML - HyperText Markup Language.
• ATM - Automated Teller Machine.
• WAN - Wide Area Network.
• MIMD - Multiple Instruction Multiple Data.
• DBMS - Database Management System.
• CPU - Central Processing Unit.
• RAM - Random Access Memory.
• ROM - Read Only Memory.
• OMR - Optical Mark Recognition.
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।
◉ কমিউনিটি ক্লাউডে একই ধরনের চাহিদা বা লক্ষ্য থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠান (যেমন: গবেষণা সংস্থা, সরকারি বিভাগ) একটি শেয়ার্ড ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।
• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়- HaaS
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে।
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়।
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সাইফার টেক্সট হলো ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মূল ডেটাকে গোপনীয় কোডে রূপান্তরিত করে।
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) এবং ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard (DES)।
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- এটি হলো এনক্রিপশনের আগে পাঠযোগ্য অবস্থায় থাকা মূল ডেটা।
২. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৩. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
৪. এনক্রিপশন কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট বা ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• GSM ও CDMA হলো বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত দুটি প্রধান মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
• WiFi ও WiMAX মূলত তারবিহীন ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি, সেলুলার ফোন প্রযুক্তি নয়।
• Bluetooth ও NFC স্বল্প দূরত্বের ডাটা আদান-প্রদানের প্রযুক্তি।
• LTE ও 5G হলো উন্নত প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, মৌলিক সেলুলার প্রযুক্তি নয়।
• জিএসএম (GSM) ও সিডিএমএ (CDMA):
- GSM ও CDMA বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত দুটি মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
• জিএসএম (GSM):
- GSM প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয় আশির দশকে (1980s).
- প্রথমদিকে GSM–এর পূর্ণরূপ ছিল Group Special Mobile.
- পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে, GSM কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এর নতুন সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়—
- Global System for Mobile Communication।
- এই নতুন সংজ্ঞার পর GSM প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
• সিডিএমএ (CDMA):
- CDMA হলো একটি Advanced Digital Technology.
- এই প্রযুক্তিটি আবিষ্কার করে আমেরিকান ওয়্যারলেস যোগাযোগ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcomm.
- CDMA প্রযুক্তিতে ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বিটকয়েন হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি, অর্থাৎ এটি একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।
• ক্রিপ্টোকারেন্সি :
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।
• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস হলো এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের ডেটা, ফাইল, ছবি এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করতে পারে, এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো সময় যেকোনো স্থানে অ্যাক্সেস করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Microsoft Excel, Paint এবং Notepad মূলত সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ডেটা তৈরি বা সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এগুলি ক্লাউড স্টোরেজ প্রদান করে না। অন্যদিকে, Amazon S3 (Simple Storage Service) একটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস যা বড় পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণ, ব্যাকআপ, এবং স্কেলেবল স্টোরেজ সমাধান প্রদান করে। এটি ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বব্যাপী ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করে।
উত্তর: ঘ) Amazon S3.
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
ক্লাউড স্টোরেজের কিছু সুবিধা:
i) Remote Access – যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করা যায়।
ii) Automatic Backup – ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ থাকে।
iii) Collaboration – একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইলে কাজ করতে পারে।
iv) Security & Encryption – ক্লাউডে সংরক্ষিত ডাটা সুরক্ষিত থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
◉ ডাটা প্রসেসিং ডাটা উৎসের কাছাকাছি (যেমন IoT ডিভাইস, লোকাল সার্ভার) করার ফলে ল্যাটেন্সি কমে যায় এবং রিয়েল-টাইম প্রসেসিং সম্ভব হয়। এটি Edge Computing-এর প্রধান উদ্দেশ্য।
Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়।
এর ফলে,
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
সূত্র: IBM ওয়েবসাইট।
• আইপি এড্রেস হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর।
• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা-
প্রথম প্রণীত হয় - ২০০৯ সালে
পরের হালনাগাদ হয় - ২০১৫ সালে
সর্বশেষ - ২০১৮ সালে।
সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
• WAN:
- WAN এর পুরনরুপ: Wide Area Network.
- WAN এমন একটি নেটওয়ার্ক যা সবচেয়ে বড় ভৌগোলিক এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিভিন্ন শহর, দেশ বা এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত LAN, MAN ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য ডিভাইসকে সংযুক্ত করতে পারে।
- ইন্টারনেট হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ।
- WAN-এর মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, ফাইল ডাউনলোড এবং অনলাইন শপিং করা যায়।
- তাই বলা যায়, WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।
অন্যদিকে,
• LAN এর পূর্ণরূপ: Local Area Network.
- LAN সীমিত এলাকায়, সাধারণত ১ কিমি পর্যন্ত, ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• MAN এর পূর্ণরূপ: Metropolitan Area Network.
- এটি একই শহরের মধ্যে বিভিন্ন LAN ও কম্পিউটার সংযোগের জন্য তৈরি হয়।
• PAN এর পূর্ণরূপ: Personal Area Network.
- এটি ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত কয়েক মিটার বিস্তৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মুজিবুর রহমান।
◉ TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) হল ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সমিশনের মূল প্রোটোকল।
TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
এটি দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত:
- TCP (Transmission Control Protocol) → ডাটা ট্রান্সমিশন সঠিকভাবে এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়।
- IP (Internet Protocol) → প্রতিটি ডাটা প্যাকেটকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে (destination address) পাঠায়।
- TCP/IP ইন্টারনেটের backbone, যা ডাটা ট্রান্সফার এবং কমিউনিকেশন পরিচালনা করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
খ) HTTP (HyperText Transfer Protocol) - এটি শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজিং-এর জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
গ) FTP (File Transfer Protocol) - এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
ঘ) SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) - এটি ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Cisco Networking Academy.
• ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির মধ্য দিয়ে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে ক্রিকেটে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে।
- দলটি ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে।
- প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় লাভ করে কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট ক্রিকেটের দশমতম সদস্য।
- তারা ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির সভায় এই মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে।
উল্লেখ্য,
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মেহরাব হোসেন অপি।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হচ্ছে- তামিম ইকবাল খান।
উৎস:
১. বিসিবি,
২. প্রথম আলো।
• অপশন গুলোর মধ্যে WAN (Wide Area Network) এর কভারেজ সবচেয়ে বিস্তৃত। কারণ WAN দেশের মধ্যে বা দেশের বাইরে, এমনকি মহাদেশ জুড়ে ডিভাইস ও নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে পারে। অন্যদিকে, LAN (Local Area Network) সাধারণত একটি অফিস, বাড়ি বা স্কুলের মধ্যে সীমিত থাকে। MAN (Metropolitan Area Network) একটি শহর বা শহরতলি জুড়ে সীমাবদ্ধ থাকে। PAN (Personal Area Network) ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং খুব ছোট এলাকা, যেমন একটি ঘর বা ব্যক্তিগত স্পেস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাই, বিস্তৃত নেটওয়ার্ক কভারেজের দিক থেকে WAN শীর্ষে থাকে।
WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।
LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
◉ ই-মেইলে ব্যবহৃত 'cc' ফিল্ডের পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy (কার্বন কপি)। এটি একটি ঐতিহাসিক টার্ম যা ট্র্যাডিশনাল অফিস যোগাযোগ থেকে এসেছে, যেখানে কার্বন পেপার ব্যবহার করে একই চিঠির একাধিক কপি তৈরি করা হতো।
E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।
Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।
Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।
Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ইউটিউব বর্তমানে গুগল (Google)-এর মালিকানাধীন।
• ইউটিউবের পরিচয়:
- ইউটিউব একটি জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- ব্যবহারকারীরা ভিডিও আপলোড, দেখা, শেয়ার ও মন্তব্য করতে পারে।
• প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা:
- ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: চ্যাড হার্লি, স্টিভ চেন ও জাওয়েদ করিম।
• মালিকানা:
- গুগল ইউটিউবকে অধিগ্রহণ করে ২০০৬ সালে।
- অধিগ্রহণের পর ইউটিউব গুগলের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
• সেবার ধরন ও আয়ের উৎস:
- ইউটিউব ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা প্রদান করে।
- প্রধান আয়ের উৎস হলো বিজ্ঞাপন।
• কনটেন্ট ও ব্যবহার:
- শিক্ষামূলক, বিনোদনমূলক, সংবাদ, সংগীত ও লাইভ স্ট্রিমিং কনটেন্ট পাওয়া যায়।
- শিক্ষা, বিনোদন ও তথ্য আদান-প্রদানে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।
• বৈশিষ্ট্য:
- চ্যানেল তৈরি, সাবস্ক্রিপশন, লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার সুবিধা।
- লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা রয়েছে।
উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — YouTube [Link].
২) Official YouTube (About).
৩) Google Press Release (YouTube acquisition) [Link].
• শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি করা।
• রোবট:
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, কষ্টসাধ্য ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে রোবট ব্যবহার করা হয়।
• শিল্পকারখানায় রোবটের ব্যবহার:
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ সম্পাদনের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
- ভারী বস্তু স্থানান্তর, ওয়েল্ডিং, প্যাকেজিং, সংযোজন ও মান যাচাইয়ের কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- দীর্ঘ সময় একই ধরনের কাজ ক্লান্তি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারে।
- ফলে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
• চিকিৎসাক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- জটিল অস্ত্রোপচার ও সার্জারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- রোগ নির্ণয়, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে।
• সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- যুদ্ধক্ষেত্র ও সীমান্ত এলাকায় নজরদারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
• মহাকাশ গবেষণায় রোবটের ব্যবহার:
- গ্রহ অনুসন্ধান, মহাকাশযান পরিচালনা ও গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হয়।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রোবট গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
• শিক্ষা ও বিনোদনে রোবটের ব্যবহার:
- ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- চলচ্চিত্র ও বিনোদন শিল্পে বিশেষ দৃশ্য নির্মাণে রোবট ব্যবহার করা হয়।
• গৃহস্থালি ও উদ্ধার কাজে রোবটের ব্যবহার:
- ঘর পরিষ্কার, নজরদারি ও স্বয়ংক্রিয় গৃহস্থালি কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প ও দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
• রোবট ব্যবহারের সামগ্রিক গুরুত্ব:
- কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি পায়।
- সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- মানুষের জীবনঝুঁকি কমে।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
• একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য প্রধানত সার্ভার (Server) ব্যবহার করা হয়। সার্ভার হলো একটি শক্তিশালী কম্পিউটার বা ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার বা ক্লায়েন্টদের জন্য ডেটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য সেবা সরবরাহ করে। ক্লায়েন্টরা সরাসরি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে না, তারা শুধু সার্ভারের কাছে অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার থেকে তথ্য গ্রহণ করে। রাউটার এবং সুইচ মূলত নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য পরিবহন ও সংযোগের কাজ করে, কিন্তু ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য নয়। তাই, ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য সার্ভারই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যবহৃত ডিভাইস।
উত্তর: খ) Server.
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• ইন-স্টোর টাচলেস পেমেন্টের জন্য গুগল পে NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোন বা ওয়াচ এবং পয়েন্ট-অফ-সেল টার্মিনাল একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকলেই ডেটা বিনিময় করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী তার ডিভাইসটি টার্মিনালের কাছে রাখলেই পেমেন্ট সম্পন্ন হয়, কোনো কার্ড বা নগদ স্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না। NFC খুব ছোট দূরত্বে (সাধারণত ৪–১০ সেন্টিমিটার) কার্যকর হয়, তাই এটি নিরাপদ এবং দ্রুত। QR কোড বা ব্লুটুথের পরিবর্তে NFC-এর ব্যবহার পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছন্দ ও তাত্ক্ষণিক করে তোলে, যা আধুনিক টাচলেস লেনদেনে গুগল পের জনপ্রিয়তা নিশ্চিত করেছে।
- উত্তর: ঘ) NFC.
• বাংলাদেশে গুগল পে:
- বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গুগল পে' সেবা চালু হয়েছে ২৪ জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর (জানুয়ারি, ২০২৬) এ সেবার উদ্বোধন করেন।
- গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় সিটি ব্যাংক পিএলসি এই ডিজিটাল লেনদেন সেবা চালু করেছে।
- গুগল পে-এর এ সুবিধা আপাতত কেবল সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংকও এই সেবায় যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (তথ্য: জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।
উৎস:
- গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
⇒ ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
⇒ ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য: On-demand, Resource scalability, Pay as you go.
অন্যদিকে,
- Manual installation ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• iBAS++ বাংলাদেশে Integrated Budget and Accounting System এর সংক্ষিপ্ত রূপ। iBAS++ একটি আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম যা বাংলাদেশে সরকারি বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। iBAS++ সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। এছাড়া, কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রক্রিয়া এই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। সুতরাং, iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।
- উত্তর: গ) আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম।
• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।
সূত্র: iBAS++ [link]
◉ Tree Topology (ট্রি নেটওয়ার্ক) হলো হায়ারার্কিকাল টপোলজি, যেখানে নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন স্তরে (Layers) বিভক্ত থাকে। এতে মূল (Root) নোড থাকে, যা অন্যান্য সাব-নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি সাধারণত বড় কর্পোরেট নেটওয়ার্ক ও ডাটা সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
খ) মেশ নেটওয়ার্ক (Mesh Topology) – এটি বহু-সংযোগযুক্ত (Many-to-Many) টপোলজি, যেখানে প্রতিটি ডিভাইস একাধিক ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে।
গ) বাস নেটওয়ার্ক (Bus Topology) – এটি একটি প্রধান কেবল (Backbone) দ্বারা সমস্ত ডিভাইস সংযুক্ত করে, যা হায়ারার্কিকাল নয়।
ঘ) রিং নেটওয়ার্ক (Ring Topology) – এতে প্রত্যেকটি ডিভাইস একটি নির্দিষ্ট রিং বা বৃত্তাকার সংযোগে যুক্ত থাকে এবং ডেটা এক দিক থেকে অন্য দিকে প্রবাহিত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• • সাইবারস্টকিং হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত হয়রানি বা ভীতি প্রদর্শন করা। এটি মূলত কাউকে বারবার হুমকিমূলক বার্তা পাঠিয়ে তার মানসিক প্রশান্তি ও অনলাইন নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি ডিজিটাল অপরাধ।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks, প্রভৃতি
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• কম্পিউটারে সিস্টেম বাস মূলত একটি যোগাযোগের পথ, যা CPU, মেমরি এবং বিভিন্ন I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা, ঠিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি হার্ডওয়্যারের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুত করে। সিস্টেম বাসের মাধ্যমে CPU মেমরিতে থাকা ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে, এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা স্থানান্তরের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়, কিন্তু ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, সফটওয়্যার কার্যকর করা বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা সরাসরি সিস্টেম বাসের কাজ নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো (খ) CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা।
• সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।
• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).
• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):
• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• M2M Communication:
- M2M (Machine-to-Machine) communication হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একাধিক মেশিন বা ডিভাইস মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান–প্রদান করে।
- এটি IoT (Internet of Things) প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বস্তু—যেমন যন্ত্র, সেন্সর ও ডিভাইস—ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান–প্রদান করে। এই ব্যবস্থাকেই ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) বলা হয়।
• দৈনন্দিন জীবনে IoT-এর উপস্থিতি:
- আমাদের চারপাশে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি—যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেকট্রিক লক ইত্যাদি—স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic) পরিচালনার জন্য কম্পিউটার সিস্টেম ও ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- ঘরের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, যেমন—টিভি, ফ্রিজ, লাইট ইত্যাদি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
• IoT-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি:
- IoT-এর মূল ভিত্তি হলো IP (Internet Protocol) এবং TCP (Transmission Control Protocol)।
- ডিভাইসগুলো তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্ক, যেমন—Ethernet, Wi-Fi, Bluetooth, 5G, LTE, RFID, NFC ইত্যাদি ব্যবহার করে যোগাযোগ করে।
- সাধারণত IoT ডিভাইসগুলো Gateway বা Edge Device–এর সাথে যুক্ত থাকে এবং সেখান থেকে ডেটা Cloud–এ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।
• ভৌত ও ডিজিটাল জগতের সংযোগ:
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে ভৌত জগত (ডিভাইস বা বস্তু) এবং ডিজিটাল জগত একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়।
• IoT ডিভাইসের ধরন:
১. Digital-first devices:
- শুরু থেকেই ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি যুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: স্মার্টফোন, মিডিয়া প্লেয়ার, মোবাইল পেমেন্ট টার্মিনাল, কৃষি যন্ত্র, জেট ইঞ্জিন।
- এ ধরনের ডিভাইস সাধারণত M2M (Machine-to-Machine) communication ব্যবহার করে।
২. Physical-first devices:
- প্রথমে ভৌতভাবে তৈরি করা হয়, পরে সেন্সর বা মাইক্রোচিপ যুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: গাড়ি, হাসপাতালের মেডিকেল ডিভাইস, চাবির রিং।
• IoT-এর ব্যবহার:
- ডেটা ও কন্টেন্ট শেয়ার করা (সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে)।
- দূর থেকে ডিভাইস মনিটর ও কন্ট্রোল করা।
- মোবাইল ও গেমিং ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করা।
- উদাহরণ: মহামারির সময় স্মার্ট থার্মোমিটার ব্যবহার করে COVID-19 সংক্রমণ ট্র্যাক করা।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মো. মাহবুবুর রহমান।
• Bluetooth Frequency রেঞ্জ হচ্ছে 2.4 GHz।
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে
বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
◉ Google ১৯৯৮ সালে Larry Page এবং Sergey Brin কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তারা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ছাত্র ছিলেন।
গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
বিল গেটস ও পল অ্যালেন — Microsoft-এর প্রতিষ্ঠাতা।
স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক — Apple-এর প্রতিষ্ঠাতা।
মার্ক জাকারবার্গ — Facebook-এর প্রতিষ্ঠাতা।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।