বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ন্যাটো এবং অন্যান্য নিরাপত্তা জোট ও বাহিনী

মোট প্রশ্ন৪৬৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ন্যাটো এবং অন্যান্য নিরাপত্তা জোট ও বাহিনী

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৪৬৩

.
ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে রাশিয়ার উদ্বেগের প্রধান কারণ কী?
  1.  রাশিয়ার বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করে
  2. সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য ক্ষতিকর
  3. নিরাপত্তা হুমকি এবং প্রভাব বলয় হারানোর ভয়
  4. রাশিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস
ব্যাখ্যা

ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে রাশিয়ার উদ্বেগের প্রধান কারণসমূহ:
- নিরাপত্তা ঝুঁকি: রাশিয়ার সীমান্তে ন্যাটোর সামরিক অবকাঠামো এবং বাহিনী মোতায়েনকে মস্কো তাদের কৌশলগত গভীরতা (Strategic Depth) এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখে।
- প্রভাববলয় রক্ষা: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে পশ্চিমা প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়াকে রাশিয়া তাদের নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবের ওপর বড় আঘাত মনে করে।
- প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন: রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, নব্বইয়ের দশকের শুরুতে পশ্চিমারা ন্যাটো সম্প্রসারণ না করার যে মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তার লঙ্ঘন।
- ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: পূর্ব ইউরোপে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রাশিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করে।

উৎস:
i)সমকাল পত্রিকা Link
ii)The Eastern Perspective: Russia Towards NATO Enlargement. A Case Study of 1999 and 2004 NATO Enlargements

.
Who is the current head of NATO? (December, 2024)
  1. Giovanni Antonio
  2. Christopher Wray
  3. Lloyd Austin
  4. Mark Rutte
  5. Jens Stoltenberg
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য সুইডেন। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর বর্তমান প্রধান মার্ক রুট্টে। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
'NATO' কতটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৩৫টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২০টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩০টি। 
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হওয়ার সময় এই জোটের ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।
- ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আরো পাঁচটি  রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে: বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, সুইডেন এবং ইউক্রেন। কসোভোও ন্যাটোতে যোগ দিতে চায়। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট 
.
‘CENTCOM ’ কী?
  1. মার্কিন সামরিক বাহিনী
  2. রুশ সামরিক বাহিনী
  3. বৃটিশ সামরিক বাহিনী
  4. ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী
ব্যাখ্যা
মার্কিন সামরিক বাহিনী (সেন্টকম)
- ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড হল ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ডিপার্টমেন্টের এগারোটি ইউনিফাইড কমব্যাট্যান্ট কমান্ডের একটি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেন্টকম মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
-  প্রতিষ্ঠার পর থেকে, CENTCOM মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরাকের মধ্যে দুটি দ্বন্দ্ব-অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম (১৯৯১) এবং অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম (২০০৩-১১)-এবং ২০০১ সালে শুরু হওয়া আফগানিস্তান যুদ্ধ সহ বেশ কয়েকটি অপারেশনের জন্য দায়ী ।
- সম্প্রতি,(২০২৪ সালে) ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে একযোগে বিমান হামলা চালিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনী (সেন্টকম)।

সূত্র- ব্রিটানিকা।
.
কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন দেশের 'ভ্যাকসিন কূটনীতি' (Vaccine Diplomacy) কোন ধরনের ক্ষমতার প্রয়োগ?
  1. হার্ড পাওয়ার  
  2. সফট পাওয়ার 
  3. শার্প পাওয়ার 
  4. স্ট্রাকচারাল পাওয়ার  
ব্যাখ্যা

- ভ্যাকসিন কূটনীতির মাধ্যমে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো অন্য দেশকে ভ্যাকসিন সহায়তা দিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চেয়েছে, এটি সফট পাওয়ারের একটি আধুনিক উদাহরণ।

সফট পাওয়ার (Soft Power): 
- কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন দেশের ‘ভ্যাকসিন কূটনীতি’ মূলত সফট পাওয়ার (Soft Power) এর একটি উদাহরণ।
- সফট পাওয়ার হলো অন্যকে জবরদস্তি বা চাপ প্রয়োগ না করে, আকর্ষণ এবং বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা।
- ভ্যাকসিন সরবরাহ বা স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের রাজনৈতিক এবং নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি আস্থা তৈরি করে। 
- এটি সরাসরি সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের পরিবর্তে আকর্ষণ ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, চীন ও ভারত মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে, এটি তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে উন্নত করেছে। সফট পাওয়ার দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করে। 

এছাড়াও, 
হার্ড পাওয়ার (Hard Power):
- হার্ড পাওয়ার হলো জবরদস্তি, সামরিক হুমকি বা অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে অন্যকে বাধ্য করা। 

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। 

.
নিম্নের কোন অঞ্চলের প্রভাব শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact) গঠিত হয়েছিল?
  1. পূর্ব ইউরোপ 
  2. পশ্চিম ইউরোপ 
  3. উত্তর আমেরিকা 
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

.
নিচের কোনটি ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ?
  1. আলজেরিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. আলবেনিয়া
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
.
NATO-এর ISAF মিশন কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. সিরিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. ইরাক
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা
NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি।[জুন- ২০২৫] 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।[জুন- ২০২৫] 
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।

উল্লেখ্য, 
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর নেতৃত্বে গঠিত হয় - International Security Assistance Force (ISAF)।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক জোট-
  1. ক) ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. খ) ওইসিডি
  3. গ) বেনেলাক্স
  4. ঘ) ন্যাটো
ব্যাখ্যা
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
North Atlantic Treaty Organization- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে। এটিও একটি সামরিক জোট।
বেনেলাক্স ও ওইসিডি হচ্ছে অর্থনৈতিক জোট।
সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১০.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৩টি
  4. ঘ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে। - উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিত ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল - ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য - ৩১ টি (সর্বশেষ সদস্য - ফিনল্যান্ড)।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
(নোট: প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল - লন্ডনে। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে প্যারিসে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৬৭ সালে শেষ বারের মতো ব্রাসেলসে স্থানান্তর হয়)।

তথ্যসূত্র:- ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১১.
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে কোনটি গড়ে উঠেছিলো?
  1. ক) সিয়াটো
  2. খ) সেন্টু
  3. গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  4. ঘ) আনজুস
ব্যাখ্যা
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্ব ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়।
এর সদস্য দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- চেকোশ্লোভাকিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড ও
- রোমানিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে এই জোটের বিলুপ্তি ঘটে।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
১২.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্য?
  1. ইউক্রেন
  2. জর্জিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশ ন্যাটার জোটের সদস্য।
দেশগুলো হলো:
- এস্তোনিয়া
- লাটভিয়া
- লিথুয়ানিয়া।
-ইউক্রেন, জর্জিয়া ও বেলারুশ ন্যাটো জোটের সদস্য নয়।
(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট)
১৩.
NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ক) সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো
  2. খ) গণতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো
  3. গ) উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা
  4. ঘ) সন্ত্রাসী আগ্রাসন প্রতিহত
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (NATO)
• NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
• NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিত ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা
• NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি। NATO র বর্তমান সদস্য ৩০ টি।
• NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)।
• NATO র বর্তমান সদরদপ্তর ব্রাসেলস (নোট: প্রাথমিকভাবে এর সদরদপ্তর লন্ডনে অবস্থিত ছিল, ১৯৫২ সালে প্যারিসে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯৬৭ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়)। 

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১৪.
ইয়েমেনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট কোন গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে?
  1. ক) তানজিম আল জিহাদ
  2. খ) হুথি আনসারুল্লাহ
  3. গ) হিজবুল্লাহ
  4. ঘ) ইসলামিক স্টেট
ব্যাখ্যা
- ইয়েমেনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট শিয়া মতাবলম্বী হুথি আনসারুল্লাহ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।
- আরব বসন্তের পর ২০১৪ সালে সৌদি আরব সমর্থিত ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদির সাথে হুথিদের বিরোধের ফলে হুথিরা ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়।
- এর ফলে মনসুর হাদির সমর্থনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যা বর্তমানে গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।
- ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ বিদ্রোহীগোষ্ঠী ইরানের সমর্থনপুষ্ট। হুথিরা ইরান সরকারের নিকট থেকে সকল ধরনের সহায়তা পেয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্রঃ মিডল ইস্ট মনিটর)
১৫.
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ৪ জুলাই, ১৯৪৯
  2. খ) ১৫ নভেম্বর, ১৯৪৮
  3. গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৯ আগট, ১৯৪৩
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (North Atlantic Treaty Organization-NATO)

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল: সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১৬.
তেলকে প্রথমবারের মতো কার্যকরভাবে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৬৭
  2. ১৯৭১ 
  3. ১৯৭৩ 
  4. ১৯৮০ 
ব্যাখ্যা

• তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

• তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

তথ্যসূত্র: i) World Atlas.
ii) BBC.

১৭.
ন্যাটোভুক্ত অ-ইউরোপীয় দেশ কয়টি? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO): 

- পরিচয়: সামরিক জোট।
- পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization।
- উদ্যোক্তা: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।  
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। 
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪ সাল)।      [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
→ এদের মধ্যে ৩০ টি দেশ ইউরোপের। 
→ বাকি ২টি দেশ উত্তর আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)।
→ অর্থাৎ, ন্যাটোভুক্ত  অ-ইউরোপীয় দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- তুরস্কের একটি ছোট অংশ (পূর্ব থ্রেস বা ইস্তাম্বুলের ইউরোপীয় অংশ) ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত, যা বসফরাস প্রণালীর পশ্চিমে।
- তুরস্ককে ইউরোপীয় হিসেবে গণ্য করা হয় NATO-এর অফিসিয়াল শ্রেণিবিভাগে।
- তুরস্ককে সরাসরি ইউরোপীয় সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, এবং Article 10-এর উল্লেখ রয়েছে যে সদস্যপদ "European State"-এর জন্য উন্মুক্ত।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে যোগদান করে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর ১৪ তম মহাসচিব মহাসচিব মার্ক রুট। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬:  আঙ্কারা, তুরস্ক।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট। (Link) 

১৮.
NATO প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৯ সালের ১ জানুয়ারি
  2. ১৯৪৯ সালের ৮ মে
  3. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
  4. ১৯৪৯ সালের ২০ জুলাই
ব্যাখ্যা
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। 

NATO:
- NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।

উল্লেখ্য, 
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১৯.
'AUKUS' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
AUKUS:
- অকাস হল একটি ত্রিমুখী প্রতিরক্ষার কৌশলগত জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- সদস্য দেশ: ৩টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
• যুক্তরাজ্য।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
• অস্ট্রেলিয়া।

- অকাস চুক্তির আওতায় রয়েছে রয়‍্যাল অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য পারমাণবিক চালিত সাবমেরিনগুলির যৌথ বিকাশ। পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়াও, জোটটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সাইবার অপারেশন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রযুক্তির গবেষণা এবং প্রয়োগের সমন্বয় করা।
- প্রধান উদ্দেশ্য ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - britannica.com
২০.
'OSCE' কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা সংগঠন?
  1. দক্ষিণ এশিয়া 
  2. ইউরোপ 
  3. পূর্ব আফ্রিকা 
  4. ল্যাটিন আমেরিকা 
ব্যাখ্যা

OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন। 
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু  (তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।

২১.
NATO'র অনুচ্ছেদ-৫ প্রথম কবে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে
  2. ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
  3. ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণে
  4. ২০১৪ সালের ইউক্রেন সংকটে
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে। এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

⇒ ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
• NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

• নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২২.
ANZUS একটি -
  1. সামরিক জোট
  2. অর্থনৈতিক জোট
  3. আঞ্চলিক জোট
  4. বাণিজ্যিক জোট
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এখানে, A =Australia; NZ: New Zealand; US = United States of America.
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: ANZUS ওয়েবসাইট।
২৩.
ন্যাটোর প্রথম অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. পরামর্শ
  2. প্রতিরক্ষা সক্ষমতা
  3. বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক
  4. শান্তিপূর্ণ সমাধান
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (এপ্রিল, ২০২৫)
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (এপ্রিল, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (এপ্রিল, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (এপ্রিল, ২০২৫)

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৪.
কোন দেশের নেতৃত্বে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. পোল্যান্ড
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট: 
- ওয়ারশ প্যাক্ট এর পুরো নাম Warsaw Pact Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়। 
- ওয়ারশ চুক্তি সংক্ষেপে ওয়ারশ প্যাক্ট হিসেবে পরিচিত।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পাশাপাশি জোটে পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া এবং আলবেনিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- মূল লক্ষ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে সঙ্গে এই জোট ভেঙে যায়।

সূত্র - Britannica.com ও প্রথম আলো। 
২৫.
ন্যাটো'র প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. রোম চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. ওয়াশিংটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

⇒ NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিকে ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২৬.
ANZUS কোন ধরনের জোট?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) অর্থনৈতিক
  3. গ) সামরিক
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ANZUS হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট। তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত। দেশুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কমিউনিজম আগ্রাসন রোধে ১৯৫১ সালে ANZUS গঠিত হয়।

সূত্র:- ANZUS ওয়েবসাইট। 
২৭.
Interpol-এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? [জুলাই - ২০২৫]
  1. নাউরু
  2. তুভালু
  3. পালাউ
  4. বতসোয়ানা
ব্যাখ্যা
- পালাউ Interpol-এর সর্বশেষ সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।

ইন্টারপোল:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- এটি ১৯২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বর্তমানে ১৯৬টি দেশের সদস্য নিয়ে গঠিত।[জুলাই - ২০২৫]
- এর অফিসিয়াল ভাষা হল ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ এই সংস্থায় যোগ দিয়েছে। [জুলাই - ২০২৫]

সূত্র: Interpol ওয়েবসাইট।
২৮.
Europol-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৭টি
ব্যাখ্যা

Europol:
- Europol-এর পূর্ণরূপ: The European Union Agency for Law Enforcement Cooperation.
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পুলিশ সংস্থার নাম Europol।
- সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৯৯ ।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- প্রথম পরিচালক: জার্গেন স্টরবেক।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
- নির্বাহী পরিচালক: ক্যাথরিন ডি বোলে।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল সদস্যই ইউরোপোলের সদস্য।

এছাড়াও,
- ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপোল-এর সৃষ্টি হয়।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে, সদস্য রাষ্ট্রগুলি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে একত্রিত হওয়ার জন্য সম্মত হয়, যার মধ্যে সন্ত্রাসবাদ, অবৈধ মাদক পাচার, এবং অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ ও মোকাবেলা ছিল।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে Europol (ইউরোপীয় পুলিশ অফিস) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মাধ্যমে পুলিশী সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময়ের একটি সংগঠিত ব্যবস্থা তৈরি হয়।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির ধারা K.3 অনুযায়ী ইউরোপোল প্রতিষ্ঠার কনভেনশনের চুক্তি ১৯৯৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: Europol ওয়েবসাইট।

২৯.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. মাদ্রিদ, স্পেন
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. রোম, ইতালি
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: International Criminal Police Commission (ICPC) 
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সাল। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি দেশ।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।

সূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৩০.
NATO-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. ব্রাসেলস
  3. লন্ডন
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩১.
ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো -
  1. তুরস্ক ও কানাডা
  2. আলবেনিয়া ও ইরাক
  3. তুরস্ক ও আলবেনিয়া
  4. তুরস্ক ও ইরান
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫] 
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া। 

এছাড়াও, 
- কানাডা মুসলিম দেশ নয়। এইজন্য অপশন 'ক' উত্তর হবে না। 


সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩২.
ন্যাটো এর বর্তমানে এর মহাপরিচালক হলেন - [এপ্রিল - ২০২৫]  
  1. Jens Stoltenberg
  2. Kristalina Georgieva
  3. Mark Rutte
  4. Antony Blinken
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- ১৯৪৯ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [এপ্রিল - ২০২৫]
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[এপ্রিল - ২০২৫]   

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩৩.
NATO'র কত নং অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১০ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান।
- NATO চুক্তির ১নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ একে অপরের সাথে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩৪.
আফ্রিকান ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?
  1. ক) দক্ষিণ সুদান
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) জিম্বাবুয়ে
  4. ঘ) সিচিলিস
ব্যাখ্যা
AU এর পূর্ণরূপ African Union যা আফ্রিকা মহাদেশ সমূহের একটি সংগঠন। পূর্বে এর নাম ছিল আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা।
আফ্রিকান ইউনিয়ন নামকরণ করা হয় ৯ জুলাই, ২০০২ সালে। আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া এবং সদস্য সংখ্যা ৫৫ টি। আফ্রিকান ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে সদস্য পদ লাভ করে। আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি।
উৎসঃ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৫.
ন্যাটোর 'ISAF মিশন' কোন দেশে নিয়োজিত ছিলো?
  1. লিবিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. সিরিয়া
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর নেতৃত্বে গঠিত হয় - International Security Assistance Force (ISAF)।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩৬.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে -
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান: রবার্ট ফ্লয়েড।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৩৭.
ওয়ারশ প্যাক্ট কী ধরনের জোট ছিল?
  1. অর্থনৈতিক জোট
  2. কূটনৈতিক জোট
  3. সামরিক জোট
  4. মানবিক সাহায্য জোট
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট ছিল একটি সামরিক জোট, এটি ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়।
- এটির উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর মোকাবিলায় পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোরদার করা।

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ প্যাক্ট বা Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫৫ সালের ১৪ মে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে।
- প্রাথমিকভাবে এই জোটে আটটি দেশ সদস্য ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া।
- জোটটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব ইউরোপে সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইউরোপজুড়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতন ও গণতন্ত্রের উত্থানের ফলে ওয়ারশ প্যাক্ট ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- অবশেষে, আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৮.
কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্য নয়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) ফিনল্যান্ড
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
- অস্ট্রিয়া ন্যাটোর সদস্য নয়।

NATO:
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- North Atlantic Treaty Organization (NATO) প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সাল।
- সামরিক জোট ন্যাটো এর সদস্য ৩১টি দেশ।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- ন্যাটো এর সর্বশেষ সদস্য ফিনল্যান্ড (যোগদান করে ০৪ এপ্রিল, ২০২৩)।

তথ্যসূত্র: NATO এর ওয়েবসাইট।
৩৯.
নর্থ আন্টলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৩৯
  2. ১৯৪৩
  3. ১৯৪৯
  4. ১৯৬০
ব্যাখ্যা

 ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):

- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।
- ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলায় প্রথমবার Article 5 প্রয়োগ করা হয়।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

৪০.
২০২৬ সালে NATO'র শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ব্রাসেলস
  2. প্যারিস
  3. আঙ্কারা
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।
- তিনি বলেন, তুরস্ক, ন্যাটো জোটের কাঠামোর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প পণ্যের বাণিজ্য বিধিনিষেধ অপসারণের আহ্বান জানিয়েছে।
- এই সম্মেলনে জোটের নেতারা প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৪১.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ৪
  3. অনুচ্ছেদ ৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

এছাড়াও ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৪২.
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে কোন সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল?
  1. SEATO
  2. NATO
  3. CENTO
  4. ANZUS
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে NATO সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল।

স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):

- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি প্রথাগত যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে একে অপরকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক কিংবা ভিন্ন আঙ্গিকে পরাজিত করার কৌশলকে ইঙ্গিত করা হয়।
- ১৯৪৭ - ১৯৯১ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওয়াল্টার লিপম্যান সংবাদপত্রে প্রথম cold war শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়। এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে। পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট। একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।

⇒ NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

অন্যদিকে।
- সিটো (SEATO): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (১৯৫৪) এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধের জন্য গঠিত, কিন্তু এটি ন্যাটো বা ওয়ারশ প্যাক্টের মতো প্রভাবশালী ছিল না।
- সেন্টো (CENTO): কেন্দ্রীয় চুক্তি সংস্থা (১৯৫৫) মধ্যপ্রাচ্যে গঠিত, কিন্তু এটিও সীমিত প্রভাব ফেলে।
- আনজুস (ANZUS): যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫১ সালে গঠিত একটি সীমিত জোট।

উৎস: i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।
৪৩.
নিচের কোন দেশটি Warsaw Pact এর সদস্য দেশ ছিলো না?
  1. পূর্ব জার্মানি
  2. পোল্যান্ড
  3. রোমানিয়া
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১। 
 
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি;
→ সোভিয়েত ইউনিয়ন,
→ আলবেনিয়া,
→ বুলগেরিয়া,
→ চেকোস্লাভিয়া,
→ পূর্ব জার্মানি, [পশ্চিম জার্মানি Warsaw Pact এর সদস্য দেশ ছিলো না ]
→ হাঙেরি,
→ পোল্যান্ড ও
→রোমানিয়া।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা।
৪৪.
EAPC কী ধরনের ফোরাম?
  1. শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
  2. রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা
  3. চিকিৎসা সরঞ্জামের অবাধ প্রবাহ
  4. শিল্প ও কারিগরি সহযোগিতা
ব্যাখ্যা
EAPC (The Euro-Atlantic Partnership Council) হলো ন্যাটোর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি বহুপাক্ষিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতা ফোরাম।
এটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বর্তমান সদস্য ন্যাটোভুক্ত ৩০টি দেশসহ মোট ৫০টি দেশ।
ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার ন্যাটো বহির্ভূত দেশগুলোর সাথে ন্যাটোর সম্পর্ক জোরদার ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ফোরাম গঠিত হয়।
(সূত্র: EAPC ওয়েবসাইট)
৪৫.
NATO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. North Asian Treaty Organization
  2. North Atlantic Treaty Organisation
  3. North African Trade Organization
  4. Northern Alliance Treaty Organization
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।

উল্লেখ্য, 
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৪৬.
নিচের কোন দেশ Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না?
  1. যুগোস্লাভিয়া
  2. চেকোস্লোভাকিয়া
  3. হাঙ্গেরি
  4. রোমানিয়া
ব্যাখ্যা
যুগোস্লাভিয়া Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না।

Warsaw Pact:
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৪৭.
কোয়াড এর সদস্য দেশ কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
কোয়াড (QUAD):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি। (জুলাই, ২০২৫)
• যুক্তরাষ্ট্র,
• অস্ট্রেলিয়া,
• ভারত,
• জাপান।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।

তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
৪৮.
রাশিয়া কবে থেকে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সালে
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সালে
  3. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সালে
  4. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ:

• ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের উপর হামলা শুরু করে।
• রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র ক্রিমিয়ায় গোপন আক্রমণ শুরু করেছিল। 
• ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগদানের তৎপরতার প্রেক্ষাপটে রাশিয়া তার নিরাপত্তাগত স্বার্থে ইউক্রেনে আক্রমণ করে।
• এই হামলার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাত ঘটে।
• তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় রাশিয়া-ইউক্রেন খাদ্যশস্য রপ্তানি বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে- ২২ জুলাই, ২০২২।
• ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়- ইউক্রেনকে।
• ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত। 
• রাশিয়া পূর্ব ইউরোপ এবং উত্তর এশিয়ার বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত । 
• রাশিয়া ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পর একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে গড়ে ওঠে ।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং প্রথম আলো।
৪৯.
NATO-তে সর্বশেষ কোন দেশ যোগ দিয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ফিনল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. ইউক্রেন
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

•NATO:
- পূর্ণরূপ: The North Atlantic Treaty Organization
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
- গঠিত: উত্তর আটলান্টিক চুক্তির (North Atlantic Treaty) মাধ্যমে।
- উদ্দেশ্য: রাজনৈতিক ও সামরিক উপায়ে এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- প্রাথমিক সদস্য: ১২টি দেশ।
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৩২
- সর্বশেষ যোগদানকারী: সুইডেন। [নভেম্বর, ২০২৫]
- মুসলিম সদস্য রাষ্ট্র: ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

৫০.
Interpol-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম, ইতালি
  2. লিঁও, ফ্রান্স
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। 

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
৫১.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার বর্তমান সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. অস্ট্রিয়া
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization. 
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: The International Criminal Police Commission (ICPC) 
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। 
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ INTERPOL -এর সদস্যপদ লাভ করে। 

সূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৫২.
২০৩৫ সালের মধ্যে ন্যাটোভুক্ত দেশসমূহ প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপি’র কত শতাংশ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৩ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ১০ শতাংশ
  4. ১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা ব্যয়:
- নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের দুই দিনব্যাপী (২৪ ও ২৫ জুন) ন্যাটো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- উক্ত সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত ৩২টি দেশ তাদের জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
- আগামী ১০ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
- সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জিডিপির ৫ শতাংশ দুই ভাগে ভাগ করা হবে।
- সাড়ে ৩ শতাংশ বরাদ্দ হবে মূল প্রতিরক্ষা খাতে।
- অপর দিকে বাকি দেড় শতাংশ ব্যয় করা হবে নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত ও অবকাঠামো উন্নয়নে।

উল্লেখ্য,
- গত বছর ন্যাটো সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।
- এটি বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের অর্ধেকের বেশি।
- সদস্যরাষ্ট্রগুলো যদি ২০৩০ সালের মধ্যে সামরিক খাতে প্রস্তাবিত জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে, তাহলে সামগ্রিক খরচ দাঁড়াবে ১৩ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৫৩.
'Open Door Policy' ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. আর্টিকেল - ১৩
  2. আর্টিকেল - ১১
  3. আর্টিকেল - ১০
  4. আর্টিকেল - ৯
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
-------------------- 

ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (নভেম্বর, ২০২৪)।
- NATO এর মহাপরিচালক Mark Rutte. 

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫৪.
'AUKUS' এর সদস্য দেশ কয়টি? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
AUKUS:
- অকাস হল একটি ত্রিমুখী প্রতিরক্ষার কৌশলগত জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- সদস্য দেশ: ৩টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
• যুক্তরাজ্য।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
• অস্ট্রেলিয়া।

- অকাস চুক্তির আওতায় রয়েছে রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য পারমাণবিক চালিত সাবমেরিনগুলির যৌথ বিকাশ। পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়াও, জোটটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সাইবার অপারেশন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রযুক্তির গবেষণা এবং প্রয়োগের সমন্বয় করা।
- প্রধান উদ্দেশ্য ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - britannica.com
৫৫.
ন্যাটোর ৩২তম সদস্য হিসেবে কোন দেশ যোগদান করে?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. ইউক্রেন
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ৭ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সামরিক জোট ন্যাটোয় আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে সুইডেন।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া।
- ইউক্রেনে রুশ হামলার পর সুইডেন হচ্ছে দ্বিতীয় দেশ, যারা ন্যাটো জোটে যোগ দিল। 
-  ন্যাটোর নিয়মানুযায়ী, কোনো দেশকে জোটের নতুন সদস্য হতে হলে পুরোনো সদস্যদের সবার অনুমোদন নিশ্চিত করতে হয়।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৫৬.
ন্যাটোভুক্ত ইউরোপের বাইরের দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. খ) কলম্বিয়া ও হন্ডুরাস
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  4. ঘ) ইকুয়েডর ও বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
ন্যাটো (NATO)

- পরিচয়: সামরিক জোট।
- পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization।
- উদ্যোক্তা: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
→ এদের মধ্যে ২৮টি দেশ ইউরোপের।
→ বাকি ২টি দেশ উত্তর আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)।
→ অর্থাৎ, ন্যাটোভুক্ত ইউরোপের বাইরের দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া (২০২০)।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫৭.
Article-5 অনুযায়ী NATO-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান কী?
  1. সীমান্ত উন্মুক্ত করা
  2. নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি
  3. জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা
  4. সদস্য রাষ্ট্রে আক্রমণকে সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।

• NATO'র অনুচ্ছেদ ৫- “জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৫৮.
ন্যাটো চুক্তির কোন ধারা অনুযায়ী, নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্ত হতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৫
  2. অনুচ্ছেদ - ৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১০
  4. অনুচ্ছেদ - ১৪
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

• অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৫৯.
ANZUS এর সদস্য সংখ্যা - (জুন, ২০২৫)
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- এই জোটের সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৬০.
QUAD (কোয়াড) জোটের সদস্য দেশগুলো কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া
  2. চীন, রাশিয়া, ভারত ও ব্রাজিল
  3. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. ভারত, পাকিস্তান, চীন ও নেপাল
ব্যাখ্যা

• কোয়াড (Quad):
- Quadrilateral Security Dialogue যা সংক্ষেপে কোয়াড।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২০২৫ সালে কোয়াডের পররাষ্ট্র পর্যায়ের সামিট ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। 
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট

৬১.
ন্যাটো কোন দেশে প্রথমবার সরাসরি সামরিক অভিযান চালায়?
  1. ইরাক
  2. বসনিয়া
  3. লিবিয়া
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

⇒ ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- এরপর ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।  

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬২.
২০২৩ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. মাদ্রিদ, স্পেন
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  4. ভিলনিয়াস, লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৩ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন:
- লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়।
- ১১-১২ জুলাই, ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে ইউক্রেনকে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
- রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে ন্যাটোর সদস্য হতে পারবে ইউক্রেন।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট ও  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৩.
আরব লীগ গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪২ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৪ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র। (আগস্ট, ২০২৪)
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।

তথ্যসূত্র - আরব লীগ ওয়েবসাইট।
৬৪.
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬৫.
নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তি (Open Door Policy) ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে অলোকপাত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১
  2. অনুচ্ছেদ ১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [জুলাই - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ। পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[জুলাই - ২০২৫] 

এছাড়াও,
- ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়।
- এই অনুচ্ছেদের অধীনে নতুন সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৬৬.
ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট্টে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট্টে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ২০১০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রুট। 
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৬৭.
INTERPOL এর বর্তমান সদস্য কয়টি? (সেপ্টেম্বর - ২০২৪)
  1. ১৯৮টি
  2. ১৯৭টি
  3. ১৯৬টি
  4. ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: International Criminal Police Commission (ICPC)
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি দেশ। (সেপ্টেম্বর - ২০২৪)
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। (সেপ্টেম্বর - ২০২৪) 

সূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৬৮.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ করে।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৬৯.
NATO- এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) জার্মানী
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty Organization (NATO)-এর সদর দপ্তর‌ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। যা ১৯৬৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিস এর প্রথম সদরদপ্তর থেকে স্থানান্তর করা হয়।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৭০.
Europol-এর সদরদপ্তর নিম্নের কোন শহরে অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. রোম
  3. হেগ
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
Europol:
- Europol-এর পূর্ণরূপ: The European Union Agency for Law Enforcement Cooperation.
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পুলিশ সংস্থার নাম Europol।
- সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৯৯ ।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- প্রথম পরিচালক: জার্গেন স্টরবেক।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
- নির্বাহী পরিচালক: ক্যাথরিন ডি বোলেীরা

⇒ ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ তারিখে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে Europol-এর সৃষ্টি হয়। 

উৎস: Europol ওয়েবসাইট।
৭১.
ন্যাটোর কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা সমগ্র জোটের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয় কোন আর্টিকেলের অধীনে?
  1. আর্টিকেল ৪
  2. আর্টিকেল ৫
  3. আর্টিকেল ৭
  4. আর্টিকেল ৮
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

• ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 
- NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৭২.
কোন মুসলিম দেশটি ন্যাটো সামরিক জোটের সদস্য?
  1. আলজেরিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
→ মুসলিম সদস্য রাষ্ট্র: আলবেনিয়া (২০০৯) ও তুরস্ক (১৯৫২)।

• NATO:

- North Atlantic Treaty Organisation
→ পরিচিতি: 
- NATO হলো একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- গঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর:
- লক্ষ্য: পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

→ প্রতিষ্ঠার ভিত্ত :

- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি দেশ;
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম;
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।

• সদস্যতা ও সম্প্রসারণ:

- Open Door Policy (অনুচ্ছেদ - ১০);
- "ন্যাটোর সদস্যপদ যেকোনো ইউরোপীয় দেশের জন্য উন্মুক্ত, যদি তারা সংগঠনের নীতিমালা ও নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করে।"
- সর্বশেষ (৩২তম) সদস্য: সুইডেন;
- মুসলিম সদস্য রাষ্ট্র: আলবেনিয়া ও তুরস্ক

• ভৌগোলিক পরিধি:
- ইউরোপ মূল অপারেশন এলাকা;
-  ইউরোপের বাইরের প্রথম মিশন: আফগানিস্তান (২০০৩)।
• সদস্যপদের পূর্বশর্ত:
- দেশটি ইউরোপের হতে হবে
- নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সামরিক মান পূরণ করতে হবে

 উৎস: NATO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৭৩.
ন্যাটোর ১০ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সম্মিলিত প্রতিরক্ষা
  2. শান্তিপূর্ণ সমাধান
  3. অতিরিক্ত পক্ষসমূহ
  4. জোটের সদস্যতা ত্যাগ
ব্যাখ্যা

NATO:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৭৪.
সিয়াটো জোটের সদস্য ছিল -
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধত্তোর সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্লকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯৫৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সিয়াটো (SEATO-Southeast Asian Treaty Organization) নামে সামরিক জোট গড়ে উঠে।

এই জোটের সদস্য ছিল ৮টি দেশ
এগুলো হলো:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- গ্রেট ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন এবং
- পাকিস্তান।

- সিয়াটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো ব্যাংককে। পাকিস্তান ১৯৭৩ সালে সিয়োটো জোট ত্যাগ করে। ১৯৭৭ সালে সিয়োটো জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
৭৫.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কয়টি? 
  1. ৯টি 
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি 
ব্যাখ্যা

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।             
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় :  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে:  আঙ্কারা, তুরস্ক।  

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

৭৬.
Joint Expeditionary Force মূলত কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে?
  1. দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগর
  2. মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল 
  3. পূর্ব আফ্রিকা
  4. উত্তর ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

Joint Expeditionary Force:
- Joint Expeditionary Force হলো যুক্তরাজ্য-নেতৃত্বাধীন একটি উত্তর ইউরোপীয় সামরিক জোট।
- এই জোট সংকট মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম। 
- গঠিত হয়: ২০১৪ সালে।
- সদস্য দেশ: ১০টি।
- সদস্য দেশসমূহ: যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে এবং সুইডেন।
- উদ্দেশ্য: উত্তর ইউরোপ এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়া জানানো।
- কার্যকারিতা: জেইএফ-এর নিজস্ব বাহিনী আছে যা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত মোতায়েন করা যায়। প্রয়োজনে এটি NATO, UN বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনেও কাজ করতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জেইএফ-এ ‘বর্ধিত অংশীদারিত্ব’ মর্যাদা পেয়েছে ইউক্রেন।

উৎস: Joint Expeditionary Force ওয়েবসাইট। [link]

৭৭.
কোন শহরে ন্যাটোর সদর দপ্তর অবস্থিত?
  1. রোম
  2. ব্রাসেলস
  3. লন্ডন
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটোতে বর্তমানে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে, এবং এটি প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোর মহাপরিচালক হলেন মার্ক রুটে। [জানুয়ারি - ২০২৫] 
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুটি মুসলিম দেশ হল তুরস্ক এবং আলবেনিয়া। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে। সর্বশেষ, ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করেছে।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৭৮.
কোন জোটের নেতৃবৃন্দ IPMDA প্রনয়ন করে?
  1. ক) CENTO
  2. খ) NATO
  3. গ) Quad
  4. ঘ) ANZUS
ব্যাখ্যা
- IPMDA'র পূর্ণরূপ - Indo-Pacific Partnership for Maritime Domain Awareness.
- কোয়াড জোটের নেতৃবৃন্দ IPMDA প্রনয়ন করে। 
- কোয়াড্রাল্যাটেরাল সিকিউিরিটি ডায়ালগ যা সংক্ষেপে কোয়াড নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৭৯.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫১ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট যা একটি পাল্টা ওজন তৈরি করতে চেয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
- শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর , ন্যাটোকে একটি "সহযোগী-নিরাপত্তা" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
- এর ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেনস স্টলেনবার্গ।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৮০.
বাংলাদেশ সদস্য নয় :
  1. ILO
  2. SAARC
  3. NATO
  4. BIMSTEC
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ন্যাটোর সদস্য নয়।

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

অন্যদিকে -
• ILO:
- ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

• SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বাংলাদেশ SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

• BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।
- বাংলাদেশ BIMSTEC এব প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
৮১.
ইরানি আল কুদস ফোর্সের বর্তমান প্রধান কে? (২০২৪)
  1. ইসমাঈল হানিয়া
  2. কাশেম সুলাইমানি
  3. খালেদ মেশাল
  4. ইসমাঈল কানি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইরানের কুদস ফোর্স
- কুদস বাহিনী ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোরের অংশ।
- ইরানের হয়ে বাহিনীটি হিজবুল্লাহসহ তেহরানপন্থী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে সমন্বয় করে।
- ২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় কুদস ফোর্সের তৎকালীন প্রধান কাশেম সোলাইমানি নিহত হন।
- তিনি নিহত হওয়ার পর ইসমাঈল কানিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গাডর্স কোরের বৈদেশিক সামরিক গোয়েন্দা শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান করে তেহরান।
- ৬৭ বছর বয়সী কানি উত্তর-পূর্ব ইরানের একটি রক্ষণশীল শিয়া মুসলিম ধর্মীয় শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বিপ্লবী গার্ডের হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি।

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট। 
৮২.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়-
  1. পোল্যান্ডে
  2. জার্মানি
  3. বেলারুশে
  4. আলজেরিয়ায়
ব্যাখ্যা
• ওয়ারশ প্যাক্ট(Warsaw Pact):
- Warsaw Pact  এর পুর্ণনাম Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- এটি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: ওয়ারশ প্যাক্টের লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো, সোভিয়েত প্রভাব ধরে রাখা এবং পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- স্বাক্ষরকাল: ১৪মে, ১৯৫৫।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি;
- সোভিয়েত ইউনিয়ন,
- আলবেনিয়া,
- বুলগেরিয়া,
- চেকোস্লাভিয়া,
- পূর্ব জার্মানি,
- হাঙেরি,
- পোল্যান্ড ও
- রোমানিয়া।
- স্নায়ুযুদ্ধ শেষে সমাজতান্ত্রিক শাসন দুর্বল হয়ে গেলে ওয়ারশ প্যাক্ট অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জুলাই ১৯৯১ সালে 'ওয়ারশ প্যাক্ট' বিলুপ্ত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৮৩.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিবছর কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জানুয়ারি
  2. খ) ফেব্রুয়ারি
  3. গ) সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) অক্টোবর
ব্যাখ্যা
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
(তথ্যসূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট)
৮৪.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০
  2. ১৯৬২
  3. ১৯৬৩
  4. ১৯৬৪
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC)
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (MSC) বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার অন্যতম প্রধান ফোরাম।
- এটি প্রতি বছর জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়। 
- এই সম্মেলন বিশ্বনেতা, সামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের একত্রিত করে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা এভাল্ড-হেইনরিখ ফন ক্লাইস্ট (Ewald-Heinrich von Kleist)।
- এর প্রাথমিক নাম- "Wehrkundetagung" (ডিফেন্স কনফারেন্স)
- শুরুতে এটি শুধু ন্যাটো সদস্যদের জন্য ছিল।
- সময়ের সাথে সাথে এটি বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- এটি শুধুমাত্র সামরিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করে না, বরং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানবাধিকার, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনীতি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সুযোগ তৈরি করে।
- এই সম্মেলনে সাধারণত বিশ্ব রাজনীতির শীর্ষ নেতা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
- সাম্প্রতিক যুদ্ধ, সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়।
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, চীন-তাইওয়ান সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
 - প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা হুমকি নিয়েও আলোচনা হয়।
- ২০২৫ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এই সম্মেলনে যোগ দেন।

উৎস:
ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

৮৫.
নিচের কোন দেশটি 'কোয়াড' সংলাপের সদস্য?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

কোয়াড:
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম’ QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি (যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান)।

• কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.

৮৬.
ন্যাটো (NATO) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৮৭.
আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারপার্সন কে?
  1. ক) থাবো এমবেকি
  2. খ) আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি
  3. গ) চিরিল রামাফোসা
  4. ঘ) আহমেদ আবুল ঘেইত
ব্যাখ্যা
AU এর পূর্ণরূপ African Union যা আফ্রিকা মহাদেশ সমূহের একটি সংগঠন। পূর্বে এর নাম ছিল আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা।
আফ্রিকান ইউনিয়ন নামকরণ করা হয় ৯ জুলাই, ২০০২ সালে। আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া এবং সদস্য সংখ্যা ৫৫ টি। আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান চিরিল রামাফোসা। (Feb 2020 to Feb 2021 - Cyril Ramaphosa, South Africa)
উৎসঃ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৮.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. সৌদি আরব
  2. আলবেনিয়া
  3. তুরস্ক
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা

ন্যাটো (NATO) :
- NATO এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১২টি।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- ন্যাটোর মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- অনুচ্ছেদ- ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৮৯.
নিচের কোন দেশটি Warsaw Pact এর সদস্য দেশ ছিলো?
  1. পূর্ব জার্মানি
  2. বুলগেরিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

• সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি;
→ সোভিয়েত ইউনিয়ন,
আলবেনিয়া,
বুলগেরিয়া,
→ চেকোস্লাভিয়া,
পূর্ব জার্মানি,  
→ হাঙেরি,
→ পোল্যান্ড ও
→রোমানিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৯০.
নিচের কোন দেশটি কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত নয়? (আগস্ট-২০২৫)
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad):
- চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ (Quadrilateral Security Dialogue) বা সংক্ষেপে কোয়াড হল একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত 'ভারত মহাসাগর' ও 'প্রশান্ত মহাসাগরে' নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: Council on Foreign Relations.

৯১.
'NATO'- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. বেলজিয়াম
  4. লাওস 
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO):
- ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 
- ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো- North Atlantic Treaty Organization.
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশের সংখ্যা ৩২টি এবং 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো সুইডেন, যা ২০২৪ সালের মার্চে যোগ দেয়।

উল্লেখ্য, 
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি অনুসারে যৌথভাবে তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই ন্যাটোর প্রধান কাজ।
- ২০২৫ সালের ২৪–২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রথমবারের মতো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস:
১. Britannica;
২. প্রথম আলো। 

৯২.
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট কত সালে সাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৩৯
  2. ১৯৪৩
  3. ১৯৪৯
  4. ১৯৬০
ব্যাখ্যা

♦ নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট ১৯৪৯ সালে সাক্ষরিত হয়।

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

⇒ ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।
 - এছাড়াও, ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৯৩.
'OSCE' কোন অঞ্চলের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন?
  1. ইউরোপ
  2. দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু (Feridun H. Sinirlioğlu - তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।
৯৪.
‘ড্রোন’ কী?
  1. ক) আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র
  2. খ) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  3. গ) চালকবিহীন বিমান
  4. ঘ) বিমানবাহী রণতরী
ব্যাখ্যা
‘ড্রোন’ হলো এক প্রকার চালকবিহীন বিমান।
এটি Unmanned Aerial Vehicles(UAVs) কিংবা Remotely Piloted Aerial Systems (RPAS) নামেও পরিচিত।
এ ধরনের বিমান মনুষ্যচালিত বিমান থেকে আকারে ছোট হয়ে থাকে।
যেসব ক্ষেত্রে পাইলট চালিত বিমানের বিচরণ ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা পাইলটের সংকট রয়েছে সেসব ক্ষেত্রে সাধারণত ড্রোন ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৯৫.
কোন দেশগুলো 'I2U2 গ্রুপিং' এর সাথে যুক্ত?
  1. ভারত, ইরান, ইউনাইটেড কিংডম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
  2. ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
  3. ভারত, আয়ারল্যান্ড, ইউনাইটেড কিংডম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
  4. ভারত, ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ব্যাখ্যা
• I2U2:
- নতুন অর্থনৈতিক জোট: I2U2 ( I2= India, Israel) & (U2=USA, UAE).
- প্রথম বৈঠক হয়: ১৩-১৬ জুলাই, ২০২২।
- I2U2 হল চারটি দেশ- ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা গঠিত নতুন গ্রুপিং।
- I2U2 গ্রুপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পুনঃশক্তির প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে গঠিত হয়েছে৷ 
- ভার্চুয়ালে প্রথম I2U2 শীর্ষ সম্মেলন 2022 সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- চার দেশের নেতারা খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ও সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।
- ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আহমেদ আলবান্না 'I2U2' গ্রুপিংকে ‘ওয়েস্ট এশিয়ান কোয়াড’ হিসাবে উল্লেখ করেন।

সূত্র: Whitehouse.gov & The New York Times.
৯৬.
নিচের কোনটি Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না?
  1. হাঙ্গেরি
  2. রোমানিয়া
  3. ব্রিটেন
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেন Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না। 

ওয়ারশ প্যাক্ট: 

- এর পূর্ণ নাম Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance,
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি ১৯৫৫ সালের ১৪ মে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তিতে পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশ— সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া। 

উল্লেখ্য, 
- ওয়ারশ প্যাক্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- এটি স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- অবশেষে, ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। 

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
৯৭.
বর্তমানে NATO-র মহাসচিব কে?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. মার্ক রুটে 
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প 
  3. ভলোদিমির জেলেনস্কি
  4. জেনস স্টল্টেনবার্গ 
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO): 
- ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো : North Atlantic Treaty Organization.
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি অনুসারে যৌথভাবে তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই ন্যাটোর প্রধান কাজ।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশের সংখ্যা ৩২টি এবং
- ২০২৫ সালের ২৪–২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রথমবারের মতো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে দায়িত্ব গ্রহন করেছেন।

উৎস: Britannica ও NATO Official Website.

৯৮.
NATO- এর বর্তমান মহাসচিব কে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. রাশিদ অলিমিভ
  2. মার্ক রুট
  3. জাৰ্গেন স্টর্ক
  4. ফিলিপ্পো গ্রান্ডি
ব্যাখ্যা

The North Atlantic Treaty Organization ( NATO) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট 
- ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র- ৩২ টি।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার ১৪তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মার্ক রুট।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

৯৯.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তির কোন ধারাটিকে ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয়?
  1. ৪র্থ ধারা
  2. ৫ম ধারা
  3. ৬ষ্ঠ ধারা
  4. ৭ম ধারা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১০০.
সর্বশেষ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির কত শতাংশ ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ৩%
  2. ৩.৫%
  3. ৫.৫%
  4. ৫%
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের হেগ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে বার্ষিক জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

২০২৫ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
- উল্লেখ্য, এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

⇒ সামরিক সহযোগিতার জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

এছাড়াও,
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।