উত্তর
ব্যাখ্যা
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭১ / ১৩১ · ৭,০০১–৭,১০০ / ১৩,০৮৮
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
গুগলের বর্তমান সিইও সুন্দর পিচাই।
মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
Space X এবং Tesla এর সিইও এলন মাস্ক।
IBM এর বর্তমান সিইও অরবিন্দ কৃষ্ণা।
অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
অন্যদিকে,
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• RAM বলতে Random Access Memory বোঝায়, যা কম্পিউটারের মুখ্য কার্যকরী স্মৃতি (Main Storage) হিসেবে কাজ করে। এটি Volatile Memory, অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ হলে এর মধ্যে থাকা তথ্য মুছে যায়। RAM-এর মাধ্যমে প্রসেসর দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে, যা সিস্টেমের পারফরম্যান্স বাড়াতে সহায়তা করে। তাই RAM হলো এমন একটি মেমোরি যা ডেটা Read ও Write উভয়ভাবে সমর্থন করে এবং অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে। সংক্ষেপে বলা যায়, RAM হলো Read Write Memory, Main Storage, এবং Volatile Memory-এর সব মিলিত বৈশিষ্ট্যের একটি স্মৃতি। সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো।
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)
• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- RAM কে Main Storage এবং Read Write Memory ও বলা হয়।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।
• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
২। ব্রিটানিকা
উত্তর: ক) Oculus Rift
সূত্র:
cnet.com [লিংক]
◉ ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য জড়িত থাকে। এজন্য নিচের সবগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন—
এনক্রিপশন (Encryption): ডেটা এনক্রিপ্ট করলে তথ্য ট্রান্সমিশনের সময় নিরাপদ থাকে এবং অননুমোদিত ব্যক্তির পক্ষে ডেটা পড়া অসম্ভব হয়।
ফায়ারওয়াল (Firewall): নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA): পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি যাচাইকরণ ধাপ (যেমন OTP বা বায়োমেট্রিক) ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাড়ায়।
অর্থাৎ, নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের জন্য এই তিনটি ব্যবস্থাই একসাথে প্রয়োগ করা জরুরি।
ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।
উৎস:
১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। stripe.com ওয়েবসাইট। [লিংক]
◉ কম্পিউটারের গতি ও কর্মদক্ষতা নির্ভর করে সিপিইউ (Central Processing Unit)-এর ওপর, কারণ এটি সমগ্র সিস্টেমের "মস্তিষ্ক" হিসেবে কাজ করে। সিপিইউ-এর ডিজাইন, ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশে মেমরি সরাসরি প্রসেসিং গতিকে প্রভাবিত করে।
সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - গ) ডিজিটাল ক্যামেরা
• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।
• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ র্যানসমওয়্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।
ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।
র্যানসমওয়্যার:
- র্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
প্রশ্ন: (110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।
সমাধান:
(110011)2 = (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 0 + 0 + 2 + 1
= 51
∴ (110011)2 = (51)10
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে পিসি বলা হয়। মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে কারিগরি নাম এবং পিসি হচ্ছে চলতি নাম।
প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি। এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।
উৎসঃ এসএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
• প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম হলো এপসন। ১৯৮০ সালের দিকে, প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারকে বহনযোগ্য করার ধারণা এসেছে। এই ধারার প্রথম বাস্তব উদাহরণ হলো এপসনের ‘HX-20’ ল্যাপটপ, যা বিশ্বের প্রথম কম্প্যাক্ট এবং পোর্টেবল কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। এটি ছোট আকারের হলেও প্রিন্টার, ডিসপ্লে এবং ব্যাটারি সমন্বিত ছিল, যা ব্যবহারকারীদের সহজে যেকোনো স্থানে কাজ করার সুবিধা প্রদান করত। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট বা আই.বি.এম পরবর্তীতে ল্যাপটপ বা পোর্টেবল কম্পিউটার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, কিন্তু প্রথম ল্যাপটপের কৃতিত্ব এপসনের।
- উত্তর: খ) এপসন।
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপের প্রধান কাজ হলো এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করা। ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর, যার দুটি স্থায়ী অবস্থা থাকে: ০ ও ১।
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
• সঠিক উত্তর - ঘ) CIH.
- উল্লেখ্য, অপশন (ক) CHI - the twenty-second letter of the Greek alphabet.
- Computer-Human Interaction (CHI): কম্পিউটার বিজ্ঞানে মানুষের ও কম্পিউটারের ইন্টারঅ্যাকশন নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্র।
- অপশন দাগানোর পূর্বে চারটি অপশন অবশ্যই ভালোভাবে পড়বেন, প্রশ্ন এবং অপশনে কোনো প্রকার ট্র্যাপ আছে কিনা - তা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে।
• চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প নাম হলো CIH. এটি ১৯৯৮ সালে প্রথম সনাক্ত হয়েছিল এবং মূলত উইন্ডোজ ৯৫ এবং উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেমে প্রভাব ফেলে। ভাইরাসটি কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেমকে ক্ষতি করার পাশাপাশি হার্ডওয়্যার, বিশেষ করে মাদারবোর্ডের BIOS-ও নষ্ট করতে পারে। CIH ভাইরাসের নামকরণ চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনার কারণে করা হয়েছে, কারণ এটি সিস্টেমের জন্য তেমন ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে, যেমন চেরনোবিল দুর্ঘটনা পৃথিবীর জন্য ধ্বংসাত্মক ছিল। ILOVEYOU এবং Melissa ভাইরাসের সাথে এটি সম্পর্কিত নয়; সেগুলো আলাদা ধরনের ভাইরাস যা প্রধানত ইমেইল বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সঠিক বিকল্প নাম হলো CIH.
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
- এটি কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এই ধরনের প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা বা ক্ষতি সাধন করা।
- ১৯৫০ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা উদ্ভাবিত হয়।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকেন।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ সিস্টেমকে সংক্রমিত করে অচল করে দিতে পারে।
- ইন্টারনেট, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা CIH ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। এটি ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ চালায়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• হার্ডডিস্ক একটি কম্পিউটার স্টোরেজ ডিভাইস যা বড় পরিমাণের তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি প্রধানত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা পাওয়ার বন্ধ থাকা সত্ত্বেও হারায় না। কম্পিউটারে হার্ডডিস্ককে Secondary Memory হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, কারণ এটি প্রধান বা প্রাথমিক মেমরির চেয়ে ধীর গতিতে কাজ করে এবং র্যাম-এর মতো তাত্ক্ষণিক প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয় না। হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যক্তিগত ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) Secondary Memory.
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।
• উচ্চ স্তরের ভাষা(High Level Language):
- উচ্চ স্তরের ভাষা সংকেত বা সাংকেতিক কোডনির্ভর নয়।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য, অর্থাৎ এটি মেশিন-স্বাধীন।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার তুলনায় প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও কম শ্রমসাধ্য।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার দ্বারা মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে হয়।
- অনুবাদের পর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি নির্বিঘ্নে বুঝতে ও চালাতে পারে।
• উচ্চ স্তরের ভাষার উদাহরণ:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG.
• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এক ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন তুলনামূলকভাবে সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় বিপুল সংখ্যক লাইব্রেরি ফাংশন বিদ্যমান।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন হয় না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।
◉ Windows অপারেটিং সিস্টেমে টাস্ক ম্যানেজার (Task Manager) খুলতে Ctrl + Shift + Esc শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি Task Manager চালু করে, যেখানে প্রোগ্রাম মনিটরিং, প্রসেস কন্ট্রোল, ও মেমোরি ব্যবস্থাপনা করা যায়।
আবার, Ctrl + Alt + Del প্রেস করেও Task Manager চালু করা যায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) Windows key + Ctrl + C – এটি সাধারণত Color Filter টগল করার জন্য ব্যবহৃত হয়, টাস্ক ম্যানেজারের জন্য নয়।
গ) Alt + F4 – এটি বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ঘ) Ctrl + Tab – এটি ব্রাউজার বা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনে ট্যাব পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [লিংক]
কী-বোর্ড থেকে Delete - কী চাপলে কার্সরের পরের অক্ষর মুছে যায়।
Esc কী ব্যবহৃত হয় - Current task cancel করতে।
End কী ব্যবহৃত হয় - কার্সর লাইনের শেষে নিয়ে যেতে অথবা কোন webpage এর শেষে যাওয়ার জন্য।
সোর্স: মাইক্রোসফট এর ওয়েবসাইট।
• ক্রায়োসার্জারির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো নাইট্রোজেন (ঘ)। ক্রায়োসার্জারি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অসুস্থ বা অস্বাভাবিক টিস্যুকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায়বা ধ্বংস করা হয়। এতে প্রায়শই তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি −১৯৬°C তাপমাত্রায় পৌঁছাতে পারে, যা কোষের পানি তৎক্ষণাৎ করে দেয় এবং কোষ ধ্বংস করে। নাইট্রোজেনের এই চরম ঠান্ডা ক্ষমতার কারণে এটি অন্যান্য তাপমাত্রা হ্রাসকারী পদার্থের তুলনায় বেশি কার্যকর। অন্য বিকল্প যেমন ইথানল, ফ্রেয়ন বা মিথেন এই তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে না এবং তাই ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণভাবে ব্যবহার হয় না। তাই, সঠিক এবং নিরাপদ ক্রায়োসার্জারির জন্য নাইট্রোজেনই মূল উপাদান।
• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- পাইলস, চর্মরোগ, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়। সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল লেনদেন এবং গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়। তাই হ্যাকার বা অননুমোদিত প্রবেশকারীরা তথ্য চুরি বা ক্ষতি করতে পারে। এই ঝুঁকি না মোকাবেলা করলে গ্রাহকের আস্থা হারিয়ে যায় এবং ব্যবসার ক্ষতি হয়। অন্যান্য বিষয় যেমন ২৪/৭ উপলব্ধতা, ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনেক গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সাইবার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সমগ্র ই-কমার্স কার্যক্রম বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই এটি সর্বদা অগ্রাধিকার দিতে হয়।
উত্তর: গ) সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।
• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।
• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.
• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়।
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C).
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• CDMA:
- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে Kin Tomson Denis Ritche প্রথম উদ্ভাবন করেন।
Unix - একটি Open Source Operating System।
• ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায়, ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য (unreadable) ফর্মে রূপান্তর করার জন্য একটি এনক্রিপশন অ্যালগরিদম বা সাইফার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি গাণিতিক পদ্ধতি, যা ইনপুট (প্লেইনটেক্সট) এবং একটি কী (Key) ব্যবহার করে এনক্রিপটেড ডেটা (সাইফারটেক্সট) তৈরি করে।
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)
• ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- প্লেইনটেক্সট হলো এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার আগে থাকা আসল বা মূল ডেটা।
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়। এনক্রিপশন অ্যালগরিদম এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট উভয় প্রক্রিয়াতেই ব্যবহৃত হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত কম তাপমাত্রা ব্যবহার করে অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর টিস্যু ধ্বংস করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোকে নিরাপদভাবে অপসারণ বা ধ্বংস করা, বিশেষ করে ক্যান্সার বা অন্যান্য অসামান্য কোষের ক্ষেত্রে। এই প্রক্রিয়ায় তরল নাইট্রোজেন বা অন্যান্য ঠান্ডা পদার্থ ব্যবহার করে লক্ষ্যভিত্তিক টিস্যুকে দ্রুত জমিয়ে ধ্বংস করা হয়। এটি একটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি যা সাধারণত রোগীর দ্রুত সুস্থতার সুযোগ দেয় এবং চারপাশের সুস্থ টিস্যুকে প্রায় ক্ষতিমুক্ত রাখে। সুতরাং, ক্রায়োসার্জারির মূল কারণ হলো অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।
- সঠিক উত্তর হলো গ) অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।
• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + N
গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.
উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
• আচরণিক বৈশিষ্ট্য হলো ক) স্বাক্ষর। কারণ স্বাক্ষর মানুষ দ্বারা শেখা এবং অভ্যাসের মাধ্যমে গঠিত, এটি জন্মগত বা শারীরিকভাবে নির্ধারিত নয়। অন্যদিকে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস এবং মুখমন্ডলের অবয়ব সবাই শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যা জেনেটিক এবং শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল। আঙুলের ছাপ এবং আইরিসের প্যাটার্ন অপরিবর্তনীয় এবং ব্যক্তিগত স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। মুখমন্ডলের অবয়বও শারীরিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত। তাই স্বাক্ষরই হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা শারীরিক নয়, বরং আচরণ ও অভ্যাসের উপর নির্ভরশীল।
• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।
• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
◉ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology) হলো নেটওয়ার্কে বিভিন্ন ডিভাইস (কম্পিউটার, রাউটার, সুইচ) কীভাবে সংযুক্ত থাকবে, তা বর্ণনা করার একটি পদ্ধতি। এটি মূলত নেটওয়ার্কের গঠন (structure) বা ডিজাইনকে বোঝায়।
নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্টগুলো যে প্রক্রিয়ায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- নেটওয়ার্ক টপোলজিতে সাধারণত নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল অবস্থার বর্ণনা করা হয়।
বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি সমূহ হলো:
১. বাস টপোলজি,
২. রিং টপোলজি,
৩. স্টার টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি,
৫. হাইব্রিড টপোলজি,
৬. মেশ টপোলজি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
◉ 5G নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত উচ্চ গতি (high data rate) ও কম লেটেন্সি (low latency)। এই লক্ষ্য অর্জনে 5G-তে মিলিমিটার ওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড (সাধারণত 24 GHz–100 GHz) ব্যবহার করা হয়।
5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।
5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।
অন্যদিকে,
সার্কিট সুইচিং - 2G নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হতো;
প্যাকেট সুইচিং - 3G/4G ও ইন্টারনেটের সাধারণ বৈশিষ্ট্য;
অ্যানালগ ট্রান্সমিশন - আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ডিজিটাল।
সোর্স:
১। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২। International Telecommunication Union (IMT 2020 (5G) in Asia-Pacific – Key Insights).
• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের থেকে ভিন্ন কারণ এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়। সাধারণ কম্পিউটার যেমন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারে, যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট তৈরি বা গেম খেলা। কিন্তু এমবেডেড কম্পিউটার বিশেষ কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমে যেমন ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল ফোন বা গাড়ির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ব্যবহার হয় এবং শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য প্রোগ্রাম করা থাকে। তাই এটি সাধারণ কম্পিউটারের মতো বহুমুখী নয়।
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly.
উৎস:
- sciencedirect [link]
রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্যঃ
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়ােজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।
(অপশনে 'খ' নং বাদে বাকিগুলো র্যামের বৈশিষ্ট্য)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
• “ট্যালি” হলো নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। এতে সংখ্যাগুলো সাধারণত লাঠি বা চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন | || ||| ইত্যাদি। এখানে প্রতিটি চিহ্ন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু চিহ্নের অবস্থান সংখ্যা মান পরিবর্তন করে না। অর্থাৎ, সংখ্যার মান নির্ভর করে শুধুমাত্র চিহ্নের সংখ্যা বা গণনার উপর, অবস্থানের উপর নয়। এটি পজিশনাল পদ্ধতির মতো নয়, যেখানে স্থান বা অবস্থান সংখ্যা মান নির্ধারণ করে। ট্যালি পদ্ধতি প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়েছে গণনা এবং হিসাবের জন্য। তাই এটি স্পষ্টভাবে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি উদাহরণ।
সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।