বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৬৯ / ১৩১ · ৬,৮০১৬,৯০০ / ১৩,০৮৮

৬,৮০১.
MPEG কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Audio
  2. খ) Video
  3. গ) Image
  4. ঘ) Document
সঠিক উত্তর:
খ) Video
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Video
ব্যাখ্যা
ভিডিও:
- একই সাথে সাউন্ড ও চলমান চিত্র সমৃদ্ধ কন্টেন্টই ভিডিও।
- ভিডিওর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে চলমান চিত্র ফুটে ওঠে।
- যে কোনো মুভি, অ্যানিমেশন, কার্টুন কিংবা ডুকমেন্টারি ভিডিও কন্টেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
- ভিডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .mp4, .mpeg, .avi, .flv, .3gp, .vob, .mov, .wmv, .srt, .swf ইত্যাদি।

অডিও:
- যে কন্টেন্ট থেকে কেবল শব্দ বা সাউন্ড শোনা যায়, তাকে অডিও কন্টেন্ট বলা যায়।
- অডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে: .mp3, .wma, .wav, .aif, .iff, .m3u, .m4a, .mid, .mpa ইত্যাদি।

ইমেজ:
- ইমেজ বা ছবির আরেক নাম স্থিরচিত্র। কোন একটি নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্তের ছবি ধরে রাখা হয় ইমেজের মাধ্যমে। আবার কোন ব্যক্তি বা বস্তুর ছবিও ইমেজের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
- ইমেজের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .jpg, .png, .gif, .psd, .bmp, .dds, .pspimage ইত্যাদি।

ডকুমেন্ট:
- মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ডের মাধ্যমে তৈরি বা ব্যবহারকৃত সব ফাইলই ডকুমেন্ট। তাছাড়া, Portable Document Format (PDF) বা পিডিএফ, নোটপ্যাডে সকল অ্যাপ্লিকেশনে তৈরি বা ব্যবহৃত সকল ফাইলই ডকুমেন্ট।
- একটি ডকুমেন্ট ফাইলের এক্সটেনশন কয়েক ধরনের হতে পারে। যথা: .doc, .docx, .rtf, .txt, .pdf ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮০২.
নিচের কোন আইপি অ্যাড্রেসটি ভুল?
  1. 192.11.195.245
  2. 192.111.195.25
  3. 192.11.195.257
  4. 192.11.195.200
সঠিক উত্তর:
192.11.195.257
উত্তর
সঠিক উত্তর:
192.11.195.257
ব্যাখ্যা
192.11.195.257 এই আইপি অ্যাড্রেসটি ভুল, কারণ চতুর্থ অকটেটের মান 255 এর বেশি (257)।

আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮০৩.
10101 এর 1's complement কোনটি?
  1. 01010
  2. 01100
  3. 00000
  4. 11111
সঠিক উত্তর:
01010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
01010
ব্যাখ্যা
⚪ ১'s complement মানে হলো একটি বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি বিট (bit) উল্টে ফেলা — অর্থাৎ,

যেখানে 1 আছে, সেখানে 0 বসবে

যেখানে 0 আছে, সেখানে 1 বসবে।

১০১০১ সংখ্যাটির ১'s complement হবে:
⇒ প্রতিটি বিট উল্টালে হয়:
⇒ ০১০১০

এখানে,
10101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৮০৪.
Which symbol must remain in e-mail address?
  1. ক) $
  2. খ) #
  3. গ) @
  4. ঘ) &
সঠিক উত্তর:
গ) @
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) @
ব্যাখ্যা
- ইমেইলে '@' চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়। 
- ইমেইল কথাটির মানে হলাে ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ইলেক্ট্রনিক চিঠি।
- ই-মেইল এড্রেস হলো কোন ব্যক্তির সাথে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করার একটি পরিচয়। একটি চিঠি পাঠালে হলে প্রাপক ও প্রেরকের যেমন একটি ঠিকানা বা এড্রেস প্রয়োজন তেমনি ই-মেইল পাঠানোর জন্যও একটি ঠিকানা বা E-mail এড্রেস প্রয়োজন।

ই- মেইলের সুবিধাবলী- 
১. ই-মেইল ব্যবহার করা সহজ। যে কোন তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। 
২. মুহূর্তেই বিশ্বের যে কোন জায়গায় তথ্য পাঠানো যায়।
৩. ই-মেইলের সাথে এটাচ করে লেখা, অডিও, ভিডিও ইত্যিাদি পাঠানো যায়।
৪. একই মেইল একইসাথে অনেকের কাছে পাঠানো যায়।
৫. ই-মেইলের মাধ্যমে কম খরচে ও সহজে প্রোডাক্ট মার্কেটিং করা যায়।
৬. ই-মেইল ব্যবস্থায় কোন কাগজের ব্যবহার না থাকায় এটি পরিবেশ বান্ধব।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৬,৮০৫.
ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে কোন সুবিধা ব্যবহার করা হয়?
  1. ডাটা ভ্যালিডেশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. রিপোর্ট ডিজাইন
  4. চার্ট টুল
সঠিক উত্তর:
ডাটা ভ্যালিডেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা ভ্যালিডেশন
ব্যাখ্যা

• ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

• মাইক্রোসফ্ট এক্সেসের বৈশিষ্ট্য:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেস একটি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
- এক্সেসের মাধ্যমে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।
- ডাটাবেজে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

• ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ভ্যালিডেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- এর ফলে ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ডাটা এন্ট্রি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব:
- সঠিক ডাটা এন্ট্রি নিশ্চিত হলে ডাটাবেজ নির্ভরযোগ্য হয়।
- হিসাবরক্ষণ, রিপোর্ট ও বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়।
- তাই মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা ভ্যালিডেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ইনডেক্সিং: বিপুল ডাটা থেকে দ্রুত ডাটা অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রিপোর্ট ডিজাইন: সংরক্ষিত ডাটা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চার্ট টুল: ডাটাকে গ্রাফিক্যালভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮০৬.
কোনো ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইনকে ঐ ডাটাবেজের কী বলে?
  1. ইন্সট্যান্স
  2. এনটিটি
  3. এট্রিবিউট
  4. স্কিমা
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
ব্যাখ্যা
♦ স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।
- ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা-
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.
- physical schema হলো ডাটাবেজের ফিজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা আর logical schema হলো ডাটাবেজের লজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা।
- প্রোগ্রামারগণ logical schema তৈরির মাধ্যমে প্রোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- অন্যদিকে, subschemas ডাটাবেজের বিভিন্ন ধরনের ভিউ সংক্রান্ত বর্ণনা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৮০৭.
মৌলিক লজিক গেইট কোনটি?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
AND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

সার্বজনীন গেইট:

- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮০৮.
কোথায় এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় না?
  1. গাড়ি
  2. প্রিন্টার
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ঘড়ি
সঠিক উত্তর:
ভিডিও এডিটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও এডিটিং
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
৬,৮০৯.
কোন ইলেকট্রনিক কম্পিউটারটি প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদিত হয়েছিল?
  1. UNIVAC
  2. EDSAC
  3. ENIAC
  4. MARK 1
সঠিক উত্তর:
UNIVAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIVAC
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম ছিল UNIVAC (Universal Automatic Computer)। এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, যা ১৯৫১ সালে তৈরি হয়েছিল।

• UNIVAC:
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ১৯৫২ সালে টমাস ওয়াটসন IBM-701 এবং ১৯৫৩ সালে IBM-650 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি করেন।

- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- EDSAC হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- মার্ক-১ হলো পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮১০.
নিচের কোনটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ডায়োড ও ট্রায়োড ভাল্ব ব্যবহৃত হতো
  2. এটি সীমিত তথ্য ধারণ করতে পারত
  3. প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার দশমিক পদ্ধতিতে কাজ করত
  4. সহজে বহনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
সহজে বহনযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজে বহনযোগ্য
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য—
১) প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার দশমিক পদ্ধতিতে কাজ করত ।
২) এটি বৃহদাকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল ।
৩) এটিতে ডায়োড ও ট্রায়োড ভাল্ব ব্যবহৃত হতো ।
৪) এটি দ্বারা প্রতি সেকেন্ড ৫০০০ যোগ বা ৩৫০ টি গুণ করা যেতো ।
৫) এটিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয়িত হতো ।
৬) এটি বসাতে দৈর্ঘ্যে ৯ মিটার এবং প্রস্থে ১৫ মিটারের জায়গার প্রয়োজন হতো ।
৭) এটি কাজের সময় খুব গরম হতো ।
৮) মাঝে মাঝে পানি ঢেলে এটিকে ঠান্ডা করার প্রয়োজন হতো ।
৯) এটি সীমিত তথ্য ধারণ করতে পারত ।
১০) এটি কম নির্ভর যোগ্যতাসম্পন্ন একটি যন্ত্র ।
১১) পাগ বোর্ড দিয়ে প্রোগ্রাম চালনা করা হতো ।
১২) এটি নাড়াচাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণ করা বড় সমস্যার বিষয় ছিল ।
উদাহরণ: UNIVAC - 1, IBM-701, IBM - 650, IBM-704, IBM-709

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
৬,৮১১.
এনক্যাপসুলেশন কোন ধরণের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের বৈশিষ্ট্য?
  1. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  2. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  3. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
  4. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
সঠিক উত্তর:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮১২.
যে ডিভাইস ব্যবহারকারীকে স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করতে সাহায্য করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাইক্রোফোন
  2. জয়স্টিক
  3. মাউস
  4. স্ক্যানার
সঠিক উত্তর:
মাউস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউস
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ব্যবহারে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে এবং নির্দেশনা দিতে সাহায্য করে। তাদের মধ্যে মাউস এমন একটি ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সরের অবস্থান নির্ধারণ এবং বিভিন্ন আইকন বা ফাংশনে ক্লিক করার মাধ্যমে কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে। মাউস সাধারণত হাতে ধরে ব্যবহার করা হয় এবং এটি বাম ও ডান বাটন এবং মাঝে হুইলসহ আসে। বাম বাটন সাধারণভাবে নির্বাচন বা ক্লিক করার কাজে ব্যবহৃত হয়, ডান বাটন অতিরিক্ত অপশন দেখায়, এবং হুইল স্ক্রল করার সুবিধা দেয়। তাই স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করার জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস হলো মাউস।
- উত্তর: গ) মাউস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

৬,৮১৩.
Which of the following is a storage device?
  1. Joystick
  2. Mouse
  3. Pen drive
  4. Scanner
সঠিক উত্তর:
Pen drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pen drive
ব্যাখ্যা
Pen drive is a storage device. 

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) ।

ক) ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

গ) স্টোরেজ ডিভাইস:
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন-
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৮১৪.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. Cassandra
সঠিক উত্তর:
Cassandra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cassandra
ব্যাখ্যা

• Cassandra হলো একটি ওপেন-সোর্স, ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডাটাবেস।
- এটি মূলত বিশাল পরিমাণ ডেটা (Big Data) অনেকগুলো সার্ভারে ছড়িয়ে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি প্রথাগত রিলেশনাল মডেল অনুসরণ করে না।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

৬,৮১৫.
স্মার্ট ওয়াচের প্রধান ব্যবহার নয় কোনটি?
  1. ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন
  2. মেসেজিং এবং কলিং ফিচার
  3. ডকুমেন্ট এডিটিং
  4. জিপিএস ট্র্যাকিং
সঠিক উত্তর:
ডকুমেন্ট এডিটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডকুমেন্ট এডিটিং
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- বর্তমানের স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে যার মাধ্যমে ইউজার তাঁর স্মার্টফোনের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন বা নিয়ন্ত্রণ পারে।
- যেমন ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতে পারে।
- তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

- স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার:
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করেন।
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার।
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে।
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়।

[কিছু স্মার্ট ওয়াচে নোট নেওয়া, ক্যালেন্ডার ম্যানেজ করা বা কিছু ছোটখাটো কাজ করা সম্ভব, তবে বড় ডকুমেন্ট এডিট করা, স্প্রেডশিট তৈরি করা  ইত্যাদি কাজগুলো করার জন্য বড় স্ক্রিন বা কম্পিউটার বা ট্যাবলেট বা মোবাইল প্রয়োজন। তাই এটি স্মার্ট ওয়াচের প্রধান সুবিধা বা ব্যবহার নয়।]

উৎস: Techtarget website.
৬,৮১৬.
স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে তৈরি করা যায়
i. জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ
ii. পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ
iii. স্কুল কলেজের ফলাফল
  1. iii
  2. i ও ii
  3. i ও iii
  4. i, ii ও iii
সঠিক উত্তর:
i, ii ও iii
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার। 
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্পেডশিট বলা হয়। 
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ইত্যাদি করা যায়। 
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়। 
যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যালক ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮১৭.
নিম্নের কোন কোম্পানি সর্বপ্রথম ল্যাপটপ তৈরি করেন?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) IBM
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) এপসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) এপসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এপসন
ব্যাখ্যা
এপসন কোম্পানি ১৯৮১ সালে সর্বপ্রথম ল্যাপটপ ধরনের কম্পিউটার তৈরি করেন। 

-প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটারটির মডেলের নাম হচ্ছে- Epson HX-20। 
-জুলাই, ১৯৮০ সালে Yukio Yokozawa প্রথম ল্যাপটপ তৈরি করেন।

সূত্র- Google Arts & Culture Website [লিঙ্ক]
৬,৮১৮.
নিচের কোনটি ক্ষতিকর কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. Norton
  2. ILOVEYOU
  3. Panda
  4. Kaspersky
সঠিক উত্তর:
ILOVEYOU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ILOVEYOU
ব্যাখ্যা

ILOVEYOU বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাসগুলোর একটি।
- এটি একটি ইমেইল ওয়ার্ম ছিল। ইমেইলে “ILOVEYOU” লেখা সাবজেক্ট ও “LOVE-LETTER-FOR-YOU.txt.vbs” নামে একটি অ্যাটাচমেন্ট থাকত।
- কেউ অ্যাটাচমেন্ট খুললেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ত এবং আউটলুক থেকে সব কন্টাক্টে নিজে নিজে মেইল পাঠাত। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছিল।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ILOVEYOU,
- Mydoom,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬,৮১৯.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
PROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PROM
ব্যাখ্যা
• "PROM" ইউনিপোলার মেমরি নয়।

• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়।
যথা:
১. বাইপোলার মেমরি ও
২. ইউনিপোলার মেমরি।

• ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮২০.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্সের উদাহরণ নয়?
  1. ফেইস রিকোগনিশন
  2. ভয়েস রিকোগনিশন
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
সঠিক উত্তর:
ফেইস রিকোগনিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেইস রিকোগনিশন
ব্যাখ্যা

ফেইস রিকোগনিশন হলো শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ (ফিংগার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি),
- মুখমন্ডলের অবয়ব (ফেইস রিকোগনিশন),
- চোখের আইরিস এবং রেটিনা শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ টেস্ট

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন),
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ (সিগনেচার ভেরিফিকেশন),
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ (টাইপিং কীস্ট্রোক)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬,৮২১.
A step-by-step procedure or set of rules used to solve a specific problem is known as
  1. Loop
  2. Variable
  3. Algorithm 
  4. Constant 
সঠিক উত্তর:
Algorithm 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Algorithm 
ব্যাখ্যা

• যেকোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সাজানো নির্দেশনাবলি বা নিয়মকে অ্যালগরিদম (Algorithm) বলা হয়।
- এটি মূলত একটি পরিকল্পনার মতো, যা অনুসরণ করলে একটি নির্দিষ্ট ফলাফল পাওয়া যায়। কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে কোড লেখার আগে সাধারণত অ্যালগরিদম তৈরি করে নেওয়া হয় যাতে যৌক্তিক ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। 

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।  
- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।  
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।  
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।  

সূত্র:
- ব্রিটানিকা। [link]

৬,৮২২.
PDA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Personal Data Access
  2. Personal Digital Assistant
  3. Personal Device Adapter
  4. Portable Digital Application
সঠিক উত্তর:
Personal Digital Assistant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Personal Digital Assistant
ব্যাখ্যা

PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.

• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮২৩.
ASCII-7 কোডের মাধ্যমে কতটি অক্ষরকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ৬৪
  2. ১২৮
  3. ২৫৬
  4. ৫১২
সঠিক উত্তর:
১২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৮
ব্যাখ্যা
• ASCII কোড:
- American Standard Code for Information Interchange এর সংক্ষিপ্ত রূপ ASCII বা অ্যাসকি।
- অ্যাসকি একটি বহুল প্রচলিত কোড।
- এটি একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং স্কিম যা কম্পিউটারে বর্ণ, সংখ্যা ও প্রতীক সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ASCII-7
- ১৯৬৫ সালে রবার্ট বিমার সাত বিটের অ্যাসকি কোড উদ্ভাবন করেন। 
- ASCII-7 ৭টি বিট নিয়ে গঠিত হয়। যার বাম দিকের ৩টি বিটকে জোন এবং ডান দিকের চারটি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট হিসেবে ধরা হয়।
- এ কোডের মাধ্যমে ২ বা ১২৮ টি অক্ষরকে নির্দিষ্ট করা যায়। 
- প্রতিটি অক্ষর এনকোড করতে প্রয়োজন হয় 7 বিট।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৬,৮২৪.
সব ধরনের গেইট তৈরি করা যায় -
  1. AND গেইট দিয়ে।
  2. OR গেইট দিয়ে।
  3. NOT গেইট দিয়ে।
  4. NOR গেইট দিয়ে।
সঠিক উত্তর:
NOR গেইট দিয়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR গেইট দিয়ে।
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0. 
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮২৫.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = 0
  2. A + 1 = 1
  3. A ⋅ 1 = A
  4. A ⋅ 0 = 0
সঠিক উত্তর:
A + 0 = 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A + 0 = 0
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্যগুলো নিম্নরূপ:

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৮২৬.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) Bad boy
  2. খ) Symantec
  3. গ) Cinderella
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খ) Symantec
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Symantec
ব্যাখ্যা

• কতিপয় ভাইরাসঃ
- AIDS,
- Bye Bye,
- Bad boy,
- Cinderella,
- CIH,
- I love you,
- স্টোন,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
• কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- অভিজি,
- এভিরা,
- এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

৬,৮২৭.
ব্যাংকের চেক বই আইডেন্টিফিকেশনে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) OMR
  2. খ) OCR
  3. গ) MICR
  4. ঘ) Barcode Reader
সঠিক উত্তর:
গ) MICR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) MICR
ব্যাখ্যা
MICR code is a code printed on cheques using MICR (Magnetic Ink Character Recognition technology).
This enables identification of the cheques and which in turns means faster processing.

An MICR code is a 9-digit code that uniquely identifies the bank and branch participating in an Electronic Clearing System (ECS).
Source: economictimes.indiatimes.com
৬,৮২৮.
'কম্পিউটার ভিশন' তথ্য প্রযুক্তির কোন শাখায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) Internet of Things
  2. খ) Robotics
  3. গ) Artificial Intelligence
  4. ঘ) Virtual Reality
সঠিক উত্তর:
গ) Artificial Intelligence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Artificial Intelligence
ব্যাখ্যা
Artificial Intelligence বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার একটি ক্ষেত্র হলো কম্পিউটার ভিশন (Computer vision) .
ইহা হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যার সাহায্যে ক্যামেরার ধারণকৃত ডিজিটাল ইমেজের অবজেক্টকে সনাক্ত করা যায়। 

Computer Vision, field of artificial intelligence in which programs attempt to identify objects represented in digitized images provided by cameras, thus enabling computers to “see.”
Much work has been done on using deep learning and neural networks to help computers process visual information.
Computers can be given a large data set of visual images and identify features and patterns within those images that the computers can then apply to other images.
Such processes as facial recognition and augmented reality rely on computer vision.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৮২৯.
দশমিক সংখ্যা 726 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 2C3
  2. 3A5
  3. 3B7
  4. 2D6
সঠিক উত্তর:
2D6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2D6
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ → E ও ১৫ → F সংখ্যা লিখতে হবে।
৬,৮৩০.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  2. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
  3. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  4. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
সঠিক উত্তর:
টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬,৮৩১.
ভাইরাসের সঠিক পূর্ণনাম কোনটি?
  1. ক) Viral information resources under seize.
  2. খ) Vital information resources under seize.
  3. গ) Vital integrated resources utility size.
  4. ঘ) Viral integrated repetitive under seize.
সঠিক উত্তর:
খ) Vital information resources under seize.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Vital information resources under seize.
ব্যাখ্যা

ভাইরাসের পূর্ণরূপ- Vital information resources under seize. 

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমন করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস এমন এক ধরনের ফাইল বা প্রোগ্রাম যেগুলো কম্পিউটারের স্বাভাবিক ফাইল বা প্রোগ্রামকে নষ্ট করে দিতে পারে।
- ইহা ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত নিজেরা নিজেদের কপি তৈরি করতে পারে।
- সাধারণত সিডি, পেনড্রাইভ ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৬,৮৩২.
সার্বজনীন কোড বলা হয় কোনটিকে?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৩৩.
'ইন্টারনেট' কোন ধরণের নেটওয়ার্ক টপোলজির উদাহরণ?
  1. বাস
  2. হাইব্রিড
  3. স্টার
  4. রিং
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড টপোলজি:
- বাস, স্টার, রিং ও মেশ ইত্যাদি টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক টপোলজিকে বলা হয় হাইব্রিড টপোলজি।
- উদাহরণস্বরূপ, ইন্টারনেটকে এ ধরনের টপোলজি হিসেবে অভিহিত করা যায়। কেননা ইন্টারনেট হলো বৃহৎ পরিসরের একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে সব ধরনের টপোলজির মিশ্রণ দেখা যায়।
- এ টপোলজিতে প্রয়োজনানুযায়ী নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে।
- কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
- কোনো এক অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক নষ্ট না হয়ে অংশবিশেষ নষ্ট হয়ে যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Computerhope Website
৬,৮৩৪.
কোন ধরনের ক্লাউড মডেলটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. কমিউনিটি ক্লাউড
  4. পাবলিক ক্লাউড
সঠিক উত্তর:
প্রাইভেট ক্লাউড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইভেট ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. পাবলিক ক্লাউড:
- এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।

৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৩৫.
হেডার কী?
  1. ক) পৃষ্ঠার মাঝের অংশ
  2. খ) পৃষ্ঠার উপরের অংশের টাইটেল
  3. গ) পৃষ্ঠার নিচের অংশের টাইটেল
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) পৃষ্ঠার উপরের অংশের টাইটেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পৃষ্ঠার উপরের অংশের টাইটেল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের পৃষ্ঠার উপরের অংশের মার্জিনকে হেডার বলে যেখানে পৃষ্ঠা সংখ্যা, শিরোনাম, তারিখ ব্যবহার করা যায়।
৬,৮৩৬.
যে রেজিস্টারটি গাণিতিক ও লজিক্যাল গণনার মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করে, তাকে বলে:
  1. অ্যাকুমুলেটর
  2. স্ট্যাটাস রেজিস্টার
  3. প্রোগ্রাম কাউন্টার
  4. ডেটা রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
অ্যাকুমুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকুমুলেটর
ব্যাখ্যা

• অ্যাকুমুলেটর রেজিস্টার হলো CPU-এর একটি বিশেষ ধরনের রেজিস্টার যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন CPU কোনো গণনা বা লজিক্যাল কমান্ড সম্পাদন করে, তখন ফলাফল সরাসরি অ্যাকুমুলেটরে রাখা হয়। এটি পরবর্তী ধাপের অপারেশনে ব্যবহার করা যায় এবং প্রসেসরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। অন্য রেজিস্টার যেমন স্ট্যাটাস রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার বা ডেটা রেজিস্টার ভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ বা নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই CPU-এর মধ্যে দ্রুত এবং ধারাবাহিক গণনার জন্য অ্যাকুমুলেটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

উত্তর: ক) অ্যাকুমুলেটর। 




• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [link]

৬,৮৩৭.
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে 'ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম' নামে আখ্যায়িত করেছেন কে?
  1. ক) ই এফ কড
  2. খ) মার্শাল ম্যাকলুহান
  3. গ) টিম বার্ণারস লী
  4. ঘ) মার্ক জুকারবার্গ
সঠিক উত্তর:
খ) মার্শাল ম্যাকলুহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ভিলেজ
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শাল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তিনি “দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ” (the medium is the message) এবং “গ্লোবাল ভিলেজ” (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন।
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “The Gutenberg: The Making of Typographic Man” এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “Understanding Media” এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।
- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল। তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। 
- মার্শাল ম্যাকলুহানই ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে “ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম” (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন।  
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে।

উৎস
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 

৬,৮৩৮.
কোনটি কী ফিল্ড নয়-
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) নিউমেরিক কী
  3. গ) ফরেন কী
  4. ঘ) কম্পোজিট প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
খ) নিউমেরিক কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউমেরিক কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ টেবিলের কলামকে বলা হয় ফিল্ড। যে সকল ফিল্ড অদ্বিতীয় তাদের কী ফিল্ড বলা হয়। সাধারণত কী ফিল্ডের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়৷ কী ফিল্ড তিন প্রকারঃ প্রাইমারি কী, কম্পোজিট প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৬,৮৩৯.
'URL' এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Uniform Research Locator
  2. খ) Uniform Restart Locator
  3. গ) Universal Resource Locator
  4. ঘ) Uniform Resource Locator
সঠিক উত্তর:
ঘ) Uniform Resource Locator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Uniform Resource Locator
ব্যাখ্যা

• URL এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Uniform Resource Locator.
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।
- পৃথিবীতে এক নামে একটি ওয়েব পেজ থাকে।
- প্রতিটি URL- এ থাকে ওয়েব প্রটোকল, ওয়েব সার্ভারের নাম, সার্ভারের ডিরেক্টরি/ ফোল্ডারের নাম এবং html ফাইল নাম।

৬,৮৪০.
মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে (ইউনিকভাবে) শনাক্ত করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ক) জেনেটিক্স
  2. খ) বায়োইনফরমেটিক্স
  3. গ) রোবটিক্স
  4. ঘ) বায়োমেট্রিক্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়োমেট্রিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
- মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে (ইউনিকভাবে) শনাক্ত করার পদ্ধতিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়।
- বায়োমেট্রিক্স সিস্টেমে ব্যক্তি সনাক্তকরণে যেসব বায়োলজিক্যাল ডেটা ব্যবহৃত হয় তা হলো- মুখমন্ডল, হাতের আঙ্গুল, হাতের রেখা, রেটিনা ও আইরিস, স্বাক্ষর, শিরা এবং কণ্ঠস্বর।

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে
৩. পাসপোর্ট তৈরিতে
৪. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে
৫. পরিচয়পত্র তৈরিতে
৬. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।

- টেকনোলজির যে শাখায় রোবটের নকশা গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলে।
- বায়োইনফরমেটিক্স বিজ্ঞানের এমন একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র, যেখানে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, গণিত এবং ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞানকে ব্যবহার করে বিভিন্ন বায়োলজিক্যাল (জৈবিক) ডেটাসমূহ বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যা করা হয়।
- জীবের বংশগতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয় জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৬,৮৪১.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. রিড টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. সিক টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
সঠিক উত্তর:
অ্যাকসেস টাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৬,৮৪২.
In case of failure of one device, which one topology has no major disruption?
  1. Bus
  2. Ring
  3. Tree
  4. Mesh
সঠিক উত্তর:
Mesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mesh
ব্যাখ্যা

• মেশ (Mesh) টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইস অন্য প্রতিটি ডিভাইসের সাথে সরাসরি এবং আলাদা আলাদা লিঙ্কের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। এর ফলে, যদি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস বা সংযোগ লাইন নষ্ট হয়ে যায়, তবে নেটওয়ার্কের অন্য ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগে কোনো বিঘ্ন ঘটে না, কারণ ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বিকল্প অনেকগুলো পথ খোলা থাকে। এই বৈশিষ্ট্যটিকে 'ফল্ট টলারেন্স' (Fault Tolerance) বলা হয়, যা নেটওয়ার্কের উচ্চ নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৬,৮৪৩.
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক কী?
  1. কিলোবাইট
  2. বাইট
  3. মেগাবাইট
  4. বিট
সঠিক উত্তর:
বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিট
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক হচ্ছে বিট।

• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৪৪.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এর কোন উপাদানটি রিসোর্স শেয়ার করে?
  1. ক্লায়েন্ট
  2. সার্ভার
  3. নেটওয়ার্ক
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
সার্ভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্ভার
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট থাকে। যথা-
১। ক্লায়েন্ট,
২। সার্ভার এবং
৩। নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৪৫.
বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের জন্য যে জ্যামিতিক সন্নিবেশ করা হয় তাকে বলা হয়-
  1. কানেকশন
  2. টেকনোলজি
  3. গেটওয়ে
  4. টপোলজি
সঠিক উত্তর:
টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টপোলজি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের জন্য যে জ্যামিতিক সন্নিবেশ করা হয় তাকে টপোলজি বলে। বিভিন্ন ধরনের টপোলজি গুলো হলো:
- বাস টপোলজি,
- রিং টপোলজি,
- স্টার টপোলজি,
- ট্রি টপোলজি,
- মেশ টপোলজি,
- হাইব্রিড টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৪৬.
নিচের কোনটি অন্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন?
  1. Microsoft Edge
  2. Mozilla Firefox
  3. Bing
  4. Safari
সঠিক উত্তর:
Bing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bing
ব্যাখ্যা
Bing হচ্ছে একটি সার্চ ইঞ্জিন। অন্যগুলো ওয়েব ব্রাউজার।
৬,৮৪৭.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অংশের (Control Unit) এর কাজ নয় কোনটি?
  1. মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা
  4. কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।

• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬,৮৪৮.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওসিআর
  2. স্ক্যানার
  3. ওএমআর
  4. এমআইসিআর
সঠিক উত্তর:
ওসিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওসিআর
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 

• এমআইসিআর (MICR): 
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৬,৮৪৯.
নিচের কোন উপাদানটি মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকে না?
  1. SATA সংযোগকারী
  2. মনিটর
  3. BIOS/UEFI চিপ
  4. নর্থব্রিজ
সঠিক উত্তর:
মনিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিটর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডে সাধারণত SATA সংযোগকারী, BIOS/UEFI চিপ, এবং নর্থব্রিজ বিল্ট ইন হিসেবে থাকে। SATA সংযোগকারী ব্যবহার করা হয় হার্ডডিস্ক, SSD ইত্যাদি ডিভাইস সংযোগের জন্য। BIOS/UEFI চিপ মাদারবোর্ডের বুটিং ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। নর্থব্রিজ চিপ প্রসেসর, RAM, এবং গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজতর করে। তবে মনিটর মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন থাকে না; এটি একটি বাহ্যিক আউটপুট ডিভাইস যা আলাদাভাবে সংযুক্ত করতে হয়। তাই, মনিটর মাদারবোর্ডে অন্তর্ভুক্ত হয় না।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৫০.
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. প্রত্যেক কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
  2. ডেডিকেটেড সার্ভার আছে।
  3. প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
  4. প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
সঠিক উত্তর:
ডেডিকেটেড সার্ভার আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেডিকেটেড সার্ভার আছে।
ব্যাখ্যা
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network) ।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৫১.
কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়?
  1. BIOS
  2. Melissa
  3. ILoveYou
  4. Blaster
সঠিক উত্তর:
BIOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার এমন একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারে অনধিকার প্রবেশ করে তা ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে BIOS কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়। BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার চালু করার সময় মূল প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে। অপরদিকে, Melissa, ILoveYou এবং Blaster - এই তিনটি হলো কম্পিউটার ভাইরাস বা ওয়ার্ম, যা ব্যবহারকারীর ডেটা নষ্ট করতে বা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই BIOS কোনো ক্ষতিকর সফটওয়্যার নয়; এটি কম্পিউটারের একটি অপরিহার্য অংশ।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৬,৮৫২.
কোন প্রযুক্তি 'রিসোর্স স্কেলেবিলিটি' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Quantum Computing
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Big Data Analytics
  4. ঘ) Client–server Model
সঠিক উত্তর:
খ) Cloud Computing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Cloud Computing
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (ঘওঝঞ)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও
বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিমোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য
থাকবে। 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে
সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা
বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

 কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া
দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।


[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ,এইচএসসি প্রোগ্রাম]
৬,৮৫৩.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কোনটি?
  1. Torjan Horse
  2. Boot Sector
  3. Norton
  4. Marcro
সঠিক উত্তর:
Norton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Norton
ব্যাখ্যা
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
» কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসঃ
- Trojan Horse,Perrin.exe,BUDDY LST.ZIP,Boot Sector virus,Macro virus, Overwriting virus etc.
কয়েকটি এন্টি ভাইরাস:
- Macafee Antivirus,Norton Antivirus,IBM antivirus,Thunder Byte antivirus,Red alert antivirus, Norman etc.

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৬,৮৫৪.
আইফোনে চালিত অ্যাপল নির্মিত অপারেটিং সিস্টেমের নাম কী?
  1. Windows Mobile
  2. iOS
  3. HarmonyOS
  4. Android
সঠিক উত্তর:
iOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
iOS
ব্যাখ্যা

• আইফোনে যে অপারেটিং সিস্টেম চালিত হয়, তার নাম হলো iOS। এটি অ্যাপল কোম্পানি নিজস্বভাবে তৈরি করেছে এবং শুধু আইফোন, আইপ্যাড ও আইপড টাচের মতো অ্যাপল ডিভাইসগুলোতেই ব্যবহৃত হয়। iOS মূলত সহজ ব্যবহারযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও দ্রুত কর্মক্ষমতার জন্য পরিচিত। এতে অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা যায়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের সেবা ও সুবিধা প্রদান করে। Windows Mobile, HarmonyOS বা Android হলো অন্য নির্মাতাদের অপারেটিং সিস্টেম, যা আইফোনে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে খ) iOS, যা অ্যাপলের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৫৫.
চিহ্ন বিট (Signed Number) '0' হলে সংখ্যাটি কী হিসেবে ধরা হয়?
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক
ব্যাখ্যা
সাইনড নম্বর (Signed Number)
- দশমিক সংখ্যায় ঋণাত্মক কোন মান বোঝাতে সংখ্যাটির পার্শ্বে ‘-’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর কোন অবকাশ নাই।
- বাইনারি পদ্ধতিতে সাইন বা চিহ্ন বোঝানোর জন্য সাধারণত একটি অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয়। একে চিহ্ন বিট বলে।
- এই চিহ্ন বিট 0 হলে সংখ্যাটিকে ধনাত্মক এবং 1 হলে সংখ্যাটিকে ঋণাত্মক ধরা হয়।
- ১ বাইটে বা ৮ বিট রেজিস্টারে যে সকল চিহ্নযুক্ত বা সাইন্ড সংখ্যা উপস্থাপন করা যায় তার ব্যাপ্তি  হবে  - ১২৮ থেকে +১২৭ এর মধ্যে; মোট ২৫৬ টি বা শূন্য সহ ২ পৃথক মান উপস্থাপন করা যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬,৮৫৬.
কোনটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে?
  1. Assembler
  2. Compiler
  3. Interpreter
  4. Converter
সঠিক উত্তর:
Compiler
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compiler
ব্যাখ্যা

যে অনুবাদক পুরো প্রোগ্রাম একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে তাকে Compiler বলা হয়। 
- Compiler একটি সফটওয়্যার টুল যা উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার কোডকে সম্পূর্ণভাবে পরীক্ষা করে, তারপর তা মেশিন লেভেলের কোডে রূপান্তর করে।
- এটি পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে নিয়ে কাজ করে এবং একবার রূপান্তর সম্পন্ন হলে একটি এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে।
- এর ফলে প্রোগ্রামটি দ্রুত চলে কারণ প্রতিটি লাইনের কোড আলাদাভাবে অনুবাদ করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অন্যদিকে, Interpreter কোডকে লাইনে লাইনে পরীক্ষা ও চালায়, যা তুলনামূলক ধীর।
- Assembler উচ্চ স্তরের ভাষার বদলে অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর কেবল বাইনারি ভাষা অর্থাৎ 0 ও 1-এর সংকেত বুঝে।
- তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়।
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম।

• নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১। অ্যাসেম্বলার (Assembler): 
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

২। কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে ভাষার গঠনগত নিয়ম (Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
- তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।

৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৫৭.
এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয় নিচের কোনটিতে?
  1. ক) টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
  2. খ) ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
  3. গ) স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
  4. ঘ) সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
এনএফসি (NFC-Near Field Communications)
বর্তমানে অতি দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে এমন একটি তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম এনএফসি (NFC- Near Field Communications); যা ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস্ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত * NFC Forum " এর প্রচেষ্টার ফসল।
এনএফসি বা নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের (৪ সেন্টিমিটার থেকে সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার) দুইটি ডিভাইস বা বস্তু পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন (ওয়্যারলেস) ডেটা যোগালে করার এক সেট প্রটোকল।
এই প্রোটকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করাযায়।
এটি আরএফআইডি (RFID Radio Frequency IDentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্জব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
 
এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার :
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।


[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি]
৬,৮৫৮.
জিএসএম (GSM) প্রথম চালু হয় কোন দেশে?
  1. ক) ইংল্যান্ড
  2. খ) ফিনল্যান্ড
  3. গ) আয়ারল্যান্ড
  4. ঘ) স্কটল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
জিএসএম (Global System for Mobile) ফিনল্যান্ডে ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে প্রথম চালু করা হয়।
৬,৮৫৯.
Smart Card contains -
  1. SIM Card
  2. Barcode
  3. Microchip
  4. Password
সঠিক উত্তর:
Microchip
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microchip
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Microchip

Smart Card (স্মার্ট কার্ড)
- Smart Card হলো ক্রিপ্টোগ্রাফির (Cryptography) একটি আধুনিক ব্যবহার, যেখানে একটি মাইক্রোপ্রসেসর (microprocessor) যুক্ত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যুক্ত – স্মার্ট কার্ডে একটি ছোট কম্পিউটার চিপ (microchip) থাকে।
- প্রত্যেকবার লেনদেনের সময় ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়।
- ঠিক যেমন ATM-এ PIN প্রবেশ করানো হয়, তেমনি স্মার্ট কার্ড ব্যবহারেও PIN দিতে হয়।
- কার্ড ও কার্ড রিডার একে অপরের সাথে এনক্রিপ্টেড (গোপন কোডেড) তথ্য বিনিময় করে।
- ব্যবহারকারী শুধু PIN প্রদান করলেই বাকি কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়।
- স্মার্ট কার্ডে Microprocessor থাকে, যা প্রতিবার লেনদেনে ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৬,৮৬০.
ভোক্তা ঘরে বসেই পছন্দমতো পণ্য নির্বাচন, কেনা, মূল্য পরিশোধ করে কোন পদ্ধতিতে?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2B
  4. C2C
সঠিক উত্তর:
B2C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2C
ব্যাখ্যা
♦  ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ : ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

৫। এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- অর্থাৎ আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৬১.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড?
  1. Cypher Code
  2. DES
  3. NIC
  4. TCP
সঠিক উত্তর:
DES
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DES
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-
 
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
 
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
 
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৬২.
Spyware কী ধরনের সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. ম্যালওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা

Spyware হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার (Malicious Software)। এর মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে সংগ্রহ করা — যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, ব্রাউজিং হিস্ট্রি, কী-বোর্ডে টাইপ করা তথ্য ইত্যাদি।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

​বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৬,৮৬৩.
নিচের কোনটি মনিটরের ধরণ নয়?
  1. ক) LED
  2. খ) LDC
  3. গ) CRT
  4. ঘ) AMOLED
সঠিক উত্তর:
খ) LDC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) LDC
ব্যাখ্যা
মনিটরের প্রকারভেদ (Types of Monitor)
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৬,৮৬৪.
ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার কোনটি?
  1. Twitter
  2. Tik Tok
  3. Zoom
  4. Likee
সঠিক উত্তর:
Zoom
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zoom
ব্যাখ্যা

Zoom is a cloud-based video communications app that allows you to set up virtual video and audio conferencing, webinars, live chats, screen-sharing, and other collaborative capabilities.
Source: businessinsider.com

৬,৮৬৫.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকার নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. ওয়াইড ক্লাউড
  4. হাইব্রিড ক্লাউড
সঠিক উত্তর:
ওয়াইড ক্লাউড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াইড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।

ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
পাবলিক ক্লাউড
প্রাইভেট ক্লাউড
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড

- নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠান সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়াকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস: Live MCQ Lecture.
৬,৮৬৬.
What is the full form of ISA?
  1. Integrated System Architecture
  2. Industry Standard Architecture
  3. Internal Software Application
  4. Intelligent System Analysis
সঠিক উত্তর:
Industry Standard Architecture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Industry Standard Architecture
ব্যাখ্যা
• আইএসএ বাস (ISA BUS):
- ISA-এর পুরো নাম Industry Standard Architecture.
- এটি একটি ধীরগতিসম্পন্ন বাস।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম ইন্টেলের 8088 প্রসেসরে ISA বাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- তখন এটি ছিল ৪ বিট ডেটা বাস। এর কাজের গতি ছিল ৪ মেগাহার্টজ।
- 16 বিট ISA বাস প্লটের পয়েন্টগুলো 2 ভাগে বিভক্ত থাকে।
- এর প্রথম ভাগে 62টি পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় ভাগে 36 পয়েন্ট থাকে। নিম্নের ছবিতে এই ভাগ দ্বয়ের ডায়াগ্রাম দেখানো হলো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৬৭.
বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স সাইট “অ্যামাজন” কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৪
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪
ব্যাখ্যা

জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট আমাজন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
উৎস: অ্যামাজন ওয়েবসাইট।

৬,৮৬৮.
পারাসোনাল কম্পিউটার যুক্ত করে নিচের কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. নেটওয়ার্ক
  3. সার্ভার
  4. এন্টারপ্রাইজ
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক পারসোনাল কম্পিউটার একসাথে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীর ফাইল, প্রিন্টার ও অন্যান্য তথ্যাদি নিজেদের মধ্যে শেয়ার করা যায়।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা। 
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে। 
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৬,৮৬৯.
(375)8 এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) 011 111 101
  2. খ) 011 111 111
  3. গ) 101 111 101
  4. ঘ) 111 111 111
সঠিক উত্তর:
ক) 011 111 101
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 011 111 101
৬,৮৭০.
Database System-এ Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডাটা দ্রুত সার্চ করা
  2. ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
  3. নতুন টেবিল তৈরি করা
  4. ইনডেক্সিং নিয়ন্ত্রণ করা
সঠিক উত্তর:
ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
ব্যাখ্যা
◉ Primary Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড বা অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি রেকর্ডকে অন্যদের থেকে আলাদা (Unique) করে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ডুপ্লিকেট ডেটা প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করে শনাক্ত করা যায়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৬,৮৭১.
নিচের কোনটি ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ?
  1. কম্পিউটার ধীরগতিতে কাজ করা
  2. ফাইল বা ডেটা মুছে যাওয়া
  3. ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে যাওয়া
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ।

• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ:
- কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের লক্ষণ বিভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।
- নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে বোঝা যাবে কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে:
• কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে।
• কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়।
• প্রোগ্রাম লোড হতে বেশি সময় লাগে।
• হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে ফলে সকল ডেটা হারিয়ে যায়।
• Disk-এর Volume-এর নাম পরিবর্তন হয়ে গেলে।
• ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে গেলে।
• তারিখ ও সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেলে।
• অপ্রত্যাশিত কিছু Message কাজের সময় প্রদর্শিত হলে।
• কাজের সময় অপ্রত্যাশিত শব্দ হলে।
• কম্পিউটারের Free memory-এর পরিমাণ কমে গেলে।
• অনেক সময় কম্পিউটারের বায়োসের ডাটা মুছে ফেলে কম্পিউটারকে অচল করে ফেলে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৭২.
রিপিটার এর কাজ কি?
  1. ক) অনুবাদ করা
  2. খ) একই কাজ বারবার করা
  3. গ) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল কে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্ব প্রেরণ করা
  4. ঘ) নেটওয়ার্কে ট্রাফিক বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
গ) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল কে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্ব প্রেরণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল কে শক্তিশালী করে অধিক দূরত্ব প্রেরণ করা
ব্যাখ্যা
রিপিটার দুর্বল ও অপেক্ষাকৃত বেশি দূরত্বে সিগন্যাল প্রেরণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটা সিগন্যালকে শক্তিশালী করে অধিক দুরত্বে প্রেরণ করে থাকে।
৬,৮৭৩.
Extended Binary Coded Decimal Interchange Code বা ইবিসিডিক কোড কোন কোম্পানির কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়?
  1. MICROSOFT
  2. IBM
  3. APPLE
  4. LINUX
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা

৮-বিট বিশিষ্ট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Interchange Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত৷ ২৫৬ টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে৷
এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,৮৭৪.
URL এর মূল উপাদানগুলো কী কী?
  1. প্রোটোকল, ডোমেইন নাম, পাথ
  2. ইমেইল আইডি, পাসওয়ার্ড
  3. কম্পিউটার নাম, আইপি ঠিকানা
  4. সার্ভার নাম, ফাইল নাম
সঠিক উত্তর:
প্রোটোকল, ডোমেইন নাম, পাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটোকল, ডোমেইন নাম, পাথ
ব্যাখ্যা

◉ URL-এর মূল উপাদানগুলো হলো - প্রোটোকল, ডোমেইন নাম ও পাথ। 

URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

একটি পূর্ণাঙ্গ URL-এর গঠন:
https://www.example.com/blog/article.html

https:// → প্রোটোকল
www.example.com → ডোমেইন নাম
/blog/article.html → পাথ

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৬,৮৭৫.
স্প্রেডশিটে A1 সেল রেফারেন্স দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Sheet 2, Cell A
  2. Sheet 1, Cell A
  3. Column A, Row 1 
  4. Column 1, Row A
সঠিক উত্তর:
Column A, Row 1 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Column A, Row 1 
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশিটে A1 সেল রেফারেন্স হলো একটি নির্দিষ্ট সেল চিহ্নিত করার পদ্ধতি। এখানে A নির্দেশ করছে কলাম A এবং 1 নির্দেশ করছে রো 1, অর্থাৎ কলাম এবং রো মিলিয়ে যে সেলটি তৈরি হয়েছে সেটিই A1. এটি সাধারণত এক্সেল বা গুগল শীটের মতো সফটওয়্যারে ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রতিটি সেলকে সহজেই চিহ্নিত করতে হয়। সেল রেফারেন্স ব্যবহার করে ব্যবহারকারী সূত্র, ডাটা অথবা ফর্মুলা প্রয়োগ করতে পারে নির্দিষ্ট সেলের উপর। A1 রেফারেন্স দ্বারা বোঝানো হয় Column A এবং Row 1-এর সেল, যা স্প্রেডশিটের বাম উপরের কোণে অবস্থিত।

উত্তর: গ) Column A, Row 1

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৭৬.
নিচের কোনটি ডিজিটাল ডাক ব্যবস্থার অন্যতম একটি মাধ্যম?
  1. ফেসবুক
  2. ফ্যাক্স
  3. টেলিগ্রাফ
  4. ই-মেইল
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ডাক ব্যবস্থার অন্যতম একটি উদাহরণ হল ইলেকট্রনিক মেইল যাকে সংক্ষেপে ই-মেইল বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৭৭.
র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের-
  1. ফায়ারওয়াল
  2. ম্যালওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. ফ্রিওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
৬,৮৭৮.
একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে তিনটি অংশ থাকে।

- একটি ওয়েবসাইট মূলত কতগুলো ওয়েব পেইজের সমষ্টি।
- ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিভিন্ন পেজগুলো কিভাবে সাজানো থাকে তাই হল ওয়েবসাইটের কাঠামো।
- অন্যভাবে বলা যায়, একটি ওয়েবসাইটের সকল বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনার অবকাঠামো হচ্ছে ঐ ওয়েবসাইটের কাঠামো।
- সাধারণত একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে তিনটি অংশ থাকে ।
যথা
১. হোম পেজ (Home Page )
২. প্রধান অংশ (Main Section) ও
৩. উপশাখা (Subsection)

হোম পেজ : হোম পেইজ হলো ওয়েবসাইটে প্রবেশের প্লাটফর্ম। এটি সুন্দর ও আকর্ষনীয় হওয়া উচিৎ। ওয়েব ব্রাউজার শুরুতে এই পেইজটি লোড করে। এখানে ওয়েবসাইটের অন্যান্য সকল পেইজের তথ্য সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন ধরনের তথ্য বহন করছে তা হোম পেইজ থেকেই জানা যায়। অন্যান্য পেইজ ব্রাউজ করার জন্য এই পেইজে লিংক দেওয়া থাকে ।

প্রধান অংশ : হোম পেইজের পরের ওয়েব পেজগুলোকে প্রধান অংশ বা মূল সেকশন বলে। ওয়েবসাইটের প্রধান অংশটি কয়েকটি ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত হতে পারে। সাধারণত হোম পেজের বিষয়গুলোর উপর বিস্তারিত তথ্য এখানে সন্নিবেশ করা থাকে ।

উপশাখা : প্রধান অংশে অন্তর্ভূক্ত পেইজ আবার এক বা একাধিক পেইজের সাথে যুক্ত থাকে যাদেরকে উপশাখা বা সাব সেকশন পেইজ বলে । এই পেইজগুলোতে বিস্তারিত তথ্য এবং লিংক যুক্ত করে তথ্যের সমন্বয় করা হয়। 

সূত্র: ১৫৪ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৬,৮৭৯.
পাের্টেবল কম্পিউটার কত ধরনের?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- সাধারণত দুই ধরনের পার্সোনাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। একটির নাম ডেস্কটপ (Desktop) এবং অন্যটি পাের্টেবল (Portable)।
- পাের্টেবল (Portable) কম্পিউটার ৩ ধরনের হয়। যেমন-
১। ল্যাপটপ (Laptop): Attach কেসের মত দেখতে এবং ১-২ কিলােগ্রাম ওজন হয়ে থাকে। এটা ডেস্কটপের মতই কাজ করে।
২। নােটবুক (Notebook): এটা দেখতে নােটবুকের মত এবং ১-৩ কিলােগ্রাম ওজন হয়ে থাকে।
৩। পামটপ (Palmtop): এটি দেখতে পকেট ক্যালকুলেটরের মত।

উৎস- কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৬,৮৮০.
ডাটাবেজ সিস্টেমের একটি অভ্যন্তরীণ উপাদান নয় কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. র‍্যাম
  4. রিলেশনশিপ
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা

র‍্যাম (RAM) ডাটাবেজের অভ্যন্তরীন উপাদান নয় কারণ এটি মূলত একটি অস্থায়ী মেমোরি যা কম্পিউটারের চলমান প্রসেস এবং তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• ডাটাবেজ (Database):
- 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
- সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

৬,৮৮১.
নিচের কোনটি OOP ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. C++
  2. Java
  3. C#
  4. C
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা

• C++ , Java, এবং C# হলো OOP বা অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, কারণ এরা ক্লাস, অবজেক্ট, ইনহেরিট্যান্স, পলিমরফিজম এবং এনক্যাপসুলেশন এর মতো মূল OOP বৈশিষ্ট্যগুলো সমর্থন করে। অন্যদিকে C হলো একটি প্রোসিজারাল বা ফাংশন-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা, যা অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড বৈশিষ্ট্য সমর্থন করে না। C ভাষায় ক্লাস বা অবজেক্ট ধারণা নেই এবং এটি মূলত ফাংশন এবং স্ট্রাকচার ব্যবহার করে প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- সুতরাং, উক্ত অপশনগুলির মধ্যে শুধুমাত্র C হলো OOP ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। C++ , Java, এবং C# সবই অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং সাপোর্ট করে।

 
 • অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৮২.
কম্পিউটারের কাজ করার মৌলিক ধাপ -
  1. ক) Input, Addition and Output
  2. খ) Input, Multiplication and Output
  3. গ) Input, Processing and Output
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) Input, Processing and Output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Input, Processing and Output
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের কাজ করার ধাপ হচ্ছে তিনটি। যথা-
১. ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য-উপাত্তকে ও নির্দেশ গ্রহণ করা (ইনপুট)
২. তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করা এবং
৩. প্রক্রিয়াজাত তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করা (আউটপুট)।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৮৮৩.
LAN এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Locomotive Area Network
  2. Local Area Network
  3. Logical Area Network
  4. Legal Area Network
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
ব্যাখ্যা
LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা-
১. সীমিত দূরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
২. শ্রেণী সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
৩. ছোট এলাকার মধ্যে এই নেটওয়ার্ক সহজেই তৈরি করা যায়।
৪. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ল্যান সবচেয়ে ভালো।
৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ।
৬. খরচ কম হয়।
৭. ব্যবহার করা সহজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৮৪.
The octal equivalent of (101010)2 is -
  1. 52
  2. 25
  3. 62
  4. 26
সঠিক উত্তর:
52
উত্তর
সঠিক উত্তর:
52
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরের ক্ষেত্রে ৩ বিট নিয়ে কাজ করতে হবে -

এখানে,

∴ (101010)2 = (52)8
সুতরাং 101010 এর সমমানের অক্টাল মান 52.
৬,৮৮৫.
(১০০১০১)2 + (১১০১০১)2 = ?
  1. ১০০১১০১
  2. ১১০১১১০
  3. ১০১১০১০
  4. ১১০০১০১
সঠিক উত্তর:
১০১১০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০১১০১০
ব্যাখ্যা

      100101
(+) 110101
    1011010

৬,৮৮৬.
নিচের কোন প্রোটোকলটি ইমেল সার্ভার থেকে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ইমেল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. POP3
  3. HTTP
  4. TCP/IP
সঠিক উত্তর:
POP3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP3
ব্যাখ্যা

ইমেল সার্ভার থেকে ইমেল ডাউনলোড করার জন্য POP3 প্রোটোকলটি ব্যবহার করা হয়। 

ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে:
- SMTP: এই প্রোটোকলটি ইমেল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, ডাউনলোডের জন্য নয়।
- HTTP: এটি ওয়েব ব্রাউজিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও ওয়েবমেইলে এটি ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সরাসরি ইমেল ডাউনলোডের প্রোটোকল নয়।
- TCP/IP: এটি প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেট যোগাযোগের মূল ভিত্তি। এটি সরাসরি ইমেল ডাউনলোড প্রোটোকল নয়, বরং এটি ডেটা পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও AWS ওয়েবসাইট।

৬,৮৮৭.
RDBMS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ফ্ল্যাট টেক্সট ফাইলে রাখে
  2. ট্রানজেকশন সমর্থন করে না
  3. ডেটা XML ফাইলের মধ্যে রাখে
  4. ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

• RDBMS বা Relational Database Management System-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা। প্রতিটি টেবিলে সারি (Row) ও কলাম (Column) থাকে, যেখানে সারি দ্বারা রেকর্ড এবং কলাম দ্বারা অ্যাট্রিবিউট প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ডেটাকে সহজে সংগঠিত, অনুসন্ধান ও হালনাগাদ করা যায়। এছাড়া টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা যায়, যা ডেটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং নির্ভুলতা বজায় রাখে। SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে এই ডেটার উপর বিভিন্ন অপারেশন চালানো যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো— ঘ) ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে।
 
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৮৮.
ASCII-7 কোডের সাথে কী যুক্ত করলে এটি ASCII-8 কোডে রূপান্তরিত হয়?
  1. জোন বিট
  2. ডাটা বিট
  3. প্যারিটি বিট
  4. স্টার্ট বিট
সঠিক উত্তর:
প্যারিটি বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিটি বিট
ব্যাখ্যা

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৮৯.
E-mail কবে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৪৯
  2. ১৯৫৯
  3. ১৯৭১
  4. ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা
• E-mail আবিষ্কৃত হয় ১৯৭১ সালে।

• E-mail:

- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৯০.
ইমেইলে 'Subject' লাইন কী জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ইমেইলের বিষয়বস্তু
  2. ইমেইলের মেসেজ
  3. ইমেইলের সংযুক্তি
  4. ইমেইলের প্রেরকের নাম
সঠিক উত্তর:
ইমেইলের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমেইলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
ইমেইলের 'Subject' লাইন: 
- ইমেইলে 'Subject' লাইন ব্যবহৃত হয় ইমেইলের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে জানিয়ে দেওয়ার জন্য।
- এটি প্রাপককে ইমেইলের মূল বিষয় বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা দেয়, যাতে তারা দ্রুত বুঝতে পারে ইমেইলটি কী সম্পর্কিত এবং এটি পড়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না।
- ইমেইলের 'Subject' লাইন মূলত একটি সংক্ষিপ্ত টাইটেল বা বিষয়বস্তু হিসেবে কাজ করে। 
- ইমেইল সার্ভিস বা মেইলবক্সে অনেক ইমেইল জমে থাকতে পারে। 'Subject' লাইন ব্যবহারকারীকে গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৮৯১.
What does the keyboard shortcut Ctrl + Z generally do?
  1. Undo the last action
  2. Redo the last action
  3. Save the current file
  4. Copy selected text
সঠিক উত্তর:
Undo the last action
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Undo the last action
ব্যাখ্যা
• Ctrl + Z সাধারণত কম্পিউটার বা সফটওয়্যারে শেষ করা কাজ বা ক্রিয়াটি বাতিল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Undo কমান্ড হিসেবে পরিচিত, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভুল করে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে করা পরিবর্তন বা কাজ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ একটি ডকুমেন্টে কিছু লিখে এবং তা মুছে ফেলতে চায়, তাহলে Ctrl + Z চাপলেই সেই লেখা ফিরে আসবে। এটি কাজের গতিপথ সহজ এবং দ্রুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট। তাই Ctrl + Z সাধারণত “Undo the last action” অর্থাৎ শেষ করা কাজ বাতিল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকী অপশনগুলো Ctrl + Z এর কাজ নয়।

• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।

Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।

Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৬,৮৯২.
কোনটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. ক) সিএসএস
  2. খ) পিএইচপি
  3. গ) মাইএসকিউএল
  4. ঘ) পিএইচপি
সঠিক উত্তর:
গ) মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে মাইএসকিউএল হচ্ছে ডাটাবেজ সফটওয়্যার।
 
• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
• জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স,
- এসকিউলাইট,
- পোস্টগ্রি এসকিউএল,
- ওরাকল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৮৯৩.
ডট ম্যাট্রিক্সের গতি পরিমাপক একক কোনটি?
  1. ক) DPI
  2. খ) CPS
  3. গ) IPS
  4. ঘ) SSD
সঠিক উত্তর:
খ) CPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CPS
ব্যাখ্যা
CPS - Character per second
৬,৮৯৪.
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. রম
  2. র‍্যাম
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমরি
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। 
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। 
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। - এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৮৯৫.
বাংলাদেশে জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে-
  1. ক) বাংলালিংক
  2. খ) টেলিটক
  3. গ) গ্রামীণফোন
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)। এর পরে নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM). বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৯৬.
প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল-ত্রুটিকে কী বলা হয়?
  1. বাগ
  2. ডিবাগ
  3. অ্যালগরিদম
  4. ফ্লোচার্ট
সঠিক উত্তর:
বাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগ
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল-ত্রুটিকে বাগ বলা হয়।

• বাগ (Bug):
- বাগ হলো কম্পিউটার প্রোগ্রামের মধ্যে থাকা কোনো ত্রুটি বা ভুল।
- এই ত্রুটির কারণে প্রোগ্রাম সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না বা প্রত্যাশিত ফলাফল দেয় না।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় যুক্তিগত ভুল, টাইপিং ভুল বা নকশাগত ত্রুটির কারণে বাগ সৃষ্টি হতে পারে।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামের বাগ শনাক্ত ও সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং বলা হয়।
- প্রোগ্রামাররা বিভিন্ন টুল ও পদ্ধতি ব্যবহার করে বাগ খুঁজে বের করে এবং তা সংশোধন করেন।

• প্রোগ্রাম উন্নয়নে বাগের গুরুত্ব:
- বাগ থাকলে সফটওয়্যার সঠিকভাবে কাজ করে না।
- তাই সফটওয়্যার উন্নয়নের সময় পরীক্ষা ও ত্রুটি সংশোধন করা গুরুত্বপূর্ণ।

• অন্যান্য অপশন:
- ডিবাগ → প্রোগ্রামের ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের প্রক্রিয়া।
- অ্যালগরিদম → কোনো সমস্যার সমাধানের ধাপভিত্তিক নির্দেশনা।
- ফ্লোচার্ট → অ্যালগরিদমকে চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপনের পদ্ধতি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৬,৮৯৭.
কোন এইচটিএমএল ট্যাগ দ্বারা হাইপারলিঙ্ক স্থাপন করা হয়?
  1. ক) < p >
  2. খ) < br >
  3. গ) < a >
  4. ঘ) < h >
সঠিক উত্তর:
গ) < a >
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) < a >
ব্যাখ্যা
হাইপারলিঙ্ক
- হাইপারলিঙ্ক হচ্ছে একটি ওয়েব পেইজের কোন একটি অংশের সাথে বা কোন পেইজের সাথে অন্যান্য পেইজের সংযোগ স্থাপন করা ।
- একটি হাইপারলিঙ্ক দিয়ে একটি শব্দের উপর বা কতগুলো শব্দের উপর বা কোন ইমেজের উপর লিঙ্ক দেওয়া যায়।
- এইচটিএমএল ট্যাগ <a> দ্বারা হাইপারলিঙ্ক স্থাপন করা হয়।
- এখানে <a> এর a দ্বারা Anchor বুঝায়।
- <a> ট্যাগের সাথে href অ্যাট্রিবিউট যোগ করতে হয় ।
- সিনটেক্সট বা গঠনটি নিম্নরূপঃ <a href="url">Link text </a>
- href অ্যাট্রিবিউটটি একটি লিঙ্ক এর গন্তব্য নির্ধারণ করে। এখানে url অংশে সম্পূর্ণ অ্যাড্রেস লিখতে হয়।
- উদাহরণঃ <a href="http://www.shikkha.org > Visit Largest Education Site</a> ইহা ব্রাউজারে Visit Largest Education Site হিসাবে দেখাবে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৮৯৮.
এম্বেডেড সিস্টেম থেকে আমরা মূলত কোন সুবিধা পাই?
  1. নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো
  2. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
  3. অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা
  4. একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেম মূলত একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা থাকে। এর প্রধান সুবিধা হলো এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো থাকে, যার ফলে দ্রুততা, নির্ভরযোগ্যতা এবং শক্তি ব্যবহার কম থাকে। যেমন, মাইক্রোওয়েভ, অটোমোবাইল ইলেকট্রনিক্স বা হোম অ্যাপ্লায়েন্সে এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় যাতে নির্দিষ্ট ফাংশন নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়। এম্বেডেড সিস্টেম সাধারণত উচ্চ মানের গ্রাফিক্স বা অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা প্রদানের জন্য নয় এবং এটি একাধিক অপারেটিং সিস্টেম একসাথে চালাতে পারে না। তাই এর মূল সুবিধা হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য অপ্টিমাইজেশন এবং কার্যকারিতা।

উত্তর: ক) নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬,৮৯৯.
Shift + delete কমান্ড একটি ফাইলকে কোথায় পাঠিয়ে দেয়?
  1. Control Panel
  2. Recycle Bin
  3. My Documents
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারে হার্ডডিস্ক থেকে ডাটা ডিলিট করলে সেটা রিসাইকেল বিনে জমা হয়।

কিন্তু, যদি Shift + Delete কমান্ড দেয়া হয় তাহলে ডাটা রিসাইকেল বিন বা অন্য কোথাও জমা না হয়ে সরাসরি হারিয়ে যায়।

৬,৯০০.
(FF)16 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 215
  2. 225
  3. 255
  4. 265
সঠিক উত্তর:
255
উত্তর
সঠিক উত্তর:
255
ব্যাখ্যা
(FF)16 = 15 × 161 + 15 × 160
= 240 + 15 × 1
= 240 + 15
= (255)10