উত্তর
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল টার্মিনোলজিতে “স্প্যাম” বলতে সাধারণত অনিচ্ছাকৃত বা জাঙ্ক ই-মেইলকে বোঝানো হয়। এসব ই-মেইল ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই পাঠানো হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কোনো বাস্তব প্রয়োজনীয়তা থাকে না। স্প্যাম ই-মেইলে প্রায়ই ভুয়া বিজ্ঞাপন, প্রতারণামূলক অফার, অপ্রয়োজনীয় প্রচারমূলক বার্তা বা ক্ষতিকর লিংক থাকতে পারে, যা ব্যবহারকারীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ই-মেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্প্যাম শনাক্ত করে আলাদা ফোল্ডারে রাখে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল ব্যবহারকারীর নজর এড়িয়ে না যায়। সঠিক উত্তর হলো: ক) অনিচ্ছাকৃত বা জাঙ্ক ই-মেইল।
• ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আজকাল বহুল ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ মাধ্যম।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন করে যে কোনো ডকুমেন্ট, চিঠি-পত্র, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং যে কোনো তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- টেলিফোন লাইন ও মোডেম ব্যবহার করে এ সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- প্রেরণকৃত তথ্য প্রাপক গ্রহণ না করা পর্যন্ত নেটওয়ার্কের একটি স্টোরেজে (সার্ভার) জমা থাকে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে ফ্রি ই-মেইল পরিষেবা প্রদান করে।
- ব্যবহারকারীরা এসব সাইটে বিনামূল্যে ই-মেইল একাউন্ট খুলতে পারেন।
- একাউন্ট তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন আপ বা ক্রিয়েট একাউন্ট অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পূরণ করতে হয়।
- একাউন্ট তৈরি হলে সেটির মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান করা যায়।
- ই-মেইল ঠিকানায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন থাকে, যেমন @gmail.com, @yahoo.com ইত্যাদি।
- প্রতিটি একাউন্টের জন্য পৃথক পাসওয়ার্ড নির্ধারিত থাকে।
- ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন থেকে তার ধরন চেনা যায়, যেমন .com (কমার্শিয়াল), .org (সংস্থা), .net (নেটওয়ার্ক), এবং .edu (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।