বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৪৭ / ১৩১ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ১৩,০৮৮

৪,৬০১.
Which type of computer processes continuously changing electrical signals?
  1. Digital Computer
  2. Hybrid Computer
  3. Mainframe Computer
  4. Analog Computer 
সঠিক উত্তর:
Analog Computer 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Analog Computer 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Analog Computer 

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৬০২.
RAM সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. RAM SSD থেকে দ্রুত
  2. RAM মাল্টিটাস্কিং উন্নত করে
  3. RAM ভোলাটাইল
  4. RAM স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
RAM স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

◉ RAM কখনোই স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে না। এটি কেবল চলমান প্রোগ্রাম ও তথ্য সাময়িকভাবে ধারণ করে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সব ডেটা হারিয়ে যায়।

• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬০৩.
বিজয় লে আউটে বাংলা লেখার সময় ‘ন’ বর্ণটি লিখতে কীবোর্ডে ইংরেজি কোন বর্ণটি চাপতে হয়?
  1. ক) N
  2. খ) G
  3. গ) K
  4. ঘ) B
সঠিক উত্তর:
ঘ) B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) B
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪,৬০৪.
ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কভারেজ এরিয়া ১০ থেকে ৫০ কিমি
  2. IEEE-802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত
  3. হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়
  4. তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে
সঠিক উত্তর:
হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়
ব্যাখ্যা

ওয়াইম্যাক্সে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMax) Worldwide Interoperability for Microwave Access:
- ওয়াইম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এটি IEEE-802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

• ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্য:
- কভারেজ এলাকা সাধারণত ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত ৮০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারী এবং ওয়াইম্যাক্সের বেজ স্টেশনের মধ্যে দৃষ্টিরেখা বা "Line of Sight" প্রয়োজন নেই।

উৎস:
১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

৪,৬০৫.
FM stands for-
  1. ক) Frequence Modulating
  2. খ) Frequency Modulator
  3. গ) Frequently Modulation
  4. ঘ) Frequency Modulation
সঠিক উত্তর:
ঘ) Frequency Modulation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Frequency Modulation
ব্যাখ্যা
১৯৪৬ সালে মনো এফ এম ব্যান্ডের আবিষ্কার হয়, ১৯৬০ সালে তা উন্নত হয়ে স্টেরিও এফএম ব্যান্ডে রূপ নেয়। FM এর পুর্ণরূপ - Frequency Modulation।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
৪,৬০৬.
OMR এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
  1. ক) হাতের লেখা বা টাইপ করা বর্ণকে পড়তে পারে।
  2. খ) হার্ড টেক্সট হতে যে কোন বর্ণকে শনাক্ত করতে পারে।
  3. গ) কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা পড়তে পারে।
  4. ঘ) হাতের লেখাকে এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করতে পারে।
সঠিক উত্তর:
গ) কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা পড়তে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা পড়তে পারে।
ব্যাখ্যা
OMR কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা, পড়তে পারে।  

ওএমআর (OMR)-এর পুরো অর্থ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader)।

অপটিক্যাল মার্ক রিডার এমন একটি যন্ত্র যা পেন্সিল বা কালির দাগ (Mark) বুঝতে পারে। পেন্সিলের দাগ বোঝা যায় পেন্সিলের সীসের উপাদান গ্রাফাইটের বিদ্যুৎ-পরিবাহিতা বিচার করে। কালির দাগ বোঝা যায় কালির দাগের আলোর প্রতিফলন বিচার করে। অপটিক্যাল মার্ক রিডার বিশেষ ব্যবস্থার সাহায্যে এই দাগগুলোর অস্তিত্ব বুঝতে পারে এবং সঠিক দাগ গণনা করতে পারে।

প্রশ্নের উত্তরপত্র পরীক্ষা, বাজার সমীক্ষা, জনগণনা ইত্যাদি কাজে OMR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,৬০৭.
বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক কে?
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. গুগলিয়েলমো মার্কনি
  3. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. চার্লস ব্যাবেজ
সঠিক উত্তর:
গুগলিয়েলমো মার্কনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগলিয়েলমো মার্কনি
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল তড়িৎ চৌম্বক বলকে একত্র করে তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন, যা কিনা বিনা তারে বার্তা প্রেরণের একটি সম্ভাবনা উন্মোচন করে।
- ১৮৯৫ সালে জগদীশ চন্দ্র বসু অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণে সফল হন।
- ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করেন।
- একই সময়ে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে একই কাজে প্রথম সফলতা লাভ করে ইতালির বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনি।
- এজন্য তাকে বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন। 
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৮.
একটি ওয়েবসাইটকে HTTPS ব্যবহার করতে কোন ধরনের সার্টিফিকেট প্রয়োজন?
  1. SSL/TLS Certificate 
  2. DNS Certificate
  3. IP Certificate
  4. HTTP Certificate
সঠিক উত্তর:
SSL/TLS Certificate 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SSL/TLS Certificate 
ব্যাখ্যা

• একটি ওয়েবসাইটকে HTTPS-এর মাধ্যমে নিরাপদ করতে SSL/TLS সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে হয়। এটি ওয়েবসাইট এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে তথ্য এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ নিশ্চিত করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ কোনো ডেটা চুরি বা পরিবর্তন করতে না পারে। SSL (Secure Sockets Layer) এবং TLS (Transport Layer Security) এক ধরনের প্রোটোকল যা ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। ওয়েবসাইটে এই সার্টিফিকেট ইনস্টল করলে URL-এর আগে https:// দেখায় এবং ব্রাউজারে লক আইকন প্রদর্শিত হয়, যা ব্যবহারকারীকে সুরক্ষিত সংযোগের নিশ্চয়তা দেয়। অন্য সার্টিফিকেট যেমন DNS, IP বা HTTP সার্টিফিকেট HTTPS নিরাপত্তা দেয় না।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) SSL/TLS Certificate.


• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,৬০৯.
WWW এর জনক কে?
  1. ক) বিল গেটস
  2. খ) অ্যান্ডি গ্রোভ
  3. গ) স্টিভস জবস
  4. ঘ) টিম বার্নাস লি
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিম বার্নাস লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিম বার্নাস লি
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪,৬১০.
হায়ারার্কিকাল টপোলজি নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রিং টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি;
২. বাস টপোলজি;
৩. রিং টপোলজি;
৪. ট্রি টপোলজি;

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৬১১.
কোন প্রতিষ্ঠানকে 'Big Blue' (বিগ ব্লু) নামে ডাকা হয়?
  1. Google
  2. Meta
  3. Intel
  4. IBM
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা

• আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: IBM website.

৪,৬১২.
একটি অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটারের ভূমিকা কী?
  1. সিগন্যাল বৃদ্ধি করা
  2. বাইনারি ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে রূপান্তর করা
  4. ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করা
সঠিক উত্তর:
ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করা
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটার মূলত ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি পরিবর্তনশীল রেজিস্টর যা ব্যবহারকারীর ইচ্ছামতো প্রবাহমান কারেন্ট বা ভোল্টেজের মান নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। পটেনশিওমিটার ঘুরিয়ে ভোল্টেজের আউটপুট পরিবর্তন করা যায়, যা কম্পিউটারের বিভিন্ন অপারেশনে নির্দিষ্ট মান ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটার ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ঘ)।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৩.
বিশ্বে প্রথম ইন্টারনেট ওয়ার্ম কোনটি?
  1. ক) হুকওয়ার্ম
  2. খ) লকওয়ার্ম
  3. গ) মরিসওয়ার্ম
  4. ঘ) রুটওয়ার্ম
সঠিক উত্তর:
গ) মরিসওয়ার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মরিসওয়ার্ম
ব্যাখ্যা
মরিস ওয়ার্ম ১৯৮৮ সালের ২ নভেম্বর প্রকাশিত হয় এটি প্রথম ইন্টারনেট ওয়ার্ম।
৪,৬১৪.
সুপার কম্পিউটারের প্রসেসিং এর গতি পরিমাপক 'FLOPS' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Floating Line Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Fixed Point Operations Per Second
  4. Floating Point Operations Per Second
সঠিক উত্তর:
Floating Point Operations Per Second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Floating Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৪,৬১৫.
কোন সার্কিট কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে?
  1. ক) এনকোডার
  2. খ) ডিকোডার
  3. গ) এডার
  4. ঘ) রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
খ) ডিকোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে এডার।

এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

অন্যদিকে ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৪,৬১৬.
২ এর পরিপূরক নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?
  1. ক) ১ এর পরিপূরক + ১
  2. খ) ১ এর পরিপূরক - ১
  3. গ) ১ এর পরিপূরক + ১০
  4. ঘ) ১ এর পরিপূরক + সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি
সঠিক উত্তর:
ক) ১ এর পরিপূরক + ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ এর পরিপূরক + ১
ব্যাখ্যা
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement): 
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে। 
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়। 
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৬১৭.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. Reddit
  2. WolframAlpha
  3. Yandex
  4. AOL Search
সঠিক উত্তর:
Reddit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reddit
ব্যাখ্যা

• উপরের চারটি অপশনের মধ্যে শুধুমাত্র "রেডিট (Reddit)" একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়। Reddit একটি সামাজিক সংবাদ সংগ্রহ ও আলোচনা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পোস্ট করে এবং মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা করে।
- অন্যদিকে, AOL Search, Yandex, এবং WolframAlpha- তিনটিই বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন। AOL Search ও Yandex মূলত ওয়েব পেজ সার্চের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে WolframAlpha একটি computational search engine, যা গণনাভিত্তিক তথ্য সরবরাহ করে। কিন্তু Reddit নিজে কোনো তথ্য অনুসন্ধান ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক ফোরাম যেখানে তথ্য ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে শেয়ার হয়।
- সঠিক উত্তর:  Reddit.

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪,৬১৮.
জেনেসিস ব্লকে কোনটি থাকেনা?
  1. A hash pointer to the previous block
  2. Timestamp
  3. List of transactions
  4. সবগুলোই থাকে
সঠিক উত্তর:
A hash pointer to the previous block
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A hash pointer to the previous block
ব্যাখ্যা
• ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তির উদ্ভাবক Satoshi Nakamoto.
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।

ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস:
১. [www.oreilly.com]
২. [tradefinanceglobal.com]
৪,৬১৯.
Which of the following is used as an input device?
  1. Speaker
  2. Joystick
  3. Printer
  4. Projector
সঠিক উত্তর:
Joystick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joystick
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Joystick

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬২০.
দীর্ঘ রেঞ্জে কম পাওয়ার ডিভাইসের জন্য কোন IoT প্রযুক্তি সবচেয়ে কার্যকর?
  1. Ethernet
  2. Bluetooth
  3. Wi-Fi
  4. LoRaWAN
সঠিক উত্তর:
LoRaWAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LoRaWAN
ব্যাখ্যা

• দীর্ঘ রেঞ্জে কম পাওয়ার ডিভাইসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর IoT প্রযুক্তি হলো LoRaWAN. LoRaWAN দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা ট্রান্সমিশন করতে সক্ষম, যেখানে শক্তি ব্যবহার খুবই কম। এটি সেন্সর, মিটার, বা রিমোট ডিভাইসের মতো ব্যাটারি চালিত IoT ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত, কারণ একবার চার্জ দিলে মাস পর্যন্ত চলতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন Wi-Fi বা Ethernet উচ্চ ব্যান্ডউইথ দিতে সক্ষম হলেও শক্তি ব্যবহার বেশি এবং রেঞ্জ সীমিত। Bluetooth ছোট রেঞ্জের জন্য ভালো হলেও দীর্ঘ দূরত্বের জন্য কার্যকর নয়। LoRaWAN কম পাওয়ার এবং বড় পরিসরে নেটওয়ার্কিং-এর জন্য আদর্শ সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- IBM [link]
- sciencedirect [link]

৪,৬২১.
The blinking point which shows your position in the text is called -
  1. Blinker
  2. Causer
  3. Cursor
  4. Pointer
সঠিক উত্তর:
Cursor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cursor
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে যখন আপনি কিছু টাইপ করেন বা টেক্সট এডিটিং করেন, সেখানে থাকে একটি ব্লিঙ্কিং বা চমকানো পয়েন্ট যা আপনার মুভিং অবস্থান দেখায়। এই পয়েন্টটিকেই 'কার্সর' বলে। 
- কার্সর হলো একটি কম্পিউটার স্ক্রিনে একটি চলমান সূচক যা ব্যবহারকারীর ইনপুট দ্বারা প্রভাবিত হবে এমন বিন্দু চিহ্নিত করে। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে কার্সরটি একটি উল্লম্ব বারে পরিবর্তিত হয় যা আপনি নথিতে কোথায় আছেন তা নির্দেশ করতে জ্বলজ্বল করে। 

- Cursor is a movable indicator on a computer screen identifying the point that will be affected by input from the user.
- In applications such as Microsoft Word, the cursor changes to a vertical bar that blinks to indicate where you are in the document. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬২২.
"One to Many Relation" তৈরি করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. একটি ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• One to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে একটি টেবিলের প্রাইমারি কী অপর টেবিলের মধ্যে ফরেন কী হিসেবে থাকতে হয়। এটি দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে যেখানে একটি রেকর্ড অনেক রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ, “One” পাশের টেবিলের প্রাইমারি কী “Many” পাশের টেবিলের ফরেন কী দ্বারা রেফারেন্স করা হয়। তাই, One to Many রিলেশন তৈরির জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী উভয়ই প্রয়োজন হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৬২৩.
16(8) = ?(2)
  1. ১১১০
  2. ১০১০
  3. ১০১১
  4. ১০০১
সঠিক উত্তর:
১১১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১০
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারিঃ
অক্টাল সংখ্যার অঙ্কগুলাে হচ্ছে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এবং এই প্রত্যেকটি সংখ্যাকে তিন বিট বাইনারি সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করা যায়।
Octal → Binary
0 → 000
1 → 001
2 → 010
3 → 011
4 → 100
5 → 101
6 → 110
7 → 111
এই রূপান্তরটি ব্যবহার করে যে কোনাে অক্টাল সংখ্যাকে তার জন্য প্রযােজ্য তিনটি বাইনারি সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করলেই পুরাে অক্টাল সংখ্যার বাইনারি রূপ বের হয়ে যাবে। যেমন:
(16)8 = (001 110)2 = (1110)2
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৪,৬২৪.
Bluetooth কিসের উদাহরণ?
  1. Personal Area Network
  2. Local Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Wide Area Network
সঠিক উত্তর:
Personal Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Personal Area Network
ব্যাখ্যা
• Bluetooth, Personal Area Network এর উদাহরণ।

• Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Metropolitan Area Network:
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

• Local Area Network:
- সাধারণত 1Km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN বলে।
- এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত।

• Wide Area Network:
- বিভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৫.
নিয়ন্ত্রণ অংশের (Control Unit)-এর মূল কাজ হলো-
  1. ক) কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
  2. খ) কম্পিউটারের গাণিতিক অপারেশনের সম্পাদনা করা
  3. গ) কম্পিউটারে ডেটা বা তথ্য মজুদ রাখা
  4. ঘ) উপরের কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
ক) কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার মাধ্যমে মূলত বিভিন্ন অংশের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
এটি মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।

৪,৬২৬.
দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল রূপ কত?
  1. A
  2. 8
  3. 9
  4. B
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হলো আমাদের প্রচলিত গণনার পদ্ধতি, যেখানে ভিত্তি (Base) ১০। অন্যদিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬ এবং এখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ও A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, এভাবে F মানে ১৫ বোঝায়। এখন দশমিক ১০ সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ১০ এর মান সরাসরি হেক্সাডেসিমালে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, দশমিক ১০ = হেক্সাডেসিমাল A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৬২৭.
GNU সংস্থা কীভাবে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত করেছে?
  1. লিনাক্সে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা যোগ করে
  2. বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট এবং ইউটিলিটি যোগ করে
  3. ইন্টারনেট সাপোর্ট সার্ভিস প্রদান করে
  4. বিভিন্ন গেম এবং মাল্টিমিডিয়া ফিচার যোগ করে
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট এবং ইউটিলিটি যোগ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট এবং ইউটিলিটি যোগ করে
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৮.
Integrated Circuit (IC) তৈরিতে কোন দ্রব্যটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) প্লাস্টিক
  4. ঘ) সিলিকন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলিকন
ব্যাখ্যা
Integrated Circuit (IC) বা কম্পিউটার চিপ তৈরিতে সিলিকন ব্যবহার করা হয়। মূলত IC অর্থ-পরিবাহী উপাদানের ওপরে নির্মিত অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক বর্তনী।
Source: Britannica
৪,৬২৯.
E- Retailing কোন ধরনের ই-কমার্স বিজনেস মডেলের উদাহরণ?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2C
  4. C2B
সঠিক উত্তর:
B2C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2C
ব্যাখ্যা

◉ E-Retailing (Electronic Retailing) হলো অনলাইনে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রির একটি প্রক্রিয়া, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (Business) সরাসরি ভোক্তাদের (Consumer) কাছে পণ্য বিক্রি করে। এটি B2C (Business-to-Consumer) ই-কমার্স মডেলের অধীনে পড়ে।
- মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়াই সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহক বা ক্রেতাদের পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সুযোগ প্রদানকে ই-রিটেইলিং (E- Retailing) বা Electronic Retailing বলা হয়।

Business to Consumer Model-B2C: 
- B2C মডেল এমন একটি বিজনেস মডেলের ওয়েবসাইট যা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বা উৎপাদনকারীর পণ্যসমূহ গ্রাহকের কাছে সরাসরি বিক্রয় করে।
- এ ধরনের ওয়েবসাইটে পণ্যের বিস্তারিত বিবরণের পাশাপাশি অর্ডার প্রদানের সিস্টেম ও লেনদেন প্রক্রিয়াসহ ক্রেতাদের বিভিন্ন রকম প্রশ্ন ও উত্তরের ব্যবস্থা থাকে। ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মডেল বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
- ঘরে বসে দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি বিদেশি পণ্য পছন্দ করা, অর্ডার প্রদান, মূল্য পরিশোধ এবং পণ্য সময়মত প্রাপ্তির সুবিধা বিদ্যমান থাকায় ভোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধিও সাথে সাথে বাড়ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।
- তবে B2B মডেলের বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণগুলো হলো-
১। ই-রিটেইলিং (E-Retailing) বা ই-টেইলিং (E-tailer)
২। পোর্টাল (Portal)
৩। কমিউনিটি প্রোভাইডার (Community Provider)
৪। কনটেন্ট প্রোভাইডার (Content Provider)
৫। ট্রানজেকশন ব্রোকার (Transaction Broker)
৬। মার্কেট ক্রিয়েটর (Market Creator)
৭। সার্ভিস প্রোভাউডার (Service Provider). 

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৬৩০.
সিডি, ডিভিডি বা পেনড্রাইভ থেকে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলের সময় নিচের কোন প্রোগ্রামটি প্রথম চালু হয়?
  1. ক) Setup
  2. খ) Auto run
  3. গ) Read me
  4. ঘ) Restart
সঠিক উত্তর:
খ) Auto run
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Auto run
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার ইনস্টল:
- সিডি, ডিভিডি বা পেন ড্রাইভ থেকে কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলে প্রথমে Autorun চালু হয় ।
- তারপর Setup করার অনুমতি দিতে হয়।
- অনুমতি প্রদান করা হলে পরবর্তী ধাপসমমূহ ক্রমান্বয়ে অনুসরণ করা হলে সফটওয়্যার ইন্সটল হয়।
- সব শেষে কম্পিউটার  Restart করলে ইন্সটলকৃত প্রোগ্রামটি ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৩১.
মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার কোনটি?
  1. BIOS
  2. GPU
  3. SSD
  4. HDD
সঠিক উত্তর:
BIOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার হলো BIOS। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। BIOS (Basic Input/Output System) মাদারবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ডড্রাইভ, কীবোর্ড ইত্যাদিকে পরীক্ষা ও সঠিকভাবে শনাক্ত করে। এছাড়া এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নির্দেশনা প্রদান করে। অন্যদিকে GPU, SSD বা HDD হার্ডওয়্যার ডিভাইস হলেও এগুলো ফার্মওয়্যার নয়। তাই মাদারবোর্ডের জন্য ফার্মওয়্যারের মূল অংশ হিসেবে BIOS সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: ক) BIOS.

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। ব্রিটানিকা

৪,৬৩২.
(CPU)-এর কার্যক্ষমতা বা ক্লক স্পিড কোন পরিমাপের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়?
  1.  Volt (V)
  2.  Hertz (Hz)
  3. Joule (J)
  4. Byte (B)
সঠিক উত্তর:
 Hertz (Hz)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 Hertz (Hz)
ব্যাখ্যা

একটি CPU-এর ক্লক স্পিড হার্টজ (Hertz) এককের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়, যা প্রতি সেকেন্ডে CPU কতগুলো সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে।
- এটি মূলত প্রসেসরের কাজের গতি নির্ধারণ করে।
- এক গিগাহার্টজ (GHz) মানে হলো CPU প্রতি সেকেন্ডে 1 বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে।
- হার্টজ (Hz) হলো ফ্রিকোয়েন্সির আন্তর্জাতিক একক, এবং CPU-এর ক্লক স্পিড একটি ফ্রিকোয়েন্সি।

ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৩৩.
Wi-Fi-এর পুরো রূপ কী?
  1. Wired Function
  2. Wide Frequency
  3. Wireless Fidelity
  4. Wireless Function
সঠিক উত্তর:
Wireless Fidelity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wireless Fidelity
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,৬৩৪.
ক্রিপ্টোলকার ম্যালওয়্যারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. পাসওয়ার্ড চুরি করা
  2. কম্পিউটারকে ধীর করে দেওয়া
  3. ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
  4. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা
সঠিক উত্তর:
ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
ব্যাখ্যা

◉ ক্রিপ্টোলকার (Cryptolocker) হলো এক ধরনের রানসমওয়্যার (Ransomware) ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে এবং সেই ফাইলগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে। এটি সাধারণত ক্রিপ্টোগ্রাফিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফাইলগুলিকে লক করে এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ প্রদানের জন্য চাপ দেয়।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪,৬৩৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার সফটওয়্যার নয়?
  1. Adobe Photoshop
  2. Disk Drive
  3. Pagemaker
  4. Video Player
সঠিক উত্তর:
Disk Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Disk Drive
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার (Software):
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সফটওয়্যারের উদাহরণ হলো:
• DOS,
• Windows,
• MS Office,
• Adobe Photoshop,
• Video Player,
• Pagemaker ইত্যাদি

• Disk Drive একটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৬.
BIOS কম্পিউটারে কোন কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
  3. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  4. ভাইরাস স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করার কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে। কম্পিউটার অন করলে BIOS প্রথমে হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে (POST), তারপর হার্ডডিস্ক, SSD বা অন্য বুট ডিভাইস থেকে অপারেটিং সিস্টেম মেমোরিতে লোড করে। ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট, হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স বা ভাইরাস স্ক্যানিং BIOS-এর প্রধান কাজ নয়; এসব কাজ অপারেটিং সিস্টেম বা আলাদা সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।

 
BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৬৩৭.
নিচের কোন সেবাটি ই-সার্ভিসের অর্ন্তভুক্ত?
  1. কুইক-উইন
  2. ই-পর্চা
  3. এমটিএস
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস: 
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- বর্তমানে ই-সার্ভিস বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সেবামূলক সংস্থা সার্বক্ষণিকভাবে অথবা স্বল্প সময়ে দেশের জনগণকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করছে।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা গ্রহণকারীরা যে কোন স্থানে বসেই মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ই-সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
- প্রথমে 'কুইক-উইন' বা সহজে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তর নিজস্ব উদ্যোগে বৃহৎ পরিসরে ই-সেবা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ নাগরিক কোন না কোন ই-সেবা উপভোগ করছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৮.
Bluetooth এর মাধ্যমে কোন ধরণের নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়?
  1. ক) PAN
  2. খ) LAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
সঠিক উত্তর:
ক) PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) PAN
ব্যাখ্যা
• PAN (Personal Area Network)
ব্যক্তিগত পর্যায়ে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
যেমন: ব্লু-টুথ

• LAN (Local Area Network)
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভিন্ন প্রতষ্ঠানে এই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা হয়।

• MAN (Metropolitan Area Network)
সাধারণত একটি শহরের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা হয়।

• WAN (Wide Area Network)
দেশ জুড়ে বা পৃথিবী জুড়ে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (৮ম শ্রেণি)
৪,৬৩৯.
নিচের কোন ভাষা সাধারণত Interpreter ব্যবহার করে?
  1. C
  2. C ++
  3. Python
  4. Assembly
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা

- Compiler হলো এমন একটি প্রোগ্রাম, যা পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে machine code-এ রূপান্তর করে।
- অনুবাদ শেষ হলে একটি object code / executable file (.exe) তৈরি হয়, যেটি পরে চালানো হয়।

- Interpreter হলো এমন প্রোগ্রাম যা প্রতি লাইন (line-by-line) পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে execute করে।
- এটি object code তৈরি করে না, বরং source code সরাসরি run করে।
- Python একটি interpreted language, যেখানে কোড line-by-line execute হয়।
- Interpreter কোডকে প্রথমে bytecode-এ রূপান্তর করে এবং তারপর Python Virtual Machine (PVM) সেটি চালায়।

- C এবং C++  সাধারণত Compiler ব্যবহার করে।
- প্রোগ্রাম পুরোটা কম্পাইল করা হয় এবং এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি হয়।
- এক লাইনের পরিবর্তন করলে পুরো প্রোগ্রাম পুনরায় কম্পাইল করতে হয়।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]

৪,৬৪০.
Video Streaming এর জন্য কোন Protocol বেশি উপযুক্ত?
  1. SMTP
  2. TCP
  3. FTP
  4. UDP
সঠিক উত্তর:
UDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UDP
ব্যাখ্যা

◉ Video Streaming-এর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রোটোকল হলো UDP (User Datagram Protocol).

User Datagram Protocol (UDP):
- UDP হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) সুইটের অন্যতম মৌলিক প্রোটোকল। এটি এমন একটি যোগাযোগ প্রোটোকল, যা ইন্টারনেট জুড়ে সময়-সংবেদনশীল ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়—যেমন ভিডিও প্লেব্যাক বা DNS লুকআপ।
- এতে latency কম হয়, ফলে ভিডিও স্ট্রিমিং মসৃণভাবে চলে।
- এজন্য YouTube, Netflix, Online Gaming, Live Streaming সাধারণত UDP ব্যবহার করে।

অন্যদিকে, 

- TCP ডেটা নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করে। কিন্তু এতে error checking, acknowledgment, retransmission প্রক্রিয়ায় দেরি হয়।
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, streaming-এর জন্য নয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, streaming-এর জন্য নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৪,৬৪১.
উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়ালিটি
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)

- টেকনোলজির মাধ্যমে কোন জীবের জিনোমকে (genome) নিজের সুবিধানুযায়ী সাজিয়ে নেয়াকেই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জেনেটিক মডিফিকেশন বলে।
- জিনোম হলো কোন জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের তথ্য।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতিতে কখনও কখনও প্রাণীর বংশ পরম্পরায় প্রাপ্ত ডিএনএ সরিয়ে ফেলার মাধ্যমে অথবা প্রাণীদেহের বাইরে প্রস্তুতকৃত ডিএনএ প্রাণীদেহে প্রবেশ করানোর মাধ্যমে প্রাণীর জেনেটিক গঠনের পরিবর্তন ঘটানো হয়।

- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রজনন ছাড়া ডিএনএ এর নতুন সিকুয়েন্স বা পর্যায়ক্রম তৈরির প্রক্রিয়া ১৯৭০ সাল থেকে শুরু হয়।
- এই বছরই “আণবিক কাঁচি” নামে খ্যাত রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction enzyme) দিয়ে ডিএনএ কাটার প্রক্রিয়া আবিষ্কৃত হয়।
- Jack Williamson তার সায়েন্স ফিকশন নোভেল Dragon's Island-এ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম recombinant ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- এজন্য Paul Berg-কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জনক বলা হয়।

উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
কাঙ্খিত নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টির জন্য কোন জীবের DNA-এর পরিবর্তন ঘটানোকে জিন প্রকৌশল বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।


তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদ বিজ্ঞান, গাজী আজমল।
৪,৬৪২.
প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করেন কে?
  1. স্যামুয়েল হার্স্ট
  2. মার্টিন কুপার
  3. স্টিভ জবস
  4. ক্লাউডি শ্যানন
সঠিক উত্তর:
স্যামুয়েল হার্স্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যামুয়েল হার্স্ট
ব্যাখ্যা
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. স্যামুয়েল হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
৪,৬৪৩.
ইন্টারনেট ডকুমেন্টের ঠিকানাকে কী বলে?
  1. ক) ISP
  2. খ) URL
  3. গ) HTTP
  4. ঘ) FTP
সঠিক উত্তর:
খ) URL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) URL
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ডকুমেন্টের ঠিকানাকে URL বলা হয়। 
URL অর্থ Uniform Resource Locator.
ওয়েব অ্যাড্রেস URL নামে পরিচিত।
৪,৬৪৪.
ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের মূল কাজ কোনটি?
  1. শুধু বর্ণমালা সাজানো
  2. ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা করা
  3. ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা
  4. ভিডিও এডিটিং করা
সঠিক উত্তর:
ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা করা
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।

ওয়ার্ড প্রসেসিং (Word Processing):
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনেক দক্ষতার সাথে চমৎকারভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটারের বহুবিদ ব্যবহারের মধ্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
- আর ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে
- আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।
- তবে বর্তমানে পিসিতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস পরিবেশে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word) হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪৫.
ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয় মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মকে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়  মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় প্রজন্মকে।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):

- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৬৪৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার নেটয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না?
  1. হাব
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. সবগুলো নেটওয়ার্কিং ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
সবগুলো নেটওয়ার্কিং ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো নেটওয়ার্কিং ডিভাইস
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক তৈরিতে একটি কম্পিউটার ছাড়াও আরো অনেক ডিভাইস এর প্রয়োজন হয়।
যেমন-নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড , মডেম, হাব, সুইচ, রাউটার, গেটওয়ে ইত্যাদি।
এই ডিভাইসগুলোকে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস বলে।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৪,৬৪৭.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নয়?
  1. গুগল
  2. টুইটার
  3. ফেসবুক
  4. লিংকড-ইন
সঠিক উত্তর:
গুগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগল
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে। 
- শুধু তা নয়, এর বাইরেও নানানভাবে আমাদের সামাজিক ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে উঠে এসেছে। 
- এখন ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট। 
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে। 
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম রয়েছে। 
যেমন- ফেসবুক (www.facebook.com), লিংকড-ইন (Linked in.com) গুগল প্লাস (plus.google.com), টুইটার (www.twitter.com), জোপা (www.zooppa.com), মাইস্পেস (www.myspace.com) ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- গুগল ইনকরপোরেটেড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার সেবাদানকারী বহুজাতিক কোম্পানি। 
- বিশেষভাবে তাদের গুগল সার্চ ইঞ্জিন, অনলাইন বিজ্ঞাপন সেবা ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার জন্য এটি প্রসিদ্ধ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি ।
৪,৬৪৮.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. Headphone
  2. Image setter
  3. Plotter
  4. Lightpen
সঠিক উত্তর:
Lightpen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lightpen
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।

• কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৯.
অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. ভিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. হ্যাকিং
সঠিক উত্তর:
স্প্যামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• সাইবার অপরাধ: 
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে। 
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে- 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• হ্যাকিং (Hacking):
- সাধারণভাবে হ্যাকিং হলো কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল ডিভাইসে অননুমোদিতভাবে (Unauthorized access) প্রবেশ করা।
- হ্যাকাররা সিস্টেমের নিরাপত্তা ত্রুটি বা দুর্বলতা (Vulnerabilities) খুঁজে বের করে তা ব্যবহার করে তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা সিস্টেমটি অকেজো করে দেয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৬৫০.
একটি কম্পিউটারের ব্যবহৃত ধীরগতির মেমোরি কোনটি?
  1. ক) ডিস্ক ড্রাইভ
  2. খ) কী -বোর্ড
  3. গ) ক্যাশ
  4. ঘ) রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক ড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
নিচের ছবিতে দেখুন - (University Book)
৪,৬৫১.
Which method is used for data transfer in smartphones?
  1. Circuit switching
  2. Packet switching
  3. Virtual Circuit Switching
  4. Bluetooth connection
সঠিক উত্তর:
Packet switching
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Packet switching
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Packet switching

স্মার্টফোন (Smartphone)
- স্মার্টফোন হলো এমন এক ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM।
- BellSouth প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে এটি বাজারে আনে।
- একই বছরে IBM তৈরি করে প্রথম স্মার্টফোন "Simon", যেখানে টাচস্ক্রিন ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা ছিল।
- এতে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটরসহ অন্যান্য ফাংশন ব্যবহারের জন্য টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস যুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোনে ডেটা স্থানান্তরের জন্য Packet Switching প্রযুক্তি ব্যবহার হয়।
- এতে ডেটা স্থানান্তর হয় উচ্চ গতিতে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৬৫২.
কম্পিউটারের কোন 'ফাংশন কী' চাপলে সাধারণত ফুলস্ক্রিন মোডে পরিবর্তিত হয়?
  1. F5
  2. F7
  3. F9
  4. F11
সঠিক উত্তর:
F11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F11
ব্যাখ্যা

◉ বেশিরভাগ ওয়েব ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Edge, ইত্যাদি) এবং অনেক অ্যাপ্লিকেশনে F11 কী চাপলে ফুলস্ক্রিন মোড চালু/বন্ধ হয়।

​ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

​কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা

৪,৬৫৩.
কোন কোডের দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায়?
  1. ক) ASCII
  2. খ) BCD
  3. গ) EBCDIC
  4. ঘ) Unicode
সঠিক উত্তর:
খ) BCD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) BCD
ব্যাখ্যা
বিসিডি কোড (BCD Code):
- দৈনন্দিন হিসাব নিকাশে আমরা সবসময় দশমিক সংখ্যা ব্যবহার করলেও কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক সার্কিট দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার জন্য এগুলোকে বাইনারিতে রূপান্তর করে নিতে হয়। 
- কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় রূপান্তরের পরে এর দশমিক রূপটি অক্ষুণ্ণ থাকেনা।
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুল্ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal.

অ্যাসকি কোড (ASCII Code): 
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 

ইবিসিডিক কোড (EBCDIC):
 -ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। 

ইউনিকোড (Unicode): 
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৪.
কোন সার্কিট একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে?
  1. হাফ-অ্যাডার
  2. ফুল-অ্যাডার
  3. এনকোডার
  4. ডিকোডার
সঠিক উত্তর:
ফুল-অ্যাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-অ্যাডার
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৬৫৫.
কোনটি সাইবার অপরাধের উদাহরণ নয়?
  1. ফিশিং
  2. হ্যাকিং
  3. রিবুটিং
  4. ডিডোস আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
রিবুটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিবুটিং
ব্যাখ্যা

◉ রিবুটিং (Rebooting) একটি সাধারণ কম্পিউটার অপারেশন যেখানে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস পুনরায় চালু করা হয়। এটি কোনো সাইবার অপরাধ নয়, বরং একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া।

সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৬৫৬.
ন্যারো ব্যান্ডের সর্বোচ্চ গতি কত?
  1. ৩০০ bps
  2. ৬০০ bps
  3. ৯৬০০ bps
  4. ১০০০ bps
সঠিক উত্তর:
৩০০ bps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ bps
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড:
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

২। ভয়েস ব্যান্ড:
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

৩। ব্রড ব্যান্ড:
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রডব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়।
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৭.
অ্যাডা লাভলেস কোন গণনা যন্ত্রের সাহায্যে কাজ করেছিলেন?
  1. UNIVAC
  2. Analytical Engine 
  3. Z3
  4. ENIAC
সঠিক উত্তর:
Analytical Engine 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Analytical Engine 
ব্যাখ্যা
• অ্যাডা লাভলেস ছিলেন ইতিহাসের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার, যিনি চার্লস ব্যাবেজের উদ্ভাবিত Analytical Engine নামক প্রস্তাবিত গণনা যন্ত্রের জন্য অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন। যদিও এই যন্ত্রটি তার জীবদ্দশায় সম্পূর্ণ তৈরি হয়নি, তবুও অ্যাডা লাভলেস তার বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা ও গণনামূলক ধারণা দিয়ে এটি কীভাবে কাজ করতে পারে, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই যন্ত্রটি শুধু সংখ্যা নয়, বরং যেকোনো ধরনের প্রতীকগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম। তার এই দূরদর্শিতাই তাকে আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের পথিকৃৎ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) Analytical Engine.

• প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার:
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮৩৩ সালে ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে অপর একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন এবং নকশা তৈরি করেন।
- ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটারের মতোই তাঁর মেশিনে নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ, নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন।
- অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা ও উন্নয়নে ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অগাস্টা অ্যাডা বায়রনের (Augusta Ada Byron) অবদান অনস্বীকার্য।
- এ যন্ত্রে সাধারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার মতোই প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হতো।
- অ্যাডা লাভলেস অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রোগ্রাম রচনা করেন।
- প্রকৃতপক্ষে অ্যাডা লাভলেস অগাস্টাই (Ada Lovelace) পৃথিবীর সর্বপ্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার।
- আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা অ্যাডা তাঁর নামানুসারেই রাখা হয়।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৬৫৮.
নিচের কোনটি ম্যালওয়্যার?
  1. এবিজি
  2. নরটন
  3. লোকিবট
  4. পান্ডা
সঠিক উত্তর:
লোকিবট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকিবট
ব্যাখ্যা
ডার্কগেট, ইমোটেট ও লোকিবট রাশিয়ান বহুজাতিক সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস সেবাদাতা ক্যাসপারস্কি প্রকাশিত রিপোর্টে বিশেষ তিনটি সুপার ম্যালওয়্যারের কথা বলেছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য (ডেটা) চুরি করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৯.
কোন ডিভাইসটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য?
  1. ভিআর হেডসেট
  2. স্মার্টওয়াচ
  3. ট্যাবলেট
  4. ই-রিডার
সঠিক উত্তর:
ভিআর হেডসেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিআর হেডসেট
ব্যাখ্যা

• ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো ভিআর হেডসেট। এটি এমন একটি ডিভাইস যা সরাসরি ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধান করা হয় এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের ৩ডি দৃশ্য প্রদর্শন করে। ভিআর হেডসেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারী এমন একটি পরিবেশে প্রবেশ করতে পারে যেখানে তারা গেম খেলা, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, বা ভার্চুয়াল ভ্রমণ করতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট বা ই-রিডার ভিআর অভিজ্ঞতা সরবরাহ করতে পারে না, কারণ এগুলি মূলত ঘড়ি, কম্পিউটিং বা পাঠযোগ্য সামগ্রী দেখানোর জন্য ডিজাইন করা। তাই ভিআর হেডসেটই ভিআর অভিজ্ঞতার প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকর ডিভাইস।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,৬৬০.
নিচের কোনটি হ্যাকার গ্রুপ নয়?
  1. মাস্টার্স অফ ডিসেপশন
  2. সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি
  3. লিজার্ড স্কোয়াড
  4. ট্রোজান হর্স
সঠিক উত্তর:
ট্রোজান হর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত হ্যাকার গ্রুপ:

১) মাস্টার্স অফ ডিসেপশন
২) লিজার্ড স্কোয়াড
৩) অ্যানোনিমাস
৪) সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি
৫) Cozy Bear
৬) Elderwood Group and 20 other Chinese APTS
৭) APT
8) Dragonfly
৯) Tarh Andishan/Ajax
১০) Morpho
১১) Chaos Computer Club

ট্রোজান হর্স  হলো এক ধরনের ম্যালওয়ার।

সূত্র: https://itibritto.com/ten-hackers-group/
৪,৬৬১.
What is the purpose of an IP address?
  1. To increase computer speed
  2. To store data
  3. To uniquely identify each device
  4. To boost computer performance
সঠিক উত্তর:
To uniquely identify each device
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To uniquely identify each device
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) To uniquely identify each device 

IP Address
- IP ঠিকানা (IP Address) হলো ইন্টারনেটে প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইসকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি সংখ্যা।
- একটি কম্পিউটারের IP ঠিকানা স্থায়ী হতে পারে অথবা প্রতি সংযোগে ISP দ্বারা সরবরাহ করা হতে পারে।
- ইন্টারনেটে সংযুক্ত ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে, ৩২-বিট প্রোটোকল IPv4 (৪ বিলিয়নের বেশি ঠিকানা সমর্থন) কে ১৯৯৯ সালে ১২৮-বিট প্রোটোকল IPv6 ২১২৮ (৩.৪ × ১০৩৮ এর বেশি ঠিকানা সমর্থন) দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়।
- IP ঠিকানা ব্লকিং (IP Blocking) বা IP banning হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন, যেখানে নির্দিষ্ট IP ঠিকানার অনুরোধগুলো বাতিল করা হয়।

IP Address এর উদ্দেশ্য:

- অনলাইন আচরণের মান বজায় রাখা (যেমন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ সীমিত করা)।
- নেটওয়ার্ককে আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
- তথ্যের অ্যাক্সেস সীমিত বা সেন্সর করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬৬২.
কোনটি সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CP/M
  2. Symbian OS
  3. Windows NT Server
  4. Palm OS
সঠিক উত্তর:
Windows NT Server
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Windows NT Server
ব্যাখ্যা
• Windows NT Server সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়, কারণ এটি মাল্টি-ইউজার এবং মাল্টি-টাস্কিং ক্ষমতাসম্পন্ন। CP/M, Symbian OS, এবং Palm OS মূলত সিঙ্গেল ইউজার পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক সময়ে একটি ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। Windows NT Server মূলত সার্ভার পরিবেশে ব্যবহৃত হয় এবং একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করতে পারে। তাই, এটি সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। এর ফলে একাধিক ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ক বা সার্ভারে একই সময়ে কাজ করতে সক্ষম হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬৩.
দুই নেটওয়ার্কের মাঝে কোনটি থাকে?
  1. ক) ফার্মওয়্যার
  2. খ) ডাইনামিক র‍্যাম
  3. গ) মাইক্রো প্রসেসর
  4. ঘ) ফায়ারওয়াল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস। এটি এমন এক সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবস্থা যা নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কে ডেটার প্রবেশ ও বহির্গমন ফিল্টারিং করে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি নেটওয়ার্ককে হ্যাকিং কিংবা অনাদিষ্ট প্রবেশ থেকে রক্ষা করে।
ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। দুই নেটওয়ার্কের মাঝে এই ফায়ারওয়াল থাকে। যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে কোন ডেটা পরিবাহিত হলে সেটিকে অবশ্যই ফায়ারওয়াল অতিক্রম করতে হয়।
৪,৬৬৪.
বিশ্বে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৬
  2. খ) ১৯৯৭
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সালে মোবাইল ওয়াপ পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্ট ফোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইউরোপীয়ান ব্যাংকে চালু করা হয় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা।
৪,৬৬৫.
নিচের কোনটি ভারচুয়াল রিয়েলিটি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান?
  1. BROADCOM
  2. Oculus
  3. SAP
  4. HCL ENTERPRISE
সঠিক উত্তর:
Oculus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oculus
ব্যাখ্যা
Oculus হলো ভারচুয়াল রিয়েলিটি বিষয়ক ফেইসবুকের একটি সহপ্রতিষ্ঠান।
৪,৬৬৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. ক) Hypertalk
  2. খ) COBOL
  3. গ) Windows 2000
  4. ঘ) Ada
সঠিক উত্তর:
গ) Windows 2000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Windows 2000
ব্যাখ্যা
Hypertalk, COBOL, Ada হলো কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা। 
অপরদিকে, Windows 2000 হলো অপারেটিং সিস্টেম।
৪,৬৬৭.
কোন ধরনের সাইবার হামলায় ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. Data diddling
  2. Ransomware
  3. Debugging
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ransomware
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) Ransomware.

Ransomware হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে অপ্রাপ্য করে দেয়। এর পর হামলাকারী একটি মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, সাধারণত ডিজিটাল মুদ্রায়, ফাইলগুলি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে। এটি প্রায়শই ইমেইল, সংযুক্তি, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ক্ষতিগ্রস্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারীরা সচেতন না হলে বা যথাযথ ব্যাকআপ না থাকলে তারা সহজে এতে শিকার হতে পারে। Ransomware-এর কারণে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যবসায়িক ডেটা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি হারানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়। সতর্কতা ও নিয়মিত ব্যাকআপ Ransomware-এর থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল উপায়।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing:
- এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

- Debugging:
- এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।

- Data diddling:
- এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

৪,৬৬৮.
সবচেয়ে প্রথম নির্মিত ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের নাম কোনটি?
  1. EDVAC
  2. IBM 701
  3. ENIAC
  4. Harvard Mark-I
সঠিক উত্তর:
Harvard Mark-I
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harvard Mark-I
ব্যাখ্যা

◉ ইতিহাসে প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো Harvard Mark-I, যাকে Automatic Sequence Controlled Calculator (ASCC) নামেও ডাকা হতো। এটি ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে Howard Aiken এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি করা হয়।

​ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​ক) EDVAC → এটি প্রথম ইলেকট্রনিক স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার, ১৯৪৯ সালে তৈরি হয়।

খ) IBM 701 → IBM-এর তৈরি প্রথম বাণিজ্যিক বৈজ্ঞানিক কম্পিউটার, ১৯৫২ সালে প্রকাশিত।

গ) ENIAC → বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, ১৯৪৫ সালে সম্পন্ন।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৬৯.
ALU যে যৌক্তিক ক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে, তার মধ্যে রয়েছে -
  1. AND, OR, NOT 
  2. ADD, SUB, MUL 
  3. MOVE, COPY, PASTE
  4. FETCH, DECODE, EXECUTE
সঠিক উত্তর:
AND, OR, NOT 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND, OR, NOT 
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রধানত গণিত ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পন্ন করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় AND, OR, NOT মত যৌক্তিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, দুইটি বিটের মধ্যে AND অপারেশন করলে শুধুমাত্র উভয়ই ১ হলে ফল ১ হবে, অন্যথায় ০ হবে। একইভাবে, OR এবং NOT অপারেশনগুলো বিভিন্ন যৌক্তিক হিসাব করতে ব্যবহার হয়। ALU সাধারণত ADD, SUB মতো গাণিতিক কাজও করে, কিন্তু যৌক্তিক কাজের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়। অন্য অপশন যেমন MOVE, COPY, PASTE বা FETCH, DECODE, EXECUTE মূলত মেমোরি বা CPU-এর অন্যান্য অংশের কাজ, তাই ALU-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর: ক) AND, OR, NOT.

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭০.
নোটপ্যাড (Notepad) কোন ধরণের প্রোগ্রাম?
  1. ক) Spreadsheet Program
  2. খ) Word Processing Program
  3. গ) Database Program
  4. ঘ) Network Program
সঠিক উত্তর:
খ) Word Processing Program
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Word Processing Program
ব্যাখ্যা
WordPerfect, Wordpad, and MS Word are word processing software. These are used to manipulate a text document, such as a resume or a report. We typically enter text by typing, and the software provides tools for copying, deleting, and various types of formatting.
৪,৬৭১.
পৃথিবীতে কত সালে ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৭৭
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮১
ব্যাখ্যা
এপসন কোম্পানি ১৯৮১ সালে প্রথম ল্যাপটপ প্রবর্তন করে। 
৪,৬৭২.
বৃহৎ আর্কিটেকচারাল ডিজাইন প্রিন্ট করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Electrostatic Printer
  2. খ) Ink-Jet Printer
  3. গ) Laser Printer
  4. ঘ) Plotter
সঠিক উত্তর:
ঘ) Plotter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Plotter
ব্যাখ্যা
প্লটার (Plotter):
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার। 

স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer):
- ইলেট্রোস্ট্যাটিক প্রিন্টার কম্পিউটারের ফলাফলকে বৈদ্যুতিক চার্জের সাহায্যে প্রিন্ট করে।
- এটির কার্যপ্রণালী ফটোস্ট্যাট মেশিনের অনুরূপ। 

ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- প্রিন্টের গুণগতমান ও দামের দিক দিয়ে এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং ভালো প্রিন্টার। 

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৩.
সার্কিট সুইচিং ও প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা -
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 - 1990):
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্দতি হলো FDMA
- অর্ধপরিবাহী মেমোরি এবং মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার হতো।

২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991 - 2000):
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়। 
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়। 
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়। 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001 - 2008):
- ২০০১ সালে জাপানে এনটিটি ডোকোমো (DoCoMo) WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের বদলে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন হয়।
-এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps-এর বেশি। খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান-প্রদান এবং ভিডিও কলের প্রচলন শুরু হয়।

৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020):
- সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি

৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান):
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে। 
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা 5জি চালু হয়েছে।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সংক্ষেপে WWWW (World Wide Wireless Web) নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৬৭৪.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রক্ষা করে কোনটি?
  1. অ্যান্টিভাইরাস
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. এমএস অফিস
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার ছাড়া কম্পিউটার অচল। তাই কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়‍্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়‍্যারের উদাহরণ।
- আবার Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়‍্যারের অন্তর্গত।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বা সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (System Management or Control Program)
২। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (System Development Program) এবং
৩। সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম (System Support Program)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭৫.
Which command is used to center text?
  1. Ctrl + L
  2. Ctrl + E
  3. Ctrl + R
  4. Ctrl + C
সঠিক উত্তর:
Ctrl + E
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + E
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + E।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড: 
- Ctrl + O : Open a document. 
- Ctrl + N : Create a new document. 
- Ctrl + S : Save the document. 
- Ctrl + W : Close the document. 
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard. 
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard. 
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text. 
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text. 
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text. 
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point. 
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point. 
 - Ctrl + E : Center the text. 
- Ctrl + L : Align the text to the left. 
- Ctrl + R : Align the text to the right. 
- Esc : Cancel a command. 
- Ctrl + Z : Undo the previous action. 
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible. 
- Alt + W : Adjust the zoom magnification. 

 উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৪,৬৭৬.
IC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Integrated Circuit
  2. Intelligent Computer
  3. Intel Corporation
  4. Intelligence of Computer
সঠিক উত্তর:
Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Integrated Circuit
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের পূর্ণরূপ- Integrated Circuit.

- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ নামেও অভিহিত করা হয়।
- এটি ১৯৫৮ সালে আবিষ্কার করেন জ্যাক কেলবি
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে সাধারণত থাকে- রোধক, ধারক, ডায়োড, ট্রানজিস্টর ইত্যাদি।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ- 
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট। 
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।
৮. আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
 
৪,৬৭৭.
একটি পিকোনেটে মোট কতটি Slave নোড থাকতে পারে?
  1. ক) 248 টি
  2. খ) 254 টি
  3. গ) 255 টি
  4. ঘ) 256 টি
সঠিক উত্তর:
গ) 255 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 255 টি
ব্যাখ্যা
একটি পিকোনেটে মোট 255টি Slave নোড থাকতে পারে
• পিকোনেট:
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
• ব্লুটুথ (Bluetooth): স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ। এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসা বাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- একটি পিকোনেটে মোট ২৫৫টি স্লেভ নোড থাকে, তবে আটটি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং অবশিষ্ট নোডগুলো নিষ্ক্রিয় থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৬৭৮.
Which data type is used to store whole numbers?
  1. float
  2. int
  3. char
  4. string
সঠিক উত্তর:
int
উত্তর
সঠিক উত্তর:
int
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামিং ভাষায় পূর্ণসংখ্যা (যেমন: ৫, -১০, ১০০) সংরক্ষণের জন্য 'int' (Integer-এর সংক্ষিপ্ত রূপ) ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। এতে কোনো দশমিক অংশ থাকে না। অন্যদিকে দশমিক যুক্ত সংখ্যার জন্য float ব্যবহার করা হয়।

• Integer Data:
- Integer হচ্ছে পূর্ণ সংখ্যা।
- এ ডাটার ব্যাপ্তি মেশিনের উপর নির্ভর করে।
- সাধারণত Integer মেমোরিতে একটি শব্দ ধারণ করে মেশিন ভেদে যা ১৬ বিট বা ৩২ বিট জায়গা দখল করে। 
- এটি ধনাত্মক, ঋণাত্মক এবং শূন্য—সব ধরণের পূর্ণসংখ্যা ধারণ করতে পারে। 
- গাণিতিক লুপ বা গণনার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ডেটা টাইপ।

• Floating Point Data:
- দশমিকযুক্ত সংখ্যাকে অর্থাৎ Decimal Number-কে Floating Point বা প্রকৃত সংখ্যা বলা হয়।
- এই ধরনের সংখ্যা মেমোরিতে ৩২ বিট (১৬ বিট বা ৩২ বিট মেশিনের) জায়গা দখল করে যার মধ্যে দশমিকের পরের অংশের জন্য ৬ বিট।
- এই ধরনের সংখ্যা float এর মাধ্যমে ঘোষণা করতে হয়।
- যেমন: float a, float b, float sum ইত্যাদি।
 
• Character Data:
- Character Type ডাটার মাধ্যমে কোনো চিহ্ন (গাণিতিক বর্ণ, বর্ণ বা কোনো বিশেষ বর্ণ) প্রকাশ করা হয়।
- এই ধরনের ডাটা বোঝানোর জন্য চলকের নামের আগে char ব্যবহার করা হয়। যেমন- char p. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭৯.
গোলক ভরাট করা খাতা পড়তে পারে কোন ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) বারকোড রিডার
  2. খ) স্ক্যানার
  3. গ) ও এম আর
  4. ঘ) ওয়েব ক্যাম
সঠিক উত্তর:
গ) ও এম আর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ও এম আর
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। - কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো: কী-বোর্ড, মাউস, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ও এম আর, স্ক্যানার ইত্যাদি।

ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। কম্পিউটার উক্ত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ফলাফল তৈরি করে।
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮০.
প্রথম মাউস তৈরি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- ১৯৬৪ সালে প্রথম মাউস তৈরি করা হয় সহজে এবং দ্রুত বিভিন্ন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
- বর্তমানে মাউস হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত ইনপুট যন্ত্র।
- মাউস হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- সাধারণত কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেবার জন্য দুই অথবা তিনটি বোতামে সমন্বিত ইনপুট ডিভাইসটিকে মাউস নামে অভিহিত করা হয়।
- মাউস বিভিন্ন পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি যুক্ত।
- এটি কি-বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- সাধারণত Graphical User Interface অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সকল কাজেই মাউসের সাহায্যে করা হয়।
- এছাড়া ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ একই কার্সর কি দিয়ে করা গেলেও মাউসের সাহায্যে দ্রুত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮১.
নিচের কোনটি রিলেশনাল অপারেটরের উদাহরণ?
  1. ক) (+) অপারেটর
  2. খ) (-) অপারেটর
  3. গ) (And) অপারেটর
  4. ঘ) (>) অপারেটর
সঠিক উত্তর:
ঘ) (>) অপারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) (>) অপারেটর
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল অপারেটররা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদেরকে সংখ্যা সূচক এবং ক্যারেক্টার এর মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহার করা হয়। এটি নির্ধারণ করতে পারে যে কোনটি অন্যটির চেয়ে বড়, কম, সমান বা সমান নয়।
৪,৬৮২.
ডেটা গ্রহণ ও নির্গমন বাসের নাম কী?
  1. ক) আউটপুট বাস
  2. খ) ইনপুট বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
সঠিক উত্তর:
গ) ডেটা বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডেটা বাস
ব্যাখ্যা
ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন, মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।
- ডেটা বাসের মাধ্যমে কম্পিউটার ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস থেকে প্রসেসর এবং প্রসেসর থেকে মেমোরি অথবা মেমোরি থেকে প্রসেসর এবং মেমোরি থেকে ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- এ ধরনের বাসের মধ্যে উভয় দিকেই ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তাই ডেটা বাসকে দ্বিমুখী বা Bi-directional বাস বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮৩.
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল এর কাজ -
  1. ক) কম্পিউটারে গতিশীলতা প্রদান করে।
  2. খ) ডেটা সংরক্ষণ করে।
  3. গ) গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে কাজ করে।
  4. ঘ) ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে।
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে।
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে। 

- ফায়ারওয়াল হচ্ছে একটি শক্তিশালী কম্পিউটার সুরক্ষা প্রণালী যেখানে প্রতিটি ধরনের কম্পিউটার ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক গুলোকে হ্যাকার ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, কেউ যেন সেই নিরাপত্তার দেয়াল ভেঙে ঢুকতে না পারে তার চেষ্টা করা হয়।
- নিরাপত্তার এ অদৃশ্য দেয়ালকে ফায়ারওয়াল (Firewall) বলে।

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
৪,৬৮৪.
উৎস প্রোগ্রাম → ? → বস্তু প্রোগ্রাম। (?) প্রশ্নবোধক স্থানে কি হবে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. কম্পাইলার
  4. লিংকার
সঠিক উত্তর:
কম্পাইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পাইলার
ব্যাখ্যা

উৎস প্রোগ্রাম → কম্পাইলার → বস্তু প্রোগ্রাম

অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার
২. ইন্টারপ্রেটার
৩. অ্যাসেম্বলার

কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে।
- অর্থাৎ, উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তর করে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য,
ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামকে এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলারের কাজ হলো অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।(মাহবুবুর রহমান)

৪,৬৮৫.
যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো -
  1. এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
  2. এতে বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা থাকে
  3. এটি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে
  4. এটি কম তাপ উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
ব্যাখ্যা

• যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে। ক্লক স্পিড হলো CPU-এর প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে CPU দ্রুততরভাবে নির্দেশনা পড়া, গণনা এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। তবে এটি সরাসরি স্টোরেজ ক্ষমতা, বিদ্যুৎ ব্যবহার বা তাপ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই ক্লক স্পিড বাড়ানোর মূল প্রভাব হলো প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel. [link]

৪,৬৮৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Matlab
  2. VRToolkit
  3. Maya
  4. Vizard
সঠিক উত্তর:
Matlab
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Matlab
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৬৮৭.
MICR consists of ____ groups of numbers.
  1. ক) two
  2. খ) three
  3. গ) four
  4. ঘ) five
সঠিক উত্তর:
খ) three
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) three
ব্যাখ্যা
MICR stands for Magnetic Ink Character Recognition
Magnetic ink character recognition (MICR) is a technology used primarily to identify and process checks.
The MICR on a check is the string of characters that appears at the bottom left of the check.
It consists of three groups of numbers, including the bank routing number, the account number, and the check number.

Source: investopedia.com
৪,৬৮৮.
কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা?
  1. ক) QBE
  2. খ) COBOL
  3. গ) SQL
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ, ভেরি হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ, নন-প্রসিডিউরাল ল্যাংগুয়েজ এবং একেট্রাল ল্যাংগুয়েজ এর সমন্বয়ে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা গঠিত। এই ভাষার স্বপ্নদ্রষ্টা হলো বিল গেটস। এই ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তর করবে ইন্টেলিজেন্ট কম্পাইলার। বর্তমানে এই ভাষা উন্নয়নাধীন রয়েছে। QBE, SQL, ADF, CSP ইত্যাদি কিছু চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা। ADA, C এবং COBOL তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাহজাহান সজীব
৪,৬৮৯.
মেটার অধীনস্ত কোম্পানী নয় কোনটি?
  1. Threads
  2. Instagram
  3. LinkedIn
  4. WhatsApp
সঠিক উত্তর:
LinkedIn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LinkedIn
ব্যাখ্যা
মেটা:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- বর্তমান (নভেম্বর, ২০২৪) CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬৯০.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে প্রধানত ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৬৯১.
আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) জেনেটিক টেকনোলজী
  2. খ) ইনফরমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
  4. ঘ) বায়োমেট্রিক্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়োমেট্রিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

• দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition),
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test)। 

• আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯২.
পেনড্রাইভে কোন ধরনের রম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) MROM
  4. ঘ) EEPROM
সঠিক উত্তর:
ঘ) EEPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) EEPROM
ব্যাখ্যা
EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Techopedia website.
৪,৬৯৩.
বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করাকে কোন ধরনের সাইবার অপরাধ বলে?
  1. ক) Data didling
  2. খ) Denial of Service Attack
  3. গ) Salami Attack
  4. ঘ) Trojan Attack
সঠিক উত্তর:
খ) Denial of Service Attack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Denial of Service Attack
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে ।
- নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো -
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা। 
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা। 
৩. ই-মেইল বম্বিং। 
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা। 
৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন)।
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।  
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ কর। 
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি। 
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,৬৯৪.
কম্পিউটার পাওয়ার বাটন চাপ দেওয়ার পর প্রথম কোন নির্দেশগুলো পালিত হয়?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের নির্দেশ
  2. মাউস ও কিবোর্ডের নির্দেশ
  3. ইন্টারনেটের নির্দেশ
  4. BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়‍্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে অর্থাৎ BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।


উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৪,৬৯৫.
কম্পিউটারের বাস নয় কোনটি?
  1. অ্যাড্রেস বাস
  2. ফায়ারওয়্যার বাস
  3. এজিপি বাস
  4. ইআইপি বাস
সঠিক উত্তর:
ইআইপি বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইআইপি বাস
ব্যাখ্যা

ইআইপি বাস কম্পিউটারের বাস নয়।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB)
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)। 

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৯৬.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. ক) কীবোর্ড
  2. খ) মনিটর
  3. গ) এক্সেল
  4. ঘ) সিপিইউ
সঠিক উত্তর:
গ) এক্সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্সেল
ব্যাখ্যা
এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফট্ওয়্যার। আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট এ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৪,৬৯৭.
How many bits are there in 1 byte?
  1. 4
  2. 8
  3. 16
  4. 32
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 8

• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৬৯৮.
ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই অন্যদের ব্যক্তিগত কথোপকথন বা যোগাযোগ গোপনে শোনা এবং সেই তথ্য শত্রু সংস্থার কাছে সরবরাহ করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ডিনায়েল অফ সার্ভিস
  2. ইভসড্রপিং
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইভসড্রপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইভসড্রপিং
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই অন্যদের ব্যক্তিগত কথোপকথন বা যোগাযোগ গোপনে শোনা এবং সেই তথ্য শত্রু সংস্থার কাছে সরবরাহ করার প্রক্রিয়াকে বলে ইভসড্রপিং।

• ইভসড্রপিং (Eavesdropping):
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই, তার অজ্ঞাতে সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের কথোপকথন শুনে এবং সেই তথ্যটি প্রতিযোগী সংস্থা বা শত্রু সংস্থার কাছে পৌঁছে দেয়।
- এটি একটি প্যাসিভ আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী গোপনীয়তা বজায় রেখে পর্যবেক্ষণ করে এবং কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য চুরি করে।
- পরবর্তীতে, এই তথ্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু জানিয়ে সক্রিয় আক্রমণও চালানো হতে পারে।
- কার্নিভো এবং নারুসের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলি এই ধরনের আক্রমণের জন্য সহজ টার্গেট, কারণ যে কেউ সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে এবং পাসওয়ার্ড অর্জন করতে পারে।
- ইভসড্রপিং ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৯.
কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. Plotter
  3. Joystick
  4. Pen Drive
সঠিক উত্তর:
Pen Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pen Drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭০০.
পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র Mark-1 কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) Hewlett Packard Enterprise
  2. খ) IBM
  3. গ) Cisco Systems
  4. ঘ) Intel
সঠিক উত্তর:
খ) IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IBM
ব্যাখ্যা

১৯৪৪ সালে আইবিএম মার্ক-১ (Harvard Mark I) যা বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র বাজারজাত বা বিক্রয় করতে শুরু করে। মার্ক-১ যন্ত্রের সাহায্যে জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা যেত।
মার্ক-১ কম্পিউটারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল -
- এটি পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র এবং
- এটির সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।