উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে।
- তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৭ / ১৩১ · ৩,৬০১–৩,৭০০ / ১৩,০৮৮
কর্মসংস্থানের উপর আইসিটির প্রভাব নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কর্মক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়তা আনয়নে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে অগ্রণি ভূমিকা পালন করছে। অর্থাৎ আইসিটির ধারণা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রচুর সুযোেগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।
বর্তমান সময়ে আইসিটি ব্যবহারের উপর পারদর্শীতা চাকুরি নিয়োগের একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• অ্যাভাস্ট (Avast) একটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়; এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus) সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ হলো কার্নেল, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সিস্টেমের সকল গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ পরিচালনা করে। এটি প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ ও ইনপুট-আউটপুট অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন যখন কোনো নির্দেশ দেয়, তখন কার্নেল সেই নির্দেশকে হার্ডওয়্যারে পাঠিয়ে কার্যকর করে। উদাহরণস্বরূপ, যখন একটি প্রোগ্রাম ডেটা মেমোরিতে সংরক্ষণ করতে চায় বা প্রসেসর ব্যবহার করতে চায়, তখন কার্নেল সেই অনুরোধকে সঠিকভাবে বরাদ্দ করে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – ক) হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা।
• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।
• কার্নেলের প্রকারভেদ:
১. মনোলিথিক কার্নেল
২. মাইক্রোকার্নেল
৩. হাইব্রিডকার্নেল
৪. এক্সোকার্নেল
৫. ন্যানোকার্নেল।
• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।
উৎস: geeksforgeeks website.
◉ পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বিপ্লবের সূচনা হয় ১৯৭০-এর দশকে।
পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট।
• IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Internet Relay Chat. এটি একটি প্রটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বার্তা আদান-প্রদান করতে দেয়। IRC মূলত চ্যাট রুম বা চ্যানেলের মাধ্যমে বহু ব্যবহারকারীকে একই সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটি অনলাইন কমিউনিটি, গ্রুপ আলোচনা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা IRC সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চ্যাটে অংশ নিতে পারে এবং প্রাইভেট মেসেজও পাঠাতে পারে। এটি সরল অথচ কার্যকর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Internet Relay Chat.
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার বা লেক্সার কম্পাইলারের প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করে। এটি সোর্স কোডকে পড়ে এবং কোডের ছোট ছোট ইউনিট বা টোকেন এ ভাগ করে। টোকেন হলো প্রোগ্রামিং ভাষার মৌলিক উপাদান যেমন কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর, সংখ্যা বা সিম্বল। লেক্সারের মূল কাজ হলো কোডকে সহজ ও সুসংগঠিত আকারে ভাগ করা, যাতে পরবর্তী ধাপ যেমন সিনট্যাক্স অ্যানালাইসিস সহজ হয়। লেক্সার সোর্স কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না, সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে না এবং কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না। তাই, লেক্সারের সঠিক কাজ হলো সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা, যা কম্পাইলেশনের জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করে।
• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (Lexical Analyzer / Lexer):
- লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার হলো একটি প্রোগ্রামিং কম্পাইলারের প্রথম ধাপের অংশ যা সোর্স কোডকে প্রক্রিয়াকরণ করে।
- এটি সোর্স কোডকে ছোট ছোট একক অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করে, যেগুলোকে টোকেন (Token) বলা হয়।
- প্রতিটি টোকেন সাধারণত একটি কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর বা প্রতীক হতে পারে।
- লেক্সার মূলত সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করার কাজ করে, যাতে পরবর্তী ধাপে সিনট্যাক্স বিশ্লেষণ সহজ হয়।
- এটি কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না।
- লেক্সার সাধারণত সিনট্যাক্স ত্রুটি বা কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না; শুধুমাত্র টোকেন তৈরির কাজ সম্পন্ন করে।
সুতরাং, লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজারের কাজ হল সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা।
সঠিক উত্তর: ক) সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে।
উৎস: geeksforgeeks [link]
• স্টারলিংক হলো এলন মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা, যা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে বেশ ভিন্ন। প্রচলিত ইন্টারনেট সাধারণত ফাইবার অপটিক বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ওপর নির্ভর করে এবং শহর বা শহরের কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দূরবর্তী গ্রামাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় অনেক সময় সেবা পাওয়া যায় না। স্টারলিংক এর সুবিধা হলো এটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে কভার করতে পারে, তাই এমন অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান সম্ভব। এটি ফাইবার ক্যাবল বা স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, স্টারলিংক দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট পৌঁছাতে সক্ষম।
সঠিক উত্তর: খ) দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে।
স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।
উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।
• রিলেশনাল ডাটাবেজে “একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হওয়া” বোঝাতে One-to-many সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এতে একটি টেবিলের এক রেকর্ড (Parent) অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডের (Child) সাথে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Teacher টেবিলের এক শিক্ষকের সাথে অনেক Student রেকর্ড যুক্ত থাকতে পারে। এখানে Teacher হলো Parent এবং Student হলো Child। One-to-many সম্পর্ক বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত চাইল্ড টেবিলে Parent এর প্রাইমারি কী কে ফরেন কী হিসেবে রাখা হয়। এটি ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে এবং ডাটাবেজে লজিকাল সম্পর্ক সহজে অনুসরণ করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-many।
• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।
• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।
• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• CPU বা Central Processing Unit মূলত কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের প্রধান কেন্দ্র, যেখানে ইনপুট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ, গণনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। CPU বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল তুলনা সম্পন্ন করতে পারে। প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি ডেটাকে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং ফলাফল আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দেয়। তথ্য সংরক্ষণ, প্রদর্শন বা কম্পিউটার ঠান্ডা রাখা CPU-এর কাজের অংশ নয়; এগুলো আলাদা হার্ডওয়্যার যেমন RAM, মনিটর বা কুলিং সিস্টেমের দায়িত্ব। সুতরাং, CPU মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ।
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত।
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে।
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে।
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে।
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়।
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইসসমূহ হল- মাদারবোর্ড, মাইক্রোপ্রসেসর, রেম ও রম, হার্ডডিস্ক, এজিপি কার্ড, লেনকার্ড, ইত্যাদি।
অপরদিকে, মাউস হল ইনপুট ডিভাইস।
প্রিন্টার, এবং মাইক্রোচিপ হল আউটপুট ডিভাইস।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে তথ্য আদানপ্রদান দুই দিকেই হয়, কিন্তু এক সময়ে কেবল একটি দিকেই ডেটা প্রেরণ সম্ভব। অর্থাৎ, একই মুহূর্তে দুইটি ডিভাইস একসাথে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না। সুতরাং, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B কে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না A-এর প্রেরণ সম্পন্ন হয়। এই কারণে, B-এর তথ্য প্রেরণ তখনই শুরু করা যায় যখন চ্যানেল খালি হয়। হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে এক সময়ে এক পক্ষই প্রেরণকারী এবং অন্য পক্ষ গ্রাহক থাকে, যা সম্পূর্ণ ডুপ্লেক্সের থেকে আলাদা। তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন-
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না।
যেমন- ওয়াকিটকি।
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
• SQL-এ DDL (Data Definition Language) মূলত ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। Insert কমান্ডটি টেবিলের কাঠামো পরিবর্তন করে না, বরং টেবিলের ভেতরে নতুন ডেটা বা তথ্য যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি DML (Data Manipulation Language)-এর অন্তর্ভুক্ত।
• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).
১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.
২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML):
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।
চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত:
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল।
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।
উৎস: প্রথম আলো [link]
-কম্পিউটার ব্যাকআপ বলতে বোঝায় আপনার সিস্টেমের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডেটাগুলির কপি যা অন্য কোনো জায়গায় সংরক্ষণ করা হয়, এবং ডিলিট বা করাপ্টেড হয়ে গেলে প্রয়োজনমতো আবার সেগুলিকে ফিরে পাওয়া যায়। আমাদের সমস্ত ডেটা যেখানে স্টোর থাকে তা হল কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি
• এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে MAN (Metropolitan Area Network) বলা হয়। MAN সাধারণত একটি শহর বা কাছাকাছি অবস্থিত একাধিক শহর জুড়ে ডাটা যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করে। এটি LAN-এর চেয়ে বড় পরিসরের এবং WAN-এর তুলনায় ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সিটি কর্পোরেশন, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান MAN ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে।
- অন্যদিকে LAN ছোট এলাকার জন্য, PAN ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য এবং WAN দেশ বা মহাদেশজুড়ে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) MAN.
মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).
• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।
• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
স্মার্টফোনে সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়।
• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে একটি ডিসপ্লে স্ক্রিন (সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD), বিল্ট-ইন ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম (যেমন একটি ইলেকট্রনিক ক্যালেন্ডার এবং ঠিকানা বই) এবং একটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) থাকে।
- স্মার্টফোনকে মোবাইল ফোনের মধ্যে একত্রিত একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন- লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure).
• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
DHCP: IP address assignment এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
SMTP: ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
FTP: এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়।
তথ্যসূত্র:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Bigcommerce Essentials ওয়েবসাইট।
• অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL (Secure Sockets Layer) ব্যবহার করার প্রধান কারণ হলো ডেটা এনক্রিপশন। যখন ব্যবহারকারী তাদের ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দিয়ে লেনদেন করে, তখন এই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভারে পাঠানো হয়। যদি তথ্য এনক্রিপ্ট করা না থাকে, তবে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ সহজেই তা চুরি করতে পারে। SSL ব্যবহার করে ডেটা নিরাপদভাবে এনক্রিপ্ট করা হয়, অর্থাৎ তথ্য কোড আকারে রূপান্তরিত হয় যা শুধুমাত্র প্রাপকের সার্ভারই পড়তে পারে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত থাকে, অনলাইন লেনদেন নিরাপদ হয় এবং ওয়েবসাইটের প্রতি ব্যবহারকারীর আস্থা বাড়ে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা এনক্রিপশন।
SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।
ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।
উৎস: Kaspersky website.
• কম্পিউটার মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী যে মেমোরি প্রসেসরের যত কাছে থাকে তার গতি তত বেশি হয়। সেই হিসেবে সঠিক ক্রমটি হলো: Register > Cache > RAM।
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।
• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
• RAM:
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে হটস্পট বলা হয়।
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।
• ফ্রিকোয়েন্সি ও চ্যানেল:
- IEEE স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলোকে চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
- চ্যানেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সিতে ওভারল্যাপ করে।
- সাধারণত Wi-Fi সিগন্যাল ১০০ মিটারের কম দূরত্বে ইন্ডোর পরিবেশে প্রেরণ করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ওসিআর:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো (Optical Character Reader).
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।
অন্যদিকে, পোস্টাল অর্ডার এবং চেক ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো দ্রুত ও নিরাপদ নয়।
ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - ক) তরল নাইট্রোজেন
• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
প্রশ্ন: (345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে (229.8125)10 হবে।
• অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, প্রতিটি অক্টাল অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 8-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়। দশমিক বিন্দুর পরের অঙ্কগুলোর জন্য 8-এর ঋণাত্মক ঘাত ব্যবহার করা হয়।
• এখানে, অক্টাল সংখ্যাটি হলো (345.64)8।
• এর দশমিক রূপান্তর হলো:
= (3 × 82) + (4 × 81) + (5 × 80) + (6 × 8- 1) + (4 × 8- 2)
= (3 × 64) + (4 × 8) + (5 × 1) + (6/8) + (4/64)
= 192 + 32 + 5 + 0.75 + 0.0625
= 229.8125
∴ (345.64)8 = (229.8125)10
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ হলো প্রথমে সংখ্যাটির সব বিট উল্টানো (যেখানে ০ হবে ১ এবং ১ হবে ০), তারপর এই উল্টানো সংখ্যার সাথে ১ যোগ করা। কারণ ২-এর পরিপূরক হলো মূল সংখ্যা এবং এর ২-এর পরিপূরক সংখ্যার যোগফল বাইনারি সংখ্যা সীমার সর্বাধিক মানের এক কমে পৌঁছায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাইনারি সংখ্যা হয় 0101 (দশমিক ৫), সব বিট উল্টালে পাওয়া যাবে 1010 এবং এতে ১ যোগ করলে হবে 1011 (দশমিক ১১)। তাই সঠিক পদ্ধতি হলো সব বিট উল্টিয়ে তার পরে ১ যোগ করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা।
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।
উদাহরণ:
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100
সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।