উত্তর
ব্যাখ্যা
(4CF)16
= 4 × 162 + 12 × 161 + 15 × 160
= 4 × 256 + 12 × 16 + 15 × 1
= 1024 + 192 +15
= 1231
∴ (4CF)16 = (1231)10
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৫ / ১৩১ · ৩,৪০১–৩,৫০০ / ১৩,০৮৮
(4CF)16
= 4 × 162 + 12 × 161 + 15 × 160
= 4 × 256 + 12 × 16 + 15 × 1
= 1024 + 192 +15
= 1231
∴ (4CF)16 = (1231)10
Linux is not a common application program.
- এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম।
সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- যেসব সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম বাণিজ্যিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়, সেগুলোকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দৈনন্দিন বা ব্যবহারিক সমস্যার সমাধানের জন্য তৈরি এবং বাজারে সরবরাহিত সফটওয়্যারগুলোর সবকটিকেই সাধারণ ব্যবহারিক বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ:
- MS Word ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসিং করা যায়।
- MS Excel দিয়ে হিসাব-নিকাশ এবং ডাটা বিশ্লেষণ করা যায়।
- MS Access দিয়ে ডেটাবেজ পরিচালনা করা যায়।
- মূলত, কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করতে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্য নেন।
উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম:
- MS Office,
- Internet Explorer,
- Netscape Navigator,
- Netscape Communicator,
- ইলেকট্রনিক মেইল (Email),
- PageMaker,
- Photoshop,
- Illustrator, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল। ডেনিস রিচি এবং কেন থমসন বেল ল্যাবস-এ Unix অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নের সময় C ভাষার বিকাশ করেন। তখনকার সময় Unix মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষায় তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সিস্টেমের কার্যকারিতা এবং পোর্টেবিলিটি বাড়ানোর জন্য C ভাষা উদ্ভাবন করা হয়। C-এর মাধ্যমে Unix অপারেটিং সিস্টেমকে হাই-লেভেল ভাষায় পুনঃলিখন করা সম্ভব হয়, যা সিস্টেমকে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সহজেই চালানোর সুযোগ দেয়। এই কারণে C ভাষা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- উত্তর: ক) Unix.
• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - ক) Microcomputers।
ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রোকম্পিউটার হলো একটি ছোট ডিজিটাল কম্পিউটার, যার কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে একটি মাইক্রোপ্রসেসর থাকে।
- মাইক্রোকম্পিউটার শব্দটি প্রায়শই ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হতো, বিশেষ করে সেই কম্পিউটারগুলোর ক্ষেত্রে যার CPU একটি একক ইন্টিগ্রেটেড সেমিকন্ডাক্টর চিপে থাকে।
- আকার, কার্যক্ষমতা এবং খরচের দিক থেকে এটি সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসরের মাধ্যমে একীভূত সার্কিট ব্যবহার করা হয়।
- এটি স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) হিসেবে কাজ করে।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহারের পাশাপাশি বিনোদনের জন্য এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সিস্টেম ইউনিট :
একটা Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে System Unit বলে।
এ Unit-এর ভিতরেই সি পি ইউ (Central Processing Unit), স্মৃতিকেন্দ্ৰ (Memory Unit), সমস্ত যন্ত্রাংশ, ফ্লপি, সিডি, ডিস্ক ড্রাইভ ও হার্ডডিস্ক অবস্থিত। |
এখানে রিসেট (Reset) বোতাম থাকে এবং সিস্টেম ইউনিটকে তালা চাবি লাগানোর ব্যবস্থাও থাকে ।
আমরা হার্ডডিস্ককে বাইরে থেকে দেখতে পারি না। মনিটরের নিচে অথবা পাশে দাঁড় করানো থাকে। এ বাক্সটির ভিতরেই কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশ সংযোজিত থাকে। এ সিষ্টেম ইউনিট এর ভিতরেই কম্পিউটারের মাদার বোর্ডসহ অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান।
উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মাইক্রোসফট:
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ ।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
উৎস: Microsoft Website.
- সঠিক উত্তর: গ) B2B, B2C, C2C, C2B.
• ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্সে বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ও স্বীকৃত ধরনগুলো হলো B2B, B2C, C2C, C2B। এখানে B2B (Business to Business) বোঝায় ব্যবসার মধ্যে পণ্য বা সেবা লেনদেন। B2C (Business to Consumer) মানে ব্যবসা সরাসরি ভোক্তাকে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করে। C2C (Consumer to Consumer) হলো ভোক্তাদের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিক্রি বা বিনিময়, যেমন অনলাইন মার্কেটপ্লেস। C2B (Consumer to Business) ক্ষেত্রে ভোক্তারা ব্যবসার জন্য পণ্য, সেবা বা মতামত সরবরাহ করে। তাই সাধারণভাবে ই-কমার্সের প্রায় সব পরিচিত ধরনগুলো এই চারটি মডেলে বিভক্ত।
• এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান সুবিধা হলো এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে ডিজাইন করা হয়। অর্থাৎ, এটি সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতো বহুমুখী কাজ করতে না পারলেও নির্দিষ্ট কাজ যেমন যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ, সেন্সর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা সিস্টেম মনিটরিংতে অত্যন্ত দক্ষ। এর হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একসাথে এমনভাবে সাজানো থাকে যে কম বিদ্যুৎ খরচে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটি সাধারণত একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে না বা অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা নেই, এবং উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্সও প্রধান লক্ষ্য নয়। তাই এম্বেডেড সিস্টেমের মূল শক্তি হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য কার্যকারিতা এবং দক্ষতা।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• সঠিক উত্তর - ম্যালওয়্যার বা র্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো।
- ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সাধারণত অনৈতিক এবং অবৈধ উপায়ে কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা করে। তারা আইনি অনুমতি ছাড়াই হ্যাকিং কার্যকলাপ চালায়, যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, আর্থিক ক্ষতি বা সিস্টেমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের হ্যাকারদের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত কার্যকলাপ হলো ম্যালওয়্যার বা র্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো, যা ব্যবহারকারীর তথ্য বা ফাইলকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে এনে বিনা অনুমতিতে অর্থ বা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। অন্যদিকে ওপেন-সোর্স নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরি করা, বৈধ পেনেট্রেশন টেস্টিং করা বা ব্যবসাকে নিয়মকানুন মেনে চলতে সাহায্য করা সাধারণত সাদা হ্যাট বা নৈতিক হ্যাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সুতরাং, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্যে অবৈধ আক্রমণ চালানো।
হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).
• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা। এটি একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা কম্পিউটারের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ইনপুট নেয়, যেমন প্রোগ্রামের কোড বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, এবং এগুলিকে প্রসেস করে আউটপুট তৈরি করে।
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।
• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।
• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।
উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
• Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম হলো NTFS। NTFS বা New Technology File System মাইক্রোসফট দ্বারা তৈরি একটি উন্নত ফাইল সিস্টেম যা উচ্চ নিরাপত্তা, ফাইল অনুমতি নিয়ন্ত্রণ, বড় ফাইল এবং ড্রাইভ সাইজ সমর্থন, এবং ফাইল সিস্টেম জার্নালিং সুবিধা প্রদান করে। এটি Windows XP, Windows 7, 8, 10 এবং সর্বশেষ Windows 11-এ ডিফল্টভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে FAT16 এবং FAT32 পুরোনো ফাইল সিস্টেম যা ছোট ড্রাইভ এবং কম ক্ষমতার স্টোরেজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু আধুনিক নিরাপত্তা এবং পারফরম্যান্সের জন্য যথেষ্ট নয়। EXT4 মূলত Linux-এ ব্যবহৃত হয়, Windows-এ নয়। তাই আধুনিক Windows-এর জন্য NTFS প্রধান।
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(32×1) + (16×0) + (8×0) + (4×0) + (2×1) + (1×1)
= 32+0+0+0+2+1
= 35
• কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• pfSense হলো FreeBSD অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। এটি রাউটার এবং ফায়ারওয়াল হিসেবে যেকোনো ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করে ব্যবহার করা যায়।
- অন্যদিকে Sophos XG, FortiGate এবং Juniper SRX মূলত বাণিজ্যিক (Commercial) এবং হার্ডওয়্যার ভিত্তিক ফায়ারওয়াল সলিউশন যা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন।
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Apple Macintosh → এটি একটি Microcomputer (১৯৮৪ সালে প্রকাশিত প্রথম গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ পার্সোনাল কম্পিউটার), ব্যক্তিগত ও অফিস ব্যবহারের জন্য তৈরি।
মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র।
- মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি।
মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. ডেক্সটপ কম্পিউটার,
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
৩. পামটপ কম্পিউটার এবং
৪. নোটবুক কম্পিউটার।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
IBM System/360 → এটি একটি Mainframe computer (১৯৬৪ সালে প্রকাশিত), বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত।
Cray-1 → এটি একটি Supercomputer (১৯৭৬ সালে প্রকাশিত), জটিল বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য তৈরি।
IBM z15 → এটি আধুনিক Mainframe computer (২০১৯ সালে প্রকাশিত)।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। সেগুলো হলো-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)
◉ SQL (Structured Query Language) হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা ম্যানিপুলেশন, কুয়েরি, এবং ডাটাবেজ কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। MODIFY SQL এর কোনো বৈধ কমান্ড নয়। ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহৃত হয়।
SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
নিচে SQL এর কিছু সাধারণ কমান্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো:
SELECT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা রিট্রিভ (পুনরুদ্ধার) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: SELECT * FROM users;
INSERT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে নতুন ডেটা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: INSERT INTO users (name, age) VALUES ('John', 25);
DELETE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: DELETE FROM users WHERE id = 1;
UPDATE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: UPDATE users SET age = 30 WHERE id = 1;
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• হাইব্রিড ক্লাউড:
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।
• প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে।
- উচ্চ নিরাপত্তা থাকে।
- সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী।
• পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে।
- স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে।
- উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud।
• হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
- নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
- খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।
তথ্যসূত্র:
- Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।
◉ রিলেশনাল ডাটাবেজে Primary Key একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
কী (Key):
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key)
প্রাইমারি কী:
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে। কোন ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।
প্রাইমারি কী'র কিছু বৈশিষ্ট্য:
- Primary Key-তে ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে না। প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য এটি Unique হতে হয়।
- প্রতিটি টেবিলে আলাদা আলাদা Primary Key থাকতে পারে এবং প্রতিটি টেবিলে এটি ভিন্ন হতে পারে।
- Primary Key কখনো NULL হতে পারে না, কারণ এটি প্রতিটি রেকর্ডকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও,
কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
ফরেন কী:
অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Database System Concepts - Silberschatz, Korth, Sudarshan.
• রিলেশনাল ডাটাবেজে One-to-many (এক-থেকে-বহু) সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই ধরনের সম্পর্কে একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডকে নির্দেশ করতে পারে, কিন্তু চাইল্ড টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলের ডাটাবেজে শিক্ষক টেবিলের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্র টেবিলের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এটি ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটার সংহতি বজায় রাখে। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, One-to-one এক-এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many অনেক-থেকে-অনেক এবং Self-referencing টেবিল নিজেই নিজের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) One-to-many.
• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।
• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।
• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কর্মচারী তথ্যের টেবিলে প্রাইমারি কী হিসেবে এমন একটি ফিল্ড বেছে নেওয়া উচিত যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে পারে এবং কখনোই পুনরাবৃত্তি হবে না। এখানে নাম, বিভাগ বা ঠিকানা অনন্য নাও হতে পারে, কারণ একাধিক কর্মচারীর একই নাম, একই বিভাগ বা একই ঠিকানা থাকতে পারে। তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। অন্যদিকে, আইডি সাধারণত প্রতিটি কর্মচারীর জন্য আলাদা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয়। এটি সব রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করতে সক্ষম।
- তাই আইডি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত, কারণ এটি ডেটা ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে এবং রিলেশনাল ডাটাবেসে দ্রুত অনুসন্ধান ও রেফারেন্স করার সুবিধা দেয়।
কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).
প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।
উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• LLM বা বড় ভাষার মডেল প্রশিক্ষণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA. NVIDIA-এর GPU-গুলি উচ্চ-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং এবং ডিপ লার্নিং কাজের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত, কারণ এদের আর্কিটেকচার যেমন CUDA, Tensor Cores এবং Ampere বা Hopper সিরিজের GPU মডেলগুলো মেশিন লার্নিং অপারেশন যেমন ম্যাট্রিক্স মাল্টিপ্লিকেশন অত্যন্ত দ্রুত করতে পারে।
- অন্যান্য ব্র্যান্ড যেমন AMD, Intel বা Apple GPU-ও রয়েছে, কিন্তু এদের সফটওয়্যার ইকোসিস্টেম এবং ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সমন্বয় NVIDIA-র তুলনায় সীমিত। তাই আধুনিক LLM মডেল যেমন GPT, BERT বা LLaMA প্রশিক্ষণে প্রধানত NVIDIA GPU ব্যবহৃত হয়।
উত্তর: ক) NVIDIA.
• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.
সূত্র:
- IBM [link]
- OpenAI [link]
- Reuters [link]
• 157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান 111 হয়।
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।
এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020)
চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলাে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেট
ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে। দ্রুত। চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোন LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে।
• কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হলো মেশিন ভাষা। এটি কম্পিউটারের জন্য সরাসরি বোঝার যোগ্য ভাষা, যা বাইনারি কোড বা ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। কম্পিউটার কোনো উচ্চ স্তরের ভাষা যেমন জাভা বা পাইথন সরাসরি বুঝতে পারে না; এগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয় কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে। মেশিন ভাষা খুবই সহজ এবং নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী দিয়ে কাজ করে, যেমন ডেটা স্থানান্তর, গণনা করা বা শর্ত যাচাই। আসেম্বলি ভাষা হলো মেশিন ভাষার তুলনামূলক সহজ রূপ, যা মানুষের জন্য কিছুটা বোধ্য হলেও কম্পিউটার সেটিও মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়। তাই কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হল মেশিন ভাষা।
- উত্তর: খ) মেশিন ভাষা।
• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।
• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।
• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
• IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান।
৩. ব্রিটানিকা।
CSS - Cascading Style Sheets
jQuery - Is a Javascript Library.
Ruby - Programming Language
• বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম চালু করেছিল Amazon, তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Amazon। ২০০৬ সালে Amazon তাদের বিদ্যমান অবকাঠামোকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য Amazon Web Services (AWS) চালু করে। AWS-এর মাধ্যমে অনলাইন স্টোরেজ, সার্ভার, ডেটাবেস ও কম্পিউটিং ক্ষমতা ভাড়াভিত্তিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সার্ভার কিনে ও রক্ষণাবেক্ষণ করে কাজ করতে হতো, যা ব্যয়বহুল ছিল। Amazon এই ধারণাকে সহজ, সাশ্রয়ী ও স্কেলযোগ্য করে তোলে, ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং দ্রুত জনপ্রিয় হয় এবং পরবর্তীতে Google, Microsoft ও IBM এই খাতে প্রবেশ করে।
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।