বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ১৩১ · ১০১২০০ / ১৩,০৮৮

১০১.
ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি সফটওয়্যারকে কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. মিডলওয়্যার
সঠিক উত্তর:
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MS Word ব্যবহার করা হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং-এর জন্য, MS Excel ব্যবহার করা হয় স্প্রেডশিট কাজের জন্য, আবার Photoshop ব্যবহার করা হয় ছবি সম্পাদনার জন্য। এসব সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহারকারীর কাজকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

​অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। উদাহরণ: অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux)।
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম (Utility Program): এটি কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্টিমাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: Antivirus, Disk Cleanup।
মিডলওয়্যার (Middleware): এটি বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। উদাহরণ: Database Middleware, Web Servers.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
'পকেট কম্পিউটার' নামে পরিচিত -
  1. ক) ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. খ) নোটবুক কম্পিউটার
  3. গ) ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. ঘ) পামটপ কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) পামটপ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পামটপ কম্পিউটার পকেট কম্পিউটার  নামেও পরিচিত। 

- PDA-এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants. ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এটি হেন্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কোনো প্রকার ডিস্ক ড্রাইভ থাকে না। সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো মূলত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

সূত্র: ২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 


১০৩.
ইন্টারনেটের আবিষ্কার কোনটির সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত?
  1. মহাকাশ গবেষণা
  2. প্রতিরক্ষা
  3. বাণিজ্যিক যোগাযোগ
  4. শিক্ষাগত গবেষণা
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network) তৈরি করে। যা আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয় ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network) এর মাধ্যমে।
- এটি ছিল একটি গবেষণা প্রকল্প যা মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনস্থ ARPA (পরবর্তীতে DARPA) দ্বারা ১৯৬৯ সালে চালু হয়েছিল।
- ARPANET-ই হল আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।

• প্রতিরক্ষায় তথ্য প্রযুক্তির প্রভাব:
১. সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজে সিমুলেশান এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি পরিবেশ তৈরি করে ব্যাপকভাবে তথ্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা হয়। 
২. মানুষকেন্দ্রিক যুদ্ধক্ষেত্র ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে আধুনিক যুদ্ধে নেটওয়ার্কভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনা করা হয়। 
৩. স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্বারা দূর থেকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি সরাসরি সম্প্রচার, পর্যবেক্ষণ ও কমান্ডিং করা সম্ভব হয়।
৪. শত্রুবাহিনীকে পর্যুদস্ত করার জন্য তাদের কমান্ড সেন্টারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ইলেক্ট্রনিক জ্যামিং করে অচল করে দিতে পারে।
৫. মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অত্যন্ত কার্যকর ও নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
৬. অত্যন্ত গোপনে শত্রুপক্ষের শিবিরে আঘাত হানার জন্য ড্রোন ব্যবহার করা যায়।
৭. মিসাইল, রকেট বা ড্রোন আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পালটা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে তথ্য প্রযুক্তিকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৪.
কোনটি রাইড শেয়ারিং মাধ্যম?
  1. ক) উবার
  2. খ) পাঠাও
  3. গ) সহজ
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
১০৫.
মাইক্রোকন্ট্রোলার বেজড একটি ওপেন সোর্স প্লাটফর্ম কোনটি?
  1. Raspberry Pi
  2. Arduino
  3. Microcontroller
  4. ATM
সঠিক উত্তর:
Arduino
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arduino
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোকন্ট্রোলার বেজড একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম হলো Arduino। এটি একটি সহজ, ব্যবহারবান্ধব ও সাশ্রয়ী মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ড, যা বিভিন্ন সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। Arduino ওপেন সোর্স হওয়ায় এর হার্ডওয়্যার ডিজাইন ও সফটওয়্যার (Arduino IDE) সবাই বিনামূল্যে ব্যবহার ও পরিবর্তন করতে পারে। শিক্ষার্থী, গবেষক ও শৌখিন ইলেকট্রনিক্স প্রেমীদের মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়, কারণ এটি প্রোগ্রামিং শেখা ও স্বয়ংক্রিয় প্রকল্প তৈরি করা সহজ করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো — খ) Arduino.

• Raspberry Pi:
- Raspberry Pi হলো একটি ছোট কম্পিউটার (single-board computer) যা সাধারণত লিনাক্স চালায়।
- এটি একটি মাইক্রোপ্রসেসর-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, মাইক্রোকন্ট্রোলার নয়।
- Raspberry Pi হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয় ক্ষেত্রেই যথেষ্ট মুক্ত এবং কমিউনিটি-চালিত, তবে এটি মাইক্রোকন্ট্রোলার-বেজড ওপেন-সোর্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত নয়।
- সাধারণত এটি ডেক্সটপ-লেভেলের কাজ, মিডিয়া সেন্টার, সার্ভার বা এমবেডেড লিনাক্স প্রজেক্টে ব্যবহৃত হয়।
- তাই Raspberry Pi মূলত একটি একক-বোর্ড কম্পিউটার, মাইক্রোকন্ট্রোলার-ভিত্তিক ডিভাইস নয়।

• Arduino:
- Arduino হলো একটি ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে।
- এটি হার্ডওয়্যার (বোর্ড) ও সফটওয়্যার (IDE, লাইব্রেরি) উভয়ই উন্মুক্ত উৎস হিসেবে প্রদান করে।
- Arduino বোর্ডগুলোতে সাধারণত AVR, ARM বা অন্যান্য মাইক্রোকন্ট্রোলার থাকে এবং সেন্সর, অ্যাকচুয়েটর ইত্যাদির সাথে সহজে সংযোগ করা যায়।
- শিক্ষাবিদ্যা, প্রটোটাইপিং ও হবি ইলেকট্রনিক্স প্রজেক্টে Arduino ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
- সুতরাং Arduino স্পষ্টতই একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার-ভিত্তিক ওপেন-সোর্স প্ল্যাটফর্ম।

• Microcontroller:
- "Microcontroller" শব্দটি নিজেই একটি হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট বোঝায়, একটি ছোট একক-চিপ সিস্টেম যা CPU, মেমোরি ও পেরিফেরাল নিয়ে গঠিত।
- এটি একটি প্ল্যাটফর্ম নয়— বরং এমন চিপ যা বিভিন্ন বোর্ড বা প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত হতে পারে।
- অনেক ওপেন-সোর্স প্ল্যাটফর্ম (যেমন Arduino) মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে, কিন্তু "Microcontroller" অপশনটি নিজে থেকেই একটি প্ল্যাটফর্ম নয়।
- তাই এটি সরাসরি প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা যায় না।

• ATM:
- ATM (Automated Teller Machine) হলো একটি ব্যাংকিং অ্যাটমসফিয়ার ডিভাইস যা নগদ উত্তোলন, ব্যালান্স চেক ইত্যাদি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস/মেশিন; এটি কোনো ওপেন-সোর্স মাইক্রোকন্ট্রোলার প্ল্যাটফর্ম নয়।
- ATM সাধারণত প্রোপ্রাইটারি সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে এবং মাইক্রোকন্ট্রোলার-বেজড ওপেন-সোর্স প্ল্যাটফর্মের সংজ্ঞায় পরে না।

সুতরাং, মাইক্রোকন্ট্রোলার-ভিত্তিক ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মটি হলো Arduino.

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১০৬.
কম্পিউটারে হিসাব নিকাশের জন্য কোন সফটওয়্যার উপযোগী ও বহুল ব্যবহৃত?
  1. ক) Power Point
  2. খ) MS Word
  3. গ) MS Access
  4. ঘ) MS Excel
সঠিক উত্তর:
ঘ) MS Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) MS Excel
ব্যাখ্যা

এক্সেল হচ্ছে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক স্প্রেডশিট এ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম। এক্সেলের সাহায্যে খুব সহজেই গাণিতিক হিসাব নিকাশ, বিভিন্ন ফর্মূলা, চার্ট তৈরি ইত্যাদি কাজ করা যায়।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রা্‌ম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০৭.
নিচের কোনটি একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না?
  1. পেনড্রাইভ
  2. টাচ স্ক্রিন
  3. মডেম
  4. ওয়েবক্যাম
সঠিক উত্তর:
ওয়েবক্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েবক্যাম
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
১০৮.
সাইবার থেফট বলতে বুঝায়-
  1. ডেটা থেফট
  2. আইডেন্টিটি থেফট
  3. সিস্টেম থেফট
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সাইবার থেফট বা সাইবার চুরি:
- অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত তথ্যাদি চুরি করাই হলো সাইবার চুরি।
- সাইবার থেফট দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- ডেটা থেফট (Data Theft) ও আইডেন্টিটি থেফট (Identity Theft)।
- অন্যের কম্পিউটার থেকে বিনা অনুমতিতে ডেটা কপি বা আহরণ করাকে ডেটা চুরি বা ডেটা থেফট বলে।
- কোনো ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে অন্য কোনো কিছু ক্রয় করাকে ব্যক্তি পরিচয় চুরি বা আইডেন্টিটি থেফট বলে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত HMD-এর 'M' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Machine
  2. Module
  3. Mounted
  4. Motion
সঠিক উত্তর:
Mounted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mounted
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolKit, 3D Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে( Head Mounted Display- HMD), হাতে একটি ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার। [Jaron Lanier; পূর্ণ নাম Jaron Zepel Lanier]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) MS-DOS
  2. খ) CP/M
  3. গ) ADA
  4. ঘ) XENIX
সঠিক উত্তর:
গ) ADA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ADA
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার প্রোগ্রামের একটি ল্যাংগুয়েজ এর নাম C,
- এছাড়া আরও কয়েকটি কম্পিউটার ল্যাংগুয়েজ হলোঃ FORTAN, BASIC, ADA, C++.

অন্যদিকে, MS-DOS, CP/M, XENIX ইত্যাদি হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম।
১১১.
CISC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Complex Instruction Sets Computing
  2. Complex Instruction Set Computer
  3. Complex Instruction Set Computing
  4. Complexity Instruction Set Computing
সঠিক উত্তর:
Complex Instruction Set Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Complex Instruction Set Computer
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর কে সাধারন ভাবে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:

1) CISC Processor: Complex Instruction Set Computers. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।

2) RISC Processor: Reduced Instruction Set Computers. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC - 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।

3) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১২.
যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) তৈরি হয়, তখন সেটিকে কি বলে?
  1. কম্পোজিট কী
  2. ফরেন কী
  3. মাস্টার কী
  4. অটো ইনক্রিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট কী
ব্যাখ্যা


উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
১১৩.
কোনো ডকুমেন্ট লেখার জন্য কোন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) C++
  2. খ) McAfee
  3. গ) Word Processor
  4. ঘ) Adobe Illustrator
সঠিক উত্তর:
গ) Word Processor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Word Processor
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার (Word Processing Software):
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়। মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Microsoft word, Wordstar, Wordperfect, Latex, Note Pad ইত্যাদি।

• C++ হলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 
• McAfee হলো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার প্রোগ্রাম। 
• Adobe Illustrator হলো গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
F1 কী-এর কাজ কী?
  1. ফাইল সেভ করা
  2. Help মেনু খোলা
  3. উইন্ডো বন্ধ করা
  4. সার্চ চালু করা
সঠিক উত্তর:
Help মেনু খোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Help মেনু খোলা
ব্যাখ্যা

F1 কী-এর কাজ হচ্ছে Help মেনু খোলা।

​ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

F1-F12 ফাংশন কী-এর কাজ:
- F1: সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2: নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3: দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4: Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5: ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6: ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8: উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10: মেনু বার চালু করে।
- F11: ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12: ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫.
LLM যখন ভুল বা কাল্পনিক তথ্য আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রদান করে, তখন সেই ঘটনাকে কী বলা হয়?
  1. Deepfake
  2. Data Leakage
  3. Overfitting
  4. Hallucination
সঠিক উত্তর:
Hallucination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hallucination
ব্যাখ্যা

• LLM (Large Language Model) যখন আত্মবিশ্বাসের সাথে এমন কিছু তথ্য দেয় যা ভুল, কাল্পনিক বা বাস্তবে অস্তিত্বহীন, তখন সেই ঘটনাকে Hallucination বলা হয়।

• LLM-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- Massive Scale: এগুলো বিলিয়ন বা ট্রিলিয়ন প্যারামিটারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মডেলকে অত্যন্ত জটিল তথ্য প্রসেস করতে সাহায্য করে।
- Transformer Architecture: এটি 'Self-attention' মেকানিজম ব্যবহার করে বাক্যের দূরবর্তী শব্দের মধ্যেও সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
- Generative Ability: এটি কেবল তথ্য খুঁজে দেয় না, বরং নতুন কবিতা, কোড বা প্রবন্ধ তৈরি করতে পারে।
- Few-shot Learning: খুব সামান্য উদাহরণ বা নির্দেশ দেখেই এটি নতুন কোনো কাজ (যেমন- অনুবাদ বা সারসংক্ষেপ) আয়ত্ত করতে পারে।
- Context Window: এটি একবারে একটি নির্দিষ্ট সীমার তথ্য (Tokens) মনে রেখে উত্তর প্রদান করে।

• Al Hallucination:
- যখন LLM মডেলটি বাস্তব তথ্যের পরিবর্তে ভুল, কল্পিত বা বানানো তথ্য দেয়, তখন সেটি Al Hallucination বলে।
- এটি এমনভাবে উত্তর দেয় যেন সেটি সত্য, যদিও তথ্যটি ভিত্তিহীন বা সম্পূর্ণ ভুল।
- যখন মডেল বাস্তব ডাটাবেস বা ইন্টারনেট থেকে তথ্য যাচাই করতে পারে না, নিশ্চিত উত্তর না থাকলে মডেলটি শূন্য আউটপুট দেওয়ার চেয়ে একটি সম্ভাব্য অনুমান তৈরি করে, যা প্রায়শই ভুল হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Deepfake: এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা নকল ছবি, ভিডিও বা অডিও যা কাউকে বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Data Leakage: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মডেলের প্রশিক্ষণের সময় অজানা ডেটা বা উত্তর আগে থেকেই মডেলের কাছে ফাঁস হয়ে যায়।
- Overfitting: এটি মডেলের এমন একটি অবস্থা যেখানে এটি ট্রেনিং ডেটা অতিরিক্ত মাত্রায় মুখস্থ করে ফেলে এবং নতুন ডেটাতে ভুল করে।

উৎস: IBM website [link].

১১৬.
(১২৭) কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে সংখ্যাটি হবে-
  1. ৫৫
  2. ৫৭
  3. ২৭
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা

অক্টাল (৮-ভিত্তিক) সংখ্যা (127)8 কে হেক্সাডেসিমাল (১৬-ভিত্তিক) সংখ্যায় রূপান্তর করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হলো:

ধাপ ১: অক্টাল থেকে বাইনারি (Binary) রূপান্তর
প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করুন।

1 → 001
2 → 010
7 → 111

সুতরাং, (127)8 = 001 010 1112
(অপ্রয়োজনীয় শূন্য বাদ দিলে: 1010111₂)

ধাপ ২: বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর
বাইনারি সংখ্যাটিকে ডান থেকে বামে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করুন (প্রয়োজনে বাম দিকে শূন্য যোগ করুন)।

প্রদত্ত বাইনারি: 1010111
গ্রুপিং করার জন্য বামে একটি শূন্য যোগ করি: 01010111

0101 → 5
0111 → 7

সুতরাং, (127)8 = 5716

১১৭.
কোনটি গুগলের অ্যাপ বা পরিষেবার অংশ নয়?
  1. Chrome
  2. Drive
  3. Gmail
  4. Word
সঠিক উত্তর:
Word
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Word
ব্যাখ্যা

• উক্ত অপশনগুলোর মধ্যে “ঘ) Word” গুগলের অ্যাপ বা পরিষেবার অংশ নয়। গুগল বিভিন্ন জনপ্রিয় অ্যাপ ও পরিষেবা প্রদান করে, যেমন Chrome, যা একটি ওয়েব ব্রাউজার; Drive, যা ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়; এবং Gmail, যা ইমেইল পরিষেবা। এই সব অ্যাপ গুগলের ইকোসিস্টেমের অংশ এবং গুগল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সহজে ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে, Word হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা Microsoft 365 বা অফিস প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত। তাই গুগলের সরাসরি তৈরি কোনো পরিষেবা নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো “ঘ) Word”.
 
Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান CEO: Sundar Pichai.
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: Google Official Website and Britannica.

১১৮.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের একটি কাজ?
  1. ডেটাবেজ রেকর্ড
  2. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  3. ডেটাবেজ প্রিন্টিং
  4. অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের একটি কাজ।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১১৯.
SMTP প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্ভারে মেইল সংরক্ষণ করা
  2. ই-মেইল বার্তাগুলি এনক্রিপ্ট করা
  3. সার্ভার থেকে মেইল গ্রহণ করা
  4. ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো 
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো 
ব্যাখ্যা

• SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) মূলত ই-মেইল বার্তা প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে বা সার্ভার থেকে সার্ভারে ই-মেইল পাঠানোর প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। যখন আপনি একটি ই-মেইল লিখে “Send” বোতাম চাপেন, তখন আপনার মেইল ক্লায়েন্ট SMTP ব্যবহার করে সেই বার্তাটি প্রাপকের সার্ভারে পাঠায়। SMTP ই-মেইল প্রেরণের সময় বার্তার গন্তব্য ঠিক করে এবং সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে, কিন্তু এটি মেইল সংরক্ষণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয় না। এছাড়াও, এটি বার্তা এনক্রিপশন সরাসরি প্রদান করে না; এনক্রিপশন জন্য TLS বা SSL ব্যবহার করা হয়। 
- উত্তর: তাই SMTP-এর প্রধান কাজ হলো ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে মেইল পাঠানো।

• Simple Mail Transfer Protocol (SMTP):
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
- প্রোটোকল হলো একটি নিয়মাবলী যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রেরণ নিশ্চিত করে, তথ্য কীভাবে সংগঠিত হবে এবং প্রতিটি পক্ষ কীভাবে ডেটা পাঠাবে ও গ্রহণ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।

• ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।

• ই-মেইল অ্যাড্রেসের গঠন:
- একটি ই-মেইল ঠিকানার দুইটি অংশ থাকে –
  1. প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর পরিচিতি (Username),
  2. শেষ অংশ → ডোমেইন নেম (Domain name),
- এ দুটি অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়।

 উদাহরণ: habib123@gmail.com
- habib123 → ব্যবহারকারীর নাম (Username),
- gmail.com → ডোমেইন নেম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২০.
ইউনিক্সের কোন সংস্করণটি সর্বপ্রথম বেল ল্যাবসের বাইরে পাবলিক ভার্সন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. UNIX-3
  2. UNIX-4
  3. UNIX-6
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
UNIX-6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIX-6
ব্যাখ্যা
• UNIX-6:
- UNIX-6 (বা Unix Sixth Edition) হল ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ, যা 1975 সালে AT&T Bell Labs-এ উন্নত করা হয়েছিল।
- এটি ইউনিক্সের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলির মধ্যে একটি, যা সিস্টেমের ব্যবহার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
- UNIX-6 ছিল ইউনিক্সের জন্য একটি অগ্রগামী সংস্করণ, যা পরবর্তীতে ইউনিক্সের আধুনিক রূপের বিকাশের পথ প্রশস্ত করেছিল।

• ইউনিক্স (Unix):
- ১৯৬৯ সালে কিন থমসন AT&T-এর বেল ল্যাবরেটরি হতে মিনি কম্পিউটার PDP-7 এর জন্য সহজ, সরল এবং তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের ইউনিক্স নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- আইনগত বাধার কারণে ১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত Unix কেবলমাত্র AT&T-ই ব্যবহার করতো।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্স-এর প্রথম পাবলিক ভার্সন UNIX-6 বের হয়।
- ১৯৭৮ সালে বের হয় Unix-7।
- একসাথে একাধিক অপারেটর কাজ করতে পারে তাই ইউনিক্স-কে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- মইেনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটারে ইউনিক্স ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন ভার্সন Xenix বের করেন।
- ইউনিক্সের এই নতুন ভার্সন IBM-PC/AT তে ব্যবহারের জন্য Xenix নামে বাজারজাত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
ইন্টারনেটের আদি অবস্থা ARPANET - এ কোন ভাইরাসটি চিহ্নিত হয়েছিলো?
  1. ব্রেইন
  2. ক্রিপার
  3. নিমডা
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ক্রিপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপার
ব্যাখ্যা

সত্তর দশকে ইন্টারনেটের আদি অবস্থা ARPANET - এ ক্রিপার ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
[ICT, অষ্টম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৪০ ও ৪১]
১২২.
যৌক্তিক পূরকের জন্য কোন গেইট ব্যবহৃত হয়?
  1. অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. নট গেইট
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
১২৩.
বায়োইনফরমেটিক্সের প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র তৈরি করা
  2. মানব মস্তিষ্ক অধ্যয়ন করা
  3. জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
  4. রসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করা
সঠিক উত্তর:
জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
ব্যাখ্যা

• বায়োইনফরমেটিক্সের প্রধান লক্ষ্য হলো জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা। এটি জীববিজ্ঞানের বৃহৎ ডেটা, যেমন জেনোম, প্রোটিন, এবং জৈব রাসায়নিক তথ্যকে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার জন্য কম্পিউটার এবং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে জিনের কার্যক্রম, রোগের কারণ, ও বিভিন্ন জীববৈচিত্র্যের প্যাটার্ন সম্পর্কে জানা যায়। চিকিৎসা যন্ত্র তৈরি করা, মানব মস্তিষ্ক অধ্যয়ন করা বা রসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করা সরাসরি বায়োইনফরমেটিক্সের লক্ষ্য নয়, যদিও এগুলোর জন্য প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার হতে পারে। মূলত এটি জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সংমিশ্রণ যা জৈবিক সমস্যার সমাধান করে।

সঠিক উত্তর: গ) জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা।

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা হয়।

বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যাটার্ন রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি,

বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে:
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২৪.
WAN এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wide Array Network
  2. World Access Network
  3. Wide Area Network
  4. Wireless Access Network
সঠিক উত্তর:
Wide Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wide Area Network
ব্যাখ্যা
• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Wide Area Network"।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউট কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২৫.
ট্রোজান শনাক্ত করা ব্যবহারকারীদের জন্য এত কঠিন কেন?
  1. এগুলো সিস্টেমকে স্থায়ীভাবে ক্র্যাশ করে
  2. এগুলো কখনও ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয় না
  3. এগুলো বৈধ প্রোগ্রামের মতো দেখায়
  4. তাদের ইনস্টলেশনের প্রয়োজন হয় না
সঠিক উত্তর:
এগুলো বৈধ প্রোগ্রামের মতো দেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগুলো বৈধ প্রোগ্রামের মতো দেখায়
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান শনাক্ত করা ব্যবহারকারীদের জন্য কঠিন হওয়ার প্রধান কারণ হলো এগুলো সাধারণত বৈধ বা নির্ভরযোগ্য প্রোগ্রামের মতো ছদ্মবেশ ধারণ করে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজে সন্দেহ করেন না। ট্রোজান অনেক সময় নিরীহ সফটওয়্যার বা দরকারি অ্যাপ্লিকেশনের ভেতর লুকিয়ে থাকে এবং স্বাভাবিক আচরণের মতোই কাজ করে যায়, যার ফলে এদের উপস্থিতি বোঝা কঠিন হয়।

পাশাপাশি অনেক ট্রোজান আলাদা ইনস্টলেশন ছাড়াই সিস্টেমে ঢুকে পড়ে, যা ব্যবহারকারীর নজর এড়ায়। যদিও কিছু ট্রোজান ইন্টারনেটে সংযুক্ত না-ও হতে পারে বা সিস্টেম ক্র্যাশ ঘটাতে পারে, তবুও ছদ্মবেশ এবং লুকানো কার্যপ্রণালীই শনাক্ত করাকে সবচেয়ে কঠিন করে তোলে।

 
 • সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

• Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
• Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)

• Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
• ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
• লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।

• ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
• ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
• ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২৬.
নিচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) 1019
  2. খ) 2456
  3. গ) 1263
  4. ঘ) 3654
সঠিক উত্তর:
ক) 1019
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1019
ব্যাখ্যা
• Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এগলো হল - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7।
তাই, 1019 Octal number নয়।
১২৭.
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটার আকার ছোট করা
  2. ডেটা দ্রুত পাঠানো ও নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
  3. ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
  4. ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা
সঠিক উত্তর:
ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা।

এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- যেমন: JULIA ROBERT → MWPLD TOETHV

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২৮.
ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
• আমাজন:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন।
- আমাজন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কর্মার্স সাইট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস (Jeff Bezos)।
- আমাজনের বর্তমান সিইও Andy Jassy ।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস:
১. অ্যামাজন ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১২৯.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Google
  2. Bing
  3. Yahoo
  4. Instagram
সঠিক উত্তর:
Instagram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Instagram
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য বা ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করে। Google, Bing, এবং Yahoo সবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত এবং সহজে তথ্য খুঁজে দিতে সক্ষম। কিন্তু Instagram একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা মূলত ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সরাসরি ওয়েবসাইট বা তথ্য খোঁজার জন্য ডিজাইন করা হয়নি, বরং ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবি, গল্প, এবং ভিডিও আপলোড করে অন্যদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। তাই Instagram সার্চ ইঞ্জিন নয়। সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে Instagram সার্চ ইঞ্জিন নয়।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৩০.
নিচের কোনটি ১০২৪ জেটাবাইট (ZB)-এর সমতুল্য?
  1. ১ ইট্রাবাইট (YB)
  2. ১ পেটাবাইট (PB)
  3. ১ গিগাবাইট (GB)
  4. ১ এক্সাবাইট (EB)
সঠিক উত্তর:
১ ইট্রাবাইট (YB)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ইট্রাবাইট (YB)
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
- ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
- ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
- ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৩১.
সম্প্রতি, দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. নেপাল
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে এবং ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ বিস্তৃত করতে স্টারলিংক কাজ করে যাচ্ছে।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মঙ্গোলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু রয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১৩২.
কোন কম্পিউটারের আবিষ্কারের ফলে অন্যান্য স্বল্প মূল্যের কম্পিউটারের বাজারজাত শুরু হয়েছে?
  1. মেইনফ্রেম
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
[মাইক্রোকম্পিউটার হলো একটি ছোট, স্বল্পমূল্যের কম্পিউটার যা একটি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে। এটি ১৯৭০-এর দশকে আবিষ্কৃত হয় এবং এর ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সহজলভ্য হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে অন্যান্য স্বল্পমূল্যের কম্পিউটারের বাজারজাত শুরু হয়, যা সাধারণ মানুষ ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা সহজ করে তোলে।]

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
- মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩.
ক্লাউডে নিজের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয় করতে চাইলে আপনি কোন সার্ভিস ব্যবহার করবেন?
  1. Amazon EC2
  2. Amazon RDS
  3. Google Workspace
  4. Salesforce
সঠিক উত্তর:
Amazon EC2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amazon EC2
ব্যাখ্যা
• আপনি যদি ক্লাউডে নিজের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয় করতে চান, তবে Amazon EC2 ব্যবহার করাই উপযুক্ত হবে। Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud) হলো একটি IaaS (Infrastructure as a Service) সার্ভিস যা আপনাকে ভার্চুয়াল সার্ভার চালানোর সুযোগ দেয়। এখানে আপনি নিজে পছন্দমতো অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করতে পারেন এবং নিজের অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল ও কনফিগার করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণভাবে কাস্টমাইজযোগ্য এবং স্কেলযোগ্য, ফলে আপনার অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজনে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো যায়। অন্যদিকে, Amazon RDS একটি ম্যানেজড ডেটাবেস সার্ভিস, Google Workspace অফিস টুলসের সমষ্টি, আর Salesforce একটি CRM প্ল্যাটফর্ম - এসব দিয়ে অপারেটিং সিস্টেম বা কাস্টম অ্যাপ ডিপ্লয় করা যায় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৩৪.
The term MIPS refers to _____
  1. ক) millions of instructions per second
  2. খ) multiple instructions per second
  3. গ) megabytes of instructions per seconds
  4. ঘ) millions input processor set
সঠিক উত্তর:
ক) millions of instructions per second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) millions of instructions per second
ব্যাখ্যা
This is a CPU capacity unit.
১৩৫.
Which of the following is a major risk of ICT-based banking?
  1. Cyber crime
  2. Faster service
  3. Reduced paperwork
  4. 24/7 access
সঠিক উত্তর:
Cyber crime
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cyber crime
ব্যাখ্যা

• ICT-ভিত্তিক ব্যাংকিং-এর (অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং) প্রধান ঝুঁকি হলো সাইবার অপরাধ (Cyber crime).

 • ICT-based Banking-এর অসুবিধা:
- ICT-ভিত্তিক ব্যাংকিং-এ লেনদেন ইন্টারনেট ও ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হয়।
- এর ফলে নিম্নলিখিত সাইবার অপরাধের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে:
- ফিশিং (Phishing),
- ম্যালওয়্যার ও কীলগার (Keylogger),
- অনলাইন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং,
- ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড স্কিমিং,
- ম্যান-ইন-দ্য-মিডল (MITM) আক্রমণ,
- ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DoS) আক্রমণ,
- পরিচয় চুরি (Identity theft),
- এসবের ফলে গ্রাহকের অর্থ হারানো, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া এবং ব্যাংকের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

 • ICT-based Banking-এর সুবিধা:
- Faster service,
- Reduced paperwork,
- 24/7 access.

উৎস: BIBM, IMF & World Bank.

১৩৬.
(0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করুন।
  1. 0.B5C...
  2. 0.C5C...
  3. 0.B5D...
  4. 0.B7C...
সঠিক উত্তর:
0.B5C...
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.B5C...
ব্যাখ্যা

• (0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করলে: 0.B5C... হয়। 



• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal) – ভিত্তি ১০। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary) – ভিত্তি ২। 
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal) – ভিত্তি ৮। 
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal) – ভিত্তি ১৬। 

- প্রতিটি পদ্ধতিতে সংখ্যা প্রকাশের নিয়ম আলাদা, কিন্তু মূল ধারণা একই- একটি নির্দিষ্ট ভিত্তির উপর সংখ্যাগুলো লেখা।

হেক্সাডেসিমাল ব্যবহার:

- কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: যেমন C, C++ এ 0x দ্বারা হেক্সাডেসিমাল নির্দেশ করা হয়।
- মেমোরি ঠিকানা: প্রতিটি মেমোরি লোকেশনকে ছোট হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা যায়।
- রঙের কোডিং (HTML/CSS): উদাহরণ: #FF5733 → RGB রঙ।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স: বাইট বা ওয়ার্ডের মান সংক্ষেপে দেখানোর জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩৭.
ইউটিউব কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০২ সাল
  2. ২০০৫ সাল
  3. ২০০৭ সাল
  4. ২০১২ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সাল
ব্যাখ্যা
• ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

উৎস:
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩৮.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে কাজ করে?
  1. সিমপ্লেক্স (Simplex)
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
  4. সিমপ্লেক্স ডুপ্লেক্স (Simplex Duplex)
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
ব্যাখ্যা

Wi-Fi এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কারণ, ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) ডিভাইসগুলো একই সময়ে একই ওয়্যারলেস চ্যানেলের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে না, হয় ট্রান্সমিট করবে অথবা রিসিভ করবে।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৯.
ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করা কী ধরণের সাইবার অপরাধ?
  1. Spamming
  2. Cyber bully
  3. Cyber theft
  4. Spoofing
সঠিক উত্তর:
Cyber theft
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cyber theft
ব্যাখ্যা
• সাইবার চুরি (Cyber theft):
- অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তথ্য চুরির সাথে সাথে অনেক সময় টাকা পয়সাও চুরি হয়। 
- এ ক্ষেত্রে অপরাধীরা কোনো নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে লুকিয়ে থাকে এবং ইউজার কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত তথ্য ডেটাবেজের কপি তৈরি করে। সেই তথ্যগুলো ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে কারো অ্যাকাউন্ট থেকে তার সমস্ত টাকা নিজ অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নেয়। 

• স্প্যামিং (Spamming):
- ই-মেইল অ্যাকাউন্টে অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল পাওয়া যায়। এ ধরনের ই-মেইলকে স্প্যাম মেইল বলে।
- কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোনো নিদিষ্ট ই-মেইলে শত শত মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এ পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
- সাধারণত কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখা অথবা এর মেমোরি ও ষ্টোরেজ অপ্রয়োজনীয় ইনফরমেশন দ্বারা পূর্ণ করে এর পারফরমেন্সের ক্ষতি করার জন্য স্প্যামিং করা হয়।  
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• সাইবার সন্ত্রাস/উৎপীড়ক বা সাইবার বুলি (Cyber bully):
- তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার সন্ত্রাস বা সাইবার বুলি বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪০.
কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে পরিচিত?
  1. মাইএসকিউএল
  2. অ্যাডোবি ফটোশপ
  3. গুগল ক্রোম
  4. এমএস ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪১.
মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে কোন স্লটটি ব্যবহার করা হয়?
  1. এমএসআই স্লট
  2. ওএসডি স্লট
  3. পিএসআই স্লট
  4. এজিপি স্লট
সঠিক উত্তর:
এজিপি স্লট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজিপি স্লট
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন: কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot
2. RAM slot
3. PCI slot; ইত্যাদি।

- মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে keyboard, speaker ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য USB ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে hard drive, SSD ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য SATA ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
নিচের কোনটি ভার্চুয়াল ড্রাইভের উদাহরণ?
  1. গুগল ড্রাইভ
  2. ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ডিভিডি
সঠিক উত্তর:
গুগল ড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগল ড্রাইভ
ব্যাখ্যা

• গুগল ড্রাইভ একটি ভার্চুয়াল ড্রাইভের উদাহরণ।
- ভার্চুয়াল ড্রাইভ / ক্লাউড ড্রাইভ: Google Drive, OneDrive, Dropbox, iCloud Drive, Mega ইত্যাদি।
- ফিজিক্যাল ড্রাইভ: হার্ড ডিস্ক, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, DVD, External HDD ইত্যাদি।

• ভার্চুয়াল ড্রাইভের প্রয়োজনীয়তা:
- ডাটার নিরাপত্তা ও স্টোরেজ ক্যাপাসিটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির বড় চ্যালেঞ্জ।
- ডিভাইস নষ্ট হলে ডাটা হারানোর ঝুঁকি থাকে এবং ডাটা চুরির সম্ভাবনাও থাকে।
- ক্রমবর্ধমান ফাইল সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ সমাধান হিসেবে ভার্চুয়াল ড্রাইভ ব্যবহৃত হয়।

• ভার্চুয়াল ড্রাইভের ধারণা:
- ভার্চুয়াল ড্রাইভ একটি সফটওয়্যারভিত্তিক স্টোরেজ ব্যবস্থা।
- এটি বাস্তব স্টোরেজ ড্রাইভের মতো কাজ করে এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের কাছে বাস্তব ড্রাইভের মতোই আচরণ করে।
- ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

• ইন্টারনেট নির্ভরতা:
- ভার্চুয়াল ড্রাইভ ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন।

• বিনামূল্যের স্টোরেজ সুবিধা:
- গুগল ড্রাইভে জিমেইল ব্যবহারকারীরা ১৫ জিবি পর্যন্ত বিনামূল্যে স্টোরেজ পায়।
- ওয়ান ড্রাইভ সীমিত ক্ষমতা বিনামূল্যে প্রদান করে; অতিরিক্ত স্টোরেজের জন্য অর্থ দিতে হয়।

• শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহার:
- একাডেমিক ফাইল সংরক্ষণ, নোট ও অ্যাসাইনমেন্ট শেয়ার সহজ হয়।
- শিক্ষক–শিক্ষার্থীর মধ্যে রিসোর্স আদান-প্রদান নিরাপদভাবে করা যায়।

উৎস:  শিক্ষায়  আইসিটি , বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৩.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বা চাকরির সুযোগ সৃষ্টিকে কী বলা হয়?
  1. আউটসোর্সিং
  2. ই-বিজনেস
  3. ই-কমার্স
  4. ই-গভর্নেন্স
সঠিক উত্তর:
আউটসোর্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউটসোর্সিং
ব্যাখ্যা

◉ আউটসোর্সিং হলো একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের (Freelancers বা অন্য কোম্পানি) সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। এটি ইন্টারনেট-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের একটি জনপ্রিয় মডেল।

আউটসোর্সিং:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ই-বিজনেস: ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম (অনলাইন ব্যাংকিং, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট)।
ই-গভর্নেন্স: সরকারি সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদান (যেমন: ই-নথি, অনলাইন ট্যাক্স পেমেন্ট)।
ই-কমার্স: পণ্য কেনাবেচার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (যেমন: Amazon, Daraz)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৪.
ফায়ারওয়াল কী কাজ করে?
  1. সফটওয়্যার ডাউনলোড করে
  2. সিস্টেমের হার্ডওয়্যারকে ত্রুটি থেকে রক্ষা করে
  3. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪৫.
শাসন ব্যবস্থায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগকে কী বলে?
  1. E-Learning
  2. E-Service
  3. E-Governance
  4. E-Commerce
সঠিক উত্তর:
E-Governance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E-Governance
ব্যাখ্যা

• Quick Revision:
- E-Governance = Electronic Governance,
- মূল উদ্দেশ্য: সরকারি সেবা ডিজিটাল করা,
- মাধ্যম: ইন্টারনেট, মোবাইল, এসএমএস,
- উদাহরণ: অনলাইন ফলাফল, অনলাইন ভর্তি।

• ই-গভর্নেন্স (E-Governance):
- ই-গভর্নেন্স-এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স (Electronic Governance)।
- এটি এমন একটি পদ্ধতি বা ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাইজড আকারে রূপান্তর করা হয়।
- ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়।
- ডিজিটাইজড ইনফরমেশন ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করে।

• ই-গভর্নেন্সের প্রয়োগক্ষেত্র:
- সরকারি কার্যক্রম ও প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য।
- অতীতে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করা ছিল সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেট বা মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানা যায়।
- এখন পরীক্ষার ফল পুনঃমূল্যায়নের জন্যও অনলাইনে আবেদন করা যায় এবং ফলাফল অনলাইনে পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়‍্যারের সাধারণ নাম কী?
  1. ম্যালওয়‍্যার
  2. ভাইরাস
  3. ওয়ার্ম
  4. ট্রোজান হর্স
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়‍্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়‍্যার
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়‍্যার: 
- যেসব প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর সে ধরনের সফটওয়‍্যারকে বলা যেতে পারে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার।
- আর এ ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কোনো কোনো ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে রক্ষিত তথ্য চুরি করে।
- কোনো কোনো সময় ব্যবহারকারীর অজান্তে তার কম্পিউটার সিস্টেমের প্রবেশাধিকার লাভ করে।
- ম্যালওয়্যার প্রোগ্রামিং কোড, স্ক্রিপ্ট, সক্রিয় তথ্যাধার কিংবা অন্যান্য সফটওয়‍্যারের মতো প্রকাশিত হতে পারে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়‍্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার।
- ম্যালওয়্যার এক ধরনের সফটওয়্যার, যা কিনা অন্য সফটওয়্যারকে কাঙ্ক্ষিত কর্মসম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে। 
- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪৭.
গেটওয়ের প্রধান কাজ কী?
  1. নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করা
  2. বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা
  3. নেটওয়ার্কে ডেটা সংরক্ষণ করা
  4. নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা
ব্যাখ্যা

গেটওয়ের প্রধান কাজ হচ্ছে বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা।

• গেটওয়ে (Gateway)
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪৮.
ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ নয় কোনটি?
  1. এমিটার
  2. বেস
  3. রেজিস্টার
  4. কালেক্টর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডবিণ্টউ ব্রাটেন ও ডবিণ্টউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডবিণ্টউ ব্রাটেন ও ডবিণ্টউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৯.
CPU কোন address generate করে?
  1. ক) Physical address
  2. খ) Logical Address
  3. গ) Both physical and logical addresses
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Logical Address
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Logical Address
ব্যাখ্যা

The address generated by the CPU is referred to as Logical Address.

সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Adress generate করে।

অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা এবং এটি ডেটা বাসকে প্রধান মেমরিটি একটি বিশেষ মেমরি সেল ব্যবহার করতে দেয়।

কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম গুলো Physical Adress দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।

১৫০.
Which of these is a secondary storage device?
  1. SRAM
  2. Hard Disks
  3. ROM
  4. Cache
সঠিক উত্তর:
Hard Disks
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hard Disks
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Hard Disks

• Primary Storage Devices:
উদাহরণ:
RAM (Random Access Memory):
RAM হলো প্রধান মেমোরি, যা ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই করতে সক্ষম। এটি ব্যবহারকারীর সক্রিয় প্রোগ্রাম ও ডেটার জন্য প্রধান স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে।

Cache Memory:
ক্যাশ মেমোরি হলো একটি সহায়ক মেমোরি সিস্টেম, যা প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশাবলী এবং ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে, যাতে CPU দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।

Static RAM (SRAM):
SRAM ফ্লিপ-ফ্লপ নামক দ্বিস্তর সার্কিট ব্যবহার করে বিট সংরক্ষণ করে এবং দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেসের সুবিধা দেয়। এটি সাধারণত CPU-এর রেজিস্টার এবং দ্রুত ক্যাশ মেমোরিতে ব্যবহৃত হয়।

Dynamic RAM (DRAM):
DRAM প্রতিটি বিটকে একটি বৈদ্যুতিক ক্যাপাসিটরে সংরক্ষণ করে, যেখানে ট্রানজিস্টর একটি সুইচ হিসেবে কাজ করে ক্যাপাসিটরকে চার্জ বা ডিসচার্জ করতে। DRAM সাধারণত প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ একই আকারের চিপে SRAM-এর তুলনায় অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায়, যদিও এর অ্যাক্সেস গতি কিছুটা ধীর।

Read-Only Memory (ROM):
ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, যা কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম বা BIOS, যা কম্পিউটার চালু করতে এবং বাহ্যিক ডিভাইসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।

Flash Memory:
ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো এমন এক ধরনের ডেটা স্টোরেজ মাধ্যম, যা বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এটি সাধারণত পোর্টেবল ডিভাইস, ইউএসবি ড্রাইভ এবং মেমোরি কার্ডে ব্যবহৃত হয়।

• Secondary Storage Devices:
উদাহরণ:
Magnetic Tape:
ম্যাগনেটিক টেপ হলো একটি কমপ্যাক্ট ও সাশ্রয়ী স্টোরেজ মাধ্যম, যা বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ ও পুনরুৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি চৌম্বকীয় পদার্থ দ্বারা আবৃত একটি সরু প্লাস্টিক ফিতায় তৈরি।

Hard Disks:
হার্ড ডিস্ক হলো অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের তৈরি সমতল চক্করাকার প্লেট, যার পৃষ্ঠে চৌম্বকীয় পদার্থের আবরণ থাকে। এতে ডেটা ঘূর্ণায়মান ট্র্যাকে সংরক্ষিত হয়।

Floppy Disks:
ফ্লপি ডিস্ক বা ডিসকেট হলো নমনীয় প্লাস্টিকের তৈরি স্টোরেজ মাধ্যম। এর ধারণক্ষমতা কম এবং ১৯৯০ সালের পর অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ চালু হওয়ার পর থেকে এটি প্রায় বিলুপ্ত।

Optical Discs:
অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যেমন CD-ROM ও DVD-ROM-এ ডেটা ছোট ছোট গর্ত বা পিট আকারে সংরক্ষিত থাকে, যা প্লাস্টিক ডিস্কের সর্পিল আকারে বিন্যস্ত এবং লেজারের মাধ্যমে পড়া ও লেখা হয়।

USB Flash Drives:
ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হলো ছোট, বহনযোগ্য স্টোরেজ ডিভাইস, যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে এবং ইউএসবি ইন্টারফেসের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়।

Solid-State Drives (SSDs):
এটি হার্ড ডিস্কের তুলনায় বেশি নীরব, দ্রুত এবং টেকসই।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫১.
Ctrl + Z কে সাধারণত বলা হয়:
  1. Select all command
  2. Undo command
  3. Paste command
  4. Copy command
সঠিক উত্তর:
Undo command
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Undo command
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z সাধারণত কম্পিউটার ব্যবহার এবং সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে Undo command হিসেবে পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের ভুল করা বা অবাঞ্ছিত পরিবর্তন দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ কোনো ডকুমেন্টে লেখা মুছে ফেলে বা কোনো ছবি ভুলভাবে এডিট করে, Ctrl + Z চাপলে সেই কাজ পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। এটি সময় সাশ্রয় এবং কাজের ত্রুটি কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। অনেক জনপ্রিয় সফটওয়্যার যেমন Microsoft Word, Photoshop, Excel, এবং অন্যান্য টেক্সট এডিটর ও গ্রাফিক্স টুলে Ctrl + Z একটি মৌলিক শর্টকাট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সুতরাং, এটি কেবল একটি সুবিধাজনক ফাংশন নয়, বরং ব্যবহারকারীর কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।

- সঠিক উত্তর: খ) Undo command.
 
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১৫২.
Which connectivity technology does a smartwatch have?
  1. Bluetooth
  2. Satellite
  3. Infrared
  4. NFC
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Bluetooth

স্মার্টওয়াচ (Smartwatch)
- স্মার্টওয়াচ হলো হাতের ঘড়ির মতো পরিধানযোগ্য একটি কম্পিউটিং ডিভাইস।
- এটি শুধু সময় দেখায় না, বরং ব্লুটুথ ক্ষমতাসম্পন্ন, যা ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের কার্যক্ষমতা ঘড়িতে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।
- স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করে ব্যবহারকারী কল রিসিভ ও করা, কল দেওয়া, ইমেইল পড়া, আবহাওয়ার খবর জানা, সঙ্গীত শোনা, ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন করা ইত্যাদি কাজ করতে পারে।

স্মার্টওয়াচের ইতিহাস
- ১৯৭৫ সালে Calcron নামে প্রথম ক্যালকুলেটর ঘড়ি তৈরি হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে Seiko কোম্পানি কম্পিউটিং সুবিধাসম্পন্ন ঘড়ি বাজারে আনে।
- ২০১৪ সালে Google স্মার্টওয়াচের জন্য Android Wear অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে।

স্মার্টওয়াচের প্রধান কার্যক্রম (Functions)
- কল, এসএমএস, ইমেইল ও অ্যাপের নোটিফিকেশন প্রদর্শন।
- কিছু স্মার্টওয়াচ থেকে সরাসরি ফোন কল করা যায়।
- স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পেডোমিটার ও হার্ট রেট মনিটর থাকে।
- টাচস্ক্রিন বা বোতামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে।
- ডিসপ্লে হতে পারে রঙিন বা সাদা-কালো ই-পেপার।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৫৩.
ইন্টারনেট হলো এক ধরণের ___
  1. সার্কিট সুইচিং নেটওয়ার্ক
  2. ম্যাসেজ সুইচিং নেটওয়ার্ক
  3. প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
The Internet is a packet-switched network, in which information is broken down into small packets, sent individually over many different routes at the same time, and then reassembled at the receiving end. 

Source: Britannica
১৫৪.
নিচের কোনটি একটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Ms-Excel
  3. dBase
  4. Solaris
সঠিক উত্তর:
Solaris
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Solaris
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- সফটওয়্যারের ওপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও কাজের গতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উদাহরণ হলো:
• DOS,
• Windows XP,
• Linux,
• Unix,
• Mac OS,
Solaris ইত্যাদি।

- Informix, Ms-Excel ও dBase হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৫.
১৯৭০ সালে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে UNIX অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়?
  1. C
  2. C++
  3. Python
  4. Java
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা
♦ ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও নমনীয় পরিচালনা পদ্ধতির অপারেটিং সিস্টেম, যা নোটবুক কম্পিউটার থেকে শুরু করে সুপার কম্পিউটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কি-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে। তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্সের প্রথম পাবলিক ভার্সন Unix-6 উদ্ভাবিত হয়।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন ভার্সন Xenix বের করে, যা IBM-PC/AT তে ব্যবহারের জন্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬.
৫-জি ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে কোন দেশ?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) উত্তর কোরিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ৫ জি হবে চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট ৪জি এর তুলনায় ৪০ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন।
১৫৭.
ফুল অ্যাডার কত বিট যোগ করতে পারে?
  1. ২ বিট
  2. ৩ বিট
  3. n বিট
  4. অসংখ্য
সঠিক উত্তর:
৩ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বিট
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটো বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৫৮.
টিম বার্নাস লি কোনটির জনক?
  1. ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব
  2. ইন্টারনেট
  3. আরপানেট
  4. ওয়েব ব্রাউজার
সঠিক উত্তর:
ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব
ব্যাখ্যা

স্যার টিমোথি জন 'টিম' বার্নাস লি ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হিসেবে পরিচিত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১৫৯.
নিচের কোনটি ‍Application package?
  1. UBUNTU
  2. Linux
  3. Ms-Excel
  4. Windows Xp
সঠিক উত্তর:
Ms-Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ms-Excel
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।


সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। 
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।


অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০.
Which of the following is an example of biometric authentication?
  1. Username and Password
  2. Captcha verification
  3. Fingerprint scan
  4. PIN code 
সঠিক উত্তর:
Fingerprint scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fingerprint scan
ব্যাখ্যা

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যান (Fingerprint scan): এটি একটি শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক (Physiological Biometric) বৈশিষ্ট্য, যেখানে আঙ্গুলের ছাপের অনন্য রেখাগুলো ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করা হয়। 

বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।

শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।
- আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৬১.
ALU কোন ধরনের কাজ সম্পাদন করে?
  1. ব্রাউজিং এবং ডাউনলোডিং
  2. তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
  3. মিউজিক প্লে করা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে। এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো গাণিতিক কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন মানের মধ্যে তুলনা করে সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করতে পারে। যেমন, দুটি সংখ্যার সমান, বড় বা ছোট হওয়া যাচাই করা ALU-এর দায়িত্ব। কিন্তু ব্রাউজিং, ডাউনলোডিং, মিউজিক প্লে করা বা ভাইরাস স্ক্যানিং-এর মতো কাজ ALU সরাসরি করে না। এগুলো অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (খ) তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই।

• গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit।
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- ALU রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও করে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬২.
VLSI এবং LSI টেকনোলজির ব্যবহার শুরু কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে?
  1. ক) ২য় প্রজন্মের
  2. খ) ৩য় প্রজন্মের
  3. গ) ৫ম প্রজন্মের
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্মের
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ প্রজন্মের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ প্রজন্মের
ব্যাখ্যা
• VLSI (Very Large-Scale Integration) এবং LSI (Large-Scale Integration) টেকনোলজির ব্যবহার শুরু ৪র্থ প্রজন্মে।

• ৪র্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রো প্রসেসর ব্যবহার, কম্পিউটারের আকার হ্রাস এবং তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- প্যাকেজ প্রোগ্রামের ব্যবহার।
- বাইট ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইনটেল-৪০০৪। 
- মাইক্রো কম্পিউটারের জনক হলেন এডওয়ার্ড রবার্ট ।
- বহুমুখী ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্রের ব্যবহার।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
উদহরণ: -IBM -৩০৩৩, HP -৩০০০, IBM-৪৩৪১.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
১৬৩.
কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর নির্ভর করে নির্মিত?
  1. Biometrics
  2. Robotics
  3. IoT
  4. VR technology
সঠিক উত্তর:
VR technology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VR technology
ব্যাখ্যা
⚪ VR (Virtual Reality) technology হলো একটি প্রযুক্তি, যা সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার-ভিত্তিক এবং এটি বাস্তবের অনুকরণে কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে। এই প্রযুক্তিতে ব্যবহারকারী একটি ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে, যা সম্পূর্ণ সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। ব্যবহারকারী এই পরিবেশে ৩-ডি ভিজ্যুয়াল, শব্দ, ও স্পর্শ ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে।

⚪ অপশন আলোচনা:
ক) Biometrics: এটি শরীরের বৈশিষ্ট্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা, মুখের গঠন ইত্যাদি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার করে ঠিকই, কিন্তু সিমুলেশন তত্ত্বের উপর নির্ভরশীল নয়।

খ) Robotics: এটি যন্ত্রমানব ও স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম তৈরির প্রযুক্তি, যেখানে সেন্সর, মোটর ও প্রোগ্রামিং ব্যবহৃত হয়। এটি আংশিকভাবে সিমুলেশন ব্যবহার করতে পারে, তবে VR-এর মতো সম্পূর্ণ সিমুলেশন-নির্ভর নয়।

গ) IoT (Internet of Things): এটি বিভিন্ন ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে, কিন্তু সিমুলেশন এর মূল ভিত্তি নয়।

⚪ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬৪.
Which company is known for producing one of the first business computers?
  1. Sony
  2. IBM
  3. Google
  4. Tesla
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) IBM

IBM (International Business Machines Corporation)
- IBM হলো একটি প্রধান আমেরিকান কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যার মার্কেট শেয়ার যুক্তরাষ্ট্র ও বিদেশ উভয়ই উল্লেখযোগ্য। এর সদর দপ্তর অবস্থিত আর্মংক, নিউ ইয়র্কে।
- IBM মূলত 1911 সালে Computing-Tabulating-Recording Company নামে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তিনটি ছোট কোম্পানিকে একত্রিত করা হয়েছিল, যেগুলো পাঞ্চ-কার্ড ট্যাবুলেটর এবং অন্যান্য অফিস পণ্য তৈরি করত।
- 1924 সালে, Thomas Watson-এর নেতৃত্বে কোম্পানিটি International Business Machines Corporation নামে পরিচিতি পায়।
- Watson 1914 সালে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং 1924 সালের মধ্যে কোম্পানির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেন।
- 1954 সালে IBM 650 চালু করা হয়, যা কলেজ ও ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য IBM তৈরি করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১৬৫.
Personal Computer মূলত কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ক) Mini Computer
  2. খ) Micro Computer
  3. গ) Supercomputer
  4. ঘ) Mainframe Computer
সঠিক উত্তর:
খ) Micro Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Micro Computer
ব্যাখ্যা
- আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়।
১. অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২. বৃহৎ কম্পিউটার ( Mainframe Computer)
৩. ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪. ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)
- মাইক্রো কম্পিউটার বলতে পার্সোনাল কম্পিউটার (পিসি) কে বোঝায়।

এছাড়াও মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
- যেমন: সুপার মাইক্রো, ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক ইত্যাদি। 

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  
১৬৬.
ই-কমার্সে ব্যবহারকারীদের পণ্য সুপারিশ করতে কোন প্রযুক্তি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়?
  1. 3D প্রিন্টিং
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. ব্লকচেইন
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা 
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা 
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্সে ব্যবহারকারীদের পণ্য সুপারিশ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence, AI) প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। AI পছন্দ, কেনাকাটার ইতিহাস, ব্রাউজিং আচরণ এবং অন্যান্য ব্যবহারকারীর ডেটা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিগতকৃত সুপারিশ তৈরি করতে সক্ষম। মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এটি ব্যবহারকারীর আগ্রহ অনুমান করে এবং তাদের সম্ভাব্য পছন্দের পণ্য দেখায়, যা বিক্রয় বাড়াতে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করতে সাহায্য করে। অন্য প্রযুক্তিগুলি যেমন 3D প্রিন্টিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ব্লকচেইন ই-কমার্সে সুপারিশের কাজের জন্য সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। তাই ব্যবহারকারীদের লক্ষ্যভিত্তিক প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষেত্রে AI সবচেয়ে কার্যকর।

• ই-কমার্স (E-Commerce): 
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়। 
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে। 
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে। 

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো- 
- www.alibaba.com, 
- www.amazon.com, 
- www.daraz.com, 
- www.bikroy.com, 
- www.ebay.com. 

• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। 
১। Business to Consumer (B2C), 
২। Business to Business (B2B), 
৩। Consumer to Business (C2B), 
 8। Consumer to Consumer (C2C). 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৬৭.
EDVAC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Electronic Discrete Variable Automatic Computer
  2. Electronic Delay Variable Automatic Computer
  3. Electronic Delay Variable Automatic Calculator
  4. Electronic Data Variable Automatic Computer
সঠিক উত্তর:
Electronic Discrete Variable Automatic Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Discrete Variable Automatic Computer
ব্যাখ্যা

• EDVAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Discrete Variable Automatic Computer। এটি ১৯৪০-এর দশকে ডিজাইন করা একটি প্রাথমিক কম্পিউটার যা প্রথম প্রজন্মের বৈদ্যুতিন ডিজিটাল কম্পিউটারগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। EDVAC-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্টোরড-প্রোগ্রাম আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি, অর্থাৎ প্রোগ্রাম এবং ডেটা একই মেমোরিতে রাখা যেত। এটি পূর্বের ENIAC-এর উন্নত সংস্করণ হিসেবে গণ্য করা হয়। EDVAC ডিজিটাল কম্পিউটিং-এর ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিল এবং আধুনিক কম্পিউটারের নকশা ও কার্যপ্রণালীকে প্রভাবিত করেছে। এটি মূলত গাণিতিক এবং যৌক্তিক অপারেশন দ্রুত করার জন্য ব্যবহৃত হতো এবং পরবর্তীতে আরও উন্নত কম্পিউটারের পথ প্রশস্ত করে।

​• EDVAC:
- EDVAC এর পূর্ণরূপ Electronic Discrete Variable Automatic Computer।
- EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
- ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে EDVAC কম্পিউটার নির্মাণ করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৮.
ই-কমার্স নিচের কোন ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে?
  1. ক) বাসস্থান
  2. খ) ব্যবসা-বাণিজ্য
  3. গ) মহাকাশ অভিযান
  4. ঘ) চিকিৎসা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যবসা-বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যবসা-বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:
- ই-কমার্স এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স।
- ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই বলা হয় ই-কমার্স (E-commerce)।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন সম্পূর্ণ হয়ে থাকে।
- আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৯.
EDSAC কম্পিউটার-এ ডাটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমরী ব্যবহার হতো?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Mercury Delay Lines
  4. Registors
সঠিক উত্তর:
Mercury Delay Lines
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mercury Delay Lines
ব্যাখ্যা
- EDSAC -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Delay Storage Automatic Calculator।
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক Maurice Wilkes এর নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটারটির নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এতে প্রথম প্রোগ্রাম run করে।
- ইনপুট যন্ত্র হিসাবে punched tape ব্যবহৃত হতো।
- এই কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে Mercury Delay Line tubes ব্যবহৃত হতো।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭০.
NVMe-এর সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে -
  1. Non-Volatile Module Extension
  2. Network Virtual Machine Environment
  3. Non-Volatile Memory Express
  4. New Virtual Memory Exchange
সঠিক উত্তর:
Non-Volatile Memory Express
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-Volatile Memory Express
ব্যাখ্যা

• NVMe-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Non-Volatile Memory Express। এটি একটি স্টোরেজ ইন্টারফেস এবং প্রোটোকল যা SSD-র উচ্চ গতির পারফরম্যান্স ব্যবহার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। NVMe SSD সরাসরি CPU-র সাথে কম লেটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথে কাজ করতে সক্ষম, ফলে ডেটা ট্রান্সফার অনেক দ্রুত হয়। এটি পারস্পরিক যোগাযোগের জন্য পুরনো SATA বা SAS-এর তুলনায় অনেক কার্যকর। মূলত, NVMe আধুনিক কম্পিউটার এবং সার্ভারে স্টোরেজের পারফরম্যান্স বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) Non-Volatile Memory Express.

• NVMe: 
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express". 
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে। 
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। 

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ, 
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং 
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: IBM [link]

১৭১.
NEIR-এর মাধ্যমে কোন ধরনের ডিভাইস শনাক্ত করা যায়?
  1. ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল
  2. ল্যাপটপের হার্ডড্রাইভ
  3. কেবল স্মার্টওয়াচ
  4. নতুন এবং পুরনো মোবাইল
সঠিক উত্তর:
ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল
ব্যাখ্যা

• NEIR বা National Equipment Identity Register মূলত মোবাইল ডিভাইস সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডাটাবেস। এটি প্রতিটি মোবাইলের IMEI নম্বর সংরক্ষণ করে এবং চুরি, হারানো বা অবৈধ (ক্লোন) ডিভাইসগুলোকে নেটওয়ার্কে প্রবেশ থেকে বাধা দেয়। যখন কোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় হয়, তখন NEIR এর মাধ্যমে ডিভাইসটির আইডেন্টিটি যাচাই করা হয়, ফলে অবৈধ বা ব্লক করা ডিভাইস ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এটি আন্তর্জাতিকভাবে তথ্য বিনিময় করতেও সাহায্য করে, যা মোবাইল চুরি ও প্রতারণা কমাতে কার্যকর। তাই NEIR মূলত ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল শনাক্ত করতে সক্ষম।

- উত্তর: ক) ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল। 

• NEIR (National Equipment Identity Register):
- NEIR হলো একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ডিভাইস পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা, যেখানে চুরি, হারানো বা ব্লক করা মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষিত থাকে।  
- এটি মূলত মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ, ক্লোন বা ব্ল্যাকলিস্টেড ডিভাইস প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।  
- কোনো মোবাইল ডিভাইস চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে তার IMEI এই রেজিস্ট্রিতে ব্লক করা যায়।  
- একবার ব্লক করা হলে সেই ফোন বিশ্বের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় না।  
- বিভিন্ন দেশের টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ NEIR ব্যবহার করে মোবাইল নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ করে।  
- এটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• NEIR কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- চুরি হওয়া মোবাইল পুনরায় বিক্রি বা সক্রিয় করা বন্ধ করে।  
- নেটওয়ার্কে ক্লোন বা জাল IMEI যুক্ত ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।  
- ব্যবহারকারীর ডেটা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।  
- মোবাইল চুরি-সংক্রান্ত অপরাধ কমাতে সহায়তা করে।

সূত্র -
- prothom-alo. [link]
- BTRC. [link]
- prothom-alo. [link]

১৭২.
কোন প্রযুক্তি কোম্পানির বাজার মূলধন এক ট্রিলিয়ন ডলারের কম?
  1. ফেসবুক
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. আলিবাবা
সঠিক উত্তর:
আলিবাবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলিবাবা
ব্যাখ্যা
২৯ জুন, ২০২১ সালে ফেসবুক এক ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানিতে পরিণত হয়। বিশ্বের ৫ নম্বর প্রযুক্তি কোম্পানি হিসেবে ট্রিলিয়ন ডলার ক্লাবের সদস্য ফেসবুক। অ্যাপল, মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক এই ৫ টি কোম্পানি এক ট্রিলিয়ন ডলার ক্লাবের সদস্য।
সূত্রঃ প্রথম আলো
১৭৩.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথমে কোথায় প্রয়োগ করা হয়?
  1. Windows OS
  2. Unix OS
  3. Linux OS
  4. Mac OS
সঠিক উত্তর:
Unix OS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unix OS
ব্যাখ্যা
সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথমে Unix OS এ প্রয়োগ করা হয়।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭৪.
(৩০.১২৫)১০ এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কোনটি?
  1. ১১০১০.১০১
  2. ১০১১০.০১১
  3. ১১১১০.০০১
  4. ১১১০১.১০১
সঠিক উত্তর:
১১১১০.০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১১০.০০১
১৭৫.
Google এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. Dennis Ritchie & Ken Thompson
  2. Ken Thompson & Kebin
  3. Lary Page & Sergy Brin
  4. David Filo & Jerry Yang
সঠিক উত্তর:
Lary Page & Sergy Brin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lary Page & Sergy Brin
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭৬.
নিচের কোন মেমোরিটি Non-Volatile?
  1. ক) ROM
  2. খ) SD-RAM
  3. গ) D-RAM
  4. ঘ) S-RAM
সঠিক উত্তর:
ক) ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ROM
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে। যেমন- DRAM, SRAM, SD-RAM প্রভৃতি। 
Non-Volatile Memory হলো সেগুলো যাদের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মুছে যায় না। যেমন- ROM।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৭৭.
ব্যাংকিং সেক্টরে নিচের কোনটির ব্যবহার খুবই জনপ্রিয়?
  1. OCR
  2. MICR
  3. OMR
  4. CAT
সঠিক উত্তর:
MICR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MICR
ব্যাখ্যা

ব্যাংকিং সেক্টরে MICR (Magnetic Ink Character Reader) ব্যবহার করা হয় ।
চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইড যুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয় ।
ডিজিটাল চেক করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় ।

OMR বা অপটিক্যাল মার্ক রিডার এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেন্সিল দিয়ে দাগাঙ্কিত (গোলাকার বা বর্গাকার) চিহ্নকে পড়তে পারে ।
সাধারণত নৈব্যত্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয় ।

OCR বা অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার করতে পারে ।
এটি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে ।
ইন্সুরেন্স, প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহার হয় ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( নবম-দশম শ্রেণী)

১৭৮.
নিচের কোনটি ব্যাকআপ এন্ড রিকভারি টুল?
  1. Dropbox
  2. Play Store
  3. MS Excel
  4. Google Chrome
সঠিক উত্তর:
Dropbox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dropbox
ব্যাখ্যা
- যে টুলস বা সফটওয়্যার স্টোরেজে ডেটা রাখার পাশাপাশি অন্য কোন লোকেশনে ব্যাকআপ রাখে।
- স্টোরেজের কোন ডেটা মুছে গেলে বা হারিয়ে গেলে পুনরায় ডেটা রিকভার করতে পারে তাদেরকে ব্যাকআপ  এন্ড রিকভারি টুল (Backup And Recovery Tool) বলে। 

কয়েকটি ডেটা ব্যাকআপ রাখার টুল হলো-
- Google Drive, 
- Dropbox, 
- Microsoft one drive ইত্যাদি। 
১৭৯.
রিলেশনাল ডাটাবেজে ডাটা কোন কাঠামোতে সংরক্ষণ করা হয়?
  1. গ্রাফ
  2. টেবিল
  3. লিস্ট
  4. ট্রি
সঠিক উত্তর:
টেবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিল
ব্যাখ্যা

◉ রিলেশনাল ডাটাবেজ (RDBMS)-এ ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা হয়, যেখানে সারি (Row) এবং কলাম (Column) থাকে।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য হল:  
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
- আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮০.
ক্রায়োসার্জারি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রোস্টেট ক্যান্সারে
  2. যকৃতের সমস্যায়
  3. হাড়ের সমস্যায়
  4. সবগুলোতেই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারি: 
- ক্রায়োসার্জারি হল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়। 
- এটি কখনো কখনো ক্রায়োথেরাপি নামেও পরিচিত। 
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ: 
- ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর। 
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না। 
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম। 
- অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। 

ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ: 
- দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল সম্পর্কে অনিশ্চয়তা রয়েছে। 
- মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে এটি কার্যকর নয়। 
- কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮১.
Which shortcut is used to display properties for the selected item?
  1. Alt + D
  2. Alt + Enter
  3. Alt + P
  4. Alt + Up arrow
সঠিক উত্তর:
Alt + Enter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alt + Enter
ব্যাখ্যা
• Alt + D: Select the address bar.
• Alt + Enter: Display properties for the selected item.
• Alt + P: Show or hide the preview pane.
• Alt + Up arrow: Move up a level in the folder path.

উৎস: Microsoft support.
১৮২.
HTTPS কী নিশ্চিত করে?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. ত্বরিত ইন্টারনেট গতি
  3. বিজ্ঞাপন ব্লক করা
  4. সংক্রমণ রোধ
সঠিক উত্তর:
ডেটা এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন—লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- এটি SSL/TLS প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ (হ্যাকার, ISP বা অন্যান্য অনুপ্রবেশকারী) এই তথ্য চুরি বা পড়তে না পারে।

 HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৮৩.
contact@cracktech.org ইমেইল অ্যাড্রেসটির cracktech-অংশটি কি নির্দেশ করে?
  1. User name
  2. Domain name
  3. Protocol name
  4. Domain type
সঠিক উত্তর:
Domain name
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Domain name
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3, IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৪.
রোবটিকস শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ____ শব্দ থেকে।
  1. ক) Rebot
  2. খ) Robot
  3. গ) Rabut
  4. ঘ) Rubot
সঠিক উত্তর:
খ) Robot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Robot
ব্যাখ্যা
Robotics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে robot শব্দ থেকে। কম্পিউটার রোবটের সকল কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮৫.
রিং টপোলজিতে ডাটা কীভাবে প্রবাহিত হয়?
  1. একমুখী
  2. দ্বিমুখী
  3. কেন্দ্রীয়
  4. র‍্যান্ডম
সঠিক উত্তর:
একমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমুখী
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজিতে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে। 

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

• রিং টপোলজি
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।




• বাকি টপোলজিগুলো হলো:
• স্টার টপোলজি
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।


• বাস টপোলজি
- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে। - ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন। তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।



• ট্রি টপোলজি
- ট্রি টপোলজি বা ট্রি সংগঠনে কোন কম্পিউটার সরাসরি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে না।
- এখানে কম্পিউটারগুলো গাছের ন্যায় শাখা প্রশাখায় বিন্যস্ত থাকে।
- এখানে প্রত্যেক স্তরের কম্পিউটার তার পরবর্তী স্তরের কম্পিউটারের হোষ্ট কম্পিউটার হিসাবে কাজ করে।
- কম্পিউটারসমূহ উচ্চগতি সম্পন্ন সংযোগ পথ দ্বারা সংযোগ করা হয়।



উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৬.
H.323 প্রোটোকল সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. Email
  2. Web browsing
  3. VoIP
  4. File Compression
সঠিক উত্তর:
VoIP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VoIP
ব্যাখ্যা

H.323 হলো একটি ITU-T স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল, যা VoIP (Voice over Internet Protocol) যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।

VoIP:
- Voice over IP বা VoIP হলো একটি প্রটোকল।
- এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।
- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮৭.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) বায়োমেট্রিক্সে
  2. খ) বায়ো ইনফরমেটিক্সে
  3. গ) রোবটিক্সে
  4. ঘ) ন্যানো টেকনোলজিতে
সঠিক উত্তর:
গ) রোবটিক্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রোবটিক্সে
ব্যাখ্যা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়।
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে।
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৮৮.
(159.69)16 = (P)
এখানে, P এর মান কত?
  1. 547.788
  2. 583.934
  3. 563.432
  4. 531.322
সঠিক উত্তর:
531.322
উত্তর
সঠিক উত্তর:
531.322
ব্যাখ্যা

• (159.69)16 = (P)
এখানে,  P এর মান হচ্ছে: 531.322

• Hexadecimal থেকে Octal এ রূপান্তর করার জন্য সরাসরি একটি ধাপ রয়েছে না, তাই সাধারণত আমরা প্রথমে Hexadecimal (base-16) সংখ্যাটিকে Binary (base-2) এ রূপান্তর করি। কারণ Hexadecimal এবং Binary এর মধ্যে সম্পর্ক সরাসরি, প্রতিটি Hexadecimal ডিজিটকে ৪টি Binary বিটে প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, Hexadecimal ‘A’ হলো Binary ‘1010’। এরপর এই Binary সংখ্যাটিকে ৩টি বিট করে গ্রুপে ভাগ করা হয়, কারণ Octal (base-8) এ প্রতিটি ডিজিট ৩টি বিট দিয়ে তৈরি হয়। প্রতিটি ৩-বিট গ্রুপকে Octal ডিজিটে রূপান্তর করলে আমরা অবশেষে Hexadecimal সংখ্যাটির সমতুল্য Octal মান পাই। এই পদ্ধতিটি সহজ, দ্রুত এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

১৮৯.
ডোমেইন নাম হলো-
  1. ক) ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম
  2. খ) সার্ভারের নাম
  3. গ) ওয়েব ফাইলের নাম
  4. ঘ) ফোল্ডারের নাম
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নাম হলো ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম।
• ডোমেইন নাম:
আইপি অ্যাড্রেস নাম্বার দ্বারা লিখিত হয়। আইপি অ্যাড্রেস এর জন্য সংখ্যা মনে রাখা কষ্টকর। আইপি অ্যাড্রেসকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলে। যেমন-আইপি অ্যাড্রেস 173.248.140.183 এর পরিবর্তে www.rafkhata.com ডোমেইন নেম ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯০.
কোনো কম্পিউটার 'ভাইরাস' দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা প্রকাশ করবে না নিচের কোন লক্ষণটি?
  1. ক) প্রোগ্রাম রান করতে বেশি সময় নেয়া।
  2. খ) যে কোন ডিস্কে দ্রুত এক্সেস করা যায়।
  3. গ) অপ্রত্যাশিত কোন ম্যাসেজ বা বার্তা প্রদর্শন করা।
  4. ঘ) কম্পিউটার এর মেমোরি কম দেখানো।
সঠিক উত্তর:
খ) যে কোন ডিস্কে দ্রুত এক্সেস করা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যে কোন ডিস্কে দ্রুত এক্সেস করা যায়।
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার এর লক্ষণ: 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- সিডি, পেনড্রাইভ বা অন্য কোনোভাবে ভাইরাসযুক্ত একটি ফাইল কম্পিউটারে চালালে ভাইরাসটি সংশ্লিষ্ট কম্পিউটারের মেমোরিতে রয়ে যায়।
- ফলে সংক্রমিত ফাইলটি বন্ধ করলেও কম্পিউটারটি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়।
- এভাবে মেমোরিতে অবস্থানকারী ভাইরাস পরবর্তীতে কম্পিউটারের অন্যান্য প্রোগ্রাম ও ফাইলকে আক্রমণ করে।
- সাধারণত নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ দ্বারা ভাইরাস সনাক্ত করা যায় না। কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রে নিচের লক্ষণ দেখা গেলে বুঝতে হবে কম্পিউটারটি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। যেমন:
১. কোন প্রোগ্রাম রান করতে বেশি সময় নেয়া।
২. কোন ফাইল ওপেন করতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা।
৩. কম্পিউটার এর মেমোরি কম দেখানো।
৪. সিস্টেম এর সময় ও তারিখ অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তন হওয়া।
৫. নতুন প্রোগ্রাম ইন্সটল করার সময় অনেক বেশি সময় নেয়া।
৬. চলমান কাজের ফাইলগুলো বেশি জায়গা দখল দেখানো।
৭. অপ্রত্যাশিত কোন ম্যাসেজ বা বার্তা প্রদর্শন করা।
৮. হার্ড ডিস্কে ব্যাড সেক্টর দেখানো।
৯. ফোল্ডার অপশন হাইড হওয়া।
১০. সিস্টেম এর ফাইল নষ্ট হাওয়া।

অপরদিকে, কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে কোন ডিস্ক বা ড্রাইভ দ্রুত এক্সেস করা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১.
নিম্নের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার ক্ষেত্র নয়?
  1. ডিএনএ ম্যাপিং
  2. জিনোম সমাগম
  3. প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া
  4. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
ব্যাখ্যা

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বায়োইনফরমেটিক্সের গবেষণার ক্ষেত্র নয়।

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা হয়।

বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যাটার্ন রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি,

বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯২.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Firefox
  2. Chrome
  3. Wikipedia
  4. Opera
সঠিক উত্তর:
Wikipedia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wikipedia
ব্যাখ্যা

উইকিপিডিয়া হল একটি বিনামূল্যের অনলাইন বিশ্বকোষ,

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):

- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
 
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯৩.
ইলেক্ট্রনিক মেইল বক্সে প্রবেশ করতে নিম্নের কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. Gopher
  3. Telnet
  4. IMAP
সঠিক উত্তর:
IMAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMAP
ব্যাখ্যা
There are three common protocols used to deliver email over the Internet:
- the Simple Mail Transfer Protocol (SMTP),
- the Post Office Protocol (POP), and
- the Internet Message Access Protocol (IMAP).
All three use TCP, and the last two are used for accessing electronic mailboxes.
- Special records stored in DNS servers play a role as well, using UDP. The current version of POP is version 3 (POP3) and the current version of IMAP is version 4 (IMAP4).

Source: www.sciencedirect.com
১৯৪.
নিচের কোনটি ৫ম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড নয়?
  1. ক) 5G NR (New Radio Technology)
  2. খ) RAT (Radio Access technology)
  3. গ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৯৫.
কম্পিউটার পেরিফেরাল বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) কম্পিউটারের মূল যন্ত্রাংশ
  2. খ) কম্পিউটারে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস
  3. গ) কম্পিউটারের প্রসেসিং ইউনিট
  4. ঘ) কম্পিউটার চালু হতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পিউটারে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পিউটারে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরাল
২. আউটপুট পেরিফেরাল এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬.
প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো-
  1. ভিসিক্যালক
  2. মাইক্রোসফট এক্সেল
  3. কোয়াট্রোপ্রো
  4. লোটাস ১-২-৩
সঠিক উত্তর:
ভিসিক্যালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিসিক্যালক
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- Spreadsheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্প্রেডশিট বলা হয়।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো: মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি।
- প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যালক, যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
Which technology does an optical mouse use to detect cursor movement?
  1. Ball rotation
  2. Light or laser beam
  3. Pressure sensor
  4. Electromagnetic waves
সঠিক উত্তর:
Light or laser beam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Light or laser beam
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল মাউস আলো বা লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কার্সরের মুভমেন্ট সনাক্ত করে।

মাউস
- মাউস হল একটি হাতে-নিয়ন্ত্রিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল ডিভাইস।
- এটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মার্কিন উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৩-৬৪ সালে মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউসকে একটি সমতল পৃষ্ঠের উপর সরানো হলে, কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সরের (cursor) নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

প্রকারভেদ:
- মেকানিক্যাল মাউস: একটি বলের ঘূর্ণন থেকে কার্সরের মুভমেন্টে পরিবর্তন করে।
- অপটিক্যাল মাউস: আলো-নির্গত ডায়োড (light-emitting diode) বা লেজার থেকে নির্গত রশ্মি ব্যবহার করে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯৮.
অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
  2. খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. গ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন: Word Processing Package Program, Spreadsheet Package Program, Database Package Program ইত্যাদি।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program)। 

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
- যেমন: Antivirus, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৯.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. ক) Linux
  2. খ) Photoshop
  3. গ) Unix
  4. ঘ) Windows NT
সঠিক উত্তর:
খ) Photoshop
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Photoshop
ব্যাখ্যা
• Photoshop একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ- MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফটওয়্যার: সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে। সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। 
- উদাহরণ- Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।
- সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা হয় low level language দিয়ে । এদিকে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরি করা হয় high level language দিয়ে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০.
নিচের কোন মেমোরিটি Non-Volatile?
  1. ক) S-RAM
  2. খ) D-RAM
  3. গ) SD-RAM
  4. ঘ) PROM
সঠিক উত্তর:
ঘ) PROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) PROM
ব্যাখ্যা
ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। 

ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।