বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১১৭ / ১৩১ · ১১,৬০১১১,৭০০ / ১৩,০৮৮

১১,৬০১.
১৯৮০-এর দশকে কোন কম্পিউটিং প্রযুক্তি তৈরিতে IBM সুপরিচিত ছিল?
  1. স্মার্টফোন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  4. ক্লাউড স্টোরেজ
সঠিক উত্তর:
পার্সোনাল কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• IBM ১৯৮০-এর দশকে মূলত পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) তৈরিতে সুপরিচিত ছিল। এই সময়ে IBM প্রথমবার বাজারে একটি সহজলভ্য এবং অফিস বা ঘরে ব্যবহারযোগ্য কম্পিউটার নিয়ে আসে, যা বড় কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীর জন্যও সহজ করে তোলে। IBM PC-এর উদ্ভাবন কম্পিউটার শিল্পে বিপ্লব ঘটায়, কারণ এটি মডুলার ডিজাইন এবং ওপেন আর্কিটেকচারের মাধ্যমে বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নির্মাতাকে উৎসাহিত করে। এর ফলে বাজারে কম্পিউটার অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। স্মার্টফোন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বা ক্লাউড স্টোরেজ তখনো এই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তাই ১৯৮০-এর দশকে IBM-এর প্রধান অবদান ছিল পার্সোনাল কম্পিউটার।

আইবিএম: 

- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১,৬০২.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. C
  2. C#
  3. Java
  4. C++
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬০৩.
চিঠির পিনকোড, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) OCR
  2. খ) OMR
  3. গ) MICR
  4. ঘ) OICR
সঠিক উত্তর:
ক) OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) OCR
ব্যাখ্যা
OCR হল Optical Character Recognition.
চিঠির পিনকোড, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়। এটি শুধু দাগই বোঝেনা বিভিন্ন রঙের পার্থক্যও বোঝে।
১১,৬০৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে "পারফরম্যান্স টেস্ট" করার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Benchmark
  2. VLC Media Player
  3. MS Word
  4. WinZip
সঠিক উত্তর:
Benchmark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Benchmark
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে "পারফরম্যান্স টেস্ট" করার জন্য সাধারণত Benchmark ব্যবহার করা হয়। Benchmark হলো একটি সফটওয়্যার বা টুল যা কম্পিউটারের প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড, র‍্যাম, স্টোরেজ এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের কার্যক্ষমতা নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন ধরনের টেস্ট চালিয়ে সিস্টেমের দ্রুততা, স্থায়িত্ব এবং দক্ষতার মান মাপতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, VLC Media Player শুধুমাত্র মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ভিডিও ও অডিও চালাতে ব্যবহৃত হয়, MS Word হলো ডকুমেন্ট তৈরির সফটওয়্যার এবং WinZip হলো ফাইল কম্প্রেশন টুল। তাই পারফরম্যান্স নিরীক্ষার ক্ষেত্রে Benchmark ছাড়া অন্য কোনো সফটওয়্যার সরাসরি কার্যকর নয়।
 
• Benchmark:
- Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।

- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench
- Geekbench
- 3DMark
- PassMark

• অপশন আলোচনা:
- WinZip: ফাইল compress ও decompress করার সফটওয়্যার।

- MS Word: মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।

- VLC Media Player: ভিডিও ও অডিও প্লে করার সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১১,৬০৫.
সমপ্রকৃতির ডাটার সমাবেশকে বলা হয় -
  1. ক) স্ট্রাকচার
  2. খ) ফাংশন
  3. গ) অ্যারে
  4. ঘ) সেট
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যারে
ব্যাখ্যা
অ্যারে (Array)
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে। 
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৬০৬.
Cathode-ray tube কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত এক ধরনের -
  1. মেমরি
  2. ইনপুট যন্ত্র
  3. আউটপুট যন্ত্র
  4. প্রসেসিং যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
আউটপুট যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউটপুট যন্ত্র
ব্যাখ্যা
CRT এর পূর্ণরূপ হলাে Cathode Ray Tube।
- ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত মনিটরকে সিআরটি মনিটর বলা হয়। অর্থ্যাৎ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস।
- এলসিডি মনিটরের তুলনায় এ ধরনের মনিটরে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
- LED মনিটর LCD মনিটরের উন্নত ভার্সন। LCD মনিটর অপেক্ষা LED মনিটরে বিদ্যুৎ খরচ ৪০% কম।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)
১১,৬০৭.
IP কী?
  1. সার্ভারের সাথে সংযোগ ডিভাইস
  2. একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক ঠিকানা
  3. ক্লায়েন্ট সার্ভারের একটি এ্যাপ্লিকেশন
  4. ডোমেইন নেইম
সঠিক উত্তর:
একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক ঠিকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক ঠিকানা
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের কার্যপ্রক্রিয়া:
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) প্রটোকল ব্যবহার করে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, তারপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- একটি কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে সংযোজিত হতে পারে, অথবা আরেকটি কম্পিউটারের রিমোট টার্মিনালের সাথে অথবা নেটওয়ার্কের গেটওয়ের মাধ্যমে সংযোজিত হতে পারে ।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক IP ঠিকানা থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে যা ডোমেইন নেম (Domain Name) সিস্টেম ব্যবহার করে।
- বেশিরভাগ ইন্টারনেট প্রোগ্রামই ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেল ব্যবহার করে।
- ব্যবহারকারী ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম সচল করে সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা আদান-প্রদান করে।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬০৮.
দশমিক সংখ্যা ১২১ কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে সেটি কত হবে?
  1. ক) ১০০১১১১
  2. খ) ১১১১০১১
  3. গ) ১০১০১১১
  4. ঘ) ১১১১০০১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১১১০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১১১০০১
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়।
অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
১২১/২ = ৬০, ভাগশেষ ১
৬০/২ = ৩০, ভাগশেষ ০
৩০/২ = ১৫, ভাগশেষ ০
১৫/২ = ৭, ভাগশেষ ১
৭/২ = ৩, ভাগশেষ ১
৩/২ = ১, ভাগশেষ ১
১/২ = ০, ভাগশেষ ১↑

∴ (১২১)১০ = (১১১১০০১)

১১,৬০৯.
কোন ধরণের প্রতিষ্ঠানে সাধারণত ISDN ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
  1. ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
  2. বড় বড় প্রতিষ্ঠান
  3. সিঙ্গেল রুম অফিস
  4. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য
সঠিক উত্তর:
বড় বড় প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় বড় প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
• আইএসডিএন (ISDN):
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১০.
'Robota' শব্দের অর্থ কী?
  1. যন্ত্র
  2. শ্রমিক
  3. স্বয়ংক্রিয়
  4. উদ্ভাবন
সঠিক উত্তর:
শ্রমিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রমিক
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৬১১.
সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে বলে-
  1. ব্রাউন আউট
  2. ব্লাক আউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. নয়েজ
সঠিক উত্তর:
ব্রাউন আউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার। বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট (Brown Out)
২. ব্লাক আউট (Black Out)
৩. ট্রানসিয়েন্ট (Transient) ও
৪. নয়েজ (Noise)

ব্রাউন আউট (Brown Out):
পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

ব্লাক আউট (Black Out):
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে। সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে। ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

ট্রানসিয়েন্ট (Transient):
বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়। অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

নয়েজ (Noise):
সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়। এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১২.
কম্পিউটার বন্ধ করলে কোন ধরনের মেমোরির তথ্য রয়ে যায়?
  1. RAM
  2. Cache
  3. VRAM
  4. PROM
সঠিক উত্তর:
PROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PROM
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বন্ধ করলে PROM (Programmable Read-Only Memory)-এর তথ্য রয়ে যায়। PROM একটি non-volatile মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও এর ভেতরের ডেটা মুছে যায় না। এটি তৈরির সময় একবার প্রোগ্রাম করা হয় এবং তারপর পরিবর্তন করা যায় না। বিপরীতে, RAM, Cache ও VRAM সবই volatile মেমোরি, যা কম্পিউটার বন্ধ হলে তাদের সংরক্ষিত তথ্য হারিয়ে ফেলে। RAM মূলত অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, Cache ডেটার দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর VRAM গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, কম্পিউটার বন্ধ করলে PROM-এ থাকা তথ্যই অক্ষত থাকে।

• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে। যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১৩.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি কত?
  1. ১০
  2. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা:

- হেক্সাডেসিমেলের ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- কাজেই এটাকে প্রকাশ করার জন্য ১৬ টি অঙ্ক প্রয়োজন।
- ডেসিমেল দশমিক সংখ্যা ০ থেকে ৯ পর্যন্ত, এর পরের ৬ টি অঙ্কের জন্য A, B, C, D, E এবং F এই ইংরেজি বর্ণকে ব্যবহার করা হয়।


উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১১,৬১৪.
a2i কী?
  1. ক) Access to information
  2. খ) Access to Innovate
  3. গ) Aspire to Integrated
  4. ঘ) Aspire to Innovate
সঠিক উত্তর:
ঘ) Aspire to Innovate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Aspire to Innovate
ব্যাখ্যা
• a2i - এর বর্তমান পূর্ণরূপ - Aspire to Innovate.
• a2i - এর কারিগরি সহায়তায় রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)।
• a2i - এর বর্তমান শ্লোগান ‘Innovate for all’.
• a2i - এর পূর্বের পূর্ণরূপ Access to Information.
১১,৬১৫.
কোনটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়?
  1. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  2. ডেটাবেজ রেকর্ড
  3. ডেটাবেজ তৈরি
  4. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রেকর্ড
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রেকর্ড ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১১,৬১৬.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. Cache Memory
  4. ROM
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি।
- যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
- এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (LI / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2 / External Cache)।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১৭.
নীচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
সঠিক উত্তর:
microphone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
microphone
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬১৮.
Spreadsheet এ নিচের কোনটি দ্বারা worksheet content সম্পর্কে ধারনা করা সম্ভব?
  1. ক) Formula
  2. খ) Values
  3. গ) Labels
  4. ঘ) Cell format
  5. ঙ) Cursor
সঠিক উত্তর:
গ) Labels
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Labels
ব্যাখ্যা
In a spreadsheet program, such as Microsoft Excel, a label is text in a cell, usually describing data in the rows or columns surrounding it, which helps to get an idea about the worksheet content.
১১,৬১৯.
কোনটি ডাটাবেজের একটি উপাদান?
  1. পাওয়ার কেবল
  2. ডিস্ক
  3. রেকর্ড
  4. মাউস
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
ব্যাখ্যা
রেকর্ড ডাটাবেজের একটি উপাদান।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১১,৬২০.
কম্পিউটারের Virtual Memory বলতে কী বোঝায়?
  1. Cache Memory-এর অংশ যা দ্রুত ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. গ্রাফিক্স কার্ডের ভেতরে থাকা Video RAM
  3. বাহ্যিক স্টোরেজ ডিভাইস (CD/DVD)-এ থাকা মেমরি
  4. হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা অতিরিক্ত RAM-এর মতো ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা অতিরিক্ত RAM-এর মতো ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা অতিরিক্ত RAM-এর মতো ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

◉ Virtual Memory হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশকে সাময়িকভাবে RAM-এর সম্প্রসারণ (extension) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন অপারেটিং সিস্টেম কম ব্যবহৃত ডেটা RAM থেকে ডিস্কে সরিয়ে রাখে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরিয়ে আনে।

ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

১১,৬২১.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে F7 সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ফন্ট সাইজ বড় করা
  2. নতুন ডকুমেন্ট খোলা
  3. স্পেলিং ও গ্রামার চেক করা
  4. প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা
সঠিক উত্তর:
স্পেলিং ও গ্রামার চেক করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেলিং ও গ্রামার চেক করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার সময় বানান বা ব্যাকরণগত ভুল সংশোধন করার জন্য F7 ফাংশন কি (Function Key) ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

১১,৬২২.
কোন ধরনের মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টর সবচেয়ে ছোট?
  1. Extended ATX
  2. Micro-ATX
  3. ATX
  4. Mini-ITX
সঠিক উত্তর:
Mini-ITX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mini-ITX
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো Mini-ITX (ঘ)। মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর মূলত এর আকার, ডিজাইন এবং কেসের সঙ্গে সামঞ্জস্য বোঝায়। Extended ATX এবং ATX তুলনামূলকভাবে বড় আকারের, যা বেশি এক্সপ্যানশন স্লট ও হার্ডওয়্যার সাপোর্ট দেয়। Micro-ATX আকারে ছোট হলেও এটি এখনও Mini-ITX-এর চেয়ে বড়। Mini-ITX সাধারণত মাত্র ১৭×১৭ সেন্টিমিটার আকারের হয়, তাই এটি ছোট কেস, কম জায়গা নেওয়া কম্পিউটার এবং হোম থিয়েটার পিসির জন্য খুবই উপযোগী। ছোট আকারের কারণে এতে এক্সপ্যানশন সীমিত হলেও এটি শক্তি সাশ্রয়ী ও বহনযোগ্য সমাধান দেয়।
 
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Lenovo. [link]

১১,৬২৩.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. bing.com
  2. google.com
  3. duckduckgo.com
  4. wikipedia.com
সঠিক উত্তর:
wikipedia.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wikipedia.com
ব্যাখ্যা

Wikipedia হচ্ছে অনলাইন বিশ্বকোষ (online encyclopedia)।

- Bing, Google হচ্ছে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
- Duckduckgo হলো গুগলের মতোই সার্চ ইঞ্জিন যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে দেয়, কিন্তু এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ট্র্যাক করে না।

অপরদিকে,
- Wikipedia হলো অনলাইন বিশ্বকোষ।
- Wikipedia এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা: Wikimedia Foundation।
- প্রায় ৩২০+ ভাষায় পাওয়া যায় (এর মধ্যে বাংলা উইকিপিডিয়াও আছে)।
- বাংলা উইকিপিডিয়া ২৭ জানুয়ারি, ২০০৪ সালে শুরু হয়।

উৎস:
১.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি,
২. ব্রিটানিকা।

১১,৬২৪.
What does the function "VLOOKUP" stand for in Excel?
  1. Vertical Lookup
  2. Value Lookup
  3. Variable Lookup
  4. Verified Lookup
সঠিক উত্তর:
Vertical Lookup
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vertical Lookup
ব্যাখ্যা

VLOOKUP ফাংশনটি Excel-এ Vertical Lookup (ভার্টিক্যাল লুকআপ)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

• VLOOKUP (Vertical Lookup):
- • VLOOKUP (Vertical Lookup) হলো Excel-এর একটি function, যা একটি টেবিলের প্রথম কলামে (first column) নির্দিষ্ট একটি মান খোঁজে এবং সেই মানের সাথে মিল থাকা সারির অন্য একটি কলাম থেকে তথ্য ফেরত দেয়।
- এটি বৃহৎ ডেটা সেটে দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।

উৎস:
1. Microsoft Support Website.
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

১১,৬২৫.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) McAfee
  2. খ) Panda
  3. গ) Norton
  4. ঘ) Fujitsu
সঠিক উত্তর:
ঘ) Fujitsu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Fujitsu
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রােগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়।

কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus, ESET NOD32, Panda ইত্যাদি।

Fujitsu একটি জাপানি বহুজাতিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও সেবা কর্পোরেশন, যা 1935 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর টোকিওতে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১১,৬২৬.
"McAfee" কী ধরনের সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্ষতিকর কম্পিউটার প্রোগ্রাম
  2. ভাইরাস তৈরি করার টুল
  3. অফিস প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যার
  4. সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ "McAfee" হচ্ছে একটি সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার বা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

​উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১১,৬২৭.
ইন্টারনেট মডেম ও সিম কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ তৈরি হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন।
- ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA .
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৬২৮.
এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হচ্ছে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতির সমন্বয়।
• ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির।
উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৬২৯.
Which of the following is a task performed by a DBMS?
  1. Designing websites
  2. Database creation
  3. Network design
  4. Image editing
সঠিক উত্তর:
Database creation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database creation
ব্যাখ্যা
Database creation is a task performed by a DBMS.

• Database Management System (DBMS):

যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১১,৬৩০.
Which technology underpins the first generation of computers?
  1. ক) VVLSI
  2. খ) LSI
  3. গ) Transisitor
  4. ঘ) Vaccum Tube
সঠিক উত্তর:
ঘ) Vaccum Tube
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Vaccum Tube
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো
বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩১.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, A + A = ?
  1. A
  2. 1
  3. 0
  4. A‘
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান উপপাদ্য বা Boolean algebra একটি গাণিতিক কাঠামো যা লজিক্যাল অপারেশন যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে প্রতিটি ভেরিয়েবল শুধুমাত্র দুইটি মান নিতে পারে: 0 বা 1। বুলিয়ান সংযুক্তি (OR) নির্দেশ করে দুটি ভেরিয়েবলের মধ্যে যেকোনো একটি সত্য হলে ফলাফল সত্য হবে। উপপাদ্য অনুযায়ী, যখন আমরা একই ভেরিয়েবলকে OR অপারেশনে নিজের সঙ্গে যোগ করি, অর্থাৎ, A + A = A তখন ফলাফল একই ভেরিয়েবলের সমান হয়। এটি একটি মৌলিক নিয়ম যা বলে যে কোন ভেরিয়েবলকে নিজের সাথে যুক্ত করলে তার মান অপরিবর্তিত থাকে।

বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৩২.
মাউস কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) কম্পিউটারের দিক নির্দেশনায়
  2. খ) ডেটা সংরক্ষণে
  3. গ) ডেটা ব্যাকআপে
  4. ঘ) গাণিতিক যুক্তি সমাধানে
সঠিক উত্তর:
ক) কম্পিউটারের দিক নির্দেশনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম্পিউটারের দিক নির্দেশনায়
ব্যাখ্যা

মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়। এর জন্যে এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে।
যথা- Mechanical এবং Optical Mouse.

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল

১১,৬৩৩.
ড্রপবক্স মূলত কী জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  2. ভিডিও সম্পাদনা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল শেয়ারিং
  4. অনলাইন শপিং
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল শেয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল শেয়ারিং
ব্যাখ্যা
• ড্রপবক্স মূলত ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের ফাইল, ছবি, ডকুমেন্টসহ বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারেন এবং সহজেই সেগুলো অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। ড্রপবক্স ব্যবহার করলে ফাইলগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করা যায়, ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং তথ্যের নিরাপত্তাও বজায় থাকে। এটি দলগত কাজের জন্য খুবই উপযোগী, যেখানে অনেকেই একই ফাইল একসাথে ব্যবহার বা সম্পাদনা করতে পারেন। তাই ড্রপবক্স ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল শেয়ারিং-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৬৩৪.
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে কোন ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ক্যাজি (SCSI)
  2. সাস (SAS)
  3. সাটা (SATA)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়। এজন্য আইডিই (IDE- Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়ােজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
১১,৬৩৫.
META-র অন্তর্গত নয় কোনটি?
  1. Messenger
  2. Instagram
  3. Lightshot
  4. Threads
সঠিক উত্তর:
Lightshot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lightshot
ব্যাখ্যা

Lightshot (লাইটশট) মূলত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী স্ক্রিনশট টুল (Screenshot Tool)। এটি উইন্ডোজ, ম্যাক এবং বিভিন্ন ব্রাউজার (যেমন: ক্রোম) এক্সটেনশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  
- META (আগে Facebook Inc.) হলো একটি প্রযুক্তি কোম্পানি যা মূলত সামাজিক যোগাযোগ এবং ভার্চুয়াল বাস্তবতার পণ্য ও সেবার জন্য পরিচিত। মেটার মালিকানাধীন প্রধান অ্যাপ ও সেবাগুলো হলো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার এবং থ্রেডস।

• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ। (তথ্য: ২ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত)।
প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ● তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি vi) সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ও তথ্য প্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান

১১,৬৩৬.
পাহাড়ি এলাকায় সাশ্রয়ীভাবে কার্যকরী নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য কোন মাধ্যমটি বেশি সুবিধাজনক?
  1. ওয়াই-ফাই
  2. রেডিও ওয়েভ
  3. ওয়াই-ম্যাক্স
  4. অপটিক্যাল ফাইবার
সঠিক উত্তর:
ওয়াই-ম্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াই-ম্যাক্স
ব্যাখ্যা
• WiMAX: 
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো  Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMax  এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
- WiMax  এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax  এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,৬৩৭.
কোনটি অপটিক্যাল মেশিনের মাধ্যমে পড়া হয়?
  1. ক) কিউআর কোড
  2. খ) সিক্রেট কোড
  3. গ) সোর্স কোড
  4. ঘ) HTML কোড
সঠিক উত্তর:
ক) কিউআর কোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কিউআর কোড
ব্যাখ্যা

কিউআর কোড, (কুইক রেসপন্স কোড থেকে সংক্ষিপ্ত) হচ্ছে এক ধরণের ম্যাট্রিক্স বারকোড (বা দ্বিমাত্রিক বারকোড) ধরনের একটি ট্রেডমার্ক। বারকোড হল মেশিনে পাঠযোগ্য অপটিক্যাল লেবেল যা এতে সংযুক্ত উপাত্ত সম্পর্কে তথ্য ধারণ করে থাকে।
A quick response (QR) code is a type of barcode that can be read easily by a digital device and which stores information as a series of pixels in a square-shaped grid. QR codes are frequently used to track information about products in a supply chain and often used in marketing and advertising campaigns.
Source: Investopedia.

১১,৬৩৮.
রিকোনির যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ
  2. খ) গডফ্রাইট ভন লিবানিজ
  3. গ) ড. হারম্যান হলিরিথ
  4. ঘ) ব্লেইজ প্যাসকেল
সঠিক উত্তর:
খ) গডফ্রাইট ভন লিবানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গডফ্রাইট ভন লিবানিজ
ব্যাখ্যা
• রিকোনির যন্ত্র:
১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র।

• ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ (Dr. Herman Hollerith) নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

• ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Differenc Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন। 

• ১৬৪২ সালে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascaline)। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩৯.
দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে কোন কী (Key) ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেইন কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ফরেইন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেইন কী
ব্যাখ্যা

ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৪০.
POP3 এর পাশাপাশি আর কোন প্রোটোকল ইমেইল ডাউনলোড বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. SSH
  2. HTTP
  3. FTP
  4. IMAP
সঠিক উত্তর:
IMAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMAP
ব্যাখ্যা
• POP3 এর পাশাপাশি ইমেইল ডাউনলোড বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোটোকল হলো IMAP। POP3 সাধারণত ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করে লোকাল কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে এবং তারপর সার্ভার থেকে ইমেইল মুছে ফেলে। কিন্তু IMAP ইমেইলগুলো সার্ভারে রেখে অনলাইনে ম্যানেজ করার সুযোগ দেয়, যেমন মেইল পড়া, ফোল্ডারে রাখা, মুছে ফেলা ইত্যাদি। অন্যদিকে, SSH হলো নিরাপদ শেল এক্সেসের প্রোটোকল, HTTP হলো ওয়েব পেজ দেখার প্রোটোকল, আর FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ইমেইল ব্যবস্থাপনার জন্য POP3 এর বিকল্প হিসেবে IMAP সবচেয়ে উপযোগী প্রোটোকল।

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

- SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

- IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: মাইক্রোসফট।
১১,৬৪১.
কম্পিউটার পদ্ধতিতে ১ মেগাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ১০২৪ বাইট
  2. খ) ১০০০×১০০০ বাইট
  3. গ) ১০২৪×১০০০ বাইট
  4. ঘ) ১০২৪×১০২৪ বাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০২৪×১০২৪ বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০২৪×১০২৪ বাইট
ব্যাখ্যা
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট, ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট বা ১০২৪×১০২৪ বাইট।
[সুত্রঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি]
১১,৬৪২.
GSM এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কলের খরচ বেশি
  2. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. এর পূর্ণরূপ: Global System for Mobile Communications
  4. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ২০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ২০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ২০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।

- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশি। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।

• সিডিএম এর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারির আয়ু বেশী।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৩.
নিচের কোনটি অন্য তিনটি থেকে আলাদা?
  1. ক) ফেসবুক
  2. খ) ইউটিউব
  3. গ) টুইটার
  4. ঘ) ইনস্টাগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ইউটিউব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউটিউব
ব্যাখ্যা
ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ইউটিউব হচ্ছে ভিডিও শেয়ারিং সাইট।
১১,৬৪৪.
ফায়ারওয়্যার কী?
  1. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সুরক্ষা ব্যবস্থা
  2. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  3. দ্রুতগতির কম্পিউটার বাস
  4. সাবমেরিন ক্যাবল
সঠিক উত্তর:
দ্রুতগতির কম্পিউটার বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুতগতির কম্পিউটার বাস
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়্যার:
- ফায়ারওয়‍্যার হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির বাস।
- এ বাসের আরেকটি নাম হচ্ছে IEEE 1394।
- এ ধরনের বাসের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. অত্যন্ত দ্রুতগতির বাস যা প্রতি সেকেন্ডে 100, 200 বা 400 মেগাবাইট ডেটা স্থানান্তর করতে সক্ষম।
২. প্রখ্যাত ডিজিটাল ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের নির্মাতারা একে সমর্থন করায় ফায়ারওয়‍্যার একটি আদর্শ উচ্চগতির বাসের আদর্শ হয়ে পড়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৫.
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে সিপিইউ কোন অংশে সংযুক্ত থাকে?
  1. RAM স্লট
  2. সকেট
  3. SMPS
  4. গ্রাফিক্স কার্ড স্লট
সঠিক উত্তর:
সকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকেট
ব্যাখ্যা

◉ সকেট হলো মাদারবোর্ডের বিশেষ অংশ যেখানে সিপিইউ (প্রসেসর) সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের ধরন অনুযায়ী ডিজাইন করা হয় (যেমন: Intel-এর LGA বা AMD-এর PGA সকেট)।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৪৬.
আপনার মনে হলো চাঁদের দেশ ঘুরে আসবেন, সেখানে কি আছে না আছে দেখতে চান, নিচের কোনটির মাধ্যমে আপনার এই স্বপ্ন পূরণ সম্ভব?
  1. ক) কম্পিউটার
  2. খ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. গ) রোবট
  4. ঘ) টাইম মেশিন
সঠিক উত্তর:
খ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিমুলেশনের সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয়। একে সিমুলেটেড পরিবেশও বলা হয়। কম্পিউটার প্রযুক্তি ও অনুকরণবিদ্যার প্রয়োগে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয়,যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয়। 
১১,৬৪৭.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম?
  1. এমএস অফিস
  2. পেজ মেকার
  3. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  4. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকিং সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program)।

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো এমএস অফিস, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কেপ নেভিগেটর, নেটস্কেপ কমিউনিকেটর, ইলেকট্রনিক মেইল, পেজ মেকার, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- যেমন- ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিস কমার্স, পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৮.
নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. সিআইএইচ
  2. নরটন
  3. ট্রোজান হর্স
  4. বুট সেক্টর
সঠিক উত্তর:
নরটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরটন
ব্যাখ্যা
♦ অপশনে উল্লেখিত নরটন একটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস এবং বাকিগুলো কম্পিউটার ভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে। 
- যেমন: এভিজি, এভিরা, অ্যাভাস্ট, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৯.
সাধারণত: কোনটি নষ্ট হলে Beep sound দেয়?
  1. COMS
  2. CPU
  3. ROM
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা
RAM: 
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ (Beep sound) শোনা যায়। 
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে। 
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে। 
- বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলোর জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। 
- এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে। 
যেমন: 
ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM: 
- কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‍্যাম মডিউলগুলো পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। 

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: 
- যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলো মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে। 

ব্যর্থ RAM মডিউল: 
- যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে। 
- বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৬৫০.
সামাজিক মাধ্যম টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) Dalana Brand
  2. খ) Jack Dorsey
  3. গ) Lindsey Iannucci
  4. ঘ) Parag Agrawal
সঠিক উত্তর:
খ) Jack Dorsey
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Jack Dorsey
ব্যাখ্যা
জ্যাক ডরসি সামাজিক মাধ্যম টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা। 

- জ্যাক ডরসি হলেন একজন আমেরিকান ব্যবসায়ী।
- অপরদিকে, পরাগ আগরওয়াল টুইটারের সিইও হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। 
- টুইটার একটি ছোট আকারের বিশেষ ব্লগিং সিস্টেম, যাকে মাইক্রোব্লগিং বলা হয়।
- মাইক্রোব্লগিং এর বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে অল্প কথায় খুব দ্রুত অনেক মানুষের কাছে মনের ভাব প্রকাশ করা যায়।
- টুইটার প্রতিষ্ঠিত হয় ২১শে মার্চ, ২০০৬। 
- টুইটারের সদর দপ্তর- সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র: টুইটার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। 
১১,৬৫১.
কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ
  2. খ) ইনপুট ইউনিট
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) আউটপুট ইউনিট
সঠিক উত্তর:
গ) প্রিন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ তিনটি- ইনপুট ইউনিট, সিপিইউ এবং আউটপুট ইউনিট। প্রিন্টার কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ নয় এটি আউটপুট ডিভাইস।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
১১,৬৫২.
কোন প্রযুক্তিটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. টেলিগ্রাফ
  2. রোবোটিক্স
  3. থ্রি-ডি প্রিন্টিং
  4. আইওটি
সঠিক উত্তর:
টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব: 
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব। 
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ফলে একেবারেই পাল্টে যায় মানুষের জীবনের চিত্র যার ফলে শারীরিক শ্রমের দিন কমতে থাকে দ্রুততর গতিতে এবং তার মাধ্যমে শুরু হয়  দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব। 
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট যার মাধ্যমে শুরু হয় ইন্টারনেট ভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব। 
- প্রযুক্তিনির্ভর ও ডিজিটাল বৈপ্লবিক পরিবর্তনকে বলা হচ্ছে ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব’। 
- চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধারণাটি প্রথম এপ্রিল, ২০১৩ সালে জার্মানিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল। 
- ডিজিটাল বাংলাদেশকে টেকসই করতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল টেকনোলজি, বায়োটেকনোলজি, ন্যানোটেকনোলজি, অ্যাডভান্স টেকনোলজি, ইন্সট্রাকশনাল টেকনোলজি Robotics, IT/ITES, Cloud Computing, VLSI (Very-Large-Scale-Integration), Navigation (Vehicle), Hardware Navigation, ই-কমার্স, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, নেটওয়ার্ক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, থ্রি ডি প্রিন্টেড, সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম (সিপিএস), আইওটি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অফ থিংস, ক্লাউড কম্পিউটিং, কগনিটিভ কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারীভাবে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 

অন্যদিকে, 
- 'টেলিগ্রাফ' প্রযুক্তিটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত নয়।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, বণিক বার্তা এবং জনকন্ঠ পত্রিকা।
১১,৬৫৩.
১১০১০ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. ২১
  2. ১৮
  3. ২৩
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১১০১০ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?

সমাধান:
এখানে,
(১১০১০)
= (১ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২)
= ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ০
= ২৬

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,৬৫৪.
ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
  1. ক) FAT16
  2. খ) FAT8
  3. গ) FAT32
  4. ঘ) HPFS
সঠিক উত্তর:
খ) FAT8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) FAT8
ব্যাখ্যা
ফাইল ম্যানেজমেন্ট: 

- FAT8 ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।

- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
FAT16.
FAT32.
HPFS.
• NTFS.

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৫৫.
ইন্টারনেটে ডোমেইন নেম-কে আইপি অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে কোন সার্ভিস?
  1. FTP সার্ভার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. DNS সার্ভার
  4. গেটওয়ে
সঠিক উত্তর:
DNS সার্ভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNS সার্ভার
ব্যাখ্যা

◉ DNS (Domain Name System) সার্ভার ইন্টারনেটে ডোমেইন নেম (যেমন: www.google.com) কে তার সংশ্লিষ্ট IP অ্যাড্রেস (যেমন: 142.250.190.14) এ রূপান্তর করে।

DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System.
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়।
- ডোমেইন নেম এর বিভিন্ন অংশ থাকে এবং ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
FTP সার্ভার: ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ফায়ারওয়াল: নিরাপত্তার জন্য অননুমোদিত অ্যাক্সেস ব্লক করে।
গেটওয়ে: দুটি নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৫৬.
নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারে ডেটা প্রবাহ ফিল্টারিংয়ের কাজ করে -
  1. ক) ফার্মওয়্যার
  2. খ) সফটওয়্যার
  3. গ) ফায়ারওয়াল
  4. ঘ) এন্টিভাইরাস
সঠিক উত্তর:
গ) ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস।
- এটি নেটওয়ার্ককে হ্যাকিং কিংবা অনাদিষ্ট প্রবেশ থেকে রক্ষা করে।
- এটির মাধ্যমে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
[উৎস: কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট]
১১,৬৫৭.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ-
  1. MS Word
  2. Oracle
  3. SQLite
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
খ+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ+গ
ব্যাখ্যা
Oracle ও SQLite এই দুইটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১১,৬৫৮.
হুয়াওয়ে কোম্পানি নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) অ্যান্ড্রয়েড
  2. খ) আইওএস
  3. গ) হারমনি
  4. ঘ) উইন্ডোজ
সঠিক উত্তর:
গ) হারমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হারমনি
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী।
অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম যথাক্রমে গুগল, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম।
(সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
১১,৬৫৯.
বাইনারি ভগ্নাংশে বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে প্রথম অঙ্কের স্থানীয় মান কোনটি?
  1. 21
  2. 20
  3. 2-1
  4. 2-2
সঠিক উত্তর:
2-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2-1
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে স্থানীয় মান কমতে থাকে— 2⁻¹, 2⁻², 2⁻³ …

• বাইনারি সংখ্যাঃ

- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।




উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১১,৬৬০.
EDSAC কম্পিউটারে ডেটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমোরি ব্যবহার হতো ?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Mercury Delay Lines
  4. ঘ) Registers
সঠিক উত্তর:
গ) Mercury Delay Lines
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Mercury Delay Lines
ব্যাখ্যা

১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরিস উইলকিস এর নেতৃত্বধীন একদল বিজ্ঞানী নিউম্যানের ধারণা কে কাজে লাগিয়ে EDSAC তৈরি করেন ।
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয় ।
- EDSAC প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা

১১,৬৬১.
নিম্নোক্ত কোনটি কী-বোর্ডে একটি 'নেভিগেশন কী' হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. Page Up
  2. Ctrl
  3. Alt
  4. Windows logo key
সঠিক উত্তর:
Page Up
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Page Up
ব্যাখ্যা

• Navigation Keys হলো এমন কী, যা মূলত কার্সর বা স্ক্রল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মাধ্যমে টেক্সট বা ডকুমেন্টে দ্রুত চলাফেরা করা যায়। উদাহরণ: Arrow Keys (↑ ↓ → ←), Home, End, Page Up, Page Down.
- End কী কার্সরকে লাইনের শেষে অথবা ডকুমেন্টের শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়। এজন্য একে নেভিগেশন কী ধরা হয়।

কী-বোর্ড (Key-board):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

১১,৬৬২.
MICR এ C এর অর্থ কী?
  1. ক) Code
  2. খ) Communication
  3. গ) Character
  4. ঘ) Computer
সঠিক উত্তর:
গ) Character
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Character
ব্যাখ্যা
MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition। MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী। মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
১১,৬৬৩.
লিনিয়ার টপোলজি শব্দটি কোন কনসেপ্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• লিনিয়ার টপোলজি মূলত বাস টপোলজি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই টপোলজিতে সমস্ত নোড বা ডিভাইস একটিমাত্র কেবল বা লাইন বরাবর যুক্ত থাকে। ডিভাইসগুলো একটি সরল লাইনের মতো কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে, এবং তথ্য প্রেরণ এই লাইন বরাবর ঘটে। এই কাঠামো সহজ এবং খরচ কম, তবে যদি মূল কেবলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কে সমস্যা দেখা দিতে পারে। লিনিয়ার টপোলজির মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ডিজাইন সহজ হয়, কারণ নতুন ডিভাইস সহজেই লাইনের শেষে যুক্ত করা যায়। সুতরাং, লিনিয়ার টপোলজি বলতে বোঝানো হয় বাস টপোলজি।

- উত্তর: গ) বাস টপোলজি।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
- অর্থাৎ যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি টপোলজি:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেস টপোলজি এবং
৬. হাইব্রিড টপোলজি।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।

• স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।

• মেশ টপোলজি:
মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৬৪.
ইন্সটাগ্রামের প্যারেন্ট ফার্মের নাম কী?
  1. Meta Platforms Inc.
  2. Microsoft Corporation
  3. Amazon.com Inc.
  4. Alphabet Inc.
সঠিক উত্তর:
Meta Platforms Inc.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meta Platforms Inc.
ব্যাখ্যা

• ইন্সটাগ্রামের প্যারেন্ট ফার্মের নাম Meta Platforms Inc.। ইন্সটাগ্রাম ২০১০ সালে Kevin Systrom এবং Mike Krieger দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে, ২০১২ সালে ফেসবুক ইন্সটাগ্রামকে ক্রয় করে। ২০২১ সালে ফেসবুক নিজেকে Meta Platforms Inc. হিসেবে পুনঃনামকরণ করে, যা সোশ্যাল মিডিয়া, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বড় হোল্ডিং কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। মাইক্রোসফট, অ্যামাজন বা আলফাবেট ইন্সটাগ্রামের মালিক নয়; তারা আলাদা প্রযুক্তি ও ই-কমার্স সংস্থা। তাই ইন্সটাগ্রামের আনুষ্ঠানিক প্যারেন্ট কোম্পানি হলো Meta Platforms Inc., যা ফেসবুকের অন্তর্ভুক্ত এবং সামাজিক যোগাযোগের বিশ্বের অন্যতম প্রধান সংস্থা।

সঠিক উত্তর: ক) Meta Platforms Inc.

• ইন্সটাগ্রাম:
- ইন্সটাগ্রাম একটি জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম।
- ফটো এবং ভিডিও শেয়ারিং, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।
- ২০১০ সালে কেভিন সিস্ট্রম ও মাইক ক্রিয়েগার ইন্সটাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১২ সালে ফেসবুক এটি ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে কিনে নেয়।
- ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড ২০২১ সালে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms Inc. করে।

• Meta Platforms Inc. :
- Meta বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও থ্রেডসের প্যারেন্ট কোম্পানি।
- মেটা ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০২১ সালে মেটাভার্স প্রযুক্তিতে ফোকাস করার লক্ষ্যে “Meta” নামে রিব্র্যান্ড করা হয়।
- মেটার সদর দপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস:
১। ইন্সটাগ্রামের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (instagram.com)।
২। Meta Platforms, Inc.-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (meta.com)।

১১,৬৬৫.
IBM Pentium ও TRS80 হলো-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
গ) মাইক্রোকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY - I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer): 
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- PDP-II, IBM S/34, IBMS / 36, NCR S / 9290, NOVA3 ইত্যাদি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৬৬.
প্যারালাল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ২৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫টি
ব্যাখ্যা
প্যারালাল পোর্ট:
প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসাথে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপট্যিকাল ডিভাইস ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,৬৬৭.
MS Excel- এ সঠিকভাবে লেখার ফর্মুলা কোনটি?
  1. ক) Sum(C9:C12)
  2. খ) Sum(C9+C12)
  3. গ) Sum=(C9:C12)
  4. ঘ) =Sum(C9:C12)
সঠিক উত্তর:
ঘ) =Sum(C9:C12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) =Sum(C9:C12)
ব্যাখ্যা
= sum (C9,C12) and = sum (C9:C12) দুইটাই sum এর সঠিক ফর্মুলা।
= sum (C9,C12) -- এটা শুধু C9 এবং C12 সেল দুটির যোগ করবে।
= sum (C9:C12) -- এভাবে লিখলে C9 থেকে C12 পর্যন্ত সকল সেলকে যোগ করবে।
১১,৬৬৮.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. দুই ধরণের
  2. তিন ধরণের
  3. চার ধরণের
  4. পাঁচ ধরণের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরণের
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার বা ডেস্কটপ কম্পিউটার, নোটবুক এবং ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা ও ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইনস্টল এবং আন-ইনস্টল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
- কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

১. হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ:
- কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতিকেই বলা হয় হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ।
- কম্পিউটারের স্পিড অনেকাংশে নির্ভর করে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের ওপর।
- অধিকাংশ মাইক্রোকম্পিউটার সিস্টেমকেই নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারকে দ্রুত নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রাখা যায়।
- প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবহার ব্যবস্থাটি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন হার্ডওয়‍্যারকে ডেটা নষ্ট বা হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
- একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে-
১। তাপমাত্রা,
২। কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা,
৩। বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা,
৪। ময়লা ও দূষণ,
৫। নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি।

২. সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ:
- একটি কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত-
১। আপডেটেড সিস্টেম সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে হবে। অথবা বিদ্যমান সিস্টেম সফটওয়‍্যারকে নির্দিষ্ট সময় পর পর আপডেট করতে হবে।
২। মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে হবে।
৩। নিয়মিত টেম্পোরারি ফাইল বা অস্থায়ী ফাইলসমূহ ডিলিট বা মুছে ফেলতে হবে।
৪। ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারণে ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। তাই নিয়মিত সফটওয়‍্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।
৫। নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিস্পাইওয়্যার রান করতে হবে।
৬। সিস্টেম সফটওয়‍্যারের ইউটিলিটি প্রোগ্রামসমূহ নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৬৯.
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে নতুন স্লাইড চালু করার জন্য কোন শর্টকাট কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl + N
  2. Ctrl + M
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + P
সঠিক উত্তর:
Ctrl + M
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + M
ব্যাখ্যা

Source: support.microsoft.com

১১,৬৭০.
নেটওয়ার্ক টপোলজি কী?
  1. নেটওয়ার্কের গতি
  2. নেটওয়ার্কের সংগঠন পদ্ধতি
  3. নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি
  4. ইন্টারনেট সংযোগ
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কের সংগঠন পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কের সংগঠন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

◉ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology) হলো নেটওয়ার্কে বিভিন্ন ডিভাইস (কম্পিউটার, রাউটার, সুইচ) কীভাবে সংযুক্ত থাকবে, তা বর্ণনা করার একটি পদ্ধতি। এটি মূলত নেটওয়ার্কের গঠন (structure) বা ডিজাইনকে বোঝায়।

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্টগুলো যে প্রক্রিয়ায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- নেটওয়ার্ক টপোলজিতে সাধারণত নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল অবস্থার বর্ণনা করা হয়।

বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি সমূহ হলো:
১. বাস টপোলজি, 
২. রিং টপোলজি, 
৩. স্টার টপোলজি, 
৪. ট্রি টপোলজি, 
৫. হাইব্রিড টপোলজি, 
৬. মেশ টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।

১১,৬৭১.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. ব্রডকাস্টিং সুইচিং
  3. ইন্টারনেট প্রোটোকল
  4. এনালগ প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট প্রোটোকল প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• চতুর্থ প্রজন্ম:
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে।
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন।
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১১,৬৭২.
কম্পিউটার সিস্টেম এ Scanner একটি কোন ধরনের যন্ত্র?
  1. ক) Input device
  2. খ) Output device
  3. গ) Input-Output device
  4. ঘ) Memory device
সঠিক উত্তর:
ক) Input device
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Input device
ব্যাখ্যা
যে সব যন্ত্রাংশের মাধ্যমে এক জন ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য ঢোকাতে পারেন ও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারেন, সেগুলিকে বলে ইনপুট ডিভাইস। যেমন, কি বোর্ড, মাউস, অপটিকাল ক্যারেকটার রিডার (ও সি আর), ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেকটার রিডার (এম আই সি আর), স্কানার ইত্যাদি।
১১,৬৭৩.
স্লাইডের মাধ্যমে প্রোজেক্টর ব্যবহার করে ক্লাস নেয়ার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Power PSD
  2. খ) Photoshop
  3. গ) Powerpoint
  4. ঘ) MS Excel
সঠিক উত্তর:
গ) Powerpoint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Powerpoint
ব্যাখ্যা
MS Access ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, MS WORD ডকুমেন্ট এবং রাইটিং সফটওয়্যার, MS POWERPOINT প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, MS EXCEL স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
Source: Microsoft
১১,৬৭৪.
নিচের কোনটি এমবেডেড কম্পিউটারে থাকেনা?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. মনিটর
  3. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
  4. মেমরি
সঠিক উত্তর:
মনিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিটর
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope ওয়েবসাইট।
১১,৬৭৫.
সি প্রোগ্রামে কোনো ফাংশন যখন নিজেকে নিজে Call করে, তখন সে ফাংশনকে কি বলে?
  1. ক) Library function
  2. খ) User-defined function
  3. গ) Linear function
  4. ঘ) Recursive function
সঠিক উত্তর:
ঘ) Recursive function
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Recursive function
ব্যাখ্যা
• সি প্রোগ্রামে কোনো ফাংশন যখন নিজেকে নিজে Call করে, তখন সে ফাংশনকে Recursive function বলে।

রিকার্সিভ ফাংশন (Recursive function): সি প্রোগ্রামে কোনো ফাংশন যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে নিজে Call করে, তখন সে ফাংশনকে রিকার্সিভ ফাংশন এবং এই প্রক্রিয়াকে রিকার্সিভ বলে।
- গণিতশাস্ত্রের সিরিজকে রিকার্সিভ ফাংশনের মাধ্যমে সহজে সমাধান করা যায়।
- প্রতিটি রিকার্সিভ ফাংশনের একটি টার্মিনেটিং কন্ডিশন থাকতে হয়। 
- কোনো একটা প্রবলেমকে যদি ভেঙে ছোট ছোট প্রবলেমে ভাগ করা যায়, আর ছোট ছোট প্রবলেমের সলিউশনের উপর ভিত্তি করে মূল সলিউশন বের করা যায়, তাহলে সেটাকে রিকার্শন দিয়ে সলভ করা বলা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৬৭৬.
Blue Origin এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. Elon Musk
  2. Satya Nadela
  3. Elison Burger
  4. Jeff Bezos
সঠিক উত্তর:
Jeff Bezos
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jeff Bezos
ব্যাখ্যা

Blue Origin হচ্ছে একটি আমেরিকান প্রাইভেট এরোস্পেস কোম্পানী।
- ২০০০ সালে জেফ বেজোস এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটনের কেন্টে অবস্থিত।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম

১১,৬৭৭.
এমএস ওয়ার্ডে নিজের কোন লেখাকে 'BOLD' করবার জন্য কীবোর্ডের কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + B
  2. খ) Ctrl + C
  3. গ) Ctrl + A
  4. ঘ) Ctrl + D
সঠিক উত্তর:
ক) Ctrl + B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ctrl + B
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে নিজের কোন লেখাকে 'BOLD' করবার জন্য কীবোর্ডের Ctrl + B ব্যবহৃত হয়। 

- Ctrl + C কী দিয়ে কোন লেখাকে কপি করবার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- Ctrl + A কী দিয়ে কোন লেখার সমস্ত লেখাকে কপি করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ- 
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
F4: এই বাটন ব্যবহার করে অবস্থায় ঘুরে যাওয়া যাবে। 
F5: ওয়ার্ড এ কাজ করার সময়, ডকুমেন্টের আলাদা আলাদা পেজে যাওয়ার জন্য। 
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL  web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
 Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ  বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L  : লেখনে list style apply করার জন্য।
Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S :  একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।

সূত্র: Computer Hope [লিঙ্ক]
১১,৬৭৮.
কোনটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট নয়?
  1. রেজিস্টার
  2. ডিকোডার
  3. মাল্টিপ্লেক্সার
  4. NAND গেট
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

• কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট হলো এমন সার্কিট যেটির আউটপুট শুধুমাত্র ইনপুটের উপর নির্ভর করে এবং এর কোনো মেমরি বা স্টোরেজ এলিমেন্ট থাকে না। ডিকোডার ও মাল্টিপ্লেক্সার এই ধরনের সার্কিটের উদাহরণ, কারণ এগুলোর আউটপুট শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। NAND গেটও একটি বেসিক কম্বিনেশনাল গেট। কিন্তু রেজিস্টার হলো একটি সিকুয়েনশিয়াল লজিক সার্কিট, যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে এবং এর আউটপুট পূর্ববর্তী ইনপুট বা স্টেটের উপরও নির্ভর করে।
- তাই, এই চারটির মধ্যে শুধুমাত্র রেজিস্টার কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট নয়।

 
 • রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট যা ডেটা সংরক্ষণ করে।
- এটি তথ্য বা বিটের একটি গ্রুপ সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- রেজিস্টার প্রায়ই ক্লক সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কম্বিনেশনাল লজিক নয়, কারণ এর আউটপুট শুধুমাত্র ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, পূর্ববর্তী অবস্থানও প্রভাবিত করে।
- সুতরাং, রেজিস্টার হলো - সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট।

• ডিকোডার (Decoder):
- ডিকোডার হলো একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা একটি n-বিট ইনপুটকে 2n আউটপুট লাইনে রূপান্তর করে।
- এটি শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে আউটপুট তৈরি করে।
- ডিকোডার কোনো মেমরি বা স্টোরেজ ব্যবহার করে না।
- তাই এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।

• মাল্টিপ্লেক্সার (Multiplexer):
- মাল্টিপ্লেক্সার হলো একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা একাধিক ইনপুট থেকে একটি নির্দিষ্ট ইনপুটকে সিলেকশন লাইন অনুযায়ী আউটপুটে প্রেরণ করে।
- এটি শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুট এবং সিলেকশন সিগন্যালের উপর নির্ভর করে।
- মাল্টিপ্লেক্সার কোনো মেমরি বা পূর্ববর্তী অবস্থার উপর নির্ভরশীল নয়।
- সুতরাং এটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।

• NAND গেট:
- NAND গেট হলো একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক গেট।
- এটি ইনপুটের উপর ভিত্তি করে সরাসরি আউটপুট দেয়।
- NAND গেটের আউটপুট কোনো পূর্ববর্তী অবস্থা বা মেমরির উপর নির্ভর করে না।
- তাই এটি সম্পূর্ণভাবে কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।

সূত্র:
- Imperial College London. [link]
- lowa State University. [link]

১১,৬৭৯.
4G এর সমার্থক প্রযুক্তির নাম কী?
  1. GSM
  2. EDGE
  3. WCDMA
  4. LTE
সঠিক উত্তর:
LTE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LTE
ব্যাখ্যা

• LTE (Long-Term Evolution) হচ্ছে 4G প্রযুক্তির বিকল্প নাম। এটি মূলত 4G নেটওয়ার্কের উন্নত সংস্করণ, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট, ভয়েস ও ভিডিও কলিং সুবিধা প্রদান করে।

চতুর্থ প্রজন্ম মোবাইল:
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।

LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত। 
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)। 
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। 
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) হলো 3G প্রযুক্তির একটি স্ট্যান্ডার্ড। 
- EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো 2.5G প্রযুক্তি। 
- GSM (Global System for Mobile Communications) একটি 2G প্রযুক্তি। 

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.

১১,৬৮০.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অক্টাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করতে কয়টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

◉ একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮।
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়।
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৮১.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Oracle
  2. খ) Linux
  3. গ) Photoshop
  4. ঘ) MS Word
সঠিক উত্তর:
খ) Linux
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Linux
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। 
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮২.
2 এর পরিপূরক করলে কততম বিটকে সাইন বিট বলা হয়?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অষ্টম বিটকে সাইন বিট বলে।
সুতরাং সঠিক উত্তর - ঘ) ৮ম।
১১,৬৮৩.
কোন কোম্পানির ক্যালকুলেটরের জন্য Intel 4004 চিপটি তৈরি করা হয়েছিল?
  1. Hewlett-Packard
  2. Texas Instruments
  3. Busicom
  4. Casio
সঠিক উত্তর:
Busicom
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Busicom
ব্যাখ্যা
• Intel 4004 চিপটি মূলত Busicom কোম্পানির ক্যালকুলেটরের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালে Intel 4004 ছিল বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর, যা একটি একক চিপে সম্পূর্ণ সিপিইউ ফাংশনালিটি নিয়ে আসে। Busicom, যা একটি জাপানি ক্যালকুলেটর প্রস্তুতকারী কোম্পানি ছিল, তারা তাদের ক্যালকুলেটরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের চিপের প্রয়োজন অনুভব করেছিল। Intel তাদের জন্য এই চিপটি ডিজাইন করে, যা পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়। তাই, Intel 4004 চিপের উৎপত্তি এবং প্রথম ব্যবহার Busicom কোম্পানির ক্যালকুলেটরে হয়েছিল।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮৪.
কোন সংস্থা প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করেছিল?
  1. অ্যাপল
  2. ব্ল্যাকবেরি
  3. মাইক্রোসফট
  4. আইবিএম
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
ব্যাখ্যা

• প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে আইবিএম (IBM)। ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৬৮৫.
What is the main purpose of CAPTCHA?
  1. To make internet safer for users
  2. To speed up internet connections
  3. To encrypt user data
  4. To distinguish human users from bots
সঠিক উত্তর:
To distinguish human users from bots
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To distinguish human users from bots
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) To distinguish human users from bots.

CAPTCHA:
- পূর্ণরূপ: Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart
- এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী ও স্বয়ংক্রিয় বটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
- CAPTCHA এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে বটকে ক্ষতিকারক বা অপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং, বা সাইবার আক্রমণ করতে না পারে।
- এই সিস্টেমটি মানুষের পক্ষে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটের জন্য কঠিন কাজ প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ:
  - বিকৃত লেখা বা অক্ষর চিহ্নিত করা,
  - নির্দিষ্ট ছবি নির্বাচন করা,
  - ধাঁধা বা সাধারণ গণিত সমাধান করা। 
- সফলভাবে CAPTCHA সম্পন্ন করে ব্যবহারকারী প্রমাণ করে যে তিনি একজন মানব, স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষা করা, যাতে বটগুলো অপব্যবহার করতে না পারে।
- CAPTCHA প্রযুক্তি ভিজ্যুয়াল রিকগনিশন (visual recognition) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্সে।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১১,৬৮৬.
প্রথম গণনাকারী যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) Osborne
  2. খ) Abacus
  3. গ) Analog Calculator
  4. ঘ) Difference engine
সঠিক উত্তর:
খ) Abacus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Abacus
ব্যাখ্যা
অ্যাবাকাস (Abacus):
- গণনার কাজে সহায়তার জন্য প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন প্রকার যান্ত্রিক কৌশল প্রচলিত থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনার যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ বলা যায় অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের। এভাবে প্রত্যেক তারে একটি করে মান থাকত। ফ্রেমের মাঝখান বাম, ডান কিংবা ওপর-নিচ বিভক্ত থাকত। গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮৭.
কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়?
  1. হায়ারোগ্লিফিক্স
  2. মেয়ান সংখ্যা পদ্ধতি
  3. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়। 
এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮৮.
কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. LAN
সঠিক উত্তর:
LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN
ব্যাখ্যা

Local Area Network - LAN এর মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয় ।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম ।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
• উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয় ।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে ।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় ।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে। - উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক। - সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয় ।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস:
- এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ।

১১,৬৮৯.
প্রথম ব্লগার স্বীকৃতি দেওয়া হয় কাকে?
  1. ক) জাস্টিন হল
  2. খ) জর্ন বার্জার
  3. গ) পিটার মারহোলজ
  4. ঘ) মাইকেল অল্ডরিচ
সঠিক উত্তর:
ক) জাস্টিন হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাস্টিন হল
ব্যাখ্যা
মূলত ব্লগ (Blog) একটি ইংরেজি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ হলো ভার্চুয়াল ডায়েরি অথবা ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত দিনলিপি।

ইংরেজি ”Blog” শব্দটি আবার ”Weblog” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ১৯৯৭ সালে জর্ন বার্জার নামে একজন মার্কিন নাগরিক সর্বপ্রথম ”Weblog” শব্দটি উদ্ভাবন করেন।

পরবর্তীতে, ১৯৯৯ এর এপ্রিল বা মার্চের দিকে ‘পিটার মারহোলজ’ তার নিজস্ব ব্লগ পিটার্ম ডট কমে কৌতুক করে ‘weblog’ শব্দটিকে ভাগ করে 'We' - ‘blog’ বলে সম্বোধন করেন। তারপর থেকে ‘blog’ শব্দটির ব্যবহার প্রসার ঘটতে থাকে।

যারা ব্লগে লেখে তারাই ব্লগার।
জাস্টিন হল কে প্রথম ব্লগারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি ১৯৯৪ সালে link.net নামে সর্বপ্রথম ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট চালু করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,৬৯০.
“ওয়ার্ম (Worm)” এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ফাইল সংযুক্ত হয়ে ছড়ায়
  2. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
  3. ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য নেয়
  4. হার্ডওয়্যার ড্রাইভার বদলায়
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
ব্যাখ্যা

Worm হলো এক ধরনের Self-Replicating Malware, যা ব্যবহারকারীর কোনো কাজ ছাড়াই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ভাইরাসের মতো ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে ছড়ায় না।

ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১১,৬৯১.
পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়ে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার: যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার: যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯২.
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের সময় প্রত্যেক অঙ্ককে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ১ দ্বারা
  2. খ) ২ দ্বারা
  3. গ) ৪ দ্বারা
  4. ঘ) ৮ দ্বারা
সঠিক উত্তর:
খ) ২ দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ দ্বারা
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের সময় প্রত্যেক অঙ্ককে দুই দ্বারা ভাগ দিতে হবে। 

- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
যেমন- প্রথম অংকটিকে ২ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২` দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২° দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

সূত্র:  ৯৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১১,৬৯৩.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) ভিএলএসআই
  4. ঘ) ভ্যাকুয়াম টিউব
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভ্যাকুয়াম টিউব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হলো ১৯৫১ থেকে ১৯৫৯ সাল। তখন ভ্যাকুয়াম টিউব বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক বর্তনী ব্যবহৃত হতো এবং আকারে বড় হতো৷ দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের ব্যাপ্তিকাল ১৯৫৯-১৯৬৫। এ সময় ট্রানজিস্টরের ব্যবহার শুরু হয়। দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে কম্পিউটারের আকার ছোটো হতে শুরু করে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১১,৬৯৪.
ন্যানো প্রযুক্তি কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
  1. খাদ্যশিল্পে
  2. জ্বালানি ক্ষেত্রে
  3. চিকিৎসা ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
- অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।

ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার:
- রাসায়নিক শিল্প: সানস্ক্রিন এ ব্যবহৃত টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে, বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে, পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে।
- খাদ্যশিল্প : খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।
- জ্বালানী তৈরিতে: হাইড্রোজেন আয়ন এর জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতে।
- ব্যাটারী শিল্পে: সৌর কোষ তৈরিতে প্রচলিত সৌর কোষের চাইতে আরও অধিক সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যানোটেক সৌর কোষ তৈরিতে ।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।

- এছাড়াও খেলাধুলা ও ক্রিয়া সরঞ্জাম তৈরিতে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিতে, ভিডিও গেমস কনসোল এবং পার্সোনাল কম্পিউটারের মেমরি, গতি, দক্ষতা ইত্যাদি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন হার্ডওয়্যার তৈরিতে।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৯৫.
কোনটি সহায়ক মেমোরি নয়?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. সিডি
  4. রম
সঠিক উত্তর:
রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রম
ব্যাখ্যা
রম সহায়ক স্মৃতি নয়।
এটি একটি প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি।

• কম্পিউটারের স্মৃতি
কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
i. RAM,
ii. ROM.
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে এমন একটি ইন্টারনেট সেবা যা -
  1. ক) ইমেইল সেবা প্রদান করে
  2. খ) ডেটা সংরক্ষণ করে
  3. গ) ডেটা কমিউনিকেশন করে
  4. ঘ) অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে এমন একটি ইন্টারনেট সেবা যা অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে। 

ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা- 
১. যেকোন স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
২. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়। 
৩. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম। 
৪. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা- 
১. একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
২. ব্যবহারকারীর ডেটা সুরক্ষিত থাকে না। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১১,৬৯৭.
দশমিক সংখ্যা (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101100
  2. 101101
  3. 101111
  4. 101001
সঠিক উত্তর:
101101
উত্তর
সঠিক উত্তর:
101101
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit- MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit- LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। 


সুতরাং, (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা = 101101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৮.
What is Machine Learning?
  1. A type of computer virus
  2. Software for data storage
  3. Human-operated machinery
  4. A branch of artificial intelligence
সঠিক উত্তর:
A branch of artificial intelligence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A branch of artificial intelligence
ব্যাখ্যা
মেশিন লার্নিং (Machine Learning):
- মেশিন লার্নিং ডেটা সায়েন্সের ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ।
- মেশিন লার্নিং হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ডেটা থেকে শেখানোর ক্ষমতা দেয়া।
- এটি কম্পিউটারকে প্যাটার্ন এবং পর্যাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কোন কিছুর পূর্বাভাস অনুমান করতে এবং নির্ধারিত কাজ অনুমোদন করতে অনুমতি দেয়।
- Machine Learning এর পথপ্রদর্শক Arthur Samuel.
- মেশিন লার্নিং-এ পরিসংখ্যাতগত পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে, অ্যালগরিদমগুলিকে শ্রেণিবিন্যাস বা ভবিষ্যদ্বাণী করতে এবং ডেটা মাইনিং প্রকল্পগুলিতে মূল অন্তর্দৃষ্টিগুলি উন্মোচন করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ৷ 

মেশিন লার্নিং- এর উদাহরণ:
- উদাহরণস্বরূপ, আমাদের স্মার্ট ফোনে যে আমরা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক দেই তাও মেশিন লার্নিং ও সেনসরের এর কল্যাণে সম্ভব হয়েছে। সহজ ভাষায় বললে, মেশিন মানে আমাদের স্মার্ট ফোনটির ফিঙ্গার প্রিন্ট সেনসরটি আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্যাটার্ন Learn করেছে।
- আবার, বলা যায়, আমরা Google Doc- এ Voice Recognition অপশন অন করে বাংলায় কথা বললে, Google Doc নিজে নিজেই বাংলা টাইপিং শুদ্ধভাবে করতে পারে। সহজ ভাষায় বলা যায়, মেশিন হচ্ছে Google আর তাকে বিভিন্ন অ্যালগরিদম আর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলা ভাষা শেখানো হয়েছে যাকে আমরা Natural Language Processing (NPL) বলি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।

আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:
১) NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়) - Natural Language Processing,
২) Speech (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ),
৩) মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং),
৪) রোবটিক্স,
৫) ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)।

উৎস:
১) IBM ওয়েবসাইট।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৯.
GUI ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1.  MS-DOS
  2. UNIX
  3. Linux
  4. Mac OS
সঠিক উত্তর:
Mac OS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mac OS
ব্যাখ্যা

GUI ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Mac OS। 

• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ -
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

১১,৭০০.
কম্পিউটার ব্যবহার করে ডায়াবেটিস নির্ণয়ে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ম্যাগনেটিকসেন্সর
  2. ইলেক্ট্রোসেন্সর
  3. বায়োসেন্সর
  4. টেকসেন্সর
সঠিক উত্তর:
বায়োসেন্সর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োসেন্সর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ব্যবহার করে ডায়াবেটিস নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় বায়োসেন্সর।
- বায়োসেন্সর হলো এক ধরনের Analytical device বা বিশ্লেষণধর্মী যন্ত্র।
- এই যন্ত্রে রয়েছে একটি জৈবিক উপাদান।
- আর এর সাথে রয়েছে একটি পিজিকোডিটেক্টর।
- IUPAC বায়োসেন্সরকে সংজ্ঞায়িত করেছে integrated receptor–transducer হিসেবে, যা biological recognition element ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পরিমাণগত বা অর্ধ-পরিমাণগত বিশ্লেষণমূলক তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. প্রথম আলো।