বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১১৩ / ১৩১ · ১১,২০১১১,৩০০ / ১৩,০৮৮

১১,২০১.
Text based অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. Mac OS
  2. UNIX
  3. LINUX
  4. MS-WINDOWS 2007
সঠিক উত্তর:
UNIX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIX
ব্যাখ্যা
বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/ Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয় ।
ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
উদাহরণ: MS DOS, PC DOS, UNIX ইত্যাদি


চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ: MS-WINDOWS 2007, 2010, 2013, WINDOWS NT, Mac OS, LINUX ইত্যাদি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল
১১,২০২.
নিম্নের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার?
  1. উন্নত প্রজাতি তৈরি
  2. অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি
  3. ব্যাংকিং সেবা উন্নয়ন করা
  4. ওয়েবসাইট ডিজাইন করা
সঠিক উত্তর:
উন্নত প্রজাতি তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত প্রজাতি তৈরি
ব্যাখ্যা
উন্নত প্রজাতি তৈরি করা বায়োইনফরমেটিক্স-এর একটি ব্যবহার।

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
- প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
- নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
- জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
- প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২০৩.
DNS-এর মূল কাজ কী?
  1. ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট ব্লক করা
  2. ওয়েবসাইট ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করা
  4. ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS বা ডোমেইন নেম সিস্টেমের মূল কাজ হলো ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা। যখন আমরা ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের নাম টাইপ করি, যেমন www.example.com, তখন আমাদের কম্পিউটার সেই নামের সঙ্গে সম্পর্কিত আইপি ঠিকানাটি খুঁজে বের করতে DNS সার্ভারের সাহায্য নেয়। আইপি ঠিকানা হলো সংখ্যার একটি সিরিজ যা ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইস বা সার্ভারের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। DNS ছাড়া আমরা সহজভাবে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে পারব না, কারণ কম্পিউটাররা শুধুমাত্র আইপি ঠিকানাকে চেনে। তাই DNS হলো ইন্টারনেটের "ফোনবুক", যা ডোমেইন নামকে দ্রুত আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে আমাদের অনলাইন সংযোগ সহজ করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা।
 
• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  

১১,২০৪.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার
  2. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার শুরু হয়
  3. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়। ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে। একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে। মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। সাথে সাথে মেমরিও উন্নতি ঘটে ব্যাপক ফলে শুরু হয়ে যায় কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার এবং তৈরি হতে শুরু হয় পার্সোনাল কম্পিউটার। Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।

- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে। IBM -3033, IBM -4341, TRS -40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার।
২। বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশবিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
৩। বর্তনীগুলোতে অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার।
৪। উন্নত মেমরির তথা ম্যাগনেটিক বাবল মেমরির ব্যবহার।
৫। মানুষের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রদত্ত নির্দেশের অনুধাবন।
৬। তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নয়ন।
৭। অত্যন্ত শক্তিশালী ও উচ্চগতিসম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
৮। সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন।
৯। প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন।
১০। ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার নেটওয়ার্কব্যবস্থা চালু ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২০৫.
কম্পিউটারে ফুলস্ক্রিন ভিউ চালু করার জন্য কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F7
  2. F5
  3. F9
  4. F11
সঠিক উত্তর:
F11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F11
ব্যাখ্যা

◉ সাধারণত F11 কী ব্যবহার করে ব্রাউজার বা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনে ফুলস্ক্রিন মোডে যাওয়া যায়।

ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১১,২০৬.
চেরনোবিল ভাইরাস কী নামে পরিচিত?
  1. ক) QUEL
  2. খ) CIH
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) FTP
সঠিক উত্তর:
খ) CIH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CIH
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২০৭.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ভাষা OOP সম্পর্কিত নয়?
  1. C
  2. Java
  3. Python
  4. C++
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা
• Object-oriented programming (OOP):
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- C প্রোগ্রামিং ভাষাটি Object-oriented programming (OOP) সম্পর্কিত নয়।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২০৮.
মেশ টপোলজিতে 5 টি নোডের জন্য মোট তারের সংখ্যা কত?
  1. 5 টি
  2. 10 টি
  3. 24 টি
  4. 25 টি
সঠিক উত্তর:
10 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 টি
ব্যাখ্যা
• মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারকে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n - 1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2.

• নোড n = 5 হলে, তারের সংখ্যা = 5(5 - 1)/2 = 10 টি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,২০৯.
"White hat hacker" - বলতে কী বোঝায়?
  1. যে হ্যাকার নৈতিকভাবে নিজের হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে
  2. যে হ্যাকার ডেটা চুরি করে
  3. একটি কল্পিত হ্যাকার চরিত্র
  4. যে হ্যাকার সাইবার অপরাধ চক্রের জন্য কাজ করে
সঠিক উত্তর:
যে হ্যাকার নৈতিকভাবে নিজের হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে হ্যাকার নৈতিকভাবে নিজের হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• "White hat hacker" বলতে এমন হ্যাকারকে বোঝায়, যে নৈতিকভাবে ও আইন মেনে তার হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে। তারা সাধারণত সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেমে দুর্বলতা খুঁজে বের করে তা মেরামতের উপায় জানান, যেন ম্যালিশিয়াস হ্যাকাররা (black hat hackers) ওই দুর্বলতাগুলো ব্যবহার করে আক্রমণ করতে না পারে। এরা নৈতিক হ্যাকিং করে, যার অনুমতি আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া হয়। তাই "White hat hacker" হল একজন ভালো উদ্দেশ্যে কাজ করা হ্যাকার। সঠিক উত্তর: ক) যে হ্যাকার নৈতিকভাবে নিজের হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে।

• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।

• হ্যাকারদের শ্রেণিবিভাগ:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার,
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার,
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।

• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের কর।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- এরা সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না বরং সিকিউরিটি বৃদ্ধি করে।

• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরণের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে।
- এদের ক্রেকারও বলে।

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার।
- এরা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়।
- দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২১০.
সাধারনত পিসি বলতে আমরা কোন ধরনের কম্পিউটারকে বুঝি?
  1. ক) অতিবৃহৎ কম্পিউটার
  2. খ) ছোট কম্পিউটার
  3. গ) ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  4. ঘ) বৃহৎ কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষুদ্র কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষুদ্র কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পিসি বলতে ক্ষুদ্র কম্পিউটার(Micro Computer) কে বুঝায়।
১১,২১১.
ইউজার এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মাঝে ইন্টারফেস তৈরি করে কে?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. সি পি উ
  3. মাদারবোর্ড
  4. মিডিয়া সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার এর বিশেষ কাজ:
- সিস্টেম সফটওয়্যার এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- কম্পিউটারের সাধারণ কার্যকারিতা প্রদান করা।
- Operating system হলো সব থেকে জরুরি system software, যেটাকে সবচেয়ে প্রথমেই কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়। একটি Operating system ছাড়া আপনার কম্পিউটার কোনো ভাবেই অন্যান্য কাজ করতে পারবেনা।
- Language processing এর ক্ষেত্রে system software এর প্রয়োজন। আমরা সাধারণ English ভাষাতে দেওয়া নির্দেশাবলী গুলোকে, মেশিনের বুঝতে পারা ভাষাতে রূপান্তর করে।
- User application software এবং hardware এর মাঝে ইন্টারফেস (interface) বা মধ্যবর্তী হিসেবে কাজ করা।
১১,২১২.
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় উপাত্ত অস্থায়ীভাবে জমা রাখার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) র‍্যাম
  3. গ) মনিটর
  4. ঘ) রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়। 

কম্পিউটারে ব্যবহৃত রেজিস্টারকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। সাধারণ রেজিস্টার 
২। বিশেষ রেজিস্টার 

সাধারণ রেজিস্টার
সাধারণত প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় ডেটা এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল সাধারণ রেজিস্টারে জমা থাকে। সাধারণ রেজিস্টারে ডেটা বিনিময়ের গতি প্রধান মেমরির চেয়ে অনেক বেশি। তাই সাধারণ রেজিস্টারের সংখ্যা বেশি থাকলে প্রক্রিয়াকরণের কাজ দ্রুততর হয়। সা

বিশেষ রেজিস্টার
কিছু কিছু রেজিস্টারকে মাইক্রোপ্রসেসর নিজে ব্যবহার করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রসেসরের নির্দেশিত কাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজ সম্পাদন করতে পারে না। এ জাতীয় রেজিস্টারসমূকে বিশেষ রেজিস্টার বলা হয়। যেমন :
১। অ্যাকিউমুলেটর
২। প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
৩। স্ট্যাক পয়েন্টার রেজিস্টার
৪। সিগমেন্ট রেজিস্টার
৫। ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
৬। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
৭। ইনডেক্স রেজিস্টার
৮। মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
৯। মেমরি ডেটা রেজিস্টার ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২১৩.
ডিজিটাল কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি কী?
  1. বাইনারী সংখ্যা
  2. অ্যানালগ সংকেত 
  3. ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত
  4. বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বাইনারী সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারী সংখ্যা
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল কম্পিউটার সমস্ত ডেটা এবং প্রক্রিয়াগুলিকে বাইনারি কোড ব্যবহার করে প্রতিনিধিত্ব করে, যা কেবল দুটি সংখ্যা, ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) এর সমন্বয়

কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ: 
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে। 
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে। 
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer): 
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)। অর্থাৎ, এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে। 
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল এবং এর কাজের গতিও বেশ দ্রুত। 
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়। কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি (Application Programme) ব্যবহার করতে হয়। 

৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer): 
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার। 
- প্রথম দিকের হাইব্রিড কম্পিউটারের এনালগ অংশই থাকতো মুখ্য, ডিজিটাল অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করতো। কিন্তু বর্তমানে হাইব্রিড কম্পিউটার ডিজিটাল প্রধান। সাধারণত বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২১৪.
কম্পিউটার সিস্টেম তৈরির সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. ফার্মওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. সফটওয়্যার
  4. হার্ডওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ফার্মওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS-এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

• হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

 • হিউম্যানওয়্যার:
- ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালনা, প্রোগ্রাম লেখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সমস্ত মানুষকে একসাথে হিউম্যানওয়্যার বলে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২১৫.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) উইন্ডোজ ভিস্তা
  2. খ) এমএস এক্সেল
  3. গ) ওরাকল
  4. ঘ) নোটপ্যাড
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) উইন্ডোজ ভিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উইন্ডোজ ভিস্তা
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে উইন্ডোজ। এর উইন্ডোজ ভিস্তা ভার্সন ২০০৭ সাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছিলো।
১১,২১৬.
(7A4D)16 এর বাইনারি মান কত?
  1. (0111101001001101)2
  2. (0111101001001111)2
  3. (0111101101001101)2
  4. (0111001001001101)2
সঠিক উত্তর:
(0111101001001101)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(0111101001001101)2
ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাটিকে বাইনারিতে রূপান্তরের জন্য প্রতিটি হেক্সা অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারি তে রূপান্তর করতে হয়:
• 7 = 0111
• A = 1010
• 4 = 0100
• D = 1101
সুতরাং,
(7A4D)16 = 0111 1010 0100 1101 = (0111101001001101)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,২১৭.
হাতের লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে-
  1. ক) BCR
  2. খ) OMR
  3. গ) OCR
  4. ঘ) MICR
সঠিক উত্তর:
গ) OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) OCR
ব্যাখ্যা
OCR এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader। কাগজে কালি বা পেন্সিলের দাগ ছাড়াও এ যন্ত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন আকৃতি এবং বিভিন্ন ধরনের চিহ্ন ও অক্ষর পঠন সম্ভব। ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে। হাতের লেখা অস্পষ্ট হলে ওসিআর তাও পড়তে পারে।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)
১১,২১৮.
1 Terabyte (TB)=______ bytes.
  1. 10242
  2. 10243
  3. 10244
  4. 10245
সঠিক উত্তর:
10244
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10244
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল স্টোরেজ একক:
- কম্পিউটারে ডেটা পরিমাপের ক্রম:
1 Kilobyte (KB) = 1024 bytes = 10241 bytes.
1 Megabyte (MB) = 1024 KB = 1024 × 1024 = 10242 bytes.
1 Gigabyte (GB) = 1024 MB = 1024 × 1024 × 1024 = 10243 bytes.
1 Terabyte (TB) = 1024 GB = 1024 × 1024 × 1024 × 1024 = 10244 bytes.
1 Petabyte (PB) = 1024 TB = 1024 × 1024 × 1024 × 1024 × 1024 = 10245 bytes.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,২১৯.
ই-মেইল প্রেরণ করতে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. SMTP
  2. TCP/IP
  3. FTP
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
SMTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMTP
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল প্রেরণ করার জন্য প্রধানত SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয়। SMTP হল একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে ই-মেইল পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে। এটি ই-মেইল প্রেরণ প্রক্রিয়াকে সহজ এবং দ্রুত করে তোলে। TCP/IP একটি নেটওয়ার্ক যোগাযোগ প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে, তবে সরাসরি ই-মেইল প্রেরণের জন্য নয়। FTP মূলত ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং HTTP ওয়েব পেজ ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, ই-মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে SMTP সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যবহৃত প্রোটোকল।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।
১১,২২০.
মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে কত সালে?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
- মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমান বা 'স্থানান্তরযোগ্য'।
- মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ড. মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে প্রথম মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে।
- তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে একটি প্রায় ১ কেজি ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন।
- মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স।
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্।

উৎস:
১. দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২. CNN [লিঙ্ক]
১১,২২১.
(219)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে হবে-
  1. ক) 541
  2. খ) 530
  3. গ) 564
  4. ঘ) 537
সঠিক উত্তর:
ঘ) 537
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 537
ব্যাখ্যা
(219)₁₆ 
= (2 × 16²) + (1 × 16¹) + (9 × 16⁰) 
= (537)₁₀
১১,২২২.
QR code এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Quick Response Code
  2. খ) Quick Record Code
  3. গ) Quality Response Code
  4. ঘ) Quality Record Code
সঠিক উত্তর:
ক) Quick Response Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Quick Response Code
ব্যাখ্যা
QR Code:
QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code.
QR কোডকে  বারকোড এর  একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও  উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায়  শত  গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
QR Code এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়। 
QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়। 
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার 

বারকোড:
বারকোড হল এক ধরনের মেশিন-পাঠযোগ্য টেক্সট, যার প্রতিটি সংখ্যা শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত  কালো ও সাদা লাইনের প্যাটার্ন নির্দেশ করে।
উদাহরণস্বরূপ, এক সংখ্যাটি একটি মোটা সাদা স্ট্রাইপ, একটি মোটা  কালো স্ট্রাইপ, একটি পাতলা সাদা স্ট্রাইপ এবং একটি পাতলা কালো স্ট্রাইপ দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করে।
একটি লেজার সিরিজ লাইন স্ক্যান করার সময় কালো রেখাগুলি যখন বেশি আলো শোষণ করে, তখন বুঝতে পারে কোন সংখ্যাটি প্রতিনিধিত্ব করছে।
বারকোড এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে লেজার স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়। 
বার কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়। 
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ২০টি ক্যারেক্টার 

RFID:
RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
বারকোড যদি  এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে। 
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,২২৩.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) ওরাকল
  2. খ) উইন্ডোজ
  3. গ) মাইক্রোসফট এক্সেল
  4. ঘ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
খ) উইন্ডোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98/8/10/11 ইত্যাদি।
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: লোটাস ওয়াডপ্রো, লেটেক্স, নোটপ্যাড, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, ওয়ার্ড পারফেক্ট, ওয়ার্ড স্টার, ওয়ার্ড প্যাড ইত্যাদি।
স্পেডশিট প্রোগ্রাম: মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, ভিসিক্যাল্ক, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি।
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: মাইক্রোসফট এক্সেস, মাই এসকিউএল, মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার, কোরেল প্যারাডক্স, ওরাকল ইত্যাদি।
১১,২২৪.
Which of the following is an input devicе?
  1. Printer
  2. Light pen
  3. Monitor
  4. Plotter
সঠিক উত্তর:
Light pen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Light pen
ব্যাখ্যা

• ইনপুট ডিভাইস হলো সেই সকল যন্ত্র যা ব্যবহার করে কম্পিউটারে কোনো তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান করা হয়। লাইট পেন (Light Pen) হলো একটি আলোক-সংবেদনশীল (Photosensitive) পয়েন্টার ডিভাইস, যা পেন বা কলমের মতো কাজ করে। এটি ব্যবহার করে মনিটরের স্ক্রিনে সরাসরি ছবি আঁকা বা কোনো অবজেক্ট সিলেক্ট করা যায়। যেহেতু লাইট পেন (Light Pen) কম্পিউটারের ভেতরে  তথ্য পাঠায়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
- অন্যদিকে প্রিন্টার, মনিটর এবং প্লটার কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রদর্শন বা প্রিন্ট করে, তাই তারা আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস: যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/ তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২২৫.
ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের আকার সর্বোচ্চ কত এম বি পর্যন্ত হয়?
  1. ১৫
  2. ২০
  3. ২২
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের আকার সাধারণত 25 MB এর মধ্যে থাকা উচিত, কারণ বেশিরভাগ জনপ্রিয় ইমেইল সেবাদাতা (যেমন Gmail, Yahoo, Outlook) একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে থাকে। এই সীমার মধ্যে থাকা অ্যাটাচমেন্ট ইমেইল প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ের জন্য পাঠানো এবং গ্রহণ করা সহজ।

উৎস: britannica, Microsoft.
১১,২২৬.
একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে হালনাগাদ করতে চান, তাহলে কোনটি ব্যবহার করবেন?
  1. ক) এমবেডেড কম্পিউটার সিস্টেম
  2. খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. গ) ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট পোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজের মুল উদ্দেশ্য হলো, দ্রুত গতিতে ডাটার খোঁজ করা, সবচেয়ে নিরাপদ উপায়ে ডাটা সংরক্ষণ করা ইত্যাদি। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অপরিহার্য যেখানে একই সময় একাধিক ব্যবহারকারী একই ডাটা ব্যবহার করে থাকেন।
যেমন, একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে হালনাগাদ করতে চান, তখন বিভিন্ন সমস্যার তৈরী হতে পারে।
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এই সমস্যাগুলোকে খুবই দক্ষতার সাথে সামাল দেয়।
১১,২২৭.
WAP এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. Wireless Application Protocol
  2. Wireless Access Protocol
  3. Windows Access Protocol
  4. Windows Application Protocol
সঠিক উত্তর:
Wireless Application Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wireless Application Protocol
ব্যাখ্যা
• GPRS এবং EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সিস্টেমই হলো মোবাইল ইন্টারনেট।
• মোবাইল ফোনে WAP প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হয়।
• WAP এর পূর্ণরূপ Wireless Application Protocol.
• মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কোন প্রকার ক্যাবল বা মডেমের প্রয়োজন হয় না।
• WAP প্রযুক্তির কারণেই মোবাইল ফোনের সাহায্যে খুব দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল আদান-প্রদান, ই-ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি কার্যাবলি সহজেই সম্পদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২২৮.
ATM বলতে বোঝায়?
  1. ক) Automatic Telephone Machine
  2. খ) Automated Teller Machine
  3. গ) Approved Tariff Manual
  4. ঘ) Approved Training Manual
সঠিক উত্তর:
খ) Automated Teller Machine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Automated Teller Machine
ব্যাখ্যা
ATM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Automated Teller Machine
Automated Teller Machine (ATM): 
- এটি একটি আধুনিক তহবিল স্থানান্তর যন্ত্র। 
- এর মাধ্যমে ব্যাংকে অর্থ জমা,উত্তোলন ও স্থানান্তর করা যায়।
- ব্যাংক তার গ্রাহককে সুবিধার্থে প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে। 
Various common banking transactions that are often carried out at an ATM include:
- Withdrawing cash
- Depositing money
- Transferring funds
- Balance inquiries
- Access to transaction history

Source: bankrate.com
১১,২২৯.
'Phablet' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন দুটি শব্দ থেকে?
  1. Pocket এবং Tablet
  2. Phone এবং Tablet
  3. Phone এবং Alphabet
  4. Palmtop এবং Tablet
সঠিক উত্তর:
Phone এবং Tablet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phone এবং Tablet
ব্যাখ্যা
ফ্যাবলেট (Phablet):
- ফ্যাবলেট হল ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনের মাঝামাঝি এক ধরনের কম্পিউটিং বা মোবাইল ডিভাইস।
- যার স্ক্রিন সাইজ সাধারণত ৫ ইঞ্চি থেকে বড় কিন্তু ৭ ইঞ্চি থেকে ছোট।

• Phone এবং Tablet এর সংমিশ্রণে Phablet [Ph + ablet) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। 

- Samsung এর Glaxy Note, HTC এর One ইত্যাদি জনপ্রিয় ফ্যাবলেটের উদাহরণ।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২৩০.
'Accumulator' এক ধরনের-
  1. ক) ইনপুট ডিভাইস
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) বাস
  4. ঘ) বায়োস
সঠিক উত্তর:
খ) রেজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• 'Accumulator' এক ধরনের রেজিস্টার

আ্যাকিউমুলেটর (Accumulator) রেজিস্টার:
- আ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য আ্যাকিউমুলেটর ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩১.
ডাটাবেজের উপাদান হিসেবে পরিচিত - 
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. ডাটা 
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ফিল্ড, রেকর্ড ও ডাটা— তিনটিই ডাটাবাজের উপাদান হিসেবে পরিচিত। 

​ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ফিল্ড (Field),
২. ডাটা (Data),
৩. রেকর্ড (Record)
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৩২.
CAPTCHA ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. ভাইরাস স্ক্যান করা
  2. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
  3. কম্পিউটার ফায়ারওয়্যাল একটিভ করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
ব্যাখ্যা

◉ CAPTCHA এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে মানুষ সহজে বুঝতে পারে, কিন্তু রোবট বা অ্যালগরিদম না বুঝতে পারে।

CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart.
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যেনো বটগুলিকে অপব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা যায়।

ক্যাপচাগুলি কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
যেমন -
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,২৩৩.
মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণের প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
সঠিক উত্তর:
বায়োমেট্রিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা

• মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকে শনাক্ত করার প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলা হয়।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে ব্যক্তিকে শনাক্ত বা যাচাই করা হয়।
- মানুষের শরীরের অনন্য বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে পরিচয় নিশ্চিত করা এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য।
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচয় যাচাইয়ে বায়োমেট্রিক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক্সের বৈশিষ্ট্য:
- প্রতিটি মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য আলাদা হওয়ায় এটি নির্ভরযোগ্য শনাক্তকরণ পদ্ধতি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
- নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এটি অত্যন্ত কার্যকর।

• বায়োমেট্রিক্সের উদাহরণ:
- আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ (Fingerprint Recognition)।
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ (Iris Recognition)।
- মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ (Face Recognition)।
- কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)।

• অন্যান্য অপশন:
- বায়োইনফরমেটিক্স → জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে জৈবিক ডেটা বিশ্লেষণের পদ্ধতি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা → মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে মেশিনে অনুকরণ করার প্রযুক্তি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি → কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে তৈরি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

১১,২৩৪.
Wi-Fi প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন মাধ্যমে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. ফাইবার অপটিক
  3. কপার ক্যাবল
  4. বেতার তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বেতার তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতার তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
Wi-Fi বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।

Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১১,২৩৫.
কম্পিউটার-টু-কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয়-
  1. ই-মেইল
  2. ইন্টারকম
  3. ইন্টারনেট
  4. কমিউনিকেশন
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলা হয়।

• ইন্টারনেট:
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

১১,২৩৬.
সফটওয়্যার কী?
  1. কম্পিউটারের ভৌত অংশ
  2. কম্পিউটারের নির্দেশনা ও ডেটার সমষ্টি
  3. কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা
  4. কম্পিউটারের যান্ত্রিক অংশ
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারের নির্দেশনা ও ডেটার সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারের নির্দেশনা ও ডেটার সমষ্টি
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যার (Software) হলো—
- কম্পিউটারকে কী করতে হবে তা নির্দেশনা দেয় এমন program, instruction ও data–এর সমষ্টি।
- সফটওয়্যার স্পর্শযোগ্য নয় (intangible)।
- হার্ডওয়্যারকে কাজ করানোর জন্য সফটওয়্যার অপরিহার্য।

• হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার(Hardware & Software):
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের দেহ, আর সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের প্রাণ।
- কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশনার সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলা হয়।
- সফটওয়্যার একটি অদৃশ্য শক্তি, যা দেখা বা স্পর্শ করা যায় না।
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত সকল ভৌত যন্ত্র, যন্ত্রাংশ ও ডিভাইসসমূহকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলা হয়।
- হার্ডওয়্যারকে দেখা ও স্পর্শ করা যায়।
- ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয়েরই প্রয়োজন।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একে অপরের পরিপূরক।
- সফটওয়্যার ছাড়া শুধুমাত্র হার্ডওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার কোনো কাজ করতে পারে না।
- একইভাবে হার্ডওয়্যার ছাড়া শুধুমাত্র সফটওয়্যার দিয়েও কোনো কাজ সম্পাদন করা সম্ভব নয়।

 উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১১,২৩৭.
Who is known as the inventor of Virtual Reality?
  1. Alan Turing
  2. Joseph Engelberger
  3. Tim Berners-Lee
  4. Jaron Lanier
সঠিক উত্তর:
Jaron Lanier
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jaron Lanier
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার (Jaron Lanier), যিনি কম্পিউটারভিত্তিক কৃত্রিম পরিবেশকে বাস্তবের মতো করে অনুভব করার ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি একটি কম্পিউটার সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক (3D) চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ করা হয়।
- এটি প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তবের চেতনা সৃষ্টি করে।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভিত্তি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যাতে তা সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত উপকরণ ও অভিজ্ঞতা:
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় ব্যবহারকারী মাথায় Head Mounted Display (HMD) পরিধান করে।
- হাতে Data Glove বা কখনো Body Suit ব্যবহার করা হয়।
- এতে কোনো শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Alan Turing → কম্পিউটার সায়েন্সের জনক (Turing Machine, AI-এর ভিত্তি)।
- Joseph Engelberger → রোবোটিক্সের জনক হিসেবে পরিচিত।
- Tim Berners-Lee → World Wide Web-এর উদ্ভাবক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৩৮.
প্রথম বাইনারি কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) ENIAC
  2. খ) EDVAC
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) DOEL
সঠিক উত্তর:
খ) EDVAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) EDVAC
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ইতিহাসে:
- প্রথম পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার ENIAC.
- প্রথম বাইনারি কম্পিউটার - EDVAC.

1946 সালে মুর স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিজ্ঞানীরা এডভ্যাক EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic          Calculator) আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা
১১,২৩৯.
বারবার একই ধরনের কাজ করে গেলেও কম্পিউটার ক্লান্ত হয় না৷ কম্পিউটারের এই গুণকে কী বলে?
  1. ক) বিশ্বাসযোগ্যতা
  2. খ) সূক্ষ্মতা
  3. গ) ক্লান্তিহীনতা
  4. ঘ) বহুমূখীতা
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লান্তিহীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লান্তিহীনতা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার একটি গুণ ক্লান্তিহীনতা। কারণ এটি বারবার একই ধরনের কাজ অক্লান্ত ও নিখুঁতভাবে একই গতিতে করে যেতে পারে৷ পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে কম্পিউটারের উৎসাহ, মনযোগ ও সহিষ্ণুতার একটুও ঘাটতি হয় না।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১১,২৪০.
সর্বপ্রথম ওয়ারলেস টেলিগ্রাফের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন কে?
  1. ক) ড্যানিয়েল কলটোন
  2. খ) মার্কনী
  3. গ) ম্যান্ডেল
  4. ঘ) জগদীশচন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
খ) মার্কনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মার্কনী
ব্যাখ্যা
কোন প্রকার তার ব্যবহার না করেই তথ্য আদান প্রদান তথা যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। ১৯০১ সালে ইটালিয়ান পদার্থবিদ Guglielmo Marconi জাহাজ থেকে সমুদ্র উপকূলে মোর্শ কোড ব্যবহার করে সর্বপ্রথম ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
১১,২৪১.
নিচের কোনটি ম্যালওয়্যার?
  1. ক) র‍্যানসমওয়্যার
  2. খ) ফার্মওয়্যার
  3. গ) ফায়ালওয়াল
  4. ঘ) ফ্রিওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ক) র‍্যানসমওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
মেলওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেল মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
   যেমনঃ র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware)।
- র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
১১,২৪২.
ক্রায়োসার্জারি সাধারণত নিম্নলিখিত কোন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়?
  1. ডায়াবেটিস
  2. হৃদরোগ
  3. ভাঙা হাড়
  4. ত্বকের ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
ত্বকের ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বকের ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এতে ত্বকের ক্ষত বা অস্বাভাবিক কোষকে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রায় ফ্রিজ করে ধ্বংস করা হয়। সাধারণত এই পদ্ধতিটি ত্বকের ক্যান্সার, যেমন স্কিন সার্স বা প্রিক্যান্সারাস লেশনের চিকিৎসায় বেশি ব্যবহৃত হয়। ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা ভাঙা হাড়ের ক্ষেত্রে ক্রায়োসার্জারি প্রযোজ্য নয়, কারণ এই রোগগুলোতে আলাদা চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োজন। তাই বলা যায়, ক্রায়োসার্জারি মূলত ত্বকের ক্যান্সার বা ত্বকের অস্বাভাবিক কোষ ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৪৩.
বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. রাউটার
  2. সুইচ
  3. ব্রিজ
  4. হাব
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়। রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেটের গতি এবং পথ নির্ধারণ করে। এটি মূলত আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ট্রান্সমিশন করে, ফলে ভিন্ন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। অন্যদিকে, সুইচ শুধুমাত্র একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে, ব্রিজ দুটি নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে কিন্তু সীমিত পরিসরে, আর হাব ডেটা শুধু পুনরায় সম্প্রচার করে, কোনো গন্তব্য ঠিক করে না। তাই ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগের জন্য রাউটার অপরিহার্য।

• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।

- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

এছাড়াও, 
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৪৪.
MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + Alt + R
  2. Ctrl + Shift + F
  3. Ctrl + Shift + C
  4. Ctrl + Shift + P
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Alt + R
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Alt + R
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L : লেখনে list style apply করার জন্য।
Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S : একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।

উৎস: Computerhope website.
১১,২৪৫.
ট্রানজিস্টর-ভিত্তিক কম্পিউটার কোন প্রজন্মের তুলনায় দ্রুততর, ছোট এবং আরও নির্ভরযোগ্য ছিল?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
সঠিক উত্তর:
1G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1G
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর-ভিত্তিক কম্পিউটার প্রথম প্রজন্মের (1G) কম্পিউটারের তুলনায় দ্রুততর, ছোট এবং আরও নির্ভরযোগ্য ছিল। প্রথম প্রজন্মের (1G) কম্পিউটারগুলি ভ্যাকুম টিউব ব্যবহার করত, যা বড়, বেশি শক্তি খরচকারী এবং অতি তাপ উৎপাদনকারী ছিল। ট্রানজিস্টর ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো ছোট আকারের, কম শক্তি খরচকারী এবং কম ত্রুটিপূর্ণ হয়ে উন্নত হয়। ট্রানজিস্টর কম্পিউটারকে দ্রুতগতির গণনা, আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব প্রদান করেছিল। ফলে, এটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি কার্যক্ষম এবং ব্যবহারবান্ধব হয়ে ওঠে।

উত্তর: ক) 1G.

• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৪৬.
কম্পিউটারের ভাইরাস-
  1. ট্রোজান হর্স
  2. জেরুজালেম
  3. ওয়ার্ম
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
• কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
• কাজ: কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৪৭.
কোনটি Agentic AI-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. র‍্যান্ডম সংখ্যা তৈরি
  2. উদ্দেশ্যমূলক আচরণ
  3. শুধু তথ্য সংরক্ষণ
  4. মৌলিক গাণিতিক কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্যমূলক আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্যমূলক আচরণ
ব্যাখ্যা

• Agentic AI-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উদ্দেশ্যমূলক আচরণ। এটি এমন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা শুধু তথ্য সংরক্ষণ বা গাণিতিক হিসাব করার চেয়ে বেশি করে কাজ করে। Agentic AI নিজস্ব লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং পরিবেশের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করে সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কার্যক্রম সম্পাদন করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি রোবট যদি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ নেয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তার কার্যপদ্ধতি সমন্বয় করে, তখন সেটি Agentic AI-এর একটি প্রমাণ। তাই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য উদ্দেশ্যমূলক আচরণ, যা এটিকে স্বতন্ত্রভাবে সক্রিয় এবং লক্ষ্যনির্ভর করে তোলে।

- সঠিক উত্তর: খ) উদ্দেশ্যমূলক আচরণ।
 
• Agentic AI:
- Agentic AI হলো সেই ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা নিজস্ব উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারে।
- এটি শুধুমাত্র তথ্য সংরক্ষণ বা র‍্যান্ডম সংখ্যা তৈরি করার মতো সাধারণ কাজ করে না।
- Agentic AI বিভিন্ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং তার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি উদ্দেশ্যমূলক আচরণ প্রদর্শন করে, অর্থাৎ নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ করে।
- মৌলিক গাণিতিক কার্যক্রম বা তথ্য সংরক্ষণ Agentic AI-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি শুধুমাত্র কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ব্যবহার করে।

• Agentic AI-এর উদাহরণ:  
- স্বয়ংক্রিয় গাড়ি (Autonomous Cars):
- এগুলো নিজস্ব সেন্সর এবং AI ব্যবহার করে রাস্তার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে।  
- গাড়ি নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী পথ নির্বাচন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।  

- ডেলিভারি রোবট বা ড্রোন:  
- এগুলো নিজের পরিবেশ বুঝে এবং অর্ডার গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছায়।  
- প্রয়োজন হলে বাধা এড়ানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।  

- ভার্চুয়াল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (যেমন AI পছন্দ অনুযায়ী কাজ করে):
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ ও পূর্ববর্তী আচরণ বিশ্লেষণ করে পরিকল্পনা করে।  
- নিজের “উদ্দেশ্য” অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যেমন কোন কাজ আগে করবে বা কীভাবে সাজাবে।  

- AI-চালিত কৌশলগত গেম প্লেয়ার: 
- যেমন চেস বা স্ট্র্যাটেজি গেমে AI বিভিন্ন অবস্থার মূল্যায়ন করে সর্বোত্তম পদক্ষেপ নেয়।  
- এর লক্ষ্য হলো জিততে বা সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করতে নিজের সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।  

সূত্র: IBM. [link]

১১,২৪৮.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. Microsoft Edge
  2. Google
  3. Alta Vista
  4. Bing
  5. Go
সঠিক উত্তর:
Microsoft Edge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Edge
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেট: 
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। 
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়। 
- ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা। 
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়। 
- ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়। 
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। 
যেমন: 
• Yahoo, 
• Google, 
• Alta Vista, 
• Mamma, 
• Hotbot, 
• Bing, 
• Go ইত্যাদি। 
- পিপীলিকা (Pipilica) বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন। 

ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
-জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো- 
• Google Chrome, 
• Mozilla Firefox, 
• Safari, 
• Opera, 
• Microsoft Edge, 
• Maxthon, 
• Brave, 
• UC Browser. 

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড এবং ব্রিটানিকা।

১১,২৪৯.
কী-বোর্ডের কোন কমান্ড ব্যবহার করে ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করা যায়?
  1. Ctrl + Alt + Del
  2. Ctrl + Shift + Del
  3. Ctrl + Alt + Tab
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Shift + Del
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Shift + Del
ব্যাখ্যা
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়।
যেমন - 
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
I - Run inspection by name.

উৎস: Microsoft.
১১,২৫০.
53 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01110011
  2. 01010011
  3. 10001100
  4. 00111010
সঠিক উত্তর:
01010011
উত্তর
সঠিক উত্তর:
01010011
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

5 এর বিসিডি 0101
3 এর বিসিডি 0011
∴ 53 এর বিসিডি 01010011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫১.
কম্পিউটারের কোন অংশটি RAM এবং প্রসেসর থেকে ডেটা স্থানান্তর করে?
  1. ALU
  2. মাদারবোর্ড
  3. বাস
  4. পয়েন্টার
সঠিক উত্তর:
বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস
ব্যাখ্যা

◉ বাস (Bus) হলো কম্পিউটারের ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম। এটি RAM, প্রসেসর, এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্টগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে।

কম্পিউটার বাস: 
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন-ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২। এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস। 

১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus).
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus).
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৫২.
ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কী?
  1. Decimal Digit
  2. Binary Digit
  3. Octal Digit
  4. Hexadecimal Digit
সঠিক উত্তর:
Binary Digit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Binary Digit
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)।
- এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে।
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল।
- আমাদের চারপাশে আমরা যে সমস্ত কম্পিউটার দেখি সেগুলো ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়।
- কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি ব্যবহার করতে হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৩.
নিচের কোনটির নির্মাতা মাইক্রোসফট?
  1. ক) PixelBook
  2. খ) Kaizala
  3. গ) Tilt Brush
  4. ঘ) Snapseed
সঠিক উত্তর:
খ) Kaizala
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Kaizala
ব্যাখ্যা
কাইজালা মাইক্রোসফট এর তৈরি একটি নিরাপদ মোবাইল এবং মেসেজিং টাস্ক অ্যাপ।

- অপরদিকে, Pixelbook, TiltBrush, Snapseed গুগল কোম্পানির তৈরি পরিষেবাসমূহ। 
- মাইক্রোসফটের অন্যান্য পরিষেবাসমূহ- 
Cloud App Security, One drive, Outlook, Skype, Windows Yammer, One Note ইত্যাদি। 
- মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ই এপ্রিল, ১৯৭৫। 
- মাইক্রোসফট এর সদর দপ্তর- রেডমন্ড, ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র: মাইক্রোসফট অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। 
১১,২৫৪.
‘Hotspot’ কী?
  1. ক) তারযুক্ত ইন্টারনেট ব্যবস্থা
  2. খ) নির্দিষ্ট দূরত্ব এলাকা
  3. গ) তারবিহীন ইন্টারনেট ব্যবস্থা
  4. ঘ) বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
গ) তারবিহীন ইন্টারনেট ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তারবিহীন ইন্টারনেট ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
হটস্পট (Hotspot)

হটস্পট (Hotspot) হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল কম্পিউটার ও ডিভাইস যেমন- স্মার্ট ফোন, পিডিএ, ট্যাব, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে।

বর্তমানে জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো:
১. ব্লুটুথ (Bluetooth)
২. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) ও
৩. ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)।


তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২৫৫.
কোনটি কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Illustrator
  3. PowerPoint
  4. Windows Media Player
সঠিক উত্তর:
Informix
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Informix
ব্যাখ্যা
কর্পোরেট ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে Informix.

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৬.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 63 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 01100011
  2. 11100010
  3. 10100011
  4. 010100101
সঠিক উত্তর:
01100011
উত্তর
সঠিক উত্তর:
01100011
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এখানে,
6 = 0110 
3 = 0011
∴ (63)16 = (01100011)2

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৭.
নিচের কোন সালে কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা FORTRAN আবিষ্কার হয়?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৫২
  3. গ) ১৯৫৭
  4. ঘ) ১৯৬২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৭
ব্যাখ্যা

প্রোগ্রামিং ভাষা তত্ত্ব কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা যা অঙ্কণ বা নকশা বাস্তবায়ন, বিশ্লেষণ, বৈশিষ্ট্য প্রদান, প্রোগ্রামিং ভাষা'র শ্রেণীবিভাগ এবং তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পর্কিত।
John Backjar 1957 সালে প্রথম আবিষ্কার করেন প্রোগ্রামিং ভাষা FORTRAN (Formula Translation).
সূত্রঃ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।

১১,২৫৮.
প্রোগ্রাম এর কম্পাইল-টাইমে কোন ধরনের ত্রুটির কারণে কম্পিউটার ত্রুটির বার্তা দেখায়?
  1. Syntax Error
  2. Logical Error
  3. Data Error
  4. Runtime Error
সঠিক উত্তর:
Syntax Error
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syntax Error
ব্যাখ্যা

প্রোগ্রামিংয়ে, কোড কম্পাইল করার সময় (কম্পাইল-টাইমে) কোনো সিনট্যাক্স ত্রুটি (Syntax Error) দেখা দিলে কম্পিউটার একটি ত্রুটি বার্তা প্রদর্শন করে।

Syntax Error:
- একটি সিনট্যাক্স ত্রুটি ঘটে যখন প্রোগ্রামের কোড লেখার সময় প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়মকানুন (ব্যাকরণ বা সিনট্যাক্স) সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় না।
- প্রোগ্রামিং ভাষার নিজস্ব সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী থাকে, যেমন - কোথায় বন্ধনী () ব্যবহার করতে হবে, কোথায় সেমিকোলন ; দিতে হবে, অথবা কোনো কীওয়ার্ডের বানান সঠিক আছে কিনা।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার যখন এই ধরনের ভুল কোড পড়ে, তখন এটি বুঝতে পারে না এবং একটি ত্রুটি বার্তা (যেমন: "Syntax Error", "Parse Error", "Unexpected token") প্রদর্শন করে প্রোগ্রামটি চালানো বন্ধ করে দেয়। 
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।

Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি শর্তে A < B হওয়া উচিত, কিন্তু ভুল করে A > B লেখা হয়। অথবা গণনায় যদি X = A + B হওয়া দরকার, কিন্তু ভুলক্রমে X = A - B লেখা হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

Data Error:
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,২৫৯.
নিচের কোনটি Open Source Software?
  1. Google Chrome
  2. Microsoft Windows
  3. Zoom
  4. Adobe Photoshop
সঠিক উত্তর:
Google Chrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Chrome
ব্যাখ্যা
সত্যি বলতে প্রশ্নে কিছুটা ভুল আছে। তবে, মূল পরীক্ষায় উত্তর খালি রাখার সুযোগ নেই তাই বেস্ট এন্সার নিতে হচ্ছে।

Microsoft Windows, Zoom, Adobe Photoshop এগুলো নিয়ে কারও কনফিউশন থাকার কথা নয়। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর ক) Google Chrome হয়ে যাচ্ছে।

তবে, জেনে রাখা উচিত যে, Google Chrome ব্রাউজারটি মোটেও ওপেন সোর্স নয়।

গুগুলের বিখ্যাত The Chromium Projects এর দুটি অংশ হচ্ছে Chromium and Chromium OS.

Chromium
Chromium is an open-source browser project that aims to build a safer, faster, and more stable way for all users to experience the web. 

Chromium OS
Chromium OS is an open-source project that aims to provide a fast, simple, and more secure computing experience for people who spend most of their time on the web. 

অর্থাৎ, Google Chromium একটি ওপেন সোর্স ব্রাউজার প্রোজেক্ট।

অন্যদিকে,

Google Chrome ব্রাউজারটি একটি Freeware, তবে এটা ওপেন সোর্স নয়।

এটা গুগুলের Proprietary Software. এটা ফ্রি। কিন্তু, যে কেউ এটার পরিবর্তন করে নিজের মতো অবাণিজ্যিক বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। কপিরাইট Google LLC এর।



যে সকল সফটওয়্যার এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। 

Chrome এবং Chromium এক নয়। Freeware and Open Source ও এক নয়।

প্রশ্নকর্তা সম্ভবত ভুলে Chrome লিখেছেন।

যাইহোক, বেস্ট এন্সার হিসেবে ক) Google Chrome কে সঠিক ধরে নেয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:
উপরে Google Chrome এর কপিরাইটের এবং Term of Service পেজের স্ক্রিনশট দেয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, https://www.chromium.org/Home/ লিঙ্ক ভিজিট করতে পারেন।
১১,২৬০.
বাংলাদেশে প্রথম রেডিক্যাশ চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ক) বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) সোনালী ব্যাংক
  4. ঘ) জনতা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ঘ) জনতা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নগদ অর্থের বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরনের প্লাস্টিক কার্ডকে রেডিক্যাশ বলে। বাংলাদেশে জনতা ব্যাংক লিমিটেড সর্ব প্রথম রেডিক্যাশ কার্ড ব্যবস্থা চালু করে।
১১,২৬১.
একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের কী বলে?
  1. ক) ইন্সট্যান্স
  2. খ) স্কিমা
  3. গ) এট্রিবিউট
  4. ঘ) এনটিটি
সঠিক উত্তর:
ক) ইন্সট্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইন্সট্যান্স
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স
- ওরাকল ইত্যাদি।
----------------
একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
১১,২৬২.
Which cloud computing service model allows users to run their own operating system and software on rented computing resources?
  1. Software-as-a-Service (SaaS)
  2. Platform-as-a-Service (PaaS)
  3. Infrastructure-as-a-Service (IaaS)
  4. Database-as-a-Service (DBaaS)
সঠিক উত্তর:
Infrastructure-as-a-Service (IaaS)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Infrastructure-as-a-Service (IaaS)
ব্যাখ্যা

• Infrastructure-as-a-Service (IaaS) হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি সার্ভিস মডেল যেখানে ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া নেয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ধারণা হলো নিজের কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ ব্যবহারের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করা।
- এটি কোনো একক প্রযুক্তি নয়; বরং বিভিন্ন প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ সেবা।
- Amazon বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়।

• Infrastructure-as-a-Service (IaaS):
- এই মডেলে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).

• Platform-as-a-Service (PaaS):
- এখানে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি পূর্ব থেকেই প্রস্তুত থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপাররা এই প্ল্যাটফর্মে তাদের তৈরি সফটওয়্যার ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure.

• Software-as-a-Service (SaaS):
- এই মডেলে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Google Docs.

• NIST এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Standards and Technology (NIST) অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি মডেল যেখানে ব্যবহারকারীর তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করা হয়।

• রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট বা বড় যেকোনো পরিমাণ রিসোর্স সরবরাহ করা সম্ভব।

• অন-ডিমান্ড:
- ব্যবহারকারী যখন প্রয়োজন অনুভব করবে তখনই সেবা নিতে পারবে এবং চাহিদা অনুযায়ী সেবা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

• পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- ব্যবহারকারী আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ না করেই যতটুকু ব্যবহার করবে ততটুকুর জন্যই পেমেন্ট করবে।

• অন্যান্য অপশন:
- Software-as-a-Service (SaaS) → ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রস্তুত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করার ক্লাউড সেবা মডেল।
- Platform-as-a-Service (PaaS) → অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহকারী ক্লাউড সেবা মডেল।
- Database-as-a-Service (DBaaS) → ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদানকারী ক্লাউডভিত্তিক সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৬৩.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. XML
  2. COBOL
  3. LISP
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
LISP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LISP
ব্যাখ্যা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ PROLOG, LISP, CLISP, Java, C/C++ ইত্যাদি।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২৬৪.
Which of the following is a Data manipulation language command?
  1. Create
  2. Rename
  3. Insert
  4. Alter
সঠিক উত্তর:
Insert
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insert
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Insert

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৬৫.

  1. - 3
  2. - 1
  3. 3
  4. 1
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান:

১১,২৬৬.
প্রতারণামূলকভাবে সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড ও ক্রেডিট কার্ড নম্বর অর্জন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনুশীলনকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Spamming
  3. Ransom ware
  4. Sniffing
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 
• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): 
- র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। 

স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১,২৬৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের পেরিফেরাল ডিভাইস নয়?
  1. Monitor
  2. Hard Drive
  3. Motherboard
  4. Keyboard
সঠিক উত্তর:
Motherboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Motherboard
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের যেসকল হার্ডওয়্যার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে এর কর্মক্ষমতা ও কর্মপরিধি বৃদ্ধি করে - সেগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস্‌ বলে।
এই ডিভাইসগুলো ৩ ধরনের - ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইস।
যেমন - কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, কার্ড রিডার, মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই।

১১,২৬৮.
কম্পিউটারে কোনটি নেই?
  1. স্মৃতি
  2. বুদ্ধি বিবেচনা
  3. দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
  4. নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি বিবেচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি বিবেচনা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার শব্দের অর্থ গণনা বা হিসাবকারী। 
- এটি শুধু হিসাবকারী যন্ত্রই নয় মৌলিক অর্থে কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াকরণ করে মানুষের জন্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপণ করে। 
- কম্পিউটার ভুল শনাক্ত করতে পারে কিন্তু নিজে নিজে ভুল সংশোধন করতে পারে না। 
- কারণ কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধি বিবেচনা নাই। 
এছাড়াও 
- বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,২৬৯.
মাইক্রোসফট এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কোনটি?
  1. Microsoft Access
  2. Linkedin
  3. Whatsapp
  4. Facebook
সঠিক উত্তর:
Linkedin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Linkedin
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট (Microsoft):
- মাইক্রোসফট এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম Linkedin

- বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- আশির দশকের শুরুতে আই.বি.এম একক ব্যবহারকারীর কাজের জন্য কম্পিউটার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এবং এই কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে মাইক্রোসফট এর MS- DOS ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
- CEO: Satya Nadella 
- Founders: Bill Gates, Paul Allen
- Headquarters: Redmond, Washington, United States

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,২৭০.
NOT গেটকে আরও কী বলা যায়?
  1. OR gate
  2. AND gate
  3. Buffer
  4. Inverter
সঠিক উত্তর:
Inverter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inverter
ব্যাখ্যা

•  NOT গেটকে সাধারণত Inverter বলা হয়। এটি একটি লজিক গেট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট “1” হয়, আউটপুট হবে “0”, এবং ইনপুট “0” হলে আউটপুট হবে “1”। NOT গেটের কাজ হলো ডিজিটাল সিগন্যালের লজিক মান উল্টে দেওয়া। অন্য লজিক গেট যেমন AND, OR বা Buffer-এর সঙ্গে এর কার্যকারিতা আলাদা, কারণ সেগুলি সরাসরি ইনপুটের যৌক্তিক সমন্বয় বা পুনঃপ্রচারণার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, Buffer কেবল ইনপুটকে অপরিবর্তিত আকারে আউটপুট দেয়। তাই NOT গেটের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত সমার্থক নাম হলো Inverter.

মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,২৭১.
What is the primary function of the ALU in a CPU?
  1. Managing Input/Output operations.
  2. Performing arithmetic and logical operations.
  3. Storing temporary data during computation.
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Performing arithmetic and logical operations.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Performing arithmetic and logical operations.
ব্যাখ্যা
• সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- CPU-কে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (ALU),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) এবং
৩. স্মৃতি অংশ (Register).

- গাণিতিক যুক্তি অংশ (অ্যারিথম্যাটিক লজিক ইউনিট - ALU) গাণিতিক ক্রিয়াকলাপ (যেমন, যোগ এবং বিয়োগ) এবং লজিক্যাল অপারেশন (যেমন, দুটি মানের মধ্যে তুলনা) সঞ্চালন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭২.
কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায় কোন টপোলজিতে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
রিং টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।


উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭৩.
নিচের কোনটি প্যাকেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) ওয়ার্ড পারফেক্ট
  2. খ) মাইক্রোসফট এক্সেস
  3. গ) অ্যাডবি ফটোশপ
  4. ঘ) ইউনিক্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউনিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউনিক্স
ব্যাখ্যা

ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software)

ব্যবহারিক সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। এই ধরনের সফট্ওয়্যারকে Application Program বলা হয়।
ব্যবহারিক সফটওয়্যার মূলত দুই ধরনের। 

যথা-
১. প্যাকেজ প্রোগ্রাম (Package Program) ও ২. কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম (Customized Program)

প্যাকেজ সফট্ওয়্যার (Package Program)

মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সময় থেকে প্যাকেজ সফট্ওয়্যারের প্রচলন শুরু হয়। কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরা ব্যবহারকারীদের কাজের ধরন ও চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন প্যাকেজ প্রোগ্রাম তৈরি করেন।

প্যাকেজ প্রোগ্রামে ব্যবহারকারীর কাজের প্রয়োজনে সম্ভাব্য সকল প্রকার নির্দেশ তৈরি করে দেওয়া থাকে। ব্যবহারকারীকে নির্দেশ তৈরি করতে হয় না, তিনি শুধু ব্যবহার করে থাকেন। নিম্নে কিছু প্যাকেজ সফট্ওয়্যার সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

উদাহরণঃ মাইক্রোসফট এক্সেস, অ্যাডব ফটোশপ, ওয়ার্ড পারফেক্ট এম.এস পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, UNIX একটি OS Family/Type.

রেফারেন্সঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
১১,২৭৪.
উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine) উদ্ভাবন করেন কে?
  1. গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. হারম্যান হলিরিথ
  4. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন
সঠিক উত্তর:
গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
ব্যাখ্যা
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascalene)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।

রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine):

- ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন - প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার Mark-I উদ্ভাবন করেন।
ব্লেইজ প্যাসকেল - সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর (Pascalene) উদ্ভাবন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭৫.
যে ম্যালওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয় তা -
  1. ক) Avast
  2. খ) Ransomware
  3. গ) Keylogger
  4. ঘ) Adware
সঠিক উত্তর:
খ) Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Ransomware
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার) 
• Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Keyloggers
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
১১,২৭৬.
ICANN প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ব্যবস্থাপনায়
  2. রাউটারের জন্য সফটওয়্যার লেখায়
  3. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার উন্নয়নে
  4. ইন্টারনেট ব্রাউজার তৈরি করায়
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ব্যবস্থাপনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ব্যবস্থাপনায়
ব্যাখ্যা
• ICANN প্রধানত ব্যবহৃত হয় ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ব্যবস্থাপনায়। ইন্টারনেটের প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য আইপি ঠিকানা থাকে এবং ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম থাকে, যা মানুষের জন্য সহজে স্মরণযোগ্য। ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers) হলো একটি গ্লোবাল সংস্থা, যা এই ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানার স্বতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করে। তারা নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ডোমেইন নাম ও আইপি ঠিকানা ইউনিক থাকে এবং সঠিকভাবে বরাদ্দ হয়। তাই, ICANN-এর কাজের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সঠিক ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত হয়। অন্যান্য বিকল্প, যেমন রাউটারের সফটওয়্যার লেখা, হার্ডওয়্যার উন্নয়ন বা ব্রাউজার তৈরি ICANN-এর কাজ নয়।

• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২৭৭.
ই-মেইলে ব্যবহৃত @ এর পরের অংশটিকে কী বলে?
  1. User name
  2. Host Name
  3. Domain Name
  4. IP Name
সঠিক উত্তর:
Domain Name
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Domain Name
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল ঠিকানার গঠন সাধারণত এমন হয়: username@domain.com।
এখানে:
- username হলো ব্যবহারকারীর নাম (User Name),
- @ প্রতীকটি ব্যবহারকারী ও সার্ভারকে পৃথক করে।

- domain.com অংশটি হলো ডোমেইন নেম (Domain Name) - যা সেই সার্ভারের নাম বোঝায় যেখানে ইমেইলটি পাঠানো হবে। এটি ই-মেইল পরিষেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা নির্দেশ করে, যেমন: gmail.com, yahoo.com, outlook.com ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
ক) User name - এটি @ এর আগের অংশ।
খ) Host Name - এটি কখনও কখনও ডোমেইন নেমের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ইমেইলের প্রসঙ্গে @ এর পরের নির্দিষ্ট অংশকে "Domain Name" বলা হয়।
ঘ) IP Name - এটি সঠিক উত্তর নয়। ইন্টারনেটে সংযোগের জন্য আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ইমেইল ঠিকানায় এটি ব্যবহৃত হয় না।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail আবিষ্কৃত হয় ১৯৭১ সালে।
- ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ই-মেইলের জনক  Raymond Tomlinson(রেমন্ড টমলিনসন)।
- তিনি সর্বপ্রথম ARPANET ব্যবহার করে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- ইমেইল সার্ভারে SMTP, POP, এবং IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল সেন্ড করা হয়।
- POP এবং IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করে মেইল রিসিভ করা হয়।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭৮.
কোনটি সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরণ নয়?
  1. Instagram
  2. Yahoo
  3. Bing
  4. Google
সঠিক উত্তর:
Instagram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Instagram
ব্যাখ্যা

• সার্চ ইঞ্জিন হলো একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, Yahoo, Bing এবং Google হলো পরিচিত সার্চ ইঞ্জিন। এগুলো ব্যবহারকারীর দেওয়া কীওয়ার্ড বা প্রশ্নের ভিত্তিতে ইন্টারনেট থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য, ওয়েবসাইট, ছবি বা ভিডিও প্রদর্শন করে। অন্যদিকে, Instagram একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা মূলত ছবি, ভিডিও এবং স্টোরি শেয়ার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সরাসরি তথ্য অনুসন্ধান বা সার্চ ইঞ্জিনের মতো কাজ করে না।
- তাই উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে Instagram সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরণ নয়।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১১,২৭৯.
নিচের কোন ফরম্যাটটি ডেটা স্টোর করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. বিসিডি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
সঠিক উত্তর:
বিসিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিডি
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড দশমিক (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 
- বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (BCD) ফরম্যাটটি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১,২৮০.
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ থেকে ভিডিও ফাইল চালানোর ফলে কম্পিউটার হ্যাং করে। কারণ -
  1. ডিসপ্লে কার্ডে সমস্যা থাকতে পারে
  2. সাউন্ড কার্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিক ম্যাচ করছে না
  3. ক) ও খ) উভয়েই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ও খ) উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ও খ) উভয়েই
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ থেকে ভিডিও ফাইল চালানোর ফলে কম্পিউটার হ্যাং করে।
কারণ - (১) ডিসপ্লে কার্ডে সমস্যা থাকতে পারে 
            (২) সাউন্ড কার্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিক ম্যাচ করছে না
গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভার আনইন্সটল করে পুনরায় ইন্সটল করে পরীক্ষা করা যেতে পারে। 

সূত্র - কম্পিউটার ও ICT - 2, ভোকেশনাল, বোর্ড বই
১১,২৮১.
What is the binary equivalent of hexadecimal 'F'?
  1. 1111
  2. 1010
  3. 1011
  4. 1100
সঠিক উত্তর:
1111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1111
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল 'F' এর বাইনারি সমতুল্য হলো 1111

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'F' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 15.
- এখন 15 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1111
- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

•  বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে B এর সমুতল্য বাইনারি মান 1011
-হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান 1100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,২৮২.
কোন কোম্পানি GPU এর অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক?
  1.  AMD 
  2.  Intel 
  3. Cisco
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
 AMD 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 AMD 
ব্যাখ্যা

• GPU প্রস্তুতকারকদের মধ্যে AMD অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। AMD (Advanced Micro Devices) দীর্ঘদিন ধরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট উৎপাদন করছে, যা মূলত গেমিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা সেন্টারের মতো জটিল কাজে ব্যবহৃত হয়। এ কোম্পানি তাদের Radeon সিরিজের GPU-এর জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে Intel মূলত CPU উৎপাদনে পরিচিত হলেও সম্প্রতি GPU বাজারে প্রবেশ করেছে, Cisco নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতির জন্য বিখ্যাত এবং Oracle সফটওয়্যার ও ডাটাবেস সমাধানের জন্য পরিচিত। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো AMD, যারা GPU বাজারে একটি বড় ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান।

• GPU:
- GPU এর পূর্ণরূপ Graphics Processing Unit.
- GPU গ্রাফিক্স সম্পর্কিত কাজ যেমন: গ্রাফিক্স, ইফেক্ট এবং ভিডিও পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- বর্তমানে ভিডিও গেইমস খেলার জন্য GPU ব্যাপকহারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

AMD (Advanced Micro Devices):
- AMD একটি আমেরিকান বহুজাতিক সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি।  
- এটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- AMD এর সদরদপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।  
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক (CEO) হলেন লিসা সু। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)  
- AMD মূলত CPU, GPU, চিপসেট এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি তৈরি করে।  
- Radeon গ্রাফিক্স কার্ড সিরিজ এর অন্যতম বিখ্যাত পণ্য।  
- AMD হল GPU এর অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক।  

সূত্র: AMD [link]

১১,২৮৩.
'হায়ারোগ্লিফিক্স' কী ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  3. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৮৪.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল নির্ণয় করলে কত হবে?
  1. 4
  2. 500
  3. 14
  4. 5
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা

• "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল নির্ণয় করলে মান হবে: 5

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এগুলোর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- A, B, C, D, E, F গুলোকে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, (1F4)16 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করি:
(1F4)16 = 1 × 162 + 15 × 161 + 4 × 160
= 1 × 256 + 15 × 16 + 4 × 1
= 256 + 240 + 4
= 500

∴ "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল = 5 + 0 + 0 = 5

১১,২৮৫.
বিসিডি কোড কয় বিট বিশিষ্ট?
  1. ক) 2
  2. খ) 4
  3. গ) 8
  4. ঘ) 16
সঠিক উত্তর:
খ) 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4
ব্যাখ্যা
- BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- 4টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- 4টি বিট দ্বারা  24 বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১,২৮৬.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কতটি অঙ্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত সংখ্যা দুইটি 0 এবং 1।
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে দুই। 
• সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,২৮৭.
Which technology is used to create deepfakes?
  1. Internet of Things
  2. Artificial Intelligence
  3. Virtual Reality
  4. Blockchain
সঠিক উত্তর:
Artificial Intelligence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Artificial Intelligence
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Artificial Intelligence

Deepfakes

- Deepfakes হলো কৃত্রিমভাবে তৈরি করা মিডিয়া, যেমন ছবি, ভিডিও বা অডিও, যা Artificial Intelligence (AI) ব্যবহার করে তৈরি হয়।
- এগুলো এমন কিছু দেখায় যা বাস্তবে ঘটেনি বা কখনো সত্যিই নেই।
- শব্দটি এসেছে দুটি অংশ থেকে “deep” (AI-এর deep-learning প্রযুক্তি থেকে) এবং “fake” (যা মিথ্যা বোঝায়)।

Deepfakes তৈরির প্রক্রিয়া
- সাধারণত দুটি ধরনের AI deep-learning অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়:
  1. একটি অ্যালগরিদম আসল ছবি বা ভিডিওর সবচেয়ে ভালো অনুকরণ তৈরি করে।
  2. অন্য অ্যালগরিদম সেই অনুকরণ আসল নাকি নকল তা শনাক্ত করে এবং পার্থক্য রিপোর্ট করে।
- প্রথম অ্যালগরিদম কৃত্রিম ছবি বা ভিডিও তৈরি করে।
- দ্বিতীয় অ্যালগরিদমের প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে এটি আরও বাস্তবসম্মত করা হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে যতক্ষণ না দ্বিতীয় অ্যালগরিদম কোনো ভুয়া অংশ শনাক্ত করতে পারে।
- অনেক সময় বিদ্যমান ভিডিও বা ফুটেজের ওপর নতুন AI-তৈরি অডিও বসিয়ে deepfake ভিডিও তৈরি করা হয়।

Deepfakes-এর ব্যবহার
ইতিবাচক ব্যবহার:
- সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, যেমন ডেভিড বেকহ্যামের ম্যালেরিয়া সচেতনতা প্রচারণা।
- শিল্প জগতে ব্যবহৃত, যেমন Dali Lives প্রদর্শনীতে সালভাদর দালির ভার্চুয়াল রূপ।
- শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে সম্ভাবনা।

নেতিবাচক ব্যবহার:
- মিথ্যা তথ্য ছড়ানো।
- রাজনৈতিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি।
- সেলিব্রিটি, রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা।

উৎস: ব্রিটানিকা

১১,২৮৮.
অ্যালান টুরিং কীসের জনক?
  1. ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক
  2. খ) WWW এর জনক
  3. গ) লিঙ্কড-ইনের জনক
  4. ঘ) রোবটিক্সের জনক
সঠিক উত্তর:
ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক
ব্যাখ্যা
রোবটিক্সের জনক - ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার
বিশ্বগ্রাম এর প্রবক্তা - মার্শাল ম্যাকলুহান
ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতা - মার্ক জুকারবার্গ
WWW এর জনক - টিম বার্নারস লি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক - অ্যালান টুরিং

[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং - ৩৮]
১১,২৮৯.
DNS Server এর কাজ কোনটি?
  1. ক) MAC Addres-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  2. খ) Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  3. গ) Email-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  4. ঘ) Hostname-কে MAC Addres-এ অনুবাদ করা।
সঠিক উত্তর:
খ) Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। 
DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 
একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। 
১১,২৯০.
রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি?
  1. ক) Fanuc
  2. খ) Yaskawa
  3. গ) Boston Dynamics
  4. ঘ) Bugatti
সঠিক উত্তর:
ঘ) Bugatti
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Bugatti
ব্যাখ্যা

Bugatti হল ফরাসি গাড়ী নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান।
Fanuc- ইহা একটি আমেরিকান রোবট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, যা প্রায় সকল ধরণের রোবট প্রস্তুত করে থাকে।
Yaskawa- ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইহা আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় শিল্প রোবট উৎপাদনকারী কোম্পানি।
Boston Dynamics- বর্তমানে গুগলের সত্ত্বাধিকারি এই কোম্পানিটি সর্বাধুনিক রোবট তৈরি করে। ১৯৯২ সালে এই প্রতিষ্ঠানটির সূচনা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১১,২৯১.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) এমএস ডস
  2. খ) পিসি ডস
  3. গ) অ্যান্ড্রয়েড
  4. ঘ) লিনাক্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিনাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিনাক্স
ব্যাখ্যা
একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। সার্ভার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। আবার একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
১১,২৯২.
ন্যানোটেকনোলজির জনক হিসেবে পরিচিত-
  1. John McCarthy
  2. Paul Berg
  3. Richard Feynman
  4. Marie Curie
সঠিক উত্তর:
Richard Feynman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Richard Feynman
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১,২৯৩.
আমাজন কিন্ডল একধরনের
  1. ক) ই-কমার্স
  2. খ) ই-বুক
  3. গ) ই-রিডার
  4. ঘ) ই-স্টোর
সঠিক উত্তর:
গ) ই-রিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ই-রিডার
ব্যাখ্যা
আমাজন কিন্ডল হলো একটি ই-রিডার বা ই-বুক ডিভাইস যেটি ব্যবহার করে একজন পাঠক খুব সহজে ডিজিটাল ফরমেটে থাকা বই, ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র ইত্যাদি যেকোনো ধরনের লিখিত নথি পড়তে পারেন।
১১,২৯৪.
নিচের কোনটি রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book) এর উদাহরণ?
  1. ipad
  2. Kindle
  3. B&N Nook
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Kindle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kindle
ব্যাখ্যা

দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book)
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book)
রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
Amozon- এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে। এই ধরণের ই-বুকে ছবির ব্যবহার সাধারণত কম হয় এবং লেখার পরিমাণ থাকে বেশি। রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে এবং পরিবর্তনের পর কন্টেন্ট তা ধারণ করে স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী সমন্বয় করে নেয়।
ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক এর উদাহরণ হচ্ছে - B&N Nook, Apple -এর ipad।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

১১,২৯৫.
Mail merge কোন ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে করা যায়?
  1. ক) MS Excel
  2. খ) MS PowerPoint
  3. গ) MS Word
  4. ঘ) MS Outlook
সঠিক উত্তর:
গ) MS Word
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) MS Word
ব্যাখ্যা
MS Word দিয়ে Mail merge করা যায়।একই চিঠিকে চাহিদামতো কয়েকটি ঠিকানায় একসাথে পাঠানোর উপযোগী করাকে মেইল মার্জ বলে।
১১,২৯৬.
সেলুলার নেটওয়ার্কে প্রধানত কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. অপটিক্যাল ফাইবার
  2. রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
  3. স্যাটেলাইট লেজার
  4. ইনফ্রারেড
সঠিক উত্তর:
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
ব্যাখ্যা

সেলুলার নেটওয়ার্কে প্রধানত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• সেলুলার নেটওয়ার্ক

- সেলুলার নেটওয়ার্কে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী ব্যবহার করা হয়। 
- সেলুলার রেডিও সিস্টেমে রেডিও সার্ভিসের সাথে ভূমি এলাকায় সিগন্যাল বা সংকেত সরবরাহ করা হয় যা নিয়মিত আকারের সেলে (Cell) বিভক্ত। 
- সেল ষড়ভূজাকার, বর্গাকার, বৃত্তাকার বা অন্য কোন অনিয়মিত আকারের হতে পারে, যদিও ষড়ভূজাকারই প্রথাগত বা প্রচলিত। 
- প্রত্যেক সেলের জন্য বহু সংখ্যক ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ রয়েছে যার সমতুল্য রেডিও বেস স্টেশন রয়েছে। 
- এই ফ্রিকোয়েন্সিসমূহের একটি শ্রেণি পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যাতে একই ফ্রিকোয়েন্সি প্রতিবেশী বা পাশাপাশি সেলে পুনঃব্যবহৃত না হয়। 
- সম্পূর্ণ ভিন্ন ট্রান্সমিশনের জন্য বিভিন্ন এলাকায় একই রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- যদি একটি মাত্র সাধারণ ট্রান্সমিটার থাকে তবে যে কোন প্রদেয় ফ্রিকোয়েন্সিতে কেবলমাত্র একটি ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- একই ফ্রিকোয়েন্সি পুনরায় ব্যবহার করার ক্ষেত্রে একটি মানসম্পন্ন FDMA সিস্টেমে বিভিন্ন সেলের মধ্যে কমপক্ষে এক সেল বিরতি অবশ্যই থাকতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১,২৯৭.
Which one is an antivirus software?
  1. ক) AVG
  2. খ) Norton
  3. গ) Avast
  4. ঘ) All of them
সঠিক উত্তর:
ঘ) All of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) All of them
ব্যাখ্যা
আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪। নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,২৯৮.
কোন নীতি কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয়?
  1. Interference
  2. Entanglement
  3. Superposition
  4. Decoherence
সঠিক উত্তর:
Superposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Superposition
ব্যাখ্যা

•  কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয় Superposition নীতি। এটি কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা বলে যে একটি কিউবিট একই সময়ে একাধিক অবস্থা ধারণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কিউবিট ০ বা ১ অবস্থার পরিবর্তে ০ এবং ১-এর সমন্বয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই ক্ষমতার কারণে কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। Superposition কেবল কিউবিটকে একাধিক সম্ভাব্য ফলাফলের মধ্যে একসাথে থাকতে দেয়, যা পরে পরিমাপের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফলাফলে পরিবর্তিত হয়। এটি কোয়ান্টাম এলগরিদমের শক্তির মূল ভিত্তি।

সঠিক উত্তর: গ) Superposition.

- Interference হল বিভিন্ন স্টেটের মিলিত প্রভাব, Entanglement কিউবিটগুলোর পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অবস্থাকে বোঝায়, আর Decoherence কিউবিটের সুপারপজিশন ভেঙে সাধারণ স্টেটে পরিণত হওয়া।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:

- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) Microsoft [link]

১১,২৯৯.
WhatsApp কত সালে চালু হয়?
  1. ২০০৭ সাল
  2. ২০০৮ সাল
  3. ২০০৯ সাল
  4. ২০১২ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সাল
ব্যাখ্যা
• WhatsApp:
- WhatsApp চালু হয় ২০০৯ সালে।
- ২০০৯ সালে Jan Koum ও Brian Acton দুইজনে মিলে WhatsApp প্রতিষ্ঠা করেন।
- WhatsApp হলো একটি ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ।
- এছাড়াও ভিডিও কল, ভিডিও মেসেজ, ছবি শেয়ার, লোকেশন শেয়ার ইত্যাদি কাজ করা যায়।
- বর্তমানে এটি মেটার অধীনে পরিচালিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৩০০.
10101D কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ডেসিমেল
  2. বাইনারি
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
সঠিক উত্তর:
হেক্সাডেসিমেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F। সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

উপরে উল্লিখিত সংখ্যাটি একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা। 

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)