বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১০৩ / ১৩১ · ১০,২০১১০,৩০০ / ১৩,০৮৮

১০,২০১.
দশমিক পদ্ধতিতে মোট কয়টি অংক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ৯
  2. খ) ১০
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০
ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিঃ
মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি। এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১০।
কারণ এই পদ্ধতিতে মোট ১০ টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যথাঃ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ এবং ৯। (১০১)১০ , (১২৩)১০, (৯৮.৭৩)১০ ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ। 

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,২০২.
কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস শুধুমাত্র একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. গেটওয়ে
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা

রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• গেটওয়ে :

- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• সুইচ :
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই।
- তবে হাব  প্রোগ্রাম প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• হাব :
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।
- হাব কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার।
 যথা-
১। সক্রিয় হাব :
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে।
 ২। নিষ্ক্রিয় হাব :
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২০৩.
নিচের কোনটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) OS X 10.9
  2. খ) PCLinuxOS
  3. গ) Windows Server 2016
  4. ঘ) OS X 10.10
সঠিক উত্তর:
খ) PCLinuxOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) PCLinuxOS
ব্যাখ্যা

PCLinuxOS একটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- লিনাক্সভিত্তিক অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Ubuntu, Linux Mint, Debian, Manjaro, Arch, Puppy ইত্যাদি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত এক ধরণের সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- যে সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে কম্পিউটারের সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলো পরিচালনা করে থাকে। 
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশনকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কিছু অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 7, Windows XP, Linux ইত্যাদি। 

অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধাবলী- 
১. কম্পিউটারকে সচল ও ব্যবহার করবার উপযোগী করে তোলে।
২. প্রসেসর পরিচালনা ম্যানেজমেন্ট করে। 
৩. মেমোরি পরিচালনা করে। 
৪. কম্পিউটারের ইনপুট এবং আউটপুট যন্ত্রগুলো পরিচালনা করে। 
৫. ফাইল পরিচালনা করে। 
৬. অপারেটিং সিস্টেমই নির্ধারণ করে কম্পিউটারের কোন কাজটি আগে কার্যকর হবে ইত্যাদি। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১০,২০৪.
Flash memory is-
  1. ক) Non-removable
  2. খ) Non-volatile
  3. গ) Non-portable
  4. ঘ) Volatile
সঠিক উত্তর:
খ) Non-volatile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Non-volatile
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না তাকে Non-Volitile মেমোরি বলে। যেমন হার্ডডিস্ক, রম, ফ্লাশ মেমোরি ইত্যাদি।
১০,২০৫.
কোনটি এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
  2. পূর্ণ কীবোর্ড ও মাউস প্রয়োজন
  3. বিস্তৃত ও জটিল ইউজার ইন্টারফেস
  4. রিয়েল-টাইম অপারেশন
সঠিক উত্তর:
রিয়েল-টাইম অপারেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়েল-টাইম অপারেশন
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঘ) রিয়েল-টাইম অপারেশন। এম্বেডেড সিস্টেম সাধারণত নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরি হয় এবং সেই কাজটি সঠিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করাই এর মূল লক্ষ্য। এখানে প্রতিক্রিয়ার সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামান্য দেরি হলে পুরো সিস্টেম ব্যর্থ হতে পারে, যেমন ওয়াশিং মেশিন, ট্রাফিক সিগন্যাল, মেডিকেল ডিভাইস বা গাড়ির ব্রেকিং সিস্টেমে। এসব সিস্টেমে উচ্চ মানের গ্রাফিক্স, পূর্ণ কীবোর্ড বা জটিল ইউজার ইন্টারফেসের প্রয়োজন হয় না। বরং নির্ভুলতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং সময়ানুবর্তিতাই এম্বেডেড সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১০,২০৬.
কোনটি LAN-এ ব্যবহৃত ডিভাইস নয়?
  1. রিপিটার
  2. হাব
  3. গেটওয়ে
  4. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে গেটওয়ে ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২০৭.
বাংলাদেশের প্রথম ‘সার্চ ইঞ্জিন‘-
  1. ক) পিপীলিকা
  2. খ) ফড়িং
  3. গ) মৌমাছি
  4. ঘ) দোয়েল
সঠিক উত্তর:
ক) পিপীলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পিপীলিকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন এর নাম হচ্ছে পিপীলিকা। 

- পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের সার্চ ইঞ্জিনটি চালু হয় ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হচ্ছে 'চরকি'। 
- পিপীলিকা সার্চ ইঞ্জিনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত। 
- বর্তমানে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হচ্ছে গুগল। 
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি। 

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা।
১০,২০৮.
'Bluetooth'-এ কি ধরনের টেকনোলোজি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. মাইক্রোওয়েব
  3. রেডিও ওয়েব
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েব
ব্যাখ্যা

ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে 'Bluetooth' প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলো স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলো পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০,২০৯.
অসৎ উদ্দেশ্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করাকে কী বলা হয়?
  1. ভিশিং
  2. ফিশিং
  3. ক্র্যাকিং
  4. ফ্রেকিং
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
ব্যাখ্যা

• অসৎ উদ্দেশ্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করাকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়। এটি একটি ধরনের অবৈধ কার্যক্রম যেখানে কেউ টেলিফোন বা অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থায় অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে, কল নিয়ন্ত্রণ করে বা তথ্য চুরি করে। মূলত এটি টেলিফোন লাইনের সিগন্যালিং সিস্টেমে হাত দিতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে করা হয়। ফ্রেকাররা প্রায়ই বিনা খরচে কল করা, নেটওয়ার্কের দুর্বলতা পরীক্ষা করা বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করে। এটি আইনের দৃষ্টিতে একটি গুরুতর অপরাধ এবং টেলিকমিউনিকেশন নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আধুনিক ডিজিটাল যুগে ফ্রেকিং শুধু ফোনেই নয়, ইন্টারনেট ভিত্তিক সিস্টেমেও ঘটতে পারে।

উত্তর: ঘ) ফ্রেকিং।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০,২১০.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) ওয়ার্কস্টেশন
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার যার মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা মধ্যমানের।
ওয়ার্কস্টেশন: এটিও সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার তবে এর মাইক্রোপ্রসেসর পার্সোনাল কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী।
মিনি কম্পিউটার: এটি একটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার সিস্টেম যা শত শত ইউজার সাপোর্ট করতে পারে।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার: এটিও মাল্টি ইউজার কম্পিউটার তবে এর সফটওয়্যার টেকনোলজি মিনি কম্পিউটার থেকে ভিন্ন।
সুপার কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্বে সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার যা অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি এবং একসাথে লক্ষ লক্ষ ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করতে পারে।
১০,২১১.
নিম্নের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) F-Macro
  2. খ) Central Point
  3. গ) Irina
  4. ঘ) Red Alert
সঠিক উত্তর:
গ) Irina
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Irina
ব্যাখ্যা
Irina একটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম। 

কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে এমন এক বস্তু যা কোনো প্রকার ইউজার অনুমতি ছাড়াই একজনের কম্পিউটারে প্রবেশ করে অনেক বড় ক্ষতি সাধন করে থাকে এবং নিজেই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করে ফেলতে পারে এবং সহজেই অন্য কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফেলতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস যে সকল ক্ষতিসাধন করে থাকে- 
১. কম্পিউটারে ভাইরাস সংক্রমণ হলে নিজে থেকেই স্লো কাজ করা শুরু করে দেয় যার ফলে নিজের কাজের অনেক অংশে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। 
২. ভাইরাস নিজে থেকেই কম্পিউটার হার্ডড্রাইভের ফাইল গুলোকে ডিলিট করে দেয় অথবা ক্রাপ্টেড করে দেয় যার ফলে নিজের দরকারি ডেটা গুলো আর কাজ করেনা এতে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতি হয়ে যায়।
৩. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার জনিত বিভিন্ন সমস্যার তৈরি করে থাকে যার ফলে হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 
৪. কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করছে এবং কিছু ডাটা নিজের চোখের সামনে অন্য কারো কাছে চলে যাচ্ছে কিন্তু কিছুই করার থাকেনা তখন।
৫. কম্পিউটারের গতিকে অনেক বেশী ধীর গতি করে ফেলে যার কারণে কোন ধরণের কাজ করা হয়ে উঠেনা।
৬. ব্যাক্তিগত ডাটা চুরি করে কম্পিউটারের মালিকের কাছে থেকে মুক্তিপন চেয়ে ব্ল্যাকমেইল করার মত অনেক ঘটনা রয়েছে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০,২১২.
কম্পিউটারে কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ডিস্ক ক্লিন আপ
  2. খ) অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার
  3. গ) ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার যেহেতু সফ্টওয়্যার চালিত যন্ত্র তাই সফ্টওয়্যার হালনাগাদ ও আপডেটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে সংরক্ষণ ও কাজের গতি ঠিক রাখা যায়। যেমনঃ
১। কেউ যদি তার কম্পিউটারে মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে তবে তা সব সময় হালনাগাদ করতে হবে।
২। কম্পিউটারকে সচল ও গতিশীল রাখার জন্য মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
৩। কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়। সেজন্য আমাদের উচিত, সফ্টওয়্যারের সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করা বা মুছে দেয়া। এতে হার্ডডিস্কের
বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।
৪। ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। এতেও কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়। প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।
৫। এন্টিভাইরাস, এন্টি স্পাইওয়্যার ছাড়া আইসিটি ডিভাইস ব্যবহার করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে ক¤িপউটার ব্যবহারকারীগণ তাদের যন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে। এদের মধ্যে অনেক এন্টিভাইরাস, এন্টি ¯পাইওয়্যার ইন্টারনেট হতে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।
এছাড়াও কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য প্রায় সব ব্যবহারকারী ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করে থাকে। এ প্রোগ্রামগুলো সাধারণত অপারেটিং সিস্টেমের সাথে দেয়া থাকে। এ দুটো প্রোগ্রাম হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করে এবং ফাইলগুলো এমনভাবে সাজায় যাতে কম্পিউটার এর গতি বজায় থাকে।

সুত্রঃ কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে সফ্টওয়্যারের গুরুত্ব, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২১৩.
একটি এক্সেলে ফাইলের যে অংশে কাজ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ওয়ার্কবুক
  2. ওয়ার্কশীট
  3. ফিল্ড
  4. ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কশীট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কশীট
ব্যাখ্যা

ওয়ার্কশীটঃ
একটি এক্সেলে ফাইলের যে অংশে কাজ করা হয় তাকে ওয়ার্কশীট বলে। ওয়ার্কশীটে গ্রাফ কাগজের ন্যায় অনেক সেল থাকে।
ওয়ার্কবুকঃ
এক্সেল শিটে কাজ করার পর এটিকে ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। সংরক্ষিত এই ফাইলকে ওয়ার্ক বুক বলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,২১৪.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) ফক্সপ্রো
  2. খ) লিনাক্স
  3. গ) ফোরট্রান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ফক্সপ্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফক্সপ্রো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এ তথ্যকে বলা হয় ডাটাবেজ।
বর্তমানে অনেক ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয় ।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
- Informix
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ফাইল
- মেকার
- ওরাকল
- Firebird
- মাই এসকিইএল
- SQL Server Express
- সাইবেজ
- InterBase
- ডিবেজ
- DATACOM/DB
- ফক্সপ্রো
- বেজ ইত্যাদি
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)
১০,২১৫.
DHCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Dynamic Host Communication Protocol
  2. Dynamic Host Computer Protocol
  3. Dynamic Host Configuration Protocol
  4. Dynamic Hosting Cable Protocol
সঠিক উত্তর:
Dynamic Host Configuration Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dynamic Host Configuration Protocol
ব্যাখ্যা
- DHCP এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol.
- ডায়নামিক হোস্ট কনফিগারেশন প্রোটোকল (DHCP) হল একটি ক্লায়েন্ট/সার্ভার প্রোটোকল যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) হোস্টকে তার IP ঠিকানা এবং অন্যান্য সম্পর্কিত কনফিগারেশন তথ্য যেমন সাবনেট মাস্ক এবং ডিফল্ট গেটওয়ে প্রদান করে।
- DHCP কনফিগার করা হয় যেখানে ম্যানুয়ালি আইপি এসাইন করা কঠিন অর্থাৎ যেখানে নেটওয়ার্ক টি অনেক বড়।
- একটি TCP/IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের নেটওয়ার্ক এবং এর সংস্থানগুলি অ্যাক্সেস করার জন্য একটি ইউনিক ইউনিকাস্ট IP ঠিকানা থাকতে হবে।
- DHCP ব্যতীত, নতুন কম্পিউটার বা কম্পিউটারের আইপি ঠিকানা যা এক সাবনেট থেকে অন্য সাবনেটে স্থানান্তরিত হয় সেগুলি ম্যানুয়ালি কনফিগার করা আবশ্যক, নেটওয়ার্ক থেকে সরানো কম্পিউটারগুলির জন্য IP অ্যাড্রেসগুলি ম্যানুয়ালি পুনরুদ্ধার করা আবশ্যক৷

উৎস: [Microsoft]
১০,২১৬.
নিচের কোনটি ২য় প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. IBM 1620
  2. IBM 360
  3. Mark IV
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
IBM 1620
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM 1620
ব্যাখ্যা

IBM 1620 হচ্ছে ২য় প্রজন্মের কম্পিউটার।

২য় প্রজন্ম:
-দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর আকারে ছোট, বিদ্যুৎ খরচ কম, দামে সস্তা এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকারে ছোট, দ্রুতগতির এবং বেশি নির্ভরযোগ্য ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে সর্বপ্রথম হাইলেভেল ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, IBM1600, IBM 1620 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৪. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৫. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা; ইত্যাদি।।

উল্লেখ্য,
- Mark IV : প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
- IBM 360 : তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১০,২১৭.
নিচের কোনটি অ্যালগরিদমের সঠিক বিবরণ?
  1. সবসময় সঠিক সমাধান দেয়
  2. এগুলো কেবল কম্পিউটারে ব্যবহার হয়
  3. এগুলো শুধু সংখ্যার জন্যই
  4. সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা 
সঠিক উত্তর:
সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা 
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।

অ্যালগরিদম হলো একটি সুসংগঠিত এবং ধাপে ধাপে প্রণীত নির্দেশনার সেট, যা কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি করা হয়। এটি কেবল কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য নয়, বরং যেকোনো ধরনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োগ করা যেতে পারে। অ্যালগরিদমকে সংখ্যার সমস্যার সীমানায় সীমাবদ্ধ করা যায় না, কারণ এটি যেকোনো ধরণের ইনপুট বা ডেটার উপর প্রয়োগ করা যেতে পারে। মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি পরিষ্কারভাবে সংজ্ঞায়িত ধাপের মাধ্যমে কাজ করে এবং ফলাফল পাওয়ার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি নির্দেশ করে। সুতরাং, অ্যালগরিদম মানে ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধানের নিয়মিত পদ্ধতি।
 
 • অ্যালগরিদম (Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।  
- এটি যেকোনো ধরণের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা যায়, শুধুমাত্র সংখ্যার জন্য নয়।  
- অ্যালগরিদম সবসময় সঠিক সমাধান দিতে পারে, তবে নির্ভর করে নির্দেশনার সঠিকতার উপর।  
- এটি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়, কিন্তু কম্পিউটারের জন্যই সীমাবদ্ধ নয়।  
- মূলত অ্যালগরিদম হলো ধাপে ধাপে পরিকল্পিত সমাধান প্রক্রিয়া।  

সুতরাং, অ্যালগরিদমের সঠিক সংজ্ঞা হল সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।  
- সঠিক উত্তর: ঘ) সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।

সূত্র:
- Cormen, Leiserson, Rivest, and Stein – Introduction to Algorithms (CLRS).

১০,২১৮.
(5DF)16 সংখ্যাটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. 1503
  2. 1519
  3. 1488
  4. 1610
সঠিক উত্তর:
1503
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1503
ব্যাখ্যা

(5DF)16 সংখ্যাটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে 1503 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, প্রতিটি অঙ্ককে 16-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় D = 13 এবং F = 15।

• এখানে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটি হলো (5DF)16
• এর দশমিক রূপান্তর হলো:
 = (5 × 162) + (D × 161) + (F × 160)
 = (5 × 256) + (13 × 16) + (15 × 1)
 = 1280 + 208 + 15
 = 1503

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২১৯.
কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল কত?
  1. ১৯২১ থেকে ১৯৬৪ সাল
  2. ১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ থেকে ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৬ থেকে ২০০৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্ৰজন্ম কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ থেকে  ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২০.
প্রোগ্রামিং ভাষায় কী ধরনের ভুল ঠিক করা সহজ?
  1. Syntax Error
  2. Data Error
  3. Logical Error
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
Syntax Error
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syntax Error
ব্যাখ্যা
• ডাটা ভুল (Data Error):
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা। এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error):
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• লজিক্যাল ভুল (Logical Error):
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল ।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় ।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২২১.
বিভিন্ন ধরনের Object & Symbol সংযোগে কোন কমান্ড গ্রুপটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Link
  2. খ) Filter
  3. গ) Arrange Size
  4. ঘ) Text
সঠিক উত্তর:
ঘ) Text
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Text
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরনের Object & Symbol সংযোগে টেক্সট কমান্ড গ্রুপটি ব্যবহার করা হয়। 

- Text কমান্ড গ্রুপ থেকে ওয়ার্কশিট এ Text Box, Header and Footer, WordArt, Signature বিভিন্ন ধরনের Obejct & Symbol সংযোগ করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১০,২২২.
মোবাইল ইন্টারনেট -এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. WAP
  2. GPRS
  3. EDEG
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মোবাইল ইন্টারনেট: 
- GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 
- মোবাইল ফোনে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়, কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না। 
- এক্ষেত্রে খানিকটা উঁচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। 
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা: 
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়। 
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়। 
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়। 
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়। 
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়। 
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা: 
• শুধুমাত্র বিশেষ পর্যায়ের হ্যান্ডসেটগুলোতেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়। 
• লো-কনফিগারেশনের মোবাইলগুলোতে ফ্ল্যাশ ও অন্যান্য ভারী কনটেন্ট চালানো সহজ হয় না। 
• মেসেজ বা ই-মেইল টাইপ করতে সময় বেশি লাগে। 
• ইন্টারনেটের খরচ অনেক বেশি। 
• ওয়েব সাইটে থাকা পিডিএফ, ভিডিও ফাইল পড়তে ও দেখতে সমস্যা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৩.
ডিস্ক ফরম্যাট করার কাজটি কোন ধরনের সফটওয়্যার দ্বারা করা হয়?
  1. প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ইউটিলিটি সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউটিলিটি সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus,
- File Management System,
- Disk Management tools,
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের কাজ:
- ফাইল তৈরি করা,
- সংরক্ষণ করা,
- কোনো কিছু ডিলিট করা,
- ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৪.
কোন গেইটের ক্ষেত্রে কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. OR
  2. AND
  3. NOT
  4. NOR
সঠিক উত্তর:
OR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৫.
ALU কোন ধরনের অপারেশন সম্পন্ন করে?
  1. তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
  2. ব্রাউজিং এবং ডাউনলোডিং
  3. মিউজিক প্লে করা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
ব্যাখ্যা

• গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- ALU রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও করে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২২৬.
ডি-মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য কোনটি?
  1. A+0=A
  2. A+A=A
  3. A⋅1=1
  4. .
সঠিক উত্তর:
.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.
ব্যাখ্যা
হচ্ছে ডি-মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য।

ডি-মরগ্যান উপপাদ্য:


উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৭.
অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সাধারণত কোন ডোমেইন নেইম গ্রহণ করে?
  1. net
  2. int
  3. edu
  4. org
সঠিক উত্তর:
org
উত্তর
সঠিক উত্তর:
org
ব্যাখ্যা

বর্তমানে প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় ডোমেন নামের বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলোঃ
net - নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রতিষ্ঠান
com - বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
edu - শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
int - আন্তর্জাতিক সংগঠন
org - অলাভজনক প্রতিষ্ঠান
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১০,২২৮.
গ্রাফিক্স কার্ড বা সাউন্ড কার্ডের মতো অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য কোন বাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনাল বাস
  2. এক্সপানশন বাস
  3. অ্যাড্রেস বাস
  4. ডেটা বাস
সঠিক উত্তর:
এক্সপানশন বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সপানশন বাস
ব্যাখ্যা

 সঠিক উত্তর: খ) এক্সপানশন বাস।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 
- এক্সপানশন বাস হলো এমন বাস যা মূল মাদারবোর্ডের প্রসেসর বা মেমরির বাইরে থাকা অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পিসিতে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা নেটওয়ার্ক কার্ড যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত আইও পোর্ট সাধারণত এক্সপানশন বাসের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB),
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২২৯.
কোন প্রকার প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীর ডিভাইস আটকে দেয় এবং মুক্তিপণ চায়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ওয়ার্ম 
  4. র‍্যানসমওয়‍্যার
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
ব্যাখ্যা

• র‍্যানসমওয়্যার হলো একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস লক করে ফেলে এবং মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে। এটি সাধারণত ইমেল অ্যাটাচমেন্ট, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ডাউনলোড করা ফাইলের মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে। 

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১০,২৩০.
What type of software is BIOS?
  1. Application software
  2. Firmware 
  3. Operating system
  4. Driver software
সঠিক উত্তর:
Firmware 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firmware 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware 
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। এটি পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করে। স্টার্ট-আপের পর, BIOS অপারেটিং সিস্টেম এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) সম্পাদন করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক থাকলে, BIOS মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR) খুঁজে বের করে, যা নির্দেশ দেয় সিস্টেম কীভাবে বুট (শুরু) করবে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় স্টোরেজ ড্রাইভ পরিচালনা করতে সক্ষম এবং BIOS-এর তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী করতে পারেন:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করা,
- কম্পিউটার বুটের ক্রম পরিবর্তন করা,
- মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,২৩১.
নিচের কোনটি Apple-এর প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল পার্সোনাল কম্পিউটার?
  1. Windows PC
  2. IBM PC
  3. Macintosh
  4. Commodore 64
সঠিক উত্তর:
Macintosh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Macintosh
ব্যাখ্যা

Macintosh হচ্ছে Apple-এর প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল পার্সোনাল কম্পিউটার।

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড (Apple Inc.) একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যা ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক প্রতিষ্ঠা করেন।
- কোম্পানিটির প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যুপার্টিনো, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
অ্যাপলের বিশেষত্ব:
- অ্যাপল কম্পিউটার সফটওয়্যার, পার্সোনাল কম্পিউটার, মোবাইল ট্যাবলেট, স্মার্টফোন এবং কম্পিউটার পেরিফেরালস-এর ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত।
- তারা প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি করে।
- প্রথমবারের মতো গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ব্যাপকভাবে প্রচলনে আনে।

• অ্যাপলের উল্লেখযোগ্য কিছু পণ্য:
- Macintosh (1984): গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহারকারী প্রথম দিককার পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- iPod (2001): এটি একটি পোর্টেবল MP3 প্লেয়ার
- iPhone (2007): এটি একটি টাচ স্ক্রিন স্মার্টফোন, যা MP3 ও ভিডিও চালানো এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
- Apple Watch (2015): এটি অ্যাপলের ওয়্যারএবল প্রযুক্তি জগতে প্রবেশের সূচনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,২৩২.
ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে কী বলা হয়?
  1. Private Cloud
  2. Public Cloud
  3. Hybrid Cloud
  4. Community Cloud
সঠিক উত্তর:
Hybrid Cloud
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hybrid Cloud
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
১. হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলা হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

২. পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

৩. প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।

৪. কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):

- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,২৩৩.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. সিস্টেম বোর্ড
  3. মেইনবোর্ড
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৩৪.
কোন প্রজন্মের মোবাইলে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করা সম্ভব হয়?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২৩৫.
রেডিরফডটআরইউ হচ্ছে এক ধরণের -
  1. ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সার্ভিস
  2. অনলাইন প্রতারণা
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অনলাইন প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনলাইন প্রতারণা
ব্যাখ্যা
- রেডিরফডটআরইউ হচ্ছে এক ধরণের অনলাইন প্রতারণা। 
- ‘রেডিরফডটআরইউ’ নামের এই প্রতারণায় ব্যবহারকারীদের কাছে জরিপে অংশ নিতে একটি ওয়েব লিংক পাঠানো হয়।
- ব্যবহারকারীদের লোভনীয় পুরস্কারের প্রলোভনও দেয় তারা।
- জরিপে থাকা ফর্ম পূরণ করলেই ব্যবহারকারীদের নাম, বয়স, ঠিকানা, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্যসহ আর্থিক লেনদেনের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেয় সাইবার অপরাধীরা।
- পরে চুরি করা তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ চুরি করে নেয় তারা। এমনকি নিজেরা অনলাইনে দামি পণ্য কিনে ব্যবহারকারীদের কার্ড থেকে মূল্যও পরিশোধ করে।
- আইপি ঠিকানার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে প্রতারণামূলক বিভিন্ন মেইল ও বিজ্ঞাপন পাঠাতে থাকে।
- এসব বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেই ভুয়া ওয়েবসাইট চালু হয় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে মেলওয়্যারযুক্ত ক্ষতিকর অ্যাপ প্রবেশ করে। ফলে যন্ত্রের নিরাত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। 
- অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপের ডেস্কটপ সংস্করণেও এ প্রতারণা ছড়িয়ে পড়েছে।

উৎস: প্রথম আলো
১০,২৩৬.
অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি কত?
  1. ১৬
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• অক্ট্যাল সংখ্যা: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

অন্যদিকে,
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২৩৭.
suriv - 01 কী?
  1. ভাইরাস
  2. এন্টিভাইরাস
  3. ২য় প্রজন্মের কম্পিউটার
  4. আপ্লিকেশন সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ইজরাইলের তেল আবিবে এক প্রোগ্রামার suriv - 01 ভাইরাস তৈরি করেন। 
এটি ছিল মেমরি রেসিডেন্ট ভাইরাস কিন্তু এটি com ফাইলকে আক্রমন করত। 

সূত্র - কম্পিউটার ও ICT - 2, ভোকেশনাল, বোর্ড বই
১০,২৩৮.
AND গেইটে A ও B দুটি ইনপুটি 0 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 10
  4. 11
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা
• AND গেইট:
- বুলিয়ান আলজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য যে লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে AND গেইট বলে।
- এ গেইটে দুই বা দুই এর অধিক ইনপুট এবং একটিমাত্র আউটপুট থাকে।
- যে কোনো একটি ইনপুট মিথ্যা (0) হলে আউটপুট মিথ্যা (0) হবে।
- সবগুলো ইনপুট সত্য (1) হলে আউটপুট সত্য (1) হবে।
- যদি দুটি ইনপুট A ও B হয়, তাহলে এর আউটপুট হবে, Y= A.B
- এক্ষেত্রে ইনপুট A=1 এবং B=1 হলে কেবল আউটপুট X=1 হবে।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৩৯.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. Chrome
  2. Viber
  3. Skype
  4. Facebook
সঠিক উত্তর:
Chrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chrome
ব্যাখ্যা
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।   
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 

-ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- 
- Google Chrome 
- Mozilla Firefox
- Safari 
- Opera 
- Microsoft Edge 
- Maxthon 
- Brave
- UC Browser 
 
অন্যদিকে Facebook, Viber, Skype হচ্ছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১০,২৪০.
কোন সালে '@' কে ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারের জন্য বেছে নেয়া হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৮৪
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
ব্যাখ্যা
[Ray Tomlinson ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হোন এবং ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেহেতু ১৯৭১ সালে '@' কে ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহারের জন্য বেছে নেয়া হয়। কিন্তু অপশনে ১৯৭১ না থাকায় কাছাকাছি এবং সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে ১৯৭২ সাল উত্তর নেয়া হয়েছে।]

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৪১.
MAC - এর পূর্ণরূপ:
  1. ক) Multimedia Access Control
  2. খ) Media Access Control
  3. গ) Memory Access Control
  4. ঘ) Media Application Control
সঠিক উত্তর:
খ) Media Access Control
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Media Access Control
ব্যাখ্যা
MAC বা MAC address হলো- ''Media Access Control address''.

- এটি Apple Macintosh কম্পিউটার সম্পর্কিত কিছু নয়।
- MAC address হলো একটি হার্ডওয়্যার identification নম্বর যা কোনও নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইস আলাদাভাবে চিহ্নিত করে।
- MAC address প্রতিটি নেটওয়ার্ক কার্ডে তৈরি করা হয় যেমন Ethernet কার্ড বা Wi-Fi কার্ড এবং তা পরিবর্তন করা যায় না।
- MAC address হল একটি 12-সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল নাম্বার (6-বাইট বাইনারি নম্বর), যা বেশিরভাগ কোলন-হেক্সাডেসিমেল নোটেশন ব্যবহার করা হয়।
- ইহা একটি ৪৮ বিট বিশিষ্ট নাম্বার। 
- MAC address মূলত এই ফরমেট অনুসরণ করে: XX:XX:XX:XX:XX:XX
- ইহা একটি ইউনিক এড্রেস। দুটি ডিভাইসের একই MAC ঠিকানা থাকতে পারে না।
১০,২৪২.
VR গেমিং-এ “ইমারশন” শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক্লান্তি অনুভব করা
  2. ঠাণ্ডা অনুভব করা
  3. মনে হওয়া যেন  আমরা গেমের মধ্যে
  4. ক্ষুধার অনুভূতি
সঠিক উত্তর:
মনে হওয়া যেন  আমরা গেমের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনে হওয়া যেন  আমরা গেমের মধ্যে
ব্যাখ্যা

• VR গেমিং-এ “ইমারশন” শব্দটি বোঝায় এমন একটি অভিজ্ঞতা যেখানে খেলোয়াড় মনে করে যে সে আসলেই গেমের মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ, ভার্চুয়াল বাস্তবতা পরিবেশ এতটাই বাস্তবসম্মত ও সংহতভাবে উপস্থাপিত হয় যে খেলোয়াড়ের মন ও ইন্দ্রিয় পুরোপুরি সেই পরিবেশে নিমগ্ন হয়। এই অবস্থায় খেলোয়াড় বাস্তব পৃথিবীর কিছুটা অংশকে অল্প সময়ের জন্য ভুলে যেতে পারে এবং গেমের দৃশ্য, চরিত্র বা গল্পের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত থাকে। ইমারশন গেমিং-এর মূল লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে যতটা সম্ভব বাস্তবসম্মত ও প্রায় “প্রাণবন্ত” করে তোলা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) মনে হওয়া যেন আমরা গেমের মধ্যে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০,২৪৩.
NOT গেটের অপর নাম কী?
  1. OR gate
  2. AND gate
  3. Universal gate
  4. Inverter
সঠিক উত্তর:
Inverter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inverter
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে NOT গেট একটি মৌলিক গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি তার ইনপুট সিগন্যালকে সম্পূর্ণ উল্টে বা বিপরীত করে আউটপুটে প্রকাশ করে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রযুক্তিগতভাবে একে ইনভার্টার নামেও অভিহিত করা হয়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. Science Direct [link]

১০,২৪৪.
নিচের কোনটি সবচেয়ে বড় তথ্য সংরক্ষনের একক?
  1. ক) পেটা বাইট
  2. খ) গিগা বাইট
  3. গ) মেগা বাইট
  4. ঘ) টেরা বাইট
সঠিক উত্তর:
ক) পেটা বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেটা বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ পেটা বাইট = ১০০০ টেরা বাইট
- ১ টেরা বাইট = ১০০০ গিগা বাইট
- ১ গিগা বাইট = ১০০০ মেগা বাইট
- ১ মেগা বাইট = ১০০০ কিলোবাইট

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২৪৫.
বিল গেটস এর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হল ?
  1. Windows 95
  2. Tic-Tac-Toe
  3. MS DOS
  4. BASIC
সঠিক উত্তর:
Tic-Tac-Toe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tic-Tac-Toe
ব্যাখ্যা
- লেক সাইড স্কুলে পড়ার সময়ই বিল গেটস প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেন।
- টিক-ট্যাক-টো (Tic-tac-toe) নামক এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের বিপরীতে গেম খেলার জন্য তৈরি প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রাম।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার প্রথম এই সফটওয়্যার প্রোগ্রামটি আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: Britannica.com
১০,২৪৬.
এক word কত বিট বিশিষ্ট হয়? 
  1. ক) 8
  2. খ) 16
  3. গ) 4
  4. ঘ) 2
সঠিক উত্তর:
খ) 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 16
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) :
৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
অপরদিকে,
- কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।


কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক:
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
 
 
১০,২৪৭.
IBM-709 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
ব্যাখ্যা
IBM-709, হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- প্রধান ইলেকট্রনিক উপাদান হিসাবে ভালভ বা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করত।
- কম্পিউটিং ক্ষমতা সীমিত ছিল।
- বৃহদাকার ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার। 
- কাজের সময় খুব গরম হতো। 
- সীমিত তথ্য ধারণ করতো। 
- পাগ বোর্ড দিয়ে প্রোগ্রাম চালনা করা হতো। 

উদাহরণ- IBM-650,704,709, UNIVAC-1 ইত্যাদি। 

সূত্র- ১৫ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
১০,২৪৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নয়?
  1. Monitor
  2. MS paint
  3. Keyboard
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
MS paint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS paint
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device): সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

সফটওয়্যার:
সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।

সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে লিখিত সুশৃঙ্খল কতগুলো নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম রাখে, তাকে সফটওয়্যার বলে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার: Dos, Windows, MS Office, MS paint, Adobe Photoshop, Video Player, PageMaker.

অন্যদিকে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা
১০,২৪৯.
কম্পিউটার সংগঠনের কোন অংশ, কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে?
  1. ইনপুট ইউনিট
  2. কন্ট্রোল ইউনিট
  3. গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
  4. আউটপুট ইউনিট
সঠিক উত্তর:
কন্ট্রোল ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্ট্রোল ইউনিট
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়।

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট।

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)।
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৫০.
শিল্প কারখানায় পণ্য উৎপাদনের জন্য যন্ত্রপাতি কম্পিউটার দিয়ে নিয়ন্ত্রণে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) CAM
  2. খ) CORE
  3. গ) CAD
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ক) CAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) CAM
ব্যাখ্যা
Computer Aided Manufacturing (CAM) is the use of software and computer-controlled machinery to automate a manufacturing process.
১০,২৫১.
ভৌগলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান বই অনুসারে -
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN),
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN),
৩. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং
৪. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)।

=======================

অপরদিকে, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির আলিম শ্রেণীর বোর্ড বইয়ে -
নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর ভৌগোলিক অবস্থানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network-CAN)কে অন্তর্ভুক্ত করে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

অবশ্য বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করে দেখানো হয়েছে, সেখানে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network-CAN)কে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, CAN মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবহার করে গড়ে উঠেছে। অর্থাৎ, একে LAN এর অন্তর্ভুক্ত ধরা যায়। 

তাই, কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত চার ভাগেই ভাগ করা যায়। যথা- LAN, MAN, WAN, PAN.
এই কারণে, চার ভাগকে অধিক নির্ভরযোগ্য উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

সূত্র: University of Toronto; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২৫২.
Precision Agriculture এ সাধারণত নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনফ্রা রেড ইমেজিং
  2.  আই.ও.টি (IoT), সেন্সর
  3. তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক 
  4. ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে
সঠিক উত্তর:
 আই.ও.টি (IoT), সেন্সর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 আই.ও.টি (IoT), সেন্সর
ব্যাখ্যা

• Precision Agriculture হল এমন একটি আধুনিক কৃষি পদ্ধতি যা ফসলের উৎপাদন, জমির স্বাস্থ্য এবং কৃষি সম্পদ কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই ক্ষেত্রে ইনফ্রা রেড ইমেজিং, IoT ও সেন্সর এবং তার মাধ্যমে সম্পন্ন নেটওয়ার্ক মূল ভূমিকা রাখে। ইনফ্রা রেড ইমেজিং-এর মাধ্যমে ফসলের জল, পুষ্টি এবং রোগের অবস্থা নির্ণয় করা যায়। IoT ডিভাইস এবং সেন্সর জমির আর্দ্রতা, তাপমাত্রা ও অন্যান্য পরিবেশগত তথ্য সংগ্রহ করে। এই তথ্যগুলি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে রিয়েল-টাইম ডেটা প্রদান করে, যা কৃষককে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। অন্যদিকে OLED ডিসপ্লে সরাসরি Precision Agriculture-এ ব্যবহৃত হয় না।
- তবে, সঠিক উত্তর হিসেবে -  [আই.ও.টি (IoT), সেন্সর] নেয়া হয়েছে। 

- মাঠে স্থাপিত সেন্সরগুলো মাটি, পানি, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, এবং পুষ্টি উপাদানের তথ্য সংগ্রহ করে। এই ডেটা রিয়েল-টাইমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে এবং তারা সেই অনুযায়ী সেচ, সার প্রয়োগ বা অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে পারে। ফলে উৎপাদন বাড়ে, পরিবেশ দূষণ কমে এবং খরচ সাশ্রয় হয়। Precision Agriculture-এ শুধু সেন্সর নয়, IoT-এর মাধ্যমে এই ডেটা সংযুক্ত থাকে, যা স্বয়ংক্রিয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।

উত্তর: খ) IoT, সেন্সর।
 
• অপশন আলোচনা:
ক) ইনফ্রা রেড ইমেজিং: মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য ও আর্দ্রতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত।
খ) আই.ও.টি (IoT), সেন্সর: মাটির আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, পুষ্টি পরিমাপের জন্য প্রধান প্রযুক্তি। (সঠিক উত্তর)। 
গ) তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক: সেন্সর ও ডিভাইসগুলোর ডেটা সংযোগ ও ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত।
ঘ) ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে: মূলত ডিসপ্লে বা প্রদর্শনের জন্য, কৃষি প্রযুক্তিতে সরাসরি প্রয়োগ কম।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- UNDP [link]
- digi [link]
- Britannica [link]

১০,২৫৩.
ডাটা রেজিস্টার হলো এক ধরণের-
  1. ক) User-visible register
  2. খ) Control Register
  3. গ) Status Register
  4. ঘ) উপরের কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
ক) User-visible register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) User-visible register
ব্যাখ্যা

User Visible Registers:
- General Purpose Register
- Data Register
- Address Register
- Condition Codes

১০,২৫৪.
স্ক্যানার কোন কমিউনিকেশন পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে?
  1. ক) প্যারালাল
  2. খ) স্ক্যাজি
  3. গ) ফায়ারওয়্যার
  4. ঘ) সিরিয়াল
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারালাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারালাল
ব্যাখ্যা
প্যারালাল পোর্টে ডেটা সমান্তরালভাবে আদান প্রদান হয়। দ্রুতগতিতে তথ্য আদান প্রদানের জন্য এই ইন্টারফেসটি ব্যবহৃত হয়। সাধারণত ১ বিট বা ৮ বাইট ডেটা পাশাপাশি ৮টি লাইনের মাধ্যমে আদান প্রদান হয় বলে এটিকে প্যারালাল পোর্ট বলে। এই পোর্টে প্রিন্টার, স্ক্যানার, সিডি বা ডিভিডি ড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ইত্যাদি যন্ত্র যুক্ত করা হয়। স্ক্যানার প্যারালাল কমিউনিকেশন পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে।
১০,২৫৫.
কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কোনটিকে?
  1. RAM
  2. CPU
  3. GPU
  4. BIOS
সঠিক উত্তর:
CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU
ব্যাখ্যা
• CPU:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।

- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ। কারণ মানুষের মস্তিষ্ক যেমন শরীরের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, ঠিক তেমনই CPU একটি কম্পিউটারের সমস্ত কার্যকলাপ পরিচালনা করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর সংগঠন:
-  সিপিইউ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)

অন্যদিকে,
• RAM: এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যেখানে কম্পিউটার কাজ করার সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।
• GPU: এটি হলো গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট, যা ছবি ও ভিডিও এডিটিং , গেমিং ইত্যাদি কাজে কাজে ব্যবহৃত হয়।
• BIOS: এটি বুটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম লোড করা, হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজেশন ও টেস্টিং সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৫৬.
"লাইটপেন" কোন ক্যাটাগরির ডিভাইসের অন্তর্গত?
  1. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  2. স্টোরেজ ডিভাইস
  3. ইনপুট ডিভাইস
  4. আউটপুট ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ব্যবহারকারীকে সরাসরি স্ক্রিনের উপর পয়েন্ট বা নির্বাচন করতে সাহায্য করে। লাইটপেন একটি বিশেষ ধরনের পেন যা টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের উপর আলোকে সংবেদন করে। যখন এটি স্ক্রিনের সঙ্গে স্পর্শ করা হয়, তখন স্ক্রিনের নির্দিষ্ট স্থান থেকে লাইটপেন সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে প্রোগ্রাম বা গ্রাফিক্স নির্বাচন, আঁকা বা কমান্ড দেওয়ার কাজ করতে পারে। তাই এটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।

- উত্তর: গ) ইনপুট ডিভাইস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৫৭.
DNS সার্ভারের প্রধান কাজ কী?
  1. নেটওয়ার্কের গতি মাপা
  2. ইন্টারনেট ট্রাফিক গোপন রাখা
  3. ফাইল সংরক্ষণ করা
  4. ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

- DNS (Domain Name System) সার্ভারের মূল কাজ হলো ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা। 

• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  

১০,২৫৮.
নিচের কোনটি Anti-virus সফটওয়্যার নয়?
  1. Symantec
  2. Sybase
  3. McAfee
  4. Kaspersky
সঠিক উত্তর:
Sybase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sybase
ব্যাখ্যা
• Anti-virus সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। 
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে। 
- কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
• Symantec, 
• McAfee, 
• AVG Anti-Virus, 
• AVIRA, 
• AVAST Anti-Virus, 
• TREND micro, 
• ESET NOD32, 
• Kaspersky Anti-Virus, 
• Microsoft Security Essential, 
• ZoneAlarm Anti-Virus, 
• Cobra Anti-Virus, 
• Bitdefender, 
• Norton Anti-Virus, 
• Panda Anti-Virus, 
• PC Tools Anti-Virus etc. 
 
- Sybase হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১০,২৫৯.
লাইটপেনের প্রধান কাজ কী?
  1. তথ্য প্রদর্শন করা
  2. ডিজিটাল কনটেন্ট সংরক্ষণ করা
  3. ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
  4. প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
ব্যাখ্যা
• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের স্ক্রীনে সরাসরি লেখা বা ছবি আঁকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা, অর্থাৎ ব্যবহারকারী স্ক্রীনের নির্দিষ্ট স্থানে লাইটপেন স্পর্শ করলে সেটি সেই অবস্থানের তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। লাইটপেনের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা এবং সম্পাদনা করা সহজ হয়। এটি তথ্য প্রদর্শন বা প্রসেসিং গতি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং এটি ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই লাইটপেনের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশনা বা ড্রয়িং ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করা।

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬০.
এনক্যাপসুলেশন কোন প্রোগ্রামিং মডেলের বৈশিষ্ট্য?
  1. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  2. ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং
  3. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  4. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
সঠিক উত্তর:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬১.
কোন গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. NOT
  2. OR
  3. AND
  4. NAND
সঠিক উত্তর:
AND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND
ব্যাখ্যা
 মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে। 

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬২.
স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সহজে অনুধাবনযোগ্য।
  2. ডিবাগিং করা কঠিন।
  3. রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন।
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
সহজে অনুধাবনযোগ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজে অনুধাবনযোগ্য।
ব্যাখ্যা
• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এমন এক ধরনের প্রোগ্রামিং যেখানে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।
- C, Pascal, QBASIC, ALGOL, PL/I, Ada ইত্যাদি হলো স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। পর্যায়ক্রমিক গঠন (Sequential Structure),
২। চক্র বা লুপ (Loop) ও
৩। ডিশিসন স্টেটমেন্ট (Desicion Statement)

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- এটা সহজে অনুধাবনযোগ্য।
- ডিবাগিং করা সহজ।
- সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।
- সহজে রচনা করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬৩.
নিচের কোন সম্পর্কটি ভুল?
  1. ক) 8 Bits = 1 Byte
  2. খ) 1024 TB = 1 PB
  3. গ) 1024 PB = 1 ZB
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) 1024 PB = 1 ZB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1024 PB = 1 ZB
ব্যাখ্যা
The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (KiloByte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terabyte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (ExaByte)
১০,২৬৪.
বর্তমানে প্রথম শ্রেণির এন্ডোয়েড স্মার্ট ফোনে (LG Flex, Nexus এবং Samsung Galaxy) কোন ধরণের মনিটর ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) CRT Monitor
  2. খ) AMOLED Monitor
  3. গ) Android Monitor
  4. ঘ) LCD Monitor
সঠিক উত্তর:
খ) AMOLED Monitor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) AMOLED Monitor
ব্যাখ্যা
AMOLED Monitor
AMOLED- Active Matrix Organic Light Emitting Diode. মােবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি। বর্তমানে এটি প্রথম শ্রেণির এন্ডোয়েড স্মার্ট ফোন যেমন- LG Flex, Nexus এবং Samsung Galaxy s সিরিজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেক গুণ বেশি। এর ইমেজ মান খুবই ভালাে। এটি অনেক পাতলা ও হালকা। এ প্রযুক্তিতে আগের LCD এর চেয়ে ৩০-৫০% কম পাওয়ার লাগে। এর রেসপন্স টাইম এলসিডি এর চেয়ে হাজার গুণ বেশি। AMOLED ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলাে OLED (organic light-emitting diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়। অপর লেয়ারটি হলাে TFT (thin-film transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১০,২৬৫.
Which was the first smartphone developed by IBM?
  1. iPhone
  2. Simon
  3. Galaxy
  4. BlackBerry
সঠিক উত্তর:
Simon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simon
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Simon

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০,২৬৬.
গুগল প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৮
  3. ১৯৬৯
  4. ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০,২৬৭.
1 + 1 + 1 এর বাইনারি যোগফল কত?
  1. যোগফল = 0, ক্যারি = 0
  2. যোগফল = 0, ক্যারি = 1
  3. যোগফল = 1, ক্যারি = 0
  4. যোগফল = 1, ক্যারি = 1
সঠিক উত্তর:
যোগফল = 1, ক্যারি = 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগফল = 1, ক্যারি = 1
ব্যাখ্যা
• বাইনারি যোগ (Binary Addition):
- বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়।
- দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1), যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।

আবার 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬৮.
মডেমের কোন অংশ অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে?
  1. মডুলেটর
  2. মডুলেশন
  3. ডিমডুলেটর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিমডুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিমডুলেটর
ব্যাখ্যা
• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা-
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬৯.
নিচের কোনটি মাইক্রো ব্লগিং সাইট?
  1. ক) টুইটার
  2. খ) ফেসবুক
  3. গ) পিন্টারেস্ট
  4. ঘ) লিংকড ইন
সঠিক উত্তর:
ক) টুইটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টুইটার
ব্যাখ্যা
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটারে শুরুতে ১৪০ ক্যারেক্টারে মনের ভাব প্রকাশ করতে হতো। বর্তমানে ২৮০ অক্ষরে টুইট করা যায়।
Source: CNN and Straight
১০,২৭০.
বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটার কোডভুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) Unicode
  2. খ) BCD
  3. গ) EBCDIC
  4. ঘ) Gray Code
সঠিক উত্তর:
ক) Unicode
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Unicode
ব্যাখ্যা
• Unicode বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটার কোডভুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• ইউনিকোড (Unicode): ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)। 
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড (Unicode) ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,২৭১.
নিচের কোনটি পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল?
  1. শুধু একটি সাইটে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  2. কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
  3. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  4. সহজ এবং সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা: 
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি নিম্নোক্ত পরিচয় জ্ঞাপকের যেকোনো একটি বা তাদের সমন্বিত হতে পারে। 
(ক) ই-মেইল ঠিকানা এবং 
(খ) সামাজিক যোগাযোগের সাইটে তার প্রোফাইলের নাম। 
- ই-মেইল কিংবা ফেসবুকে নিজের একাউন্ট যেন অন্যে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 
- এক্ষেত্রে প্রত্যেক সাইটে ঢোকার ক্ষেত্রে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, সেটির গোপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি। 

- পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য কয়েকটি টিপস বা কৌশল দেওয়া হলো- 
(১) সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। প্রয়োজনে এমনকি কোনো প্রিয় বাক্যও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password ইত্যাদি পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। 
(২) বিভিন্ন ধরনের বর্ণ ব্যবহার করা অর্থাৎ কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার না করে বড় হাতের এবং ছোট হাতের বর্ণ ব্যবহার করা। 
(৩) শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অর্থাৎ শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং প্রতীক সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা। যেমন- Z26a1$alr18a1@gmail.com । 
(৪) বেশির ভাগ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে। নিয়মিত সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করা এবং শক্তিমত্তা কম হলে তা বাড়িয়ে নেওয়া। 
(৫) অনেকেই সাইবার ক্যাফে, ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র ইত্যাদিতে অনলাইন ব্যবহার করে থাকেন, এরূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আসন ত্যাগের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করা। 
(৬) অনেকেই পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন। যেমন- lastpass, keepass ইত্যাদি এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। 
(৭) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের অভ্যাস গড়ে তোলা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১০,২৭২.
সাধরণত দুটি বিট একই কিনা তা তুলনা করার জন্য কাজে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) XOR গেইট
  2. খ) XNOR গেইট
  3. গ) AND গেইট
  4. ঘ) OR গেইট
সঠিক উত্তর:
ক) XOR গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) XOR গেইট
ব্যাখ্যা

XOR gate এ বিজোড় সংখ্যাক ইনপুট ১ হলে আউটপুট ১, অন্যসময় ০ হয়।
তাহলে দুইটি ইনপুট ০ অথবা দুইটি ইনপুট ১ হলেও আউটপুট ০ হবে XOR এ।

১০,২৭৩.
ইন্টারনেটের জনক টিম বার্নার্স-লি কোন দেশে সর্বপ্রথম ওয়ার্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরী করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
গ) সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হল ইন্টারনেট দিয়ে দর্শনযোগ্য আন্তঃসংযোগকৃত তথ্যাদির একটি ভাণ্ডার। এর পুরো শব্দরূপ হলো World Wide Web। ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন।
১০,২৭৪.
_____ এ প্রেরক থাকে একজন কিন্তু গ্রাহক থাকে অনেক।
  1. ক) ফুল ডুপ্লেক্স
  2. খ) হাফ ডুপ্লেক্স
  3. গ) ব্রডকাস্ট মোড
  4. ঘ) মাল্টিকাস্ট মোড
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রডকাস্ট মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রডকাস্ট মোড
ব্যাখ্যা
ব্রডকাস্ট পদ্ধতিতে প্রেরক থাকে মাত্র একজন কিন্তু গ্রাহকের সংখ্যা থাকে অনেক।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১০,২৭৫.
ডিজিটাল কনটেন্টের কতটি প্রধান ভাগ রয়েছে? 
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল কনটেন্ট: 
- কোনো কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে সেটিই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- তবে সেটি ডিজিটাল বা এনালগ যেকোনো পদ্ধতিতেই সংরক্ষিত হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে। 
যেমন- লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা ভিডিও ডিজিটাল কনটেন্ট হতে পারে। 
- ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারের ফলে তথ্য উপস্থাপন ও স্থানান্তর সহজতর হয়। 

ডিজিটাল কনটেন্ট-এর প্রকারভেদ: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা সবই ডিজিটাল কনটেন্ট। 
- কাজেই নানাভাবে ডিজিটাল কনটেন্টকে শ্রেণিকরণ করা যায় তবে, ডিজিটাল কনটেন্টকে প্রধান চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট: 
- ডিজিটাল মাধ্যমে এখনো লিখিত তথ্যের পরিমাণই বেশি। 
- সব ধরনের লিখিত তথ্য এই ধারার কনটেন্ট। 
- এর মধ্য রয়েছে নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র, শ্বেতপত্র ইত্যাদি। 

২। ছবি: 
- সব ধরনের ছবি, ক্যামেরায় তোলা বা হাতে আঁকা বা কম্পিউটারে সৃষ্ট সকল ধরনের ছবি এই ধারার কনটেন্ট। 
- এর মধ্যে রয়েছে ফটো, হাতে আঁকা ছবি, কার্টুন, ইনফো-গ্রাফিক্স, এনিমেটেড ছবি ইত্যাদি। 

৩। শব্দ বা অডিয়ো: 
- শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট এই প্রকারে অন্তর্ভুক্ত। 
- যেকোনো বিষয়ের অডিয়ো ফাইলই অডিয়ো কনটেন্ট-এর পাশাপাশি ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট অডিও কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। 

৪। ভিডিও ও এনিমেশন: 
- বর্তমানে মোবাইল ফোনেও ভিডিয়ো ব্যবস্থা থাকায় ভিডিয়ো কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ছে। 
- ইউটিউব বা এই ধরনের ভিডিয়ো শেয়ারিং সাইটের কারণে ইন্টারনেটে ভিডিয়ো কনটেন্টের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে ইন্টারনেটে কোনো ঘটনার ভিডিয়ো সরাসরি প্রচারিত হয়ে থাকে, এটিকে বলা হয় ভিডিয়ো স্ট্রিমিং। এমন কনটেন্টও ভিডিয়ো কনটেন্টের আওতাভুক্ত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২৭৬.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. ফক্সবেজ
  2. ডিজে
  3. এম এস এক্সেস
  4. ডিবেজ ৩+
সঠিক উত্তর:
ডিজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজে
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে- ডিবেজ (dBASE), ফক্স প্রাে (Foxpro), ডিবেজ ৩+ (dBASE III+), ফক্সবেজ (FoxBASE), ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro), এম এস এক্সেস (MS Access) ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১০,২৭৭.
মারশেল ম্যাকলুহানের বিশ্বগ্রামের ধারণা অনুযায়ী, "ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি" বলতে মূলত কী বুঝানো হয়েছে?
  1. মোবাইল ফোন
  2. ইন্টারনেট
  3. রেডিও
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
• বিশ্বগ্রাম(Global Village):
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে এক দেশে বসে অন্য দেশে প্রতিবেশির মতো তথ্য বিনিময় করতে পারার প্রক্রিয়াটিই মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তার রচিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, "ইলেক্‌ট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম। যার মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব।" এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়েছে।
- সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জাতিগোষ্ঠীকে একটি ছাতার নিচে নিয়ে আসা হলো গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম।

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- হার্ডওয়্যার (Hardware),
- সফট্ওয়্যার (Software),
- নেটওয়ার্ক সংযুক্ততা বা কানেকটিভিটি (Connectivity),
- ডেটা (Data) এবং
- মানুষের সক্ষমতা (Capacity)।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১০,২৭৮.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) টোনার কার্টিজ
  2. খ) রিবন কার্টিজ
  3. গ) ইংক কার্টিজ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) রিবন কার্টিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিবন কার্টিজ
ব্যাখ্যা

- রিবন কার্টিজঃ ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ব্যবহৃত একটি কালিমাখা ফিতার সরঞ্জাম।
- ইংক কার্টিজঃ সাধারণত বাবল জেট বা ইংকজেট প্রিন্টারে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- টোনার কার্টিজঃ লেজার প্রিন্টারে ব্যবহৃত পাউডার জাতীয় কালির আধার।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)

১০,২৭৯.
ডাক বিভাগের মাধ্যমে দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ইএমটিএস
  2. খ) ই-পূর্জি
  3. গ) ই-কমার্স
  4. ঘ) ই-পার্সেল
সঠিক উত্তর:
ক) ইএমটিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইএমটিএস
ব্যাখ্যা
ডাক বিভাগের মাধ্যমে দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ইএমটিএস বলা হয়। 

ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ইএমটিএস):
- সনাতন পদ্ধতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ লেনদেনে প্রক্রিয়াটি ছিল সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের ডাক বিভাগে চালু হয়েছে ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ইএমটিএস)।
- এই সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিরাপদে দ্রুত ও কম খরচে অর্থ আদান-প্রদান করা যায়।
- বর্তমানে দেশের প্রায় সকল পোস্ট অফিস ও সাবপোস্ট অফিস থেকে ই-সেবার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১ (এক) মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো সম্ভব।

সোর্স: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
১০,২৮০.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে “হ্যাপটিক ফিডব্যাক” কীভাবে কাজ করে?
  1. ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি
  2. চোখের গতিবিধি শনাক্তকরণ প্রযুক্তি
  3. হাই-রেজোলিউশন গ্রাফিক্স
  4. শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন
সঠিক উত্তর:
শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে (VR) “হ্যাপটিক ফিডব্যাক” মূলত ব্যবহারকারীর শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন অনুভূতির মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতার অনুকরণ করে। যখন ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল পরিবেশে কোনো অবজেক্ট স্পর্শ বা ধাক্কা অনুভব করে, তখন হ্যাপটিক ডিভাইস যেমন হ্যান্ডসেট, হ্যান্ডগ্লোভ বা বডি সুট নির্দিষ্ট কম্পন, চাপ বা টেক্সচার প্রকাশ করে। এটি সরাসরি ব্যবহারকারীর সেন্সরিতে প্রেরণ করা সংকেতের মাধ্যমে সম্ভব হয়, ফলে মস্তিষ্ক বাস্তবের মতো স্পর্শ বা প্রতিক্রিয়া অনুভব করে। হ্যাপটিক ফিডব্যাক ওয়্যারলেস সংযোগ, চোখের ট্র্যাকিং বা গ্রাফিক্সের রেজোলিউশন নয়, বরং সরাসরি শারীরিক স্পর্শের মাধ্যমে কাজ করে, যা VR অভিজ্ঞতাকে আরও ইমারসিভ এবং বাস্তবসম্মত করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৮১.
'মাইক্রোসফট অফিস ৩৬৫' কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) SaaS
  2. খ) PaaS
  3. গ) IaaS
  4. ঘ) BaaS
সঠিক উত্তর:
ক) SaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়:-

অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ:  Amazon Web Services, Google Cloud, IBM Cloud ইত্যাদি।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ:  AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
 
সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি।

[Microsoft Azure এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com/
৩. https://www.ibm.com/
১০,২৮২.
বাইনারি ডেটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরের অতিরিক্ত বিটকে কী বলে?
  1. ক) প্যারীটি বিট
  2. খ) অক্সিলারি বিট
  3. গ) মেগা বিট
  4. ঘ) নিবল
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারীটি বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারীটি বিট
ব্যাখ্যা
প্যারীটি বিট বলতে বাইনারি পদ্ধতিতে তথ্য আদান-প্রদান করার সময় তথ্যের নির্ভুলতা বাড়াতে যে অতিরিক্ত ১টি বিট যুক্ত করা হয় তাকে বুঝায়। বাইনারি পদ্ধতিতে ডেটা আদান প্রদান করার সময় বিট গণনায় ভুল হতে পারে কোন কারণে ১ এর বদলে ০ আসতে পারে অথবা ০ বদলে ১ আসতে পারে। এরকমটি হলে গণনায় ত্রুটি হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য বাইনারি সংখ্যার বিটের বাম পাশে ১টি অতিরিক্ত বিট যোগ করা হয়।
১০,২৮৩.
ডাটা পাঠানোর জন্য ফ্যাক্স কী ধরনের মোড ব্যবহার করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-সিমপ্লেক্স মোড
  3. ফুল-সিমপ্লেক্স মোড
  4. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডাটা ট্রান্সফার করে।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।

- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না। যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

• ফ্যাক্স:
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
১০,২৮৪.
অক্টাল সংখ্যা 143 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 84
  2. 87
  3. 93
  4. 99
সঠিক উত্তর:
99
উত্তর
সঠিক উত্তর:
99
ব্যাখ্যা
• (143)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 99.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(143)8
= (1 × 8²) + (4 × 8¹) + (3 × 8⁰) 
= 1 × 64 + 4 × 8 + 3 × 1
= 64 + 32 + 3
= 99

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,২৮৫.
OCR ______ থেকে _____ এ রূপান্তরের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  1. অডিও হতে টেক্সট 
  2. ইমেজ হতে টেক্সট 
  3. ভিডিও হতে টেক্সট
  4. বাইনারি হতে ডেসিমেল
সঠিক উত্তর:
ইমেজ হতে টেক্সট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমেজ হতে টেক্সট 
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ থেকে টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, ছবি বা স্ক্রিনশটের মধ্যে থাকা অক্ষর চিনে নিয়ে তা সম্পূর্ণ সম্পাদনযোগ্য টেক্সটে পরিণত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো স্ক্যান করা পেপার ডকুমেন্ট যদি PDF বা JPG ফরম্যাটে থাকে, OCR সফটওয়্যার সেই ছবির অক্ষরগুলো চিনে তা Word বা Text ফাইলের আকারে প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা এন্ট্রি, ডিজিটাল আর্কাইভিং, স্বয়ংক্রিয় ফর্ম পূরণ এবং অগণিত প্রশাসনিক কাজকে সহজ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ইমেজ হতে টেক্সট, অর্থাৎ অপশন (খ)।

• OCR (Optical Character Reader/Recognition):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

১০,২৮৬.
CD-ROM এর পুর্ণরূপ কি?
  1. ক) Computer Disk Run Only Memory
  2. খ) Computer Drive Read Only Memory
  3. গ) Compact Disc Read Only Memory
  4. ঘ) Compact Drive Read Only Memory
সঠিক উত্তর:
গ) Compact Disc Read Only Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Compact Disc Read Only Memory
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১০,২৮৭.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে DDL ব্যবহৃত হয় কোন কাজে?
  1. ডাটা ডিলিট
  2. ডাটা মডিফাই
  3. ডাটা ইনসার্ট
  4. ডাটা সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ডাটা সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:  
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট এবং মডিফাই করার জন্য DML ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৮৮.
MICR E-13B ফন্টে কোন ধরনের অক্ষর ব্যবহার করা হয়?
  1. সব ASCII অক্ষর
  2. শুধুমাত্র সংখ্যা
  3. সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
  4. শুধুমাত্র বর্ণ
সঠিক উত্তর:
সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) E-13B ফন্ট মূলত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রসেসিংয়ের জন্য। এই ফন্টে সব ASCII অক্ষর বা শুধুমাত্র বর্ণ ব্যবহৃত হয় না। আবার কেবল সংখ্যা দিয়েও সীমাবদ্ধ নয়। এতে সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে কিছু নির্দিষ্ট বিশেষ চিহ্ন যেমন চারটি অনন্য সিম্বল থাকে—Transit (⑆), Amount (⑇), On-Us (⑈) এবং Dash (⑉)। এসব অক্ষর ও চিহ্ন একসাথে ব্যবহার করে ব্যাংক সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেক শনাক্ত, শ্রেণিবদ্ধ এবং প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ)।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০,২৮৯.
অ্যাবাকাস গণনা যন্ত্রটিকে চীনে কী নামে ডাকা হতো?
  1. ক) সরোবান
  2. খ) স্কেটিয়া
  3. গ) সুয়ানপান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) সুয়ানপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুয়ানপান
ব্যাখ্যা
অ্যাবাকাস গণনা যন্ত্রটিকে চীনে সুয়ানপান  নামে ডাকা হতো। 

- অ্যাবাকাস সবচেয়ে প্রচীন গণনাযন্ত্র, যার মধ্যে গুটি (Beads) ব্যবহৃত হয়।
- গুটিগুলাে একটি ফ্রেমের উপর বসানাে তারের মধ্যে লাগানাে থাকে।
- এখনও পৃথিবীর অনেক জায়গায় অ্যাবাকাস ব্যবহার করা হয়।
- আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব পাঁচশত অব্দে চিনে অ্যাবাকাসের প্রচলন ছিল বলে অনেকে মনে করেন, প্রাচীন গ্রীসেও এই যন্ত্রের ব্যবহার ছিল।
- যদিও চিনে অ্যাবাকাসের প্রথম প্রচলন ছিল বলে মনে করাে হয়, তবুও ত্রয়ােদশ শতাব্দির আগে এটা চিন দেশে খুব ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
- পঞ্চদশ শতাব্দিতে এটা জাপানে প্রবর্তিত হয় এবং তার একটি পরিমার্জিত সংস্করণ উনবিংশ শতাব্দিতেও ব্যবহৃত হত।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ান পান (Suan-pan), জাপানে একে বলা হয় সরােবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।

সূত্র:  ৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,২৯০.
TCP/IP মডেলের লেয়ার সংখ্যা-
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
Transmission Control Protocol (সংক্ষেপে TCP) ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ প্রোটোকল।
- ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় - TCP/IP
- ARPANETএ TCP/IP প্রথম চালু হয় ১৯৮৩ সালে।

TCP/IP - এর স্তরের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
তবে সাধারণ গ্রহণযোগ্য মত হলো -
TCP/IP মডেলের লেয়ার সংখ্যা ৪টি। যথা -
1. Process/Application Layer
2. Host-to-Host/Transport Layer
3. Internet Layer
4. Network Access/Link Layer
- অনেকেই Physical Layer নামে আলাদা আরেকটি লেয়ারের কথা বলে থাকেন তবে সেটি, Network Access লেয়ারই বিদ্যমান। তাই আলাদা দেখানোর প্রয়োজন নেই।
- পরীক্ষার অপশনে ৪ ও ৫ উভয়টিই থাকলে ৪ অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হবে। অন্যথায় ৫ উত্তর হবে।

Source: Cisco ওয়েবসাইট ও উচ্চমাধ্যমিক ICT বই।
১০,২৯১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি সুবিধা? 
  1. উচ্চ খরচে ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা
  2. শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ
  3. যত চাহিদা তত সার্ভিস
  4. নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থির সার্ভিস প্রদান
সঠিক উত্তর:
যত চাহিদা তত সার্ভিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যত চাহিদা তত সার্ভিস
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। 
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়। 
১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service): 
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। 
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। 
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। 
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন। 

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): 
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। 
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। 
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ। 

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service): 
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। 
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না। 
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ। 

৪। নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service): 
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন। 
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে। 

- এছাড়াও ক্লাউড সার্ভিসের ব্যবহারকারীরা নিচের সুবিধাগুলো ভোগ করে থাকে:
যত চাহিদা তত সার্ভিস (Resource Flexibility/Scalability)
• যখন চাহিদা তখন সার্ভিস (On Demand), 
• যখন ব্যবহার তখন মূল্য শোধ (Pay as you go) এবং 
• উদ্যোক্তাদের সুযোগ (Opportunity for Entrepreneurs) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১০,২৯২.
ইউটিউবের মালিকানা এখন কোন কোম্পানীর কাছে?
  1. গুগল
  2. আইবিএম
  3. মেটা
  4. মাইক্রোসফট
সঠিক উত্তর:
গুগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগল
ব্যাখ্যা
ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

উৎস: ব্রিটানিকা.
১০,২৯৩.
ফায়ারওয়াল কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. গেমিং সফটওয়্যার
  2. এডিটিং সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে আসা–যাওয়া ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং অবাঞ্ছিত বা ক্ষতিকর অ্যাক্সেস বন্ধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহারকারীর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ঠিক করে কোন ডেটা প্রবেশ করতে পারবে ও কোনটি ব্লক হবে। ফলে হ্যাকার, ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা অননুমোদিত ব্যবহারকারীর আক্রমণ থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখা যায়। তাই গেমিং, এডিটিং বা ডাটাবেজ সফটওয়্যারের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই; এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা।


• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১০,২৯৪.
প্রথম আধুনিক ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম কী?
  1. Mark-1
  2. EDSAC
  3. UNIVAC-1
  4. ENIAC
সঠিক উত্তর:
ENIAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ENIAC
ব্যাখ্যা

এনিয়াক:
- প্রথম আধুনিক ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম এনিয়াক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি নির্মাণ করে।
- ১৯৪৩ সালের প্রথম দিকে ENIAC-তে কাজ শুরু হয়।
- এটির সুবিধা ছিল যে, একবার নির্দেশাবলী প্রোগ্রাম করা হয়ে গেলে, মেশিনটি ইলেকট্রনিক গতিতে চলত। 

অন্যদিকে,
- Mark-1 হলো প্রথম বৈদ্যুতিক কম্পিউটার।
- EDSAC হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC-1 হলো বাণিজ্যিকভাবে তৈরি প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার।

তথ্যসূত্র - কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১০,২৯৫.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক কে?
  1. ক) মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. খ) জন ম্যাকার্থি
  3. গ) বিল গেটস
  4. ঘ) স্টিভ জবস
  5. ঙ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) জন ম্যাকার্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জন ম্যাকার্থি
ব্যাখ্যা
জন ম্যাকার্থিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
১০,২৯৬.
Facebook বর্তমানে কোন কোম্পানির অংশ?
  1. Alphabet Inc.
  2. Meta Platforms
  3. Amazon
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
Meta Platforms
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meta Platforms
ব্যাখ্যা
Facebook বর্তমানে Meta Platforms কোম্পানির অংশ।

• Facebook:
- Facebook একটি মার্কিন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নেটওয়ার্ক পরিষেবা।
- এটি Meta Platforms কোম্পানির একটি অংশ।
- ২০০৪ সালে Facebook প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Facebook-এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের Menlo Park, California-তে অবস্থিত।

- প্রতিষ্ঠাতারা হলেন:
• Mark Zuckerberg,
• Eduardo Saverin,
• Dustin Moskovitz,
• Chris Hughes.

- Facebook বিশ্বে সবচেয়ে বড় সামাজিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে।
- ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, Facebook-এর প্রায় তিন বিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে।
- প্রতিদিন প্রায় আড়াই বিলিয়ন ব্যবহারকারী Facebook ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০,২৯৭.
RAM এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Read Access Module
  2. Random Access Memory
  3. Rapid Access Memory
  4. Rapid Action Module
সঠিক উত্তর:
Random Access Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Random Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.

• Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০,২৯৮.
A < B এর স্থলে A > B লিখার ভুলকে প্রোগ্রামিং ভাষায় কী বলা হয়?
  1. Syntax Error
  2. Logical Error
  3. Data Error
  4. Relational error
সঠিক উত্তর:
Logical Error
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Logical Error
ব্যাখ্যা
• ডাটা ভুল (Data Error):
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা। এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error):
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• লজিক্যাল ভুল (Logical Error):
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল ।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় ।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,২৯৯.
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ইত্যাদি রিসোর্স ভাড়ায় ব্যবহার করাকে কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা বলা হয়?
  1. হার্ডওয়্যার সেবা
  2. সফটওয়্যার সেবা
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
সঠিক উত্তর:
অবকাঠামোগত সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবকাঠামোগত সেবা
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০,৩০০.
ওরাকল কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. ক) বব মিনার
  2. খ) এড ওয়াটিস
  3. গ) ল্যারি এলিসন
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন। এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড সিটিতে অবস্থিত। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি এলিসন, বব মিনার ও এড ওয়াটিস।