ব্যাখ্যা
• বর্তমান কম্পিউটারে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত UEFI সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) হলো একটি আধুনিক ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস যা BIOS-এর সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে। এটি দ্রুত বুট সময়, বড় হার্ড ড্রাইভ সমর্থন, এবং উন্নত সিকিউরিটি ফিচার যেমন Secure Boot প্রদান করে। UEFI গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস সমর্থন করে, যা ব্যবহারকারীর জন্য আরও সহজ এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ। এছাড়াও এটি হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি স্থিতিশীল এবং উন্নত সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। তাই নতুন কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহার করা হচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: ঘ) UEFI.
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।
BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।