বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৭৯ / ১৩১ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ১৩,০৮৮

৭,৮০১.
Which number system is used to write Machine Language?
  1. Decimal
  2. Binary
  3. Octal
  4. Roman
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Binary

মেশিন ভাষা (Machine Language)

- কম্পিউটারের সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- এটি কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা, যাকে নিম্নস্তরের ভাষাও বলা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষা বুঝতে পারে।
- মেশিন ভাষা সাধারণত বাইনারি সংখ্যা (0 ও 1) বা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে লেখা হয়।
- মেশিন ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম চালানোর জন্য কোনও অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
- অন্য কোনও উচ্চস্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম লিখলে, কম্পিউটার কার্যকর করার আগে উপযুক্ত অনুবাদক (Translator) ব্যবহার করে সেটিকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮০২.
টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির জনক কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. স্যামুয়েল হার্স্ট
  3. মার্টিন কুপার
  4. স্টিভ ওজনিয়াক
ব্যাখ্যা

• টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।

৭,৮০৩.
কোন লজিক গেইট একই ইনপুটের জন্য সর্বদা বিপরীত আউটপুট দেয়?
  1. OR গেইট
  2. AND গেইট
  3. NOT গেইট
  4. XOR গেইট
ব্যাখ্যা

◉ NOT গেইট একটি ইনভার্টিং (Inverting) লজিক গেইট, যা একটি ইনপুটের জন্য সর্বদা বিপরীত আউটপুট প্রদান করে

নট গেইট: 
এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে । এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৮০৪.
একই প্রটোকলবিশিষ্ট দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) সুইচ
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) গেটওয়ে
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
রাউটার (Router) :
রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ছােট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা যায়। WAN -এর সাথে একটি LAN যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার NAT(Network Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৭,৮০৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে 'মেমরি ডিভাইস' হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Flip Flop
  2. খ) Rectifier
  3. গ) Comparator
  4. ঘ) Attenuator
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ-ফ্লপ বা Latch 
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে । 
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০৬.
"ফিশিং" বলতে নিচের কোনটি বোঝানো হয়?
  1. নিরাপদ উৎস থেকে সফটওয়্যার আপডেট করা
  2. নিরাপত্তা ঝুঁকি খুঁজে নেটওয়ার্ক স্ক্যান করা
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করে অননুমোদিত প্রবেশ বন্ধ করা
  4. সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা
• Phishing হলো এমন একটি কৌশল যেখানে অপরাধীরা নকল বা মিথ্যা ইমেইল পাঠিয়ে ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর) চুরি করার চেষ্টা করে।

তাহলে,  অপশনগুলো থেকে সঠিক উত্তর হলো:
- সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৮০৭.
BIOS এর কোন বৈশিষ্ট্যটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার মধ্যে যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
  1. বুটস্ট্রাপ লোডার
  2. সাউন্ড কার্ড
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. গ্রাফিক্স কার্ড
ব্যাখ্যা
- BIOS এর বুটস্ট্রাপ লোডার বৈশিষ্ট্যটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার মধ্যে যোগাযোগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Lenevo website. [Link]
৭,৮০৮.
নিচের কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটার?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. ল্যাপটপ কম্পিউটার
  3. মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

• মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০৯.
কোন প্রোটোকল ইমেইল প্রেরণে ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• SMTP হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস থেকে ইমেইল সার্ভারে এবং সার্ভার থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর নিয়ম নির্ধারণ করে।
- এটি নির্ধারণ করে কিভাবে ইমেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো হবে।

• কাজের ধরন:
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, গ্রহণ বা ডাউনলোডের জন্য নয়।
- ইমেইল ক্লায়েন্ট (যেমন: Outlook, Gmail) থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানো এবং সার্ভারের মাধ্যমে অন্য সার্ভারে রিলে করার কাজ SMTP করে।

• অন্যান্য প্রোটোকলের কাজ:
- HTTP (HyperText Transfer Protocol): ওয়েবসাইট ব্রাউজিং এবং ওয়েব পেজ ডেটা আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল আপলোড এবং ডাউনলোডের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol version 3): ইমেইল গ্রহণ বা ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রেরণের জন্য নয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol): সার্ভারে থাকা ইমেইল অ্যাক্সেস বা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৮১০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবার অন্তর্গত? 
  1. Google Docs
  2. EC2
  3. Azure
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

◉ Azure (Microsoft Azure) মূলত Platform as a Service (PaaS) এবং Infrastructure as a Service (IaaS) উভয় সেবা প্রদান করে, তবে এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

১. IaaS (Infrastructure as a Service): 
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Amazon EC2, Google Cloud Storage, Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service): 
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure App Services, Heroku, Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service): 
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ: Google Docs, Microsoft 365, Lotus, Yahoo! mail, Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

৭,৮১১.
নিচের কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. ক) পেটাবাইট
  2. খ) জেটাবাইট
  3. গ) টেরাবাইট
  4. ঘ) এক্সাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৭,৮১২.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মূল ভিত্তি কী?
  1. রিমোট সার্ভার ও ব্লকচেইন প্রযুক্তি
  2. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও বিগ ডেটা
  3. গ্রাফিক্স কার্ড এবং গেম ইঞ্জিন
  4. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)-এর মূল ভিত্তি হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- কম্পিউটার প্রযুক্তি হলো সেই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অবকাঠামো যা জটিল গ্রাফিক্স রেন্ডারিং, রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং, এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইন্টারফেস পরিচালনা করে। 
- সিমুলেশন তত্ত্ব হলো গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক নীতি যা পদার্থবিদ্যার সূত্র, আলোর আচরণ, শব্দের প্রসারণ, এবং স্থানিক সম্পর্কের মডেল তৈরি করে।
- এই দুইয়ের সমন্বয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য ও নিমজ্জনশীল কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।

প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৭,৮১৩.
IBM-এর পূর্ববর্তী নাম কী ছিল?
  1. Tabulating Machine Company
  2. Business Machine Corporation
  3. International Computing Company
  4. Computing-Tabulating-Recording Company
ব্যাখ্যা

• IBM-এর পূর্ববর্তী নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR)।

• IBM-এর পরিচয়:
- IBM একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
- এটি হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং ও আইটি সেবা প্রদান করে।

• IBM-এর প্রতিষ্ঠা ও প্রাথমিক নাম:
- IBM প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালে কোম্পানিটির নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR)।
- এই নামটি বিভিন্ন ব্যবসায়িক যন্ত্র ও তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রমকে প্রতিনিধিত্ব করত।

• নাম পরিবর্তন:
- ১৯২৪ সালে কোম্পানিটির নাম পরিবর্তন করে International Business Machines (IBM) রাখা হয়।
- নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও প্রযুক্তিগত বিস্তৃতি প্রতিফলিত হয়।

• IBM-এর কার্যক্রম:
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উন্নয়ন
- আইটি কনসালটিং ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — IBM [Link].
২) IBM Official [Link].

৭,৮১৪.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. ক) সাফারি
  2. খ) টুইটার
  3. গ) ইনস্টাগ্রাম
  4. ঘ) স্ন্যাপচ্যাট
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলোঃ
- ফেইসবুক,
- টুইটার,
- ইনস্টাগ্রাম,
- স্ন্যাপচ্যাট

Web browser:
- Internet Explorer,
- Google Chrome,
- Opera,
- Mozilla Firefox,
- Safari
৭,৮১৫.
কোন প্রক্রিয়ায় প্রেরক তাৎক্ষণিকভাবে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে?
  1. ক) সিনক্রোনাস
  2. খ) অ্যাসিনক্রোনাস
  3. গ) আইসোক্রোনাস
  4. ঘ) মাল্টিকাস্ট
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়। এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়। প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

৭,৮১৬.
কম্পাইলার ব্যবহার হয়ে থাকে-
  1. ক) ছোট কম্পিউটারে
  2. খ) মাইক্রোকম্পিউটারে
  3. গ) বড় কম্পিউটারে
  4. ঘ) পকেট কম্পিউটারে
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলারের কাজ উচ্চ স্তরের ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তরিত করা।
- কম্পাইলার গোটা প্রোগ্রামকে একবারে পড়ে এবং এক সাথে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রামে ভুল থাকলে সবগুলো ভুলকে একসাথে তুলে ধরে।
- কম্পাইলারের সাহায্যে প্রোগ্রামকে একবার যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তরিত করা হলে পরবর্তীতে প্রোগ্রামটি চালনার সময় আর অনুবাদের দরকার হয় না।
- কম্পাইলারের মাধ্যমে রূপান্তরিত প্রোগ্রাম পূর্ণাঙ্গ যান্ত্রিক প্রোগ্রামে রূপান্তরিত হয়। এই প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম বলে।
- বড় ধরনের কম্পিউটারের কম্পাইলার বেশী ব্যবহার হয়ে থাকে
- ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার দরকার হয়। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮১৭.
প্রথম ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী?
  1. ASIMO
  2. Roomba
  3. Unimate
  4. Aibo
ব্যাখ্যা

• ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটর্সে ব্যবহৃত Unimate ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• Unimate রোবট:
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- এটি ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটরসের নিউ জার্সির কারখানায় প্রথম ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি গাড়ি উৎপাদনে গরম ধাতু ঢালাই ও সমাবেশের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Unimation Inc. নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয় রোবটটি উৎপাদনের জন্য।

অন্যান্য অপশন:
- ASIMO → হোন্ডার হিউম্যানয়েড রোবট (২০০০ সাল)।
- Roomba → আইরোবটের ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রোবট (২০০২ সাল)।
- Aibo → সনির রোবট কুকুর (১৯৯৯ সাল)।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭,৮১৮.
NFC প্রযুক্তির মূল ব্যবহার কী?
  1. রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে দূরবর্তী কমিউনিকেশন
  2. স্বল্প দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ ও তথ্য বিনিময়
  3. দ্রুত ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সুবিধা
  4. FM/AM রেডিও সিগন্যাল ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

◉ NFC (Near Field Communication) হল একটি স্বল্প-পরিসরের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যার সাহায্যে খুব কাছাকাছি (প্রায় ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম) দুটি ডিভাইস সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৮১৯.
কোন ফাংশন Key টি সাধারনত সাহায্যের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
  1. ক) F9
  2. খ) F3
  3. গ) F1
  4. ঘ) F7
ব্যাখ্যা

( Reference: Bournemouth University)
৭,৮২০.
Sequence Control Register কি নামে পরিচিত ?
  1. ক) Instruction Counter
  2. খ) Sequence Register
  3. গ) Controlling Register
  4. ঘ) Program Counter Register
ব্যাখ্যা

A program counter (PC) is a CPU register in the computer processor which has the address of the next instruction to be executed from memory is also known as Sequence Control Register.

Instruction Counter: A counting register that normally increments in each instruction cycle to obtain the program sequence (i.e. the sequence of instructions) from the memory locations. This counter will have its contents changed by branch instructions to obtain the next instruction from the branch target.

Source: Britannica.com

৭,৮২১.
নিচের কোনটি Word Processing সফটওয়্যার?
  1. Ms Excel
  2. Oracle
  3. Lotus 1-2-3
  4. Ms Word
ব্যাখ্যা
Ms Word হলো একটি Word Processing সফটওয়্যার, যা লেখালিখি, ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।

Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২২.
মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. লিনাস টরভাল্ডস
  2. স্টিভ জবস
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা

◉ বিল গেটস (Bill Gates) এবং পল অ্যালেন (Paul Allen) ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। মাইক্রোসফ্ট বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং ক্লাউড সেবা প্রদানকারী একটি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি।

মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
স্টিভ জবস: তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
মার্ক জাকারবার্গ: তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।
লিনাস টরভাল্ডস: তিনি লিনাক্স কার্নেলের রচয়িতা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,৮২৩.
In a multiprocessing system, which mechanism is used to prevent processors from processing the same program simultaneously?
  1. Transmission
  2. Compilation
  3. Synchronization
  4. Segmentation
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) Synchronization

• মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
- মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
- এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
- মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
- এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
- মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
- মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
- কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
- সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল‍্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭,৮২৪.

- চিত্রটিতে কোন টপোলজির কথা বলা হয়েছে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

- চিত্রটিতে ট্রি টপোলজির কথা বলা হয়েছে।

• টপোলজি:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology) এবং
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

• স্টার টপোলজি:

- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে। এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

• বাস টপোলজি:

- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে।
- ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন।
- তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৫.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. ইউনিক্স
  2. অ্যান্ড্রয়েড
  3. কোবরা
  4. উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা
• কোবরা অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৬.
পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস নিচের কোনটি?
  1. ক) ফ্লপিডিস্ক
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) সিডি
  4. ঘ) ডিভিডি
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস হচ্ছে হার্ডডিস্ক
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়। 
- ডিস্কটি অনেক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। 
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard Disk Drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে। 
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভের কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- হার্ডডিস্ক ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটির হয়ে থাকে। যেমন: ২০০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ১ টেরাবাইট ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮২৭.
১৯৫৬ সালে ব্যাংক চেক প্রক্রিয়াকরণে MICR প্রযুক্তি প্রথম কারা প্রয়োগ করে?
  1. ক) American Bankers Association
  2. খ) Australian Bankers Association
  3. গ) Unicode Consortium
  4. ঘ) Bankers Association of Bangladesh
ব্যাখ্যা

MICR এর সঠিক পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition। চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়। এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল তফসিলি ব্যাংকে MICR যুক্ত চেক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।

The magnetic ink character recognition line is used mainly by the banking industry. The American Bankers Association (ABA) established the MICR line in the late 1950s and was later recognized as an industry standard by the American National Standards Institute. The MICR number allows computers to rapidly internalize a check number, routing number, account number, and other numbers or information from printed documents, such as a personal check.

Source: Investopedia

৭,৮২৮.
নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়?
  1. Applied Al
  2. Applied I0T
  3. Virtual Reality
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Face Recognition System-এ Artificial Intelligence প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৯.
শক্তিশালী ঝড়-তুফান ও বজ্রসহ আবহাওয়ার কারণে সাধারণত কোন বিষয়টি দেখা যায়?
  1. ট্রানসিয়েন্ট
  2. নয়েজ
  3. ব্ল্যাক আউট
  4. ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা

• শক্তিশালী ঝড়-তুফান এবং বজ্রসহ আবহাওয়ার সময় সাধারণত ব্ল্যাক আউট দেখা যায়। ঝড় এবং বজ্রপাত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের লাইনে প্রভাব ফেলে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগে হঠাৎ সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর ফলে বৈদ্যুতিক গ্রিডে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে এবং বিদ্যুৎ সম্পূর্ণভাবে চলে যায়। এই পরিস্থিতিকে ব্ল্যাক আউট বলা হয়। অন্যদিকে, ট্রানসিয়েন্ট হলো ছোট সময়ের বৈদ্যুতিক অস্থায়ী উত্তেজনা, নয়েজ হলো সিগন্যালে অপ্রয়োজনীয় গোলমাল, আর ব্রাউন আউট হলো ভোল্টেজের হ্রাস যা আলো বা যন্ত্রপাতি আংশিকভাবে কাজ করতে বাধা দেয়। তাই ঝড়-তুফানের সময় সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা হলো ব্ল্যাক আউট।

• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার।
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-

১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে।
- এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্ল্যাক আউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
- অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৩০.
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার বাসের প্রকারভেদ:
- কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- সিস্টেম বাস বা প্রধান বাস ও  এক্সপানশন বাস বা সম্প্রসারিত বাস।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস ও
৩. কন্ট্রোল বাস।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩১.
(72 - 81) Choose the correct answer.
(72) Which of the following programming languages is not a high level language?
  1. FORTRAN
  2. C ++
  3. Oracle
  4. Java
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য এসকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লো-লেভেল ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা,
২. হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা। 

নিম্ন স্তরের ভাষাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায় ।
যথা: মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষা। 

অন্যদিকে,
উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে - BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG, Python ইত্যাদি।

অন্যদিকে, ওরাকল হচ্ছে এক ধরনের ডেটাবেজ প্রোগ্রাম। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮৩২.
IP Adress থেকে MAC Adress জানার Protocol কোনটি?
  1. ক) RIP
  2. খ) BGP
  3. গ) ARP
  4. ঘ) TCP
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
IP Adress থেকে MAC Adress জানার Protocol হলো Adress Resolution Protocol বা ARP .
৭,৮৩৩.
কোন ধরণের কাজে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  2. এসি
  3. এটিএম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেম এমন একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। সিকিউরিটি ক্যামেরায় এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় ভিডিও ক্যাপচার, স্টোরেজ এবং মোশন ডিটেকশন নিয়ন্ত্রণ করতে। এসি-তে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ফ্যান স্পিড এবং এনার্জি ব্যবস্থাপনা সহজ করে। এটিএম-তে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় লেনদেন প্রক্রিয়া, পিন ভেরিফিকেশন এবং ডেটা নিরাপত্তা পরিচালনার জন্য। এই উদাহরণগুলো দেখায় যে এমবেডেড সিস্টেম কেবল একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রেই নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের স্বয়ংক্রিয় ও দক্ষ কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সবগুলোই।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার: 
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৩৪.
ফটোশপ প্রথম তৈরি করেন কে?
  1. কেনেথ ওলসেন ও ইএফ কড
  2. টিম বার্নাস লি এবং পল অ্যালেন
  3. থমাস ও নোল
  4. রবার্ট ও নিউম্যান
ব্যাখ্যা
♦ ফটোশপ:
- এডোবি ফটোশপ একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন প্যাকেজ প্রোগ্রাম।
- এই প্যাকেজ প্রোগ্রামটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Adobe Systems কর্তৃক বাজারজাত করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে থমাস (Thomas) এবং জন নোল (John Knoll) এটি প্রথম তৈরি করেন।
- এটি মূলত উইন্ডোজ (Windows) এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম (OS X) এর জন্য তৈরি করা হয়।
- ফটোশপ হচ্ছে একটি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার যার দ্বারা যে কোন ধরনের আলোকচিত্র ডিজিটালরূপে পরিবর্তন করা যায়।
- এটি ফটো বা ছবি এডিটিং এর জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার।

- ফটোশপের গুরুত্ব:
১. ফটোশপ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফটো বা চিত্র এডিটিং সফটওয়্যার।
২. ফটোশপের রয়েছে অসংখ্য ফিচার, যেগুলো ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের নকশা তৈরি, ছবি সংযোজন, বিয়োজন, ছবির কোন অংশ কেটে ফেলা, ছবিতে ইফেক্ট সংযোজন করা, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন, বিভিন্ন ধরনের রং ব্যবহার করে ছবিকে আকর্ষনীয় করে তোলাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায়।
৩. বিভিন্ন প্রোগ্রামার, ডিজাইনাররা তাদের প্রজেক্ট বা ছবির কাজগুলো ফটোশপের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারেন।
৪. ফটোগ্রাফাররা ছবি তোলার পর সেগুলোকে আকর্ষনীয় করে তোলেন ফটোশপের মাধ্যমে।
৫. প্রফেশনাল ব্যক্তিরা ফটোশপ ব্যবহার করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কারণ ফটোশপের মাধ্যমে পত্রিকা, বিজ্ঞাপন তৈরি, বইয়ের প্রচ্ছদ তৈরি, লিফলেট, পোষ্টার তৈরিসহ যাবতীয় ডিজাইনের কাজ করা যায়।
৬. যারা শখের বশে নিজের মোবাইল দিয়ে ছবি তোলেন তারা ছবিগুলোকে ফটোশপের মধ্যমে বিভিন্ন রং ব্যবহার করে অথবা ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করে ফটোগুলোকে আকর্ষনীয় করে তোলেন।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩৫.
কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  2. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  3. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি হচ্ছে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
- যেমন: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি,দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি, হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৩৬.
Which of the following is not an antivirus software?
  1. AVG
  2. Worm
  3. Avast
  4. Norton
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Worm

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদানে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: AVG, Avast, Norton, Avira, Panda ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা প্রথম প্রবর্তন করেন গবেষক Fred Cohen।
- ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে ধীরে ধীরে পুরো সিস্টেমকে সংক্রমিত করে কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দিতে পারে।
- কিছু পরিচিত ভাইরাসের উদাহরণ: VBA/Helper, Worm, VBA/Aqui, Trojan Horse, X97M/Hopper, Boot Sector Virus, Jerusalem, Stone, Dhaka Virus, Vienna, CIH।

সোর্স: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৮৩৭.
অক্টাল সংখ্যা (34)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. 011101
  2. 011100
  3. 101100
  4. 010101
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা (34)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ হচ্ছে: 011100

• অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
3 = 011
4 = 100

∴ (34)8 = (011100)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৩৮.
কোন ফাংশন কী এর মাধ্যমে হেল্প মেনু দেখা যায়?
  1. F1
  2. F3
  3. F4
  4. F5
ব্যাখ্যা

• ফাংশন কী:
​- কীবোর্ড এর একেবারে উপরের অর্থাৎ F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট 12 টি কী-কে একত্রে ফাংশন কী বলা হয়।
​- কম্পিউটার কীবোর্ড এর ফাংশন-কী সমূহের ব্যবহার:-
- ​F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- ​F4 এর সাহায্যে last action performed repeat করা যায়। Alt + F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 এর সাহায্যে পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 এর সাহায্যে মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য

তথ্যসূত্র: Britannica

৭,৮৩৯.
কোনটি এমবেডেড সিস্টেমের একটি বৈশিষ্ট্য?
  1. উচ্চ মেমোরি প্রয়োজন
  2. মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য তৈরি
  3. নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য ডিজাইনকৃত
  4. ঘন ঘন হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেম হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট একটি নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত বিশেষায়িত এবং সীমিত সম্পদ সম্পন্ন হয়, যেমন কম মেমোরি এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা। এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরি, অর্থাৎ এটি মাল্টিটাস্কিং বা একাধিক কাজ একই সময়ে চালানোর জন্য নয়, বরং নির্দিষ্ট কাজটি দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদন করার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়। এমবেডেড সিস্টেমে হার্ডওয়্যার খুব ঘন ঘন পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না, কারণ এটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য স্থিরভাবে ডিজাইন করা হয়। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
৭,৮৪০.
নিচের কোনটি Linux অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Puppy
  2. খ) Windows Server 2016
  3. গ) OS X 10.9
  4. ঘ) OS X 10.9
ব্যাখ্যা

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Ubuntu, Linux Mint, Debian, Puppy ইত্যাদি।

- অ্যাপল ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- OS X 10.8, OS X 10.9, OS X 10.10 ইত্যাদি।
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Windows XP, Windows 7, Windows 10 ইত্যাদি।
- অপারেটিং সিস্টেম এমন একটি প্রোগ্রাম যা ইউসার এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে একটি ইন্টারফেস হিসাবে কাজ করে এবং সমস্ত ধরণের প্রোগ্রামের কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৭,৮৪১.
কম্পিউটার স্টোরেজ ডিভাইসকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ ডিভাইসকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
০১) প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) ও
০২) সেকেন্ডরি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device)
৭,৮৪২.
কোনো বিষয়ের অর্থ উদ্ধার করাকে কি বলে?
  1. ক) এনক্রিপ্ট
  2. খ) ডিক্রিপ্ট
  3. গ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
  4. ঘ) ডেটা সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা
- কোনো বিষয়ের অর্থ উদ্ধার করাকে ডিক্রিপ্ট বোঝায়।

এছাড়াও,
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে বলা হয় ক্রিপ্টোগ্রাফি।
- ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা করাকে এনক্রিপ্ট বোঝায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৮৪৩.
কোন নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলো সমান্তরালভাবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. পিয়ার টু পিয়ার
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• পিয়ার টু পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সময়েই সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না এবং প্রত্যেক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদান করে। এর ফলে প্রত্যেক ব্যবহারকারী তার নিজের রিসোর্স যেমন ফাইল, প্রিন্টার বা ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারে এবং একই সাথে অন্যদের রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে। এটি ছোট বা মাঝারি সাইজের নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী এবং সহজে সেটআপ করা যায়। তাই, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার উভয় ভূমিকা পালন করে, অর্থাৎ সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: পিয়ার টু পিয়ার।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৪৪.
কয়টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা- QUEL, QBE, SQL.
৭,৮৪৫.
কোন ভাইরাসকে Spacefiller বলা হয়?
  1. Avira
  2. Worm
  3. CIH
  4. Trojan Horse
ব্যাখ্যা

• Spacefiller ভাইরাস হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস যা নিজের আকার ছোট রাখতে চেষ্টা করে, সাধারণ ফাইলের মধ্যে ফাঁকা বা অব্যবহৃত জায়গা ব্যবহার করে সংক্রমণ ছড়ায়। এটি মূলত সিস্টেম ফাইলকে ক্ষতি না করে, ফাঁকা জায়গায় কোড লুকিয়ে রাখে, ফলে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং শনাক্ত করা কঠিন হয়। CIH ভাইরাসকে এই শ্রেণীতে আনা হয়, কারণ এটি সিস্টেমের মেমরির ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে সংক্রমণ ছড়াত এবং পরে বিপুল ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছিল। অন্য ভাইরাস যেমন Worm বা Trojan Horse সাধারণত ফাইলের ভিতরে সরাসরি সংক্রমণ ছড়ায় বা ব্যবহারকারীর প্রতারণার মাধ্যমে ঢুকে, কিন্তু Spacefiller ভাইরাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফাঁকা জায়গা ব্যবহার। তাই CIH কে Spacefiller ভাইরাস বলা হয়।
 
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- CIH ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৪৬.
টাচস্ক্রিন মোবাইলের জনক কে?
  1. বিল গেটস
  2. স্টিভ জবস
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. জর্জ বুল
ব্যাখ্যা
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট। 
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন৷
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে৷
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে৷
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন- Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

Source: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
৭,৮৪৭.
নিচের কোন ধরনের মেমরি ডিভাইস ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর বা MOSFET দিয়ে তৈরি?
  1. ক) ROM
  2. খ) PROM
  3. গ) EPROM
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
১. বাইপোলার মেমোরি: সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের তৈরি ট্রানজিস্টর হলাে বাইপোলার ডিভাইস।
ট্রানজিস্টর বা ট্রানজিস্টর লজিক বা টিটিএল ব্যবহার করে এ ধরনের মেমোরি তৈরি করা হয় । নিশ্চল র‍্যাম, ROM এবং PROM বাইপোলার মেমোরি।

২. ইউনিপোলার মেমোরি:
ইউনিপোলার মেমোরিকে মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর বা MOSFET দিয়ে তৈরি করা হয়।
গতিশীল র‍্যাম, ইপ্রম (EPROM), ইএপ্রম (EAPROM) হলাে ইউনিপোলার র‍্যাম এর উদাহরণ।
৭,৮৪৮.
কোন প্রযুক্তি বা সিস্টেমকে ইন্টারনেটের মাল্টিমিডিয়া বলা হয়?
  1. ইমেল (Email)
  2. চ্যাট অ্যাপ (Chat App)
  3. ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (FTP)
  4. ওয়েব (WWW)
ব্যাখ্যা

World Wide Web:
- ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের CERN-এর বিজ্ঞানীরা একটি নতুন ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেন।
- যাতে এই উদ্ভাবন ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা তাদের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি (গ্রাফিক্স) এবং অন্যান্য সহায়ক উপাদান সহজে খুঁজে পেতে এবং ব্যবহার করতে পারেন।
- পরে এই উদ্ভাবিত পদ্ধতিই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হলেন টিম বার্নার্স-লি। 
- WWW বা World Wide Web ইন্টারনেট-ভিত্তিক একটি তথ্য ব্যবস্থা।
- এখানে ব্যবহারকারীরা হাইপারলিঙ্কের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে থাকা ওয়েবপেজ ও তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করতে পারে।
- এই তথ্যগুলো সাধারণত ব্রাউজারের মাধ্যমে দেখা হয়।
- ওয়েবের মাধ্যমে লেখা (টেক্সট), ছবি, অডিও ও ভিডিও একসাথে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রদর্শিত হয়।
- এজন্য ওয়েবকে ইন্টারনেটের মাল্টিমিডিয়া বলা হয়।

উৎস: Britannica.  

৭,৮৪৯.
লেজার প্রিন্টারে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইঙ্কজেট
  2. থার্মাল
  3. ইলেক্ট্রোফোটোগ্রাফিক
  4. ডট ম্যাট্রিক্স
ব্যাখ্যা

◉ লেজার প্রিন্টার (Laser Printer) একটি ইলেক্ট্রোফোটোগ্রাফিক (Electrophotographic) প্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেখানে লেজার বিম, চার্জড ড্রাম, ও টোনার ব্যবহার করে কাগজে ইমেজ বা টেক্সট ছাপানো হয়।

লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- এ প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৮৫০.
'ই-পূর্জি ব্যবস্থাপনা' কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) ভূমি রেকর্ড
  2. খ) ব্যাংকিং
  3. গ) আঁখ চাষ
  4. ঘ) মূলধন
ব্যাখ্যা
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে ২০০৯ সালের ১৭ নভেম্বর একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
- বাংলাদেশের চিনিকলের দীর্ঘ সময়ের ইতিহাসে এই প্রথম কোন আখ চাষী তার নামে পূর্জি ইস্যু হওয়ার সাথে সাথে তার মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে জানতে পারেন।
- পূর্জি নিয়ে আখচাষীদের বিড়ম্বনার ইতিহাস দীর্ঘদিনের।
- চাষীদের এ দুর্ভোগ লাঘবের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন এবং ইউএনডিপি’র অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে ২০০৯ সালে ফরিদপুর এবং মোবারকগঞ্জ চিনিকলে পাইলট ভিত্তিতে ই-পূর্জি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়। 

উৎস : বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট 
৭,৮৫১.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন কে? 
  1. গটফ্রেইড লিবনিজ
  2. জর্জ বুল
  3. রে টমলিনসন
  4. ওয়াল্টার ব্রাটেইন
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি। 
- এ পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। 
- গটফ্রেইড লিবনিজ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন। 
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়। 
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। 
যেমন- (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি। 
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। 
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৫২.
সাইবার অপরাধের ধরন কোনটি?
  1. Cyberstalking
  2. DDoS
  3. Phishing
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৮৫৩.
কোনো ওয়েবসাইটের মালিক তার ওয়েবপেজের খালি জায়গায় অর্থের বিনিময়ে কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিলে তা কোন ধরণের ই-কমার্স?
  1. ক) Business to Consumer: B2C
  2. খ) Business to Business: B2B
  3. গ) Consumer to Business: C2B
  4. ঘ) Consumer to Consumer: C2C
ব্যাখ্যা
কোনো ওয়েবসাইটের মালিককে ব্লগ পোস্ট, ভিডিও বা পডকাস্টের মাধ্যমে পণ্যের review করার জন্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান অর্থ প্রদান করলে Consumer to Business: C2B ই-কমার্স সংগঠিত হয়। আবার, কোনো ওয়েবসাইটের মালিক তার ওয়েবপেজের খালি জায়গায় অর্থের বিনিময়ে কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিলে তাও Consumer to Business সিস্টেমে ই-কমার্স সংগঠিত হয়
৭,৮৫৪.
১ টেরাবাইট = কত বাইট?
  1. ৩০
  2. ৪০
  3. ৫০
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট  বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৭,৮৫৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়? 
  1. সিআইএইচ
  2. ট্রোজান হর্স
  3. এভিজি
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা

• এভিজি (AVG) কোনো কম্পিউটার ভাইরাস নয়; এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের
ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
• ভিবিএস/হেল্পার,
• ওয়ার্ম,
• ভিবিএস/আকুই,
• ট্রোজান হর্স,
• এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
• মাইক্রো ভাইরাস,
• বুট সেক্টর ভাইরাস,
• জেরুজালেম,
• স্টোন,
• ঢাকা ভাইরাস,
• ভিয়েনা, 
• সিআইএইচ ইত্যাদি।

• কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
-  কয়েকটি অ্যান্টি-ভাইরাসের নাম হলো:
• এভিজি
• এভিরা
• অ্যাভাস্ট
• নরটন ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৮৫৬.
ইন্টারনেট কবে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৮১ সালে
  2. খ) ১৯৭০ সালে
  3. গ) ১৯৬০ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের সুচনা হয়েছিল ‘ডারপা’ নামে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের একটি গবেষণা প্রকল্প থেকে। তখন এর নাম ছিল আরপানেট। ১৯৬৯ সালের ১৪ই জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লস এঞ্জেলেস এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর মধ্যে প্রথম নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। প্রথম আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল ২৫শে জুলাই ১৯৭৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরপানেট যোগাযোগ স্থাপিত হয় লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের। [সূত্র: bbc.com]
৭,৮৫৭.
'DuckDuckGo' কী?
  1. ক্লাউড প্লাটফর্ম
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. সার্চ ইঞ্জিন
  4. হ্যাকার গ্রুপ
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি ওয়েব অনুসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্‌ওয়্যার প্রোগ্রাম যা তথ্য জমা করে এবং প্রয়োজনের সময় সেই তথ্য ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুসারে প্রদান করে একটি তালিকা প্রদান ডাটাবেজে অনুসন্ধান করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন হলো Archie.
- জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিন হলো: Google, Bing, Yahoo, Baidu, DuckDuckGo ইত্যাদি।

• DuckDuckGo:
- CEO: Gabriel Weinberg (2008 - present)
- Founder: Gabriel Weinberg
- Founded: February 29, 2008
- Headquarters: Paoli, Pennsylvania, United States

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৮৫৮.
‘এডুকেশন সফটওয়্যার’ হলো এক ধরণের -
  1. ব্যবহারকারী লিখিত প্রােগ্রাম
  2. প্যাকেজ প্রােগ্রাম
  3. এপ্লিকেশন ডেভেলপার প্রােগ্রাম
  4. অনুবাদক প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা

প্যাকেজ প্রােগ্রাম: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে।
যেমনঃ
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৭,৮৫৯.
কোন নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়?
  1. Bluetooth
  2. MAN
  3. WAN
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক  মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭,৮৬০.
ট্রানজিস্টর প্রস্তুতিতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) দস্তা
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়-সিলিকন।
• ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• কম্পিউটার, সেলুলার ফোন এবং অন্য সকল আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল গাঠনিক উপাদান হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।
• ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক
- জে. বার্ডিন (J. Bardeen ),
- ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও
- ডব্লিউ শেকলে ( W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৭,৮৬১.
টুইটারের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কে?
  1. ক) ইলন মাস্ক
  2. খ) সুন্দর পিচাই
  3. গ) জ্যাক ডরসি
  4. ঘ) লিন্ডা ইয়াকারিনো
ব্যাখ্যা
টুইটার
- টুইটার হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট। 
- টুইটারের বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক। 
- টুইটারের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হয়েছেন এনবিসি ইউনিভার্সালের বিজ্ঞাপন বিভাগের সাবেক প্রধান লিন্ডা ইয়াকারিনো। 
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস। 
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)। 
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন। 
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়। 
- টুইটারে ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)। 

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
৭,৮৬২.
TCP প্রোটোকলের প্রধান কাজ কী?
  1. ডাটা প্যাকেটের গন্তব্য পথ নির্ধারণ করা
  2. ব্রাউজারে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করা
  3. ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা
  4. ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

• TCP (Transmission Control Protocol) হলো কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রোটোকল যা বড় আকারের ডাটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বা সেগমেন্টে বিভক্ত করে। এর প্রধান বিশেষত্ব হলো এটি ডাটা গন্তব্যে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দেয়; যদি কোনো প্যাকেট পথে হারিয়ে যায়, তবে এটি তা পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করে এবং প্যাকেটের সঠিক ক্রম বজায় রাখে।

• TCP প্রোটোকলের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ওএসআই (OSI) মডেলের চতুর্থ স্তর বা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে কাজ করে।
- ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে কানেকশন স্থাপন করে যা থ্রি-ওয়ে হ্যান্ডশেক নামে পরিচিত।
- একটি নির্ভরযোগ্য প্রোটোকল কারণ এটি ডাটা প্রাপ্তির পর অ্যাকনলেজমেন্ট (Acknowledgement) প্রদান করে।
- ডাটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক সিকোয়েন্স বা ক্রমানুসারে সাজাতে সাহায্য করে যাতে তথ্য এলোমেলো না হয়।
- ফ্লো কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে যাতে রিসিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

অন্যান্য অপশন:
- ডাটা প্যাকেটগুলোর সঠিক গন্তব্য পথ খুঁজে বের করা: এটি মূলত আইপি (IP - Internet Protocol) এর কাজ, যা নেটওয়ার্ক লেয়ারে রাউটিং সম্পন্ন করে।
- ওয়েব পেজ ব্রাউজারে প্রদর্শন করা: এটি ওয়েব ব্রাউজারের (যেমন- ক্রোম বা ফায়ারফক্স) কাজ, কোনো ট্রান্সপোর্ট প্রোটোকলের নয়।
- ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা: এটি ডিএনএস (DNS - Domain Name System) এর কাজ।

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

৭,৮৬৩.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে স্থাপনা মডেল (Deployment Model) এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাইভেট ক্লাউড
  2. খ) হাইব্রিড ক্লাউড
  3. গ) কনসেন্সাস ক্লাউড
  4. ঘ) পাবলিক ক্লাউড
ব্যাখ্যা
স্থাপনা মডেলসমূহ (Deployment Models):
স্থাপনা মডেলগুলো ক্লাউডের অ্যাক্সেসের ধরণটি সংজ্ঞায়িত করে, অর্থাৎ ক্লাউডটি কীভাবে অবস্থিত? ক্লাউডে চার ধরণের অ্যাক্সেস থাকতে পারে: পাবলিক, প্রাইভেট, কমিউনিটি এবং হাইব্রিড ।
৭,৮৬৪.
সি (C) প্রোগ্রামের বিল্ট-ইন ফাংশনকে কী বলে?
  1. লাইব্রেরি
  2. হেডার
  3. ইউজার ফাংশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বিশেষ কিছু কার্য সম্পাদনের জন্য সি ভাষায় বিল্ট-ইন কিছু ফাংশন আছে তাদেরকে লাইব্রেরি ফাংশন বলে। প্রোগ্রামাররা যাতে স্বল্প সময়ে ভালো প্রোগ্রাম লিখে দ্রত ফলাফল পায় সেজন্য সি ভাষায় অনেক লাইব্রেরি ফাংশন আছে।
যেমন কোন সংখ্যার ঘাত (Power) নির্ণয় করার জন্য নিজে নিজে কোড লিখে বের করা যায়। কিন্তু সি ভাষায় pow() ফাংশন নামে লাইব্রেরি ফাংশন আছে যেটি ব্যবহার করলেই অনেক সহজে ও দ্রত কোন সংখ্যার ঘাত
পাওয়া যায়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৭,৮৬৫.
নিচের কোন রোগের জন্য ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. প্লাস্টিক সার্জারি
  2. প্রোস্টেট ক্যান্সার
  3. লিভার ক্যান্সার
  4. ছানি
ব্যাখ্যা
♦ ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৬.
RAM and ROM belong to which kind of memory?
  1. ক) Main Memory
  2. খ) Secondary Memory
  3. গ) Versatile Memory
  4. ঘ) Volatile Memory
ব্যাখ্যা
RAM, ROM হচ্ছে প্রধান মেমোরির উদাহরণ। 

কম্পিউটারের যে অংশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে উপাত্ত জমা করা হয় তাকে কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরি বলে। 

মেমোরি দুই প্রকার। যথা–
১. প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।
২. সহায়ক মেমোরি।

প্রধান মেমোরি- 
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ যখন তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তখন প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো বা সফটওয়্যার যেখানে অবস্থান করে সেটাই হলো প্রধান মেমোরি। প্রধান মেমোরির গতি অনেক বেশি হয়ে থাকে, প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি দুই প্রকার। 
যথা : i. র‍্যাম (RAM) ও ii. রম (ROM)

সহায়ক মেমোরি- 
প্রসেসকৃত তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষনের জন্য প্রধান মেমোরির বাইরে যে অতিরিক্ত মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমোরি বলা হয়। 
যথা-হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, চুম্বকীয় ডিস্ক, ডিভিডি ডিস্ক, সিডিরম প্রভৃতি সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭,৮৬৭.
Identify the language which is mainly used for Artifical Intelligence-
  1. Prolog
  2. JAVA
  3. J2EE
  4. C
ব্যাখ্যা
• Prolog programming language is used for Artificial Intelligence.
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৮৬৮.
এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে বলে -
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি সেট
  3. ভ্যালু
  4. কী
ব্যাখ্যা
এনটিটি:
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়। এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।

এনটিটি সেট:
একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়। একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

এট্রিবিউট:
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু:
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

কী:
সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৯.
নিম্নের কোনটি কম্পিউটার সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) পাওয়ার সাপ্লাই
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) মাদারবোর্ড
  4. ঘ) ফটোশপ
ব্যাখ্যা
ফটোশপ হচ্ছে কম্পিউটার সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। 

-অপরদিকে, পাওয়ার সাপ্লাই, প্রিন্টার, মাদারবোর্ড হচ্ছে কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের অংশ। 

-কম্পিউটারের এক বা একাধিক প্রোগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে। 

- কম্পিউটার সফটওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারের একটি লজিক্যাল ইউনিট। 

সূত্র- ২৩ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
৭,৮৭০.
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে কোন ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সাটা (SATA)
  2. খ) স্ক্যাজি (SCSI)
  3. গ) সাস (SAS)
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়। এজন্য আইডিই (IDE- Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়ােজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
৭,৮৭১.

নিচের কোনটি উপরের আইকন গুলোর নামের সঠিক সিকোয়েন্স?
  1. Error icon, Warning icon, Information icon, Help icon
  2. Warning icon, Error icon, Information icon, Help icon
  3. Error icon, Warning icon, Help icon, Information icon
  4. Error icon, Information icon, Warning icon, Help icon
ব্যাখ্যা
⇒ Error icon: কোন ভুল হলে ইউজার ইন্টারফেস ভুল () আইকন দেখায়।
⇒ Warning icon: ভবিষ্যতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন কিছুর জন্য ইউজার ইন্টারফেস সতর্ক () আইকনসহ সমস্যা সৃষ্টিকারি বিষয়টি তোলে ধরে।
⇒ Information icon: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সমূহকে ইউজার ইন্টারফেস ইনফরমেশন () আইকনসহ উপস্থাপন করে।
⇒ Question mark icon: ইউজার ইন্টারফেস (UI) হেল্প () আইকনের মাধ্যমে একটি সাহায্য এন্ট্রি পয়েন্ট নির্দেশ করে।

উৎস: Standard icons.
৭,৮৭২.
কম্পাইলারের কাজের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. এক্সিকিউশন ফাইল তৈরি করা
  2. প্রোগ্রাম রান করা
  3. উৎস প্রোগ্রাম অনুবাদ করা
  4. প্রোগ্রামের ভুল প্রদর্শন করা
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম রান করা কম্পাইলারের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:

- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের। যথা: 
১. কম্পাইলার,
২. ইন্টারপ্রেটার ও
৩. অ্যাসেম্বলার।

. কম্পাইলার:

- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে, ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।

• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৭৩.
ডিজিটাইজার সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ভয়েস রেকর্ডিং
  2. ভিডিও রেকর্ডিং
  3. নেটওয়ার্কিং
  4. গ্রাফিক্স ডিজাইন
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাইজার সাধারণত গ্রাফিক্স ডিজাইন (বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদির প্ল্যান করতে) ব্যবহৃত হয়।

• ডিজিটাইজার:
- ডিজিটাইজার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।
- অনেক ক্ষেত্রে এটি গ্রাফিক্স ট্যাবলেট নামেও পরিচিত।
- ডিজিটাইজার বোর্ডের সঙ্গে একটি বিশেষ কলম বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হয়।
- যদি স্টাইলাস দিয়ে ডিজিটাইজার বোর্ডে কিছু লেখা বা আঁকা হয়, তা সরাসরি মনিটরে দেখা যায়।
- আবার বোর্ডের ওপর কাগজ রেখে, কাগজে আঁকা ছবির ওপর স্টাইলাস চালালে, সেটিও মনিটরে প্রদর্শিত হয়।
- ডিজিটাইজারের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাফ, মানচিত্র, বাড়ির নকশা ইত্যাদি সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৭৪.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ককে কী বলা হয়?
  1. অ্যানালগ সেলুলার নেটওয়ার্ক
  2. ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক
  3. অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক
  4. স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ককে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০)
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৮৭৫.
Swap space ব্যবহার হয়—
  1. হার্ডডিস্কে
  2. ইউজার ইন্টারফেসে
  3. মেমোরি ম্যানেজমেন্টে
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ Swap space হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ অংশ যা ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, OS অপ্রয়োজনীয় ডেটাকে হার্ড ডিস্কের swap area-তে স্থানান্তর করে। এটি মেমোরি ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখে। Swap space-এর ব্যবহার অপারেটিং সিস্টেমের মেমোরি ম্যানেজার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।

৭,৮৭৬.
ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) Google
  2. খ) Edge
  3. গ) DuckDuckGo
  4. ঘ) Baidu
ব্যাখ্যা
Microsoft Edge is a web browser developed by Microsoft. It was first released for Windows 10 and Xbox One in 2015, then for Android and iOS in 2017, and macOS in 2019. Edge includes integration with Cortana and has extensions hosted on the Microsoft Store.
৭,৮৭৭.
টেলিমেডিসিন কী?
  1. টেলিভিশনে মেডিকেল প্রোগ্রাম দেখানো
  2. দূরবর্তী অবস্থান থেকে রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান
  3. মেডিকেল তথ্য সংরক্ষণের সিস্টেম
  4. হাসপাতালে টেলিভিশন দেখিয়ে রোগীদের সচেতনতা সৃষ্টি
ব্যাখ্যা

◉ টেলিমেডিসিন (Telemedicine) হলো দূরবর্তী চিকিৎসা সেবা প্রদান পদ্ধতি, যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) ব্যবহার করে রোগী ও ডাক্তার অবস্থানগত দূরত্বের বাধা ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবা নিতে ও দিতে পারেন।
- এটি মূলত ভিডিও কল, মোবাইল অ্যাপ, টেলিফোন, ইমেইল বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।

এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic, MDlive,
- Amwell,
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭,৮৭৮.
Rootkit একটি-
  1. ক) Antivirus
  2. খ) Hardware
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) Operating System
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse):
- Malicious Software Malware অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- ট্রোজান হর্স হলো এক ধরনের মেলওয়্যার যা দেখতে বৈধ মনে হলেও ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ব্যবহারকারীর নেটওয়ার্কের ক্ষতি, তথ্য চুরি বা সাধারণভাবে অন্য কিছু ক্ষতিকারক পদক্ষেপের উদ্দেশ্যে ট্রোজান হর্স ডিজাইন করা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Rootkit, Zeus, Backdoor ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৭,৮৭৯.
অপারেটিং সিস্টেমে ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করা হয়-
  1. অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণের জন্য
  2. ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণের জন্য
  3. সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়াতে
  4. এক্সটারনাল মেমোরি সংযোগের জন্য
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমে ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করা হয় মূলত সেকেন্ডারি স্টোরেজকে RAM হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। কম্পিউটার মেশিনের ফিজিক্যাল RAM সীমিত থাকে, কিন্তু অনেক বড় প্রোগ্রাম চালানোর সময় তা যথেষ্ট নাও হতে পারে। ভার্চুয়াল মেমোরি প্রযুক্তি ডিস্কের জায়গা ব্যবহার করে RAM-এর উপর লোড থাকা ডেটা বা প্রোগ্রামের অংশ সাময়িকভাবে রাখে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে মনে হয় RAM অনেক বেশি আছে। এটি মেমোরি ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে, মাল্টি-প্রোগ্রামিং সমর্থন দেয় এবং সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সংক্ষেপে, ভার্চুয়াল মেমোরি RAM-এর সীমাবদ্ধতা দূর করে সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে মেমোরি বৃদ্ধি করে।

সঠিক উত্তর: গ) সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়াতে।

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]
- Computer Science | University of Illinois Chicago [link]

৭,৮৮০.
নিচের কোন ভাইরাসটিকে Spacefiller বলা হয়?
  1. CIH
  2. Worm
  3. Avira
  4. Trojan Horse
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- CIH ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮১.
MICR অক্ষরগুলি কোন বিশেষ ফন্টে মুদ্রিত হয়?
  1. OCR-A
  2. E13B
  3. Arial Narrow
  4. Calibri
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) অক্ষরগুলি ব্যাংকিং সেক্টরে চেক এবং অন্যান্য আর্থিক ডকুমেন্টে ব্যবহৃত হয়। এই অক্ষরগুলি বিশেষভাবে এমন একটি ফন্টে মুদ্রিত হয় যা চৌম্বকীয় কালি ব্যবহার করে সহজে পড়া যায় এবং মেশিন দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। এই ফন্টটির নাম E-13B। E-13B ফন্টে প্রতিটি সংখ্যা এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট আকার ও স্ট্রোক প্যাটার্নে থাকে, যা চেক প্রক্রিয়াকরণের সময় ব্যাংকের স্বয়ংক্রিয় মেশিন সহজে পড়তে পারে।
- অন্য ফন্ট যেমন OCR-A, Arial Narrow বা Calibri সাধারণ কম্পিউটার বা টাইপিং কাজের জন্য ব্যবহৃত হলেও MICR প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহারযোগ্য নয়।

• MICR চেক (MICR Cheque):
- MICR এর পূর্ণরূপ: Magnetic Ink Character Recognition / Reader
- MICR চেক হলো এমন একটি প্রযুক্তি নির্ভর চেক, যাতে চুম্বকীয় কালি ব্যবহার করা হয়।
- চেক স্ক্যান করলে এর নিচের ডিজিটগুলো চুম্বকীয় কালি দ্বারা কম্পিউটার দ্বারা সহজে পড়া যায়।
- এর মাধ্যমে চেক যাচাই, ক্লিয়ারিং ও ফান্ড ট্রান্সফার দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে করা যায়।
- MICR প্রযুক্তি চেক প্রতারণা ও রিজেকশন হ্রাস করে।
- এটি আধুনিক ব্যাংকিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- অন ডিমান্ড চেক প্রিন্টিং এর মাধ্যমে গ্রাহক তাৎক্ষনিক পেতে পারে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- IBM [link]

৭,৮৮২.
Dot-matrix প্রিন্টার হলো এক ধরণের -
  1. Impact printer
  2. Non-impact printer
  3. Laser printer
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
প্রিন্টার দুই ধরণেরঃ

১) ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার

লাইন প্রিন্টার
চেইন প্রিন্টার
ড্রাম প্রিন্টার
ক্যারেক্টার/সিরিয়াল প্রিন্টার
ডেইজি হুইল প্রিন্টার
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার

২) নন- ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার

লেজার প্রিন্টার
ইঙ্কজেট প্রিন্টার
থার্মাল প্রিন্টার
স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার

রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৭,৮৮৩.
WiMAX uses which data transmission mode?
  1. Full duplex  
  2. Half duplex
  3. Simplex
  4. Simple duplex
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Full duplex  

WiMAX

- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- এটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চ-গতির ইন্টারনেট দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
৩। ব্রিটানিকা। 

৭,৮৮৪.
একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম চালানোর সুবিধাকে কী বলে?
  1. Multithreading
  2. Multiprocessing
  3. Multitasking
  4. Multiprogramming
ব্যাখ্যা

Multitasking হলো একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা টাস্ক চালানোর সুবিধা। এখানে অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত এক টাস্ক থেকে আরেক টাস্কে সুইচ করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে মনে হয় সব একসাথে চলছে।

​অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টিটাস্কিং পরিচালনা:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: OS বিভিন্ন কাজ বা প্রোগ্রামকে সিডিউল করে এবং প্রসেসরকে সেগুলো একসঙ্গে চালাতে সহায়তা করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: OS র‌্যামের মধ্যে বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য মেমোরি বরাদ্দ করে।
- CPU শিডিউলিং: OS নির্ধারণ করে কোন প্রোগ্রাম কতটুকু CPU সময় পাবে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।

৭,৮৮৫.
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে কী বলে?
  1. Bug
  2. Debug
  3. GIGO
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• Bug and Debug:
• Bug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।

• Debug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।

• কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
• কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
৭,৮৮৬.
বর্তমানে জনপ্রিয় হটস্পট প্রযুক্তি কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দুই ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়। যথা- মোবাইল নেটওয়ার্ক ও হটস্পট। হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল কম্পিউটার ও ডিভাইস। যেমন- স্মার্টফোন, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ, পিডিএ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে। বর্তমানের জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো- ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই ও ওয়াইম্যাক্স। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৮৮৭.
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোনের নাম কী ছিল?
  1. সিটিসেল
  2. নোকিয়া
  3. ব্লাকব্যরি
  4. সাইমন
ব্যাখ্যা
- প্রযুক্তি কোম্পানী IBM বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে যার নাম ছিল সাইমন।
- 16 আগস্ট, 1994-এ জনসাধারণের কাছে বিক্রি হয়েছিল।
- এতে একটি টাচস্ক্রিন, ইমেইল ক্ষমতা, একটি ক্যালকুলেটর এবং একটি স্কেচ প্যাড সহ কয়েকটি অন্তর্নির্মিত অ্যাপ রয়েছে৷
- এটির কোড-নাম ছিল "অ্যাঙ্গলার" এবং ভেগাসের ফল কমডেক্স কনভেনশনে উন্মোচন করা হয়েছিল।
- ব্যাটারি একবার চার্জ করলে ১ ঘণ্টা চালানো যেত।
- বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিভাইসটি কেবলমাত্র 50,000 ইউনিট স্থানান্তরিত করতে ছয় মাস ব্যয় করেছে।

উৎস:
১. Time megazine
২. World Economic Forum
৭,৮৮৮.
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ–জি প্রযুক্তি সেবা সরবরাহ শুরু করে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. জাপান
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):

- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- টেলিটকই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৭,৮৮৯.
IPv6 ঠিকানা লিখতে কোন ধরণের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. দশমিক
  2. বাইনারি
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা

IPv6 ঠিকানা লিখতে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

আইপি এড্রেস (IP Address):

- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- 'IP' এর পূর্ণরূপ হলো 'Internet Protocol'.
- আইপি অ্যাড্রেস চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়: (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet)।
- IPv4-এ সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ার কারণে IPv6 চালু করা হয়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv6 অ্যাড্রেস 128 বিটের হয়। অর্থাৎ এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিটি ভাগ 16 বিটের হয়।
- 128 বিটের সাহায্যে 2¹²⁸ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লেখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৮৯০.
কোনটি সুপার কম্পিউটার?
  1. CYBER 205
  2. UNIVAC 1100
  3. IBM S/34
  4. MACINTOSH
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY - I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।


• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer): 
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- PDP-II, IBM S/34, IBMS / 36, NCR S / 9290, NOVA3 ইত্যাদি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯১.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. টার্মিনাল
  2. হোস্ট
  3. ওয়ার্কষ্টেশন
  4. চ্যানেল
ব্যাখ্যা
• সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কষ্টেশন বলা হয়।
- কোনো কম্পিউটারে সংরক্ষিত রিসোর্স সমূহ যদি একসাথে থাকে এবং একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে তাকে সার্ভার বলে।
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্কষ্টেশন বলে।
- ওয়ার্কষ্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটার মাঝে একটি সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- সার্ভার কেন্দ্রীয়ভাবে স্থাপিত হয়ে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও উপাত্ত বিনিময়ের ব্যবস্থা করে থাকে।
- নেটওয়ার্কে সংযোজিত  প্রতিটি কম্পিউটারকে একেকটি হোস্ট কম্পিউটার হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯২.
ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি অনুসরণে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Thermometer
  2. Gyroscope
  3. Barometer
  4. Microphone
ব্যাখ্যা

• ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি সনাক্ত করার জন্য Gyroscope প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। Gyroscope একটি সেন্সর যা কোণ বা দিক পরিবর্তনের তথ্য সরবরাহ করে। এটি মাথার দিক, ঘূর্ণন এবং ঢাল পরিবর্তন ট্র্যাক করতে সক্ষম, যা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন ব্যবহারকারী মাথা বাঁকায় বা ঘোরায়, Gyroscope সেন্সর তা সনাক্ত করে এবং VR হেডসেটের ডিসপ্লেতে পরিবেশ অনুযায়ী দৃশ্য পরিবর্তন করে। অন্যদিকে Thermometer তাপমাত্রা মাপে, Barometer বাতাসের চাপ নাপে, এবং Microphone শব্দ সংগ্রহ করে। তাই VR হেডসেটে মাথার গতিবিধি ট্র্যাকিংয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো Gyroscope.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- কম্পিউটার প্রযুক্তি হলো সেই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অবকাঠামো যা জটিল গ্রাফিক্স রেন্ডারিং, রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং, এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইন্টারফেস পরিচালনা করে। 
- সিমুলেশন তত্ত্ব হলো গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক নীতি যা পদার্থবিদ্যার সূত্র, আলোর আচরণ, শব্দের প্রসারণ, এবং স্থানিক সম্পর্কের মডেল তৈরি করে।
- এই দুইয়ের সমন্বয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য ও নিমজ্জনশীল কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৭,৮৯৩.
Which storage device type uses magnetic disks and rotational platters for data storage?
  1. SSD
  2. USB Flash
  3. HDD
  4. Optical Disk
ব্যাখ্যা

• HDD (Hard Disk Drive):
- HDD বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ হলো একটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস। 
- HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- ডেটা রিড/রাইট হেডের মাধ্যমে চৌম্বকীয়ভাবে লেখা ও পড়া হয়।
- এর দ্বারা হার্ড ডিস্কের মধ্যে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা অক্ষত থাকে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা।
- ট্র্যাকের সংখ্যা।
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা।
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।

অন্যান্য অপশন:
- SSD: এটি তথ্য সংরক্ষণের জন্য কোনো ঘূর্ণায়মান ডিস্ক ব্যবহার করে না, বরং ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ (Nand Flash) ব্যবহার করে।
- USB Flash: এটি সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক স্টোরেজ যা ইলেকট্রনিকভাবে ডেটা জমা রাখে এবং এতে কোনো মুভিং পার্টস নেই।
- Optical Disk: এটি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে ডেটা পড়ে এবং লেখে, এটি চৌম্বকীয় পদ্ধতির পরিবর্তে অপটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। [link]

৭,৮৯৪.
নেটওয়ার্কিং-এ কয় ধরনের টপোলজি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৩
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে নিম্ন বর্ণিত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। যথা: 
১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology)
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology)
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology)
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology)
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology)
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology )

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (১১শ - ১২শ  শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৮৯৫.
দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে কোন কোম্পানি?
  1. এপসন
  2. টেশিস
  3. আইবিএম
  4. ক্যানন
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস:
১. dw report [Link]
২. Live MCQ লেকচার শীট।
৭,৮৯৬.
ডেসিমালে ‘৩১’ সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমালে কত?
  1. ক) 1A
  2. খ) 1B
  3. গ) 1D
  4. ঘ) 1F
৭,৮৯৭.
MacOS ডেভেলপ করেছে কোন কোম্পানি?
  1. ক) এপল
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) আইবিএম
  4. ঘ) হুয়াওয়ে
ব্যাখ্যা
MacOS এপলের কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। iOS ব্যবহৃত হয় এপলের মোবাইল ফোনে।
Source: developer.apple.com
৭,৮৯৮.
নিচের কোনটি দিয়ে যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যাবে?
  1. NAND
  2. AND
  3. OR
  4. NOT
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ন্যান্ড (NAND) গেইট, নর (NOR) গেইট দ্বারা সকল ধরনের গেইট বাস্তবায়ন করা যায় বলে এদেরকে সার্বজনীন গেইট বলে।
সার্বজনীন গেইট তৈরি করার খরচ কম বিধায় ডিজিটাল সার্কিটে এই গেইট বেশি ব্যবহার করা হয়৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৭,৮৯৯.
(15.25)10 - এর বাইনারি মান কত হবে?
  1. 1001.10
  2. 1101.01
  3. 1111.10
  4. 1111.01
ব্যাখ্যা
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর -
১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে 2 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে
২. ভাগফলকে পুনরায় 2 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য 0 হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা।
ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর -
১. ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি 2 দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
২. এভাবে ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি 2 দিয়ে গুণ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না গুণফলের ভগ্নাংশ 0 হয়।
৩. অত:পর প্রাপ্ত পূর্ণ অংশ শুরু থেকে শেষের দিকে করে সাজালেই কাঙ্খিত সংখ্যাটি পেয়ে যাবে।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৭,৯০০.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) Android
  2. খ) Twitter
  3. গ) Viber
  4. ঘ) GitHub
ব্যাখ্যা
GitHub (গিটহাব)
- গিটহাব হচ্ছে ইন্টারনেট হোস্টিং সেবা।
- এটি একটি ওপেন সোর্স ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এটি ডেভেলপারদের কোড, সফটওয়্যার প্রভৃতি তৈরি, সংরক্ষণ ও  নিরাপদে সরবরাহ করার আদর্শ প্লাটফর্ম।
- এটি ওয়েব-ভিত্তিক গিট রিপজিটরি হোস্টিং সেবা।
- দ্রুত গতির ডাটা ইনটিগ্রিটি এবং ডিস্ট্রিবিউটেড সাপোর্টসহ ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোলই হচ্ছে গিট (git)।
- এটি যা গিট এর ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোল এবং সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট (এসসিএম) এর কার্যকারিতা এবং ফিচার উপস্থাপন করে।
- এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

উৎস: https://github.com