বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৭১ / ১৩১ · ৭,০০১৭,১০০ / ১৩,০৮৮

৭,০০১.
কোন প্রজন্মের ফোনে Radio Access Technology (RAT) সুবিধা চালু হয়?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
ব্যাখ্যা

৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৭,০০২.
নিচের কোনটি টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ করে ?
  1. ফ্যাক্স
  2. ই- মেইল
  3. টেলেক্স
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
-
ফ্যাক্স মেশিন হলো মূলতঃ টেলিফোন, স্ক্যানার, প্রিন্টার ও মোডেম সম্মিলিত একটি যন্ত্র।
- প্রেরক কোনো ডকুমেন্ট পাঠাতে চাইলে তিনি প্রথমে টোলফোনে ডায়াল করে প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনের সাথে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করেন।
- ডকুমেন্টটি ফ্যাক্স মেশিনে রাখলে ডকুমেন্টের যাবতীয় লেখা বা ছবি স্ক্যানারের মাধ্যমে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর হয়।
- মোডেমের সাহায্যে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে প্রাপকের মোডেমে পাঠায়।
- প্রাপকের মোডেম সেই এনালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- ফ্যাক্স মেশিনের প্রিন্টারে পাঠায় এবং প্রিন্টারে সাহায্যে প্রেরকের পাঠানো ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপক পেয়ে যান।

উল্লেখ্য,
-  বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স আবিস্কার করেন।
- এর পূর্ণরূপ: Facsimile.
- ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান;
- সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন।
- এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০০৩.
মাইক্রোকন্ট্রোলার একটি -
  1. ক) ছোট আকারের মাদারবোর্ড
  2. খ) ছোট আকারের মাইক্রোচিপ
  3. গ) ছোট আকারের মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) ছোট আকারের কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- ইংরেজি শব্দ 'Micro' অর্থ ছোট এবং 'Controller' অর্থ নিয়ন্ত্রণকারী।
- মাইক্রোকন্ট্রোলার কোনো প্রক্রিয়া বা ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রণকারী ছোট আকারের একটি কম্পিউটার।
- এটি VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে একক চিপে (Single Chip) জটিল সিকুয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিটে তৈরি ছোট, প্রোগ্রামযোগ্য (Programmable) ও সর্বজনীন কম্পিউটার।
- এটি মূলত একটি আইসি (IC, Integrated Circuit), যাতে ডেস্কটপ কম্পিউটারের প্রায় সকল অংশই বিদ্যমান।
৭,০০৪.
আলফাবেট ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান প্রধান নির্বাহী কে?
  1. ক) সত্য নাদেলা
  2. খ) সুন্দর পিচাই
  3. গ) অরভিন্দ কৃষ্ণা
  4. ঘ) এলন মাস্ক
ব্যাখ্যা

গুগলের বর্তমান সিইও সুন্দর পিচাই।
মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
Space X এবং Tesla এর সিইও এলন মাস্ক।
IBM এর বর্তমান সিইও অরবিন্দ কৃষ্ণা।

৭,০০৫.
অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত? 
  1. ৮ 
  2. ২ 
  3. ১৬ 
  4. ১০ 
ব্যাখ্যা

অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। 
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না। 

অন্যদিকে, 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২। 
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০০৬.
RAM বলতে কী বোঝায়?
  1. Read Write Memory
  2. Main Storage
  3. Volatile Memory
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• RAM বলতে Random Access Memory বোঝায়, যা কম্পিউটারের মুখ্য কার্যকরী স্মৃতি (Main Storage) হিসেবে কাজ করে। এটি Volatile Memory, অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ হলে এর মধ্যে থাকা তথ্য মুছে যায়। RAM-এর মাধ্যমে প্রসেসর দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে, যা সিস্টেমের পারফরম্যান্স বাড়াতে সহায়তা করে। তাই RAM হলো এমন একটি মেমোরি যা ডেটা Read ও Write উভয়ভাবে সমর্থন করে এবং অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে। সংক্ষেপে বলা যায়, RAM হলো Read Write Memory, Main Storage, এবং Volatile Memory-এর সব মিলিত বৈশিষ্ট্যের একটি স্মৃতি। সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো।

• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- RAM কে Main Storage এবং Read Write Memory ও বলা হয়।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
২। ব্রিটানিকা

৭,০০৭.
DRAM কী দ্বারা তৈরি হয়?
  1. মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
  2. রেজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ ও ট্রানজিস্টর
  4. রেজিস্টর ও ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম:
- SRAM-এর পূর্ণরূপ Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা-
১. SDRAM (Synchronous DRAM) ও
২. ASDRAM (Asynchronous DRAM).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০০৮.
১৯৮১ সালে প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে কোন কোম্পানি? 
  1. ডেল
  2. অ্যাপল
  3. এপসন
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়। 
১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়। 
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)। 
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং dw.com
৭,০০৯.
নিচের কোনটি ফেসবুক (এখন মেটা) এর দ্বারা তৈরি একটি জনপ্রিয় ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট?
  1. Oculus Rift
  2. HTC Vive
  3. PlayStation VR
  4. Google Cardboard
ব্যাখ্যা
  • Oculus Rift হলো একটি জনপ্রিয় ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট যা ফেসবুক (এখন মেটা) কোম্পানি দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। মেটা ২০১৪ সালে Oculus VR নামক কোম্পানিটি কিনে নেয়, যার পর থেকে Oculus Rift এবং অন্যান্য Oculus ডিভাইসগুলো মেটার অধীনে উন্নত ও বাজারে আসতে থাকে। এটি VR গেমিং, অভিজ্ঞতা, এবং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের জন্য খুবই জনপ্রিয়।
  • HTC Vive হলো একটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট যা HTC এবং Valve এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে। এটি মেটার তৈরি নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  • PlayStation VR হলো একটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট যা Sony এর তৈরি, বিশেষত PlayStation 4 এবং PlayStation 5 কনসোলের জন্য। এটি ফেসবুক (মেটা) দ্বারা তৈরি নয়।
  • Google Cardboard হলো একটি সস্তা, সহজে ব্যবহারযোগ্য ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট যা Google তৈরি করেছে। এটি ফেসবুকের কোনো পণ্য নয়, তাই সঠিক উত্তর নয়।

উত্তর: ক) Oculus Rift

সূত্র:
cnet.com [লিংক]

৭,০১০.
ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে কোন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন?
  1. এনক্রিপশন
  2. ফায়ারওয়াল
  3. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন
  4. সব কয়টি
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য জড়িত থাকে। এজন্য নিচের সবগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন—

এনক্রিপশন (Encryption): ডেটা এনক্রিপ্ট করলে তথ্য ট্রান্সমিশনের সময় নিরাপদ থাকে এবং অননুমোদিত ব্যক্তির পক্ষে ডেটা পড়া অসম্ভব হয়।
ফায়ারওয়াল (Firewall): নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA): পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি যাচাইকরণ ধাপ (যেমন OTP বা বায়োমেট্রিক) ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাড়ায়।
অর্থাৎ, নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের জন্য এই তিনটি ব্যবস্থাই একসাথে প্রয়োগ করা জরুরি।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: 
১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। stripe.com ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৭,০১১.
কিসের উপর ভিত্তি করে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক) Linux
  2. খ) Solaris
  3. গ) AIX
  4. ঘ) GNU
ব্যাখ্যা
লিনাক্স কার্নেলের উপর নির্ভর করে টাচস্ক্রিণ স্মার্টফোনের জন্য এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেছে গুগল। এন্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম। গুগল সহ আরো অনেক কোম্পানি এন্ড্রয়েড ভিত্তিক ফোন বাজারজাত করে।
Source: Google
৭,০১২.
কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা ও গতি প্রধানত কোন উপাদানের দ্বারা প্রভাবিত হয়?
  1. এএলইউ
  2. সিপিইউ
  3. রেজিস্টার 
  4. মেমরি 
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের গতি ও কর্মদক্ষতা নির্ভর করে সিপিইউ (Central Processing Unit)-এর ওপর, কারণ এটি সমগ্র সিস্টেমের "মস্তিষ্ক" হিসেবে কাজ করে। সিপিইউ-এর ডিজাইন, ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশে মেমরি সরাসরি প্রসেসিং গতিকে প্রভাবিত করে।

সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০১৩.
What is the purpose of the alphanumeric keys on a keyboard?
  1. To control the cursor movement.
  2. To adjust the screen brightness.
  3. To input letters, numbers, and symbols.
  4. To activate special functions like volume control.
ব্যাখ্যা
• আলফানিউমেরিক কোড:
→ কম্পিউটার সিস্টেমে সংখ্যাসূচক(0 - 9) চিহ্নের পাশাপাশি বিভিন্ন বর্ণ (a - z, A - Z) ও বিভিন্ন গাণিতিক এবং বিশেষ চিহ্ন (+, $, ⋆, #, % ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়।
→ এসকল সংখ্যা, বর্ণ ও চিহ্নের জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয়, তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।

বিভিন্ন আলফানিউমেরিক কোড:
1. ইবিসিডিক (EBCDIC),
2. অ্যাসকি (ASCII),
3. ইউনিকোড (Unicode).


উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) image source: microsoft support.

৭,০১৪.
কোন প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের মোবাইল ফোনকে "Green Phone" হিসেবে পরিচিতি পাওয়া যায়?
  1. GPRS
  2. LTE
  3. GSM
  4. CDMA
ব্যাখ্যা
⚪ CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access.
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় বলে একে Green Phone বলা হয়।

⚪ সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য:
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।

- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

- বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে কতগুলো কেরিয়ারে বিভক্ত করা হয় যা ১.২৫ মেগাহার্টজ প্রশস্ত।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড দেয়া হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৭,০১৫.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. মনিটর
  2. স্পিকার
  3. ডিজিটাল ক্যামেরা
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ডিজিটাল ক্যামেরা

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০১৬.
Facebook-এর Inventor কে?
  1. Mark Zuckerberg
  2. Dustin Mockovitz
  3. Chiris Huges
  4. Darwin
ব্যাখ্যা
Facebook:
- ফেসবুক একটি আমেরিকান অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান।
- ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে বন্ধুত্ব তৈরির পাশাপাশি, বার্তা বা বিভিন্ন সংবাদ আদান-প্রদান, অডিও-ভিডিও ইত্যাদি আপলোড বা ডাউনলোড করা যায়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সাল।
- প্রতিষ্ঠাতা: মার্ক জুকারবার্গ ও তার চারজন বন্ধু মিলে পরীক্ষামূলকভাবে এটি তৈরি করেন।
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- ফেসবুকের iOS, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের পাশাপাশি ওয়েবসাইট থেকেও ব্যবহার করা যায়।

উৎস: Facebook ওয়েবসাইট।
৭,০১৭.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার একটি কম্পিউটার সিস্টেম লক করে ব্যবহারকারীকে তার ডিভাইস ব্যবহার করতে বাধা দেয় এবং মুক্তিপণ দাবি করে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়‍্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম 
ব্যাখ্যা

◉ র‍্যানসমওয়‍্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৭,০১৮.
What is the primary function of a router in a computer network?
  1. ক) To transmit data between devices
  2. খ) To provide network security
  3. গ) To connect multiple networks together
  4. ঘ) To store files
ব্যাখ্যা
- A router is a device that connects multiple networks together, allowing devices on different networks to communicate with each other.
- It routes data packets between networks based on their IP addresses.

Reference: https://www.cisco.com
৭,০১৯.
অন্যের গবেষণা হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে কী বলে?
  1. ক) Sneaking
  2. খ) Phishing
  3. গ) Spamming
  4. ঘ) Plagiarism
ব্যাখ্যা
প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবাহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

স্নিকিং (Sneaking):
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে।

ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭,০২০.
WiMAX-এর সাথে কোন IEEE স্ট্যান্ডার্ড যুক্ত?
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.3
  4. IEEE 802.11
ব্যাখ্যা
• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শহর বা গ্রামীণ এলাকায় উচ্চগতির ডেটা সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। WiMAX প্রযুক্তির জন্য যে IEEE স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহৃত হয়, তা হলো IEEE 802.16। এই স্ট্যান্ডার্ডটি বিশেষভাবে ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (BWA) ব্যবস্থার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অন্যদিকে, IEEE 802.11 হলো Wi-Fi এর জন্য, 802.3 হলো ইথারনেটের জন্য, এবং 802.15 হলো ব্লুটুথের জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড। তাই WiMAX-এর জন্য সঠিক স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
সঠিক উত্তর: ক) IEEE 802.16 

• অপশন আলোচনা:
IEEE 802.11 → এটি Wi-Fi-এর জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড।
IEEE 802.3 → এটি ইথারনেট (Ethernet) এর জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড। 
IEEE 802.15 → এটি ব্লুটুথ এবং অন্যান্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) এর জন্য ব্যবহৃত।

• Wi-Max:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- একটি WiMAX বেস স্টেশন যা ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। অন্যটি এন্টেনাসহ WiMAX রিসিভার, যা কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযুক্ত থাকে।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN)
- নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
- ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
- একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।

- ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
- সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- নেটওয়ার্কের জন্য পর্যাপ্ত ইলেকট্রিক্যাল সাপোর্ট থাকতে হয়।
- বিদ্যুৎ ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০২১.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) Maya
  2. খ) AVG
  3. গ) MacFE
  4. ঘ) Elance
ব্যাখ্যা
McAfee, AVG, Norton Antivirus, Avira, Kaspersky, Symantec, Panda, Avast, Cobra ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
৭,০২২.
কোন সংস্থা AlphaFold2 প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে?
  1. Stanford University
  2. MIT
  3. IBM
  4. Google DeepMind
ব্যাখ্যা
• ২০২৪ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার:

• পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীরা:
- ডেভিড বেকার:
- ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি প্রফেসর।
- তিনি কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তিতে কাজ করেছেন।

- ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার:
- যথাক্রমে তাঁরা গুগল ডিপমাইন্ডের সিইও এবং পরিচালক।
- তাঁরা প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য AI প্রযুক্তি আলফা ফোল্ড ২ তৈরি করেছেন​।

• AlphaFold2:
- Google DeepMind সংস্থা AlphaFold2 প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
- AlphaFold2 হল একটি উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মডেল যা প্রোটিনের গঠন পূর্বাভাস দিতে সক্ষম।
- এটি প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিড সিকোয়েন্সের ভিত্তিতে তাদের ত্রি-মাত্রিক গঠন দ্রুত এবং সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে সহায়তা করে।

পুরস্কারের কারণ:
- প্রোটিন ডিজাইন: ডেভিড বেকারের কাজ নতুন প্রোটিন গঠনের জন্য ডিজাইন করা, যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। এর মাধ্যমে চিকিৎসা এবং প্রযুক্তিতে নতুন কিছু তৈরি করা সম্ভব হয়েছে​।
- প্রোটিন গঠনের পূর্বাভাস: হাসাবিস এবং জাম্পারের আলফা ফোল্ড ২ প্রযুক্তি প্রোটিনের ৩-ডি গঠন পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে ৪০% থেকে ৯০% পর্যন্ত সঠিকতা বৃদ্ধি করেছে।

- প্রোটিনের গুরুত্ব: প্রোটিন হল জীবনের মৌলিক অণু, যা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলি পরিচালনার জন্য অত্যাবশ্যক। সঠিক গঠন ও কার্যকারিতা বোঝার মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানা সম্ভব হবে।

- গবেষণার প্রভাব: এই আবিষ্কারগুলি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ, পরিবেশগত সমস্যার সমাধান, এবং প্রোটিন-মধ্যস্থ প্রক্রিয়াগুলির উন্নয়নে সহায়তা করেছে। নতুন প্রোটিন ডিজাইন প্রযুক্তি বিভিন্ন খাতে যেমন, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

- এই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীদের কাজ আধুনিক রসায়ন এবং জীবন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তাদের আবিষ্কার মানব জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়ক হতে পারে।

অন্যদিকে,
- জেনিফার ডাউডনা হলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান জীবাণু রসায়নবিদ, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে-এ অধ্যাপনা করেন।
- তিনি (CRISPR) ক্রিস্পার প্রযুক্তির সহ-আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা জিন সম্পাদনার ক্ষেত্রে বিপ্লবী পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- ডাউডনা এর কাজ বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে, যা চিকিৎসা এবং কৃষিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে​।

সূত্র:
১) nobelprize.org/prizes/chemistry [লিংক]
২) reuters [লিংক]
৭,০২৩.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে কী ব্যবহার করা হতো?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. সেমিকন্ডাক্টর
  3. ভ্যাকুয়াম টিউব
  4. আইসি চিপ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এসব কম্পিউটারের ব্যবহার ছিল খুবই সীমিত।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০২৪.
প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম কী?
  1. এমএস-এক্সেল
  2. আর্চি
  3. ভিসিক্যালক
  4. সিম্ফোনি
ব্যাখ্যা
• প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যালক।

• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- Spreadsheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্প্রেডশিট বলা হয়।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো: মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি।
- প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যালক, যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০২৫.
মাইক্রোসফট অ্যাপ্লিকেশনে 'Find' ডায়ালগ খুলতে শর্টকাট কী কোনটি?
  1. Ctrl + M
  2. Ctrl + V
  3. Ctrl + F
  4. Ctrl + A
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফটের শর্টকাট কী:

সূত্র: শর্টকাট কী মাইক্রোসফট [লিংক]
৭,০২৬.
ই-সার্ভিসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ইএমটিএস
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-পর্চা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ:
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা।
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

• ইএমটিএস:
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায় ।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে এই সেবা পাওয়া যায় ।

• ই-পর্চা সেবা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।

• রেলওয়ের ই-টিকেটিং ও মোবাইল টিকেটিং:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট এখন মোবাইল ফোনেও ক্রয় করা যায়।
- আবার অনলাইনেও টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে, নিজের সুবিধামতো সময়ে রেলস্টেশনে না গিয়েও নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকেট সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
৭,০২৭.
কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
  1. ক) #
  2. খ) @
  3. গ) &
  4. ঘ) $
ব্যাখ্যা
একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে @ চিহ্নটি। ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৭,০২৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. হেল্পার
  2. জেরুজালেম
  3. স্টোন
  4. জাভা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- পিকাচু
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

- জাভা (Java) হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। 

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০২৯.
RDBMS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Real Data Binary Management System
  2. Relational Database Management System
  3. Reliable Data Management System
  4. Random Database Management System
ব্যাখ্যা
RDBMS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Relational Database Management System.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩০.
একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে কী বলে?
  1. পয়েন্টার
  2. স্ট্রাকচার
  3. ফাংশন
  4. অ্যারে
ব্যাখ্যা
• অ্যারে:
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

• অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

• অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭,০৩১.
(110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।
  1. 49
  2. 40
  3. 51
  4. 64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।

সমাধান:
(110011)2 = (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 0 + 0 + 2 + 1
= 51

∴ (110011)2 = (51)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০৩২.
প্রথম সফল পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারজাত করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) এপল
  4. ঘ) ইনটেল
ব্যাখ্যা

মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে পিসি বলা হয়। মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে কারিগরি নাম এবং পিসি হচ্ছে চলতি নাম।

প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি। এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।

উৎসঃ এসএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

 
৭,০৩৩.
'MICR' কোডে নিচের কোনটি থাকে?
  1. ব্যাংক রাউটিং নাম্বার
  2. একাউন্ট নাম্বার
  3. চেক নাম্বার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- MICR কোডের পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition. 
- MICR হল এমন একধরণের প্রযুক্তি যা প্রাথমিকভাবে চেক সনাক্তকরণ ও  প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- MICR কোডের সংখ্যাগুলো নিম্নলিখিত ৩টি গ্ৰুপে বিভক্ত।যথা:
     - ব্যাংক রাউটিং নাম্বার 
     - একাউন্ট নাম্বার 
     - চেক নাম্বার 
 
Source: investopedia.com
৭,০৩৪.
কোন মেমরিটি অধিক গতি সম্পন্ন?
  1. Optical Disk
  2. Cache Memory
  3. Magnetic Disk
  4. Register
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ হায়ারর্কিস বা মেমরির ধারণক্ষমতার ক্রম:
Storage Hierarchies
কম্পিউটারে বিভিন্ন রকমের মেমরি ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রযুক্তির মেমরি ব্যবহার করা হলেও মেমরি তৈরির সময় তিনটি বিষয় লক্ষ রাখা হয়। যথা-
১. মূল্য (Cost )
২. ধারণক্ষমতা (Capacity) 
৩. অ্যাকসেস টাইম (Access Time)

উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করলে নিম্নোক্ত সম্পর্কগুলো পাওয়া যায়—
১. অ্যাকসেস টাইম কম হলে প্রতি বিট তৈরিতে খরচ বেশি লাগবে এবং ধারণক্ষমতা কম হবে।
২. ধারণক্ষমতা বেশি হলে প্রতি বিট তৈরিতে খরচ কম হয়।
৩. ধারণক্ষমতা বেশি হলে অ্যাকসেস টাইম বেশি হবে।

মেমরি তৈরির লক্ষণীয় বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে, যা নিম্নরূপ-


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩৫.
প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম কী?
  1. মাইক্রোসফট
  2. এপসন
  3. টেশিস
  4. আই.বি.এম
ব্যাখ্যা

• প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম হলো এপসন। ১৯৮০ সালের দিকে, প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারকে বহনযোগ্য করার ধারণা এসেছে। এই ধারার প্রথম বাস্তব উদাহরণ হলো এপসনের ‘HX-20’ ল্যাপটপ, যা বিশ্বের প্রথম কম্প্যাক্ট এবং পোর্টেবল কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। এটি ছোট আকারের হলেও প্রিন্টার, ডিসপ্লে এবং ব্যাটারি সমন্বিত ছিল, যা ব্যবহারকারীদের সহজে যেকোনো স্থানে কাজ করার সুবিধা প্রদান করত। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট বা আই.বি.এম পরবর্তীতে ল্যাপটপ বা পোর্টেবল কম্পিউটার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, কিন্তু প্রথম ল্যাপটপের কৃতিত্ব এপসনের।

- উত্তর: খ) এপসন।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল  ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৩৬.
সিরিয়াল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ৯টি
  2. ২৫টি
  3. ৬টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
পোর্টঃ কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ। কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়ারের সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্নধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট : RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়। মডেম, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়ার এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে। মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩৭.
ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক্লক পালস জেনারেট করা
  2. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সিগন্যাল পরিবর্তন করা
  3. সিগন্যাল অ্যাম্প্লিফাই করা
  4. এক বিট ডেটা স্টোর করা
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপের প্রধান কাজ হলো এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করা। ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর, যার দুটি স্থায়ী অবস্থা থাকে: ০ ও ১। 

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৭,০৩৮.
চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প পরিচিত নাম কী?
  1. CHI
  2. ILOVEYOU
  3. Melissa
  4. CIH
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) CIH.
- উল্লেখ্য, অপশন (ক) CHI - the twenty-second letter of the Greek alphabet.
- Computer-Human Interaction (CHI): কম্পিউটার বিজ্ঞানে মানুষের ও কম্পিউটারের ইন্টারঅ্যাকশন নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্র।
- অপশন দাগানোর পূর্বে চারটি অপশন অবশ্যই ভালোভাবে পড়বেন, প্রশ্ন এবং অপশনে কোনো প্রকার ট্র্যাপ আছে কিনা - তা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। 

• চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প নাম হলো CIH. এটি ১৯৯৮ সালে প্রথম সনাক্ত হয়েছিল এবং মূলত উইন্ডোজ ৯৫ এবং উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেমে প্রভাব ফেলে। ভাইরাসটি কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেমকে ক্ষতি করার পাশাপাশি হার্ডওয়্যার, বিশেষ করে মাদারবোর্ডের BIOS-ও নষ্ট করতে পারে। CIH ভাইরাসের নামকরণ চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনার কারণে করা হয়েছে, কারণ এটি সিস্টেমের জন্য তেমন ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে, যেমন চেরনোবিল দুর্ঘটনা পৃথিবীর জন্য ধ্বংসাত্মক ছিল। ILOVEYOU এবং Melissa ভাইরাসের সাথে এটি সম্পর্কিত নয়; সেগুলো আলাদা ধরনের ভাইরাস যা প্রধানত ইমেইল বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সঠিক বিকল্প নাম হলো CIH.

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
- এটি কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এই ধরনের প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা বা ক্ষতি সাধন করা।
- ১৯৫০ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা উদ্ভাবিত হয়।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকেন।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ সিস্টেমকে সংক্রমিত করে অচল করে দিতে পারে।
- ইন্টারনেট, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা CIH ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। এটি ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ চালায়।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৩৯.
হার্ডডিস্ককে কী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়?
  1. Internal Memory
  2. Secondary Memory
  3. Main Memory
  4. Primary Memory
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক একটি কম্পিউটার স্টোরেজ ডিভাইস যা বড় পরিমাণের তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি প্রধানত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা পাওয়ার বন্ধ থাকা সত্ত্বেও হারায় না। কম্পিউটারে হার্ডডিস্ককে Secondary Memory হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, কারণ এটি প্রধান বা প্রাথমিক মেমরির চেয়ে ধীর গতিতে কাজ করে এবং র‌্যাম-এর মতো তাত্ক্ষণিক প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয় না। হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যক্তিগত ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) Secondary Memory.


• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৪০.
ChatGPT এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Chat Generic Protocol Transformer
  2. খ) Chat Generative Pre-trained Tool
  3. গ) Chat Graphical Presentation Tool
  4. ঘ) Chat Generative Pre-trained Transformer
ব্যাখ্যা
ChatGPT (চ্যাটজিপিটি)
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT-4 ভার্শন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: 
১. https://www.openai.com
২. https://www.cnet.com
৩. https://www.independent24.com (ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউজ)
৭,০৪১.
উচ্চ স্তরের ভাষা সাধারণত কিসের সাথে সাদৃশ্য রেখে তৈরি করা হয়?
  1. মানুষের ভাষা
  2. বৈদ্যুতিক সংকেত
  3. হার্ডওয়্যার নকশা
  4. মেশিন কোড
ব্যাখ্যা

• উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।

• উচ্চ স্তরের ভাষা(High Level Language):
- উচ্চ স্তরের ভাষা সংকেত বা সাংকেতিক কোডনির্ভর নয়।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য, অর্থাৎ এটি মেশিন-স্বাধীন।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার তুলনায় প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও কম শ্রমসাধ্য।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার দ্বারা মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে হয়।
- অনুবাদের পর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি নির্বিঘ্নে বুঝতে ও চালাতে পারে।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার উদাহরণ:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG.
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এক ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন তুলনামূলকভাবে সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় বিপুল সংখ্যক লাইব্রেরি ফাংশন বিদ্যমান।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৭,০৪২.
কোন কোম্পানির জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়?
  1. মাইক্রোসফট
  2. সনি কর্পোরেশন
  3. আইবিএম কর্পোরেশন
  4. ইন্টেল কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
- অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোনো কিছুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম বা পরিচালনা পদ্ধতি হচ্ছে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে সমগ্র কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য তৈরি প্রোগ্রাম বা সফটওয়‍্যার।
- অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়‍্যারও বলা হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম অনেক রকম জটিল সূক্ষ্ম প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমন্বিত প্রোগ্রাম।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত।
- ১৯৭১ সাল হতে পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৪৩.
Windows অপারেটিং সিস্টেমে কোন শর্টকাট দিয়ে টাস্ক ম্যানেজার খোলা যায়?
  1. Windows key + Ctrl + C
  2. Ctrl + Shift + Esc
  3. Alt + F4
  4. Ctrl + Tab
ব্যাখ্যা

Windows অপারেটিং সিস্টেমে টাস্ক ম্যানেজার (Task Manager) খুলতে Ctrl + Shift + Esc শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি Task Manager চালু করে, যেখানে প্রোগ্রাম মনিটরিং, প্রসেস কন্ট্রোল, ও মেমোরি ব্যবস্থাপনা করা যায়।
আবার, Ctrl + Alt + Del প্রেস করেও Task Manager চালু করা যায়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) Windows key + Ctrl + C – এটি সাধারণত Color Filter টগল করার জন্য ব্যবহৃত হয়, টাস্ক ম্যানেজারের জন্য নয়।
গ) Alt + F4 – এটি বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ঘ) Ctrl + Tab – এটি ব্রাউজার বা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনে ট্যাব পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৭,০৪৪.
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে তাকে কী বলে?
  1. ক) ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. খ) কম্প্যাক্ট ডিস্ক
  3. গ) বুটিং ডিস্ক
  4. ঘ) স্টার্ট আপ ডিস্ক
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটার সিস্টেমে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য একটি স্টার্টআপ ডিস্ক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারকে ব্যবহার উপযোগী করতে হলে এটিতে অবশ্যই একটি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে হবে।
- অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে কম্পিউটারে একটি Bootable মিডিয়া প্রয়োজন। এই Bootable মিডিয়াটি ডিভিডি বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হতে পারে যার মধ্যে অপারেটিং সিস্টেমের সেটআপ ফাইল যেমন লিনাক্স, উইন্ডোজ, ম্যাক ইত্যাদি থাকবে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন সাধারণ মানুষের পক্ষেও কম্পিউটার ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের কারণেই তা সম্ভব হচ্ছে।
৭,০৪৫.
কার্সরের পরের অক্ষর মুছে ফেলতে কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Esc
  2. খ) Delete
  3. গ) End
  4. ঘ) Alt + Backspace
ব্যাখ্যা

কী-বোর্ড থেকে Delete - কী চাপলে কার্সরের পরের অক্ষর মুছে যায়।

Esc কী ব্যবহৃত হয় - Current task cancel করতে।
End কী ব্যবহৃত হয় - কার্সর  লাইনের শেষে নিয়ে যেতে অথবা কোন webpage এর শেষে যাওয়ার জন্য।

সোর্স: মাইক্রোসফট এর ওয়েবসাইট।

৭,০৪৬.
কম্পিউটার সংগঠনের অংশ নয় কোনটি?
  1. ইনপুট ইউনিট
  2. নিয়ন্ত্রণ ইউনিট
  3. পাওয়ার সাপ্লাইয়ার ইউনিট
  4. মেমরি ইউনিট
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বিভিন্ন প্রকার যন্ত্র বা যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রয়োজনে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী পরস্পরের সথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশকে পারস্পরিক সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত করা অবস্থাকেই কম্পিউটার সংগঠন বলা হয়।

কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ পাঁচটি। যথা-
১। ইনপুট অংশ (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
৪। স্মৃতি অংশ (Memory Unit)
৫। আউটপুট অংশ (Output Unit)

- অবশ্য স্মৃতি, গাণিতিক যুক্তি অংশ ও নিয়ন্ত্রণ অংশকে একত্রে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা সিপিইউ (CPU) বলা হয়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম (ইউনিট ৩), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,০৪৭.
HTML -এর উদ্ভাবন করেন কোন ব্যক্তি?
  1. ক) মার্টিন কুপার
  2. খ) উইলিয়াম হেনরি
  3. গ) টিম বার্নার্স লি
  4. ঘ) স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
HTML এর পূর্নরুপ Hyper Text Markup Language যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন। HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html অথবা .htm হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত। জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন। HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০৪৮.
ক্রায়োসার্জারির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. ইথানল
  2. ফ্রেয়ন
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো নাইট্রোজেন (ঘ)। ক্রায়োসার্জারি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অসুস্থ বা অস্বাভাবিক টিস্যুকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায়বা ধ্বংস করা হয়। এতে প্রায়শই তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি −১৯৬°C তাপমাত্রায় পৌঁছাতে পারে, যা কোষের পানি তৎক্ষণাৎ করে দেয় এবং কোষ ধ্বংস করে। নাইট্রোজেনের এই চরম ঠান্ডা ক্ষমতার কারণে এটি অন্যান্য তাপমাত্রা হ্রাসকারী পদার্থের তুলনায় বেশি কার্যকর। অন্য বিকল্প যেমন ইথানল, ফ্রেয়ন বা মিথেন এই তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে না এবং তাই ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণভাবে ব্যবহার হয় না। তাই, সঠিক এবং নিরাপদ ক্রায়োসার্জারির জন্য নাইট্রোজেনই মূল উপাদান।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- পাইলস, চর্মরোগ, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০৪৯.
X কখন চালু হয়? 
  1. ২২ মার্চ, ২০০৬
  2. ১৫ জুলাই, ২০০৬
  3. ১০ আগস্ট, ২০০৭
  4. ১২ অক্টোবর, ২০০৮
ব্যাখ্যা
X (Twitter): 
- Twitter এর বর্তমান নাম হচ্ছে X. 
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট। 
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক। 
- X-এর বর্তমান CEO: Linda Yaccarino (Jun 5, 2023 – present). 
- X-এর Founders ছিলেন: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass. 
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)। 
- X-এর সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States. 
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়। 
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)। 

উৎস: X-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৭,০৫০.
নিচের কোনটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়। সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৭,০৫১.
রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলে অভিহিত করা হয় কোনটিকে?
  1. অ্যাকচুয়েটর
  2. সিমুলেটর
  3. এনিমেটর
  4. হ্যানসন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'। 
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ। 
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল। 
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট। 
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ। 
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষ ভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সম্বন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। - একে রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলেও অভিহিত করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০৫২.
কাকে Soul of the computer system বলা হয়?
  1. Operating System
  2. Keyboard
  3. Hardware
  4. Memory
ব্যাখ্যা
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়ার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে ইন্টারফেস (interface) হিসেবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিচালনা করে অর্থাৎ operate করে। এর জন্য অপারেটিং সিস্টেমকে কম্পিউটারের আত্মা বলা হয় ইংরেজিতে soul of the computer system বলা হয়।

উৎস: www.bartleby.com.
৭,০৫৩.
কোনটি ই-কমার্সে প্রধান চ্যালেঞ্জ?
  1. ডিজিটাল মার্কেটিং বিকল্প
  2. ২৪/৭ উপলব্ধতা
  3. সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি
  4. অগণিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল লেনদেন এবং গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়। তাই হ্যাকার বা অননুমোদিত প্রবেশকারীরা তথ্য চুরি বা ক্ষতি করতে পারে। এই ঝুঁকি না মোকাবেলা করলে গ্রাহকের আস্থা হারিয়ে যায় এবং ব্যবসার ক্ষতি হয়। অন্যান্য বিষয় যেমন ২৪/৭ উপলব্ধতা, ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনেক গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সাইবার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সমগ্র ই-কমার্স কার্যক্রম বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই এটি সর্বদা অগ্রাধিকার দিতে হয়।

উত্তর: গ) সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।

• ই-কমার্স (E-Commerce): 
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়। 
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে। 
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে। 

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো- 
- www.alibaba.com, 
- www.amazon.com, 
- www.daraz.com, 
- www.bikroy.com, 
- www.ebay.com. 

• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। 
১। Business to Consumer (B2C), 
২। Business to Business (B2B), 
৩। Consumer to Business (C2B), 
 8। Consumer to Consumer (C2C). 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০৫৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ম্যালওয়ার নয়?
  1. ক) Trojan
  2. খ) Spyware
  3. গ) Plug-in
  4. ঘ) Computer worm
ব্যাখ্যা
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।
- সকল Malware কম্পিউটারের ভাইরাস নয়; কিন্তু সকল ভাইরাস Malware।
 
অন্যদিকে,
Plug in হলো এক ধরণের অ্যাডঅন বা এক্সটেনশন বা কম্পিউটার সফটওয়্যার, যা হোস্ট প্রোগ্রামের নতুন ফাংশনালিটি যোগ করে থাকে। 


৭,০৫৫.
“গ্রিন ফোন” শব্দটি কোন মোবাইল প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়? 
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi‑Fi
ব্যাখ্যা

• CDMA:
- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

৭,০৫৬.
কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে কোনটি ব্যবহার করতে হবে? 
  1. স্টোন ভাইরাস
  2. ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. মিউটেটিং ভাইরাস
  4. ইউটিলিটি এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন। 
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে। 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। 
যেমন- 
১। বুট সেক্টর ভাইরাস, 
২। ট্রোজান হর্স ভাইরাস, 
৩। ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, 
৪। ম্যাক্রো ভাইরাস, 
৫। ওভার রাইটিং ভাইরাস, 
৬। মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, 
৭। মিউটেটিং ভাইরাস এবং 
৮। স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৫৭.
কত সালে UNIX অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৮
  2. খ) ১৯৬২
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা

UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে Kin Tomson Denis Ritche প্রথম উদ্ভাবন করেন।
Unix - একটি Open Source Operating System।

৭,০৫৮.
32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর কোনটি?
  1. 80386
  2. 80186
  3. 8008
  4. Core i5
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 4004, 4040.
- 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
-16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
- 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
- 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৭,০৫৯.
কম্পিউটারকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে কোনটি?
  1. সফটওয়্যার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. ম্যালওয়ার
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল কম্পিউটারকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে।

• ফায়ারওয়াল:

- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা
৭,০৬০.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. অ্যাড্রেস বাস
  2. কন্ট্রোল বাস
  3. ফায়ারওয়্যার বাস
  4. ডাটা বাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস:
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার।
যথা:
১. সিস্টেম বাস,
২. এক্সপানশনস বাস।

সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস

এক্সপানশনস বাস: 
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – 
- ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
- পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৬১.
______ বর্তমানে ব্যাপকভাবে অর্থ প্রেরণ ও গ্রহণ নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
  1. ক) অনলাইন ব্যাংক
  2. খ) মোবাইল ব্যাংকিং
  3. গ) কুরিয়ার সার্ভিস
  4. ঘ) পোস্ট অফিস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোবাইলে ফোনে আর্থিক সেবা (এমএফএস) চালুর আট বছরের মাথায় এসে গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৯ কোটি ৩০ লাখ; প্রতি মাসে লেনদেন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি। নগদ, বিকাশ, রকেটসহ আরও বেশ কিছু মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বাংলাদেশের চালু রয়েছে।
৭,০৬২.
ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য রূপে রূপান্তরিত করতে কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিপ্লেইনটেক্সট
  2. ফায়ারওয়াল
  3. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম
  4. প্লেইনটেক্সট
ব্যাখ্যা

ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায়, ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য (unreadable) ফর্মে রূপান্তর করার জন্য একটি এনক্রিপশন অ্যালগরিদম বা সাইফার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি গাণিতিক পদ্ধতি, যা ইনপুট (প্লেইনটেক্সট) এবং একটি কী (Key) ব্যবহার করে এনক্রিপটেড ডেটা (সাইফারটেক্সট) তৈরি করে।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)

ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- প্লেইনটেক্সট হলো এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার আগে থাকা আসল বা মূল ডেটা। 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়। এনক্রিপশন অ্যালগরিদম এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট উভয় প্রক্রিয়াতেই ব্যবহৃত হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৬৩.
ক্রায়োসার্জারি ব্যবহারের প্রধান কারণ কী?
  1. টিস্যু সরানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা
  2. ক্যান্সার কোষে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা 
  3. অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা
  4. টিস্যু গরম করে পুড়ানো 
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত কম তাপমাত্রা ব্যবহার করে অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর টিস্যু ধ্বংস করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোকে নিরাপদভাবে অপসারণ বা ধ্বংস করা, বিশেষ করে ক্যান্সার বা অন্যান্য অসামান্য কোষের ক্ষেত্রে। এই প্রক্রিয়ায় তরল নাইট্রোজেন বা অন্যান্য ঠান্ডা পদার্থ ব্যবহার করে লক্ষ্যভিত্তিক টিস্যুকে দ্রুত জমিয়ে ধ্বংস করা হয়। এটি একটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি যা সাধারণত রোগীর দ্রুত সুস্থতার সুযোগ দেয় এবং চারপাশের সুস্থ টিস্যুকে প্রায় ক্ষতিমুক্ত রাখে। সুতরাং, ক্রায়োসার্জারির মূল কারণ হলো অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।
- সঠিক উত্তর হলো গ) অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০৬৪.
WiMAX প্রযুক্তি কী নামে IEEE-এর অধীনে নিবন্ধিত?
  1. 802.17
  2. 802.15
  3. 802.11
  4. 802.16
ব্যাখ্যা
• WiMAX প্রযুক্তি IEEE-এর অধীনে ৮০২.১৬ (802.16) নামে নিবন্ধিত। WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা উচ্চ গতির ইন্টারনেট এবং ডেটা সার্ভিস প্রদান করে। এটি মূলত শহুরে ও গ্রামীণ এলাকার মধ্যে দ্রুত এবং বিস্তৃত ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। WiMAX ৩০ মাইল বা তার বেশি দূরত্ব পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে, যা অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পেতে পারে মোবাইল অথবা স্ট্যাটিক ডিভাইসের মাধ্যমে। তাই, WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16

• WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-

১. বেস স্টেশন:
- ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত।
- প্রতিটি বেস স্টেশনের কাভারেজ এরিয়া 50 থেকে 80 km পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার:
- এটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় এবং ওয়্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,০৬৫.
পাইথন কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. ইভেন্ট ড্রাইভেন
  2. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
  3. স্ট্রাকচার্ড
  4. ভিজুয়াল
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৭,০৬৬.
কোন শর্টকাট দিয়ে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N 
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + N 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৭,০৬৭.
যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষের চিন্তা ভাবনাকে প্রকাশ করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. বায়োইনফরমেটিক্স
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
♦ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
- নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
- অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
- মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
- পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
- নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৬৮.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি হচ্ছে -
  1. ক) Jugantor
  2. খ) BDnews24
  3. গ) NTV
  4. ঘ) Prothomalo
ব্যাখ্যা
bdnews24.com is a first-of-its-kind venture, being the first Internet-only newsgathering operation in Bangladesh and one of the first in the world.
৭,০৬৯.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়-
  1. ক) এভাস্ট
  2. খ) অভিজি
  3. গ) স্টোন
  4. ঘ) পান্ডা
ব্যাখ্যা
অতি পরিচিত কিছু ভাইরাসঃ
- স্টোন,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
. অভিজি
এভিরা, এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
• Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,০৭০.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Great Positioning System
  2. খ) Global Pointing System
  3. গ) Global Positioning System
  4. ঘ) General Publication System
ব্যাখ্যা
GPS 
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System।
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম।
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে।
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
- এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।

উৎস: Britannica.
৭,০৭১.
টেলিরোবোটিক্স এর মাধ্যমে কোন ব্যক্তির বাস্তব অবস্থানের বদলে অন্য কোন জায়গায় উপস্থিত থাকার বাস্তব যে অনুভূতি জাগায় তাকে কি বলে?
  1. টেলেক্সিং
  2. টেলিপ্রেজেন্স
  3. ভার্চুয়ালপ্রেজেন্স
  4. সিমুলেশন
ব্যাখ্যা
টেলিপ্রেজেন্স বলতে একগুচ্ছ প্রযুক্তিকে বুঝায় যার মাধ্যমে একজন মানুষকে টেলিরোবোটিক্স এর মাধ্যমে কোন ব্যক্তির বাস্তব অবস্থানের বদলে অন্য কোন জায়গায় উপস্থিত থাকার বাস্তব অনুভূতি জাগায়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০৭২.
কোন কম্পিউটার বাসটি একমুখী তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে?
  1. ক) কন্ট্রোল বাস
  2. খ) ডেটা বাস
  3. গ) অ্যাড্রেস বাস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
অ্যাড্রেস বাস (Address Bus): মূলত কম্পিউটারের মেমরিতে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
কিন্তু মেমরিতে কোনো তথ্য সংরক্ষণের জন্য অথবা মেমরি হতে তথ্য আহরণের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের প্রয়োজন নির্দিষ্ট মেমরি অ্যাড্রেস।
কম্পিউটার সিস্টেমে মাইক্রোপ্রসেসর ও মেমরি উভয়ের মধ্যে একগুচ্ছ লাইন বা তার সংযুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসর মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে যোগাযোগ করে তথ্য আহরণ করে বা সংরক্ষণ করে।
এই গুচ্ছ লাইন বা তারগুলোই হলো অ্যাড্রেস বাস।
অর্থাৎ‍ মাইক্রোপ্রসেসর অ্যাড্রেস বাসের মাধ্যমে RAM/ ROM স্মৃতির বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে সে স্থানে সংরক্ষিত তথ্য ডেটা বাসের মাধ্যমে পড়ে নেয় কিংবা নতুন তথ্য লিখে রাখতে পারে।
অ্যাড্রেস বাস এক ধরনের একমুখী, অর্থাৎ অ্যাড্রেস বাসের মাইক্রোপ্রসেসর থেকে তথ্য সর্বদা অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৭,০৭৩.
কোনটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়, আচরণিক বৈশিষ্ট্য?
  1. স্বাক্ষর
  2. আঙুলের ছাপ
  3. চোখের আইরিস
  4. মুখমন্ডলের অবয়ব
ব্যাখ্যা

• আচরণিক বৈশিষ্ট্য হলো ক) স্বাক্ষর। কারণ স্বাক্ষর মানুষ দ্বারা শেখা এবং অভ্যাসের মাধ্যমে গঠিত, এটি জন্মগত বা শারীরিকভাবে নির্ধারিত নয়। অন্যদিকে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস এবং মুখমন্ডলের অবয়ব সবাই শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যা জেনেটিক এবং শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল। আঙুলের ছাপ এবং আইরিসের প্যাটার্ন অপরিবর্তনীয় এবং ব্যক্তিগত স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। মুখমন্ডলের অবয়বও শারীরিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত। তাই স্বাক্ষরই হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা শারীরিক নয়, বরং আচরণ ও অভ্যাসের উপর নির্ভরশীল।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৭,০৭৪.
বহুল ব্যবহৃত ডেটাবেজ ম্যানেমেন্ট প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোসফট এক্সেল
  2. খ) মাইক্রোসফট একসেস
  3. গ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. ঘ) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেমেন্ট বা তথ্য/উপাত্ত ব্যবস্থাপনার বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট একসেস। এটির নির্মাতা মাইক্রোসফট।
তথ্য ব্যবস্থাপনার অন্যান্য সফটওয়্যারগুলো হলো- ডিবেইজ, ফক্সপ্রো, ওরাকল, ফোর্থ ডাইমেনশন, প্যারাডক্স ইত্যাদি।
মাইক্রোসফট এক্সেল হিসাবের কাজে এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ড লেখালেখির কাজে এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বা উপস্থাপনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৭,০৭৫.
নেটওয়ার্কের মধ্যে ডিভাইস সংযোগের ধরনকে কী বলে?
  1. প্রোটোকল
  2. নোড
  3. টপোলজি
  4. প্যাকেজ
ব্যাখ্যা

◉ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology) হলো নেটওয়ার্কে বিভিন্ন ডিভাইস (কম্পিউটার, রাউটার, সুইচ) কীভাবে সংযুক্ত থাকবে, তা বর্ণনা করার একটি পদ্ধতি। এটি মূলত নেটওয়ার্কের গঠন (structure) বা ডিজাইনকে বোঝায়।

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্টগুলো যে প্রক্রিয়ায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- নেটওয়ার্ক টপোলজিতে সাধারণত নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল অবস্থার বর্ণনা করা হয়।

বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি সমূহ হলো:
১. বাস টপোলজি,
২. রিং টপোলজি,
৩. স্টার টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি,
৫. হাইব্রিড টপোলজি,
৬. মেশ টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।

৭,০৭৬.
ই-মেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশকে কী বলে?
  1. ক) User name
  2. খ) Host name
  3. গ) Domain name
  4. ঘ) Protocol
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইলের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক মেইল।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এর মধ্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থাকে ই-মেইল বলে।
- ই-মেইল তথ্য আদান-প্রদানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে থাকে এবং এতে টেক্সট বার্তার সাথে অ্যাটাচমেন্ট আকারে নানা ফাইলও (ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, ভিডিও সহ যে কোনো ডিজিটাল ফাইল) পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, যা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য ইউনিক হয়ে থাকে।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে; যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত। যেমন: mrahman@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mrahman অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং @ এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৭,০৭৭.
প্লাস্টিক মানি নয় কোনটি?
  1. ক) ক্রেডিট কার্ড
  2. খ) ডেবিট কার্ড
  3. গ) বিকাশ
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
যেসকল এমবেডেড সিস্টেমের অন্তর্গত টাকা লেনদেন সুবিধা প্রদানকারী প্লাস্টিক কার্ড আছে এদেরকে প্লাস্টিক মানি বলে। যেমনঃ ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড। বিকাশ হলো মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস।
Source: Britannica
৭,০৭৮.
কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানে ক্রমান্বয়ে যেই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়, তা কী নামে পরিচিত?
  1. কোডিং
  2. অ্যালগরিদম
  3. কম্পাইলিং
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানে ক্রমান্বয়ে যেই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়, তা "অ্যালগরিদম" নামে পরিচিত। অ্যালগরিদম হলো একধরনের ধাপে ধাপে নির্দেশনা, যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যা খুব নির্ভুলভাবে সমাধান করা যায়। এটি মূলত সমস্যা সমাধানের একটি পরিকল্পিত পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি ধাপ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে এবং সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে কীভাবে কাজটি সম্পন্ন হবে। উদাহরণস্বরূপ, রান্নার রেসিপি, অঙ্কের গাণিতিক নিয়ম বা প্রোগ্রামিংয়ে কোনো নির্দিষ্ট ফাংশন- সবকিছুতেই অ্যালগরিদমের প্রয়োগ দেখা যায়। তাই, উপরের প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: খ) অ্যালগরিদম।

• অ্যালগরিদম:
- কোন একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
- অ্যালগরিদম অর্থ ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধান।
- যে পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করা হয় তাকে অ্যালগরিদম বলা হয়।
- অ্যালগরিদম হচ্ছে একটি প্রোগ্রামের পরিকল্পনা ও যৌক্তিক বিন্যাসের লিখিত বর্ণনা।

• অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যালগরিদমে শূন্য, এক বা একাধিক ইনপুট থাকে।
২. কমপক্ষে একটি আউটপুট থাকে।
৩. প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট থাকে।
৪. অ্যালগরিদম সহজবোধ্য।
৫. নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান হয়।
৬. একে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৭৯.
বেসিস (Bangladesh Association of Software and Information Services) প্রতিষ্টা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ২০০০
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) বাংলাদেশের সফটওয়্যার এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের একটি বাণিজ্য সংগঠন। এটি জাতীয়ভাবে সফটওয়্যার এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। এটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বেসিসের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যসংখ্যা ছিল ১৭। বর্তমানে ১ হাজার ১৭১টি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বেসিসের সদস্য। সূত্রঃপ্রথম আলো।
৭,০৮০.
VPN (Virtual Private Network) refers -
  1. ক) To encrypt network traffic for secure remote access
  2. খ) To connect multiple networks together
  3. গ) To filter network traffic
  4. ঘ) To provide network security
ব্যাখ্যা
- A VPN is a private network that is created using public infrastructure (the internet).
- It allows users to securely access a private network, such as a corporate network, from a remote location using encryption to protect the data being transmitted.
৭,০৮১.
WCDMA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Wideband Code-Division Mobile Access
  2. খ) Wide bit Code-Division Mobile Access
  3. গ) Wide bit Code-Division Multiple Access
  4. ঘ) Wideband Code-Division Multiple Access
ব্যাখ্যা
• WCDMA-এর পূর্ণরূপ Wideband Code-Division Multiple Access.

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম:
- মূলত ডেটা সার্ভিসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলস্বরূপ সূচনা ঘটে মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্ম বা 3G এর। 
- ২০০১ সালে জাপানে এনটিটি ডোকোমো WCDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক চালু করে।
- এ দশকে থ্রিজি প্রযুক্তির মোবাইল টেলিফোনি কমিউনিকেশন প্রটোকল High-Speed Downlink Packet Access (HSDPA) চালু হয়।
- WCDMA পদ্ধতি পরবর্তীতে UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত। 
- 3G তে উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সফার ও মাল্টিমিডিয়া ডেটা ব্যবহারসহ CDMA ও GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,০৮২.
কোন মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু হয়?
  1. ARPANET
  2. InterNIC
  3. AT&T Bell Laboratories
  4. Cisco
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
৭,০৮৩.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত ‘IBM 1620’ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) প্রথম প্রজন্মের
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্মের
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্মের
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় ‘আইবিএম-১৬২০ (IBM 1620)’ মডেলের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্ম তৎপরতা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
[উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
৭,০৮৪.
নেটওয়ার্ক ব্যবহারে তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত সম্পদ ভাগাভাগি করে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ধারণাটি কী?
  1. ক) ক্লাউড কম্পিউটিং
  2. খ) তথ্যপ্রযুক্তি
  3. গ) নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) সার্ভার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
৭,০৮৫.
দুটি R-S Flip-Flop দ্বারা তৈরী হয়-
  1. J-K
  2. Master Slave
  3. T
  4. D
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ বা Latch:
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে । 
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। যথা-
১. SR ফ্লিপ ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
8. T ফ্লিপফ্লপ ও
৫. মাস্টার স্লেভ ফ্লিপ ফ্লপ

• একটি মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত দুটি ফ্লিপ-ফ্লপ থেকে তৈরি করা হয়: একটি হল মাস্টার ফ্লিপ-ফ্লপ এবং অন্যটি স্লেভ। এই দুটি ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও, সার্কিটে একটি ইনভার্টার থাকে। 

একটি মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ ফ্লপ যে কোনও ধরণের ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে তৈরি করা যেতে পারে।

দুটি R-S Flip-Flop দ্বারা তৈরী হয় একটি RS master-slave flip-flop.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www.brighthubengineering.com.
৭,০৮৬.
কোনটির কল্যাণে কম্পিউটার মানুষের মত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়?
  1. ক) জেনেটিক্স
  2. খ) রোবট
  3. গ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. ঘ) হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
মানুষ যেভাবে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়, কৃত্তিম উপায়ে কোন যন্ত্র যদি সেভাবে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তখন সেই যন্ত্রের বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়। 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন বৃটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ অ্যালান টুরিং(Alan Mathison Turing)। ১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত “টুরিং টেস্ট” (Turing test) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ধারণার ভিত্তি স্থাপন করে।
৭,০৮৭.
OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য-
  1. ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা
  2. নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন
  3. অডিওকে টেক্সটে রূপান্তর করা
  4. পণ্যের বাজার জরিপ
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সট সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• OMR: 
- OMR এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগান্বিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৮৮.
হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেমে কত ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়?
  1. ১০
  2. ১৬ 
  3. ৮ 
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেম হল একটি সংখ্যার প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে মোট ১৬টি ইউনিক ডিজিট ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডিজিটগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং তারপর A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মান প্রকাশ করে। তাই হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে মোট ১৬ ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট আকারে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৬।

• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬.
এতে অঙ্কগুলো হলো: 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A(10),B(11),C(12),D(13),E(14),F(15)।

• বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতি:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৮৯.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ডিজিটাল ট্রান্সমিশন
  2. এসএমএস ও এমএমএস
  3. মোবাইল ব্যাংকিং
  4. প্রিপেইড সিস্টেম
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) বৈশিষ্ট্য নয়। 
- এটি তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৭,০৯০.
5G নেটওয়ার্কের সাথে প্রধানত কোন প্রযুক্তিটি সম্পর্কিত?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. প্যাকেট সুইচিং
  3. মিলিমিটার ওয়েভ
  4. অ্যানালগ ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

◉ 5G নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত উচ্চ গতি (high data rate) ও কম লেটেন্সি (low latency)। এই লক্ষ্য অর্জনে 5G-তে মিলিমিটার ওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড (সাধারণত 24 GHz–100 GHz) ব্যবহার করা হয়।

5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

অন্যদিকে, 
সার্কিট সুইচিং - 2G নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হতো; 
প্যাকেট সুইচিং - 3G/4G ও ইন্টারনেটের সাধারণ বৈশিষ্ট্য; 
অ্যানালগ ট্রান্সমিশন - আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ডিজিটাল। 

সোর্স:
১। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
২। International Telecommunication Union (IMT 2020 (5G) in Asia-Pacific – Key Insights).

৭,০৯১.
BIOS কখন Run হয়?
  1. কোনো ড্রাইভার ইনস্টল করার সময়
  2. অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময়
  3. কম্পিউটার বুট হওয়ার পরপরই
  4. কম্পিউটার বন্ধ করার সময়
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হলো BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হলো BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,০৯২.
নিচের কোনটি পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. ক) PAN
  2. খ) WAN
  3. গ) CAN
  4. ঘ) LAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা:
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) এবং
২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network)
:
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না।
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না।
- WAN বা ইন্টারনেট এ ধরনের নেটওয়ার্কের উদাহরণ

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)
:
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে।
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে।
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে।
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়।
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক।

উৎস
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭,০৯৩.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) ফায়ারফক্স
  2. খ) গুগল
  3. গ) উবুন্টু
  4. ঘ) ইনস্টাগ্রাম
ব্যাখ্যা
উবুন্টু হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার যা ২০০৪ সালের অক্টোবরে প্রথম রিলিজ করা হয়। অন্যদিকে ফায়ারফক্স, গুগল ও ইনস্টাগ্রাম হলো যথাক্রমে ওয়েব ব্রাউজার, সার্চ ইঞ্জিন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
(সূত্র: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট)
৭,০৯৪.
এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটার থেকে কীভাবে ভিন্ন?
  1. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না
  2. আকারে বড় ও ব্যয়বহুল 
  3. নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
  4. অপারেটিং সিস্টেম নেই
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের থেকে ভিন্ন কারণ এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়। সাধারণ কম্পিউটার যেমন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারে, যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট তৈরি বা গেম খেলা। কিন্তু এমবেডেড কম্পিউটার বিশেষ কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমে যেমন ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল ফোন বা গাড়ির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ব্যবহার হয় এবং শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য প্রোগ্রাম করা থাকে। তাই এটি সাধারণ কম্পিউটারের মতো বহুমুখী নয়।

 এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
- sciencedirect [link]

৭,০৯৫.
একবার একটি ই-মেইল পাঠানো হলে, এটি ______ ফোল্ডার থেকে ______ ফোল্ডারে চলে যায়।
  1. Outbox, Sent
  2. Inbox, Outbox
  3. Inbox, Sent
  4. Outbox, Inbox
ব্যাখ্যা
- ই-মেইল পাঠানো হলে, এটি Outbox ফোল্ডার থেকে Sent ফোল্ডারে চলে যায়।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি৷
- ই-মেইল ঠিকানায় দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম।
- বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ই-মেইল সার্ভিস হলো Gmail। 
৭,০৯৬.
সম্প্রতি, কোন দেশ বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার চালু করেছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার বর্তমান প্রযুক্তির এক বিস্ময়কর চ্যালেঞ্জ।
- সাধারণ কম্পিউটার যেখানে ১ অথবা ০ নিয়ে কাজ করে, সেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে একসঙ্গে একাধিক সম্ভাবনা যাচাই করে দেখা সম্ভব।
- সম্প্রতি জাপানের প্রকৌশলীরা বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার চালু করেছেন।
- ২০-কিউবিটের এই কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নাম ‘রেইমেই’।
- দ্রুতগতির দিক থেকে পৃথিবীর ৬ষ্ঠ সুপারকম্পিউটার ‘ফুগাকু’র সঙ্গে একে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
- নতুন এ হাইব্রিড সুপারকম্পিউটার প্রচলিত সুপারকম্পিউটারের চেয়ে জটিল হিসেবে করতে পারবে দ্রুততম সময়ে।

উল্লেখ্য,
- রেইমেই-ফুগাকু বিশ্বের প্রথম পুরোপুরি কার্যক্ষম হাইব্রিড সুপার কম্পিউটার।
- এর আগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরনের প্রযুক্তি চালু করেছে। যেমন, গত বছরের মাঝামাঝি সময় জার্মানির গার্চিং শহরে ‘SuperMUC-NG’ নামের একটু সুপারকম্পিউটারে ২০-কিউবিট কোয়ান্টাম প্রসেসর জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে সেটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৭,০৯৭.
নিচের কোনটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ক) টাচ স্ক্রিন
  2. খ) পেনড্রাইভ
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা
যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। যেমনঃ কি-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ প্রিন্টার, মনিটর, প্লটার ইত্যাদি। আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। যেমনঃ পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম।
৭,০৯৮.
নিচের কোনটি রমের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) অস্থায়ীভাবে ডাটা পঠন ও লিখন সম্ভব।
  2. খ) উদ্বায়ী মেমােরি নয়
  3. গ) চলমান প্রােগ্রাম এব পুনঃ পুনঃ পরিবর্তনশীল ডাটা সংরক্ষণ করা হয়
  4. ঘ) কোনাে ধরনের প্রােগ্রাম দেয়া থাকে না।
ব্যাখ্যা

রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্যঃ
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়ােজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।

(অপশনে 'খ' নং বাদে বাকিগুলো র‍্যামের বৈশিষ্ট্য)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

৭,০৯৯.
“ট্যালি” কোন ধরনের সংখ্যার পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• “ট্যালি” হলো নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। এতে সংখ্যাগুলো সাধারণত লাঠি বা চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন | || ||| ইত্যাদি। এখানে প্রতিটি চিহ্ন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু চিহ্নের অবস্থান সংখ্যা মান পরিবর্তন করে না। অর্থাৎ, সংখ্যার মান নির্ভর করে শুধুমাত্র চিহ্নের সংখ্যা বা গণনার উপর, অবস্থানের উপর নয়। এটি পজিশনাল পদ্ধতির মতো নয়, যেখানে স্থান বা অবস্থান সংখ্যা মান নির্ধারণ করে। ট্যালি পদ্ধতি প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়েছে গণনা এবং হিসাবের জন্য। তাই এটি স্পষ্টভাবে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি উদাহরণ।

সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১০০.
প্রযুক্তির কল্যাণে কোন নিউজ চ্যানেল সারা বিশ্বের তথ্য আমাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে?
  1. ক) এপি
  2. খ) রয়টার্স
  3. গ) সি এন এন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা