বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৩৭ / ১৩১ · ৩,৬০১৩,৭০০ / ১৩,০৮৮

৩,৬০১.
What is the main purpose of a computer firewall?
  1. ক) Security
  2. খ) Monitoring
  3. গ) Authentication
  4. ঘ) Data communication
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- ফায়ারওয়ালের সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে।
- তথ্য নিরাপত্তা রক্ষাও এর কাজের অংশ।
৩,৬০২.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের একটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ROM
  2. RAM
  3. Pen drive
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• মেমোরির শ্রেণীবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

• প্রধান মেমোরি (Main Memory):
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। এ ধরনের মেমোরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- প্রধান মেমরির অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ড বা তার কম সময় হয়ে থাকে। র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ। 

• সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০৩.
নিম্নের কোনটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস?
  1. 203.0.113.0
  2. 8.8.8.8
  3. 192.0.2.256
  4. 127.0.0.1
ব্যাখ্যা
• IPv4 অ্যাড্রেস চারটি সংখ্যার গ্রুপ নিয়ে গঠিত, প্রতিটি গ্রুপের মান হতে পারে 0 থেকে 255-এর মধ্যে। প্রতিটি গ্রুপকে অক্টেট বলা হয় এবং এগুলো ডট (.) দিয়ে আলাদা করা হয়। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে “192.0.2.256” একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এখানে শেষ অক্টেটটি 256, যা গ্রহণযোগ্য সীমা 0-255 এর বাইরে। অন্য তিনটি অ্যাড্রেস (203.0.113.0, 8.8.8.8, 127.0.0.1) বৈধ ও প্রচলিত IPv4 অ্যাড্রেস।
- তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) 192.0.2.256 — এটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এতে সংখ্যাগত সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে।


• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০৪.
বর্তমান সময়ে কিসের ব্যবহারের উপর পারদর্শীতা চাকুরি নিয়োগের একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আউটসোর্সিং
  2. সোশ্যাল মিডিয়া
  3. আইসিটি
  4. টরেন্ট ডাউনলোডিং
ব্যাখ্যা

কর্মসংস্থানের উপর আইসিটির প্রভাব নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কর্মক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়তা আনয়নে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে অগ্রণি ভূমিকা পালন করছে। অর্থাৎ আইসিটির ধারণা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রচুর সুযোেগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।
বর্তমান সময়ে আইসিটি ব্যবহারের উপর পারদর্শীতা চাকুরি নিয়োগের একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৬০৫.
শরীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি?
  1. আইরিশ শনাক্তকরণ
  2. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  3. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  4. কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক (Biometric): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিকের প্রকারভেদ দুইরকম। 
যথা- 
ক) শরীরবৃত্তীয় (Physiological) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। আইরিশ শনাক্তকরণ (Irish scanning): 
- এ পদ্ধতিতে চোখের মণির চারপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় বা আইরিশ বিশ্লেষণ করে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। শনাক্তকরণের জন্য সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগে এবং সূক্ষ্মতাও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় হয়ে থাকে। তবে কন্টাক্ট লেন্স পরা থাকলে এ পদ্ধতি সবসময় কার্যকরী নাও হতে পারে। 

২। আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ (Finger print): 
- এ পৃথিবীতে প্রকৃতিগতভাবে প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ ভিন্ন অর্থাৎ একজনের সাথে অন্য আরেকজনের আঙুলের ছাপের মিল নেই। একজনের টিপসই কখনোই অন্যজনের সাথে খাপ খাবে না। 
- ফিংগার প্রিন্ট রিডারে কারো আঙুলের ছাপ দেয়ার পর ছাপটির ছবি কম্পিউটার ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয়ে যায়। 
- ফিংগার প্রিন্ট মেশিনটি আঙুলের রেখার বিন্যাস, ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপচিত্র তৈরি করে ও আঙুলের দৈর্ঘ্য বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

৩। মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (Face recognition): 
- এই পদ্ধতিতে পুরো মুখমন্ডলের ছবি তুলে শনাক্ত করা হয়। আগে থেকে রক্ষিত স্যাম্পল মানের সাথে যার মুখমণ্ডলের আকৃতি তুলনা করা হবে তার ছবি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করে সেটি তুলনা করা হয়। 

৪। ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test): 
- ডিএনএ (DNA: Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়। 
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। 

(খ) আচরণগত (Behavioral) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (Signature verification): 
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ও দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আকার, ধরন, লেখার গতি, সময়, লেখার মাধ্যমের (যেমন- কলম, পেনসিল ইত্যাদি) চাপকে যাচাই করে শনাক্তকরণ করা হয়। 

২। কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ (Typing keystroke verification): 
- কিবোর্ড কিংবা এ জাতীয় কোনো ইনপুট ডিভাইসে তার গোপনীয় কোড কত দ্রুত টাইপ করে দিতে পারে তার সময় পূর্বের সময়ের সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। 

৩। কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (Voice recognition): 
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বরকে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণপূর্বক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর সাহায্যে ইলেকট্রিক সিগন্যালে রূপান্তর করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীকালে ভয়েস রেকর্ডারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বর রেকর্ড করা হয় এবং পূর্বের ধারণকৃত কণ্ঠস্বরের সাথে তুলনা করে শনাক্তের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ পদ্ধতিতে ব্যক্তির সর্দি, কাশি হলে শনাক্তকরণে বিঘ্নের সৃষ্টি হয়। 
- এছাড়াও মৃতদেহ শনাক্তকরণ, অপরাধী শনাক্তকরণ, পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার নিবন্ধন, এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থিতি নির্ণয়, কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন লগইন, ই-কমার্স ও স্মার্ট কার্ড ইত্যাদিতে বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩,৬০৬.
কোনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয়?
  1. LibreOffice Calc
  2. Google Sheets
  3. Microsoft Excel
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
• কোনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয় তা বোঝার জন্য প্রথমে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার কী তা বুঝতে হবে। স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা ডাটা টেবিল আকারে সাজিয়ে বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ এবং চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করে। LibreOffice Calc, Google Sheets এবং Microsoft Excel এই তিনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা ডাটা ম্যানেজমেন্ট এবং হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, Adobe Photoshop একটি গ্রাফিক ডিজাইন এবং ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, যা স্প্রেডশীটের কাজ করে না। তাই, অপশন গুলোর মধ্যে Adobe Photoshop স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয়।


• স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
- সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৬০৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ভিয়েনা
  3. অ্যাভাস্ট
  4. সিআইএইচ
ব্যাখ্যা

• অ্যাভাস্ট (Avast) একটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়; এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus) সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৮.
মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় কোন এককে?
  1. ক) Millions of Floating Point Operations per Second
  2. খ) Billions of Instructions per Second
  3. গ) Giga of Floating Operations per Second
  4. ঘ) Giga Hertz per second
ব্যাখ্যা
- মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
- সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০৯.
অপারেটিং সিস্টেমে কার্নেলের প্রধান কাজ কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা
  2. শুধুমাত্র ফাইল ম্যানেজ করা
  3.  এন্টিভাইরাস সুরক্ষা প্রদান 
  4. ওয়েব ব্রাউজার চালানো
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ হলো কার্নেল, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সিস্টেমের সকল গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ পরিচালনা করে। এটি প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ ও ইনপুট-আউটপুট অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন যখন কোনো নির্দেশ দেয়, তখন কার্নেল সেই নির্দেশকে হার্ডওয়্যারে পাঠিয়ে কার্যকর করে। উদাহরণস্বরূপ, যখন একটি প্রোগ্রাম ডেটা মেমোরিতে সংরক্ষণ করতে চায় বা প্রসেসর ব্যবহার করতে চায়, তখন কার্নেল সেই অনুরোধকে সঠিকভাবে বরাদ্দ করে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – ক) হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের প্রকারভেদ:
১. মনোলিথিক কার্নেল
২. মাইক্রোকার্নেল
৩. হাইব্রিডকার্নেল
৪. এক্সোকার্নেল
৫. ন্যানোকার্নেল।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: geeksforgeeks website.

৩,৬১০.
১ ট্যারা বাইট = কত মেগা বাইট?
  1. ক) ১ লক্ষ মেগা বাইট
  2. খ) ১০ লক্ষ মেগা বাইট
  3. গ) ১০ কোটি মেগা বাইট
  4. ঘ) ১০০০০ মেগা বাইট
ব্যাখ্যা
মেমোরির ধারণক্ষমতা:
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।

১ ট্যারা বাইট = ১০ লক্ষ মেগা বাইট।

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১১.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) পেনড্রাইভ
  2. খ) ওসিআর
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) মডেম
ব্যাখ্যা
যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। যেমনঃ কি-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ প্রিন্টার, মনিটর, প্লটার ইত্যাদি। আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
৩,৬১২.
নিচের কোনটি ৮ বিট বিশিষ্ট কোড?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) Extended ASCII
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
• 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
• ASCII বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• ASCII কোড শুধু ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
Extended ASCII হলো ৮ বিট বিশিষ্ট কোড, যার সাহায্যে 256টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• Extended ASCII ইউরোপীয় ভাষার জন্য উপযোগী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি।
৩,৬১৩.
"QWERTY কী"-বোর্ডে নিউম্যারিক কী-এর সংখ্যা কত?
  1. ১১
  2. ১৭
  3. ১৯
ব্যাখ্যা
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।
- যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
৩,৬১৪.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Alta Vista
  2. Safari
  3. Mozilla Firefox
  4. Google Chrome
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়।
- ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়।
- ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
যেমন:
• Yahoo,
• Google,
• Alta Vista,
• Mamma,
• Hotbot,
• Bing,
• Go ইত্যাদি।
- পিপীলিকা (Pipilica) বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন।

ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো-
• Google Chrome,
• Mozilla Firefox,
• Safari,
• Opera,
• Microsoft Edge,
• Maxthon,
• Brave,
• UC Browser.

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড এবং ব্রিটানিকা।
৩,৬১৫.
মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা কত?
  1. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  2. ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  3. ৩০ থেকে ৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  4. ৭০ থেকে ১৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে-
১। তাপমাত্রা (Temperature),
২। কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On and Off),
৩। বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System),
৪। ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollution),
৫। নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) ইত্যাদি।

• তাপমাত্রা:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রাখতে হবে।
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা উভয়েই ক্ষতিকর।
- মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট আর যখন সিস্টেম বন্ধ থাকবে তখন ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- যদি কখনো কম্পিউটারে অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্মুখীন হয় তবে নিম্নোক্ত সমস্যাসমূহ হতে পারে-
১. সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে যে চিপস রয়েছে সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট সকেটের বাইরে কাজ করতে শুরু করবে। পাশাপাশি চিপ কানেক্টর দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
২. তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে হার্ডডিস্কের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
- উক্ত সমস্যাগুলো সাধারণত হয়ে থাকে যান্ত্রিক সরঞ্জামের দ্রুত ঠাণ্ডা অথবা গরম হয়ে উঠার জন্য।
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য এ ধরনের তাপমাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত বিপদজনক।
- তাই কম্পিউটার কখনো কোনো উত্তপ্ত বা অধিক ঠাণ্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৬.
MS Word এ table of contents তৈরি করার অপশন নিচের কোন ট্যাব এ পাওয়া যায়?
  1. ক) Insert
  2. খ) Reference
  3. গ) Review
  4. ঘ) View
ব্যাখ্যা
In Word 2007 and Word 2010: References > Table of Contents > choose an option from the menu.
৩,৬১৭.
Which of the following is a valid function in Microsoft Excel?
  1. ক) MAXIMUM
  2. খ) MINUTE
  3. গ) SUBSTRACT
  4. ঘ) HIGHEST
ব্যাখ্যা
MINUTE is a function of Microsoft Excel.
Example Formula : =MINUTE(A2) 

Source: support.microsoft.com
৩,৬১৮.
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) এর যুগ কখন শুরু হয়?
  1. ১৯৪০ এর দশকে
  2. ১৯৬০ এর দশকে
  3. ১৯৭০ এর দশকে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

◉ পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বিপ্লবের সূচনা হয় ১৯৭০-এর দশকে। 

পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট।

৩,৬১৯.
Bluetooth এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কয়টি ডিভাইসকে সংযুক্ত করা যায়?
  1. ১৫টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
Bluetooth - Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)
৩,৬২০.
ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে কী বলা হয়?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) রেজুল্যশন
  3. গ) পিকচার টিউব
  4. ঘ) পিক্সেল
ব্যাখ্যা
পিক্সেল :
কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

রেজুল্যশন:
ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
একটি মনিটরের রেজুল্যুশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে। 

[উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]
৩,৬২১.
IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Interconnected Real-time Chat
  2. Integrated Remote Connection
  3. Internet Relay Chart
  4. Internet Relay Chat
ব্যাখ্যা

• IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Internet Relay Chat. এটি একটি প্রটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বার্তা আদান-প্রদান করতে দেয়। IRC মূলত চ্যাট রুম বা চ্যানেলের মাধ্যমে বহু ব্যবহারকারীকে একই সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটি অনলাইন কমিউনিটি, গ্রুপ আলোচনা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা IRC সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চ্যাটে অংশ নিতে পারে এবং প্রাইভেট মেসেজও পাঠাতে পারে। এটি সরল অথচ কার্যকর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Internet Relay Chat.


• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬২২.
লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (লেক্সার) কী কাজ করে?
  1. সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে 
  2. টোকেনগুলোকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  3. সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে
  4. কোডকে অপ্টিমাইজ করে
ব্যাখ্যা

• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার বা লেক্সার কম্পাইলারের প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করে। এটি সোর্স কোডকে পড়ে এবং কোডের ছোট ছোট ইউনিট বা টোকেন এ ভাগ করে। টোকেন হলো প্রোগ্রামিং ভাষার মৌলিক উপাদান যেমন কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর, সংখ্যা বা সিম্বল। লেক্সারের মূল কাজ হলো কোডকে সহজ ও সুসংগঠিত আকারে ভাগ করা, যাতে পরবর্তী ধাপ যেমন সিনট্যাক্স অ্যানালাইসিস সহজ হয়। লেক্সার সোর্স কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না, সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে না এবং কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না। তাই, লেক্সারের সঠিক কাজ হলো সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা, যা কম্পাইলেশনের জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করে।

• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (Lexical Analyzer / Lexer):
- লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার হলো একটি প্রোগ্রামিং কম্পাইলারের প্রথম ধাপের অংশ যা সোর্স কোডকে প্রক্রিয়াকরণ করে।
- এটি সোর্স কোডকে ছোট ছোট একক অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করে, যেগুলোকে টোকেন (Token) বলা হয়।
- প্রতিটি টোকেন সাধারণত একটি কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর বা প্রতীক হতে পারে।
- লেক্সার মূলত সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করার কাজ করে, যাতে পরবর্তী ধাপে সিনট্যাক্স বিশ্লেষণ সহজ হয়।
- এটি কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না।
- লেক্সার সাধারণত সিনট্যাক্স ত্রুটি বা কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না; শুধুমাত্র টোকেন তৈরির কাজ সম্পন্ন করে।

সুতরাং, লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজারের কাজ হল সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা।  
সঠিক উত্তর: ক) সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে। 

উৎস: geeksforgeeks [link]

৩,৬২৩.
প্রথম Web browser কোনটি?
  1. ক) Netscape Navigator
  2. খ) Worldwideweb
  3. গ) Internet Explorer
  4. ঘ) Safari
ব্যাখ্যা
WorldWideWeb পৃথিবীর প্রথম ব্রাউজার। ১৯৯০ সালে এটা তৈরি করা হয়। WWW তথা World Wide Web এর সাথে নামের মিল আছে যা দুর্বোধ্যতার সৃষ্টি করতে পারে, তাই, পরবর্তীতে এটার নাম পরিবর্তন করে Nexus রাখা হয়। সুত্রঃ স্যার টিমোথি জন বার্নার্স-লি (টিম বার্নার্স-লি)
৩,৬২৪.
স্টারলিংকের সুবিধা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে কীভাবে আলাদা?
  1. শুধুমাত্র শহরে কাজ করে
  2. দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে
  3. ধীরগতির
  4. ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রয়োজন
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক হলো এলন মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা, যা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে বেশ ভিন্ন। প্রচলিত ইন্টারনেট সাধারণত ফাইবার অপটিক বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ওপর নির্ভর করে এবং শহর বা শহরের কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দূরবর্তী গ্রামাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় অনেক সময় সেবা পাওয়া যায় না। স্টারলিংক এর সুবিধা হলো এটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে কভার করতে পারে, তাই এমন অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান সম্ভব। এটি ফাইবার ক্যাবল বা স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, স্টারলিংক দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট পৌঁছাতে সক্ষম।

সঠিক উত্তর: খ) দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

৩,৬২৫.
(68)10 এর বাইনারি মান -
  1. 1000110
  2. 1000100
  3. 1100100
  4. 10100100
ব্যাখ্যা
68/2 = 34, remainder is 0
34/2 = 17, remainder is 0
17/2 = 8, remainder is 1
8/2 = 4, remainder is 0
4/2 = 2, remainder is 0
2/2 = 1, remainder is 0
1/2 = 0, remainder is 1
So, (68)10  = (1000100)2
৩,৬২৬.
http প্রথম ব্যবহৃত হয় কখন?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http):
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee ) হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে ‘টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee ) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• টিম বার্নার্স-লি বা স্যার টিমোথি জন "টিম" জন বার্নার্স-লি(ইংরেজি:Tim Berners-Lee) (জন্ম জুন ৮,১৯৫৫), এবং TimBL নামেও যিনি পরিচিত, যিনি পেশায় একজন ব্রিটিশ পদার্থবিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞানী, MIT অধ্যাপক, এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের পরিচালক। তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
৩,৬২৭.
কোনটি পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামের ভাষা?
  1. ক) বাইনারি ভাষা
  2. খ) ন্যাচারাল ভাষা
  3. গ) মেশিন ভাষা
  4. ঘ) আসেম্বলী ভাষা
ব্যাখ্যা
স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল (Natural) ভাষা পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামের ভাষা হিসাবে মানুষের স্বাভাবিক ভাষা বা ন্যাচারার ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে।  ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ দু প্রকার।
একটি হল মানুষের ভাষা যেমন বাংলা, ইংরেজি, আরবি, স্প্যানিস ইত্যদি এবং অন্যটি হল প্রোগ্রমিং ল্যাংগুয়েজ যা মানুষের ভাষা ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করে।
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ সাধারণত অনেকটা ইংরেজি অথবা মানুষের ভাষার মত।
মানুষের ভাষার মত স্বাভাবিক ভাষা কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য এখনও অনেক পরীক্ষা- নিরীক্ষা চলছে।
এ ধরনের ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে বুদ্ধিমান বা ইনটেলিজেন্ট কম্পাইলার বলা হয় ।
এটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের একটি ক্ষেত্র। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৬২৮.
কোন সম্পর্ক ব্যবহার করে রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত হতে পারে?
  1. Many-to-many
  2. Self-referencing
  3. One-to-one
  4. One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে “একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হওয়া” বোঝাতে One-to-many সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এতে একটি টেবিলের এক রেকর্ড (Parent) অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডের (Child) সাথে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Teacher টেবিলের এক শিক্ষকের সাথে অনেক Student রেকর্ড যুক্ত থাকতে পারে। এখানে Teacher হলো Parent এবং Student হলো Child। One-to-many সম্পর্ক বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত চাইল্ড টেবিলে Parent এর প্রাইমারি কী কে ফরেন কী হিসেবে রাখা হয়। এটি ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে এবং ডাটাবেজে লজিকাল সম্পর্ক সহজে অনুসরণ করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-many।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬২৯.
কেবলমাত্র ই-মেইল প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার কোনটি?
  1. নেটস্কেপ
  2. ইউডোরা প্রো
  3. ফায়ারফক্স
  4. উইন্ডোজ এনটি
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য হার্ডওয়‍্যার সামগ্রীর পাশাপাশি সফটওয়‍্যারের গুরুত্ব অপরিসীম।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য সিস্টেম সফটওয়‍্যার হিসেবে Microsoft Windows NT, XP ইত্যাদি।
- কেবলমাত্র ই-মেইল প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে gmail, আউটলুক এক্সপ্রেস, ইউডোরা প্রো ইত্যাদি।
- Web pages ব্রাউজ করার সফটওয়‍্যার হচ্ছে Internet Explorer, Netscape, Google Chrome, Firefox ইত্যাদি। এছাড়া FTP, Ghoper, Telnet ইত্যাদি সফটওয়‍্যারও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৩০.
CPU মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  2. তথ্য সংরক্ষণ
  3. প্রদর্শন
  4. ঠান্ডা রাখা
ব্যাখ্যা

• CPU বা Central Processing Unit মূলত কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের প্রধান কেন্দ্র, যেখানে ইনপুট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ, গণনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। CPU বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল তুলনা সম্পন্ন করতে পারে। প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি ডেটাকে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং ফলাফল আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দেয়। তথ্য সংরক্ষণ, প্রদর্শন বা কম্পিউটার ঠান্ডা রাখা CPU-এর কাজের অংশ নয়; এগুলো আলাদা হার্ডওয়্যার যেমন RAM, মনিটর বা কুলিং সিস্টেমের দায়িত্ব। সুতরাং, CPU মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ। 
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে। 
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।

- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে। 
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে। 
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়। 
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৬৩১.
Amazon's cloud computing platform is known as:
  1. IBM Cloud
  2. Google Cloud Platform
  3. Azure
  4. AWS
ব্যাখ্যা
Cloud Computing:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সিস্টেমের স্টোরেজে ডেটা সংরক্ষণ করা এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে গ্রাহক বা অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সিস্টেম এবং স্টোরেজে অ্যাক্সেস প্রদান করা।

IBM Cloud দুই ধরনের সেবা প্রদান করে:
- Platform as a Service (Paas) এবং
- Infrastructure as a Service (IaaS).

আইবিএম ক্লাউড (Iaas) ও (PaaS) প্ল্যাটফর্মকে একত্র করে ব্যবহারকারীকে সমন্বিত অভিজ্ঞতা প্রদান করে থাকে।

Infrastructure as a Service (IaaS) :
-Iaas এর অধীনে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়।

Platform as a Service (Paas):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

অপশন আলোচনা:
- AWS (Amazon Web Services) হচ্ছে Amazon- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম
- IBM Cloud হচ্ছে IBM- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।
- Google Cloud Platform হচ্ছে Google- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।
- Azure হচ্ছে Microsoft- এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

উৎস :
১) আইবিএম ওয়েবসাইট।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৬৩২.
নিচের কোনটিকে তথ্যভান্ডার বলা হয়?
  1. ক) মেমরি
  2. খ) ডাটাবেজ
  3. গ) সি পি ইউ
  4. ঘ) হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ হলো কম্পিউটারভিত্তিক একটি পদ্ধতি, যার সাহায্যে সংগৃহীত উপাত্ত সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরুদ্ধার করা যায়।
- অন্যকথায়, ডেটাবেজ হচ্ছে সংগৃহীত উপাত্তের ভান্ডার, যা থেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উপায়ে এবং আকারে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

- ডাটাবেজকে বলা হয় তথ্যভান্ডার।

- সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমাবেশই হচ্ছে ডাটাবেজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( নবম - দশম শ্রেণি )
৩,৬৩৩.
সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইস কোনটি?
  1. ক) মাউস
  2. খ) মাইক্রোচিপ
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা

সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইসসমূহ হল- মাদারবোর্ড, মাইক্রোপ্রসেসর, রেম ও রম, হার্ডডিস্ক, এজিপি কার্ড, লেনকার্ড, ইত্যাদি।
অপরদিকে, মাউস হল ইনপুট ডিভাইস।
প্রিন্টার, এবং মাইক্রোচিপ হল আউটপুট ডিভাইস।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩,৬৩৪.
Universal Code বলা হয় কোন কোডকে?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৩,৬৩৫.
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) কন্ট্রোলার
  2. খ) রোবট
  3. গ) জাহাজ
  4. ঘ) রকেট
ব্যাখ্যা
যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয় রোবট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৬৩৬.
10000010101 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ক) 1055
  2. খ) 1047
  3. গ) 1058
  4. ঘ) 1045
৩,৬৩৭.
জনপ্ৰিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট YouTube এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) স্টিভ চেন
  2. খ) জাবেদ করিম
  3. গ) চ্যাড হারলি
  4. ঘ) উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। 
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়। 
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও ইউটিউব অফিসিয়াল সাইট।
৩,৬৩৮.
Which of the following is not a physiological biometrics?
  1. Hand geometry
  2. Iris recognition
  3. Facial recognition
  4. Voice verification
ব্যাখ্যা
Voice verification is an example of behavioral biometrics.

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৩,৬৩৯.
META'র অন্যতম বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) Community Build Up
  2. খ) E-Business
  3. গ) Virtual Reality
  4. ঘ) All of the Above
ব্যাখ্যা
Meta'র অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে - Virtual Reality. 

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের প্রাতিষ্ঠানিক বা কোম্পানির নতুন নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস, সংক্ষেপে মেটা। অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ বা সাইটটি আগের, তথা ফেসবুক নামেই থাকছে; কিন্তু ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি এখন থেকে সামগ্রিকভাবে পরিচালনা করবে মেটা, যা আগে ছিল ফেসবুকের অধীনে।

সূত্র: ফেসবুক ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৩,৬৪০.
একটি হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B-এর কী হবে?
  1. একসাথে ডেটা পাঠাতে পারবে
  2. B এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
  3. A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
  4. B স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে চলে যাবে
ব্যাখ্যা

• হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে তথ্য আদানপ্রদান দুই দিকেই হয়, কিন্তু এক সময়ে কেবল একটি দিকেই ডেটা প্রেরণ সম্ভব। অর্থাৎ, একই মুহূর্তে দুইটি ডিভাইস একসাথে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না। সুতরাং, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B কে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না A-এর প্রেরণ সম্পন্ন হয়। এই কারণে, B-এর তথ্য প্রেরণ তখনই শুরু করা যায় যখন চ্যানেল খালি হয়। হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে এক সময়ে এক পক্ষই প্রেরণকারী এবং অন্য পক্ষ গ্রাহক থাকে, যা সম্পূর্ণ ডুপ্লেক্সের থেকে আলাদা। তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
 
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

যেমন- 
১. সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি। 

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। 
যেমন- ওয়াকিটকি। 

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩,৬৪১.
নিচের কোনটি ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজের (DDL) এর উদাহরণ নয়?
  1. Create
  2. Drop
  3. Insert
  4. Rename
ব্যাখ্যা

• SQL-এ DDL (Data Definition Language) মূলত ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। Insert কমান্ডটি টেবিলের কাঠামো পরিবর্তন করে না, বরং টেবিলের ভেতরে নতুন ডেটা বা তথ্য যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি DML (Data Manipulation Language)-এর অন্তর্ভুক্ত।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৩,৬৪২.
গুগল জিমেইল সেবা চালু করে -
  1. ক) ২০০৪ সালে
  2. খ) ২০০৬ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
গুগল জিমেইল সেবা চালু করে - ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল।
Source: google.com
৩,৬৪৩.
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. ক) MARK-1
  2. খ) UNIVAC
  3. গ) IBM-650
  4. ঘ) IBM-704
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম হচ্ছে IBM-650.

-MARK-1 হচ্ছে যৌথভাবে আবিষ্কৃত প্রথম ইলেক্ট্রিক্যাল কম্পিউটার। Howard Aiken এবং IBM যৌথভাবে এই কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। 
-MARK-1 থেকেই মূলত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার শুরু হয়। 
-UNIVAC হচ্ছে বাণিজ্যিক ইলেকট্রিক ডিজিটাল কম্পিউটার।  
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

সূত্র- ১৫ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
৩,৬৪৪.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'অন-ডিমান্ড ও পে-অ্যাজ-ইউ-গো' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Internet of Things (IoT)
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Client-Server Systems
  4. ঘ) Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
২) অন-ডিমান্ড
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
৩,৬৪৫.
Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
  1. গণনা করা
  2. সংরক্ষণ করা
  3. শ্রেষ্ঠতর হওয়া
  4. সমাধান করা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট এক্সেল:
- Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া। গুণ, কৃতিত্ব প্রভৃতি বিবেচনায় শ্রেষ্ঠতর বা উৎকৃষ্টতর হওয়া।
- বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরী ও বাজারজাতকৃত এ প্রোগ্রামটি এক সাথে অনেক সমস্যা সামাধানে অন্যান্য অনেক প্রোগ্রাম থেকে শ্রেষ্ঠতর।
- উইন্ডোজ ভিত্তিক এ Application প্রোগ্রামটির সাহায্যে জটিল গাণিতিক পরিগণনা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং তথ্যকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপনায় নিখুঁতভাবে চার্ট বা গ্রাফ তৈরী করা ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক জটিল কাজকে সহজে সমাপন করা যায়।
- এক্সেলের সুবিশাল পৃষ্ঠাটি কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত হওয়ায় এতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে স্প্রেডশীট এ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম বলা হয়।
- Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- Spread অর্থ ছড়ানো এবং Sheet অর্থ পাতা।
- গ্রাফ কাগজের X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপ খোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সংবলিত বড় শীটকে স্প্রেডশীট বলা হয়।
- এক্সেলের সম্পূর্ণ পর্দাটি X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর সেলের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্সেলের সুবিশাল স্প্রেডশীটটিতে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং গাণিতিক পরিগণনা করা যায়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৪৬.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ঠ্য?
  1. GSM - পদ্ধতিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ
  2. উন্নত GPRS
  3. VOIP
  4. পেজিং সিস্টেম ব্যবহার
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত:
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৩,৬৪৭.
বাংলাদেশে প্রথম ই-বুক কোনটি?
  1. একুশ ই-বুক
  2. বায়ান্ন ই-বুক
  3. একাত্তর ই-বুক
  4. চব্বিশ ই-বুক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল। 
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। 

• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।

উৎস: প্রথম আলো [link]

৩,৬৪৮.
হার্ডডিস্ক এর ডাটা সংরক্ষণের জন্য উত্তম পন্থা হলো-
  1. ক) এন্টিভাইরাস ব্যবহার
  2. খ) নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা
  3. গ) নিয়মিত উইন্ডোজ আপডেট দেয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

-কম্পিউটার ব্যাকআপ বলতে বোঝায় আপনার সিস্টেমের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডেটাগুলির কপি যা অন্য কোনো জায়গায় সংরক্ষণ করা হয়, এবং ডিলিট বা করাপ্টেড হয়ে গেলে প্রয়োজনমতো আবার সেগুলিকে ফিরে পাওয়া যায়। আমাদের সমস্ত ডেটা যেখানে স্টোর থাকে তা হল কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি

৩,৬৪৯.
ট্যাম্পারিং আক্রমণ কীভাবে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করে?
  1. ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করে
  2. ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে
  3. ইমেইল পাসওয়ার্ড চুরি করে
  4. কম্পিউটারের ফাইল চুরি করে
ব্যাখ্যা
• Tampering:
- এটি একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- পরিবর্তিত ইউআরএলটি ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ বা মূল্যবান তথ্য চুরি করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- ট্যাম্পারিং এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।
- অবৈধভাবে অনুমোদন লাভ করে, আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায়।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫০.
WMA কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. Video
  2. Audio
  3. Flash
  4. Image
ব্যাখ্যা
WMA হচ্ছে Audio ধরনের ফাইল এক্সটেনশন। 
- The WMA file extension is short for Windows Media Audio, which is an audio file container.
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।

- আরও কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ- 
Picture files- 
.bmp
.gif
.jpg
.png

Music and sound files- 
.mp3
.wav
Operating system files
.dll
.exe

Text and word processing documents- 
.doc
.docx
.rtf
.txt

Spreadsheet files- 
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

Web Page files- 
.htm
.html

উৎস: Computer Hope Website.
৩,৬৫১.
Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Union
  2. Stack
  3. Array
  4. Queue
ব্যাখ্যা
♦ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
• Push:
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।

• Pop:
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।

উৎস: Computerhope Website.
৩,৬৫২.
Which protocol is widely used for data exchange on the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP/IP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.

• ARPANET:
- ARPANET হল একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৬৫৩.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল পদ্ধতিতে সঠিক নয়?
  1. 1243
  2. 7412
  3. 2841
  4. 1241
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতিতে বেস বা ভিত্তি হলো ৮ টি। যথা-
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ 

উল্লেখিত সংখ্যাসমূহের মধ্যে 2841 সংখ্যাটির 8 অক্টালের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৩,৬৫৪.
WWW এর সূচনা হয় কোথায়?
  1. The European Center for National Research
  2. The Europe Center for Nuclear Research
  3. The European Center for Nuclear Research
  4. The European Commission for Nuclear Research
ব্যাখ্যা
WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
৩,৬৫৫.
Artificial Intelligence (AI) এর সাথে কার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে?
  1. ক) আইজ্যাক অসিমভ
  2. খ) এল্যান টিউরিং
  3. গ) স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ঘ) স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
মানুষ যেভাবে চিন্তাভাবনা করে, কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তাভাবনা করার সক্ষমতার রূপদানকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ এলান টুরিং।
১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত 'টুরিং টেস্ট' কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারনার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে।

- তবে অনেক জায়গায় জন ম্যাকার্থিকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়। 

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি 
৩,৬৫৬.
127 এর বাইনারি -
  1. ক) 11111111
  2. খ) 111111
  3. গ) 111111111
  4. ঘ) 1111111
৩,৬৫৭.
দশমিক সংখ্যা 23 কে দ্বিমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ক) 10111
  2. খ) 10011
  3. গ) 11101
  4. ঘ) 10101
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা 23 কে দ্বিমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে 10111।
[সূত্রঃ convertbinary.com]
৩,৬৫৮.
এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের নাম কী?
  1. MAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক শহরের মধ্যে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ককে MAN (Metropolitan Area Network) বলা হয়। MAN সাধারণত একটি শহর বা কাছাকাছি অবস্থিত একাধিক শহর জুড়ে ডাটা যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করে। এটি LAN-এর চেয়ে বড় পরিসরের এবং WAN-এর তুলনায় ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সিটি কর্পোরেশন, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান MAN ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে।
- অন্যদিকে LAN ছোট এলাকার জন্য, PAN ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য এবং WAN দেশ বা মহাদেশজুড়ে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) MAN.

 
মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৬৫৯.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) ক্যাশ মেমােরির চেয়ে রেজিস্টারের আকার ছোট।
  2. খ) রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির গতি বেশি।
  3. গ) রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যে যুক্ত থাকে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো সত্য।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস  সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।


উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
 
৩,৬৬০.
FORTRAN কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান:
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান Ⅰ, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০।
- FORTRAN হলো তৃতীয় প্রজন্ম বা হাই লেভেলের প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩,৬৬১.
নিচের কোনটি ইমেইল সেবা প্রদান করে না?
  1. SyIpheed
  2. Portbox
  3. Mulberry
  4. Maxthon
ব্যাখ্যা
• "Maxthon"এক ধরনের ওয়েব ব্রাউজার।

• ইমেইল:

- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলো:
- জিমেইল (Gmail)
- ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail)
- মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird)
- ক্লজ মেইল (Claws Mail)
- ফক্সমেইল (Foxmail)
- পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail)
- ইনক্রেডিমেইল (Incredimail)
- মালবেরি (Mulberry)
- ড্রিম মেইল (Dream Mail)
- সিলফিড (SyIpheed)
- আউটলুক (Outlook)
- জিমব্রা (Zimbra)
- পোস্টবক্স (Portbox) ইত্যাদি।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত:
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৬৬২.
sms সেবা চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০) এর বৈশিষ্ট 

১। এই প্রজন্মে ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগনাল ব্যবহৃত হয়।

২ । উন্নত মানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।

৩ । ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশী।

৪ । ডেটার প্রতারনা রোধে সহায়তা করে।

৫ । সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।

৬। এমএমএস(MMS) ও এসএমএস(SMS) সেবা কার্যক্রম চালু হয়
৩,৬৬৩.
স্মার্টফোনে সাধারণত কোন ধরণের স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়?
  1. CRT
  2. OCD
  3. LCD
  4. OLD
ব্যাখ্যা

স্মার্টফোনে সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে একটি ডিসপ্লে স্ক্রিন (সাধারণত লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা LCD), বিল্ট-ইন ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রোগ্রাম (যেমন একটি ইলেকট্রনিক ক্যালেন্ডার এবং ঠিকানা বই) এবং একটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) থাকে।
- স্মার্টফোনকে মোবাইল ফোনের মধ্যে একত্রিত একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও ধরা যেতে পারে।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৬৬৪.
নীচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) 18
  2. খ) 77
  3. গ) 15
  4. ঘ) 101
ব্যাখ্যা
Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬ এবং ৭। তাই ১৮ Octal number নয়।
৩,৬৬৫.
Cable TV Network কিসের উদাহরণ -
  1. ক) LAN
  2. খ) WAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Metropolitan Area Network (MAN) এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে Cable TV Network.

Metropolitan Area Network (MAN): 

- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি  LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয় কেন্দ্র ইত্যাদিতে MAN ব্যবহৃত হয়। 

Wide Area Network (WAN): 

- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো – Internet. 

Local Area Network (LAN): 

- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায় ।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই)।
৩,৬৬৬.
কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. এভিরা
  3. নরটন
  4. মেলওয়্যার
ব্যাখ্যা
• "মেলওয়্যার" কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম।

• মেলওয়্যার (Malware):
- Malware-এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও আ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কাজ: কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা কম্পিউটার ভাইরাস:
- Malware,
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms,
- Trojan Horse ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- নরটন, এভিরা, অ্যাভাস্ট হচ্ছে কম্পিউটার এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩,৬৬৭.
কাজের প্রয়োজনে রোবটকে কত ডিগ্রি কোণ পর্যন্ত ঘুরানো যায়?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ১৮০
  3. গ) ২৭০
  4. ঘ) ৩৬০
ব্যাখ্যা
রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরণের ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করতে পারে। এটি তৈরী হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে যা Computer program দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রোবট মানুষ কিংবা বিভিন্ন বুদ্ধিমান প্রাণীর মতো কাজ করতে পারে। এটি মানুষ ও মেশিন উভয় কর্তৃক পরিচালিত কিংবা দূর নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। রোবটের আকৃতি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। যে রোবট দেখতে মানুষের মত তাকে বলা হয় হিউমেনওয়েড।
৩,৬৬৮.
ই-কমার্সে নিরাপদ অনলাইন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রধানত কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. DHCP
  2. SMTP
  3. HTTPS
  4. FTP
ব্যাখ্যা

◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন- লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।

- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure).

• HTTPS:

- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।


অন্যান্য অপশনসমূহ: 
DHCP: IP address assignment এর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
SMTP: ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। 
FTP:  এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 


তথ্যসূত্র:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। Bigcommerce Essentials ওয়েবসাইট। 

৩,৬৬৯.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL ব্যবহার করার কারণ কী?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. পেমেন্ট প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL (Secure Sockets Layer) ব্যবহার করার প্রধান কারণ হলো ডেটা এনক্রিপশন। যখন ব্যবহারকারী তাদের ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দিয়ে লেনদেন করে, তখন এই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভারে পাঠানো হয়। যদি তথ্য এনক্রিপ্ট করা না থাকে, তবে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষ সহজেই তা চুরি করতে পারে। SSL ব্যবহার করে ডেটা নিরাপদভাবে এনক্রিপ্ট করা হয়, অর্থাৎ তথ্য কোড আকারে রূপান্তরিত হয় যা শুধুমাত্র প্রাপকের সার্ভারই পড়তে পারে। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত থাকে, অনলাইন লেনদেন নিরাপদ হয় এবং ওয়েবসাইটের প্রতি ব্যবহারকারীর আস্থা বাড়ে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা এনক্রিপশন।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

৩,৬৭০.
কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী গতির উচ্চক্রম থেকে নিম্নক্রমের সঠিক বিন্যাস কোনটি?
  1. Cache > Register > RAM
  2. Register > Cache > RAM
  3. Register > RAM > Cache
  4. RAM > Cache > Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী যে মেমোরি প্রসেসরের যত কাছে থাকে তার গতি তত বেশি হয়। সেই হিসেবে সঠিক ক্রমটি হলো: Register > Cache > RAM

• রেজিস্টার:

- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

• RAM:
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়‍্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৭১.
(BC46)16 এর সমতূল্য অক্টাল মান কত?
  1. 570151
  2. 560107
  3. 136106
  4. 154201
৩,৬৭২.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ২০০১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।

• GIS:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ‚-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
- সুতরাং বলা যায় যে, কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফর্টওয়্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।

• ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালের পর থেকে জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে জিআইএস উন্নত প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।
- ২০০০ সালের পর থেকে আমাদের দেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রসার লাভ করতে থাকে এবং বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জিআইএসের ওপর শিক্ষাদান করা হচ্ছে। অর্থাৎ জিআইএসকে বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৩.
WiMax কত দূরত্ব পর্যন্ত কাভারেজ দিতে পারে?
  1. ক) ১০০ মিটার
  2. খ) ৫০০ মিটার
  3. গ) ১ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৫০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৩,৬৭৪.
'AWS' ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) গুগল
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) অ্যামাজন
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।

- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
 
উৎস: aws.amazon.com
৩,৬৭৫.
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি কখন থেকে চালু হয়?
  1. ক) ২০০১ সালের জুন মাস।
  2. খ) ২০০১ সালের ডিসেম্ভর মাস।
  3. গ) ২০০০ সালের ডিসেম্ভর মাস।
  4. ঘ) ২০০০ সালের জুন মাস।
ব্যাখ্যা
ওয়াই ম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো: Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৬৭৬.
ব্লুটুথ (Bluetooth) কার নামানুসারে নামকরণ করা হয়?
  1. ক) ডেনমার্কের রাজা
  2. খ) জাপানের সম্রাট
  3. গ) ব্রিটেনের রাণী
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ডের রাজা
ব্যাখ্যা

ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৩,৬৭৭.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. সিপিইউ
  3. হার্ডডিস্ক
  4. ফ্লোপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৮.
স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে কোন ডিভাইসটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিজিটাল লক
  2. আইপি ক্যামেরা
  3. স্মার্ট লাইট
  4. স্মার্ট রিমোট
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
৩,৬৭৯.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. মাউস
  2. জয়স্টিক
  3. স্ক্যানার
  4. হেডফোন
ব্যাখ্যা
• হেডফোন একটি আউটপুট ডিভাইস।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৩,৬৮০.
Intel Core i3 কত বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ১৬
  2. ৩২
  3. ৬৪
ব্যাখ্যা

- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

৩,৬৮১.
কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. ক) Malware
  2. খ) Spyware
  3. গ) Worms
  4. ঘ) Avira
ব্যাখ্যা
• মেলওয়্যার (Malware):
- Malware-এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও আ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম:
- Malware,
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms, 
- Trojan Horse ইত্যাদি। 

• Avira হলো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৩,৬৮২.
যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে কী বলা হয়?
  1. নোড
  2. হটস্পট
  3. রাউটার
  4. সার্ভার
ব্যাখ্যা

যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে হটস্পট বলা হয়।

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।

• ফ্রিকোয়েন্সি ও চ্যানেল:
- IEEE স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলোকে চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
- চ্যানেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সিতে ওভারল্যাপ করে।
- সাধারণত Wi-Fi সিগন্যাল ১০০ মিটারের কম দূরত্বে ইন্ডোর পরিবেশে প্রেরণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৬৮৩.
ডিজিটাল মুদ্রার উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ডলার
  2. খ) বিটকয়েন
  3. গ) ক্রেডিট কার্ড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টো-কারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এই মুদ্রার লেনদেন হয়ে থাকে।
- ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের একজন নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের কেউ বা একদল সফটওয়্যার বিজ্ঞানী এই ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির’ উদ্ভাবন করেন। যদিও এই ব্যক্তির আসল নাম বা পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট
৩,৬৮৪.
দশমিক সংখ্যা 726.48 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 2B5.7AC...
  2. 2D6.7AE...
  3. 2B4.7EA...
  4. 2C4.7AC...
৩,৬৮৫.
What is the main function of OCR technology?
  1. Enhancing computer graphics
  2. Managing database records
  3. Recognizing printed text
  4. Compressing multimedia files
ব্যাখ্যা

ওসিআর:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো (Optical Character Reader).
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৮৬.
ই-কমার্সে পেমেন্ট করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্রেডিট কার্ড
  2. পোস্টাল অর্ডার
  3. চেক
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।
অন্যদিকে, পোস্টাল অর্ডার এবং চেক ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো দ্রুত ও নিরাপদ নয়।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৬৮৭.
67 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 110111
  2. 01110011
  3. 10110101
  4. 01100111
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

6 এর বিসিডি 0110
7 এর বিসিডি 0111
∴ 67 এর বিসিডি 01100111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৮.
JAVA প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কত সালে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৯৫
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
১৯৯৫ সালে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন জেমস গসলিং। এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
[সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকা]
৩,৬৮৯.
What is the main characteristic of a blockchain?
  1. ক) Centralized
  2. খ) Decentralized
  3. গ) Private
  4. ঘ) Public
ব্যাখ্যা
- The main characteristic of a blockchain is that it is decentralized.
- This means that there is no central authority or intermediary controlling the network. Instead, transactions are recorded and verified by a network of users, making it a secure and transparent system for recording and verifying transactions.

Reference: www.investopedia.com/terms/b/blockchain.asp
৩,৬৯০.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান কম্পোনেন্ট কোনটাকে বলা যায়?
  1. ক) মডিফায়ার
  2. খ) মাইক্রোপ্রসেসর
  3. গ) স্টেপার
  4. ঘ) ক্যাপাসিটর
ব্যাখ্যা
সাধারণত এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণ প্রসেসরের বদলে কম্পিউটারের দায়িত্ব পালন করে থাকে মাইক্রোপ্রসেসর।
৩,৬৯১.
TCP/IP হল একটি -
  1. টোপােলজি
  2. টপোলজি
  3. সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি / আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়৷
- ১৯৮৩ সালে অরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- বর্তমানেও এটিই ইন্টারনেট প্রটোকল নামে পরিচিত।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৬৯২.
একসাথে অনেক পরীক্ষার্থীর ফলাফল প্রস্তুতে সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম কোনট?
  1. MS Power Point
  2. MS Excel
  3. MS Word
  4. MS DOS
ব্যাখ্যা
পরীক্ষার ফলাফলের ডেটা পরিচালনার জন্য MS Excel হল সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন। কারণ এখানে নিম্নোক্ত সুবিধা পাওয়া যায় :

- Data Organization,

- Calculations,

- Data Validation,

- Sorting and Filtering,

- Data Export and Import.

 পাওয়ারপয়েন্ট হল একটি প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যার, যা প্রাথমিকভাবে স্লাইডশো তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, অন্যদিকে ওয়ার্ড হল একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম যা নথি তৈরি এবং ফর্ম্যাট করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে  ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতার অভাব রয়েছে।

MS-DOS, অন্যদিকে, একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং ডেটা পরিচালনার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৬৯৩.
অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের বর্তমান (মে ২০২৪) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. Steve Jobs
  2. Tim Cook
  3. Steve Wozniak
  4. Ronald Wayne
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যেটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভেলপ ও বিক্রি করে।
- সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে অবস্থিত।
- ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল অ্যাপেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের বর্তমান (মে ২০২৪) সিইও Tim Cook
- Headquarters: Cupertino, California, United States
- Founders: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne

উৎস: ব্রিটানিকা
৩,৬৯৪.
Microsoft acess দ্বারা কতজন ব্যবহারকারী এক সাথে update করা যায়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ১৫০
  3. গ) ২০০০০
  4. ঘ) ১০
  5. ঙ) ২৫৫
৩,৬৯৫.
কম্পোজিট প্রাইমারি কী তে প্রাইমারি কী এর সাথে অতিরিক্ত যে ফিল্ডগুলো থাকে তাদেরকে কী বলে?
  1. Support key
  2. Attribute key
  3. Alternate key
  4. Additional key
ব্যাখ্যা
কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- দুই বা ততোধিক ফিল্ড বা Attribute সমষ্টি সম্মিলিতভাবে কোনো Entity সেটকে শণাক্ত করতে পারলে তাদেরকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। কম্পোজিট প্রাইমারি কী এর ক্ষেত্রে একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচনা করে বাকিগুলোকে Alternate key বলে।
- ধরি, একটি টেবিলে রোল, মোবাইল নং একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী গঠন করল। এই ক্ষেত্রে যদি রোল নং কে প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে মোবাইল নং হলো Alternate key.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, geeksforgeeks।
৩,৬৯৬.
ক্রায়োসার্জারিতে কোনটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়?
  1. তরল নাইট্রোজেন 
  2. তরল ক্লোরাইড 
  3. তরল হাইড্রোজেন
  4. তরল অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) তরল নাইট্রোজেন 

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৬৯৭.
Which protocol is used to receive an E-mail?
  1. SMTP
  2. POP3
  3. IMAP
  4. Both B and C
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়। 
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে। 

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।  

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।  

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৮.
ফ্রেড কোহেন কোন ক্ষেত্রে তার কাজের জন্য বিখ্যাত?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. টিকা
  3. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
• ফ্রেড কোহেন মূলত কম্পিউটার ভাইরাসের ক্ষেত্রেই তার কাজের জন্য বিখ্যাত। তিনি প্রথমবার কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণাটি প্রণয়ন করেন এবং কম্পিউটার ভাইরাস নিয়ে তার গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তার কাজ কম্পিউটার সিকিউরিটি ও ভাইরাসের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করে। কোহেন ভাইরাসের সংজ্ঞা প্রদান করে এবং ভাইরাস কীভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে তা ব্যাখ্যা করেন। তার গবেষণার ফলে কম্পিউটার ভাইরাস সংক্রান্ত সাইবার নিরাপত্তার নীতিমালা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়া হয়। তাই ফ্রেড কোহেনকে কম্পিউটার ভাইরাস গবেষণার জনক বলা হয়।

• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৯.
(345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. (229.8125)10
  2. (235.6875)10
  3. (219.8125)10
  4. (232.756)10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে (229.8125)10 হবে।

• অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, প্রতিটি অক্টাল অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 8-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়। দশমিক বিন্দুর পরের অঙ্কগুলোর জন্য 8-এর ঋণাত্মক ঘাত ব্যবহার করা হয়।
• এখানে, অক্টাল সংখ্যাটি হলো (345.64)8
• এর দশমিক রূপান্তর হলো:
 = (3 × 82) + (4 × 81) + (5 × 80) + (6 × 8- 1) + (4 × 8- 2)
 = (3 × 64) + (4 × 8) + (5 × 1) + (6/8) + (4/64)
 = 192 + 32 + 5 + 0.75 + 0.0625
 = 229.8125

∴ (345.64)8 = (229.8125)10 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭০০.
একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. শুধু সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ বিট উল্টানো
  2. শুধু ১ যোগ করা
  3. সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা
  4. সব বিট উল্টিয়ে ১ বিয়োগ করা
ব্যাখ্যা

• একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ হলো প্রথমে সংখ্যাটির সব বিট উল্টানো (যেখানে ০ হবে ১ এবং ১ হবে ০), তারপর এই উল্টানো সংখ্যার সাথে ১ যোগ করা। কারণ ২-এর পরিপূরক হলো মূল সংখ্যা এবং এর ২-এর পরিপূরক সংখ্যার যোগফল বাইনারি সংখ্যা সীমার সর্বাধিক মানের এক কমে পৌঁছায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাইনারি সংখ্যা হয় 0101 (দশমিক ৫), সব বিট উল্টালে পাওয়া যাবে 1010 এবং এতে ১ যোগ করলে হবে 1011 (দশমিক ১১)। তাই সঠিক পদ্ধতি হলো সব বিট উল্টিয়ে তার পরে ১ যোগ করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা।
 
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।