বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৩৫ / ১৩১ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ১৩,০৮৮

৩,৪০১.
(4CF)16 কে দশমিকে রূপান্তর করুন।
  1. 1024
  2. 1231
  3. 1216
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

(4CF)16 
= 4 × 162 + 12 × 161 + 15 × 160 
= 4 × 256 + 12 × 16 + 15 × 1
= 1024 + 192 +15
= 1231

∴ (4CF)16 = (1231)10

৩,৪০২.
নতুন এআই মডেল ‘ওথ্রি মিনি’ এর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. মেটা
  2. গুগোল
  3. মাইক্রোসফট
  4. ওপেনএআই
ব্যাখ্যা
‘ওথ্রি মিনি’:
- ওথ্রি মিনি হচ্ছে নতুন এআই মডেল।
- মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এই নতুন এআই মডেল তৈরি করেছে।
- প্রযুক্তি বিশ্বে আলোড়ন তোলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির কার্যক্ষমতা আরও উন্নত করতে এই নতুন মডেল তৈরি করা হয়েছে।
- এটি চ্যাটজিপিটিকে আরও জটিল প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার দক্ষতা বাড়াবে।
- ওথ্রি মিনি মডেলটি বিভিন্ন প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দিতে পারে এবং একই সঙ্গে উন্নত লেখা ও কোডে ত্রুটি শনাক্তকরণ করতে পারে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৪০৩.
A one-bit signal that indicates the start of data transmission by an asynchronous device is
  1. ক) Parity bit
  2. খ) Status bit
  3. গ) Zero bit
  4. ঘ) Start bit
ব্যাখ্যা
A one-bit signal that indicates the start of data transmission by an asynchronous device is Start bit.
৩,৪০৪.
অক্টাল সংখ্যা 164 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 108
  2. 116
  3. 124
  4. 104
ব্যাখ্যা
• (164)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 116.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১)৮, (৭৩১)৮ ইত্যাদি।

এখানে,
(164)8
= (1 × 8²) + (6 × 8¹) + (4 × 8⁰)
= 64 + 48 + 4
= 116

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪০৫.
এমবেডেড সিস্টেম জনপ্রিয়তার কারণ?
  1. ক) দামে সস্তা
  2. খ) আকার ছোট
  3. গ) বিদ্যুৎ খরচ কম
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এমবেডেড সিস্টেম জনপ্রিয় হবার কারণ- দামে সস্তা, আকারে ছোট, ওজন কম, বিদ্যুৎ খরচ কম ও কর্মদক্ষতা বেশি।
৩,৪০৬.
ডেস্কটপ থেকে প্রিন্টারে ডেটা আদানপ্রদানের নেটওয়ার্ক কোনটি?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
PAN (Personal Area Network-PAN):
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network।
- সাধারণত ১০ মিটার- এর মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো ব্যক্তির বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান- প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি নেটওয়ার্ককে PAN বলা হয়।
- প্যান হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক, যেটি পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: ওয়ারলেস ইউএসবি, ব্লুটুথ, ডেস্কটপ, ওয়েব ক্যামেরা, ল্যাপটপ, পিডিএ, সাউন্ড সিস্টেম, প্রিন্টার, স্ক্যানার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৪০৭.
Which of the following is not a common application program?
  1. MS Word
  2. MS Excel
  3. Linux
  4. Photoshop
ব্যাখ্যা

Linux is not a common application program.
- এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম। 

সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- যেসব সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম বাণিজ্যিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়, সেগুলোকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দৈনন্দিন বা ব্যবহারিক সমস্যার সমাধানের জন্য তৈরি এবং বাজারে সরবরাহিত সফটওয়্যারগুলোর সবকটিকেই সাধারণ ব্যবহারিক বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ:
   - MS Word ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসিং করা যায়।
   - MS Excel দিয়ে হিসাব-নিকাশ এবং ডাটা বিশ্লেষণ করা যায়।
   - MS Access দিয়ে ডেটাবেজ পরিচালনা করা যায়।
- মূলত, কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করতে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্য নেন।

উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম:
- MS Office,
- Internet Explorer,
- Netscape Navigator,
- Netscape Communicator,
- ইলেকট্রনিক মেইল (Email),
- PageMaker,
- Photoshop,
- Illustrator, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৪০৮.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?  
  1. MacOS
  2. iOS
  3. Ubuntu
  4. Microsoft Windows
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম: 
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয় যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এমবেডেড মোবাইল OS. 
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: iOS, Symbian, Windows Phone OS, Android, Blackberry OS ইত্যাদি। 

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়। 
- কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: Microsoft Windows, Linux, UNIX, MacOS, Ubuntu ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা এবং Techopedia website.
৩,৪০৯.
ওয়েবপেইজে স্ট্যাটিক কন্টেন্ট দেখাতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) HTML
  2. খ) SQL
  3. গ) PHP
  4. ঘ) C++
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার জন্য বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ফাইলকে Web Page বলে৷ ওয়েবপেইজ সাধারণত HTML দ্বারা তৈরি করা হয়৷ ইন্টারনেটে ব্যবহারযোগ্য সকল ওয়েবপেইজকে HTML ল্যাংগুয়েজ দ্বারা লেখা হয়।
৩,৪১০.
কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি প্রধান কাজের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. Input
  2. Output
  3. Structure
  4. Processing
ব্যাখ্যা
• IPOS Cycle:
- কম্পিউটার IPOS cycle অনুসারে কাজ করে।
- কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা চারটি মৌলিক কাজ করে।
- এই ফাংশনগুলি আইপিওএস চক্র বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ চক্র তৈরি করে। চারটি ফাংশন নিম্নরূপ:
• Input - কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশ করার প্রক্রিয়া।
• Processing - ডেটা ইনপুট নির্দেশের একটি ক্রম। এটি ডাটাকে তথ্যে রূপান্তর করে।
• Output - তথ্য প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
• Storage - পরবর্তী ব্যবহারের জন্য তথ্য সংরক্ষণের প্রক্রিয়া।


উৎস:
১. Fundamentals of Computer Book.
২. Computerhope website.
৩,৪১১.
Which shortcut key is used to select the entire row in MS Excel?
  1. ক) Shift + Space
  2. খ) Ctrl + Shift + Space
  3. গ) Ctrl + Home
  4. ঘ) Ctrl + Space
ব্যাখ্যা
- Select the letter at the top to select the entire column. Or click on any cell in the column and then press Ctrl + Space.
- Select the row number to select the entire row. Or click on any cell in the row and then press Shift + Space.
- To select non-adjacent rows or columns, hold Ctrl and select the row or column numbers.

Source: support.microsoft.com
৩,৪১২.
কোন প্রযুক্তির ফলশ্রুতিতে ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দেওয়া সম্ভবপর হয়?
  1. ক) Ethernet
  2. খ) Bluetooth
  3. গ) XML
  4. ঘ) VoIP
ব্যাখ্যা
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়। 
 
VoIP, in full Voice over Internet Protocol, also calledIP telephony, communications technology for carrying voice telephone traffic over a data network such as the Internet. 
VoIP uses the Internet Protocol (IP)—one half of the Transmission Control Protocol/Internet Protocol (TCP/IP), a global addressing system for sending and receiving packets of data over the Internet.
 
উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩,৪১৩.
কোনটি পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং সিস্টেমের উদাহরণ?
  1. ক) বাংলাদেশ বেতার
  2. খ) রেডিও আমার
  3. গ) সৃজনী
  4. ঘ) Young Power in Action (YPSA)
ব্যাখ্যা
রেডিও
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো রেডিও।
- মূলতঃ রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম দ্বারা শব্দকে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে তথ্য বা শব্দ একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়।
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেমে প্রধানত এএম ব্রডকাস্ট, এফএম ব্রডকাস্ট ও মাইক্রোওয়েভ ব্রডকাস্ট নামক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় হলো এফএম রেডিও। এফএম শব্দের অর্থ ফ্রিকোয়েন্সি মডুলেশন। ১৯৪৬ সালে মনো এফএম ব্যান্ডের আবিষ্কার হয়।
- রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণত তিন ধরনের ব্রডকাস্টিং করা হয়। যথা- 
১। পাবলিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: বাংলাদেশ বেতার
২। বাণিজ্যিক রেডিও ব্রডকাস্টিং: রেডিও টুডে, রেডিও আমার, রেডিও ফূর্তি ইত্যাদি।
৩। কমিউনিটি রেডিও ব্রডকাস্টিং: সীতাকুন্ডুর Young Power in Action (YPSA), ঝিনাইদহের সৃজনী, সাতক্ষীরার নলতা কমিউনিটি হাসপাতাল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩,৪১৪.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম কোন অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. Unix
  2. Linux
  3. Windows
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল। ডেনিস রিচি এবং কেন থমসন বেল ল্যাবস-এ Unix অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নের সময় C ভাষার বিকাশ করেন। তখনকার সময় Unix মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষায় তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সিস্টেমের কার্যকারিতা এবং পোর্টেবিলিটি বাড়ানোর জন্য C ভাষা উদ্ভাবন করা হয়। C-এর মাধ্যমে Unix অপারেটিং সিস্টেমকে হাই-লেভেল ভাষায় পুনঃলিখন করা সম্ভব হয়, যা সিস্টেমকে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সহজেই চালানোর সুযোগ দেয়। এই কারণে C ভাষা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

- উত্তর: ক) Unix.

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৪১৫.
Which of the following peripheral devices displays information to a user?
  1. ক) Keyboard
  2. খ) Monitor
  3. গ) Both A and B
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
• Peripheral devices are the external hardware components that are connected to a modern computer.
• There are many types of peripheral devices that are connected to a typical modern computer.
• And among those components, the monitor is one of the most important components which is mainly used to get the visual output from the computer.

Source: Fundamentals of Computer.
৩,৪১৬.
কোন ধরনের সফটওয়্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বলা হয়? 
  1. ম্যালওয়্যার
  2. লিগ্যাল সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ক্ষতিকারক সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে হলে সেটি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়, সাধারণভাবে কম্পিউটারে দুই ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামগুচ্ছ থাকে। 
যেমন- সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে যথাযথভাবে ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত রাখে, অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কোনো বিশেষ কাজ সম্পন্ন করে। 
- যখনই কোনো সফটওয়‍্যার কাজ করে, তখনই এর কিছু অংশ কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে অবস্থান নেয় এবং বাকি অংশগুলো অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায় অন্য কার্যাবলি সম্পন্ন করে।
- আবার কিছু প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর, এ ধরনের সফটওয়‍্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার বলা হয়। আর এ ম্যালিসিয়াস সফটওয়‍্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার। 
যেমন- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। 
- ইন্টারনেটের বিকাশের আগে ম্যালওয়‍্যারের সংখ্যা খুবই কম ছিল। যখন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ম্যালওয়‍্যারকে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তখন থেকেই ম্যালওয়্যারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- 
ক. কম্পিউটার ভাইরাস, 
খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম এবং 
গ. ট্রোজান হর্স । 

- কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের মধ্যে আচরণগত পার্থক্যের চেয়ে সংক্রমণের পার্থক্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার, যা কোনো কার্যকরী ফাইলের (executable file) সঙ্গে যুক্ত হয়।
- যখন ওই প্রোগ্রামটি (এক্সিকিউটিবল ফাইল) চালানো হয়, তখন ভাইরাসটি অন্যান্য কার্যকরী ফাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংক্রমিত হয়।

- কম্পিউটার ওয়ার্ম সেই প্রোগ্রাম, যা কোনো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়া (অজান্তে হলেও) ছড়িয়ে পড়তে পারে না।
যেমন- কোনো পেনড্রাইভে কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ফাইল থাকলেই তা ছড়িয়ে পড়তে পারে না। যদি কোনো কম্পিউটারে সেই পেনড্রাইভ যুক্ত করে ব্যবহার করা হয় তাহলেই কেবল পেনড্রাইভের ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ওয়ার্ম নিজে থেকেই নেটওয়ার্ক থেকে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটওয়ার্কের কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।

- ক্ষতিকর সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন কিনা সেটিকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। এজন্য অনেক ক্ষতিকারক সফটওয়‍্যার ভালো সফটওয়‍্যারের ছদ্মাবরণে নিজেকে আড়াল করে রাখে। ব্যবহারকারী সরল বিশ্বাসে সেটিকে ব্যবহার করে। এটি হলো ট্রোজান হর্স বা ট্রোজানের কার্যপদ্ধতি।
- যখনই ছদ্মবেশী সফটওয়্যারটি চালু হয় তখনই ট্রোজানটি কার্যকর হয়ে ব্যবহারকারীর ফাইল ধ্বংস করে বা নতুন নতুন ট্রোজান আমদানি করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৪১৭.
Personal computers are also known as -
  1. Microcomputers
  2. Mainframes
  3. Supercomputers
  4. Minicomputers
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Microcomputers। 

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রোকম্পিউটার হলো একটি ছোট ডিজিটাল কম্পিউটার, যার কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে একটি মাইক্রোপ্রসেসর থাকে।
- মাইক্রোকম্পিউটার শব্দটি প্রায়শই ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হতো, বিশেষ করে সেই কম্পিউটারগুলোর ক্ষেত্রে যার CPU একটি একক ইন্টিগ্রেটেড সেমিকন্ডাক্টর চিপে থাকে।
- আকার, কার্যক্ষমতা এবং খরচের দিক থেকে এটি সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসরের মাধ্যমে একীভূত সার্কিট ব্যবহার করা হয়।
- এটি স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) হিসেবে কাজ করে।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহারের পাশাপাশি বিনোদনের জন্য এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪১৮.
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
  1. ইন্টারকম
  2. ইন্টারনেট
  3. ই-মেইল
  4. ইন্টারস্পীড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার : 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪১৯.
Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে কী বলা হয়?
  1. ক) System Unit
  2. খ) Central Processing Unit
  3. গ) Memory Unit
  4. ঘ) Processing Unit
ব্যাখ্যা

সিস্টেম ইউনিট :
একটা Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে System Unit বলে।
এ Unit-এর ভিতরেই সি পি ইউ (Central Processing Unit), স্মৃতিকেন্দ্ৰ (Memory Unit), সমস্ত যন্ত্রাংশ, ফ্লপি, সিডি, ডিস্ক ড্রাইভ ও হার্ডডিস্ক অবস্থিত। |

এখানে রিসেট (Reset) বোতাম থাকে এবং সিস্টেম ইউনিটকে তালা চাবি লাগানোর ব্যবস্থাও থাকে ।
আমরা হার্ডডিস্ককে বাইরে থেকে দেখতে পারি না। মনিটরের নিচে অথবা পাশে দাঁড় করানো থাকে। এ বাক্সটির ভিতরেই কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশ সংযোজিত থাকে। এ সিষ্টেম ইউনিট এর ভিতরেই কম্পিউটারের মাদার বোর্ডসহ অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৪২০.

প্রদত্ত চিত্রে, A = 1, B = 0 এবং C = 1 হলে X এর মান কত?
  1. 1
  2. 0
  3. 1, 0 দুইটিই হতে পারে
  4. AC
৩,৪২১.
মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. Unix
  2. MS-DOS
  3. CP/M
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: 
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ: 
সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। 
যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি। 

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। 
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ। 

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম: 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
যেমন- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম: 
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২২.
মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রামের নাম কী? 
  1. Windows 95
  2. Office 97
  3. Windows XP
  4. MS DOS
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট:
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে। 
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure. 
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing. 
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen. 
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ । 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। 

উৎস: Microsoft Website.

৩,৪২৩.
চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন কবে?
  1. ক) ১৮২২
  2. খ) ১৮২৩
  3. গ) ১৮৩২
  4. ঘ) ১৮৩৩
ব্যাখ্যা
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গণিতবিদ অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। ১৮৩৩ সালে এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং নকশা করেন। এজন্য তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪২৪.
কোনটি ই-কমার্সের একটি সাধারণ ধরন হিসেবে পরিচিত?
  1. P2P, D2D, E2E
  2. H2H, S2S, B2C
  3. B2B, B2C, C2C, C2B
  4. C2C, B2B, T2T, P2P
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) B2B, B2C, C2C, C2B.
 
 • ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্সে বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ও স্বীকৃত ধরনগুলো হলো B2B, B2C, C2C, C2B। এখানে B2B (Business to Business) বোঝায় ব্যবসার মধ্যে পণ্য বা সেবা লেনদেন। B2C (Business to Consumer) মানে ব্যবসা সরাসরি ভোক্তাকে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করে। C2C (Consumer to Consumer) হলো ভোক্তাদের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিক্রি বা বিনিময়, যেমন অনলাইন মার্কেটপ্লেস। C2B (Consumer to Business) ক্ষেত্রে ভোক্তারা ব্যবসার জন্য পণ্য, সেবা বা মতামত সরবরাহ করে। তাই সাধারণভাবে ই-কমার্সের প্রায় সব পরিচিত ধরনগুলো এই চারটি মডেলে বিভক্ত।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
৩,৪২৫.
ওয়েবপেজের প্রথম পৃষ্ঠা কে কি বলে?
  1. ক) হাইপারলিংক পেজ
  2. খ) হোমপেজ
  3. গ) লিংক পেজ
  4. ঘ) ফাস্ট পেজ
ব্যাখ্যা
আভিধানিকভাবে বললে - 'the introductory page of a website, typically serving as a table of contents for the site." সাধারণত আমরা যখন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি তখন প্রথম যে পেজটা আসে তাকেই হোমপেজ বলা হয়ে থাকে।
কোন প্রতিষ্ঠান, কোম্পানির বা ব্যক্তির ওয়েব সাইটের মূল পেইজকে Homepage বলে। এটি সাধারণত Start page এ সেট করা থাকে। ওয়েব সার্ভারে যে Web page টি Start page হিসাবে সেট করা হয় ঐ web page টি ব্যবহারকারীর Homepage. অর্থাৎ ব্রাউজারে ওয়েব অ্যাড্রেস টাইপ করার সাথে সাথে যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় তাই হলাে Homepage.
৩,৪২৬.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) MS Office
  2. খ) Mozilla Firefox
  3. গ) Google Drive
  4. ঘ) Windows 11
ব্যাখ্যা
Mozilla Firefox হচ্ছে একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা দিয়ে আমরা ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধান করতে পারি। 

- Google Drive এ আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় ডাটা অনলাইনে সংরক্ষণ করতে পারি। 
- Windows 11 হচ্ছে মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম। 
- MS Office হচ্ছে মাইক্রোসফট এর তৈরি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি সমন্ধে তথ্য প্রদর্শন করাতে পারে এমন বিশেষ সফটওয়্যার।
- ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 

- কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার- 
গুগল ক্রোম (Google Chrome)
মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
ওপেরা (Opera)
সাফারি (Safari)

সূত্র: Google Website [লিঙ্ক]
৩,৪২৭.
সাধারণত '.JPG' এক্সটেনশনযুক্ত একটি ফাইল কোন ধরনের কনটেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Executable program
  2. Document
  3. Spreadsheet
  4. Image
ব্যাখ্যা
• '.JPG' ফাইল এক্সটেনশন:
- '.JPG' ফাইল এক্সটেনশনটি মূলত ছবি বা ইমেজ ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- JPG (বা JPEG) হলো একটি জনপ্রিয় ইমেজ ফরম্যাট যা উচ্চ গুণগত মানের ছবি কম আকারে সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে।
- এটি ফটোগ্রাফ, ডিজিটাল ছবি বা গ্রাফিক্স ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত, আপনি যখন ছবি অথবা ছবি সম্পর্কিত কোনো কনটেন্ট দেখতে পান, তখন তার এক্সটেনশন '.JPG' হতে পারে।

অপশন আলোচনা:
• Executable program:
- এক্সিকিউটেবল প্রোগ্রাম ফাইলের জন্য সাধারণত '.EXE', '.APP', '.BAT' ইত্যাদি এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের ফাইলগুলি একটি প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কম্পিউটার বা ডিভাইসে সরাসরি কার্যকর হয়।

• Spreadsheet:
- স্প্রেডশিট ফাইলের জন্য সাধারণত '.XLS', '.XLSX' বা '.ODS' এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের ফাইলগুলোর মধ্যে টেবিল, সেল, সূত্র, গ্রাফ ইত্যাদি থাকে, যা ডেটা বিশ্লেষণ বা হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত হয়।

• Document:
- ডকুমেন্ট ফাইলের জন্য সাধারণত '.DOC', '.DOCX', '.PDF' ইত্যাদি এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়।
- এসব ফাইল মূলত লেখা, তথ্য, এবং অন্যান্য টেক্সট কনটেন্ট ধারণ করে থাকে।

সূত্র- Computer Hope Website.
৩,৪২৮.
র‌্যামে নিম্নোক্ত কোন প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে?
  1. Operating system
  2. Application
  3. Graphical User Interface (GUI)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
- র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- র‌্যামে সংরক্ষিত প্রোগ্রামসমূহের উদাহরণ:
  - The operating system
  - Applications
  - The graphical user interface (GUI)
 
উৎস: bbc.co.uk
৩,৪২৯.
What is the method of data transmission between the keyboard and the CPU?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৩,৪৩০.
এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান সুবিধা কী?
  1. নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো
  2. একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে
  3. অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা
  4. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান সুবিধা হলো এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে ডিজাইন করা হয়। অর্থাৎ, এটি সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতো বহুমুখী কাজ করতে না পারলেও নির্দিষ্ট কাজ যেমন যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ, সেন্সর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা সিস্টেম মনিটরিংতে অত্যন্ত দক্ষ। এর হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একসাথে এমনভাবে সাজানো থাকে যে কম বিদ্যুৎ খরচে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটি সাধারণত একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে না বা অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা নেই, এবং উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্সও প্রধান লক্ষ্য নয়। তাই এম্বেডেড সিস্টেমের মূল শক্তি হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য কার্যকারিতা এবং দক্ষতা।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,৪৩১.
যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে কী বলে?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2B
  4. C2C
ব্যাখ্যা
♦  ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ : ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

৫। এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- অর্থাৎ আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩২.
টেম্পোরারি ফাইল এবং কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. এসএমডি
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. রম
  4. র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ ক্যাশ মেমোরিতে জমা হয়।

• কুকিজ (Cookies):

- Internet Information File Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা।
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।
- ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
- সফ্টওয়্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩৩.
নিম্নলিখিত কার্যকলাপগুলির মধ্যে কোনটি সাধারণত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো
  2. ওপেন-সোর্স নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরি করা
  3. বৈধভাবে পেনেট্রেশন টেস্টিং করা
  4. ব্যবসাকে নিয়মকানুন মেনে চলতে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো। 
- ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সাধারণত অনৈতিক এবং অবৈধ উপায়ে কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা করে। তারা আইনি অনুমতি ছাড়াই হ্যাকিং কার্যকলাপ চালায়, যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, আর্থিক ক্ষতি বা সিস্টেমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের হ্যাকারদের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত কার্যকলাপ হলো ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো, যা ব্যবহারকারীর তথ্য বা ফাইলকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে এনে বিনা অনুমতিতে অর্থ বা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। অন্যদিকে ওপেন-সোর্স নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরি করা, বৈধ পেনেট্রেশন টেস্টিং করা বা ব্যবসাকে নিয়মকানুন মেনে চলতে সাহায্য করা সাধারণত সাদা হ্যাট বা নৈতিক হ্যাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সুতরাং, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্যে অবৈধ আক্রমণ চালানো।


হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,৪৩৪.
স্যাটেলাইট সমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কততম?
  1. ৩৭ তম
  2. ৪৭ তম
  3. ৫৭ তম
  4. ৬৭ তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪৩৫.
তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ হচ্ছে
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. সেল
  4. ডাটা
ব্যাখ্যা
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum-এর বহুবচন। তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে পরিণত করার জন্য ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি টাই ডাটা।
৩,৪৩৬.
বিশ্বের সকল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির রেঞ্জ কত?
  1. 87.5 - 108.0 মেগাহার্জ
  2. 87.9 - 107.9 মেগাহার্জ
  3. 76.0 - 90.0 মেগাহার্জ
  4. 87.10 - 108.0 মেগাহার্জ
ব্যাখ্যা
সারাবিশ্বের সকল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির রেঞ্জ 87.5 - 108.0 মেগাহার্জ।
তবে যুক্তরাষ্ট্র (87.9 - 107.9) এবং জাপানের (76.0 - 90.0) রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি ব্যতিক্রম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি৷
৩,৪৩৭.
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট হচ্ছে -
  1. Flipkart
  2. Rokomari
  3. Alibaba
  4. Amazon
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩,৪৩৮.
কোনটি আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয়?
  1. ক) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মেক্সফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সুপার কম্পিউটার (Super Computer),
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩. মিনি কম্পিউটার (Minicomputer) এবং 
৪. মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer)। 

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer): 
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। 

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩৯.
নর গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রুপ?
  1. অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  2. অর গেইট ও নট গেইট
  3. অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  4. দুটি নট গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

এক্স অর গেইট
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

এক্স নর গেইট
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৪৪০.
IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. মার্ক-১
  2. আইবিএম-৩৬০
  3. ইন্টেল-৪০০৪
  4. পিডিপি
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- একীভূত বর্তনী বা IC এর ব্যবহার শুরু হয়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো IBM 360.
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪১.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ কী?
  1. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  2. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  4. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা। এটি একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা কম্পিউটারের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ইনপুট নেয়, যেমন প্রোগ্রামের কোড বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, এবং এগুলিকে প্রসেস করে আউটপুট তৈরি করে। 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৩,৪৪২.
অনুবাদক প্রোগ্রাম কয় ধরনের?
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. দুই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।

২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৪৪৩.
'100' এর ১ এর পরিপূরক (1’s complement) কত?
  1. ক) 001
  2. খ) 011
  3. গ) 101
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা
100 এর ১ এর পরিপূরক হচ্ছে  011

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৪৪৪.
বর্তমানে সাধারণত কয় ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দুই ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়। যথা- মোবাইল নেটওয়ার্ক ও হটস্পট। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৪৪৫.
Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভে সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম কী 
  1. EXT4
  2. FAT32
  3. FAT16
  4. NTFS
ব্যাখ্যা

• Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম হলো NTFS। NTFS বা New Technology File System মাইক্রোসফট দ্বারা তৈরি একটি উন্নত ফাইল সিস্টেম যা উচ্চ নিরাপত্তা, ফাইল অনুমতি নিয়ন্ত্রণ, বড় ফাইল এবং ড্রাইভ সাইজ সমর্থন, এবং ফাইল সিস্টেম জার্নালিং সুবিধা প্রদান করে। এটি Windows XP, Windows 7, 8, 10 এবং সর্বশেষ Windows 11-এ ডিফল্টভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে FAT16 এবং FAT32 পুরোনো ফাইল সিস্টেম যা ছোট ড্রাইভ এবং কম ক্ষমতার স্টোরেজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু আধুনিক নিরাপত্তা এবং পারফরম্যান্সের জন্য যথেষ্ট নয়। EXT4 মূলত Linux-এ ব্যবহৃত হয়, Windows-এ নয়। তাই আধুনিক Windows-এর জন্য NTFS প্রধান।
 
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৪৪৬.
35 দশমিক সংখ্যার বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 100110
  2. খ) 100101
  3. গ) 100011
  4. ঘ) 100101
ব্যাখ্যা

ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(32×1) + (16×0) + (8×0) + (4×0) + (2×1) + (1×1)
= 32+0+0+0+2+1
= 35

৩,৪৪৭.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক কে?
  1. জ্যারন ল্যানিয়ার
  2. জন ম্যাকর্থি
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. বেন হ্যাসপার
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolKit, 3D Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথাইয় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে, হাতে একটি ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার। [Jaron Lanier; পূর্ণ নাম Jaron Zepel Lanier]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৮.
প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে মেশিন কোডে রূপান্তর করে কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ডিবাগিং
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে মেশিন কোডে রূপান্তর করে ইন্টারপ্রেটার।

• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।

অন্যান্য অপশন:
• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে এর ভাষার নিয়মকানুন (যাকে ইংরেজিতে বলে সিনট্যাক্স Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি
কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে।
প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা: ডেটা ভুল, যুক্তিগত ভুল এবং সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৯.
USB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Serial Bus
  2. Universal Strategic Bus
  3. Universal Serial Bus
  4. Uninterrupted Strategic Bus
ব্যাখ্যা
• ইউএসবি পোর্ট (USB Port):
- USB Port এর পূর্ণরূপ Universal Serial Bus.
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে।
- এ ধরনের পোর্টে বিভিন্ন ধরনের USB পোর্টের ডিভাইস যেমন, মাউস, কী-বোর্ড, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৪৫০.
ওয়েব ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত ভাষা নয় কোনটি?
  1. HTML
  2. CSS
  3. JavaScript
  4. Python
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ডিজাইনের মূল ভাষাগুলো হলো HTML, CSS, এবং JavaScript। এগুলো ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• HTML (HyperText Markup Language)
- ওয়েব পৃষ্ঠার মূল কাঠামো গঠন করে
- সমস্ত ওয়েবসাইটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে

• CSS (Cascading Style Sheets)
- ওয়েব পৃষ্ঠার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে
- রেস্পন্সিভ ডিজাইনের জন্য অপরিহার্য

• JavaScript
- ক্লায়েন্ট-সাইড ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি প্রদান করে
- আধুনিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মূল চালিকাশক্তি

অন্যদিকে,
পাইথন একটা General Purpose High Level প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এটি ওয়েব জিজাইনিং এর মূল ভাষা নয়।

• এটির ব্যবহার:
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টে,
- ডেটা সায়েন্সে,
- মেশিন লার্নিং,
- অটোমেশন ইত্যাদিতে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান।
- "Web Design with HTML, CSS, JavaScript and jQuery" by Jon Duckett. 
৩,৪৫১.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কোনটির মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে?
  1. Parallel ইন্টারফেস
  2. WAN ইন্টারফেস
  3. SCSI ইন্টারফেস
  4. USB ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI হল প্রোটোকলের একটি গ্রুপ যা কম্পিউটার এবং বাহ্যিক ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি শারীরিক পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়।
-  SCSI মূলত একটি প্রোটোকল এবং একটি সমান্তরাল পিজিক্যাল ইন্টারফেস হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
- SCSI প্রোটোকল একটি সিরিয়াল সংযুক্ত SCSI বাসে (SAS এবং SPL ব্যবহার করে), ফাইবার চ্যানেল পরিবেশে (FCP ব্যবহার করে), এবং IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কে (LAN/WAN, iSCSI ব্যবহার করে) পরিবহন করা হয়।
- ACSI (Atari Computer Systems Interface) পেরিফেরাল বাসটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড SCSI (Small Computer Systems Interface) বাসের মতোই।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৪৫২.
সফটওয়্যার পাইরেসি হচ্ছে -
  1. ক) এক ধরনের হ্যাকিং
  2. খ) ফিশিং
  3. গ) প্লেজিয়ারিজম
  4. ঘ) সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সফটওয়্যার, কম্পিউটারে করা সৃজনশীল কর্ম যেমন—সিনেমা, নাটক, এনিমেশন ইত্যাদির বেলায় কপিরাইট সংরক্ষণ করার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়। যখনই এরূপ কপিরাইট আইনের আওতায় কোনো কপিরাইটহোল্ডারের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, তখনই কপিরাইট বিঘ্নিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। এই ধরনের ঘটনাকে সাধারণভাবে পাইরেসি বা সফটওয়্যার পাইরেসি নামে অভিহিত করা হয়।
বড় বড় সফটওয়্যার কম্পানি তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি করার জন্য বিজনেস সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স (BSA) নামের একটি সংস্থা তৈরি করেছে। বাংলাদেশেও সফটওয়্যার পাইরেসি নিষিদ্ধ।
সফটওয়্যার পাইরেসি এক ধরনের সাইবার অপরাধ।

[সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণী]
৩,৪৫৩.
ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয় কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে?
  1. অটোমেশন প্রযুক্তি
  2. ক্রায়োসার্জারি
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৪৫৪.
Which of the following is wrong about 'Text editing keyboard shortcuts'?
  1. Ctrl + Shift + V: Paste as plain text.
  2. Ctrl + U: Apply the underline format to the selected text.
  3. Ctrl + Z: Undo the last typing.
  4. Shift + Ctrl + End: Move the cursor forward to the end of the line.
ব্যাখ্যা
The statement about Shift + Ctrl + End is incorrect, as it should move to the end of the document, not just the line.

• Shift + Ctrl + End: Select text between the current cursor position and the end of the document.
• End: Move the cursor forward to the end of the line.

উৎস: Microsoft support.
৩,৪৫৫.
What is the main function of a compiler in programming?
  1. To find errors in code line by line
  2. To convert source code into machine code
  3. To connect computers in a network
  4. To debug and test the program
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।  

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:

১. কম্পাইলার (Compiler):  
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার  COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৫৬.
বাইনারি সংখ্যা .1101 এর সমতুল্য ডেসিমেল মান কোনটি?
  1. .8125
  2. .7578
  3. .2385
  4. .2560
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
- যেমন- প্রথম অংকটিকে ২-১ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২-২ দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২-৩ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
৩,৪৫৭.
নিচের কোন ইলেক্ট্রনিক ফরমেট কাগজভিত্তিক নথি বা চালানকে প্রতিস্থাপন করে?
  1. EFT
  2. EDI
  3. SWIFT
  4. CHIPS
ব্যাখ্যা
EDI, which stands for electronic data interchange, is the intercompany communication of business documents in a standard format. The simple definition of EDI is a standard electronic format that replaces paper-based documents such as purchase orders or invoices.

Source: IBM Website
৩,৪৫৮.
NVMe এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Non-Volatile Memory Express
  2. New Virtual Memory Exchange
  3. Network Virtual Machine Environment
  4. Non-Volatile Module Extension
ব্যাখ্যা
• NVMe এর পূর্ণরূপ হলো Non-Volatile Memory Express. এটি একটি উচ্চ-গতির স্টোরেজ প্রোটোকল যা SSD (Solid State Drive)-এর সাথে ব্যবহৃত হয়। NVMe বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে ফ্ল্যাশ স্টোরেজের জন্য, যা প্রচলিত SATA বা AHCI প্রটোকলের তুলনায় অনেক দ্রুত। এটি কম লেটেন্সি, অধিক ব্যান্ডউইথ এবং অধিকতর দক্ষতা প্রদান করে। NVMe সরাসরি প্রসেসরের সাথে PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) ইন্টারফেস ব্যবহার করে সংযুক্ত থাকে, ফলে ডেটা ট্রান্সফার স্পিড অনেক বেশি হয়। আধুনিক কম্পিউটিং, গেমিং এবং সার্ভার ব্যবস্থায় NVMe প্রযুক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) Non-Volatile Memory Express.

• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ibm [লিংক]
৩,৪৫৯.
ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. টেলনেট
  2. ই-কমার্স
  3. সার্চ ইঞ্জিন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সার্ভিসসমূহ:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার একটি বড় নিয়ামক হলো ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট আসলে বিশ্বের কম্পিউটারসমূহের মধ্যস্থিত একটি নেটওয়ার্ক মাত্র।
- ইন্টারনেটের বদৌলতে আজকে সমগ্র বিশ্বের সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই বলয়ে আবদ্ধ হতে পারছেন।
- ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্ভিস বা সেবার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানের তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারছি।

• ইন্টারনেটের প্রধান প্রধান সার্ভিস হলো-
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web),
- টেলনেট (Telnet),
- সার্চ ইঞ্জিন (Search Engines),
- ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (File Transfer Protocol -FTP),
- ইলেকট্রনিকস মেইল (Electronic Mail:E-mail),
- ই-কমার্স (E-Commerce),
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬০.
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
  1. ক) ইন্টারকম
  2. খ) ইন্টারনেট
  3. গ) ই-মেইল
  4. ঘ) ইন্টারস্পিড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার- 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬১.
কভারেজ এরিয়ার বাইরে গিয়েও মোবাইলে অনবরত ডেটা সার্ভিস পাওয়াকে কী বলা হয়?
  1. রাউটার
  2. রিপিটার
  3. ব্রিজ
  4. রোমিং
ব্যাখ্যা
- কভারেজ এরিয়ার বাইরে গিয়েও মোবাইলে অনবরত ডেটা সার্ভিস পাওয়াকে রোমিং বলা হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা সীমিতমাত্রায় চালু হয়  2G মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের GSM ও CDMA - মোবাইল প্রযুক্তিতে রোমিং সুবিধা বিদ্যমান ছিলো।
- 3G মোবাইল প্রযুক্তি থেকে ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয়। 
- 3G হচ্ছে মোবাইল যোগাযোগের একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
- এতে থাকছে উচ্চ গতির ইন্টারনেট এক্সেস, ভিডিও কলিং এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
৩,৪৬২.
কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. .com
  2. .gov
  3. .org
  4. .edu
ব্যাখ্যা
- ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.c এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS - Domain Naming System)।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে ডট(.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- Mnhs. com, এখানে mnhs কে ডোমেইন নেইম এবং .com কে ডোমেইন টাইপ বলা হয়।
- সাধারণত ডোমেইন টাইপ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের টাইপ জানা যায়। যেমন-
♦ .com – কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়
♦ .gov – সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়
♦ .org – অর্গানাইজেশনকে বুঝানো হয়
♦ .edu – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬৩.
'IDTP' এর পূর্ণরুপ কী?
  1. ক) International Digital Transaction Platform
  2. খ) Interbank Digital Transaction Platform
  3. গ) Interlinked Digital Transaction Platform
  4. ঘ) Interoperable Digital Transaction Platform
ব্যাখ্যা
বিনিময়
- ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম ‘বিনিময়’।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিনিময়।
- এ সেবার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে অথবা উপায় থেকে এমক্যাশে বা বিকাশে কিংবা ব্যাংকে তাৎক্ষণিক লেনদেন করা যাবে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে।
- ভারতের ইউপিআই (Unified Payments Interface - UPI) এর আদলে তৈরি হয়েছে দেশের Interoperable Digital Transaction Platform (IDTP), যা বিনিময় নামে পরিচিত হবে।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২২ এ।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র
৩,৪৬৪.
LASER এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Light Amplified by Steam Emission of Radiation.
  2. খ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation.
  3. গ) Light Amplify by Steam Emission of Radiation.
  4. ঘ) Light Amplified by Streaming Eradication of Radiation.
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে  Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation

- লেজার এমন একটি ডিভাইস যা একটি অপটিক্যাল পরিবর্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুসঙ্গত আলোর কিরণ নির্গত করে।
- গ্যাস লেজার, ফাইবার লেজার, সলিড-স্টেট লেজার, ডাই লেজার, ডায়োড লেজার এবং এক্সাইমার লেজার সহ অনেক ধরণের লেজার রয়েছে।
- থিওডোর মাইম্যান ১৯৬০ সালে হিউজ রিসার্চ ল্যাবে প্রথম কার্যকরী লেজার আবিষ্কার করেন।

লেজার রশ্মির ব্যবহার- 
1. নিখুঁত জরিপ কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 
2. লেজার রশ্মির সাহায্যে পৃথিবী এবং চাদের দূরত্ব সঠিকভাবে নির্ণয় সম্ভব হয়েছে।
3. অতি সূক্ষ্ম ঝালাইয়ের কাজে এবং কঠিন বস্তুতে সুক্ষ্ম ছিদ্র করার কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
4. টেলিভিশনে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
5. বর্ণালী মাপন যন্ত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
6. শল্য চিকিত্সকরা চক্ষু ও চিকিৎসার কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করেন ।
7. জীবকোষ ও ক্রোমােজমের ওপর কোন সূক্ষ্ম গবেষণামূলক কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
8. রকেট এবং কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ন্ত্রণে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৪৬৫.
নিচের কোনটি একটি ওপেন সোর্স (Open Source) ভিত্তিক সফটওয়্যার ফায়্যারওয়াল?
  1. Sophos XG
  2. pfSense
  3. FortiGate
  4. Juniper SRX
ব্যাখ্যা

• pfSense হলো FreeBSD অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। এটি রাউটার এবং ফায়ারওয়াল হিসেবে যেকোনো ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করে ব্যবহার করা যায়। 
- অন্যদিকে Sophos XG, FortiGate এবং Juniper SRX মূলত বাণিজ্যিক (Commercial) এবং হার্ডওয়্যার ভিত্তিক ফায়ারওয়াল সলিউশন যা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৬৬.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক)
  2. খ)
  3. গ)
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা
ডি মরগানের সূত্রানুসারে,




খ) তে প্রদত্ত অপশনটি সঠিক নয়।
∴ উত্তরঃ খ।
৩,৪৬৭.
নিম্নের কোনটি মাইক্রো কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. IBM System/360
  2. Cray-1
  3. Apple Macintosh
  4. IBM z15
ব্যাখ্যা

◉ Apple Macintosh → এটি একটি Microcomputer (১৯৮৪ সালে প্রকাশিত প্রথম গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ পার্সোনাল কম্পিউটার), ব্যক্তিগত ও অফিস ব্যবহারের জন্য তৈরি।

মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র।
- মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি।

মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১. ডেক্সটপ কম্পিউটার,
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
৩. পামটপ কম্পিউটার এবং
৪. নোটবুক কম্পিউটার।

অন্যান্য অপশনসমূহ,  
IBM System/360 → এটি একটি Mainframe computer (১৯৬৪ সালে প্রকাশিত), বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত।
Cray-1 → এটি একটি Supercomputer (১৯৭৬ সালে প্রকাশিত), জটিল বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য তৈরি।
IBM z15 → এটি আধুনিক Mainframe computer (২০১৯ সালে প্রকাশিত)।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,৪৬৮.
কম্পিউটারের মেমরি পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. বাইট
  2. বিট
  3. কিলোবাইট
  4. মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
• মেমরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি (Capacity):
- কম্পিউটারের মেমরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট
- B বিটবিশিষ্ট W টি শব্দ ধারণে সক্ষম কোনো মেমরির ধারণক্ষমতা W × B বিট। যেমন- ৪ বিটের 1024টি শব্দ ধারণে সক্ষম মেমরির ধারণক্ষমতা হলো (1024 × 8)টি বিট = 8192 বিট।
- মেমরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।
- মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ-

- মেমরি ধারণক্ষমতা প্রকাশের সময় 1024 = 210 কে ‘1k' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- একটি মেমরি যদি ৪ বিটের 4096টি 8 ওয়ার্ড ধারণে সক্ষম হয় তাহলে 4096 X 8 ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মেমরিকে 4k x 8 হিসেবেও প্রকাশ করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬৯.
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সংমিশ্রণ যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নিবেদিত তাকে কী বলে?
  1. Operating System
  2. Embedded Computer
  3. M/S
  4. Mainframe Computer
ব্যাখ্যা
- হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সংমিশ্রণ যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নিবেদিত তাকে Embedded Computer বলে।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।
 
উৎস:
১. Computer Hope website.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭০.
একটি বারকোডে সর্বমোট কয়টি ব্লক থাকে?
  1. ৩ টি
  2. ১৭ টি
  3. ৪৫ টি
  4. ৯৫টি
ব্যাখ্যা
• বারকোড: 
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- একটি বারকোডে সর্বমোট ৯৫টি ব্লক থাকে।
- ৯৫টি ব্লককে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। লেফট গার্ড, সেন্টার গার্ড এবং রাইট গার্ড। এদের মধ্যে ১২টি ব্লকে বারকোড লিখা হয়।
- তথ্যগুলো বারকোডের প্রতিটি সাদাকালো বার এবং এদের মধ্যকার ফাঁকা জায়গার মধ্যে এনকোড করে রাখা হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা পোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে। 
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭১.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কী ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি?
  1. এনালগ ভিত্তিক
  2. হাইপারটেক্সট ভিত্তিক
  3. স্যাটেলাইট ভিত্তিক
  4. ডেটাবেইজ ভিত্তিক
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যেখানে লিংকের মাধ্যমে এক ওয়েবপেজ থেকে আরেক ওয়েবপেজে সংযুক্ত হওয়া যায়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭২.
নিচের কোনটি আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারের ভাগ নয়?
  1. ক) অতিবৃহৎ কম্পিউটার
  2. খ) ছোট কম্পিউটার
  3. গ) ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। সেগুলো হলো-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)

৩,৪৭৩.
মিডিয়া অ্যাকসেস কন্ট্রোলের জন্য ওয়াই-ফাই কোন প্রটোকল ব্যবহার করে?
  1. TCP/IP
  2. TDMA
  3. SMTP
  4. CSMA/CA
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাইয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়‍্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 50 মিটার থেকে 200 মিটারের মতো হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন নোড যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- হাফ ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2.4 GHz-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে বর্তমানে তা 5.85 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 10 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- মিডিয়া অ্যাকসেস কন্ট্রোলের জন্য CSMA/CA (Carrier Sense Multiple Access with Cllision Avoidance) প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৪.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার রিসোর্সের মধ্যে সম্পর্কস্থাপন করে এদের ব্যবস্থাপনা করে-
  1. ক) কম্পাইলার
  2. খ) সিস্টেম ম্যানেজার
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার ও সফটওয়্যার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামের জন্যে সাধারণ সেবা সরবরাহ করে। এটি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার ও এপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে কাজের যোগসূত্র রচনা করে। বহুল প্রচলিত কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম হলো উইন্ডোজ, উবুন্টু, আইওএস, ক্রোম ওএস, ম্যাক ওএস ও অ্যানড্রয়েড।
৩,৪৭৫.
কোনটি SQL (Structured Query Language) এর একটি বৈধ কমান্ড নয়?
  1. SELECT
  2. INSERT
  3. MODIFY
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

◉ SQL (Structured Query Language) হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা ম্যানিপুলেশন, কুয়েরি, এবং ডাটাবেজ কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। MODIFY SQL এর কোনো বৈধ কমান্ড নয়। ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহৃত হয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।

নিচে SQL এর কিছু সাধারণ কমান্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো:
SELECT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা রিট্রিভ (পুনরুদ্ধার) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: SELECT * FROM users;
INSERT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে নতুন ডেটা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: INSERT INTO users (name, age) VALUES ('John', 25);
DELETE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: DELETE FROM users WHERE id = 1;
UPDATE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: UPDATE users SET age = 30 WHERE id = 1;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৪৭৬.
হাইব্রিড ক্লাউড কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়?
  1. পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউডের সমন্বয়
  2. শুধু পাবলিক ক্লাউড
  3. শুধু কমিউনিটি ক্লাউড
  4. শুধু প্রাইভেট ক্লাউড
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড ক্লাউড:
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।

• প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে। 
- উচ্চ নিরাপত্তা থাকে। 
- সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী। 

• পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। 
- স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে। 
- উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud। 

• হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
- নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
- খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।

৩,৪৭৭.
কাকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়?
  1. ক) Martin Cooper
  2. খ) Xing li
  3. গ) Daniel bruce
  4. ঘ) Alfred Hockham
ব্যাখ্যা
মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমান বা 'স্থানান্তরযোগ্য'। মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে প্রথম মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে একটি প্রায় ১ কেজি ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স।
Source: CNN
৩,৪৭৮.
'Code Red' কী?
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৯.
কোন তথ্যটি রিলেশনাল ডাটাবেজের Primary key সম্পর্কে সঠিক?
  1. এটি ডুপ্লিকেট ভ্যালু গ্রহণ করতে পারে
  2. এটি ডাটাবেজের প্রতিটি টেবিলে একই হতে হবে
  3. এটি একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে
  4. এটি NULL ভ্যালু রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

◉ রিলেশনাল ডাটাবেজে Primary Key একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।

কী (Key): 
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key)

প্রাইমারি কী:
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে। কোন ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

প্রাইমারি কী'র কিছু বৈশিষ্ট্য: 
- Primary Key-তে ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে না। প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য এটি Unique হতে হয়।
- প্রতিটি টেবিলে আলাদা আলাদা Primary Key থাকতে পারে এবং প্রতিটি টেবিলে এটি ভিন্ন হতে পারে।
- Primary Key কখনো NULL হতে পারে না, কারণ এটি প্রতিটি রেকর্ডকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

এছাড়াও, 
কম্পোজিট প্রাইমারি কী: 
যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

ফরেন কী: 
অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Database System Concepts - Silberschatz, Korth, Sudarshan.

৩,৪৮০.
কোন সম্পর্কের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়?
  1. One-to-many
  2. Self-referencing
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে One-to-many (এক-থেকে-বহু) সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই ধরনের সম্পর্কে একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডকে নির্দেশ করতে পারে, কিন্তু চাইল্ড টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলের ডাটাবেজে শিক্ষক টেবিলের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্র টেবিলের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এটি ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটার সংহতি বজায় রাখে। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, One-to-one এক-এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many অনেক-থেকে-অনেক এবং Self-referencing টেবিল নিজেই নিজের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) One-to-many.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৮১.
কোনটি সবচেয়ে বড় ডাটার একক?
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) কিলোবাইট
  3. গ) গিগাবাইট
  4. ঘ) টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
টেরাবাইট হচ্ছে সবচেয়ে বড় ডাটার একক। 

- টেরাবাইট হলো ডিজিটাল তথ্য স্টোরেজের একটি প্রতীক।
- টেরাবাইটকে TB দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি বাইটের ১,০৯৯,৫১১,৬২৭,৭৭৬ গুণ।
- কম্পিউটারে ডাটা স্টোরেজের পরিমাপের একক হিসেবে বাইট ব্যবহার করা হয়। 
- একটি সিঙ্গেল ‘ক্যারেক্টার অব টেক্সট’কে স্টোর করতে যে পরিমাণ জায়গা লাগে, তাকে বাইট বলে।
- বাইট আবার বিটের আট গুণ।
- প্রতিটি বাইনারি অঙ্ককে বিট বলা হয়।
- টেরাবাইট গিগাবাইটের তুলনায় ১০২৪ গুণ বড়।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৪৮২.
কর্মচারী তথ্যের টেবিলে, কোনটি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত? 
  1. নাম 
  2. আইডি 
  3. বিভাগ 
  4. ঠিকানা
ব্যাখ্যা

• কর্মচারী তথ্যের টেবিলে প্রাইমারি কী হিসেবে এমন একটি ফিল্ড বেছে নেওয়া উচিত যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে পারে এবং কখনোই পুনরাবৃত্তি হবে না। এখানে নাম, বিভাগ বা ঠিকানা অনন্য নাও হতে পারে, কারণ একাধিক কর্মচারীর একই নাম, একই বিভাগ বা একই ঠিকানা থাকতে পারে। তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। অন্যদিকে, আইডি সাধারণত প্রতিটি কর্মচারীর জন্য আলাদা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয়। এটি সব রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করতে সক্ষম।
- তাই আইডি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত, কারণ এটি ডেটা ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে এবং রিলেশনাল ডাটাবেসে দ্রুত অনুসন্ধান ও রেফারেন্স করার সুবিধা দেয়।

 
কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৮৩.
(৪৩.৩৭৫)১০ সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান কত?
  1. 110100.101
  2. 101011.011
  3. 111000.100
  4. 1010010.11
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বা দশমিক পয়েন্টযুক্ত (.) ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:3
- ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের ভগ্নাংশ ও পূর্ণ অংশটি আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
- এভাবে গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দিয়ে গুণ করে পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ পৃথক করতে হবে এবং যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ পর্যায়ক্রমে ২ দিয়ে গুণ করে পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ পৃথক করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে। কমপক্ষে পাঁচবার গুণ করার পর ভগ্নাংশ ০ না হলে কার্যক্রম এই অবস্থায় শেষ করতে হবে।
- অতঃপর পূর্ণ অংশের মানগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSB থেকে LSB) পর্যায়ক্রমে সাজালেই কাঙ্ক্ষিত বাইনারি সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।
৩,৪৮৪.
ক্রায়োসার্জারিতে সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজে ডাইমিথাইল ইথার ও প্রোপেন কত তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়?
  1. - 18° C
  2. 24° C
  3. - 41° C
  4. - 68° C
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

• ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজে ডাইমিথাইল ইথার ও প্রোপেন (-৪১° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- তরল নাইট্রোজেন (-১৯৬° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- নাইট্রান অক্সাইড (-৮৯° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- তরল অক্সিজেন (-১৮২.৯° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- সলিড কার্বন-ডাই-অক্সাইড (-৭৯° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৮৫.
LLM মডেল প্রশিক্ষণে কোন GPU ব্র্যান্ডটি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. NVIDIA
  2. AMD
  3. Intel
  4. Apple
ব্যাখ্যা

• LLM বা বড় ভাষার মডেল প্রশিক্ষণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA. NVIDIA-এর GPU-গুলি উচ্চ-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং এবং ডিপ লার্নিং কাজের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত, কারণ এদের আর্কিটেকচার যেমন CUDA, Tensor Cores এবং Ampere বা Hopper সিরিজের GPU মডেলগুলো মেশিন লার্নিং অপারেশন যেমন ম্যাট্রিক্স মাল্টিপ্লিকেশন অত্যন্ত দ্রুত করতে পারে।
- অন্যান্য ব্র্যান্ড যেমন AMD, Intel বা Apple GPU-ও রয়েছে, কিন্তু এদের সফটওয়্যার ইকোসিস্টেম এবং ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সমন্বয় NVIDIA-র তুলনায় সীমিত। তাই আধুনিক LLM মডেল যেমন GPT, BERT বা LLaMA প্রশিক্ষণে প্রধানত NVIDIA GPU ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: ক) NVIDIA.

• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।  
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।  
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।  
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।  
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।  
- সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.

সূত্র: 
- IBM [link]
- OpenAI [link]
- Reuters [link]

৩,৪৮৬.
157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 111
  2. 119
  3. 113
  4. 105
ব্যাখ্যা

• 157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান 111 হয়।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৪৮৭.
সুপার মাইক্রোকম্পিউটার কী নামে পরিচিত?
  1. ক) সার্ভার
  2. খ) ডোমেইন
  3. গ) হোস্ট
  4. ঘ) ওয়ার্কস্টেশন
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
যেমন- সুপার মাইক্রো, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক ইত্যাদি।
সুপার মাইক্রোকম্পিউটার সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রোকম্পিউটার। এটি ওয়ার্কস্টেশন নামে পরিচিত। ওয়ার্কস্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মাঝে একটি সেতু বন্ধন স্বরূপ।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৩,৪৮৮.
Which shortcut is used to "Move up a level in the folder path"?
  1. Alt + Up arrow
  2. Alt + Enter
  3. Alt + Page down
  4. Alt + P
ব্যাখ্যা
• Alt + Up arrow: Move up a level in the folder path.
• Alt + Page down: Move one screen to the right in a worksheet
• Alt + P: Show or hide the preview pane.
• Alt + Enter: Display properties for the selected item.

উৎস: Microsoft support.
৩,৪৮৯.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. এনিয়াক-১
  2. এডস্যাক
  3. পিডিপি-৮
  4. ইউনিভ্যাক-১
ব্যাখ্যা
• প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হলো ENIAC-1.

• ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ইউনিভ্যাক-১।
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এডস্যাক।
- ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার পিডিপি-৮।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৯০.
বর্তমানে যে প্রটোকলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেলিফোন করা যায় তার নাম-
  1. পোস্ট অফিস প্রটোকল
  2. ইন্টারনেট টেলিফোন
  3. ব্রিজ
  4. ভয়েস ওভার আইপি
ব্যাখ্যা
[Voice over IP বা VoIP হলো একটি প্রটোকল যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে টেলিফোন কল করার সুবিধা প্রদান করে। এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।]

- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৪৯১.
ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার হয় কোনটিতে?
  1. ২য় প্রজন্মের ফোনে
  2. ৩য় প্রজন্মের ফোনে
  3. ৪র্থ প্রজন্মের ফোনে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020)
চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলাে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেট
ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে। দ্রুত। চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোন LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে।

৩,৪৯২.
ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরি খোঁজার জন্য মূলত কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়?
  1. LinkedIn
  2. TikTok
  3. YouTube
  4. Twitter
ব্যাখ্যা
• ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরি খোঁজার জন্য মূলত LinkedIn প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা হয়। LinkedIn একটি পেশাদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের পেশাগত প্রোফাইল তৈরি করে, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং শিক্ষা যোগ করতে পারে। এটি নিয়োগদাতা এবং চাকরিপ্রার্থীদের সংযুক্ত করে, যার মাধ্যমে চাকরি খোঁজার সুযোগ সহজ হয়। চাকরির বিজ্ঞপ্তি, পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং ক্যারিয়ার-সম্পর্কিত কনটেন্ট শেয়ার করাও এখানে সম্ভব। এছাড়াও, বিভিন্ন কোম্পানির রিক্রুটাররাও LinkedIn ব্যবহার করে উপযুক্ত প্রার্থী খোঁজেন। তাই ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরির জন্য LinkedIn-ই সবচেয়ে কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।

• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রিড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিশিয়ালি চালু হয়।

• LinkedIn এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা, 
- প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি করতে পারে; 
- চাকরির সন্ধান করতে পারে এবং চাকরিদাতা পেতে পারে; 
- বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির এক্সপার্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; 
- প্রফেশনাল স্কিল শেখার জন্য কোর্স করতে পারে (LinkedIn Learning); 
- বিজনেস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। 

উৎস: LinkedIn Official Website.
৩,৪৯৩.
অটোক্যাড কি ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফটো সম্পাদনা
  2. লেখালেখি করা
  3. নকশা ও ডিজাইন তৈরি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রেখা বা লাইনের সাহায্যে নকশা বা ডিজাইনের কাজ করার জন্য ব্যবহারিক প্রোগ্রাম হল ক্যাড। CAD দ্বারা Copmuter Aided Design/Drafting বুঝায়। এই সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে বাড়ির নকশা, ব্রীজ-কালভার্টের নকশাসহ প্রকৌশল ও স্থাপত্যবিদ্যার যে কোন জটিল নকশা খুব সহজে , কম সময়ে এবং নিখুতভাবে তৈরি করা যায়। ক্যাডের সাহায্যে নকশা অঙ্কনের ক্ষেত্রে মাইক্রোমিলিমিটার পর্যন্ত মাপ নিখুতভাবে করা যায় যা হাতে অঙ্কনের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৩,৪৯৪.
কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হচ্ছে -
  1. জাভা
  2. মেশিন ভাষা
  3. আসেম্বলি ভাষা
  4. উচ্চ স্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হলো মেশিন ভাষা। এটি কম্পিউটারের জন্য সরাসরি বোঝার যোগ্য ভাষা, যা বাইনারি কোড বা ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। কম্পিউটার কোনো উচ্চ স্তরের ভাষা যেমন জাভা বা পাইথন সরাসরি বুঝতে পারে না; এগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয় কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে। মেশিন ভাষা খুবই সহজ এবং নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী দিয়ে কাজ করে, যেমন ডেটা স্থানান্তর, গণনা করা বা শর্ত যাচাই। আসেম্বলি ভাষা হলো মেশিন ভাষার তুলনামূলক সহজ রূপ, যা মানুষের জন্য কিছুটা বোধ্য হলেও কম্পিউটার সেটিও মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়। তাই কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হল মেশিন ভাষা।

- উত্তর: খ) মেশিন ভাষা।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
-  এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
-  এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৯৫.
পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের পরিধি সর্বোচ্চ কত?
  1. ১০ মিটার
  2. ১০০ মিটার
  3. ১৫০ মিটার
  4. ৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network-PAN) :
কোনাে ব্যক্তির দৈনন্দিন ব্যবহৃত ব্যক্তিগত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলাের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা হয়, তাকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা PAN বলে।
PAN -এর ডিভাইসগুলাের মধ্যে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, পিডিএ, মােবাইল, স্ক্যানার, প্রিন্টার ইত্যাদি উল্লেখযােগ্য।
এর পরিধি সর্বোচ্চ 10 মিটার।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩,৪৯৬.
যদি IPv4 ঠিকানার প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ হয়, তাহলে তা কোন শ্রেণির আইপি?
  1. Class E
  2. Class D
  3. Class C
  4. Class B
ব্যাখ্যা

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।

• IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান।
৩. ব্রিটানিকা।

৩,৪৯৭.
রিং টপোলজিতে তথ্য কীভাবে প্রবাহিত হয়? 
  1. নির্দিষ্ট একটি দিকে
  2. একাধিক দিকে
  3. এলোমেলোভাবে
  4. শুধু ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি: 
- রিং টপোলজি গোলাকার বৃত্তের মতো। 
- এই টপোলজিতে প্রত্যেকটা কম্পিউটার অন্য দুটো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত। 
- এই টপোলজিতে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য যায় একটা নির্দিষ্ট দিকে। 
- রিং টপোলজিতে কম্পিউটারগুলোকে কিন্তু বৃত্তাকারে থাকার দরকার নেই; সেগুলো এলোমেলোভাবে থাকতে পারে। কিন্তু যদি সব সময়েই কম্পিউটারগুলোর মাঝে বৃত্তাকার যোগাযোগ থাকে তাহলেই সেটি রিং টপোলজি। 
- উল্লেখ্য এক্ষেত্রে কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যাবে। 

বাস টপোলজি: 

- এই টপোলজিতে একটা মূল ব্যাকবোন বা মূল লাইনের সাথে সবগুলো কম্পিউটারকে জুড়ে দেওয়া হয়। 
- বাস টপোলজিতে কোনো একটা কম্পিউটার যদি অন্য কোনো কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, তাহলে সব কম্পিউটারের কাছেই সেই তথ্য পৌঁছে যায়। 
- তবে যার সাথে যোগাযোগ করার কথা কেবল সেই কম্পিউটারটি তথ্যটা গ্রহণ করে, অন্য সব কম্পিউটার তথ্যগুলোকে উপেক্ষা করে। 
- তবে মূল বাস/ব্যাকবোন নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৪৯৮.
প্রোগ্রামিং ভাষা -
  1. ক) Ruby
  2. খ) CSS
  3. গ) jQuery
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

CSS - Cascading Style Sheets
jQuery - Is a Javascript Library.
Ruby - Programming Language

৩,৪৯৯.
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান চালু করেছিল?
  1. Amazon
  2. IBM
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং প্রথম চালু করেছিল Amazon, তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Amazon। ২০০৬ সালে Amazon তাদের বিদ্যমান অবকাঠামোকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য Amazon Web Services (AWS) চালু করে। AWS-এর মাধ্যমে অনলাইন স্টোরেজ, সার্ভার, ডেটাবেস ও কম্পিউটিং ক্ষমতা ভাড়াভিত্তিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সার্ভার কিনে ও রক্ষণাবেক্ষণ করে কাজ করতে হতো, যা ব্যয়বহুল ছিল। Amazon এই ধারণাকে সহজ, সাশ্রয়ী ও স্কেলযোগ্য করে তোলে, ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং দ্রুত জনপ্রিয় হয় এবং পরবর্তীতে Google, Microsoft ও IBM এই খাতে প্রবেশ করে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩,৫০০.
কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে বলা হয়-
  1. ক) মাদারবোর্ড
  2. খ) রোম বোর্ড
  3. গ) র‍্যাম বোর্ড
  4. ঘ) সিস্টেম ইউনিট
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড হল ব্যক্তিগত কম্পিউটারের মত জটিল ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মূল সার্কিট বোর্ড(পিসিবি)। মাদরবোর্ডকে কখনও কখনও মেইনবোর্ড বা সিস্টেম বোর্ড-ও বলা হয়।