• ডেটাবেস হলো তথ্যসমূহের সুসঙ্গঠিত রূপ। এটি কেবল তথ্য সংরক্ষণই নয়, বরং তথ্যগুলোকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী সহজে অনুসন্ধান, আপডেট এবং বিশ্লেষণ করা যায়। ডেটাবেস সাধারণত বিভিন্ন ধরনের তথ্য যেমন নাম, ঠিকানা, বিক্রয় হিসাব ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্যের অকার্যকর ভাণ্ডারের পরিবর্তে একটি সুসংগঠিত ও ব্যবস্থাপনার উপায় প্রদান করে। ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তথ্য যোগ, মুছে ফেলা বা পরিবর্তন করতে পারে। সুতরাং, ডেটাবেস হলো তথ্যকে কার্যকর, সুনির্দিষ্ট এবং সহজলভ্য রূপে সংরক্ষণের পদ্ধতি।
ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।
• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।