বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ১৩১ · ১০০ / ১৩,০৮৮

.
ক্রায়োসার্জারি কোথায় ব্যবহার করা হয়?
  1. হার্টের অপারেশন
  2. ত্বকের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করার জন্য
  3. হাড় ভাঙা জোড়া লাগানোর জন্য
  4. মস্তিষ্কের সার্জারি
ব্যাখ্যা

ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি

ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
পরিবর্তনযোগ্য মেমোরির উদাহারন কোনটি? 
  1. ক) পাঞ্চ কার্ড
  2. খ) ROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের যে অংশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে উপাত্ত জমা করা হয় তাকে কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরি বলে।
কম্পিউটার, স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন যন্ত্রে মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
মেমোরির ক্ষমতা দুইভাবে প্রকাশ করা হয়। একটি হচ্ছে গতি যা হার্টজ (Hz) দ্বারা এবং অন্যটি হলো ধারণক্ষমতা যা বাইট (Byte) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে নতুন করে লেখা যায় তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন- RAM, Magnetic Disk ইত্যাদি।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অপরিবর্তনীয় মেমোরি বলে। যেমন- পাঞ্চ কার্ড, ROM ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

.
বৈধ ছদ্মবেশ ধারণকারী Malicious প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) File infector
  2. খ) Self-replicating
  3. গ) Trojan
  4. ঘ) Boot sector
ব্যাখ্যা
Trojan Horse হলো একটি বৈধ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশ  ধারণকারী ম্যালিসিয়াস প্রোগ্রাম।
Trojan horse কোনো কম্পিউটার ভাইরাস নয়; ইহা একটি Malware. (সকম maleware কম্পিউটারের ভাইরাস নয়; কিন্তু সকল ভাইরাস ম্যালওয়্যার।)
 
A Trojan horse, or Trojan, is a type of malicious code or software that looks legitimate but can take control of your computer. A Trojan is designed to damage, disrupt, steal, or in general inflict some other harmful action on your data or network.

A Trojan acts like a bona fide application or file to trick you. It seeks to deceive you into loading and executing the malware on your device. Once installed, a Trojan can perform the action it was designed for.

A Trojan is sometimes called a Trojan virus or a Trojan horse virus, but that’s a misnomer. Viruses can execute and replicate themselves. A Trojan cannot. A user has to execute Trojans. Even so, Trojan malware and Trojan virus are often used interchangeably.
 
Source: us.norton.com
.
অ্যাপলের স্লোগান কী?
  1. Connect with Friends and the World Around You
  2. Move fast and break things
  3. Think Different
  4. Blaze your glory!
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও geeksforgeeks.
.
NAND গেইটের আউটপুট কখন 0 হয়?
  1. যখন A = 1, B = 1
  2. যখন A = 0, B = 1
  3. যখন A = 1, B = 0
  4. যখন দুই ইনপুটই 0
ব্যাখ্যা
A=1, B=1 হলে AND = 1 হয়, আর NOT করলে ফলাফল হয় 0।

ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।



উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(2FA)16 = ?
  1. (988)8
  2. (101010111110)2
  3. (772)10
  4. (1372)8
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (2FA)16 কে বাইনারি রূপান্তর: হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অংককে ৪ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।


∴ (2FA)16 = (001011111010)2

• (001011111010)2 কে অক্টালে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৩ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।



∴ (001011111010)2 = (1372)8

অর্থাৎ (2FA)16 = (1372)8
.
GSM সিস্টেমে মাল্টিপল অ্যাক্সেসের জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA 
  2. CDMA
  3. BDMA
  4. OFDMA
ব্যাখ্যা

• GSM সিস্টেমে মাল্টিপল ব্যবহারকারীর জন্য TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই প্রযুক্তিতে একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডকে সময় ভাগে ভাগ করা হয়, এবং প্রতিটি ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট সময় স্লটে যোগাযোগ করে। অর্থাৎ, এক ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে, কিন্তু তাদের সিগন্যালগুলি ভিন্ন সময়ে প্রেরিত হয়। এটি স্পেকট্রাম ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ায় এবং একসাথে অনেক ব্যবহারকারীকে সাপোর্ট দেয়। CDMA, BDMA বা OFDMA অন্যান্য সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু GSM-এর জন্য মূল প্রযুক্তি হলো TDMA, যা ২জি মোবাইল যোগাযোগের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।

- উত্তর: ক) TDMA.

• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মাইক্রোপ্রসেসর সংগঠনকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা

এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে। উপরে উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়।
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ
৩। স্মৃতি

.
নিচের কোন উক্তিটি ইউনিকোড সম্পর্কে সঠিক?
  1. এটি 16 বিটের একটি কোড
  2. এটি শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষার জন্য
  3. এটি ব্যবহার করে বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষা প্রকাশ করা যায়
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষরকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রদর্শন করতে সক্ষম
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যার মধ্যে UTF-8 সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) চ্যাটিং
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মোডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এই মোডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমোদিত সদস্য গ্রহণ করতে পারে। মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাট ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১১.
জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতির সূচনা ঘটেছে কোন শতকে?
  1. অষ্টাদশ শতকে
  2. উনবিংশ শতকে
  3. বিশ শতকে
  4. একুশ শতকে
ব্যাখ্যা
- জ্ঞানই হচ্ছে একুশ শতকের সম্পদ।
- একুশ শতকের পৃথিবী জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির উপর দাঁড়াতে শুরু করেছে।
- একুশ শতকে এসে দুটি নতুন বিষয়ের সাথে আমাদের পরিচয় হয়েছে- এগুলো হচ্ছে- Globalization এবং Internationalization।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন এক পৃথিবী গড়ে উঠেছে যেখানে সারা পৃথিবীর মানুষের মধ্যে যোগাযোগ কার্যক্রম অনেক সহজ হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে বলা হয়-
  1. Centralized database
  2. Cloud database
  3. Distributed database
  4. Relational database
ব্যাখ্যা
• Distributed database:
- একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে Distributed database বলা হয়।
- বিভিন্ন সাইটে 2টি উপায়ে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। যথা:
১. Replication ও
২. Fragmentation.
- ফ্রাগমেন্টেশন দুটি উপায়ে করা যেতে পারে। যথা:
i) Horizontal fragmentation (Splitting by rows) এবং 
ii) Vertical fragmentation (Splitting by columns).

Source: geeksforgeeks [Link]
১৩.
Half Adder কোন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে?
  1. দুইটি সংখ্যা গুন করে 
  2. দুইটি সংখ্যা বিয়োগ করে 
  3. তিনটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
  4. দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
ব্যাখ্যা

• Half Adder হলো একটি মৌলিক লজিক সার্কিট যা দুটি বাইনারি ইনপুট গ্রহণ করে এবং দুইটি আউটপুট প্রদান করে।

Sum (যোগফল):
- XOR গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।
- AND গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।

- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 0 এবং 1, তাহলে Sum হবে 1; যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, Sum হবে 0।
- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, তাহলে Carry হবে 1; অন্য সব ক্ষেত্রে Carry হবে 0।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- Half Adder মাত্র দুটি ইনপুট নিয়ে কাজ করে।
- তিনটি ইনপুটের জন্য Full Adder ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ। 

১৪.
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল কোন কাজটি করে?
  1. প্রতিটি প্রয়োজনীয় ফাইল নিরাপদ স্থানে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে।
  2. কোনো একটি মেসেজ বা ডকুমেন্টকে থার্ড পার্টি দ্বারা সত্যায়িত করে।
  3. ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
  4. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রদান করে।
ব্যাখ্যা

ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে ফায়ারওয়াল।
- এটি অথরাইজ এক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে এক্সেস করার অনুমোদন দেয়। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- সহজভাবে বলা যায়, কোনো কম্পিউটারের সফ্টওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- তবে ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৫.
স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশনে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. উল্লেখিত সকলক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা
♦ সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission).

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ?
  1. ALU
  2. Register set
  3. Control Unit
  4. All above
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি পাবলিক ক্লাউডের উদাহরণ?
  1. Microsoft Azure
  2. Nutanix
  3. Amazon Web Services
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

Microsoft Azure এবং Amazon Web Services উভয়ই পাবলিক ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।
- অপরদিকে, Nutanix মূলত প্রাইভেট ক্লাউড ও হাইব্রিড ক্লাউড সমাধান প্রদান করে, পাবলিক ক্লাউড নয়।
-পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
-পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ:
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের জন্য কোন প্রটোকলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. POP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রটোকল হলো TCP/IP. TCP/IP হলো দুটি মূল প্রটোকলের সমন্বয়, যেখানে TCP (Transmission Control Protocol) ডেটার সঠিক এবং নিরাপদ স্থানান্তর নিশ্চিত করে, আর IP (Internet Protocol) ডেটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। এই প্রটোকল ইন্টারনেটের মৌলিক ভিত্তি, যা ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফারসহ সকল নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য অপরিহার্য। অন্য প্রটোকল যেমন SMTP ইমেইল পাঠানোর জন্য, POP ও IMAP ইমেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই তথ্য বিনিময়ের মূল প্রটোকল TCP/IP।
সঠিক উত্তর: ক) TCP/IP

• অন্য প্রটোকলগুলি:
- IMAP (Internet Message Access Protocol): এটি ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- POP (Post Office Protocol): এটি ইমেইল পেতে এবং মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করতে ব্যবহৃত হয়।

- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): এটি ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তবে TCP/IP হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের মূল প্রটোকল।

• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১৯.
কোন ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম প্রতিটি লাইন অনুবাদ করার পর সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল দেখায়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা

• যে ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম প্রতিটি লাইন অনুবাদ করার পর সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল দেখায়, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলা হয়। ইন্টারপ্রেটার সোর্স কোডকে লাইন বাই লাইন পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে। ফলে, প্রোগ্রাম লেখকেরা প্রতিটি ধাপের ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পারে এবং ত্রুটি থাকলে তা তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করা যায়। অন্যদিকে, কম্পাইলার সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একবারে অনুবাদ করে এবং একটি এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে, ফলে ফলাফল দেখার জন্য পুরো প্রোগ্রাম রান করতে হয়। অ্যাসেম্বলার মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্টারপ্রেটার।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
নিচের কোনটি সহায়ক মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ডডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. প্রসেসর
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একটি সহায়ক মেমরি। 

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
-ম্যাগনেটিক টেপ, ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
ক) র‍্যাম (RAM): প্রাইমারি মেমরি, যা CPU-এর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে, কিন্তু অস্থায়ী (ভলাটাইল) এবং পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য মুছে যায়।
গ) ক্যাশ মেমরি: প্রাইমারি মেমরিরই একটি উচ্চগতির অংশ, CPU-এর কাছাকাছি অবস্থিত, ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য।
ঘ) প্রসেসর: মেমরি নয়, এটি কম্পিউটারের মূল হিসাব-নিকাশকারী অংশ (CPU)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
নিচের কোনটি ভোলাটাইল মেমরি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা

• ভোলাটাইল মেমরি হলো এমন একটি মেমরি যা কম্পিউটার বন্ধ করলে তার মধ্যে থাকা তথ্য হারিয়ে যায়। এটি মূলত দ্রুত ডেটা এক্সেস এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই প্রকার মেমরির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো RAM (Random Access Memory)। যখন আমরা কোনো প্রোগ্রাম চালাই বা ফাইল ব্যবহার করি, তখন ডেটা সাময়িকভাবে RAM-এ রাখা হয় যাতে CPU তা দ্রুত পড়তে এবং লিখতে পারে। অন্যদিকে ROM, SSD বা HDD ভোলাটাইল নয়, অর্থাৎ এগুলোতে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। তাই, কম্পিউটার বন্ধ হওয়ার পর তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতা RAM-এর নেই। সুতরাং, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে ভোলাটাইল মেমরি হলো RAM।

• ভোলাটাইল মেমরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
ফিচার ফোন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) KaiOS
  2. খ) Tizen
  3. গ) Android
  4. ঘ) MacOS
ব্যাখ্যা
KaiOS হচ্ছে ফিচারফোন ভিত্তিক এডভান্সড অপারেটিং সিস্টেম। এই সিস্টেম সম্বলিত ফিচারফোনে ফোরজি সেবা পাওয়া যায়। এর লক্ষ হচ্ছে যারা স্মার্টফোন ক্রয় করার সামর্থ্য রাখেন না তারা যেন ইন্টারনেট ভিত্তিক অধিকাংশ সুবিধা এ ফোনেই ভগ করতে পারেন।
Source: KaiOStech
২৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন প্রযুক্তিগত বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে তৈরি?
  1. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
  2. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানো প্রযুক্তি
  4. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ব্যবহারকারীর অনুভূতি, দৃষ্টি ও শ্রবণকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি কল্পিত বা সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে, যেন ব্যবহারকারী মনে করে যে সে সেই পরিবেশের অংশ। VR হেডসেট, সেন্সর ও স্পেশিয়াল ট্র্যাকিং ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান এবং গতিবিধি সনাক্ত করে, যা কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সিমুলেটেড গ্রাফিক্সে রূপান্তরিত হয়। সিমুলেশন তত্ত্ব ব্যবহার করে বাস্তব পৃথিবীর গতিবিধি ও আচরণের মডেল তৈরি করা হয়, যা ভার্চুয়াল জগতে বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

২৪.
আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত কোন মাধ্যমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়?
  1. ব্লুটুথ
  2. ইনট্রানেট
  3. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

• ই-কমার্স পরিচালনার মাধ্যম:
- ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয়ের একটি ব্যবস্থা।
- আধুনিক যুগে ই-কমার্সের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতা সহজে পণ্য প্রদর্শন, অর্ডার গ্রহণ ও লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ভূমিকা:
- WWW ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
- ই-কমার্সে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে পণ্য ও সেবার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা যায়।
- অনলাইন পেমেন্ট, অর্ডার ট্র্যাকিং ও গ্রাহক সেবা প্রদান সহজ হয়।

• অন্যান্য মাধ্যম:
- ই-কমার্সে মোবাইল কমার্স ও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারও ব্যবহৃত হয়।
- তবে আধুনিক ই-কমার্স পরিচালনার প্রধান মাধ্যম হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক: এটি সীমিত পরিসরের নেটওয়ার্ক, ই-কমার্স পরিচালনার প্রধান মাধ্যম নয়।
- ইনট্রানেট: এটি একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক।
- ব্লুটুথ: স্বল্প দূরত্বে ডাটা আদান-প্রদানের প্রযুক্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
গুগলের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. নিউইয়র্ক
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ম্যানিলা
ব্যাখ্যা
• গুগল:
- ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্টিত হয়।
- গুগল ইনকর্পোরেটেড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক ইন্টারনেট এবং সফটওয়্যার কোম্পানি।
- বিশেষভাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিন, অন লাইন বিজ্ঞাপন সেবা এবং ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য বিখ্যাত।
- এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া মাউন্টেইন ভিউতে অবস্থিত
- স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন পিএইচডি ছাত্র ল্যারি পেইজ এবং সের্গেই ব্রিন গুগলের প্রতিষ্ঠাতা।
- গুগলের বর্তমান CEO Sundar Pichai

উৎস: Google
২৬.
ফটো শেয়ারিং সাইট ইনস্টাগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) Kevin Systrom
  2. খ) Mark Zuckerberg
  3. গ) Mike Krieger
  4. ঘ) ক ও গ উভয়েই
ব্যাখ্যা
Kevin Systrom and Mike Krieger co-founded Instagram and served as CEO and as Instagram's Head of Engineering for 8 years.
Source:Instagram
২৭.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) Fortran
  2. খ) Python
  3. গ) QUEL
  4. ঘ) ALGOL
ব্যাখ্যা
কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Query Language)
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে -
(ক) QUEL - QUEery Language
(খ) QBE - Query By Example
(গ) SQL - Structured Query Language

- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

---------------------------
- Fortran, Python, ALGOL উচ্চতর বা তৃতীয় প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৮.
ছোট থেকে বড় ক্রমানুযায়ী সাজানো কে কি বলে?
  1. ক) ডিসেন্ডিং
  2. খ) অ্যাসেন্ডিং
  3. গ) ইন্টারপ্রিট
  4. ঘ) ডিজাইন
ব্যাখ্যা

ছোট থেকে বড় বা A TO Z ক্রমানুসারে সাজানোকে অ্যাসেন্ডিং এবং Z to A ক্রমানুসারে সাজানোকে ডিসেন্ডিং বলে।
সুত্রঃ নবম দশম (ভোকেশনাল) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (NCTB board বই)

২৯.
একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) হাব
  2. খ) সুইচ
  3. গ) ব্রিজ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্রিজ একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে।
এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
এটি একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এটি অনেকটা সুইচ বা হাব এর মতো।
এক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন নোডকে সংযুক্ত করে অন্যদিকে ব্রিজ একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
৩০.
What is the name for an Internet with emphasis on social networking and content generated by users, and cloud computing?
  1. ক) The Social Internet
  2. খ) Internet 2.0
  3. গ) Web 3.0
  4. ঘ) Web 2.0
ব্যাখ্যা
Web 2.0 is the name for an Internet with emphasis on social networking and content generated by users, and cloud computing.
 
Source: Britannica
৩১.
Instagram এর মালিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. অ্যামাজন
  2. অ্যাপল
  3. গুগল
  4. মেটা প্ল্যাটফর্মস
ব্যাখ্যা
Instagram এর মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস।

Instagram:
- Instagram হলো একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম, যা ছবি ও ভিডিও শেয়ারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ২০১০ সালে চালু করা হয়।
- Instagram-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতারা হলেন কেভিন সিস্ট্রম (Kevin Systrom) এবং মাইক ক্রিগার (Mike Krieger)।
- বর্তমানে Instagram-এর মালিক প্রতিষ্ঠান Meta Platforms Inc., যা Facebook-এর মূল কোম্পানি।
- ২০২২ সালে, Instagram-এর মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় দুই বিলিয়ন (২০০ কোটি)।
- Instagram-এর সদর দপ্তর অবস্থিত মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২.
নিম্নলিখিত কোনটি একটি LAN-এর বৈশিষ্ট্য?
  1. বিভিন্ন দেশ জুড়ে বিস্তৃত
  2. শুধু ওয়্যারলেস সংযোগ ব্যবহার করে
  3. স্যাটেলাইট সংযোগ প্রয়োজন
  4. ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত 
ব্যাখ্যা

• LAN বা Local Area Network হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সাধারণত একটি ছোট ভৌগোলিক এলাকায় ব্যবহৃত হয়, যেমন একটি বাড়ি, অফিস, স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। LAN-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি ছোট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং সাধারণত উচ্চ গতির ডেটা সংযোগ প্রদান করে। এটি তারের (Ethernet) বা ওয়্যারলেস (Wi-Fi) উভয় পদ্ধতিতে কাজ করতে পারে, তবে LAN-এর জন্য স্যাটেলাইট সংযোগ বা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিস্তার জরুরি নয়। তাই LAN-এর সবচেয়ে মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর সীমিত ভৌগোলিক পরিসর এবং দ্রুত, নির্ভরযোগ্য স্থানীয় ডেটা আদানপ্রদানের সুবিধা। সুতরাং, এখানে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
 
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
- LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE.

৩৩.
কোনটি হাফ ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ?
  1. ওয়াকিটকি
  2. মোবাইলফোন
  3. টেলিভিশন
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
ওয়াকিটকি হাফ ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ।
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)।
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)।
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) ।

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।উদাহরণ-ওয়াকিটকি।
• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী),প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৪.
Which generation of language does Intellect belong to?
  1. 2GL
  2. 3GL
  3. 4GL
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

Intellect চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার অন্তর্ভুক্ত। 

অতি উচ্চতর বা Very High Level ভাষা
- কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়।
- উচ্চতর ভাষার তুলনায় চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বা 4GL খুবই সহজ, যদিও 4GL-এর জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার।
- 4GL-এর সাহায্যে সহজেই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি (Query) এবং রিপোর্ট জেনারেটর ও ডেটা সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত ভাষাসমূহ (যেমন SQL) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এসব ভাষায় ইংরেজি ভাষার মত নির্দেশ দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী ডেটাবেসের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারেন।
- পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়।
- এসব ক্ষেত্রে শুধু সরলভাবে প্রক্রিয়াকরণের ফল চাওয়া হয়।
- অধিকাংশ চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় কথোপকথন রীতিতে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকে।
- SQL, NOMAD, P.PG III, FOCUS, Intellect ইত্যাদি কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৩৫.
সিডিতে তথ্য রাইট করার কাজকে কী বলা হয়?
  1. Erasing
  2. Copying
  3. Saving
  4. Burning
ব্যাখ্যা
• সিডিতে তথ্য রাইট করার কাজকে সাধারণত Burning বলা হয়। এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সিডি বা ডিভিডিতে নতুন ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। এই প্রক্রিয়ায় লেজার ব্যবহার করে তথ্যের প্যাটার্ন তৈরি করা হয় যা পরে ডিভাইস পড়তে পারে। Burning এর মাধ্যমে আপনি মিউজিক, ভিডিও, ডকুমেন্ট, বা অন্যান্য ফাইল সিডিতে সংরক্ষণ করতে পারেন। অন্যদিকে, Erasing মানে আগে রাইট করা তথ্য মুছে ফেলা এবং Copying মানে ডাটা অন্য কোনো স্থানে নকল করা। তবে সিডিতে ডাটা স্থায়ীভাবে লেখার জন্য Burning শব্দটি ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো "ঘ) Burning".

• Burning:
- কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
 
উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
কোন মডেলটি পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত?
  1. Commodore 64
  2. Apple I
  3. Altair 8800
  4. IBM PC
ব্যাখ্যা

• পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে Altair 8800 (গ) মডেলটি পরিচিত। এটি ১৯৭৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় এবং ছোট, স্বয়ংক্রিয় ব্যবহারযোগ্য কম্পিউটারের ধারনা বাস্তবে রূপ দেয়। Altair 8800 একটি কিট হিসেবে বিক্রি হত, যা ব্যবহারকারী নিজে গঠন করতে পারত। এর প্রসেসর হিসেবে Intel 8080 ব্যবহার করা হয় এবং এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সম্ভাবনা দেখায়, যা পরবর্তীতে Microsoft-এর মতো সফটওয়্যার কোম্পানির বিকাশে সহায়ক হয়। Altair 8800-এর জনপ্রিয়তা দেখায় যে, সাধারণ মানুষও কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে, এবং এটি পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের সূচনা করে।

পার্সোনাল কম্পিউটার: 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা। 
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট। 

৩৭.
C প্রোগ্রামিং ভাষা কে উদ্ভাবন করেছেন?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. James Gosling
  3. Dennis Ritchie
  4. Paul Berg
ব্যাখ্যা

• Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।

সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে UNIX অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য  প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- ১৯৭০ সালে PDP-11 কম্পিউটারে প্রথম C প্রোগ্রামিং ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছিলো।
- ১৯৭২ সালে এই ভাষার প্রথম রিলিজ হয়।
- C ভাষা একটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main() ফাংশন থাকে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৮.
ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন কোন কম্পিউটারের জনক?
  1. ক) Mark-I
  2. খ) ABC
  3. গ) ENIAC
  4. ঘ) EDSAC
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন (Dr. Howard Aeiken) ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিলো হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল। 

• ইলেট্রনিকস কম্পিউটার: 
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ (Dr. John vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Barry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- এটিই ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calcualtor) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
What type of application software is used to manage and analyze large sets of data?
  1. ক) Spreadsheet software
  2. খ) Database software
  3. গ) Presentation software
  4. ঘ) Design software
ব্যাখ্যা
- Database software is a type of application software that is used to manage and analyze large sets of data.
- It allows users to create, modify, and query databases, as well as to generate reports and perform other data analysis tasks. Examples of database software include Microsoft Access and MySQL.

Reference: Old Dominion University website
৪০.
ওয়াকি টকি কোন পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিট করে?
  1. ক) সিমপ্লেক্স
  2. খ) হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. গ) ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex)

সিমপ্লেক্স:
শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড় বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
যেমন: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স:
হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন: ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স:
ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন: টেলিফোন।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই(উন্মুক্ত)।
৪১.
অতি উচ্চতর ভাষা কোন প্রজন্মের ল্যাংগুয়েজ?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা
  2. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা
  3. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা
  4. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা
ব্যাখ্যা
এ যাবত বহু প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে।

যথা -
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫) : মেশিন ভাষা (Machine Language),
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০) : অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০) : উচ্চতর ভাষা (High Level Language),
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০) : অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language),
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।   

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
কাগজে কালির ফোঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ওএমআর
  2. খ) এমআইসিওআর
  3. গ) ওসিআইআর
  4. ঘ) ওটিপি
ব্যাখ্যা
- পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে বর্তমানে অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) বা ওএমআর (OMR) যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
- ওএমআর বা পঠনযন্ত্র কে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।
- ওএমআর এমন একটি যন্ত্র যা শুধু একটি কাগজে কালির ফোঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে পারে।
- উত্তরপত্রে শিক্ষার্থী প্রদত্ত কালির ফোঁটার অবস্থান ও কম্পিউটারের স্মৃতিতে রক্ষিত সঠিক অবস্থান তুলনা করে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়।
- বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস : কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
What is an embedded computer?
  1. A portable gaming console
  2. A specialized computer within a larger machine
  3. A minicomputer
  4. A general-purpose desktop computer
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৪.
ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইথ:
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইড্থ বলে।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। একে Band Speed ও বলা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ন্যারো ব্যান্ড,
২. ভয়েস ব্যান্ড ও
৩. ব্রড ব্যান্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫.
কোনটি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিরামচিহ্ন
  2. সংখ্যা
  3. অক্ষর
  4. মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা কম্পিউটারে সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন এবং প্রতীককে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরি মূলত অক্ষর (Letter), সংখ্যা (Number), বিরামচিহ্ন (Punctuation) ইত্যাদিতে ভাগ করা হয়। এই ক্যাটাগরিগুলো কম্পিউটারকে প্রতিটি চিহ্নের ধরন ও ব্যবহার বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু মেমোরি (Memory) কোনো ক্যারেক্টার ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত নয়। মেমোরি হলো কম্পিউটারের ডেটা সংরক্ষণ বা প্রসেসিং সংক্রান্ত ধারণা, যা ইউনিকোডের ক্যারেক্টার ধরনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) মেমোরি।


• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৬.
Vizard সফটওয়্যারটি প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্রায়োসার্জারিতে
  2. রোবটিক্সে
  3. ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে
  4. বায়োমেট্রিক্সে
ব্যাখ্যা
• Vizard সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হয় ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolKit, 3D Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথাইয় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে, হাতে একটি ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার। [Jaron Lanier; পূর্ণ নাম Jaron Zepel Lanier]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
F5 কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Safe Mode চালু করা
  2. Refresh করার জন্য 
  3. Fullscreen চালু করা
  4. Rename করা
ব্যাখ্যা

F5 কী সাধারণত Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
নিম্নলিখিত কোনটি আইপি অ্যাড্রেস উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি নয়?
  1. হায়ারোগ্লিফিক্স নোটেশন
  2. ডটেড ডেসিমাল নোটেশন
  3. হেক্সাডেসিমাল নোটেশন
  4. বাইনারি নোটেশন
ব্যাখ্যা

হায়ারোগ্লিফিকস হলো প্রাচীন মিশরীয়দের চিত্রলিপির একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য বা ভাষাকে প্রকাশ করার একটি পদ্ধতি হলেও, আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা আইপি অ্যাড্রেস উপস্থাপনে এর কোনো ব্যবহার নেই।

আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

• একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation):
-উদাহরণ: 192.168.15.5
২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation):
-উদাহরণ: A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation):
- উদাহরণ: 100000011111000.

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Microsoft Windows
  2. MacOS
  3. Blackberry OS
  4. Ubuntu
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫০.
কোন কম্পিউটারে সর্বপ্রথম ম্যাগনেটিক-টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. EDSAC
  2. UNIVAC
  3. ABC
  4. ENIAC
ব্যাখ্যা

◉ UNIVAC-I (১৯৫১ সালে চালু) ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত কম্পিউটার যেখানে ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়াম হিসেবে। 

UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ENIAC হলো প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
নিচের কোন টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব থাকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা

স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচ থাকে, যার সাথে সব কম্পিউটার সরাসরি সংযুক্ত থাকে।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।



উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২.
লজিক গেইট কিসের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. লিনিয়ার অ্যালজেবরা
  2. বুলিয়ান অ্যালজেবরা
  3. ম্যাট্রিক্স অ্যালজেবরা
  4. কমপ্লেক্স অ্যালজেবরা
ব্যাখ্যা

লজিক গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরার উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

​• ​লজিক গেইট 
- ​লজিক গেইট (Logic Gate) বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয়। 
- ​এ সকল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিটকে লজিক গেইট বলে। 
​- গেইট হচেছ ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে একটিমাত্র আউটপুট প্রদান করে। 
- অন্যভাবে বলা যায় যে, যে সকল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যুক্তিভিত্তিক সংকেতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে সে সকল সার্কিটকে লজিক গেইট বলে। 
- ​ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে তিনটি মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার হয়। যথা- ১। অর (OR) গেইট ২। অ্যান্ড (AND) গেইট ৩। নট (NOT) গেইট। 
​- এখানে উল্লেখ্য, ডিজিটাল সিস্টেমে বাইনারি ০ বা ১ প্রকৃতপক্ষে ০ বা ১ ভোল্টেজকে প্রকাশ করে না। 
​- কোন নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ভোল্টেজের লেবেলকে প্রকাশ করে। 
- ​ভোল্টেজ লেবেল ০ থেকে ০.৮ ভোল্ট হলে লজিক ০ এবং ভোল্টেজ লেবেল ২ থেকে ৫ ভোল্ট হয় তাকে লজিক ১ ধরা হয়। 
- ​এই লজিক ০ এবং লজিক ১ এর উপর ভিত্তি করেই বুলিয়ান অ্যালজেবরা কাজ করে এবং লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৩.
'Dial-Up System' কী?
  1. ভিডিও কলিং ফিচার
  2. ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি
  3. টেলিফোন ব্যবস্থা
  4. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২. আইএসডিএন (ISDN),
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband),
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi),
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax) ইত্যাদি।

• ডায়াল আপ সিস্টেম:
- এ ধরনের পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটার মডেমের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- তবে ডায়াল আপ পদ্ধতিটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
আমাজনের ই-বুক রিডার কোনটি?
  1. Mobi
  2. B&N Nook
  3. Equb
  4. Kindle
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক হচ্ছে প্রচলিত মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ যা কম্পিউটার অথবা ই-বুক রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত বইয়ের মতই ই-বুক টেক্সট ও ছবির সমন্বয়ে তৈরি হয় যা আসলে মূল বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ।
- আমাজনের ই-বুক রিডার Kindle ।
- দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
- Amozon এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে।
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়।
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে। 
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক দুই ধরণের ফরম্যাটে হয়ে থাকে। যথা- মবি (mobi) এবং ইপাব (epub)।
- Kindle ডিভাইসে মবি ফরম্যাট ব্যবহৃত হয় এবং ইপাব সাধারণত Apple, Android ও অন্যান্য যে কোন ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।

২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book):
- এই ধরণের ই-বুকের সমস্ত কন্টেন্ট অপরিবর্তনশীল ও স্থায়ী।
- স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী এই ধরণের ই-বুক সমন্বিত হয় না এবং এর অক্ষর কিংবা অক্ষরের আকারও পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
- এই ফরম্যাটের ই-বুক Kindle ডিভাইসে পড়া সম্ভব নয়।
- Barnes & Noble's Nook (B&N Nook) এবং Apple এর ipad এ এই ফরম্যাটের ই-বুক খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (307)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 875
  2. 765
  3. 775
  4. 855
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 775

পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (307)16 = (775)10

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৬.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত কোনটির উপর নির্ভর করে?
  1. Memory Unit
  2. Input Unit
  3. Control Unit
  4. Central Processing Unit
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU-এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
A Terabyte is equal to-
  1. ক) 1024 Megabytes.
  2. খ) 1024 Kilobytes
  3. গ) 1024 Gigabytes
  4. ঘ) 1024 Bytes
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৮.
Firmware is built using -
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Cache Memory
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
Firmware (ফার্মওয়্যার)
- Firmware (ফার্মওয়্যার) হলো কম্পিউটারের রমে সংরক্ষিত কতগুলো স্থায়ী নির্দেশাবলি।
- কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার প্রস্তুতের সময় এর সেমিকন্ডাক্টর রমে কিছু স্থায়ী নির্দেশ সংরক্ষিত করে দেয়, যেগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে।
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM-BIOS হলো এক প্রকার ফার্মওয়্যার।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।

সূত্র: মাইক্রোসফট
৫৯.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) 1 Megabyte = 8 × 106 Bits
  2. খ) 1 Megabyte = 8 × 1012 Bits
  3. গ) 1 Megabyte = 8 × 1010 Bits
  4. ঘ) 1 Megabyte = 8 × 108 Bits
ব্যাখ্যা
1 Megabyte is equal to 8 × 106 Bits.
1 Megabyte = 8 × 106 Bits.
1 Megabyte = 8 × 1000000 Bits.
1 MB = 8000000 bits.

There are 8000000 Bits in a Megabyte.
৬০.
নিচের কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বট নয়?
  1. ক) Netomi
  2. খ) Spanner
  3. গ) ChatGPT
  4. ঘ) BARD
ব্যাখ্যা
- Spanner হচ্ছে রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।

নিম্নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বট এর উদাহরণ:
- Netomi
- ChatGPT
- WP-Chatbot
- Microsoft Bot Framework
- CSML.dev
- Alexa for Business
- Drift
- Salesforce Einstein
- Dasha AI
- SurveySparrow
- ManyChat
- Intercom
- Replika
৬১.
ডেটাবেজ এ কোনগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. এট্রিবিউট ও ফিল্ড
  2. এনটিটি ও টেবিল
  3. এনটিটি সেট ও টেবিল
  4. কলাম ও টেবিল
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ এ এট্রিবিউট ও ফিল্ড একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।

- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৬২.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ও একটি পিসি সরাসরি সংযুক্ত করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. WAN ইন্টারফেস
  2. Parallel ইন্টারফেস
  3. USB ইন্টারফেস
  4. SCSI ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI ড্রাইভগুলোর সাধারণত ৫০টি থেকে ৬৮টি পিন থাকে।
- SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- এই ড্রাইভগুলো সোয়াপেবল (swappable) নয়।
- SCSI হার্ড ডিস্ক সংযোগের জন্য সাধারণত SCSI ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।
- একটি SCSI ক্যাবলে সর্বোচ্চ ১৬টি ড্রাইভ সংযুক্ত করা যায়।
- ক্যাবলে এর আইডেন্টিফিকেশনের জন্য প্রতিটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের একটি ৮ বাইট হেক্সাডেসিম্যাল কোড রয়েছে যা WWN (world wide name) নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
Robot শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. গ্রিক
  2. স্লাভিক
  3. ল্যাটিন
  4. রোমান
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৪.
অক্টাল সংখ্যা 157 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করলে কত পাওয়া যায়?
  1. 105
  2. 111
  3. 113
  4. 119
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৫.
পাইলট প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কোন প্রয়োগটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভার্চুয়াল ল্যাব
  2. ফ্লাইট সিমুলেটর
  3. গেমিং কনসোল
  4. মোশন ক্যাপচার 
ব্যাখ্যা

 পাইলট প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ফ্লাইট সিমুলেটর ব্যবহার করে ঝুঁকিমুক্তভাবে বাস্তব উড়ান–অভিজ্ঞতা দেওয়া হয়।

• দৈনন্দিন জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব (Impact of Virtual Reality in Everyday Life):

• বিনোদন ক্ষেত্রে:
- বিনোদনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)–র সাথে সবচেয়ে বেশি পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
- ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশে নির্মিত ভার্চুয়াল রিয়েলিটি–নির্ভর কম্পিউটার গেম, শিক্ষামূলক গেম, ভার্চুয়াল ভ্রমণ, কার্টুন ও প্রতিযোগিতামূলক দৃশ্য মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- বর্তমানে প্রায় প্রতিটি স্মার্টফোনেই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
- VR ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ কাল্পনিক জগতে প্রবেশ করে বাস্তবের ন্যায় অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।
- সিনেমা ও বিনোদন শিল্পে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারের ফলে দর্শকদের জন্য আরও বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা সৃষ্টি হচ্ছে।
- আধুনিক সময়ে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) ভার্চুয়াল রিয়েলিটির একটি নতুন রূপ হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যেখানে বাস্তব জগতের সাথে ভার্চুয়াল উপাদানের সমন্বয় ঘটে।
 
• প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাক্ষেত্রে:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার ক্ষেত্রগুলোর একটি হলো প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা।
- বিমান চালক প্রশিক্ষণে ফ্লাইট সিমুলেটর ব্যবহার করে বাস্তব ঝুঁকি ছাড়াই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে সার্জারি প্রশিক্ষণ, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং শিল্পকারখানার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণে VR ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ভার্চুয়াল পরিবেশে বাস্তবের ন্যায় পরিস্থিতি তৈরি করে দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হচ্ছে।

• Other Options:
ক) ভার্চুয়াল ল্যাব
→ এটি সাধারণত শিক্ষা বা গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, পাইলট প্রশিক্ষণে নয়।

গ) গেমিং কনসোল
→ এটি বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রশিক্ষণমূলক উড়ান অনুশীলনের জন্য নয়।

ঘ) মোশন ক্যাপচার
→ এটি চলন বিশ্লেষণের প্রযুক্তি, পাইলট প্রশিক্ষণের সরাসরি মাধ্যম নয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৬৬.
কোন সার্কিট কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে?
  1. ক) এনকোডার
  2. খ) ডিকোডার
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) এডার
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে। 

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। 

এডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা। আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায়, তাকে বলে এডার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. ক) ENIAC
  2. খ) IBM-650
  3. গ) IBM-704
  4. ঘ) UNIVAC-1
ব্যাখ্যা

IBM-650 বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম কম্পিউটার।

- IBM কোম্পানি প্রথমে ৫০টি কম্পিউটার তৈরি করলেও পরে ১০০০টির বেশি কম্পিউটার তৈরি করে বাজারে ছাড়ে। 
- ENIAC হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার। 
- UNIVAC-1 হচ্ছে প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার। 
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৬৮.
কোন প্রজন্মে IC - (Integrated Circuit) এর ব্যবহার শুরু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম
  3. পঞ্চম
  4. তৃতীয়
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মে IC - (Integrated Circuit) এর ব্যবহার শুরু হয়।

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
র‍্যাম কোথায় থাকে?
  1. সিপিইউ
  2. এক্সপানসন বোর্ড
  3. মাদারবোর্ড
  4. হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
♦ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে ইন্টারফেস করে তাকে বলা হয়:
  1. কার্নেল
  2. ড্রাইভার
  3. ইউজার ইন্টারফেস
  4. ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে কার্নেল (Kernel) বলা হয়। কার্নেল হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস কন্ট্রোল এবং ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। কার্নেল ছাড়া অপারেটিং সিস্টেম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না কারণ এটি হার্ডওয়্যারের সম্পদগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে হার্ডওয়্যারের সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তাই কার্নেল অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: Techtarget website.
৭১.
বাইনারী পদ্ধতিতে কয়টি প্রতীক ব্যবহার হয়?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে এই দুইটি প্রতিক ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭২.
MICR-এ ব্যবহারের জন্য কোন ফন্টটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত?
  1. E-13B
  2. Calibri
  3. Times New Roman
  4. Arial
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফন্ট হলো E-13B। এই ফন্টটি ব্যাংকিং এবং চেক প্রক্রিয়াকরণে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে ম্যাগনেটিক ইঙ্ক দিয়ে প্রিন্ট করা অক্ষরগুলো সহজে যন্ত্র দ্বারা সনাক্ত করা যায়। E-13B ফন্টের অক্ষরগুলো নির্দিষ্ট আকার ও গঠন অনুসরণ করে, যা চেক, ড্রাফট বা অন্যান্য ব্যাংক ডকুমেন্টের নম্বর এবং তথ্য পড়তে সাহায্য করে। অন্য ফন্ট যেমন Calibri, Times New Roman, বা Arial সাধারণ পাঠ্য প্রয়োগে ব্যবহার হয়, কিন্তু সেগুলোতে ম্যাগনেটিক স্ক্যানিং-এর জন্য যথেষ্ট স্পষ্টতা ও নির্দিষ্টকরণ নেই। তাই ব্যাংকিংয়ে MICR প্রক্রিয়ায় E-13B ফন্টই সবচেয়ে প্রচলিত।

- সঠিক উত্তর: ক) E-13B

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৩.
প্রথম মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটর Pascaline কে তৈরি করেছিলেন?
  1. উইলহেলম লিবনিজ
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. ব্লেইস প্যাসকেল
  4. অ্যালান টুরিং
ব্যাখ্যা

◉ প্রথম মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটরটির নাম ছিল Pascaline (বা Pascal’s Calculator)। এটি তৈরি করেছিলেন ফরাসি গণিতবিদ ও দার্শনিক ব্লেইস প্যাসকেল (Blaise Pascal) ১৬৪২ সালে।

​যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর:
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascaline)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।

আর, ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন।
- তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর। যন্ত্রটির যান্ত্রিক অসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. ডট প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ইমপেক্ট প্রিন্টার
  4. ইঙ্কজেট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লেজার প্রিন্টার: 
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। 
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। 
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়। 
- লেজার প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়। 
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি। 
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন 1200 DPI এবং গতি 24 PPM. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৭৫.
কোনটি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ম
  2. ট্রোজান হর্স
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• মেলওয়্যার (Malware):
- মেলওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- সাধারণভাবে মেলওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি মেলওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরা হয়। যেমন: Ransomware. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৭৬.
এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাক্রমে X, Y, Z কত হবে?
  1. 1, 0, 0
  2. 0, 1, 0
  3. 0, 0, 0
  4. 1, 0, 1
ব্যাখ্যা
• এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাওক্রমে X = 0, Y = 0, Z = 0 হবে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 23 = 8টি ইনপুট হয় তাহলে 3টি আউটপুট হবে।

- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
অন্যের রচনা নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. ফিশিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্ফুফিং
ব্যাখ্যা

• অন্যের রচনা বা লেখা নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করা হলো প্লেজিয়ারিজম। এটি একটি অসৎ কাজ, যেখানে কেউ অন্যের মেধা বা শ্রমের ফল নিজের হিসেবে দাবি করে। লেখক বা স্রষ্টার অনুমতি না নিয়ে তাদের লেখা ব্যবহার করা আইনগত ও নৈতিকভাবে ভুল। প্লেজিয়ারিজম শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচলিত হলেও, এটি গবেষণা ও পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি কেবল লেখার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, গান, ছবি, কোড বা যেকোনো সৃজনশীল কাজকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সতর্কতা অবলম্বন করে নিজের কাজ তৈরি করা এবং অন্যের কাজ ব্যবহার করলে যথাযথ ক্রেডিট দেওয়া উচিত।

- সঠিক উত্তর: গ) প্লেজিয়ারিজম। 
 
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৭৮.
কম্পিউটারের সকল ভাইরাস হলো -
  1. Botnet
  2. Malware
  3. Spyware
  4. Adware
ব্যাখ্যা
- যে কোন malicious সফটওয়্যারকে Malware বলা হয়। 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরণের Malware.
 
Malware is an umbrella term for any malicious software written specifically to infect and harm the host system or its user. 
A computer virus is just one type of malware. 
Just as all squares are rectangles (but not all rectangles are squares), all viruses are malware, but not all malware is a virus.
 
Source: avast.com
৭৯.
পৃথিবীর প্রথম কমপিউটিং মেশিনের নকশাকারি কে?
  1. স্যার চার্লস ব্যাবেজ
  2. লেডি এ্যাডা অগাস্টা ল্যাভ্লেস
  3. জন ভন নিউম্যান
  4. এইচ এডোয়ার্ড রবার্ট
ব্যাখ্যা

- চার্লস ব্যাবেজ পৃথিবীর প্রথম কমপিউটিং মেশিনের নকশাকারী। তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনকও বলা হয়।
- এইচ এডোয়ার্ড রবার্ট মাইক্রোকম্পিউটার এর জনক।
- লেডি এ্যাডা অগাস্টা ল্যাভ্লেস পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার।

৮০.
BCD কোড 1000 0100 কোন দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 72
  2. 64
  3. 82
  4. 84
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা ৪-বিট বাইনারি আকারে প্রকাশ করা হয়। এখানে প্রতিটি চারটি বিট একটি একক দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে। দেওয়া BCD কোডটি হলো 1000 0100। প্রথম চার বিট 1000 হলো বাইনারি সংখ্যা 8, যা দশমিক সংখ্যা 8 নির্দেশ করে। দ্বিতীয় চার বিট 0100 হলো বাইনারি সংখ্যা 4, যা দশমিক সংখ্যা 4 নির্দেশ করে। সুতরাং, পুরো BCD কোডটি একত্র করলে এটি দশমিক সংখ্যা 84 প্রকাশ করছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 84। BCD কোড সাধারণত ডিজিট ভিত্তিক কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংখ্যা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
The first machine to successfully perform a long series of arithmetic and logical operations was:
  1. ক) ENIAC
  2. খ) Mark I
  3. গ) Analytic engine
  4. ঘ) UNIVAC-I
ব্যাখ্যা
The IBM Automatic Sequence Controlled Calculator, called Mark I by Harvard University’s staff, was a general purpose electromechanical computer that was used in the war effort during the last part of World War II. One of the first programs to run on the Mark I was initiated on 29 March 1944 by John von Neumann.
Source: britannica.com
৮২.
'অনুবাদক প্রােগ্রাম' কি ধরণের সফটওয়্যার?
  1. সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সাপোর্ট সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার:
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৮৩.
প্রতিরক্ষা বা ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা বা ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে মেশ টপোলজি ব্যবহৃত হয়।
এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য (n - 1) সংখ্যক সংযোগের প্রয়োজন হয়।
এই নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা n(n - 1)/2

সূত্র - ICT, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি , বোর্ড বই
৮৪.
Symbian মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. স্যামসাং
  2. মাইক্রোসফট
  3. নকিয়া
  4. অ্যাপল
ব্যাখ্যা
স্মার্টফোনে যে সকল অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত হয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- গুগলের অ্যান্ড্রয়েড,
- অ্যাপলের আইওএস (iOS),
- রিমের ব্ল্যাকবেরি,
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ,
- নকিয়ার সিম্বিয়ান (Symbian) ও
- স্যামসাংয়ের বাডা
৮৫.
কোন ধরনের ইমেইল ফোল্ডারে সাধারণত অনাবশ্যক মেসেজ রাখা হয়?
  1. Sent
  2. Inbox
  3. Spam
  4. Drafts
ব্যাখ্যা
• অনাবশ্যক বা স্প্যাম মেসেজ সাধারণত Spam ফোল্ডারে রাখা হয়। স্প্যাম মেইল হলো এমন মেসেজ যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া প্রেরিত হয় এবং এতে সাধারণত বিজ্ঞাপন, ম্যালওয়্যার বা অবাঞ্ছিত প্রচার থাকে। এই ধরনের মেইলগুলো ব্যবহারকারীর ইনবক্সে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, তাই ইমেইল সার্ভিসগুলো স্প্যাম ফোল্ডার তৈরি করে যাতে এই মেইলগুলো আলাদা রাখা যায়। এতে ব্যবহারকারী সহজেই গুরুত্বপূর্ণ মেইল থেকে স্প্যাম মেইল পৃথক করতে পারে এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- অন্য ফোল্ডার যেমন Sent, Inbox, ও Drafts সাধারণত যথাক্রমে প্রেরিত, প্রাপ্ত এবং খসড়া মেইল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই স্প্যাম মেসেজ রাখার জন্য স্প্যাম ফোল্ডারই সঠিক।


• ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৬.
MS PowerPoint এ Slide Show করার জন্য কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F8
  2. F6
  3. F5
  4. F7
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
• F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F1 দিয়ে আমরা কম্পিউটার রানিং করতে পারি।
- এক্সেল এবং ওয়ার্ডে রিবন মেনু লুকিয়ে ডাটা প্রদর্শন করে।
  
• F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা। 
- Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ (print preview) দেখা।

• F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের ক্যাপিটাল ওয়ার্ড থেকে স্মল ওয়ার্ডে লেখা। 
- প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ করা যায়। 
- MS-DOS এ ব্যবহার করে লাস্ট কম্যান্ড লাইন রিপিট করা যায়।
- ফায়ারফক্স এবং গুগল ক্রোমে অনুসন্ধান করার অপশন খোলে।

• F4 last action performed repeat করা যায়।
- Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

• F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
- Ctrl + F5 একটি ওয়েব পৃষ্ঠা সম্পূর্ণরূপে রিফ্রেশ করবে, ক্যাশে ক্লিন করবে এবং পুনরায় ডাউনলোড করবে।

• F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।

• F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- মজিলা ফায়ার ফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। 
- Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান (Dictionary) চালু করা যায়।
 
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]

• F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে রিফ্রেশ (Refresh) করতে ব্যবহার করা হয়।
- Microsoft Outlook এ ইমেল পাঠায় এবং গ্রহণ করে।

• F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- Shift + F10 = রাইট-ক্লিক। অর্থাৎ (Shift + F10) রাইট ক্লিকের মতো কাজ করে।

• F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- Shift + F11 এক্সেলে একটি নতুন স্প্রেডশীট যোগ করে। 
- সমস্ত খোলা উইন্ডো লুকিয়ে রাখে

• F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F12 কী চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। 
- Ctrl + F12 কী চেপে MS Word এর নতুন ফাইল খলার জন্য ব্যাবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড (Microsoft Word) ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

Source: Microsoft Support
৮৭.
কে প্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন?
  1. ক) Charles Babbage
  2. খ) Lady Ada Augasta Byron
  3. গ) Blaise Pascal
  4. ঘ) John Napier
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত কবি Lord Byron এর কন্যা Lady Ada Augasta Byron এই বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন।
তাই, তাকে পৃথিবীর প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয়।

Charles Babbage- Different Engine আবিষ্কার করায়, তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
Blaise Pascal একজন ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ যিনি Pascal's Calculator আবিষ্কার করেন, যা পৃথিবীর প্রথম ক্যালকুলেটর।
John Napier সৃষ্টি করেন লগারিদমস।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮৮.
এমবেডেড কম্পিউটারের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. হাই-এন্ড গ্রাফিক্স প্রসেসিং
  2. কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন
  3. বড় আকারের কম্পিউটিং ডিভাইস
  4. সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি ডিভাইস, যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য অপ্টিমাইজড। 

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯.
ইলেকট্রনিক বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বাণিজ্য করাকে কি বলে?
  1. ক) ই-লার্নিং
  2. খ) ই-সার্ভিস
  3. গ) ই-কমার্স
  4. ঘ) ই-গভর্ন্যান্স
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স। ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই বলা হয় ই-কমার্স (E-commerce)। ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। 

ই-লার্নিং এক ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। 

ই-সার্ভিস হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান

ই-সরকারের ধারণার একটি জনপ্রিয় উপায় হল প্রযুক্তিগতভাবে মধ্যস্থতামূলক মিথস্ক্রিয়াগুলির তিনটি ক্ষেত্রের মধ্যে পার্থক্য করা। সরকার-থেকে-সরকার মিথস্ক্রিয়া সরকারী আমলাতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত, উদাহরণস্বরূপ, রুটিন কাজগুলির স্বয়ংক্রিয়করণ এবং বিভাগ এবং সংস্থাগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে। সরকার-থেকে-ব্যবসায়িক মিথস্ক্রিয়া সাধারণত ফার্মগুলি থেকে পণ্য এবং পরিষেবাগুলি কেনা এবং বিক্রি করার জন্য সরকারের খরচ কমাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকে জড়িত করে। সরকার-থেকে-নাগরিক মিথস্ক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাবলিক পরিষেবা এবং অনলাইনে লেনদেন এবং দ্রুত ইলেকট্রনিক ফিডব্যাক মেকানিজম, যেমন তাত্ক্ষণিক ভোট, ওয়েব সমীক্ষা এবং ই-মেইল অন্তর্ভুক্ত করে পরিষেবাগুলির নকশা এবং বিতরণ উন্নত করা জড়িত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রস্তুতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা
৯০.
ভিএলএসআই (VLSI) চিপ নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. খ) মাদারবোর্ড
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯১.
Which of the following is an input device?
  1. OCR
  2. Printer
  3. Monitor
  4. Speaker
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। 
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। যেমন:
→ কি-বোর্ড (Keyboard),
→ মাউস (Mouse),
→ ট্যাকবল (Trackball),
→ জয়স্টিক (Joystick),
→ ওএমআর (OMR),
→ ওসিআর (OCR),
→ স্ক্যানার (Scanner),
→ ডিজিটাইজার (Digitizer),
→ টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
→ লাইটপেন (Lightpen),
→ বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
→ পয়েন্ট অফ সেল (Point of Sale),
→ গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
→ ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়‍্যারসমূহ হলো:
→ মনিটর (Monitor),
→ প্রিন্টার (Printer),
→ প্লটার (Ploter),
→ স্পিকার (Speaker),
→ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
→ ইমেজ সেটার (Image Setter),
→ ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
→ হেড ফোন (Headphone), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
কোনটি Pay-As-You-Go ক্লাউড মডেলের সুবিধা?
  1. পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর
  2. ব্যবহার ট্র্যাক করার প্রয়োজন নেই
  3. উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগ
  4. সবসময় সীমাহীন রিসোর্স
ব্যাখ্যা

• Pay-As-You-Go (PAYG) ক্লাউড মডেলটি মূলত খরচ কার্যকর এবং নমনীয়তা প্রদান করে। এতে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র ব্যবহৃত রিসোর্সের জন্যই অর্থ প্রদান করেন, যা বিশেষভাবে পরিবর্তনশীল লোড বা ট্রাফিকের জন্য উপযোগী। অর্থাৎ, হঠাৎ চাহিদা বাড়লেও অতিরিক্ত খরচ হয় না এবং কম ব্যবহারের সময় কম খরচ হয়। এই মডেলে কোনো উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই, এবং ব্যবহার ট্র্যাক না করলে খরচ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে। এছাড়া, রিসোর্স সীমাহীন নয়; এটি প্রদানকৃত পরিমাণ অনুযায়ী সীমিত। তাই মূল সুবিধা হলো “পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর”।

সঠিক উত্তর: ক) পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

⚪ যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডেটা ডিলিট করা
  2. ডেটা দেখতে সার্চিং দ্রুত করা
  3. ইনডেক্সিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা
  4. ডুপ্লিকেট রেকর্ড প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

- Primary Key হলো টেবিলের এমন একটি ক্ষেত্র বা কলাম  যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে।
- কোনো টেবিলে একটি মাত্র Primary Key থাকতে পারে।
- Primary Key-এর মান null (ফাঁকা) হতে পারে না এবং একই মান (duplicate) রাখা যায় না।

উদাহরণ:
 ধরা যাক Student টেবিলে Student_ID হলো Primary Key।

টেবিলে অন্য কোনো কলাম যেমন Name ডুপ্লিকেট হতে পারে, কিন্তু Primary Key ইউনিক।
এখানে Student_ID ইউনিক হওয়ায় 101 আবার দেওয়া যাবে না।

উৎস: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৯৪.
প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম সহ কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. মার্ক-১
  2. এডভাক
  3. এডসাক
  4. এনিয়াক
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালে নির্মিত EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

[UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।]

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল )।
৯৫.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট এক্সটেনশন ফাইল?
  1. .wav
  2. .csv
  3. .bmp
  4. .html
ব্যাখ্যা
• Music and sound files:
.mp3
.wav

• Picture files:
.bmp
.gif
.jpg
.png

• Operating system files:
.dll
.exe

• Text and word processing documents:
.doc
.docx
.rtf
.txt

• Spreadsheet files:
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

• Web Page files:
.htm
.html

উৎস: Computerhope Website.
৯৬.
মেটার বর্তমান (জুন, ২০২৪) সিইও কে?
  1. পল অ্যালেন
  2. অরবিন্দ কৃষ্ণ
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. ইলন মাস্ক
ব্যাখ্যা
• Facebook/Meta:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার বর্তমান (জুন, ২০২৪) CEO: মার্ক জাকারবার্গ [Jul 2004 – present]
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ জানুয়ারি ২০০৪।
- বাণিজ্যিক নাম: মেট।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
নিচের কোনটির সাথে ই-পুর্জি সম্পর্কিত?
  1. আখ চাষি
  2. জমির রেকর্ড
  3. রেলওয়ের টিকেট
  4. বাংলাদেশ ডাক বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা।
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

• ই-পর্চা সেবা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।

• ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস):

- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায় ।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে এই সেবা পাওয়া যায় ।

• রেলওয়ের ই-টিকেটিং ও মোবাইল টিকেটিং:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট এখন মোবাইল ফোনেও ক্রয় করা যায়।
- আবার অনলাইনেও টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে, নিজের সুবিধামতো সময়ে রেলস্টেশনে না গিয়েও নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকেট সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
৯৮.
কম্পিউটার কোন ভাষাকে সরাসরি প্রক্রিয়া করতে পারে?
  1. হাই-লেভেল ভাষা
  2. সি++
  3. সিউডোকোড
  4. মেশিন ভাষা 
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সরাসরি মেশিন ভাষা প্রক্রিয়া করতে পারে। মেশিন ভাষা হলো বাইনারি কোডের একটি ধারা, যা ০ এবং ১ দিয়ে গঠিত। এটি কম্পিউটারের প্রসেসর বুঝতে পারে এবং সরাসরি হার্ডওয়্যারে কার্যকর হয়। অন্যদিকে, হাই-লেভেল ভাষা যেমন সি++, জাভা বা পাইথন মানুষের জন্য বোঝার উপযোগী হলেও কম্পিউটার সরাসরি এটি বুঝতে পারে না। এগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার ব্যবহার করা হয়। সিউডোকোড শুধু প্রোগ্রামের লজিক বোঝানোর জন্য লেখা হয়, এটি কার্যকর কোড নয়।
- তাই, কম্পিউটার সরাসরি যে ভাষা প্রক্রিয়া করতে পারে, তা হলো মেশিন ভাষা।

 
• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯.
ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে কোন ডিভাইস?
  1. হাব
  2. মডুলেটর
  3. সুইচ
  4. ডিমডুলেটর
ব্যাখ্যা
মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা-
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
গাণিতিক কাজে কোন ধরনের কমান্ড গ্রুপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Alignment 
  2. খ) Styles
  3. গ) Cell
  4. ঘ) Editing
ব্যাখ্যা

এডিটিং কমান্ড গ্রুপ ব্যাবহার করে গাণিতিক কাজ করা যায়।

- Data fill, Clear, Sort, Filter, ইত্যাদি কাজে এই কমান্ড গ্রুপ ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।